Blog

  • Jhalda Municipality: ঝালদায় চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঘোষণা হাইকোর্টের, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি খারিজ

    Jhalda Municipality: ঝালদায় চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঘোষণা হাইকোর্টের, রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি খারিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবশেষে পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঠিক করে দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এই নির্বাচনের দিন নিয়েই এতদিন টানাপোড়েন চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে আইন-আদালতের পর আজ, শুক্রবার পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঠিক করা হল। রাজ্যের বিজ্ঞপ্তি এদিন খারিজ করে দেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। আর তখনই নির্দেশ দিলেন, আগামী ১৬ জানুয়ারি বেলা ১১ টায় ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে হবে। এছাড়াও নির্দেশে বলা হয়েছে যে, জেলাশাসকের তত্ত্বাবধানে ও পুলিশ প্রশাসনের নজরদারিতে হবে এই নির্বাচন। কাউন্সিলরদের পুর-নির্বাচনে অংশগ্রহণে যাতে কোনও সমস্যা না হয় সেই বিষয়টিও পুলিশ প্রশাসনকেই নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের সম্পূর্ণ প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করতে হবে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

    ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের দিন ঘোষণা

    পুরুলিয়ার ঝালদা পুরসভায় (Jhalda Municipality) চেয়ারম্যান নিয়োগ সংক্রান্ত রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় স্থগিতাদেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে বলে জানিয়েছিল আদালত। আর আগামী এক মাস ঝালদা পুরসভার যাবতীয় দায়িত্ব পুরুলিয়ার জেলাশাসককে দেওয়া হয়েছিল। আর আজ অবশেষে রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি খারিজ করে বিচারপতি অমৃতা সিনহা নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ১৬ জানুয়ারি জেলাশাসকের উপস্থিতিতে ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচন করতে হবে। আর সেখানে রাখতে হবে পর্যাপ্ত পুলিশবাহিনী। নির্বাচন প্রক্রিয়া ভিডিও-নজরদারিতে করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ফের ধাক্কা রাজ্যের, ঝালদায় প্রশাসক বসানোর নির্দেশে স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    রাজ্যের বিজ্ঞপ্তিতে কী ছিল?

    রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে গত ২ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছিল। সেখানে বলা হয়েছিল, তৃণমূল কংগ্রেসের একজন কাউন্সিলর জবা মাছুয়াকে চেয়ারম্যান হিসেবে নিযুক্ত করে অস্থায়ী প্রশাসক বোর্ড তৈরি করা হবে। আজ সেই নির্দেশের বিজ্ঞপ্তিই খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। ফলে ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রেও হাইকোর্টে ফের ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার।

    কী ঘটেছিল ঝালদা পুরসভায়?

    ১২ আসন বিশিষ্ট ঝালদা পৌরসভায় আসনের নিরিখে সমীকরণ ছিল কংগ্রেস ৫, তৃণমূল ৫, নির্দল ২। এই অবস্থায় অনাস্থা ডাকে কংগ্রেস। আস্থা ভোটের ৭-০ ভোটে জয়লাভ করে কংগ্রেস। এর ফলে অপসারণ করা হয় তৃণমূলের পৌরপ্রধান সুরেশ আগরওয়ালকে। এরই মধ্যে ২ ডিসেম্বর কাউন্সিলর জবা মাছুয়াকে ঝালদা পৌরসভার নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ করে রাজ্য। অন্যদিকে কাউন্সিলর শিলা চট্টোপাধ্যায়কে পৌরপ্রধান হিসেবে নির্বাচিত করতে চায় কংগ্রেস। এরপরেই মামলা গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। তার পর ঝালদা পুরসভা নিয়ে স্থগিতাদেশ জারি করে হাইকোর্ট। আর অবশেষে নির্বাচনের দিন জানিয়ে দিল আদালত। ফলে এই অবস্থায় রাজ্যবাসীর নজরে এখন ঝালদা পুরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচনের লড়াই।

  • Dangri: “রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের মত শত্রুদের সঙ্গে লড়াই করব”, জঙ্গি দমনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ডাংরির রেখা শর্মা

    Dangri: “রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের মত শত্রুদের সঙ্গে লড়াই করব”, জঙ্গি দমনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ডাংরির রেখা শর্মা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরের শুরুর থেকেই রক্তাক্ত ভূস্বর্গ। ১ জানুয়ারি, বছরের প্রথম দিন রাজৌরির ডাংরি গ্রামে ৭ জন হিন্দুকে হত্যা করেছে সন্ত্রাসবাদীরা। এরপর গ্রামবাসীরা সন্ত্রাসবাদীর বিরুদ্ধে লড়তে হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার দাবি জানায়। ফলে আপার ডাংরি গ্রামের স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকের একটি দলকে সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ। তাঁদের মধ্যে ৪৭ বছরের এক মহিলা রেখা শর্মা জানিয়েছেন, ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈয়ের মত শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত শত্রুদের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন তিনি। তিনি সংবাদমাধ্যমে শেয়ার করেছেন, হাতে অস্ত্র তুলে নেওয়ার পিছনে তাঁর কী কাহিনী রয়েছে।

