Blog

  • PIL: বাম-বিজেপি নেতাদের সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে নয়া মোড়! কী হল আদালতে?

    PIL: বাম-বিজেপি নেতাদের সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে নয়া মোড়! কী হল আদালতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস-সহ রাজ্যের সমস্ত বিরোধী দলের প্রথম সারির ১৭ জন নেতার নামে সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলায় সবরকম সহোযোগিতার আশ্বাস দিলেন সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমের আইনজীবী। মঙ্গলবার মামলার শুনানির সময় সিপিএমের দুই নেতা তন্ময় ভট্টাচার্য এবং মহম্মদ সেলিমের আইনজীবীরা জানান, তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করবেন তাঁদের মক্কেলরা। কিন্তু তদন্ত করাতে হবে যে কোনও নিরপেক্ষ এবং স্বাধীন সংস্থাকে দিয়ে। আইনজীবীরা এদিন স্পষ্টই জানান, মামলায় সবরকম সহযোগিতা করবেন তাঁরা। তবে মামলার নথি আদান প্রদানের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হওয়ায় শুনানিপর্ব পিছিয়ে দেওয়া হয়। আগামী মঙ্গলবার ৩০ অগাস্ট ফের এই মামলার শুনানি হবে।

    এর আগে শাসকদলের ১৯ জন নেতামন্ত্রীর নামে সম্পত্তি বৃদ্ধি সংক্রান্ত একটি মামলা হয়েছিল। যে মামলায় ইডিকে পার্টি করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট। তারই পাল্টা বিরোধীদের ১৭ নেতার বিরুদ্ধে অস্বাভাবিক সম্পত্তি বৃদ্ধির অভিযোগে দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। গত সপ্তাহেই কলকাতা হাইকোর্টে জনৈক সুজিত গুপ্ত এই জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন। আদালতে মামলাকারী জানান, ১৭ জন বিজেপি বিধায়ক-সাংসদ এবং অন্যান্য দলের নেতার আয় ও সম্পত্তি বৃদ্ধি নজরে রাখা উচিত। কারও কারও সম্পত্তি দ্বিগুণ বেড়েছে বলেও উল্লেখ করেন মামলাকারী।

    আরও পড়ুন: ভিনরাজ্য থেকে আসা ইমাম ও মাদ্রাসা শিক্ষকদের পুলিশ ভেরিফিকেশন বাধ্যতামূলক! অসমে কেন এই নয়া নিয়ম

    এই মামলায় নাম রয়েছে তৃণমূলের কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী ও তমলুকের তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারীও। এছাড়া রয়েছে, বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী, বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষের নামও। নাম রয়েছে বিষ্ণুপুরের সাংসদ সৌমিত্র খাঁ, কুমারগ্রামের বিজেপি বিধায়ক মনোজকুমার ওরাওঁ, কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক মিহির গোস্বামী, আসানসোল দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল, বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্ত, বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য, বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা, বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারি, বিজেপি নেতা বিশ্বজিৎ সিনহার (রাহুল সিনহা)। নাম রয়েছে কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা আব্দুল মান্নান, সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম ও সিপিএম নেতা তন্ময় ভট্টাচার্যের।

  • Arpita Mukherjee: এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গোপন জবানবন্দি দিচ্ছেন পার্থ  ঘনিষ্ঠ অর্পিতা?

    Arpita Mukherjee: এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় গোপন জবানবন্দি দিচ্ছেন পার্থ  ঘনিষ্ঠ অর্পিতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসএসসি নিয়োগ কেলেঙ্কারি মামলায় (SSC Scam Case) গোপন জবানবন্দি দিচ্ছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় (Partha Chatterjee) ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায় (Arpita Mukherjee)। ইডির (ED) একটি সূত্রেই এমন খবর মিলেছে। আর যদি সত্যি সত্যিই অর্পিতা গোপন জবানবন্দি দেন, তাহলে আরও বিপাকে পড়তে পারেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।

    এসএসসি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর ঘনিষ্ঠ অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। দুর্নীতির শেকড়ের গভীরে পৌঁছতে দিন কয়েক আগে ইডি হানা দেয় অর্পিতার ফ্ল্যাটে। উদ্ধার হয় ৫০ কোটি টাকার কাছাকাছি। পাঁচ কোটি টাকা মূল্যের সোনাও বাজেয়াপ্ত হয়েছে। হদিশ মিলেছে নামে বেনামে প্রচুর জমি, ফ্ল্যাট, বাগানবাড়ি এবং কোম্পানির। বর্তমানে আলিপুর সেন্ট্রাল জেলের মহিলা সেলে রয়েছেন অর্পিতা। ইতিমধ্যেই সেখানে গিয়ে তাঁকে একাধিকবার জেরা করেছেন তদন্তকারীরা। তখনই উঠে এসেছে একের পর এক বিস্ফোরক তথ্য। ইডির একটি সূত্রে খবর, তদন্তকারীরা অর্পিতার কাছে জানতে চান, তিনি এই সব বয়ান বিচারকের কাছে বলবেন কিনা। ততক্ষণাৎ অর্পিতা জানিয়ে দেন গোপন জবানবন্দি দিতে তিনি প্রস্তুত।

    আরও পড়ুন : হাজারিবাগের হোটেলে পার্থ-ঘনিষ্ঠের খোঁজে তল্লাশি আয়কর দফতরের, কী মিলল জানেন?

