Blog

  • Pahalgam Attack: পহেলগাঁওকাণ্ডে স্পষ্ট পাক-যোগ, হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ লস্কর কমান্ডার সাজিদ জাট, বলল এনআইএ

    Pahalgam Attack: পহেলগাঁওকাণ্ডে স্পষ্ট পাক-যোগ, হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ লস্কর কমান্ডার সাজিদ জাট, বলল এনআইএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পহেলগাঁও হত্যালীলার ঘটনায় মূল ষড়যন্ত্রকারী পাকিস্তানের নাগরিক সাজিদ জাট ওরফে সাজিদ সইফুল্লা। পহেলগাঁও কাণ্ডের চার্জশিট জমা দিয়ে এমনটাই জানাল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ।

    চার্জশিট পেশ এনআইএ-র

    গত ২২ এপ্রিল জম্মু-কাশ্মীরের পহেলগাঁওয়ের কাছে বৈসারন উপত্যকায় পর্যটকদের ধর্ম জিজ্ঞেস করে হত্যা করেছিল জঙ্গিরা। কাপুরুষোচিত হামলায় মৃত্যু হয় ২৫ জন নিরীহ পর্যটক এবং স্থানীয় এক টাট্টুঘোড়া চালকের। এই প্রাণঘাতী জঙ্গি হামলার প্রায় আট মাস পর ভালভাবে তদন্ত করে চার্জশিট পেশ করল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। চার্জশিটে এনআইএ দাবি করেছে, জঙ্গি হামলায় সাত অভিযুক্তের মধ্যে লস্কর-ই-তৈবার একজন শীর্ষ কমান্ডারও রয়েছে। চার্জশিটে পাঁচজন সন্দেহভাজন এবং দু’টি জঙ্গি সংগঠন— লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) এবং দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (টিআরএফ)-এর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ওই জঙ্গি হামলার দায় স্বীকার করেছিল ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’। যদিও পরে তারা তা অস্বীকার করে।

    এনআইএ যা বলেছে 

    এনআইএ-র চার্জশিটে পাকিস্তানের ষড়যন্ত্র, অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং হামলার প্রমাণ তুলে ধরা হয়েছে। পহেলগাঁও হামলার পরিকল্পনা, সহায়তা ও বাস্তবায়নে ভূমিকার জন্য লস্কর-ই-তৈবা এবং টিআরএফ-কে অভিযুক্ত করা হয়েছে। ১৫৯৭ পাতার চার্জশিটে এনআইএ দাবি করেছে, লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার সাজিদ জাট ছিল পহেলগাঁও হামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’। তদন্তকারী সংস্থাগুলির দাবি, সাজিদ শুধু টিআরএফ-এর অপারেশনাল প্রধানই নয়, বরং কাশ্মীর উপত্যকায় কর্মী নিয়োগ, অর্থ জোগানো এবং অনুপ্রবেশের জন্যও দায়ী সাজিদ। জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরের দাচিগাম জঙ্গলে ‘অপারেশন মহাদেব’ চালিয়ে পহেলগাঁও হামলাকারী সুলেমান ওরফে হাসিম মুসা, হাবিব তাহির ওরফে জিবরান এবং হামজা আফগানি নামের ৩ জঙ্গিকে খতম করেছিল ভারতীয় সেনা। এনআইএ-র চার্জশিটে সেই তিন পাকিস্তানি জঙ্গির নামও রয়েছে। তবে সাজিদ জাট এখনও অধরা। চার্জশিটে সেই বিষয়টি উল্লেখ করে এনআইএ জানিয়েছে, তার মাথার দাম ১০ লক্ষ। তাকে ধরার ব্যাপারে তথ্য দিতে পারলে মিলবে এই আর্থিক পুরস্কার। এর পাশাপাশি, ইউএপিএ অ্যাক্ট অনুসারে এই সাজিদ সইফুল্লা জাটকে নিষিদ্ধ জঙ্গি হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

    সহযোগীদের নামও চার্জশিটে

    জঙ্গিদের সহযোগী হিসাবে বশির আহমেদ পারভেজ জোঠর, বশির আহমেদ জোঠর, মহম্মদ ইউসূফ কাটারি-সহ আরও ছ’জনের নাম চার্জশিটে দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। এনআইএ-র দাবি, জঙ্গিদের খাবার এবং রসদ সরবরাহ করেছিল তারাই। পারভেজ পহেলগাঁওয়ের বাটকোটের বাসিন্দা। বশিরের বাড়ি হিল পার্কে। এনআইএ-র দাবি, পহেলগাঁও হানায় জড়িত জঙ্গিদের খাওয়া-দাওয়া, যাতায়াত এবং থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল এরা। আর ইউসুফ পথ চিনিয়ে জঙ্গিদের ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে দিয়েছিল। লস্কর/টিআরএফ এবং অভিযুক্ত চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, ২০২৩, অস্ত্র আইন, ১৯৫৯ এবং বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইন (ইউএপিএ), ১৯৬৭-এর প্রাসঙ্গিক ধারার অধীনে অভিযোগ আনা হয়েছে। এনআইএ চার্জশিটে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য দণ্ডবিধির ধারাও প্রয়োগ করেছে।

  • SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    SIR: খসড়া তালিকায় নাম না থাকলে কোনও চিন্তা নেই, কী কী করবেন জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-এর (SIR) খসড়া তালিকায় নাম না থকালে কোনও চিন্তা নেই। কী কী করবেন আগেই জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। মঙ্গলবার বের হচ্ছে খসড়া তালিকা। প্রত্যকের মনে মনে একটা চিন্তা ঘুরছে নাম থাকবে তো। আর নাম না থাকলে কী হবে? খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই নির্বাচন কমিশনের স্পেশাল অবজারভার সুব্রত গুপ্ত একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন বেসরকারি সংবাদ মাধ্যমকে। তিনি সাফ জানান, “খসড়া তালিকায় যদি নিজেদের নাম না দেখেন তাহলে চিন্তিত হওয়ার কিছু নেই। অনলাইনেই ফর্ম ৬-এ আবেদন করতে পারেন। আবেদনের পর আপনাকে হেয়ারিং-এ ডাকা হবে। এরপর উপযুক্ত কাগজ দেখিয়ে সঙ্গে সঙ্গে রোলে তুলে দিতে হবে। যদি কেউ এখানকার নাগরিক হন তাহলে ভয়ের কিছু নেই। উপযুক্ত কাগজ দেখালেই নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে।”

    ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ (SIR)

