Blog

  • India Covid Deaths: ভারতে করোনার বলি ৪৭ লক্ষ মানুষ, অনুমান হু-র, ‘তথ্যের ভিত্তি কী?’ পাল্টা কেন্দ্র

    India Covid Deaths: ভারতে করোনার বলি ৪৭ লক্ষ মানুষ, অনুমান হু-র, ‘তথ্যের ভিত্তি কী?’ পাল্টা কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে (India) করোনা অতিমারীতে (Corona pandemic) প্রায় ৪৭ লক্ষ মানুষের মৃত্যু (covid deaths) হয়েছে। এমনটাই অনুমান করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ধারণা, অনেক দেশই করোনায় (Covid-19) মৃত্যুর প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ করেনি। বিশ্বে মাত্র ৫৪ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর রিপোর্ট এসেছে। কিন্তু আদতে সেই সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি বলে আশঙ্কা করছে ‘হু’।    

    বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সরকারি হিসেবের চেয়ে মৃত্যুর সঠিক সংখ্যা ১০ গুণ বেশি। করোনায় মৃত্যুর তালিকায় বিশ্বে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। সম্প্রতি রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (Registrar General of India) তাদের রিপোর্টে করোনায় ৫ লক্ষ দেশবাসীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে। আর সেই রিপোর্টেরই বিরোধীতা করছে হু- এর দেওয়া সংখ্যাতত্ত্ব।    

    সরাসরি কোভিডের কারণে মৃত্যু না হলেও, এর প্রভাবে হাসপাতালে যেতে না পেরে যেসব মানুষের মৃত্যু হয়েছে সেসব মৃত্যুও এই গণনায় অন্তর্ভূক্ত হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, অতিরিক্ত ৯৫ লক্ষ মৃত্যুর মধ্যে ৫৪ লক্ষের বেশি মৃত্যু হয়েছে সরাসরি ভাইরাসের প্রভাবেই। 
     
    দেশে করোনভাইরাস-সম্পর্কিত মৃত্যুর বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রকাশিত পরিসংখ্যানের তীব্র বিরোধিতা করেছে ভারত। সম্প্রতি এক আন্তর্জাতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে ভারতে ১ জানুয়ারি, ২০২০ থেকে ৩১ ডিসেম্বর, ২০২১ এর মধ্যে ৪৭ লক্ষ অতিরিক্ত মৃত্যু কোভিডের কারণে হয়েছে। কিন্তু ভারত সরকার সেই পরিসংখ্যানকে স্বীকৃতি দেয়নি!  
      
    কেন্দ্রের (Central Government) পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যে, এই কোভিড মৃত্যুর সংখ্যা নির্ধারণে যে মডেলিং অনুশীলন প্রক্রিয়া (World Health Organisation on excess mortality estimates) ব্যবহার করা হয়েছে তার পদ্ধতি এবং ফলাফলের প্রতি ভারতের আপত্তি সত্ত্বেও এই তথ্য প্রকাশ করেছে হু৷ এমনকি পুরো প্রক্রিয়াতে ভারতের তরফে তোলা প্রশ্নের সমাধান না করেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অতিরিক্ত মৃত্যুর অনুমান প্রকাশ করেছে বলে জানিয়েছে দেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare)। কেন্দ্রের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়েছে, রেজিস্ট্রার জেনারেলের (Registrar General of India) সহযোগিতায় সিভিল রেজিস্ট্রেশন সিস্টেম-এর মাধ্যমে প্রকাশিত তথ্যের বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে আগেই জানানো হয়েছিল।

    কেন্দ্র সরকার, হু-কে স্পষ্ট জানিয়েছে ভারতে (India) জন্ম ও মৃত্যুর তথ্য অত্যন্ত পরিকল্পিত এবং বিধিবদ্ধভাবে সংগ্রহ করা হয়। তাই সেই ব্যবস্থায় ভুলের সুযোগ কম। ভারত সরকারের মতে, ৩ মে পর্যন্ত ভারতে কোভিড-১৯- এ মৃত্যুর সংখ্যা ৫২২৭৬৭। 

  • Nupur Sharma: সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ প্রত্যাহারের আর্জি! নূপুরকে সমর্থন অনুপম খেরের

