Blog

  • Mominpur Incident: মোমিনপুর কাণ্ডের তদন্তে নেমে জেএমবি যোগ পেল এনআইএ, উদ্ধার ৩৫ লক্ষ টাকা

    Mominpur Incident: মোমিনপুর কাণ্ডের তদন্তে নেমে জেএমবি যোগ পেল এনআইএ, উদ্ধার ৩৫ লক্ষ টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর হিংসার (Mominpur Incident) তদন্তে নেমেছে এনআইএ। আর তদন্তে নেমেই হাতে এল বড় প্রমাণ। বুধবার সকালে মোমিনপুরের ভূকৈলাশ রোডের একাধিক বাড়ি-সহ মোট ১৭ জায়গায় তল্লাশিতে যায় এনআইএ-এর প্রতিনিধিদল। অভিযানে সঙ্গী ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী। ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে প্রচুর টাকা উদ্ধার করেছেন এনআইএ গোয়েন্দারা। শুধু ভুকৈলাস রোডের চারটি বাড়ি থেকেই উদ্ধার হয়েছে প্রায় ৩৫ লক্ষ টাকা। গোয়েন্দাদের অনুমান এই ৩৫ লক্ষ টাকা হিংসার কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল। তাই কোথা থেকে এই টাকা এসেছে, কোন পথ থেকে টাকা আনা হয়েছে তার তদন্ত করা হচ্ছে।

    কী জানা গেল? 

    শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, একবালপুর থানায় উপস্থিত হয়েছেন এনআইএ আধিকারিকরা। সালাউদ্দিন নামের এক অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যকে আটক করা হয়েছে। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, মোমিনপুর হিংসার (Mominpur Incident) তিনটি মামলায় সালাউদ্দিনের নাম উঠে এসেছিল। সেই সূত্রেই তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। গোয়েন্দাদের দাবি, এই ব্যক্তিই অন্যতম অভিযুক্ত। জানা গিয়েছে, ভূকৈলাস রোড এলাকায় সালাউদ্দিনের ব্যবসা রয়েছে। সালাউদ্দিনের কোনও খোঁজ পাননি গোয়েন্দারা।

    এনআইএ গোয়েন্দারা মোমিনপুরের ঘটনায় (Mominpur Incident) জেএমবি যোগের অনুমান করছেন। জামাত-উল-মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি হল একটি জঙ্গি সংগঠন। বাংলাদেশ, ভারত সহ একাধিক দেশে এই সংগঠন নিষিদ্ধ। ১৯৯৮ সালের এপ্রিলে ঢাকা বিভাগের পলমপুরে শায়খ আব্দুর রহমান এটি প্রথম প্রতিষ্ঠা করে। মূলত বাংলাদেশে হলেও আফগানিস্তান, ভারত, পাকিস্তানে রয়েছে এই জঙ্গি গোষ্ঠির সংগঠন। এরা আলকায়দার শাখা সংগঠন হিসেবে কাজ করে থাকে।

    আরও পড়ুন: “অযোগ্যদের চাকরি নিশ্চয়ই ভালোবেসে দেওয়া হয়নি”, কল্যাণময়ের জামিন প্রসঙ্গে বিচারপতি 

    এদিকে এদিন তল্লাশিতে নেমেই বাধার মুখে পড়েন গোয়েন্দারা। বেশ কয়েকটি জায়গায় স্থানীয়রা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিকদের বাধা দেন। তদন্তকারীদের গাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন স্থানীয়রা। ময়ূরভঞ্জ রোড এবং ভুকৈলাস রোডে বাধাপ্রাপ্ত হতে হয় তাঁদের। বেশ কিছুক্ষণ আটকে থাকতে হয় এনআইএ কর্তাদের। তবে, সেসব উপেক্ষা করেই শেষপর্যন্ত মোমিনপুর (Mominpur Incident) এবং বন্দর এলাকার মোট ১৭ জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালায় এনআইএ।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    গত বছর কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর রাত ও তার পরদিন কলকাতার মোমিনপুর-একবালপুরে সাম্প্রদায়িক হিংসা ছড়ায়। ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ওঠে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেমে গুরুতর আহত হন কলকাতা পুলিশের এক পদস্থ আধিকারিক। এর পর ঘটনার তদন্তে নেমে মোট ৫টি এফআইআর দায়ের করে কলকাতা পুলিশ। মোট ৪৫ জনকে গ্রেফতার করে তারা। ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। আদালত জানায়, ঘটনার বিস্তারিত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে দেবে রাজ্য সরকার। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে এনআইএ তদন্তের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। গত ১৪ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে জাননো হয় এই হিংসার তদন্ত করবে এনআইএ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Hydrogen Powered Train: নতুন বছরে রেলমন্ত্রকের উপহার পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন

