Blog

  • Modi speaks: মোদির মুখে মিলেনিয়াল শব্দ, বিনিয়োগ টানতে ‘অস্ত্র’ FOMO!

    Modi speaks: মোদির মুখে মিলেনিয়াল শব্দ, বিনিয়োগ টানতে ‘অস্ত্র’ FOMO!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক : মোদির মুখে ‘মিলেনিয়াল শব্দ’ (millennial lingo)! এবার দেশে বিনিয়োগ প্রসঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যবহৃত শব্দ ‘FOMO’-কেই হাতিয়ার করলেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। মঙ্গলবার India-Denmark Business Forum-বক্তব্য রাখার সময় এই শব্দ ব্যবহার করেন প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী  মেতে ফ্রেডেরিকসন (Mette Frederiksen)। মোদি এদিন বলেন, “আজকাল ফোমো (FOMO) কথাটি বিপুল ব্যবহৃত হচ্ছে। FOMO মানে হল ফিয়ার অফ মিসিং আউট (Fear of Missing Out) সবার মধ্যে আলাদা না হয়ে যাওয়া বা হারিয়ে না যাওয়া। ভারতে যেভাবে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হচ্ছে, তাতে কেউ যদি দেশে বিনিয়োগ করতে না চায় সেক্ষেত্রে বলতে হয় তিনি কিছু Miss Out করছেন।” মিলেনিয়াল ভাষায় মোদীর বিনিয়োগ টানার এই অভিনব মন্তব্যে কার্যত আপ্লুত নেটনাগরিকরা। এরপরেই অবশ্য নরেন্দ্র মোদির কথার খেই ধরেই পালটা মন্তব্য করেন ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “আমি ভাবতাম FOMO বিষয়টাই শুক্রবার রাত্রি বা পার্টির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় কিন্তু, এখন মনে হয় আদতে তা নয়।”

    [tw]


    [/tw]

    এদিন মোদি বলেন, “এর আগে অতীতে ডেনমার্ক এবং ভারত একসঙ্গে অনেক কাজ করেছে। আমাদের দুই দেশের কাজের উৎকর্ষতা একে অপরকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। ভারতে গ্রিন টেকনলজিতে বিনিয়োগ করার বিশেষ সুযোগ রয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রেও রয়েছে বিনিয়োগের সুযোগ।” 

    এদিন ডেনমার্কে মোদি বলেন, ”প্রতিবছর পাঁচজন বিদেশীকে ভারত ভ্রমণের জন্য উদ্বুদ্ধ করুন। তাঁদের বোঝান ভারতের কোনায় কোনায় কী কী খাজানা লুকিয়ে রয়েছে। আর এই কাজটা মোটেও বিদেশে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাসের নয়। দূতাবাস তো থাকবেই। কিন্তু, আপনারাই এক একজন রাষ্ট্রদূত। বিশ্বের চারপাশে এই রাষ্ট্রদূতেরা ছড়িয়ে রয়েছে। আপনারাই ভারতকে বিশ্বের দরবারে চিনিয়ে দিতে সক্ষম। তাই আমার এই ছোট্ট অনুরোধটুকু রাখুন।” অর্থাৎ বিদেশের মাটিতে ভারতের পর্যটন শিল্পকে তুলে ধরেছেন মোদি।

  • Ghaziabad Hijab Row: গাজিয়াবাদের কলেজে হিজাব-বিতর্ক, নির্দিষ্ট পোশাক পরতে বলায় প্রতিবাদ ছাত্রীদের

    Ghaziabad Hijab Row: গাজিয়াবাদের কলেজে হিজাব-বিতর্ক, নির্দিষ্ট পোশাক পরতে বলায় প্রতিবাদ ছাত্রীদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি গাজিয়াবাদের (Ghaziabad) একটি কলেজের বাইরে কয়েকজন হিজাব (Hijab Row) পরিহিতা ছাত্রীর প্রতিবাদ করার একটি ভিডিও ভাইরাল (viral video) হয়েছে। ভিডিওটি মোদিনগরের গিন্নি দেবী কলেজের। কলেজটিতে ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছিল। অভিযোগ, কিছু ছাত্রী হিজাব পরে আসায় তাদের হাতে ট্যাবলেট তুলে দিতে অস্বীকার করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। আর তার জেরেই এই অশান্তির সূত্রপাত।

