Blog

  • Dhanteras 2025: ধনতেরাসে জ্বালাতে হয় যম প্রদীপ! কী এর তাৎপর্য? কোথায় রাখতে হয়? জানুন নিয়ম

    Dhanteras 2025: ধনতেরাসে জ্বালাতে হয় যম প্রদীপ! কী এর তাৎপর্য? কোথায় রাখতে হয়? জানুন নিয়ম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হিন্দু ধর্মে, ধনতেরাস (Dhanteras 2025) থেকে দীপাবলি উৎসব শুরু হয়। ধনতেরাসে, সন্ধ্যায় দেবী লক্ষ্মীর সঙ্গে ভগবান কুবেরের পুজো করা হয়। এই সময়ে মৃত্যুর দেবতা যমরাজেরও পুজো করা হয় এবং সন্ধ্যায় দক্ষিণ দিকে যম প্রদীপও (Yama Pradip) জ্বালানো হয়। এটি যম দীপদান (Yama Deepdaan) নামেও পরিচিত। যম প্রদীপের পৌরাণিক গুরুত্ব এবং শুভ সময় সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে নিন।

    যম প্রদীপ জ্বালানো হয় কেন?

    ধনতেরাসের (Dhanteras 2025) সন্ধ্যায়, দেবী লক্ষ্মী এবং ভগবান কুবেরের পুজোর পাশাপাশি, যমরাজকে খুশি করার জন্যও পুজো করা হয়। বাড়ির দক্ষিণ দিকে চারমুখী প্রদীপ জ্বালানো হয়। এই চারমুখী প্রদীপকে যম প্রদীপ বলা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, বাড়ির দক্ষিণ দিকের অধিপতি হলেন যমরাজ। পৌরাণিক বিশ্বাস আছে যে, ধনতেরাসে দক্ষিণ দিকে যমের প্রদীপ জ্বাললে যমরাজ (Yama Pradip) প্রসন্ন হন। ঘরে সুখ, শান্তি ও স্বাস্থ্য থাকে। ভাইফোঁটা পর্যন্ত যমরাজের নামে প্রদীপ জ্বালানো ঐতিহ্যবাহী। এটি যাতে নিভে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রাখা হয়। টানা পাঁচ দিন ধরে এটি জ্বালাতে হবে। প্রদীপ জ্বালানোর সময়, দীর্ঘায়ু এবং সুস্বাস্থ্যের জন্য যমরাজের কাছে প্রার্থনা করা উচিত। এই প্রদীপ জ্বালালে নরকের দরজা বন্ধ হয়ে যায়, মৃত্যুর পরে নরকে যাওয়া থেকে বিরত থাকে। তদুপরি, যমদীপ নেতিবাচক শক্তি দূর করে।

    যম প্রদীপ কোথায় বসাতে হয়?

    এবছর ধনতেরাস (Dhanteras 2025) পড়েছে শনিবার, ১৮ অক্টোবর। ধনতেরাসে ১৩টি প্রদীপ জ্বালানো (Yama Pradip) শুভ বলে মনে করা হয়। ধনতেরাসের সন্ধ্যায়, আটার চারমুখী প্রদীপ তৈরি করে তাতে সরিষার তেল দিন। প্রথমে ঘরের বাইরে আবর্জনার কাছে একটি প্রদীপ জ্বালানো উচিত। এই প্রদীপটি দক্ষিণ দিকে মুখ করে রাখা উচিত। বিশ্বাস করা হয় যে এই প্রদীপটি যমরাজের উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করা হয়। বলা হয় যে এই প্রদীপ জ্বালালে অকাল মৃত্যুর ঝুঁকি এড়ানো যায়। এরপর, অবশিষ্ট প্রদীপগুলি (Yama Deepam) ঘরের প্রধান প্রবেশপথে, তুলসী গাছের কাছে, বাড়ির ছাদে, পিপল গাছের নীচে, কাছের মন্দিরে জ্বালাতে হবে। বাথরুম এবং জানলার কাছে এক বা দুটি প্রদীপ রাখাও শুভ। এ ছাড়া বাড়ির মূল প্রবেশদ্বারে গরুর ঘির প্রদীপ  জ্বালালে দেবী লক্ষ্মী খুশি হন এবং প্রচুর ধন-সম্পদ দান করেন (Dhanteras 2025)।

  • Dhanteras 2025: ধন ত্রয়োদশী তিথি কটায় শুরু, পুজো ও কেনাকাটার শুভ সময় কখন?

