Blog

  • Mohan Bhagwat: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারতের ভারসাম্যের নীতির প্রশংসায় মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে (Ukraine Russia War) ভারসাম্যের নীতি নিয়েছে ভারত (India)। নয়াদিল্লির সেই অবস্থানের ভূয়সী প্রশংসা করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। এই দুই দেশের যুদ্ধ যে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সমস্যা বাড়িয়েছে, তাও জানিয়ে দেন আরএসএস প্রধান।

    আরও পড়ুন : নেহরুর মানসিকতা ছিল ঔপনিবেশিক? বিস্ফোরক আরএসএস শিক্ষাবিদ

    নাগপুরে আরএসএসের প্রশিক্ষণ পর্ব শেষে দীক্ষান্ত ভাষণ দেন সংঘ প্রধান। সেখানেই উঠে আসে রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রসঙ্গ এবং তাতে ভারতের অবস্থান। এই যুদ্ধে পশ্চিমের দেশগুলি অস্ত্র সাহায্য করছে বলেও সাফ জানান তিনি। ওই দেশগুলি ভারত এবং পাকিস্তানকে সমরাস্ত্র পরীক্ষার ভরকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ ভাগবতের।

    এর পরেই তিনি বলেন, ভারতকে সত্য বলতে হবে। অবলম্বন করতে হবে ভারসাম্যপূর্ণ পন্থাও। আরএসএস প্রধান বলেন, সৌভাগ্যবশতঃ ভারত রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারসাম্যের নীতি নিয়েছে। এদেশ আক্রমণকে সমর্থন করেনি। আবার রাশিয়ার বিরোধিতাও করেনি। সাউথ ব্লক যুদ্ধে ইউক্রেনকে সাহায্য করেনি, তবে তাদের অন্যান্য সহায়তা দিয়ে আসছে।

    ভাগবত বলেন, ভারত ক্রমাগত রাশিয়াকে ইউক্রেনের সঙ্গে আলোচনা করতে বলছে। তিনি বলেন, যারা আলোচনার বিরোধিতা করছে, তাদের কোনও ভাল উদ্দেশ্য নেই। এই প্রসঙ্গেই ভাগবত পশ্চিমের দেশগুলিকে একহাত নেন। তাঁর মতে, অতীতেও দেখা গিয়েছে যে ভারত ও পাকিস্তানকে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দিত এবং নিজেদের তৈরি সমরাস্ত্র পরীক্ষা করত পাশ্চাত্য দেশগুলি। এখানেও সেরকম কিছু চলছে। 

    ভাগবত বলেন, ভারতের আরও শক্তিশালী হওয়া উচিত। একমাত্র তাহলেই সংকট রোখার অবস্থানে থাকবে দেশ। তিনি বলেন, ভারত যথেষ্ট শক্তিশালী হলে যুদ্ধ বন্ধ করে দিত। কিন্তু তা পারে না। দেশের শক্তি এখনও বাড়ছে। তবে সম্পূর্ণ হয়নি।

    আরও পড়ুন : রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের মধ্যেই নরেন্দ্র মোদির ঝটিকা ইউরোপ সফর কতটা তাৎপর্যপূর্ণ?

    সংঘচালক বলেন, শক্তি থাকা সত্ত্বেও চিন কেন তাদের থামাচ্ছে না? কারণ এই যুদ্ধে তারাও কিছুর গন্ধ পাচ্ছে। এই যুদ্ধ আমাদের মতো দেশগুলির জন্য নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সমস্যা বাড়িয়েছে। বিশ্বের এই সব সংকট মোকাবিলার জন্যই ভারতকে শক্তিশালী হতে হবে বলেও মনে করেন সংঘচালক। বলেন, আমাদের শক্তিশালী হতে হবে। যদি ভারতের পূর্ণ শক্তি থাকত, তাহলে এমন ঘটনা বিশ্বে ঘটত না। প্রসঙ্গত, ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেন (Ukraine) আক্রমণ করে রাশিয়া। সেই যুদ্ধ এখনও চলছে। যুদ্ধের আঁচে গোটা বিশ্বেই জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিক বেড়েছে। যার ফল ভোগ করছেন সাধারণ মানুষ।

     

  • Durga Puja: মহাঅষ্টমীতে কুমারী পুজো কেন করা হয়? কী এর তাৎপর্য?

    Durga Puja: মহাঅষ্টমীতে কুমারী পুজো কেন করা হয়? কী এর তাৎপর্য?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপূজার অষ্টমী মানেই সকালে স্নান করে নতুন জামাকাপড় পড়ে অঞ্জলী দেওয়া। তবে এই দিন আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ রীতি হল কুমারী পুজো। ১৯০১ সালে স্বামী বিবেকানন্দ কলকাতার বেলুড় মঠে প্রথম কুমারী পূজা শুরু করেন। সেই থেকেই প্রতিবছর বেলুড়ে মহা ধুমধাম করে এই পুজোর প্রথা চলে আসছে। তবে চলুন জেনে নেওয়া যাক দুর্গাপুজোয় কেন করা হয় কুমারী পুজো।

    কুমারী পুজোর কারণ

    শাস্ত্রানুযায়ী কুমারী পুজোর উৎপত্তি হয় কোলাসুর-কে বধ করার মধ্যে দিয়ে। গল্পে বলা আছে, কোলাসুর নামে এক অসুর স্বর্গ ও মর্ত্য-এর অধিকার নেওয়ার ফলে দেবতাগণ মহাকালীর শরণাপন্ন হন। দেবগণের ডাকে সাড়া দিয়ে দেবী পুর্নজন্ম-এ কুমারীরূপে কোলাসুর-কে বধ করেন, এর ফলে মর্ত্যে কুমারীপুজোর প্রচলন শুরু হয়। বর্ণনা অনুযায়ী কুমারী পুজোতে কোনও জাতি, ধর্মভেদ নেই। তবে সাধারণত ব্রাক্ষন কন্যা-কেই পুজো করা হয়