    গাজিয়াবাদ পুলিশের বক্তব্য, খবর পাওয়ার পরেই তারা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং ছাত্রীদের বাড়ি পাঠানো হয়। কলেজ কর্তৃপক্ষ প্রতিক্রিয়া দিয়ে জানিয়েছে, কলেজ চত্বরের বাইরে কী হচ্ছে তা দেখা তাদের দায়িত্ব নয়। তাদের কথায়, “ট্যাবলেট বিতরণ করা হচ্ছিল। ৬৯ টি ট্যাবলেট দেওয়া বাকি ছিল। কিছু ছাত্রী কলেজের পোশাক পরে আসেনি। তাদের কলেজের নিয়ম মেনে চলতে বলাতেই তারা ক্ষেপে ওঠে। কলেজ থেকে বেরিয়ে যায়। এরপর তারা কলেজ চত্বরের বাইরে কী করেছে সেটা আমাদের দেখার বিষয় নয়।”

     

  • Quad Summit: শুভেচ্ছা-স্মারক হিসেবে রাষ্ট্রনেতাদের বিশেষ উপহার মোদির

    Quad Summit: শুভেচ্ছা-স্মারক হিসেবে রাষ্ট্রনেতাদের বিশেষ উপহার মোদির

    কোয়াড সম্মেলনের শেষে জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদা,অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনি আলবানিজ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ভারতীয়দের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা-স্মারক হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে গন্ড আর্ট পেইন্টিং, জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে রোগান পেইন্টিং সহ এবং মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে সাঁঝি আর্ট উপহার দিয়েছেন মোদি।

    অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীকে মোদির উপহার: গন্ড আর্ট পেন্টিংপ্রসিদ্ধ আদিবাসী শিল্পগুলির মধ্যে একটি হল গন্ড পেইন্টিং। ‘গন্ড’ শব্দটি এসেছে ‘কন্ড’ শব্দ থেকে যার অর্থ ‘সবুজ পাহাড়’। বিন্দু এবং রেখা দিয়ে তৈরি এই ছবিগুলি পাহাড়ের দেওয়ালে লাগানো থাকে। এই আদি চিত্রশিল্পে মাটি,গাছের রস,পাতা,গোবর,চুন পাথরের গুঁড়ো ইত্যাদি ব্যবহার করা হয়।

    গন্ড শিল্পকে অস্ট্রেলিয়ার আদিম শিল্পের অনুরূপ বলে মনে করা হয়। গন্ডদের সৃষ্টি সম্পর্কে আদিবাসীদের নিজস্ব গল্প আছে। এই শিল্পের মাধ্যমে স্রষ্টার সঙ্গে সৃষ্টির দূরত্ব কমে। অস্ট্রেলিয়দের কাছে এর এক বিশেষ অনুভূতি আছে।

    মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে প্রধানমন্ত্রীর উপহার: সাঁঝি আর্ট- সাঁঝি,কাগজে হাতে কাটা নকশার শিল্প। উত্তর প্রদেশের মথুরায় এই বিশেষ শিল্পরীতি চোখে পড়ে। ভগবান কৃষ্ণের বাড়ির গায়ে এই শিল্পকর্ম দেখা যেত। এখন এর ঐতিহ্য ধরে রাখতে ভগবান কৃষ্ণের গল্পের মোটিফগুলি স্টেনসিলে তৈরি করা হয়। এই স্টেনসিলগুলি কাঁচি বা ব্লেড ব্যবহার করে কাটা হয়। সূক্ষ্ম সাঁঝি প্রায়ই কাগজের পাতলা শিট দ্বারা একসাথে রাখা হয়। 

    [tw]


    [/tw]

    জাপানের প্রধানমন্ত্রীকে উপহার: রোগান পেইন্টিং-সহ কাঠের বাক্স- এই শিল্পটি দুটি ভিন্ন শিল্পের সংমিশ্রণ-রোগান পেইন্টিং এবং কাঠের কাজ। রোগান পেইন্টিং হল গুজরাটের কচ্ছ জেলার শিল্প। সাধারণত কাপড় মুদ্রণের ক্ষেত্রে এই শিল্প ব্যবহার করা হয়।  এক্ষেত্রে উদ্ভিজ তেল এবং উদ্ভিজ্জ রঞ্জকগুলি থেকে তৈরি রঙটি একটি ধাতব ব্লক (প্রিন্টিং) বা স্টাইলাস (পেইন্টিং) ব্যবহার করে ফ্যাব্রিকের উপর স্থাপন করা হয়। ২০ শতকের শেষের দিকে কারুশিল্পটি প্রায় শেষ হয়ে যায়।  শুধুমাত্র একটি পরিবারই এখনও রোগান চিত্রকর্মটি বজায় রেখেছে।

