Blog

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের জালে আরও ২, কে কে জানেন?

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআইয়ের জালে আরও ২, কে কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি (Recruitment Scam) মামলায় গ্রেফতার তাপস মণ্ডল (Tapas Mandal)। রবিবার দুপুরে তাঁকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই (CBI)। তাপস প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি তথা তৃণমূল বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্যের ঘনিষ্ঠ। এদিন দুপুরে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাঁকে ডেকে পাঠিয়েছিল সিবিআই। টানা ঘণ্টা তিনেক জেরা করা হয় তাপসকে। তার পরেই করা হয় গ্রেফতার। যদিও তাঁকে কেন গ্রেফতার করা হয়েছে, তা তিনি জানেন না বলেই দাবি করেছেন তাপস। তাপস ছাড়াও এদিন সিবিআইয়ের জালে পড়েছেন আরও এক অভিযুক্ত নীলাদ্রি ঘোষ। সোমবার দুজনকেই তোলা হবে আদালতে।

    নিয়োগ দুর্নীতি…

    নিয়োগ দুর্নীতির (Recruitment Scam) মামলায় তদন্তে নেমে গ্রেফতার করা হয় প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের অপসারিত সভাপতি মানিক ভট্টাচার্যকে। তাঁকে জেরা করে জানা যায় তাপসের নাম। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসাত পুরসভার ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাঠোর রোডের দেবীপুরের বাসিন্দা তাপস। বছর কুড়ি ধরে ওই এলাকায় রয়েছেন তিনি। স্ত্রী, দুই ছেলে ও পুত্রবধূকে নিয়ে সংসার তাঁর। ইডির চার্জশিটে নাম ছিল তাপসের। সম্প্রতি নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার হন হুগলির যুব তৃণমূল নেতা কুন্তল ঘোষ। তিনি সরাসরি অভিযোগের আঙুল তোলেন তাপসের দিকে। কুন্তল ও তাপসকে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করলে বহু অজানা তথ্যের সন্ধান মিলবে বলে তদন্তকারীরা মনে করেন। সেই কারণেই রবিবার তাঁকে ডেকে পাঠায় সিবিআই। এদিন তাঁকে জেরাও করা হয়। পরে করা হয় গ্রেফতার।

    আরও পড়ুুন: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    এর আগে তাপস সিবিআইকে জানিয়েছিলেন, তাঁর অফিস থেকে টাকা নিয়ে এজেন্টরা পৌঁছে দিতেন কুন্তলের কাছে। কুন্তলের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে চাকরি প্রার্থীদের ওএমআর শিটের কপিও উদ্ধার করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তাপসকে জেরা করেই নিয়োগ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত আর্থিক লেনদেনের (Recruitment Scam) মামলায় বৃহত্তর চক্রের সন্ধান পায় সিবিআই এবং ইডি। তাপসকে জেরা করে জানা যায় নীলাদ্রির নাম। কুন্তলের কাছ থেকে দু দফায় তিনি ৬ লক্ষ টাকা পেয়েছিলেন বলেও সিবিআইকে জানিয়েছিলেন নীলাদ্রি। বছরখানেক আগে দুজন চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে দু লক্ষ টাকা নিয়ে গোপাল দলপতিকে দিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীদের জানিয়েছিলেন তাপস। এদিন তাপস এবং নীলাদ্রি দুজনকেই গ্রেফতার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Suvendu Adhikari: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভার জন্য খরচ কোটি কোটি টাকা, উৎস কী’, প্রশ্ন শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রশাসনিক সভার নামে খরচ হচ্ছে গুচ্ছের টাকা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল (TMC) সরকারের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ নতুন নয়। তবে এবার রীতিমতো হিসেব দিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) জানিয়ে দিলেন বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর সভায় বাসের জন্য খরচ হয়েছে ৭৮ লক্ষ টাকা। বাঁকুড়ার জেলাশাসকের কাছে ওই খরচের সূত্র জানতে চেয়েছেন শুভেন্দু।

    শুভেন্দুর অভিযোগ…

    জেলায় জেলায় নিয়মিত প্রশাসনিক সভা করে বেড়ান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে নিয়ে চলেন বিস্তর লোকলস্কর। সেখানে গিয়ে সুবিধাভোগীদের নানা সুবিধা দেন। তার আড়ালে ভোটের প্রচারও চলে বলে অভিযোগ। ১৭ ফেব্রুয়ারি বাঁকুড়ায় প্রশাসনিক সভা করেন মমতা। রাজ্য সরকারের এই কর্মসূচিতে স্কুল পড়ুয়া ও বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধাভোগীরা উপস্থিত ছিলেন। বাঁকুড়ার আঞ্চলিক পরিবহণ অফিসারের স্বাক্ষর করা কয়েকটি কাগজ তুলে ধরে শুভেন্দুর অভিযোগ, ৭০০ বাসে করে এই স্কুল পড়ুয়া ও সুবিধাভোগীদের নিয়ে আসা হয়েছে।

