Blog

  • India on High Alert: আল-কায়দার হুমকির জের, দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি গোয়েন্দা সংস্থার

    India on High Alert: আল-কায়দার হুমকির জের, দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট জারি গোয়েন্দা সংস্থার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন বিজেপি (BJP) নেত্রী নূপুর শর্মার (Nupur Sharma) হজরত মহম্মদকে (Prophet) নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে ইতিমধ্যেই ইসলামিক দেশগুলির রোষানলে পড়তে হয়েছে ভারতকে। তারমধ্যেই ভারতের বিভিন্ন শহরে আত্মঘাতী হামলার (Suicide Attack) হুমকি দিয়েছে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন আল-কায়দা (Al-Qaeda)। তার জেরে দেশজুড়ে হাই অ্যালার্ট (High Alert) জারি করল দেশের গোয়েন্দা সংস্থাগুলি। 

    সম্প্রতি হজরত মহম্মদ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন বিজেপি নেত্রী নূপুর শর্মা। বিষয়টি নিজের হ্যান্ডেলে ট্যুইট করেন আরেক বিজেপি নেতা নবীন জিন্দাল (Naveen Jindal)। বিতর্ক দানা বাঁধতেই নূপুরকে সাসপেন্ড এবং নবীনকে বহিষ্কার করে গেরুয়া শিবির। 

    আরও পড়ুন: এবার বাংলাদেশকেও হুমকি চিঠি আল কায়দার!

    এই ঘটনার ‘বদলা’ নিতেই ভারতের কিছু শহরের নাম উল্লেখ করে নাশকতার হুমকি দেয় আল-কায়দার শাখা সংগঠন আল কায়দা ইন ইন্ডিয়াবন সাব-কন্টিনেন্ট (AQIS)। ৬ জুন একটি হুমকি চিঠিতে আল-কায়দা জানায়, “নবী মহম্মদের সম্মানের জন্য এই লড়াই। দিল্লি, মুম্বাই, উত্তরপ্রদেশ এবং গুজরাতের বিভিন্ন শহরে আত্মঘাতী হামলা চালানো হবে। নিজেদের এবং শিশুদের শরীরে বিস্ফোরক বেঁধে পাঠাব। যারা আমাদের নবীকে অবমাননা করেছে তাদের নিস্তার নেই।”

    আরও পড়ুন: পয়গম্বরকে অবমাননার ‘বদলা’! ভারতে নাশকতার হুমকি-চিঠি আল-কায়দার

    আল-কায়দার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে আপলোড করা ওই চিঠিতে আরও লেখা হয়, “বিশ্বের সমস্ত উদ্ধত হিন্দুবাদী সন্ত্রাসী যারা ভারতকে কব্জা করে রেখেছে তাঁদের বিরুদ্ধে লড়ব। নবীর সম্মানের জন্য সকলকে এই লড়াইয়ে যোগ দিতে বলব। নবীর সম্মানে মৃত্যুবরণ করতে বলব। যাঁরা আমাদের প্রিয় নবীকে অসম্মান করেছে তাঁদের হত্যা করব।” 

    এই প্রথমবার কোন কোন শহরে হামলা চালাবে তা নির্দিষ্ট করল আল-কায়দা। গোয়েন্দাদের বক্তব্য, “আল-কায়দার অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে এই চিঠি। তাই এই চিঠিকে খুব হাল্কাভাবে নেওয়া ঠিক হবে না। যে শহরগুলির নাম নেওয়া হয়েছে সেখানে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।” 

    একই দিনে বাংলাদেশকেও একইরকম হুমকি দিয়েছে আল-কায়দা। নিষিদ্ধ জঙ্গিগোষ্ঠী আল কায়দার শাখা সংগঠন আকিস হুমকি দেয় শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) দেশকে। বাংলাদেশে ৭ ‘নির্দোষ’ ব্যক্তিকে কেন মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জঙ্গি সংগঠন। বাংলাদেশ সরকার হিন্দুত্বের এজেন্টের মতো আচরণ করছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে আল কায়দার তরফে। ঈশ্বর নিন্দা (Blasphemy) করায় ২০১৪ ও তার পরের বছর হত্যা করা হয় লিজিয়ন ও বিজয়কে। বাংলাদেশ সরকার হত্যাকারীদের ফাঁসি দেয়। সেই কারণেই আকিস হুমকি চিঠি দিয়েছে হাসিনার সরকারকে।

    গোয়েন্দা সূত্রে খবর, ওয়েবসাইটের লোকেশন ট্র্যাক করার চেষ্ঠা চলছে। আফ্রিকা, ইরান, আফগানিস্তান যেকোনও জায়গায় বসে লেখা হতে পারে এই হুমকির চিঠি। এখনই কিছু নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। পাকিস্তানকেও সন্দেহের বাইরে রাখছে না বলে জানিয়েছে গোয়ান্দা সংস্থা। গোয়েন্দা সংস্থা আরও জানায় যে, এটা কোনও ‘লোন-উলফ’ আক্রমণও হতে পারে। সংগঠনটির আপাতত কোনও স্থায়ী অর্থ সাহায্য নেই। এই সংগঠনের কোনও সমর্থক এই কাজ করে থাকতে পারে। 