    সুব্রত গুপ্ত বলেন, “এসআইআর (SIR) হল নির্বাচনী ভোটার তালিকার (Election Commission) নিবিড় সংশোধনের কাজ। যে কোনও কাজ অল্প সময়ের মধ্যে করতে হলে সেখানে চাপ একটু বেশিই থাকে। এই রকম চাপে আমরাও আছি। সাধারণ একজন সরকারি কর্মচারি যে রকম চাপে থাকে এই চাপ অনেকটাই বেশি। তবে আবার এটাও নয় যে কাজ চাপের কারণে থমকে গিয়েছে। আর যদি তাই হতো তাহলে ৮১ হাজার বুথের ৫৮ লক্ষ নাম বাদ দিতে হতো না। এই কাজ করতে তো হয়েছে।”

    সুব্রত গুপ্ত আরও বলেন, “কমিশন যখন আমাকে নিয়োগ করেছে তখন সাফ নির্দেশ ছিল, কোনও অবৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকায় না থাকে। আর অপর দিকে কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন তালিকার বাইরে না থাকে। আমাদের কাজ এটাই, এই কাজটাই দায়িত্ব নিয়ে করছি। এই জন্যই বিএলওরা বাড়ি বাড়ি গিয়েছেন। দুই মাস খসড়া তালিকা থাকবে পোর্টালে। একই সময়ে শুনানিও চলবে। লোকে আবেদন করতে পারবেন। এর মধ্যে যদি কোনও ভুল ভ্রান্তি ধরা পড়ে তাহলে মানুষ আবেদন করতে পারবেন। তারপর তাঁর নাম আসবে বলে আমার বিশ্বাস। তবে হেয়ারিং-এ কতজনকে ডাকা হবে তা নিয়ে এখনও কোনও নাম ঠিক হয়নি। ৩০ লক্ষ মানুষের নাম ২০০২ সালের তালিকায় নেই, নিঃসন্দেহে তাঁদের শুনানিতে ডাকা হবে। বাকি আর কাদের ডাকা হবে সেই নির্দেশের অপেক্ষা করছি। কমিশনের নির্দেশ ছাড়া তা বলা সম্ভবপর নয়।”

    কীভাবে চেনা যাবে বাংলাদেশি

    সুব্রত গুপ্ত অবৈধ বাংলাদেশি ভোটার বা জাল ভোটারদের ক্ষেত্রে বলেছেন, “কেউ অবৈধ ভোটারের লেবেল মাথায় লাগিয়ে ঘুরছে এমনটা নয়। আমি বলতে পারি ১ কোটির বেশি ভুলভ্রান্তি মিলে মিশে রয়েছে। আরও অন্য রকম কিছু ভুলভ্রান্তিও রয়েছে। তবে অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে শুনানি না হলে আপাতত কিছু বলা সম্ভবপর নয়। কেউ বাংলাদেশি তা হেয়ারিং-এ বলা সম্ভব। কমিশন (Election Commission) উপযুক্ত তথ্যের ভিত্তিতে কাজ করবে।”

    শুনানি পর্ব শুরু হবে আগামী সপ্তাহে

    আবার কমিশন (Election Commission) সূত্রে বলা হয়েছে, খসড়া তালিকায় (SIR) নাম থাকলেই যে চূড়ান্ত হবে এমনটা নয়, যদি কোনও অসঙ্গগতি থাকে তাহলে সকলকেই ডাকা হবে। আনম্যাপড থাকা সকলকেই শুনানিতে ডাকা হবে। খসড়া তালিকায় নাম থাকলেই সব গেল এমনটাও নয়। সব নথি থাকা সত্ত্বেও তালিকায় যদি নাম না ওঠে তাহলেও ভয় নেই। ৬ নম্বর ফর্ম জমা দিতে হবে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুনানি পর্ব শুরু হতে আগামী সপ্তাহ লাগবে। ইতিমধ্যেই সব বুথে এএসডি তালিকা টাঙিয়ে দেওয়া হবে। সিইও ওয়েবসাইডে এই তথ্য পাওয়া যাবে।

    ৫৮,২০,৮৯৮ জনের নাম বাদ

    গত ২৭ অক্টোবর এই রাজ্যে এসআইআরের ঘোষণা করেছিল কমিশন। ওই নির্ধারিত সময় পর্যন্ত রাজ্যে মোট ভোটার ছিল ৭ কোটি ৬৬ লক্ষ ৩৭ হাজার ৫২৯। কমিশন জানিয়েছে মোট ভোটারের নামেই এনুমারেশন ফর্ম ছাপানো হয়েছিল। প্রত্যেকের কাছেই ফর্ম নিয়ে গিয়েছিলেন বুথ স্তরের অফিসাররা। রবিবার পর্যন্ত মোট ভোটার থেকে নাম বাদ পড়েছে ৫৮,২০,৮৯৮ জনের। বাকিদের নাম খসড়া তালিকায় ওঠার কথা। আজ খসড়া লিস্ট বের হলেই সব স্পষ্ট হবে।

  • Child Anger Issues: একরত্তির বয়সের সঙ্গে বাড়ছে রাগ! নেপথ্যে কি হরমোন নাকি অন্য কোনও সমস্যা?

    Child Anger Issues: একরত্তির বয়সের সঙ্গে বাড়ছে রাগ! নেপথ্যে কি হরমোন নাকি অন্য কোনও সমস্যা?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    দোকানে থাকা পছন্দের খেলনা কেনার বায়না হোক কিংবা অতিরিক্ত সময় স্ক্রিন টাইম পাওয়ার ইচ্ছেপূরণ, প্রতিদিনের যেকোনও সামান্য বিষয়েই ‘না’ শোনার অভ্যাস নেই বাড়ির খুদে সদস্যের। আর তাই বাড়ছে বিপদ! একরত্তির বয়সের সঙ্গে বাড়ছে রাগ। অপছন্দের যে কোনও বিষয়েই তীব্র প্রতিক্রিয়া। যা সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন অভিভাবক। তবে মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের এই রাগ নিয়ন্ত্রণ করার কিছু নির্দিষ্ট উপায় রয়েছে। তবে তার আগে রাগের কারণ সম্পর্কে অভিভাবকদের ওয়াকিবহাল হওয়া জরুরি। তিন থেকে চার বছর বয়স থেকেই এই বিষয়ে অবগত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। তবে অনেকক্ষেত্রেই ছোটোবেলায় পরিবারের অসতর্কতার জেরে ছেলেমেয়েদের মধ্যে রাগ নিয়ন্ত্রণ হয় না। বয়ঃসন্ধিকালে বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে। বিষয়ত ১০ থেকে ১৪ বছর বয়সি ছেলেমেয়েদের মধ্যে এই রাগ মারাত্মক ভাবে প্রকাশিত হয়। যা খুব সংবেদনশীল ভাবেই মোকাবিলা করা জরুরি।

