Blog

  • Madhuri Dixit: ‘মেরা দিল ইয়ে পুকারে আজা’, ভাইরাল গানে নাচলেন মাধুরী দীক্ষিত

    Madhuri Dixit: ‘মেরা দিল ইয়ে পুকারে আজা’, ভাইরাল গানে নাচলেন মাধুরী দীক্ষিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এত বছর পরেও বলিউডে অতুলনীয়ই মাধুরী দীক্ষিত (Madhuri Dixit)। তাঁর মতো আর কেউ নেই। সে তাঁর অসাধারণ অভিনয়ই হোক বা মনোমুগ্ধকর নাচ। আজও তিনি বলিউডের সম্রাজ্ঞী। সম্প্রতি ভাইরাল গান ‘মেরা দিল ইয়ে পুকারে আজা’ গানে নেচে ফের ভক্তদের কুপোকাত করেছেন ধক ধক গার্ল। সাদা শাড়িতে লাস্যময়ী মাধুরী ভিডিওটি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে মাধুরী দীক্ষিত লিখেছেন, “মেরা দিল ইয়ে পুকারে আজা।” হ্যাশট্যাগে লিখেছেন, “স্যাটারডে,” “স্যাটারডে ভাইবস,” “উইকএন্ড ভাইবস,” “রিলস,” “ট্রেন্ডিং রিল,” “এক্সপ্লোর,” “ড্যান্স রিল” এবং “ট্রেন্ডিং”। 

     

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Madhuri Dixit (@madhuridixitnene)


    মাধুরী দীক্ষিতের (Madhuri Dixit) ইনস্টাগ্রাম টাইমলাইন যথেষ্ট আকর্ষণীয়। নাচের ভিডিও হোক বা সাধারণ পোস্ট, মাধুরীর যেকোনও পোস্টই ভাইরাল হয়। সম্প্রতি তিনি নির্দেশক করণ জোহরের সাথে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। যেখানে দুজনকে একটি ভাইরাল ট্রেন্ড “ভাইবিং” করতে দেখা যায়। প্রথমে হাততালি দিয়ে, তারপর মাথার ওপরের সানগ্লাস মাথা ঝাঁকিয়ে চোখের ওপর ফেলে দেওয়া এই ট্রেন্ড বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। সেই ভিডিও-ও ভাইরাল হয়।

     

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Madhuri Dixit (@madhuridixitnene)

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Madhuri Dixit (@madhuridixitnene)


    আরও তারকাদের সঙ্গেও ভিডিও করতে দেখা যায় মাধুরীকে। দেখুন সেই জনপ্রিয় ভিডিওগুলি। 

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Madhuri Dixit (@madhuridixitnene)

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Madhuri Dixit (@madhuridixitnene)

  • Low-Carb Vegetables: রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে খান এই লো-কার্বযুক্ত সবজি

    Low-Carb Vegetables: রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে খান এই লো-কার্বযুক্ত সবজি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়াবেটিস একটি দীর্ঘস্থায়ী ও জটিল অসুখ। বেশিরভাগ মানুষ অবশ্য এই অসুখকে ঠিক পাত্তা দিতে চান না। যদিও বিষয়টাকে একবারে অবহেলায় রেখে দিলে চলবে না। ডায়াবেটিস হলে মানুষকে সতর্ক হয়ে যেতে হবে। এমনকী কিছু এমন খাবার খেতে হবে যা সুগার কমায়। আপনারও যদি ডায়াবেটিস থাকে তাহলে এখনই খাদ্যাভ্যাসের দিকে যত্ন নিন। ৭টি লো-কার্ব যুক্ত সবজির নাম জেনে নিন, 

    রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে লো-কার্ব যুক্ত সবজি

    গাজর

    গাজর নন-স্টার্চি সবজি গ্রুপের অন্তর্গত। তাই যাঁদের সুগার লেভেল হাই, তাঁরা এটি নিরাপদে খেতে পারেন। এই সবজি ফাইবার এবং ভিটামিন এ-তে সমৃদ্ধ। এটি চোখের স্বাস্থ্য উন্নত করার পাশাপাশি শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে। কারণ গাজরে কম গ্লাইসেমিক ইনডেক্স থাকে।

    মাশরুম

    কম গ্লাইসেমিক সূচক এবং গ্লাইসেমিক লোড কন্টেন্ট সহ, মাশরুম রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ায় না। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য এটি ভালো। মাশরুম একটি কম-ক্যালোরি, কম কার্বযুক্ত খাবার যা ডায়াবেটিক রোগীদের জন্য উপকারী।

    ব্রকলি

    এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য আরেকটি দুর্দান্ত সবজি। এটি রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে পারে। ব্রকলি ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ায় এবং এতে উল্লেখযোগ্য অ্যান্টি-ডায়াবেটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে।

