Blog

  • Hindu Rituals: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

    Hindu Rituals: সন্ধ্যা দেওয়া হয় কেন? এর ঐতিহ্য, বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যাই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু সংস্কৃতিতে সন্ধ্যা হলে গৃহস্থবাড়িতে তুলসী তলায় দেওয়া হয় সন্ধে, প্রদীপ। পুজোর অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হতে থাকে নৈবেদ্য, বস্ত্র, ধূপ এবং প্রদীপ। এছাড়াও পুজোর সময় অন্ধকার দূর করার জন্য চারিদিকে প্রদীপ জ্বালানো হতো। সদর দরজার সামনে প্রদীপ জ্বালিয়ে রাখা হতো। কোন পথিকের প্রয়োজন হলে যেন তিনি আশ্রয় গ্রহণ করতে পারেন। বর্তমানেও গ্রামাঞ্চলের দিকে কিছু কিছু স্থানে সদর দরজায় প্রদীপ জ্বালানোর নিয়ম রয়েছে এখনও।

    সন্ধ্যা কথাটা এসেছে সন্ধি থেকে। একটি দিনকে কয়েক ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যখন দুই কাল এর সন্ধি হয় তাই সন্ধ্যা। এটি দুই সময়ই প্রযোজ্য। যখন দিন থেকে রাত হয় আর যখন রাত থেকে দিন। এই সময়গুলিকে মানুষের জন্য গুরত্বপূর্ণ মানা হয়, কারণ তখন শক্তির পরিবর্তন ঘটে। আমাদের উপর শক্তির প্রভাব থাকেই। হিন্দু মতে ব্রহ্মাণ্ড পাঁচটি তত্ত্ব দিয়ে তৈরি, আর পাঁচটি তত্ত্বের সমন্বয়ে সবকিছু সুচারু রূপে চলে। তাই নিত্য পদ্ধতিতে কিছু উপাদান ব্যবহার হয় যা দিয়ে এই তত্ত্বগুলিকে সঞ্চারিত করা হয়। 

    ধূপকাঠি দিয়ে বায়ু তত্ত্বকে সঞ্চারিত করা হয়। প্রদীপ দিয়ে অগ্নি তত্ত্ব, জল দিয়ে জলতত্ত্ব, ফল ও ফুল দিয়ে পৃথিবী তত্ত্বকে সঞ্চারিত করা হয়। একাগ্রচিত্তে মন্ত্র উচ্চারণে বা জপ করে আকাশ তত্ত্ব সঞ্চারিত হয়। শঙ্খ ও কাঁসর বাজানো হয় কারণ এই শব্দে পরিবেশে, বাতাসে বিদ্যমান অনেক রকম জীবাণুর অবসান হয়। এই সবকিছুর সমন্বয়ে আরাধনা করতে হয়, সেই নিরাকার পরম ব্রহ্মের।

    সন্ধে দেবার সময় হচ্ছে সূর্যাস্তের ঠিক কয়েক মুহূর্ত পরে গোধূলির সময় রাতের ঠিক আগে। ‘সন্ধ্যা’কে সময় জ্ঞানে মানা হয় অর্থাৎ দুটো সময়ের সন্ধিক্ষণকে বোঝানো হয় — রাতের শেষ ও দিনের শুরুতে ‘প্রাত সন্ধ্যা’ , মধ্যাহ্নের শেষ ও অপরাহ্নের শুরুতে ‘মধ্যাহ্ন সন্ধ্যা’, দিনের শেষ ও রাতের শুরুতে ‘স্বায়ংসন্ধ‍্যা’। এই তিন সময়ে উপবিত ধারী ব্রাহ্মণগণ গায়ত্রীকে আহ্বাহন করে সন্ধ্যা আহ্নিক ক্রিয়া করে থাকেন। সনাতন পন্থীরাও এই তিন সময়ে যার যার ইষ্ট মন্ত্র জপ-ধ্যান করেন। অনেকে মন্ত্র জপ করে সন্ধ্যা দেয়।বহু দিন আগের প্রথা। এখন বর্তমান সমাজে সন্ধ্যা দেওয়ার প্রথা উঠেই গেছে।কিন্তু আমাদের ও উচিত আগের সকল প্রথাকে মেনে চলা।

     

  • NSE Phone Tapping: ফোন ট্যাপিং কাণ্ডে গ্রেফতার মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার

    NSE Phone Tapping: ফোন ট্যাপিং কাণ্ডে গ্রেফতার মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এনএসই ফোন ট্যাপিং (NSE Phone Tapping) মামলায় মুম্বইয়ের প্রাক্তন পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় পান্ডেকে (Sanjay Pandey) গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। বেআইনিভাবে এনএসইর কর্মচারীদের ফোন ট্যাপিং এবং রেকর্ড করার অভিযোগ রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এই অভিযোগেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: ফোনে আড়ি পাতার অভিযোগে প্রাক্তন পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে শুরু সিবিআই তদন্ত