    সন্তানের অতিরিক্ত রাগের নেপথ্যে কী?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের অতিরিক্ত রাগের নেপথ্যে মূলত রয়েছে অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার। তাঁরা জানাচ্ছেন, বহু শিশুই এই সমস্যায় ভোগেন। এটি একটি আচরণগত সমস্যা। যেকোনও কিছুর বায়না করলে অভিভাবকদের থেকে আদায় করার জন্য তারা অতিরিক্ত রাগ দেখায়। অনেক সময়েই রাগ সামলানোর জন্য পরিবার তাদের দাবি মেনে নেয়। সেক্ষেত্রে শিশুর মনে হয় তার পছন্দের জিনিস পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো রাগের বহিঃপ্রকাশ।

    তবে এছাড়াও শিশুর অতিরিক্ত রেগে যাওয়ার অন্যতম কারণ উদ্বেগ। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শিশুরাও মানসিক উদ্বেগে ভোগে। অনেক সময়েই পরিবারের প্রাপ্ত বয়স্কদের সমস্যা কিংবা জটিলতা শিশুর সামনেই আলোচনা হয়। শিশুর পক্ষে সবকিছু বোঝা সম্ভব হয় না। কিন্তু তারা কিছুটা নিজেদের মতো করে বোঝার চেষ্টা করে। আর মানসিক উদ্বেগ তৈরি হয়। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে থাকলে শিশুর এই উদ্বেগ বাড়ে। অনেক সময়েই রাগের মাধ্যমেই সেই উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।

    শৈশব থেকেই এই অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে বয়ঃসন্ধিকাল তার জটিলতা বাড়ে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, বয়ঃসন্ধিকালে ছেলেমেয়েদের শরীরে একাধিক হরমোন পরিবর্তন ঘটে। যার জেরে কমবেশি সব ছেলেমেয়েদের মধ্যেই নানান ধরনের মানসিক চাপ, অবসাদ, উদ্বেগ তৈরি হয়। তার জেরে রাগ, মন খারাপ কিংবা খিটখিটে মেজাজ দেখা যায়। তবে শৈশবে রাগের সমস্যা থাকলে তাদের মানসিক জটিলতা আরও বাড়ে। বিশেষত শৈশবে কোনো কারণে ট্রমা বা কোনো ঘটনায় অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে থাকলে, ভয় পেলে বয়ঃসন্ধিকালে তা অতিরিক্ত রাগের কারণ হয়ে ওঠে। তখন পরিস্থিতি সামলানো আরও কঠিন হয়।

    সন্তানের অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ করবেন কীভাবে?

    মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কয়েকটি বিষয়ে প্রথম থেকেই নজরদারি করলে এবং সতর্ক থাকলে সন্তানের অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ কিছুটা সহজ হবে। তাঁদের পরামর্শ, শিশুর অ্যাটেনশন ডেফিসিট হাইপারঅ্যাকটিভিটি ডিসঅর্ডার রয়েছে কিনা সে সম্পর্কে অভিভাবকদের সতর্ক থাকতে হবে। শুধুই বকাবকি করে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। বরং এই ধরনের আচরণগত সমস্যা থাকলে প্রশিক্ষিত থেরাপিস্টের পরামর্শ জরুরি। কিছু থেরাপির মাধ্যমে এই আচরণগত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।

    শিশুর স্ক্রিন টাইম নিয়ন্ত্রণ প্রথম থেকেই জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, সাধারণত মোবাইলের পর্দায় যেসব জিনিস শিশুরা দেখে, সেগুলো অতিরিক্ত দ্রুত ঘটে। এমন একাধিক ভিডিও রয়েছে, যেখান কয়েক মিনিটের মধ্যে নানান অ্যাক্টিভিটি হচ্ছে। লাগাতার এই ধরনের ভিডিও দেখার ফলে শিশুর মস্তিষ্কে একধরনের উত্তেজনা তৈরি হয়। মস্তিষ্কের স্নায়ু উত্তেজিত হওয়ার জেরে মানসিক অস্থিরতা হয়। যার ফলে সামান্য কারণেও শিশু তীব্র প্রতিক্রিয়া করে।

    বয়ঃসন্ধিকালের ছেলেমেয়েদের রাগের অন্যতম কারণ হরমোন ঘটিত পরিবর্তন। তাই এই বয়সের ছেলেমেয়েদের রাগ নিয়ন্ত্রণ করতে আরও বেশি সংবেদনশীলতা জরুরি বলেই পরামর্শ দিচ্ছেন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই বয়সের ছেলেমেয়েরা অতিরিক্ত রেগে গেলে জানা জরুরি, তারা কোনও হেনস্থার শিকার হচ্ছে কিনা। স্কুল বা পরিবারের কেউ তাদের শারীরিক কিংবা মানসিকভাবে হেনস্থা করছে কিনা। আবার সোশাল নেটওয়ার্ক সাইটেও এখন বয়ঃসন্ধিকালের ছেলেমেয়েরা খুব সক্রিয়। সেখানে তারা কাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে সে সম্পর্কেও অভিভাবকদের ওয়াকিবহাল থাকা প্রয়োজন। তবে এই সব কিছুই করতে হবে কথা বলে, সংবেদনশীল ভাবেই। তবেই পরিস্থিতি মোকাবিলা সম্ভব।

    প্রথম থেকেই শিশুর যোগাভ্যাস থাকা জরুরি বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, নিয়মিত যোগাভ্যাস করলে শরীরে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে। আবার মস্তিষ্কের স্নায়ু ঠিকমতো কার্যক্ষমতা ধরে রাখতে পারে। এর ফলে অতিরিক্ত রাগ নিয়ন্ত্রণ সহজ হয়। সন্তানের পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে কিনা সে দিকেও নজরদারি জরুরি। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ঘুম ঠিকমতো হলে তবেই মস্তিষ্ক ঠিকমতো সক্রিয় থাকবে। স্নায়ু সচল থাকবে। হরমোন ঘটিত সমস্যা কমবে। রাগ নিয়ন্ত্রণের জন্য মস্তিষ্কের পর্যাপ্ত বিশ্রাম প্রয়োজন। তাই সন্তান যাতে প্রতিদিন অন্তত আট ঘণ্টা ঘুমোতে পারে, তা নিশ্চিত করা জরুরি।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, সন্তানের বয়স পাঁচ বছর হোক কিংবা তেরো বছর! অতিরিক্ত রাগের সমস্যা থাকলে, তা মোকাবিলা করার জন্য কখনোই অভিভাবক রেগে গেলে চলবে না। রাগের বহিঃপ্রকাশ ঘটলে সন্তানের রাগ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। বরং এই সমস্যা সম্পর্কে সচেতন হতে হবে।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 16 December 2025: বাণীতে সংযম রাখুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 16 December 2025: বাণীতে সংযম রাখুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) গুরুজনদের সদুপদেশে কর্মক্ষেত্রে উন্নতি।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) নিজের ভুল সংশোধন করার ফলে ব্যবসায় উন্নতি ও বিপুল অর্থপ্রাপ্তির যোগ।

