Blog

  • Gujarat Assembly Elections: গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষিত, ভোট হবে দুই দফায়

    Gujarat Assembly Elections: গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষিত, ভোট হবে দুই দফায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট বিধানসভা (Gujarat Assembly Election) নির্বাচনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। নির্বাচন হবে দুই দফায়। আগামী ১ এবং ৫ ডিসেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ফলাফল জানা যাবে ডিসেম্বর মাসের ৮ তারিখ। সেদিনই ভোটগণনা হবে হিমাচল নির্বাচনেরও। আজ, বৃহস্পতিবার দিল্লিতে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক রাজীব কুমার একথা জানান।

    মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার এদিন জানান, গুজরাটে প্রথম দফায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ১ ডিসেম্বর। দ্বিতীয় দফায় নির্বাচন হবে ৫ ডিসেম্বর। ভোট গণনা ৮ ডিসেম্বর। নির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হওয়ার পরেই, গুজরাটে আদর্শ আচরণবিধি কার্যকর হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে প্রথম দফার গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের তারিখ নভেম্বরের ৫ এবং  দ্বিতীয় দফার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে ১০ নভেম্বর। প্রথম দফার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৪ নভেম্বর। দ্বিতীয় দফার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন  ১৭ নভেম্বর। প্রথম দফার নির্বাচনের জন্য প্রার্থীপদ প্রত্যাহার এবং মনোনয়ন যাচাই করার শেষ তারিখ ১৫ নভেম্বর। দ্বিতীয় দফার জন্য এই কাজের শেষ তারিখ ১৮ নভেম্বর।

    আরও পড়ুন: ইভিএম থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক সরানোর আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    গুজরাট বিধানসভায় মোট আসন সংখ্যা ১৮২টি। গুজরাটে মোট ভোটার ৪.৯ কোটি। তারমধ্যে যুব সম্প্রদায় ৪.৬ লক্ষ। ৫১ হাজার ৭৮২টি বুথে ভোটগ্রহণ হবে রাজ্যজুড়ে। ৫০% বুথে ওয়েবকাস্টিং-র সুবিধা থাকবে। ১২৪৭টি পোলিং স্টেশন সম্পূর্ণ মহিলা দ্বারা পরিচালিত হবে। যেসব প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা থাকবে তাঁদেরকে অন্তত সোশ্যাল মিডিয়াতে মামলার কারণ ভোটারদের জানাতে হবে। আর নির্বাচনের সময় কোস্টগার্ডরা যাতে উপকূল বরাবর বিশেষ নজরদারি বজায় রাখে সেদিকে নজর রাখতে হবে। কড়া নজরদারিতে ভোটগ্রহণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কোথাও কোনও রকম অশান্তি হলে, ৬০ মিনিটের মধ্যে কমিশন তা খতিয়ে দেখে ১০০ মিনিটের মধ্যে অভিযোগের সমাধান করবে, বলে জানানো হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি ভয়াবহ, এর থেকে রেহাই পেতে কী করবেন ও কী করবেন না?

    Dengue: রাজ্যে ডেঙ্গির পরিস্থিতি ভয়াবহ, এর থেকে রেহাই পেতে কী করবেন ও কী করবেন না?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গির দাপট কিছুতেই কমছে না। দিনের পর দিন বাড়ছে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা। এর পাশাপাশি বাড়ছে মৃতের সংখ্যাও। ফলে এই সময় চিকিৎসকেরাও পরামর্শ দেন খাবার ও পানীয়ের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য। তবে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হলে কিছু করণীয় রয়েছে। আবার কোনও কোনও কাজ রয়েছে যেগুলো ডেঙ্গি রোগীদের ভুলেও করা উচিত না। তাই এই সময়ে ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হলে কী করবেন আর কী করবেন না, তা একনজরে দেখে নিন।

    ডেঙ্গি হলে শরীরে জলের ঘাটতি দেখা দেয়। তাই জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শে জ্বরের ওষুধ খাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বারে বারে জল ও জলীয় খাবার খেতে হবে। শরবত, ফলের রস, পাতলা ঝোল, ডাল, স্যুপ, লিকার চা ইত্যাদি খাবার বারে বারে খেতে হবে।

