Blog

  • Lunar Eclipse: কখন দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ? ভারতে কোথায় দেখা যাবে?

    Lunar Eclipse: কখন দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ? ভারতে কোথায় দেখা যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীপাবলির পরের দিন  ছিল সূর্যগ্রহণ। এটাই ছিল এই বছরের শেষ সূর্যগ্রহণ। সামনের মাসে আসতে হতে চলেছে চন্দ্রগ্রহণ (Chandra Grahan 2022)। আগামী ৮ নভেম্বর অর্থাৎ কার্তিক মাসে পূর্ণিমার দিনই দেখা যাবে বছরের শেষ চন্দ্রগ্রহণ। 

    বিকেল সাড়ে ৫টার পর শুরু হবে গ্রহণ (Lunar Eclipse 2022), চলবে সন্ধ্যা ৬টা ১৯ মিনিট পর্যন্ত (Chandra Grahan 2022 In India Date And Time)। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে ভারত থেকে দৃশ্যমান হবে গ্রহণ। ৮ নভেম্বরই রয়েছে দেব দীপাবলি। এমন পরিস্থিতিতে অনেক জ্যোতিষী চন্দ্রগ্রহণের একদিন আগে দেব দীপাবলি উদযাপনের পরামর্শ দিয়েছেন। 

    সময়

    চন্দ্রগ্রহণের তারিখ- ৮ নভেম্বর, মঙ্গলবার
    চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে – সন্ধ্যা ৫:৩২ মিনিটে
    চন্দ্রগ্রহণ শেষ হবে- সন্ধ্যা ৬:১৮ মিনিটে
    সূতক সময় শুরু হবে – সকাল ৯:২১ মিনিটে
    সূতক শেষ হবে – সন্ধ্যা ৬.১৮ মিনিটে

    ভারতে কোথায় দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ?

    চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে কলকাতা, শিলিগুড়ি, পাটনা, রাঁচি, গুয়াহাটি ইত্যাদি জায়গা থেকে দেখা যাবে।  

    ভারত ছাড়া আর কোথায় দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ? 

    দেব দীপাবলির দিন চন্দ্রগ্রহণ উত্তর ও পূর্ব ইউরোপ, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত মহাসাগর, ভারত মহাসাগর, উত্তর আমেরিকা এবং দক্ষিণ আমেরিকার বেশিরভাগ অংশে দৃশ্যমান হবে।

    চন্দ্রগ্রহণ সম্পর্কে জেনে নিন এই বিষয়গুলি

    হিন্দু ধর্ম অনুসারে, চন্দ্রগ্রহণের সূতক সময় গ্রহণের ৯ ঘন্টা আগে শুরু হয়।  

    ২০২২ সালের দ্বিতীয় চন্দ্রগ্রহণ ভারতে দেখা যাবে। যা ভারতীয় সময় অনুযায়ী ৮ নভেম্বর দুপুর ১.৩২ থেকে শুরু হয়ে সন্ধ্যা ৭.২৭ মিনিট পর্যন্ত চলবে।

    এই সময় গর্ভবতী মহিলাদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।  
     
    সূতক সময়কে অশুভ বলে মনে করা হয়। সূতক কালের সূচনার পর কোনও শুভ কাজ করা হয় না।
     
    চন্দ্রগ্রহণের সময় বাড়ি থেকে বেরোনো অশুভ বলে মনে করা হয়।
     
    চন্দ্রগ্রহণের সময় ঘুমানো বা ধারালো বস্তু ব্যবহার করা উচিৎ নয়। 
       
    চন্দ্রগ্রহণের সময় স্নান ও দান করার বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। গ্রহণের দিন গঙ্গায় স্নান করার পরামর্শ দেন জ্যোতিষীরা।

    আরও পড়ুন: ‘অপমানজনক ও অবৈজ্ঞানিক’! ধর্ষণের ঘটনায় ‘টু-ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করল সুপ্রিম কোর্ট

    কী করে দেখবেন গ্রহণ?

    খালি চোখে দেখা যাবে গ্রহণ। ভালো ভাবে দেখতে দূরবীন ব্যবহার করতে পারেন। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার নিয়ে কী খবর প্রকাশ পাচ্ছে, নজর রাখার নির্দেশ নবান্নর, কিন্তু কেন?