    বন্দুক হাতে ডাংরির রেখা শর্মা

    রেখা তাঁর বাড়ির আশেপাশের পরিস্থিতি দেখে উপত্যকায় জঙ্গি হামলা রুখতে হাতে তুলে নিয়েছেন বন্দুক। একদিকে পাকিস্তানে যেমন মহিলাদের সন্ত্রাসী হিসাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে ভারতে, মহিলাদের সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। তাঁদের গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটির (ভিডিসি) সদস্য হিসেবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। রেখা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “ঝাঁসির রানী লক্ষ্মীবাঈ যেমন তাঁর শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছিলেন, আমরা ডাংরির মহিলারাও পাকিস্তানের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করব।” তিনি আরও বলেন, “জঙ্গিরা আমার বাড়ি, আমার গ্রাম এবং আমার মাতৃভূমি রক্তাক্ত করেছে… আমরা এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিশোধ নেব।” তিনি জানিয়েছেন, ডাংরির কোন ঘটনা তাঁকে ভাবুক করে তুলেছিল ও কোন ঘটনার জন্যই জঙ্গিদের সঙ্গে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে রাজৌরিতে গ্রামবাসীরদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ

    তিনি জানিয়েছেন, তাঁর প্রতিবেশী সুরজ দেবী কয়েক বছর আগে তাঁর স্বামীকে হারান, তাঁর দুই সন্তান দীপক শর্মা এবং প্রিন্স শর্মা ছিল। দুজনেই শিক্ষিত ও ভাল চাকরিও করতেন। কিন্তু দুজনেই চলতি বছর জঙ্গি হানায় নিহত হন। এরপর তিনি প্রতিজ্ঞা করেন, এই মৃত্যুর বদলা তাঁকে নিতেই হবে। সদ্য সন্তানহারা মায়ের কান্না সহ্য করতে পারেননি রেখাদেবী। আর সেই থেকেই জঙ্গিদের শেষ করে দেওয়ার জন্য প্রতিজ্ঞা নিয়েছেন ও হাতে বন্দুক তুলে নিয়েছেন রেখাদেবী। 

    রেখা শর্মা আসলে দিল্লির বাসিন্দা ছিলেন। এরপর  ১৯৯৭ সালে বিয়ের পর ডাংরিতে আসেন। তাঁর স্বামী রণধীর কুমার শর্মা একজন ব্যবসায়ী। তাঁর বড় ছেলে স্নাতক শেষ করে ব্যবসা করছে, মেয়ে জম্মু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএসসি করছে এবং ছোট ছেলে নবম শ্রেণিতে পড়ছে। রেখার বাবা প্রয়াত কৃষ্ণ লাল দিল্লি পুলিশে কর্মরত ছিলেন।

    রেখা আরও জানিয়েছেন, সন্ত্রাসবাদী হামলায় দীপক ও প্রিন্সসহ সাতজন সাধারণ নাগরিক নিহত হওয়ার পর আবারও অস্ত্রের চাহিদা বাড়ছে। তিনি নিজে বন্দুক চালানো শিখবেই, অন্যদিকে গ্রামের অন্যান্য মহিলাদেরকেও অস্ত্র ধরতে এবং সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রশিক্ষণ নিতে রাজি করানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

    গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটি গঠনের আশ্বাস

    আপার ডাংরি গ্রামে সন্ত্রাসী হামলার পর, জম্মু ও কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট-গভর্নর মনোজ সিনহা গ্রামবাসীদের গ্রাম প্রতিরক্ষা গার্ড নামে ডোডা-টাইপ গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটি গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন। সূত্রের খবর অনুযায়ী, গ্রাম প্রতিরক্ষা কমিটির এসপিওদের প্রতি মাসে ১৫০০ টাকা ও প্রতিটি ভিডিজি প্রতি মাসে ৪০০০ টাকা পাবে। যে ব্যক্তি ভিডিজির প্রধান হবেন তাঁকে প্রতি মাসে ৪৫০০ টাকা দেওয়া হবে।

  • Suvendu Adhikari: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন ‘ডু অর ডাই ম্যাচ’! প্রতিটি বুথকে দুর্গ বানানোর কথা বললেন শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন ‘ডু অর ডাই ম্যাচ’! প্রতিটি বুথকে দুর্গ বানানোর কথা বললেন শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনকে রাজ্যে ‘গণতন্ত্র রক্ষার লড়াই’ বললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বাঁকুড়া (Bankura) জেলার বড়জোড়ায় (Borjora) এক প্রকাশ্য জনসভায় তিনি বলেন এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনের হবে ‘ডু অর ডাই’ লড়াই। এই নির্বাচন জিততে হবে। প্রতিটা বুথকে দুর্গ বানানোর কথাও বলেন শুভেন্দু।