    ইডির তদন্তকারীদের নানা সময়ে অর্পিতা জানিয়েছেন, ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হওয়া নগদ টাকা এবং সোনা তাঁর নয়। এ ব্যাপারে তিনি কিছু জানতেনও না। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের লোকজনই ফ্ল্যাটে গিয়ে টাকা রেখে তালা লাগিয়ে দিত। তবে ঘনিষ্ঠতা সূত্রে পার্থর কাছ থেকে অর্থ লেনদেনের কিছু কথা তাঁরও কানে গিয়েছে বলে দাবি অর্পিতার। কোন জেলা থেকে কত টাকা আসত, কে সেই টাকা পাঠাত, তার তালিকা তৈরি করতে চাইছে ইডি। সেক্ষেত্রে অর্পিতার গোপন জবানবন্দি তদন্তের ক্ষেত্রে হয়ে উঠবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইডি সূত্রে খবর, পার্থর কাছ থেকে টাকার একটা অংশ প্রভাবশালীদের কাছেও যেত। জেরার মুখে অর্পিতা কয়েকজনের নামও বলেছেন। অর্পিতা জবানবন্দি দিলে, ইডির পক্ষে অভিযোগ প্রমাণ করা হবে স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। তাই ইডি চাইছে, গোপন জবানবন্দি দিন অর্পিতা। প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন অর্পিতাও।

    আরও পড়ুন : জামিনের আর্জি খারিজ! এসএসসি দুর্নীতি-কাণ্ডে শান্তিপ্রসাদ ও অশোকের আরও ৬দিন সিবিআই হেফাজত

    এমতাবস্থায় অর্পিতার গোপন জবানবন্দি নেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন তদন্তকারীরা। এ ব্যাপারে আইনি বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিচ্ছেন ইডি কর্তারা। জানা গিয়েছে, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে বিচারকের কাছে ১৬৪ ধারায় গোপন জবানবন্দি দিতে পারেন পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতা। সেক্ষেত্রে কেলেঙ্কারির আরও গভীর ফাঁসে জড়িয়ে যেতে পারেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী।

     

  • IPS Koteswar Rao: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    IPS Koteswar Rao: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  জ্ঞানবন্ত সিংহ (IPS Gyanwant Singh) হাজির হননি, কিন্তু মঙ্গলবার দিল্লিতে ইডির দফতরে হাজিরা দিতে গেলেন আইপিএস অফিসার কোটেশ্বর রাও (IPS Koteswar Rao)। কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal smuggling case) আয়কর তল্লাশিতে (Income Tax raid) মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি (Anoop Majhi) ওরফে লালার বাড়ি থেকে এমন কিছু নথিপত্র পাওয়া গিয়েছে, যেখানে কোটেশ্বরের যোগসূত্র মিলেছে। লালার ডায়েরিতেও কোটেশ্বরের সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে বলে ইডি দাবি করেছে। সেই প্রেক্ষিতেই আগেও একদফা ডেকে পাঠানো হয়েছিল পশ্চিমাঞ্চলে কাজ করা আট জন আইপিএসকে (ED summons 8 IPS) । এবারও সেই সূত্রেই ফের ডাক দিয়েছে ইডি (ED)।

     জ্ঞানবন্ত না গেলেও এদিন অবশ্য কোটেশ্বর হাজির হচ্ছেন বলে জানা গিয়েছে। বাকি অফিসাররা এখনও লিখিতভাবে কিছু জানাননি। ফলে তাঁরাও হাজির হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে। জ্ঞানবন্ত ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে গত সোমবার ইডির হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। তাঁকে ফের ডাকা হতে পারে বলে তদন্তকারী সংস্থাসূ্ত্রের দাবি। 

    আরও পড়ুন: বালি-পাথরের ‘নবগ্রহ’ ইডি-সিবিআইয়ের নজরে, কেষ্টর পর কে কে? 

    এছাড়াও তালিকায় রয়েছেন, রাজীব মিশ্র , সুকেশ জৈন, শ্যাম সিং, এস সেলভামুরগান, তথাগত বসু, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়। জ্ঞানবন্ত সিংকে ডাকা হয়েছিল ২২ অগাস্ট, কোটেশ্বর রাওকে ডাকা হয়েছে ২৩ অগাস্ট, শ্যাম সিংকে ডাকা হয়েছে ২৪ অগাস্ট। এছাড়াও এস সেলভামুরুগান, রাজীব মিশ্র, সুকেশ জৈন, তথাগত বসু এবং ভাস্কর মুখোপাধ্যায়কে যথাক্রমে ২৫, ২৬, ২৯, ৩০, ৩১ অগাস্ট তলব করেছে ইডি। দিল্লির ইডি দফতরে তলব করা হয়েছে তাঁদের ৷ কয়লাপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্যেই আইপিএস জ্ঞানবন্ত সিংকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন ইডি আধিকারিকরা ৷ দিল্লিতে দুবার ও কলকাতায় একবার জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে ৷ রেকর্ড করা হয়েছে তাঁর বয়ানও৷ এস সিলভা মুরুগানকেও এর আগে একবার তলব করেছে কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা।

    আরও পড়ুন: জুলাই মাসে রাশিয়া ভারতের তৃতীয় বৃহত্তম কয়লা সরবরাহকারী, বলছে রিপোর্ট 

    ইডি আধিকারিকদের দাবি, কয়লাপাচার কাণ্ডে অন্যান্যদের জেরা করে এই ৮ আইপিএস অফিসারদের নাম উঠে এসেছে ৷ আসানসোল-রানিগঞ্জ, পুরুলিয়া, বাঁকুড়াসহ একাধিক জায়গায় কর্মরত থাকা কালীন এই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে কয়লাপাচার সংক্রান্ত কোনও তথ্য ছিল কিনা তা জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে চাইবেন ইডি আধিকারিকরা। যদি জানা থাকে তাহলে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল ? কোনও প্রভাবশালীর নাম তাঁরা জানতেন কি না? ইডির আরও প্রশ্ন থাকবে, জানা থাকলে এবিষয়ে তাঁরা কোনও ব্যবস্থা নিয়েছিলেন কি না? এবিষয়ে কোনও ব্যক্তিকে আজ অবধি জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে কি না সে বিষয়েও এই আট আধিকারিকের কাছে জানতে চাইবে ইডি। 

