Blog

  • Indians in Iran: জ্বলছে ইরান, আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি কেন্দ্রের

    Indians in Iran: জ্বলছে ইরান, আটকে পড়া ভারতীয়দের দেশে ফেরানোর প্রস্তুতি কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানে (Iran) বর্তমান অস্থির পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে সেখানে বসবাসকারী ভারতীয়দের (Indians in Iran) সরিয়ে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত। দেশজুড়ে বিক্ষোভ দমনে তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার সম্ভাবনা আমেরিকা (US Strike Threats) পুরোপুরি নাকচ না করায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। তেহরানের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য হামলার আশঙ্কার মধ্যে বুধবার ভারত সরকার ইরানে বসবাসকারী সব ভারতীয় নাগরিককে যে কোনও উপায়ে সে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে এবং নতুন করে ইরান সফর এড়িয়ে চলতে বলা হয়েছে।

    ইরান থেকে ভারতীয়দের সরিয়ে আনার পরিকল্পনা (US Strike Threats)

    জানা গিয়েছে, ইরানের পরিস্থিতি ক্রমাগত বদলে যাওয়ায়, যারা দেশে ফিরতে চান, সেই সব ভারতীয় নাগরিকদের (Indians in Iran) প্রত্যাবর্তন সহজ করতে বিদেশমন্ত্রক প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা পিটিআই-কে জানিয়েছে সরকারি সূত্র (Iran)।জানা গিয়েছে, অসামরিক বিমান ছাড়াও সামরিক পরিবহণ বিমান ব্যবহার করে ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনার সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখছে সরকার। প্রাথমিক হিসেব অনুযায়ী, বর্তমানে শিক্ষার্থী-সহ ১০ হাজারেরও বেশি ভারতীয় ইরানে বসবাস করছেন। বুধবার তেহরানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস শিক্ষার্থী, তীর্থযাত্রী, ব্যবসায়ী ও পর্যটক-সহ সব ভারতীয় নাগরিককে যে কোনও উপলব্ধ পরিবহণের মাধ্যমে ইরান ছাড়ার আহ্বান জানিয়েছে (US Strike Threats)। একই সঙ্গে ভারতীয় নাগরিক ও ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তিদের সতর্ক থাকার, বিক্ষোভ বা প্রতিবাদী এলাকায় না যাওয়ার এবং দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে।

    ভারতীয় দূতাবাসের হেল্পলাইন

    জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাগরিকরা ২৪ ঘণ্টা চালু থাকা ভারতীয় দূতাবাসের হেল্পলাইনে যোগাযোগ করতে পারেন, টেলিফোন: ৯৭২৫৪৭৫২০৭১১, ৯৭২৫৪৩২৭৮৩৯২, ই-মেল: কনস তেলআভিভ@এমইএ.গভ.ইন উল্লেখ্য, এই প্রথম নয় যে ভারত এই ধরনের উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। গত বছর জুন মাসে মধ্যপ্রাচ্যে (Iran) সামরিক সংঘাতের জেরে উত্তেজনা বাড়ার পর ভারত সফলভাবে ইরান থেকে নিজের নাগরিকদের সরিয়ে এনেছিল। সেই সময় ভারত সরকার ‘অপারেশন সিন্ধু’ চালু করেছিল, যার লক্ষ্য ছিল ইরানে বসবাসরত ভারতীয় নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং তাঁদের নিরাপদে দেশে ফিরিয়ে আনা (US Strike Threats)।

    ইরানে কী ঘটেছে?

    গত মাসের শেষের দিকে তেহরানে বিক্ষোভ শুরু হয়, যখন ইরানি মুদ্রা রিয়াল রেকর্ড সর্বনিম্ন স্তরে নেমে যায়। পরে এই বিক্ষোভ দেশের ৩১টি প্রদেশেই ছড়িয়ে পড়ে। অর্থনৈতিক সঙ্কটের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া আন্দোলন ধীরে ধীরে রাজনৈতিক পরিবর্তনের দাবিতে পরিণত হয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশজুড়ে এই বিক্ষোভে এখনও পর্যন্ত ইরানে ২,৫০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। যদিও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি ইরানে বিক্ষোভ দমনের সময় হত্যাকাণ্ড কমেছে বলে জানানো হলে সামরিক হামলার ইচ্ছা কিছুটা খাটো করে দেখিয়েছেন। তিনি বলেছেন যে বর্তমানে বড় ধরনের গণহত্যার কোনও পরিকল্পনা নেই, তবু পরিস্থিতি এখনও অত্যন্ত অস্থির (US Strike Threats)। আগে সামরিক হস্তক্ষেপের হুমকি দিলেও পরে অপেক্ষা করে দেখার নীতি গ্রহণ করেন ট্রাম্প। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে তিনি একজন অনিশ্চিত নেতা হিসেবেই পরিচিত (Iran)। মধ্যপ্রাচ্য ইনস্টিটিউট থিঙ্ক ট্যাঙ্কের সিনিয়র ফেলো পল সেলেম সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ট্রাম্প আপাতদৃষ্টিতে ইরানের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ থেকে সরে এসেছেন বলে মনে হলেও, তিনি এখনও পুরোপুরি অনিশ্চিত চরিত্রের মানুষ (US Strike Threats)।

  • Operation Sindoor: “আমাদের শত্রুদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে”, সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের নয়া ভিডিও

    Operation Sindoor: “আমাদের শত্রুদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে”, সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের নয়া ভিডিও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সেনা দিবস উপলক্ষে অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) নতুন একটি তিন মিনিটের ভিডিও প্রকাশ করল ভারতীয় সেনা। ১৫ জানুয়ারি আর্মি ডে ২০২৬-এ প্রকাশিত ওই ভিডিও-তে অপারেশন সিঁদুর-এর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলার প্রতিক্রিয়ায় চালানো এই অভিযানের মাধ্যমে জঙ্গি ঘাঁটি ও সামরিক স্থাপনায় নিখুঁত আঘাত হানার বিরল দৃশ্য প্রথমবার প্রকাশ্যে আনল সেনা। ভারতীয় সেনার ভাষায়, এই অভিযান বাহিনীর “অদম্য সাহস, বীরত্ব ও অটল সংকল্প”-এর প্রতিফলন।

    সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতির প্রেক্ষাপট

    ভিডিওর শুরুতেই গত দুই দশকে ভারতের উপর সংঘটিত বড় সন্ত্রাসী হামলাগুলির কথা স্মরণ করানো হয়—২০০১ সালের সংসদ ভবনে হামলা, ২০০২ সালের অক্ষরধাম মন্দিরে আক্রমণ, ২০০৮ সালের মুম্বই হামলা, ২০১৬ সালের উরি, ২০১৯ সালের পুলওয়ামা এবং ২০২৫ সালের পহেলগাঁও হামলা। প্রতিটি ঘটনাকে “মানবতার উপর আক্রমণ” হিসেবে বর্ণনা করে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের নীতির প্রেক্ষাপট তুলে ধরা হয়েছে। ভিডিও অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৭ মে রাতে ভারতীয় বাহিনী সীমান্তের ওপারে নয়টি সন্ত্রাসী লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। অপারেশন সিঁদুরের অধীনে সমন্বিত ও নিখুঁত হামলার মাধ্যমে জঙ্গিদের লঞ্চপ্যাড ও লজিস্টিক হাব ধ্বংসের দৃশ্য ফুটে উঠেছে। যদিও ভিডিওতে পাকিস্তানের নাম সরাসরি উল্লেখ করা হয়নি, তবু লাইন অফ কন্ট্রোল ও জম্মু-কাশ্মীরের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় সীমান্ত-পার অভিযানের স্পষ্ট ইঙ্গিত রয়েছে।

    কী কী রয়েছে ভিডিও-য়

    ওই ভিডিও ফুটেজে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী গোলাবর্ষণের পরবর্তী পরিস্থিতিও দেখানো হয়েছে, যা ভারতীয় হামলার পর পাকিস্তানের পাল্টা প্রতিক্রিয়া বলে দাবি করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত অসামরিক এলাকার দৃশ্যের পাশাপাশি ভারতীয় বাহিনীর তৎপরতা—শত্রুপক্ষের ড্রোন ভূপাতিত করা এবং সামনের সারির সামরিক পোস্টে আঘাত হানার চিত্র—তুলে ধরা হয়েছে। আরও এক ধাপ উত্তেজনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত হিসেবে ভিডিওতে সীমান্তের ওপারের এয়ার ডিফেন্স রেডার ব্যবস্থা ও গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেসে হামলার দৃশ্যও দেখানো হয়েছে। এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষের নজরদারি দুর্বল করার কৌশলগত উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়েছে।

    সেনা দিবসে বিশেষ বার্তা

    আর্মি ডে-র এই ভিডিওর শেষে সেনার তরফে কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে, “আমাদের শত্রুদের জন্য সতর্কবার্তা। তাদের কাপুরুষতার মূল্য চোকাতে হবে।” এই বক্তব্যের মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদ ও তাকে মদতদাতাদের বিরুদ্ধে ভারতের কঠোর প্রতিক্রিয়া নীতিই পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। পহেলগাঁও জঙ্গি হামলার পরই অপারেশন সিঁদুরের পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ৭ মে ২০২৫-এ শুরু হওয়া এই অভিযানের লক্ষ্য ছিল সীমান্তের ওপার থেকে পরিচালিত জঙ্গি ঘাঁটি ধ্বংস করা। সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছিল, অভিযানে সন্ত্রাসী পরিকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পরবর্তীতে পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ড্রোন অনুপ্রবেশ ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন অসামরিক এলাকায় গোলাবর্ষণের অভিযোগ ওঠে। এর জবাবে ভারত রাডার স্থাপনা ও গুরুত্বপূর্ণ এয়ারবেস লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালায়। ভিডিওতে দেখানো এই পদক্ষেপগুলির উদ্দেশ্য ছিল প্রতিপক্ষের নজরদারি ও প্রতিরক্ষা সক্ষমতা ভেঙে দেওয়া। সেনা দিবসে অপারেশন সিঁদুরের ভিডিও প্রকাশকে একদিকে যেমন সশস্ত্র বাহিনীর প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য হিসেবে দেখা হচ্ছে, তেমনই এটিকে ভারতের প্রস্তুতি ও দৃঢ়তার কৌশলগত বার্তা বলেও মনে করা হচ্ছে। এই অভিযানের অংশবিশেষ প্রকাশ্যে এনে সেনা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিল—সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভারত নিখুঁত, সমন্বিত ও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

  • PM Modi: মালদায় পৌঁছে গিয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, শনিবার ১টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: মালদায় পৌঁছে গিয়েছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন, শনিবার ১টায় উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মালদায় এসে পৌঁছে গিয়েছে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন (Vande Bharat Sleeper)। উদ্বোধন এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা মাত্র। প্রধানমন্ত্রী কখন উদ্বোধন করবেন তা নিয়ে গোটা দেশের নজর এখন মালদার দিকে। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি দুপুর ১টায় মালদা স্টেশন থেকে এই বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ট্রেনের কামরাগুলিকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে (Vande Bharat Sleeper)

    উদ্বোধনের একদিন আগে পৌঁছানো ট্রেনের কামরাগুলিকে খতিয়ে দেখেছেন রেলের আধিকারিকরা। একই ভাবে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে গোটা মালদা এলাকাকে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। পূর্ব রেলের ডিআরএম মনিশ কুমার জানিয়েছেন, শনিবার দুপুর ১ টার সময় সবুজ পতাকা উত্তোলন করে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের যাত্রা শুরু করবেন। ফলে এই সময়ে ট্রেনের যাত্রার আগে সবকিছুকে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ট্রেন হাওড়া থেকে শুরু করে হুগলি, পূর্ব বর্ধমান, মুর্শিদাবাদ, মালদা, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার, এবং অসমের বঙ্গাইগাঁও, কামরূপ মেট্রোপলিটন জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্টেশনে থামবে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ

    দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে (Vande Bharat Sleeper) ঘিরে দেশবাসীর মধ্যে উত্তেজনা এখন ব্যাপক তুঙ্গে। যদিও ট্রেনের শুভ সূচনার ছাড়াও সাংগঠনিক ভাবে একাধিক কর্মসূচিও রেখেছেন প্রধানমন্ত্রী। ফলে রাজ্যে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। ভারতীয় রেলের তরফে একটি নোটিশ জারি করে বলা হয়েছে, আগামী ১৬ এবং ১৭ জানুয়ারি মালদা টাউন স্টেশনের ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাট ফর্ম সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। আর তাই ১৬ জানুয়ারি ১৫টি ট্রেনকে অন্যান্য প্ল্যাট ফর্মে স্থানান্তর করা হয়েছে। একই ভাবে ১৭ জানুয়ারিও স্থানান্তর করা হয়েছে ১৫টি যাত্রীবাহী ট্রেনকে। উদ্বোধনের দিনে ১ এবং ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে মোট দুই হাজার মানুষকে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের প্রত্যকের কাছে বিশেষ আমন্ত্রণ পত্র থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার থেকেই স্টেশনকে এসপিজি নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবও আগেই পৌঁছে যাবেন মালদায়। সম্পূর্ণ স্টেশনকে নিরাপত্তার বিষয়টি নিজে ভালো করে ক্ষতিয়ে দেখবেন। তবে মোদি স্টেশনে ঢুকে রেলের উদ্বোধন করবেন কিনা তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। পূর্ব রেলের মালদা ডিভিশনের জনসংযোগ আধিকারিক রসারজ মাজি জানিয়েছেন, “আগামিকাল রেলমন্ত্রী মালদায় আসছেন ৷ আশা করছি, তারপরেই ট্রেন উদ্বোধনের চূড়ান্ত সূচি আমরা পেয়ে যাবো৷”