    এছাড়াও সেকালের ঋষি-মুনিরা প্রকৃতিকে নারীর সমান মনে করতেন। তাই কুমারী পুজোর মাধ্যমে প্রকৃতিকে পূজা করতেন তাঁরা। কারণ, তাঁরা মনে করতেন মানুষের মধ্যেই রয়েছে ঈশ্বর। বিশেষ করে যাদের মন সৎ, যারা নিষ্পাপ তাদের মধ্যেই ভগবানের প্রকট সবথেকে বেশি। এই গুণ কেবলমাত্র কুমারীদের মধ্যে থাকতে পারে, এই ভেবে তাদের দেবীরূপে পুজো করা হয়।

    আবার শাস্ত্রমতে, এক থেকে ষোল বছর বয়স পর্যন্ত ঋতুমতী না হওয়া বালিকাদেরই কুমারী রূপে পূজা করা হয়। নতুন বস্ত্র, ফুলের মালা, মুকুট, পায়ে আলতা, কপালে সিঁদুরের টিপ ও তিলক পরিয়ে কুমারীদের সাজিয়ে তোলা হয়। বয়সভেদে কুমারীর নাম রয়েছে ভিন্ন। তবে কুমারী পূজার জন্য সাধারণত পাঁচ থেকে সাত বছরের কন্যাকে পূজা করা হয়। এক বছরের মেয়ে ‘সন্ধ্যা’, সাত বছরের মেয়ে ‘মালিনী’, বারো বছরের কন্যা ‘ভৈরবী’ এবং ষোলে বছরের মেয়েক ‘অম্বিকা’ নামে ডাকা হয়।

    তাৎপর্য

    সনাতন ধর্মে, সম্মানের দিক থেকে নারীকে শ্রেষ্ঠ আসনে বসানো হয়েছে। তাই নারীকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করতে এই পুজো করা হয়। শত্রুদের ধ্বংস, সকল কর্মের শুভ ফল পেতেও এই পুজো হয়ে থাকে। কুমারী পূজা সম্মান, লক্ষ্মী, বিদ্যা এবং তেজ নিয়ে আসে।

  • Ratanti Kali Puja: কেন হয় রটন্তী কালীপুজো? কী বা তার ইতিহাস?

    Ratanti Kali Puja: কেন হয় রটন্তী কালীপুজো? কী বা তার ইতিহাস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দুধর্মে মা কালীর আরাধনা সর্বজনবিদিত। বিভিন্ন তিথিতে দেবীর বিভিন্ন রূপের পুজো করা হয়। মাঘ মাসের কৃষ্ণ চতুর্দশীতে রটন্তী কালীপুজো হয়।

    কথিত আছে, শ্রীরাধা বনে শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে লীলা করতেন বলে তাঁর শাশুড়ি জটিলা এবং ননদিনী কূটিলা শ্রীরাধার নামে কলঙ্ক রটিয়ে ছিলেন এবং তা প্রমাণ করার জন্য একদিন গোপনে তারা আয়ান ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে শ্রীরাধার পিছু নেন। আয়ান ঘোষের আরাধ্যা দেবী ছিলেন কালী। 

    অন্তর্যামী শ্রীকৃষ্ণ জটিলা-কূটিলার গোপন অভিপ্রায় জানতে পেরে স্বয়ং কালীরূপ ধারণ করেছিলেন। শ্রীরাধাও কালীরূপী শ্রীকৃষ্ণকে কদম্ব বৃক্ষের মূলে ফল, ফুল দিয়ে পুজো করেছিলেন। এদৃশ্য দেখে জটিলা, কূটিলা ও আয়ান ঘোষের ভূল ভাঙে এবং শ্রীরাধা যে স্বয়ং আদ্যাশক্তি তা বুঝতে পেরেছিলেন। এই ঘটনাটি স্মরণ করেই ভক্তজন রটন্তী কালীপুজো করে থাকেন।

    শাস্ত্রমতে আবার শোনা যায়, যখন শ্রীকৃষ্ণের প্রেমলীলায় রাধা মত্ত ছিলেন, সেই সময়ে একদিন দুপুরে গোপীনিরা তাঁর বাঁশির আওয়াজ শুনে চমকে উঠেছিলেন। গোপিনীরা বনের দিকে ছুটে গিয়ে দেখলেন সামনে ইষ্টমূর্তি। শ্রীরাধাই যে স্বয়ং আদ্যাশক্তি তা সেদিন বুঝতে পেরেছিলেন তাঁরা। সেই দিনকে স্মরণ করেই বিশেষ তিথিতে হয় রটন্তী কালীপুজো।

    রটন্তী’ শব্দটি এসেছে ‘রটনা’ শব্দ থেকে। যার অর্থ প্রচার হওয়া। মনে করা হয়, এই বিশেষ দিনেই দেবীর মহিমা চতুর্দিকে রটে যায়। মুক্তকেশী মায়ের মহিমা এই তিথিতেই সর্বস্তরে রটিত হয়ে থাকে। আবার লোক কথা অনুসারে শোনা যায়, এদিনই দেবী ছিন্নমস্তার আবির্ভাব হয়েছিল। দেবী পার্বতী তাঁর সহচরীদের খিদে মেটানোর জন্যে নিজ মুণ্ডুচ্ছেদ করে ত্রিধারায় রক্তবারি প্রকট করেছিলেন।

     

  • Sawan 2022: শুরু হয়েছে পবিত্র শ্রাবণ মাস, শিবপুজোর নিয়ম জানেন তো?