     

     

  • Mohan Bhagwat: দেশের জন্য অনেক বলিদান দিয়েছে আরএসএস, হায়দরাবাদে মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: দেশের জন্য অনেক বলিদান দিয়েছে আরএসএস, হায়দরাবাদে মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের জন্য অনেক বলিদান দিয়েছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ। তেলঙ্গানার রাজধানী হায়দরাবাদে (Hyderabad) সংগঠনের নয়া ভবনের উদ্বোধনে এসে এমনই দাবি করলেন আরএসএস (RSS) প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। এর পাশাপাশি তাঁর দাবি, সত্যকে কোনওদিনই চেপে রাখা যায় না। তা একদিন না একদিন নিজের পথ করে নেবে।

    ভাগবতের মতে, আরএসএস কর্মীদের আত্মত্যাগের কারণেই আড়েবহরে বেড়েছে আরএসএস। তিনি বলেন, আরএসএস কর্মীরা অনেক আত্মত্যাগ করেছেন। আর তা করতে পেরেছেন বলেই মজবুত হয়েছে সংগঠন। বিরোধীদের উদ্দেশে ভাগবত বলেন, কিছু মানুষ আছেন যাঁরা মনে করেন তাঁরাই একমাত্র সঠিক। আর বাকিরা ভুল। আর যখনই তাঁদের বিরোধিতা করা হয়, তাঁরা চেষ্টা করেন ন্যায় ও সত্যকে চেপে রাখতে। তিনি মনে করিয়ে দেন, হিংসা দিয়ে সত্যকে চেপে রাখা যায় না।

    আরও পড়ুন : হিন্দু-মুসলিম সম্পর্কে ভাগবতের মন্তব্য সংগঠনের বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ, জানাল আরএসএস

    তেলঙ্গনায় দলীয় কর্মীদের সাফল্যেও তিনি যে অভিভূত, তাও দেরাজ গলায় প্রবীণ এই আরএসএস নেতা। তিনি বলেন, অনেক লড়াইয়ের শেষে এই সাফল্য পেয়েছেন এখানকার যুব নেতারা। তিনি বলেন, আমি তেলঙ্গানায় এবিভিপি ক্যাডারদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখি। আমি দেখেছি কীভাবে তারা প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়েছে। আজ এই ভবনের উদ্বোধন বুঝিয়ে দিচ্ছে আন্দোলন কতটা ইতিবাচক হয়ে উঠেছে।

    সংগঠন বাড়ায় যে বিপদ হতে পারে সে ব্যাপারে সংগঠনের ছাত্র ও কর্মীদের সতর্ক করে দেন আরএসএস প্রধান। বলেন, এই সময় সতর্ক না হলে সমস্যা হতে পারে। আরএসএসের জনপ্রিয়তা এখন বাড়ছে। জনপ্রিয়তা নিজেই ভবিষ্যতে পথ আটকে দিতে পারে। সংঘপ্রধান মনে করিয়ে দেন, আমাদের কাছে সাফল্য কোনও গন্তব্য নয়, এটি হল যাত্রা।

    আরও পড়ুন : সব মসজিদে শিবলিঙ্গ খোঁজার এত হিড়িক কীসের? সমালোচনা মোহন ভাগবতের

    হিন্দুত্ববাদীদের অতিসক্রিয়তা যে তিনি ভালো চোখে দেখছেন না, দিন কয়েক আগে তা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন ভাগবত। তিনি বলেছিলেন, সমস্ত মসজিদে শিবলিঙ্গ খোঁজার প্রয়োজন কী? জ্ঞানবাপী নিয়ে আমাদের আলাদা ভক্তি থাকতেই পারে, তাই বলে সমস্ত মসজিদে শিবলিঙ্গের অস্তিত্ব খুঁজতে বেরনো অনুচিত।

     

  • Jammu and Kashmir polls: ভূস্বর্গে নির্বাচনের ঘণ্টা, বাদ সাধতে পারে চিল্লাই কলন!

    Jammu and Kashmir polls: ভূস্বর্গে নির্বাচনের ঘণ্টা, বাদ সাধতে পারে চিল্লাই কলন!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে বাজতে চলেছে নির্বাচনের (Election) ঘণ্টা? অন্তত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইয়ের (Nityanand Rai) বক্তব্যে এমনই ইঙ্গিত মিলল। সংসদে এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) ভোটের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)।

    চলতি বছরের নভেম্বর-ডিসেম্বর নাগাদ নির্বাচন হওয়ার কথা গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন জম্মু-কাশ্মীরেও ভোট করানোর পক্ষপাতী বলে সূত্রের খবর। ২০১৯ সালের ৫ আগস্ট কাশ্মীর থেকে রদ হয় ৩৭০ ধারা। এর পাশাপাশি রাজ্যটিকে দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়। সরকারি সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই ভূস্বর্গে বিধানসভা নির্বাচনের জন্য কমিশনকে সবুজ সংকেত দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই উপত্যকায় সীমানা পুনর্বিন্যাসের কাজ শেষ করেছে। আগে এই রাজ্যের বিধানসভা আসন ছিল ১০৭টি। সীমানা পুনর্বিন্যাসের জেরে আসন সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১১৪টি। এবার কাশ্মীরি পণ্ডিতদের জন্য দুটি আসন সংরক্ষিত থাকবে। তফশিলি জাতি উপজাতিদের জন্যও এবার নটি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন : গুজরাট, হিমাচল প্রদেশের সঙ্গেই নভেম্বরে ভোট হবে জম্মু-কাশ্মীরেও?

    এদিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানান, নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই ভোট করানোর ব্যাপারে পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে। শুরু হয়েছে ভোটার তালিকায় নাম তোলার কাজও। কিছুদিন আগে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহও জানিয়েছিলেন, জম্মু-কাশ্মীরে ভোট হতে পারে চলতি বছরের শেষের দিকে।তিনি বলেন, চলতি বছরের শেষের দিকে উপত্যকায় নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

    আরও পড়ুন : জম্মু-কাশ্মীরে জামাত অনুমোদিত স্কুল বন্ধ করল সরকার, কেন জানেন?

    সরকারের তরফে চলতি বছরের শেষের দিকে ভোট হওয়ার কথা বলা হলেও, তা সম্ভব নয় বলেই মনে করে নির্বাচন কমিশনের একাংশ। তাদের মতে, জম্মু-কাশ্মীরে শুরু হয়েছে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ। সংশোধিত তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরেই ভোট ঘোষণা করা হয়। তবে ওই সময় জম্মু-কাশ্মীরে প্রবল ঠান্ডার কাল। ঠান্ডার এই পর্ব চলতে থাকে ৪০ দিন। স্থানীয় ভাষায় একে বলা হয় চিল্লাই কলন। তাই ঠান্ডার এই পর্ব শেষ না হলে ভূস্বর্গে ভোট করানো সম্ভব নয় বলেই মনে করেন নির্বাচন কমিশনের ওই আধিকারিকরা। তবে তীব্র ঠান্ডার ওই পর্ব শেষ হলে নতুন বছরের গোড়ার দিকে ভোট করানো হতে পারে বলেই মনে করেন তাঁরা।

     

  • Aryan Khan: “আমার কি এসব প্রাপ্য ছিল?” মাদককাণ্ডে নিরবতা ভাঙলেন আরিয়ান খান

    Aryan Khan: “আমার কি এসব প্রাপ্য ছিল?” মাদককাণ্ডে নিরবতা ভাঙলেন আরিয়ান খান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গতবছর অক্টোবর মাসের শুরুর দিকে মাদককাণ্ডে (Drug case) জড়িত থাকার অপরাধে গ্রেফতার হয়েছিলেন শাহরুখপুত্র আরিয়ান খান (Aryan Khan)। একমাসের হাজতবাসের পর অক্টোবরের শেষে জামিন পান আরিয়ান। তারকা সন্তানের বিরুদ্ধে মাদক সেবন, মাদক পাচারের মতো একাধিক অভিযোগ এনেছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB)। গ্রেফতারি অভিযানের হোতা ছিলেন তৎকালীন এনসিবি আধিকারিক সমীর ওয়াংখেড়ে (Sameer Wankhede)। গোটা দেশ ফুঁসে উঠেছিল খান পরিবারের বিরুদ্ধে। এই অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে এনডিপিএস অ্যাক্ট (Narcotic Drugs and Psychotropic Substances Act) ১৯৮৫ অনুসারে, ছমাস থেকে কুড়ি বছরের সাজা হতে পারত আরিয়ানের। এরপর চলতি বছরের ২৮ মে কোনও উপযুক্ত তথ্য প্রমাণের অভাবে আরিয়ান খানকে ক্লিনচিট দেয় নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। প্রাক্তন এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে তদন্তে গাফিলতির অভিযোগও ওঠে।

    আরও পড়ুন: তদন্তে গাফিলতির মাশুল! বদলি সমীর ওয়াংখেড়ে, কোথায় পাঠানো হল জানেন?

    বিতর্কের সূত্রপাত থেকে এযাবৎ পুরো বিষয়টিতে মুখে কুলুপ এঁটে ছিলেন আরিয়ান। এবার নিরবাতা ভাঙলেন। প্রশ্ন করলেন, “আমার কি এসব প্রাপ্য ছিল?” এক জাতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আরিয়ানের সঙ্গে নিজের কথোপকথন তুলে ধরেন এনসিবি কর্তা সঞ্জয় সিং। এনসিবি কর্তাকে শাহরুখজাদার প্রশ্ন, “স্যার আপনারা আমাকে একজন আন্তর্জাতিক মাদক পাচারকারী বানিয়ে দিলেন! আমি মাদক ব্যবসায় টাকা  জোগাই? ওরা আমার কাছে কোনও মাদক পায়নি, তাও আমাকে গ্রেফতার করে। বিষয়টা অদ্ভুত না? আপনারা আমার সঙ্গে অত্যন্ত  খারাপ করেছেন। আমার ভাবমূর্তিটাই নষ্ট করে দিয়েছেন। আমাকে কেন এতগুলো সপ্তাহ জেলে থাকতে হল? সত্যিই কি আমার এসব প্রাপ্য?”  

