Blog

  • Daily Horoscope 27 February 2026: চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 27 February 2026: চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) প্রিয়জনের সঙ্গে বিবাদ বাধতে পারে।

    ২) পেটের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) অতিরিক্ত বিলাসিতার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ২) ব্যবসার জন্য বাড়তি অর্থ দরকার হতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) ভালো কোনও সুযোগ হাতছাড়া হওয়ায় ক্ষোভ।

    ২) কারও কাছ থেকে বড় কোনও উপকার পেতে পারেন।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) মহিলা বন্ধুদের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) প্রতিবেশীর সঙ্গে বিবাদ।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) আয় ভালো থাকলেও দারিদ্র সহজে দূর হবে না।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সুবিবেচক ব্যক্তি হিসাবে উন্নতির যোগ।

    ৩) মোটামুটি কাটবে দিনটি।

     

     

    কন্যা

    ১) মিথ্যা বদনাম রটতে পারে।

    ২) ব্যবসায় পরিশ্রম বৃদ্ধি পেলেও লাভ ভালো হবে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) পিতামাতার সঙ্গে মতের অমিল হতে পারে।

    ২) চোখের ব্যাপারে একটু সাবধান থাকুন।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) নিজের বাকপটুতায় সকলের মন জয় করতে সক্ষম হবেন।

    ২) জনহিতকর কাজে সুনাম পাবেন।

    ৩) আশাপূরণ।

    ধনু

    ১) সন্তানের জন্য স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ২) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সঙ্গে ধর্ম নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ পাবেন।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) শত্রুদের থেকে সাবধান থাকা দরকার।

    ২) বাড়তি খরচ হতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) একটু বিপদের সম্ভাবনা আছে।

    ২) মানসিক অস্থিরতার জন্য কোনও ভালো কাজ হাতছাড়া হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সারা দিন ব্যবসা গতানুগতিক ভাবেই চলবে।

    ২) ভাই-বোনের কাছ থেকে সাহায্য পেতে পারেন।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

  • Ramakrishna 592: “বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়, সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না”

    Ramakrishna 592: “বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়, সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    “বালকের মতো বিশ্বাস না হলে ঈশ্বরকে (Ramakrishna) পাওয়া যায় না। মা বলেছেন, ‘ও তোর দাদা’ বালকের অমনি বিশ্বাস যে, ও আমার ষোল আনা দাদা। মা বলেছেন, ‘জুজু আছে।’ ষোল আনা বিশ্বাস যে, ও-ঘরে জুজু আছে। এইরূপ বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়। সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না (Kathamrita)।”

    ডাক্তার (ভক্তদের প্রতি)—গরুর কিন্তু যা তা খেয়ে দুধ হওয়া ভাল নয়। আমার একটা গরুকে ওইরকম যা তা খেতে দিত। শেষে আমার ভারী ব্যারাম। তখন ভাবলুম, এর কারণ কি? অনেক অনুসন্ধান করে টের পেলুম, গরু খুদ ও আরও কি কি খেয়েছিল। তখন মহা মুশকিল! লখনউ যেতে হল। শেষে বার হাজার টাকা খরচ! (সকলের হো-হো করিয়া হাস্য)

    “কিসে কি হয় বলা যায় না। পাকপাড়ার বাবুদের বাড়িতে সাত মাসের মেয়ের অসুখ করেছিল —ঘুঙরী কাশি (Whooping Cough) — আমি দেখতে গিছিলাম। কিছুতেই অসুখের কারণ ঠিক করতে পারি নাই। শেষে জানতে পারলুম, গাধা ভিজেছিল, যে গাধার দুধ সে মেয়েটি খেত।” (সকলের হাস্য)

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— কি বল গো! তেঁতুলতলায় আমার গাড়ি গিছিল, তাই আমার অম্বল হয়েছে! (ডাক্তার ও সকলের হাস্য)

    ডাক্তার (হাসিতে হাসিতে)—জাহাজের ক্যাপ্তেনের বড় মাথা ধরেছিল। তা ডাক্তারেরা পরামর্শ করে জাহজের গায়ে বেলেস্তারা (blister) লাগিয়ে দিল। (সকলের হাস্য)

    সাধুসঙ্গ ও ভোগবিলাস ত্যাগ

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ডাক্তারের প্রতি)—সাধুসঙ্গ সর্বদাই দরকার (Kathamrita)। রোগ লেগেই আছে। সাধুরা যা বলেন, সেইরূপ করতে হয়। শুধু শুনলে কি হবে? ঔষধ খেতে হবে, আবার আহারের কটকেনা করতে হবে। পথ্যের দরকার।

    ডাক্তার — পথ্যতেই সারে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)— বৈদ্য তিনপ্রকার — উত্তম বৈদ্য, মধ্যম বৈদ্য, অধম বৈদ্য। যে বৈদ্য এসে নাড়ী টিপে ‘ঔষধ খেও হে’ এই কথা বলে চলে যায়, সে অধম বৈদ্য — রোগী খেলে কিনা, এ-খবর সে লয় না। আর যে বৈদ্য রোগীকে ঔষধ খেতে অনেক করে বুঝায়, মিষ্ট কথাতে বলে। ‘ওহে ঔষধ না খেলে কেমন করে ভাল হবে? লক্ষ্মীটি খাও, আমি নিজে ঔষধ মেড়ে দিচ্ছি খাও’, সে মধ্যম বৈদ্য। আর যে বৈদ্য রোগী কোন মতে খেলে না দেখে, বুকে হাঁটু দিয়ে জোর করে ঔষধ খাইয়ে দেয়, সে উত্তম বৈদ্য (Kathamrita)।