    বাঁধাকপি

    প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি রয়েছে এতে, যা হার্টের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখে।  বাঁধাকপি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি ভাল সবজি। ফাইবারে ভরপুর বাঁধাকপি খাবারের হজমকে ধীর করে দেয় এবং এইভাবে আপনার চিনির মাত্রা বাড়াতে বাধা দেয়।

    ফুলকপি

    বাঁধাকপির মত, ফুলকপিও কম কার্বোহাইড্রেটযুক্ত সবজি যা ডায়াবেটিস রোগীরা নিরাপদে তাদের খাদ্যতালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারে।

    পালং শাক

    পালং শাক ফোলেট, ফাইবার এবং ভিটামিন এ, বি, সি, ই এবং কে এর একটি দুর্দান্ত উৎস। ফলে এটি  এটি ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য একটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর খাবার। এই শাক রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি রোধ করে।

    টোম্যাটো

    গাজরের মত, টোম্যাটোও স্টার্চবিহীন সবজি যা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

  • Rajasthan Gangster: রাজস্থানে গ্যাংস্টার খুনে গ্রেফতার ৫, খুনের দায় স্বীকার করল কে জানেন?

    Rajasthan Gangster: রাজস্থানে গ্যাংস্টার খুনে গ্রেফতার ৫, খুনের দায় স্বীকার করল কে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দুষ্কৃতী গোষ্ঠীর সংঘর্ষের (Clash) জেরে শনিবারই রাজস্থানের শিকারে প্রাণ গিয়েছিল দুই ব্যক্তির। ওই ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, এরাই গ্যাংস্টার (Rajasthan Gangster) রাজু থেটকে গুলি করে খুন করেছে। রবিবার পাঁচজনকে গ্রেফতারির খবর দিয়েছেন সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (CM) অশোক গেহলট। পুলিশ জানিয়েছে, এনকাউন্টারের পর গ্রেফতার করা হয়েছে ওই পাঁচজনকে। এনকাউন্টারে জখম হয়েছে দুজন।

    গ্যাংস্টার ছাড়াও…

    গ্যাংস্টার (Rajasthan Gangster) রাজু থেট ছাড়াও আরও একজন প্রাণ হারিয়েছেন ওই সংঘর্ষের মাঝে পড়ে। জানা গিয়েছে, তাঁর নাম তারাচাঁদ কাদওয়াসারা। পিপরালি রোডের একটি কোচিং সেন্টারে মেয়েকে নিয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। সংঘর্ষ চলাকালীন কোনওভাবে একটি গুলি ছিটকে এসে লাগে তাঁর গায়ে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। অভিযুক্ত তারাচাঁদকেই রাজুর সাঙাত ভেবে গুলি করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, দুষ্কৃতীরা তারাচাঁদের গাড়ির চাবি কেড়ে নিয়ে চম্পট দেয়।

    পুলিশ সূত্রে খবর, রাজু থেটের (Rajasthan Gangster) বিরুদ্ধে থানায় ৩০টি ফৌজদারি মামলা রয়েছে। তার সঙ্গে দ্বন্দ্ব ছিল কুখ্যাত দুষ্কৃতী আনন্দপাল সিংয়ের। ২০১৭ সালে এক এনকাউন্টারে মৃত্যু হয় কুখ্যাত এই দুষ্কৃতীর। জামিনে মুক্ত থাকাকালীন সময় লাক্সারি জীবন যাপন করত সে। তার রাজনৈতিক উচ্চাকাঙ্খাও ছিল। পুলিশের ডিজিপি উমেশ মিশ্র জয়পুরে বলেন, পুলিশি শিকারের বাসিন্দা মনীশ জাঠ এবং বিক্রম গুজরকে পাকড়াও করেছে। হরিয়ানার ষষ্ঠী কুমার, যতীন মেঘওয়াল এবং নবীণ মেঘওয়ালকেও গ্রেফতার করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের জালে বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখ, কোথায় ধরা পড়ল জানেন?

    এদিন এক ট্যুইট বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট বলেন, গতকাল শিকারে খুনের ঘটনায় পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গাড়ি এবং অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বিচার করে তাদের শাস্তি দেওয়া হবে। শনিবার রাজু থেট খুন হওয়ার পর রোহিত গোদারা নামে এক ব্যক্তি খুনের দায় স্বীকার করেন। ফেসবুকে তিনি নিজের পরিচয় দিয়েছেন লরেন্স বিষ্ণৈ গ্যাংয়ের সদস্য হিসেবে। তিনি জানান, এটা আনন্দপাল সিং এবং বলবীর বাণুদার খুনের বদলা। প্রসঙ্গত, বাণুদা, যে আনন্দ পাল গোষ্ঠীর সদস্য ছিল, খুন হয় ২০১৪ সালের জুলাই মাসে। বিকানের জেলে দু দল বন্দির সংর্ঘষের জেরে খুন হয় সে। অভিযোগ, ওই ঘটনার নেপথ্যে ছিল রাজুর লম্বা হাত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • Aparup Roy: মাত্র ১৭ বছর বয়সেই টেসলা-নাসায় কাজ করার অভিজ্ঞতা, কে এই বাংলার ‘বিস্ময় বালক’?

