Blog

  • Tarapith: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    Tarapith: তারা মায়ের অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা! জানেন কী কী থাকে তারাপীঠে মায়ের ভোগে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শক্তিপীঠ, সিদ্ধপীঠ তারাপীঠ (Tarapith)। কালীপুজোয় (Kali Puja 2022)জমজমাট বীরভূমের তারাপীঠ। অনেকে ভাবেন এটি সতীপীঠ কিন্তু তারাপীঠ সতীপীঠ নয়। কথিত আছে, একবার দেবীর মাতৃরূপ দর্শন চান বশিষ্ঠ মুনি ৷ দেবীও নিরাশ করেননি ৷ এখানেই তাঁকে মাতৃরূপে দর্শন দেন দেবী। এখানেই তপস্যা করে সিদ্ধিলাভ করেন তারা মায়ের ভক্ত বামাক্ষ্যাপা। ফলে এটি সিদ্ধ পীঠ হিসেবেও পরিচিত। আজ, সোমবার অমাবস্যায় রীতি মেনে পুজো হবে এখানে। আলোয় সেজে উঠেছে মন্দির চত্বর।

    আরও পড়ুন: জনশ্রুতি, তাঁর নামেই হয়েছে রানাঘাট শহরের নামকরণ, জানুন রণ ডাকাতের কালীপুজোর গল্প

    এদিন সকালে স্নানের পর দেবীর শিলাব্রহ্মময়ী মূর্তিকে রাজবেশে সাজিয়ে তোলা হয়।  পরানো হয় চুনরি। এরপর পঞ্চ উপাচারে মঙ্গলারতি এবং নিত্যপুজো সম্পন্ন হয়। কালী পুজোর দিন খুব সকালে ডাবের জল দিয়ে শুরু হয় মায়ের ভোগ। সকালের ভোগে থাকে পাঁচ রকম বা ন’রকমের ভাজা, সাদা অন্ন, পায়েস ও মিষ্টি। এখানে মাকে পঞ্চব্যঞ্জন সহযোগে ভোগ নিবেদন করা হয় ৷ আমিষ ভোগের মূল উপাদান হল শোল মাছ। ভোগের পাতে এই মাছ না থাকলে ভোগ গ্রহণ করেন না মা তারা। কালীপুজোর দিন তারা ভোগ হিসেবে থাকে পোলাও, খিচুড়ি, সাদা ভাত, পাঁচরকম ভাজা, পাঁচ মিশালি তরকারি, মাছ, চাটনি, পায়েস এবং মিষ্টি। এখানকার অন্নভোগের বিশেষত্বই হল পোড়া শোলমাছ মাখা। 

    আরও পড়ুন: জানুন, সাতের দশকের কলকাতার ডন ‘ফাটাকেষ্ট ও তাঁর কালীপুজোর গল্প‌’

    দীপান্বিতা অমাবস্যা উপলক্ষ্যে নিয়ম-নিষ্ঠা মেনে হয় বিশেষ সন্ধ্যারতি। এরপর নিবেদন করা হয় লুচি, পায়েস, সুজি দিয়ে শীতল ভোগ। তারা মায়ের যে ভাবে ভোগ পুজো হয়, সেই একই ভাবে পুজো করা হয় শ্মশান কালীকে। শ্মশানেই রয়েছে মায়ের আসল শিলা পাদুকা। তার পাশে বামদেবের সমাধি। তারাপীঠের নিয়ম অনুযায়ী সন্তানকে খাইয়ে তবেই তারা মা ভোগ গ্রহণ করেন। তাই বামদেবের ভোগ আগে দেওয়া হয়। ভোগের তালিকায় রয়েছে প্রেত ভোগও। ডাকিনী যোগিনীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া এই ভোগ শ্মশানেই দেওয়া হয়। রাতে এক বারই এই ভোগ আয়োজন থাকে। বামদেবের খুব প্রিয় কুকুর ছিল শিবা। তার জন্যও থাকে বিশেষ ভোগের আয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cyclone Sitrang: জারি হয়েছে লাল সতর্কতা, সিত্রাং মোকাবিলায় তৎপর প্রশাসন