    আগেও এই পুলিশ কর্তাদের তলব করা হয়েছিল। তাঁদের বিরুদ্ধে যে শুধু নিষ্ক্রিয় থাকার অভিযোগ রয়েছে তাই নয়, সরাসরি পাচারের সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগও উঠেছে। অভিযোগ, পুলিশের চোখের সামনে দিয়ে লরি করে কয়লা পাচার করা হত। তারপরও পুলিশের মুখ বন্ধ ছিল। মূলত আসানসোল, পুরুলিয়া এলাকাতেই চলত পাচার। 

    এঁদের মধ্যে কেউ তখন ছিলেন জেলার পুলিশ সুপার, কেউ ছিলেন আইসি। তদন্তকারী আধিকারিকদের দাবি, এই পুলিশ কর্তারা ইচ্ছে করেই আটকাননি পাচার। ইডি সূত্রের খবর, ওই পুলিশ আধিকারিকদের কাছে থাকত বিশেষ টোকেন নম্বর, যা দেখে কয়লার গাড়ি ছেড়ে দেওয়া হত। কার্যত পাচারে সুবিধা করে দেওয়া হত। এমনকি আর্থিক দিক থেকে লাভবানও হতেন এই পুলিশকর্তারা বলে অভিযোগ করেছে ইডি। আগেও একাধিক অফিসারকে এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।

    উল্লেখ্য, কয়লাপাচার কাণ্ডে এর আগে দিল্লিতে তলব করা হয় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) এবং তাঁর স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। 

    এসএসসি দুর্নীতিতে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও অর্পিতা মুখোপাধ্যায়। পার্থ ঘনিষ্ঠের বাড়ি থেকে ৫০ কোটিরও বেশি টাকা উদ্ধার হয়েছে। ওই টাকা এল কোথা থেকে তার তদন্তে নেমেছে ইডি। দশ বার নোটিস এড়ানোর পর আজ গরুপাচার কাণ্ডে অনুব্রত মণ্ডলকে তার বোলপুরের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এবার ইডির নজরে রাজ্যের ৮ আইপিএস অফিসার। ফলে রাজ্য সরকার যে যথেষ্ট বিপাকে রয়েছে তা বলাই বাহুল্য। 
        

  • Praggnanandhaa Rameshbabu: বার বার তিনবার! বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ু কার্লসেনকে ফের হারালেন প্রজ্ঞানন্দ

    Praggnanandhaa Rameshbabu: বার বার তিনবার! বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ু কার্লসেনকে ফের হারালেন প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথমবার ৫ বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ও বিশ্বের এক নম্বর দাবাড়ু ম্যাগনাস কার্লসেনকে (Magnus Carlsen) হারিয়ে দেশ তথা গোটা বিশ্বকে অবাক করেছিলেন ভারতের ক্ষুদে গ্র্যান্ডমাস্টার রমেশবাবু প্রজ্ঞানন্দ (Praggnanandhaa)। গত ছয় মাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার। ফের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেনকে হারালেন ভারতের তরুণ দাবাড়ু প্রজ্ঞানন্দ। ১৭ বছরের ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার প্রজ্ঞানন্দ এবার মায়ামিতে ক্রিপটো কাপে শেষ রাউন্ডে কার্লসেনকে হারালেন। যদিও ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টারের কাছে হারলেও প্রতিযগিতার চ্যাম্পিয়ন হলেন কার্লসেন। নির্ধারিত সময়ে স্কোর ২-২ ছিল। শেষ অবধি ব্লিৎজ টাইব্রেকারে জেতেন প্রজ্ঞানন্দ। নিজের হারে হতবাক বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন (World Champion) কার্লসেন। 

    মাত্র ১০ বছরেই ইন্টারন্যাশনাল মাস্টার হয়ে নজির গড়েছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। এ বছর মে মাসে এয়ারথিংস মাস্টার্স ব়্যাপিড চেস প্রতিযোগিতায় কার্লসেনকে হারিয়েছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। এবারের প্রতিযোগিতায় অনবদ্য শুরু করেছিলেন প্রজ্ঞানন্দ। টানা চারটি ম্যাচে জিতেছিলেন। এর মধ্যে বিশ্বের ৬ নম্বর লেভন অ্যারোনিয়ানের বিরুদ্ধে ৩-১’র জয়ও রয়েছে। শুরুতে আলিরেজা ফিরোউজা, আরেক ভারতীয় গ্র্যান্ডমাস্টার অনিশ গিরি এবং হান্স নিয়েমানকে হারান প্রজ্ঞানন্দ। তাঁর জয়ের ধারা ধাক্কা পায় চিনের কোয়াং লিয়েম লি’র বিরুদ্ধে। পঞ্চম রাউন্ডের ম্যাচে হারেন প্রজ্ঞানন্দ। ষষ্ঠ রাউন্ডে পোল্যান্ডের জান-কিজিস্টফ ডুডার কাছে টাইব্রেকারে হারেন। এই সময়ই পয়েন্টে পিছিয়ে পড়েন প্রজ্ঞানন্দ।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের আবেদন মেনে ফিফার নিয়মকে মান্যতা শীর্ষ আদালতের! সিওএ বাতিলের নির্দেশ