    Sawan 2022: শুরু হয়েছে পবিত্র শ্রাবণ মাস, শিবপুজোর নিয়ম জানেন তো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু (Hindu) শাস্ত্রে শ্রাবণ মাসের (Shravan Maas) গুরুত্ব অপরিসীম। শ্রাবণকে (Sawan 2022) বলা হয় দেবাদিদেব শিবের (Lord Shiva) মাস। মহাদেব (Mahadev) পুজিত হন এই মাসে। ভগবান শিবের উপাসনা করার শ্রেষ্ঠ সময় কাল-প্রদোষ বলে মনে করা হয়। পুণ্যার্থীরা শ্রাবণের প্রতি সোমবার, (Sawan Sombaar) শিবের জন্যে ব্রত পালন করেন। সাধারণত মাসভর চলে নানা ধর্মীয় রীতি পালন। 

    শিব মন্দির ছাড়াও, বাড়িতে বাড়িতেও পুজো হয় মহাদেবের। ‘হর হর মহাদেব’ (Har Har Mahadev) উচ্চারণ করে দেশের ভিন্ন প্রান্তে ভোলেবাবার মাথায় জল ঢালতে ভক্তদের সমাগম হয়। শিবের পুজায় গঙ্গাজল দিয়ে শিবকে অভিষেককে ‘রুদ্রাভিষেক’ (Rudravishek) বলে। একেই শ্রেষ্ঠ বলে বিবেচনা করা হয়। শাস্ত্রে বলা হয়েছে জলাভিষেক করলে পুজোর সমস্ত মনোবাঞ্ছা পূরণ হয়। 

    মনে করা হয়, শ্রাবণ মাস শিবের অত্যন্ত প্রিয় মাস। তাই তাঁকে সন্তুষ্ট করে ভক্তরা কোনও ত্রুটি রাখেন না। উপবাস করে শিবের মাথায় গঙ্গার জল বা দুধ ঢালেন শিবভক্তরা। বিশ্বাস করা হয়, এই মাসে ভক্তি মনে মহাদেবকে ডাকলে তিনি তুষ্ট হন ও মনোবাঞ্ছা পূরণ করেন। 

    আরও পড়ুন: এবছর কবে কামিকা একাদশী? এদিনের মাহাত্ম্য জানেন কি?

    বিশ্বাস, পবিত্র এই মাসে শিবের আরাধনায় সকল সমস্যা থেকে মুক্তি মেলে। শিবের কৃপা পেতে মেনে চলতে হবে বিশেষ নিয়ম। শ্রাবণ মাসের প্রথম দিন এই নিয়ম মেনে শিব পুজো করতে হবে। তাতে জীবনের সকল দুর্ভোগ কেটে যাবে, তেমনই সর্ব ক্ষেত্রে উন্নতি ঘটবে। জেনে নিন কীভাবে আরাধনা করবেন শিবের। 

    এবছর শ্রাবণ মাসে মোট পাঁচটি সোমবার পড়েছে—

    * ১৮ জুলাই ২০২২ – প্রথম সোমবার
    * ২৫ জুলাই ২০২২- দ্বিতীয় সোমবার
    * ১ অগস্ট ২০২২- তৃতীয় সোমবার
    * ৮ অগস্ট ২০২২ – চতুর্থ সোমবার
    * ১৫ অগস্ট ২০২২ – পঞ্চম সোমবার

    শ্রাবণ মাসে শিব পুজোর পদ্ধতি- 

    শ্রাবণ মাসে বিশেষ নিয়ম মেনে শিবের আরাধনা করুন। প্রতিদিন, বিশেষ করে সোমবারে সকালে তাড়াতাড়ি উঠে স্বচ্ছ পোশাক পরে নিন। বাড়ির মন্দিরে প্রদীপ জ্বালান। শিবের আরতি করুন এবং ভোগ নিবেদন করুন। মনে রাখবেন যে শুধুমাত্র সাত্ত্বিক জিনিস ঈশ্বরের কাছে নিবেদন করা হয়। ডান হাতে জল নিয়ে শ্রাবণ মাসের সোমবারের ব্রতর সংকল্প করুন। এর পর সমস্ত দেবতাদের ওপর গঙ্গাজল অর্পণ করুন। ওম নমঃ শিবায় মন্ত্র জপ করে শিব শঙ্করের অভিষেক করুন। 

    আরও পড়ুন: পুজোয় মঙ্গল ঘট কেন স্থাপন করা হয়, জানেন?

    ভোলানাথকে সাদা ফুল, সাদা চন্দন, ভাঙ, ধুতুরা, গরুর দুধ, পঞ্চামৃত, সুপুরি, বিল্ব পত্র (বেলপাতা) ও জল অর্পণ করুন। পুজো সামগ্রী অর্পণ করার সময় ওম নমঃ শিবায় মন্ত্র জপ করতে ভুলবেন না। শ্রাবণ সোমবারের পুজোয় সোমবার ব্রতকথা অবশ্যই পাঠ করা উচিত। শেষে আরতি করতে ভুলবেন না। প্রসাদ হিসেবে শিবকে ঘি ও চিনির ভোগ অর্পণ করুন। তার পর সেই প্রসাদ বিতরণ করুন ও নিজেও তা গ্রহণ করুন।

    শাস্ত্র মতে, বিল্বের মূলে স্বয়ং শিব বসবাস করে। এই নিয়ম মেনে পুজো করতে সকল জটিলতা থেকে মুক্তি মিলবে। শ্রাবণ মাসে এই নিয়ম মেনে পুজো করুন। সকল দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে। সারা বছরই অনেকে শিব পুজো করে থাকেন। সোমবার করে দেবাদিদেব মহাদেবের বিশেষ পুজো করা হয়। শাস্ত্র মতে, যে কোনও সোমবার পুজো করলে মহাদেব তুষ্ট হন।

    কি কি নিবেদন করলে মিলবে সুফল? 