    Cyclone Sitrang: জারি হয়েছে লাল সতর্কতা, সিত্রাং মোকাবিলায় তৎপর প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলাদেশেই আছড়ে পড়তে চলেছে ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং (Cyclone Sitrang)। মঙ্গলবার সকালে স্থলভাগে প্রবেশ করবে এই ঘূর্ণিঝড়। এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব পড়বে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্যে। পশ্চিমবঙ্গেই বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা সবথেকে বেশি। পাশাপাশি উত্তর-পূর্বের একাধিক রাজ্য, ত্রিপুরা, অসম, মিজোরাম, মণিপুর ও নাগাল্যান্ডেও ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    সিত্রাং-এর প্রভাবে ভোর রাত থেকেই বৃষ্টি শুরু হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিভিন্ন এলাকায়। বইছে ঝোড়ো হাওয়া। কুলতলি ব্লকের কৈখালিতে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে এনডিআরএফ (NDRF) দল। ঘূর্ণিঝড় নিয়ে মাইকে সতর্ক করা হচ্ছে l এছাড়াও সতর্ক করছেন সুন্দরবন এলাকার বন কর্মীরা। 

    সিত্রাং পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সাগর, কুলতলি, কাকদ্বীপ গোসাবা সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রস্তুর এনডিআরএফ ও এসডিআরএফ দল। অপেক্ষাকৃত নিচু এলাকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কন্ট্রোল রুমের নম্বরগুলি হল ০৩৩-২৪৪৮৮০৫১ এবং ০৩৩-২৪৪৮৮০৫২।    

    জেলা শাসকের দফতরে তরফ থেকে, ঝড়ের উপর সর্বক্ষণ নজর রাখার জন্য রয়েছে বিশেষ জায়ান্ট স্ক্রিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জেলার যে পাঁচটি জায়গায় ক্ষতির সম্ভাবনা সব থেকে বেশি সেই জায়গাগুলিতে লাইভ মনিটারিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। একজন আধিকারিক সবসময় সেদিকে নজর রাখবেন। 

    আরও পড়ুন: মঙ্গলবার ভোরে ল্যান্ডফল, কোথায় আছড়ে পড়ছে সিত্রাং?  

    এ দিকে, শনিবার রাতের মধ্যে তিরে ফিরে এসেছে মৎস্যজীবী ট্রলারগুলি। প্রায় ৩৫০০টি ট্রলার ফিরে এসেছে। এখনও কোনও ট্রলার সমুদ্রে আছে কি না তা খোঁজ নিয়েছে পুলিশ। বকখালির ফ্রেজারগঞ্জ ঘাঁটির উপকূল রক্ষী বাহিনী ও ড্রোনিয়ার দিয়ে ট্রলারের খোঁজ চালানো হয়েছে। জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যরা বেলায় সাগর ও কাকদ্বীপে মাইকিং করছে।   

    আবহাওয়া দফতরের তরফে ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা, মিজোরাম, মণিপুর ও নাগাল্যান্ডে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ ও অরুণাচল প্রদেশে। আসামের কাচার, করিমগঞ্জ ও হালাইকাণ্ডিতে লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মিজোরামের ১১টি জেলায়, ত্রিপুরার ৮টি জেলায় ও নাগাল্যান্ডের ১৬টি জেলাতেও লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।   

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।     

  • Government employee: কাজে গাফিলতি! দোষী প্রমাণ হলে সরকারি কর্মীদের বন্ধ হয়ে যাবে পেনশন, গ্র্যাচুইটি?

    Government employee: কাজে গাফিলতি! দোষী প্রমাণ হলে সরকারি কর্মীদের বন্ধ হয়ে যাবে পেনশন, গ্র্যাচুইটি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিএ (DA) উপহার দেওয়া হয়েছে। দেওয়া হয়েছে বোনাসও। জোড়া উপহার পেয়ে যারপরনাই খুশি কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীরা (Government employee)। তবে এবার তাঁদের দেওয়া হল সতর্কবার্তাও (Warning)। কেন্দ্রের তরফে জারি করা ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়েছে, কাজের সময় আরও সতর্ক হোন। কাজের ক্ষেত্রে অবহেলা করবেন না। যদি তা প্রমাণ হয়, তাহলে অবসরের পর বন্ধ হয়ে যাবে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটিও। এই নির্দেশিকা প্রযোজ্য হবে কেবল কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের ক্ষেত্রে। রাজ্য চাইলে এর ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    কিছুদিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের (Government employee) ডিএ ৩৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩৮ শতাংশ। বেসিক পে-র ৩৮ শতাংশ হারে ওই ভাতা দেওয়ার কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে তা কার্যকর করা হবে বলেও জানানো হয়। এর পর দেওয়া হয়েছে বোনাসও। এসবের সঙ্গে এবার দেওয়া হল সতর্কবার্তাও। সম্প্রতি এক নির্দেশিকা জারি করে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, যদি কোনও কেন্দ্রীয় সরকারি (Government employee) কর্মী গুরুতর দোষী সাব্যস্ত হন অথবা তাঁর কর্মজীবনে কোনও কিছু অবহেলার প্রমাণ মেলে, তাহলে অবসরের পর বন্ধ করে দেওয়া হবে পেনশন ও গ্র্যাচুইটি। এই যে নির্দেশিকা জারি হয়েছে, তা সেন্ট্রাল সিভিল সার্ভিসেস পেনশন রুল ২০২১ এর অধীনে। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই সিসিএস পেনশন রুলস ৮ পরিবর্তন করেছে। এই বদল করতে গিয়েই তিনটি নয়া বিধান অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। নিয়মে যে পরিবর্তন আনা হয়েছে তা পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষের কাছে। ওই নির্দেশিকায় এও বলা হয়েছে, যদি কোনও সরকারি কর্মীর বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ ওঠে এবং তা প্রমাণিত হয়, তাহলে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি বন্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