    মনোনয়ন দাখিল

    এই সভা থেকে দলীয় কর্মীদের আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়ন দাখিল নিয়ে আশ্বাস দিতে দেখা গেল তাঁকে। এদিন তিনি বলেন, পঞ্চায়েতে মনোনয়ন করাবেন দলের বিধায়ক, সাংসদরা। তাঁর বক্তব্য, “আমরা এবার কথা দিতে পারি পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিল আমরা করাবই। বাঁকুড়া জেলায় ৬ জন বিধায়ক, মন্ত্রী ও সাংসদ আছেন। তাঁদের সঙ্গে নিরাপত্তারক্ষী থাকেন। আমাদের বিধায়ক সাংসদরা প্রত্যেকটি BDO অফিসের ভিতরে থাকবেন। কথা দিতে পারি তাঁরা আপনাদের মনোনয়ন করাবেন এবং সঠিক ভাবে আপনাদের বাড়িতে পৌঁছে দেবেন। আপনারা বুথগুলিকে দূর্গ তৈরী করবেন। আর যদি চটি পরা পুলিশ বুথ লুঠ করতে যায়, তাহলে তাঁদের ধরবেন আর বক্স ফেলবেন পুকুরে।”

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে রাজৌরিতে গ্রামবাসীরদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ

    ডু অর ডাই লড়াই

    শুক্রবার এই সভা থেকে শুভেন্দু শুধু জিততে হবে বলেই থেমে থাকেননি। তিনি কীভাবে জিতবেন, কীভাবে রণনীতি সাজাবেন, তাও খোসলা করেছেন দলীয় কর্মীদের কাছে। পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছেন এবারের লড়াই কিন্তু ২০১৮-র মতো হবে না। এবার মনোনয়ন দাখিল করবেনই তাঁরা। আর তারপর বুথগুলিকে দুর্গ করে তাঁরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন লড়াইয়ে। শুভেন্দু সাফ জানিয়েছেন, ‘এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই। এ লড়াই ডু অর ডাই লড়াই’। এবার করেঙ্গে ইয়ে মরেঙ্গে। এক চুল জমি ছাড়া হবে না। বিজেপির নেতা-কর্মীদের তিনি তৈরি থাকতে বললেন। কীভাবে তিনি সাংসদ ও বিধায়কদের কাজে লাগিয়ে মনোনয়ন পেশ করবেন তাও জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু। ছাড়াও তিনি বলেন, “আবাস যোজনার (Pradhan mantri Awas Yojana) তালিকায় ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে। যোগ্য মানুষদের নাম আবাস যোজনায় ওঠেনি। অবস্থাপন্নদের নাম উঠেছে তালিকায়। আমরা যোগ্যদের নাম তালিকায় তুলে দিতে পারব না। তাই রাজ্য কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে জনস্বার্থ মামলা করে যোগ্যদের বাড়ি পাইয়ে দেওয়ার।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sukanta Majumdar: ‘‘নিরপেক্ষ থাকুন, না হলে পদপিষ্ট হতে হবে’’! পুলিশকে সতর্কবার্তা সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: ‘‘নিরপেক্ষ থাকুন, না হলে পদপিষ্ট হতে হবে’’! পুলিশকে সতর্কবার্তা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনকে ওয়ার্ম আপ ম্যাচ হিসেবে দেখছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। শাসক দলকে হুঁশিয়ারি দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এবার পঞ্চায়েত ভোটে পুলিশকে নিরপেক্ষ থাকার কথা বললেন সুকান্ত। একইসঙ্গে বিজেপির থেকে লোক ভাঙানো নিয়েও তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন সুকান্ত।

    পুলিশকে কটাক্ষ

    শুক্রবার কোচবিহারের এক জনসভায় পুলিশের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘‘পাশে বসে খেলা দেখুন। খেলার মাঝখানে আসবেন না। তা হলে পদপিষ্ট হবেন।’’  পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে শাসক- বিরোধী তরজা আগেই শুরু হয়েছে। এ দিন তাকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। মাথাভাঙায় এক দলীয় কর্মসূচিতে তিনি বলেন, ‘‘উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলা পরিষদ দখল করতে হবে। কোচবিহারের জেলা পরিষদ বিজেপি দখল করবে। কোচবিহার জেলা পরিষদ বিজেপির নামে লেখা হয়েছে।’’ সেই প্রসঙ্গেই তৃণমূলের ‘খেলা হবে’ স্লোগানের দিকে ইঙ্গিত করে শাসকের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। তাঁর কথা, ‘‘কী ভাবে খেলতে হয়, আমরা জানি।’’ সেই সূত্রেই পুলিশের উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    দল ভাঙানো প্রসঙ্গ