    বিশেষভাবে শিবলিঙ্গে (Shivling) রৌপ্য বা পিতলের পদ্ম দিয়ে দুধ নিবেদন করা উচিত। এ ছাড়া জল, বিল্ব পাতা , আকন্দ ফুল, ধুতুরা যা শিবের প্রিয় ফুল, গাঁজা, চন্দন, মধু, ছাই নিবেদন করুন। এছাড়া শিবলিঙ্গে অর্পণ করুন— চিনি, জাফরান, গব্য ঘি।

  • Horoscope Today, 16 June 2022: আজ প্রাপ্তিযোগ কোন কোন রাশির? দেখুন আজকের রাশিফল

    Horoscope Today, 16 June 2022: আজ প্রাপ্তিযোগ কোন কোন রাশির? দেখুন আজকের রাশিফল

    মেষ: আজ দূরে কোথাও ভ্রমনের জন্য আলোচনা হতে পারে। একটু সাবধানে চলাফেরা করুন, বিপদের যোগ আছে। কোনও একটি কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হবে। যাঁরা গান-বাজনা নিয়ে কাজ করেন, তাঁদের জন্য ভাল সময়। রক্তচাপ বাড়তে পারে। কোনও আত্মীয়কে নিয়ে বিবাদ হতে পারে। প্রেমে অভিমান বাড়তে পারে। চাকরির স্থানে উন্নতির সুযোগ হতে পারে।

    বৃষ: আজ আগুন থেকে বিপদের আশঙ্কা রয়েছে। তর্কে জয় লাভ করায় আনন্দ হতে পারে। পরিবারে বদনাম হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। মাথার যন্ত্রণায় ভোগার সম্ভাবনা। অশান্তি থেকে সাবধান থাকুন। ব্যবসার জন্য কোনও উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সঙ্গে আলোচনা হতে পারে। প্রেমের জন্য বাড়িতে বিবাদ হতে পারে। চাকরির স্থানে কাজের চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    মিথুন: আজ ব্যবসায় বাড়তি লাভ আসতে পারে। প্রিয়জনের কাছ থেকে আঘাত পেতে পারেন। বন্ধুদের সঙ্গে অর্থ ব্যয় হতে পারে। সঙ্গীতে সাফল্য বাড়তে পারে। সংসারের কারণে অযথা ব্যয় বাড়তে পারে। কাউকে কুকথা বলার জন্য দুঃখবোধ হতে পারে। লিভারের সমস্যা বাড়তে পারে। প্রিয়জনের কোনও খারাপ খবর বাড়িতে আসতে পারে। অযথা ভ্রমণ হতে পারে।

    কর্কট: আজ নেশার প্রতি আসক্তি বৃদ্ধি পেতে পারে। অর্শ জাতীয় কোনও রোগ বাড়তে পারে। পড়াশোনার জন্য সুনাম বাড়তে পারে। প্রতিবেশীর সঙ্গে বিবাদে না যাওয়াই ভাল হবে। সন্তানের জন্য বাড়তি কোনও খরচ হতে পারে। একটু সাবধানে চলাফেরা করা দরকার, আঘাত লাগতে পারে। স্ত্রীর প্রতি অভিমান বাড়তে পারে। কাজের চাপের জন্য শরীরে কষ্ট বৃদ্ধি হতে পারে।

    সিংহ: আজ সন্তানের ভাল কাজের জন্য গর্ববোধ হতে পারে। ব্যবসায় সমস্যার পরিমাণ বাড়তে পারে। বন্ধুদের দিক থেকে খারাপ কিছু ঘটতে পারে। প্রেমে বিবাদ বৃদ্ধি পেতে পারে। বাইরের কোনও অশান্তি বাড়িতে আসতে পারে। ব্যবসায় ঝুঁকি নিলে লাভ বাড়তে পারে। যুক্তিপূর্ণ কথা সুনাম বাড়াতে পারে। কর্মচারীর জন্য ব্যবসা বাড়ানোর সুযোগ আসতে পারে।

    কন্যা: আজ অতিরিক্ত হঠকারিতার জন্য শরীরের কোথাও আঘাত লাগতে পারে। পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে অশান্তির সম্ভাবনা। ব্যবসায় লাভ হতে পারে। কর্মস্থানে বিশেষ আলোচনায় সম্মান প্রাপ্তি যোগ। ব্যবসায় আজ আপনাকে কারও অনুগত হয়ে চলতে হতে পারে। আজ কোনও আত্মীয়ের কাছ থেকে আপনি ভাল সাহায্য পেতে পারেন।

    তুলা: আজ সন্তানদের সঙ্গে কোনও কারণে বিবাদ বাধতে পারে। কোনও কাজের জন্য জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারেন। কোনও ছোট্ট অশান্তি পুলিশ পর্যন্ত গড়াতে পারে। চলাফেরায় বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন। আজ দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে। কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে উপকার পেতে পারেন। অতিরিক্ত ক্রোধ মর্যাদাহানির কারণ হতে পারে।

    বৃশ্চিক: আজ সারাদিন ব্যয়ের পরিমাণ বেশি থাকার সম্ভাবনা। শত্রুরা চক্রান্ত করতে পারে। সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আজ সারা দিন ব্যবসায়িক উদ্বেগ থাকতে পারে। নিজের অভিজ্ঞতা আজ বেশি না দেখানোই ভাল। পড়াশোনার দিক থেকে দিনটি উপযুক্ত হতে পারে। নিজের কৌশলে ব্যবসায় অগ্রগতি আনতে পারেন। 

    ধনু:  আজ কর্মস্থলে গণ্ডগোলের আশঙ্কা রয়েছে। আজ কঠিন কোনও কাজ করতে সক্ষম হতে পারেন। বাকসংযমী হতে পারলে সংসারে শান্তি থাকার সম্ভাবনা। সন্তানের চঞ্চলতা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা। একাধিক পথে আয়ের যোগ  রয়েছে। আজ উপার্জনের ভাগ্য ভাল ও আর্থিক উন্নতি বজায় থাকতে পারে। সারাদিন সাংসারিক শান্তি বজায় থাকলেও দুপুরের দিকে অশু যোগ রয়েছে।