    ‘রোগান’ শব্দটি এসেছে ফার্সি থেকে, যার অর্থ বার্নিশ বা তেল। রোগান পেইন্টিং তৈরি করতে খুবই পরিশ্রম করতে হয়। দক্ষ শিল্পী ছাড়া এই কাজ সম্ভব নয়। কাঠের উপর হাত দিয়ে খোদাই করাও একটি জটিল শিল্প। এই কারুকার্যের বিষয়বস্তু ভারতের বিখ্যাত স্মৃতিস্তম্ভগুলি থেকে নেওয়া হয়।

    উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পছন্দ আগেও নজর কেড়েছে। এবারও তাঁর অভিনব উপহারে আপ্লুত রাষ্ট্রনেতারা।

  • Wheat Export Ban: গম-ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়াল ড্রাগনের দেশ!

    Wheat Export Ban: গম-ইস্যুতে ভারতের পাশে দাঁড়াল ড্রাগনের দেশ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপ্রত্যাশিত! 

    গম রফতানি বন্ধ (Wheat Export Ban) নিয়ে ভারতের (India) সিদ্ধান্তকে সমর্থন জানাল চিন (China)। সম্প্রতি বিশ্ববাজারে গম রফতানি বন্ধ (Wheat export ban) করে দিয়েছে ভারত। প্রতিবেশী দেশটির এই সিদ্ধান্তকেই সমর্থন করেছে ড্রাগনের দেশ।

    ভারত গম রফতানি বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতেই বিবৃতি জারি করে জার্মানি। বলা হয়, ভারতের এই সিদ্ধান্তের নিন্দা করছে জি-৭ (G-7) রাষ্ট্রগুলি। ভারতের অবস্থানকে সমর্থন করে চিন বলেছে, ভারত নিজেরাই খাদ্য সঙ্কটে থাকে। তবে পশ্চিমের কোনও দেশ যদি ভারতের মতো বিশ্ব খাদ্য সঙ্কটের (world food crisis) মুখে পড়ে গম (wheat) রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করত, তাহলে কি প্রশ্ন উঠত না? চিনা কমিউনিস্ট পার্টির মুখপত্র গ্লোবাল টাইমসের (Global Times) একটি প্রতিবেদনে জি-৭ দেশগুলিকে ভারতের সমালোচনা না করে নিজেদেরই খাদ্য সঙ্কটের মোকাবিলায় এগিয়ে আসার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতকে দোষারোপ করলে খাদ্যসঙ্কট মিটে যাবে না। প্রতিবেদনে প্রশ্ন তোলা হয়েছে, আজ জি-৭ দেশগুলি ভারতের কাছে আবেদন করছে যাতে গম রফতানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি না করা হয়। তাহলে এই দেশগুলি খাদ্য সরবরাহ স্থিতিশীল রাখতে নিজেরা কেন গম রফতানি বাড়াচ্ছে না?  

    গালওয়ান উপত্যকায় (Galwan valley) সংঘর্ষের জেরে ভারত-চিনের সম্পর্কে (India China relation) ফাটল ধরেছিল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই ফাটল ক্রমেই হয়েছে চওড়া। যার প্রভাব পড়েছে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে। কূটনৈতিক স্তরে আলাপ-আলোচনার পরেও মেরামত হয়নি সম্পর্কের ফাটল। এই আবহে ভারতের বন্ধু দেশ রাশিয়ার (Russia) সঙ্গে সখ্যতা বেড়েছে ড্রাগনের দেশের। আবার পাকিস্তানের সঙ্গেও সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে চিন। যা নিঃসন্দেহে মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে সাউথ ব্লকের। সব মিলিয়ে ভারতকে নিরন্তর কোণঠাসা করার ছক কষে চলেছে কমিউনিস্ট শাসিত দেশটি। এই পরিস্থিতিতেই ভারতের হয়ে গলা ফাটাল চিনা সরকার।  

    মার্চ ও এপ্রিলে দাবদাহের কারণে দেশে গমের ফলন কম হয়েছে। প্রত্যাশিতভাবেই বেড়েছে দাম। দেশবাসীর চাহিদা পূরণে গম রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নরেন্দ্র মোদির (Modi) সরকার। স্বভাবতই রুষ্ট হয়েছে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলি। নিন্দা করা হয়েছে ভারতের সিদ্ধান্তকে। এহেন আবহে ভারতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে সহমত পোষণ করে জি-৭ ভুক্ত দেশগুলিকে একহাত নিলে শি জিনপিংয়ের সরকার।

    আরও পড়ুন : ভারতকে ধন্যবাদ , মোদি-বন্দনা শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রীর মুখে

  • Modi in Europe: ইউরোপ সফরে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের কী উপহার দিলেন মোদি?