    Hydrogen Powered Train: নতুন বছরে রেলমন্ত্রকের উপহার পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরে বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের পর এবার নতুন বছরে পরিবেশ বান্ধব হাইড্রোজেন ট্রেন(Hydrogen Train)। ভারতীয় রেলের তরফে দেশবাসীকে ফের আর একটি উপহার দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব (Ashwini Vaishnaw)।  সম্প্রতি এশিয়ার প্রথম হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন (Hydrogen Train) লঞ্চ করেছে চিন। এটিকে বিশ্বের ‘সবুজতম ট্রেন’ বলা হচ্ছে। রেলমন্ত্রী জানিয়েছেন, এ বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ভারতেও এই ট্রেন চালু হবে। ভারতের হাইড্রোজেন ট্রেন তৈরি হবে দেশেই। 

    হাইড্রোজেন ট্রেনের বৈশিষ্ট্য

    রেল মন্ত্রক সূত্রে আগেই জানা গিয়েছিল, ২০২৩ সালে হাইড্রোজেন ট্রেনের চাকা গড়াবে। চলতি বছরে হরিয়ানার শোনপত থেকে জিন্দ ৮৯ কিলোমিটারের রুটে প্রথম এই ট্রেন চলবে। রেল মন্ত্রক সূত্রে খবর, হাইড্রোজেন ট্রেন অন্যান্য ট্রেনের মতো বড় হবে না। বগির সংখ্যা হবে বড় জোর ছয় থেকে আটটি। ঘণ্টায় এই ট্রেন দৌড়বে সর্বাধিক ১৪০ কিলোমিটার বেগে। এক্ষেত্রে খরচ বাঁচবে আবার পরিবেশ দূষণ রোধ হবে। সমুদ্রের জল থেকে সহজেই তৈরি করা যাবে হাইড্রোজেন, যার যোগান অফুরন্ত। 

    আরও পড়ুন: মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি! ইটবৃষ্টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে, আতঙ্কে যাত্রীরা

    আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের অন্তর্গত

    হাইড্রোজেন ট্রেন সম্পর্কে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন,আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পের অধীনে দেশেই তৈরি করা হবে এই ট্রেন। এটি বিদেশ থেকে আমদানি করা হবে না। রেলমন্ত্রী বলেন, “চলতি বছরের ডিসেম্বরে হেরিটেজ রুটগুলিতে হাইড্রোজেন চালিত ট্রেন চালাব আমরা। এর মাধ্যমে এই রুটগুলির সম্পূর্ণ সবুজায়ন নিশ্চিত করা যাবে।” রেলমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই প্রকল্পের কাজও শুরু হয়ে গিয়েছে। ইতিমধ্যেই হাইড্রোজেন চালিত ট্রেনের একটি প্রোটোটাইপ উত্তর রেলের ওয়ার্কশপে পাঠানো হচ্ছে।  অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে, রেলের পূর্ণ বৈদ্যুতিকরণ সম্ভব হচ্ছে না। আর্থিক কারণেই হোক বা অন্যান্য কোনও সমস্যার ফলে। এমন ক্ষেত্রে ডিজেল চালিত লোকোমোটিভ বদলে হাইড্রোজেন চালিত লোকোমোটিভ আনার কথা চিন্তা করা হয়। এটি সস্তা বিকল্প হওয়ার পাশাপাশি দূষণমুক্তও। হাইড্রোজেন ট্রেন রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় পর্যটনমুখী করে চালালে উপকৃত হবেন বহু মানুষ বলে মনে করেছেন রেলকর্তাদের একাংশ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Recruitment Scam: “অযোগ্যদের চাকরি নিশ্চয়ই ভালোবেসে দেওয়া হয়নি”, কল্যাণময়ের জামিন প্রসঙ্গে বিচারপতি

    Recruitment Scam: “অযোগ্যদের চাকরি নিশ্চয়ই ভালোবেসে দেওয়া হয়নি”, কল্যাণময়ের জামিন প্রসঙ্গে বিচারপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের জামিন পেলেন না কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। জামিনের আর্জি খারিজ করে দিল আদালত। আজ দুই হেভিওয়েট কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় ও সুবীরেশ ভট্টাচার্যর জামিন মামলার (Recruitment Scam) শুনানি ছিল বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চে। সিবিআইকে বিচারপতি বাগচীর পরামর্শ, “নিয়োগ দুর্নীতিতে আর্থিক লেনদেনের ভাল করে তদন্ত করুন। অযোগ্যদের তো আর ভালবেসে চাকরি দেওয়া হয়নি!” জামিনের আর্জি খারিজ করলেও সিবিআইকে বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “জোরালো যুক্তি না থাকলে এক জনকে কত দিন বন্দি করে রাখতে পারবেন?”

    কী বলেন বিচারপতি?  

    শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Scam) আপাতত সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অভিযুক্ত কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার জামিনের আর্জি খারিজ হয়ে গেলেও বৃহস্পতিবার আবার মামলাটির  শুনানি হবে বলে জানিয়েছেন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্ত।  

    গত ১৩ ডিসেম্বর কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের (Recruitment Scam) আর্জি জানান কল্যাণময়। আদালত এই প্রসঙ্গে সিবিআই- এর কাছে তাদের বক্তব্য শুনতে চেয়েছিল। ২২ শে ডিসেম্বর সিবিআই- এর জবাবে সন্তুষ্ট হয়নি আদালত।

    নিয়োগ দুর্নীতিকাণ্ডে (Recruitment Scam) ১১৩ দিন বন্দি রয়েছেন কল্যাণময়। তাঁর শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে জামিনের আবেদন করেছিলেন তিনি। এ প্রসঙ্গে কল্যাণময়ের আইনজীবী বলেন, “তাঁর  মক্কেলের শারীরিক সমস্যা রয়েছে। তা ছাড়া স্কুল সার্ভিস কমিশনের নিয়োগ কমিটির উপদেষ্টা ছিলেন শান্তিপ্রসাদ সিনহা। তাঁর দেওয়া সুপারিশপত্র মেনেই নিয়োগ করা হয়েছে।” সিবিআইয়ের তরফে কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের জামিনের বিরোধিতা করা হয়। সিবিআই-এর পক্ষে আইনজীবী অরুণ মাইতি বলেন, “আদালতের নির্দেশে তদন্ত হচ্ছে। অনুসন্ধানের সময় বেনিয়ম পেয়েছি বলে গ্রেফতার করা হয়েছে।”

    সিবিআই-এর তরফে আদালতে উল্লেখ করা হয়, শান্তিপ্রসাদ সিনহার সঙ্গে চক্রান্তে যুক্ত ছিলেন কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। শান্তিপ্রসাদ সিনহার কাছ থেকে সুপারিশপত্র নিয়ে নিজেই সরাসরি নিয়োগপত্র দিতেন। প্যানেলের (Recruitment Scam) মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে নিয়োগপত্র দেওয়া হত।

    আরও পড়ুন: ১৪৩ জন প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি বাতিল করল হাইকোর্ট, বেতন বন্ধের নির্দেশ

    দুতরফের সওয়াল-জবাব শোনার পরে (Recruitment Scam) বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য বলেন, “আমরা এই দুর্নীতির কার্যপ্রণালী এবং এই দুর্নীতিতে কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের ভূমিকা জানতে চাই। কোন আর্থিক লেনদেন হয়েছে? কত জনকে চাকরি দেওয়া হয়েছে?” তিনি আরও বলেন, “চাকরি নিশ্চয়ই ভালোবাসার কারণে দেওয়া হয়নি? টাকার লেনদেন আছে কিনা খুঁজে দেখুন। কতদিন জেলবন্দি করে রাখতে পারবেন? গোটা বিচারপ্রক্রিয়া ঠিক সময়ের মধ্যে শেষ করতে পারবেন? তদন্ত দ্রুত চালান।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Japan Population: জাপান সরকারের অফার! টোকিও ছাড়লেই নাগরিকরা পাবেন ১০ লক্ষ ইয়েন, কেন জানেন?

    Japan Population: জাপান সরকারের অফার! টোকিও ছাড়লেই নাগরিকরা পাবেন ১০ লক্ষ ইয়েন, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাপান সরকার সে দেশের নাগরিকদের (Japan Population) টোকিও ছেড়ে যেতে বলছে! শুধু তাই নয় টোকিও ছাড়ার জন্য প্রত্যেকটি পরিবারকে ১০ লক্ষ ইয়েন মানে ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৬,৩৪,০০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে। টোকিও ছেড়ে তাদেরকে বিভিন্ন গ্রামে যেতে বলা হচ্ছে অথবা যে কোন ছোট শহরে। কিন্তু হঠাৎ কী এমন হলো? কারণটা হল টোকিও ব্যাপক জনঘনত্বপূর্ণ একটি শহর, এই শহরে জনসংখ্যার চাপ কমাতে চাইছে জাপান সরকার।

    আরও পড়ুন: আফগানিস্তানে হামলা করলে ’৭১-এর পুনরাবৃত্তি হবে! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি তালিবানের

    কোথায় স্থানান্তর করা হবে নাগরিকদের (Japan Population)

     নিজের নাগরিকদের এবং শিশুদেরকে নিরাপদ রাখতে টোকিও থেকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাপান, এই সিদ্ধান্ত জাপান সরকারের পক্ষ থেকে গত বছরের এপ্রিল মাসেই নেওয়া হয়।

    জাপানের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি আধিকারিকরা এবং নীতি নির্ধারকরা বলছেন, জনসংখ্যা স্থানান্তরের পরে শহরে জনসংখ্যার (Japan Population) ঘনত্বটাও কমবে তার কারণ টোকিওতে জনঘনত্বের চাপ খুবই বেড়ে যাচ্ছিল এবং জাপানি নাগরিকরা (Japan Population) একটি উন্নত শহরের বদলে গ্রাম্য পরিবেশে থাকার অভ্যাস করতে পারবেন।

