Blog

  • BCCI: বিশ্বকাপে ব্যর্থ ভারত, চেতন শর্মা সহ গোটা নির্বাচক কমিটিকে ছাঁটল বোর্ড

    BCCI: বিশ্বকাপে ব্যর্থ ভারত, চেতন শর্মা সহ গোটা নির্বাচক কমিটিকে ছাঁটল বোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেশাদারি দুনিয়ায় ব্যর্থ হলে তার দায় নিতে হয় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে। তেমনি নিয়ম বোধহয় এবার চালু হয়ে গেল ভারতীয় ক্রিকেটেও! টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে গিয়ে হেরে গিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট দল (Indian Cricket Team)। তার দায় নির্বাচকদের ঘাড়ে চাপিয়ে গোটা নির্বাচক কমিটিকে ছেঁটে ফেলল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড, সংক্ষেপে বিসিসিআই (BCCI)। শুক্রবার বিকেলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও সরাসরি ছেঁটে ফেলার কথা বলা হয়নি। তবে বোর্ডের ওয়েবসাইটে নয়া নির্বাচক হওয়ার জন্য আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছে।

    বিসিসিআইয়ের বিজ্ঞপ্তি…

    শুক্রবার বিকেলে বোর্ডের (BCCI) ওয়েবসাইটে জাতীয় নির্বাচক চেয়ে জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। তাতে বলা হয়েছে, পুরুষ ক্রিকেট দলের জন্য পাঁচজন জাতীয় নির্বাচক আহ্বান করা হচ্ছে। যোগ্যতার মানদণ্ড ধার্য করা হয়েছে ভারতের হয়ে কমপক্ষে সাতটি টেস্ট ম্যাচ খেলা বা ৩০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলা, ১০টি এক দিনের ম্যাচ এবং ২০টি প্রথম শ্রেণির ম্যাচ খেলা প্রাক্তন ক্রিকেটারদের কাছ থেকে আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে এও বলা হয়েছে, অন্তত পাঁচ বছর আগে অবসর নিয়েছেন, এমন প্রার্থীরাই আবেদন করতে পারবেন। বোর্ডের কোনও ক্রিকেট কমিটিতে পাঁচ বছর কাটিয়েছেন, এরকম কেউ আবেদন করতে পারবেন না। ২৮ নভেম্বর সন্ধে ৬টা পর্যন্ত আবেদন করা যাবে। নয়া বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার অর্থ নির্দিষ্ট সময় পূরণ করার আগেই চেতন শর্মাদের ছেঁটে ফেলল বোর্ড।

    আরও পড়ুন: রোহিতদের পারফরম্যান্সে খুশি নয় বিসিসিআই! দলে একগুচ্ছ পরিবর্তনের সম্ভাবনা

    সিনিয়র নির্বাচক কমিটিতে চারজন সদস্য ছিলেন। এঁরা হলেন, চেতন শর্মা। তিনি উত্তরাঞ্চলের প্রতিনিধি। ছিলেন হরবিন্দর সিং। তিনি ছিলেন মধ্যাঞ্চলের প্রতিনিধি। দক্ষিণাঞ্চলের প্রতিনিধি ছিলেন সুনীল যোশী। আর পূর্বাঞ্চলের প্রতিনিধি ছিলেন দেবাশিস মোহান্তি। পশ্চিমাঞ্চলের কোনও প্রতিনিধি ছিলেন না। কারণ আবে কুরুভিল্লার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর আর কাউকেই ওই পদে বসানো হয়নি। প্রসঙ্গত, বিসিসিআই যে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে, সেখানেও পাঁচজনই চাওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, নির্বাচকদের মেয়াদ চার বছরের। বোর্ড (BCCI) চাইলে তার পরেও মেয়াদ বাড়ানো যায়। এই সময়সীমা পূরণ হওয়ার আগেই সরে যেতে হচ্ছে চেতন শর্মাদের। সাম্প্রতিক অতীতে যা দেখা যায়নি বলেই মত ক্রীড়াবিদদের একাংশের।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • SSC Group D: ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই দুর্নীতির ফল ভুগবে’’, গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য বিচারপতির

    SSC Group D: ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই দুর্নীতির ফল ভুগবে’’, গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য বিচারপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই দুর্নীতির ফল ভুগবে…’’। এবার এসএসসি গ্রুপ ডি (SSC Group D) দুর্নীতি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta Highcourt) আরেক বিচারপতি। 

    হাইকোর্টে রিপোর্ট পেশ সিবিআইয়ের

    শুক্রবার, এসএসসি সংক্রান্ত দুর্নীতির একটি মামলার শুনানি চলছিল বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর (Justice Biswajit Basu) এজলাসে। সেখানে গ্রুপ-ডি (SSC Group D) নিয়োগ সংক্রান্ত রিপোর্ট পেশ করে সিবিআই (CBI)। সেই রিপোর্ট দেখে বিস্মিত বিচারপতি বলে ওঠেন, ‘‘সাদা খাতায় চাকরি! ব্ল্যাঙ্ক OMR শিটে চাকরি! ভয়ানক বড় দুর্নীতি।’’ বিচারপতি আরও বলেন, ‘‘প্রজন্মের পর প্রজন্ম এই দুর্নীতির ফল ভুগবে৷ এই দুর্নীতি কতটা গভীরে তা খুঁজে বার করা দরকার। কারণ এই দুর্নীতির ফলে ছাত্র- শিক্ষক সম্পর্কই নষ্ট হয়ে যাবে!’’ 