    Nupur Sharma: সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ প্রত্যাহারের আর্জি! নূপুরকে সমর্থন অনুপম খেরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাসপেন্ডেড বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মার সমর্থনে আদালতের দ্বারস্থ হলেন এক ব্যক্তি। নূপুর শর্মার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের (SC)পর্যবেক্ষণ প্রত্যাহার করার দাবি জানিয়ে শীর্ষ আদালতে গেলেন অজয় গৌতম নামে এক ব্যক্তি।   গত এক মাস ধরেই পয়গম্বরকে নিয়ে নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) বিতর্কিত মন্তব্য ঝড় তুলেছে গোটা দেশে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই অশান্তি থিতু হলেও শুক্রবার প্রাক্তন বিজেপি (BJP) মুখপাত্রকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। তাঁর মন্তব্যে যেভাবে আগুন জ্বলে উঠেছে, তা স্মরণ করিয়ে নূপুরকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে বলেছে দেশের শীর্ষ আদালত। 

    আরও পড়ুন: ক্ষমা চান নূপুর! তীব্র ভর্ৎসনা সুপ্রিম কোর্টের

    প্রসঙ্গত, গত জুন মাসে এক টেলিভিশন চ্যানেলে হজরত মহম্মদকে নিয়ে কুরুচিকর মন্তব্য করে বসেন নূপুর শর্মা। যে ভিডিও ভাইরাল হতেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। দেশের একাধিক রাজ্যে মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষেরা পথে নেমে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। চলে ভাঙচুরও। দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকে তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। সেই প্রেক্ষিতেই শীর্ষ আদালতের কাছে নূপুর আর্জি জানিয়েছিলেন যে, তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া সমস্ত এফআইআর যেন দিল্লিতে সরিয়ে আনা হয়। তবে সেই আর্জি খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। উল্টে যে অশান্তির পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে, তার জন্য দায়ী করা হয় নূপুরকে।

    [tw]


    [/tw]

    নূপুর শর্মার হয়ে মুখ খুলেছেন অভিনেতা অনুপম খের। উল্লেখ্য, নূপুরের উদ্দেশে এদিন সুপ্রিম রায়ের পরই ট্যুইট করে বিচারপতির উদ্দেশে অনুপমের মন্তব্য, “মাননীয় ধর্মাবতার, আপনি এমন কিছু করুন, যা প্রকৃত অর্থেই সম্মানজনক।” যদিও সেই ট্যুইটে কোথাও নূপুরের নামোল্লেখ করেননি প্রবীণ অভিনেতা। তবে তাঁর মন্তব্যের ধরন ও সময় দেখে নেটপাড়ার আর বুঝতে বাকি থাকেনি যে, এটা নূপুর শর্মাকে নিয়ে সুপ্রিম রায়কে বিঁধেই লেখা।

    [tw]


    [/tw]

    নেদারল্যান্ডসের চরম দক্ষিণপন্থী নেতা হিসাবে খ্যাত সাংসদ গ্রিট উইল্ডার্সও নূপুর শর্মার সমর্থনে এগিয়ে এলেন। সুপ্রিম কোর্টের রায়ের প্রেক্ষিতেই এই ডাচ সাংসদ বলেন, নূপুর শর্মার ‘ কখনওই ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় সত্যিটা বলার জন্য…, তিনি উদয়পুর কাণ্ডের জন্য দায়ী নন।’ এ প্রসঙ্গে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই গত ১৮ জুন পুলিশের কাছে এসে নিজের বয়ান রেকর্ড করেছেন নূপুর। তিনি তাঁর মন্তব্য ফিরিয়ে নেওয়ার কথাও বলেছেন।

  • Abhilasha Barak: অনন্য নজির! ভারতীয় সেনার প্রথম মহিলা কমব্যাট অ্যাভিয়েটর অভিলাশা বারাক

    Abhilasha Barak: অনন্য নজির! ভারতীয় সেনার প্রথম মহিলা কমব্যাট অ্যাভিয়েটর অভিলাশা বারাক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে নজরদারি থেকে শুরু করে যুদ্ধবিমান চালানো সব ক্ষেত্রেই মহিলারা নিজেদের প্রমাণ করছে। বন্দুক হাতে যেমন সীমান্তে পাহারা দিচ্ছেন তেমনি দেশের সুরক্ষায় চালাচ্ছেন যুদ্ধবিমানও। এবার প্রথম মহিলা অফিসার হিসাবে সেনার কমব্যাট অ্যাভিয়েটর হিসেবে আর্মি অ্যাভিয়েশন কোরে যোগ দিলেন ক্যাপ্টেন অভিলাশা বারাক। ভারতীয় সেনার কাছে এই ঘটনা অত্যন্ত গর্বের। ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে ক্যাপ্টেন অভিলাশা বারাক সফলভাবে প্রশিক্ষণ সমাপ্ত করার পর কমব্যাট অ্যাভিয়েটর হিসাবে আর্মি অ্যাভিয়েশন কোরে যোগদান করেছেন। যা দেশের কাছে গর্বের।