    Duare Sarkar: দুয়ারে সরকার নিয়ে কী খবর প্রকাশ পাচ্ছে, নজর রাখার নির্দেশ নবান্নর, কিন্তু কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুয়ারে সরকার শিবির (Duare Sarkar) সংক্রান্ত যা যা খবর সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে, তার ওপর তীক্ষ্ণ নজর রাখতে চলেছে নবান্ন। এই মর্মে জেলাস্তর থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট বিভাগকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রশাসনের শীর্ষ স্তরের তরফে।  

    মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘দুয়ারে সরকার’ শিবির। শিয়রে পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাকে মাথায় রেখে জনসংযোগ বৃদ্ধিতে ফের কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। বলা বাহুল্য, পঞ্চায়েত ভোটের জন্য এবারের ফোকাস গ্রাম-বাংলা। আর তাই, এবারের দুয়ার সরকার শিবিরকে বাড়তি গুরুত্ব দিতে চাইছে রাজ্যের শাসক শিবির। সম্প্রতি নবান্ন থেকে জারি করা হয়েছে দুয়ারে সরকার সংক্রান্ত একটি আন্তঃবিভাগীয় নির্দেশিকা। প্রশাসনের কোন পর্যায়ে কী কী দায়িত্ব পালন করতে হবে, তাতে উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানেই বলা হয়েছে— দুয়ারে সরকার শিবির সংক্রান্ত বৈদ্যুতিন মাধ্যমে প্রকাশত হওয়া যাবতীয় খবর ‘ট্র্যাক’ করতে হবে। প্রয়োজনে কন্ট্রোল রুম চালু করতে হবে। 

    নির্দেশিকা অনুযায়ী, মিডিয়া কভারেজের ওপর নজরদারি করতে হবে। কী খবর প্রকাশ পাচ্ছে, তা খেয়াল রাখতে হবে। এর জন্য জেলা স্তরে জেলাশাসক এবং রাজ্যস্তরে তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের কাছে যাবতীয় তথ্য পাঠাতে হবে। নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে দেওয়া রয়েছে যে, জেলাস্তরে কার হাতে থাকবে গোটা নিয়ন্ত্রণ। ঠিক একইভাবে, তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরেও একজন শীর্ষ আধিকারিক থাকবেন, যিনি জেলাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় রাখবেন।

    আরও পড়ুন: আধার, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলেও গৃহীত হবে ‘দুয়ারে সরকার’ আবেদনপত্র! প্রশাসনিক নির্দেশ কী ইঙ্গিত দিচ্ছে?

    প্রশাসনিক এই নির্দেশ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে স্বভাবতই শুরু হয়ে গিয়েছে তীব্র জল্পনা। বিরোধীদের কটাক্ষ, রাজ্যবাসীর চোখে সরকারের ভাবমূর্তি যে একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে, তা শাসক শিবির থেকে শুরু করে প্রশাসনিক কর্তারা সকলেই টের পেয়েছেন। এখন শিয়রে পঞ্চায়েত ভোট। তার আগে, ড্যামেজ কন্ট্রোল করতে তৎপর হয়ে উঠেছেন তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্ব। তাই, সংবাদমাধ্যমের ওপর নজরদারি চালানোর উদ্দেশ্য হল- যাতে কোথাও কোনও নেতিবাচক খবর ছাপা বা প্রকাশ পাচ্ছে, তা নজরে রাখা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Virat Kohli: গোপনীয়তা কোথায়? হোটেলের ঘরের ভিডিও ভাইরাল, ক্ষুব্ধ বিরাট! ক্ষমা চাইল হোটেল কর্তৃপক্ষ

    Virat Kohli: গোপনীয়তা কোথায়? হোটেলের ঘরের ভিডিও ভাইরাল, ক্ষুব্ধ বিরাট! ক্ষমা চাইল হোটেল কর্তৃপক্ষ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হোটেলের ঘরেই গোপনীয়তা রক্ষা হচ্ছে না, তাহলে কোথায় হবে? প্রশ্ন তুললেন ভারত অধিনায়ক বিরাট কোহলি। বিরাটের (Virat Kohli) হোটেলের ঘরের ভিডিও নেট দুনিয়ায় ভাইরাল। পার্থের  ক্রাউন রিসোর্ট (Crown Resorts) হোটেলে ছিল ভারতীয় দল। সেই হোটেলেই কোহলির অনুপস্থিতিতে তাঁর ঘরে ঢুকে কয়েকজন একটি ভিডিও তোলে। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক। সেখানে দেখা যাচ্ছে, কয়েক জন কোহলির হোটেলের ঘরে ঢুকে ভিডিও করছেন। ভারতীয় ক্রিকেটারের ব্যক্তিগত সামগ্রীর ভিডিও তুলছেন তাঁরা। তাঁর জুতো, জামা-কাপড়, বিছানা থেকে শুরু করে শৌচগারেরও ভিডিও করা হয়েছে। সেই সময়ই দেখা যায়, কোট-প্যান্ট পরা তিন জন রয়েছেন কোহলির হোটেলের ঘরে। দেখে মনে হচ্ছে, হোটেলেরই কর্মী তাঁরা।