    Modi in Europe: ইউরোপ সফরে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের কী উপহার দিলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিন দিনের ইউরোপ সফর শেষ। এবার দেশের ফেরার পালা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi)। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে দিল্লি রওনা হয়েছেন তিনি।  

    দু’বছর পরে ফের বিদেশ সফরে গিয়ে জার্মানি, ডেনমার্ক এবং ফ্রান্সে ২৫টি কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তিনটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক-সহ কথা বলেছেন মোট সাত জন রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে। পাশাপাশি, ওই দেশগুলিতে বসবাসকারী ভারতীয় এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের সভাতেও যোগ দেন তিনি। 

    বিদেশের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার দিকে বরাবরই জোর দেন মোদি। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। খালি হাতে বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের সঙ্গে দেখা করেননি প্রধানমন্ত্রী। দুহাত ভরে উপহার তুলে দিয়েছেন রাষ্ট্রনেতাদের হাতে, যেখানে গুরুত্ব পেয়েছে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের হস্তশিল্প। পশমিনা শাল, ডোকরার কাজ করা নৌকা, রোগান পেইন্টিং কী নেই সেই তালিকায়!

    সোমবার জার্মানিতে গিয়ে সে দেশের চ্যান্সেলর ওলাফ স্কোলজের সঙ্গে একটি দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেন প্রধানমন্ত্রী। আগামী জুন মাসে মিউনিখের বাভারিয়ায় জি-৭ গোষ্ঠীভুক্ত দেশগুলির শীর্ষবৈঠকে যোগ দেওয়ার জন্য মোদিকে আমন্ত্রণ জানান স্কোলজ।   

    মঙ্গলবার ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে যান মোদি (Modi)। সে দেশের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলা সংক্রান্ত বিষয়ে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নেন। পাশাপাশি, স্ক্যান্ডিনেভীয় (নর্ডিক) দেশ, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে এবং আইসল্যান্ডের রাষ্ট্রনেতাদের একটি আলোচনা সভাতে অংশ নেন। বুধবারের এই সভাতেই বিদেশি রাষ্ট্রনেতাদের দেশের ঐতিহ্যবাহী কিছু শিল্প নিদর্শন উপহার (Gifts) দেন মোদি। 

    ডেনমার্কের যুবরাজ ফেডরিককে ছত্রিশগড়ের ৪০০০ পুরনো ডোকরা শিল্পের কাজ করা একটি নৌকো উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। আর রানী মার্গেটকে উপহার দেন গুজরাতের কচের রোগান সেলাই করা একটুকরো কাপড়। যুবরানীকে উপহার দেন বেনারসের ৫০০ বছর পুরনো শিল্প মিনেকারী করা রুপোর একটি পাখি।

    ফিনল্যান্ডের প্রতিনিধিকে ‘Tree of life’ উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। এই গাছ বৃদ্ধি এবং বিকাশের প্রতীক। গাছটি পিতলের তৈরি। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীকে দেন রাজস্থানের বিখ্যাত কোফতগিরি কাজ করা একটি ঢাল। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেট ফ্রেডেরিকসেনকে উপহার দেন গুজরাতের কচ্ছের এমব্রয়ডারি করা একটি ওয়াল হ্যাঙ্গিং। সুইডেনের প্রধানমন্ত্রীকে দেন পশমিনা শাল। কাশ্মীরের এই পশমিনা শাল ভারতীয় আভিজাত্যের প্রতীক। 

     

     

     

  • Putin Health: ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন পুতিন, জল্পনা বিভিন্ন মহলে

    Putin Health: ক্যানসারের চিকিৎসার জন্য ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন পুতিন, জল্পনা বিভিন্ন মহলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ক্যানসারে আক্রান্ত হয়েছেন। এ জন্য প্রয়োজনীয় অস্ত্রোপচার করাতে সাময়িকভাবে তিনি অন্য একজনের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে যাচ্ছেন। জানা গিয়েছে, পুতিন তাঁর ক্যানসারের চিকিৎসা করাতে রাশিয়ার নিরাপত্তা পরিষদের সেক্রেটারি নিকোলাই পেত্রুশেভের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চলেছেন। এমনই দাবি করেছে আমেরিকার একটি অনলাইন সংবাদ সংস্থা। যদিও পুতিনের অসুস্থতা সংক্রান্ত সবরকম দাবি নাকচ করেছে ক্রেমলিন। 

