Blog

  • Yashwant Sinha: দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধব, তোপ যশবন্তের

    Yashwant Sinha: দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধব, তোপ যশবন্তের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনডিএ (NDA) রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmu) সমর্থন করতে বাধ্য হয়েছেন উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Polls) প্রাক্কালে এমনই দাবি করলেন বিজেপি (BJP) বিরোধী দলগুলির রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত সিনহা। বিজেপি শাসিত আসামের গুয়াহাটিতে এদিন প্রচারে গিয়েছিলেন যশবন্ত। সেখানেই তিনি বলেন, আমি কোনও রাজনৈতিক দলের বিরুদ্ধে লড়ছি না, লড়ছি কেন্দ্রীয় সরকারের শক্তির বিরুদ্ধে।

    ১৮ জুলাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। এনডিএ-র তরফে রাষ্ট্রপতি পদে নাম ঘোষণা করা হয় বিজেপির দ্রৌপদীর। তিনি যাতে সর্বসম্মতভাবে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে পারেন, সেজন্য বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের কাছে আবেদন করেছিলেন গেরুয়া শিবিরের ভোট ম্যানেজারেররা। তার পরেও তৃণমূলের প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহাকে প্রার্থী ঘোষণা করেন বিরোধীরা। এর পরেই ভোট চাইতে বিভিন্ন রাজ্যে যান দ্রৌপদী এবং যশবন্ত। এদিন যশবন্ত ছিলেন গুয়াহাটিতে।

    আরও পড়ুন : দলীয় সাংসদদের চাপে বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মুকেই সমর্থন করছে শিবসেনা?

    সম্প্রতি শিবসেনা সাংসদের নিয়ে মাতোশ্রীতে বৈঠকে বসেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। সূত্রের খবর, সেখানেই সাংসদদের সিংহভাগ রাষ্ট্রপতি পদে এনডিএ প্রার্থী বিজেপির দ্রৌপদীকে সমর্থনের ব্যাপারে সওয়াল করেন। সাংসদদের চাপের মুখে পড়ে দ্রৌপদীকে সমর্থনে কথা জানান উদ্ধব। যদিও তাঁর দাবি, দ্রৌপদীকে সমর্থনের বিষয়ে কোনও চাপ ছিল না। সংবাদ মাধ্যমকে উদ্ধব বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিবেশে আমার তাঁকে সমর্থন করা উচিত ছিল না, তবে আমরা সংকীর্ণ মনের নই। রাজনৈতিক মহলের মতে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে ফের যাতে শিবসেনায় বিভাজন সৃষ্টি না হয়, সেজন্যই উদ্ধবের এই কৌশলী চাল!

    আরও পড়ুন : শিবসেনার তির-ধনুক প্রতীক কেউ কেড়ে নিতে পারবেন না, সাফ জানালেন উদ্ধব

    এদিন কেন্দ্রীয় সরকারকে একহাত নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি পদপ্রার্থী যশবন্ত। বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে কেন্দ্র বিরোধীদের দুর্বল করতে চাইছে। একাজে অপব্যবহার করা হচ্ছে ইডিকে। কেন্দ্রীয় এজেন্সিগুলিকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক নির্বাচিত সরকারকে ফেলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে  কেন্দ্র বিরোধীদের মধ্যে ভাঙন ধরানোর চেষ্ট করছে। যশবন্ত বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে সমর্থন করছেন। আম আদমি পার্টির সমর্থনও পাব। তেলঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতিও আমাকে সমর্থন করবে। বিরোধী শিবিরের মধ্যে কেবল শিবসেনাই সমর্থন করছে দ্রৌপদীকে।

     

  • Fraudsters in Hyderabad: বিদ্যুৎ বিল বাকি, মিটিয়ে দেব! সাবধান, হায়দ্রাবাদে সক্রিয় জালিয়াতরা

    Fraudsters in Hyderabad: বিদ্যুৎ বিল বাকি, মিটিয়ে দেব! সাবধান, হায়দ্রাবাদে সক্রিয় জালিয়াতরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন আর শুধু ব্যাঙ্ক কর্মী নয় এবার বিদ্যুৎ বোর্ডের (Electricity Board) কর্মচারী হিসেবেও ফোন করছে জালিয়াতেরা (Fraudsters)। প্রতারকরা বিদ্যুৎ বোর্ডের কর্মচারী হিসাবে গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করছে এবং বকেয়া বিল (power bills)পরিশোধের অজুহাতে তাদের প্রতারণা করছে। হায়দ্রাবাদে (Hyderabad) সম্প্রতি এরকম কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। এ নিয়ে শহরের সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টে (Cyber Crime Department) অভিযোগও জমা পড়েছে। 

    পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতারকরা প্রথমে ফোন করে বয়স্ক বা একটু অনভিজ্ঞ ব্যক্তিদের মানসিকভাবে দুর্বল করে দেয়। তাঁরা তাঁদের টার্গেট ব্যক্তিকে মোবাইল ফোনে এসএমএস বা হোয়াটসঅ্যাপ করে। এরপর তাঁদেরকে ফোন করে নিজেদের বিদ্যুৎ বোর্ডের হিসেবে পরিচয় দেয়। তারা জানায়, গ্রাহক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করেননি। বকেয়া টাকা না মেটালে একদিন পরে বা সেই রাতেই  তাঁদের বাড়ি থেকে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করা হবে। হঠাতই বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে সমস্যায় পড়তে হবে। ব্যহত হবে দৈনন্দিন জীবনযাত্রা। তাই চিন্তায় পড়ে যান গ্রাহক। মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন তাঁরা। কী করতে হবে তা জানতে চান। কোনওকিছু না ভেবে দ্রুত প্রতারকদের দেখানো পথেই চলেন তাঁরা। একবার যাচাইও করেন না, যে কথাটি সত্য না মিথ্যা। এরপর গ্রাহকদের কাছে একটি লিঙ্ক পাঠায় জালিয়াতরা। গ্রাহককে একটি কুইক সাপোর্ট অ্যাপ ডাউনলোড করতে বলা হয়। এরপর ওই অ্যাপে তারা গ্রাহককে ৩০ টাকা বা ৫০ টাকা লেনদেন করতে বলে। লেনদেন সম্পন্ন হলে তারা গ্রাহককে অপেক্ষা করতে বলে। বলা হয়, কিছুক্ষণ পরেই তারা এ প্রসঙ্গে সম্পূর্ণ তথ্য দিয়ে আবার কল করবেন। যদিও আর ফোন আসে না। গ্রাহকেরা অপেক্ষা করতে থাকেন। এই সময়ের মধ্যেই গ্রাহকের অ্যাকাউন্ট ডিটেইলস নিয়ে তাঁর অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে প্রতারকেরা। অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তুলে নেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: সারনাথের স্তম্ভের সঙ্গে নয়া স্তম্ভের মিল ৯৯ শতাংশ! পার্থক্য সামান্য, দাবি নির্মাণশিল্পীদের

    সম্প্রতি হায়দ্রাবাদে এভাবেই এক ব্যক্তি সাড়ে আট লক্ষ টাকা এবং একজন দেড় লক্ষ টাকা হারিয়েছেন, বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অতএব ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের বিবরণ থেকে কিউআর কোড এখন ইলেকট্রিক বিল পরিষেবা দেওয়ার নামে প্রতারণা চক্র ফেঁদেছেন কয়েকজন অসাধু ব্যক্তি, তাই সকলকে পুলিশের তরফে সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। শুধু হায়দ্রাবাদ নয় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে, তাই এ বিষয়ে সকলকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

  • Draupadi Murmu: দার্জিলিংয়ে হঠাৎ বৈঠকে মমতা-হিমন্ত! বিষয় কি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?

    Draupadi Murmu: দার্জিলিংয়ে হঠাৎ বৈঠকে মমতা-হিমন্ত! বিষয় কি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ এক দিনের ঝটিকা সফরে দার্জিলিংয়ে আসছেন আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। দার্জিলিংয়ে আগেই পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার সাড়ে ১২টা নাগাদ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ও (Jagdeep Dhankhar) পৌঁছেছেন দার্জিলিং রাজভবনে। জল্পনা তুঙ্গে, তা হলে দার্জিলিংয়ে এত কাণ্ড কেন?

    সূত্রের খবর, আজ কিছুক্ষণের মধ্যেই মমতা-হিমন্ত বৈঠক হতে পারে। তারপরেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে তৃণমূল কংগ্রেস ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলে চলছে জোর চর্চা। জনজাতি মহিলা প্রার্থী দ্রৌপদীদেবী কলকাতায় এসে প্রচারে রাজ্যের ২৯৪ বিধায়ক এবং ৪২ লোকসভা এবং ১৬ রাজ্যসভা সাংসদের ভোট পাওয়ার আশা করেছিলেন। পরের দিনই হিমন্তের মমতা দর্শন রাজনৈতিক কৌতূহল বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী চান সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে জিতুন সমাজের পিছিয়ে পড়া অংশের এই মহিলা মুখ। এনডিএ নেতারা সেই কারণেই সব দলকেই ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মহারাষ্ট্রের সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেও ঘোষণা করেছেন, শিবসেনা দ্রৌপদীদেবীকেই ভোট দেবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ সমর্থন চেয়ে উদ্ধবকে ফোনও করেছিলেন।

    আরও পড়ুন : দলীয় সাংসদদের চাপে বিজেপির দ্রৌপদী মুর্মুকেই সমর্থন করছে শিবসেনা?

    মমতাকে ফোন করে সমর্থন চান দ্রৌপদীদেবী স্বয়ং। রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এবং বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যুগ্মভাবে চিঠি দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে ভোট প্রার্থনা করেছেন। তারপরেই মমতা জানান, আগে এনডিএ প্রার্থীর কথা জানলে তিনি বিরোধী প্রার্থীকে সমর্থন দিতেন না। ঘটনাচক্রে যশবন্ত সিংহ তৃণমূলেরই সহ-সভাপতি ছিলেন। অনেকের মতে, দ্রৌপদী মুর্মুর প্রার্থী হওয়ায়  সারা দেশে জনজাতি সমাজে বিজেপির পক্ষে হাওয়া উঠেছে। মমতা তা বিলক্ষণ বোঝেন। তাই দ্রৌপদীদেবীর প্রতি প্রচ্ছন্ন সমর্থনের কথা বলে আসলে সেই আদিবাসী সমাজকেই বার্তা দিতে চেয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন : খ্যাতির বিড়ম্বনা! দ্রৌপদী মুর্মুর নামে ভুয়ো অ্যাকাউন্টে ছেয়ে গেছে ট্যুইটার

