Blog

  • Kite Bird: ড্রোন শিকারে চিল! ভারতীয় সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ‘অর্জুন’ নামক পাখিকে

    Kite Bird: ড্রোন শিকারে চিল! ভারতীয় সেনাবাহিনীতে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে ‘অর্জুন’ নামক পাখিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তে বেড়েছে ড্রোনের উৎপাত। প্রায়ই পাকিস্তানি ড্রোনকে গুলি করে নামানো হয়। গতকালই এক পাকিস্তানি (Pakistan) ড্রোনকে (Drone) গুলি করে নামাল বিএসএফ। ফলে এবারে শত্রুপক্ষের ড্রোনদের শিকার করতে ভারতীয় সেনা ট্রেনিং দিচ্ছে এক চিলকে (Kite Bird)। এই চিল পাখিটির নাম অর্জুন। ভারতীয় সেনাবাহিনী সামরিক অভিযানের জন্য কুকুরের পাশাপাশি প্রশিক্ষিত পাখির ব্যবহার শুরু করছে বলে জানালেন সেনা কর্মকর্তারা।

    ড্রোনের শিকারে চিল!

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ভারতীয় সেনাবাহিনী উত্তরাখণ্ডের আউলিতে চলমান যৌথ প্রশিক্ষণ অনুশীলন যুদ্ধ অধ্যয়নের সময় শত্রু ড্রোনকে শিকার করতে এই পাখির ব্যবহার প্রদর্শন করেছে। এমনভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে যাতে শত্রুপক্ষের ড্রোনগুলিকে শনাক্ত করে সেগুলো ধ্বংস করা যায়।  আর এই কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে কুকুর ও অর্জুন নামক চিল পাখিকে। শত্রুপক্ষের ড্রোন এদেশের সীমান্ত দিয়ে প্রবেশ করলে প্রথমে কুকুরটি ড্রোনের শব্দ শুনে সেনা জওয়ানদের সতর্ক করবে ও এরপর চিল ড্রোনটির অবস্থান জানাবে (Kite Bird)। জানা গিয়েছে, চিলের ব্যবহার করে শত্রুদের ড্রোন শিকার করতে এই ধরণের পাখিদের প্রথম ব্যবহার করছে ভারতীয় সেনাবাহিনী।

    আরও পড়ুন: ফের পাকিস্তানি ড্রোন গুলি করে নামাল বিএসএফ, মিলল মাদক

    শত্রুপক্ষের ড্রোনের উৎপাত

    এই ধরনের পাখি নিরাপত্তা বাহিনীকে সীমান্তের ওপার থেকে ভারতীয় এলাকায় আসা ড্রোনের মোকাবিলায় সহায়তা করতে পারে (Kite Bird)। সম্প্রতি বেশ কয়েকটি ঘটনা প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে প্রতিবেশি দেশ পাকিস্তান থেকে আসা ড্রোন জম্মু ও কাশ্মীর এবং পাঞ্জাবে মাদক, বন্দুক এবং অর্থের চালান করেছে। আবার গত ২৪ নভেম্বর, জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ জম্মুর সাম্বা জেলায় একটি পাকিস্তানি ড্রোন দ্বারা ফেলে দেওয়া অস্ত্র এবং ভারতীয় মুদ্রার একটি চালান উদ্ধার করেছে।

    প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শনিবার উত্তরাখণ্ডের আউলিতে ভারত-আমেরিকার যৌথ প্রশিক্ষণ অনুশীলন “Yudh Abhyas 22”-এর ১৮ তম এডিশন শুরু হয়েছে। দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সর্বোত্তম অনুশীলন, কৌশল এবং পদ্ধতি বিনিময়ের লক্ষ্যে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এই যুদ্ধ অভ্যাস ২২ পরিচালনা করা হয়।   

  • Indian Ocean: মালদ্বীপের পর এবার চিনের ডাকা ফোরামে যোগ দিল না অস্ট্রেলিয়াও

    Indian Ocean: মালদ্বীপের পর এবার চিনের ডাকা ফোরামে যোগ দিল না অস্ট্রেলিয়াও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদ্বীপের (Maldives) পর এবার অস্ট্রেলিয়া (Australia)। মালদ্বীপ জানিয়েছিল আগেই। অতি সম্প্রতি জানাল অস্ট্রেলিয়াও। তারা সাফ জানিয়ে দিল চিনের নেতৃত্বে ভারত মহাসাগর (Indian Ocean) ফোরামের যে বৈঠক হয়েছে, তাতে তারা যোগ দেয়নি। জানা গিয়েছে, চলতি মাসের ২১ তারিখে বৈঠক হয়েছে ভারত মহাসাগর ফোরামের। চিনের নেতৃত্বে ভারত মহাসাগর ফোরামের যে বৈঠক হয়েছে, তাতে অস্ট্রেলিয়া যোগ দেয়নি বলে ট্যুইট করেছেন ভারতে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয় হাইকমিশন। ট্যুইট বার্তায় ভারতে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয় হাইকমিশনার ব্যারি ও ফ্যারেল জানান, অস্ট্রেলিয় সরকারের কোনও আধিকারিকই কুনমিংয়ে চিনের নেতৃত্বে ভারত মহাসাগর ফোরামের যে বৈঠক হয়েছে, তাতে যোগ দেয়নি।