    সভাস্থলে দুটি মঞ্চ

    পুরাতন মালদায় ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভাকে ঘিরে দুটি মঞ্চ তৈরি করা হচ্ছে। একটি সরকারি এবং অন্যটি দলীয় মঞ্চ হবে। সভাস্থলের পিছনে তৈরি হবে বেশ কিছু তাঁবু। প্রত্যেক দফতরের এক-একটি বিভাগ থাকবে। একটি তাঁবু রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের জন্যও নির্মাণ করা হবে। সেই সঙ্গে বিশ্রামাগারও তৈরি করা হয়েছে। ইতিমধ্যে সভাস্থলের উপর দিয়ে যাওয়া হাইটেনশনের ইলেকট্রিক তারও খুলে দেওয়া হয়েছে।

    সভাস্থলের নিরাপত্তার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ইতিমধ্যে নিয়ে নিয়েছে এসপিজির জওয়ানরা। প্রতিটি জিনিসে স্নিফার ডগ দিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। একই ভাবে করা হচ্ছে ময়দানের প্রতিটি কোনায় কোনায়। তল্লাশি করছেন রাজ্য পুলিশের কর্মীরাও। মঞ্চের সামনে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় রাখা হয়েছে। ভিড়কে কোনও ভাবেই বাড়তে দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।

    উত্তরবঙ্গের মানুষের উদ্দেশেও ভাষণ

    উত্তর মালদার বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মু প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi) সভাকে ঘিরে বলেন, “আগামী ১৭ তারিখ প্রধানমন্ত্রী পুরাতন মালদায় সভা করবেন ৷ মালদা, উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুর মিলিয়ে চারটি সাংগঠনিক জেলার মানুষজনের উদ্দেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি৷ অবশ্য শুধু এই চারটি সাংগঠনিক জেলাই নয়, তিনি গোটা রাজ্যের সঙ্গে উত্তরবঙ্গের মানুষের উদ্দেশেও ভাষণ দেবেন ৷ তাঁর সভার জন্য প্রস্তুতি চলছে। উত্তর-পূর্ব ভারতের মানুষকে নতুন বছরের উপহার দেবেন তিনি ৷ দেশের প্রথম স্লিপার ক্লাস বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের সূচনা করবেন ৷ একইসঙ্গে রেলের কিছু অনুষ্ঠানেও অংশ নেবেন তিনি ৷ ওই অনুষ্ঠানে বেশ কিছু রেল প্রকল্প-সহ কিছু ট্রেনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।”

  • Pak Drone in Border: সজাগ সেনা, জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে ফের পাক ড্রোন! গুজরাট উপকূলে আটক পাকিস্তানি নৌকা

    Pak Drone in Border: সজাগ সেনা, জম্মু-কাশ্মীরের আকাশে ফের পাক ড্রোন! গুজরাট উপকূলে আটক পাকিস্তানি নৌকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের কাশ্মীরের আকাশে দেখা গেল পাকিস্তানের ড্রোন (Pak Drone in Border)। শীতের সন্ধ্যায় অন্ধকার নামতেই রামগড় সেক্টর, পুঞ্চ এবং জম্মু-কাশ্মীরের একাধিক অংশে উড়ে এল পাকিস্তানের ড্রোন। ভারতীয় সেনার তরফে একের পর এক ড্রোনকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়। বেশ কয়েকটি ড্রোন ভেঙে পড়েছে বলে ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর। তাতে বারুদ ছিল বলে জানানো হয়েছে। সামরিক ঘাঁটিগুলোর ওপরে এই ড্রোনগুলি দিয়ে আঘাত করার ছক কষা হচ্ছে বলে সেনার অনুমান।

    বারুদ-বোঝাই ড্রোন

    বেশ কয়েকদিন ধরে পাকিস্তানের তরফ থেকে জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্তে ড্রোন পাঠানো হচ্ছে। এই সব ড্রোনের মাধ্যমে ভারতীয় দিকের ওপর নজরদারি চালানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান। এরই সঙ্গে অস্ত্র এবং আরও সরঞ্জাম পাচারেরও চেষ্টা করছে তারা। এই পরিস্থিতিতে সীমান্তে সদা সজাগ রয়েছে ভারতীয় সেনা এবং অন্যান্য নিরাপত্তারক্ষীরা। এরই মাঝে জানা গিয়েছে, ১৫ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ ফের জম্মু ও কাশ্মীরের ৩ জায়গায় আকাশে দেখা গেল পাক ড্রোন। রিপোর্টে বলা হয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরের সাম্বায় আন্তর্জাতিক সীমান্ত বরাবর একটি পাকিস্তানি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। এদিকে রামগড় সেক্টরেও একটি পাক ড্রোনকে আকাশে উড়তে দেখা গিয়েছিল। এর কিছু পড়ে জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ এলাকায় আরও একটি পাকিস্তানি ড্রোন নজরে পড়েছিল ভারতীয় সেনার। এই সব ক্ষেত্রে গুলি চালানো হয়েছিল ড্রোনগুলো লক্ষ্য করে।

    বড় ছক পাকিস্তানের!

    ভারতীয় সেনার অনুমান, বড়সড় কোন পরিকল্পনা রয়েছে পাকিস্তানের। সম্প্রতি ভারতীয় সেনার প্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী পাকিস্তানকে হুঁশিয়ার করে দিয়েছিলেন ড্রোন অনুপ্রবেশ নিয়ে। এর আগে গত ১৩ জানুয়ারি রাজৌরির কেরি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে আকাশে পাকিস্তনি ড্রোন দেখা গিয়েছিল। দেখামাত্রই সেই ড্রোন লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল সেনা। তার আগে গত ১১ জানুয়ারির সন্ধ্যায় জম্মুর আকাশে পাঁচটি ড্রোন উড়তে দেখা গিয়েছিল। এর আগে গত ৯ জানুয়ারি পাকিস্তানের একটি ড্রোনে করে দু’টি পিস্তল, তিনটি কার্তুজ, ১৬টি বুলেট, একটি গ্রেনেড ভারতীয় ভূখণ্ডে ফেলা হয়েছিল।