    তবে যে সমস্ত পরিবার আর্থিক সুবিধা নেবেন এবং টোকিও ছাড়বেন তাঁদের জন্য কতগুলো শর্ত জাপান সরকার থেকে দেওয়া হয়েছে, যেমন গ্রাম অঞ্চলে যে নতুন বাড়িগুলি তাঁরা তৈরি করবেন সেখানে ন্যূনতম পাঁচ বছর থাকতে হবে। পরিবারের একজন সদস্যকে অবশ্যই কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে এবং এই সময়ের মধ্যে যে কোনও একটা নতুন ব্যবসা খোলার পরিকল্পনা রাখতে হবে। জাপানের ১৩০০ টি বিভিন্ন পৌরসভা এই প্রকল্পের অন্তর্গত রয়েছে।

    সরকারি সূত্রে জানা গেছে যে এই প্রকল্পের জন্য অর্ধেক অর্থ জাপানের যে কেন্দ্রীয় সরকার রয়েছে সেখান থেকে দেওয়া হবে এবং বাকি অর্ধেক অর্থ স্থানীয় পৌরসভাগুলির কাছ থেকে আসবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Pakistani Hindu: প্রিয়জনদের অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারবে পাকিস্তানের হিন্দুরা! নয়া নীতি মোদি সরকারের

    Pakistani Hindu: প্রিয়জনদের অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারবে পাকিস্তানের হিন্দুরা! নয়া নীতি মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে বসবাসকারী হিন্দুদের ইচ্ছাকে স্বাগত জানাল মোদি সরকার। প্রতিবেশী দেশে বসবাসকারী হিন্দুদের অনেকেরই শেষ ইচ্ছা থাকে মৃত্যুর পরে তাঁদের অস্থি যেন গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়। কিন্তু পাকিস্তান থেকে অস্থি ভারতে আনা সহজ নয়। এই পরিস্থিতিতে  মোদি সরকার জানিয়েছে, পাকিস্তানি হিন্দু পরিবারের সদস্যরা যাতে মৃত ব্যক্তির অস্থি গঙ্গায় ভাসাতে পারে তাই তাঁদের ১০ দিনের ভিসা দেওয়া হবে। মোদি সরকারের এই প্রয়াসে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে পাক হিন্দুরা।

    আগের নিয়ম

    এতদিন পর্যন্ত ভারত সরকারের নীতি ছিল, একজন মৃত পাকিস্তানি হিন্দুর পরিবারের সদস্যকে ভারতে আসার জন্য ভিসা দেওয়া হবে, যদি ভারতে বসবাসকারী তাঁর আত্মীয় কিংবা ঘনিষ্ঠ বন্ধুদের কেউ তাঁকে স্পনসর করে। এমন পাকিস্তানি হিন্দুর সংখ্যা বেশ কম, যাঁদের আত্মীয় কিংবা ঘনিষ্ঠ বন্ধুরা ভারতে থাকেন। করাচির সোলজার বাজারের শ্রী পঞ্চমুখী হনুমান মন্দিরের এক সদস্য জানিয়েছেন, মন্দিরে শত শত মানুষের অস্থি রাখা রয়েছে। যাঁরা রেখেছেন, সেইসব পরিবারগুলির আশা এইসব দেহাবশেষ গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া যাবে। এব্যাপারে দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় হাইকমিশনারের সঙ্গে আলোচনা চলছিল বলেও জানিয়েছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: মালদার পর এবার নিউ জলপাইগুড়ি! ইটবৃষ্টি বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে, আতঙ্কে যাত্রীরা

    নয়া নিয়ম

    মোদি সরকারের নয়া নীতি অনুসারে,যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনের অস্থি গঙ্গায় বিসর্জন দিতে চান, সেই সব হিন্দু পরিবারগুলি ১০ দিনের জন্য ভারতে আসার ভিসা পাবে। এইসময়ের মধ্যে তাঁদেরকে আচার-রীতি মেনে গঙ্গায় অস্থি বিসর্জন দিতে হবে। ভারতে এসে সোজা উত্তরাখণ্ডের হরিদ্বারে যেতে পারবে ওই পরিবারগুলি এবং ধর্মীয় আচার অনুযায়ী,গঙ্গায় অস্থি বিসর্জন দিতে পারবে। প্রথম পর্বে অন্তত ৪২৬টি পাকিস্তানি হিন্দু পরিবারের সদস্যরা তাঁদের প্রিয়জনের অস্থি হরিদ্বারের গঙ্গায় বিসর্জন দেবেন। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, মৃত্যুর পর অস্থি যদি হরিদ্বারের গঙ্গায় বিসর্জন দেওয়া হয়, তাহলে তা স্বর্গের পথ পায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • India vs Sri Lanka: ম্যাচের নায়ক শিবম মাভি! প্রথম টি-২০ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২ রানে হারাল ভারত