    প্রতি ৩ ঘণ্টা অন্তর জ্বর মাপতে হবে। এই সময় রক্তচাপ কমে যাওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তাই নিয়মিত সেটাও মাপতে হবে। জ্বর হলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া প্যারাসিটামল ওষুধ খাবেন না।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপ, কেন্দ্রকে পাঠানো রিপোর্টে আশঙ্কা প্রকাশ রাজ্যের

    এই সময় রক্তে প্লাজমা ও অণুচক্রিকার মাত্রা কমে যায়। তাই ডায়েটে বেশি করে মরসুমি ফল, ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল ও শাক-সব্জি রাখতে হবে।

    কোভিডের মতো ডেঙ্গি রোগীকেও আইসোলেশনে থাকতে হবে। এই সময় মশারি অবশ্যই ব্যবহার করা উচিত। আর রোগীর উপসর্গগুলি খুব ভাল করে লক্ষ রাখতে হবে।

    ডেঙ্গি শক সিনড্রোম থেকে মানবদেহে জলশূন্যতা তৈরি হয়। সঙ্গে সঙ্গে পালস রেট অনেকটা বেড়ে যায় এবং রক্তচাপ খুব কমে যায়। শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়। শ্বাস-প্রশ্বাস খুব দ্রুত চলে। রোগী অস্থির হয়ে ওঠেন। তখন সময় নষ্ট না করে হাসপাতালে ভর্তি করানো উচিত।

    জ্বর, সর্দি-কাশি হলে কখনোই রোগীকে সাধারণ জ্বর ভেবে ওষুধ খাওয়াবেন না। কোনও উপসর্গ দেখলেই সরাসরি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: দিল্লিতে ইডির দফতরে মুখোমুখি জেরা সায়গল-সুকন্যাকে! কী বললেন অনুব্রত-তনয়া?

    Anubrata Mondal: দিল্লিতে ইডির দফতরে মুখোমুখি জেরা সায়গল-সুকন্যাকে! কী বললেন অনুব্রত-তনয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারই দিল্লিতে (Delhi) ইডি (ED) দফতরে হাজিরা দিয়েছেন অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল (Sukanya Mondal)।  ইডি সূত্রে খবর,  সুকন্যার বিপুল সম্পত্তির উৎস কী? বোলপুরের (Bolpur) একাধিক জমি রয়েছে, যাঁর বাজারমূল্য প্রায় ২৫ কোটি! শিক্ষকতার কাজ করে এত টাকার মালিক কী করে হলেন তিনি? এসব প্রশ্নই এদিন তাঁকে করা হয়। সুকন্যার পাশাপাশি এদিন অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকেও আনা হয় ইডি দফতরে। এদিন দুজনকে একেবারে মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। সূত্রের খবর, একক জেরায় সায়গল ও সুকন্যার কথায় একাধিক অসঙ্গতি দেখতে পান ইডি কর্তারা। জেরা পর্বের শুরু থেকেই দুজনের বক্তব্যের মধ্যে বৈপরীত্য থাকায় তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করার সিদ্ধান্ত নেন ইডি কর্তারা। 

    আরও পড়ুন: মৃত ব্যক্তির সঙ্গে জয়েন্ট অ্যাকাউন্টে কোটি কোটি টাকা মানিকের স্ত্রীর! বিস্ফোরক ইডি

    গরু পাচার কাণ্ডে জেলবন্দি তৃণমূল নেতা অনুব্রত-কন্যাকে এদিন আট ঘণ্টা জেরা করে ইডি। এদিন ২ দফায় সুকন্যাকে জেরা করেন ইডির গোয়েন্দারা। কন্যাকে জেরা করে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে খবর।  বুধবার সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে দিল্লিতে ইডির সদর দফতরে পৌঁছন সুকন্যা। তাঁর সঙ্গে ছিল প্রচুর নথি। সেই নথি ইডির কাছে জমা দেন তিনি। এর পর শুরু হয় জেরা। প্রথম পর্বে বেলা ২টো পর্যন্ত জেরা করা হয়। তারপর দুপুরের খাওয়া দাওয়া করেন তিনি। বিকেল ৩টে ৩০ মিনিট থেকে সায়গল হোসেনের মুখোমুখি বসিয়ে সুকন্যাকে দ্বিতীয় পর্বের জেরা করে ইডি। সায়গলের দেওয়া তথ্য সুকন্যাকে দিয়ে খতিয়ে দেখেন গোয়েন্দারা। সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিট নাগাদ ইডির সদর দফতর থেকে গাড়ি করে বেরিয়ে যান সুকন্যা মণ্ডল। বোলপুর থেকে পরিবারের সদস্যরাও তাঁর সঙ্গে দিল্লি গিয়েছেন। জিজ্ঞাসাবাদের পর পরিবারের সদস্যের সঙ্গেই গাড়িতে উঠে বেরিয়ে যান সুকন্যা। 

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে ইডির দফতরে অনুব্রত কন্যা সুকন্যা! কী প্রশ্ন করলেন তদন্তকারীরা?