    Aparup Roy: মাত্র ১৭ বছর বয়সেই টেসলা-নাসায় কাজ করার অভিজ্ঞতা, কে এই বাংলার ‘বিস্ময় বালক’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাত্র ১৭ বছর বয়সেই আসাধ্য সাধন করেছেন দুর্গাপুরের অপরূপ রায় (Aparup Roy)। ইতিমধ্যেই এই বিস্ময় বালক ভারতের সর্বকনিষ্ঠ বিজ্ঞানীর শিরোপা অর্জন করে ফেলেছেন। একাদশ শ্রেণির ছাত্র অপরূপ রায়ের ভাষায়, সাফল্য অর্জনের ক্ষেত্রে বয়স শুধুমাত্র একটি সংখ্যা। আপনার পায়ের দিকে না তাকিয়ে তারার দিকে তাকানো সবসময়ই ভাল।” পরামর্শ দিয়ে বলেন, “টেনশনকে একেবারেই কাছে আসতে দেওয়া চলবে না। শুধু স্বপ্ন পূরণের জন্য কঠোর পরিশ্রম করুন।” 

    ইতিমধ্যেই অপরূপের (Aparup Roy) দুটি বই, রসায়নের তিনটি পেপার প্রকাশিত হয়েছে বিভিন্ন জার্নাল ও পত্রিকায়। গবেষণাপত্রগুলি আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। যে যে জার্নালে তাঁর  গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল সেগুলি হল-বিজ্ঞান ও গবেষণার আন্তর্জাতিক জার্নাল, ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ সায়েন্টিফিক রিসার্চ ইন কেমিক্যাল সায়েন্সেস, পদার্থবিদ্যা এবং রসায়ন পদার্থের জার্নাল। এই জার্নালগুলি যখন প্রকাশিত হয় তখন অপরূপ দশম শ্রেণীতে পড়তেন। 

    ২০২১ সালের মে মাসে অপরূপের (Aparup Roy) প্রথম বই, ‘সাধারণ রসায়নে সমস্যা’ প্রকাশিত হয়েছিল। তাঁর দ্বিতীয় বই ‘মাস্টার ICSE কেমিস্ট্রি সেমিস্টার’ গত বছরেরই অগাস্টে প্রকাশিত হয়েছে।

    অপরূপের (Aparup Roy) বরাবরের লক্ষ্য বিজ্ঞানী হওয়া। রসায়নের প্রতি তাঁর নিবিড় ভালোবাসাই তাঁকে লকডাউনের ভয়ঙ্কর সময় পার করতে সাহায্য করে। অপরূপ বলেন, “লকডাউন চলাকালীন  আমি বিদ্যুৎ সঞ্চালনের জন্য জলে লবণ দ্রবীভূত করার পরীক্ষাটি বেশ কয়েকবার করেছি এবং আমি কিছু নতুন পর্যবেক্ষণ করেছি, যা আমি আগে কখনও লক্ষ্য করিনি। এর জন্য আমি কয়েকজন এমআইটি বিজ্ঞানীর সাহায্য নিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “যখন লকডাউন ছিল, তখন কাউকে বাইরে যেতে দেওয়া হয়নি, তাই আমি বাড়িতে আমার সমস্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু আরও অনেক অ্যাসাইনমেন্ট আছে, যা আমি বাড়িতে করতে পারি না। তাই, আমি এনআইটি দুর্গাপুরের রসায়ন বিভাগের প্রধানকে চিঠি লিখেছিলাম এবং তিনি রাজি হয়েছিলেন। তার জন্য আমার স্কুল থেকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছিল। ২০২০ সালে লকডাউন তুলে নেওয়ার পরে আমি এটা পেয়েছিলাম এবং আমি এখন NIT-এর একটি ল্যাবে আমার গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের জালে বগটুইকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত লালন শেখ, কোথায় ধরা পড়ল জানেন?

    এছাড়াও বর্তমানে টেসলাতে গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করছেন। যেখানে তাঁর দুই বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি (Aparup Roy) নাসাতে গবেষণা সহকারী হিসেবেও কাজ করেছেন।

    অপরূপ (Aparup Roy) আরও জানান যে ক্লাস সেভেন থেকেই তাঁর অনু-পরমাণুর প্রতি আগ্রহ ছিল। অপরূপ এখন JEE-র তে ভাল ফল করার জন্যে ইতিমধ্যেই কঠোর পরিশ্রম শুরু করেছেন। ভবিষ্যতে আইআইটি বম্বেতে পড়তে চান। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে অপরূপ ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস- এর দ্বারা সম্মানিত হন। অপরূপ দশম শ্রণিতে বোর্ডের পরীক্ষায় ৯৫ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন।

    এছাড়া গোবর থেকে মশা নিরোধক তৈরির বিষয়েও গবেষণা করেছেন অপরূপ (Aparup Roy)। তিনি বিশ্বাস করেন, বাজারে যেই মশা নিরোধকগুলি পাওয়া যায় সেগুলি নিরাপদ নয় এবং ত্বকে সংক্রমণ ঘটাতে পারে। তাই তিনি মশা তাড়ানোর জন্য নিজের ভেষজ বিকল্প তৈরি করার সিদ্ধান্ত নেন এবং একটি স্বীকৃত জার্নালে তা প্রকাশিতও হয়। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • G 20 Summit: জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, যোগ দেবেন মমতা?