    চিন-ভারত মহাসাগর ফোরাম…

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম চিন আহ্বান করেছিল চিন-ভারত মহাসাগর ফোরাম অন ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন শীর্ষক বৈঠকের। এই বৈঠকে আহ্বান করা হয়েছিল বিশ্বের উনিশটি দেশকে। তবে তাদের মধ্যে চিনের সব চেয়ে কাছের প্রতিবেশী দেশ ভারতকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। অথচ এই বৈঠকের আয়োজক দেশ ছিল চিন। তার সত্ত্বেও ডাকা হয়নি নয়াদিল্লিকে।

    তবে ভারত মহাসাগর ফোরামের ওই বৈঠকে অস্ট্রেলিয়া সরকারের কোনও প্রতিনিধি যোগ না দিলে কী হবে, সে দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেভিন রুড্ড ওই বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। একইভাবে মালদ্বীপ সরাকারের কেউ যোগ না দিলেও, বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন সে দেশের প্রাক্তন প্রসিডেন্ট মহম্মদ ওয়াহিদ হুসেন। তবে দুজনের কেউই চিনে যাননি। বৈঠকে তাঁরা যোগ দিয়েছেন ভার্চুয়ালি।

    আরও পড়ুন: ‘ফাঁসি হলেও আফসোস নেই, জন্নতে…’, পলিগ্রাফ টেস্টে কী বলল আফতাব?

    মালদ্বীপের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মন্ত্রক এটা ব্যাখ্যা করতে চায় এই বলে যে, মালদ্বীপের সরকার উল্লিখিত ফোরামে অংশ নেয়নি। নভেম্বরের ১৫ তারিখেই মালদ্বীপের তরফে চিনকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, আমরা এই ফোরামে যোগ দেব না। মালদ্বীপ থেকে যাঁরা ওই ফোরামে অংশ নিয়েছিলেন, তাঁরা মালদ্বীপ সরকারের প্রতিনিধিত্ব করেননি। উল্লেখ্য, প্রথম চিন-ভারত মহাসাগর ফোরাম অন ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন গঠন করেছিল চায়না ইন্টারন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন এজেন্সি। এই এজেন্সির মাথায় রয়েছেন চিনের প্রাক্তন বিদেশ মন্ত্রী লু ঝাউহুই। এই লু ঝাউহুই অতীতে ভারত ও পাকিস্তানে রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করেছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

  • Calcutta High Court: মিনাখাঁ, কেশপুর বিস্ফোরণে এনআইএ? সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    Calcutta High Court: মিনাখাঁ, কেশপুর বিস্ফোরণে এনআইএ? সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মিনাখাঁ (Minakhan) ও কেশপুরে (Keshpur) বোমা বিস্ফোরণের (Bomb Blast) ঘটনায় এনআইএ তদন্তভার নেবে কিনা, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্রীয় সরকার। মঙ্গলবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ।

    রাজ্য সরকার জানিয়েছে…

    এদিন আদালতে রাজ্য সরকার জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই মিনাখাঁ নিয়ে কেন্দ্রকে রিপোর্ট পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। কেশপুর নিয়েও দ্রুত রিপোর্ট পাঠানো হবে। সব শুনে হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব ও বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজের ডিভিশন বেঞ্চ জানায় রিপোর্ট খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র।

    গত ১৬ নভেম্বর উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁয় মামার বাড়িতে এসেছিল এক নাবালিকা। বল ভেবে মামার বাড়িতে বোমা নিয়ে খেলতে গিয়েছিল সে। আচমকাই সশব্দে ফেটে যায় বোমাটি। বসিরহাট জেলার মিনাখাঁ থানার চাপালি গ্রাম পঞ্চায়েতের গাইন পাড়ার ওই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। যার বাড়িতে বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছিল, তিনি তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। নাম আবুল হোসেন গায়েন। ঘটনার পরে পরেই ঝুমা খাতুন নামে ওই নাবালিকাকে নিয়ে যাওয়া হয় মিনাখাঁ গ্রামীণ হাসপাতালে। সেখানে তাকে মৃত ঘোষণা করা হয়। ঘটনার পরে পরে আবুল হোসেন গায়েনের বাড়িতে যায় বম্ব স্কোয়াডের চারজনের এক প্রতিনিধি দল। তল্লাশি চালানো হয় তাঁর বাড়ির বিভিন্ন ঘরে। পরে গ্রেফতার করা হয় তৃণমূলের ওই সক্রিয় কর্মীকে। অভিযোগ ওঠে, এই প্রথম নয়, এর আগেও অস্ত্র আইনে গ্রেফতার হয়েছিলেন আবুল হোসেন গায়েন।