    ইডি সূত্রে খবর, বোলপুরের ANM অ্যাগ্রোকেম ফুড প্রাইভেট লিমিটেডের অন্যতম ডিরেক্টর সুকন্যা। বোলপুরের কালিকাপুরের হারাধন মণ্ডল রোডে যে ঠিকানায় এই সংস্থার রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে, সেটি হল ভোলে ব্যোম রাইস মিলের। এই ভোলে ব্যোম রাইস মিলের মালিক আবার অনুব্রতর স্ত্রী ছবি মণ্ডল। স্বামী হিসেবে নথিতে নাম রয়েছে অনুব্রতরও। এর আড়ালেই কি চলত গরু পাচার? সেই টাকাতেই কি এত রমরমা? খতিয়ে দেখছে ইডি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • North Korea fires missiles প্রথম পরস্পরের বিরুদ্ধে মিসাইল দাগল উওর ও দক্ষিণ কোরিয়া

    North Korea fires missiles প্রথম পরস্পরের বিরুদ্ধে মিসাইল দাগল উওর ও দক্ষিণ কোরিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথমবারের মতো দক্ষিণ কোরিয়ার জলসীমান্তে মিসাইল ছুড়েছে কিম জং-উনের দেশে উত্তর কোরিয়া। জবাবে তিনটি মিসাইল ছুড়েছে দক্ষিণ কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাকর্তা জানিয়েছেন, উত্তর কোরিয়ার মিসাইলগুলি দক্ষিণ কোরিয়ার জলসীমার খুব কাছে পড়েছে যা দক্ষিণ কোরিয়ার অখন্ডতার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক। দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনী তা কখনোই বরদাস্ত করবে না বলে সাফ জানিয়েছেন।

    এদিকে, সিওলের প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল (Yoon Suk-yeol) একে কার্যকর আঞ্চলিক আক্রমণ বলে উল্লেখ করেছেন। উত্তর কোরিয়ার ১০টি মিসাইলের মধ্যে তিনটি মিসাইল স্বল্প পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল যা উত্তর কোরিয়ার উপকূলীয় অঞ্চল ওনসান থেকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করা হয়েছিল।

    এর মধ্যে অন্তত একটি বুধবার নয়টার আগে নিক্ষেপ করা হয় যা সীমান্তের ২৬ কিলোমিটার দক্ষিণে, সোচো শহরের ৫৭ কিলোমিটার পূর্ব দিকে এবং উলিয়াং দ্বীপের ১৬৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে আঘাত হানে। এর ফলে উলিয়াং এ সাইরেন বাজিয়ে অধিবাসীদের ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারগুলোতে আশ্রয় নিতে বলা হয়।

    প্রসঙ্গত, উত্তর কোরিয়ার সীমারেখা পড়েছে সাগরের মাঝ বরাবর। তবে উত্তর কোরিয়া কখনওই এ সীমারেখাকে মেনে নেয়নি। এর আগে উত্তর কোরিয়া দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছিল, যে তারা যদি যৌথ সামরিক মহড়া অব্যাহত রাখে তাহলে তাদেরকে ‘ইতিহাসের সবচেয়ে কঠিন মূল্য দিতে হবে’। এ হুমকিকে পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের প্রচ্ছন্ন হুমকি হিসেবে দেখা হয়েছে।

    দক্ষিণ কোরিয়ার সরকারের তরফে জানানো হয়েছে যে, দক্ষিণ কোরিয়ায় আক্রমণ হলে তারা সেক্ষেত্রে মার্কিন সহযোগিতাও পাবে। উত্তর কোরিয়ার এই ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের পর দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান জাতীয় নিরাপত্তা বৈঠক ডেকেছেন। 