    G 20 Summit: জি-২০ সম্মেলন নিয়ে সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র, যোগ দেবেন মমতা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছর ভারতে (India) হবে জি-২০ সম্মেলন (G 20 Summit)। এবার আয়োজক দেশ ভারত। এই সম্মেলন কীভাবে সফল করা যায়, তা নিয়ে সোমবার সর্বদলীয় বৈঠক ডাকল কেন্দ্র। আগামী বছর সেপ্টেম্বরে ওই সম্মেলন হওয়ার কথা। তার আগে সোমবার যে সর্বদলীয় বৈঠক (All Party Meet) হচ্ছে, তাতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে এ দেশের প্রায় চল্লিশটি রাজনৈতিক দলের সভাপতিদের। সর্ব দলীয় এই বৈঠক ডেকেছেন সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রী প্রহ্লাদ জোশী। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) স্বয়ং। বৈঠক হবে রাষ্ট্রপতি ভবনে। প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত থাকার কথা বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করেরও।

    জি ২০…

    চলতি বছরের নভেম্বরের ১৫ তারিখে জি ২০ সম্মেলনের আসর বসে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে। ওই সম্মেলনে যোগ দেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই সম্মেলনেই আগামী বছর জি ২০ সম্মেলনের আয়োজনের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় ভারতের হাতে। সেই মতো ডিসেম্বরের এক তারিখেই ভারত অফিসিয়ালি ওই দায়িত্ব নিয়েছে। গোটা দেশে বছরভর দুশোরও বেশি বৈঠক করবে নয়াদিল্লি। এর মধ্যে রয়েছে হায়দ্রাবাদও। চলতি বছর ডিসেম্বরেই শুরু হবে বৈঠক। আগামী বছরের সেপ্টেম্বর মাসে নয়াদিল্লিতে বসবে জি ২০ সম্মেলনের আসর। দু দিনের ওই সম্মেলন শুরু হবে ৯ তারিখে। দেশের বিভিন্ন অংশেই বৈঠক হবে জি ২০-র।

    আরও পড়ুন: ‘সারের কমতি মানে আগামী দিনে খাদ্যের ভাঁড়ারে টান’, জি ২০ সম্মেলনে বললেন মোদি

    সোমবার দিল্লিতে যে সর্বদলীয় বৈঠক হতে চলেছে, তাতে যোগ দেবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনই তাঁর দিল্লি পৌঁছানোর কথা। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি দিল্লির ওই বৈঠকে যোগ দিতে যাচ্ছি তৃণমূল কংগ্রেসের চেয়ারপার্সন হিসেবে, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নয়।

    প্রসঙ্গত, জি ২০-র (G 20 Summit) সদস্য দেশগুলি হল, আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চিন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইটালি, জাপান, রিপাবলিক অফ কোরিয়া, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুরস্ক, ব্রিটেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ইন্দোনেশিয়ার বালিতে যখন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতে আয়োজক দেশের দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়, তখন একে প্রতিটি ভারতীয়ের গর্বের মুহূর্ত বলে উল্লেখ করেছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Madras High Court: ধর্মান্তরিত হওয়ার পর কোনও সংরক্ষণ নেই, বড় সিদ্ধান্ত মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Madras High Court: ধর্মান্তরিত হওয়ার পর কোনও সংরক্ষণ নেই, বড় সিদ্ধান্ত মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাকরির পরীক্ষায় সংরক্ষণ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court)। মাদ্রাজ হাইকোর্ট থেকে জানানো হয়েছে, কেউ হিন্দু ধর্ম থেকে মুসলিম ধর্মে পরিবর্তন করলে তিনি জাতিগত সংরক্ষণের সুবিধা পাবেন না। কারণ মুসলিম ধর্মে কোনও জাতিগত বিভেদ নেই।

    মামলাটি কী?