    Dhanteras 2025: ধন ত্রয়োদশী তিথি কটায় শুরু, পুজো ও কেনাকাটার শুভ সময় কখন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বণ। বিশেষত এই সময়টা অর্থাৎ শরৎকাল এবং হেমন্তকাল যেন পুজোর ঋতু। মহালয়া থেকে শুরু, দুর্গা পুজো, লক্ষ্মী পুজো, কালী পুজো। পরপরই চলতে থাকে। কিন্তু কালীপুজোর ঠিক দু’দিন আগে পালন করা হয় আরও একটি উত্‍সব, যার নাম ধনতেরাস (Dhanteras 2025)। ধন শব্দের অর্থ সম্পদ, এবং তেরাস শব্দের অর্থ ত্রয়োদশী। হিন্দু ক্যালেন্ডার অনুযায়ী কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের ত্রয়োদশী তিথিতে এই উত্‍সব পালিত হয়। আলোর ঝরনায় যখন মেতে ওঠে সম্পূর্ণ বিশ্ব, তখন আত্মীয় স্বজন, পরিবারের মঙ্গল কামনায় এবং ধন-সম্পদের আশায় বহু মানুষ দেবতা কুবেরের আরাধনা করেন। কুবের হল ধন দেবতা‌। বিশ্বাস মতে, এই দিন কোন না কোন মূল্যবান ধাতু, বাসনপত্র অথবা নতুন পোশাক কিনলে মা লক্ষ্মী সন্তুষ্ট হন। আশীর্বাদ করেন তাঁর ভক্তদের।

    কখন শুরু ও শেষ ত্রয়োদশী তিথি (Dhanteras Tithi)

    ২০২৫ সালে ত্রয়োদশী তিথি দুই দিন ধরে থাকবে, যার কারণে ধনতেরাস উদযাপনের তারিখ নিয়ে সামান্য বিভ্রান্তি তৈরি হয়। তবে প্রচলিত নিয়ম এবং পঞ্জিকা অনুসারে প্রদোষ কাল-এ (সূর্যাস্তের পরের সময়) ত্রয়োদশী তিথি থাকলেই সেই দিন ধনতেরাস (Dhanteras 2025) পালিত হয়। সেই হিসেবে, ১৮ অক্টোবর, শনিবার ধনতেরাস পালিত হবে।

    ত্রয়োদশী তিথি শুরু: ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, শনিবার, দুপুর ১২টা ১৮ মিনিট থেকে।
    ত্রয়োদশী তিথি শেষ: ১৯ অক্টোবর, ২০২৫, রবিবার, দুপুর ১টা ৫১ মিনিট পর্যন্ত।

    পুজোর শুভ মুহূর্ত (প্রদোষ কাল)

    ধনতেরাসের পুজো (Dhanteras Puja Timings) প্রদোষ কাল-এ করাই সবচেয়ে শুভ ও ফলদায়ক বলে মনে করা হয়। এই সময়টি প্রদোষ এবং বৃষভ (স্থির) লগ্ন দ্বারা নির্ধারিত হয়।

    প্রদোষ কাল: ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, সন্ধ্যা ৫টা ৪৮ মিনিট থেকে রাত ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত।
    বৃষভ কাল: ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, সন্ধ্যা ৭টা ১৬ মিনিট থেকে রাত ৯টা ১১ মিনিট পর্যন্ত।

    ধনতেরাস পুজো মুহূর্ত: ১৮ অক্টোবর, ২০২৫, সন্ধ্যা ৭টা ১৬ মিনিট থেকে রাত ৮টা ২০ মিনিট পর্যন্ত।
    সময়কাল: ১ ঘণ্টা ৪ মিনিট।

    কেনাকাটার শুভক্ষণ

    ধনতেরাসে (Dhanteras 2025) সোনা, রুপো, নতুন বাসনপত্র, বা অন্যান্য মূল্যবান ধাতু কেনা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়, যা ঘরে সারা বছর ধরে সমৃদ্ধি নিয়ে আসে।

    ১৮ অক্টোবর, শনিবার আপনি পুরো দিন জুড়েই কেনাকাটা করতে পারেন, তবে বৃষভ কাল এবং লাভ যোগে কেনাকাটা সবচেয়ে শুভ।

    দিনের শুভ সময়: সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট গতে ২টো ৪৭ মিনিট পর্যন্ত।
    সন্ধ্যা ও রাতের শুভ সময়: সন্ধ্যা ৭টা ১৬ মিনিট থেকে রাত ৯টা ১১ মিনিট পর্যন্ত।

  • Daily Horoscope 18 October 2025: নতুন কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 18 October 2025: নতুন কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    মেষ

    ১) ব্যবসায় অশান্তি বাধার আশঙ্কা।

    ২) বুকের সমস্যা বৃদ্ধি।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে কোনও ক্ষতি হতে পারে, একটু সাবধান থাকা দরকার।

    ২) ভালো কাজে নিরাশ হয়ে ফিরে আসতে হবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে মানসিক অবসাদ দেখা দেবে।

    ২) ব্যবসায় লাভ বৃদ্ধি, তবে খরচও বাড়বে।

    ৩) পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান।

    কর্কট

    ১) কোনও সন্দেহজনক ব্যক্তি থেকে সাবধান।

    ২) নতুন কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    সিংহ

    ১) দিনটি ভালো-খারাপ মিশিয়ে কাটবে।

    ২) বাড়ির কাছে ভ্রমণের ব্যাপারে আলোচনা।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে মনের কথা বলুন।

    কন্যা

    ১) পুরনো রোগ থেকে মুক্তিলাভ।

    ২) ব্যবসায় মন্দা দেখা দিতে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) শিক্ষাগত যোগ্যতার কারণে ভালো কাজ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