    এর মধ্যেই হিমন্ত বিশ্বশর্মাকে দূত হিসাবে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে এনডিএ। তাঁর একটাই অনুরোধ, দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের এমন ঐতিহাসিক সময়ে একজন আদিবাসী প্রার্থীকে ভোট না দেওয়ার ভুল যেন তৃণমূল না করে। দেশের বাকি বিরোধী দলগুলির কাছে শেষ দুদিন দূত পাঠিয়ে একই অনুরোধ জানাবে বিজেপি। অনুরোধ মেনে দ্রৌপদীদেবীকে ভোট দিলে উনি রেকর্ড ভোটে জিতে রাষ্ট্রপতি পদে বসবেন। তৃণমূল ভোট না দিলে বিজেপি প্রচার করবে আদিবাসী মহিলাকে রাষ্ট্রপতি পদে চায়নি তৃণমূল।এমন আবহে আর কিছুক্ষণের মধ্যেই হতে চলেছে মমতা-হিমন্তের নজরকাড়া বৈঠক।

    রাজ্যের বিধায়কদের আবেদন জানিয়ে চিঠি দিয়েছিলেন সুকান্ত-শুভেন্দু জুটি। মমতার কাছে নম্বর বাড়াতে ফিরহাদ হাকিম এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় তা গ্রহণ করেই প্রত্যাখ্যান করেছিলেন। মমতা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে নতুন কি অবস্থান নেবেন, তাতে ফিরহাদ- নয়নাকে আফশোস করতে হবে কি না, তা সময়ই বলবে।

     

  • Vice President Election 2022:  উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়

    Vice President Election 2022: উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপির বাজি বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়

    উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী নির্বাচনে বিজেপির মেজর ট্যুইস্ট। উপরাষ্ট্রপতি পদে বিজেপি প্রার্থী হচ্ছেন বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। শনিবার বিজেপির সংসদীয় কমিটির বৈঠকের শেষে সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একথা ঘোষণা করে বলেন, “ধনখড় একজন কিষাণ পুত্র এবং জনগণের রাজ্যপাল।”

    বিজেপির কেন্দ্রীয় দফতরে এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ, নীতিন গডকরি, রাজনাথ সিং ও বিজেপি সাধারণ সম্পাদক বি এল সন্তোষ। 

    বাংলার মানুষ জগদীপ ধনখড়কে একজন সতর্ক রাজ্যপাল হিসেবে চিনলেও, দীর্ঘ তিরিশ বছরের রাজনৈতিক জীবন জগদীপ ধনখড়ের। প্রথমবার ১৯৮৯ সালে রাজস্থানের ঝুনঝুনু থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন এই কিষান পুত্র। ঝুনঝুনু সংসদীয় কেন্দ্রে মূলত জাঠরা সংখ্যাগরিষ্ঠ।  এই আসন থেকে চিরকালই জাঠ কৃষক পরিবারের প্রার্থীরাই জিতে এসেছেন সংসদে। 

    গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে বৈঠকের পর আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে বৈঠকের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয়ে গেছিল কানাঘুষো রাজ্যে। তাহলে কি রাজ্যের সরকারের বিরুদ্ধে নালিশ জানাতেই দিল্লি গেছেন রাজ্যপাল? কিন্তু বিজেপির পক্ষ থেকে ধনখড়কে উপরাষ্ট্রপতি বেছে নেওয়ার চাল বুঝতে পারেনি কেউই। 

    বাংলার রাজ্যপাল হিসেবে নিয়মিত রাজ্যের মানুষের বার্তা উঠে এসেছে  জগদীপ ধনখড়ের ট্যুইট বার্তায় বক্তব্যে। বিতর্কিত রাজ্যপাল হিসেবে যতবার রাজ্যের শাসকদল জগদীপ ধনখড়কে ঘিরতে চেয়েছেন, ততবারই তাঁর আইনি বক্তব্যের সামনে শাসকদলকে থামতে হয়েছে। বোধহয় দেশের সবচেয়ে সক্রিয় রাজ্যপাল হিসেবে সংবাদ মাধ্যমের শিরোনামেই থাকতেন জগদীপ ধনখড়।

    কিন্তু কেন জগদীপ ধনখড়কে বেছে নিল বিজেপি? 

    এই প্রশ্নের উত্তর প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই জানিয়েছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। দুটি বিশেষণ ব্যবহার করেছেন তিনি। ‘কিষাণ পুত্র’ ও ‘জনগণের রাজ্যপাল’। প্রশ্নের দ্বিতীয় ভাগে রয়েছে আরও গভীর রাজনৈতিক সমীকরণ। দীর্ঘদিন বাদে একজন জাঠ নেতাকে উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে দেখবে দেশ। রাজধানীতে কিষাণ আন্দোলনে ক্ষুব্ধ কৃষক সমাজের ক্ষতে উপশম দিতেই কি বেছে নেওয়া হল ‘কিষাণ পুত্র’ জগদীপ ধনখড়কে? দ্বিতীয় যে প্রসঙ্গ সামনে আসছে তা হল দিল্লিতে কৃষক বিক্ষোভের নেতৃত্বে ছিলেন জাঠেরা। সেই জাঠ পরিবারের একজনকে উপরাষ্ট্রপতি পদের জন্য এনডিএ প্রতিনিধি বেছে নিয়ে দ্বিতীয় মাস্টার স্ট্রোক বিজেপির। 

    কেন এই মাস্টার স্ট্রোক?

