Blog

  • Rahul Gandhi: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে জেরা রাহুলকে

    Rahul Gandhi: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় টানা তিন ঘণ্টা ধরে জেরা রাহুলকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে জেরা করা হল কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে। ইডি সূত্রে খবর, ডেটেক্স প্রাইভেট লিমিটেড নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁকে। ইডি সূত্রে খবর, তাঁকে ফের তলব করা হতে পারে। সোমবার রাহুল গান্ধীর ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিল্লি। পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সত্যাগ্রহ মিছিলের আয়োজন করেছিল কংগ্রেস (Congress)। পুলিশ তাদের পথ আগলায় বলে অভিযোগ। কংগ্রেস ও পুলিশ কর্মীদের বচসার জেরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি রাজধানীতে। প্রসঙ্গত, ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় (National Herald Case) এদিন ইডি (ED) দফতরে হাজির হন রাহুল। পায়ে হেঁটেই তিনি পৌঁছান কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে। 

    রাজনৈতিক ছাড়পত্র ছাড়াই লন্ডন গিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী?

    এদিন বেলা ১২টা নাগাদ ইডি দফতরে হাজির হন রাহুল। ডটেক্স প্রাইভেট লিমিটেড নামে একটি সেল কোম্পানির বিষয়ে রাহুল কিছু জানেন কিনা, তা জানতে চান তদন্তকারীরা। তাঁর কাছ থেকে পাওয়া উত্তরের প্রেক্ষিতেই পরে জেরা করা হবে কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধীকে। এদিন সকাল থেকেই দিল্লির রাজপথে রাহুলের সমর্থনে স্লোগান দিতে শুরু করেন কংগ্রেস কর্মীরা। ঘটনার জেরে কংগ্রেস সদর দফতরের সামনে মোতায়েন করা হয় প্রচুর পুলিশ কর্মী। অশান্তির আঁচ যাতে না লাগে, তাই জোরদার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছিল ইডি দফতরেও। নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল ইডি অফিস। 

    কংগ্রেসের এই সত্যাগ্রহ মিছিলের অনুমতি না থাকায় পুলিশ একাধিক বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে। কংগ্রেস সদর দফতরের বাইরে থেকেই প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে। দিল্লি পুলিশের সঙ্গে কংগ্রেস কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয় বলেও অভিযোগ। পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী বলেন, কংগ্রেস কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবেই আন্দোলন করছিলেন। তাঁরা রাহুল গান্ধীর সমর্থনে জড়ো হয়েছিলেন। অধীরের প্রশ্ন, আমরা কী কোনও বেআইনি কাজ করেছি? এদিকে, রাহুলের ইডি দফতরে হাজিরাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেসের প্রতিবাদ প্রদর্শনকে কংগ্রেসের ‘ভুয়ো সত্যাগ্রহ’ বলে কটাক্ষ করেছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন : কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    এদিন সকাল থেকেই কংগ্রেস কর্মীদের বিক্ষোভের জেরে গোলমিঠি জংশন, তুঘলক রোড জংশন, মৌলানা আজাদ রোড জংশন, ক্ল্যারিজেস জংশন, কিউ পয়েন্ট জংশন, সুনহেরি মসজিদ জংশন, মান সিং রোড জংশনের মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলি বেলা পর্যন্ত এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছিল সাধারণ মানুষকে। গোল ডাকখানা জংশন, প্যাটেল চক, উইন্ডসর প্লেস, তিন মূর্তি চক, পৃথ্বীরাজ রোড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বাস চলাচল।

    ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী ও দলের হাইকমান্ড সোনিয়া গান্ধীকে নোটিস পাঠিয়েছে ইডি। ২ জুন রাহুলকে এবং ৮ জুন সোনিয়াকে ইডি দফতরে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বিদেশে থাকায় ওই দিন হাজিরা দিতে পারেননি রাহুল। সেই কারণেই ১৩ জুন জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় রাহুলকে। কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা অভিষেক মনু সিংভি লেন, এজেন্সি লাগিয়ে কেন্দ্রের প্রতিহিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করবে কংগ্রেস।  

     

  • KS Eshwarappa: দুর্নীতি ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ,ইস্তফা দিলেন কর্নাটকের মন্ত্রী

    KS Eshwarappa: দুর্নীতি ও আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ,ইস্তফা দিলেন কর্নাটকের মন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুর্নীতি এবং আত্মহত্যার ঘটনায় নাম জড়িয়ে যাওয়ায় শেষমেশ পদত্যাগ করলেন কর্নাটকের (Karnataka) মন্ত্রী তথা বিজেপি (BJP) বিধায়ক কে এস ঈশ্বরাপ্পা (KS Eshwarappa)। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্বাইয়ের (Basavaraj Bommai) সঙ্গে দেখা করে তাঁর হাতে পদত্যাগপত্র তুলে দেন তিনি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে আসার আগে নিজের নির্বাচনী কেন্দ্র শিবমোগ্গায় (Shivamogga) সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন,”আবার ফিরে আসব।”