    আরও পড়ুন: মাদক-মামলায় বেকসুর খালাস, আমেরিকার পথে শাহরুখ পুত্র আরিয়ান

    শাহরুখের (Shahrukh Khan) সঙ্গে নিজের সাক্ষাতের কথাও উল্লেখ করেন সঞ্জয় সিং (Sanjay Singh)। তিনি বলেন, “আমি অন্যান্য বন্দিদের পরিবারের সঙ্গে যেহেতু দেখা করেছি, তাই যখন জানতে পারলাম, শাহরুখ খান দেখা করতে চান, তখন আর না করিনি।” এনসিবি কর্তা জানান, বাদশা খান ছেলের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। জানান, আরিয়ান একা ঘুমোতেও পারছিলেন না। তাঁকে সঙ্গ দিতে শাহরুখ তাঁর শোবার ঘরে থাকতেন।  
     
    শাহরুখের চোখে জলও দেখেছিলেন সঞ্জয়। শাহরুখ আবেগপ্রবণ হয়ে বলেছিলেন, “আমাদেরকে ভয়ঙ্কর দানব বানিয়ে দেওয়া হল। এমন অপরাধী হিসেবে দাগিয়ে দেওয়া হল যারা সমাজকে ধ্বংস করে দেয়। ছেলের বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণ না থাকে সত্ত্বেও আমাদের এই অপমানের মধ্যে দিয়ে যেতে হল।”  

     

  • Asia Cup: মরুশহরে হবে এশিয়া কাপ! ভারত সফরে আসছে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া

    Asia Cup: মরুশহরে হবে এশিয়া কাপ! ভারত সফরে আসছে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার (Sri lanka) পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক নয়। তাই আগামী মাসে শ্রীলঙ্কা নয়, এশিয়া কাপ (Asia Cup) হবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতে (UAE)।  বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ে বিসিসিআইয়ের (BCCI) অ্যাপেক্স কাউন্সিলের বৈঠকের শেষে বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly) একথা জানান।  সৌরভ বলেন, ‘‘আসন্ন এশিয়া কাপ শ্রীলঙ্কায় হচ্ছে না। খেলা হবে সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে। কারণ, ওই সময় একমাত্র সেখানেই বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।’’

    এশিয়া কাপের আয়োজন করা যে সম্ভব নয় তা আগেই জানিয়ে দিয়েছিল শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড। তার পরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল, তা হলে কোন দেশে হবে প্রতিযোগিতা। বুধবার এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলকে (এসিসি) শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড নিজেদের বক্তব্য জানায়। এসিসি-র তরফে জানানো হয়, ‘শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট বোর্ড আমাদের জানিয়েছে, তাদের দেশে যে রাজনৈতিক পরিস্থিতি চলছে তার মধ্যে এশিয়া কাপ আয়োজন সম্ভব নয়। ওদের বিদেশি মুদ্রারও সঙ্কট রয়েছে। এই অবস্থায় ছয়টি দেশকে নিয়ে শ্রীলঙ্কায় বড় প্রতিযোগিতা ওরা আয়োজন করতে পারবে না।’ 

    আরও পড়ুন: আবারও স্বপ্ন দেখাচ্ছেন নীরজ! বিশ্ব অ্যাথলেটিক্স চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে রোহিত যাদবও

    ২৭ অগস্ট থেকে শুরু হবে এশিয়া কাপ। চলবে ১১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ বারের প্রতিযোগিতা হবে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে। এই এশিয়া কাপ নিয়ে টানাপড়েন দীর্ঘদিনের। করোনার জন্য দফায় দফায় এশিয়া কাপের সময় পিছিয়েছে। প্রায় দেড় বছর ধরে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন নিয়ে অনিশ্চয়তা চলছে। তাই এবারে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিল (ACC)এই টুর্নামেন্ট করতে বদ্ধপরিকর।

    এদিন বোর্ডের মিটিংয়ের পর ভারতীয় দলের দুটো হোম সিরিজের সূচিও জানিয়ে দেওয়া হয়। ভারত সফরে আসছে দক্ষিণ আফ্রিকা। এখানে তিনটে টি-টোয়েন্টি আর তিনটে একদিনের ম্যাচ খেলবে ডেভিড মিলাররা। তার আগে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজ রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে তিনটে ম্যাচ হবে, মোহালি, নাগপুর আর হায়দরাবাদে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সিরিজ শুরু হবে ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে। এর বাইরে ভারতীয় বোর্ড (BCCI) কর্তারা আসন্ন ঘরোয়া মরশুম নিয়েও পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে ফেলেছেন। করোনার জন্য শেষ দু’বছর কাঁটছাঁট করে ঘরোয়া ক্রিকেট করতে হয়েছিল। এবার অবশ্য পুরোদমে তা আয়োজন করা যাবে। ফিরতে চলেছে দলীপ আর ইরানি ট্রফি। দলীপ হতে পারে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে। ইরানি হয়তো ১-৫ অক্টোবর। টি-টোয়েন্টি শুরু হতে পারে ১১ অক্টোবর, বিজয় হাজারে ১২ নভেম্বর আর রনজি সম্ভবত ১৩ ডিসেম্বর থেকে।