    আরও পড়ুন: ১.৩ লক্ষের র‌্যাঙ্ক নিয়ে পড়ছে আরজিকরে! ‘মেধাবী’ মেয়ের হয়ে সওয়াল শান্তনু সেনের

    ওই ঘটনার পরের দিনই তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কোন্দলের জেরে ব্যাপক বোমাবাজি হয় পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুরে। ঘটনায় জখম হন শেখ রফিক। তিনি প্রাক্তন ব্লক সভাপতির অনুগামী বলে এলাকায় পরিচিত। ওই ঘটনায় রফিকের ডান হাতের আঙুল উড়ে যায়। ঘটনায় নাম জড়ায় রাজ্যের মন্ত্রী শিউলি সাহার। যদিও শিউলি ঘটনার দায় চাপান সিপিএমের ওপর।

    তবে এই প্রথম নয়, দিন কয়েক আগে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court) জানিয়েছিল, সাঁইথিয়া বিস্ফোরণের ঘটনায় এনআইএ তদন্ত করবে কিনা, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র। এদিকে, বীরভূমের মহম্মদবাজারের বিস্ফোরক পাচার ও বেলডাঙা বিস্ফোরণকাণ্ডের ঘটনার তদন্তভারও ইতিমধ্যেই নিয়েছে এনআইএ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

  • Cow Smuggling: গরু পাচার মামলায় এবার ইডির নজরে রাজ্যের পাঁচ আইপিএস অফিসার! কারা তাঁরা?

    Cow Smuggling: গরু পাচার মামলায় এবার ইডির নজরে রাজ্যের পাঁচ আইপিএস অফিসার! কারা তাঁরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত মণ্ডলের পর গরু পাচার-কাণ্ডে (Cattle Smuggling) এবার তৃণমূল বিধায়ক ও প্রাক্তন আইপিএস হুমায়ুন কবীরকে তলব করতে পারে ইডি। হুমায়ুন কবীর একসময় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার ছিলেন। সেই সময়কার কিছু তথ্য জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। ইডি সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই হুমায়ুন কবীরের কাছে নোটিস পাঠানো হয়েছে ।

    একাধিক পুলিশ অফিসারকে তলব

    ইডি সূত্রের খবর, রাজ্যের ৫ আইপিএসকে তলব করতে চলেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। ডিসেম্বরের শুরুতেই তাঁদের ডেকে পাঠানো হতে পারে দিল্লিতে। তালিকায় রয়েছেন মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) ও বীরভূমে (Birbhum) দায়িত্ব সামলানো প্রাক্তন পুলিশ আধিকারিকরা। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ডিআইজি পদমর্যাদা সম্পন্ন ২ আইপিএস, ২ পুলিশ সুপার। পাঁচ আইপিএস অফিসারকে ডিসেম্বরের ৩ থেকে ৭ তারিখের মধ্যে দিল্লিতে (Delhi) ডেকে পাঠানো হতে পারে বলে খবর।আসলে মুর্শিদাবাদ, বীরভূম – দুই জেলাই সীমান্তবর্তী। এখান দিয়ে সর্বাধিক গরু পাচার হয়ে থাকে। এর আগেও একাধিক পুলিশ আধিকারীককে তলব করে জেরা করেছে ইডি। কোটেশ্বর রাও থেকে শুরু করে জ্ঞানবন্ত সিংকেও তলব করা হয়েছে। তারপরে ফের আরও পুলিশ অফিসারকে জেরা করতে চলেছে ইডি। গরু পাচারের সময় এই ৫ আইপিএস অফিসার মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূমে বড় পদের দায়িত্বে ছিলেন। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে থানার ওসি সকলেই জড়িত ছিলেন গরু পাচারের ঘটনায়।

    আরও পড়ুন: কল্যাণী এইমস মামলায় বিপাকে সিআইডি, তদন্ত চালাতে লাগবে কেন্দ্রের অনুমতি, জানাল হাইকোর্ট

    হুমায়ুনকে নোটিস

    ২০১০ সাল থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বেশকিছু ঘটনা ঘটেছিল। ওই সময় হুমায়ুন কবীর মুর্শিদাবাদে ছিলেন।  সেইসব ঘটনা সম্পর্কে তথ্য হুমায়ুন কবীরের কাছ থেকে পেতে চায় এনফোর্সমেন্ট ডিপার্টমেন্ট। ইডির নোটিসে হুমায়ুনকে হাজিরা দিতে হবে দিল্লিতে। তবে হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, ইডির কোনও নোটিস তিনি পাননি। প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল, তাঁর দেহরক্ষী সায়গল হোসেন সিবিআইয়ের পর ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন। এছাড়া প্রাক্তন বিএসএফ কমান্ডার সতীশ কুমার, ব্যবসায়ী এনামুল হকের মতো হেভিওয়েটদের জালে এনেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে এই চক্রের সঙ্গে কোনওভাবে পুলিশ প্রশাসনের যোগ রয়েছে কিনা, তা খতিয়ে দেখতে চায় ইডি।