    ওই সংবাদ সংস্থার দাবি, পুতিন থাইরয়েডের ক্যনসারে আক্রান্ত। রোগটির চিকিৎসা এপ্রিলেই হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু পুতিনই নাকি চাননি অস্ত্রোপচার করাতে। কেন অস্ত্রোপচার করাতে চাননি পুতিন? ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধ তার কারণ কি না বা যুদ্ধ পরবর্তী রুশ অর্থনীতির বেহাল দশার জন্য পুতিনের এমন সিদ্ধান্ত কি না তা স্পষ্ট নয়। তবে ওই চ্যানেল ক্রেমলিনের ওই সূত্রকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ৯ মে-র আগে অস্ত্রোপচার হচ্ছে না। পুতিন নিজেই তারিখ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। ওই চ্যানেলটির দাবি, পুতিনের রোগের পরিস্থিতি সম্ভবত খুব গুরুতর নয়। তবে তার অস্ত্রোপচারে বিশেষ দেরি করা যাবে না বলেও জানিয়ে দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

    সাধারণত, দেশের প্রেসিডেন্ট অসুস্থ হলে প্রধানমন্ত্রীর হাতেই ক্ষমতা আসার কথা। কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা হচ্ছে না। ক্রেমলিন সূত্রে ওই চ্যানেলটিকে বলা হয়েছে, পুতিন ক্ষমতা হস্তান্তরে রাজি ছিলেন না। বদলে তিনি চেয়েছিলেন যে অল্প সময় তিনি নিয়ন্ত্রণে থাকবেন না, তখন কাউকে সাময়িক দেখাশোনার ভার দেওয়া হোক যিনি দেশের যুদ্ধ পরিস্থিতিকে অভিজ্ঞ হাতে সামলাতে পারবেন।নিরাপত্তা পরিষদের প্রধান ৭০ বছরের পাত্রুশেভ এককালে রাশিয়ান চরদের প্রধান ছিলেন। রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের প্রাথমিক লেখচিত্রও তাঁরই করা। তাঁকে এই ভার দিতে রাজি হওয়ার আগে পুতিন দু’ঘণ্টা একান্তে কথা বলেন পাত্রুশেভের সঙ্গে। ফলে, মনে করা হচ্ছে পেত্রুশেভের কাছে পুতিন দু-তিন দিনের জন্য ক্ষমতা হস্তান্তর করতে পারেন। তবে পেন্টাগনের মুখপাত্র জন কিরবি বলেছেন, তাঁরা পুতিন সংক্রান্ত এমন কিছু খবর পাননি।

  • Yogi Meets Mother: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মায়ের সঙ্গে দেখা হল যোগী আদিত্যনাথের, আবেগে ভাসলেন দুজনই

    Yogi Meets Mother: মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথম মায়ের সঙ্গে দেখা হল যোগী আদিত্যনাথের, আবেগে ভাসলেন দুজনই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মা-ছেলের শেষ দেখা হয়েছিল ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তারপর কেটে গিয়েছে পাঁচ-পাঁচটা বছর। এর মধ্য়ে যমুনা দিয়ে অনেক জল গড়িয়ে গিয়েছে। ছেলে এখন এক রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। গত মার্চ মাসে টানা দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় ফিরেছেন। মা থাকেন ভিনরাজ্যের ছোট্ট গ্রামে। মাঝে বছর দুয়েক আগে, বাবা মারা যাওয়ার সময়ও কোভিড নিষেধাজ্ঞা থাকায় মা-ছেলের সাক্ষাত হয়নি। এখন, দীর্ঘ পাঁচ বছর পর মা-ছেলের দেখা হল। আবেগে ভাসলেন দুজনই। 

    উত্তরাখণ্ডের (Uttarakhand) পৌরী গাড়োয়াল জেলার যমকেশ্বর ব্লকের মধ্যে ছোট্ট গ্রাম পাঞ্চুর (Panchoor)। সাধারণ চোখে দেখাও যায় না, এতটাই ছোট জনপদটি। কিন্তু, এখন সেখানেই সাজো সাজো রব। কারণ, দীর্ঘ ২৮ বছর পর নিজের পৈতৃক ভিটেয় ফিরলেন গ্রামের ছেলে আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। যিনি এখন পার্শ্ববর্তী রাজ্য উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রীও।  গ্রামে যোগী পা রাখা মাত্রই উৎসাহে ফেটে পড়েন এলাকাবাসীরা৷ এক পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগদান করবেন তিনি। যোগীর পরিবারের কাছে বহু প্রতীক্ষিত এই দিন। এলাকাবাসীরাও যে ঘরের ছেলেকে এতদিন বাদে ফিরে পেয়ে যারপরনাই খুশি তা বলাই বাহুল্য।