    চলতি বছরেই পঞ্চাশটির বেশি মিসাইল উৎক্ষেপণ করেছে উত্তর কোরিয়া। এর মধ্যে একটি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র জাপান অতিক্রম করে গিয়ে পড়েছে। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পারমাণবিক শক্তি সম্পন্ন সাবমেরিন দক্ষিণ কোরিয়ার উপকূলে এসেছে দু দেশের সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে। গত অগাস্ট মাসে এই মহড়া শুরু হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Dengue: ডেঙ্গি থেকে রেহাই পেতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৭ টি খাবার

    Dengue: ডেঙ্গি থেকে রেহাই পেতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৭ টি খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ডেঙ্গির (Dengue) প্রকোপ এখনও কমেনি। ইতিমধ্যেই ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ২০১৯-এর রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। দৈনিক ডেঙ্গি আক্রান্তের পাশাপাশি বেড়েছে মৃত্যুর সংখ্যা। ফলে ডেঙ্গি থেকে দ্রুত সুস্থ হতে প্রথমে ডায়েটে কিছু পরিবর্তন আনা উচিত। এই পরিস্থিতিতে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর ক্ষেত্রে বেশি করে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। এ ক্ষেত্রে ডায়েটের উপর দিতে হবে বাড়তি নজর। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এই সময়ে ডায়েটে কী কী খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, জেনে নিন।

    মেথি

    খাবারে প্রায়ই মেথির ব্যবহার করে থাকেন আপনারা। কিন্তু জানেন কি এই উপাদান শরীরের জন্য কতটা উপকারী? বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন ডেঙ্গিতে যখন মারাত্মক জোরে ভুগছেন কোনও ব্যক্তি তখন তাকে আরাম দিতে সাহায্য করে মেথি।

    বেদানা

    ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের শরীরে নানা ব্যথা যন্ত্রণা হয়, সেই ব্যথা যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেয় এই বেদানা। এই ফল নিয়মিত খাবারের তালিকায় রাখার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের।

    ডাবের জল

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গি আক্রান্ত রোগীদের ডিহাইড্রেশনের সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে নারকেল অথবা ডাবের জল। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে উপকারী উপাদান। শরীরে জলের মাত্রা বজায় রাখার সঙ্গে সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

    আরও পড়ুন: ডেঙ্গি থেকে ম্যালেরিয়া, সারাতে পারে পেঁপে পাতার রস!

    ব্রকলি

    এতে প্রচুর পরিমাণে থাকে ভিটামিন কে যা অনুচক্রিকা পুনরুৎপাদনে সাহায্য করে। অন্যান্য পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ ব্রকলি প্রতিদিনের ডায়েটে রাখা উচিত।

    দই

    এই সময়ে দৈনন্দিন খাবারে দইয়ের মত প্রোবায়োটিক রাখা জরুরী। এর ফলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে ও শরীর দূষণমুক্ত করতে সাহায্য করবে।

    কিউই

    এই ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা শর্ট টার্ম এবং লং টার্ম রিকভারির ক্ষেত্রে উপকারী।

    রসুন

    শরীরের রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়াতে ও সংক্রমণ থেকে দূরে থাকতে ডায়েটে বেশি করে রাখা উচিত রসুন। 

  • Supreme Court: ইভিএম থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক সরানোর আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    Supreme Court: ইভিএম থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক সরানোর আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইভিএম (EVM) থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক সরানোর (Removal of Party Symbol) আবেদন খারিজ করে দিল দেশের শীর্ষ আদালত (Supreme Court)। এই আবেদন জানিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছিলেন বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী অশ্বিনী উপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিতের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ এই আবেদন খারিজ করে দেয়। অ্যাডভোকেট জেনারেল এই পিটিশনের বিরোধিতা করেছেন। অ্যাডভোকেট জেনারেলের বক্তব্য, একজন ভোটার ভোটকেন্দ্রে আসার আগেই নিজের পছন্দের প্রার্থীকে বেছে নেন। ইভিএম-এর সামনে দাঁড়ানো অবধি কেউ অপেক্ষা করেন না। 

    আরও পড়ুন: অন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করা উচিত এসসিও বৈঠকে চিনকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের  

