Blog

  • Mamata on Ram Navami: শুভেচ্ছাতেই শেষ! সারাদিন রাজ্যে রামনবমীর কোনও অনুষ্ঠানে নেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা, জানেন কেন?

    Mamata on Ram Navami: শুভেচ্ছাতেই শেষ! সারাদিন রাজ্যে রামনবমীর কোনও অনুষ্ঠানে নেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশের পাশাপাশি রাজ্য জুড়ে পালিত হল রাম নবমী (Mamata on Ram Navami)। নির্বাচনের আগে ঈদের নামাজ আদায় করতে রেড রোড গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। কিন্তু রাম নবমীর দিন কোথাও রাম নবমীর কোনও মিছিলে, পুজোয়, খুঁজে পাওয়া গেল না তাঁকে। হিন্দুদের উৎসব বাসন্তী পুজো অন্নপূর্ণা পুজো এবং রামনবমী। নির্বাচনের আগে এটা হিন্দুদের সবচেয়ে বড় উৎসব বলা যায়। অথচ অদ্ভুত কান্ড। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রামনবমীর একটা নমো নম করে পোস্টার বানিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ছাড়া তার আর কিছুই করলেন না।

    সংখ্যালঘু তোষণই নীতি

    নির্বাচনের আগে নিজের সংখ্যালঘু ভোটব্যাঙ্কে হাতে রাখার জন্য কোনও কসুর ছাড়েননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঈদের দিন বৃষ্টির মধ্যেই সকাল সকাল তিনি চাদর গায়ে দিয়ে পৌঁছে গিয়েছিলেন রেড রোডে ঈদের মঞ্চে। সেখান থেকে দাঁড়িয়ে তিনি হিন্দি ভাষায় অনর্গল বিজেপিকে আক্রমণ করে যান। তবে রামনবমীকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুধু পোস্টার। দেখলে অবাক হবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রামনবমীর শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন মানুষকে। কিন্তু সেখানে শ্রী রামচন্দ্রের কোন ছবি নেই। কেবলমাত্র তার হাসি হাসি মুখের একটি ছবি রয়েছে। যাই হোক এই ছবি পোস্ট করার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় দিনভর সেটা নিয়ে সমালোচনা হয়।

    মমতার হিন্দু ভোট ব্যাঙ্কে ধস

    সমালোচকদের মতে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হিন্দু  ভোট ব্যাংকের জন্য চিন্তা করেন না। আর সেই জন্যই রামনবমীতে কোনও অনুষ্ঠান দেখা গেল না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আসলে, দীর্ঘ ৩৪ বছরের বাম শাসনে বাঙালি হিন্দুর মধ্যে তার জাতীয়তাবাদী সত্তাটা খানিক চাপা পড়ে গিয়েছিল, বারবারি রাজ্যে হিংসা-হানাহানি হলেও বামেদের প্রচারের কারণে নিজেদের বিপদটা বুঝতে পারতেন না বাঙালি হিন্দুরা। তারপর ক্ষমতায় এলেো তৃণমূল। বামেদের দেখানো পথেই সংখ্যালঘুতোষণ শুরু করলো তারা। পশ্চিমবঙ্গে লেগে রইল হিংসা। বাদুড়িয়া কালিয়াচক ধূলাগড় সহ বিভিন্ন জায়গায় হিন্দুরা অত্যআচারিত হল। কিন্তু ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কেন্দ্রে ক্ষমতায় বসার বছর খানেক পর থেকে এই রাজ্যে পাল্টে যেতে শুরু করে পরিস্থিতি। হিন্দুরা তাদের হিন্দুত্ব নিয়ে গর্ব করতে শুরু করে সেই প্রথম। জাগতে শুরু করে হিন্দুরা। ধীরে ধীরে রাজ্যজুড়ে ধুমধাম করে পালন হতে শুরু করে রামনবমী। বিশ্ব হিন্দু পরিষদ সহ নানা হিন্দু সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে, জায়গায় জায়গায় ধুমধাম করে রামনবমী পালন শুরু হয়। হিন্দুরা জাগতে ধীরে ধীরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হিন্দু ভোট ব্যাঙ্কে ধস নামে। তিনি আরো বেশি করে আঁকড়ে ধরতে শুরু করেন মুসলিম ভোট ব্যাংককে। এরপর ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে এই রাজ্যে বিজেপির ১৮টি আসন পাওয়ার পর রামচন্দ্র রাতারাতি হয়ে যান বহিরাগত।