    আরও পড়ুন: কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শূন্যপদে নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    এসএসসি দুর্নীতি (SSC Recruitment Scam) নিয়ে একাধিকবার বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। এর আগে এই গ্রুপ ডি (SSC Group D) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, ২৯ সেপ্টেম্বর কড়া মন্তব্য করেন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু। বলেছিলেন, ‘‘এটা হিমশৈলের চূড়ামাত্র, গোটা হিমশৈল জলের নিচে আছে। ভয়ঙ্কর পরিসংখ্যান। এরা শিক্ষক, এরা সমাজ গড়ে, এরা অন্য কোন পেশায় নেই। আমি জানিনা এর শেষ কোথায়। আগে আবর্জনা পরিষ্কার করুন। গোটা প্যানেল খারিজ করা উচিত।’’ সম্প্রতি, পর্ষদকে (School Service Comission) তুলোধনা করে বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু বলেন, ‘‘রাজ্য ও স্কুল সার্ভিস কমিশনের অবস্থান এক না হলে কমিশন ভেঙে দেওয়া হোক।’’

    তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য বিচারপতির

    এদিনও (SSC Group D) মামলার শুনানিতে আরও তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করলেন তিনি। বিচারপতি বলেন, ‘‘এবার নিজের যোগ্যতায়ও যদি কেউ চাকরি পায়, তাহলেও ছাত্ররা শিক্ষকদের যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। এই শিক্ষকদের কারণে একটা প্রজন্ম নষ্ট হয়ে যাবে।’’ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার উদ্দেশে বিচারপতি প্রশ্নও করেন, ‘‘দুর্নীতি ৭ না ১০ বছরের পুরনো কিছু জানা গিয়েছে? এই শিক্ষকদের কারণে একটা প্রজন্ম নষ্ট হয়ে যাবে। এবার বুঝতে পারছি কেন এই অতিরিক্ত শূন্যপদ। দেখতে হবে এই দুর্নীতি কত বছরের পুরনো।’’ 

    আগামী ২৪ নভেম্বর এই মামলার পরবর্তী শুনানি৷

  • Modi at Tech Summit: দারিদ্রের বিরুদ্ধে প্রযুক্তিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে ভারত, প্রযুক্তি সম্মেলনে বললেন মোদি

    Modi at Tech Summit: দারিদ্রের বিরুদ্ধে প্রযুক্তিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে ভারত, প্রযুক্তি সম্মেলনে বললেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে প্রযুক্তিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে ভারত। বেঙ্গালুরুতে অনুষ্ঠিত প্রযুক্তি সম্মেলনে (Modi at Tech Summit) এমনটাই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। বুধবার এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভারতের তরুণ প্রজন্ম প্রযুক্তি ও প্রতিভার বিশ্বায়নকে নিশ্চিত করেছে। কীভাবে প্রযুক্তিকে গণতান্ত্রিক করতে হয় তা ভারত দেখিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, প্রযুক্তির মাধ্যমে আমরা দেশের পরিকাঠামোগত উন্নয়নও করেছি।”

    আরও পড়ুন: কর্মশিক্ষা ও শারীরশিক্ষার শূন্যপদে নিয়োগে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিল হাইকোর্ট

    বেঙ্গালুরু টেক সামিটে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু একীকরণের সম্ভব হলে, তা একটি প্রধান শক্তি হয়ে ওঠে। মোদির কথায়, ভারতের উদ্ভাবন সূচকে বেঙ্গালুরু এক নম্বরে। বেঙ্গালুরু প্রযুক্তির আবাসস্থল। এটি একটি উদ্ভাবনী শহর। এই বছর বিশ্বব্যাপী উদ্ভাবন সূচকে ভারত ৪০ তম স্থানে উঠে এসেছে। ২০১৫ সালে আমরা ৮১ তম স্থানে ছিলাম। ভারত ৮১,০০০ স্টার্টআপের আঁতুড় ঘর। ভারতে ইউনিকর্ন স্টার্টআপের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়েছে, আমরা এখন  এ বিষয়ে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম। আপনাদের বিনিয়োগ ও আমাদের উদ্ভাবন বিস্ময়কর কাজ করতে পারে। আমি আপনাদের সকলকে আমাদের সঙ্গে কাজ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”

    আর কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    প্রধানমন্ত্রী বলেন কীভাবে প্রযুক্তি ভারতে করোনা মোকাবিলায় সাহায্য করেছে। জন ধন যোজনা, আধার, ভারত সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পে প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে। দেশে মোবাইল ও ডেটা বিপ্লবের প্রসঙ্গও উত্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “গত ৮ বছরে ব্রডব্যান্ড সংযোগ ৬ কোটি থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ৮১ কোটিতে দাঁড়িয়েছে। অন্যদিকে, স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১৫ কোটি থেকে বেড়ে ৭৫ কোটি হয়েছে। শহরগুলির তুলনায় দেশের গ্রামাঞ্চলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এইভাবে এক নতুন জনগোষ্ঠী প্রযুক্তির হাত ধরে তথ্যের দোরগোড়ায় পৌঁছে গিয়েছে।” এই ঘটনাকে প্রযুক্তি ক্ষেত্রে গণতন্ত্রের প্রতিষ্ঠা বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “মানুষের হাতের স্পর্শে কীভাবে প্রযুক্তির প্রসার ঘটতে পারে, তা করে দেখিয়েছে আমাদের দেশ।”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “জন ধন যোজনা, আধার মোবাইল- এর মাধ্যমে দরিদ্র মানুষের ক্ষমতায়ন ঘটেছে। এই ব্যবস্থায় গ্রহীতাদের নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি টাকা ট্রান্সফার সুনিশ্চিত করা হয়েছে। প্রযুক্তির হাত ধরে ছোটখাটো ব্যবসায়িক উদ্যোগগুলিও এখন বাণিজ্যিক দিক থেকে লাভবান হয়ে উঠছে। সরকারের এই সমস্ত প্রচেষ্টার ফলে দেশে দুর্নীতিও অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্প ও কর্মসূচির মধ্যে যাতে স্বচ্ছতা বজায় থাকে তা সুনিশ্চিত করতে অনলাইন টেন্ডার পদ্ধতিও চালু করা হয়েছে।”    