    গ্রামের বাড়িতে পৌঁছেই সবার আগে মা সাবিত্রীদেবীর পা ছুঁয়ে প্রণাম করে মায়ের গলায় একটি ফুলের মালা পরিয়ে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তারপর মায়ের পাশেই বসে পড়তে দেখা যায় তাঁকে। এদিন মায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের পর সেই বিশেষ মুহূর্তের ছবি নিজের টুইটারে পোস্টও করেন যোগী আদিত্যনাথ। ক্যাপশনে লেখেন, ‘মা’।  আর এই একটি শব্দেই যেন নিজের সমস্ত অনুভূতি প্রকাশ করেছেন উত্তরপ্রদেশে দ্বিতীয়বারের জন্যে ক্ষমতায় আসা মুখ্যমন্ত্রী।  

    [tw]


    [/tw]

    ২০২০ সালের এপ্রিলে উত্তরপ্রদেশের বাড়ন্ত করোনা পরিস্থিতির জন্যে হরিদ্বারে বাবার শেষকৃত্যেও যোগদান করতে পারেননি যোগী। এবিষয়ে তিনি বলেন, “বাবাকে শেষবারের জন্যে দেখার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু আমার ২৩ কোটি রাজ্যবাসীর প্রতি আমার কর্তব্যের কথা মাথায় রেখে সেটাও করে উঠতে পারিনি।” 

    যদিও রাজ্যের কাজ নিয়েই উত্তরাখণ্ড সফরে গিয়েছেন তিনি। তিন দিনের সফরে গিয়ে প্রায় তিন দশক পর নিজের বাড়িতে যান যোগী আদিত্যনাথ। সেখানে মায়ের সঙ্গে দেখা করে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন তিনি।  দীর্ঘদিন পর গৃহত্যাগী ছেলেকে দেখে মাও যে যারপরনাই খুশি তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। 

    যোগী আদিত্যনাথের সঙ্গে তাঁর মায়ের এহেন ঘনিষ্ঠ আবেগঘন মুহূর্তের ছবি স্বভাবতই মন কেড়েছে নেটিজেনদের। যোগীকে শুভেচ্ছায় ভরিয়ে দিয়েছে নেটপাড়া। দীর্ঘ ২৮ বছর পর বাড়ি ফিরে খুশি আদিত্যনাথও।

     

  • Boris Becker in Jail: সম্পত্তি লুকনোর দায়ে আড়াই বছরের জেল টেনিস কিংবদন্তী বরিস বেকারের

    Boris Becker in Jail: সম্পত্তি লুকনোর দায়ে আড়াই বছরের জেল টেনিস কিংবদন্তী বরিস বেকারের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: অনেক চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা করতে পারলেন না বরিস বেকার। আর্থিক প্রতারণা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হলেন এই কিংবদন্তী টেনিস তারকা। তাঁকে আড়াই বছরের সাজা দিয়েছে আদালত। 

    ভুয়ো তথ্য দিয়ে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছিলেন এই ৫৪ বছরের প্রাক্তন জার্মান টেনিস তারকা। নিজের সম্পত্তি গোপন করে এই কাজ করেছিলেন তিনি। এমনকি ব্যাঙ্ক থেকে তিন লক্ষ পাউন্ড ঋণও নিয়েছিলেন তিনি। তবে ব্যাঙ্ক ঋণ শোধ না করে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করে দেন। এমনকী নিজের স্ত্রীর সম্পত্তিও গোপন করেছিলেন বরিস। শুধু তাই নয় টেনিস থেকে পাওয়া পদক ও ট্রফি তিনি বিক্রি করে দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন বরিস। 

    প্রসঙ্গত স্পেনের শহর মালোরকায় একটি সম্পত্তি কিনতে তিন লক্ষ পাউন্ড ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়েছিলেন তিনি। সেই ঋণের কিস্তি তিনি পরিশোধ করেননি। উল্টে মিথ্যের আশ্রয় নিয়ে নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেন বেকার। আদালতের সামনে তিনি জানান, তাঁর দুটি উইম্বলডন খেতাব নাকি হারিয়ে গিয়েছে। যে সময় বেকার নিজেকে দেউলিয়া ঘোষণা করেছিলেন সে সময় তার ঋণের পরিমাণ ছিল প্রায় ৫০ মিলিয়ন পাউন্ড। 