    সন্তোষ পাটিল (Santosh Patil) নামে এক ঠিকাদারকে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে বিপাকে পড়েছিলেন ঈশ্বরাপ্পা। তিনি আর মন্ত্রী থাকবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শুক্রবার সন্ধ্যায় ঈশ্বরাপ্পা নিজের বাড়ি থেকে বেরনোর পরেই সমর্থকরা তাঁকে ঘিরে ধরেন। মন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হচ্ছে, এই দাবি তুলে প্রতিবাদও করেন অনেকে। তাঁদের উদ্দেশে ঈশ্বরাপ্পার বার্তা,”আমি দলের ক্ষতি করতে চাই না। তাই,মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আজই পদত্যাগপত্র জমা দেব। আমি নিশ্চিত, সমস্ত অভিযোগ থেকেই মুক্ত হব আমি। এ রাজ্যের বহু দলীয় কর্মী থেকে শুরু করে নেতা-বিধায়কেরা আমায় সমর্থন করছেন।”

    ঈশ্বরাপ্পার বিরুদ্ধে ৪০ শতাংশ কমিশন (40 per cent commission) চাওয়ার অভিযোগ তুলে কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক প্রিয়ঙ্ক খড়্গে বলেছেন, পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের দুর্নীতি-কাণ্ডে আরও অনেকেই জড়িয়ে রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তির দাবি তুলেছেন প্রিয়ঙ্ক। 

    কর্নাটকের উদুপির একটি লজে বুধবার আত্মহত্যা করেন ৩৭ বছরের সন্তোষ। মৃত্যুর আগে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে তাঁর বন্ধু ও পরিজনকে জানান, তাঁর মৃত্যুর জন্য মন্ত্রী ঈশ্বরাপ্পাই দায়ী। মৃত ঠিকাদারের অভিযোগ, তিনি পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের কাজ করেছিলেন। বিল হয়েছিল চার কোটি টাকা। তার ৪০ শতাংশ কমিশন চেয়েছিলেন ঈশ্বরাপ্পা। তাঁর স্ত্রী ও সন্তানকে সাহায্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পার কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন সন্তোষ। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে সন্তোষের মৃত্যুর পর তাঁর ভাই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন। তাতে প্রথম অভিযুক্তের নাম ঈশ্বরাপ্পা। যদিও প্রাক্তন মন্ত্রীর বক্তব্য, “ওই সুইসাইড নোট মিথ্যে। তার কোনও ভিত্তি নেই। হোয়াটসঅ্যাপকে সুইসাইড নোট হিসাবে ধরা হয় নাকি? অন্য কেউ তো টাইপ করে দিতে পারে।”

     

  • Modi Biden Virtual Meet: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ হবে না, আমেরিকাকে সটান জবাব ভারতের 

    Modi Biden Virtual Meet: রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ হবে না, আমেরিকাকে সটান জবাব ভারতের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে(Russia Ukraine war) ফের একবার ভারসাম্যের নীতি নিল ভারত (India)। আমেরিকাকে স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল, রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ অবিলম্বে বন্ধ হোক চাইলেও, রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধ করবে না নয়াদিল্লি। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় (India-US 2+2 dialogue) একথা সাফ জানিয়ে দিলেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ চলছে দেড় মাসেরও বেশি সময় ধরে। এই যুদ্ধ নিয়ে গোটা বিশ্ব ভাগ হয়ে গিয়েছে দু ভাগে। এক দিকে রয়েছে রাশিয়ার মিত্র দেশগুলি। অন্য দিকে ইউক্রেনের পাশে দাঁড়িয়েছে ন্যাটোভুক্ত (NATO) দেশগুলির পাশাপাশি আমেরিকাও (USA)। যুদ্ধের জন্য রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে (Russian President Vladimir Putin) দায়ী করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন (US President Joe Biden)। 

    ভারত যেন রাশিয়ার কাছ থেকে তেল না কেনে, সে ব্যাপারেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন কর্তাব্যক্তিরা। তবে ভারত যে তাতে বিশেষ কান দেয়নি, তার প্রমাণ মেলে এই কিছু দিন আগেই রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি কেনায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে ভারত যে কোনও একপক্ষ নেবে না, তা প্রথম থেকেই স্পষ্ট করে দিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Narendra Modi) নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকার। প্রত্যাশিতভাবেই আমেরিকার হুমকিও ধর্তব্যের মধ্যেই আনেনি নয়াদিল্লি।

    ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় জয়শঙ্করের পাশাপাশি উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Defence Minister Rajnath Singh)। আর ব্লিঙ্কেন ছাড়া আমেরিকার পক্ষে হাজির ছিলেন প্রতিরক্ষা সচিব লয়েড অস্টিন। জয়শঙ্কর মার্কিন বিদেশ সচিব অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে(Antony Blinken) সাফ জানিয়ে দিয়েছে, ভারত যুদ্ধ চায় না। তবে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনা বন্ধের কথাও আপাতত ভাবা হচ্ছে না। 

    জয়শঙ্কর বলেন, আপনারা যদি রাশিয়া থেকে ভারতের জ্বালানি কেনার বিষয়টি দেখেন, তবে আমি বলব আপনারা ইউরোপের দিকে তাকান। আমরা জ্বালানি কিনি প্রয়োজনের জন্য। তবে আমরা এক মাসে যে পরিমাণ জ্বালানি কিনি, সেই পরিমাণ জ্বালানি ইউরোপ কেনে এক বেলায়। ভারত যে যুদ্ধের বিপক্ষে,তা ফের একবার স্পষ্ট করে দেন বিদেশমন্ত্রী। জয়শঙ্কর বলেন, আমরা যুদ্ধের বিরুদ্ধে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও কূটনৈতিকভাবে সমস্যার সমাধানে বিশ্বাসী আমরা। আমরা হিংসারও বিরুদ্ধে। হিংসা রুখতে যে কোনও পদক্ষেপ করতেও রাজি আমরা।

    ভারত যে রাশিয়া থেকে খুবই কম পরিমাণ জ্বালানি কেনে, গত সপ্তাহে তা জানিয়েছিলেন হোয়াইট হাউসের (White House) প্রেস সেক্রেটারি জেন সাকি। তিনি জানিয়েছিলেন, রাশিয়া যে পরিমাণ জ্বালানি রফতানি করে, তার এক থেকে দু’শতাংশ কেনে ভারত। তবে মস্কোর ওপর চাপ সৃষ্টি করতে রাশিয়া থেকে জ্বালানি কেনায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে বাইডেন সরকার।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রীকে তাঁদের দেশের অবস্থান স্পষ্ট করে দেন ব্লিঙ্কেন। তিনি বলেন, আমরা ইউক্রেনের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমিকতার পক্ষে। সে দেশের মূল্যবোধকেও গুরুত্ব দিই আমরা। দশকের পর দশক ধরে রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের গভীর সম্পর্ক (India Russia friendship) গড়ে উঠেছে। সেই সময় আমেরিকা ভারতের বন্ধু দেশ ছিল না। তবে এখন আমরা ভারতের বন্ধু হতে উৎসাহী।

    চিন ও পাকিস্তানকে চাপে রাখতে আমেরিকার সঙ্গে বন্ধুত্বেও আগ্রহী ভারত। তবে সেজন্য এখনই রাশিয়ার হাত ছাড়তে রাজি নয় সাউথ ব্লক। ভারত-মার্কিন দ্বিপাক্ষিক (India-US bilateral relation) বৈঠকে ঠারে-ঠারে সেই কথাটাই আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন জয়শঙ্কর।

     

  • IPL 2022: আইপিএলে ফিরছে সমাপ্তি অনুষ্ঠান, দরপত্র চাইল বিসিসিআই

    IPL 2022: আইপিএলে ফিরছে সমাপ্তি অনুষ্ঠান, দরপত্র চাইল বিসিসিআই

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: আইপিএল (Tata IPL 2022) প্রেমীদের জন্য খুশির খবর, ফিরছে এই মেগা টুর্নামেন্টের সমাপ্তি অনুষ্ঠান (IPL closing ceremony)। কোভিড সংক্রমণের (Covid-19) কারণে গত দু’বছর আইপিএল-এর উদ্বোধনী ও সমাপ্তি অনুষ্ঠান হয়নি। তবে এবার সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকায় বিসিসিআই (BCCI) এই টুর্নামেন্টের সমাপ্তি অনুষ্ঠান আয়োজনে আগ্রহী। অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে বিসিসিআই।

    আইপিএল ২০২২ (IPL 2022)-এর গ্রুপ পর্বের ম্যাচ হচ্ছে মহারাষ্ট্রে, সেখানে মুম্বই এবং পুনে হোস্ট শহর। কোভিড বিধিনিষেধের (Covid restrictions) কারণে সীমিত সংখ্যক দর্শককে স্টেডিয়ামে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্লে অফ হওয়ার কথা রয়েছে কলকাতায়। আর ফাইনাল হবে আহমেদাবাদে। বর্তমানে প্রতিটি রাজ্যেই করোনা পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেকারণে টুর্নামেন্টের সমাপ্তি অনুষ্ঠান আয়োজনে উদ্যোগী হয়েছে বিসিসিআই।