    এই ভিডিও প্রকাশ করে কোহলি লিখেছেন, “আমি বুঝি যে, ফ্যানরা তাদের ফেভারিট প্লেয়ারদের দেখলে রোমাঞ্চিত হয়ে পড়ে। তাদের সঙ্গে দেখা করার জন্য মুখিয়ে থাকে। এই বিষয়টি নিয়ে আমি সবসময় প্রশংসা করেছি। কিন্তু এই ভিডিও সাংঘাতিক। আমার প্রাইভেসি নিয়ে আমি ভীত। যদি আমি নিজের হোটেল রুমেই কোনও ব্যক্তিগত পরিসর না পাই, তাহলে সেটা আমি কোথায় প্রত্যাশা করতে পারি?” এই ঘটনায় তিনি যে চরম বিরক্ত, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন কোহলি। তিনি লিখেছেন, “এই ধরনের ভালবাসা আমি চাই না। এ ভাবে কারও ব্যক্তিগত পরিসরে ঢোকা ঠিক নয়। দয়া করে প্রত্যেকের ব্যক্তিগত পরিসরকে সম্মান করুন। তাঁদের বিনোদনের পণ্য করে তুলবেন না।” এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটার ডেভিড ওয়ার্নারও। তিনি লিখেছেন, ‘‘এটা খুব বিরক্তিকর ঘটনা। মেনে নেওয়া যায় না।’’ এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিরাট পত্নী অনুষ্কা শর্মা। তিনি লিখেছেন, ‘ অনেকে মনে করেন সেলেবদের এ ধরনের ঘটনা সহ্য করতে হবে। কিন্তু কারও ব্যক্তিগত জগতে ঢোকা অপরাধ। আপনার শোওয়ার ঘরে ঢুকলে কেমন লাগবে?’ প্রশ্ন করেন অনুষ্কা। তাঁর কথায়, ‘অতীতে আমিও এ রকম কিছু ঘটনার মুখোমুখি হয়েছি। কিন্তু এর থেকে খারাপ কিছু হতে পারে না। কোহলিকে অপমান করা হয়েছে। ওর ব্যক্তিজীবনে হস্তক্ষেপ করা হয়েছে।’

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Virat Kohli (@virat.kohli)

    এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়েছে ক্রাউন রিসোর্ট।  চিঠিতে তারা লিখেছে, ‘চূড়ান্ত হতাশাজনক! আমাদের হোটেলে অতিথিদের নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা সর্বাধিকার পায়। আমরা এই ঘটনায় অত্যন্ত হতাশ। আমরা আমাদের অতিথির কাছে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব। এরকম আচরণ কোনওভাবে বরদাস্ত করা হবে না।’ হোটেলের তরফে জানানো হয়েছে যাঁরা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। মূল ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। ক্রাউন তদন্ত চালাবে। হোটেল কর্তৃপক্ষ লিখেছে, ‘যাতে এমন ঘটনা ভবিষ্যতে আর না হয়,তা আমরা দেখব। আমরা ভারতীয় ক্রিকেট দল ও আইসিসি-র কাছেও ক্ষমা চেয়ে নিয়েছি।’

  • Assam Police: ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিদেশিদের অংশগ্রহণ নিয়ে কড়া নির্দেশ অসম পুলিশের, কী এমন হল?

    Assam Police: ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিদেশিদের অংশগ্রহণ নিয়ে কড়া নির্দেশ অসম পুলিশের, কী এমন হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধার্মিক কোনও অনুষ্ঠান নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত নিল অসম পুলিশ (Assam Police)। এই রাজ্যের পুলিশের তরফ থেকে জেলার সমস্ত পুলিশকে বলা হয়েছে কোনোরকমের ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বিদেশিরা যোগ দিলে তাঁদের ওপর কড়া নজরদারি রাখতে হবে। আর এমন কোনও অনুষ্ঠানে বিদেশিদের উপস্থিতি দেখলেই বিশেষ সতর্ক থাকারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে অসম পুলিসের তরফে। কিছু বিদেশিদের ভিসার নিয়ম উলঙ্গন করার পরেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে অসম পুলিশ, সূত্রের খবর।

    সম্প্রতি ১০ জন বিদেশির মধ্যে ৩ জন সুইডিশ এবং ৭ জন জার্মান কে ভিসার নিয়ম উলঙ্ঘন করার জন্য এবং বিদেশি আইন অমান্য করার জন্য তাদের আটক করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও অসমের বিশেষ ডিজিপি জানিয়েছেন, কাজিরাঙ্গায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ধর্মোপদেশ দেওয়ার অভিযোগে ৭ জার্মান নাগরিককে আটক করেছে। মাথাপিছু তাদের ৫০০ ইউএসডি (USD) জরিমানাও করা হয়েছে এবং তাদের নিজ নিজ দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার জন্য উপযুক্ত কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করা হয়েছে। ফলে এমন ধরণের ঘটনা প্রায়ই ঘটতে থাকায় বিদেশিদের ওপর বিশেষ নজর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে অসম পুলিশ (Assam Police)।

    আরও পড়ুন: আধার, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট না থাকলেও গৃহীত হবে ‘দুয়ারে সরকার’ আবেদনপত্র! প্রশাসনিক নির্দেশ কী ইঙ্গিত দিচ্ছে?