  • Shantanu Sen: ১.৩ লক্ষের র‌্যাঙ্ক নিয়ে পড়ছে আরজিকরে! ‘মেধাবী’ মেয়ের হয়ে সওয়াল শান্তনু সেনের

    Shantanu Sen: ১.৩ লক্ষের র‌্যাঙ্ক নিয়ে পড়ছে আরজিকরে! ‘মেধাবী’ মেয়ের হয়ে সওয়াল শান্তনু সেনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেলেঙ্কারির রথ যেন থামতেই চাইছে না। কখনও কয়লা, কখনও বালি আবার কখনও শিক্ষক নিয়োগ। একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ হচ্ছে রাজ্যের শাসক দল। সেই কেলেঙ্কারি আর স্বজন পোষণের তালিকায় নয়া সংযোজন এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়া! রাজ্যের আরেক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে এবার অভিযোগ! 

    এমবিবিএস কোর্সে ভর্তি প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি

    তৃণমূলের সাংসদ শান্তনু সেনের মেয়ে সৌমিলি সেন এবার আরজিকর হাসপাতালে এমবিবিএস কোর্সে প্রথম বর্ষে ভর্তি হয়েছেন। অভিযোগ, এই ভর্তি কিন্তু স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় হয়নি। ডাক্তারিতে পড়ার সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষায় সৌমিলির নাম ছিল ১৩০০০০ নম্বরে। অর্থাৎ, একেবারে তালিকার শেষের দিকে। সেখানে কীভাবে তিনি আরজিকর হাসপাতালে পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন, সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। 

    রাজ্যের চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, নিট পরীক্ষার মেধা তালিকায় প্রথম পঞ্চাশের মধ্যে নাম না থাকলে কখনওই আরজিকর হাসপাতালের মত রাজ্যের প্রথম সারির সরকারি মেডিক্যাল কলেজে পড়ার সুযোগ পাওয়া যায় না। সেখানে কীভাবে নিট তালিকায় এত পিছনে নাম থাকলেও সৌমিলি আরজিকর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হলেন? 

    একাংশের অভিযোগ, আরজিকর মেডিক্যাল কলেজের রোগী কল্যাণ সমিতির সভাপতি শান্তনু সেন। তাছাড়া তিনি ওই এলাকার দাপুটে তৃণমূল নেতা। তার ‘পছন্দের’ চিকিৎসকেরাই ওই হাসপাতালের প্রশাসনিক প্রধান পদে রয়েছেন। এর আগেও হাসপাতালের একাধিক সিদ্ধান্ত হয়েছে তাঁর অঙ্গুলি হেলনে। এমনকি আরজিকরের কয়েক জন পড়ুয়া তৃণমূলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করায়, তাদের রেজিস্ট্রেশন না দেওয়ার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে শান্তনু সেনের বিরুদ্ধে। তাই এমন প্রভাবশালী নেতা, তাঁর প্রভাব খাটিয়েই মেয়েকে ওই মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করেছেন বলে অভিযোগ করছেন চিকিৎসক মহলের একাংশ। 

    যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ তৃণমূলের সাংসদ শান্তনু সেন। তার যুক্তি, এগুলো সব মিথ্যা অভিযোগ। রাজনৈতিক ভাবে বিরোধী দল লড়াই করতে পারছে না। তাই ব্যক্তিগত আক্রমণ করছে। বিশেষত, তিনি বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ করে বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক মতাদর্শ নেই। লড়াই করার ক্ষমতা নেই। তাই তাঁর মেয়েকে টার্গেট করা হয়েছে। 

    তিনি জানান, তার মেয়ে সৌমিলি স্কুলে প্রতি বছর প্রথম হত। একবারেই পরীক্ষায় বসে ডাক্তারির প্রবেশিকা পরীক্ষায় পাশ করেছেন। নিট পাশ না করলে কেউ ডাক্তারি পড়ার সুযোগ পান না বলে সাফাই শান্তনুর। তিনি বলেন, “দরকার হলে মেয়ের সব সার্টিফিকেট দেখাতে পারি। দয়া করে কুরুচিপূর্ণ ব্যক্তিগত আক্রমণ করবেন না। রাজনৈতিক লড়াই, রাজনৈতিক ভাবে করতে শিখুন। ” 

    শুধু মেয়ের ভর্তি নয়। প্রশ্ন উঠেছে শান্তনু সেনের দেওয়া বার্ষিক আয়ের হিসাব নিয়েও। বিজেপি নেতা সুকান্ত মজুমদার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়েছেন, শান্তনু সেন বলেছেন, তাঁর বার্ষিক আয় ৩ লাখ টাকা। এ নিয়ে শান্তনু সেনকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি বলেন, তিনি নিয়মিত রেডিওলজিস্ট হিসাবে প্র্যাকটিস করেন। আর এটাই তাঁর রোজগার।

    যদিও বিরোধীদের দাবি, পুরো দলটাই দুর্নীতি আর মিথ্যাচারে ভর্তি হয়ে গিয়েছে। যেগুলো দেখা যাচ্ছে, তা হিমশৈলের চূড়া মাত্র।

  • Sisir Adhikari: ফের বেঁফাস অখিল গিরি, অশীতিপর শিশিরকে কী ভাষায় আক্রমণ করলেন জানেন?