    সূত্রের খবর, অনুষ্ঠান মঞ্চস্থ করার জন্য স্বনামধন্য ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাগুলির কাছ থেকে দরপত্র আহ্বান করেছে বিসিসিআই। ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত দরপত্র জমা দেওয়া যাবে। আহমেদাবাদের (Ahmedabad) নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে (Narendra Modi stadium) আইপিএলের ফাইনাল (IPL final) হবে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সেখানেই হবে সমাপ্তি অনুষ্ঠান।

     

  • Post Covid syndrom:করোনা সেরে গেলও ক্লান্তি, দূর করতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

    Post Covid syndrom:করোনা সেরে গেলও ক্লান্তি, দূর করতে মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্লান্তি শব্দটি সকলের কাছেই আলাদা। অর্থাৎ, অনেকেই মনে করেন ক্লান্তি মানে পেশী দুর্বল হয়ে যাওয়া। আবার অনেকের ক্ষেত্রেই ক্লান্তি অর্থাৎ মানসিক চাপ, কিংবা কোনও একধরনের অস্বস্তি। অনেক সময় বহুদিন নড়াচড়া না করলেও শরীরে ক্লান্তি অনুভূত হয়।  যে কোনও ভাইরাল ইনফেকশনের পর ক্লান্ত লাগা খুবই সাধারণ সমস্যা। আর করোনা পরবর্তী সময়ে (Post covid syndrom)প্রায় সকলেই ক্লান্তি অনুভব করেছেন। ভাইরাসের বিরুদ্ধে যখন দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (immunity) লড়াই করতে থাকে, তখন থেকেই শরীরে ক্লান্তি দেখা দেয়। শরীরে ভাইরাসের প্রভাব কমে গেলে বেশি দুর্বল লাগে। প্যান্ডামিকের (pandemic)শুরু থেকেই মানুষ ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছেন এই বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই। কম করে ৮৫% মানুষ ক্লান্তির সমস্যায় ভুগছেন। এটি কিন্তু দীর্ঘ দিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। তবে সুস্থ হয়ে যাওয়ার পরে দীর্ঘদিন ক্লান্তিভাব থাকলে তা চিন্তা বাড়িয়ে তোলে। মনে হতেই পারে, হাজার বিশ্রাম নিয়েও শরীর ভাল হচ্ছে না তাহলে করণীয়। মেনে চলুন কয়েকটি নিয়ম। সেরে উঠবেন সহজেই। 

    বেশি করে জলপান করুন
    করোনায় শরীর শুকিয়ে যায়। তাই বেশি করে জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। দিনে অন্তত ৩-৪ লিটার জল পান করুন। সঙ্গে ফলের রস, দইয়ের ঘোল জাতীয় পানীয়ও গ্রহণ করতে পারেন। খেয়াল রাখতে হবে যাতে শরীর হাইড্রেটেড থাকে। 

    প্রোটিন জাতীয় খাবার খান
    ক্লান্তি দূর করতে প্রোটিন (protin) জাতীয় খাবার কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা। আপনার খাদ্য তালিকায় উদ্ভিজ ও প্রাণীজ, দু’ ধরনের প্রোটিনই রাখুন। প্রাতঃরাশের সময় ডিম খান। মাছ, কিংবা মাংস খান একবেলা। লাঞ্চ ও ডিনারে ১ বাটি করে ডাল খেতে পারেন। সঙ্গে সয়াবিন, পনির, দুধ থাকুক খাদ্যতালিকায়। 

    নিয়মিত ফল খান
    ভিটামিন সি-যুক্ত ফল লেবু, আপেল, কলা, বাদাম  প্রতিদিন খান। মরসুমি ফল খুবই উপকারী। ফল শরীরের রোগ প্রতিরোধ-ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে।

    বিশ্রাম নিন
    করোনা নেগেটিভ মানেই আপনি পুরোপুরি সুস্থ এমনটা কিন্তু একেবারেই নয়। বরং, সেরে উঠতে অনেকেরই মাসখানেক লেগে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে যতটা সম্ভব বিশ্রাম নিন। পারলে বাড়ি থেকে কাজ করুন। নিজের যত্ন নিন। এই সময় খুব বেশি শরীরচর্চা না করাই ভালো।  হালকা যোগাসন (yoga), ব্রিদিং এক্সারসাইজ করতে পারেন।  ঘুমের দিকে অবশ্যই নজর দেওয়া দরকার। একেবারে ক্লান্ত লাগলে ঘুম নিয়ে কার্পণ্য করবেন না। পর্যাপ্ত ঘুম না হলে সমস্যা বাড়তে পারে। তবে আবার দীর্ঘদিন নিজেকে অসুস্থ ভেবে ভয় পাবেন না। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফেরার চেষ্টা করুন। নিজের গতিশীলতা বাড়ান। অল্প অল্প করে বাইরে যান। সকলের সঙ্গে মিশুন। দ্রুত সরে উঠবেন। 