    নয়া নিয়মে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সম্পূর্ণ অধিকার রয়েছে পেনশন এবং গ্র্যাচুইটি পুরোপুরি কিংবা আংশিক বন্ধ করে দেওয়ার। একমাত্র দোষী প্রমাণিত হলে তবেই তা করা যাবে। কর্মজীবনে যদি বিভাগীয় কিংবা বিচার বিভাগীয় কোনও পদক্ষেপ করা হয়, তাহলে অবশ্যই তা জানাতে হবে সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের। অবসরের পর কোনও কর্মী যদি পুনর্নিযুক্ত হন, তাহলেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে।

     

  • Early Marriage: চাকরি নেই, ২১ ছোঁওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে বাংলার সিংহভাগ মহিলার!

    Early Marriage: চাকরি নেই, ২১ ছোঁওয়ার আগেই বিয়ে হয়ে যাচ্ছে বাংলার সিংহভাগ মহিলার!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ ছোঁওয়ার আগেই বিয়ের (Marriage) পিঁড়িতে বসে যান পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal) ও ঝাড়খণ্ডের (Jharkhand)  অর্ধেকেরও বেশি মহিলা। কম বয়সে মা হওয়ায় ভগ্নস্বাস্থ্য হচ্ছেন তাঁরা। জন্মের পর থেকে সন্তানও হচ্ছে কমজোরি। কী কারণে কম বয়সে বিয়ে (Early Marriage) করে ফেলছেন এই দুই রাজ্যের মেয়েরা? কারণ জানলে চমকে উঠবেন আপনিও। বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের মধ্যে এই দুই রাজ্যে মহিলাদের চাকরির সুযোগ কম। তাই ঘরে বসে থেকে সময় নষ্ট না করে বিয়ে করে সংসারি হয়ে পড়ছেন এই দুই রাজ্যের সিংহভাগ মহিলা। আরও জানা গিয়েছে, সরকারের যেসব উন্নয়নমূলক প্রকল্প রয়েছে, তার সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন তাঁরা। যার জেরে নিত্য বাড়ছে কম বয়সে বিয়ের প্রবণতা। তবে বিশেষজ্ঞদের একাংশ আবার এই ডেটায় সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, এই সমীক্ষা করা হয়েছিল কোভিড অতিমারি পরিস্থিতিতে।

    তবে ওই সমীক্ষা থেকে এটা স্পষ্ট যে, দেশের মধ্যে কেবল বাংলা ও ঝাড়খণ্ডই সেই রাজ্য যেখানে অর্ধেকেরও বেশি মহিলার বিয়ে হয়ে যায় একুশ বছর হওয়ার আগেই। সমীক্ষায় প্রাপ্ত পরিসংখ্যান বলছে, বাংলার  মহিলাদের মধ্যে ৫৪.৯ শতাংশের বিয়ে হয়ে যায় একুশের গণ্ডী পার হওয়ার আগেই। ঝাড়খণ্ডের ক্ষেত্রে এটা ৫৪.৬ শতাংশ। শতাংশের হিসেবে গোটা দেশের গড় ২৯.৫।

    আরও পড়ুন: “পশ্চিমবঙ্গ, না কি হিটলারের জার্মানি?” টেট উত্তীর্ণদের উপর পুলিশের বলপ্রয়োগে ট্যুইট শুভেন্দু অধিকারীর