    ডাক্তার — আবার এমন ঔষধ আছে, যাতে বুকে হাঁটু দিতে হয় না। যেমন হোমিওপ্যাথিক।

  • The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    The Kerala Story-2: কেরালা স্টোরি-২ সিনেমায় আদালতের প্রতিবন্ধকতা! বাস্তবে লাভ জিহাদের পরিসংখ্যান কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলচ্চিত্র জগত এবং আইনি লড়াইয়ের আঙিনায় আবারও চর্চার কেন্দ্রে ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ (The Kerala Story-2)। সিনেমার মুক্তির উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ করেছে কোর্ট। সম্প্রতি কেরল হাইকোর্ট (Kerala High Court) এই সিনেমার প্রদর্শনী বা মুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দিলেও, সিনেমার মূল ভিত্তি অর্থাৎ যে পরিসংখ্যানের ওপর দাঁড়িয়ে এই ছবি নির্মিত, তা নিয়ে বিতর্ক থামছে না। ছবি নির্মাতাদের দাবি, “আদালত সিনেমাটি আটকাতে পারলেও বাস্তব তথ্য এবং পরিসংখ্যানকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।”

    আদালতের পর্যবেক্ষণ ও স্থগিতাদেশ (The Kerala Story-2)

    এই ছবিটি ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দ্য কেরালা স্টোরি’-র (The Kerala Story-2) সিক্যুয়েল। প্রথম পর্বের মতো এই ছবিতেও প্রতারণামূলক ধর্মান্তকরণের বিষয়টি অন্বেষণ করা হয়েছে। তবে এবার গল্পের পরিধি কেরালার বাইরে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান এবং উত্তরপ্রদেশ পর্যন্ত বিস্তৃত। ছবির ট্রেলারে দাবি করা হয়েছে যে এটি বাস্তব ঘটনা দ্বারা অনুপ্রাণিত, আর এই দাবিই বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কিছু চলচ্চিত্র নির্মাতা এবং স্বঘোষিত ধর্মনিরপেক্ষবাদীরা একে ‘প্রোপাগান্ডা’ বলে অভিহিত করেছেন।

    বিতর্কিত বিষয়বস্তু এবং নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভাবাবেগে আঘাত লাগতে পারে — এই যুক্তিতে সিনেমাটির মুক্তি আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। আদালতের মতে, সিনেমার দৃশ্যায়ন বা সংলাপ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে পারে। তবে ছবির নির্মাতারা একে ‘অভিব্যক্তির স্বাধীনতার’ ওপর আঘাত হিসেবে দেখছেন।

    সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান

    সিনেমার (The Kerala Story-2) প্রথম পর্বে কেরল থেকে নারীদের ধর্মান্তকরণ এবং আইসিসে (ISIS) যোগদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছিল। দ্বিতীয় পর্বেও একই ধরণের সংবেদনশীল তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যবহারের দাবি করা হয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, যে তথ্যগুলি সংগ্রহ করেছেন তা বিভিন্ন গোয়েন্দা রিপোর্ট এবং বাস্তব জীবনের ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি। আদালত ছবির মুক্তি আটকালেও, বাস্তব পরিস্থিতি বা সংখ্যাতত্ত্ব বদলে যাব না।

    আদালত আইন শৃঙ্খলা এবং শ্লীলতা নিয়ে কাজ করবে, কিন্তু সমাজকেও অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে দেখতে হবে যে তারা কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত কি না। ২০১১ সালের আদমশুমারি (Census) দেখায় যে কেরলে মুসলিম জনসংখ্যা ছিল ২৬.৫৬ শতাংশ, যা ১৯৫১ সালে ছিল ১৭.৪ শতাংশ। ২০০১ থেকে ২০১১ সালের মধ্যে মুসলিম জনসংখ্যা ১২.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে, যেখানে রাজ্যের সামগ্রিক জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৪.৯ শতাংশ। একই সময়ে হিন্দুদের বৃদ্ধির হার ছিল ২.২৩ শতাংশ এবং খ্রিস্টানদের ১.৩৮ শতাংশ। স্পষ্টতই, বৃদ্ধির হারে একটি বড় অসঙ্গতি রয়েছে। শুধুমাত্র ধর্মান্তকরণই এর একমাত্র কারণ নয়; উচ্চ প্রজনন হার, সামাজিক জন বিন্যাসের ভারসাম্য এবং অন্যান্য কারণকে ভালো করে খুঁজে দেখতে হবে। ফলে ধর্মান্তকরণকে পুরোপুরি অস্বীকার করা হবে বাস্তব তথ্যের প্রতি চোখ বন্ধ করে থাকা।

    ২০১২ সালে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উম্মেন চান্ডি কেরল বিধানসভায় জানিয়েছিলেন যে, ২০০৬ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৭,৭১৩ জন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছেন, যাদের মধ্যে ২,৬৬৭ জন ছিলেন তরুণী। রিপোর্ট অনুযায়ী, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই আন্তঃধর্মীয় বিবাহ জড়িয়ে ছিল।

    দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াই

    সমালোচকদের একাংশ মনে করছেন, এই ধরণের সিনেমা (The Kerala Story-2) সমাজে মেরুকরণ তৈরি করে এবং একটি নির্দিষ্ট রাজ্যের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে। অন্যদিকে, সমর্থকদের দাবি, সেন্সরশিপ বা আইনি বাধা দিয়ে কঠিন সত্যকে ধামাচাপা দেওয়া যায় না। ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে তৈরি হওয়া এই জটিলতা আসলে শৈল্পিক স্বাধীনতা বনাম সামাজিক দায়বদ্ধতার এক দীর্ঘ লড়াইয়েরই অংশ।

    আপাতত আইনি গেরোয় (Kerala High Court) বন্দি হয়ে থাকলেও, ‘দ্য কেরালা স্টোরি ২’ নিয়ে বিতর্ক জনমানসে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় তুঙ্গে। ছবিটির ভবিষ্যৎ কী হবে তা উচ্চতর আদালতের রায়ের ওপর নির্ভর করলেও, এই সিনেমা যে পরিসংখ্যানের লড়াই শুরু করেছে, তা সহজে হারিয়ে যাওয়ার নয়।

  • NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    NCERT: বিচার বিভাগে দুর্নীতি অধ্যায়ে চরম আপত্তি সুপ্রিম কোর্টের, চাপে পড়ে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ বন্ধ করল এনসিইআরটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টম শ্রেণির সামাজিক বিজ্ঞানের পাঠ্যপুস্তকে (Social Science Text Book) বিচার বিভাগীয় দুর্নীতির উপর একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট তীব্র আপত্তি করেছিল। এবার সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষ প্রকাশের পর জাতীয় শিক্ষা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ পরিষদ অর্থাৎ এনসিইআরটি বইটির বিতরণ বন্ধ করে দিয়েছে। ২৫শে ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ তারিখের একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে, এনসিইআরটি (NCERT) স্বীকার করেছে যে বইটিতে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” শীর্ষক অধ্যায়টি অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়কে অনুমোদন করা সম্ভবপর নয়।

    ত্রুটিটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত ভাবে করা হয়েছে (NCERT)

    এনসিআরটির পাঠ্যপুস্তকের (NCERT) বিষয় হিসেবে নির্ধারিত হয়েছে “আমাদের সমাজে বিচার বিভাগের ভূমিকা” অধ্যায়। যার পৃষ্ঠা সংখ্যা ১২৫-১৪২। শিরোনামের ৪ নম্বর অধ্যায়ে কিছু অনুপযুক্ত পাঠ্য উপাদান এবং রায়ের ত্রুটি অসাবধানতাবশত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তাই এনসিইআরটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বইটির (Social Science Text Book) বিতরণ বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। এনসিইআরটি জানিয়েছে, “স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগ অর্থাৎ শিক্ষা মন্ত্রণালয় একই রকম পর্যবেক্ষণ করেছে এবং নির্দেশ দিয়েছে যে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই বইয়ের বিতরণ কঠোরভাবে স্থগিত রাখা হবে।” এই শিক্ষা সংস্থা স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে তারা বিচার বিভাগকে সর্বোচ্চ সম্মান করে এবং এই ভুলটি সম্পূর্ণ অনিচ্ছাকৃত। উক্ত অধ্যায়ে অনুপযুক্ত উপাদান অন্তর্ভুক্ত করার জন্য দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে।

    বিচার বিভাগের অপমান করতে দেওয়া যাবে না

    বুধবার, ২৫শে ফেব্রুয়ারি, ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ স্বতঃপ্রণোদিতভাবে বিষয়টি বিবেচনা করে বিচার বিভাগের উপর দুর্নীতি সম্পর্কিত অধ্যায়টি চালু করার প্রতি তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এটিকে বিচার বিভাগের উপর আক্রমণ হিসেবে উল্লেখ করে প্রধান বিচারপতি মন্তব্য করে বলেন, “পৃথিবীতে কাউকে বিচার বিভাগকে অপমান করতে দেওয়া যাবে না।” প্রধান বিচারপতি এই অধ্যায়টিকে (NCERT) বিচার বিভাগের ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য গভীরভাবে প্রোথিত এবং পরিকল্পিত ষড়যন্ত্রের অংশ বলে অভিহিত করেছেন। যে প্রতিষ্ঠানটি সর্বোচ্চ স্তরের জনসাধারণের আস্থার কেন্দ্র, তাকে কোনও ভাবেই সন্দেহের মধ্যে ফেলা যায় না।

    ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন

    উল্লেখযোগ্যভাবে, এই অধ্যায়ে আদালতের কাঠামো এবং ন্যায়বিচার পাওয়ার পদ্ধতির পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থার নিজেস্ব পদ্ধতিগত চ্যালেঞ্জগুলি ব্যাখ্যা করা হয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি, মামলার বিশাল জট এবং বিচারকের ঘাটতি। পাঠ্যপুস্তকটিতে ভারতীয় আদালতগুলিতে বিচারাধীন মামলার পরিমাণ তুলে ধরে তথ্যও উপস্থাপন করা হয়েছে। অনুমান করা হয়েছে যে সুপ্রিম কোর্টে প্রায় ৮১,০০০ মামলা, উচ্চ আদালতে প্রায় ৬২.৪০ লক্ষ এবং জেলা ও অধস্তন আদালতে প্রায় ৪.৭০ কোটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। এই অধ্যায়ের (NCERT) লক্ষ্য হল শিক্ষার্থীদের (Social Science Text Book) বিচার ব্যবস্থার বাস্তব এবং চ্যালেঞ্জগুলির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। আর এটাতেই সুপ্রিম কোর্টের আপত্তি।

  • Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    Election Commission: শুক্রবার থেকেই রাজ্যে ঢুকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী, কোন জেলায় মোতায়েন কত ফোর্স?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের এখনও নির্ঘণ্ট প্রকাশ করেনি। তবে তার আগেই রাজ্যে আছেন কেন্দ্রীয় বাহিনী। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর (Election Commission) সূত্রে খবর, শুক্রবার থেকেই ধাপে ধেপে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) রাজ্যে ঢুকবে। যদিও ২৮ ফেব্রুয়ারিতেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আসার কথা ছিল রাজ্যে। নির্ধারিত দিনের আগেই রাজ্যে বাহিনী ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। আসুন এক নজরে দেখে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী মোতায়েন করা হবে। প্রাথমিকভাবে ৪৮০ কোম্পানি রাজ্যে আসবে।

    কোথায় কত বাহিনী (Election Commission)?