    গুজরাট উপকূলে পাকিস্তানের নৌকা

    অন্যদিকে, গুজরাট উপকূলে আটক করা হল পাকিস্তানের সন্দেহজনক নৌকা। ভারতীয় উপকূল রক্ষীবাহিনী সূত্রে খবর, আরব সাগরে নজরদারি চালানোর সময় এই সন্দেহজনক নৌকাটিকে ভেসে থাকতে দেখে তারা। পাকিস্তানের পতাকা লাগানো এই নৌকাটির গায়ে নাম হিসেবে লেখা ছিল আল মদিনা। তাতেই ঘনাচ্ছে রহস্য। নৌকার মধ্যে থেকে বেশ কিছু সন্দেহজনক বস্তু এবং কাগজ পাওয়া গিয়েছে। এই নৌকা করে কোন অনুপ্রবেশ ঘটেছে নাকি এর নেপথ্যে বড়সড় কিছুর পরিকল্পনা ছিল, সেটা খুঁজে দেখা হচ্ছে। ৯ জন পাকিস্তানিকে আটক করা হয়েছে বলেও জানতে পারা যাচ্ছে।

  • Donald Trump: ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার তুলে দিলেন মাচাদো! আদৌ হস্তান্তর করা যায়? কী বলছে নিয়ম?

    Donald Trump: ট্রাম্পের হাতে নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কার তুলে দিলেন মাচাদো! আদৌ হস্তান্তর করা যায়? কী বলছে নিয়ম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তাঁর স্বপ্ন ছিল নোবেল শান্তি পুরস্কার হস্তগত করা। কিন্তু তাঁর সেই কাঙ্খিত নোবেল পুরস্কার অধরাই রয়ে গিয়েছে। শেষমেশ অবশ্য দুধের স্বাদ ঘোলেই মেটালেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। হোয়াইট হাউসে গিয়ে ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী মারিয়া কোরিনা মাচাদো (Maria Corina Machado) যখন তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদক ট্রাম্পের হাতে তুলে দেন, তখন সেই মুহূর্তে ট্রাম্পের মুখে ছিল অর্থবহ এক হাসি। এই সম্মান বহুদিন ধরেই তাঁর হৃদয়ের আকাঙ্ক্ষা, এবং তিনি কখনওই তা প্রকাশ্যে চাওয়ার ব্যাপারে পিছপা হননি। পুরস্কার হাতে নিয়ে এক গাল হাসি হেসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “দারুণ এক সৌজন্যমূলক পদক্ষেপ।”

    নোবেল পুরস্কার আদৌ হস্তান্তর করা যায়? (Donald Trump)

    মাচাদো শুধু ট্রাম্পকে পদকটি উপহারই দেননি, তিনি সেটি হোয়াইট হাউসেই রেখে গিয়েছেন। ট্রাম্পও প্রকাশ্যেই তা গ্রহণ করেন এবং একে পারস্পরিক সম্মানের প্রতীকী রূপ বলে অভিহিত করেন। নোবেল পুরস্কারের ইতিহাসে এই প্রথম কোনও শান্তি পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি স্বেচ্ছায় নিজের পদক অন্য কারও হাতে তুলে দিলেন। প্রশ্ন হল, এভাবে কি নোবেল পুরস্কার আদৌ হস্তান্তর করা যায়? মাচাদোর হোয়াইট হাউস সফরের কয়েক দিন আগেই এই বিষয়টি নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছিল নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট। রবিবার প্রতিষ্ঠানটি আবারও জানায়, নোবেল শান্তি পুরস্কার কখনও হস্তান্তর, ভাগ বা প্রত্যাহার করা যায় না। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিনি তাঁর ২০২৫ সালের নোবেল পুরস্কারটি ট্রাম্পকে দিতে পারেন। তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই বিষয়টি পুনরায় স্পষ্ট করা হয় (Donald Trump)।

    নোবেল কমিটির বক্তব্য

    এক বিবৃতিতে নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট জানায়, নোবেল পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও স্থায়ী। নোবেল ফাউন্ডেশনের বিধির উল্লেখ করে তারা জানায়, এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কোনও আপিলের সুযোগ নেই। পাশাপাশি তারা জানায়, পুরস্কার পাওয়ার পর কোনও বিজয়ীর বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড নিয়ে (Maria Corina Machado) নোবেল কমিটি কোনও মন্তব্য করে না। বিবৃতিতে বলা হয়, “একবার নোবেল পুরস্কার ঘোষণা করা হয়ে গেলে তা আর কখনও প্রত্যাহার, ভাগ বা অন্য কারও কাছে হস্তান্তর করা যায় না। সিদ্ধান্তটি চূড়ান্ত এবং চিরস্থায়ী।”

    নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটি এবং নরওয়েজিয়ান নোবেল ইনস্টিটিউট যৌথভাবে এই মন্তব্য করে। নোবেল শান্তি পুরস্কার, যাকে সব নোবেল পুরস্কারের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ বলে মনে করা হয় এবং যা মানবজাতির সর্বাধিক কল্যাণে অবদান রাখা ব্যক্তিদের দেওয়া হয়, চলতি বছর মাচাদোকেই দেওয়া হয়েছিল। তবে পরে তিনি ঘোষণা করেন, ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর তিনি এই পুরস্কারটি ট্রাম্পের হাতে তুলে দেবেন (Donald Trump)।

    পরবর্তী কালে মাচাদো জানান, এই উপহার তিনি দিয়েছেন ভেনেজুয়েলার জনগণের স্বাধীনতার প্রতি ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতি হিসেবে (Maria Corina Machado)। হোয়াইট হাউস ছাড়ার পর মাচাদো বলেন, “আমি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টকে নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি উপহার দিয়েছি। আমাদের স্বাধীনতার প্রতি তাঁর ব্যতিক্রমী অঙ্গীকারের স্বীকৃতি হিসেবেই, তাঁকে এই উপহারটি দিয়েছি।” বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প লেখেন, “মারিয়া আমার করা কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁর নোবেল শান্তি পুরস্কারটি আমায় দিয়েছেন। পারস্পরিক সম্মানের এক অসাধারণ রূপ। ধন্যবাদ, মারিয়া (Donald Trump)!”