    মামলাকারী অশ্বিনী উপাধ্যায়ের পক্ষে থেকে আদালতে উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ আইনজীবী বিকাশ সিং এবং গোপাল শঙ্করনারায়ণ। তাঁদের দাবি, ইভিএম-এ রাজনৈতিক দলের প্রতীক থাকায় সংবিধানের ১৪ এবং ২১ নং অনুচ্ছেদের লঙ্ঘন হয়। অশ্বিনী বলেন, “ইভিএমে দলীয় প্রতীক থাকলে তা ভোটারদের পছন্দকে প্রভাবিত করে। নির্বাচনে লড়াই করা প্রার্থীদের বিশ্বাসযোগ্যতার ভিত্তিতে ভোট দেওয়াই ভোটারদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিৎ। কিন্তু ইভিএম-এ প্রতীক থাকার কারণে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন ভোটাররা।”

    আরও পড়ুন: লোক পাঠিয়ে ২১ কোটি টাকার তোলাবাজি করেছেন মানিক, বিস্ফোরক তাপস

    মামলাকারীর আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ বলেন, “কেন দলগুলি এমন প্রার্থীদের বেছে নিচ্ছেন না, যাদের অপরাধে জড়িত থাকার কোনও ইতিহাস নেই। শুধুমাত্র একটি স্ট্যান্ডার্ড হলফনামা দাখিল করা হয়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলই তা করছে। এলাকায় জনপ্রিয়তার ভিত্তিতে প্রার্থী বাছাই করা হচ্ছে।” সওয়াল জবাব শোনার পর প্রধান বিচারপতি পর্যবেক্ষণ জানিয়ে বলেন, “নির্বাচন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত। আর  তার মূল ভিত্তিই হলেন ভোটাররা। তাঁরাই প্রার্থী বেছে নিচ্ছেন। সুতরাং ভোটাররা যাকেই নির্বাচিত করুক না কেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিকে রাজনৈতিক দলের থেকে আলাদা করা যাবে না।” 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     

        

  • Kerala police officer breastfeed: ক্ষুধার্ত শিশুকে বুকের দুধ খাইয়ে প্রাণ বাঁচালেন কেরলের পুলিশ অফিসার

    Kerala police officer breastfeed: ক্ষুধার্ত শিশুকে বুকের দুধ খাইয়ে প্রাণ বাঁচালেন কেরলের পুলিশ অফিসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২ দিনের একটি ছোট্ট শিশুকে বুকের দুধ খাইয়ে বাঁচালেন (Kerala police officer breastfeed) কেরলের এক মহিলা পুলিশ অফিসার। এই ঘটনার প্রশংসা করেছেন রাজ্যের পুলিশ প্রধান ও কেরল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি। কেরলের হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি দেবান রামচন্দ্রন পুলিশ অফিসারের সহানুভূতির প্রশংসা করেছেন এবং তার সম্মানার্থে একটি শংসাপত্রও পাঠিয়েছেন। সেই শংসাপত্রে বিচারপতি লিখেছেন যে, আপনি (ওই মহিলা পুলিশ) পুলিশ প্রশাসনের অন্যতম মুখ। আপনি শুধু একজন ভালো অফিসারই নয় তার পাশাপাশি একজন সত্যিকারের মা। জীবন ঐশ্বরিক দান কিন্তু তা একজন মা এই জীবনকে রক্ষা করতে পারেন। আপনি সকলের মধ্যে এই মানবতাবাদের আশাকে বাঁচিয়ে রাখুন।

    এছাড়াও রাজ্যের পুলিশ প্রধান (State Police Chief) অনিল কান্ত সেই মহিলা পুলিশ অফিসার ও তার পরিবারকে পুলিশের মুখ্য কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তিনি ওই অফিসারের হাতে শংসাপত্র তুলে দেন। এই প্রেক্ষিতে পুলিশ প্রধান জানিয়েছেন যে, এই কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশ প্রশাসনের ফের আরেকবার গ্রহনযোগ্যতা বাড়ল রাজ্যবাসীর মনে। সংবাদ সূত্রে জানা গিয়েছে ২৯ অক্টোবর শিশুটির মা কোঝিকোড়ের চেভায়ুর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি দাবি করেছিলেন যে তাঁর সন্তান নিখোঁজ। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীর সঙ্গে বিরোধের কারণে তার স্বামী তাদের শিশুটিকে নিয়ে চলে গিয়েছে। অভিযোগ দায়ের হবার পরেই পুলিশ প্রশাসন নড়েচড়ে বসেছিল। প্রশাসন তরফে রাজ্যের সীমান্তবর্তী পুলিশ স্টেশনগুলিকে সতর্ক করা হয়। সীমান্তে নাকা চেকিং করার সময় সুলতান বাথেরি থানার পুলিশ শিশু এবং বাবাকে খুঁজে পায়।