    [tw]


    [/tw]

    মাত্র ২৬ বছর বয়সেই এই কৃতিত্ব অর্জন করলেন অভিলাশা। ভারতীয় সেনাবাহিনীর সূত্রে জানানো হয়েছে, অভিলাশা সফলভাবে তাঁর প্রশিক্ষণ শেষ করেছেন। তার পরেই তাঁকে কমব্যাট অ্যাভিয়েটর হিসেবে আর্মি অ্যাভিয়েশন কোরে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০১৮ সালে তিনি চেন্নাইয়ের অফিসার ট্রেনিং অ্যাকাডেমি (OTA) থেকে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে আসেন। নাসিকের কমব্যাট আর্মি অ্যাভিয়েশন ট্রেনিং স্কুলের আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে ক্যাপ্টেন অভিলাশা বারাক বুধবার ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রথম মহিলা কমব্যাট হেলিকপ্টার পাইলট হলেন।

    [tw]


    [/tw]

    তিনি ২০১৬ সালে দিল্লি টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটি থেকে ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। বাবা অবসরপ্রাপ্ত সেনা অফিসার। ছোট থেকেই সামরিক পরিবেশের মধ্যে বড় হয়েছেন অভিলাশা। তিনি বলেন, ” ছোট থেকে সামরিক পরিবেশে বেড়ে ওঠার জন্য সেনাবাহিনী নিয়ে আলাদা করে উৎসাহ ছিল না। কিন্তু যেদিন (২০১৩ সালে) ভারতীয় সামরিক অ্যাকাডেমিতে আমার বড় ভাইয়ের “পাসিং আউট প্যারেড” দেখি, তখন থেকে স্থির করি নিজেও সেনায় যোগ দেব। ”

    আরও পড়ুন: কুপওয়ারায় গুলির লড়াইয়ে খতম তিন লস্কর জঙ্গি, উদ্ধার প্রচুর অস্ত্র

    পাশাপাশি তিনি বলেন, “২০১৮ সালে চেন্নাইয়ের অফিসার ট্রেনিং অ্যাকাডেমি থেকে প্রশিক্ষণ শেষ করার পর আমি আর্মি অ্যাভিয়েশন কোরে বেছে নিয়েছিলাম। আমি জানতাম সেদিন আর বেশি দূরে নয় যখন ভারতীয় সেনাবাহিনী সামরিক হেলিকপ্টার চালানোর জন্য মহিলাদেরও বেছে নেবে।” ভারতীয় সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে যে, “৩৬ জন সেনা পাইলটের সঙ্গেই ক্যাপ্টেন অভিলাশাকে এই মর্যাদাপূর্ণ শাখায় ভূষিত করা হয়েছে।”

    ভারতীয় সেনাবাহিনীতে নারীদের যোগদান উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়ছে। সেনা সূত্রে জানা যাচ্ছে, ১৫ জন মহিলা ইতিমধ্যে আর্মি অ্যাভিয়েশনে যোগ দেওয়ার জন্যে ইচ্ছাপ্রকাশ করেছেন। কিন্তু পাইলট অ্যাপটিটিউড ব্যাটারি টেস্ট এবং মেডিক্যালের পর মাত্র দুজনকেই নির্বাচিত করা হয়। ক্যাপ্টেন অভিলাশা বারাক দেশের প্রত্যেক মহিলার কাছে অবশ্যই গর্বের।
     

  • Assam: শিবসেনার বিদ্রোহীদের হোটেল খরচ জোগাচ্ছে কে? কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?