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, প্রাথমিকভাবে কলকাতায় মোতায়েন করা হবে ১২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) ৷ একইভাবে মালদায় ১২ কোম্পানি বাহিনী পাঠানো হবে। উত্তর ২৪ পরগনা জেলার তিন পুলিশ জেলা এবং দুই কমিশনারেট মিলিয়ে মোট ৩০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটে ৯, বারাসতে ৬, বনগাঁ ৪, বসিরহাট ৭ এবং বিধাননগরে ৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।

    সবচেয়ে বেশি বাহিনী মুর্শিদাবাদ ও জঙ্গিপুরে মোট ৮ কোম্পানি করে জেলায় মোট ১৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ জেলাভিত্তিক বাহিনী মোতায়েনের নিরিখে তৃতীয় স্থানে রয়েছে হাওড়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা ৷ হাওড়াতেও কমিশনারেট এবং পুলিশ জেলা মিলিয়ে ১৫ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় তিন পুলিশ জেলা মিলিয়ে মোট ১৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় মোট ১৪ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে ৷ হুগলি গ্রামীণ ও চন্দননগরে ৬ ও ৮ কোম্পানি মোতায়েন করা হচ্ছে ৷

    মালদায় ১২ কোম্পানি উত্তর দিনাজপুর ১১ কোম্পানি ও দক্ষিণ দিনাজপুরে ১০ কোম্পানি থাকবে৷ একইভাবে দার্জিলিং ও কোচবিহারে ৯ কোম্পানি করে বাহিনী থাকবে৷ পূর্ব বর্ধমানে আনা হচ্ছে ৮ কোম্পানি বাহিনী ৷ পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান, জলপাইগুড়ি, বাঁকুড়া ও বীরভূমে মোতায়েন করা হবে ৭ কোম্পানি ৷ পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম ও আলিপুরদুয়ারে থাকবে ৫ কোম্পানি করে। সবচেয়ে কম ৩ কোম্পানি বাহিনী থাকবে কালিম্বং জেলায় ৷

    চূড়ান্ত তালিকার পর অশান্তির আশঙ্কা!

    এসআইআর-এর (Election Commission) কাজে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ভোটার তালিকার নিবিড় সংশোধনী তালিকা প্রকাশিত হবে। ভোটার তালিকাকে ইস্যু করে জেলায় জেলায় অশান্তির পরিবেশ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রাজ্যের শাসক দল অবশ্য প্রথম থেকেই নাম বাদ যাওয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে উল্টো মেরুতে অবস্থান করছে। অপরে কেন্দ্র সরকার এবং শাসক দল বিজেপির দাবি নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনেই স্বচ্ছ ভোটার তালিকা হচ্ছে। অনেকেই মনে করছেন চূড়ান্ত তালিকা ঘিরে নান জায়গায় অশান্তি এবং হিংসার ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নির্বাচন কমিশন আঁচ করে বাহিনী (Central Forces) নিয়ে তৎপর হয়েছে।

  • Bomb Threat: আরডিএক্সের সঙ্গে সায়ানাইড বিস্ফোরণের হুমকি! কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে ডাকঘর-পাসপোর্ট অফিসে বোমাতঙ্ক

    Bomb Threat: আরডিএক্সের সঙ্গে সায়ানাইড বিস্ফোরণের হুমকি! কলকাতা-সহ রাজ্যজুড়ে ডাকঘর-পাসপোর্ট অফিসে বোমাতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার দুপুর ১ টা নাগাদ আচমকাই রাজ্যজুড়ে পাসপোর্ট অফিস ও একাধিক ডাকঘরে (Post Office) বোমাতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। কলকাতা ছাড়াও আসানসোল এবং কাটোয়ার (Asansol Katwa Kolkata) মতো গুরুত্বপূর্ণ ডাকঘরগুলোতে সায়ানাইড গ্যাস মিশ্রিত আরডিএক্স বোমা রাখা হয়েছে বলে হুমকি আসে। এই খবর চাউর হতেই কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Asansol Katwa Kolkata)?

    স্থানীয় সূত্রের খবর, এদিন দুপুরের দিকে ইমেলের মাধ্যমে রাজ্যের বিভিন্ন ডাকঘরে নাশকতার হুমকি দেওয়া হয়। তাতে দাবি করা হয়, ডাকঘরের ভেতরে বিস্ফোরক রাখা আছে। সর্বপ্রথম কলকাতার রুবি মোড়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় পাসপোর্ট অফিসে এই আতঙ্কের খবর প্রকাশ্যে হয়। বিষয়টি জানাজানি হতেই, কলকাতা রুবি পাসপোর্ট অফিস (Asansol Katwa Kolkata) খালি করে দেওয়া হয়। এর পর এক এক করে চুঁচুড়া হেড পোস্ট অফিস, শ্রীরামপুর পোস্ট অফিস, পূর্ব বর্ধমানের প্রধান ডাকঘর, আরামবাগে মুখ্য ডাকঘর (Post Office), ব্যারাকপুর, কোচবিহার, বসিরহাট, বাঁকুড়া, মুর্শিদাবাদ, হাওড়া ময়দান তড়িঘড়ি খালি করে দেওয়া হয় অফিসগুলো।

    কলকাতার পরিস্থিতি

    কলকাতার জিপিও (Asansol Katwa Kolkata) সহ বেশ কয়েকটি জায়গায় সতর্কতা জারি করা হয়। খবর দেওয়া হয় লালবাজারের হোমিসাইড শাখা এবং বম্ব স্কোয়াডকে। পুলিশ  ও সিআইএসএফের একটি বড় দল এসে পৌঁছায় এবং স্নিফার ডগ নিয়ে প্রতিটি কোণায় তল্লাশি করা হয়। তবে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলেই খবর।

    আসানসোল ও কাটোয়ায় উদ্বেগ

    কলকাতার পাশাপাশি শিল্পাঞ্চল আসানসোলেও (Asansol Katwa Kolkata)  একই পরিস্থিতি তৈরি হয়। আসানসোল প্রধান ডাকঘরে (Post Office) হুমকির খবর আসতেই পুলিশ গোটা এলাকা ঘিরে ফেলে। গ্রাহক এবং কর্মীদের বাইরে বের করে এনে তল্লাশি শুরু হয়। অন্যদিকে, পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়াতেও একই ধরণের হুমকি মেলের জেরে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়।