    দেশের জাঠ অধ্যুষিত এলাকায় আগামী দিনে নির্বাচনের মুখোমুখি হতে হবে বিজেপি আর এনডিএ-কে। ২০২২ থেকে ২০২৪-এর মধ্যে চার বড় রাজ্য,হরিয়ানা (২০২৪), রাজস্থান (২০২৩), গুজরাট (২০২২), মধ্যপ্রদেশে (২০২৩) বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে জাঠ প্রতিনিধি বেছে নিয়ে বিজেপির বার্তা, পাশে থাকার। ইতিমধ্যেই কৃষকের মন পেতে একাধিক ঘোষণা করেছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার তাঁদের প্রতিনিধিকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে বেছে নিয়ে আরেক মাস্টার স্ট্রোক দিলেন মোদি-শাহ জুটি। উপরাষ্ট্রপতি হলে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান হিসেবেও কাজ করতে পারবেন দক্ষ আইনজীবী জগদীপ ধনখড়।

  • Vice President Election: কে হবেন উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী? শনিবার বৈঠকে বিজেপি 

    Vice President Election: কে হবেন উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী? শনিবার বৈঠকে বিজেপি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উপরাষ্ট্রপতি (Vice President) প্রার্থী কে হবেন, তা নির্ধারণ করার জন্যে শনিবার সংসদীয় বোর্ডের বৈঠক ডেকেছে বিজেপি (BJP)। বিজেপির দেওয়া প্রার্থীই যে উপরাষ্ট্রপতি হবেন সে বিষয়ে একপ্রকার নিশ্চিত রাজনৈতিক মহল। কারণ নির্বাচনী কলেজে বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠ।

    আরও পড়ুন: পাঁচ বছরের মেয়াদে রাষ্ট্রপতি কোবিন্দ আটকে দিয়েছেন রাজ্যের ৩ বিল, স্বাক্ষর করেছেন ১৫৯টিতে 
     
    বিজেপি সূত্রে জানানো হয়েছে, বিরোধী দলগুলির কাছ থেকেও তাদের মনোনীত প্রার্থীর জন্যে সমর্থন চাওয়া হবে। যদিও বিরোধীরাও যে প্রার্থী দেবে সে বিষয়েও নিশ্চিত বিজেপি। 

    সংসদীয় বোর্ড হল বিজেপির সর্বোচ্চ সাংগঠনিক সংস্থা। এর সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অমিত শাহ, রাজনাথ সিং, নীতিন গড়করি ছাড়াও দলের সভাপতি জে পি নাড্ডা। নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ১৯ জুলাই এবং ৬ আগস্ট নির্বাচন হওয়ার কথা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি পাক চরকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন! বিস্ফোরক দাবি

    পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করবে নির্বাচনী কলেজ। লোকসভা এবং রাজ্যসভার সদস্যদের নিয়ে গঠিত নির্বাচনী কলেজ। এই ৭৮০ জন সাংসদই নির্বাচন করবেন ভারতের পরবর্তী উপরাষ্ট্রপতি। উপরাষ্ট্রপতিই হবেন রাজ্যসভার অধ্যক্ষ। সংসদে এই মুহূর্তে বিজেপির ৩৯৪ জন সাংসদ রয়েছেন। ম্যাজিক ফিগার ৩৯০- এর থেকেও বেশি। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি এম ভেঙ্কাইয়া নাইডুর মেয়াদ ১০ আগস্ট শেষ হচ্ছে৷    

    ইতিমধ্যেই ওড়িশার সাঁওতাল সম্প্রদায়ের দ্রৌপদী মুর্মুকে (Droupadi Murmu) রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করেছে এনডিএ। আগামী ১৮ জুলাই হবে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চাসহ বেশ কয়েকটি আঞ্চলিক দল এনডিএ প্রার্থীকে সমর্থন জানিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টির মতো প্রধান বিরোধী দলগুলি যশোবন্ত সিনহা এবং দ্রৌপদী মুর্মুর মধ্যে কাকে ভোট দেবে তা নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়ে গিয়েছে। জল্পনা রয়েছে, উপরাষ্ট্রপতি হিসেবে ওবিসি বা উঁচু সম্প্রদায়ের কোনও প্রার্থী দিতে চলেছে বিজেপি। 

    শোনা যাচ্ছে, বিজেপির উপরাষ্ট্রপতির প্রার্থী দেখেই নিজেদের প্রার্থী দেবে বিরোধীরা। সম্ভবত সেই কারণেই উপরাষ্ট্রপতি প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে বিরোধী শিবির আপাতত চুপ রয়েছে। শাসক জোট এনডিএর প্রার্থী কে হচ্ছেন, তা দেখে তবে নিজেদের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করবে তারা। সেই হিসাব করে কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে আগামী ১৭ তারিখ বিরোধী দলগুলিকে নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন নয়াদিল্লিতে। জানানো হয়েছে, সংসদের আসন্ন বর্ষাকালীন অধিবেশনের কৌশল তৈরি করা এবং উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বিরোধী প্রার্থী নিয়ে আলোচনা করা হবে সেখানে। জানা গিয়েছে, কংগ্রেস বা তৃণমূল কংগ্রেস কেউই উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থী দিচ্ছে না। আঞ্চলিক দলগুলির থেকেই প্রার্থী বাছা হবে বলে খবর।

  • Monkey Pox In India: ভারতে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিস মিলল, ভয় কতটা?