    মকর: আজ সন্তানদের নিয়ে চিন্তা হতে পারে। পরিবারে কারও কাছ থেকে কিছু উপহার পাওয়ায় আনন্দ পেতে পারেন। আপনার থেকে ছোট কারও সঙ্গে তর্ক হওয়ায় মনখারাপের সম্ভাবনা। মনের মতো মানুষের দেখা পেতে পারেন। আজ গৃহে পরিস্থিতি বিরুদ্ধে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর্থিক টানাপড়েনের জন্য সংসারে অশান্তি হতে পারে। মা-বাবার সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় থাকার সম্ভাবনা।

    কুম্ভ: আজ মায়ের সঙ্গে মতবিরোধ হতে পারে। সঙ্গীতচর্চায় নতুন রাস্তা খুলতে পারে। পরিশ্রমের ফল ভাল হতে পারে। প্রতিবেশীর দ্বারা ব্যবসায় কোনও প্রকার উপকার পেতে পারেন। কারও প্ররোচনায় হঠাৎ পা দিয়ে দেবেন না। পরিবারের অশান্তি মিটে যেতে পারে। অতিরিক্ত কথায় সমস্যার সৃষ্টি হতে পারে। প্রেমের ব্যাপারে খুব সতর্ক থাকতে হবে, প্রতারিত হওয়ার যোগ আছে।

    মীন: আজ বাড়িতে চুরি হওয়ার সম্ভাবনা। আজ ধর্ম বিষয়ক আলোচনায় আপনি সুনাম পেতে পারেন। কর্মজগতে জনপ্রিয়তা পেতে পারেন। দেহের কোনও অংশে খুব ব্যথা সৃষ্টি হতে পারে। কিছু কেনাকাটার জন্য অর্থ খরচ হতে পারে। আজ সারাদিন প্রচুর খাটুনি হতে পারে। কর্মস্থলে আজ আপনার প্রভাব বৃদ্ধি পেতে পারে।

  • SSR Death Anniversary: ঠিক কী অবস্থায় দাঁড়িয়ে সুশান্তের মৃত্যু তদন্ত?

    SSR Death Anniversary: ঠিক কী অবস্থায় দাঁড়িয়ে সুশান্তের মৃত্যু তদন্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২ বছর কেটে গেল, তবে সুশান্তের মৃত্যুর কারণ এখনও ধোঁয়াশায়। ১৪ জুন, ২০২০। অসংখ্য ভক্তের মন ভেঙে দিয়ে চিরকালের জন্য বিদায় নিয়েছিলেন বলিউডের অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত (Sushant Singh Rajput)। গতকাল ছিল তাঁর দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী। আর তাঁর মৃত্যুদিনে তাঁকে মনে করে অসংখ্য ভক্ত ফের একবার বিচারের দাবি জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর অনুরাগীরা সিবিআই-এর ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁর ওপর হওয়া অবিচারের উত্তর চেয়েছেন।

    আরও পড়ুন: কম বয়সে মৃত্যু যে সকল সেলেব্রিটিদের

    মাত্র ৩৪ বছর বয়সেই তাঁর মৃত্যু হয়। মুম্বইয়ে তাঁর ফ্ল্যাট থেকে ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। মুম্বই পুলিশ প্রথম থেকেই একে আত্মহত্যার ঘটনা বলে দাবি করেছে। যদিও এই মৃত্যুর তদন্ত শুধু মুম্বই পুলিশকেই দেওয়া হয়নি, পরে এর তদন্ত ভার দেওয়া হয় সিবিআই, ইডি, এনসিবি-র মতো কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থাকে। যদিও আজও ঠিক কী কারণে সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যু, তা নিয়ে পরিস্কার করে জানায়নি কোনও তদন্তকারীর সংস্থা। মৃত্যুর ২২ মাস কেটে গেলেও সিবিআই কোনও চার্জসিট করেনি। যেসব অফিসাররা সুশান্তের মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত করছে তারাও নীরব রয়েছেন। ২২ মাস ধরে দীর্ঘ তদন্ত চলাকালীন অনেককে জিজ্ঞাসাবাদ করে, সুশান্তের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ার ওপর পর্যবেক্ষণ করার পরেও এর কোনও সুরাহা মেলেনি। ফলে এর জন্যই তাঁর ভক্তরা সুশান্তের প্রতি বিচারের দাবি করে সরব হয়েছেন।

    আরও পড়ুন:চোখের জলে শেষ বিদায়, মুম্বাইয়ের ভারসোভায় পঞ্চভূতে বিলীন কেকে

    যদিও অল ইন্ডিয়া ইনস্টিটিউট অফ মেডিকেল সায়েন্সের (All India Institute of Medical Sciences) একটি মেডিকেল বোর্ড ২০২০র সেপ্টেম্বরে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিল যে সুশান্তের মৃত্যু আত্মহত্যা(Suicide)। সিবিঅআইয়ের তরফে তদন্তের এখনও পর্যন্ত কোনও রিপোর্ট দেওয়া হয়নি ও চার্জসিটও করেনি। অন্যদিকে সিবিআই ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে জানিয়েছিল, তাঁরা  তদন্তের সময় আধুনিক সফ্টওয়্যার সহ উন্নত মোবাইল ফরেনসিক সরঞ্জাম ব্যবহার করেছিল ডিজিটাল ডিভাইসগুলি থেকে ডেটা বের করবার জন্য ও বিশ্লেষণের জন্য। এবং এর পরেই সুশান্তের বন্ধু, তার ডাক্তার, রিয়া চক্রবর্তী এবং তার পরিবারের সদস্য এবং সিনেমা জগতের বেশ কয়েকজন সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। আবার সুশান্তের বাবা রিয়া চক্রবর্তীর বিরূদ্ধে অভিযোগ করার পর তাকে জেলেও থাকতে হয়। এতকিছুর পরেও সুশান্তের মৃত্যু রহস্যের জট এখনও কাটেনি। সবটাই রয়েছে ধোঁয়াশায়।