    পুলিশের তৎপরতা

    প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশের অনুমান, এটি কোনও ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর পরিকল্পিত ‘ভুয়া কল’ হতে পারে। জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করাই ছিল এর মূল লক্ষ্য। তবে বিষয়টি হালকাভাবে না নিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রোটোকল মেনে তল্লাশি চালানো হয়েছে। ওই ইমেলের উৎস বা আইপি অ্যাড্রেস (IP address) খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে সাইবার ক্রাইম বিভাগ।

    উল্লেখ্য, গত কয়েক মাস ধরেই দেশের বিভিন্ন স্কুল, হাসপাতাল এবং বিমানবন্দরে এই ধরণের ভুয়ো বোমাতঙ্ক ছড়ানোর ঘটনা বেড়েছে। কয়েক দিন আগেই একইভাবে কলকাতা নগর দায়রা আদালত সহ চুঁচুড়া ও বহরমপুরের বিভিন্ন আদালতে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। বারবার আদালত এবং এবার ডাকঘরের মতো জনবহুল সরকারি দফতরকে টার্গেট করায় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কারা এই ইমেল পাঠাচ্ছে এবং এর পেছনে বড় কোনও ষড়যন্ত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। আপাতত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সবকটি ডাকঘরে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

  • Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    Trinamool Criminal Nexus: কাঁকুলিয়া থেকে গোলাবাড়ি— তৃণমূলের ছত্রছায়ায় রাজ্যে চরমে সমাজবিরোধী-দুষ্কৃতীরাজ, নিস্তার কবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার গোলপার্ক-কাঁকুলিয়ার পর হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা। ফের শাসক-আশ্রিত দুষ্কৃতী তাণ্ডবের সাক্ষী থাকল রাজ্যের দুই সিস্টার-সিটি। আর এই ঘটনায় পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে ফের প্রশ্ন উঠল রাজনৈতিক মহলে। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে— সমাজ-বিরোধী, খুনে অভিযুক্তের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল নেতাদের? ভোট যত এগিয়ে আসছে, কেন বাড়ছে দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্য?

    প্রধান অভিযুক্ত তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ

    হাওড়ার গোলাবাড়ি-পিলখানা এলাকায় বুধবার ভোরে চায়ের দোকানের সামনে খুব কাছ থেকে গুলি করে এক প্রোমোটার শফিক খানকে খুনের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রকাশ্য রাস্তায় এই গুলিচালনার ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, সিসিটিভি ফুটেজে যে দু’জনকে আক্রমণ করতে দেখা গিয়েছে, তাঁরা হলেন হারুন খান ও রোহিত। এই ঘটনায় অন্যতম অভিযুক্ত হারুন খানের সঙ্গে হাওড়া উত্তরের তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর একাধিক ভিডিও সামনে এনেছে বিজেপি। এমনকী, তৃণমূলের স্থানীয় বিধায়ক গৌতম চৌধুরীকে হারুনের বাইকে চেপে প্রচারেও দেখা গিয়েছে। ঘটনার ছবি প্রকাশ্যে আসতেই স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, হারুন তৃণমূলের ঘনিষ্ঠ।

    চলছে ‘মহাজঙ্গল রাজ’, রাজ্যে ভয়ের পরিবেশ

    বিজেপির তরফে এক্স হ্যান্ডেলে এক ভিডিও পোস্ট করে বলা হয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দফতর নবান্নও হাওড়াতেই অবস্থিত। তার পরেও এ ধরনের দুঃসাহসিক অপরাধ ঘটছে বলে বিরোধীদের অভিযোগ। সাম্প্রতিক সময়ে কলকাতার একাধিক জায়গা থেকে বোমা উদ্ধারের ঘটনাও সামনে এসেছে। পাশাপাশি গতকালই রাজ্যের বিভিন্ন জেলার আদালতে বোমা হামলার হুমকিতে আতঙ্ক ছড়ায়। এই পরিস্থিতিকে ‘মহাজঙ্গল রাজ’ আখ্যা দিয়ে বিজেপির দাবি, সাধারণ মানুষ ভয়ের পরিবেশ থেকে মুক্তি চান। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় আরও কড়া পদক্ষেপের দাবি জানানো হয়েছে বিজেপির তরফে।

    ভয়ে, আতঙ্কে সিঁটিয়ে স্থানীয়রা

    কাঁকুলিয়ায় দুষ্কৃতী দৌরাত্ম্যে অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুর সঙ্গে ছবিতে দেখা গেছে তৃণমূল নেতা বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়কে। সেই ঘটনার পর তিন সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও সোনা পাপ্পুর নাগাল পায়নি পুলিশ। আর বুধবার ভোরে হাওড়ার পিলখানায় গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেওয়া হল প্রোমোটারকে। ৪৮ ঘণ্টা পার করতে চললেও, মূল অভিযুক্ত হারুন ও রোহিত অধরা। কাঁকুলিয়া থেকে হাওড়া, ভয়ে সিঁটিয়ে রয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আর সব ঘটনার নেপথ্যে বারবার উঠে আসছে শাসক-যোগ। যদিও, হারুনের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতার কথা অস্বীকার করেছেন তৃণমূল বিধায়ক।

    হামলা সংবাদমাধ্যমের ওপরও

    যে বিধানসভা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে, সেই হাওড়া উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক ও প্রাক্তন মন্ত্রী লক্ষ্মীরতন শুক্লর সঙ্গেও অভিযুক্ত হারুন খানের ভাইরাল ছবি সামনে এসেছে। লক্ষ্মীরতন শুক্ল জানিয়েছেন, এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চান না। এদিকে, প্রোমোটার খুনের খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হতে হন সাংবাদিকরা। রক্তাক্ত হন এবিপি আনন্দের প্রতিনিধি ময়ূখ ঠাকুর চক্রবর্তী। বেধড়ক মারধরে নাকের হাড় ভেঙে গিয়েছে তাঁর। এবিপি আনন্দের চিত্রসাংবাদিক উজ্জ্বল ঘোষকেও হেনস্থা করে কয়েক জন দুষ্কৃতী।

    হাওড়ার মূল অভিযুক্ত যুব তৃণমূল নেতা!