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

      

  • Bengal Police: মুম্বই গিয়ে তোলা চাইছেন রাজ্য সিআইডি কর্তা! অভিযোগ দায়ের ব্যবসায়ীর

    Bengal Police: মুম্বই গিয়ে তোলা চাইছেন রাজ্য সিআইডি কর্তা! অভিযোগ দায়ের ব্যবসায়ীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও শাসকদলের হয়ে কাজ করা, কখনও তোলাবাজি, আবার কখনও আন্দোলনকারীদের উপর অত্যাচার-এমন একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে রাজ্যে পুলিশের বিরুদ্ধে (Bengal Police)। আর এবার রাজ্যের সিআইডি (CID) কর্তার বিরুদ্ধে তোলাবাজির অভিযোগ দায়ের হল মুম্বইয়ে। অভিযোগ উঠেছে যে, মুম্বইয়ের এক ব্যবসায়ীর থেকে ২০ লক্ষ টাকা চেয়েছিলেন সিআইডি আধিকারিক-সহ মোট ৪ জন। এমনকি, ব্যবসায়ীর স্ত্রীকে খুনের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি। যদিও সিআইডি সূত্রে দাবি, ব্যবসায়ীর অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাই এই বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তোলাবাজির অভিযোগ সিআইডি কর্তার বিরুদ্ধে

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, ব্যবসায়ীর নাম জিতেন্দ্র নাভলানি। তিনি মুম্বইয়ের ওরলি থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন (Bengal Police)। জিতেন্দ্র অভিযোগ করেছেন যে, পশ্চিমবঙ্গের সিআইডি বিভাগের এক কর্মী সহ ৪ জন তাঁর থেকে জোর করে টাকা আদায় করেছেন। এই সিআইডি কর্তার নাম রাজর্ষি ব্যানার্জি। শুধু তাই নয়, তাঁর স্ত্রীকে খুন করারও হুমকি দিয়েছেন। তিনি আরও অভিযোগ করেছেন যে, মে মাসে কলকাতার রানিগঞ্জে একটি নাকাবন্দির সময় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ৩.০২ কোটি টাকা জব্দ করার পর থেকে আরও টাকা জোর করে আদায় করা শুরু করেন। এরপর কলকাতা পুলিশের তরফে জারি করা লুক আউট নোটিসের ভিত্তিতে হঠাৎ তাঁর স্ত্রীকে মুম্বই বিমানবন্দরে আটকানো হয়। তাঁকে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসারও হুমকি দেওয়া হয়।

    নাভলানির আইনজীবী যাদব জানিয়েছেন, “তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে যখন এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, তখন কলকাতা সিআইডি পুলিশ নাভলানি এবং তাঁর স্ত্রীকে কোনও নোটিশ দেয়নি এবং লুক আউট নোটিস জারি করা হয়েছিল৷ এরপর কলকাতা সিআইডি অফিসার তাঁকে গ্রেফতার করে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দিয়েছেন৷” আরও অভিযোগ উঠেছে যে, জামিনের জন্য ১০ কোটি আদায় করেছিলেন ও পরে দফায় দফায় লক্ষ লক্ষ টাকা নিয়ে এখনও পর্যন্ত মোট ২০ লক্ষ টাকা জোর করে আদায় করেছেন সিআইডি অফিসার রাজর্ষি ব্যানার্জি (Bengal Police)।

    এখানেই শেষ নয়, নাভলানির আইনজীবী যাদব জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ (Bengal Police) নাভলানির এক বন্ধু অরুণাভ অধিকারীকে নাভিলানির বিরুদ্ধে প্রতারণা করার অভিযোগে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে বাধ্য করেন। পরে যদিও যাদব দাবি করেছেন যে, অধিকারী পরে এফআইআর বাতিলের জন্য কলকাতা হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন।

    ওরলি পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, “আমরা মামলাটি তদন্ত করছি।” সিআইডি অফিসার সহ ওই চারজনের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ১২০বি, ৩৮৪ ও ৩৮৬ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। রাজ্য পুলিশের (Bengal Police) বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের মধ্যে বাংলার সিআইডি কর্তার বিরুদ্ধে তোলাবাজির গুরুতর অভিযোগ ওঠায় রাজ্য জুড়ে ফের শোরগোল পড়ে গিয়েছে। তবে সরকারি তরফে এই বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

  • Sanjay Kumar Mishra: ফের বাড়ল ইডি কর্তার মেয়াদ, কেন জানেন?  