    Assam: শিবসেনার বিদ্রোহীদের হোটেল খরচ জোগাচ্ছে কে? কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসামের (Assam) গুয়াহাটির একটি বিলাসবহুল হোটেলে ঘাঁটি গেড়েছেন মহারাষ্ট্রের (Maharastra) বিদ্রোহী শিবসেনা (Shiv Sena) বিধায়ক একনাথ শিন্ডে (Eknath Shinde)। তাঁর সঙ্গে ওই হোটেলে ঠাঁই নিয়েছেন আরও প্রায় চল্লিশ জন বিধায়ক। আসাম সরকার তাঁদের থাকার খরচ দিচ্ছে বলে অভিযোগ। শনিবার সেই অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিলেন বিজেপি শাসিত উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

    কংগ্রেস-এনসিপির সঙ্গে জোট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গে বিবাদের জেরে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন তাঁরই সতীর্থ শিবসেনার একনাথ শিন্ডে। পরে অনুগত বিধায়কদের নিয়ে শিন্ডে প্রথমে চলে যান গুজরাটের সুরাট এবং পরে সেখান থেকে মধ্যরাতের বিমান ধরে উড়ে যান আসামের গুয়াহাটিতে। সেখানেই অনুগতদের নিয়ে একটি বিলাসবহুল হোটেলে আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। শনিবার মধ্যরাতের বিশেষ বিমানে গুজরাটের ভাদোদরায় ফিরে বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়নবীশের সঙ্গে দেখা করেন শিন্ডে। রাতেই ফিরে যান আসামের ওই হোটেলে।

    আরও পড়ুন : আধা-সামরিক বাহিনী ও আসাম রাইফেলসে নিয়োগে অগ্রাধিকার ‘অগ্নিবীর’দের

    বিলাসবহুল হোটেলে শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের থাকা খাওয়ার খরচ দিচ্ছে আসাম সরকার। বিরোধীদের তরফে অভিযোগ করা হয় এমনই। প্রবল বন্যায় যখন রাজ্য ভাসছে, তখন সরকারের বিরুদ্ধে ‘বদান্যতা’র অভিযোগ তুলে ক্ষোভ উগরে দেন বিরোধীরা।  

    বিরোধীদের সেই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত। তিনি বলেন, শিবসেনার বিদ্রোহী বিধায়কদের হোটেলের থাকার খরচ দিচ্ছে না আসাম সরকার। অসমে বর্তমানে ভয়াল আকার নিয়েছে বন্যা পরিস্থিতি। এদিন সেই প্রসঙ্গ তুলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বন্যা পরিস্থিতির সঙ্গে মহারাষ্ট্রের বিধায়কদের হোটেলে থাকার কোনও সম্পর্ক নেই। বিদ্রোহী বিধায়কদের হোটেল খরচ আসাম সরকার দিচ্ছে না।

    আরও পড়ুন : সাধারণ অটোচালক থেকে মহারাষ্ট্র রাজনীতির মধ্যমণি, কে এই একনাথ শিন্ডে?

    এদিকে, মহারাষ্ট্রের ডেপুটি স্পিকার ডিসকোয়ালিফিকেশন নোটিশ ধরিয়েছেন শিবসেনার বিদ্রোহী ১৬ বিধায়ককে। আগামিকাল সোমবার বিকেল পাঁচটার মধ্যে তাঁদের জবাব দিতেও বলা হয়েছে। এই ১৬ জনের মধ্যে রয়েছেন বিদ্রোহীদের নেতা শিন্ডে স্বয়ংও। রাজনৈতিক মহলের হিসেব, এভাবেই বিদ্রোহীদের দমন করার খেলায় নেমেছে মহারাষ্ট্রের জোট সরকার।

     

  • Summer Fruits: গরমকালে খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন জাম, কী কী উপকারিতা জানেন?

    Summer Fruits: গরমকালে খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন জাম, কী কী উপকারিতা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাম মানেই নস্ট্যালজিয়া। ‘জাম’ শব্দটা শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে ছোটবেলায় গাছ থেকে পেড়ে খাওয়ার স্মৃতি। কালো ফলগুলির টক-মিষ্টি স্বাদ এবং খাওয়ার পরে জিভের বেগুনী রঙ ছেলেবেলার কথা মনে করিয়ে দেয়। জুন-জুলাই মানেই জামের মরশুম। স্বাদে অতুলনীয় এই ফল। শুধু তাই নয়, জাম স্বাস্থ্যের পক্ষেও অত্যন্ত উপকারি। স্বাস্থ্যবিদদের মতে, জাম একটি অন্যতম গ্রীষ্মকালীন ‘সুপার ফ্রুট’। জাম খেলে শরীরে আদ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। জামের ৮৪%-ই জল। শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এই ফলের জুরি মেলা ভার। গরমকালে ঘাম হওয়ার কারণে শরীর থেকে প্রচুর জল বেরিয়ে যায়। তাই গরম কালে জাম অত্যন্ত উপকারি। এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে ফলে হজমে সাহায্য করার সাথে সাথেই বিভিন্ন দীর্ঘস্থায়ী রোগ সারাতেও সাহায্য করে। ওজন কমাতেও সাহায্য করে জাম। জামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। ফলে জাম খেলে ত্বকও সুন্দর হয়। আগেকার দিনে হাঁপানি, ত্বকের সমস্যা, মধুমেহ, পেট ব্যাথার মতো সমস্যার ওষুধ তৈরিতে জাম ব্যবহার করা হত।  