  • Draupadi Murmu: ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    Draupadi Murmu: ইতিহাস রচনা করল ভারত! দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’, শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ইতিহাস রচনা করল ভারত।’ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Presidential poll) দ্রৌপদী মুর্মুর (Draupadi Murmu) জয়ের পরই তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi)। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন দেশের প্রান্তিক মানুষের প্রতিনিধি দ্রৌপদী মুর্মুর এই জয় দেশবাসীকে গর্বিত করবে। এরপর ভাবী রাষ্ট্রপতি (President-elect) দ্রৌপদী মুর্মুর বাসভবনে পৌছন প্রধানমন্ত্রী।

    [tw]


    [/tw]

    প্রতিদ্বন্দী যশবন্ত সিনহাকে (Yashwant Sinha) বিপুল ভোটে হারিয়ে দেশের ১৫তম রাষ্ট্রপতি (15th President) নির্বাচিত হলেন দ্রৌপদী মুর্মু। তৃতীয় রাউন্ড ভোট গণনার শেষে দ্রৌপদী মুর্মুর পক্ষে পড়ে ৮১২টি ভোট। আর যশবন্ত সিনহা পেয়েছেন ৫২১ ভোট। ১৫ জন সাংসদের ভোট বাতিল হয়। ১৭জন বিরোধী সাংসদ তাঁদের প্রার্থীকে সমর্থন করেন বলে দাবি বিজেপির। দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষে দ্রৌপদী মুর্মুর জয় কার্যত নিশ্চিত হয়ে যায়।

    বর্ণানুক্রমিকভাবে প্রথম ১০টি রাজ্যের গণনা শেষে দ্রৌপদী মুর্মু ১৩৪৯টি ও যশবন্ত সিনহা ৫৩৭টি ভোট পান। দু’জনের ভোটের মূল্যের ব্যবধান দাঁড়ায় প্রায় ৩ লক্ষের। তৃতীয় রাউন্ডের শেষেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় সমর্থন আদায় করেন নেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি। কারণ জয়ের জন্য প্রয়োজন ৫ লক্ষ ৪৩ হাজার ২৬১। তৃতীয় রাউন্ডের শেষে এনডিএ প্রার্থীর ভোটের মূল্য দাঁড়ায় ৫লক্ষ ৭৭ হাজার ৭৭৭। শেষমেশ দ্রৌপদীকেই জয়ী ঘোষণা করে দেন রাজ্যসভার সাধারণ সচিব পি সি মোদি।

    আরও পড়ুন: প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে নতুন হাইওয়ে চিনের! জানুন কোথা দিয়ে যাবে সেই রাস্তা

    দেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা জানাতে ফুলের তোড়া নিয়ে তাঁর বাড়িতে হাজির হন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর বিশ্বাস, দ্রৌপদী হবেন ‘মহান রাষ্ট্রপতি’। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘দ্রৌপদী মুর্মুর জীবনকাহিনি, জীবনের শুরু থেকে তাঁর লড়াই, ভালো কাজ এবং দৃষ্টান্তমূলক সাফল্য প্রত্যেক ভারতীয়কে অনুপ্রেরণা জোগাবে। দেশবাসীর কাছে উনি আশার আলো। বিশেষত গরিব, প্রান্তিক এবং পিছিয়ে পড়া মানুষদের জন্য তাঁর এই জয় এক দৃষ্টান্ত।’ মোদি আরও বলেন, ‘দল নির্বিশেষে যে সাংসদ এবং বিধায়করা দ্রৌপদী মুর্মুকে সমর্থন করেছেন, তাঁদের ধন্যবাদ জানাতে চাই। গণতন্ত্রের পক্ষে এই রেকর্ড জয় অত্যন্ত ভালো।’

  • Suvendu Adhikari: উঠল সাসপেনশন, বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন শুভেন্দুরা

    Suvendu Adhikari: উঠল সাসপেনশন, বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন শুভেন্দুরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হল রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) সহ সাত বিজেপি (BJP) বিধায়কের (MLA)। সাসপেনশন (Suspension) প্রত্যাহারের প্রতিবাদে ধর্নায় বসেছিল বিজেপি। এদিন সাসপেনশন তুলে নেওয়া হতেই উঠে যায় ধর্নাও। সাসপেনশন উঠে যাওয়ায় এবার বিধানসভার অধিবেশনে যোগ দিতে পারবেন ওই সাত বিধায়ক।  

    বিধানসভায় বিশৃঙ্খলার অভিযোগে গত বাজেট অধিবেশনে সাসপেন্ড হয়েছিলেন শুভেন্দু সহ বিজেপির সাত বিধায়ক। সাসপেনশন জারি ছিল এই অধিবেশনেও। সাসেপনশন প্রত্যাহারের আর্জি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন বিজেপির সাসপেন্ডেড বিধায়করা। সাসেপেনশন প্রত্যাহারের দাবিতে ধর্নায়ও বসেছিলেন তাঁরা। তার পরেও প্রত্যাহার করা হয়নি সাসপেনশন।

    আরও পড়ুন : সুকান্তর পর শুভেন্দু! এবার হাওড়া যাওয়ার পথে বিরোধী দলনেতাকে আটকাল পুলিশ!