    ২) গুরুজনের শরীর নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মিথুন

    ১) কাজের চাপ বাড়তে পারে।

    ২) বন্ধুর সহায়তায় ব্যবসায় উন্নতি।

    ৩) বিরোধীদের থেকে সাবধান থাকুন।

    কর্কট

    ১) সহকর্মীরা ক্ষোভ প্রকাশ করায় মানসিক চাপ বাড়বে।

    ২) প্রেমে কষ্ট বাড়তে পারে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    সিংহ

    ১) সব কাজেই সুনাম পেতে পারেন।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীদের দ্বারা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    কন্যা

    ১) স্ত্রীর কারণে মন চঞ্চল হতে পারে।

    ২) কোনও ঝুঁকিপ্রবণ কাজ করতে হতে পারে।

    ৩) গুরুজনদের পরামর্শ মেনে চলুন।

    তুলা

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ নিয়ে চিন্তা হতে পারে।

    ২) গরিব মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করুন।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    বৃশ্চিক

    ১) শত্রুভয় কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

    ২) ব্যবসায় ফল নিয়ে চিন্তা থাকবে।

    ৩) দিনটি ভালোই কাটবে।

    ধনু

    ১) কাজের ক্ষেত্রে প্রচুর চিন্তা থাকবে।

    ২) ব্যবসার ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকুন, বুদ্ধিভ্রংশ হতে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    মকর

    ১) বাড়িতে অশান্তির সম্ভাবনা ও সেই কারণে আপনার মানহানি হতে পারে।

    ২) আপনার বক্তব্য সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) নম্র স্বভাবের জন্য কর্মস্থলে পদন্নোতি।

    ২) বাসস্থান পরিবর্তন নিয়ে খরচ বৃদ্ধি।

    ৩) ভেবে চিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মীন

    ১) কোনও প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ না করাই ভালো হবে।

    ২) ভ্রমণে সমস্যা বাড়তে পারে, একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে আরও বেশি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 534: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    Ramakrishna 534: “নারদ বললে, রাম! তোমার কাছে আর কোনও বর চাই না, আমাকে শুদ্ধাভক্তি দাও”

    ৫০ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ কলিকাতা নগরে ভক্তমন্দিরে

    তৃতীয় পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৮শে জুলাই
    শ্রীরামকৃষ্ণ ও গৃহস্থের মঙ্গলকামনা—রজোগুণের চিহ্ন

    ঠাকুর (Ramakrishna) দক্ষিণে বারান্দার দিকে উঠিয়া গেলেন। মণিকে আজ্ঞা করিলেন, “আমার হাতে জল দাও।” মণি ভৃঙ্গার হইতে জল ঢালিয়া দিলেন। ঠাকুর নিজের কাপড়ে হাত পুঁছিয়া আবার বসিবার স্থানে ফিরিয়া আসিলেন। ভদ্রলোকদের জন্য রেকাবি করিয়া পান আনা হইয়াছিল। সেই রেকাবির পান ঠাকুরের কাছে লইয়া যাওয়া হইল, তিনি সে পান গ্রহণ করিলেন না।

    ইষ্টদেবতাকে নিবেদন—জ্ঞানভক্তি ও শুদ্ধাভক্তি

    নন্দ বসু (শ্রীরামকৃষ্ণের প্রতি)—একটা কথা বলব?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—কি?

    নন্দ বসু—পান খেলেন না কেন? সব ঠিক হল, ওইটি অন্যায় হয়েছে!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—ঈষ্টকে দিয়ে খাই;—ওই একটা ভাব আছে।

    নন্দ বসু—ও তো ইষ্টতেই পড়ত।

    শ্রীরামকৃষ্ণ — জ্ঞানপথ একটা আছে; আর ভক্তিপথ একটা আছে। জ্ঞানীর মতে সব জিনিসই ব্রহ্মজ্ঞান করে লওয়া যায়! ভক্তিপথে একটু ভেদবুদ্ধি হয়।

    নন্দ—ওটা দোষ হয়েছে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—ও আমার একটা ভাব আছে। তুমি যা বলছ ও ঠিক বটে — ও-ও আছে।

    ঠাকুর গৃহস্বামীকে মোসাহেব হইতে সাবধান করিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—আর একটা সাবধান! মোসাহেবরা স্বার্থের জন্য বেড়ায়। (প্রসন্নের পিতাকে) আপনার কি এখানে থাকা হয়?

    প্রসন্নের পিতা—আজ্ঞে না, এই পাড়াতেই থাকা হয়। তামাক ইচ্ছা করুন।

    নন্দ বসুর বাড়িটি খুব বড় তাই ঠাকুর বলিতেছেন (Kathamrita)— যদুর বাড়ি এত বড় নয়; তাই তাকে সেদিন বললাম।

    নন্দ— হাঁ, তিনি জোড়াসাঁকোতে নূতন বাড়ি করেছেন।

    ঠাকুর নন্দ বসুকে উৎসাহ দিতেছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নন্দ বসুর প্রতি) — তুমি সংসারে থেকে ঈশ্বরের প্রতি মন রেখেছ, এ কি কম কথা? যে সংসারত্যাগী সে তো ঈশ্বরকে ডাকবেই। তাতে বাহাদুরি কি? সংসারে থেকে যে ডাকে, সেই ধন্য! সে ব্যক্তি বিশ মন পাথর সরিয়ে তবে দেখে।

    “একটা ভাব আশ্রয় করে তাঁকে ডাকতে হয়। হনুমানের জ্ঞানভক্তি, নারদের শুদ্ধাভক্তি।

    “রাম জিজ্ঞাসা করলেন, ‘হনুমান! তুমি আমাকে কি ভাবে অর্চনা কর?’ হনুমান বললেন, ‘কখনও দেখি, তুমি পূর্ণ আমি অংশ; কখনও দেখি তুমি প্রভু আমি দাস; আর রাম যখন তত্ত্বজ্ঞান হয়, তখন দেখি, তুমিই আমি — আমিই তুমি।’ —

    “রাম নারদকে বললেন, ‘তুমি বর লও।’ নারদ বললেন, ‘রাম! এই বর দাও, যেন তোমার পাদপদ্মে শুদ্ধাভক্তি হয়, আর যেন তোমার ভুবনমোহিনী মায়ায় মুগ্ধ না হই!”