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যান্সার, কেমো প্রতিরোধকারী উপাদানও থাকে জামের মধ্যে। প্রচুর পরিমাণে আয়রন থাকায় রক্তাল্পতা রোধ করতেও উপকারি জাম। রক্তে লাল রক্ত কনিকা এবং হিমোগ্লোবিন বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে জাম।

    দেখে নেওয়া যাক জামের আরও কিছু উপকারিতা:

    জাম শরীরকে ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে: জামে ৮৪%-ই জল থাকায়, জাম শরীরের আদ্রতার মাত্রাকে বৃদ্ধি করে। ফসফরাস, আয়োডিনের মতো  মিনারেলসও প্রচুর পরিমাণে রয়েছে জামে।  রোজ জাম খেলে শরীরে আদ্রতার মাত্রা বৃদ্ধি পায়। 

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: জামে ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, সি এবং প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। 

    ওজন কমানো: জাম খেলে ক্ষিদে পাওয়ার প্রবণতা কমে। লো ক্যালরি ফল হলেও প্রচুর পুষ্টিগুণ রয়েছে জামের।

    স্বাস্থ্যকর ত্বক: গরমে ত্বকের বিভিন্ন রকম সমস্যা হয়। জামে অ্যাস্ট্রিনজেন্ট প্রপার্টি আছে। যা ব্রনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি আছে জামে। 

     

  • National Anthem: মাদ্রাসাগুলিতে প্রার্থনার সময় গাইতে হবে জাতীয় সঙ্গীত, উত্তরপ্রদেশের পথে হরিয়ানাও?

    National Anthem: মাদ্রাসাগুলিতে প্রার্থনার সময় গাইতে হবে জাতীয় সঙ্গীত, উত্তরপ্রদেশের পথে হরিয়ানাও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাদ্রাসা (madrassa) বা স্কুলগুলিতে প্রার্থনার পর জাতীয় সঙ্গীত গাইলে কারোর কোনও সমস্যা হতে পারে না, অভিমত হরিয়ানার (Haryana) শিক্ষামন্ত্রী কানোয়ার পালের। এই বিষয়ে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) সরকারের সঙ্গে একমত তিনি। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের সব মাদ্রাসায় প্রার্থনার পর জাতীয় সঙ্গীত (National Anthem) বাধ্যতামূলক করেছে যোগী সরকার। এই সিদ্ধান্তকে সমর্থন করে কানোয়ার জানান, হরিয়ানাতেও সব মাদ্রাসা বা স্কুলে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে সরকার।

    কানোয়ার বলেন, “জাতীয় সঙ্গীত সব জায়গায় গাওয়া যেতে পারে। এটা দেশবাসীর কাছে গর্বের। স্কুল হোক বা মাদ্রাসা, জাতীয় সঙ্গীত গাইলে কারোর বাধা দেওয়া উচিত নয়।” উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার থেকে উত্তরপ্রদেশের সমস্ত মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত “জন গণ মন” গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) সরকারের তরফ থেকে বৃহস্পতিবার এই মর্মে একটি নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। 

    নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, প্রতিটি মাদ্রাসায় সকালে হয় জাতীয় সঙ্গীতের সুর বাজাতে হবে না হলে গাইতে হবে। এই নির্দেশিকা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের রেজিস্ট্রার এস এন পান্ডেও সমস্ত মাদ্রাসায় এই নির্দেশ জারি করেছেন বলে জানা গিয়েছে।       

    নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ক্লাস শুরুর আগে, রাজ্যের সমস্ত স্বীকৃত, সাহায্যপ্রাপ্ত এবং অ-সহায়ক মাদ্রাসায় আসন্ন শিক্ষাবর্ষ থেকে শিক্ষক এবং ছাত্রদের দ্বারা জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হবে। কিছু কিছু মাদ্রাসায় অবশ্য জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশন করা হয়। তবে এবার প্রতিটি মাদ্রাসায় জাতীয় সঙ্গীত বাধ্যতামূলক করে দিল যোগী সরকার।  