    ওবিসি সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তি সম্প্রতি হিন্দু থেকে ধর্মান্তরিত হয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। তারপরেই তিনি সংরক্ষণের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন। সেই মামলায় শনিবার মাদ্রাজ হাইকোর্টে (Madras High Court) বিচারপতি জি আর স্বামীনাথনের নেতৃত্বে বেঞ্চ জানিয়ে দেন, একজন হিন্দু যখন ধর্মান্তরিত হয়ে মুসলমান হন তখন তিনি সরকারি চাকরিতে সংরক্ষণের দাবি করতে পারেন না। কারণ ইসলামে কোনও জাতিগত বিভেদ নেই।

    ওই আবেদনকারী আদালতে জানান, তিনি এবং তাঁর পরিবার সর্বাধিক অনগ্রসর শ্রেণীর (এমবিসি) হিন্দু ছিলেন। ২০০৮ সালের মে মাসে, আবেদনকারী এবং তাঁর পরিবার ইসলাম গ্রহণ করেন। আবেদনকারী ২০১৮ সালে তামিলনাড়ু কম্বাইনড সিভিল সার্ভিসের পরীক্ষা দিয়েছিলেন। কিন্তু তিনি পাশ করতে পারেননি। পরে খোঁজ নিতে গিয়ে আরটিআই করে জানতে পারেন, TNPSC তাঁকে একজন অনগ্রসর শ্রেণীর মুসলিম আবেদনকারীর পরিবর্তে একজন সাধারণ-শ্রেণির (জেনারেল) আবেদনকারী হিসাবে বিবেচনা করে। ফলে তাঁর আবেদন ছিল, তাঁকে যেন মুসলিম ওবিসি হিসেবে গণ্য করা হয়।

    বিচারপতি কী বললেন? 

    বিচারপতি স্বামীনাথন সুপ্রিম কোর্টের একাধিক রায়ের উদ্ধৃতি দিয়ে পর্যবেক্ষণ করেছেন যে, একবার একজন হিন্দু ধর্ম নিয়ে জন্মগ্রহণকারী ব্যক্তি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়ে গেলে তা বর্ণ প্রথাকে অনুসরণ করে না বা স্বীকৃতি দেয় না। সেই ধর্মান্তরিত ব্যক্তি আর সেই বর্ণের অন্তর্গত হবেন না, যা নিয়ে তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।

    হাইকোর্ট (Madras High Court) আরও বলেছে যে, একজন ব্যক্তি যিনি অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন তিনি সম্প্রদায় সংরক্ষণের যোগ্য কিনা তা সুপ্রিম কোর্টের একটি বিষয়। ফলে হাইকোর্টের পক্ষে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যথাযথ হবে না। TNPSC-এর সিদ্ধান্ত তাই আদালত বহাল রেখেছিল, যা হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করেছিল এবং বলেছিল যে কমিশনের সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল।

    কৈলাশ সোনকার বনাম মায়া দেবী মামলার কথাও উল্লেখ করে বেঞ্চের (Madras High Court) তরফে বলা হয়, একজন হিন্দুর জাতি তৈরি হয় তার জন্মের উপরে নির্ভর করে। কেউ যদি হিন্দু থেকে খ্রিষ্টান বা মুসলিম হন তাহলে তাঁর সেই জাতি আর থাকল না, কারণ এই দুই ধর্মে জাতপাতের কোনও জায়গা নেই।

  • Agniveer: ভারতীয় নৌসেনার সমস্ত শাখায় মেয়েরা! অগ্নিবীর প্রকল্পে প্রথমেই ৩৪১ জন মহিলা নিয়োগ

    Agniveer: ভারতীয় নৌসেনার সমস্ত শাখায় মেয়েরা! অগ্নিবীর প্রকল্পে প্রথমেই ৩৪১ জন মহিলা নিয়োগ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগের প্রথম ব্যাচে ভারতীয় নৌসেনায় (indian navy) যোগ দিলেন ৩৪১ জন মহিলা। এই ব্যাচে মোট ৩ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগ করেছে নৌসেনা। রবিবার নৌসেনা দিবসের আগে শনিবার সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানিয়েছেন নৌবাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার। পরবর্তী পর্যায়ে ভারতীয় নৌসেনায় অগ্নিবীর প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    কী বললেন নৌসেনা প্রধান

    আগামী বছর থেকে মহিলাদের জন্য নৌবাহিনীর সমস্ত পদই খুলে দেওয়া হবে এবং এই প্রথমবার নাবিক পদে মহিলাদের নিয়োগ করা হবে জানিয়ে অ্যাডমিরাল হরি কুমার বলেন, “আমরা ৩৪১ মহিলা অগ্নিবীর নিযুক্ত করেছি। শারীরিক সক্ষমতা সহ বিভিন্ন পরীক্ষার মধ্য দিয়ে তাঁদের নিয়োগ করা হয়েছে। সমস্ত দিক বিবেচনা করেই জাহাজ, যুদ্ধজাহাজের নাবিক পদে মহিলা নিয়োগ করা হবে। তাঁদের সবকিছুর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।” তিনি বলেন, “এটা আমাদের জন্য যুগান্তকারী ঘটনা। কারণ আমরা গত ১৬-১৭ বছর ধরে মহিলা অফিসার নিয়োগ করলেও এই প্রথম মহিলা নাবিকদের নিয়োগ দিলাম। এরপরেই নৌসেনা প্রধান জানান, আগামী বছর থেকে নৌসেনার সমস্ত বিভাগে মহিলাদের নিয়োগ করা হবে। অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার বলেন, “বর্তমানে মাত্র সাত-আটটি শাখায় নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকে মহিলাদের। আগামী বছর অফিসার-সহ সমস্ত বিভাগ মহিলাদের জন্য খুলে দেওয়া হবে।”