    ট্যুইট-বার্তায় শুভেন্দু লেখেন, ১৭ ফেব্রুয়ারি বাঁকুড়ায় মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় ছাত্রছাত্রী ও গরিব সুবিধাভোগীদের ৭০০ বাসে করে আনতে ৭৮ লাখ টাকা খরচ করা হয়েছে। ওই ট্যুইটেই তিনি (Suvendu Adhikari) বলেন, জনগণের টাকা খরচ করে ছাত্রছাত্রীদের রাজনৈতিক বক্তৃতা শুনতে বাধ্য করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুুন: ‘যারা ভিন্ন মতাদর্শের লোকজনের পা চাটে…’, নাম না করে উদ্ধবকে নিশানা শাহের

    মুখ্যমন্ত্রীর ওই সভায় যে লোক আনা হয়েছে, তাদের নিয়ে আসা হয়েছে বাঁকুড়ার বিভিন্ন ব্লক ও পুরসভা থেকে। শুভেন্দুর ট্যুইট থেকে জানা যাচ্ছে, সব চেয়ে বেশি বাস এসেছে বড়জোড়া এলাকা থেকে। সেখান থেকে ৫২টি বাস আনতে খরচ করা হয়েছে ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া বাঁকুড়ার বিভিন্ন এলাকা থেকে লোক আনতে বাস প্রতি খরচ হয়েছে ১২ হাজার টাকা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) ট্যুইট থেকেই জানা গিয়েছে, সভার জন্য মোতায়েন করা হয়েছিল ৮ হাজার পুলিশ কর্মী, তৈরি করা হয়েছিল উন্নত ধরনের স্টেজ। সব মিলিয়ে মাত্র ৪০ মিনিটের সভার জন্য খরচ হয়েছে ৩-৪ কোটি টাকা। তাঁর প্রশ্ন, এই টাকা এল কোথা থেকে? বাঁকুড়ার ডিএম ব্যাখ্যা দিন। তাঁর আরও প্রশ্ন, রাজ্যের এই আর্থিক সংকটের সময় ওই টাকা কি মিড-ডে মিলের টাকা থেকে এসেছে?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • TCS: অন্যত্র চাকরি হারানো কর্মীদের খুঁজছে টিসিএস, কেন জানেন?

    TCS: অন্যত্র চাকরি হারানো কর্মীদের খুঁজছে টিসিএস, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্বজুড়ে মন্দার প্রভাব। এরই আগে আগে গিয়েছে করোনা অতিমারি পর্ব। বহু সংস্থা কর্মী ছাঁটাই করে সামাল দিয়েছে উদ্ভূত পরিস্থিতি। তবে এই অবস্থায়ও একজন কর্মীকেও ছাঁটাই (Layoff) করেনি টিসিএস (TCS)। টাটার এই সংস্থা যে কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা ভাবছেও না, তা স্পষ্ট করে দিয়েছেন কোম্পানির এক শীর্ষ কর্তা। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে টিসিএসের চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার মিলিন্দ লাক্কাদ বলেন, টিসিএসে থাকা কর্মীদের ছাঁটাই তো করা হবেই না, উল্টে অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কাজ হারানো কর্মীদের আমরা খুঁজছি। দেশের বৃহত্তম এই আইটি প্রতিষ্ঠান ওই কর্মীদের প্রতিভাকে কাজে লাগাবে বলেও জানান তিনি। বিশ্বজুড়ে নানা অছিলায় কর্মী ছাঁটাই করছে বিভিন্ন কোম্পানি। সেখানে উল্টো পথে হাঁটছে টিসিএস।