    গত ৩০ জুন মুম্বইয়ের পুলিশ কমিশনারের পদে ইস্তফা দেন সঞ্জয় পান্ডে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ সালের মধ্যে সঞ্জয় পান্ডে নিয়মিত এনএসই (NSE) কর্মীদের ফোন রেকর্ড করেছেন বলে জানা গিয়েছে। এজন্যে তিনি মোটা টাকাও নিতেন বলে জানতে পেরেছেন ইডির আধিকারিকরা। ইডি সূত্রে খবর, এজন্যে আইএসইসি সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেড নামের একটি সংস্থার থেকে তিনি ৪.৫৪ কোটি টাকা নিয়েছিলেন। বেশ কয়েকজনকে জেরা করে বিষয়টি জানতে পেরেছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সাক্ষীদের জেরা করার পরেই উঠে আসে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।   

    আরও পড়ুন: বাইকের নম্বর হবে ২৬/১১! বেশি টাকা দেয় উদয়পুরের হত্যাকারীরা    

    সোমবার দিল্লি আদালতে ইডি (ED) জানায়, ১৯৯৭ সাল থেকেই এনএসইর কর্মীদের ফোন ট্যাপিং চলছিল। এই সংক্রান্ত নথি এবং তথ্যও জোগাড় হয়েছে বলেও আদলতে জানিয়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। এর আগে সিবিআইয়ও ১০০ কোটি টাকার কেলেঙ্কারি মামলায় সঞ্জয় পান্ডেসহ আরও এক পুলিশ কমিশনার পরমবীর সিংকে দফায় দফায় জেরা করে। প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিল দেশমুখ এই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত। 

    এনএসই-তে আর্থিক কেলেঙ্কারি মামলার তদন্ত করার সময় গোপনে ফোনে আড়িপাতার বেশ কিছু অভিযোগ পান ইডির তদন্তকারী আধিকারিকরা। তারপরেই বিষয়টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে জানায় ইডি। সিবিআইকেমামলার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। ফোন ট্যাপিং মামলায় সিবিআই এবং ইডি উভয়ই সঞ্জয় পান্ডের বিরুদ্ধে মামলা করে। এই মাসেই প্রাক্তন পুলিশ কর্তাকে দফায় দফায় জেরা করে সিবিআই।

    অন্যদিকে আইএসইসি সার্ভিসেস প্রাইভেট লিমিটেডসহ এনএসইর প্রাক্তন এমডি রবি নারায়ণ এবং সিইও চিত্রা রামকৃষ্ণার (Chitra Ramakrishna) বিরুদ্ধেও মামলা দায়ের করেছে সিবিআই (CBI)। তদন্ত চালাচ্ছে ইডিও। সিবিআইয়ের দাবি, নারায়ণ এবং রামকৃষ্ণ পুরো বিষয়টির ষড়যন্ত্র করে। প্রাক্তন আইপিএস অফিসার সঞ্জয় পান্ডে এই সংস্থাটি খুলেছিলেন বলেও জানতে পারে তদন্তকারী সংস্থা। জানা গিয়েছে, প্রাক্তন পুলিশ কর্তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে আরও জেরা করতে পারে ইডি।

  • S Jaishankar: রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    S Jaishankar: রাশিয়া থেকে গ্যাস কেনা কি যুদ্ধে মদত নয়? পশ্চিমকে তোপ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউক্রেনে (Ukraine) আগ্রাসনে অভিযুক্ত রাশিয়া (Russia)। সেই রাশিয়ার সঙ্গে সুসস্পর্ক বজায় রেখে চলেছে ভারত (India)। তা নিয়ে বিভিন্ন সময় ভারতের সমালোচনা করেছে ইউরোপের দেশগুলি। এবার সেই সমালোচনারই জবাব দিল ভারত। ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) শুক্রবার ইউরোপের তীব্র নিন্দা করেছেন। ইরান এবং ভেনেজুয়েলার তেল কেনার ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেছেন জয়শঙ্কর।     

    আরও পড়ুন :রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে জবাব পীযূষ গোয়েলের

    চারদিনের স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র সফরে গিয়েছেন জয়শঙ্কর। সেখানেই তিনি বক্তৃতা দেন “গ্লোবসেক ২০২২ ব্রাতিস্লাভা” ফোরামে। এই ফোরামেই ইউরোপকে নিশানা করেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী। তিনি বলেন, আজ ইউরোপ রাশিয়া থেকে তেল, গ্যাস কিনছে। নিষেধাজ্ঞার নয়া প্যাকেজ এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেখানে তার দেশীয় জনগণের কল্যাণকে বিবেচনা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষকে বুঝতে হবে, আপনি যদি নিজের প্রতি বিবেচনাশীল হতে পারেন তবে অবশ্যই আপনি অন্যদের প্রতি বিবেচ্য হতে পারেন। 