    পুলিশ সূত্রে খবর, গত বুধবার অসমের ডিব্রুগড়ে একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন তাঁরা। ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে ডিব্রুগড় জেলার নামরুপ পুলিশ স্টেশন এলাকায় প্রার্থনা ও শান্তিসভার অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেছিলেন তাঁরা। ফলে ডিব্রুগড় জেলা পুলিশ তাঁদের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করেছে। পুলিশের অ্যাডিশনাল সুপারিন্টেনডেন্ট (ডিব্রুগড়) বিটুল চেতিয়া জানিয়েছেন, ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে তাঁরা অসমে হাজির হয়েছিলেন। কিন্তু তাঁরা ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী অভিযুক্তদের  জরিমানা দিতে হবে এবং পরবর্তীতে তাঁদের এই দেশ ছেড়ে সুইডেনে পাঠিয়ে দেওয়া হবে।

  • Two finger test: ‘অপমানজনক ও অবৈজ্ঞানিক’! ধর্ষণের ঘটনায় ‘টু-ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করল সুপ্রিম কোর্ট

    Two finger test: ‘অপমানজনক ও অবৈজ্ঞানিক’! ধর্ষণের ঘটনায় ‘টু-ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ধর্ষণের প্রমাণ পেতে ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ (Two Finger Test) – এ না সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং হিমা কোহলির ডিভিশন বেঞ্চ এই পদ্ধতিটিকে ‘অবৈজ্ঞানিক এবং অপমানজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছে। এই পদ্ধতিতে ধর্ষিতার পরীক্ষা হলে তা ‘অশোভন আচরণ’ বলে ধরা হবে। বহুদিন আগেই ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করা হয়েছে দেশে। তবে এখনও নিয়মের কোনও তোয়াক্কা না করেই বিভিন্ন জায়গায় করা হয় এই পরীক্ষা। ঘটনাটিকে ‘দুঃখজনক’ বলে আখ্যা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।           

    সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে বলে, “ধর্ষণ এবং যৌন নিপীড়নের অভিযোগের ক্ষেত্রে বারবার দুই আঙুলের পরীক্ষার ব্যবহার বন্ধ করতে বলেছে এই আদালত। এই পরীক্ষার কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। এর ফলে  নির্যাতিতারা ফের  বিভীষিকার শিকার হন। দুই আঙুলের পরীক্ষাটি একটি ভুল ধারণার উপর ভিত্তি করে শুরু হয়। আগে মনে করা হত যে, যৌন সম্পর্কে সক্রিয় মহিলাকে ধর্ষণ করা যায় না। কিন্তু এই ধারণার কোনও ভিত্তি নেই।”

    আরও পড়ুন: রেলে নিয়োগ, শূন্যপদ ৫৯৬, জানুন বিস্তারিত 

    সুপ্রিম কোর্ট বলে, “একজন মহিলা যৌন সম্পর্কে কতটা সক্রিয় তার ওপর তাঁর ধর্ষণের সাক্ষ্য নির্ভর করে না। এটা পুরুষতান্ত্রিক এবং যৌনতাবাদীদের প্রস্তাব করা পরীক্ষা। কারণ তারা মনে করত, একজন মহিলা যৌন সক্রিয় হলে  তাঁর ধর্ষণের অভিযোগ বিশ্বাস করা যায় না।” আর সেই কারণেই সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রককে নির্দেশ দিয়েছে যাতে যৌন হেনস্থা এবং ধর্ষণের শিকার নির্যাতিতাদের ওপর টু ফিঙ্গার টেস্ট না করা হয় তা নিশ্চিত করতে।  

    উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে ধর্ষণের অভিযোগের ক্ষেত্রে ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ নিষিদ্ধ করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম কোর্ট সেই সময় পর্যবেক্ষণে জানিয়েছিল যে, ধর্ষণের শিকার নির্যাতিতার উপর ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ করা মানে তাঁর গোপনীয়তার অধিকারকে লঙ্ঘন করা। সরকারকে ধর্ষণের প্রমাণ হিসেবে অন্য উন্নত পরীক্ষা পদ্ধতি চালু করার পরামর্শ দেয় আদালত। সেই সময় বিচারপতি বিএস চৌহান এবং বিচারপতি এফএমআই কালিফউল্লার বেঞ্চ বলেছিল, ‘টু ফিঙ্গার টেস্ট’ – এর রিপোর্টে ধর্ষণ বিষয়ক কিছুই প্রমাণ হয় না। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Railway Recruitment: রেলে নিয়োগ, শূন্যপদ ৫৯৬, জানুন বিস্তারিত