    এইবার ঠাকুর গাত্রোত্থান করিবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (নন্দ বসুর প্রতি) — গীতার মত — অনেকে যাকে গণে মানে, তাতে ঈশ্বরের বিশেষ শক্তি অছে। তোমাতে ঈশ্বরের শক্তি আছে।

    নন্দ বসু — শক্তি সকল মানুষেরই সমান।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (বিরক্ত হইয়া)—ওই এক তোমাদের কথা;—সকল লোকের শক্তি কি সমান হতে পারে? বিভুরূপে তিনি সর্বভূতে এক হয়ে আছেন বটে, কিন্তু শক্তিবিশেষ!

    “বিদ্যাসাগরও (Kathamrita) ওই কথা বলছিল,—‘তিনি কি কারুকে বেশি শক্তি কারুকে কম শক্তি দিয়েছেন?’ তখন আমি বললাম—যদি শক্তি ভিন্ন না হয়, তাহলে তোমাকে আমরা কেন দেখতে এসেছি? তোমার মাথায় কি দুটো শিং বেরিয়েছে?”

    ঠাকুর গাত্রোত্থান করিলেন। ভক্তেরাও সঙ্গে সঙ্গে উঠিলেন। পশুপতি সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যুদগমন করিয়া দ্বারদেশে পৌঁছাইয়া দিলেন।

  • Vijay Diwas: ঢাকায় ভারতীয় সেনার কাছে আত্মসমর্পণ ৯৩ হাজার পাক ফৌজের, ফিরে দেখা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান

    Vijay Diwas: ঢাকায় ভারতীয় সেনার কাছে আত্মসমর্পণ ৯৩ হাজার পাক ফৌজের, ফিরে দেখা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের অবদান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর। ১৯৭১ সালের এই দিনে নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে বর্তমান যা সোহরাওয়ার্দী উদ্যান হিসেবে পরিচিত আত্মসমর্পণ করেছিল পাক বাহিনী। পূর্ব পাকিস্তান বিচ্ছিন্ন হয়ে তৈরি হয় স্বাধীন রাষ্ট্র বাংলাদেশ। একদিকে বাংলাদেশ যেমন এই দিনটিকে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিজয়ের দিবস হিসাবে পালন করে, তেমনই ভারতীয় সেনাবাহিনীও একাত্তরের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজয় ও পাক সেনার আত্মসমর্পণের দিনটিকে বিজয় দিবস হিসাবে উদযাপন করে। আজ বিজয় দিবসের ৫৪ বছর পূর্ণ হল।

    বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও সামরিক শাসক ছিলেন জেনারেল ইয়াহিয়া খান। তার আদেশেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী বাংলাদেশে হত্যাযজ্ঞ চালায়। পাক সামরিক বাহিনীর সঙ্গে বৈঠকে এই ইয়াহিয়া খান বলেছিলেন, “তিরিশ লক্ষ বাঙালিকে হত্যা করো, তখন দেখবে বাকিরা আমাদের হাত চাটবে।” সেই পরিকল্পনা মতোই ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী অপারেশন সার্চলাইট আরম্ভ করে, যার উদ্দেশ্য ছিল বাঙালি প্রতিরোধ গুঁড়িয়ে দেওয়া। এরই অংশ হিসাবে পাক সামরিক বাহিনীতে বাঙালি সদস্যদের নিরস্ত্র করে হত্যা করা হয়, বুদ্ধিজীবিদের নিধন করা হয়। আর তৎকালীন সারা পূর্ববঙ্গ জুড়ে চলে নির্বিচারে সাধারণ মানুষকে হত্যা। ২৫ মার্চের রাতেই শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন। বলা হয়, গ্রেফতার হওয়ার একটু আগে ২৫ মার্চ রাত ১২টায় (অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে) তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন।

    এরপর দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জন করে। তবে সহজ ছিল না নয় মাসের সেই লড়াই, যার শুরুটা হয়েছিল ওই বছরের ২৫ মার্চ। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নাম দিয়ে পাকিস্তানি সেনা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে নৃশংস গণহত্যা চালিয়েছিল। এরই প্রেক্ষাপটে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন। শুরু হয় রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ। বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে পাকিস্তানে নিয়ে গিয়ে বন্দি করে রাখা হয়। এই সময়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বর্বরতায় ৩০ লক্ষ বাঙালি মারা যায়, দুই লাখ নারী ধর্ষিত হয় এবং এক কোটি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়। বাংলাদেশ যুদ্ধের সময় সংঘটিত এই যৌন হিংসাকে আধুনিক ইতিহাসে গণধর্ষণের সবচেয়ে বড় ঘটনা বলা হয়। প্রায় এক কোটি মানুষ বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে ভারতে আসে। সে সময় এই লোকেরা পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা ও অসমের মতো এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিল।

    পাকিস্তান থেকে আলাদা হওয়ার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ যে স্বাধীনতার লড়াই শুরু করেছিল, তাতেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল ভারত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নির্দেশে ভারতীয় সেনাবাহিনী অংশ নিয়েছিল মুক্তিযুদ্ধে।ভারতের দাপটে ১৩ দিনের মধ্যেই অস্ত্র নামিয়ে রাখতে বাধ্য হয় পাকিস্তানি বাহিনী। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঘড়ির কাঁটায় তখন ৪ টে ৩১ মিনিটে (বাংলাদেশের স্থানীয় সময়) ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের কাছে আত্মসমর্পণ করছেন পাকিস্তানের ৯৩ হাজার পাক ফৌজ। যুদ্ধের ইতিহাসে যা সবচেয়ে বড় আত্মসমর্পণ হিসেবে বর্ণিত। পূর্ব পাকিস্তানে (আজ বাংলাদেশ) পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল এএকে নিয়াজি ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পণ করেন। ১৬ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় জেনারেল নিয়াজি আত্মসমর্পণপত্রে স্বাক্ষর করেন। যুদ্ধে ভারত জয়ী হয়।

    এর ফলে পাকিস্তানে ইয়াহিয়া খান প্রশাসনের পতন ঘটে এবং জুলফিকার আলি ভুট্টোকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে নিয়োগ করা হয়। যুদ্ধে উভয় পক্ষেরই ক্ষতি হয়৷ ২ হাজার ৯০৪ ভারতীয় সেনা জওয়ান নিহত এবং ১ হাজার ২০০ জনের বেশি আহত হন। চারটি পরমবীর চক্র, ৭৬টি মহাবীর চক্র এবং ৫১৩টি বীর চক্র-সহ অসংখ্য অফিসার ও সৈন্যকে বীরত্বের পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছিল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধে লড়াই করা সৈনিকদের সাহস, আত্মত্যাগ এবং বীরত্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দেশ ১৬ ডিসেম্বরকে স্মরণের দিন হিসাবে পালন করে। এই বিজয় শুধু বাংলাদেশকে স্বাধীন করেনি, বরং বিশ্বব্যাপী ভারতের অবস্থানকেও সুদৃঢ় করেছে। সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের আজ ৫৪ বছর পূর্ণ হল।

  • Draft Voter List: মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা, আপনার নাম আছে কিনা, জানবেন কীভাবে?