  • Suvendu Slams Mamata: “বৃথা চেষ্টা, একটা বিগ জিরো…”, মমতার দিল্লি সফরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর 

    Suvendu Slams Mamata: “বৃথা চেষ্টা, একটা বিগ জিরো…”, মমতার দিল্লি সফরকে কটাক্ষ শুভেন্দুর 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রপতি নির্বাচন (Presidential Election) ইস্যুতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বিরোধীদের একজোট করার প্রচেষ্টায় বৈঠককে অপ্রাসঙ্গিক বলে কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিরোধী দলনেতা, মুখ্য সচেতকসহ সাত বিজেপি বিধায়ককে সাসপন্ড করেছেন। সেই কারণে বিধানসভার বাইরে ধর্না দেন বিজেপি বিধায়করা। সেখানেই শুভেন্দু বলেন, “ওই বৈঠকের কোনও গুরুত্ব নেই। জগনমোহন রেড্ডি, কে চন্দ্রশেখর রাও এবং নবীন পট্টনায়েকের মতো গুরুত্বপূর্ণ নেতারা বৈঠকে যাচ্ছেন না।”

    রাজ্য থেকে বিজেপির মনোনীত প্রার্থীই বেশি ভোট পাবেন বলে নিশ্চিত শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “গতবার বিজেপির ৩ বিধায়ক থাকলেও এই রাজ্য থেকে রামনাথ কোবিন্দ ১৩ জনের ভোট পেয়েছিলেন। এবার বিজেপির ৭০ জন বিধায়ক। গতবার ২ সাংসদ রাজ্য থেকে এনডিএ প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিলেন, এবার অন্তত ১৮ জনের ভোট ঝুলিতে আসবে। সংখ্যাটা ১৮-র বেশিও হতে পারে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের গণনার দিন সবাইকে লাড্ডু খাওয়াব।”

    আরও পড়ুন: ‘ছাপ্পাশ্রী’ পুরস্কার দেওয়া হোক, আচার্য বিল নিয়ে মমতাকে কটাক্ষ শুভেন্দুর

    তৃণমূলনেত্রীর প্রচেষ্টাকে ‘বিগ জিরো’ বলেও এদিন কটাক্ষ করেন বিরোধী দলনেতা।  বলেন,”উনি ১০ বছর ধরে দেশের নেত্রী হওয়ার বৃথা চেষ্টা করছেন।”  

    কেন্দ্রের প্রকল্পের নাম পরিবর্তন করা নিয়েও এদিন মমতাকে একহাত নেন শুভেন্দু। প্রশ্ন করেন “স্টিকার লাগানোর ব্যবসা কতদিন চালাবেন?”
    হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আগে ‘প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা’ লিখতে হবে, তারপরেই কেন্দ্রীয় সাহায্য পাওয়া যাবে। আগে লিখতে হবে ‘জলজীবন মিশন’, তারপর পুলক রায় টাকা পাবেন। রাজ্যের দেওয়া নাম ‘জলস্বপ্ন’-এ টাকা দেওয়া হবে না।” 

    আরও পড়ুন: বিরোধীহীন অধিবেশন চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী? প্রশ্ন শুভেন্দুর

    এছাড়া এদিন আর্থিক তছ্রুপের অভিযোগে রাজ্য সরকারের দিকে আঙুল তোলেন শুভেন্দু। তিনি বলেন,”রাজ্য সরকার তিন বছর ধরে কেন্দ্রের পাঠানো টাকার হিসেব দেয়নি। পশ্চিমবঙ্গ বনদপ্তর একটা নারকেল গাছ কেনে ৪২ টাকা দিয়ে। আর কিষাণ কল্যাণী ফার্ম আড়াইশো টাকা করে ৩২ কোটি টাকার নারকেল গাছ সরবরাহ করেছে এমজিএনআরইজিএ প্রকল্পে। এ ব্যাপারে বিভাগীয় তদন্ত হচ্ছে। পরে আর্থিক  তছরুপের তদন্ত হবে।”     

     

  • Praggnanandhaa: নরওয়েতে অপ্রতিরোধ্য ভারতের কিশোর দাবাড়ু প্রজ্ঞানন্দ

    Praggnanandhaa: নরওয়েতে অপ্রতিরোধ্য ভারতের কিশোর দাবাড়ু প্রজ্ঞানন্দ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দাবায় ভারতের বিষ্ময় বালক প্রজ্ঞানন্দ রমেশবাবু-র ঘরে এল বড় খেতাব। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন তথা দুনিয়ার এক নম্বর দাবাড়ু নরওয়ের ম্যাগনাস কার্লসেন-কে চলতি বছর পরপর দু বার হারিয়ে শোরগোল ফেলে দেওয়া ১৬ বছরের প্রজ্ঞানন্দ (Praggnanandhaa) নরওয়েতে খেতাব (Norway title) জিতল। এই টুর্নামেন্টে শীর্ষ বাছাই হিসেবেই খেলতে নেমেছিল প্রজ্ঞানন্দ।

    ভারতের অপর প্রতিশ্রুতবান দাবাড়ু ভি প্রনীথকে হারিয়েই খেতাব জয় নিশ্চিত করে প্রজ্ঞানন্দ। এই টুর্নামেন্টে রানার্স হলেন ইজরায়েল মার্সেল এফরোস্কি আর তৃতীয় স্থানে শেষ করলেন সুইডেন জুং মিন সিও।