    লাক্কাদ বলেন…

    সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে লাক্কাদ বলেন, আমরা (TCS) এটা (ছাঁটাই) করি না। আমরা বিশ্বাস করি কর্মীর প্রতিভাকে কাজে লাগাতে। তাই আমাদের কোনও কর্মীকে ছাঁটাই করা হবে না। টিসিএসের এই কর্তা বলেন, অনেক কোম্পানি ছাঁটাইয়ের মতো কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়। কারণ তারা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি লোক নিয়োগ করে। এমতাবস্থায় সতর্ক টিসিএস বিশ্বাস করে কোনও কর্মী যদি আমাদের কোম্পানিতে কাজে যোগ দেন, তাহলে কোম্পানির দায়িত্বই হল তাঁকে উৎপাদনশীল করে তোলা। লাক্কাদ বলেন, যদি দেখা যায় যে সব কর্মীর প্রয়োজনীয় দক্ষতা নেই, তাঁকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, শেখার জন্য আরও অনেক বেশি সময় দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুুন: ‘আমরা একটি দেউলিয়া দেশে বাস করছি’, প্রকাশ্য সভায় জানালেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    সম্প্রতি এক লপ্তে প্রচুর কর্মী ছাঁটাই করে খবরের শিরোনামে চলে এসেছে গুগুল। শুধু ভারতের অফিসেই তারা ছাঁটাই করেছে ৪৫৩ জনকে। সব মিলিয়ে প্রায় ১২ হাজার কর্মীকে ছাঁটাই করেছে এই সংস্থা। শিক্ষা এবং প্রযুক্তি ক্ষেত্রেও চাকরি খুইয়েছেন বহু কর্মী। চাকরি খোয়ানো এই সব দক্ষ কর্মীদেরই খুঁজছে টিসিএস। টিসিএসের (TCS) এই আধিকারিক জানান, এটা (টিসিএস) একটা বিরাট চাঁদোয়ার মতো। বিভিন্ন প্রযুক্তির নানা ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করছি আমরা। আমি মনে করি, ওই সব জায়গায় প্রতিভার প্রয়োজন। যাঁরা আমাদের এখানে যোগ দেবেন। ওই সব কোম্পানিতে যাঁরা ভাল কাজ করতেন, অথচ চাকরি গিয়েছে, আমরা মূলত তাঁদেরই খুঁজছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Shivratri: শিব মন্দিরে প্রবেশে বাধা, দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জখম অন্তত ১৪

    Shivratri: শিব মন্দিরে প্রবেশে বাধা, দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে জখম অন্তত ১৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিবমন্দিরে (Shivratri)  প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের সংঘর্ষ। জখম অন্তত ১৪ জন। শনিবার ঘটনাটি ঘটে মধ্যপ্রদেশের (Clashes Over Caste) দক্ষিণ পশ্চিমের খারগন জেলার ছাপরা সানাওয়াড় এলাকায়। এদিন স্থানীয় এক শিব মন্দিরে প্রার্থনা করতে ভিড় করেছিলেন বহু পুণ্যার্থী। দলিত সম্প্রদায়ের কয়েকজনও জল ঢালতে ওই মন্দিরে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, উচ্চবর্ণের লোকজন তাঁদের বাধা দেন। তার জেরেই বাঁধে সংঘর্ষ।

    হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি…

    রাজধানী ভোপাল থেকে অকুস্থলের দূরত্ব প্রায় ২৫০ কিলোমিটার। স্থানীয়রা জানান, মন্দিরে ঢোকা নিয়ে প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা বাঁধে। তার জেরে শুরু হয় হাতাহাতি, ধাক্কাধাক্কি। দলিত সম্প্রদায়ের মানুষের অভিযোগ, মন্দিরে তাঁদের প্রবেশ করা নিয়েই অশান্তির সূত্রপাত। বচসা থেকে হাতাহাতি এবং পরে শুরু হয় ইটবৃষ্টি। স্থানীয় পুলিশ আধিকারিক বিনোদ দীক্ষিত জানান, দুই তরফে ইটবৃষ্টি চলে বেশ কিছুক্ষণ ধরে। অভিযোগ জমা পড়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুুন: ‘যারা ভিন্ন মতাদর্শের লোকজনের পা চাটে…’, নাম না করে উদ্ধবকে নিশানা শাহের

    দলিত সম্প্রদায়ের দাবি, স্থানীয় গুর্জর নেতা ভাইয়ালাল পটেলের নেতৃত্বেই অশান্তির শুরু। প্রথমে দলিত মেয়েদের মন্দিরে (Shivratri) ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। ১৭ জন সন্দেহভাজন ও ২৫ জন অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। প্রেমলাল নামের এক দলিতের অভিযোগ, গুর্জর সম্প্রদায়ের নেতা ভাইয়ালাল পটেল দলিত যুবতীদের মন্দিরে ঢুকতে বাধা দেন। এক দলিত মহিলার দাবি, শিবের মাথায় জল ঢালতে গেলে তাঁর সঙ্গে অভব্য আচরণ করা হয়। রবীন্দ্র রাও মারাঠা নামে এক ব্যক্তির দাবি, প্রেমলাল সহ ৩৪ জন হাতিয়ার নিয়ে তাঁদের ওপর চড়াও হন।

    মধ্যপ্রদেশে অবশ্য এই ধরনের ঘটনা এই প্রথম নয়। গত বছরও খারগনের ওই শিবমন্দিরেই (Shivratri) ঢোকা নিয়ে অশান্তি হয়েছিল। সেবার খোদ মন্দিরের পুরোহিত শিবরাত্রিতে দলিত কন্যার প্রবেশে বাধা দেন বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই সময় ওই পুরোহিত ও আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। বছর ঘুরতে না ঘুরতেই ফের সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হল।