    এর আগে একবার সাসেপনশন তোলার প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলেন বিধানসভার স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। স্পিকার জানিয়েছিলেন, বিজেপির আনা প্রস্তাবে ভুল ছিল। যদিও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার পাল্টা দাবি, প্রস্তাবে কোনও ভুল ছিল না।

    এদিন শুভেন্দুদের নয়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয় অধিবেশনে। শুভেন্দুদের সাসপেনশন প্রত্যাহারের প্রস্তাবে সায় দেয় তৃণমূলও। তার পরেই আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় শুভেন্দু সহ সাত বিজেপি বিধায়কের সাসপেনশন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করেন। শুভেন্দু ছাড়াও যাঁদের সাসপেনশন প্রত্যাহার করা হয়েছে তাঁরা হলেন, শঙ্কর ঘোষ, দীপক বর্মণ, মনোজ টিগ্গা, নরহরি মহাতো, সুদীপ মুখোপাধ্যায় এবং মিহির গোস্বামী।

    আরও পড়ুন : অফিসে পুলিশি হানা কেন? বিহিত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    প্রসঙ্গত, এদিন বিএ কমিটির বৈঠকে হাজির ছিলেন না বিজেপির কোনও প্রতিনিধিই। তবে শাসকদলের বাকি সদস্যরা সম্মতি দিয়েছিলেন সাসপেনশন প্রত্যাহারের পক্ষে। তার পরেই সাসপেনশন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেন স্পিকার।

    গত বাজেট অধিবেশনে সাসপেন্ড হয়েছিলেন শুভেন্দু সহ বিজেপির সাত বিধায়ক। এর মধ্যে আবার অসংসদীয় আচরণের জন্য রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিয়েছিলেন স্পিকার। বিধানসভায় তাঁর অফিসে বসার ক্ষেত্রেও জারি করা হয়েছিল নিষেধাজ্ঞা। এনিয়ে আদালতে যান শুভেন্দু। আদালত বিষয়টি মীমাংসার পরামর্শ দেয়। তার পর সোমবার পদ্ধতিগত ত্রুটির কথা বলে বিজেপি বিধায়কদের প্রথম আবেদনপত্রটি খারিজ করে দেন স্পিকার। আদালতের নির্দেশে এদিন ফের একবার আবেদন করেন শুভেন্দুরা।

     

  • Agnipath Scheme: ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনার অর্ধেক হবে অগ্নিবীর! দাবি সেনা উপপ্রধানের

    Agnipath Scheme: ভবিষ্যতে ভারতীয় সেনার অর্ধেক হবে অগ্নিবীর! দাবি সেনা উপপ্রধানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েক বছরের মধ্যেই প্রায় ১২ লক্ষ ভারতীয় সেনা জওয়ানের মধ্যে ৫০ শতাংশই হবে ‘অগ্নিবীর‘ (Agniveer)। বুধবার এমন দাবি করলেন ভারতীয় সেনা (Indian Army) উপপ্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল (Lt General) বাগগাভল্লি সোমশেখর রাজু (BS Raju)।

    কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, চলতি বছরে ৪৬ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে। তাঁদের জন্য ‘অগ্নিপথ’ প্রকল্পের (Agnipath Scheme) আওতায় সেনার নিয়ন্ত্রণে তৈরি হবে সম্পূর্ণ নতুন একটি বাহিনী। এ প্রসঙ্গে বিএস রাজু এদিন বলেন, “শীঘ্রই এই পদ্ধতিতে সেনায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে। চলতি বছর ৪০ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে।

    ছয়-সাত বছরের মধ্যে এর সংখ্যা দাঁড়াবে এক লক্ষ ২০ হাজার। দশ-এগারো বছরের মধ্যে সংখ্যাটা হবে এক লক্ষ ৬০ হাজার।” অফিসার পদে নিয়োগ ছাড়া প্রায় সম্পূর্ণ নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হবে অগ্নিপথ প্রকল্পের মাধ্যমে বলে জানান সেনা উপপ্রধান। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিয়োগ হতে থাকলে ২০৩০-৩২ সালের মধ্যে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে অগ্নিবীররাই ৫০ শতাংশ স্থান দখল করবেন।

    আরও পড়ুন: ভারতীয় ক্ষেপণাস্ত্র পৃথ্বী-২এর সফল উৎক্ষেপণ

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের (Ministry of Defence) দাবি, অগ্নিপথ প্রকল্প সশস্ত্র বাহিনীতে অভিজ্ঞতা এবং তারুণ্যের ভারসাম্য আনবে। শুধু পুরুষরা নন, মহিলারাও স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনায় অগ্নিবীর হওয়ার সুযোগ পাবেন। নৌসেনা (Navy) ও বায়ুসেনায় (IAF) চলতি বছর তিন হাজার করে অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে। প্রথম বছরে সেনার তিন বিভাগে অগ্নিবীরের সংখ্যা হবে ৪৬ হাজার এর পরের বছর তা বেড়ে হবে ৪৬ হাজার ৫০০। দ্বিতীয় বছর বায়ুসেনায় অতিরিক্ত ৫০০ জন নিয়োগ করা হবে। তৃতীয় বছর সংখ্যাটা বেড়ে দাঁড়াবে ৫২,৪০০। সেনায় (Army) অগ্নিবীরের সংখ্যা হবে ৪৫ হাজার, নৌবাহিনীতে তিন হাজার এবং বায়ুসেনায় চার হাজার ৪০০।