    India vs Sri Lanka: ম্যাচের নায়ক শিবম মাভি! প্রথম টি-২০ ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে ২ রানে হারাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানটান উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে শেষ হাসি হাসল টিম ইন্ডিয়া। তিন ম্যাচের সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচে মাত্র দুই রানে শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে (IND vs SL 1st T20) দিল ভারত। অভিষেক ম্যাচেই চার উইকেট নিয়ে নায়ক শিবম মাভি (Shivam Mavi)। ভারতীয় দল প্রথমে ব্যাট করে ১৬২ রান তোলে। টিম ইন্ডিয়ার হয়ে ঈশান কিষাণের ৩৭ রানের ইনিংস ছাড়াও, দীপক হুডা ও অক্ষর পটেল (Axar Patel) ষষ্ঠ উইকেটে ৬৮ রান যোগ করেন। দীপক ৪১ ও অক্ষর ৩১ রানে অপরাজিত থাকেন। জয়ের জন্য ১৬৩ রানের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ব্যাট করতে নেমে ১৬০ রানেই অল আউট হয়ে যায় দ্বীপরাষ্ট্র। 

    ভারতের ইনিংস

    মঙ্গলবার শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ভারত। কিন্তু শুরু থেকেই টিম ইন্ডিয়ার ব্য়াটিং বিপর্যের ধারা চলে। ৪৬ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বসেছিল ভারত। এর পরেও পড়ে আরও ২ উইকেট। তবে দীপক হুডার অপরাজিত ৪১ (২৩ বলে) এবং অক্ষর প্যাটেলের ২০ বলে অপরাজিত ৩১ রান ভারতকে ১৫০ রানের গণ্ডি পার করিয়ে দেয়। এ ছাড়া ওপেন করতে নেমে ইশান কিষাণ ৩৭ (২৯ বল) করেছিলেন। আর হার্দিক পাণ্ডিয়া ২৯ (২৭ বল) করেন। এর বাইরে বাকিরা কেউ দুই অঙ্কের ঘরেই পৌঁছতে পারেনি। নির্দিষ্ট ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ভারত করে ১৬২ রান। শ্রীলঙ্কার দিলসন মাদুশঙ্কা, মহেশ থিকসানা, চামিকা করুণারত্নে, ধনঞ্জয় ডি’সিলভা,ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা ১টি করে উইকেট নিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: আইপিএলে ফিরছেন সৌরভ! দিল্লি ক্যাপিটালসের ডিরেক্টর পদে আসছেন মহারাজ?

    শ্রীলঙ্কার ইনিংস

    ১৬৩ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপাকে পড়ে শ্রীলঙ্কা। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের প্রথম ওভারেই মাত্র এক রানে পাথুম নিসাঙ্কাকে সাজঘরে ফেরত পাঠান শিবম মাভি। নিজের পরের ওভারেই ধনঞ্জয় ডি সিলভাকেও ৮ রানে আউট করেন মাভিই। একদিকে যখন মাভি নতুন বল হাতে আগুন ঝরাচ্ছেন, অপরিদকে সেখানে আরেক তরুণ ফাস্ট বোলার উমরান মালিকও পিছিয়ে ছিলেন না। তিনি চরিথ আসালঙ্কাকে সাজঘরে ফেরত পাঠিয়ে শ্রীলঙ্কাকে তৃতীয় ধাক্কাটি দেন। পরের ওভারে কুশল মেন্ডিসকে ২৮ রানে ফেরান হার্ষাল পটেল। ৫১ রানেই চার উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা।  তবে অধিনায়ক দাসুন শনাকার ২৭ বলে ৪৫ লঙ্কাকে লড়াইয়ে ফেরায়। এ ছাড়া চামিকা করুণারত্নে ১৬ বলে ২৩ রান করে অপরাজিত থাকেন। হাসারঙ্গা ১০ বলে ঝড়ো ২১ রান করেন। যার ফলে জেতার মতো জায়গায় পৌঁছে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। ওপেন করতে নেমে কুশল মেন্ডিসও ২৮ করেছিলেন। ম্যাচের শেষ ওভারে অক্ষর পটেলের বিরুদ্ধে দ্বীপরাষ্ট্রের জয়ের জন্য ১৩ রানের প্রয়োজন ছিল। ওভারের তৃতীয় বলে ছয় মারেন চামিকা। তিন বলে এই সময়ে শ্রীলঙ্কার জয়ের জন্য পাঁচ রান প্রয়োজন ছিল। প্রবল চাপের মুখে বল হাতে জ্বলে উঠেন অক্ষর। শেষ তিন বলে মাত্র দুই রান দেন তিনি। ম্যাচ জেতে ভারত।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Indian Americans: আমেরিকায় বিচারপতি পদে নিযুক্ত হলেন তিন ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    Indian Americans: আমেরিকায় বিচারপতি পদে নিযুক্ত হলেন তিন ভারতীয় বংশোদ্ভূত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান (Indian Americans), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রদেশে বিচারক পদে শপথ নিলেন। গত রবিবারে শপথ নিয়েছেন জুলি এ ম্যাথিউ, কেপি জর্জ এবং সুরেন্দ্রন কুমার প্যাটেল। প্রসঙ্গত টেক্সাসের ‘ফোর্ট বেন্ড কান্টিতে’ তাঁরা তিনজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান (Indian Americans), মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি প্রদেশে বিচারক পদে শপথ এই শপথ নিয়েছেন। 