    স্থানীয় এক পুলিশ আধিকারিক জানান, মন্দিরে কাউকে প্রবেশে বাধা দেওয়া যাবে না বলে স্থানীয়দের বুঝিয়ে এসেছিলেন তিনি। তবে একটি বটগাছ কেটে ফেলা ও বিআর আম্বেদকরের মূর্তি বসানোকে কেন্দ্র করে গত কয়েক দিন ধরেই উত্তপ্ত ছিল এলাকা। তিনি জানান, গুর্জরদের তরফেও দলিত সম্প্রদায়ের ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Ranji Trophy Final: রঞ্জি ট্রফিতে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! বাংলাকে হারিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন সৌরাষ্ট্র

    Ranji Trophy Final: রঞ্জি ট্রফিতে ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি! বাংলাকে হারিয়ে ফের চ্যাম্পিয়ন সৌরাষ্ট্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ঘরে এসে মনোজ তিওয়ারির দলকে হারিয়ে ভারত সেরা হয়েছে সৌরাষ্ট্র। ৯ উইকেটে ম্যাচ জিতে রঞ্জি ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হল জয়দেব উনাদকাটের দল। এর আগে ২০১৯-২০ মরশুমেও বাংলাকে হারিয়ে রঞ্জি ট্রপি ঘরে তুলেছিল সৌরাষ্ট্র। সেবার ঘরের মাঠ রাজকোটে বাংলাকে মাত দিয়েছিল সৌরাষ্ট্র। এবার ফের একবার বাংলাকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হল সৌরাষ্ট্র। রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে এই নিয়ে দুবার চ্যাম্পিয়ন হল সৌরাষ্ট্র। দুবারই প্রতিপক্ষ বাংলা। বাংলার সামনে সুযোগ ছিল দীর্ঘ ৩৩ বছর পরে ফের রঞ্জি ট্রফির খেতাব ঘরে তোলার। কিন্তু আজ ইডেনে শেষপর্যন্ত সৌরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে রঞ্জি ফাইনালে হার মানতে হয় মনোজ তিওয়ারিদের।

    ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি

    আগের বছরের মত এবারও বাংলার রঞ্জি ট্রফি জয়ের স্বপ্ন অধরা থেকে গেল। ২০১৯-২০ রঞ্জি ফাইনালেও সৌরাষ্ট্রের কাছে হারতে হয়েছিল বাংলাকে। এবার সেই হারের প্রতিশোধ নেওয়ার সুযোগ ছিল বাংলার কাছে। কিন্তু বাংলার পারফরম্যান্সে ফের ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি ঘটল।

    আরও পড়ুন: দিল্লি টেস্টেও অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে সহজ জয় পেল ভারত

    রঞ্জি ফাইনালে জয়দেব উনাদকাটরা টস জিতে ফিল্ডিং নিয়েছিলেন। সেটাই কাল হয়ে দাঁড়াল বাংলার কাছে। ইডেনে ফাইনালে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করে ১৭৪ রান করে বাংলা। মনোজরা উনাদকাটদের ব্যাটিং-এর সামনেই টিকতে পারলেন না। রবিবার সকালে ৬৮ রান করে অধিনায়ক মনোজ তিওয়ারি আউট হতেই সমস্ত আশা শেষ হয়ে যায় বাংলার। রান আউট হন শাহবাজ আহমেদও। এরপর একের পর এক উইকেট পড়তে থাকে মনোজদের। দ্বিতীয় ইনিংসে ২৪১ রান করে বাংলা। চারবার রঞ্জি ফাইনাল খেললেও একবারও জেতা হল না মনোজের। এদিন হারের পর কান্নায় ভেঙে পড়েন অভিষেক পোড়েল। মনমরা গোটা বাংলা দলই।

    অন্যদিকে জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪০৪ রানের বিশাল স্কোর করে সৌরাষ্ট্র। ২৩০ রানের লিড নেয়। শেষ বোলিং ইনিংসে তিনি ২২ ওভারে ৮৫ রান দিয়ে ছয় উইকেট পেয়ে কার্যত ম্যাচের সেরা জয়দেব। তিনি প্রকৃত অধিনায়কের মত পারফরম্যান্স দিয়েছেন। রঞ্জি ফাইনালের প্রথম দিন থেকেই দাপট দেখিয়ে খেলেছেন উনাদকাটরা।