    গত দুবছর সেনায় নিয়োগ হয়নি। তাই চতুর্থ বছরের সেনায় প্রায় ৫০ হাজার অগ্নিবীর নিয়োগ করা হবে বলে জানান বিএস রাজু। সূত্রের খবর,নতুন বাহিনীর উর্দি হবে ভারতীয় সেনার ধাঁচেই। তবে থাকবে চিহ্নিতকরণের জন্য পৃথক ব্যাজ ও রঙের ‘ইনসিগনিয়া’। তবে এ সংক্রান্ত খুঁটিনাটি এখনও চূড়ান্ত হয়নি বলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে।

    বর্তমানে ভারতীয় সেনার গড় বয়স ৩২। অগ্নিবীর নিয়োগ শুরুর ৬-৭ বছরের মধ্যে তা ২৪ থেকে ২৬-এ নেমে আসবে বলে জানান রাজু। এই ‘নতুন রক্তে’ ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর (Indian Armed Forces) যুদ্ধ-ক্ষমতা বাড়বে বলে বিশ্বাস সেনা উপপ্রধানের। সেনাবাহিনী হবে আধুনিক এবং প্রযুক্তি নির্ভর।

  • Hardik Pandya: গুজরাটকে আইপিএল জেতানোর পুরষ্কার? আয়ারল্যান্ড সফরে অধিনায়ক হার্দিক

    Hardik Pandya: গুজরাটকে আইপিএল জেতানোর পুরষ্কার? আয়ারল্যান্ড সফরে অধিনায়ক হার্দিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গুজরাট টাইটানসকে (Gujarat Titans)  আইপিএলে (IPL 2022) সেরা করে তোলার পুরস্কার। এবার ‘মেন ইন ব্লু’-র অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া (Hardik Pandya)।

    বিতর্ক কখনই পিছু ছাড়েনি এই ব্যাটারের। শরীরের চোটও তাঁর কেরিয়ারে ছাপ ফেলেছে। অবশেষে আইপিএলে দলের সাফল্যের পুরষ্কার পেলেন তিনি। আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে (India vs Ireland T20 series) টিম ইন্ডিয়ার (Team India) নেতৃত্ব দেবেন হার্দিক। সহ অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন ভুবনেশ্বর কুমার (Bhuvneshwar Kumar)। আগামী ২৬ ও ২৮ জুন ডাবলিনে আয়ারল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২টি টি-২০ ম্যাচ খেলবে ভারত।

    আরও পড়ুন: শামির উপর মেজাজ হারিয়ে সমর্থকদের রোষের মুখে হার্দিক

    সাউথ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দেশের মাটিতে চলতি টি-২০ সিরিজে (Ind vs SA T20 series)  টিম ইন্ডিয়ার সহ অধিনায়কের পদ সামলাচ্ছেন হার্দিক পান্ডিয়া। এবার তিনি অধিনায়ক হিসেবে নির্বাচিত হলেন। সফর থেকে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে ঋষভ পন্থকে (Rishabh Pant)। দলে বেশিরভাগই তরুণ মুখ। তবে নতুন মুখ একটাই। আইপিএলের পারফরম্যান্স দিয়ে জাতীয় দলে জায়গা করে নিয়েছেন রাহুল ত্রিপাঠী (Rahul Tripathi)। সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের হয়ে দুর্দান্ত খেলেন তিনি। ৩৭.৫৪ গড়ে ৪১৩ রান করেন এই ব্যাটার। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫৮.২৩। এই দুর্দান্ত পারফরম্যান্সই তাঁকে জাতীয় দলে সুযোগ করে দিল।

    বিরাট কোহলি (Virat Kohli), রোহিত শর্মার (Rohit Sharma) পর কে অধিনায়ক হবে তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা শুরু হয়েছিল। টেস্ট ফরম্যাটে রোহিত নেতৃত্ব দিলেও টি-২০-র অধিনায়ক হওয়ার দৌড়ে ছিলেন বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার। লোকেশ রাহুল, শ্রেয়স আইয়ার, ঋষভ পন্থের নামও ভেবেছিলেন অনেকে। কিন্তু হার্দিক পান্ডিয়াকে কেউ প্রতিযোগিতাতেই রাখেননি। কিন্তু প্রিমিয়ার লিগ উল্টে-পাল্টে দিল সব হিসেব।