    সমীক্ষা থেকে আরও জানা যাচ্ছে, শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে সমস্যাটা আরও বেশি। গ্রামাঞ্চলের মহিলারা সম্মানজনক কাজ পান না। তাই তাঁদের মা-বাবারা তাড়াতাড়ি বিয়ে (Early Marriage) দিয়ে দেন মেয়েদের। একথা বলছেন কংগ্রেস নেত্রী দীপিকা পাণ্ডে সিং। ঝাড়খণ্ডে বাল্যবিবাহ রোধে কাজ করছেন দীপিকা। তিনি বলেন, ঝাড়খণ্ডে বাল্য বিবাহের প্রবণতা রয়েছে সমাজের সর্বস্তরে। উপজাতি, হিন্দু, সংখ্যালঘু, শিক্ষিত-অশিক্ষিত, ধনী-গরিব নির্বিশেষে সর্বত্র। জনসচেতনতা বাড়াতে ধারাবাহিক প্রচারের প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি। দীপিকার কথার প্রতিধ্বনি শোনা গেল কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিদ্যার অধ্যাপক সুকন্যা সর্বাধিকারীর গলায়। তিনিও বলেন, গ্রামাঞ্চলে অল্প বয়সী মেয়েদের কাজের সুযোগ কম। তাই কবে চাকরি পাবেন, সেই ভরসায় না থেকে তাঁদের অনেকেই বসে পড়ছেন বিয়ের পিঁড়িতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Liz Truss : ৪৪ দিনের প্রধানমন্ত্রী,  আজীবন বার্ষিক ভাতা ১ কোটি টাকা!

    Liz Truss : ৪৪ দিনের প্রধানমন্ত্রী, আজীবন বার্ষিক ভাতা ১ কোটি টাকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ৪৪ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রীত্ব ছাড়লেন ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস (UK Prime Minister Liz Truss resignation)।অর্থনৈতিক সংকট কাটানোর চ্যালেঞ্জ নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন লিজ ট্রাস। কিন্তু কাঙ্ক্ষিত লক্ষ অর্জন করতে না পারায় পদত্যাগ করেন তিনি।দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময় প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালনের লজ্জার রেকর্ড গড়েছেন তিনি।

    তবে যতদিনই দায়িত্ব পালন করুন না কেন, এখন তার গায়ে রয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর তকমা। ফলে যুক্তরাজ্যের একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর জন্য যা যা সুবিধা রয়েছে তার সবই পাবেন লিজ ট্রাস।চলমান আর্থিক সংকটের মাঝে ব্রিটেনের এই সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে বিপুল অর্থ কেন পেনশন দেয়া হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। যদিও ব্রিটিশ সরকারের দাবি, নিয়ম মেনেই এই পেনশন দেয়া হবে লিজ ট্রাসকে। উল্লেখ্য, ১৯৯১ থেকে পেনশনের আওতাভুক্ত হয়েছেন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটের সাবেকরা।ব্রিটেনের সবথেকে স্বল্প মেয়াদের প্রধানমন্ত্রী হলেও ‘পাবলিক ডিউটি কস্টস অ্যালাউন্স’ (পিডিসিএ) থেকে লিজ এখন এই ভাতা পাওয়ার অধিকারী।

    ব্রিটেনের করদাতাদের অর্থ থেকে প্রতি বছর অন্তত ১ লাখ ১৫ হাজার ব্রিটিশ পাউন্ড (১ লাখ ২৯ হাজার মার্কিন ডলার), যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১ কোটি টাকার বেশি অর্থ তুলতে পারবেন লিজ ট্রাস।

    ক্ষমতায় আসার পর কর্পোরেট কর কমানোর মতো বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ও অর্থনৈতিক অস্থিরতার দায়ে দলীয় এমপিদের ক্ষোভের পর ২০ অক্টোবর বাধ্য হয়েই পদত্যাগের ঘোষণা দেন তিনি। এর আগে আর কোনও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে এত অল্প সময়ে প্রধানমন্ত্রিত্ব ছাড়তে হয়নি। একই সঙ্গে লিজ ট্রাসের মতো আর কাউকে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কয়েক সপ্তাহের মধ্যে নিজের দলেরই সদস্যদের বিরোধিতার মুখেও পড়তে হয়নি। ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ পার্টির ১৩ জন এমপি সরব হয়েছিলেন লিজ ট্রাসের ইস্তফার দাবিতে। তবে ৪৪ দিনের প্রধানমন্ত্রী হয়েও লাভবানই হলেন তিনি।

    এই আর্থিক ব্যয়ভারের ব্যাখ্যা দিয়ে ব্রিটেনের প্রশাসন জানিয়েছে, জনমানসে এই ব্যক্তিত্বদের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। সে কথা মাথায় রেখেই তাদের জনহিতকর কাজ এবং সেক্রেটারি রাখার খরচ বাবদ সরকারের পক্ষ থেকে এই ভাতা দেওয়া হয়।

    এই অর্থ সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হলেও তার ভার কিন্তু বহন করতে হয় দেশটির জনগণকেই। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Saudi Prince: মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সফরে আসছেন সৌদির প্রধানমন্ত্রী বিন সালমান!