    Sanjay Kumar Mishra: ফের বাড়ল ইডি কর্তার মেয়াদ, কেন জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এ নিয়ে তৃতীয়বার। অবসরের একদিন আগেই ফের এক বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ল ইডি (ED) প্রধান সঞ্জয় কুমার মিশ্রের (Sanjay Kumar Mishra)। বৃহস্পতিবারই কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয় সঞ্জয় কুমার মিশ্রের মেয়াদ বৃদ্ধির কথা। তৃতীয়বার মেয়াদ বৃদ্ধির ফলে আগামী বছর ইডি অধিকর্তা হিসেবে তিনি পূর্ণ করবেন পাঁচ বছর।

    ইডি অধিকর্তা হিসেবে…

    বছর বাষট্টির আইআরএস (IRS) কর্তা ইডি অধিকর্তা হিসেবে কাজে যোগ দিয়েছিলেন ২০১৮ সালের নভেম্বরে। সেবার দু বছরের জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল তাঁকে। ২০২০ সালের নভেম্বরে ফের এক বছরের জন্য মেয়াদ বাড়ানো হয় তাঁর। ২০২১ সালের নভেম্বরে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ বাড়ানো হয় আরও এক বছর।

    সঞ্জয়ের এই মেয়াদ বৃদ্ধিতে খুশি নন বিরোধীরা। তাঁর এই মেয়াদ বৃদ্ধি নিয়ে আগেই সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে অন্ততপক্ষে আটটি পিটিশন। ২২ সেপ্টেম্বর কেন্দ্র সুপ্রিম কোর্টে জানায়, সঞ্জয়ের মেয়াদ বৃদ্ধিকে চ্যালেঞ্জ করে যেসব আবেদন জমা পড়েছে, সেগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। কারণ ওই আবেদন যারা করেছে, তারা হয় কংগ্রেস নয় তৃণমূল। এদের কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত করছে ইডি। সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে একাধিক রাজ্যে আর্থিক তছরুপ সংক্রান্ত একাধিক মামলার তদন্ত চলছে। যথাযথভাবে যাতে এই মামলাগুলির নিষ্পত্তি হয়, তাই ইডি অধিকর্তা হিসেবে সঞ্জয় কুমার মিশ্রের মেয়াদ বাড়ানো হল আরও এক বছর।

    আরও পড়ুন: অ্যারেস্ট মেমোয় সই করছেন না কেষ্ট, ওয়ারেন্ট আনতে দিল্লিতে ইডি

    প্রসঙ্গত, সঞ্জয় কুমার মিশ্রই ইডির প্রথম অধিকর্তা যাঁর কাজের মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। ২০২০ সালের ১৩ নভেম্বর প্রথমবার তাঁর মেয়াদ বাড়ানো হয়। পরে কেন্দ্রের তরফে আনা হয় বিশেষ অর্ডিন্যান্স। তাতে বলা হয়, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআইয়ের অধিকর্তাদের মেয়াদ সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যাবে। সঞ্জয় কুমার মিশ্রের মেয়াদ যখন প্রথমবার বাড়ানো হয়, তখনই কেন্দ্রের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা দায়ের হয় সুপ্রিম কোর্টে। তবে আদালত এই বিষয়ে হস্তক্ষেপ করতে অস্বীকার করে। আদালতের তরফে এও বলা হয়, সিভিসি আইনে দু বছরের মেয়াদকাল সম্পর্কে কোনও উল্লেখ নেই। মামলার নিষ্পত্তি করতে মেয়াদ বাড়ানো যেতেই পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Rajiv Assassination: রাজীব হত্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র, কেন জানেন?

    Rajiv Assassination: রাজীব হত্যা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী হত্যা (Rajiv Assassination) মামলায় ছয় সাজাপ্রাপ্তকে সপ্তাহখানেক আগে মুক্তির অনুমতি দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। দেশের শীর্ষ আদালতের সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছে কেন্দ্র (Centre)। সরকারের যুক্তি, সাজাপ্রাপ্তদের ক্ষমার নির্দেশটি শুনানির সুযোগ না দিয়েই পাশ করা হয়েছে। আবেদনে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, গোটা বিষয়টিতে পদ্ধতিগত ত্রুটি রয়েছে। কারণ সাজাপ্রাপ্তরা তাদের মুক্তির আবেদনে কেন্দ্রকে অংশীদার করেনি। তাই মামলায় অংশ নিতে পারেনি কেন্দ্র।

    চলতি বছরের ১১ নভেম্বর নলিনী শ্রীহরণ সহ ছয় সাজাপ্রাপ্তকে মুক্তির অনুমতি দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। তামিলনাড়ুর জেল থেকে ছাড়াও পেয়ে যায় তারা। এরা প্রত্যেকেই রাজীব গান্ধী হত্যা (Rajiv Assassination) মামলায় সাজাপ্রাপ্ত। তিন দশকের বন্দি জীবনও কাটিয়েছে তারা। এদিন দেশের শীর্ষ আদালতে কেন্দ্র জানায়, যে ছজনকে মুক্তির নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট, তার মধ্যে চারজনই শ্রীলঙ্কার নাগরিক। ভূতপূর্ব প্রধানমন্ত্রীকে হত্যার গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে। সন্ত্রাসবাদের অভিযোগও রয়েছে। এদের মুক্তি দেওয়ার অনুমতি ছিল এমন একটি বিষয় যার আন্তর্জাতিক প্রভাব রয়েছে। এবং সেই কারণে এটি ভারতের সার্বভৌম ক্ষমতার মধ্যে পড়ে।

    রাজীব গান্ধী হত্যা…

    প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুর শ্রীপেরামবুদুরে একটি জনসভায় যোগ দিতে গিয়েছিলেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। এলটিটিইর এক আত্মঘাতী মহিলা হামলাকারীর বিস্ফোরণের জেরে প্রাণ হারান তিনি। ওই ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল আরও ১৫ জনের। যে আত্মঘাতী হামলাটি চালিয়েছিল, সে ধনু। রাজীব গান্ধীর পা ছোঁয়ার ভান করে সে নিচু হয়েছিল। তার পরেই ঘটে প্রাণঘাতী বিস্ফোরণ। মৃত্যু হয় ১৬ জনের। জখমও হয়েছিলেন বেশ কয়েকজন।