    Railway Recruitment: রেলে নিয়োগ, শূন্যপদ ৫৯৬, জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা কেন্দ্র সরকারের চাকরির জন্যে অপেক্ষা করছেন তাদের জন্যে সুখবর। কর্মী নিয়োগ করছে রেল। রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট সেল (RRC), সেন্ট্রাল রেলওয়ে (CR) স্টেনোগ্রাফার, সিনিয়র কমন ক্লার্ক কাম টিকিট ক্লার্ক, গুডস গার্ড, স্টেশন মাস্টার, জুনিয়র অ্যাকাউন্টস অ্যাসিস্ট্যান্ট সহ একাধিক পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। এর জন্য অনলাইনে আবেদন করতে হবে। rrccr.com -এই অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে পারেন।

    আরআরবি রেলওয়ে নিয়োগ ২০২২-র বিজ্ঞপ্তি অনুসারে, এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন পদে মোট ৫৯৬টি পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। ২৮ অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৮ নভেম্বর৷ এই রেলওয়ে নিয়োগ  আরপিএফ/আরপিএসএফ কর্মীদের জন্যে নয়।   
     
    শূন্যপদ 

    স্টেনোগ্রাফার- ৮টি পদ
    সিনিয়র কমল ক্লার্ক কাম টিকিট ক্লার্ক- ১৫৪টি পদ
    গুডস গার্ড-৪৬টি পদ
    স্টেশন মাস্টার-৭৫টি পদ
    জুনিয়র অ্যাকাউন্টস সহকারী-১৫০টি পদ
    জুনিয়র কমল ক্লার্ক কাম টিকেট ক্লার্ক-১২৬পদ
    অ্যাকাউন্টস ক্লার্ক-৩৭টি পদ
    মোট শূন্যপদের সংখ্যা-৫৯৬টি 

    যোগ্যতা 

    কোনও স্বীকৃত বোর্ড থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি যারা স্নাতক ডিগ্রি পাস করেছেন তাঁরাও আবেদন করতে পারেন। 

    আরও পড়ুন: ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরেও চলতে পারে তৃণমূলের কাটমানি, সিন্ডিকেট-রাজ! আশঙ্কা খোদ রাজ্য প্রশাসনের 

    বয়স সীমা

    অসংরক্ষিত প্রার্থীদের সর্বোচ্চ বয়স ৪২ বছর। ওবিসি প্রার্থীদের জন্য বয়স সীমা ৪৫ বছর এবং এসসি/ এসটি প্রার্থীদের জন্য বয়স সীমা ৪৭ বছর (১ জানুয়ারি, ২০২৩ অনুযায়ী)

    আরও পড়ুন: বাংলায় গণতন্ত্র রক্তাক্ত, কাঁদছে, মুখ্যমন্ত্রীর ‘আবেদনে’র প্রেক্ষিতে পাল্টা দিলেন রিজিজু 
     
    নির্বাচন প্রক্রিয়া

    আবেদনকারীদের অনলাইনে পরীক্ষা নেওয়া হবে। পরীক্ষায় অবজেকটিভ প্রশ্ন থাকবে। মেধা তালিকার ভিত্তিতে প্রার্থীদের নির্বাচন করা হবে। তারপরে সংক্ষিপ্ত তালিকাভুক্ত প্রার্থীদের ডকুমেন্ট ভেরিফাই করা হবে। তারপর মেডিক্যাল টেস্টের জন্য ডাকা হবে।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
  • Duare Sarkar: ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরেও চলতে পারে তৃণমূলের কাটমানি, সিন্ডিকেট-রাজ! আশঙ্কা খোদ রাজ্য প্রশাসনের

    Duare Sarkar: ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরেও চলতে পারে তৃণমূলের কাটমানি, সিন্ডিকেট-রাজ! আশঙ্কা খোদ রাজ্য প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শাসক দল পরিচালিত ‘দুর্নীতি’ নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করছে সেই রাজ্যেরই ক্ষমতাসীন সরকার (TMC Government)। আবাক মনে হলেও, এটা বাস্তব। এমনই নিদর্শন দেখা গিয়েছে নবান্ন (Nabanna) থেকে প্রকাশিত ‘দুয়ারে সরকার’ (Duare Sarkar) বিজ্ঞপ্তিতে। 