    Saudi Prince: মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সফরে আসছেন সৌদির প্রধানমন্ত্রী বিন সালমান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে ভারত সফরে আসছেন সৌদি আরবের যুবরাজ (Saudi Prince) তথা প্রধানমন্ত্রী মহম্মদ বিন সালমান। সূত্রের খবর, নভেম্বরের মাঝামাঝি ভারত (India) সফরে আসার কথা তাঁর। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০ বৈঠকে যোগ দিতে আসবেন বিন সালমান। ওই সফরের পথেই তিনি আসবেন ভারতে।

    দীর্ঘ দিন সৌদির যুবরাজ (Saudi Prince) থাকার পর মাস খানেক আগে ওই দেশের প্রধানমন্ত্রী পদে অভিষিক্ত হন বিন সালমান। বছর সাঁইত্রিশের বিন সালমান ইতিমধ্যেই অর্থ, প্রতিরক্ষা, তেল এবং স্বরাষ্ট্র সহ সে দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন মন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সৌদির বাদশাহ সালমান বিন আবদুল আজিজের নির্দেশে মন্ত্রিসভায় আনা রদবদলের সূত্রেই প্রধানমন্ত্রী পদে বসানো হয় বিন সালমানকে। তার পর এই প্রথমবার ভারত সফরে আসছেন তিনি। জানা গিয়েছে, বিন সালমান ভারতে আসবেন নভেম্বরের ১৪ তারিখে। চলে যাবেন তার পরের দিন। সেপ্টেম্বর মাসে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের মাধ্যমে বিন সালমানকে আমন্ত্রণপত্র পাঠান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণ রক্ষা করতেই দু দিনের ভারত সফরে আসছেন বিন সালমান।

    চলতি সপ্তাহেই ভারত সফরে এসেছিলেন সৌদি আরবের শক্তিমন্ত্রী আবদুল আজিজ বিন সালমান। ওপেক প্লাস তেল উৎপাদনে কাটছাঁট করেছে। সেই কারণেই সৌদির যুবরাজের (Saudi Prince) আগে এক দিনের ভারত সফরে এসেছিলেন সে দেশের বিদ্যুৎ মন্ত্রী। ভারতে আসার সঙ্গে সঙ্গে তিনি অনলাইনে কথা বলেছেন চিনা আধিকারিকদের সঙ্গেও। সৌদির বিদ্যুৎ মন্ত্রী ভারত সফরে এসে বাণিজ্য এবং শিল্পমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল, তৈলমন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী এবং শক্তিমন্ত্রী আরকে সিংয়ের সঙ্গেও কথা বলেছিলেন। প্রসঙ্গত, সৌদি আরবে সাধারণত প্রধানমন্ত্রিত্বের রাশ নিজেদের হাতেই রাখেন বাদশাহরা। ছেলে মহম্মদ বিন সালমানকে প্রধানমন্ত্রী করার মাধ্যমে তিনি নিঃশব্দে সেরে ফেললেন ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া। রাজ দরবার সূত্রে অবশ্য প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বিষয়ে কোনও কারণ দর্শানো হয়নি।

     

  • Google Play Store: গুগল প্লে স্টোর ১৬ টি অ্যাপ সরিয়ে দিয়েছে

    Google Play Store: গুগল প্লে স্টোর ১৬ টি অ্যাপ সরিয়ে দিয়েছে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি গুগল তার প্লে-স্টোর (Google Play Store) থেকে ১৬ টি অ্যাপ অত্যাধিক ডেটা ব্যবহার ও ব্যাটারি ড্রেনেজের কারণে সরিয়ে দিয়েছে। শুধু বেশি ব্যাটারি নয়, এই অ্যাপগুলি গোপনে ব্যবহারকারীর মোবাইল ডেটাও (Mobile Data) ব্যবহার করে আসছিল। জনপ্রিয় অ্যান্টি-ভাইরাস কোম্পানি ম্যাকাফি (McAfee) দ্বারা এই অ্যাপগুলি শনাক্ত করা হয়েছে। অ্যান্টি-ভাইরাস কোম্পানিটির রিপোর্টের পরেই গুগল এই অ্যাপগুলিকে প্লে-স্টোর থেকে সরিয়ে দিয়েছে। এই অ্যাপগুলি সরানোর আগে ইউটিলিটি বিভাগের অংশ ছিল। এই অ্যাপগুলি ফ্ল্যাশলাইট, ক্যামেরা, কিউআর রিডিং এবং পরিমাপ রূপান্তরের মতো অনেক বৈশিষ্ট্য অফার করে।