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্প আরও অনেক আগে হওয়া উচিত ছিল, বললেন নৌসেনা প্রধান

     সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, অর্ডিন্যান্স, ইলেকট্রিক্যাল নেভাল এয়ার মেকানিকস, কমিউনিকেশনস (অপারেশনস) এবং কমিউনিকেশনস (ইলেক্ট্রনিক্স ওয়ারফেয়ার)-এ মহিলাদের নিয়োগ করা হচ্ছে। নৌ গোলন্দাজ বাহিনীতেও নিয়োগ করা হচ্ছে মহিলাদের।প্রসঙ্গত, অগ্নিবীর প্রথম ব্যাচে মহিলাদের নিয়োগের জন্য গত ১ জুলাই থেকে আবেদনপত্র গ্রহণ শুরু করেছিল নৌসেনা। তারই ভিত্তিতে এই নিয়োগ হয়েছে। এর আগে নৌসেনা জানিয়েছিল,অগ্নিবীরদের মধ্যে অন্তত ১০ শতাংশ মহিলা নিয়োগের লক্ষ্য রয়েছে। সেই মোতাবেকই নৌসেনায় ৩০০০ জন অগ্নিবীরের মধ্যে ৩০০-র বেশি মহিলা নিয়োগ করা হল। 

    এদিন অ্যাডমিরাল আর. হরি কুমার দাবি করেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত নৌসেনায় ‘আত্মনির্ভর হবে’। প্রয়োজনীয় অস্ত্র, সরঞ্জাম উৎপাদনের ক্ষেত্রে স্বনির্ভরতা অর্জন করতে সক্ষম হবে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনা জাহাজের গতিবিধি সম্প্রতি স্যাটেলাইটের ছবিতে ধরা পড়েছে। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্রীয় সরকার সহ গোটা দেশ। তবে সেদিকে কড়া নজর রাখা হয়েছে জানিয়ে নৌপ্রধান হরি কুমার বলেন, “আমাদের কাজ হল, ভারতের সামুদ্রিক স্বার্থ রক্ষা করা এবং ভারতীয় স্বার্থের বিরুদ্ধে যাতে এমন কিছু না হয়, সেটা দেখা।”

  • Bharat Sevashram Sangha: প্রয়াত ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সহ সভাপতি স্বামী হিরন্ময়ানন্দজি মহারাজ

    Bharat Sevashram Sangha: প্রয়াত ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সহ সভাপতি স্বামী হিরন্ময়ানন্দজি মহারাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলে গেলেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের (Bharat Sevashram Sangha) সহ সভাপতি স্বামী হিরন্ময়ানন্দজি মহারাজ। দীর্ঘদিন ধরে রোগ-ভোগের পর ৯৪ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। কলকাতার এক নামী বেসরকারি হাসপাতালে শুক্রবার গভীর রাতে তিনি প্রয়াত হন৷ ১৯৫৪ সালে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘে যোগ দেন স্বামী হিরন্ময়ানন্দ।

    আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, সরকারি চাকরিতে মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ, হিমাচলে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি নাড্ডার

    শেষ শ্রদ্ধা

    স্বামী হিরন্ময়ানন্দজি মহারাজ নিজেকে পুরোপুরি ভাবে নিযুক্ত করেছিলেন সেবামূলক কাজে। উত্তরবঙ্গে জনজাতি সমাজে উন্নয়ন ও শিক্ষা বিস্তারে তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে। সঙ্ঘের (Bharat Sevashram Sangha) প্রধান কার্যালয় কলকাতার বালিগঞ্জে। তিনি সঙ্ঘের সহ-সভাপতি পদে অভিষিক্ত হন ২০১২ সালে। দীর্ঘ দিন ধরেই সঙ্ঘ পরিচালিত সেবামূলক কাজে নিবেদিত ছিলেন । ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের তরফে দীর্ঘ সময় তিনি উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের দায়িত্বে ছিলেন। মিষ্টভাষী এবং সঙ্গীতানুরাগী স্বামী হিরন্ময়ানন্দজী মহারাজ প্রখ্যাত ছিলেন তাঁর বাগ্মিতা এবং রচনার জন্যও। তাঁর উদ্যোগে বহু জায়গায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে শাখা আশ্রম এবং মন্দির।প্রয়াত সঙ্ঘ সহ সভাপতির মরদেহে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বালিগঞ্জে ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের প্রধান কার্যালয়ে রাখা ছিল। শনিবার বিকেল ৪টে নাগাদ কেওড়াতলা মহাশ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। 