    এদিকে পুলিশ লক্ষ্য করে যে শিশুটির শারীরিক পরিস্থিতি ভালো নয়। তড়িঘড়ি করে নিকটবর্তী হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসার পরে জানা যায় দীর্ঘসময় বুকের দুধের অভাবে শিশুটি ক্লান্ত হয়ে পড়েছে ও শরীরে শর্করার মাত্রাও কম। এই কথা শুনেই শিশুটির উদ্ধারকারী দলের মধ্যে থাকা ওই মহিলা পুলিশ অফিসার রাম্যা (MR Ramya) ও একটি নার্স শিশুটিকে বুকের দুধ খাওয়ান (Kerala police officer breastfeed)। ওই রাতেই শিশুটিকে মায়ের কাছে আনা হয়। কোঝিকোড় জেলার চিঙ্গাপুরমের বাসিন্দা রম্যা (MR Ramya) সম্প্রতি তার মাতৃত্বকালীন ছুটির পরে আবার দায়িত্বে যোগদান করেছিলেন। তার চার বছর এবং এক বছর বয়সী দুটি সন্তান রয়েছে এবং তার স্বামী একজন স্কুল শিক্ষক। তিনি নারী ব্যাটালিয়নের দ্বিতীয় ব্যাচে প্রশিক্ষণ শেষ করে চার বছর আগে পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন এবং বর্তমানে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের চতুর্থ স্কোয়াডে দায়িত্ব পালন করছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • TET Scam: লোক পাঠিয়ে ২১ কোটি টাকার তোলাবাজি করেছেন মানিক, বিস্ফোরক তাপস

    TET Scam: লোক পাঠিয়ে ২১ কোটি টাকার তোলাবাজি করেছেন মানিক, বিস্ফোরক তাপস

    মাধ্যমিক নিউজ ডেস্ক: লোক পাঠিয়ে তোলা তুলতেন রাজ্যের বিধায়ক মানিক ভট্টাচার্য (Manik Bhattacharya)। ইডি (ED) দফতরে গিয়ে এমনই বিস্ফোরক দাবি করলেন মানিক-ঘনিষ্ঠ তাপস মণ্ডল (Tapas Mondal)। বুধবার শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলির অফলাইন রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত আর্থিক লেনদেনের হিসাব দিতে এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেটের দফতরে হাজিরা দেন তাপস। তিনি দাবি করেন, অফলাইনে রেজিস্ট্রেশনের ক্ষেত্রে প্রার্থী পিছু পাঁচ হাজার টাকা করে নিতেন মানিক। ইডি দফতরে এদিন তাপস বলেন, “মানিক লোক পাঠিয়ে দিতেন। আমার কর্মীরা বলেছে, অফিস থেকে ফাইল ও টাকা যেত। উনি লোক পাঠাতেন মানে ওনার কাছেই যেত। অফলাইনে প্রাপ্য তো দিতেই হত।” 

    প্রসঙ্গত, রাজ্যের বিভিন্ন শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজগুলিতে অনলাইনে ভর্তির প্রক্রিয়া চলত। সেই ভর্তি প্রক্রিয়ার জন্য ফি অনলাইনেই নেওয়া হত। তবে অনলাইনে ভর্তি প্রক্রিয়া শেষ হয়ে যাওয়ার পর যে আসন খালি থাকত, সেগুলিতে অফলাইনে ভর্তি নেওয়া হত। সেই অফলাইন ভর্তির ক্ষেত্রেই এই টাকা নিত কলেজগুলি। যার কাটমানি যেত তৃণমূল নেতাদের কাছেও। এই সন্দেহ আগেই করেছিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সেই সন্দেহ থেকেই তাপসের মহিষবাথানের অফিসে ইডি গত ১৫ অক্টোবর অভিযান চালিয়েছিল। ওই অফিস থেকে বেশ কিছু নথিও উদ্ধার করে তারা। তারপরেই সিজিও কমপ্লেক্সে তলব করা হয় তাপস মণ্ডলকে। বুধবার দুপুর প্রায় পৌনে ১২ টা নাগাদ ইডি অফিসে হাজিরা দেন তিনি। এই নিয়ে চতুর্থবার ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন তাপস।  