    আরও পড়ুন: একচেটিয়া বাজার দখলের অভিযোগে গুগলকে জরিমানা করল ভারত সরকার

    আসুন জেনে নিন কোন অ্যাপগুলিকে গুগল তার প্ল্যাটফর্ম থেকে সরিয়ে দিয়েছে।

    • কারেন্সি কনভার্টার
    • হাই-স্পিড ক্যামেরা
    • স্মার্ট টাস্ক ম্যানেজার
    • টর্চলাইট+
    • কে-ডিকশেনারি
    • কুইক নোট
    • ইজডিকা
    • ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল ডাউনলোডার
    • ইজ নোট

    আরও পড়ুন: ভুয়ো খবর ঠেকাতে ফেসবুকের গ্রুপ অ্যাডমিনদের জন্য নতুন ফিচার

    প্রতিবেদনে বলা হয়েছে মোবাইলে এই অ্যাপগুলি ইন্সটল করলে অ্যাপগুলি অতিরিক্ত কোড ডাউনলোড করে, ব্যবহারকারীদের প্রতারণা করতে পারে। ব্যবহারকারীদের অজান্তেই এই অ্যাপগুলি ডিভাইসগুলিতে বিজ্ঞপ্তি পাঠায়, যার ফলে পেছনে ওয়েব পেজ খুলে যায়। অজান্তেই ফোনের ব্যাকগ্রাউন্ডে এই বিজ্ঞাপনগুলি চলতে থাকে। এর ফলে ব্যবহারকারীদের ডেটা এবং ফোনের ব্যাটারি দুটোই খরচ হয়। নিরাপত্তা সংস্থার মতে, এই অ্যাপগুলির মধ্যে কিছু অ্যাডওয়্যারের কোড রয়েছে, যার নাম কম.লাইভপোস্টিং (com.liveposting)।

    এই কোডটি একটি এজেন্টের মতো কাজ করে,  লুকনো অ্যাডওয়্যার পরিষেবা চালায়। অন্যদিকে, কিছু অ্যাপে কম.ক্লিক.ক্যাস (com.click.cas)-এ একটি এডিশন লাইব্রেরি রয়েছে, যা স্বয়ংক্রিয় ক্লিক ফাংশনে কাজ করে। যদি আপনার ফোনে উপরের তালিকায় থাকা কোনও অ্যাপ থাকে, গুগল অবিলম্বে অ্যাপটি ডিলিট করতে বলছেন ব্যবহারকারীদের।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
     
  • T20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়-পরাজয়ের দৌড়ে কে কোথায় ?