    রাশিয়া থেকে অপরিশোধিতা জ্বালানি কেনা নিয়ে ক্রমাগত ভারতের সমালোচনা করে আসছে পাশ্চাত্য দেশগুলি। এমনকি, সম্প্রতি এমনও বলা হয়েছে যে, রাশিয়া থেকে তেল কিনে আদতে ভারত যুদ্ধে আর্থিক মদত দিচ্ছে। এপ্রসঙ্গে, কড়া জবাব দেন জয়শঙ্কর। বিদেশমন্ত্রী বলেন, ইউক্রেন যুদ্ধের মাঝেই রাশিয়া থেকে ইউরোপ যেখানে গ্যাস আমদানি চালু রেখেছে। শুধু ভারতের বেলায় কেন প্রশ্ন তোলা হচ্ছে।

    জয়শঙ্করের প্রশ্ন, ভারত যদি রাশিয়ার তেল আমদানির মাধ্যমে যুদ্ধে আর্থিক মদত করে থাকে, তাহলে রাশিয়া থেকে ইউরোপের গ্যাস আমদানি কেন যুদ্ধে আর্থিক মদত হিসেবে দেখা হবে না? জয়শঙ্কর বলেন, ‘অর্থের বিনিময়ে ভারতে রাশিয়ার তেল এলে তা যুদ্ধে আর্থিক মদত, আর ইউরোপে গ্যাস এলে তা যুদ্ধে মদত নয়? একটু নিরপেক্ষতা তো বজায় রাখবেন। অন্যদেরও তো স্বাধীনতা থাকা উচিত।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    ভারতকে কেন গম রফতানি নিষিদ্ধ করতে হয়েছিল, এদিন সে প্রশ্নেরও জবাব দেন বিদেশমন্ত্রী। পাশাপাশি তিনি বলেন, গম ক্রয়কারী দেশের সরকারের অনুরোধের ভিত্তিতে কেন্দ্রের অনুমোদনের পরেই রফতানির অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। ভারতের বিদেশ মন্ত্রী বলেন, নয়াদিল্লি চেয়েছিল দরিদ্র দেশগুলি গম সংগ্রহ করুক। বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ইয়েমেন, সুদান এবং উপসাগরীয় দেশগুলির মতো দেশগুলি, ভারতীয় গমের ঐতিহ্যবাহী ক্রেতা বলেও জানান তিনি। প্রসঙ্গত, গম রফতানি বন্ধ করে দেওয়ায় ভারতের সমালোচনা করেছিল ইউরোপের বিভিন্ন দেশ। তখন ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল চিন। তারা জানিয়েছিল, ভারতের জনগণের স্বার্থে তারা গম রফতানি বন্ধ করতে পারে।

  • Sena vs sena: উদ্ধবের পাশ থেকে সরে শিন্ডে শিবিরে ১২ সাংসদ!

    Sena vs sena: উদ্ধবের পাশ থেকে সরে শিন্ডে শিবিরে ১২ সাংসদ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একে একে নিভিছে দেউটি!

    কুর্সি গিয়েছে আগেই। এবার ক্রমেই একা হয়ে পড়ছেন মহারাষ্ট্রের (Maharasthra) প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে (Uddhav Thackeray)। লোকসভায় শিবসেনার (Shiv Sena) ১৮ জন সাংসদের মধ্যে ১২ জনই শিবির বদল করে  একনাথ শিন্ডের (Eknath Shinde) দলে ভিড়ছেন। অন্তত একটি সংবাদ মাধ্যমের খবর এমনই। যদি তা হয়, তাহলে আরও বিপাকে পড়বেন উদ্ধব।

    কংগ্রেস, এনসিপি নয়, পদ্ম শিবিরের সঙ্গে জোট বেঁধে সরকার গঠন নিয়ে বিরোধের জেরে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিরোধের সূত্রপাত শিবসেনারই একনাথ শিন্ডের। যার জেরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে প্রথমে গুজরাট ও পরে আসাম উড়ে যান শিবসেনার বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডে। পরে বিজেপির সঙ্গে হাত মেলান শিন্ডে। পতন হয় উদ্ধব সরকারের। গেরুয়া-সঙ্গে জোট গড়ে সরকার গড়েন শিন্ডে। মুখ্যমন্ত্রী হন শিন্ডে স্বয়ং। উপমুখ্যমন্ত্রী হন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবিশ। শিন্ডের দাবি, তাঁর সঙ্গেই রয়েছেন প্রায় ৪০ জন বিধায়ক। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় শিবসেনার সদস্য সংখ্যা ৫৬। তার সিংহভাগই রয়েছেন শিন্ডে শিবিরে। বাকিরা এখনও রয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের দলে।   

    আরও পড়ুন : আসল শিবসেনা প্রমাণ করতে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হচ্ছেন শিন্ডে? 