    মাথাভাঙার সভায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি দল ভাঙানোর অভিযোগও তুলেছেন তৃণমূলের বিরুদ্ধে। সুকান্ত মজুমদার কোচবিহার জেলা সফরে গিয়ে বলেন, তৃণমূলে টানতে অভিষেকের ‘ভূত’ এসেছিল এই জেলায়। বিজেপির রাজ্য সভাপতির কথায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস থেকে এক ‘ভূত’ এসেছিল কোচবিহার মাথাভাঙার বিজেপি বিধায়ক সুশীলকুমার বর্মনের সঙ্গে দেখা করতে। সুকান্ত বলেন, ‘‘মাথাভাঙার বিজেপি বিধায়ক সুশীল বর্মণকে তৃণমূল তাদের দলে যোগ দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছে। সুশীলদা জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি বিজেপির পুরনো কর্মী। তিনি যখন থেকে বিজেপি করেন তখন বিজেপির ভালো সময় ছিল না। এখন ভালো সময়। তাই তাঁর দেখা করার কিছু নেই। প্রয়োজন হলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর কাছে গিয়ে কথা বলে যাবেন।’’ 

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদীদের আটকাতে রাজৌরিতে গ্রামবাসীরদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সিআরপিএফ

    শুক্রবার কোচবিহার শহরের সুকান্ত মঞ্চে ওবিসি মোর্চার উত্তরবঙ্গ জোনের সম্মেলনে যোগ দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এদিন গঙ্গা আরতি নিয়ে তিনি কটাক্ষ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। পাশাপাশি কোচবিহারের দিনহাটা বিধানসভার তৃণমূল বিধায়ক তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহকে ‘বাঁদর গুহ’ বলে সম্মোধন করেন। তিনি বলেন, উত্তরবঙ্গে এক ‘বাঁদর গুহ’ আছেন, তাঁর ভাষা শুনলে মনে হয় তিনি ডাস্টবিন থেকে উঠে রাজনীতি করতে চলে এসেছেন। তিনি আরও বলেন, এর আগে বোধহয় লুঙ্গি পরে মিছিল করেছিলেন। তিনি সাবধান করে দেন, ভালো লুঙ্গি পরে বাড়িতে থাকুন। রাস্তায় হাঁটলে বিজেপির দমকা হাওয়ায় লুঙ্গি খুলে যাবে। তখন মুশকিলে পড়বেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: কেন্দ্রের দেওয়া ঋণের টাকাতেই চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার! বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: কেন্দ্রের দেওয়া ঋণের টাকাতেই চলছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার! বিস্ফোরক অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের টাকা নয়, কেন্দ্রের টাকাই ব্যবহার করে চালানো হচ্ছে মমতা সরকারের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ফের বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গতকাল ট্যুইট করে তিনি অভিযোগ করেছেন, কেন্দ্রের কাছ থেকে টাকা ধার নিয়ে সেই টাকা ব্যবহার করা হচ্ছে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে। শুভেন্দুর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে কোনও সরকার নয়, ‘পিসি ও ভাইপোর কোম্পানি’ চলছে। রাজ্য সরকারের এই আর্থিক অনিয়ম নিয়ে কেন্দ্রীয় অর্থসচিবকে চিঠিও দিয়েছেন তিনি।

    ট্যুইটে কী অভিযোগ করেছেন শুভেন্দু?

    রাজ্য সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে একাধিকবার সরব হয়েছেন বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারী। আবাস যোজনার দুর্নীতির অভিযোগ আনার পর এবারে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রকাশ্যে মমতা সরকারকে আক্রমণ শানিয়েছেন তিনি। ট্যুইটারে শুভেন্দুবাবু লিখেছেন, “রাজ্যগুলিকে বিশেষ সহায়তা হিসাবে পশ্চিমবঙ্গকে ৬০০৮.২১ কোটি টাকা ঋণ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। সেই টাকা থেকে ১০০০ কোটি টাকা ঘুরপথে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে বিতরণ করা হয়েছে।” তিনি আরও লিখেছেন, এতে স্পষ্ট হয় রাজ্যে অর্থ দফতর কতটা বেপরোয়া। তারা কোনও আর্থিক বিধি মানে না। পশ্চিমবঙ্গে পিসি-ভাইপোর কোম্পানি চলছে। তিনি আরও জানিয়েছেন, কেন্দ্রের অর্থ মন্ত্রক রাজ্যকে পরিকাঠামো উন্নয়ন ও প্রকল্প রূপায়ণের জন্য কোটি কোটি টাকা দিচ্ছে, কিন্তু রাজ্য তা বেআইনিভাবে লক্ষ্মী ভাণ্ডারের মত প্রকল্পে ব্যবহার করছে।