    কিন্তু, তদন্তে উঠে আসে অন্য তথ্য। দেখা গেছে, দুই প্রাক্তন স্ত্রী বারবারা এবং লিলি-সহ মোট ন’জনের অ্যাকাউন্টে সাড়ে তিন লক্ষের বেশি পাউন্ড পাঠিয়ে দেন বেকার। জার্মানিতে তাঁর একটি বিলাসবহুল বাংলো, একটি বহুজাতিক সংস্থার ৭৫ হাজার শেয়ার এবং লন্ডনের ফ্ল্যাটের কথাও গোপন করেছিলেন তিনি। তাঁর সাতবছরের জেল হতে পারত বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞরা। এদিন তাঁকে আড়াই বছরের শাস্তির সাজা শোনায় সাউথওয়ার্ক ক্রাউন কোর্ট।

     

     

  • Russia Stops Gas: পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করল রাশিয়া, “ব্ল্যাকমেল” বলে কটাক্ষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের

    Russia Stops Gas: পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করল রাশিয়া, “ব্ল্যাকমেল” বলে কটাক্ষ ইউরোপীয় ইউনিয়নের

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: হুঁশিয়ারি ছিলই। এবার সেই মতো দুই ন্যাটোভুক্ত দেশ পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ায় প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করল রাশিয়া। এর ফলে, বড় সমস্যায় এই ইউরোপের এই দুই দেশ।

    ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়াকে কার্যত একঘরে করে ফেলার চেষ্টা করেছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের ন্যাটোভুক্ত দেশগুলি। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকেই রাশিয়ার ওপর জারি হয় একাধিক নিষেধাজ্ঞা। সুইফ্ট ব্যাঙ্কিং পরিষেবা থেকে সাসপেন্ড করা হয় রুশ ব্যাঙ্কগুলিকে। ফলে, আর্থিক লেনদেন জোর ধাক্কা খায় মস্কো। সেই সময় রাশিয়া জানিয়ে দেয়, তাদের থেকে পণ্য় কিনতে গেলে, অর্থ জোগাতে হবে রুবলে। 

    প্রসঙ্গত, রাশিয়ার আয়ের অন্যতম মূল উৎস হল জ্বালানি গ্যাস সরবরাহ। বিশ্বের সর্ববৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহকারী দেশ হল রাশিয়া। ফি বছর ইউরোপ যত পরিমাণ গ্যাস ব্যবহার করে, তাঁর সিংহভাগ আসে রাশিয়া থেকেই। বিভিন্ন পাইপলাইনের মাধ্য়মে সেই গ্যাস সরবরাহ করে থাকে মস্কো। বলা ভাল, ইউরোপের একাধিক দেশ মূলত রাশিয়ার যোগান দেওয়া গ্যাসের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল। মোট ২৩টি ইউরোপীয় দেশে গ্যাস সরবরাহ করে থাকে রাশিয়া। 

    এবার, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বাঁধার ফলে, রাশিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক ব্যবস্থাগ্রহণ করে ইউরোপ তথা ন্যাটোভুক্ত দেশগুলি। কোনও কোনও দেশ তো ইউক্রেনকে অর্থ থেকে শুরু করে বিভিন্ন অস্ত্র সররবাহ শুরু করে। রাশিয়া আগেই জানিয়ে রেখেছিল, ইউক্রেনের পাশে যারা দাঁড়াবে, তাদের মাশুল দিতে হবে। কিন্তু, তাতে কেউ কর্ণপাত না করায়, এবার পাল্টা ব্যবস্থা নেয় মস্কো। 

    গত মার্চ মাসে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষণা করেন, তাদের থেকে গ্যাস সহ যে কোনও পণ্য কিনতে গেলে এখন থেকে রুবলে পেমেন্ট করতে হবে। পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়া সেই শর্তে মানতে রাজি হয়নি। এরপরই, এই দুই দেশে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয় মস্কো। এতে বিপাকে পড়েছে এই দুই পোল্য়ান্ড ও বুলগেরিয়া। 

    রাশিয়ার এই গ্যাস বন্ধ করার সিদ্ধান্তকে “ব্ল্যাকমেল” বলে উল্লেখ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তারা জানিয়েছে, জ্বালানির বিষয়টি সামনে এনে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেছে রাশিয়া। রাশিয়ার এই ঘোষণাকে অযৌক্তিক ও অগ্রহণযোগ্য বলে কটাক্ষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ঐকবদ্ধভাবে এর জবাব দেওয়া হবে। 