    শিয়রে পঞ্চায়েত নির্বাচন (West Bengal Panchayat Polls)। তাকে মাথায় রেখেই ফের কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। নতুন উদ্যমে পুনরায় শুরু হচ্ছে ‘দুয়ারে সরকার’ (Duare Sarkar) প্রকল্প। মঙ্গলবার থেকেই শুরু হচ্ছে রাজ্যে দুয়ারে সরকার। বলা বাহুল্য, এবারের ফোকাস গ্রাম-বাংলা। আর সেই নিয়ে সম্প্রতি নবান্ন থেকে জারি করা হয়েছে নির্দেশিকা। তাতে, কী কী করতে হবে, কী কী করণীয়, তা উল্লেখ করা হয়েছে। আর এই নির্দেশিকার একটি অংশ নিয়েই যাবতীয় জল্পনা শুরু হয়েছে। 

    নির্দেশিকায় যা বলা হয়েছে, তার সারমর্ম হল— রাজ্যের শাসক দলের একাধিক নেতা-কর্মীরা যে দুর্নীতি, সিন্ডিকেট-রাজ ও কাটমানি তোলায় যে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছে, তা কার্যত স্বীকার করে নিয়েছে রাজ্য প্রশাসনও। সেই নিয়ে একটি সতর্কবার্তাও দেওয়া হয়েছে নির্দেশিকায়।

    নির্দেশিকার একটি অংশে বলা হয়েছে, ‘দুয়ারে সরকার’ (Duare Sarkar) শিবিরে যদি কোনও (শাসক দলের) টাউট পরিষেবার নাম করে টাকা দাবি (তোলা) করে, তাহলে অভিযুক্তর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে স্থানীয় প্রশাসন। পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সর্বস্তরের আধিকারিকরা নিশ্চিত করবেন যাতে শিবিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় থাকে। পাশাপাশি, নির্দেশিকায় এ-ও বলা হয়েছে, যে কোনওমতে গুচ্ছাকারে জমা করা আবেদনপত্র (Bulk Application) গ্রহণ করা হবে না।

    বিরোধীদের কটাক্ষ, দুর্নীতি যে দলের মজ্জায় মজ্জায় ঢুকে গিয়েছে, তা বুঝে গিয়েছেন শাসক দলের শীর্ষ নেতৃত্ব। এই নির্দেশিকা থেকেই তা পরিষ্কার। সাম্প্রতিককালে, এই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ভুরি ভুরি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। দলের একাধিক হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রী জেলে বন্দি। নিত্যদিন এক-একটি নতুন দুর্নীতির তথ্য ফাঁস হচ্ছে। বিরোধীদের কটাক্ষ, এখন পঞ্চায়েত ভোটের আগে, নিজেদের মুখ রক্ষা করার একটি শেষ মরিয়া প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তৃণমূল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Gujarat bridge collapse: আমি মর্মাহত, মন পড়ে রয়েছে আক্রান্তদের সঙ্গে! আজ মোরবি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    Gujarat bridge collapse: আমি মর্মাহত, মন পড়ে রয়েছে আক্রান্তদের সঙ্গে! আজ মোরবি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোরবিতে সেতু দুর্ঘটনার ফলে সোমবার গুজরাটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সমস্ত কর্মসূচি বাতিল করা হল। বর্তমানে, গুজরাটরাজস্থানের তিন দিনের সফরে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এই দুর্ঘটনার কারণে তাঁর সফরসূচী পরিবর্তন করা হয়েছে। আজ সোমবার আমদাবাদে মোদির রোড শো হওয়ার কথা ছিল। তা বাতিল করা হয়েছে। বিজেপির মিডিয়া সেলের তরফে আরও জানানো হয়েছে যে একটি অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রীর। তা-ও স্থগিত করা হয়েছে। একমাত্র ২৯০০ কোটি টাকার রেল প্রকল্প উদ্বোধন করার অনুষ্ঠান বাতিল করা হয়নি।

    আরও পড়ুন: গুজরাটে সেতু ভেঙে মৃত অন্তত ১৩২, ঘটনাস্থলে তদন্তকারী দল

    রবিবার সন্ধ্যায় গুজরাটের মোরবিতে একটি পুরনো সেতু ভেঙে পড়ে। কিছুদিন আগেই কয়েক কোটি টাকা খরচ করে সেতুটি মেরামত করা হয়েছিল। গুজরাটি নববর্ষের দিন সেটি খুলে দেওয়া হয়। ওধভজি পটেলের মালিকানাধীন ওরেভা গ্রুপকে সেই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। ওই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত ১৩২ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে ও আহতদের ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। ঘটনার পরই গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেলের সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন যাতে দ্রুত উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়। ক্ষতিগ্রস্তদের সবরকমভাবে সাহায্য করারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