  • Pakistan: ‘আমরা একটি দেউলিয়া দেশে বাস করছি’, প্রকাশ্য সভায় জানালেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    Pakistan: ‘আমরা একটি দেউলিয়া দেশে বাস করছি’, প্রকাশ্য সভায় জানালেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা একটি দেউলিয়া দেশে বাস করছি। প্রকাশ্য সভায় এ কথা ঘোষণা করলেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Defence Minister) খাজা আসিফ। শনিবার দেশের দেউলিয়াপনার কথা স্বীকার করে নিলেন শাহবাজ শরিফ ক্যাবিনেটের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী। এজন্য তিনি দায়ী করলেন প্রতিষ্ঠান, আমলা এবং রাজনৈতিক নেতাদের। এদিন শিয়ালকোটের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই জানেন যে পাকিস্তান দেউলিয়া হতে যাচ্ছে। এটা (দেউলিয়া) হয়েই গিয়েছে। এর পরেই খাজা আসিফ বলেন, আমরা একটি দেউলিয়া হয়ে যাওয়া দেশে বাস করছি।

    পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী…

    এ থেকে উত্তরণের পথও বাতলে দিয়েছেন পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, আমাদের দেশের মধ্যেই এর সমাধান নিহিত রয়েছে। পাকিস্তানের সমস্যা মেটানোর চাবিকাঠি আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের কাছে নেই। পাক (Pakistan) প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষের সঙ্গে ক্রমাগত মিথ্যাচারের ফলেই আজ এই পরিস্থিতি। পাকিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির জন্য অনেকেই দায়ী। এর মধ্যে যেমন রয়েছে প্রতিষ্ঠান এবং আমলারা, তেমনি রয়েছেন রাজনীতিবিদরাও। তিনি বলেন, পাকিস্তানে আইন এবং সংবিধানের দেখানো পথ অনুসৃত হয় না। 

    আরও পড়ুুন: ‘যারা ভিন্ন মতাদর্শের লোকজনের পা চাটে…’, নাম না করে উদ্ধবকে নিশানা শাহের

    জানা গিয়েছে, ২০১৯ সালে ইন্টারন্যাশনাল মানিটারি ফান্ডের সঙ্গে হওয়া ৬.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের চুক্তির মধ্যে কমপক্ষে ১.১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার জোগাড়ের মরিয়া চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ। এজন্য কার্যত হন্যে হচ্ছেন পাকিস্তানের (Pakistan) প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও অর্থমন্ত্রী ইশাক দার। চুক্তি নির্ধারিত দিন পেরিয়ে গেলেও আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের শর্তাবলী পূরণ না হওয়ায় পাকিস্তানকে টাকা দেয়নি তারা। আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডার পাকিস্তানকে কতগুলি শর্তও দিয়েছে। এই সব শর্ত পূরণ করতে না পারলে, টাকাও পাবে না ইসলামাবাদ।

    পাকিস্তানের স্টেট ব্যাঙ্কের হিসেব অনুযায়ী, গত ১০ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে বিদেশি মুদ্রার যা সঞ্চয় ছিল, তাতে কোনওক্রমে ১০-১৫ দিন চলত। সেই সঞ্চয়ের ভাণ্ডারও তলানিতে এসে ঠেকেছে। তার জেরে নিত্য মূল্যবৃদ্ধির চড়া আঁচে ছ্যাঁকা লাগছে আম-আদমির। জানা গিয়েছে, পাকিস্তানে এক লিটার দুধ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ রুপিতে। এক কিলো মুরগির মাংস বিকোচ্ছে ৭৫০ রুপি দরে। পাক প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, গত ৭৫ বছরে এ নিয়ে সরকার আন্তর্জাতিক মুদ্রা ভাণ্ডারের কাছে হাত পেতেছে ২৩ বার। তিনি জানান, গত এক বছরে পাকিস্তানের (Pakistan) ঋণের পরিমাণ বেড়েছে ২৩ শতাংশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manish Sisodia: দিল্লির আবগারি দুর্নীতিতে হাজিরা এড়িয়ে সময় চেয়েছিলেন মণীশ সিসোদিয়া, আবেদন মঞ্জুর সিবিআইয়ের

    Manish Sisodia: দিল্লির আবগারি দুর্নীতিতে হাজিরা এড়িয়ে সময় চেয়েছিলেন মণীশ সিসোদিয়া, আবেদন মঞ্জুর সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও বিপাকে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আপ নেতা মণীশ সিসোদিয়া। দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় ফের একবার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়াকে তলব করেছে সিবিআই। আজ, রবিবারই সিবিআইয়ের সদর দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল তাঁর। কিন্তু জেরার তারিখ পিছিয়ে দেওয়ার জন্য আবেদন করেছিলেন সিসোদিয়া। দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর অবশেষে সিসোদিয়ার দাবি মেনে নেয় সিবিআই। কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে জানানো হয়, আগামীতে ফের তলবের নয়া তারিখ জারি করা হবে।

    সময় চেয়েছিলেন আপ নেতা

    দিল্লির আবগারি নীতি নিয়ে বেশ কয়েকদিন ধরে চাপানউতোর চলছে রাজধানীর রাজনীতিতে। দিল্লির উপরাজ্যপাল বিকে সাক্সেনার নির্দেশে সিবিআই রাজ্যের আম আদমি সরকারের আবগারি নীতি নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে। পরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও একই মামলায় তদন্ত শুরু করেছে। এই দুর্নীতির তদন্তে বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় এজেন্সি। সিবিআই ও ইডির দাবি, এই দুর্নীতির শিকড় অনেক দূর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর আগেও একাধিকবার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী তথা অর্থমন্ত্রী মণীশের বাড়ি ও অফিসে হানা দেয় সিবিআই, জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। আজ আবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল।

    মণীশ সিসোদিয়া কী বলেন?