    দুর্নীতির বিরুদ্ধে নথি শেয়ার ট্যুইটে

    তিনি লক্ষ্মীর ভাণ্ডার নিয়ে যেসব অভিযোগ করেছেন, সেই অভিযোগের ভিত্তিতে ট্যুইটে কিছু নথিও শেয়ার করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাতে টাকার হিসাব সংক্রান্ত যেমন তথ্য রয়েছে, তেমনই রয়েছে রাজ্যের অর্থ দফতরের সচিবকে পাঠানো চিঠি। এই বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্রের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে নিজের ট্যুইট কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীকেও ট্যাগ করেছেন শুভেন্দু, একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় অর্থসচিব টিভি সোমনাথন এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব মনোজ পন্থকেও উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • STF: আইএস জঙ্গি কুরেশি ও সাদ্দামের কীভাবে যোগাযোগ হয়? মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার সিদ্ধান্ত এসটিএফ-র

    STF: আইএস জঙ্গি কুরেশি ও সাদ্দামের কীভাবে যোগাযোগ হয়? মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার সিদ্ধান্ত এসটিএফ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জঙ্গি দমনে মরিয়া কলকাতার এসটিএফ। নতুন বছরের শুরুতেই আইএস জঙ্গি সন্দেহে হাওড়া থেকে দুজনকে গ্রেফতার করেছে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স (STF)। এদের নাম মহম্মদ সাদ্দাম ও সৈয়দ আহমেদ। এখানেই শেষ না, কলকাতা এসটিএফের জালে আসে আরও এক আইএস (ISIS) জঙ্গি। মধ্যপ্রদেশ থেকে এই জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে কলকাতা পুলিশের এসটিএফ। ৩৩ বছর বয়সি ওই ধৃত জঙ্গির নাম আব্দুল রাকিব কুরেশি। আর এদেরকে জেরা করতেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। তদন্তে উঠে এসেছে, সাদ্দাম ও কুরেশির সঙ্গে এক যোগ-সূত্র রয়েছে এবং তাদের এক বড়সড় হামলার ছক ছিল। ফলে তাদের পরিকল্পনা সম্পর্কে আরও তথ্য বের করার জন্য একসঙ্গে বসিয়ে জেরা করার প্রস্তুতি নিচ্ছে স্পেশাল টাস্ক ফোর্স।

    কে এই আব্দুল রাকিব কুরেশি ও কীভাবে তার সাদ্দামের সঙ্গে আলাপ হয়?

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি প্রাক্তন সিমি সদস্য। ২০০৯ সালে তাকে একবার গ্রেফতার করা হয়েছিল। খুনের চেষ্টার অভিযোগেও তাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২০১৪ সালে তিনিই আবার তালিবানের পক্ষে স্লোগান দিয়েছিলেন আদালতে। এসটিএফ-এর আধিকারিকরা আগেই জানিয়েছিলেন যে, সাদ্দাম ও কুরেশির যোগাযোগ রয়েছে। এসটিএফ আধিকারিকদের দাবি, ২০১৯ সালে জেল থেকে বের হওয়ার পরেও কুরেশি হাওড়া আইএস মডিউলের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলত। এর পর সে সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করে তার মত লোকজনকে খুঁজে বেড়াত। মূলত রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার জন্য সে এইভাবে সংগঠনে নতুন করে নিয়োগ করত। এদিকে সেই সূত্র ধরেই টেলিগ্রামের মাধ্যমে তার সঙ্গে হাওড়ার আইএস অপারেটিভ মহম্মদ সাদ্দামের সঙ্গে তার আলাপ হয়। এর পর তারা দুজনেই যুব সমাজের ব্রেন ওয়াশ করে আইএস মডিউলে নাম লেখানোর চেষ্টা করত। এর কিছু নজিরও পাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তারা ঠিক কোথায় যাতায়াত করত, আর কাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখত সবটাই খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

    আরও পড়ুন: আদালতে তালিবানি স্লোগান দিয়েছিল কুরেশি! আইসিস নেতার সঙ্গে যোগাযোগ রয়েছে সাদ্দামের!

    আবার সাদ্দাম পুলিশকে জানিয়েছে, সে অস্ত্রের জন্য কুরেশির সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেই তাদের মধ্যে যোগাযোগ গড়ে ওঠে। তদন্তকারীরা ইতিমধ্যেই পুরানো কিছু চ্যাট সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন। অস্ত্র সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কুরেশির পুরানো কোনও মামলা রয়েছে কি না, আর কার সঙ্গে তারা যোগাযোগ রাখত এসব জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। জঙ্গি মডিউলের সম্পর্কেও আরও তথ্য জোগাড়ের চেষ্টা করে চলেছে এসটিএফ। এর জন্য কেন্দ্রীয় এজেন্সির সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। সাদ্দাম ও কুরেশির বিষয়ে আরও বেশি তথ্য জানার জন্য এসটিএফ আধিকারিকরা তাদের একসঙ্গে বসিয়ে জেরা করার পরিকল্পনা করেছেন।

    জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ মামলায় চার্জশিট জমা এনআইএ-এর

    একদিকে এসটিএফ যেমন সন্ত্রাস দমনে তৎপর হয়ে উঠেছে। অন্যদিকে এনআইএ এদিন ২০২২ সালে দাখিল হওয়া জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ মামলায় এক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রদেশের ভোপালের একটি বিশেষ আদালতে সাপ্লিমেন্টরি চার্জশিট জমা করল। এই মামলায় ২০২২ সালের মার্চ মাসে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী ৬ জন সহ মোট ১০ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। প্রসঙ্গত, ২০১৬ সালে ঢাকার একটি জনপ্রিয় ক্যাফেতে জেএমবি জঙ্গি গোষ্ঠী হামলা চালানোর পর সেখানে ১৭ জন বিদেশী সহ ২২ জন নিহত হয়েছিলেন। পরে এনআইএ জানিয়েছিল যে, এই জঙ্গি গোষ্ঠী ভারতেও এমনই করার চেষ্টা করছিল।

  • Budget Session: মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, অধিবেশন শুরু কবে জানেন?

    Budget Session: মোদি সরকারের শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট, অধিবেশন শুরু কবে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে এটাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) শেষ পূর্ণাঙ্গ বাজেট। আগামী বছর নির্বাচন থাকায় পেশ হবে ভোট অন অ্যাকাউন্ট। এবারও বাজেট পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ (Nirmala Sitharaman)। যেহেতু সামনেই রয়েছে লোকসভা নির্বাচন এবং চলতি বছর রয়েছে অন্তত ১০টি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন, তাই এবারের বাজেটে থাকতে পারে একাধিক চমক। এবার বাজেট অধিবেশন (Budget Session) শুরু হচ্ছে ৩১ জানুয়ারি। চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। শুক্রবার একথা জানান সংসদ বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী (Pralhad Joshi)। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি সংসদে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের বাজেট প্রস্তাব পেশ করবেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী। ট্যুইট বার্তায় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাজেট অধিবেশন শুরু হবে ৩১ জানুয়ারি, চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। ৬৬-রও বেশি দিনের মধ্যে অধিবেশন হবে ২৭ দিন। রাষ্ট্রপতির বক্তৃতার পর মোশন অফ থ্যাঙ্কস, কেন্দ্রীয় বাজেট এবং অন্য আইটেমগুলিও হবে।

    বাজেট অধিবেশন…

    কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী বলেন, বাজেট অধিবেশন পর্বে ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত সংসদ ছুটি থাকবে। সূত্রের খবর, ৩১ জানুয়ারি শুরু হওয়া অধিবেশন চলবে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। তার পর ছুটি থাকবে। ফের অধিবেশন (Budget Session) শুরু হবে ১৩ মার্চ। চলবে ৬ এপ্রিল পর্যন্ত। বাজেট অধিবেশনের প্রথমার্ধে সংসদের উভয় কক্ষ মোশন অফ থ্যাঙ্কসের ওপর আলোচনা করবে। পরে আলোচনা হবে বাজেট নিয়ে। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর যে মোশন অফ থ্যাঙ্কস হবে, তার বিতর্কের উত্তর দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আর বাজেট অধিবেশনে যে আলোচনা হবে, তার বিতর্কের উত্তর দেবেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামণ। অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধে পাশ করানো হবে বাজেট এবং অর্থ বিল।

    আরও পড়ুুন: বিচারপতি মান্থার এজলাসের ঘটনা নিন্দনীয়! রাজ্যে আসছে বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল

    এদিকে সেন্ট্রাল ভিস্তা ডেভলপমেন্টের অংশ হিসেবে তৈরি হচ্ছে নয়া সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ। যাঁরা সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ করছেন, তাঁরা জানান বাজেট অধিবেশনের দ্বিতীয়ার্ধ হবে সংসদের নয়া ভবনে। প্রসঙ্গত, গত অধিবেশনে লোকসভায় পেশ হয়েছিল ৯টি বিল। তার মধ্যে এই সভায় পাশ রয়েছিল ৭টি। আর রাজ্যসভায় পাশ হয়েছিল ৯টি বিল। গত অধিবেশনে সংসদের দুটি কক্ষে পাশ হয়েছিল ৯টি বিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার এজলাসের ঘটনা নিন্দনীয়! রাজ্যে আসছে বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল

    Rajasekhar Mantha: বিচারপতি মান্থার এজলাসের ঘটনা নিন্দনীয়! রাজ্যে আসছে বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল পাঠাচ্ছে বার কাউন্সিল। কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বিপক্ষে সম্প্রতি যে নজিরবিহীন বিক্ষোভ দেখা গিয়েছিল আইনজীবীদের একাংশের, এবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে চিঠি গেল বার কাউন্সিলের কাছে। বার কাউন্সিলের কাছে জমা পড়া সেই পিটিশনের প্রেক্ষিতে রাজ্যে প্রতিনিধিদল পাঠানো হচ্ছে।