    তিনজন ভারতীয় বংশোদ্ভূতের (Indian Americans) সংক্ষিপ্ত পরিচয়

    এদের মধ্যে জুলি এ ম্যাথিউ যিনি একজন ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান (Indian Americans) মহিলা, প্রথমবারের জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন চার বছর আগে এবং এটা নিয়ে তিনি দ্বিতীয়বারের জন্য পুনঃনির্বাচিত হলেন, পরাস্ত করেছেন তাঁর রিপাবলিকান প্রতিদ্বন্দ্বী ডোনবারকে। জুলি এ ম্যাথিউ আদতে একজন কেরালার বাসিন্দা, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই শপথ নেন তিনি।

    আরও পড়ুন: ইজরায়েলে সরকার গড়লেন নেতানিয়াহু, অভিনন্দন বার্তা মোদি, বাইডেন, পুতিনের

    তাঁকে নির্বাচিত করা হয়েছে প্রশাসনিক বিচারক হিসেবে এবং বিভিন্ন জুভেনাইল মামলাগুলিও তিনি দেখবেন এবার থেকে। ফেসবুকে তিনি এই জয়ের পরে লেখেন,” ধন্যবাদ জানাচ্ছি সকলকে, আমি কৃতজ্ঞ, আমাকে নির্বাচিত করার জন্য। এই প্রদেশের সমস্ত নাগরিকদের প্রতি আমি দায়বদ্ধ, আরও একটি বারের জন্য  আমাকে সুযোগ দেওয়ার জন্য। আমি কৃতজ্ঞ আমার সমস্ত সমর্থকদের কাছে এবং যাঁরা আমাকে ভোট দিয়েছেন তাঁদের কাছে”।

    অন্যদিকে কেপি জর্জও দ্বিতীয় বারের জন্য এই নির্বাচনে যেতেন। তিনিও কেরালার ভূমিপুত্র। জর্জের বর্তমান বয়স ৫৭ বছর এবং তিনি একজন ডেমোক্র্যাট। ২০১৮ তেও তিনি নির্বাচিত হয়েছিলেন এবং বর্তমানে তিনি আবারও চার বছরের জন্য চিফ এক্সিকিউটিভ পদে নির্বাচিত হলেন।

    টেক্সাসের এই প্রদেশে নির্বাচিত হয়েছেন আরও এক রিপাবলিকান, সুরিন্দর কুমার প্যাটেল যিনি পরাস্ত করেছেন তাঁর প্রতিপক্ষ এডওয়ার্ডকে। সুরিন্দর কুমারের বয়স ৫২ বছর এবং তিনিও একজন কেরালার বাসিন্দা। যাঁর ২৫ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে আইন বিষয়ে। তিনি একজন ভারতের আইনজীবী ছিলেন, কালিকট বিশ্ববিদ্যালয় সুরিন্দর প্যাটেল ১৯৯৫ সালে নিজের আইনের ডিগ্রি নিয়েছিলেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Human Rights: বাংলায় লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার, অভিযোগের সারবত্তা খুঁজতে আসছে ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস

    Human Rights: বাংলায় লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার, অভিযোগের সারবত্তা খুঁজতে আসছে ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় লঙ্ঘিত হচ্ছে মানবাধিকার (Human Rights)। এ অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এবার সেই অভিযোগের সারবত্তা খুঁজতে বাংলায় আসছে ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস। এটি একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। মানবাধিকার, বিশেষত মহিলা, দরিদ্র এবং সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের জন্য কাজ করে এই সংস্থা। এই সংস্থাই গঠন করেছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। সেই কমিটিই আসবে বঙ্গ দর্শনে। তদন্ত করবে মানবাধিকার  লঙ্ঘনের অভিযোগের। সংগঠন জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ থেকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রচুর অভিযোগ পেয়েছে তারা। সংগঠনের তরফে আরও জানানো হয়েছে, ধর্ষণ, খুন, লুঠ, অগ্নিসংযোগের একাধিক অভিযোগ পেয়েছে। এও জানিয়েছে, এসবের নেপথ্যে রয়েছে রাজ্যের শাসক দলের হাত। সংগঠন জানিয়েছে, দ্য ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস খুন, ধর্ষণ, লুঠ, অগ্নিসংযোগ সহ নানা অভিযোগ পেয়েছে। সরকারি মেশিনারি কাজে লাগিয়ে এসবই করেছে রাজ্যের শাসক দল।

    ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস…

    ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস নামের ওই স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে সাধারণ মানুষ, বিশেষত মহিলাদের কোনও নিরাপত্তা নেই। তাদের অভিযোগ, এ রাজ্যে মানবাধিককার (Human Rights) লঙ্ঘনের ঘটনা রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংগঠন গড়েছে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি। সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে, এই ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিতে রয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এল নরসিংহ রেড্ডি, প্রাক্তন আইপিএস আধিকারিক রাজপাল সিং, মহিলা ওমেন্স রাইটস ল ইয়ার চারু ওয়ালি খান্না, আইনজীবী ওম প্রকাশ ব্যাস, সাংবাদিক সঞ্জীব নায়ক এবং আইনজীবী রোজি টাবা।

    আরও পড়ুুন: আফগানিস্তানে হামলা করলে ’৭১-এর পুনরাবৃত্তি হবে! পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি তালিবানের

    এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে ল ইয়ার্স ফর জাস্টিস জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির সদস্যরা রাজ্যে যাবেন বলে প্রস্তাব দিয়েছেন। এটাই হবে স্বাধীন, উচ্চ পর্যায়ের সিভিল সোসাইটি কমিটির প্রথমবারের জন্য পশ্চিমবঙ্গ সফর। কমিটির সদস্যরা কথা বলবেন যাঁরা ভুক্তভোগী, তাঁদের সঙ্গে। গোটা দেশে তাঁদের স্বর তুলে ধরা এবং তাঁদের সুরক্ষা দেওয়াই কমিটির কাজ। প্রসঙ্গত, এর আগে বাংলায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম পাঠিয়েছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। ১৩ সেপ্টেম্বর বিজেপির সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে ওই পাঠানো হয়েছিল ওই টিম। সেই টিম রিপোর্ট দিয়েছে দিল্লিতেে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Bunker: গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ী বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত

    Bunker: গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ী বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাটে (Gujarat) স্যর ক্রিক ও ‘হারামি নাল্লা’ জলাভূমি সংলগ্ন এলাকায় বাঙ্কার তৈরি করতে চলেছে ভারত। প্রথমবার গুজরাট-পাকিস্তান সীমান্তে স্থায়ীভাবে বাঙ্কার তৈরির কাজ শুরু করা হয়েছে। ভারত-পাকিস্তান সীমান্ত (India-Pak Border) এলাকায় আটতলা সমান উচতার বাঙ্কার তৈরি হবে বলে জানা গিয়েছে। 

    কঠোর নিরাপত্তা 

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, আটটি বহুতল বাঙ্কার নির্মাণের জন্য ৫০ কোটি টাকা অনুমোদন করা হয়েছে। এ এলাকায় প্রায়ই পাকিস্তানি জেলে ও মাছ ধরার নৌকার অনুপ্রবেশ ঘটছে। গুজরাট সীমান্ত এলাকায় একাধিকবার পাক অনুপ্রবেশকারীদের আটক করা হয়েছে ২০২২ সালে। তাই সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসাবেই বাঙ্কার তৈরি করা হবে। সরকারী পরিসংখ্যান অনুসারে, ২০২২ সালে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (BSF) গুজরাটের এই এলাকা থেকে ২২ জন পাকিস্তানি জেলেকে গ্রেফতার করেছিল। সেই সঙ্গে ৭৯টি মাছ ধরার নৌকাও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একই বছরে (২০২২), বিএসএফ ২৫০ কোটি টাকার হেরোইন এবং ২.৪৯ কোটি টাকার চরস উদ্ধার করে। আরব সাগরের তীরে অবস্থিত গুজরাট সীমান্ত ব্যবহার করে একাধিকবার ভারতে ঢোকার চেষ্টা করেছে পাক জঙ্গিরা। জলপথ ব্যবহার করেই ২৬/১১র জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছিল। তাই এবার এখানে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে চাইছে সেনা।

    আরও পড়ুুন: ‘মোদি বিশ্বের কণ্ঠস্বর, উন্নয়নশীল দেশগুলির স্বর ভারত’, বললেন জয়শঙ্কর