    আরও পড়ুন: অন্য দেশের সার্বভৌমত্বকে সম্মান করা উচিৎ, এসসিও বৈঠকে চিনকে কড়া বার্তা জয়শঙ্করের

    এদিন ইডি দফতরে ঢোকার আগে তাপস মণ্ডল সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ডকুমেন্টস নিয়ে এসেছি। অফলাইনে ভর্তির যে তথ্য চেয়েছেন, সেগুলো দিতে যাচ্ছি। অফিস থেকে মানিকবাবু লোক পাঠিয়ে দিতেন। আমার কর্মীরা তাই বলেছেন। অফিস থেকে ফাইল এবং টাকা যেত। উনি লোক পাঠাতেন মানে ওনার কাছেই যেত। অফলাইনে ফিসটা তো দিতেই হত।” ইডি সূত্রে খবর, ২০১৮ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ২১ কোটি টাকা তোলা হয়েছিল। অফলাইনে ভর্তির জন্য পড়ুয়া পিছু ৫ হাজার টাকা নেওয়া হত। 

    প্রসঙ্গত, তাপস মণ্ডলের সংস্থা ‘মিনার্ভা এডুকেশনাল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ আপাতত ইডির স্ক্যানারের নিচে। এই সংস্থার অধীনে সাতটি পলিটেকনিক এবং আইটিআই কলেজ রয়েছে বলে জানিয়েছে ইডি। সূত্রের খবর, মানিক-পুত্র শৌভিক ভট্টাচার্যের সংস্থার সঙ্গে ৫৩০টি বেসরকারি বিএড, ডিএলএড কলেজের মানোন্নয়নের জন্য যে ২.৬৪ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছিল, সেই সম্পর্কে তাপসের কাছে জানতে চাইতে পারে ইডি। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • China Covid: চিনে লকডাউনের প্রতিবাদে হাতিয়ার বাপ্পি লাহিড়ির গান ‘জিমি জিমি আজা আজা’! ব্যাপারটা কী?

    China Covid: চিনে লকডাউনের প্রতিবাদে হাতিয়ার বাপ্পি লাহিড়ির গান ‘জিমি জিমি আজা আজা’! ব্যাপারটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাপ্পি লাহিড়ির ‘আইকনিক সং’ ‘জিমি জিমি আজা আজা’ সম্প্রতি চিনে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সেখানে এই গানটি এখন চিনাদের প্রতিবাদের গান হয়ে উঠেছে। তবে কীসের প্রতিবাদ, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু হয়েছে। আসলে চিনে শুরু হয়েছে ‘জিরো কোভিড নীতি’। কোভিড-১৯ মহামারির বিরুদ্ধে সরকারের এই নীতির জেরে বর্তমানে লক্ষ লক্ষ চিনা নাগরিককে এখন ঘরবন্দি করে রাখা হয়েছে। নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক পণ্যই পাচ্ছেন না তাঁরা। তাই চিনের নাগরিকরা জিনপিং সরকারের এই নীতির প্রতিবাদ করার জন্য এক অভিনব পন্থা বের করেছেন। আর তার ফলেই মিঠুন চক্রবর্তীর ‘ডিস্কো ডান্সার’ ছবির গান ব্যবহার করে চিনারা তাঁদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন।

    চিনারা বাপ্পি লাহিড়ির কম্পোজ করা গানটির সুর নিয়ে সেই গানটিকেই নতুনভাবে ম্যান্ডারিন ভাষায় গেয়েছে ‘Jie mi, jie mi’। যা অনুবাদ করলে দাঁড়ায়, ‘আমাকে ভাত দাও, আমাকে ভাত দাও।’ চিনা সরকারের এই নীতির ফলে সাধারণ মানুষ তাঁদের প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, ফলে গানের সঙ্গে ভিডিও করে সেটাই টিকটকে তুলে ধরা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, চিনের এক নাগরিক এই গানের সঙ্গে খালি পাত্র নিয়ে প্রতিবাদ করছে। শুধু একজন নয় চিনে এমন ভিডিও অনেককেই করতে দেখা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: বাড়ছে করোনা সংক্রমণ, ফের লকডাউন চিনে