    শেষের দিকে ভালো খেললেও পয়েন্টের বিচারে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেননি ভারতীয় দাবাড়ু। তাও মাত্র এক পয়েন্টের ব্যবধান। শেষ দিকে পর পর তিনটি গেম জিতলেও পয়েন্টের বিচারে দ্বিতীয় হন প্রজ্ঞা। প্রজ্ঞার পয়েন্ট ১৫। অন্য দিকে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে প্রতিযোগিতা জিতেছেন কার্লসেন। প্রজ্ঞার কাছে হারলেও প্রতিযোগিতা জিততে পেরে খুশি কার্লসেন। তিনি বলেছেন,’সারা দিন ধরে খুব খারাপ খেলেছি। তার পরেও জিতেছি। হারতে ভাল লাগে না। কিন্তু সব দিন সমান থাকে না।’ অন্য দিকে দ্বিতীয় হয়ে খুশি নন প্রজ্ঞা। আরও ভাল ফলের আশা করেছিলেন তিনি। ভারতের ১৭ বছরের দাবাড়ু বলেছেন,’আরও ভাল ফল হতে পারত। কয়েকটা ম্যাচ খারাপ খেলেছি। তবে সব মিলিয়ে দ্বিতীয় স্থানে শেষ করা খারাপ ফল নয়।’

  • Bihar: জাতীয় পতাকাকে ‘ঢাল’ করেও মেলেনি রেহাই, বিহারে এডিএমের মার হবু শিক্ষককে

    Bihar: জাতীয় পতাকাকে ‘ঢাল’ করেও মেলেনি রেহাই, বিহারে এডিএমের মার হবু শিক্ষককে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পতাকাকে (National Flag) ‘ঢাল’ করে প্রশাসনের লাঠির ঘা থেকে বাঁচার মরিয়া চেষ্টা করছেন বিক্ষোভকারী এক হবু শিক্ষক (Teacher)। তবে তাতেও রেহাই মেলেনি। কালো শার্ট ও সাদা প্যান্ট পরা ওই প্রতিবাদীর মাথায় এসে পড়ছে একের পর এক লাঠির ঘা। বিহারের (Bihar) রাস্তায় চাকরির দাবিতে জড়ো হওয়া বিক্ষোভরত এক হবু শিক্ষকের এহেন করুণ পরিণতিতে নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। অভিযোগের তির পাটনার (Patna) যে অতিরিক্ত জেলাশাসক (ADM), সেই কেকে সিংহের (KK singh) বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওয় দেখা যাচ্ছে পাটনার ডাকবাংলো মোড়ে জড়ো হয়েছেন শয়ে শয়ে সিটেট (CTET) এবং বিটেট (BTET) পাশ চাকরি প্রার্থীরা। সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে পথে নেমেছেন তাঁরা। তাঁদের সঙ্গে যোগ দেন জন অধিকার পার্টির সদস্যরাও। ডাকবাংলো মোড় থেকে রাজভবন পর্যন্ত পদযাত্রা শুরু করতেই মাঠে নেমে পড়ে প্রশাসন। বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠি চালায় পুলিশ। সেই সময় কেকে সিংহকে দেখা যায় রণংদেহি মূর্তিতে। তাঁর লাঠির ঘা থেকে বাঁচতে জাতীয় পতাকাকে ঢাল করেছিলেন এক প্রতিবাদী। তার পরেও প্রহৃত হয়েছেন ওই হবু শিক্ষক। তাঁকে মাটিতে ফেলে হিড় হিড় করে টেনেও নিয়ে যান ওই এডিএম।

    আরও পড়ুন : নীতীশ ‘পরজীবী’, তোপ বিহার বিজেপির

    ভিডিও ভাইরাল হতেই নীতীশ কুমার (Nitish Kumar)-তেজস্বী যাদব সরকারের তীব্র নিন্দা করেছে বিহার বিজেপি। দলের পক্ষ থেকে ট্যুইট করে বলা হয়েছে, এই সরকার কি অন্ধ যে তেরঙ্গার ওপর লাঠি চালাচ্ছে? এই সরকার কি বধির যে যারা কার্তুজ চালায়, তাদের হাতে কলম দিচ্ছে? কারওর কারওর জন্য এটা শখের বিষয় হতে পারে, মজার বিষয় হতে পারে, কিন্তু জন সাধারণের জন্য এটা অসহায়তা।

    ঘটনার প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন পাটনার জেলাশাসক চন্দ্রশেখর সিংহ। ঘটনা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী আরজেডি (RJD) নেতা তেজস্বী যাদবও (Tejaswi Yadav)। সম্প্রতি ১০ লক্ষ বেকারের চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী। কোটার পরিমাণ বাড়িয়ে ২০ লক্ষ করার আশ্বাস দিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রীও। তার পরে পরেই চাকরি প্রার্থীদের ওপর এই নির্মম প্রহারের ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হতেই স্তম্ভিত শিক্ষামহল।

    আরও পড়ুন : বিজেপি-সঙ্গ ত্যাগ নিছক উপলক্ষ, নীতীশের লক্ষ্য কি প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি?

  • Delhi High Court: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    Delhi High Court: উমর খলিদের জামিনের আবেদনের বিরোধিতায় উঠল সার্জিল ইমাম প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উমর খলিদের (Umar Khalid) জামিনের (Bail) আবেদনের বিরোধিতা করতে গিয়ে সার্জিল ইমামের (Sharjeel Imam) বক্তৃতার প্রসঙ্গ টানল দিল্লি পুলিশ (Delhi Police)। সার্জিল আসানসোল (Asansole), আলিগড় ও গয়ায় সিএএ (CAA) এবং এনআরসির (NRC) বিরুদ্ধে বক্তৃতা দিয়েছিলেন।