    Monkey Pox In India: ভারতে প্রথম মাঙ্কি পক্সে আক্রান্তের হদিস মিলল, ভয় কতটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে প্রবেশ করল মাঙ্কি পক্স। অনেক সাবধানতা নিয়েও শেষ রক্ষা হল না। প্রথম আক্রান্তের হদিশ মিলল কেরলে। করোনা অতিমারীর সংকট এখনও কাটেনি। আর তার মাঝেই চিন্তা ধরাচ্ছে মাঙ্কি পক্স (Monkey Pox)। ইউরোপের দেশগুলির পরে সংক্রমণ থেকে নিস্তার পেল না ভারতও।  

    আরও পড়ুন: অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধের মাধ্যমে মাঙ্কিপক্সের চিকিৎসা সম্ভব, জানাল গবেষণা

    বিদেশ থেকে সদ্য দেশে ফেরা এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কিপক্সের উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। চার দিন আগেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে দেশে ফেরেন কেরলের (Kerala) ওই বাসিন্দা। নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলজিতে৷ সেখানেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বিষয়টি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন কেরলের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বীণা জর্জ। মাঙ্কি পক্স-এ আক্রান্ত রোগীর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। 

    [tw]


    [/tw] 
     
    কলকাতাতেও এক ব্যক্তির শরীরে মাঙ্কি পক্সের উপসর্গ দেখা গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ ভাইরোলজিতে রক্তের নমুনা পাঠানো হয়। কিন্তু সেই ব্যক্তির রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।   

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO)-র মতে, মাঙ্কি পক্স সংক্রামক রোগ। এটি মূলত প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সংক্রমিত হয়। এর লক্ষণগুলি গুটিবসন্তের রোগীদের মতোই। সারা বিশ্বে এখন প্রায় ৬০০০ মানুষ মাঙ্কি পক্স-এ আক্রান্ত। আফ্রিকার কিছু অংশে এই ভাইরাসে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

    মাঙ্কি পক্সে সবথেকে বেশি আক্রান্তের হদিশ মিলেছে ইউরোপ এবং আফ্রিকায়। মাঙ্কি পক্সে ৮০ শতাংশ সংক্রমণের ঘটনাই ইউরোপের। বিষয়টি কপালে ভাঁজ ফেলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার আধিকারিকদের। হু জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত গোষ্ঠী সংক্রমণের কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। এ বিষয়ে ১৮ জুলাই জরুরি ভিত্তিতে বৈঠক ডেকেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। মাঙ্কি পক্সের সংক্রমণ আটকাতে কী কী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে, সেই বিষয়েই আলোচনা হবে এদিনের বৈঠকে।  

    এই ভাইরাসে আক্রান্তদের শরীরে প্রাথমিক যে উপসর্গগুলি দেখা যায়, সেগুলির মধ্যে রয়েছে জ্বর ও গোটা শরীরে ব্যাথার লক্ষণ। কাঁপুনি ও ক্লান্তিও দেখা দিতে পারে। শরীরে র‍্যাশ দেখা যায় এই রোগে। ত্বকের সংস্পর্শে এলে এবং যৌন মিলনে এই রোগ ছড়াতে পারে। 

    গবেষণা অনুযায়ী, এমন কিছু অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ আছে যা প্রয়োগ করলে মাঙ্কি পক্সের উপসর্গগুলিকে প্রশমিত করা সম্ভব। এমনকি এই ওষুধগুলির প্রয়োগে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন রোগীরা বলেও দাবি করছেন গবেষকরা। এই রোগের ক্ষেত্রে দুটি ভিন্ন অ্যান্টি ভাইরাল ওষুধ প্রয়োগ করা হয়েছে রোগীদের ওপর ওই গবেষণায়। ওষুধ দুটি হল, ব্রিনসিডোফোভির এবং টেকোভিরিমাট। আমেরিকার বিশেষজ্ঞদের মতে, স্মল পক্সের টিকার মাধ্যমেও এই রোগের চিকিৎসা সম্ভব।   

     

     

  • Rajya Sabha Protest: ধর্নায় বসে সাসপেন্ডেড সাংসদরা খাচ্ছেন ইডলি-সাম্বার, চিকেন-তন্দুরি!