    নরওয়ে চেজ গ্রুপ এ ওপেন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হল আর প্রজ্ঞানন্দ। নয় রাউন্ডের প্রতিযোগিতায় ভারতের ১৬ বছরের গ্র্যান্ডমাস্টারের সংগ্রহ ৭.৫ পয়েন্ট। প্রতিযোগিতায় কোনও ম্যাচ হারেনি প্রজ্ঞানন্দ। যদিও চ্যাম্পিয়ন হতে পারা নিয়ে শেষ রাউন্ড পর্যন্ত কিছুটা সংশয় ছিল। শেষ রাউন্ডে ভারতের আন্তর্জাতিক মাস্টার ভি প্রনীথকে হারিয়ে খেতার নিশ্চিত করে প্রজ্ঞানন্দ। 

    আরও পড়ুন: ডাচ গ্র্যান্ডমাস্টারকে হারিয়ে অনলাইন দাবা প্রতিযোগিতার ফাইনালে ভারতের ‘বিস্ময় বালক’ প্রজ্ঞানন্দ

    চ্যাম্পিয়ন হয়ে খুশি প্রজ্ঞানন্দ। এই প্রতিশ্রুতবান দাবাড়ুর কথায়, ‘‘এই প্রতিযোগিতায় বেশ উঁচু মানের খেলা হয়েছে। প্রতিটা ম্যাচে পরিকল্পনা অনুযায়ী চাল দিতে পেরেছি। নিজের খেলায় আমি খুশি।’’

    একাদশ শ্রেণির ছাত্র প্রজ্ঞানন্দ কয়েক মাস ধরেই বেশ ভাল ছন্দে রয়েছে। বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ম্যাগনাস কার্লসেনকেও হারিয়েছে সে। ফলে আত্মবিশ্বাসও রয়েছে যথেষ্ট। প্রজ্ঞানন্দের এই সাফল্যে তাই অবাক নয় ভারতের দাবা মহল। এর পর ভারতের ‘বি’ দলের হয়ে চেন্নাইয়ে দাবা অলিম্পিয়াড খেলবে প্রজ্ঞানন্দ। কয়েক দিন পরেই যোগ দেবে ভারতীয় দলের শিবিরে।

    বিশ্বনাথন আনন্দের প্রিয় ছাত্র প্রজ্ঞানন্দ জানায়, খেলার আগে বা খেলা চলাকালীন কোনও চাপ নেয় না সে।  লক্ষ্য থাকে একটাই— দাবার বোর্ডে সেরাটা দেওয়ার। ফলের কথা সেই মুহূর্তে মাথায় ঢুকতে দেয় না ১৬ বছরের এই বিস্ময় বালক। বড় প্রতিযোগিতায় বা বড় প্রতিপক্ষের সামনে মাথা ঠান্ডা রাখাটাই শ্রেয় বলে মনে করে সে। তাই এ ভাবেই খেলা চালিয়ে যেতে চায় প্রজ্ঞানন্দ।  

  • Draupadi Murmu: বিরোধী ঐক্যে ফাটল প্রকট, দ্রৌপদীর পক্ষে ক্রস ভোটিং রাজ্যে রাজ্যে

    Draupadi Murmu: বিরোধী ঐক্যে ফাটল প্রকট, দ্রৌপদীর পক্ষে ক্রস ভোটিং রাজ্যে রাজ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের (Presidential Elections 2022) ফলে প্রকাশ্যে চলে এল বিরোধী ঐক্যে ফাটল! এই নির্বাচনে হয়েছে ব্যাপক ক্রস ভোটিং (Cross Voting)। তার জেরেই এনডিএর  রাষ্ট্রপতি (NDA Presidential candidate) পদপ্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মু (Draupadi Murmu) জয়ী হয়েছেন বিপুল ভোটে। ধরাশায়ী হয়েছেন বিজেপি (BJP) বিরোধী জোটের প্রার্থী তৃণমূলের (TMC) প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট যশবন্ত সিনহা (Yashwant Sinha)। দেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে জনজাতি সম্প্রদায়ের দ্রৌপদীকে চেয়ে দলীয় অবস্থানের বিপরীতে গিয়ে বিরোধী শিবিরের বহু সাংসদ, বিধায়কই ভোট দিয়েছেন বিজেপির প্রার্থীকে।

    ভারতীয় গণতন্ত্র প্রতিনিধিত্বমূলক। এখানে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে সরাসরি অংশ নেন না ভোটাররা। তাঁদের হয়ে ভোট দেন সাংসদ এবং বিধায়করা। দেশের সব সাংসদ এবং বিধায়করা এই ভোটে অংশ নেন। গেরুয়া শিবির সূত্রের দাবি, বিভিন্ন বিধানসভার প্রায় ১২৫ জন বিধায়ক ভোট দিয়েছেন বিজেপির দ্রৌপদীকে। বিরোধী শিবিরের ১২ জন সাংসদের ক্রস ভোটিংয়েও লাভবান হয়েছেন দ্রৌপদী। অথচ এনডিএ প্রার্থী দ্রৌপদীকে হারাতে চেষ্টার কসুর করেনি বিরোধীরা। তার পরেও বিবেকের ডাকে সাড়া দিয়েছেন বিরোধী শিবিরের অনেক বিধায়ক, সাংসদ। যা থেকে স্পষ্ট সেভাবে দানা বাঁধতে পারেনি বিরোধী ঐক্য। 