    মন ভালো রাখুন
    অনেকেই করোনা থেকে সেরে উঠে অবসাদে ভুগছেন। আসলে অনেকের মনে করোনা নিয়ে একটা নিরাপত্তাহীনতা কাজ করছে।  তাই এসময়ে মন ভালো রাখার পরামর্শ দিয়ে থাকেন চিকিৎসকরা। গান শোনা, বই পড়া, সিনেমা দেখা যা ভাল লাগে করুন।

  • Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    Jahangirpuri violence: “৭০ বছরের তোষণের ফল”, দিল্লি হিংসা নিয়ে কংগ্রেসকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হনুমান জয়ন্তীর দিন উত্তর-পশ্চিম দিল্লিতে ঘটে যাওয়া হিংসার ঘটনায় কংগ্রেস জমানার তোষণের নীতিকেই মূল কারণ হিসেবে ব্যাখ্যা করল বিজেপি। দলের জাতীয় মুখপাত্র সম্বিত পাত্র জানিয়েছেন, এই ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে গত ৭০ বছরের তোষণের নীতি। 

    জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘর্ষের ঘটনায় কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধি সহ ১৩টি বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দের পক্ষ থেকে দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসার ঘটনার নিন্দা করে একটি যৌথ বিবৃতি পেশ করা হয়। এর প্রতিক্রিয়ায়, কংগ্রেস সহ বিরোধীদের একহাত নেয় বিজেপি। দলের মুখপাত্র সম্বিত পাত্র স্পষ্ট জানান, বিরোধীদের এই ‘পক্ষপাত রাজনীতি’ দেশের ক্ষতি করে চলেছে। তাঁর মতে, এই ঘটনার তদন্ত হচ্ছে এবং তাতে কী বের হচ্ছে, তার জন্য অপেক্ষা করা উচিত। 

    একইসঙ্গে, যৌথ বিবৃতি পেশ করার জন্য কংগ্রেস সহ বিরোধীদের তীব্র সমালোচনা করেন সম্বিত। বলেন, কয়েকজন রাজনৈতিক নেতানেত্রীর এহেন পক্ষপাতমূলক রাজনীতি দেশের জন্য উপযুক্ত নয়। এতে দেশের আখেরে ক্ষতিই হচ্ছে। সম্বিতের প্রশ্ন, আজ সোনিয়া গান্ধি মতাদর্শের কথা বলছেন। প্রশ্ন হল, কোন মতাদর্শ আজকের এই ঘটনার জন্য দায়ী? বিজেপি মুখপাত্র বলেন, এর জন্য দায়ী একটাই মতাদর্শ যা, গত ৭০ বছর ধরে চলে আসছে। তা হল, তোষণের মতাদর্শ। তোষণের এই নীতি ও রাজনীতি ভীষণই দুর্ভাগ্যজনক।

    আবার দিল্লি বিজেপির সভাপতি আদেশ গুপ্তর মতে, অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী এবং রোহিঙ্গারাই জাহাঙ্গীরপুরির হিংসার জন্য দায়ী। এই নেতার অভিযোগ, আম আদমি পার্টি এদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, জল, রেশন দেওয়া থেকে শুরু করে রাজনৈতিক সুরক্ষাও প্রদান করছে। যদিও এই অভিযোগ পুরোপুরি খণ্ডন করেছে আম আদমি পার্টি।

    এদিকে, জাহাঙ্গিরপুরীর সংঘাত কড়া হাতে দমনের নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দিল্লির পুলিশ কমিশনার রাকেশ আস্থানা আশ্বাস দেন, কোনও রকম প্রভাব খাটানোর প্রশ্নই নেই। একেবারে নিরপেক্ষ তদন্ত হচ্ছে। ১৪টি টিম ঘটনার তদন্ত করছে। তিনি জানিয়েছেন, জাহাঙ্গিরপুরীতে হনুমান জয়ন্তীর দিন যাঁরা অশান্তি পাকিয়েছে তাঁদের খুঁজে বের করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। কোনও রকম রেয়াত করা হবে না।

     

  • Hyderabad Honour Killing: ভিনধর্মের যুবতীকে বিয়ে, প্রাণ গেল দলিত যুবকের, ধৃত স্ত্রীর ভাই সহ ২

    Hyderabad Honour Killing: ভিনধর্মের যুবতীকে বিয়ে, প্রাণ গেল দলিত যুবকের, ধৃত স্ত্রীর ভাই সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে খুন হতে হল এক হিন্দু যুবককে! ‘অনার কিলিং’য়ের শিকার হলেন তেলেঙ্গানার সারুরনগর এলাকার যুবক বিল্লাপুরাম নাগরাজু। ওই ঘটনায় তরুণীর কয়েকজন আত্মীয়কে আটক করেছে পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।