    Rajya Sabha Protest: ধর্নায় বসে সাসপেন্ডেড সাংসদরা খাচ্ছেন ইডলি-সাম্বার, চিকেন-তন্দুরি!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বসেছেন অবস্থান বিক্ষোভে। অথচ খাওয়া হচ্ছে দই-ভাত (Curd rice), ইডলি (Idli)-সাম্বার (Sambhar), চিকেন-তন্দুরি  (Chicken Tandoori), গাজরের হালুয়া এবং ফল। এই হচ্ছে গান্ধী মূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসা সাসপেন্ডেড সাংসদদের খাবার। বুধবার থেকে শুক্রবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ধর্না চলবে বলে জানিয়েছেন সাসপেন্ডেড সাংসদরা। সেখানেই চলছে ভূরিভোজের ব্যবস্থা।  

    অসংসদীয় আচরণের জন্য সাসপেন্ড করা হয়েছিল সাংসদদের। তার পরেই টানা পঞ্চাশ ঘণ্টার ধর্নায় বসেছেন বিজেপি (BJP) বিরোধী বিভিন্ন দলের সাংসদরা। রাজ্যসভা (Rajya Sabha) থেকে সাসপেন্ড হওয়া ২০ জন বিরোধী দলের সাংসদও রয়েছেন ধর্নায়। যাঁদের সাসপেন্ড করা হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন তৃণমূলের (TMC) সাত জন, ডিএমকের ৬ জন, টিআরএসের তিন জন, সিপিএমের দুজন এবং সিপিআই ও আপের একজন করে সাংসদ। রাজ্যসভার পাশাপাশি লোকসভা থেকেও সাসপেন্ড করা হয়েছে কংগ্রেসের চার সাংসদকে। এই ঘটনার প্রতিবাদেই ধর্নায় বসেছেন বিরোধীরা।

    আরও পড়ুন : ৫০ ঘণ্টার ধর্নায় সাসপেন্ডেড সাংসদরা, বিরোধী বৈঠকে গরহাজির আপ, তৃণমূল

    রাজ্যসভা থেকে সাসপেন্ড হয়েছেন তৃণমূলের কংগ্রেসের দোলা সেন। তিনি বলেন, গান্ধী মূর্তির পাদদেশে প্রতিবাদে বসেছেন সাসপেন্ডেড সাংসদরা। রাতেও তাঁরা চালিয়ে যাবেন অবস্থান বিক্ষোভ। টানা পঞ্চাশ ঘণ্টার অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যেতে প্রয়োজন খাবারের। তাই তৈরি করা হয়েছে ডিউটি রোস্টারও। সেখানেই তৈরি হচ্ছে হরেক কিসিমের খাবারও। রোস্টার যাতে ঠিকঠাকভাবে পালিত হয়, সেজন্য তৈরি হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। এদিকে, সংসদে অসংসদীয় আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করলেই সাসপেনশান তুলে নেওয়া হবে বলে জানায় সরকার পক্ষ। যদিও তা করতে রাজি নন ধর্নায় বসা সাংসদরা। বিজেপি বিরোধী যে দলগুলি অবস্থান বিক্ষোভে যোগ দিয়েছে, তারা হল তৃণমূল, ডিএমকে, আপ, টিআরএস, সমাজবাদী পার্টি, শিবসেনা, সিপিএম, সিপিআই, জেএমএম এবং কেরালা কংগ্রেস। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, প্রতিবাদী রাজনৈতিক দলগুলি ঠিক করেছে অবস্থান বিক্ষোভে বসা সাংসদদের দেওয়া হবে প্রাদেশিক খাবার।

    আরও পড়ুন : রাজ্যসভা নির্বাচনে ১৬-র মধ্যে ৮ আসনে জয়ী বিজেপি

    বুধবার প্রাতরাশে ছিল ইডলি-সাম্বার। লাঞ্চে ছিল দই-ভাত। আয়োজন করেছিল ডিএমকে। আর রাতে খাবার হিসেবে ছিল রুটি, ডাল, পনির এবং চিকেন তন্দুরি। আয়োজন করেছে তৃণমূল। ডিএমকে নেত্রী কানিমোঝি গাজরের হালুয়া নিয়ে এসেছিলেন। তৃণমূলের তরফে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল ফল এবং স্যান্ডউইচ। রোস্টার অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার প্রাতরাশের দায়িত্বে ছিল ডিএমকে। লাঞ্চের দায়িত্বে টিআরএস। আর রাতের খাবারের ব্যবস্থা করার দায়িত্ব বর্তেছে আম আদমি পার্টির ওপর। সাসপেন্ডেড সাংসদদের সমর্থনে বিভিন্ন দলের নেতারাও কিছুক্ষণের জন্য অবস্থান বিক্ষোভ মঞ্চে আসছেন। সংসদ চত্বরের ওই এলাকায় কাঠামো তৈরিতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় খোলা আকাশের নীচেই রাত কাটাতে হয়েছে তাঁদের। তবে দেওয়া হয়েছে পার্লামেন্ট লাইব্রেরির টয়লেট ব্যবহারের অনুমতি।

     

  • Hamid Ansari: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি পাক চরকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন! বিস্ফোরক দাবি 

    Hamid Ansari: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি পাক চরকে ভারতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন! বিস্ফোরক দাবি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ভারত সফর সম্পর্কে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন এক পাক সাংবাদিক। নুসরাত মির্জা (Nusrat Mirza) নামের ওই সাংবাদিক রাজনৈতিক বিশ্লেষক তথা ইউটিউবার শাকিল চৌধুরীর (Shakil Chaudhary) সঙ্গে এক সাক্ষাত্কারে জানিয়েছেন তিনি বহুবার ভারত সফরের এসেছেন এবং সফরের পরেই দেশে ফিরে গিয়ে ভারত সম্পর্কে পাকিস্তানের ইন্টার-সার্ভিস ইন্টেলিজেন্সকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন।    