    সম্প্রতি উদ্ধবের গড়া এক্সিকিউটিভ কমিটি ভেঙে দিয়েছেন শিন্ডে। তিনি নিজে ন্যাশনেল এক্সিকিউটিভ কমিটির গঠন করেছেন। কমিটির মাথায় উদ্ধবকে রাখা হলেও, কমিটির প্রধান মুখপাত্র করা হয়েছে শিবসেনা বিধায়ক দীপক কেশরকরকে। নয়া গঠিত এই কমিটি সংক্রান্ত রেজলিউশন নির্বাচন কমিশনের দফতরে পেশ করতে চলেছে শিন্ডে শিবির।

    এহেন পরিস্থিতিতে আরও বিপাকে পড়তে চলেছেন উদ্ধব। সূত্রের খবর, শিবসেনার ১২ জন সাংসদ শিন্ডে শিবিরে নাম লেখাতে আগ্রহী। তাঁরা এ ব্যাপারে মনস্থিরও করে ফেলেছেন বলে খবর। এদিনই দিল্লিতে গিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করার কথা শিন্ডের। সূত্রের খবর, তখনই ওই সাংসদরা ঘোষণা করতে পারেন শিন্ডে বাহিনীতে যোগদানের খবর। একটি দৈনিকের খবর অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ওই সাংসদরা লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে তাঁদের পরিকল্পনার ব্যাপারে চিঠি দিয়েছেন। তাঁরা এও জানিয়েছেন, মুম্বইয়ের সাউথ সেন্ট্রালের সাংসদ রাহুল শেওয়ালের নেতৃত্ব পৃথক শিবসেনা গ্রুপ তৈরি করবেন।

    আরও পড়ুন : মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনে লড়া উচিত মহা বিকাশ আঘাড়ি জোটের, মত পাওয়ারের

  • Rajya sabha elections: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় জয়ী ৪১ 

    Rajya sabha elections: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় জয়ী ৪১ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভা নির্বাচনে (Rajya sabha elections) জয়ী হলেন ৪১ জন। এর মধ্যে কংগ্রেসের (congress) কয়েকজন প্রার্থী যেমন রয়েছেন, তেমনি রয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপিরও (bjp)। রয়েছেন নির্দল এবং আঞ্চলিক দলের প্রার্থীও। শুক্রবার তাঁদের নির্বাচিত হওয়ার কথা ঘোষণা করা হয়।

    আরও পড়ুন : শিয়রে রাজ্যসভা ভোট, বিধায়কদের ‘লুকিয়ে’ রাখছে আতঙ্কিত কংগ্রেস?

    ১০ জুন রাজ্যসভা নির্বাচন। দেশের ১৫টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলের ৫৭ আসনে হবে ওই নির্বাচন। ইতিমধ্যেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন বিভিন্ন দলের ৪১ জন। জানা গিয়েছে, উত্তর প্রদেশে ১১ জন,  তামিলনাড়ুতে ছ’জন, বিহারে পাঁচজন, অন্ধ্রপ্রদেশে চারজন, মধ্যপ্রদেশ ও ওড়িশায় তিনজন করে, ছত্তিশগড়, পাঞ্জাব, তেলঙ্গানা ও ঝাড়খণ্ডে দুজন করে এবং উত্তরাখণ্ডে একজন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন।বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যাঁরা জয়ী হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন কংগ্রেসের পি চিদম্বরম এবং রাজীব শুক্ল, বিজেপির সুমিত্রা বাল্মীকি এবং কবিতা পতিদার। সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে আসা কপিল সিবালও জয়ী হয়েছেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছেন তিনি। আরজেডির মিশা ভারতী এবং আরএলডির জয়ন্ত চৌধুরীও জয়ী হয়েছেন। মিশা বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালু প্রসাদ যাদবের মেয়ে।  হরিয়ানা, রাজস্থান, কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্রে প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কথা। কারণ প্রার্থীরা কেউই তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি৷

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    রাজ্যসভার নির্বাচন নিয়ে টানটান উত্তেজনা দেশ জুড়ে। এই নির্বাচনের পরে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের এক লপ্তে আসন সংখ্যা কমে যাবে অনেকখানি। শক্তি বাড়বে বিজেপির। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসকে মাত দিতে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন পদ্ম শিবিরের ভোট ম্যানেজারেরা। যেহেতু হরিয়ানা, রাজস্থান, কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্র এই চার রাজ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার কথা, সেহেতু ওই চার রাজ্যের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চার কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। বিজেপি দলীয় বিধায়কদের ভাঙাতে পারে বলে আশঙ্কা কংগ্রেসের। তাই যে দুই রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে সোনিয়া গান্ধীর দল, সেই রাজস্থান এবং ছত্তীশগড়ের বিধায়কদের রিসর্ট-বন্দি রাখার সিদ্ধান্তও নিয়েছে হাত শিবির। সূত্রের খবর, রাজস্থানের বিধায়কদের ছত্তিশগড় এবং ছত্তিশগড়ের বিধায়কদের রাজস্থানের উদয়পুরের কোনও হোটেলে রাখা হবে আপাতত। ভোটপর্ব সাঙ্গ হলে তবেই তাঁরা ফিরবেন স্ব স্ব রাজ্যে।