    T20 World Cup: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জয়-পরাজয়ের দৌড়ে কে কোথায় ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘মাদার অব অল ব্যাটলস’। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচকে এভাবেই দেখে ক্রিকেট দুনিয়া। বিশ্বের যে প্রান্তই হোক না, দুই প্রতিবেশী দেশের ব্যাট-বলের যুদ্ধ ঘিরে দারুণ উন্মাদনা চোখে পড়ে। একদিনের ক্রিকেট বিশ্বকাপে একটা সময় একচেটিয়া প্রাধান্য ছিল ভারতের। টি-২০ বিশ্বকাপে এখনও পর্যন্ত দুই দলের সাক্ষাৎ ঘটেছে ছ’বার। দেখে নেওয়া যাক, করা কতবার জিতেছে?
    ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্ব
    প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। ম্যাচ টাই হয়। শেষ পর্যন্ত বোল-আউটে ৩-০ ব্যবধানে জয়ী হয় মহেন্দ্র সিং ধোনির ভারত।
    ২০০৭ টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনাল
    ফাইনালে ফের মুখোমুখি হয়েছিল ভারত-পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে ভারত ১৫৭ রান তুলেছিল। জবাবে মিসবা-উল-হকের ৪৩ রানের সুবাদে জয়ের আশা জাগিয়ে তুলেছিল পাকিস্তান। কিন্তু নাটকীয়ভাবে ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। ১৫২ রানে থেমে যায় পাকিস্তানের লড়াই। ৫ রানে ম্যাচ জিতে প্রথম টি-২০ বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত।
    ২০১২ টি-২০ বিশ্বকাপ
    গ্রুপ পর্বের লড়াইয়ের পাকিস্তানকে ৮ উইকেটে হারিয়েছিল ভারত। লক্ষ্মীপতি বালাজির অনবদ্য বোলিংয়ের সুবাদে পাকিস্তানকে ১২৮ রানে আটকে রাখতে সফল হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। জবাবে ব্যাট করতে নেমে সহজেই লক্ষ্যে পৌঁছে গিয়েছিল ভারত। ৭৮ রানে অপরাজিত ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি।
    ২০১৪ টি-২০ বিশ্বকাপ
    দাপটের সঙ্গে পাকিস্তানকে ৭ উইকেটে হারিয়েছিল ভারত। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৩০ রানে গুটিয়ে যায় পাকিস্তান। জবাবে ন’বল বাকি থাকতেই জয়ের কড়ি জোগাড় করে নেয় ‘মেন ইন ব্লু’।
    ২০১৬ টি-২০ বিশ্বকাপ
    বিশের ফরম্যাটে ভারতের দাপট অব্যাহত থাকে। পর পর পাঁচটি ম্যাচ জেতার পর ভারতের বিরুদ্ধে মুখ থুবড়ে পড়েছিল পাকিস্তান। বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল ১১৯ রান। কোহলি ফের ৫৫ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন। ১৩ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় টিম ইন্ডিয়া।
    ২০২১ টি-২০ বিশ্বকাপ
    অবশেষে চাকা ঘোরে। দুবাইয়ে ভারতকে ১০ উইকেটে হারিয়ে দেয় পাকিস্তান। শাহিন আফ্রিদির পেসের সামনে ভারতীয় ব্যাটসম্যানরা সেভাবে মাথা তুলতে পারেনি। ১৫১ রানেই সন্তুষ্ট থাকতে হয় কোহলিদের। কিন্তু বাবর আজমরা কোনও উইকেট না হারিয়েই ম্যাচ জিতে যায়।

  • Dengue: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, রাজ্যে এক সপ্তাহেই আক্রান্ত প্রায় ৭ হাজার

    Dengue: ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্ত, রাজ্যে এক সপ্তাহেই আক্রান্ত প্রায় ৭ হাজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের বাড়বাড়ন্ত ডেঙ্গির (Dengue)। একদিনে আক্রান্ত হলেন ১০৯৪ জন৷ গত এক সপ্তাহে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৬৮০৷ এমনটাই জানিয়েছে রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর৷ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও ভয়ঙ্কর রূপ নিচ্ছে মশাবাহিত এই রোগ৷ 

    এবছর এই অবধি কত জনের মৃত্যু হয়েছে সে বিষয়ে এখনও পরিষ্কার করে কিছু জানা যায়নি৷ যদিও সূত্রমতে, ইতিমধ্যেই এই রোগে অন্তত ৩৭ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ যার মধ্যে শিশুও রয়েছে৷ এবছর এখনও অবধি রাজ্যে মোট ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৪৫৩। গ্রাফ এখন ঊর্ধ্বমুখী। প্রতি সপ্তাহে রাজ্যে ডেঙ্গির সামগ্রিক রিপোর্ট প্রকাশ হয় বৃহস্পতিবার। শুক্রবার সামনে এসেছে স্বাস্থ্য দফতরের রিপোর্ট। তাতে দেখা যাচ্ছে, এই সপ্তাহে আক্রান্তের সংখ্যা এই বছরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি। 

    স্বাস্থ্য আধিকারিকদের মতে, আগে প্রতি সপ্তাহে আক্রান্ত হচ্ছিলেন ৩-৪ হাজার জন। এ বার এক সপ্তাহেই আক্রান্তে সংখ্যা এক লাফে সাড়ে ৬ হাজারে পৌঁছেছে। আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি উত্তর চব্বিশ পরগণায়৷ এ ছাড়াও উত্তরবঙ্গেও আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে৷

    আরও পড়ুন: ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’, কালীপুজোতেও বৃষ্টিতে ভাসবে রাজ্য!  