    হরিয়ানাতেও কী এধরনের পদক্ষেপ করা হতে পারে? এই প্রশ্নের উত্তরে কানোয়ার জানান “জন গণ মন” গাওয়াতে কোনও সমস্যা নেই। হরিয়ানা সরকার বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। হরিয়ানা সরকারের ক্লাস নাইনের ইতিহাস বইতে তথ্য বিকৃতির অভিযোগ করেছিল কংগ্রেস। সেই দাবি খারিজ করে দিয়ে কানোয়ার জানান, কোনও দলের ইচ্ছানুসারে ইতিহাস রচনা করা যায় না।

  • Bhagwant Mann Marriage: দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী, পাত্রী ৩২ বছরের গুরপ্রীত

    Bhagwant Mann Marriage: দ্বিতীয়বার বিয়ের পিঁড়িতে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী, পাত্রী ৩২ বছরের গুরপ্রীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন পাঞ্জাবের (Punjab) মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্ত মান (Bhagwant Mann)। বৃহস্পতিবার চণ্ডিগড়ে হয়েছে তাঁর বিয়ে। ডক্টর গুরপ্রীত কৌরকে (Dr Gurpreet Kaur) বিয়ে করছেন তিনি। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালও (Arvind Kejriwal) ভগবন্ত মান-এর বিয়েতে যোগ দেবেন। ঘরোয়াভাবেই বিয়ের অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আজ, বৃহস্পতিবার নিজের বাসভবনেই চিকিৎসক গুরপ্রীত কৌরের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন তিনি। শুধুমাত্র ঘনিষ্ঠ আত্মীয় ও দলের নেতা-নেত্রীদেরই আমন্ত্রণ করা হয়েছে তাঁর বিয়েতে। এর মধ্যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল বিশেষ অতিথি ভগবন্ত মানের।

    [tw]


    [/tw]

    ৩২ বছরের মেয়ে গুরপ্রীত কৌরের সঙ্গে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর বিয়ে নিয়ে ইতিমধ্যেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ২০১৮ সালে আম্বালার মহাঋষি মারকেণ্ডশ্বর বিশ্ববিদ্যালয় (Maharishi Markandeshwar University) থেকে ডাক্তারি পাশ করেছেন গুরপ্রীত। তিন বোনের মধ্যে সবচেয়ে ছোট তিনি। বড় দুই দিদি আমেরিকা আর অস্ট্রেলিয়ায় থাকেন। গুরপ্রীত বর্তমানে মোহালিতে থাকেন।  কোনওরকম জাঁকজমক ছাড়াই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তাঁরা।

    ভগবন্ত মান এই নিয়ে দ্বিতীয়বারের জন্য ছাদনাতলায় বসেছেন। তাঁর প্রথম স্ত্রী ইন্দরপ্রীত কৌর(Inderpreet Kaur) -এর সঙ্গে ২০১৫ সালেই বিবাহবিচ্ছেদ হয়ে যায়। তাঁদের দুই ছেলে-মেয়েও রয়েছে। দিলশান (Dilshan) ও সীরাট (Seerat) তাঁর দুই সন্তানই পিতার দ্বিতীয়বারের বিয়ে নিয়ে যথেষ্ট উৎসুক ছিল। বাগদানের অনুষ্ঠানেও অংশগ্রহণ করেছিল তারা।

    ভগবন্ত মানের ক্যাবিনেটের সহকর্মী অমন অরোরা (Aman Arora), হরজোত সিং (Harjot Singh) তাঁকে ট্যুইটারের মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, আপ নেতা রাঘব চাড্ডা সহ অনেকেই এদিন বিয়ের আসরে হাজির ছিলেন। 

    [tw]


    [/tw]

    [tw]


    [/tw]

     

  • Brazilian Model: ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ব্রাজিলীয় লাস্যময়ী মডেল, জানুন তাঁর আরেক পরিচয়