    এলাকার একটি গাড়ির দোকানে সেলসম্যানের কাজ করতেন নাগরাজু। ভিন ধর্মের এক কিশোরীর ভালবাসার সুতোয় বাঁধা পড়েছিলেন সেই স্কুল জীবনে। চলতি বছর জানুয়ারিতে দুই পরিবারের অমতেই বিয়ে করেন বান্ধবী আসরিন সুলতানাকে। ভিন ধর্মে বিয়ে করায় পরিবারের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে পালিয়ে যান তাঁরা। সম্প্রতি ফিরে এসে কাজে যোগ দিয়েছিলেন নাগরাজু। বুধবার রাত ন’টা নাগাদ বাইকে করে এসে প্রথমে মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করার পর ধারাল অস্ত্র দিয়ে নৃশংসভাবে কুপিয়ে খুন করে এক ব্যক্তি। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। জানা যায়, পরিবারের সম্মান রক্ষার্থে নাগরাজুকে খুন করে সুলতানার ভাই।

    এমনটা যে ঘটতে পারে, তা বোধহয় আঁচ করতে পেরেছিলেন সুলতানা। তাই বিয়ের পরে নিজের নাম বদলে করে নেন পল্লবী। এলাকার একটি মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেন দু’জনে। পরে এলাকা ছেড়ে পালান। ফিরে আসেন সম্প্রতি। তাতেও শেষ রক্ষা না হওয়ায় আফশোস করছেন সুলতানা ওরফে পল্লবী। পরিবারের সম্মান রক্ষার্থেই এই খুন বলে দাবি নাগরাজুর এক আত্মীয়ের। তিনি বলেন, স্কুল জীবন থেকে ওদের পরিচয়। ভিন ধর্মে বিয়ে করেছিল ওরা। তাই নাগরাজুকে মেরে ফেলেছে মেয়েটির পরিবার।

    ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ করেছে তেলেঙ্গানার বিজেপি নেতৃত্ব। স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক রানা সিংয়ের প্রশ্ন, কেবল পরিবারই এই ঘটনায় যুক্ত ছিল? নাকি এই ঘটনায় কোনও ধর্মীয় গোষ্ঠীর উস্কানি ছিল? ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত দাবি করেছেন তিনি। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা বলেন, যদি কোনও মুসলিম খুন হতেন, তাহলে তৃণমূল সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রপুঞ্জে পৌঁছে যেত। এখন একজন হিন্দু খুন হয়েছেন বলে সবাই চুপ।

    অনার কিলিংয়ের নামে আর কত প্রাণ হবে বলিদান? উঠছে প্রশ্ন। বছরখানেক আগে লাভ জেহাদ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের করা একটি মন্তব্য এ প্রসঙ্গে প্রণিধানযোগ্য, নিজের সঙ্গী পছন্দ করার অধিকার রয়েছে কোনও পুরুষ বা মহিলার। আর সেটা মেনে নিতে হবে সমাজকে।

        

  • Atal Bihari Vajpayee Biopic: এবার বড় পর্দায় তৈরি হবে অটল বিহারী বাজপেয়ীর বায়োপিক

    Atal Bihari Vajpayee Biopic: এবার বড় পর্দায় তৈরি হবে অটল বিহারী বাজপেয়ীর বায়োপিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারে বলিউডে (Bollywood) তৈরি করা হবে ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর (Atal Bihari Vajpayee) বায়োপিক অর্থাৎ অটল বিহারী বাজপেয়ীর জীবনীর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হচ্ছে সিনেমা। সিনেমাটির নাম ‘ম্যায় রহু য়া না রহু, ইয়ে দেশ রহেনা চাহিয়ে-অটল’ (‘Main Rahoon Ya Na Rahoon, Yeh Desh Rehna Chahiye – ATAL’ )।

    এতদিন পর্যন্ত ক্রীড়া জগতের খেলোয়াড়, অভিনেতা,  এমনকী দেশের বহু রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নিয়ে বায়োপিক তৈরি করা হয়েছে। কিন্তু এবারের বায়োপিক নিয়ে সাধারণ মানষের মধ্যে এক বিশেষ উন্মাদনা দেখা যাচ্ছে। কারণ এবার ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর জীবনের কাহিনি বায়োপিকের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে বড়পর্দায়।

    আরও পড়ুন: শেষে হলিউড সিনেমার পোস্টার ‘চুরি’র দায়ে শাহরুখ খানের ‘পাঠান’?