    আরও পড়ুন: ২ জুন ভারতে আসছে দক্ষিণ আফ্রিকা, টি-২০ সিরিজ শুরু ৯-ই

    আয়ারল্যান্ড সফরের দলে থাকবেন, হার্দিক পান্ডিয়া (অধিনায়ক), ভুবনেশ্বর কুমার (সহ অধিনায়ক), ঈশান কিষাণ, রুতুরাজ গায়কোয়াড়, সঞ্জু স্যামসন, সূর্যকুমার যাদব, বেঙ্কটেশ আয়ার, দীপক হুডা, রাহুল ত্রিপাঠী, দীনেশ কার্তিক (উইকেটকিপার), যুজবেন্দ্র চাহাল, অক্ষর প্যাটেল, রবি বিষ্ণোই, হর্ষল প্যাটেল, আবেশ খান, অর্শদীপ সিং ও উমরান মালিক।

    এই সফরে প্রধান কোচের দায়িত্ব পালন করবেন ভিভিএস লক্ষ্মণ। কারণ, দলের হেড কোচ রাহুল দ্রাবিড় সেই সময় ইংল্যান্ডে সফররত ভারতীয় টেস্ট দলের সঙ্গে থাকবেন। লক্ষ্মণের সহকারী হিসেবে বোলিং এবং ফিল্ডিং কোচের ভূমিকায় থাকবেন যথাক্রমে সাইরাজ বাহুতুলে এবং মুনিষ বালি। 

     

  • Dinesh Gunawardena: শপথ নিলেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী, জানেন কি দীনেশ গুণবর্ধনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক

    Dinesh Gunawardena: শপথ নিলেন শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী, জানেন কি দীনেশ গুণবর্ধনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রী (Sri Lanka Prime Minister) দীনেশ গুণবর্ধনে (Dinesh Gunawardena)। শুক্রবার শপথগ্রহণ করলেন তিনি। ছয়বারের প্রধানমন্ত্রী রনিল বিক্রমাসিংহে (Ranil Wickremesinghe) দেশটির নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেওয়ার একদিন পরই গুণবর্ধনেকে নিয়োগ করা হয়। ২০২০ সালের সংসদ নির্বাচনের পর গুণবর্ধনে বিদেশমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছিলেন। কয়েক মাস আগে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল শিক্ষামন্ত্রক। গত এপ্রিলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও হন তিনি। এবার দ্বীপরাষ্ট্রের নতুন রাষ্ট্রপতি রনিল বিক্রমসিংহে তাঁকে বেছে নিলেন নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। সূত্রের খবর, যে যতক্ষণ দেশের বিরোধী দলগুলি দেশ চালাতে সহযোগিতা না করছে, ততক্ষণ পুরনো মন্ত্রিসভার সদস্যদের দিয়ে কাজ চালাবেন বলে জানিয়েছেন নতুন প্রেসিডেন্ট।

    [tw]


    [/tw]

    গুণবর্ধনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক বহুদিনের। তাঁর বাবা ফিলিপ গুণবর্ধনে ছিলেন ভারতীয় রাজনীতিবিদ জয়প্রকাশ নারায়ণ ও ভিকে কৃষ্ণা মেননের সহপাঠী। ভারতের স্বাধীনতার জন্য লড়াইও করেছেন ফিলিপ ও তাঁর স্ত্রী। শ্রীলঙ্কায় সমাজতন্ত্রের জনক (father of socialism in Sri Lanka) ছিলেন ফিলিপ গুণবর্ধনে। দক্ষিণ এশিয়াকে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে মুক্তি দেওয়ার জন্য লড়াই চালিয়েছিলেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪৩ সালে ফিলিপ ও তাঁর স্ত্রী কুসুমা ব্রিটিশদের নজর এড়িয়ে শ্রীলঙ্কা থেকে ভারতে আসেন। ভারতের স্বাধীনতার জন্য গোপনে লড়াইও করেন তাঁরা। ব্রিটিশ পুলিশ তাঁদের ধরে ফেলে। তৎকালীন বম্বের আর্থার রোড জেলে বন্দি করে রাখা হয় তাঁদের। পরে শ্রীলঙ্কায় পাঠানো হয়। স্বাধীনতার পর ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু শ্রীলঙ্কায় গিয়ে ফিলিপ এবং তাঁর স্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে আসেন। দীনেশ গুণবর্ধনের ভাবমূর্তিও তাঁর বাবার মতোই স্বচ্ছ্ব। শ্রীলঙ্কার নতুন প্রধানমন্ত্রীও যে ভারতের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব বজায় রাখবেন তা আশা করাই যায়।

    আরও পড়ুন: ভূস্বর্গে নির্বাচনের ঘণ্টা, বাদ সাধতে পারে চিল্লাই কলন!

    সূত্রের খবর, গুণবর্ধনে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় দেশে নতুন করে বিক্ষোভের সূচনা হতে পারে বলেও মনে করছে দ্বীপরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা। নতুন প্রধানমন্ত্রী শুধু পদত্যাগী প্রেসিডেন্ট রাজাপক্ষের ঘনিষ্ঠই নন, তাঁর দল এসএলপিপি-র সদস্যও বটে। দ্বীপরাষ্ট্রের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতির জন্য প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট গোতাবায়া রাজাপক্ষই দায়ি বলে মনে করেন দেশের অধিকাংশ মানুষ। এই অবস্থায় প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠকে আদৌও দেশের জনতা মেনে নেবেন কিনা তা নিয়ে তৈরি হয়েছে সন্দেহ।

LinkedIn
Share