    প্রশ্ন উঠছে, খুনে অভিযুক্ত থেকে শুরু করে দুষ্কৃতী বা সমাজবিরোধীদের সঙ্গে কীসের এত সখ্যতা তৃণমূল বিধায়কদের? বিজেপির অভিযোগ, হারুন খান হাওড়া পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল যুব নেতা। বিজেপি-র রাজ্য নেতা উমেশ রাইয়ের দাবি, ‘হারুন খান উত্তর হাওড়ার তৃণমূল বিধায়ক গৌতম চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ। বাইকে চেপে তাঁকে ঘুরতে দেখা গিয়েছে। সেই ছবি ভাইরাল। অন্য অভিযুক্ত রোহিত আর্মস ডিলার। জেলখাটা আসামি। যাঁকে খুন করা হয়েছে সেই সফিক একটা ক্রিমিনাল গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত।’ বিধায়কের মদতে এলাকায় সমাজবিরোধী কার্যকলাপ বেড়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

    ‘‘তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে’’

    এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শাসক দলের অভ্যন্তরেও সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বর্ষীয়ান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “বাহুবলীদের নিয়ন্ত্রণ করতে হবে, না করলে কপালে দুঃখ আছে, আমি বাহুবলীদের উপর ভরসা করি না। এটাকে যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে। কড়া ব্যাবস্থা নিতে হবে। বাহুবলীরা যে দিকে যায়, মানুষ তার বিপরীত দিকে যায়। এদের নিয়ন্ত্রণ না করতে পারলে নাগরিক সমাজ পাশ থেকে সরে যাবে।” তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এহেন মন্তব্যের পালটা প্রতিক্রিয়া জানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। প্রাক্তন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, ‘‘এটা ওনার বিলম্বিত বোধদয়, তৃণমূলের ভোট টিকে আছে দুষ্কৃতী ভোটব্যাঙ্কে। উনি জানেন উনি আর ভোটে লড়তে পারবেন না ওনার দল থেকে আর কিছু পাওয়ার নেই তাই এইসব মন্তব্য করছেন।’’

    ভোটের আগে পরিকল্পিতভাবে হিংসা!

    দোষীদের গ্রেফতার না করলে ভোট বয়কট করবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশ কমিশনার আকাশ মাঘারিয়া জানান, প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে দু’জন জিন্সের প্যান্টের ব্যবসা করত। টাকা নিয়ে বিবাদ ছিল। অভিযুক্তদের সন্ধানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। গত বিধানসভা নির্বাচনের পর ভোট-পরবর্তী হিংসার সাক্ষী থেকেছে রাজ্যবাসী। প্রশ্ন উঠছে, এবার কি সেই পরিকল্পনা বদলে ভোটের আগে থেকেই পরিকল্পিতভাবে হিংসা ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। প্রশ্ন উঠছে, এভাবেই কি সাধারণ মানুষকে সন্ত্রস্ত করে রাখার কৌশল নেওয়া হয়েছে?

  • PM Modi: ইজরায়েলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন হলোকাস্ট মেমোরিয়ালেও

    PM Modi: ইজরায়েলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির, শ্রদ্ধা জানালেন হলোকাস্ট মেমোরিয়ালেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের সফরে ইজরায়েলে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার তাঁর রাষ্ট্রীয় সফরের অংশ হিসেবে ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন (Holocaust Memorial)। দুই নেতার বৈঠকে ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার করা, কৌশলগত সহযোগিতা গভীর করা এবং জনগণের সঙ্গে জনগণের সম্পর্ক আরও মজবুত করার বিষয়টিও গুরুত্ব পায়।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)

    জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, “আমি আনন্দিত যে বিভিন্ন জায়গায় আগেও আপনার সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেয়েছি। আজ আপনাকে এখানে দেখতে পেয়ে আমি সম্মানিত। ভারতের মানুষ আপনাকে স্বাগত জানাতে আগ্রহী। তাই আমি বিশেষভাবে আপনাকে ভারত সফরের আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। শুধু দিল্লি নয়, ভারতের অন্যান্য স্থানেও সময় বের করে যান, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ আপনাকে স্বাগত জানানোর সুযোগ পান।” বৈঠকে দুই দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

    ইজরায়েলি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য

    বৈঠকের আগে প্রেসিডেন্ট হারজগ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান। তিনি লেখেন,
    “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, ইজরায়েলের জনগণ আপনাকে উন্মুক্ত হৃদয়ে স্বাগত জানাচ্ছে। আজ জেরুজালেমে আপনাকে আতিথ্য দেওয়ার অপেক্ষায় আছি!” ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ইজরায়েলে রাজনৈতিক ও জনসাধারণের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহের সৃষ্টি করেছে (Holocaust Memorial)। দুই নেতা প্রেসিডেন্ট ভবনে একটি চারা গাছ রোপণ করেন, যা তাঁদের কূটনৈতিক সম্পর্কের উষ্ণ ও ব্যক্তিগত দিককে প্রতিফলিত করে (PM Modi)।

    ‘হল অব রিমেমব্র্যান্স’

    ইজরায়েলের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকের আগে প্রধানমন্ত্রী মোদি জেরুজালেমে অবস্থিত ইজরায়েলের সরকারি হলোকাস্ট স্মৃতিসৌধ ‘ইয়াদ ভাশেমে’ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুও। দুই নেতা ‘হল অব রিমেমব্র্যান্সে’ নীরবতা পালন করেন, যখন ‘কাদ্দিশ’ প্রার্থনা পাঠ করা হচ্ছিল। হলোকাস্টের শিকারদের স্মরণে এটি ছিল সম্মান, স্মৃতি ও শান্তির বার্তা (Holocaust Memorial)। প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। ভারতের বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানায়, “হলোকাস্টের শিকারদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এবং শান্তি ও মানবিক মর্যাদা রক্ষার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইয়াদ ভাশেম, বিশ্ব হলোকাস্ট স্মরণ কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। এটি ছিল তাঁর দ্বিতীয় সফর (PM Modi)। তিনি পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং ‘বুক অফ নেমস্ হল’ পরিদর্শন করেন, যেখানে হলোকস্টে নিহত লাখ লাখ মানুষের স্মৃতি সংরক্ষিত রয়েছে। এই স্মৃতিসৌধ অতীতের নিষ্ঠুরতার একটি গম্ভীর স্মারক এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে একটি উন্নত বিশ্ব গড়ার অঙ্গীকারের প্রতীক (Holocaust Memorial)।”

    ইয়াদ ভাশেম কী?