    আরও পড়ুন: জনীতি থেকে দূরে থাকুন, সেনা আধিকারিকদের নির্দেশ পাক সেনা প্রধানের

    ২০১০ সালে হামিদ আনসারির (Hamid Ansari) আমন্ত্রণেও একবার ওই পাকিস্তানি সাংবাদিক ভারতে এসেছিলেন বলে জানিয়েছেন। সন্ত্রাসবাদ নিয়ে এক সেমিনারে অংশ নিতে তিনি ভারতে আসেন বলে জানান। সেই সময় ভারতের উপরাষ্ট্রপতি ছিলেন হামিদ আনসারি। ২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল অবধি ভারতের উপরাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। এরপর ২০১১ সালে শেষবার ভারতে আসেন নুসরাত। তাঁর দাবি, তিনি ভারত থেকে যে সমস্ত তথ্য একজোট করেছিলেন তা দিয়েছিলেন পাকিস্তানি গুপ্তচর সংস্থাকে।     

    [tw]


    [/tw]   

    ঘটনাটি ইউপিএ (UPA) শাসনকালের। আর সেই সময়ই ভারতে এসে তথ্য সংগ্রহ করে, সেই তথ্য পাক গুপ্তচর সংস্থা (Pakistani Spy Agency) আইএসআইকে (ISI) দিয়েছিলেন। 

    আরও পড়ুন: ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের হুঁশিয়ারি! বিদ্যুৎ সংকট পাকিস্তানে
        
    ভারতের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনও পাকিস্তানি ভারতে আসেন, তখন তাঁকে ৩ টি শহর ঘোরার অনুমতি দেয় ভারত সরকার। যদিও ভিসার আবেদনে ৫ টি শহরের উল্লেখ থাকে। কিন্তু সেইসময় তাঁকে সাতটি শহর ঘুরে দেখার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল বলে জানান নুসরাত। সাংবাদিক আরও জানান, তাঁর সঙ্গে তৎকালীন পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী খুরশিদ কসুরি (Khurshid Kasuri) ছিলেন। নুসরাত মির্জার দাবি, খুরশিদ ওই সাংবাদিককে বলতেন যা তথ্য তিনি ভারত থেকে পেয়েছেন তা যেন পাকিস্তানের তৎকালীন সেনা প্রধান জেনারেল কায়ানিকে দেওয়া হয়।  

    তাঁর বক্তব্য পাঁচবার ভারত সফর করে তিনি দিল্লি, ব্যাঙ্গালোর, চেন্নাই, পাটনা এবং কলকাতায় ঘুরেছেন। ২০১১ সালে, তিনি মিল্লি গেজেটের প্রকাশক জাফরুল ইসলাম খানের সঙ্গেও দেখা করেন। সাংবাদিকের এই দাবির পরেই ইউপিএ সরকারের অসতর্কতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অস্বস্তিতে আনসারিও। 

     

  • Pakistan Crisis: এবার ঋণ খেলাপির তালিকায় পাকিস্তানও?   

    Pakistan Crisis: এবার ঋণ খেলাপির তালিকায় পাকিস্তানও?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেনায় জর্জরিত দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কা (Sri Lanka)। একই অবস্থা জাম্বিয়ারও। বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডারের হাঁড়ির হাল আরও কয়েকটি দেশের। এই তালিকায় যোগ হতে চলেছে পাকিস্তানের নামও। অন্ততঃ ইন্টারন্যাশনাল রেটিং এজেন্সির বক্তব্য এমনই।

    চিনা (China) ঋণের ফাঁদে পা দিয়ে সর্বস্বান্ত হয়ে গিয়েছে ভারতের (India) প্রতিবেশী দেশ শ্রীলঙ্কা। দেশের জিনিসপত্রের দাম অগ্নিমূল্য। বিদেশি মুদ্রার অভাবে ব্যাহত হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা হচ্ছে লোডশেডিং। একই কারণে বিদেশ থেকে আনানো যাচ্ছে না সংবাদপত্র ছাপার কাগজ। যার জেরে দীর্ঘ দিন এদেশে বন্ধ হয়ে গিয়েছে সংবাদপত্র ছাপার কাজ। জ্বালানির দাম অগ্নিমূল্য হওয়ায় রাস্তায় গাড়িঘোড়াও চলছে কম। জনরোষের হাত থেকে বাঁচতে গা ঢাকা দিয়েছেন দেশের প্রেসিডেন্ট। প্রেসিডেন্ট হাউসের দখল নিয়েছেন দ্বীপরাষ্ট্রের আমজনতা।

    আরও পড়ুন : রাজনৈতিক পটবদল, আগামী সপ্তাহেই নতুন রাষ্ট্রপতি পাবে শ্রীলঙ্কা

    কেবল শ্রীলঙ্কা নয়, অর্থনীতির করুণ দশা পৃথিবীর আরও কয়কটি দেশেরও। টার্কি, ইজিপ্ট, টিউনিশিয়া, ইথিওপিয়া, পাকিস্তান (Pakistan), ঘানা এবং এল সালভাডর রয়েছে এই তালিকায়। এই দেশগুলিও বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে পারছে না। এই দেশগুলিতেও জ্বালানি, খাদ্যদ্রব্যে মূল্য আকাশ ছোঁওয়া। সেই সঙ্গে বাড়ছে গ্লোবাল ইন্টারেস্ট রেটও। 