    প্রকল্পের খুঁটিনাটি

    সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ভুজ সেক্টরেই এই বাঙ্কার বানানোর কাজ শুরু করা হবে। চার হাজার বর্গ কিলোমিটারের বেশি জায়গা জুড়ে থাকা স্যর ক্রিক এলাকায় পাঁচটি বাঙ্কার তৈরি করা হবে। ৯০০ বর্গ কিলোমিটার হারামি নাল্লাতেও ৪২ ফুট উঁচু বাঙ্কার বানানো হবে। আটতলা সমান উঁচু এই বাঙ্কারে অত্যাধুনিক সরঞ্জাম রাখা হবে। যেসমস্ত এলাকা থেকে অনুপ্রবেশ হয়ে থাকে, মূলত সেই অঞ্চলেই নজরদারি চালানোর জন্য উপযুক্ত পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে এই বাঙ্কারে। প্রত্যেক বাঙ্কারে মোট ১৫ জন বিএসএফ জওয়ানের থাকার ব্যবস্থা থাকবে। বিপদসংকুল ক্রিক এলাকায় নজরদারি চালানোর জন্য পায়ে হেঁটেই চলাফেরা করতে হত জওয়ানদের। বিষাক্ত সাপ-সহ নানা বিপদের মধ্যেই কাজ করতে হত। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই অঞ্চল ঘুরে দেখেই বাঙ্কার বানানোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেন। বিএসএফের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এপ্রিল মাস থেকে সমুদ্র সংলগ্ন এলাকায় প্রাকৃতিক দুর্যোগের প্রবণতা বাড়তে থাকে। তাই মার্চ মাসের মধ্যেই এই বাঙ্কার তৈরির কাজ শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। ইতিমধ্যেই শ্রমিকদের নিরাপত্তার জন্য বিএসএফের একটি বিশেষ দল নিযুক্ত করা হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Sandip Chowdhury: মাত্র ৪৪ বছর বয়সে মারা গেলেন প্রখ্যাত পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর পুত্র সন্দীপ চৌধুরী

    Sandip Chowdhury: মাত্র ৪৪ বছর বয়সে মারা গেলেন প্রখ্যাত পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর পুত্র সন্দীপ চৌধুরী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছরের শুরুটা বাংলার বিনোদন জগতের পক্ষে ভাল যাচ্ছে না। মঙ্গলবার ভোরেই সুরলোকে পাড়ি দেন প্রখ্যাত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী  সুমিত্রা সেন। তারপরই দুঃসংবাদ টলি পাড়ায়। প্রয়াত পরিচালক সন্দীপ চৌধুরী। তবে তাঁর আরও একটি পরিচয় রয়েছে তিনি খ্যাতনামী পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর পুত্র। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৪ বছর। গত ১৭ ডিসেম্বর শুটিং ফ্লোরেই আচমকা অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তার পর সন্দীপকে ইকবালপুর নার্সিং হোমে নিয়ে যাওয়া হয়। কিডনির সমস্যায় দীর্ঘ দিন ধরেই ভুগছিলেন। এ ছাড়াও রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন সন্দীপ চৌধুরী। তাঁর অকাল মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ ইন্ডাস্ট্রি। 

    বাংলা টেলিভিশনে উজ্জ্বল নাম

    বাংলা টেলিভিশনের জগতে এক উজ্জ্বল নাম সন্দীপ চৌধুরী। ইন্ডাস্ট্রিতে ‘বাবু’ নামেই পরিচিত ছিলেন। সম্প্রতি কালার্স বাংলার ‘ফেরারি মন’ ধারাবাহিকের দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে।  সেই সিরিয়ালের সেটেই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। যদিও তাঁর কেরিয়ারের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কাজ ‘এরাও শত্রু’ এবং ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’। বাবা অঞ্জন চৌধুরীর কাছে পরিচালনার হাতেখড়ি করেছিলেন সন্দীপ। শুধুমাত্র পরিচালনাই নয়। তাঁর বাবা চলে যাওয়ার পর প্রযোজনা সংস্থাও তিনি সামলেছেন। তাঁর নিজস্ব অ্যাক্টিং স্কুলও আছে। ‘বিদ্রোহিনী’র মতো ছবি থেকে শুরু করে ‘বিবি চৌধুরানী’, ‘উড়ন তুবড়ি’ সহ বেশ কয়েকটি ধারাবাহিক ও টলিউডে একাধিক ছবি তৈরি করেছেন তিনি। তাঁর বিদ্রোহিনী ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। 

    আরও পড়ুন: বাংলা সঙ্গীত জগতে নক্ষত্র পতন! প্রয়াত বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী সুমিত্রা সেন

    ‘ডিরেক্টর অ্যাসোসিয়েশন অব ইস্টার্ন ইন্ডিয়া’-র সভাপতি ছিলেন সন্দীপ চৌধুরী। জি বাংলা’ থেকে সান বাংলা, সব কটি চ্যানেলেই প্রায় কাজ করেছেন। গত বছর অগস্ট মাসে প্রয়াত হয়েছিলেন অঞ্জন চৌধুরীর স্ত্রী জয়শ্রী চৌধুরী। মাস কয়েক যেতে না যেতেই এদিন একমাত্র ভাইকে হারালেন অভিনেত্রী চুমকি ও রিনা চৌধুরী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share