  • Lashkar Leader Confession: “পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ পাকিস্তানের মতো সহজ নয়”, লস্কর নেতার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি

    Lashkar Leader Confession: “পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ পাকিস্তানের মতো সহজ নয়”, লস্কর নেতার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান জিহাদের জন্য খোলাখুলি স্বাধীনতা দিয়েছে। পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ এত সহজ নয়। পাকিস্তানের জঙ্গিনীতি নিয়ে লস্কর-ই-তৈবার (Lashkar commander) শীর্ষ কমান্ডার হাফিজ আবদুল রউফ (Hafiz Abdul Rauf)-এর বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি সামনে এল। কোনও গোয়েন্দা রিপোর্ট নয়, ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি নয়, স্বয়ং লস্কর কম্যান্ডারের মুখ থেকেই বেরল সত্য-কথন। ভারত বারবার যা দাবি করেছে তা মেনে নিল লস্কর নেতা। ভারতের অপারেশন সিঁদুর অভিযান মুরিদকেতে থাকা লস্করের প্রধান ঘাঁটিতে ভয়াবহ ধাক্কা দিয়েছে (Operation Sindoor), বলেও মেনে নিল রউফ। তার কথায়, “হেডকোয়ার্টার (Muridke HQ) পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে।”

    মুরিদকে ঘাঁটির ক্ষয়ক্ষতি স্বীকার

    বিস্তর অস্বীকার, কূটনৈতিক ধোঁয়াশা আর দ্বিচারিতার পর অবশেষে প্রকাশ্য মঞ্চে মুখ খুলল লস্কর-ই-তৈবার (LeT) নেতা হাফিজ আবদুল রউফ (Lashkar commander Hafiz Abdul Rauf confession)। স্বীকার করে নিল, অপারেশন সিঁদুরে মারকাজ-ই-তৈবা কমপ্লেক্স কার্যত গুঁড়িয়ে গিয়েছে। ২০২৫ সালের ৬-৭ মে রাতের সেই হামলার কথা বলতে গিয়ে রউফ বলেছে, “ভারতের লক্ষ্যবস্তু একদম ঠিক ছিল। এখন আর ওখানে আর কোনও মসজিদ নেই। আমরা সেখানে বসতেও পারি না। সব শেষ হয়ে গিয়েছে। ভারতের হামলায় ভেঙে পড়েছে মুরিদকে ঘাঁটি।”

    কে এই হাফিজ রউফ

    পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে পাকিস্তান সেনার সহায়তাপ্রাপ্ত লঞ্চপ্যাড থেকে জঙ্গিদের প্রশিক্ষণ দিয়ে ভারতে ঢোকানোর দায়িত্বে বহুদিন ধরেই রয়েছে হাফিজ আবদুল রউফ। শুধু তাই নয়, এর আগে অপারেশন সিঁদুরের পরবর্তী সময়ে ভারতীয় হামলায় খতম হওয়া লস্কর জঙ্গিদের জানাজায় নেতৃত্ব দিচ্ছে রউফ – সেই ছবিও ভাইরাল হয়েছিল। কয়েক মাস পর এবার তিনিই কার্যত পাকিস্তান ও লস্করের শেষ আড়ালটুকু উন্মুক্ত করে দিল রউফ।

    চিনা অস্ত্রেই চলে হামলা!

    ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলা চালায় লস্কর-সমর্থিত সংগঠন, দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট (TRF)। সেই হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন নিরীহ ভারতীয় পর্যটক। তার পরই জঙ্গি দমনে ভারত চালায় অপারেশন সিঁদুর। এই অভিযানে পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরে থাকা জঙ্গি ঘাঁটিগুলো ধ্বংস করে ভারতীয় সেনাবাহিনী। এতে ভেঙে গুঁড়িয়ে ফেলা মুরিদকের লস্কর-ই-তৈবা এবং বাহাওয়ালপুরের জইশ-ই-মহম্মদের ঘাঁটি। তদন্তে উঠে আসে, হামলাকারীদের হাতে ছিল চিনের তৈরি অস্ত্র ও সরঞ্জাম, যা পাকিস্তান-সমর্থিত জঙ্গিগোষ্ঠীর সরঞ্জাম যোগানের ক্রমবর্ধমান পরিকাঠামোর দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছিল। এ বার স্বয়ং রউফও স্বীকার করে নিল যে, লস্কর ও পাকিস্তান ওই সংঘর্ষে চিনা অস্ত্র ও সামরাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম ব্যবহার করেছে।

    পাকিস্তানের মদতেই চলে জঙ্গি-নিয়োগ

    ভারতের বহু বছরের দাবি, জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো শুধু আশ্রয় নয়, পাক-রাষ্ট্রের প্রাতিষ্ঠানিক সমর্থন পায়। আন্তর্জাতিক মঞ্চে যা বারবার অস্বীকার করেছে পাকিস্তান। রউফের কথায়, “পাকিস্তান জিহাদের জন্য খোলাখুলি স্বাধীনতা দিয়েছে। পৃথিবীর কোথাও জঙ্গি নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ এত সহজ নয়। রাষ্ট্র সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেই আমরা এটা করতে পারছি।” উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি মুরিদকের সেই মারকাজ-ই-তৈবা কমপ্লেক্সেই নতুন জঙ্গিদের পাসিং-আউট অনুষ্ঠান হয়েছিল। অনুষ্ঠানে হাজির ছিল রউফ, হাফিজ সইদের ছেলে হাফিজ তালহা সইদ, এবং লস্করের ডেপুটি চিফ সাইফুল্লাহ কাজুরি-সহ লস্করের শীর্ষ নেতৃত্ব। অর্থাৎ, অপারেশন সিঁদুরের পরেও পাকিস্তানের মদতেই জঙ্গি পরিকাঠামো হয় পুনর্গঠিত হচ্ছে, নয়তো অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে – এটাই প্রমাণ করে সেই অনুষ্ঠান।

    পাকিস্তানকে সাহায্য করেছে চিন

    রউফ দাবি করেছে, ‘বুনিয়ান-এ-মারসুস’ নামে যে পর্যায়ে ভারত-পাক উত্তেজনা বাড়ে, সেই সময় পাকিস্তানকে রিয়েল-টাইম গোয়েন্দা তথ্য দিয়েছিল চিন। তার বক্তব্য, চিনা যুদ্ধবিমান ও সরঞ্জামের এখন বিশ্বে চাহিদা রয়েছে, আর “অনেক দেশের বিমান নাকি এখন স্ক্র্যাপে পরিণত”। রউফের এই মন্তব্য শুধু লস্করের অস্ত্রসজ্জা নয়, বেজিং-ইসলামাবাদ ঘনিষ্ঠতার দিকেও ইঙ্গিত করে। রউফের দাবি, পাকিস্তানের হাতে ছিল ভারত সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য “শেষ খুঁটিনাটি পর্যন্ত”, আর সংঘর্ষের প্রতিধ্বনি “আমেরিকা-ইউরোপ পর্যন্ত পৌঁছেছিল” – যা বৈশ্বিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তুলে ধরে লস্কর কমান্ডার।

    পাকিস্তানের সুদিন!