    Draft Voter List: মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা, আপনার নাম আছে কিনা, জানবেন কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার সময়সীমা শেষ হয়ে গিয়েছে (SIR)। ১১ ডিসেম্বর ছিল এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিন (Draft Voter List)। বিএলওরা এসআইআর ফর্ম সংগ্রহ করে আপলোড করে দিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে। এবার প্রকাশিত হবে খসড়া তালিকা। ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশিত হবে খসড়া তালিকা। এই তালিকায় নাম থাকবে কিনা, তা নিয়ে ধন্দে রয়েছেন বহু মানুষ, বিশেষত ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল না যাঁদের।

    এসআইআর (Draft Voter List)

    উল্লেখ্য যে, পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর চলছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও সংগ্রহ করে তা নির্বাচন কমিশনের অফিসিয়াল পোর্টালে আপলোড করছেন বিএলওরা। এসবের ভিত্তিতেই এবার প্রকাশিত হতে চলেছে খসড়া ভোটার তালিকা। এই তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা সহজে জানার দু’টি পদ্ধতির কথা জানিয়েছে কমিশন। তারা জানিয়েছে, অনলাইনের পাশাপাশি অফলাইনের মাধ্যমেও জানা যাবে ওই তালিকায় নাম রয়েছে কিনা কোনও ব্যক্তির।

    অনলাইন পদ্ধতি

    প্রথমে জেনে নেওয়া যাক অনলাইনে কীভাবে খুঁজবেন নাম রয়েছে কিনা? কমিশন জানিয়েছে, কমিশনের ওয়েবসাইট eci.gov.in, বা voters.eci.gov.in সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গলের ওয়েব সাইট ceowestbengal.wb.gov.in  কিংবা ‘ECI NET’ অ্যাপে গিয়ে (SIR) নিজের নাম এবং এপিক নম্বর দিতে হবে। তাতেই জানা যাবে খসড়া তালিকায় সংশ্লিষ্ট ভোটারের নাম রয়েছে কিনা। সংশ্লিষ্ট ভোটারের জেলার তথা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকদের ওয়েবসাইটে গিয়েও খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তাও দেখা যাবে (Draft Voter List)।

    অফলাইন পদ্ধতি

    এবার আসা যাক অফলাইনের বিষয়ে। রাজ্যের সব বিএলওকে দেওয়া হবে খসড়া তালিকার হার্ড কপি। ভোটাররা নিজ নিজ বুথের বিএলওর কাছে গিয়ে খসড়া তালিকায় নাম রয়েছে কিনা, তা যাচাই করতে পারবেন। কমিশন জানিয়েছে, ভোটারদের সুবিধার জন্য খসড়া তালিকা প্রকাশের দিন বিএলওদের যতটা সম্ভব বুথে গিয়ে বসতে অনুরোধ করা হবে। এ ছাড়া রাজ্যের স্বীকৃত আটটি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের হাতেও খসড়া তালিকার সফট কপি দেবে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। জেলাস্তর থেকে রাজনৈতিক দলের বুথ লেভেল এজেন্টদের হাতে খসড়া ভোটার তালিকার হার্ড কপি দেওয়া হবে। তাঁদের (SIR) কাছে গিয়েও ভোটাররা জানতে পারবেন, তালিকায় তাঁদের নাম উঠেছে কিনা (Draft Voter List)।

    খসড়া তালিকা

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা থেকে কাদের নাম বাদ পড়েছে, তা নিয়েও আলাদা তালিকা প্রকাশ করা হবে। সেই তালিকা সংক্রান্ত যাবতীয় অভিযোগ এবং দাবি কমিশনে জানানো যাবে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সে সব অভিযোগ খতিয়ে দেখে পদক্ষেপ করা, বিতর্কের নিষ্পত্তি করা, প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ভোটারকে শুনানিতে ডাকা এবং আলোচনার সাক্ষেপে সন্দেহ দূর করার কাজ ইআরওরা করবেন ১৬ ডিসম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সব শেষে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। যাঁদের নাম থাকবে না, তাঁদের অনলাইনে ফর্ম ৬ এবং অ্যানেক্সার ৪ পূরণ হবে।

    এসআইআরের সময়সীমা ফের বৃদ্ধি

    প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই দেশের সাত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের সময়সীমা ফের বৃদ্ধি করেছে নির্বাচন কমিশন। সব চেয়ে বেশি সময় দেওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশকে। যদিও সেই তালিকায় নেই পশ্চিমবঙ্গের নাম। এর অর্থ হল, পশ্চিমবঙ্গে পূর্বের সময়সূচি মেনেই এগোবে এসআইআরের কাজ। কমিশনের যুক্তি, এ রাজ্যে যেভাবে এসআইআরের কাজ এগিয়েছে, তাতে অতিরিক্ত সময় লাগার কথা নয়। এসআইআরের মূল কাজ পশ্চিমবঙ্গে প্রায় শেষ। তা ছাড়া, সামনেই রয়েছে বিধানসভা নির্বাচনও (Draft Voter List)। তাই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হবে না। কমিশনের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কাজ শেষ হবে এ রাজ্যে (SIR)।

    মৃত ভোটারদের নাম বাদ

    কমিশন সূত্রে খবর, এনুমারেশন ফর্ম যাঁরা ৪ ডিসেম্বরের মধ্যে জমা করবেন না, তাঁদের নাম ৯ ডিসেম্বর প্রকাশিত হতে চলা খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাবে। খসড়া তালিকা থেকে বাদ যাবে মৃত ভোটারদের নামও। এনুমারেশন ফর্ম বাড়ি বাড়ি গিয়েও যাঁদের কোনও ঠিকানায় পাওয়া যায়নি, যাঁদের ফর্ম দেওয়া যায়নি, তাঁদের নাম থাকবে না খসড় তালিকায়। ডাবল এন্ট্রি থাকা ভোটারদের নামও বাদ যাবে। অর্থাৎ একই ভোটারের নাম দু’টি বুথ কিংবা দু’টি কেন্দ্রে পাওয়া গেলে, তাঁদের নাম বাদ পড়বে তালিকা থেকে।