    আরও পড়ুন: পথ কুকুরদের খাওয়ালে দত্তক নিতে হবে, বম্বে হাইকোর্টের রায়ে স্থগিতাদেশ সুপ্রিম কোর্টের

    মাস ছয়েক আগে এই মামলার অন্যতম সাজাপ্রাপ্ত এজি পেরারিভালানকে মুক্তি দিয়েছিল আদালত। ১৮ মে সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদের অধীনে তার ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুপ্রিম কোর্ট পেরারিভালানকে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল। সেই মুক্তি রাজীব হত্যাকাণ্ডে বাকি সাজাপ্রাপ্তদের মুক্তির পথ প্রশস্ত করেছে। শুক্রবার বেঞ্চ বলেছে, এই একই আদেশ অন্য ছয় অভিযুক্তের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • West Bengal Weather: জেলায় জেলায় তাপমাত্রা নামল ১৫ ডিগ্রিতে, কলকাতায় কেমন ঠান্ডা?

    West Bengal Weather: জেলায় জেলায় তাপমাত্রা নামল ১৫ ডিগ্রিতে, কলকাতায় কেমন ঠান্ডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের আমেজ বজায় রয়েছে সারা রাজ্য জুড়ে। কলকাতায় আজও পারদ ১৮-এর নীচে। আগের থেকে তাপমাত্রা কিছুটা বাড়লেও পারদ ১৮-এর নীচেই রয়েছে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, কলকাতায় শীতের আমেজ থাকলেও তীব্র ঠান্ডা পড়তে এখনও মাসখানেক দেরি। তবে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে পারদ পতন জারি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। গতকাল তাপমাত্রা বেড়ে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা হয়েছিল ১৭ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। আজও তাপমাত্রা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম রয়েছে (West Bengal Weather)।

    দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গে এখন সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩০ ডিগ্রি ও ২০ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের সৃষ্টি হলেও তার প্রভাব দক্ষিণবঙ্গে পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম। ফলে বৃষ্টিপাতেরও কোনও সম্ভাবনা নেই। তবে দু-একদিন আকাশ মেঘলা থাকতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আপাতত আগামী পাঁচদিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই। তবে ভোরের দিকে কুয়াশা থাকবে ও বেলা বাড়তেই রৌদজ্জ্বল আকাশ থাকবে (West Bengal Weather)।

    আরও পড়ুন: কলকাতা সহ রাজ্যে আবহাওয়া কেমন থাকবে? কী বলছেন আবহবিদরা?

    উত্তরবঙ্গের আহাওয়া

    দক্ষিণবঙ্গের তুলনায় উত্তরবঙ্গে ঠান্ডা স্বাভাবিকভাবেই বেশি। সেখানে শীত জাঁকিয়ে বসেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে দার্জিলিং ও কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। গতকাল সামান্য বৃষ্টি হলেও উত্তরবঙ্গের অন্য জেলায় শুষ্ক ও পরিস্কার আবহাওয়া থাকবে। কোথাও কোথাও সকালের দিকে কুয়াশা এবং শিশির পড়বে। উঁচু এলাকাগুলিতে রয়েছে তুষারপাতের পূর্বাভাস। এমনই জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় জমিয়ে ঠান্ডা পড়তে শুরু করেছে বলেই মনে করছেন আবহবিদরা। ডিসেম্বরের শুরু থেকেই আরও পতন শুরু হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস (West Bengal Weather)।

    জেলার আবহাওয়া

    কলকাতায় সামান্য তাপমাত্রা বাড়লেও জেলায় জেলায় তাপমাত্রা কমের দিকেই থাকবে। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে ঠান্ডার দাপট বজায় থাকবে (West Bengal Weather)। পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূমে তাপমাত্রা অন্যান্য জেলার তুলনায় কম থাকবে। ১২ থেকে ১৪ ডিগ্রির আশে পাশে থাকবে পশ্চিমের জেলার তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবারও জেলায় জেলায় ভোরের দিকে ছিল ঘন কুয়াশা। ফলে ৩ মাসের জন্য অর্থাৎ আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে ২০২৩-এর ২ মার্চ পর্যন্ত দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ জারি করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে রেল কর্তৃপক্ষ।  

  • SSC Scam: ‘কমিশনের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই কেন?’ নিয়োগ মামলায় প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার

    SSC Scam: ‘কমিশনের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণ নেই কেন?’ নিয়োগ মামলায় প্রশ্নের মুখে রাজ্য সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অতিরিক্ত শূন্যপদ মামলায় কলকাতা হাই কোর্টে (Calcutta High Court) অস্বস্তিতে স্কুল শিক্ষা কমিশন। মামলার শুনানি চলাকালীন বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসুর তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য, “রাজ্য এবং স্কুল সার্ভিস কমিশনের (SSC) অবস্থান যদি এক না হয় তাহলে কমিশন ভেঙে দেওয়া হোক।” আজ অতিরিক্ত শূন্যপদ মামলায় বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু ক্ষোভ উগরে দেন কমিশনের প্রতি (SSC Scam)। কমিশনের তরফে আবেদন করা হয়েছিল, যেসব অযোগ্যরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের চাকরি বহাল রেখে শূন্যপদের সংখ্যা বাড়ানো হোক। কিন্তু এই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতেই বিচারপতি বিশ্বজিৎ এদিন বলেন বেআইনি ভাবে নিযুক্ত করা অযোগ্যদের বরদাস্ত করা হবে না।