    উমর খলিদের জামিনের আবেদনের শুনানি হচ্ছিল দিল্লি হাইকোর্টে। ২০২০ সালে উত্তর-পূর্ব দিল্লি হিংসা ষড়যন্ত্র মামলায় অভিযুক্ত উমর। বুধবার নিম্ন আদালত তাঁর জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয়। বিচারক সিদ্ধার্থ মৃদুল ও রাজনীশ ভাটনগরের ডিভিশন বেঞ্চে ওই মামলার শুনানি হচ্ছিল। এদিন সওয়াল জবাবে অংশ নিয়েছিলেন স্পেশাল পাবলিক প্রসিকিউটর অমিত প্রসাদ। আগামী মঙ্গলবার ফের শুনানি হবে এই মামলার।

    আরও পড়ুন : খয়রাতি নয়, মর্যাদার সঙ্গে রোজগার করাই বেশি পছন্দ ভোটারদের, মত সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন সওয়াল করতে গিয়ে সার্জিল ইমামের প্রসঙ্গ টানেন অমিত প্রসাদ। বলেন, সার্জিল ইমাম মুসলিমরা বিপদের মধ্যে রয়েছেন, বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, মুসলিম দমন, সিএএ-এনআরসি এবং কাশ্মীর নিয়ে ভাষণ দিয়েছেন বিভিন্ন জায়গায়। আসানসোল, আসাম, উত্তর প্রদেশের আলিগড় এবং গয়ায় ওই ভাষণ দিয়েছেন তিনি। আদালতের বিচারে তাঁর ভাষণ “প্রকৃতিগতভাবে জ্বালাময়ী”। তিনি মুসলিমদের উসকানি দিয়েছিলেন। ইমামের একটি বক্তব্যে বলা হয়েছিল, ১৯৪৭ সালের পর থেকে এখনও মুসলমানেরা স্বাধীনতা পায়নি। তিনি রাস্তা অবরোধ ও চাক্কা জ্যাম করতে মুসলিমদের উসকানিও দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এই মামলার আগের শুনানি হয়েছে ১ অগাস্ট। সেদিন সরকার পক্ষের আইনজীবী বলেছিলেন, উত্তর-পূর্ব দিল্লির হিংসা একটি বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের ফল। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল মুসলিমদের মনে ভয়ের আবহ সৃষ্টি করা। এভাবে গোটা শহর অচল করে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল। বাবরি মসজিদ, তিন তালাক, মুসলিম দমন, সিএএ-এনআরসি এবং কাশ্মীর ইস্যুতে জড়ো করা হয়েছিল বিক্ষোভকারীদের। এদিকে, উমর খলিদের আইনজীবী এদিন আদালতে জানান, তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে অতিরঞ্জিত অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রকৃত অভিযুক্তদের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হয়নি।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Coal Smuggling Scam: কয়লাপাচার মামলায়  কোটেশ্বর রাও- এর পর এবার শ্যাম সিং- কে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

    Coal Smuggling Scam: কয়লাপাচার মামলায়  কোটেশ্বর রাও- এর পর এবার শ্যাম সিং- কে জিজ্ঞাসাবাদ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কোটেশ্বর রাও- এর পর এবার শ্যাম সিং (Shyam Singh)। কয়লাপাচারকাণ্ডে (coal smuggling case) এবার ইডি (ED) দফতরে হাজিরা দিলেন আরেক আইপিএস (IPS) আধিকারিক। বুধবার দিল্লিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এই আধিকারিককে তলব করেন ইডি গোয়েন্দারা। মঙ্গলবার এই একই মামলায় ইডি দফতরে হাজিরা দেন পুরুলিয়ার প্রাক্তন এসপি কোটেশ্বর রাও। তাঁর হাজিরা দেওয়ার পরদিনই  বাংলার আরেক পুলিশ কর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করল ইডি।

    আরও পড়ুন: জ্ঞানবন্ত না গেলেও দিল্লির ইডি দফতরে আজ যাচ্ছেন আর এক আইপিএস কোটেশ্বর রাও 

    সম্প্রতি কয়লাপাচার মামলায় আট আইপিএস আধিকারিককে তলব করে কেন্দ্রীয় এই গোয়েন্দা সংস্থা। তালিকাতে ছিল শ্যাম সিং- এর নামও। সেইমতো নির্ধারিত দিনে ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। ২০১৮ থেকে ২০২১-র মধ্যে দু দফায় বীরভূমের এসপি ছিলেন এই আইপিএস। গোয়েন্দাদের দাবি, কয়লাপাচারকাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার কর্মকাণ্ড বীরভূমসহ রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক জেলায় চলত। সেই অঞ্চলে এসপি থাকাকালীন এই বিষয়ে কিছু জানতেন কি না, পুলিশ কর্তাকে সেই প্রশ্ন করেন ইডি আধিকারিকরা। ইডির দাবি, লালার ডায়েরিতে থেকে বেশ কিছু পুলিশ অফিসারের নাম ও টাকার উল্লেখ রয়েছে। এই বিষয়ে শ্যাম সিং কিছু জানতেন কি না তাও জিজ্ঞেস করেন গোয়েন্দারা। 

    আরও পড়ুন: এবার কয়লা কাণ্ডেও সক্রিয় ইডি, তলব ৮ আইপিএস অফিসারকে
     
    এর আগে গত সোমবার কয়লা পাচারকাণ্ডে এডিজি জ্ঞানবন্ত সিংকে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু ইডির হাজিরা এড়িয়ে যান ওই আইপিএস আধিকারিক। হাজিরা দেওয়ার জন্য কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার কাছে সময় চেয়ে নিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের দাবি, যে সময় রাজ্যের পশ্চিমের জেলাগুলিতে রমরমিয়ে কয়লাপাচার হত, সেই সময় রাজ্যের এডিজি আইন-শৃঙ্খলা পদের দায়িত্বে ছিলেন জ্ঞানবন্ত। লালার জেরায় এই আইপিএস আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে বলেও দাবি করেছেন ইডি আধিকারিকরা। আর সেই কারণেই এই তলব। 

    এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের আরও ৩ আইপিএস এবং রাজীব মিশ্র, ভাস্কর মুখোপাধ্যায়, সেলভা মুরুগান, সুকেশ জৈন ও তথাগত বসুকে তলব করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। ইডির সঙ্গেই কয়লাপাচার মামলায় তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই (CBI)। গত মাসেই ইস্টার্ন কোলফিল্ডস লিমিটেডের (ECL) বর্তমান ও প্রাক্তন মিলিয়ে ৫ আধিকারিকসহ ৭ জনকে গ্রেফতার করে তারা। এই মামলায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি ইডি। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     
     

     

  • Kaushiki Amavasya: কৌশিকী অমাবস্যা তিথি পড়ছে কখন? এই দিনের মাহাত্ম্য, তাৎপর্যই বা কী?

    Kaushiki Amavasya: কৌশিকী অমাবস্যা তিথি পড়ছে কখন? এই দিনের মাহাত্ম্য, তাৎপর্যই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে (Hinduism) বিভিন্ন তিথিতে মা কালীর (Goddess Kali) বিভিন্ন রূপের পুজো করা হয়। দেবীর আরাধনা সর্বজনবিদিত। ভাদ্র মাসের শুরুতেই যে অমাবস্যা, সেটাই কৌশিকী অমাবস্যা (Kaushiki Amavasya) নামে পরিচিত। 

    এবছর কৌশিকী অমাবস্যা পড়েছে ২৬ অগাস্ট। শেষ হবে ২৭ অগাস্ট। গুপ্ত প্রেস পঞ্জিকা মতে, কৌশিকি অমাবস্যা শুরু হচ্ছে ২৬ অগাস্ট শুক্রবার দুপুর ১২ টা ১ মিনিট ৩২ সেকেন্ড থেকে। পরের দিন শনিবার দুপুর ১টা ২৩ মিনিট ৪৭ সেকেন্ড নাগাদ ছেড়ে যাচ্ছে অমাবস্যা। 

    এই পুজোর সঙ্গে জড়িত আছে নানা পৌরাণিক কাহিনি। মার্কণ্ডেয় পুরাণ সূত্র থেকে জানা যায়, মহাপরাক্রমী দৈত্য ভ্রাতৃদ্বয় শুম্ভ ও নিশুম্ভ ব্রহ্মাদেবের পরম ভক্ত ছিলেন। সাধনায় তুষ্ট ভগবান ব্রহ্মা (Lord Brahma) ওদের বর দিয়ে বলেন, তোমরা ত্রিভুবনে অবধ্য হবে। তবে কখনও যদি কোনও অযোনিসম্ভবা নারীর সঙ্গে তোমাদের সংঘাত ঘটে তবে ওই নারীর দ্বারাই তোমরা নিহত হবে। 

    আরও পড়ুন: কেন গ্রাম বাংলায় পালিত হয় মনসা পুজো, এর তাৎপর্য জানেন কি?

    এই কথাগুলি স্মরণে রেখো। ব্রহ্মার বরে বলীয়ান শুম্ভ নিশুম্ভ ভাবল ত্রিভুবনে এমন কোনও নারীই জন্মাতে পারে না যে মাতৃগর্ভজাত নয়। অতএব তারা অমর, এই বিষয়ে কোনও সন্দেহের অবকাশ নেই। এরপর দানব ভ্রাতৃদ্বয় প্রথমেই স্বর্গরাজ্য আক্রমণ করল। ভীত দেবকুল তখন শুম্ভ নিশুম্ভর হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য দেবাদিদেব মহাদেবের শরণাপন্ন হয়।

    মহাদেব (Lord Shiva) ঠাট্টার ছলে ঘোর কৃষ্ণবর্ণা পার্বতীকে (Goddess Parvati) ডেকে বলেন, ‘হে কালিকে, তুমি এই বিপদ থেকে দেবতাদের রক্ষা করো।’ জনসমক্ষে পতিমুখে কালিকে সম্বোধন শুনে দেবী পার্বতী অত্যন্ত মর্মাহত হন। তৎক্ষণাৎ মানস সরোবরে গিয়ে নিজেকে অভিষিক্ত করে নিজ গাত্রের সকল কৃষ্ণবর্ণ কোষগুলিকে পরিত্যাগ করে এক অসামান্যা সুবর্ণ রূপ ধারণ করে পুনঃপ্রকটিতা হন। 

    অন্যদিকে, পার্বতীর ফেলা শরীরকোষ থেকে আর এক দেবী আবির্ভুত হন। সেই দেবী কৌশিকী নামে পরিচিত। দেবী কৌশিকীর আবির্ভাবের পর দেবী ভগবতী কৃষ্ণবর্ণ ধারণ করেন এবং দেবী কালিকা বা কালী নামে পরিচয় লাভ করেন। দেবী কৌশিকী অযোনিসম্ভবা ছিলেন, সেই কারণে কৌশিকী দেবীই শুম্ভ ও নিশুম্ভকে বধ করেন। যুদ্ধকালীন সময়ে দেবী কৌশিকীর শরীর থেকে হাজারও যোদ্ধা সৃষ্ট হয় এবং তারাই সমগ্র অসুরকুলকে বিনাশ করে দেয়। এই ঘটনাটি ভাদ্র অমাবস্যায় ঘটায়, পরবর্তীকালে এটি কৌশিকী অমাবস্যা নামে ধরাধামে খ্যাত হয়। 