    ২) সম্পত্তি ক্রয়-বিক্রয়ে সমস্যা হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) উচ্চাভিলাষী কোনও ব্যক্তির পাল্লায় পড়ে অর্থব্যয়।

    ২) মধুর ভাষণের দ্বারা শ্রোতাদের মন জয় করতে পারবেন।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) সকালের দিকে কাজের ব্যাপারে শুভ যোগাযোগ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে গুপ্তশত্রু হতে পারে।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    মকর

    ১) অন্যের জিনিসের উপর লোভ সামলাতে না পারলে বিপদে পড়তে পারেন।

    ২) সংসারে মনঃকষ্ট।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে গুরুজনদের স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।

    ২) অতিরিক্ত বিশ্বাসের খেসারত দিতে হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) চাকরির জায়গায় বিরোধী ব্যক্তির সঙ্গে মিত্রতা হয়ে যেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীদের চিকিৎসার জন্য সময় ব্যয়।

    ৩) সমাজ সেবামূলক কাজে যশ বৃদ্ধি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 482: “এদের কি বাড়ি ঘর-দোর নাই? আর কাজকর্ম নাই? এরা আসে কেমন করে?”

    Ramakrishna 482: “এদের কি বাড়ি ঘর-দোর নাই? আর কাজকর্ম নাই? এরা আসে কেমন করে?”

    ৪৪ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ বলরাম-মন্দিরে ভক্তসঙ্গে

    চতুর্থ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ১২ই এপ্রিল
    কামিনী-কাঞ্চন ও তীব্র বৈরাগ্য

    “আর তোমার তো ছেলেপুলে নাই যে মন অন্যমনস্ক হবে। একজন ডেপুটি, আটশো টাকা মাইনে, কেশব সেনের বাড়িতে (নববৃন্দাবন) নাটক দেখতে গিছল। আমিও গিছলাম, আমার সঙ্গে রাখাল আরও কেউ কেউ গিছল। নাটক শুনবার জন্য আমি—যেখানে বসেছি তারা আমার পাশে বসেছে। রাখাল তখন একটু উঠে গিছল। ডেপুটি এসে ওইখানে বসল। আর তার ছোট ছেলেটিকে রাখালের জায়গায় বসালে। আমি বললুম, এখানে বসা হবে না,—আমার এমনি অবস্থা যে, কাছে যে বসবে সে যা বলবে তাই করতে হবে, তাই রাখালকে কাছে বসিয়েছিলাম। যতক্ষণ নাটক হল ডেপুটির কেবল ছেলের সঙ্গে কথা। শালা একবারও কি থিয়েটার দেখলে না! আবার শুনেছি নাকি মাগের দাস—ওঠ বললে ওঠে, বোস বললে বসে,—আবার একটা খাঁদা বানুরে ছেলের জন্য এই… তুমি ধ্যান-ট্যান তো কর?”

    মহেন্দ্র—আজ্ঞে, একটু একটু হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—যাবে এক-একবার?

    মহেন্দ্র (সহাস্যে)—আজ্ঞে, কোথায় গাঁট-টাঁট আছে আপনি জানেন,—আপনি দেখবেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—আগে যেও।—তবে তো টিপে-টুপে দেখব, কোথায় কি গাঁটি আছে! যাও না কেন?

    মহেন্দ্র—কাজকর্মের ভিড়ে আসতে পারি না,—আবার কেদেটির বাড়ি মাঝে মাঝে দেখতে হয়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের দিকে অঙ্গুলিনির্দেশ করিয়া, মহেন্দ্রের প্রতি)—এদের কি বাড়ি ঘর-দোর নাই? আর কাজকর্ম নাই? এরা আসে কেমন করে?

    হরি—আজ্ঞা, না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ—তবে কেন ভুলে গেলি?

    হরি—আজ্ঞা, অসুখ করেছিল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের)—কাহিল হয়ে গেছে,—ওর ভক্তি তো কম নয়, ভক্তির চোট দেখে কে! উৎপেতে ভক্তি। (হাস্য)

    ঠাকুর একটি ভক্তের পরিবারকে ‘হাবীর মা’ বলতেন। হাবীর মার ভাই আসিয়াছে, কলেজে পড়ে, বয়স আন্দাজ কুড়ি। তিনি ব্যাট খেলিতে যাইবেন,—গাত্রোত্থান করিলেন। ছোট ভাইও ঠাকুরের ভক্ত, সেই সঙ্গে গমন করিলেন। কিয়ৎ পরে দ্বিজ ফিরিয়া আসিলে ঠাকুর বলিলেন, “তুই গেলিনি?”

    একজন ভক্ত বলিলেন, “উনি গান শুনিবেন তাই বুঝি ফিরে এলেন।”

    আজ ব্রাহ্মভক্ত শ্রীযুক্ত ত্রৈলোক্যের গান হইবে। পল্টু আসিয়া উপস্থিত। ঠাকুর বলিতেছেন, কে রে,—পল্টু যে রে!

LinkedIn
Share