    Sisir Adhikari: ফের বেঁফাস অখিল গিরি, অশীতিপর শিশিরকে কী ভাষায় আক্রমণ করলেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বেফাঁস মন্তব্য তৃণমূল নেতা অখিল গিরির (Akhil Giri)। দিন কয়েক আগে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmu) নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রী। সেবারও রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) নিশানা করতে গিয়ে আক্রমণ করে বসেছিলেন রাষ্ট্রপতিকে। এবারও তাঁর তির গিয়ে লাগল ভুল নিশানায়। এদিন শুভেন্দুকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরের এই বিধায়ক নিশানা করলেন অশীতিপর নেতা শিশির অধিকারিকে (Sisir Adhikari)। মুগবেড়িয়ার সভা থেকে শিশিরকে ‘নেংটি মন্ত্রী’ বলে আক্রমণ করেন অখিল। যার জেরে ফের একপ্রস্ত রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে সমালোচনার ঝড়। একজন অশীতিপর নেতাকে এই ভাষায় আক্রমণ কতটা শোভনীয়, তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন।

    অখিল উবাচ…

    এদিনের সভায় অখিল বলেন, এই বিশ্বের অষ্টম এবং নবম আশ্চর্য হল শিশির অধিকারী (Sisir Adhikari) আর দিব্যেন্দু অধিকারী। তৃণমূলের সাংসদ। দিল্লি থেকে টাকা নিচ্ছে। কিন্তু ভিতরে ভিতরে তৃণমূলের ক্ষতি করে বিজেপি করছে। রাজ্যের এই প্রতিমন্ত্রী বলেন, বুড়ো বয়সে ভীমরতি ধরেছে শিশির অধিকারীর। আগে নাতি-নাতনিকে নিয়ে ঘুরতেন। এখন ছেলের পাল্লায় পড়ে বাবাও মুখ্যমন্ত্রীকে গালাগাল করছে। তিনি বলেন, আমি স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী বলে আমাকে হাফপ্যান্ট মন্ত্রী বলা হচ্ছে। তাহলে শিশির অধিকারী কেন্দ্রের কী মন্ত্রী ছিলেন? হাফপ্যান্টের ছোট যেটা হয়, তাকে তো নেংটি বলে। উনি কি তাহলের নেংটি মন্ত্রী ছিলেন?

    আরও পড়ুন: শাসকদলের গোষ্ঠীকোন্দলের জের! গোসাবায় ফের গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী

    শিশিরের (Sisir Adhikari) আগে রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্যের জেরে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন অখিল। একটি ভিডিও ফুটেজে তাঁকে বলতে শোনা যায়, বলে দেখতে ভাল নয়। কী রূপসী! কী দেখতে ভাল! আমরা রূপের বিচার করি না। তোমার রাষ্ট্রপতির চেয়ারকে আমরা সম্মান করি। কিন্তু তোমার রাষ্ট্রপতি কেমন দেখতে বাবা? রাজ্যের এক মন্ত্রীর এহেন মন্তব্যের জেরে হইচই শুরু হয় রাজ্যজুড়ে। জেলায় জেলায় বিক্ষোভ-প্রতিবাদে শামিল হয় বিজেপি। অখিলের গ্রেফতারি ও মন্ত্রিত্ব থেকে অপসারণের দাবিও জানায় পদ্ম শিবির। ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পর্যন্ত বলতে হয়, রাষ্ট্রপতিকে অবমাননাকর মন্তব্য করা ঠিক হয়নি অখিলের। রাষ্ট্রপতিকে আমরা সম্মান করি। অন্যায় করেছে অখিল গিরি। অখিলের ওই মন্তব্যের রেশ পুরোপুরি মিলিয়ে যাওয়ার আগে ফের কুকথা রাজ্যের কারা প্রতিমন্ত্রীর।

    কুকথায় পঞ্চমুখ অখিল!