    বিনোদ ভানুশালী (Vinod Bhanushali), সন্দীপ সিং (Sandeep Singh),  স্যাম খান (Sam Khan), কমলেশ ভানুশালী (Kamlesh Bhanushali) ও বিশাল গুরনানি ( Vishal Gurnani) মিলিতভাবে ছবিটির প্রযোজনার দায়িত্বে রয়েছেন। তবে ছবিতে অটল বিহারি বাজপেয়ীর ভূমিকায় কে অভিনয় করবেন কিংবা পরিচালক কে হবেন তা এখন পর্যন্ত জানা যায়নি।

    প্রযোজক সন্দীপ সিং ইন্সটাগ্রামে একটি পোস্টার শেয়ার করে ঘোষণা করেন এই সিনেমার। সন্দীপ সিং লেখেন, ‘অটল বিহারী বাজপেয়ী ভারতের ইতিহাসের অন্যতম সেরা নেতা যিনি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে শত্রুদের মনও জয় করে নিয়েছিলেন ও যিনি দেশকে ইতিবাচকভাবে নেতৃত্ব দিয়ে প্রগতিশীল ভারতের এক মানচিত্র তৈরি করেছিলেন।’  এর পাশাপাশি তিনি আরও লেখেন, কোনো অজানা গল্প বলার সবচেয়ে ভালো মাধ্যম হল সিনেমা। এই ছবিতে শুধুমাত্র রাজনীতিককে তুলে ধরা হবে না, সাহিত্যপ্রেমী প্রধানমন্ত্রীকেও ফুটিয়ে তোলা হবে ছবিতে।

    আরও পড়ুন: মা হতে চলেছেন আলিয়া! নিজেই সোশ্যাল মিডিয়ায় দিলেন সুখবর..

    প্রসঙ্গত, বিখ্যাত লেখক উল্লেখ এনপি (Ullekh N P) লেখা বই ‘আনটোল্ড বাজপেয়ী: পলিটিশিয়ান অ্যান্ড প‍্যারাডক্স’ (‘The Untold Vajpayee: Politician and Paradox’) থেকেই সিনেমাটি লেখা হয়েছে। জানা গেছে, আগামী বছরের প্রথম দিকে শুটিং শুরু হবে সিনেমাটির। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর ৯৯ তম জন্মবার্ষিকীতে ছবিটি মুক্তি পাবে বড়পর্দায়। ২০২৩-এর ক্রিসমাসের সময় মুক্তি পাবে ‘অটল’।

  • UGC NET 2022 Date:  ইজিসি নেট পরীক্ষার দিন ঘোষণা এনটিএ-র, জেনে নিন তারিখ

    UGC NET 2022 Date: ইজিসি নেট পরীক্ষার দিন ঘোষণা এনটিএ-র, জেনে নিন তারিখ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইউজিসি নেট (UGC NET 2022) ডিসেম্বর ২০২১ ও জুন ২০২২-র পরীক্ষার দিন ঘোষণা করা হল। ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি থেকে ঘোষণা করা হয়েছে, ডিসেম্বর ২০২১ ও জুন ২০২২-র পরীক্ষা জুলাই মাসের ৮, ৯, ১১ ও ১২ তারিখ ও অগাস্ট মাসের ১২, ১৩ ও ১৪ তারিখ নেওয়া হবে। করোনাভাইরাস (Coronavirus) পরিস্থিতিতে এবার ২০২১ সালের ডিসেম্বরের সেশন এবং ২০২২ সালের জুনের সেশনের পরীক্ষা একসঙ্গে হচ্ছে। এদিন এই বিষয়টি নিজের অফিসিয়াল ট্যুইটার হ্যান্ডেলে ট্যুইট করে জানিয়েছেন ইউজিসি (UGC) -র চেয়ারম্যান। 

    [tw]


    [/tw]

    আরও পড়ুন: আজই প্রকাশিত হবে জয়েন্ট এন্ট্রান্স মেনের অ্যাডিমিট, কখন জানাল এনটিএ

    পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার দিন দেখে নিতে পারবে  www.nta.ac.in – এ। এছাড়াও ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি (NTA) থেকে বিস্তারিত তারিখ শীঘ্রই আপলোড করা হবে www.nta.ac.in – এ। ইতিমধ্যেই পরীক্ষার্থীদের ফর্মের ভুল সংশোধনের জন্য এনটিএ সময় দিয়েছে। ২০২২-এর ৩১ মে থেকে জুন ১, ২০২২ পর্যন্ত পরীক্ষার্থীরা সময় পাবেন। এনটিএ থেকে বলা হয়েছে, পরীক্ষা সংক্রান্ত নতুন আপডেটের জন্য প্রায় প্রতিদিনই এনটিএ -এর ওয়েবসাইটটি দেখতে । এছাড়াও পরীক্ষার্থীদের কোনো জিজ্ঞাস্য থাকলে বা কোনো কিছু জানতে এনটিএ হেল্প ডেস্ক ০১১৪০৭৫৯০০০ নম্বরে ফোন করার কথাও জানানো হয়েছে।