    শুধুমাত্র উত্তর চব্বিশ পরগণাতেই গত এক সপ্তাহে আক্রান্ত হয়েছেন ১৬২৭ জন৷ দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে মুর্শিদাবাদ এবং হুগলি জেলা৷ যদিও কলকাতার অবস্থা তুলনামূলক ভালো। এমনটাই জানিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। 

    অবহাওয়ার পরিবর্তনও ডেঙ্গির বাড়বাড়ন্তের অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা৷ দক্ষিণবঙ্গ থেকে এখনও বর্ষা বিদায় নেয়নি৷ এখনও বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টিপাত হচ্ছে। ফলে জমে থকছে জল। আর তাতেই বংশবিস্তার করছে ডেঙ্গির মশা।  

    আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কালীপুজোর আগে বৃষ্টিপাত হতে পারে৷ আর তাতে আরও আশঙ্কিত হচ্ছে বিশেষজ্ঞরা। কারণ জোরে বৃষ্টিতে মশার ডিম বা লার্ভা নষ্ট হলেও হাল্কা বা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিতে জল জমে বাড়তে পারে মশা৷ 

    ডেঙ্গি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে প্রস্তুত থাকতে চাইছে প্রশাসন। ডেঙ্গির জন্যে এমআর বাঙ্গুরে ১১৯টি শয্যা এবং বেলেঘাটা আইডিতে ৮০টি শয্যা রাখা হয়েছে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Shivraj Patil: শিবরাজের ‘গীতা-জিহাদ’ সম্পর্কের কথা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ, সাফ কথা বিজেপির

    Shivraj Patil: শিবরাজের ‘গীতা-জিহাদ’ সম্পর্কের কথা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ, সাফ কথা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গীতা (Gita) নিয়ে কংগ্রেসের (Congress) প্রবীণ নেতা শিবরাজ পাটিলের (Shivraj Patil) মন্তব্যের জেরে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল বিজেপি। তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদও (VHP)। কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন বিজেপির মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীও। তিনি বলেন, এই মন্তব্যের দায় নেওয়া উচিত কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়গে অথবা কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর।  

    বৃহস্পতিবার বই প্রকাশের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে শিবরাজ (Shivraj Patil) বলেন, কেবল কোরানে নয়, জিহাদের (Jihad) উল্লেখ রয়েছে শ্রীমদ্ভগবদগীতায়ও! এর পরেই দেশজুড়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। শিবরাজের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে গোটা দেশে। কড়া মন্তব্য করেন গেরুয়া নেতৃত্বও। বিজেপির মুখপাত্র সঈদ শাহনাওয়াজ হুসেন শিবরাজকে আক্রমণ করেন বলেন, একজন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, শিবরাজ পাটিল (Shivraj Patil) জিহাদের সঙ্গে গীতার সংযোগ খুঁজে পেয়েছেন! আমরা জানি কংগ্রেস হিন্দু সমাজের ওপর রেগে রয়েছে। হুসেন বলেন, কিন্তু জিহাদের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের সংযোগের কথা বলে কংগ্রেস না হিন্দু, না মুসলমান কাউকেই খুশি করতে পারবে না।

    বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্র সেহজাদ পুন্নাওয়ালা বলেন, ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে শিবরাজ পাটিল (Shivraj Patil) শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে জিহাদের বার্তা দিয়েছিলেন বলে দাবি করছেন। এর পরে পরেই আমরা দেখছি কংগ্রেসের অন্য এক মুখপাত্র উদিত রাজ হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছেন। এই দুই ঘটনা সমাপতন নয়, ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখার খেলা। বিজেপির দাবি, এটা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ।

    আরও পড়ুন: অর্জুনকে জিহাদের শিক্ষা দিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ! কংগ্রেস নেতা বলেন কী?

    বিজেপির আর এক নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু, হিন্দুত্ব এবং হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। পাটিলের (Shivraj Patil) মন্তব্য এরই অন্য একটি অধ্যায়। কংগ্রেস নেতারা আগেও বোকা হারাম এবং তালিবানের সঙ্গে হিন্দুত্বের তুলনা টেনেছিল। শিবরাজের (Shivraj Patil) এই বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদও। পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিলিন্দ পারান্ডে কংগ্রেসকে একহাত নিয়ে বলেন, তারা দায়িত্বজ্ঞানহীন। সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে এবং সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে এসব করছে। এর পরেই শিবরাজকে নিশানা করে তিনি বলেন, আমি জানি না উনি (পাটিল) কোন গীতা পড়েছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেতার দাবি, গীতার কোথাও জিহাদের কোনও উল্লেখ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share