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Garia Bombing: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের বোমাবাজি, গড়িয়া স্টেশন এলাকায় আতঙ্ক

    Garia Bombing: পঞ্চায়েত ভোটের আগে ফের বোমাবাজি, গড়িয়া স্টেশন এলাকায় আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের বোমাবাজি। সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। এমনকি পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনও ঘোষণা করা হয়নি। কিন্তু শুরু হয়ে গিয়েছে বোমাবাজি। একাধিক জায়গা থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে অস্ত্র, বোমা। এক বোমাবাজির রেশ কাটতে না কাটতেই এবারে ফের গড়িয়া স্টেশন এলাকায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটল (Garia Bombing)। গতকাল রাতে এই বোমাবাজির ঘটনাটি ঘটেছে। ফলে পঞ্চায়েত ভোটের আগে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটেছে গড়িয়ায়?‌

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত আড়াইটে নাগাদ বোমাবাজির খবর পাওয়া যায় (Garia Bombing)। গড়িয়া স্টেশন এলাকার অন্তর্গত নবপল্লি অঞ্চলে মাঝরাতে বিকট আওয়াজ পান এলাকার মানুষজন। এরপর এদিন সকালে রাস্তায়ও তিনটি তাজা বোমা পড়ে থাকতে দেখে আতঙ্কিত এলাকার মানুষ (Garia Bombing)। ভয়ে-আতঙ্কে দৌড়োদৌড়ি শুরু হয়। এরপর খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পরে পুলিশ এসে বোমা উদ্ধার করে ও তিনটি বোমাই নিষ্ক্রিয় করা হয়।

    আরও পড়ুন: সাঁইথিয়ার বোমা বিস্ফোরণের তদন্ত এনআইএ করবে কিনা, সিদ্ধান্ত নেবে কেন্দ্র, জানাল হাইকোর্ট

    স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শিশু উদ্যান ও প্রাথমিক স্কুলের পাশে একের পর এক বোমা ছোঁড়ে দুষ্কৃতিরা (Garia Bombing)। বোমা যেখানে পড়েছিল তার ৩ কিলোমিটারের মধ্যে খেয়াদা ২ নং গ্রাম পঞ্চায়েত। খেয়াদার শান্তি পার্ক এলাকাতেই শিশুদের উপর বোমা ছুঁড়েছিল দুষ্কৃতীরা। ফের বোমা উদ্ধার হওয়ায় এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। 

    বোমাবাজির ঘটনা রাজ্যে প্রথম নয় (Garia Bombing)। এর আগেও বহু জায়গায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। উদ্ধার করা হয়েছে তাজা বোমা। আর নির্বাচন সামনে থাকলেই শুরু হয় অস্ত্র উদ্ধার থেকে বোমাবাজির ঘটনা। ফলে এবারও এর অন্যথা কিছু হয়নি। তাই পঞ্চায়েত ভোটের আগেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বোমাবাজির ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ডার্টি বম্ব’ প্রসঙ্গে ভারতের সঙ্গে কথা রাশিয়ার, গণতান্ত্রিক উপায়ে সমাধানের পরামর্শ রাজনাথের

    আগের বোমাবাজির ঘটনা

    গত অক্টোবর মাসেও উত্তর ২৪ পরগনার কাঁকিনাড়ায়, বল ভেবে খেলতে গিয়ে বোমা ফেটে এক শিশুর মৃত্যু হয়। বিস্ফোরণে হাত উড়ে যায় আরও এক শিশুর। সেই ঘটনার তিন দিন পরেই নরেন্দ্রপুর থানার দাসপাড়া এলাকাতেও বোমাবাজি হয়। দুপুরে মাঠে খেলতে গিয়ে দুষ্কৃতীদের ছোঁড়া বোমায় গুরুতর ভাবে আহত হয় পাঁচ জন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে বোমা উদ্ধারের ঘটনায় পারদ চড়ছে রাজনীতিরও (Garia Bombing)।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Partha Chatterjee: ফের জামিনের আবেদন খারিজ, কমপক্ষে আরও ১৪ দিন জেলেই থাকতে হবে পার্থ- সুবীরেশদের

    Partha Chatterjee: ফের জামিনের আবেদন খারিজ, কমপক্ষে আরও ১৪ দিন জেলেই থাকতে হবে পার্থ- সুবীরেশদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়সহ (Partha Chatterjee) নিয়োগ দুর্নীতিতে অভিযুক্ত ৭ জনের জামিনের আবেদন খারিজ করে দিল আদালত। ১২ ডিসেম্বর অবধি জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন আলিপুর আদালতের বিচারক রানা দাম।  

    সোমবার পার্থ চট্টোপাধ্যায়সহ (Partha Chatterjee) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় অভিযুক্ত ৭ জন জামিনের আবেদন করেন আদালতে। বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার কারণ দর্শিয়ে জামিনের আবেদন করেছেন পার্থ-সহ বাকি অভিযুক্তদের আইনজীবী। এবারও মঞ্জুর হল না সেই আবেদন। এই মামলায় পার্থ চট্টোপাধ্যায়দের ‘ক্ষমতাশালী’ ‘পরিকল্পনাকারী’ এবং ‘ষড়যন্ত্রী’ বলে দাবি করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এই দাবি থেকেই আদালতে অভিযুক্তদের জামিনের বিরোধীতা করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। অন্য দিকে, পার্থর আইনজীবী সেলিম রহমান দাবি করেন, তাঁর মক্কেলের নাম নিয়োগ দুর্নীতি মামলার এফআইআরে নেই। তাই তাঁকে জামিন দেওয়া উচিৎ আদালতের। এই প্রেক্ষিতে পার্থর আইনজীবীর প্রশ্ন, “তদন্তের নামে আর কত দিন এ ভাবে বন্দি থাকতে হবে আমার মক্কেলকে?” তিনি এ-ও দাবি করেন সিবিআইয়ের তদন্তে কোনও অগ্রগতি নেই। আইনজীবীর কথায়, ‘‘কেন্দ্রীয় এজেন্সি সব ঠিক করছে না।’’