    সাধারণত বছরে দু’বার ইউজিসি নেট (UGC NET)  পরীক্ষা হয়। কিন্তু করোনাভাইরাসের জন্য ২০২১ সালের ডিসেম্বরের নেট পরীক্ষা হয়নি ও ২০২২ সালের জুন মাসের পরীক্ষাও পিছিয়ে যায়। তাই নেট পরীক্ষা আবারও বছরের ঠিক সময় মত করার জন্য এবারে দুই সেশনের পরীক্ষা একসঙ্গে হতে চলেছে।

    আরও পড়ুন:নেট পরীক্ষায় আবেদনের সময়সীমা বাড়াল ইউজিসি

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালের ৩০ মে নেট পরীক্ষার আবেদনপত্র দাখিল করার শেষ দিন ছিল। খুব শীঘ্রই পরীক্ষার অ্যাডমিট কার্ড বা হলটিকিট দেওয়া হবে। তাই পরীক্ষার্থীদের এনটিএ-এর ওয়েবসাইটে বিশেষ নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

     

  • Dhanush Paternity Case: দম্পতির দায়ের করা পিতৃত্ব মামলায় অভিনেতা ধনুষকে তলব মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    Dhanush Paternity Case: দম্পতির দায়ের করা পিতৃত্ব মামলায় অভিনেতা ধনুষকে তলব মাদ্রাজ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণী তারকা ধনুষকে (Dhanush) তলব করল মাদ্রাজ হাইকোর্ট (Madras High Court)। কয়েকবছর আগে এক দম্পতি অভিনেতাকে তাদের ঔরসজাত তৃতীয় সন্তান বলে দাবি করার পরেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন অভিনেতা। সেই সংক্রান্ত মামলাতেই এই দক্ষিণী সুপারস্টারকে তলব করল হাইকোর্ট। 

    ২০১৬ সালে কাথিরেসান এবং মীনাক্ষি নামের এক প্রবীণ দম্পতি,তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) মাদুরাই জেলার মেলুরে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিনেতাকে তাঁদের ছেলে দাবি করে একটি পিটিশন দাখিল করেন। তারপরেই শুরু হয় মামলাটি। 

    দম্পতি অভিযোগ করেন যে, তাদের তৃতীয় পুত্র সন্তান ধনুষ কম বয়সেই অভিনেতা হওয়ার স্বপ্ন চোখে নিয়ে চেন্নাইয়ে পাড়ি দেওয়ার জন্যেই ঘর ছেড়েছিলেন। মেলুর আদালতে ধনুষকে নিজেদের ছেলে বলে দাবি করেন দম্পতি এবং আর্থিক পরিস্থিতি খারাপ হওয়ার কারণে অভিনেতার থেকে ভরণপোষণের জন্যে মাসে ৬৫ হাজার টাকা দাবি করেন।  

    দম্পতির দাবি, স্কুলে পড়াকালীনই ঘর ছাড়েন ধনুষ। তারপর অভিনেতাকে সিনেমায় দেখে চিনতে পারেন তারা। চেন্নাইয়ে গিয়ে দেখা করতে চাইলেও দেখা করতে পারেননি ওই দম্পতি। ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে মাদ্রাজ হাইকোর্ট দম্পতির আবেদন খারিজ করে দেয়। ধনুষ মামলাটি জিতে যান। ২০২০ সালে আগের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে আরও একটি মামলা করেন নিজেকে ধনুষের জন্মদাতা বলে দাবি করা প্রৌঢ় কাথিরেসান।

    মাদুরাই আদালত আবেদন খারিজ করলে মামলাটি মাদ্রাজ হাইকোর্টে যাওয়ার পর নোটিশ জারি করা হয়। আদালতের তরফে এই পিতৃত্ব (Paternity Case) বিতর্কে একটি ডিএনএ পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তবে, ধনুষ এবং তাঁর আইনজীবীরা তাতে সম্মত হননি।  

    শনাক্তকরণ চিহ্নের জন্য একটি মেডিকেল পরীক্ষা করেছিলেন ধনুষ। রিপোর্ট অভিনেতার পক্ষেই আসে। রিপোর্টের বিরোধিতা করে, দম্পতি আরও দাবি করেন যে, তাঁর বাবা-মায়ের দ্বারা দাখিল করা নথি, যেমন জন্ম ও স্থানান্তর শংসাপত্র এবং শনাক্তকরণ চিহ্নগুলি জাল।  এর পাল্টা দাবি করে ধনুষ জানান, এই সব অভিযোগই ভুয়ো। তিনি বলেন, তামিল চলচ্চিত্র নির্মাতা কস্তুরি রাজা এবং তাঁর স্ত্রী বিজয়লক্ষ্মীর ঘরেই জন্মগ্রহণ করেছেন তিনি।

     

LinkedIn
Share