    রাজ্য ও কমিশনের আলাদা অবস্থান

    হাইকোর্টের নির্দেশে গত ১৯ মে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, বিভিন্ন শূন্যপদে নিয়োগের জন্য ৬৮২১ টি অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করা হয়েছে। গ্রুপ সি, গ্রুপ ডি থেকে নবম-দ্বাদশ, শারীরশিক্ষা-কর্মশিক্ষা বিভিন্ন ক্ষেত্রেই যোগ্য কিন্তু বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের জন্যই এই পদ তৈরি করা। অর্থাৎ যেসব যোগ্য প্রার্থীরা চাকরি থেকে বঞ্চিত হয়েছেন তাদের নিয়োগ করা হবে। কিন্তু অন্যদিকে কমিশনের তরফে অবৈধ চাকরি পাওয়াদের তাঁদের পরিবারের কথা ভেবে, পুনর্বহালের জন্য অতিরিক্ত শূন্যপদ করার আবেদন করা হয়েছিল (SSC Scam)। আজ শুনানিতে এই বলা হয়েছে, কমিশনের এমন আবেদনের সঙ্গে রাজ্য সরকারের কোনও যোগ নেই, ফলে এরপরেই বিচারপতি প্রশ্ন করেছেন যে, রাজ্য সরকারের কি স্কুল সার্ভিস কমিশনের উপর কোনও নিয়ন্ত্রণে নেই? কমিশনের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপের কথা ভাবছে রাজ্য, প্রশ্ন বিচারপতির।

    আগামীকাল সকাল সাড়ে ১০টার মধ্যে রাজ্যের কাছে জবাব তলব করেছে হাইকোর্ট। আর কমিশনের উপর নিয়ন্ত্রণ বা থাকায় কমিশন ভেঙে দেওয়ার কথা বলেন বিচারপতি। রাজ্য কী পদক্ষেপ নিচ্ছে, সেটাই জানতে চেয়েছেন বিচারপতি (SSC Scam)।

    কী এই মামলা?

    কর্মশিক্ষায় ৭৫০টি ও শারীর শিক্ষায় ৮৫০টি সুপার নিউমেরিক পোস্ট তৈরির কথা জানানো হয়েছিল কমিশনের তরফে। বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হওয়ার পর মামলাকারীরা জানান, কর্মশিক্ষা ও শারীর শিক্ষায় এমন ৬০ জন চাকরি করেন, যাঁদের প্রাপ্ত নম্বর মামলাকারীদের থেকে কম। সেই নিয়েই মামলা চলছিল। তবে এদিন কমিশনের ওই আবেদন পত্র দেখানো হতেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন বিচারপতি। শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০ টায় ফের এই মামলার শুনানি আছে (SSC Scam)।

    স্কুল সার্ভিস কমিশনের তরফে কেন এমন আবেদন করা হয়েছে?

    কমিশনের দাবি, যাঁদের নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁদের তিন বছর চাকরি হয়ে গিয়েছে। তাঁদের কাজ নিয়ে কোনও প্রশ্ন ওঠেনি, অভিযোগও নেই। তাই তাঁদের চাকরি রেখেই নতুন নিয়োগের কথা বলছে কমিশন। কমিশন আরও জানিয়েছে, এই চাকরির সঙ্গে রাজ্যের কোনও সম্পর্ক নেই। তাই রাজ্য সরকারের অন্য কোনও বিভাগে তাঁদের চাকরি দেওয়া সম্ভব নয়। তবে এই আবেদন প্রত্যাহার করা যেতে পারে বলে জানা গিয়েছে, সূত্রের খবর (SSC Scam)।

  • India vs NZ: ওয়েলিংটনে নীল জলরাশির মাঝে হার্দিক, শ্রেয়স, ওয়াশিংটন সুন্দররা! জেনে নিন কবে কোথায় ম্যাচ

    India vs NZ: ওয়েলিংটনে নীল জলরাশির মাঝে হার্দিক, শ্রেয়স, ওয়াশিংটন সুন্দররা! জেনে নিন কবে কোথায় ম্যাচ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ব্যর্থতা এখন অতীত। সামনের দিকে তাকাতে চান হার্দিক পান্ডিয়ারা। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে নামার আগে ভারতীয় ক্রিকেটাররা বেশ ফুরফুরে মেজাজে। নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ভারত তিনটি টি-টোয়েন্টি এবং তিনটি ওয়ানডে ম্যাচ খেলবে। তবে এই সফরে নেই রোহিত শর্মা, বিরাট কোহলির মতো তারকারা। তাদের বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে। টি-টোয়েন্টি সিরিজে টিম ইন্ডিয়াকে নেতৃত্ব দেবেন হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁকে ২০২৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে অনেকেই চাইছেন। সেই অর্থে এই সিরিজ হার্দিকের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। একদিনে সিরিজে ভারতকে নেতৃত্ব দেবেন শিখর ধাওয়ান।

    জলরাশির মাঝে

    ওয়েলিংটনে নীল জলরাশির হাতছানি উপেক্ষা করতে পারেননি শ্রেয়স আইয়ার, ওয়াশিংটন সুন্দররা। জার্সি খুলে, শটশ পরে তাঁরা নেমে পড়েছিলেন জলে। ওয়াশিংটন সুন্দর একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে দেখা যাচ্ছে খালি গায়ে বিচের উপর দিয়ে হেঁটে আসছেন হার্দিকরা। তাদের সিক্স প্যাক দেখে অনেকেই ফিটনেস নিয়ে প্রশংসা করেছেন। আসলে ভারতীয় ক্রিকেটাররা নিজেদের ফিট রাখার জন্য এখন অনেক বেশি সময় কাটান জিমে। শরীর গঠনের ওপরও তারা বাড়তি জোর দেন। খাদ্যাভাসেও এসেছে বদল। তাই শ্রেয়াস আইয়ারদের  এহেন ছবি ধরা পড়েছে।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Washington Sundar (@washisundar555)