    আরও পড়ুন : ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    জানা গিয়েছে, অসম, মধ্যপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় বিরোধী শিবিরের একাধিক বিধায়ক স্বদলের অবস্থানের বাইরে গিয়ে সমর্থন করেছেন দ্রৌপদীকে। গেরুয়া শিবিরের অনুমান, মধ্যপ্রেদেশের ২০ জন বিধায়ক, অসমের প্রায় ২২ জন বিধায়ক, বিহার ও ছত্তিশগড়ের ছ’জন বিধায়ক, গোয়ার চারজন বিধায়ক এবং গুজরাটের ১০ জন বিধায়ক ক্রস ভোট দিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও বিরোধীদের এক বিধায়কও ক্রস ভোটিং করেছেন বলে দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। ভোট শেষ হওয়ার পরেই শুভেন্দু (Suvendu) দাবি করেছিলেন, ৭০টি ভোট তো পাবই, তার বেশিও পাব। তাঁর কথা মিলে গেল হুবহু। কারণ এ রাজ্যে দ্রৌপদী পেয়েছেন ৭১টি ভোট। এই বাড়তি ভোট যে তৃণমূল শিবিরের, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন : জয়ী দ্রৌপদী, মমতা ব্যর্থ, তৃণমূলনেত্রীকে কটাক্ষ বিজেপির

    ওড়িশা এবং হরিয়ানায়ও হয়েছে ক্রস ভোটিং। একই চিত্র ধরা পড়েছে বাম শাসিত কেরলেও। দ্রৌপদীর কাছে ধরাশায়ী হয়েছেন বিজেপি বিরোধী ১৭টি দলের প্রার্থী যশবন্ত সিনহা। অন্ধ্রপ্রদেশ, সিকিম এবং নাগাল্যান্ডে একটিও ভোট পাননি তিনি। নিজের রাজ্য ঝাড়খণ্ডেও খুব বেশি ভোট পাননি যশবন্ত। তাঁর পক্ষে ভোট দিয়েছেন মাত্র ৯ জন বিধায়ক।

    বিজেপির দ্রৌপদী যাঁদের ভোট পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে কংগ্রেসেরও অনেক ভোটার ছিলেন। যাঁরা ক্রস ভোটিং করেছেন, তাঁদের প্রত্যেকেরই দাবি, অন্তরাত্মার ডাকে সাড়া দিয়েই দলীয় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে গিয়ে তাঁরা ভোট দিয়েছেন দ্রৌপদীকে। এই সব কারণেই আগামী পাঁচ বছরের জন্য রাইসিনা হিলসের (Raisina Hills) স্থায়ী বাসিন্দা হয়ে গেলেন ওড়িশার দ্রৌপদী মুর্মু।  

     

  • Hiraben Modi: শতবর্ষে পদার্পণ হিরাবেনের, মায়ের সঙ্গে দেখা করবেন মোদি

    Hiraben Modi: শতবর্ষে পদার্পণ হিরাবেনের, মায়ের সঙ্গে দেখা করবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৮ জন ১০০-য় পা দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) মা হিরাবেন মোদি (Hiraben Modi)। মা-এর জীবনের এই বিশেষ দিনে মায়ের পাশেই থাকতে চান তাঁর প্রধানমন্ত্রী ছেলে। তাই সেদিন মেয়ের সাথে দেখা করতে গুজরাট যাবেন মোদি। এমনটাই জানিয়েছে মোদি পরিবার। 

    গান্ধীনগরে মায়ের সঙ্গে দেখা করার পাশাপাশি ওইদিন প্রভাগড় মন্দির দর্শন এবং ভদোদরাতে একটি পদযাত্রায় অংশ নেবেন তিনি।

    আরও পড়ুন: “জ্ঞান, কর্ম এবং ভক্তির একটি নিখুঁত সংমিশ্রণ”, যোগ সাধনা প্রসঙ্গে মোদি  

    ১৯২৩ সালে ১৮ জুন জন্ম হিরাবেন মোদির। এই বছর ১০০ বছরে পা। গান্ধীনগরে ছোট ছেলে পঙ্কজ মোদির সঙ্গে থাকেন হিরাবেন, সেখানেই দেখা হতে পারে মা-ছেলের। ওই দিন আহমেদাবাদের জগন্নাথ মন্দিরে একটি ‘ভাণ্ডারো’ বা গণআহারের অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে মোদির পরিবার। পাশাপাশি হটকেশ্বর মহাদেব মন্দিরে সেদিন হিরাবেনের দীর্ঘায়ু কামনায় সারাদিন ধরে চলবে পুজো ও যজ্ঞ। সেখানে ভজন সঙ্গীতের অনুষ্ঠান হবে, শিব আরাধনাও হবে। এমনটাই জানিয়েছেন মোদির ভাই পঙ্কজ মোদি। গত মার্চ মাসে শেষ বার মায়ের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।   

    আরও পড়ুন: মাতৃপ্রেম! মা হীরাবেনের সঙ্গে মোদির আবেগঘন মুহূর্ত

    এর আগে, দু’দিনের গুজরাট সফরে গিয়ে গত ১১ মার্চ আমেদাবাদে হিরাবেনের সঙ্গে দেখা করেন মোদি। করোনা দুবছর পর মায়ের সঙ্গে দেখা করেন তিনি।  

    গান্ধীনগর (Gandhinagar) প্রশাসনও মোদি জননীর জন্মদিনকে স্মরণীয় করতে বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে। হিরাবেনের নামে এ বার সেখানে একটি রাস্তার নামকরণের সিদ্ধান্ত নিল তারা। রায়সান পেট্রোল পাম্প থেকে ৬০ মিটার দূরত্ব পর্যন্ত রাস্তার নাম রাখা হচ্ছে ‘পূজ্য হীরাবা মার্গ’। সব ব্যবস্থা সেরে রেখেছে গান্ধীনগর পুরসংস্থা। শুরুতে এই দিনই রাস্তার নামকরণের কথা থাকলেও পরবর্তীতে পিছিয়ে দেয় গান্ধীনগর প্রশাসন। পুরসংস্থার তরফে বলা হয়েছে কিছু সরকারি কাজ বাকি থাকায় পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে রাস্তার নামকরণের তারিখ।  

     

     

     

LinkedIn
Share