    আরও পড়ুন: “রাজ্য মন্ত্রিসভার সবাই চোর, পুরো ক্যাবিনেটের গ্রেফতারি চাই”! বিধানসভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    কী বলেছে সিবিআই 

    তবে সিবিআই এর আগেই প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কে (Partha Chatterjee) এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’ বলে উল্লেখ করেছে। সিবিআই-এর তরফে সওয়াল করা হয়, পার্থ চট্টোপাধ্যায়-সহ বাকি অভিযুক্তরা প্রভাবশালী। তাঁরা জামিন পেলে তদন্ত প্রভাবিত হতে পারে, সেই কারণ দর্শিয়ে তাঁরা ১৪ দিনের হেফাজতের আবেদন জানান সিবিআই-এর আইনজীবী। দুই পক্ষের সওয়াল-জবাব শোনার পরে অভিযুক্তদের আপাতত জেল হেফাজতে রাখারই সিদ্ধান্ত নেয় আদালত। 

    এদিকে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) আইনজীবী তাঁর মক্কেলের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছেন। বিচারক সিবিআই-এর দুটি মামলারই তদন্তকারী অফিসারের কাছে জানতে চান, এই মামলার তদন্ত কবে শেষ হবে? আইও জানিয়েছেন, হাইকোর্টের নির্দেশে তাঁরা তদন্ত করছেন। তদন্তের গতিপ্রকৃতি সংক্রান্ত ‘স্টেটাস রিপোর্ট’ তাঁরা হাইকোর্টে জমা করছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

     

  • Delhi Murder: দিল্লিতে শ্রদ্ধাকাণ্ডের ছায়া! স্বামীর দেহ দশ টুকরো করে ফ্রিজে রাখল স্ত্রী-পুত্র

    Delhi Murder: দিল্লিতে শ্রদ্ধাকাণ্ডের ছায়া! স্বামীর দেহ দশ টুকরো করে ফ্রিজে রাখল স্ত্রী-পুত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যার ছায়া দেশের রাজধানী দিল্লিতে (Delhi Murder)। স্বামীর পরকীয়ার ‘শাস্তি’ দিতে ভয়ঙ্কর পথ বাছলেন স্ত্রী।  স্বামী পরকীয়া করছেন সন্দেহে স্বামীকে খুন করে দেহ দশ টুকরো করলেন স্ত্রী ও ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে দিল্লির পাণ্ডবনগর এলাকায়। সোমবার অভিযুক্ত মহিলা ও তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখা। তাঁদের বিরুদ্ধে ঠোস প্রমাণ রয়েছে পুলিশের হাতে। সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে, মৃতের ছেলে দিল্লির পাণ্ডবনগর এলাকায় দেহর টুকরো ছড়াচ্ছে।

    আরও পড়ুন: শীতকালে ঘুরে আসুন এই জায়গাগুলো থেকে

     

    কী ঘটে?   

    দিল্লির পাণ্ডবনগরে স্ত্রী পুনম ও ছেলে দীপককে নিয়ে থাকতেন অঞ্জন দাস। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জুন মাসে পূর্ব দিল্লির (Delhi Murder) পাণ্ডবনগর এলাকা থেকে কাটা দেহাংশ উদ্ধার হয়েছিল। কিন্তু কার দেহাংশ সেই বিষয়ে কোনও তথ্য ছিল না পুলিশের কাছে। তারপরে তদন্ত চালাতেই বেরিয়ে আসে ভয়ঙ্কর এই সত্যি।
      
    সম্প্রতি আরও রোমহর্ষক শ্রদ্ধা ওয়ালকার হত্যা মামলার (Delhi Murder) তদন্তে সফল হয়েছে দিল্লি পুলিশ। গত মে মাসে একই কায়দায় শ্রদ্ধাকে খুন করে, তার দেহ ৩৫ টুকরো করে দিল্লিজুড়ে ছড়িয়ে দিয়েছিল তার প্রেমিক আফতাব। কয়েক সপ্তাহ আগে অপরাধীকে গ্রেফতার করে খুনের কিনারা করেছিল পুলিশ। সেই একই কায়দায় পাণ্ডবনগর এলাকা থেকে উদ্ধার হওয়া দেহাংশের রহস্যভেদ করতে তদন্ত শুরু করে দিল্লি পুলিশের অপরাধ দমন শাখা।
     