     

     

  • Indian Officials in Kabul: নারীশক্তি! তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের মহিলা প্রতিনিধি

    Indian Officials in Kabul: নারীশক্তি! তালিবানের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের মহিলা প্রতিনিধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আফগানিস্তানবাসীর হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য পৌঁছনো এবং সেখানকার বিভিন্ন ভারতীয় প্রকল্পের দেখভাল করতে কাবুলে পৌঁছেছে ভারতীয় প্রতিনিধিদের একটি দল। বিদেশ মন্ত্রকের পাকিস্তান-আফগানিস্তান-ইরান বিষয়ক (Pakistan-Afghanistan-Iran division) যুগ্মসচিব জেপি সিংয়ের (J P Singh) নেতৃত্বে ওই দলে রয়েছেন এক মহিলা কূটনীতিকও। দীপ্তি ঝাড়ওয়াল (Deepti Jharwal) নামে ওই মহিলা কূটনীতিক সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের ডেস্ক অফিসার হিসেবে দায়িত্ব সামলান।

    গত বছর আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর থেকে সেখানকার মানবাধিকার পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হয়েছে। একের পর এক নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে মহিলাদের উপর। মহিলাদের ড্রাইভিং লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ করা হয়েছে। পুরুষদের কর্মক্ষেত্রে মহিলারা কাজ করতে পারবেন না বলে ঘোষণা করা হয়েছে। ষষ্ঠ শ্রেণির উপরে মেয়েদের স্কুল নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে প্রথম সরকারি সফর ভারতের, গলছে বরফ?

    এখানেই থেমে থাকেনি মহিলাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার তালিকা। দূরে ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্থানীয় আফগান নেতার অনুমতি নিতে হবে বলে জানানো হয়েছে। রেস্তোরাঁ-বারে পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে যেতে বসতে পারবেন না কোনও মহিলা। স্বামী হলেও নয়। এমনকি খবর পড়তে গেলেও মহিলাদের মুখ ঢেকে রাখতে হবে এমনই নির্দেশ তালিবান সরকারের। 

    এই প্রেক্ষিতে কাবুলে তালিবান শাসকদের সঙ্গে কথা বলতে যাওয়া ভারতীয় প্রতিনিধি দলে এক মহিলার উপস্থিতি বিশেষ নজর কেড়েছে।  আফগানিস্তানে মহিলাদের সমস্ত অধিকার থেকে বঞ্চিত করে নারী সুরক্ষার কথা বলা তালিবানের কাছে এটা ভারত সরকারের একটি দৃষ্টান্ত বলে মনে করছে সারা বিশ্বের কূটনীতিকরা। ভারতে নারী শিক্ষা, নারীর ক্ষমতায়ন এবং দেশের সব ক্ষেত্রে মহিলাদের বিচরণ তালিবানদের কাছে শেখার বলেও অভিমত অনেকের। দীপ্তি ২০১১ সালে আইএফএস হিসেবে কাজে যোগ দেন। তিনি ভারতীয় প্রতিনিধি হিসেবে ইরানেও গিয়েছিলেন।

    তালিবান আফগানিস্তানের দখল নেওয়ার পরে সেদেশ থেকে কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়েছিল ভারত (India)। বৃহস্পতিবার, ঠিক সাড়ে ন’মাস বাদে কাবুলে পা রাখলেন ভারতীয় কূটনৈতিক কর্তারা। এখনই আফগান সরকারকে মান্যতা দেওয়া বা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পুনর্জাগরণ করা না হলেও, অন্তত দরজাটুকু খোলা হল বলেই অনুমান কূটনৈতিক মহলের।

    আরও পড়ুন: বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার শূন্য, শ্রীলঙ্কার মতোই দেউলিয়ার পথে পাকিস্তানও?