    আরও পড়ুন: ‘সবাই একটাই বিয়ে করবে’, অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে কমিটি গড়ে বললেন চৌহান

    আচার্য শ্রীমত স্বামী প্রণবানন্দজী মহারাজ ১৯১৭ সালে প্রতিষ্ঠা করেন ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের(Bharat Sevashram Sangha)। ভারত সহ বহু দেশেই রয়েছে সঙ্ঘের শাখা। যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, গায়ানা, ত্রিনিদাদ ও টোবাগো, কানাডা, ফিজি এবং বাংলাদেশ সহ প্রায় একশো আশ্রম রয়েছে । স্বামী হিরন্ময়ানন্দের অগণিত ভক্ত রয়েছে। এদিন তাঁরা সকাল থেকেই হিরন্ময়ানন্দকে শ্রদ্ধা জানান। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া ভক্তদের মধ্যেয 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Brain Mapping: ব্রেন ম্যাপিং করা হতে পারে আফতাব পুনাওয়ালার, কী এই পরীক্ষা?

    Brain Mapping: ব্রেন ম্যাপিং করা হতে পারে আফতাব পুনাওয়ালার, কী এই পরীক্ষা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পলিগ্রাফ, নারকো টেস্টের পর এবার শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা মামলায় অভিযুক্ত আফতাব পুনাওয়ালার ব্রেন ম্যাপিং (Brain Mapping) করতে পারে দিল্লি পুলিশ। ব্রেন ম্যাপিং- এর ফলে ব্রেনের পরিস্কার ছবি পাবেন বিশেষজ্ঞরা। ব্রেনের বিভিন্ন অংশের ছবি তুলে ধরবে এই বিশেষ পদ্ধতি। যা পরবর্তীতে তদন্তে সাহায্য করবে। 

    কী পদ্ধতিতে হবে এই পরীক্ষা?

    অভিযুক্ত, যার ওপর এই ব্রেন ম্যাপিং (Brain Mapping) পরীক্ষা হবে, তাকে প্রথমে বেশ কিছু প্রশ্ন করা হবে। এটা বোঝার চেষ্টা করা হবে, যে তিনি কিছু লুকোতে চাইছেন কী না। বিশেষ কিছু বিষয়ে কথা বলতে দিয়ে বিশেষজ্ঞরা মস্তিষ্কের বিশেষ কিছু জায়গাকে সক্রিয় করার চেষ্টা করবেন, যেই জায়গাগুলি স্মৃতির জন্যে দায়ী। কিছু শব্দের তালিকা দেওয়া হয়ে থাকে অভিযুক্তকে। 

    এই ক্ষেত্রে (Brain Mapping) তিন ধরনের শব্দ দেওয়া হয়ে থাকে। প্রথমত অর্থহীন কিছু শব্দবন্ধ, যার সঙ্গে মামলার কোনও সম্পর্ক থাকে না। দ্বিতীয় ক্ষেত্রে এমন কিছু শব্দ দেওয়া হয়, যার সঙ্গে মামলার সরাসরি যোগ রয়েছে। তৃতীয় ক্ষেত্রে এমন কিছু শব্দ দেওয়া হয়, যা অত্যন্ত গোপনীয় তথ্য। যার বিষয়ে অভিযুক্ত কিছুই জানেন না। 

    অভিযুক্তকে প্রথমে বসতে বলা হয় এবং চোখ বন্ধ করতে বলা হয়। এবার এই তিনধরনের শব্দ থেকে যখন-তখন যেকোনও শব্দ বলা হয়। ৩২ চ্যানেলের ইলেক্ট্রোড সরাসরি খুলির ওপর লাগানো থাকে। অভিযুক্তকে শব্দগুলি মন দিয়ে শুনতে বলা হয়। এই পরীক্ষায় অভিযুক্তের কোন মৌখিক প্রতিক্রিয়ার প্রয়োজন নেই। তাঁর মস্তিষ্ক কী প্রতিক্রিয়া (Brain Mapping) দিচ্ছে সেটাই দেখা হয়। মস্তিষ্কের কোন অংশ কীভাবে প্রতিক্রিয়া দিচ্ছে সেটাই মূলত দেখা হয় এই পরীক্ষায়। তার ভিত্তিতেই রিপোর্ট তৈরি করেন বিশেষজ্ঞরা। 

    এই পরীক্ষার ক্ষেত্রে কী আইন রয়েছে? 