    হার্দিক যা বললেন

    শুক্রবার ওয়েলিংটনে প্রথম ম্যাচ। হার্দিক বলেছেন, ” বিশ্বকাপ জিততে না পারার ব্যথা এখনও পুরোপুরি যায়নি। তবে আমাদের সামনের দিকে তাকাতে হবে। এই দলে যাঁরা আছে, তাঁরা প্রত্যেকেই দারুন প্রতিভাবান ও দক্ষ। আমার বিশ্বাস সিনিয়রদের অভাব বোঝা যাবে না। দু’বছর পর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ। হাতে অনেকটা সময়। আশা করছি এখন থেকেই আমরা সঠিক দিশা ধরে এগিয়ে যেতে পারবো।”

    কবে-কখন-কোথায়

    ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড টি২০ সিরিজের সূচি:

    প্ৰথম টি২০ শুরু হচ্ছে আগামী শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর। ওয়েলিংটনের স্কাই স্টেডিয়ামে।
    দ্বিতীয় টি২০ হবে রবিবার (২০ নভেম্বর), মাউন্ট মাউনগানুইয়ের বে ওভাল স্টেডিয়ামে।
    তৃতীয় টি২০ মঙ্গলবার (২২ নভেম্বর), নেপিয়ারেট ম্যাকলিয়ন পার্কে।

    আরও পড়ুন: নেই কামিন্স, এলেন শার্দুল! কলকাতা নাইট রাইডার্সে নতুন মুখ

    ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে, টি২০ সিরিজ কোথায় দেখা যাবে?

    ভারত বনাম নিউজিল্যান্ড টি২০ এবং ওয়ানডে লাইভ স্ট্রিমিং উপভোগ করা যাবে আমাজন প্রাইমে। টিভিতে সরাসরি ম্যাচ দেখা যাবে না।

    ভারতের টি২০ স্কোয়াড:

    হার্দিক পান্ডিয়া, ঋষভ পন্থ, ঈশান কিষান, শুভমান গিল, দীপক হুডা, সূর্যকুমার যাদব, শ্রেয়স আইয়ার, সঞ্জু স্যামসন, ওয়াশিংটন সুন্দর, দীপক চাহার, কুলদীপ যাদব, জুজবেন্দ্র চাহাল, হর্শল প্যাটেল, মহম্মদ সিরাজ, ভুবনেশ্বর কুমার, আর্শদীপ সিং, উমরান মালিক

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

  • Career in Travel and Tourism: ‘ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস’- এর বিভিন্ন কোর্সে চাহিদা বাড়ছে, জেনে নিন খুঁটিনাটি

    Career in Travel and Tourism: ‘ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস’- এর বিভিন্ন কোর্সে চাহিদা বাড়ছে, জেনে নিন খুঁটিনাটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানুষ মাত্রই ভ্রমণ পিপাসু। মনোরম পাহাড়ী পরিবেশ, সমুদ্র স্রোতের গর্জন, পার্বত্য উপত্যকা এসবের টান কার আবার না থাকে। জানেন কি? ভ্রমণের এই নেশাকে পেশা বানিয়ে নেওয়ার জন্য ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস এর উপর চালু হয়েছে বিভিন্ন কোর্স (tour and travel course)। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ গুলিতে সবথেকে বেশী রাজস্ব যে ক্ষেত্র থেকে আসে সেটা ট্যুরিজম। করোনা মহামারির সময় কমবেশি সব দেশেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই ক্ষেত্র। ট্যুরিজম ক্ষেত্রের গুরুত্ব আগামীদিনে বাড়তে চলেছে। দরকার পড়বে পেশাদার কর্মীর। এবার ট্রাভেল ও ট্যুরিজম কোর্স গুলির উপর বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক।

    ‘ট্রাভেল ও ট্যুরিজম কোর্স’ আসলে কি?

    বর্তমান ভারতে ট্যুরিজম ইন্ড্রাস্ট্রি ব্যাপক ভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই ক্ষেত্রটি আজ দেশের মধ্যে অন্যতম বৃহৎ এবং লাভজনক ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ভারতের স্থাপত্য, ভাস্কর্য , ঐতিহাসিক স্থানের প্রতি বিদেশি পর্যটকদের আকর্ষণ বরাবরই আছে। তাই ট্যুরিজম সেক্টরে বিদেশি মুদ্রার বিনিময়ের হারও বেশ ভালো। বিভিন্ন সমীক্ষায় উঠে এসেছে,এদেশে ২০২৫ এর মধ্যে ৪কোটি ৫০ লক্ষ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরী হবে এই সেক্টরে।  ভারতের ছাত্রদের একটি ভালো কেরিয়ার তৈরীর সুযোগ রয়েছে এই সেক্টরে। বিভিন্ন ট্রাভেল এজেন্সি, সরকারের পর্যটন দপ্তর, ট্যুর অপারেশন, শুল্ক বিভাগ, হোটেল ইত্যাদি জায়গায় কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

    ছাত্ররা ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজম এর উপর ডিগ্রি, ডিপ্লোমা, সার্টিফিকেট কোর্স করতে পারবে‌। স্নাতক, স্নাতকোত্তর এর পাশাপাশি গবেষণার সুযোগ রয়েছে এই বিষয়ে।