    ভারতীয় প্রতিনিধি দল এদিন কাবুল পৌঁছে দেখা করেছে তালিবান বিদেশমন্ত্রী ওয়াকিল আহমেদ মুত্তাওয়াকিল-সহ কয়েক জন প্রতিনিধির সঙ্গে। চা-সহযোগে দু’পক্ষের আলোচনাও হয়েছে। এর পরে সে দেশের ভারতীয় প্রকল্পগুলি ঘুরে দেখেছেন তাঁরা। ভারতের অর্থ এবং উদ্যোগে নতুন করে তৈরি হওয়া হাবিবিয়া হাইস্কুলে গিয়ে ছাত্র, অভিভাবক এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

    ভারতীয় প্রতিনিধি দলের একাধিক ছবিতে দীপ্তিকে দেখা গিয়েছে। যদিও ছবিতে একমাত্র তিনিই মাস্ক পরেছিলেন, যা ইঙ্গিতবহ। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের প্রকাশিত ছবিতে দীপ্তিকে দেখা গেলেও কাবুলের তালিবান শাসকদের তরফে প্রকাশিত কোনও ছবিতেই তাঁকে দেখা যায়নি।

  • Weight Loss: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    Weight Loss: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাত (Rice) খেয়েও আবার ওজন (Weight) কমানো যায় না-কি! তাই অনেকেই ওজন কমাতে ভাত খাদ্যকতালিকায়(Diet) রাখেন না। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, ভাতে অনেক পুষ্টিগুণ আছে। ভাত খেলে ওজন বেড়ে যায় একথা অনেকে বললেও বিষয়টি একেবারেই সত্যি নয়। কারণ ভাত খেয়েও ওজন কমানো যায়। সেক্ষেত্রে পরিমিত ভাত ও এর সঙ্গে কী খাচ্ছেন, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন: এই ৫ ভারতীয় সুপারফুড, যা আপনাকে করতে পারে রোগমুক্ত

    সবারই জানা দরকার, ভাত ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার ও এতে খুব কম পরিমাণে ফ্যাট থাকে। এটি একটি সহজপাচ্য কার্বোহাইড্রেটও(Carbohydrate), যা সহজেই হজম হয়ে যায়। তাছাড়াও  মানুষের ক্যালোরির বেশী শতাংশই শর্করাজাতীয় খাবার থেকেই আসে। যা পূরণ করে ভাত। এছাড়া ভাত খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। পুষ্টিবিদরা ওজন কমানোর জন্য সাধারণত ভাত মেপে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ভাত খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিলেই ওজন বাড়ার সমস্যাও অনেকটা কমে যায়। কীভাবে ভাত খেয়েও ওজন কমাবেন, তার জন্য এই পাঁচটি টিপস মেনে চলুন..

    আরও পড়ুন: জেনে নিন অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

    ১)আপনাকে আপনার খাদ্যতালিকায় ভাতের পরিমাণ কমিয়ে সবজির পরিমাণ বাড়ানো উচিত। ভাতের পরিমাণ কমিয়ে তার জায়গায় স্যালাড ও বেশ কিছু তরকারি পাতে রাখুন। তাতে আপনার পেটও ভরা থাকবে সঙ্গে আপনার শরীরে ফাইবারের পরিমাণও ঠিক থাকবে।

    ২)আপনি সরাসরি ভাত না খেয়ে খিচুড়ি করেও খেতে পারেন। ফলে আপনার শরীরে প্রোটিনের পরিমাণও ঠিক থাকবে এবং এতে নয় প্রকারের অ্যামিনো অ্যাসিড (Amino Acid) থাকে যা আপনার শরীরকে ফিট রাখতে সাহায্য করে।

    ৩)আপনি আপনার ডায়েটে বাসমতি চালের ভাত রাখতে পারেন। তবে সেটির পরিমাণ অল্প হতে হবে।

    ৪)ভাত খেতে চাইলে সেটি অবশ্যই একটি ছোট বাটির পরিমাপ মত খাওয়া উচিত।

    ৫)ভাতের সঙ্গে যদি বেশি পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন, তা হলে ওজন কমানো আরও সহজ হবে।

    আরও পড়ুন: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

  • India Fuel Exports: পেট্রল-ডিজেলে কর ছাড় কেন্দ্রের, দাম কমবে কি?  

    India Fuel Exports: পেট্রল-ডিজেলে কর ছাড় কেন্দ্রের, দাম কমবে কি?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পেট্রল (Petrol), ডিজেলে (Diesel) কর ছাড়ের কথা ঘোষণা করল কেন্দ্রীয় সরকার (Central Govt)। তেল উৎপাদনকারী সংস্থা এবং তেল শোধনকারী সংস্থাগুলির ওপর থেকেও উইন্ডফল করের বোঝা কমানো হয়েছে। পাশাপাশি, কমানো হয়েছে রফতানি শুল্কও। 

    এতে অবশ্য সরাসরি লাভবান হবে না আমজনতা। তবে ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তে উপকৃত হতে চলেছে দেশের বৃহত্তম পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানিকারক রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ওএনজিসির (ONGC) মতো সরকারি তেল সংস্থাগুলি।