    ইয়াদ ভাশেম জেরুজালেমে অবস্থিত ইজরায়েলের সরকারি হলোকাস্ট স্মৃতিসৌধ। ১৯৫৩ সালে প্রতিষ্ঠিত এই কেন্দ্রটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় নাৎসি ও তাদের সহযোগীদের হাতে নিহত ৬০ লক্ষ ইহুদির স্মৃতি সংরক্ষণে নিবেদিত। এখানে রয়েছে হলোকাস্ট ইতিহাস জাদুঘর, হল অব নেমস্ এবং শিশু স্মৃতিসৌধ। এছাড়া ‘রাইটিয়াস অ্যামং দ্য নেশনস্’—অর্থাৎ যেসব অ-ইহুদি নিজেদের জীবন বিপন্ন করে (Holocaust Memorial) ইহুদিদের রক্ষা করেছিলেন—তাঁদেরও সম্মান জানানো হয় (PM Modi)।

  • India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    India: “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের আইএমএফ-ঋণের দ্বিগুণ”, ইসলামাবাদকে জায়গা মনে করাল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদে পাকিস্তানের (Pakistan) অভিযোগের কড়া জবাব দিল ভারত (India)। ইসলামাবাদের বিরুদ্ধে জম্মু-কাশ্মীর ইস্যুতে প্রোপাগান্ডা ছড়ানোর অভিযোগ করেন ভারতের প্রতিনিধি। ২৫ ফেব্রুয়ারি উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ‘রাইট টু রিপ্লাই’ বা জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ কর বক্তব্য রাখেন ভারতের প্রতিনিধি অনুপমা সিং। সেখানে পাকিস্তান এবং ইসলামিক সহযোগী সংস্থা (OIC)-এর তোলা অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, “এই জোট একটি সদস্য রাষ্ট্রকে ইকো চেম্বার হিসেবে ব্যবহৃত হতে দিয়েছে।”

    অনুপমার বক্তব্য (India)

    পাকিস্তান এবং ওআইসি তাদের বক্তৃতায় ঠিক কী বলেছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। বুধবার প্রথম সচিব অনুপমা সিং বলেন, “পাকিস্তানের মন্তব্য ঈর্ষা থেকে প্রণোদিত।” তিনি জানান, ভারত এই ধরনের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে চায় না, তবে তা খণ্ডন ও অসত্য প্রমাণ করার জন্য কয়েকটি তথ্য উপস্থাপন করবে। ভারত জম্মু-কাশ্মীরের অগ্রগতি ও পরিকাঠামো উন্নয়নের কথা তুলে ধরে, যার মধ্যে বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুও রয়েছে। এর পাশাপাশি অঞ্চলটির উন্নয়ন বাজেটের সঙ্গে পাকিস্তান সম্প্রতি আইএমএফের কাছে যে বেইলআউট প্যাকেজ চেয়েছে, তার তুলনা করা হয়। অনুপমা বলেন, “পাকিস্তান যদি এই বাস্তবতা স্বীকার না করে, তবে তারা লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে।” তিনি জানান, জম্মু ও কাশ্মীরের বাজেট পাকিস্তানের চাওয়া আইএমএফ বেইলআউট প্যাকেজের দ্বিগুণেরও বেশি। এসব মন্তব্য ছিল পাকিস্তানের বয়ান মোকাবিলা এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের সামাজিক-অর্থনৈতিক অগ্রগতি তুলে ধরার জন্য নয়াদিল্লির বৃহত্তর কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ (India)।

    জেনেভা অধিবেশন

    জেনেভায় অধিবেশনে (Pakistan) অনুপমা বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর ছিল, আছে এবং সর্বদা ভারতের অবিচ্ছেদ্য ও অবিচ্ছিন্ন অংশ হিসেবেই থাকবে। পাকিস্তানের যতই ইচ্ছাকৃত বক্তব্য বা দুঃসাহসী প্রোপাগান্ডা থাকুক না কেন, ১৯৪৭ সালের ভারত স্বাধীনতা আইন এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে জম্মু-কাশ্মীরের ভারতের সঙ্গে অন্তর্ভুক্তি সম্পূর্ণ বৈধ ও চূড়ান্ত। তাই  এই অপরিবর্তনীয় সত্য বদলানো যাবে না।” ভারতীয় কূটনীতিক অনুপমা আরও বলেন, “একমাত্র অমীমাংসিত বিষয় হল পাকিস্তানের দখলে থাকা ভারতের ভূখণ্ডের অবৈধ দখল।” তিনি ইসলামাবাদকে জোরপূর্বক দখলে রাখা অঞ্চলগুলি খালি করে দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি আবারও বলেন, “পাকিস্তান যেন লা-লা ল্যান্ডে বাস করছে (India)।”

    তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের সাধারণ ও বিধানসভা নির্বাচনে রেকর্ড ভোটারের উপস্থিতি প্রমাণ করে যে সেখানকার মানুষ পাকিস্তান-প্রচারিত সন্ত্রাস ও হিংসার মতাদর্শ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং উন্নয়ন ও গণতন্ত্রের পথে এগিয়ে যাচ্ছে।” রাষ্ট্রসংঘে তিনি এও বলেন, “যদি গত বছর উদ্বোধন হওয়া বিশ্বের সর্বোচ্চ চেনাব রেলসেতুকে ভুয়ো বলা হয়, তবে পাকিস্তান নিশ্চয়ই লা-লা ল্যান্ডে (কল্পনার জগতে) বাস করছে।” তিনি বলেন, “জম্মু-কাশ্মীরের উন্নয়ন বাজেট পাকিস্তানের সাম্প্রতিক আইএমএফ বেইলআউট আবেদনের দ্বিগুণেরও বেশি (India)। অবশ্য এটি পাকিস্তানের কাছে অবিশ্বাস্য বলেই মনে হতে পারে (Pakistan)।”

     

  • PM Modi: “ভারতে বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ খুঁজুন”, ইজরায়েলে আহ্বান মোদির

    PM Modi: “ভারতে বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ খুঁজুন”, ইজরায়েলে আহ্বান মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলি সংস্থাগুলিকে ভারতে বিনিয়োগ, উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার সুযোগ খোঁজার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বৃহস্পতিবার এই আবেদন করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী মোদি, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগণ্য ইজরায়েলি উদ্ভাবন প্রদর্শনকারী একটি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। প্রদর্শনীতে অ্যাগ্রি-টেক, ওয়াটার-টেক, ক্লাইমেট-টেক, হেলথ-বায়োটেক, স্মার্ট মোবিলিটি, এআই, সাইবার সিকিউরিটি এবং কোয়ান্টাম প্রযুক্তি তুলে ধরা হয় (Manufacturing Opportunities)।

    উদ্ভাবকদের সঙ্গে মতামত বিনিময় (PM Modi)

    উদ্ভাবকদের সঙ্গে মতামত বিনিময়ের সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “প্রদর্শিত অত্যাধুনিক প্রযুক্তিগুলির ভারত-ইজরায়েল উদ্ভাবন, স্টার্ট-আপ এবং ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বিস্তারের বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে, বিশেষত কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা, স্বাস্থ্যসেবা এবং ডিজিটাল পরিষেবার ক্ষেত্রে। ইন্ডিয়া-ইজরায়েল ইনোভেশন ব্রিজ উদ্যোগের মাধ্যমে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সমাধান গড়ে তুলতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করছে।” এদিন প্রধানমন্ত্রী সে দেশের বিজ্ঞানী, প্রযুক্তি-উদ্যোক্তা এবং বিভিন্ন সংস্থার সিইওদের সঙ্গে কথা বলেন। কোয়ান্টাম মেশিনস প্রধানমন্ত্রীকে ইজরায়েলি কোয়ান্টাম কম্পিউটিং সেন্টার (IQCC) সম্পর্কে অবহিত করে এবং ক্লাসিক কোয়ান্টাম সফটওয়্যার উন্নয়ন সহজিকরণে তাদের কাজ তুলে ধরে।

    কে, কী প্রদর্শন করল

    সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, স্টার্ট-আপ এআইএসএপি তাদের এআই-চালিত পয়েন্ট-অফ-কেয়ার আল্ট্রাসাউন্ড প্রদর্শন করে, যা তাৎক্ষণিক ডায়াগনস্টিক নির্দেশনা দেয়। ইজরায়েলের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের হোরাইজন স্ক্যানিং ডিভিশন টেক স্কাউট নামের একটি এআই-চালিত কৌশলগত ঝুঁকি শনাক্তকরণ ও প্রবণতা বিশ্লেষণ সরঞ্জাম উপস্থাপন করে। প্রযুক্তি সংস্থা মোবাইল আই তাদের সেন্সর ও চিপ প্রযুক্তি প্রদর্শন করে, যার লক্ষ্য সড়ক দুর্ঘটনা কমানো। চেক পয়েন্ট সফটওয়্যার টেকনোলজিস তাদের উন্নত সাইবার হুমকি প্রতিরোধ সমাধান এবং ভারতে তাদের সহযোগিতার দিক তুলে ধরে (PM Modi)।

    বাতাস থেকে পানীয় জল উৎপাদনের প্রযুক্তি

    ওয়াটারজেন বাতাস থেকে পানীয় জল উৎপাদনের প্রযুক্তি প্রদর্শন করে, আর এন-ড্রিপ মাধ্যাকর্ষণ-চালিত মাইক্রো-সেচ ব্যবস্থা তুলে ধরে। ন্যাচারাল অফসেট ফার্মিং (NOF) বিদ্যুৎ ছাড়াই মাঠ পর্যায়ে ফসল-পরবর্তী সংরক্ষণ সমাধান উপস্থাপন করে, যা খাদ্য অপচয় কমাতে সহায়ক হয়। এছাড়া, রিমিল্ক ল্যাব-উৎপাদিত দুধ প্রোটিনের জন্য প্রিসিশন ফারমেন্টেশন প্রযুক্তি প্রদর্শন করে এবং বারঅ্যালগি মেশিন-লার্নিং সমন্বিত মাইক্রোঅ্যালগি চাষ প্রযুক্তি তুলে ধরে (PM Modi)। মাইনোরা বায়ো বিশেষ বায়ো-কনভার্সন অ্যাডিটিভ ব্যবহার করে প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রযুক্তি প্রদর্শন করে। জিওফিজিক্যাল ইনস্টিটিউট (GII) খনিজ সম্পদের পরিমাণ নির্ধারণে উচ্চ-রেজোলিউশন মডেলিং প্রদর্শন করে। উল্লেখযোগ্যভাবে, ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ (Manufacturing Opportunities) তাদের ক্ষুদ্রায়িত যোগাযোগ উপগ্রহ এবং সমন্বিত সিনথেটিক অ্যাপারচার রাডার প্রযুক্তি উপস্থাপন করে (PM Modi)।

LinkedIn
Share