     
    সোমবার মৃতের স্ত্রী ও ছেলেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। জানা দিয়েছে, স্ত্রী পুনমের সন্দেহ ছিল অঞ্জন পরকীয়া শুরু করেছেন। আর সন্দেহের বশবর্তী হয়ে তাঁর খাবারের ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে দেন  পুনম ও ছেলে দীপক। তারপর ঠান্ডা মাথায় ঘরের মধ্যে খুন (Delhi Murder) করা হয় তাঁকে। দেহ দশ টুকরো করে ফ্রিজে রেখে দেন মা-ছেলে। পরে সময় সুযোগ বুঝে পাণ্ডবনগর চত্বর ও তার আশেপাশে দেহের টুকরো ছড়াতে শুরু করেন দীপক। সিসিটিভি ফুটেজে সেই ছবিই প্রমাণ হিসেবে পেয়েছে পুলিশ। এই ঘটনায় আর কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।      
  • Love Jihad: ফের লাভ জেহাদ! হিন্দু নাবালিকাকে ‘অপহরণের ছক’, গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    Love Jihad: ফের লাভ জেহাদ! হিন্দু নাবালিকাকে ‘অপহরণের ছক’, গ্রেফতার মুসলিম যুবক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের একবার লাভ জেহাদের (Love Jihad) ঘটনা সামনে এসেছে। এবারে ১৫ বছর বয়সী এক হিন্দু নাবালিকার ব্রেনওয়াশ করে তাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল এক মুসলিম যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের বাগপাত জেলার। সূত্রের খবর অনুযায়ী, মুসলিম যুবকটির নাম সোহেল আনসারি। জানা গিয়েছে, মেয়েটি নবম শ্রেণিতে পড়ে ও যুবকটি মেয়েটির থেকে ১০ বছরের বড়। পরে মেয়েটিকে উদ্ধার করা হয় ড্রেনের পাইপ থেকে। ইতিমধ্যেই ছেলেটিকে অপহরণ করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    কী ঘটেছিল?

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, মেয়েটির সঙ্গে যুবকটির ভালোবাসার সম্পর্ক ছিল। আর তারা দুজনেই পালানোর পরিকল্পনা করেছিল। কিন্তু মেয়েটি বুঝতে পারে যে, তার বা-মা তাদের পালানোর কথাটি জেনে গিয়েছে। আর সেই ভয়ে যুবকটির সঙ্গে না পালিয়ে, সে একাই অন্য এক জায়গায় গিয়ে লুকিয়ে ছিল। পরে খুঁজতে গিয়ে তাকে এক ড্রেনের পাইপ থেকে উদ্ধার করা হয়। জানা যায়, প্রায় ৯ ঘণ্টা সে সেখানে লুকিয়ে ছিল। ঘটনাটি ঘটে ২৩ নভেম্বর।

    আরও পড়ুন: এবার অসমে লাভ জেহাদের শিকার হিন্দু নাবালিকা! কিশোরীকে গণধর্ষণ চার যুবকের

    সেদিন সে স্কুল যাওয়ার নাম করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পরে বাড়িতে ফিরে না এলে সে নিখোঁজ বলে জানানো হয় পুলিশকে (Love Jihad) । এরপরেই তাকে খোঁজার চেষ্টা করে পুলিশ। মেয়েটিকে উদ্ধারের পর জিজ্ঞেস করে জানা যায়, সে বাড়িতে ফিরে গেলেই তার বাবা-মা তাকে বকাবকি করবে ও আর সেই ভয়েই বাড়ি না গিয়ে ড্রেনের পাইপে লুকিয়ে ছিল।

    অভিযোগ উঠেছে যে, সোহেল মেয়েটির ব্রেনওয়াশ করে তাকে নিয়ে পালানোর ফন্দি এঁটেছিল (Love Jihad) । পুলিশ সূত্রে খবর, ২৩ নভেম্বর সকাল ১০টা ৩০ মিনিটের দিকে সিংগাওয়ালি আহির থানায় তার নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ করা হয়েছিল। এরপর তার অনুসন্ধানের জন্য পাঁচটি থানা থেকে পুলিশের একটি টিম মোতায়েন করার পাশাপাশি কুকুরও মোতায়েন করা হয়েছিল।

    জানা গেছে, অপহরণের অভিযোগে ওই মুসলিম যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সোহেলের বিরুদ্ধে আইপিসি ধারা ৩৬৩-এর পাশাপাশি যৌন অপরাধের বিরুদ্ধে শিশুদের সুরক্ষা (পকসো) আইনের ধারা ৭/৮ এবং তফসিলি জাতি (অত্যাচার প্রতিরোধ) আইনের ধারা ৩(২)৫এ- এর অধীনে সিংগাওয়ালি আহির থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে (Love Jihad) ।

LinkedIn
Share