    এই পেশার সাথে যুক্ত হতে গেলে কিরকম দক্ষতার প্রয়োজন। 

    ভ্রমণে গেলে মানুষ কে নিজের বাড়ি থেকে অনেকটাই দূরে থাকতে হয়। এখানেই একজন দক্ষ কর্মীর দক্ষতা বোঝা যায়। মানুষটিকে সমস্ত রকমের সুবিধা দিতে হবে যা তিনি বাড়িতে পেতে অভ্যস্ত। এই পেশায় যুক্ত হতে ভ্রমনের প্রতি ভালোবাসা, নতুন নতুন জিনিস শেখার আগ্রহ থাকতে হবে। তার সাথে নিজেকে সর্বদাই আপডেট রাখতে হবে। কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় , যা এই সেক্টরে একজন পেশাদার কর্মী হতে সাহায্য করবে। সেগুলো হলো – 

    ১)নিজেকে আত্মবিশ্বাস হতে হবে।

    ২) ভালো কমিউনিকেশন স্কিল থাকতে হবে।

    ৩) আকর্ষণীয় ব্যক্তিত্ব থাকলে এই পেশায় উন্নতি সম্ভব।

    ৪) পরিশ্রম করার  মানসিকতা থাকতে হবে।

    ৫) ফ্লেক্সিবেল হতে হবে।

    ৬) কমিটমেন্ট খুব গুরুত্বপূর্ণ শব্দ এই পেশার ক্ষেত্রে।

    ৭) অবিরাম কাজ করার উৎসাহ থাকতে হবে।

    ৮) অ্যাডমিনেস্ট্রশন এবং ম্যানেজমেন্ট এ ভালো দক্ষতা থাকতে হবে। 

    ৯) ধৈর্য্যশীল হতে হবে।

    ১০) পরিকল্পনা করার দক্ষতা থাকতে হবে।

    ১১) প্রবলেম সলভিং স্কিল জানতে হবে।

    ১২) সংগঠন দক্ষতা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ।

    ১৩) নেটওয়ার্ক দক্ষতা থাকতে হবে।

    ১৪) টিম ওয়ার্ক জানতে হবে।

    ট্রাভেল ও ট্যুরিজম কোর্স করতে কি কি শিক্ষাগত যোগ্যতা লাগে 

    ভারতবর্ষে অনেক কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে যেগুলো ‘ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস’ এর উপর সার্টিফিকেট ডিপ্লোমা এবং ডিগ্রী কোর্স করায়।

    ব্যাচেলার ডিগ্রি

    ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস এর উপর ব্যাচেলার ডিগ্রী কোর্স করতে প্রার্থীকে অবশ্যই উচ্চমাধ্যমিক পাস করতে হবে যে কোন শাখায় এবং ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় অনুযায়ী নম্বরের শতাংশ কমা বাড়া হয়।

    আরও পড়ুন: ঘর আলো করে এসেছে কন্যা সন্তান, মেয়ের কী নাম দিলেন বিপাশা?

    মাস্টার্স ডিগ্রি

    প্রার্থীকে অবশ্যই যে কোন স্বীকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রাজুয়েট হতে হবে এবং ৪৫ শতাংশ থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর পেয়ে থাকতে হবে। কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় অনুযায়ী নম্বরের কমা বাড়া হতে পারে। যে সমস্ত প্রার্থীর বিদেশী ভাষায় দক্ষতা থাকবে তারা অগ্রাধিকার পাবে। 

    ডিপ্লোমা কোর্স

    প্রাপ্তিকে অবশ্যই যে কোন স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চমাধ্যমিক পাশ করে থাকতে হবে সঙ্গে থাকতে হবে ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর। কলেজ অনুযায়ী নম্বর এর বাড়া কমা হতে পারে।

    পিজি ডিপ্লোমা কোর্স

    প্রার্থীকে অবশ্যই যে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গ্রাজুয়েট হতে হবে সঙ্গে থাকতে হবে ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ নম্বর।

    সার্টিফিকেট কোর্স

    এই কোর্স করতে হলে প্রার্থীকে অবশ্যই উচ্চমাধ্যমিক পাস করে থাকতে হবে এবং ৪৫% থেকে ৬০% নম্বর পেয়ে থাকতে হবে।

    অনলাইন এবং ডিসটেন্স লার্নিং কোর্স

    অনলাইন মোডে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ট্যুর এন্ড ট্রাভেলস বিষয়ে উপরিউক্ত  কোর্সগুলো করায়।

    ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের কোর্স করার জন্য কোন প্রবেশিকা পরীক্ষা দিতে হয় কি?

    ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস এর উপর এমবিএ করতে হলে
    CAT, XAT, GMAT ইত্যাদি পরীক্ষায় বসতে হয়।

    কোন কোন সরকারি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস এর উপর কোর্স করানো হয়? 

    ৮০০ উপর বিভিন্ন সরকারি এবং বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে যেগুলো থেকে ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলস এর উপর বিভিন্ন কোর্স পড়ানো হয়। সরকারি কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয় গুলি হল-
    Institute of Hotel Management Catering Technology & Applied Nutrition (IHM), Chennai

    Indira Gandhi National Open University (IGNOU)

    Garware Institute of Career Education and Development

    University of Mumbai
    Banaras Hindu University (BHU)

    কোন কোন বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে এই কোর্স করানো হয়? 

    ট্যুর অ্যান্ড ট্রাভেলসের এর উপর কোর্স করানো হয় এমন জনপ্রিয় বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলির মধ্যে কয়েকটি হল- 

    IIHM Kolkata

    SRM Institute of Hotel Management, Chennai

    Parul University, Vadodara

    Chandigarh University (CU), Chandigarh

    SIITAM, Hyderabad

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
LinkedIn
Share