    নাম বাদ পড়লে কী করবেন

    নাম বাদ পড়লে প্রাথমিকভাবে হিয়ারিংয়ে ডাকা হবে। সেখানে নির্বাচন কমিশন যেসব তথ্য নিয়ে যেতে বলেছে, সেগুলি নিয়ে যেতে হবে। তাঁরা সেই ডকুমেন্টস দেখে সন্তুষ্ট হলে কোনও সমস্যা নেই। আপনার নাম উঠে যাবে ভোটার লিস্টে। কোনও বাড়তি পদক্ষেপ করতে হবে না। একান্তই যদি সেই হিয়ারিংয়ের সন্তুষ্ট না হয় কমিশন, তাহলে নাম বাদ যেতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে (SIR) আপনাকে নতুন করে ভোটার তালিকায় নাম তুলতে হবে (Draft Voter List)।

  • Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    Ram Mandir: ৫০০ বছরের সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক ভক্তদের জন্য স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করবে ট্রাস্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দিরের (Ram Mandir) জন্য ৫০০ বছরের দীর্ঘ সংগ্রামে প্রাণ উৎসর্গকারী করসেবক এবং ভক্তদের স্মরণে একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে শ্রীরাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust)। সেইসঙ্গে প্রাণ প্রতিষ্ঠার আগে যেখানে প্রভু শ্রী রাম এবং তাঁর ভাইদের বাসনো হয়েছিল, সেখানে একটি মন্দিরও নির্মিত হবে বলে জানা গিয়েছে। শনিবার, মন্দিরের মহন্ত নৃত্য গোপাল দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ট্রাস্টের এক সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এদিনের সভায় রাম জন্মভূমি মন্দিরে ভগবান রামের প্রাণ-প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকী সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনাও করা হয়।

    কর সেবকদের গুলি করেছিল মুলায়ম সিং (Ram Mandir)

    ১৯৯০ সালের ২ নভেম্বর অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) দাবিতে বিক্ষোভ চলাকালীন, মুলায়ম সিং যাদবের সমাজবাদী পার্টি সরকারের নির্দেশে পুলিশ অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক করসেবকের ওপর গুলি চালিয়েছিল। বাবরি মসজিদে পৌঁছাতে গেলে পুলিশের গুলিতে অসংখ্য কর সেবক নিহত হয়েছিলেন। যদিও মুলায়ম সিং যাদব ২৮ জন কর সেবকের মৃত্যুর কথা জানালেও, হিন্দু সংগঠনের দাবি এই মৃত্যুর সংখ্যাটি অনেক বেশি।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    রাম মন্দির ট্রাস্ট (Shri Ram Janmabhoomi Teerth Kshetra Trust) জানিয়েছে, বৈঠকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, প্রতিষ্ঠা দ্বাদশীর অনুষ্ঠানগুলি অঙ্গদ টিলায় অনুষ্ঠিত হবে। সেই সঙ্গে শ্রী রাম কথা পাঠ, সঙ্গীত ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও হবে। আগামী ২৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত, শ্রী রাম জন্মভূমি মন্দিরে মণ্ডল পুজো এবং শ্রী রামচরিতমানসের একটি সঙ্গীতময় অখণ্ড পারায়ণের আয়োজনও করা হবে। এদিন ভজন সন্ধ্যা পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত গায়ক শ্রী অনুপ জালোটা, শ্রী সুরেশ ওয়াডেকর এবং শ্রীমতী তৃপ্তি শাক্য। এছাড়াও, কথ্যক নৃত্যনাট্য সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানেরও আয়োজন করা হয়েছে। একই ভাবে এই অনুষ্ঠানে কবি সম্মেলনেরও আয়োজন করা হবে। এখানে কবিরা প্রভু শ্রী রামের গুণাবলীর প্রশংসায় যুক্ত কবিতা পাঠে অংশগ্রহণ করবেন।

    আরও একটি ঘোষণায়, ট্রাস্ট জানিয়েছে যে রাম মন্দির (Ram Mandir) নির্মাণে জড়িত প্রায় ৪০০ কর্মীকে হিন্দু নববর্ষ উপলক্ষে আগামী ১৯ মার্চ অনুষ্ঠিত একটি অনুষ্ঠানে সম্মানিত করা হবে। উল্লেখ্য গত ২৫ নভেম্বর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অযোধ্যার রাম মন্দিরের উপরে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে ধর্মধ্বজ উত্তোলন করেন। এই কাজ ছিল রাম মন্দিরের নির্মাণকাজ সম্পন্ন হওয়ার উপলক্ষ্যে বিশেষ কর্মকাণ্ড।

  • Lionel Messi Mess: যুবভারতীকাণ্ডে রাজ্যের গঠিত তদন্ত কমিটির ক্ষমতাই নেই! জোড়া মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    Lionel Messi Mess: যুবভারতীকাণ্ডে রাজ্যের গঠিত তদন্ত কমিটির ক্ষমতাই নেই! জোড়া মামলা দায়ের হাইকোর্টে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে হয়েছিল ‘মেসি মেস’ (Lionel Messi Mess)। আর্জেন্টিনার তারকা ফুটবলারকে দেখতে গিয়ে শনিবারের বারবেলায় ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে যুবভারতীতে। এই ঘটনার তদন্তে একটি কমিটি গঠন করেছেন তৃণমূল পরিচালিত রাজ্য সরকার। তাকে চ্যালেঞ্জ করে সোমবার কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হল জোড়া জনস্বার্থ মামলা (Case Filed)। মামলাকারীদের বক্তব্য, রাজ্যের গড়া কমিটির তদন্ত করার ক্ষমতাই নেই। সঠিক তদন্তের জন্য পৃথক কমিটি গড়া প্রয়োজন। চলতি সপ্তাহেই এই মামলা দুটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে বলে সূত্রের খবর।

    একাধিক মামলা দায়ের (Lionel Messi Mess)