    আজ মোরবি যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সূত্রের খবর, মোরবি গিয়ে আহত ও নিহতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে পারেন মোদি। গতকালই এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, ‘দুর্ঘটনায় যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন তাঁদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। এই দুঃসময়ে সরকার সব রকম ভাবে শোকাহত পরিবারের পাশে আছে। গুজরাট সরকার গতকাল থেকে ত্রাণ ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। কেন্দ্রও রাজ্য সরকারকে সব রকম সাহায্য করছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমি এখন একতা নগরে আছি কিন্তু আমার মন পড়ে রয়েছে মোরবির আক্রান্তদের সঙ্গে। আমার জীবনে খুব কমই এমন ব্যথা অনুভব করেছি আমি। একদিকে বেদনায় ডুবে থাকা হৃদয়, অন্যদিকে কর্তব্যের পথ।’ 

  • Mamata: লক্ষ্য পঞ্চায়েত ভোট, বিদ্যুৎ বিলে ব্যাপক ছাড়ের নির্দেশ

    Mamata: লক্ষ্য পঞ্চায়েত ভোট, বিদ্যুৎ বিলে ব্যাপক ছাড়ের নির্দেশ

    পঞ্চায়েত ভোট (Panchayet election) সামনে আসতেই আর এক দফা ছাড়ের সিদ্ধান্ত রাজ্যের। এবার বিদ্যুৎ বিলে (electricity bill)। ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত যাঁরা বিদ্যুৎ বিল দিতে পারেননি, তাঁরা বিলের ওপর পঞ্চাশ শতাংশ ছাড় (waiver) পাবেন। বাকি পঞ্চাশ শতাংশ যদি এককালীন মিটিয়ে দেন, তাহলে বকেয়া জরিমানা আর দিতে হবে না। পয়লা নভেম্বর থেকে যে দুয়ারে সরকার (duare sarkar) প্রকল্প চালু হচ্ছে, সেখানেই মিলবে এই সুবিধা। তবে পশ্চিমবঙ্গ যখন দিন দিন ঋণের ভারে জর্জরিত, তখন কীভাবে এই দানছত্র খুলে বসা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থা (WBSEDCL) এর অধীনে ২ কোটি ১৯ লক্ষ গ্রাহক আছে। গ্রামীণ এলাকায় অনেক গ্রাহকই সঠিক সময়ে বিদ্যুৎ বিল মেটান না। কৃষির জন্য যাঁরা বিদ্যুৎ নেন, তাঁদেরও একটা অংশ এই বিল মেটাননি। এর জন্য আইন মেনেই তাদের সংযোগ ছিন্ন করা হয়েছে। তা আদায়েরও কোনও চেষ্টা করা হয়নি। ফলে 
    ঋণের বোঝা চাপছে বিদ্যুৎ সংস্থার ঘাড়ে। এই বোঝাই আরও বাড়িয়ে পঞ্চায়েত ভোটের আগে জনমোহিনী পথে হাঁটার চেষ্টায় সরকার। 

    গৃহস্থের পাশাপাশি কৃষিক্ষেত্রেও এই ছাড় মিলবে। শ্যালো টিউব ওয়েল, ডিপ টিউবওয়েল,সেচের জন্য নদী থেকে যারা বিদ্যুৎ খরচ করে জল তুলেছে, ২০১৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া বিলের অর্ধেক তাদের মকুব করা হবে। বাকি ৫০ শতাংশ যদি এককালীন জমা দেয়, তাহলে আর জরিমানা লাগবে না। ব্যক্তিগত ক্ষেত্র ছাড়া  কৃষক কমিটিরাও এই সুযোগ পাবে। দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প থেকেই এর জন্য ফর্ম মিলবে। ফর্ম ফিল আপের পর তড়িঘড়ি সংযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। 

    কিন্তু প্রশ্ন উঠছে জনপ্রিয়তা কুড়োতে এই দান খয়রাতি কেন! কিছুদিন আগেই রাজ্যের আর্থিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই যে ছাড় দেওয়া হচ্ছে, সেই লোকসানের দায় চাপবে বিদ্যুৎ বন্টন সংস্থার উপর। এমনিতেই সংস্থাকে সময়ে টাকা মেটাতে পারে না রাজ্য। কেন্দ্রের হিসেবে, বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থার পাওনা মেটাতে গড়ে প্রায় ৩ মাস পর্যন্ত দেরি হয়ে যায় পশ্চিমবঙ্গের। ফলে তাদের ওপর বোঝা বাড়বে। সবমিলিয়ে বিপদ ডেকে আনবে গোটা বিদ্যুৎ ক্ষেত্রের। যার বিপর্যয়ে ভুগতে হবে রাজ্যের বহু কোটি মানুষকে।  

     

     

  • Bank Hike FD Rates: চারটি ব্যাঙ্কে স্থায়ী আমানতের উপর সুদ বাড়ল, বিনিয়োগ মুনাফা কোন কোন ব্যাঙ্কে?