    বিশ্বব্যাপী কমেছে অপরিশোধিত তেলের (Crude Oil) দাম। তার প্রেক্ষিতেই পেট্রোলিয়াম পণ্য রফতানির বাড়তি লাভের ওপর কর (Windfall Tax) ছাঁটল সরকার। প্রসঙ্গত, কিছু দিন আগেই ডিজেল, পেট্রল এবং বিমান জ্বালানি রফতানির ওপর উইন্ডফল ট্যাক্স আরোপ করেছিল কেন্দ্র। আর্থিক বিশেষজ্ঞদের মতে, কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের জেরে আমজনতা সরাসরি লাভবান না হলেও, বিমান জ্বালানির দাম কিছুটা কমতে পারে।

    আরও পড়ুন : পেট্রল-ডিজেলে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্রই, দাবি অর্থমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, সরকার প্রতি লিটার পেট্রলে ৬ টাকা করে রফতানি কর কমিয়েছে। ডিজেল এবং বিমান জ্বালানিতে উইন্ডফল কর কমানো হয়েছে লিটার প্রতি দু’টাকা হারে। আগে দেশে উৎপাদিত প্রতি টন অপরিশোধিত তেলের জন্য কর নেওয়া হত ২৩ হাজার ২৫০ টাকা করে। সরকারের নয়া ঘোষণায় লিটার প্রতি তা কমে হচ্ছে ১৭ হাজার টাকা। শুধু তাই নয়, বিশেষ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে রফতানি শুল্কে ছাড় দেওয়ার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। ২০ জুলাই থেকেই কার্যকর করা হবে নয়া দর। প্রসঙ্গত, দেশীয় বাজারে জ্বালানির জোগান কমে যাওয়ায় রফতানিতে কর বসানোর কথা জানিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার।

    আরও পড়ুন : উন্নয়নে ৮০% বরাদ্দ ছাঁটাই, রোজের খরচে কোপ ৫০%, নবান্নের হেঁসেল আর চলছে না

    সরকারের তরফে জারি করা নির্দেশিকায় এও জানানো হয়েছে, স্পেশাল ইকনমিক জোন থেকে কোনও পণ্য রফতানি করলে সে ক্ষেত্রে আবগারি বিভাগ থেকে ছাড় দেওয়া হবে। তবে কোন পণ্য রফতানি করলে কত ছাড় মিলবে, সে সম্পর্কে বিশদে কিছু জানানো হয়নি সরকারের তরফে।

     

  • Viral video: অ্যানাকোন্ডা বনাম অ্যালিগেটরের লড়াই! ভাইরাল ভিডিও, কে জিতল?

    Viral video: অ্যানাকোন্ডা বনাম অ্যালিগেটরের লড়াই! ভাইরাল ভিডিও, কে জিতল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  কুমিরের এক প্রজাতি একটি বড় অ্যালিগেটরকে (Alligator) পেঁচিয়ে ধরেছে বিরাট গ্রিন অ্যানাকোন্ডা (Anaconda)। সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে এমন একটা ভিডিও। যা দেখে চোখ ফেরানো যাচ্ছে না। টানটান উত্তেজনা। চুপ করে বসে থাকতে হচ্ছে শেষে কী হবে তা দেখার জন্য। এই কুমিরটি আসলে একটি ‘কেম্যান’, যা ব্রাজিলে অ্যালিগেটরের আর এক প্রজাতি। অস্তিত্বের জন্য কীভাবে ওই দুই সরীসৃপ সংগ্রাম করে যাচ্ছে, তা ধরে পড়েছে সদ্য ভাইরাল হওয়া এই ভিডিয়োটিতে।

    আরও পড়ুন: কলম্বোয় আক্রান্ত দূতাবাস আধিকারিক, অ্যাডভাইজরি জারি ভারতীয় হাই কমিশনের

    ভাইরাল এই ফুটেজে দেখা যায়, প্রথম থেকেই কুমিরটিকে পেঁচিয়ে ধরেছে ওই ভয়ঙ্কর অ্যানাকোন্ডা। কোনও ভাবে কুমিরটিকে এক ফোঁটাও জায়গা ছেড়ে দিতে রাজি নয় সে! ভয় দেখানোর জন্য নিজের বিরাট হাঁ-মুখ দেখায় অ্যালিগেটর। কিন্তু তাতেও লাভের লাভ কিছুই হয়নি।

    [insta]https://www.instagram.com/reel/CgBLp2CKjzZ/?utm_source=ig_web_copy_link[/insta]

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানার বাসিন্দা কিম সুলিভান গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে এই ভিডিওটি ক্যামেরাবন্দি করেছিলেন। ইনস্টাগ্রামে আফ্রিকান ওয়াইল্ড লাইফ নামের একটি পেজ থেকে এই ভিডিওটি শেয়ার করা হয়েছে। তার ক্যাপশনে লেখা হয়েছে, “না, এটা একটা পাইথনও নয়। আবার একটা বোয়া কনস্ট্রিক্টরও নয়। তাদের সবার থেকে বড় এটি: দ্য অ্যানাকোন্ডা।”