    যুবভারতীকাণ্ডে দায়ের হয়েছে আরও একটি মামলা। মামলাটি করেছেন মৈনাক ঘোষাল। তিনি আদালতের নজরদারিতে তদন্তের আর্জি জানিয়েছেন। দর্শকদের টিকিটের অর্থ ফেরত দেওয়া উচিত বলেও জানান তিনি। আর্থিক তছরুপের কথা উল্লেখ করে ইডি এবং সিবিআই তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন মৈনাক। তাঁর দাবি, স্টেডিয়ামে সেদিন যা ক্ষতি হয়েছে, তাও দিতে হবে আয়োজক সংস্থাকে।এদিকে, মমতার গড়া তদন্ত কমিটির (এই কমিটির মাথায় রয়েছেন প্রাক্তন বিচারপতি অসীম কুমার রায়) সদস্যরা রবিবার সকালে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তাঁরা। গ্যালারি ও মাঠের বেশ কিছু অংশ (Case Filed) পর্যবেক্ষণ করার পাশাপাশি করা হয়েছে ভিডিওগ্রাফিও (Lionel Messi Mess)। করে কমিটির সদস্যরা স্টেডিয়ামে দীর্ঘক্ষণ বৈঠকও করেন।

    মেসি মেস

    শনিবার যুবভারতীতে এসেছিলেন তারকা ফুটবলার লিয়োনেল মেসি। তাঁকে একবার চোখের দেখা দেখতে হাজার হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে মাঠে গিয়েছিলেন মেসি-ভক্তরা। মাঠে মেসি ছিলেন মাত্র ১৬ মিনিট। চূড়ান্ত বিশৃঙ্খলার কারণে নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যান। প্রিয় ফুটবলারকে দেখতে না পেয়ে খেপে যান চড়া দরে টিকিট কেটেও মাঠে আসা মেসি ভক্তরা। শুরু হয় হট্টগোল, চেয়ার ছোড়াছুড়ি। পরে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। পরিস্থিতি এমনই হয়েছিল যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে গাড়ি ঘুরিয়ে ফিরে যেতে হয়। পরে অবশ্য মেসি এবং তাঁর ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নেন মুখ্যমন্ত্রী (Lionel Messi Mess)।

    মামলা দায়ের

    ওই ঘটনার তদন্ত করতেই কমিটি গঠন করে রাজ্য সরকার। সেই কমিটির বিরুদ্ধেই দায়ের হয়েছে জোড়া মামলা। মামলার একটি আবেদন করেন আইনজীবী বিল্বদল ভট্টাচার্য। আর একটি মামলা নিয়ে (Case Filed) প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছেন আইনজীবী সব্যসাচী চট্টোপাধ্যায়। আদালত জানতে চেয়েছে, আদতে টিকিটের মূল্য কত টাকা ধার্য করা হয়েছিল। কেন এক এক রকমের টিকিট। এই ঘটনায় তদন্তের দাবি উঠেছিল আগেই। পরে এও জানা যায়, বেশ কিছু মেসি-অনুরাগী তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কলকাতার একটি নামী হোটেলে। সেটাও কেন হল? সব মিলিয়ে কত টাকার লেনদেন হয়েছিল, এসব নিয়েই আদালতে দায়ের হয়েছে মামলা।

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পাড়ার লোককে রেখে তদন্ত কমিটি নয় (Case Filed)। বর্তমান বিচারপতিকে রেখে কলকাতা পুলিশ, বিধাননগর পুলিশ এবং রাজ্য পুলিশকে সরিয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত করা উচিত। এদিকে, দর্শকদের টাকা ফেরত দিতেও উদ্যোগী হয়েছে সরকার। এর পাশাপাশি গ্রফতার করা হয়েছে আয়োজক শতদ্রু দত্তকে (Lionel Messi Mess)।

  • PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    PM Modi: লৌহ মানবের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকী, শ্রদ্ধা জানালেন নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে তাঁকে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি ভারতের লৌহমানব সর্দার প্যাটেলকে এমন এক মহান নেতা হিসেবে অভিহিত করেন, যাঁর অতুলনীয় জাতি-গঠনের অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনওই ভুলবে না।

    প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তব্য (PM Modi)

    এক্স হ্যান্ডেলে লেখা একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতের লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের ৭৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি তাঁকে আমার সশ্রদ্ধ প্রণাম জানাই। তিনি দেশকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে নিজের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন। ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী ভারত গঠনে তাঁর অতুলনীয় অবদান কৃতজ্ঞ জাতি কখনও ভুলবে না।” হ্যা১৮৭৫ সালের ৩১ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেছিলেন সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল। স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। তিনি ভারতের জাতীয় ঐক্যের স্থপতি হিসেবে ব্যাপক জনপ্রিয়। ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবা-সহ আধুনিক সিভিল সার্ভিস গঠনের নেপথ্যের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিলেন তিনিই।

    প্যাটেলকে শ্রদ্ধা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরও

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও সর্দার প্যাটেলকে শ্রদ্ধা জানান। এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, “জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, শক্তিশালী ভারতের স্থপতি, লৌহমানব সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলজিকে তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমি শ্রদ্ধা জানাই।” তিনি এও বলেন (PM Modi), “অসংখ্য প্রতিকূল পরিস্থিতি সত্ত্বেও সর্দার সাহেব একটি বিভক্ত স্বাধীন ভারতকে ঐক্যবদ্ধ করে একটি শক্তিশালী রাষ্ট্রে পরিণত করেছিলেন। দেশের প্রথম স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে মাতৃভূমির সুরক্ষা, অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতা ও শান্তি প্রতিষ্ঠাকেই তিনি জীবনের লক্ষ্য করেছিলেন। সমবায় আন্দোলনের পুনরুজ্জীবন এবং নারী ও কৃষকদের স্বনির্ভরতার মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারতের ভিত্তি স্থাপন করে সর্দার সাহেব ‘জাতিই প্রথম’ নীতির পথে আমাদের সকলকে ধ্রুবতারা হয়ে পথ দেখিয়ে যাবেন।”

    মহাত্মা গান্ধীর ঘনিষ্ঠ সহযোগী সর্দার প্যাটেল স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় খেড়া সত্যাগ্রহ, ‘ভারত ছাড়ো’ আন্দোলন-সহ একাধিক গণআন্দোলনের নেতৃত্ব দেন। তিনি তাঁর বলিষ্ঠ বক্তৃতা ও অসাধারণ সাংগঠনিক ক্ষমতার জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন। সর্দার বল্লভভাই প্যাটেলের জন্মদিনটি প্রতিবছর রাষ্ট্রীয় একতা দিবস হিসেবে পালিত হয়। এবার তাঁরই ১৫০তম জন্মবার্ষিকী। সেকথা মাথায় রেখেই এবার কেন্দ্রীয় সরকার বছরব্যাপী নানা কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেছে (PM Modi)।

LinkedIn
Share