    রাজ্যে বার কাউন্সিলের প্রতিনিধি দল 

    সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) , দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi High Court) এবং রাজধানীর বিভিন্ন নিম্ন আদালতে (courts) কর্মরত একদল আইনজীবী গত সোমবারের ওই ঘটনার তীব্র নিন্দা করে চিঠি দেন বার কাউন্সিল অফ ইন্ডিয়াকে (Council of India)। ওই  চিঠিতে আইনজীবীরা জানিয়েছেন, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত আইনজীবীদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিক বার কাউন্সিল।  কলকাতা হাইকোর্টের ওই ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দাজনক বলে ব্যাখ্যা করেছেন বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মনন কুমার মিশ্র। তিনি জানিয়েছেন, বার কাউন্সিলের তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল কলকাতায় আসবেন। এখানকার পরিস্থিতি ঘুরে দেখে দিল্লিতে ফিরে তাঁরা হাইকোর্টের ঘটনা নিয়ে বার কাউন্সিলে একটি রিপোর্ট জমা দেবেন। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং প্রয়োজনে আইনানুগ ব্যবস্থাও নেবে বার কাউন্সিল। 

    আরও পড়ুুন: ‘চিন সেনা মোতায়েন করলেও, ভারত জবাব দিতে প্রস্তুত’, বললেন সেনা প্রধান

    কী করবে ওই দল 

    জটলা ও বিক্ষোভ সরলেও, এখনও কার্যত অচল বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার এজলাস। অধিকাংশ মামলায় অনুপস্থিত সরকারি আইনজীবী। এখনও পর্যন্ত ২৪ টি মামলার শুনানিতে অনুপস্থিত সরকারি আইনজীবীরা। বিচারপ্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করছেন না একাংশের আইনজীবী। ফলে পিছিয়ে যাচ্ছে মামলার শুনানি। বার কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এদিন কড়া ভাষায় জানিয়েছেন, “আইনজীবীদের ভদ্রলোকের মতো ব্যবহার করা উচিত। কিন্তু দিনের পর দিন এই ধরনের ঘটনা বাড়ছে। যদি কোথাও কোনও ক্ষেত্রে আপত্তি থাকে, তাহলে তাঁরা প্রধান বিচারপতির কাছে যেতে পারতেন, কিংবা সংশ্লিষ্ট প্লাটফর্মে নিজেদের কথা জানাতে পারতেন।” তিনি জানান, রেজিস্ট্রার জেনারেলের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি, ওই প্রতিনিধি দল ঘটনার দিনের সিসিটিভি ফুটেজও দেখতে চেয়েছেন। বারের তরফে রেজিস্ট্রার জেনারেলকে এ বিষয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। ‘বার কাউন্সিল অব ইন্ডিয়া’র প্রতিনিধিদলে রয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রবীন্দ্রকুমার রাইজদা, ইলাহাবাদ হাই কোর্টের বিচারপতি অশোক মেহতা এবং দিল্লি হাই কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের কর্মসমিতির সদস্যা বন্দনা কৌর গ্রোভার। আগামী ১৭ জানুয়ারি (বুধবার) বারের কাছে রিপোর্ট পেশ করবেন তাঁরা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • PM Awas Yojna: ফের রাজ্যের ১০ জেলায় আবাস-তদন্তে আসছে ৫টি পৃথক কেন্দ্রীয় দল

    PM Awas Yojna: ফের রাজ্যের ১০ জেলায় আবাস-তদন্তে আসছে ৫টি পৃথক কেন্দ্রীয় দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার ১০টি জেলায় আবাস-পরিস্থিতি ঘুরে দেখার জন্য আবার পাঁচ-পাঁচটি অনুসন্ধানী দল পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রীয় দল গত সপ্তাহেই রাজ্যের দু’টি জেলায় ঘুরে গিয়েছে। কেন্দ্র জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (গ্রামীণ) রূপায়ণের পদ্ধতিতে বঙ্গের কয়েকটি জেলায় ফের ‘গরমিল’-এর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেটাই খতিয়ে দেখতে আসছে ‘ন্যাশনাল লেভেল মনিটর্স’ দল। 