    ভারতীয় শীর্ষ আদালতের নির্দেশ অনুসারে কোনও ব্যক্তির অনুমতি ছাড়া তাঁর ওপর ব্রেন ম্যাপিং (Brain Mapping) , পলিগ্রাফ বা নারকো টেস্ট করা যাবে না। বিশেষ ক্ষেত্র ছাড়া এই পরীক্ষা থেকে প্রাপ্ত রিপোর্ট মূল প্রমাণ হিসেবেও গ্রাহ্য হবে না।

    আরও পড়ুন: ‘রাগের বশে শ্রদ্ধাকে খুন করেছিলাম…’ আদালতে জানাল ‘কিলার’ আফতাব

    যত দিন যাচ্ছে, শ্রদ্ধা খুনের মামলায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসছে। এই হত্যাকাণ্ড ঘিরে জোরকদমে চলছে পুলিশি তদন্ত (Brain Mapping) । এরই মাঝে শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত আফতাব আদালতে স্বীকার করে নিয়েছে যে, সেই তার লিভ-ইন পার্টনার শ্রদ্ধাকে খুন করেছে। আফতাব আদালতে জানায়, যা হয়েছে, রাগের বশে হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, শ্রদ্ধাকে খুন করে তাঁর দেহ টুকরো টুকরো করে মেহুরুলির জঙ্গলে ছড়িয়ে দিয়ে এসেছিল বলে পুলিশকে জানিয়েছিল আফতাব। দিল্লি পুলিশ তাঁর সেই স্বীকারোক্তির (Brain Mapping) উপর ভিত্তি করে ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট জঙ্গলে তিন বার তল্লাশি চালায়। আর এরই মধ্যে জঙ্গল থেকে উদ্ধার করা হয়েছে মৃতদেহের খুলির একাংশ, কাটা কব্জি, হাঁটুর অংশ। পুলিশ সূত্রে খবর, দেহাংশগুলি ডিএনএ পরীক্ষার জন্যে পাঠানো হয়েছে। শ্রদ্ধা হত্যাকাণ্ড নিয়ে তোলপাড় গোটা দেশ। ফলে পরবর্তীতে দিল্লি পুলিশের হাতে  আর কী কী তথ্য উঠে আসে সেটাই এখন দেখার।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Suvendu Adhikari: ‘ডিসেম্বরে লাড্ডু নিয়ে আসব’, ডায়মন্ড হারবারের সভায় কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ‘ডিসেম্বরে লাড্ডু নিয়ে আসব’, ডায়মন্ড হারবারের সভায় কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক গড় ডায়মন্ড হারবারের সভা থেকে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেই সভা থেকেই শুভেন্দু বলেন, “ডিসেম্বরে ফের আসব। সঙ্গে হাতে করে লাড্ডু নিয়ে আসব।” তবে ঠিক কেন এই মিষ্টিমুখ তা পরিস্কার করেননি বিজেপি নেতা। 

    কী বলেছেন শুভেন্দু? 

    এদিন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “আমাদের এই সভাতেও ওরা বাধা দিতে চেয়েছিল। আমরা একটা ছোট প্যান্ডেলে সভা করেছি। এখানে মঞ্চ বাঁধা শুরু হওয়ার পর রাত ৯টার দিকে এখানকার এক কাউন্সিলরের বাহিনী এখানে ঢুকেছিল। ওদের আতঙ্কের নাম শুভেন্দু। তারা প্রথমে এসে যা করার করে দিল। পরে আরেক বাহিনী এল। তারা সব খুলে দিয়ে চলে গেল। আমাদের নেতা-কর্মীরা ছিলেন। আমি বলেছি আপনারা কেউ ঝগড়াতে জড়াবেন না। সবার মাথায় হাত প্যান্ডেল কী করে হবে। আমি রাত ১১টায় ফোন করলাম হাওড়ার এক ডেকরেটরকে। উনি বললেন আমি বিজেপির লোক, অবশ্যই সাহায্য করব। আমি বলেছিলাম, মাইক-জেনারেটর সব নিয়ে গেছে। উনি এসে প্যান্ডেল করে দিয়েছেন। ২০০-র বেশি গাড়ি আটকানো হয়েছে। ২০ হাজার কর্মীকে আটকানো হয়েছে। ১০০ গাড়ি ভাঙা হয়েছে। আমাদের সঙ্গে সিকিউরিটি আছে। কিন্তু আপনাদের সুস্থ হয়ে ফিরতে হবে। কারণ, আগামী দিনে অনেক বড় লড়াই অপেক্ষা করছে।” 

    এদিনের সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, “২০১৪, ২০১৬ সাল পর্যন্ত এখানে ভোট হত। কিন্তু ২০১৮ সালে এখানে ভোট করতে দেওয়া হয়নি। গত এক মাসে ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে কেন্দ্র। তার পরে বলছে কেন্দ্রীয় বঞ্চনা।”

    আরও পড়ুন: ‘বোমা বাঁধছিলেন তৃণমূল নেতা’, ভূপতিনগরের ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি শুভেন্দুর

    ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে নিশানা দেগে বলেন (Suvendu Adhikari), “এখানকার সাংসদ সর্বভুক। কয়লা খান, বালি খান, গরু খান, স্কুলের ইউনিফর্ম খান, মদের বোতল খান। ৫৮ হাজার বেআইনি চাকরি দিয়ে সেখান থেকেও খেয়েছেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

LinkedIn
Share