    ফিচ রেটিংসের বিচারে কেবল এই দেশগুলোই নয়, তারা চিহ্নিত করেছে ১৭টি দেশকে। যারা এখনই বৈদেশিক ঋণ শোধে অপারগ। এদের মধ্যে রয়েছে শেহবাজ শরিফের দেশ পাকিস্তানও। এই ১৭টি দেশের তালিকায় রয়েছে বৃহৎ শক্তিধর দেশ রাশিয়াও। আমেরিকা নিষেধাজ্ঞা জারি করায় অর্থনৈতিক লেনদেন করতে পারছে না পুতিনের দেশ। প্রত্যাশিতভাবেই তারাও পারছে না বৈদেশিক ঋণ শোধ করতে।

    আরও পড়ুন : অর্থসংকট কাটাতে আইএমএফের শর্ত মেনেই বাজেট পেশে রাজি পাকিস্তান?

    শ্রীলঙ্কা, জাম্বিয়ার পর এবার ঋণ খেলাপির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে পাকিস্তান, লেবানন, টিউনিশিয়া, ঘানা, ইথিওপিয়া, ইউক্রেন, তাজিকিস্তান, এল সালভাদর, সুরিনাম, ইকুয়েডর, বেলিজ, আর্জেন্টিনা, রাশিয়া, বেলারুশ এবং ভেনেজুয়েলা। এই দেশগুলির বৈদেশিক মুদ্রার হাঁড়ির হাল। তাই যে কোনও সময় এদের গায়েও সেঁটে যেতে পারে ঋণখেলাপির তকমা।

     

  • Primary TET Scam: বুধবারের মধ্যে ৪৩ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ-নথি তলব প্রাথমিক পর্ষদের

    Primary TET Scam: বুধবারের মধ্যে ৪৩ হাজার শিক্ষকের নিয়োগ-নথি তলব প্রাথমিক পর্ষদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) নির্দেশে রাজ্যের প্রাথমিক টেট দুর্নীতি (Primary TET scam) মামলার তদন্ত করছে সিবিআই (CBI)। সেই মোতাবেক, প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদের (West Bengal Primary Education Board) কাছে ৪২ হাজার ৯৪৯ প্রাথমিক শিক্ষকের নিয়োগ-নথি চেয়ে পাঠিয়েছে। সেই মর্মে, এবার, প্রতিটি জেলায় প্রাথমিক স্কুলগুলির থেকে নিযুক্ত শিক্ষকদের নিয়োগ নিয়ে তথ্য চাইল পশ্চিমবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদ। আগামী বুধবারের মধ্যে এই নথি সংসদের দফতরে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    সোমবার এই বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেন প্রাথমিক পর্ষদের সচিব আর সি বাগচি। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশে ৪২,৯৪৯ শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছে সিবিআই। তাই জরুরি ভিত্তিতে নিয়োগ সংক্রান্ত নথি সংসদকে পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে শিক্ষকদের একটি ই-মেল অ্যাড্রেস দেওয়া হয়েছে। বুধবারের মধ্যে সমস্ত তথ্য হাতে পাবার পর সেই তথ্য সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হবে।

    আরও পড়ুন: ২০১৪ সালে টেট উত্তীর্ণদের তথ্য চাইল সিবিআই, স্কুলে স্কুলে গেল নির্দেশ

    তদন্তের স্বার্থে, ২০১৪ সালের টেট পরীক্ষায় ৪২, ৯৪৯ শূন্য পদে যাঁদের নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের প্রত্যেকেরই তথ্য খতিয়ে দেখবে সিবিআই। টেটের রোল নম্বর, টেট পাশ সার্টিফিকেট সহ যাবতীয় নথি জমা দিতে হবে। ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর এই সমস্ত শিক্ষক নিয়োগপত্র পেয়েছিলেন। সেই নিয়োগ সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য এবার সিবিআই আধিকারিকদের হেফাজতে আসতে চলেছে।

    এরই মধ্যে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে ক্রমশ অস্বস্তি বাড়ল রাজ্যের। প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা তাপস ঘোষ। কী কারণে মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়নি? টাকা নিয়ে কিছু করা হয়েছে কিনা? এই বিষয়গুলো জানতে ইডি, সিবিআইকে দিয়ে তদন্তের আরজি জানিয়েছিলেন তিনি। 

    আরও পড়ুন: প্রাথমিক টেট দুর্নীতি মামলায় সিবিআইকে ‘সিট’ গঠনের নির্দেশ হাইকোর্টের

    কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি চলে। রাজ্যের যুক্তি ছিল, ২০১৪ সালে হয়েছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া, ইতিমধ্যেই ৮ বছর অতিক্রান্ত। এতদিন পর জনস্বার্থ মামলা করায়, সেই মামলা খারিজের আবেদন জানিয়েছিল রাজ্য। কিন্তু রাজ্যের দাবি খারিজ করে দিল আদালত। চার সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যকে হলফনামা জমা দেবার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১৬ অগাস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে।

LinkedIn
Share