    শনিবারই মণীশ সিসোদিয়া নিজে ট্যুইট করে জানান, আবগারি দুর্নীতি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই ফের একবার তাঁকে তলব করেছে। রবিবার তাঁকে সিবিআইয়ের সদর দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। তিনি ট্যুইটে লেখেন, “সিবিআই আগামিকাল আমায় আবার ডেকেছে। আমার বিরুদ্ধে সিবিআই, ইডির সমস্ত ক্ষমতা ব্যবস্থা করেছে। আমার বাড়ি তল্লাশি করেছে, ব্যাঙ্কের লকার তল্লাশি করেছে, কিন্তু আমার বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণই মেলেনি। আমি দিল্লির শিশুদের জন্য সুশিক্ষার ব্যবস্থা করেছি শুধু। ওরা আমাকে থামাতে চায়। আমি সর্বদাই তদন্তে সহযোগিতা করেছি এবং আগামী দিনেও তা করব।”

    তবে এদিন সকালে তিনি সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জানান, দিল্লি সরকারের অর্থমন্ত্রী তিনি। বর্তমানে তিনি আসন্ন ২০২৩-২৪ সালের রাজ্য বাজেট প্রস্তুতির কাজে ব্যস্ত। তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতার আস্থা দিতেই তিনি বলেন, “এটা দিল্লির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়। যদি সিবিআই এক সপ্তাহের সময় দেয় হাজিরার জন্য, তবে ভাল হয়। ফেব্রুয়ারির শেষের মধ্যেই আমি সিবিআই দফতরে হাজিরা দেব।”

    মণীশের আবেদন মঞ্জুর সিবিআইয়ের

    আজ, রবিবার সকাল ৮ টা ৪৫ মিনিট নাগাদ সিবিআইয়ের কাছে একটি চিঠি আসে। মণীশ সিসোদিয়ার তরফেই এই চিঠি পাঠানো হয়েছে। আর এই চিঠিতে উল্লেখ রয়েছে যে, হাজিরার জন্য এক সপ্তাহ চান তিনি। শেষপর্যন্ত তাঁর আবেদন মঞ্জুর করে তাঁকে কিছু সময় দিয়ে দেয় সিবিআই।

    আপ নেতা তথা দিল্লির অর্থমন্ত্রীকে কটাক্ষ বিজেপির

    দিল্লি বিজেপির মুখপাত্র হরিশ খুরানা এক বিবৃতি জারি করে মণীশ সিসোদিয়াকে কটাক্ষ করেছেন। সিসোদিয়ার অনুরোধকে একটি “অজুহাত” বলে অভিহিত করা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, তাঁকে দেখে বোঝা যাচ্ছে যে তিনি ‘ভীত’। বাজেট একটি অজুহাত, আসল উদ্দেশ্য হল, এর থেকে পালানো। গতকাল পর্যন্ত তিনি দাবি করছিলেন যে কোনও কেলেঙ্কারি নেই, কিন্তু আজ তাঁকে দেখে মনে হচ্ছে, তিনি ভয় পাচ্ছেন।

  • Narendra Modi: মারাঠা যোদ্ধা-রাজা শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর

    Narendra Modi: মারাঠা যোদ্ধা-রাজা শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মারাঠা যোদ্ধা রাজা শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকী পালন হচ্ছে গোটা দেশ জুড়ে। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুসারে, এই বছরটি মারাঠা রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতার ৩৯৩তম জন্মদিন। তাঁর জন্মদিনে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট বার্তায় তাঁকে শ্রদ্ধা জানান। তিনি লেখেন, “আমি ছত্রপতি শিবাজী মহারাজকে তাঁর জয়ন্তীতে শ্রদ্ধা জানাই। সুশাসনের প্রতি তাঁর সাহস ও জোর আমাদের অনুপ্রাণিত করে।”

    ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের জন্মবার্ষিকী

    হিন্দু সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ছত্রপতি শিবাজী হোক অথবা রমেশচন্দ্র দত্তের রাজা শিবজী জন্মগ্রহণ করেন ১৯ ফেব্রুয়ারি ১৬৩০ সালে। মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার পাহাড়ী দুর্গ শিবনেরিতে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। এই দিনটির প্রধান উদ্দেশ্য হল মারাঠা সাম্রাজ্য পুনরুদ্ধারে মহান যোদ্ধার অবদানকে সম্মান করা। তিনি ১৬৭০ সালে মুঘলদের সঙ্গে লড়াই করে ১৬৭৪ সালে পশ্চিম ভারতে মারাঠা সাম্রাজ্যের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। এরপর ইংরেজি ক্যালেন্ডারের ৬ জুন, ১৬৭৪ সালে নিজেকে রাজা ঘোষণা করেন শিবাজী মহারাজ। ‘ছত্রপতি’ উপাধিতে ভূষিত হন। ছত্রপতি শিবাজী মহারাজের যেদিন রাজ্যাভিষেক হয়েছিল সেই দিনটিই ‘হিন্দু সাম্রাজ্য দিনোৎসব’ হিসেবে পালিত হয়।

    এই মহান বীরকে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী সহ অন্যান্য নেতারাও। প্রধানমন্ত্রী বছরের পর বছর ধরে শিবাজীর প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর একটি অডিও এবং ভিডিও শেয়ার করেছেন তাঁর ট্যুইটে।

    কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী লেখেন- “অদম্য সাহস, বীরত্ব ও বীরত্বের প্রতীক ছত্রপতি শিবাজী মহারাজকে তাঁর জন্মবার্ষিকীতে জানাই প্রণাম।”

    মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিণ্ডে লেখেন- “ছত্রপতি শিবাজী মহারাজ জয়ন্তী। অখন্ড ভারতের আরাধ্য দেবতা, হিন্দু স্বরাজের প্রতিষ্ঠাতা মহারাজাধিরাজকে নমস্কার।”

  • Narendra Modi: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে এল ১২ টি চিতা, আগমনে প্রধানমন্ত্রী মোদি কী বললেন?

    Narendra Modi: দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দেশে এল ১২ টি চিতা, আগমনে প্রধানমন্ত্রী মোদি কী বললেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারতে এসেছে চিতা৷ শনিবার সকালে ভারতীয় বায়ুসেনার আইএএফসি-১৭ বিমানে ১২টি চিতা দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়রে এসে পৌঁছয়৷ কুনোয় সংরক্ষিত এলাকায় তাদের খাঁচামুক্ত করেছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিংহ চৌহান এবং কেন্দ্রীয় পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। এদিন দেশে চিতাদের ফের আগমনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ট্যুইট করে লিখেছেন, “উন্নয়নের সঙ্গে ভারতের বন্যপ্রাণীর বৈচিত্র্য বৃদ্ধি পেয়েছে।” এই ট্যুইটে পরিবেশ মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবকেও ট্যাগ করেছেন মোদি।

    নামিবিয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে এল চিতা

    শুক্রবার মধ্যরাতের পর (স্থানীয় সময়) দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানসবার্গ থেকে যাত্রা শুরু হয়৷ প্রায় ১০ ঘণ্টা সময় আকাশে কাটিয়ে গোয়ালিয়রে নামে চিতারা৷ এরপর বায়ুসেনার হেলিকপ্টারে এয়ারলিফ্ট করে তাদের কুনো জাতীয় উদ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, মোট ১২টি চিতার মধ্যে স্ত্রী চিতা রয়েছে ৫টি এবং বাকি ৭টি পুরুষ চিতা বলে জানা গেছে। কিছুদিন কুনো জাতীয় উদ্যানে নতুন চিতাদের কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।

    গতকাল চিতাগুলোকে কুনো জাতীয় উদ্যানে ছেড়ে দেওয়ার পর ভূপেন্দ্র যাদব ট্যুইট করে বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে শুরু হওয়া চিতা প্রকল্প আজ ফের একটি মাইলফলক ছুঁয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ চৌহানের উপস্থিতিতে চিতাগুলো মুক্ত করা হয়েছে।” এই ট্যুইটের উত্তরেই প্রধানমন্ত্রী লিখেছিলেন, চিতার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় দেশে বন্যপ্রাণীর বৈচিত্রেও বৃদ্ধি এসেছে। 

    রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, কুনো জাতীয় উদ্যানে ১২টি চিতাকে কোয়ারান্টিনে রাখার জন্য ১০টি এনক্লোজার তৈরি করা হয়েছে। বিদেশ থেকে আনা পশুদের ৩০ দিন নিভৃতে রাখাই ভারতের বন্যপ্রাণ আইন অনুযায়ী, যাতে রোগভোগ সংক্রান্ত বিপদ টের পাওয়া যায় আগেই, এড়ানো যায় বিপদ।

    উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্মদিনে নামিবিয়া থেকে প্রথম দফায় ভারতে আসে ৮টি চিতা৷ তাদের শেওপুর জেলার কুনো জাতীয় উদ্যানে কয়েকমাস কোয়ারান্টিনে রেখে তারপর ছাড়া হয়৷ আর এবারে আনা হল ১২ টি চিতা। ভারতকে ফের চিতার বাসযোগ্য করে তুলতেই এমন পদক্ষেপ কেন্দ্রের। ১৯৪৭ সালে তৎকালীন শেষ চিতাটির মৃত্যু হয় ভারতে। এর পর ১৯৫২ সালে চিতাকে দেশের মধ্যে বিলুপ্ত প্রাণী বলে ঘোষণা করা হয়। এর পর, বছর তিনেক আগে ফের ভারতকে চিতার বাসযোগ্য করে তোলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে কেন্দ্র। নামিবিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকাই নয় শুধু, আফ্রিকার অন্য দেশ থেকেও চিতা নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে কেন্দ্রের। চিতার বংশবিস্তারের জন্য প্রাথমিক পর্যায়ে পাঁচ বছরে লক্ষ্যমাত্রা রাখা হয়েছে।

  • Shiv Sena: সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর, কেন জানেন?   

    Shiv Sena: সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট দাখিল মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর, কেন জানেন?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) ক্যাভিয়েট দাখিল করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে (Eknath shinde)। নির্বাচন কমিশন শিন্ডে শিবিরকে আসল শিবসেনা (Shiv Sena) ঘোষণা করেছে। শিবসেনার প্রতীক তির-ধনুক ব্যবহারের অধিকারও দেওয়া হয়েছে তাদের। এর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছেন উদ্ধব ঠাকরে। তাই আগেভাগেই ক্যাভিয়েট দাখিল করলেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী। দেশের শীর্ষ আদালতকে শিন্ডে এও জানিয়েছেন, কোনও অর্ডার পাশ করার আগে মহারাষ্ট্র সরকারের বক্তব্য যেন শোনা হয়।    

    শিবসেনা…

    মহারাষ্ট্রে বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরলে কংগ্রেসের সঙ্গে হাত মিলিয়ে সরকার গড়েন শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে। পরে মতাদর্শের প্রশ্নে শিবসেনা ছেড়ে বেরিয়ে যান একনাথ শিন্ডে। বেশিরভাগ বিধায়ক শিন্ডে শিবিরে নাম লেখানোয় পড়ে যায় উদ্ধব ঠাকরের সরকার। বিজেপির সঙ্গে জোট গড়ে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসেন একনাথ শিন্ডে। তার পরেই আসল শিবসেনা কে এই প্রশ্নে বিবাদ বাঁধে শিন্ডে শিবিরের সঙ্গে ঠাকরে শিবিরের। তার পরেই দু পক্ষকেই দলীয় প্রতীক ব্যবহার করতে নিষেধ করেছিল নির্বাচন কমিশন। মহারাষ্ট্র বিধানসভার উপনির্বাচনের আগে অন্তবর্তীকালীন এক রায়ে কমিশন জানায়, জ্বলন্ত মশালের প্রতীক নিয়ে লড়বে উদ্ধবের দল ‘শিবসেনা’ (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে)।বালাসাহেবঞ্চি শিবসেনা নাম ও জোড়া তরোয়াল-ঢাল প্রতীক পেয়েছিল শিন্ডে শিবির। সেই বিবাদের মীমাংসা হয় শুক্রবার। নির্বাচন কমিশন শিবসেনা নাম ও প্রতীকের অধিকার তুলে দেয় শিন্ডে শিবিরের হাতে।

    আরও পড়ুুন: ‘যারা ভিন্ন মতাদর্শের লোকজনের পা চাটে…’, নাম না করে উদ্ধবকে নিশানা শাহের

    এর পরেই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ঘোষণা করেন উদ্ধব ঠাকরে। শনিবার দুপুরে নিজ বাসভবন মাতোশ্রীতে দলীয় নেতাদের সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেন উদ্ধব ঠাকরে। উপস্থিত ছিলেন তাঁর শিবিরের সাংসদ, বিধায়ক ও অন্য পদাধিকারীরা। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তকে সুপ্রিম কোর্টে চ্যালেঞ্জ জানানোর কথা ঘোষণা করে উদ্ধব বলেন, বিচারব্যবস্থার প্রতি আমাদের আস্থা রয়েছে। বিশ্বাসঘাতক একনাথ শিন্ডে ইতিহাসের ধারা বদলাতে পারবে না। উদ্ধব ঠাকরে শিবির সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার আগেই দেশের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হন একনাথ শিন্ডে। দাখিল করেন ক্যাভিয়েট। প্রসঙ্গত, ১৯৬৬ সালে শিবসেনা গঠন করেছিলেন উদ্ধব ঠাকরের বাবা বালাসাহেব ঠাকরে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share