    কিন্তু, তাতে দমে না গিয়ে মস্কো আরও হুঁশিয়ারি দেয়, রুবলে দাম না মেটালে অন্য দেশের পরিণতিও হবে পোল্যান্ড ও বুলগেরিয়ার মতো।  রাশিয়ার হুমকি, প্রয়োজনে গোটা ইউরোপে জ্বালানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হবে। এতে শঙ্কিত হয়ে পড়েছে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলি। জরুরি বৈঠকে বসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলি। ইতিমধ্য়েই, ইউরোপের অপর ৪টি দেশ ইতিমধ্য়েই রুশ দাবি অনুযায়ী, রুবলে দাম মিটেয়েছে। রুবলে দাম মেটানোর জন্য গ্যাজপ্রমব্যাঙ্কে অ্যাকাউন্ট খুলতে বাধ্য হয়েছে ইউরোপের অন্তত ১০টি দেশ।

  • Akshay Kumar: ভক্তরা রুষ্ট, তামাক সংস্থার পণ্যের বিজ্ঞাপন থেকে সরলেন অক্ষয়, চাইলেন ক্ষমাও

    Akshay Kumar: ভক্তরা রুষ্ট, তামাক সংস্থার পণ্যের বিজ্ঞাপন থেকে সরলেন অক্ষয়, চাইলেন ক্ষমাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামাক সংস্থার হয়ে বিজ্ঞাপনের (Advertisement)জন্য অনুরাগীদের কাছে ক্ষমা চাইলেন বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমার (Akshay Kumar)। বিজ্ঞাপন করা নিয়ে জনরোষের মুখে পড়েন তিনি। অভিনেতা জানিয়েছেন যে, তিনি আর ওই তামাকজাত পণ্যের বিজ্ঞাপন করবেন না। ওই সংস্থার  বিজ্ঞাপনের জন্য পারিশ্রমিক বাবদ যে অর্থ তিনি নিয়েছেন,তা-ও কোনও সমাজকল্যাণমূলক কাজে দিয়ে দেবেন। বুধবার রাতে সোশ্যাল সাইটে একটি পোস্টে এ কথা জানান অক্ষয়।
    অক্ষয় বলেন, “আমি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত। আমি আমার সব ভক্ত এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। গত কয়েক দিন ধরেই আপনাদের প্রতিক্রিয়া আমাকে ভীষণ ভাবে প্রভাবিত করেছে। যদিও আমি সরাসরি তামাককে সমর্থন করিনি এবং করব না। আমি এই সংস্থার এলাচের বিজ্ঞাপন করেছি। তবে আমি আপনাদের অনুভূতিকে সম্মান করি। তাই এই বিজ্ঞাপন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমি এই সংস্থার কাছে থেকে নেওয়া অর্থও সমাজকল্যাণমূলক কাজে দিয়ে দেব। বাধ্যতামূলক আইনি চুক্তির কারণে নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত এই বিজ্ঞাপনের প্রচার চালিয়ে যেতে পারে এই সংস্থা। তবে আমি ভবিষ্যতে অত্যন্ত সচেতন থাকার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি। বিনিময়ে আমি চিরকাল আপনাদের ভালবাসা এবং শুভেচ্ছা চাইব।”
    প্রসঙ্গত, তামাকজাত এই সংস্থার পণ্যের বিজ্ঞাপনে (Tobacco Brand Ambassador) দেখা যেত অভিনেতা অজয় দেবগণকে (Ajay Devgan)। গত বছর ওই বিজ্ঞাপনের মুখ হিসেবে যোগ দেন শাহরুখ খান (Saha Rukh Khan)। তবে এই সংস্থার বিজ্ঞাপনের মুখ হিসেবে নবতম সংযোজন ছিলেন অক্ষয়। কিন্তু তাঁর এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারেননি তাঁর অনুরাগীরা। অক্ষয় শরীরচর্চা এবং স্বাস্থ্যের বিষয়ে কথা বলেন। তাহলে তিনি কী করে একটি তামাক সংস্থার বিজ্ঞাপনের মুখ হতে রাজি হলেন? প্রশ্ন উঠছিল। তাই জনগণের উচ্ছাকে সম্মান জানিয়ে শেষ পর্যন্ত এই সংস্থার বিজ্ঞাপন থেকে সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অক্ষয়।

LinkedIn
Share