    রাজ্যকে চিঠি

    আবাস যোজনা নিয়ে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। যোগ্য প্রার্থীরা বাদ পড়ছেন। তাই আবাস যোজনার কাজ খতিয়ে দেখতে ফের রাজ্যে আসছে কেন্দ্রীয় দল। মোট ১০টি জেলায় যাবে তারা। এ বিষয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকারের কাছে চিঠি এসেছে। দুই মেদিনীপুর, পূর্ব বর্ধমান, কালিম্পং, দার্জিলিং, আলিপুরদুয়ার, মালদা, মুর্শিদাবাদ সহ বেশ কয়েকটি জেলা পরিদর্শন করবে কেন্দ্রীয় দল। কেন্দ্র জানিয়েছে, এ বার ১০টি জেলায় গরমিলের অভিযোগ যাচাই ছাড়াও জেলাশাসক, জেলা পরিষদের মুখ্য প্রশাসনিক অফিসার (সিইও) এবং জেলা প্রশাসনের অন্য কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবে কেন্দ্রীয় দল।

    আরও পড়ুন: দুর্নীতি অনুসন্ধানে ২ জেলায় কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল

     ইতিমধ্যেই রাজ্যের পঞ্চায়েত সচিবকে চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক। গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রকের চিঠিতে বলা হয়েছে, কেন্দ্রীয় অনুসন্ধানকারী দলকে সর্বতোভাবে যেন সহযোগিতা করে রাজ্য প্রশাসন। কেন্দ্রীয় নিয়মবিধি অনুযায়ী চূড়ান্ত অনুমোদনের থেকে সর্বাধিক সাত দিনের অর্থাৎ ৭ জানুয়ারির মধ্যে প্রথম কিস্তির টাকা উপভোক্তার কাছে পৌঁছে দেওয়ার কথা ছিল। প্রথম কিস্তিতে প্রত্যেক উপভোক্তা ৬০ হাজার টাকা পেয়ে থাকেন। কমবেশি ১১ লক্ষ উপভোক্তার ক্ষেত্রে প্রথম কিস্তির জন্য থাকার কথা প্রায় ৬৬০০ কোটি টাকা।

    আরও পড়ুন: দলের লোক ভুল করলেও সেটা ভুল! আবাস দুর্নীতি প্রসঙ্গে সরব দেব

    এই প্রকল্পে মোট খরচের ৬০% দেয় কেন্দ্র, ৪০ ভাগের দায়িত্ব রাজ্যের। সেই অনুযায়ী প্রথম কিস্তির বরাদ্দ হিসেবে কেন্দ্রের দেওয়ার কথা প্রায় ৩৯৬০ কোটি টাকা। রাজ্যের দেওয়ার কথা প্রায় ২৬৪০ কোটি। ৩১ মার্চের মধ্যে প্রায় ১১ লক্ষ বাড়ি তৈরি করার কথা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Congress: ভারত জোড় যাত্রায় হাঁটতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কংগ্রেস সাংসদের

    Congress: ভারত জোড় যাত্রায় হাঁটতে গিয়ে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কংগ্রেস সাংসদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের (Congress) ভারত জোড় যাত্রায় (Bharat Jodo Yatra) বিপত্তি। যাত্রা চলাকালীন হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কংগ্রেস নেতা সান্তোখ সিং চৌধুরীর। তিনি জলন্ধরের সাংসদ ছিলেন। বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর। কংগ্রেস সাংসদের প্রয়াণের খবর পেয়ে ভারত জোড় যাত্রা ছেড়ে হাসপাতালে চলে যান কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। জলন্ধরের সাংসদের মৃত্যুর খবর পেয়ে শোক প্রকাশ করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান।

    ভারত জোড় যাত্রা…

    গত বছরের ৭ সেপ্টেম্বর কন্যাকুমারীতে শুরু হয় ভারত জোড় যাত্রা। কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বে শুরু হয় ওই যাত্রা। চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি জম্মু-কাশ্মীরের শ্রীনগরে গিয়ে শেষ হবে যাত্রা। কংগ্রেসের এই যাত্রায় পা মিলিয়েছেন সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ। তা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি।

    বর্তমানে পাঞ্জাবে রয়েছে ভারত জোড় যাত্রা। শনিবার সকালে যাত্রা হচ্ছিল ফিল্লৌরে। কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও ছিলেন ওই যাত্রায়। আচমকাই বুকে ব্যথা অনুভব করেন জলন্ধরের সাংসদ সান্তোখ সিং চৌধুরী। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় ফাগওয়ারার ভির্ক হাসপাতালে। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। 

    খবর পেয়ে প্রয়াত নেতাকে দেখতে ভারত জোড় যাত্রা ছেড়ে সোজা হাসপাতালে চলে যান রাহুল। ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন কংগ্রেস নেতৃত্ব। শোক প্রকাশ করেছেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লেখেন, জলন্ধরের কংগ্রেস সাংসদের আকস্মিক প্রয়াণে শোকাহত। ওঁর আত্মার শান্তি কামনা করছি। শোক প্রকাশ করেছেন লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাও।

    আরও পড়ুুন: আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচন ‘ডু অর ডাই ম্যাচ’! প্রতিটি বুথকে দুর্গ বানানোর কথা বললেন শুভেন্দু

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share