    Brazilian Model: ইউক্রেনে রুশ হামলায় নিহত ব্রাজিলীয় লাস্যময়ী মডেল, জানুন তাঁর আরেক পরিচয়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছিলেন লাস্যময়ী মডেল (Brazilian Model)। পরবর্তীতে হাতে তুলে নেন বন্দুক। গত মাসে রাশিয়ার হামলায় (Russia-Ukrain War) নিহত ব্রাজিলীয় মডেল তথা স্নাইপার (Sniper) থালিতো দো ভ্যালে (Thalito do Valle)। হাতে সর্বদা অস্ত্র থাকলেও, মন থেকে চাইতেন শান্তি। আর, সেই কারণেই সারা বিশ্ব জুড়ে মানব কল্যাণের বিভিন্ন কাজে যুক্ত ছিলেন তিনি। এর আগে, ইরাকে আইএসআইএস-এর বর্বরতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়েছিলেন ৩৯ বছর বয়সী এই ব্রাজিলীয় মডেল। ইউক্রেনে রুশ হামলার পরও তিনি একই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। ছুটে গিয়েছিলেন ইউক্রেনে। ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন। কে জানত এই লড়াইই তাঁর শেষ লড়াই! সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের খারকিভ শহরে রুশ ক্ষেপণাস্ত্র কেড়ে নিয়েছে তাঁর প্রাণ।  

    আরও পড়ুন: পুতিনের হাতে মাত্র দুবছর! দাবি ইউক্রেনের গোয়েন্দা প্রধানের       

    এক সময় ব্রাজিলের অন্যতম জনপ্রিয় মডেল ছিলেন থালিতো দো ভ্যালে। পরে মডেলিং ছেড়ে বিভিন্ন মানবতাবাদী কাজে লিপ্ত হন। কয়েক সপ্তাহ আগেই, তিনি ডগলাস বুরিগো নামে ব্রাজিল সেনার এক প্রাক্তন সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে, ব্রাজিল থেকে ইউক্রেনে গিয়েছিলেন। ইউক্রেনের ওপর রুশ বর্বরতার বিরুদ্ধে লড়াই করতে। ইউটিউব এবং টিকটকে তাঁদের ইউক্রেন যাত্রার ভিডিয়োও পোস্ট করছিলেন। এরপর,  ইউক্রেনের যোদ্ধাদের সঙ্গে তাঁরাও রুশ বাহিনীকে পরাস্ত করার কাজে যুক্ত হয়েছিলেন। বিশেষ করে থালিতো তাঁর স্নাইপার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনীয় যোদ্ধাদের প্রয়োজনীয় সুরক্ষা দিচ্ছিলেন। কিন্তু, গত মাসের শেষেই খারকিভ শহরের যুদ্ধে তাঁদের দুজনেরই মৃত্যু হয়েছে। মৃত্যুর কয়েক দিন আগেই থালিতো এবং ডগলাস খারকিভে এসেছিলেন। শহরের একটি বাঙ্কারে তাঁরা আশ্রয় নিয়েছিলেন। রুশ ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে সেই বাঙ্কারটিই ধ্বংস হয়ে যায়।

    আরও পড়ুন: ইউক্রেনের লাভিভে বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং রেল লাইনের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা রাশিয়ার     

    অত্যন্ত দক্ষ স্নাইপার হিসেবে পরিচিত ছিলেন থালিতো। স্নাইপারের প্রশিক্ষণ তিনি পেয়েছিলেন ইরাকে। ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়ার আগেও, তাঁর যুদ্ধের অভিজ্ঞতা ছিল। ইরাকে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কুর্দি যোদ্ধাদের হয়ে লড়াই করেছিলেন এই মডেল। কুর্দিস্তান এলাকার সশস্ত্র যোদ্ধা বাহিনী ‘পেশমারগাস’-এ যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেই বাহিনীর কমান্ডাররাই থালিতোকে স্নাইপারের প্রশিক্ষণ দিয়েছিলেন। অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর স্নাইপার চালনায় সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছিল। আইন নিয়ে পড়াশোনা করেছিলেন। পরবর্তীকালে, সেই পড়াশোনাকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন এনজিওর সঙ্গে পশু উদ্ধারের কাজে যুক্ত হয়েছিলেন।  

    ইউক্রেন যুদ্ধে তাঁর অভিজ্ঞতা একটি ইউটিউব চ্যানেলে নথিভুক্ত করছিলেন থালিতো। একজন লেখককেও জানিয়েছিলেন তাঁর অভিজ্ঞতার কথা। একটি বই প্রকাশিত হওয়ার কথা ছিল। ব্রাজিলে আছে থালিতোর ভাই। দিদি তাঁর কাছে ‘নায়ক’। দিদির মৃত্যুর পর তিনি বলেছেন, “থালিতো বরাবর মানবতাবাদী যে কোনও অভিযানে ঝাঁপিয়ে পড়তেন। অসহায় মানুষের প্রাণ রক্ষা করতে এগিয়ে যেতে দুবার ভাবতেন না। খারকিভে পৌঁছনোর পর থেকেই পরিবারের সঙ্গে থালিতোর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। তবে, ইউক্রেন থেকে বাড়িতে ফোন করতে ভয় পেতেন থালিতো। তাঁর মনে হত রুশ সেনাবাহিনী ফোনে আড়ি পাতছে।”  