    আরও পড়ুন: জলের তোড়ে ভেসে যাচ্ছে মানুষ, উদ্ধারে এগিয়ে এল হাতি

    ৫৫০ পাউন্ডের একটি সাপ এবং একটি কুমিরের মধ্যে নাছোড় লড়াই দেখে ইন্টারনেটের বাসিন্দারা এক প্রকার অবাক হয়ে গিয়েছেন। কৌতূহল থেকেই একজন প্রশ্ন করে বসেছেন, “লড়াইতে শেষ পর্যন্ত জিতল কে?” আর একজন যোগ করেছেন, “শেষ পর্যন্ত দুজনেই বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে। অ্যানকোন্ডাও শেষমেশ কুমিরটিকে বাগে আনতে না পেরে এলাকা ছেড়ে চলে যান। কুমিরটিও ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল কারণ তাকে এমন ভাবে ওই ভয়ঙ্কর সাপটি জাপ্টে ধরেছিল যে সে তার ধকল নিতে পারছিল না।”

  • National Herald: রাহুলের হাজিরাকে কেন্দ্র করে নয়া ছক কংগ্রেসের? সোনিয়াকে সময় দিল ইডি

    National Herald: রাহুলের হাজিরাকে কেন্দ্র করে নয়া ছক কংগ্রেসের? সোনিয়াকে সময় দিল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Corruption Case) কংগ্রেস সুপ্রিমো সোনিয়া গান্ধীকে (Sonia Gandhi) ৮ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্যে ডেকে পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। করোনা আক্রান্ত হওয়ায় তিন সপ্তাহের সময় চেয়ে নিয়েছিলেন নেত্রী। সোনিয়াকে তিন সপ্তাহের সময় দিতে রাজি হয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী সোনিয়াকে নতুন সমন পাঠাবে ইডি।   

    আরও পড়ুন: সোনিয়ার আরোগ্য কামনা মোদির, এবার করোনা আক্রান্ত প্রিয়ঙ্কাও

    গত ২ জুন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রীর করোনা ধরা পড়ে। সেইমতো তিনি ইডি কর্তৃপক্ষের কাছে সুস্থ হওয়ার জন্যে তিন সপ্তাহের সময় চেয়ে নেন। কারণ চিকিৎসকরা এখনও তাঁকে ঘরের বাইরে বেরোনোর অনুমতি দেননি।

    আরও পড়ুন: হেরাল্ড কাণ্ডে তলব ইডির, আর কী কী মামলা রাহুলের বিরুদ্ধে?

    এদিকে আগামী ১৩ জুন, সোমবার ওই একই মামলায় ইডির দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা তাঁর পুত্র রাহুল গান্ধীর। গত সোমবারই ইডির দফতরে যাওয়ার কথা ছিল জুনিয়র গান্ধীর। কিন্তু সেই সময় তিনি বিদেশ সফরে থাকায় হাজিরার জন্যে কিছুটা সময় চেয়ে নেন। তাঁকে এক সপ্তাহের সময় দেয় ইডি।

    শোনা যাচ্ছে রাহুলের এই হাজিরাকে হাতিয়ার করে দিল্লির রাস্তায় সরকার-বিরোধী প্রতিবাদের ঝড় তুলতে পারে কংগ্রেস (Congress)। ওই দিন রাহুলের সঙ্গে কংগ্রেসের প্রথম সারির নেতা, লোকসভা ও রাজ্যসভার সাংসদরা মিছিল করে ইডি-র দফতরে যাবেন। কংগ্রেসের অভিযোগ, বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে রাজনৈতিক স্বার্থে কাজে লাগাচ্ছে মোদি (Modi) সরকার। আর এরই প্রতিবাদে মিছিল করবে কংগ্রেস। এমনকি আগামী অধিবেশনে বিষয়টি নিয়ে সংসদে সরব হওয়ার পরিকল্পনাও করেছে কংগ্রেস।  

    আরও পড়ুন: ইডি দফতরে হাজিরার আগেই করোনা পজিটিভ সোনিয়া

    ন্যাশনাল হেরাল্ড অর্থ পাচার মামলায় রাহুল-সোনিয়াকে নোটিস পাঠিয়েছে এই তদন্তকারী সংস্থা। ইয়ং ইন্ডিয়ান প্রাইভেট লিমিটেড নামের এক সংস্থা অভিযোগ করে যে, ন্যাশনাল হেরাল্ড সংবাদপত্রটির পরিচালন সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড জার্নালস লিমিটেডের ক্ষমতা হস্তান্তরের সময় আর্থিক নয়ছয় হয়েছে।

     

LinkedIn
Share