    Bank Hike FD Rates: চারটি ব্যাঙ্কে স্থায়ী আমানতের উপর সুদ বাড়ল, বিনিয়োগ মুনাফা কোন কোন ব্যাঙ্কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্তমান সময়ে দাঁড়িয়ে সুদের হার বৃদ্ধির প্রত্যাশা করাই অসম্ভব ব্যাপার। কিন্তু সেই অসম্ভবকেই সম্ভব করে তুলছে দেশের চারটি ব্যাঙ্ক। আপনি যদি অর্থ সঞ্চয় করতে আগ্রহী হন সেক্ষেত্রে এর থেকে আর ভালো সময় নেই। বর্তমানে মিউচুয়াল ফান্ডের মতো বিনিয়োগ ক্ষেত্রে তুলনামূলক ভাবে বেশি রিটার্ন পাওয়া গেলেও সেগুলি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় অনেকেই বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দ্বিধাগ্রস্ত হন। তাই সুরক্ষিত বিনিয়োগের জন্য অনেকেই ফিক্সড ডিপোজিট করে থাকেন। 
    রিজার্ভ ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া (RBI) দ্বারা টানা রেপো রেট বৃদ্ধির পরে, কম বেশী প্রতিটি ব্যাংকই ২০২২ সালের মে মাস থেকে ফিক্সড ডিপোজিট (FDs) এবং সেভিংস অ্যাকাউন্টে সুদের হার বাড়িয়েছে।
    বর্তমানে ভারতের সবচেয়ে বড়ো ব্যাংক স্টেট ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া ও তার পাশাপাশি দেশের বৃহত্তম বেসরকারি ব্যাংক এইচডিএফসি ব্যাঙ্ক সহ  আইসিআইসিআই ব্যাঙ্ক, অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক, কোটাক মাহিন্দ্রা ব্যাঙ্ক সম্প্রতি ফিক্সড ডিপোজিটের উপর সুদের হার বাড়িয়েছে।
    তবে এই ব্যাংকগুলির থেকেও ছোট ব্যাংক (Small Financed Bank) গুলি তাদের গ্রাহকদের জন্য লাভজনক হারে সুদের হার বাড়িয়েছে।
    বর্তমানে আইডিএফসি(IDFC) ব্যাংক, আরবিএল ব্যাংক, ইউনিয়ন ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া, কানাড়া ব্যাংক(Canara Bank) গ্রাহকদের ৭% এরও বেশী সুদের হার বাড়িয়েছে।

    আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংক (IDFC First Bank)

    আইডিএফসি ফার্স্ট ব্যাংক ৫০ বেসিস পয়েন্ট পর্যন্ত বর্ধিত সুদের হার ঘোষণা করেছে। সেই সুদের হার হল নিম্নরূপ—
    ৭৫০ দিনের মধ্যে ফিক্সড ডিপোজিটের জন্য, ব্যাঙ্ক সাধারণ গ্রাহকদের ৭.২৫% এবং বয়স্ক নাগরিকদের ৭.৭৫%।

    আরবিএল ব্যাংক (RBL Bank)

    RBL ব্যাঙ্ক সাধারণ গ্রাহকদের জন্য ১ বছর ৩ মাসে  ফিক্সড ডিপোজিটেত উপর ৭% হারে সুদ অফার করে এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ৭.৫০% হারে।

    ইউনিয়ন ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া(Union Bank of India)

    ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া হল একটি সরকারী ব্যাঙ্ক। ১৭ অক্টোবর থেকে ২ কোটির নিচে থাকা স্থায়ী আমানতের উপর (FD) সুদের হার বাড়িয়েছে।  সর্বশেষ খবর অনুযায়ী ব্যাঙ্কটি ৭ দিন থেকে 10 বছর মেয়াদী স্থায়ী আমানতের উপর ৩% থেকে ৭% পর্যন্ত সুদের হার বাড়িয়েছে।

    কানারা ব্যাংক(Canara Bank)

    কানারা ব্যাংকটিও হল সরকারী ব্যাংক। কানারা ব্যাঙ্ক ৬৬৬ দিনে মেয়াদের জন্য একটি বিশেষ ফিক্সড ডিপোজিট প্ল্যান চালু করেছে।  এই পরিকল্পনা অনুসারে, ব্যাংক তার সাধারণ গ্রাহকদের জন্য ৭% হারে সুদের হার অফার করছে এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য সুদের হার হবে ৭.৫%।
    কানারা ব্যাঙ্ক বর্তমানে ৭ দিন থেকে ১০ বছরের মধ্যে ফিক্সড ডিপোজিটের উপর সাধারণ জনগণের জন্য ৩.২৫% থেকে ৭.০০% এবং প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ৩.২৫% থেকে ৭.৫০% হারে সুদ প্রদান করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
LinkedIn
Share