    ভাদ্র মাসের এই কৌশিকী অমাবস্যা তিথি যে সকল মানুষ ধর্ম, তন্ত্র, মন্ত্র, সাধনা এবং ঈশ্বর বিশ্বাসী তাদের কাছে বিশেষ করে গুরুত্বপূর্ণ। কৌশিকী অমাবস্যার সাথে তারাপীঠের অঙ্গাঅঙ্গি সম্পর্ক। বিশ্বাস, তন্ত্রমতে ও শাস্ত্র মতে ভাদ্রমাসের এই বিশেষ তিথিতে নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে দেবীর পুজো করলে মেলে সুফল। তন্ত্রশাস্ত্র মতে গুপ্ত সাধনা ও কঠিন সাধনার বলে অনেকেই এই বিশেষ দিনে কাঙ্খিত ফল পান। কৌশিকী অমাবস্যার পবিত্র লগ্নে তারাপীঠ মন্দিরে, বিশেষ উপাচারে পুজো করা হয় তারা মায়ের৷ তন্ত্র মতে, এই রাতকে ‘তারা রাত্রি’ও বলা হয়। বিশ্বাস, এক বিশেষ মুহূর্তে স্বর্গ ও নরক দুইয়ের দরজা মুহূর্তের জন্য খোলে ও সাধক নিজের ইচ্ছা মতো ধনাত্মক অথবা ঋণাত্মক শক্তি সাধনার মধ্যে আত্মস্থ করেন ও সিদ্ধিলাভ করেন।

    আরও পড়ুন: পুজোয় মঙ্গল ঘট কেন স্থাপন করা হয়, জানেন?

    আবার কৌশিকী অমাবস্যার এই তিথিতে তন্ত্র সাধনার এক বিশেষ রাতে। কথিত আছে, ওই অমাবস্যা তিথিতেই সাধক বামাক্ষ্যাপাকে দেবী কৌশিকী ‘তারা’ নামে তারাপীঠ (Tarapith) মহাশ্মশানে দর্শন দিয়েছিলেন। অমাবস্যার এই বিশেষ তিথিতে সাধক বামাক্ষ্যাপা (Sadhak Byamakhyapa) তারাপীঠের মহাশ্মশানের শিমূল গাছের তলায় মা তারার (Tara Maa) আরাধনা করে সিদ্ধিলাভ করেছিলেন। লোকমুখে প্রচলিত কাহিনি সূত্রে শোনা যায়, দেবী কৌশিকী ‘তারা’ নামে ওই বিশেষ অমাবস্যায় তারাপীঠ মহাশ্মশানে বিরাজিতা থাকেন। সেই কারণে তারাপীঠ মহাশ্মশানে ওই দিন লক্ষ লক্ষ ভক্তের সমাবেশ ঘটে। ভক্তগণের বিশ্বাস, ওই দিন মাকে পূজা করলে মা ভক্তগণের মনোবাঞ্ছা পূর্ণ করে দেন।

    দেবী কৌশিকী এবং তারা মা অভিন্ন বলে বিশ্বাস ভক্তদের। অনেকেই বিশ্বাস করেন, এই দিন মা তারার পুজো দিলে এবং দ্বারকা নদীতে স্নান করলে পুণ্যলাভ হয় এবং কুম্ভস্নান করা হয়। বিশেষ এই তিথিতে তারাপীঠে তারা মায়ের পুজো করলে সকল মনের ইচ্ছে পূরণ হয়। এই বিশ্বাসে আজও ভারতবর্ষের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ওই দিনটিতে তারাপীঠে ছুটে আসেন।

    কৌশিকী অমাবস্যার দিন বাড়ি রাখুন পরিচ্ছন্ন। পুরনো ছেঁড়া কোনও জামাকাপড় থাকলে তা ফেলে দিন। সন্ধ্যের পর বাড়ির তুলসী মঞ্চে তিলের প্রদীপ জ্বালালে তা সংসারে কোনও নেতিবাচক শক্তি প্রবেশ করতে দেয় না। এই তিথি কেবলমাত্র হিন্দুশাস্ত্রে নয়, বৌদ্ধ শাস্ত্রেও বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

     

     

  • Nitin Gadkari: বহরে বড় জাতীয় সড়ক! নয়া প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির

    Nitin Gadkari: বহরে বড় জাতীয় সড়ক! নয়া প্রকল্পের ঘোষণা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহরে বাড়বে জাতীয় সড়ক। ২০২৪ সালের মধ্যে দেশে মোট জাতীয় সড়কের দৈর্ঘ্য হতে চলেছে ২লক্ষ কিলোমিটার। মঙ্গলবার এক অনুষ্ঠানে এই বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহনমন্ত্রী নিতিন গড়কড়ির। তিনি জানান, ২০২১ সালে দেশে জাতীয় সড়কের (national highway network length)মোট দৈর্ঘ্য ছিল ১ লক্ষ ৪০ হাজার ৯৩৭ কিলোমিটার। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, সরকারের নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রতিদিন অন্তত ৫০ কিলোমিটার করে নতুন রাস্তা তৈরি করা হবে। এখন প্রতিদিন ৩৫ কিলোমিটার করে নতুন রাস্তা তৈরি হয়। এর ফলে ২লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা শেষ হতে ২০২৪ সাল লেগে যাবে।  

    আরও পড়ুন: জম্মু-কাশ্মীরে বিজেপি নেতার ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার! খুন নাকি আত্মহত্যা, বাড়ছে রহস্য