     

  • Congress Chintan Shivir: বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে, চিন্তন শিবিরে বার্তা সোনিয়ার

    Congress Chintan Shivir: বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে, চিন্তন শিবিরে বার্তা সোনিয়ার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। শুক্রবার রাজস্থানের উদয়পুরে চিন্তন শিবিরে (Chintan Shivir) একথা বললেন কংগ্রেস (Congress) সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia)। কংগ্রেস কর্মীদের ঋণ মেটানের আহ্বানও জানান তিনি।

    এদিন থেকে তিন দিনের চিন্তন শিবির শুরু হয়েছে কংগ্রেসের। উদ্বোধনী ভাষণ দেন সোনিয়া। সেখানেই জানান, বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে হবে। বছর কয়েক ধরে একের পর এক নির্বাচনে গোহারা হেরেছে কংগ্রেস। হাতছাড়া হয়েছে একাধিক রাজ্যের রশি। এক সময় যে রাজ্যগুলির একচেটিয়া রাশ ছিল কংগ্রেসের হাতে, সেগুলিতে থাবা বসিয়েছে বিজেপি।

    পরপর দু-টার্মে কেন্দ্রের তখ্তে বসেছে বিজেপি (BJP)। প্রত্যাশিতভাবেই শতাব্দী প্রাচীন দলে শুরু হয়েছে ক্ষয় রোগ। ধরেছে ভাঙন। এমতাবস্থায় দলকে খাদ থেকে ডাঙায় টেনে তুলতে সচেষ্ট হয়েছে কংগ্রেস হাইকমান্ড। সেই প্রসঙ্গেই তিনি বলেছেন বিশেষ পরিস্থিতিতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়ার কথা। সোনিয়া বলেন, দলের দৈনন্দিন কার্যকারিতায় পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। একটি বড়, সম্মিলিত প্রচেষ্টার প্রয়োজন। চিন্তন শিবির সেই দিকেই একটি পদক্ষেপ।  

    আরও পড়ুন: উদয়পুরে আজ শুরু চিন্তন শিবির, ‘রাহুল ফেরাও’ ডাক দিতে চলেছে কংগ্রেস?

    দলকে বাঁচাতে হলে পার্টির সদস্যদের ব্যক্তিগত উচ্চাকাঙ্খার ঊর্ধ্বে ওঠার মন্ত্রেও কংগ্রেস কর্মীদের দীক্ষিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন কংগ্রেসের অন্তর্বতীকালীন সভানেত্রী। কংগ্রেস কর্মীরা দলের কাছে ঋণী। সেই ঋণ শোধ করার ডাকও উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে দিয়েছেন সোনিয়া। উপস্থিত নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কংগ্রেস আমাদের সব কিছু দিয়েছে। এবার সেই ঋণ শোধ করতে হবে।

    ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের (2024 Loksabha election) কথা মাথায় রেখে এখন থেকেই কাজ শুরু করতে হবে বলেও জানান কংগ্রেস সভানেত্রী। তিনি বলেন, দল জনগণের প্রত্যাশার প্রতি উদাসীন নয়। দেশের রাজনীতিতে দল যে ভূমিকা পালন করেছে, তা আবারও পূরণ করুন।  

    কংগ্রেসের এই চিন্তন শিবিরে অংশ নিয়েছেন ৪৩০ জন প্রতিনিধি। রাজনীতি, অর্থনীতি, সংগঠন, যুব ও কৃষক এই ছটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। এজন্য প্রতিনিধিদের ছটি দলে ভাগ করা হয়েছে। দল যে ফের ঘুরে দাঁড়াবে, এদিন সেই আশাও ব্যক্ত করেন সোনিয়া। বলেন, আমি আশা করি যে আমরা যখন এখান থেকে বের হব, আমরা নতুন আত্মবিশ্বাস, শক্তি এবং সংকল্পের সঙ্গে তা করব।

      আরও পড়ুন : করোনায় মৃত্যু নিয়ে রাহুলের বিপরীতে গিয়ে হু-র দাবি খারিজ কংগ্রেসের স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

      

LinkedIn
Share