    সুদিন ফিরছে পাকিস্তানের। ইসলামাবাদের পক্ষে হতে চলেছে বিশ্ব মেরুকরণ। চাঞ্চল্যকর এই দাবিও করেছে, লস্কর-ই-তৈবা (এলইটি) কমান্ডার রউফ। তার কথায়, “গতকাল পর্যন্ত আমরা একা ছিলাম এবং পুরো বিশ্ব ভারতের সঙ্গে ছিল। আজ পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। তুরস্ক পাকিস্তানের সঙ্গে আছে, বাংলাদেশের সেনাপ্রধানও ইসলামাবাদের পক্ষে। এখন পুরো বিশ্ব পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে। মুজাহিদদের একটি নতুন যুগ শুরু হয়েছে, যেখানে পাকিস্তান জয়ী হচ্ছে।” জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ কমে গিয়েছে, ভিডিওতে রউফ এই দাবিও খারিজ করে দিয়েছে এবং আক্রমণাত্মক ভাষায় দাবি করেছে যে- সংঘাত আরও তীব্র হবে। সে দাবি করেছে যে, কাশ্মীর “যুদ্ধ” শেষ হতে অনেক বাকি এবং যারা অন্যকিছু বিশ্বাস করছে তারা ভুল করছে বলে সতর্ক করেছে। এই বয়ান আসলে উপত্যকায় ক্রমাগত হিংসার জন্য চাপ দেওয়ার ইঙ্গিত বলে মনে করা হচ্ছে।

    লস্কর-জঙ্গি নেতার স্বীকারোক্তি তাৎপর্যপূর্ণ

    রউফের বক্তব্য পাকিস্তানের দীর্ঘদিনের অস্বীকারকে ভেঙে দিয়েছে। প্রথমবার পাকিস্তানের শীর্ষ জঙ্গি নেতৃত্ব প্রকাশ্যে স্বীকার করল তারা এখনও রাষ্ট্রের ভেতরেই সুরক্ষিত ও সক্রিয়। মার্কিন নিষিদ্ধ ‘ঘোষিত’ গ্লোবাল টেররিস্টের এই স্বীকারোক্তি, ইসলামাবাদের জন্য নিঃসন্দেহে কঠিন প্রশ্ন তুলে দেবে। দীর্ঘ সময় ধরে রউফ লস্কর-এর সঙ্গে রয়েছে। রউফ একজন ঘোষিত সন্ত্রাসবাদী। হাফিজ সইদের ঘনিষ্ঠ এই জঙ্গির বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করা আছে আমেরিকারও। সে কারণেই তার মুখে এই স্বীকারোক্তি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ভারত বারবার বিশ্ব মঞ্চে বলেছে পাকিস্তান জঙ্গি-রাষ্ট্র। এবার কার্যত সেই দাবিকেই মান্যতা দিল লস্কর।

  • Indian Rail: ট্রেনের টিকিটে জালিয়াতি রুখতে ওটিপি-ভিত্তিক বুকিং ব্যবস্থা চালু করল রেল

    Indian Rail: ট্রেনের টিকিটে জালিয়াতি রুখতে ওটিপি-ভিত্তিক বুকিং ব্যবস্থা চালু করল রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় রেল (Indian Rail) টিকিটের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি এবং যাত্রী নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে এক যুগান্তকারী প্রযুক্তিগত সংস্কারের পথে হাঁটল ভারতীয় রেল। নির্দিষ্ট কিছু ট্রেনের ক্ষেত্রে এখন থেকে ওটিপি (OTP Based Ticketing) ভিত্তিক টিকিট বুকিং ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। মূলত জাল বুকিং প্রতিরোধ, অনুমোদনহীন এজেন্টদের দৌরাত্ম্য হ্রাস এবং রেল টিকিটের অপব্যবহার রুখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ।

    ভারতীয় রেল সূত্রে জানা গিয়েছে গত ১২ জানুয়ারি, ২০২৬ থেকে এই নতুন ব্যবস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ৩০০টি গুরুত্বপূর্ণ ট্রেনে এই পরিষেবা চালু করা হয়েছে।

    কোন পদ্ধতিতে হবে (Indian Rail)?

    নতুন নিয়ম অনুযায়ী, রেলের টিকিট (Indian Rail) ওটিপি যাচাইকরণ ছাড়া নির্ধারিত ট্রেনগুলোর টিকিট আর ইস্যু করা হবে না। যাত্রী যখন কাউন্টার বা অনলাইনে টিকিট বুক (OTP Based Ticketing) করবেন, তখনই তার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি পাঠানো হবে। সেই ওটিপি সিস্টেমে নথিভুক্ত করার পরেই টিকিট বুকিং প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হবে।

    এমন সিদ্ধান্তের কারণ

    রেল (Indian Rail) আধিকারিকদের মতে, আগের ব্যবস্থায় অনুমোদনহীন অবৈধ এজেন্টরা প্রায়ই সাধারণ যাত্রীদের কোটা ব্যবহার করে পাইকারি হারে টিকিট বুক করে কৃত্রিম সংকট তৈরি করত এবং পরে তা চড়া দামে কালোবাজারে বিক্রি হত। এখন ওটিপি ব্যবস্থার ফলে প্রতিটি টিকিট এখন সরাসরি একজন যাচাইকৃত মোবাইল নম্বরের সঙ্গে যুক্ত থাকবে, যা জালিয়াতি ও বেনামি বুকিং রোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। টিকিট (OTP Based Ticketing) সঙ্কটের পরিস্থিতিও অনেকটাই হালকা হয়ে যাবে।

    প্রিমিয়াম ট্রেন

    রাজধানী, শতাব্দী এবং দুরন্ত এক্সপ্রেসের মতো প্রিমিয়াম ট্রেনগুলোতে এই ব্যবস্থা বিশেষভাবে কার্যকর করা হয়েছে। কারণ এই ট্রেনগুলোর চাহিদা বেশি থাকায় দালালের চক্র এখানে সবথেকে বেশি সক্রিয় থাকে।

    ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

    উত্তর-মধ্য রেলের (Indian Rail) মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক ((OTP Based Ticketing)) শশীকান্ত ত্রিপাঠী বলেছেন, “এই ব্যবস্থাটি পর্যায়ক্রমে সারা দেশে কার্যকর করা হবে। বর্তমানে ৩০০টি ট্রেনে এটি পরীক্ষামূলকভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। এর ফলাফল ইতিবাচক হলে অদূর ভবিষ্যতে দেশের সকল ট্রেনের টিকিট বুকিংয়ের ক্ষেত্রেই ওটিপি বাধ্যতামূলক করা হবে। ভারতীয় রেলের এই ডিজিটাইজেশন প্রক্রিয়া সাধারণ যাত্রীদের হয়রানি কমাবে এবং টিকিট বুকিং ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, স্বচ্ছ ও সুরক্ষিত করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    SIR in Bengal: এসআইআরে ভুল সংশোধন আবেদনের সময়সীমা বাড়াল কমিশন, কতদিন পর্যন্ত করা যাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশেষ নিবিড় সংশোধন অর্থাৎ এসআইআর (SIR in Bengal)-এর খসড়া তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পরে তাতে কোনও ভুল বা আপত্তি থাকলে তা সংশোধন করার আবেদনের মেয়াদ ছিল ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। সেই সময়সীমা আরও আরও ৪ দিন বাড়াল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। তথ্য সংশোধনের আবেদন জানানো যাবে আগামী ১৯ জানুয়ারি, সোমবার পর্যন্ত। পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও এই অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে গোয়া, লাক্ষাদ্বীপ, রাজস্থান ও পুদুচেরিকে।

    কোন কোন দলের কত তরফে আবেদন

    কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, তালিকা সংশোধনের জন্য বিভিন্ন দলের তরফে এখনও পর্যন্ত কমিশনের কাছে মাত্র আটটি অভিযোগ জমা পড়েছে। সবচেয়ে বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে তৃণমূলের তরফে। তালিকায় তিন জন ভোটারের নাম তোলার আবেদন জানিয়ে তৃণমূল ৩টি অভিযোগ জানিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, খসড়া তালিকা থেকে ওই সব ভোটারের নাম বাদ দেওয়া হয়েছিল। সিপিএম দু’টি, ফরওয়ার্ড ব্লক ও বিজেপি একটি করে এবং বহুজন সমাজ পার্টির তরফে ১টি অভিযোগ রয়েছে। প্রত্যেক দলই তালিকায় নাম নথিভুক্তির আবেদন জানিয়েছে। নাম বাদ দেওয়ার আবেদন কোনও দলের তরফেই জানানো হয়নি।

    পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সময়সীমা বৃদ্ধি

    এসআইআর-এর (SIR in Bengal) পর চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। উল্লেখ্য, গত ১৬ ডিসেম্বর বিশেষ নিবিড় সংশোধনের খসড়া তালিকা প্রকাশ করেছিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। ওই তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ যায়। তবে ওই তালিকা চূড়ান্ত ভোটার তালিকা নয়। সেখানে ভুল থাকতে পারে। আপত্তি বা অভিযোগের জন্য এক মাস সময় দেওয়া হয়েছিল। সেই সময়সীমা আরও চার দিন বাড়ানো হল। সমস্ত অভিযোগ দেখে সেগুলি যাচাই ও সংশোধন করার পরে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। সব মিলিয়ে পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও)-কে চিঠি দিয়ে কমিশন জানিয়েছে সময়সীমা বৃদ্ধির কথা।

  • Vande Bharat Sleeper Train: শনিবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যাত্রাপথে মিলবে বিভিন্ন রাজ্যের খাবার

    Vande Bharat Sleeper Train: শনিবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করবেন মোদি, যাত্রাপথে মিলবে বিভিন্ন রাজ্যের খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৭ জানুয়রি বঙ্গে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন মালদা থেকে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper Train) ট্রেনের (Indian Rail) যাত্রা সূচনা করবেন তিনি। বঙ্গে প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেস চালু হলেও পরবর্তীতে আরও অন্যন্য রাজ্যে চালু হবে এই ট্রেন। এই ট্রেনে বিরাট খাবারের বৈচিত্র্য পাওয়া যাবে। এই ট্রেনে উত্তর থেকে দক্ষিণ, পূর্ব থেকে পশ্চিম এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক খাবারের স্বাদ গ্রহণ করতে পারবেন যাত্রীরা। তবে ট্রেনের (Indian Rail) খাবার, যাত্রা বা রুটের উপর নির্ভর করবে।

    ট্রেনের সেমি হাইস্পিড হবে ১৮০ কিমি (Vande Bharat Sleeper Train)

    বন্দে ভারত স্লিপার এক্সপ্রেসে (Vande Bharat Sleeper Train) থাকছে থ্রি টায়ার ১১টি কামরা, টু টায়ার ৪টি, ফার্স্ট ক্লাস (প্রথম শ্রেণি) এসি ১টি কামরা। মোটা যাত্রী ধারণ ক্ষমতা ৮২৩টি।  থ্রি টায়ারে ৬১১, টু টায়ারে ১৮৮ এবং ফার্স্ট ক্লাসে ২৪ জন যাত্রীর পরিষেবা। এই ট্রেনের সেমি হাইস্পিড হবে ১৮০ কিমি। যাত্রীদের শরীর মনের জন্য আরামদায়ক এবং নিরাপদ অত্যাধুনিক বার্থের ব্যবস্থা থাকে। যাতায়তের জন্যে স্বয়ংক্রিয় দরজার ব্যবস্থা থাকবে। কবচ সিস্টেম থাকবে এই ট্রেনে। জরুরি প্রয়োজনে রয়েছে টক-ব্যাক সিস্টেম। থাকবে সেই সঙ্গে উচ্চ মানের স্যানিটেশন যুক্ত ব্যবস্থা।

    পর্যটক মহলে ব্যাপক সাড়া

    বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে (Vande Bharat Sleeper Train) ভারতীয় পর্যটক মহলে বিশেষ সাড়া মিলেছে। রাজ্য এবং এলাকা ভিত্তিক খাবারের স্বাদ পাবেন বলে জানা গিয়েছে। এই প্রসঙ্গে হিমালয়ান হসপিটালিটি ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুর ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের সম্পাদক সম্রাট সান্যাল বলেন, “এই উদ্যোগ রেলযাত্রাকে এক নতুন মাত্রা দিয়েছে । বন্দে ভারত এখন শুধু আধুনিকতা বা গতির প্রতীক নয়, এটি বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের এক জীবন্ত উদাহরণ । আঞ্চলিক স্বাদের সঙ্গে বন্দে ভারত যাত্রা মানেই এখন শুধু গন্তব্যে পৌঁছনো নয়, বরং ভারতের স্বাদ ও সংস্কৃতিকে হৃদয় ও জিহ্বায় দীর্ঘদিন ধরে অনুভব করতে পারবে।”

    চম্পারণ চিকেন, আলু পটল ভাজার স্বাদ পাওয়া যাবে

    ভারতীয় রেল (Vande Bharat Sleeper Train) নিজের প্রয়োজন অনুসারে এবং যাত্রীদের দাবি অনুযায়ী নতুন নতুন প্রয়োগের কাজ করে থাকে। নিরাপদ যাত্রা, উন্নত সুরক্ষা ব্যবস্থা, অধ্যাধুনিক সুব্যবস্থা এবং ঝুঁকিহীন যাত্রায় অনন্য নজির গড়েছে ভারতীয় রেল। কম সময়ে কম খরচে ভারতীয় রেলকে (Indian Rail) সকলের জন্য উপভোগ্য করে তুলতে রেল একটি আধুনিক প্রয়োগ করেছে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন।