    এদিন টোলপ্লাজাগুলিতে দীর্ঘ যানযট দূর করতে স্বয়ংক্রিয়  লিঙ্কযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টোল কেটে নেওয়ার পরিকল্পনা সারা দেশ জুড়ে বাস্তবায়নের কথা বলেছেন কেন্দ্রীয় পরিবহণ মন্ত্রী। এই ব্যবস্থা সারা দেশে চালু করতে পারলে টোল প্লাজা গুলি দীর্ঘ যানযটের সমস্যা থেকে মুক্তি পাবে। গড়কড়ি বলেন,  “২০১৯ সালে, সরকার একটি নিয়ম চালু করে যে গাড়িগুলি কোম্পানির লাগানো নম্বর প্লেটের সঙ্গে আসবে। তাই গত চার বছরে যেসব গাড়ি বাজারে এসেছে সেগুলোর নম্বর প্লেট আলাদা। এখন, টোল প্লাজা সরিয়ে ক্যামেরা বসানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যা এই নম্বর প্লেটগুলিকে চিহ্নিত করবে এবং টোল সরাসরি অ্যাকাউন্ট থেকে কেটে নেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: ভুল করেই পাক ভূখণ্ডে ব্রহ্মোস! বরখাস্ত বায়ুসেনার তিন অফিসার

    নিতিন গড়কড়ির মতে, টোলপ্লাজা দেশের অনেক সমস্যার কারণ। লম্বা লাইনে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকে। যানজট তৈরি হয়। তাই বিকল্প উপায় খোঁজা হচ্ছে। সরকার দুটি বিকল্প পথ খুঁজছে। উপগ্রহভিত্তিক জিপিএস ব্যবস্থার কথা ভাবছে সরকার।  কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আমরা স্যাটেলাইট ব্যবহার করে জিপিএস ব্যবহার করতে চাই ফাস্ট্যাগের বদলে। নয়া পদ্ধতি চালু করার প্রক্রিয়ায় আছি আমরা এবং এর ভিত্তিতে আমরা টোল নিতে চাই। নম্বর প্লেটেও প্রযুক্তি পাওয়া যায় এবং ভারতেও অন্যান্য আরও ভালো প্রযুক্তি পাওয়া যায়। আমরা নির্দিষ্ট প্রযুক্তি বেছে নেব। যদিও আমরা আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত নিইনি। ছয় মাসের মধ্যে এই ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Artemis 1 Mission: চাঁদের বুকে কোথায় নামবেন মহাকাশচারীরা? ১৩টি জায়গা বেছে নিল নাসা

    Artemis 1 Mission: চাঁদের বুকে কোথায় নামবেন মহাকাশচারীরা? ১৩টি জায়গা বেছে নিল নাসা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন পরেই শুরু হতে চলেছে নাসা-র (NASA) আর্টেমিস ১ প্রোগ্রাম (Artemis 1 Program)। খুব শীঘ্রই নাসা লঞ্চ করতে চলেছে আর্টেমিস ১ মিশনের স্পেস লঞ্চ সিস্টেম (Space Launch System) (SLS)  রকেট। আর বছর দুয়েক পর ফের চাঁদের মাটিতে পা রাখতে চলেছে মানুষ। আমেরিকান মহাকাশ সংস্থা  নাসা (NASA) চাঁদে সম্ভাব্য কোথায় অবতরণ করবে তাও ঘোষণা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: মানুষ তো খেলনা নয়! জানেন কি আর্টেমিস-১ রকেটে করে মহাকাশে পাঠানো হচ্ছে ‘খেলনা-মানুষ’?

    ২৯ অগাস্টেই মহাকাশের পথে যাত্রা করবে আর্টেমিস ওয়ানের ওরিয়ন স্পেসক্রাফট (Orion Spacecraft)। নাসা-র স্পেস লঞ্চ সিস্টেম রকেটটিকে ২৯ অগাস্ট লঞ্চ করা হবে। নাসা শুক্রবার একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, আর্টেমিস থ্রি মিশনে মহাকাশচারীরা চাঁদের দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি অঞ্চলে অবতরণ করতে চলেছে। দক্ষিণ মেরুর কাছাকাছি ১৩ টি জায়গা নাসা বেছে নিয়েছে অবতরণ করার জন্য। আর্টেমিস থ্রি মিশনটি ২০২৫ সালে মহাকাশচারীদের নিয়ে শুরু হবে বলে জানানো হয়েছে। অ্যাপালো মিশন বন্ধ হওয়ার পর পাঁচ দশকের দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে।

    আরও পড়ুন: আর্টেমিস-১ মুন মিশনে ভারতীয় যোগ, প্রকল্পে যুক্ত হলেন বিজ্ঞানী অমিত পাণ্ডে

    যেই ১৩ টি জায়গা বেছে নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হল ফাউস্টিনি রিম এ, পিক নিয়ার শ্যাকলটন, কানেক্টিং রিজ, কানেক্টিং রিজ এক্সটেনশন, ডি গারলাচে রিম 1, ডি গারলাচে রিম 2, ডি গারলাচে-কোচার ম্যাসিফ, হাওর্থ, মালাপের্ট ম্যাসিফ, লিবনিটজ বিটা মালভূমি, নোবিল রিম 1, নোবিল রিমসেন 2। এই জায়গাগুলো চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অক্ষাংশের ৬ ডিগ্রির মধ্যে অবস্থিত। নাসা আরও জানায়, যেই জায়গাগুলো বেছে নেওয়া হয়েছে, সেগুলোকে নিয়ে বিজ্ঞানী ও ইঞ্জিনিয়ারদের একটি দল গবেষণা করছে। মূলত, ভূখণ্ড, যোগাযোগ ব্যবস্থা, আলোর ব্যবস্থা, মহাকাশচারীদের অনুকূল পরিবেশের ওপর গুরুত্ব দিয়ে অবতরণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করা হয়েছে। আর্টেমিস মিশনের মাধ্যমে নাসা প্রথম চাঁদে মহিলা পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে। নাসা থেকে জানানো হয়েছে, যদিও চাঁদের প্রতিটি অঞ্চলেই অবতরণের পরিবেশ রয়েছে। কিন্তু তার মধ্যে চাঁদের দক্ষিণ মেরুকেই বেছে নেওয়া হচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share