    প্রসঙ্গত, এই দেশ থেকেই প্রথম করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে পুরো বিশ্বে। তবে চিনে এখন করোনার তেমন দাপট না থাকলেও করোনা পুরোপুরি ভাবে শেষ হয়নি। ফলে এই নীতি নিয়েছে সেই দেশের কমিউনিস্ট সরকার। আর সেই কারণেই এখনও চিনের বিভিন্ন প্রদেশে জারি কঠোর লকডাউন। কিন্তু, এই পরিস্থিতিতে নাজেহাল চিনের বাসিন্দারাও। আর এর প্রতিবাদ জানানোর জন্য এই গান ও টিকটককেই বেছে নিয়েছে তাঁরা। তবে অনুমান করা হচ্ছে, এটি হয়তো এখনও চিনা সরকারের নজরে আসেনি। ফলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, খুব শীঘ্রই এই ভিডিওগুলো সরিয়ে ফেলা হবে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে।

     
  • Employee Pension Scheme: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে ইপিএফও পেনশন প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ল আরও চার মাস

    Employee Pension Scheme: ‘সুপ্রিম’ নির্দেশে ইপিএফও পেনশন প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ল আরও চার মাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের লক্ষ লক্ষ বেতনভোগী কর্মীদের স্বস্তি দিল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। শুক্রবার দেশের শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, ইপিএফও পেনশন প্রকল্পের সময়সীমা বাড়ানো হল আরও চার মাস। এই সময়ের মধ্যেই যোগ দিতে হবে ওই পেনশন প্রকল্পে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের জেরে উপকৃত হবেন বহু কর্মী। যাঁরা এখনও এমপ্লয়িজ পেনশন প্রকল্পে (Employee Pension Scheme) যোগ দিতে পারেননি, তাঁদের মুখে হাসি ফোটাবে সুপ্রিম কোর্টের এই রায়। 

    এদিন যে বেঞ্চে এই রায়দান হয়েছে, সেই বেঞ্চে ছিলেন দেশের প্রধান বিচারপতি ইউইউ ললিত (UU Lalit), বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বিচারপতি সুধাংশু ঢুলিয়া। এনিয়ে আদালতে আবেদন করেছিলেন এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (EPFO) কর্তৃপক্ষ। কেরল, রাজস্থান এবং দিল্লি হাইকোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতে তাঁরা আবেদন করেছিলেন। এই তিন আদালতই এমপ্লয়িজ পেনশন সংশোধনী স্কিম, ২০১৪ বাতিল করে দিয়েছিল। অগাস্ট মাসের ১১ তারিখে মামলাটি ফের একবার ওঠে এই বেঞ্চে। সেদিন এই মামলার রায়দান স্থগিত রাখে দেশের শীর্ষ আদালত। তার আগে অবশ্য হয়ে গিয়েছে ছ’দিন ধরে শুনানি।

    আরও পড়ুন: ইভিএম থেকে রাজনৈতিক দলের প্রতীক সরানোর আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টের

    এদিন দেশের শীর্ষ আদালত সময়সীমা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। তাদের পর্যবেক্ষণ, কাট-অফ ডেট নিয়ে হাইকোর্টের এমপ্লয়িজ পেনশন সংশোধনী স্কিম, ২০১৪-র রায়ে বিশ্লেষণের অভাব রয়েছে। তাছাড়া, সুপ্রিম কোর্ট ২০১৪-র স্কিমে থাকা এই শর্তকে নিয়মবিরুদ্ধ বলে উল্লেখ করে। এই স্কিমে বেতন ১৫ হাজার ছাড়ালেই ১.১৬ শতাংশ হারে কর্মীদের অনুদান দিতে বলা হয়েছিল। 

    আরসি গুপ্তা বনাম রিজিয়নাল প্রভিডেন্ট ফান্ড কমিশনার মামলায় ডিভিশন বেঞ্চ যে রায় দিয়েছিল, এদিন তাও স্থগিত করে দেয় দেশের শীর্ষ আদালত। তারা রুল জারি করে জানিয়ে দেয়, এই স্কিমে সুযোগ পেতে গেলে কোনও কাট-অফ ডেট থাকতে পারে না। সুপ্রিম কোর্ট এও জানায়, যেসব কর্মী এই স্কিমের ১১ (৩) প্রভিশনের অধীন এবং ২০১৪ সালের ১ সেপ্টম্বর পর্যন্ত চাকরি করেছেন, তাঁদের গাইড করতে হবে এই স্কিমের ১১ (৪) প্রভিশনস সংশোধনী অনুযায়ী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share