    পশ্চিমবঙ্গের সুস্বাদু মশালায় সুস্বাদু রান্না এবং ধীর আঁচে রান্নার পরিষেবা পাওয়া যাবে। রাউরকেল্লা হাওড়া বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে যাত্রীরা উপভোগ করতে পারবেন কষা পনির। বাংলার ঘরোয়া রান্নার স্বাদ পাওয়া যাবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত রুটে। এখানে আলু পটল ভাজা পাওয়া যাবে। একই ভবে বিহারের পক্ষ থেকে পাটনা-রাঁচি চম্পারণ পনির এবং এবং পাটনা-হাওড়া রুটে চম্পারণ চিকেন পরিবেশন করা হবে। এই রান্না মাটির সহজ সরলতার স্বাদ বহন করবে।

    মহারাষ্ট্রের রান্না পুষ্টিকর এবং জনপ্রিয়। নাগপুর-সেকেন্দ্রবাদ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Indian Rail) যাত্রীরা পাবেন কাণ্ডা পোহা। মহারাষ্ট্রের এই ঐতিহ্যবাহী খাবার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই ভাবে অন্ধ্রপ্রদেশের বিখ্যাত অন্ধ্র কোডি কুরা এবং দোণ্ডাকায়া কারাম পোডি ফ্রাই, দক্ষিণ ভারতের ঝাল এবং তীব্র মশাল যুক্ত খাবার পরিবেশন করা হবে। সিএসএমটি মাডগাঁও বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পরিবেশিত হবে মশাল, উপমা হালকা। যাত্রীদের যাত্রাকে সুস্বাদু করতে এই রকমের খাবারের ব্যবস্থা থাকছে বন্দে ভারতে।

    কেরল এবং কাশ্মীরের খাবার পাওয়া যাবে

    কেরলের উপর দিয়ে যখন ট্রেন (Indian Rail) যাবে সেই সময় স্থানীয় সাদা ভাত, পাচাক্কাক্কা চেরুপায়ার মেঝুক্কু পেরাত্তি, কাদালা কারি, কেরলা পরোটা, সাধারণ দই, পালাডা পায়েসম ও আপ্পাম খাবার পরিষেবা দেওয়া হবে। কাসারগোড-তিরুঅনন্তপুরম এবং ম্যাঙ্গালুরু-তিরুঅনন্তপুরম বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে (Vande Bharat Sleeper Train) যাত্রীরা পাবেন সম্পূর্ণ কেরলের খাবার। কাশ্মীরের যখন ট্রেন চলবে সেই সময় শ্রীমাতা বৈষ্ণোদেবী কাটরা-শ্রীনগর বন্দে ভারত রুটে পরিবেশিত হবে কাশ্মীরি টমেটোর চমন ও কেশর ফিরনি পরিবেশন করা হবে। চাহিদার কথা মাথায় রেখেই ভারতীয় রেল বন্দে ভারত ট্রেনে (Indian Rail) আঞ্চলিক, ঐতিহ্যবাহী ও স্বাদে খাঁটি খাবার পরিবেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

  • SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    SIR: এসআইআরের নথি হিসাবে গ্রহণযোগ্য নয় মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, জানিয়ে দিল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআরের (SIR) নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ না করার কথা সিও-কে চিঠি দিয়ে জানিয়ে দিল কমিশন। এসআইআর-এর নথি বিষয়ে নির্বাচন কমিশন রাজ্যের নির্বাচন আধিকারিক সিইও মনোজ আগারওয়ালাকে শুক্রবার চিঠি দিয়ে এই বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দিয়েছে। যদিও কমিশন আগে ১৩টি বৈধ নথির কথা জানিয়েছিল। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধকারিকের (Election Commission) সঙ্গে জেলা নির্বাচনী আধিকারিকেরদের আগে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। এরপর প্রস্তাব দিলে কমিশন খারিজ করে দেয়।

    জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেখাতে হবে (SIR)

    ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধন মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে কোনও ভাবেই নথি হিসেবে, জন্মতারিখের তথ্য হিসেবে বৈধতা দেওয়া হবে না। ফলে এতে নতুন করে বিভ্রান্তি তৈরি হওয়ার একটা আশঙ্কা রয়েছে। এসআইআর-এর অনেকেই নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড জমা করেছেন। এখন সেই অ্যাডমিট কার্ড নথি হিসেবে গৃহীত হবে না বলায় অনেকের মধ্যেই উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। তবে কমিশন (Election Commission) ভোটারদের এই নিয়ে ১৩টি নথির মধ্যে যেকোনও একটি দেখানোর কথাই বলেছে।

    ১৩টি নথি কী কী

    সিইও দফতর (SIR) থেকে নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) সদর দফতরে প্রস্তাব পাঠনো হয়েছিল। অবশেষে নির্বাচন কমিশন বৈধ নথি হিসেবে মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ডকে গ্রহণ করার আবেদন বাতিল করে দিয়েছে। কমিশন ঘোষিত যে ১৩টি নথির কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হল—

    • ১) কেন্দ্র বা রাজ্য সরকারের দেওয়া পরিচয়পত্র, পেনশন পেমেন্ট অর্ডার
    • ২) ১৯৮৭ সালের ১ জুলাইয়ের আগের নথি
    • ৩) জন্মের শংসাপত্র
    • ৪) পাসপোর্ট
    • ৫) শিক্ষাগত শংসাপত্র
    • ৬) ডোমিসাইল শংসাপত্র
    • ৭) বনাধিকার শংসাপত্র
    • ৮) জাতিগত শংসাপত্র
    • ৯) জাতীয় নাগরিক পঞ্জিতে নাম
    • ১০) বংশলতিকার শংসাপত্র
    • ১১) সরকারের দেওয়া জমির নথি
    • ১২) আধার কার্ড
    • ১৩) বিহারের এসআইআর নথি।

    নো-ম্যাপিং এবং এনুমারেশন ফর্মে (SIR) তথ্যগত অসঙ্গতির জন্য খসড়া ভোটার তালিকায় নাম থাকা ভোটারদের একাংশকে শুনানির জন্য ডেকেছে কমিশন। তবে শুনানির জন্য যাদের কমিশন ডেকেছে তাদের নির্ধারিত নথির মধ্যে যে কোনো একটি দেখালেই হবে।

LinkedIn
Share