    মমতার দ্বিমুখী আচরণ

    তারপর নদী দিয়ে কত জল গড়িয়ে গিয়েছে, কত বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলার হিন্দু সমাজ আরো বেশি করে একত্রিত হয়েছে। আর তত বেশি করে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরে গিয়েছেন মুসলিম ভোট ব্যাংকের কাছে। বিভিন্ন জায়গায় প্রকাশ্যে তিনি অপমান করেছেন হিন্দুদের।। কোন প্রতিবাদ হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী ভয় পাননি। হিন্দুদের পবিত্রতম সমাবেশ মহাকুম্ভকে তিনি ‘মৃত্যু কুম্ভ’ বলে সম্বোধন করেছিলেন। কোটি কোটি পুণ্যার্থীর আধ্যাত্মিক আবেগকে এভাবে অমঙ্গলজনক শব্দের মাধ্যমে তাচ্ছিল্য করা হয়েছে। জনসমক্ষে দেবীর আরাধনা করতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ভুলভাবে সরস্বতী মন্ত্র পাঠ করেন। মন্ত্রের শুদ্ধতা নষ্ট করা এবং ভুল উচ্চারণ ধর্মীয় শাস্ত্রের প্রতি তাঁর উদাসীনতা ও অবজ্ঞাকেই প্রকাশ করে। আধ্যাত্মিক আলোচনা করতে গিয়ে তিনি ভগবান শ্রীকৃষ্ণ এবং শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংসদেবের জীবনী ও বাণী গুলিয়ে ফেলেন। এই ধরনের ভুল মহাপুরুষদের আদর্শের প্রতি চরম অসম্মান প্রদর্শন। শ্রীরামকৃষ্ণের কালজয়ী বাণী “যত মত তত পথ”-কে তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে “যত মাটি তত টাকা” বলে ব্যাখ্যা করেন। এই মহান আধ্যাত্মিক দর্শনকে অর্থের সঙ্গে তুলনা করা অত্যন্ত গর্হিত কাজ। ব্রিগেডে লক্ষকণ্ঠে গীতা পাঠের অনুষ্ঠানে তিনি যাননি এবং সেটিকে রাজনৈতিক তকমা দিয়েছিলেন। অথচ রেড রোডের নামাজে নিয়মিত গিয়ে রাজনৈতিক ভাষণ দেওয়া তাঁর দ্বিমুখী আচরণকেই স্পষ্ট করে।

  • PM Modi In France: ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, আলোচনায় হরমুজ ও বিশ্ব অর্থনীতি

    PM Modi In France: ফ্রান্সে জি৭ সম্মেলনে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদি, আলোচনায় হরমুজ ও বিশ্ব অর্থনীতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফ্রান্সে আয়োজিত জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে (G7 Summit) যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী ১৫-১৭ জুন আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে সেখানে যোগ দেবেন তিনি। উল্লেখ্য, ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতিতে এই কথা জানানো হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত বিদেশ মন্ত্রকের তরফে এখনও এই নিয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি। আগামী ১৫ থেকে ১৭ জুন ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত হতে চলা জি৭ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদির উপস্থিতি আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের ক্রমবর্ধমান গুরুত্বকে আরও একবার তুলে ধরবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশ্বের প্রধান অর্থনৈতিক শক্তিগুলির নেতারা এই সম্মেলনে একত্রিত হয়ে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জ্বালানি নিরাপত্তা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক সংঘাতসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করবেন।

    ফ্রান্স ও ভারতের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব

    দু’দিনের ফ্রান্স সফরে গিয়েছে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তাঁর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে ফ্রান্সের ইউরোপ ও বিদেশ বিষয়ক মন্ত্রী জঁ নোয়েল বারোর। জি৭ বিদেশমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের ফাঁকে তাঁদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই ফ্রান্সের এভিয়াঁ শহরে অনুষ্ঠিতব্য জি৭ সম্মেলনে মোদির অংশগ্রহণকে স্বাগত জানানো হয়। ফ্রান্সের বিদেশ মন্ত্রক যে বিবৃতি পেশ করেছে তাতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) জি৭ শীর্ষ সম্মেলনে তাঁর অংশগ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এই পরিপ্রেক্ষিতে এদিন দুই দেশের দুই মন্ত্রী জি৭-এর কার্যক্রমে ভারতের অবদান বিশেষভাবে তুলে ধরেন। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালে কানাডায় জি৭ সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন মোদি। মনে করা হচ্ছে, বিশ্ব অর্থনীতি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা, মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা হবে ওই সম্মেলনে। নিশ্চিত ভাবেই বলা যায়, ফ্রান্স ও ভারতের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্ব জোরদার করা এই সফরের অন্যতম লক্ষ্য।

    আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে ভারতের গুরুত্ব বৃদ্ধি

    যদিও ভারত জি৭-এর সদস্য নয়, তবুও দেশের অর্থনৈতিক শক্তি ও কূটনৈতিক প্রভাবের কারণে প্রায়শই তাকে আমন্ত্রিত দেশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এবারের সম্মেলনেও ভারত বৈশ্বিক অর্থনীতি, সাপ্লাই চেইন এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরবে বলে আশা করা হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন, প্রযুক্তি, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা—এই সব বিষয়েও আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বর্তমান বিশ্বে যখন একাধিক সংকট—অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা, সংঘাত এবং জ্বালানি সমস্যা—চলমান, তখন এই ধরনের আন্তর্জাতিক সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। জি৭ সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে ভারত তার অবস্থান স্পষ্ট করতে পারবে এবং বৈশ্বিক সমস্যার সমাধানে সক্রিয় ভূমিকা নিতে পারবে।

    পশ্চিম এশিয়া ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে জোর

    সম্মেলনের আলোচনায় পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি বিশেষ গুরুত্ব পাবে, বলে বিশেষজ্ঞদের মত। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, কারণ বিশ্বে ব্যবহৃত তেলের একটি বড় অংশ এই জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়। ভারত ও ফ্রান্স উভয়েই এই গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিরাপদ ও নিরবচ্ছিন্ন চলাচল নিশ্চিত করার বিষয়ে একমত হয়েছে।

    আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মঞ্চ

    প্রসঙ্গত, জি৭ -এর পুরো কথা হল ‘গ্রুপ অফ সেভেন’। এটি বিশ্বের সাতটি উন্নত অর্থনীতির দেশগুলির একটি গোষ্ঠী। এই সাতটি দেশ বছরে একবার মিলিত হয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিষয়ে আলোচনা করে। ১৯৭৩ সালে খনিজ তেলের সংকটের কারণে গোটা বিশ্বে অর্থনীতির চাকা স্লথ হয়ে গিয়েছিল। সেই সংকটের মোকাবিলা করতেই জি৭ গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল সাতটি দেশ। জি৭ গোষ্ঠীর সদস্য দেশগুলি হল ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, ব্রিটেন, জাপান, আমেরিকা এবং কানাডা। ভারত এই গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত নয়। নিয়ম অনুযায়ী, আয়োজক দেশ এই গোষ্ঠীর বাইরে থাকা অন্য একটি দেশকে সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানায়। সেই সূত্রেই কয়েক বছর ধরে এই বৈঠকে আমন্ত্রণ পেয়ে আসছে ভারত।

    জি৭ বৈঠকের আলোচ্য বিষয়!

    এই বছর বৈঠকের আলোচ্য বিষয় হল গোটা বিশ্বের নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা, পারস্পরিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রভৃতি। অর্থনীতি সংক্রান্ত আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে থাকবে জ্বালানি, খনিজ পদার্থের সরবরাহ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সাইবার নিরাপত্তা। এছাড়াও বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন এবং লিঙ্গসাম্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলি নিয়েও এবারের জি৭ বৈঠকে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। তবে, এই বৈঠকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত নিয়ে আলোচনা হবে, বলে অনুমান। অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা করার জন্য এই গোষ্ঠীর জন্ম হলেও জি৭ নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলে একাধিকবার সমালোচনারও শিকার হয়েছে গোষ্ঠীটি। এর মূল কারণ হল জিডিপি হ্রাস। বিগত বেশ কিছু বছরে সদস্য দেশগুলির সম্মিলিত জিডিপি হ্রাস পয়েছে। ফলে এর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ হল চিন। তিন নম্বর স্থানে রয়েছে রাশিয়া। অন্যদিকে, জাপানকে কড়া টক্কর দিয়ে চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ হওয়ার পথে ভারত। কিন্তু তা সত্ত্বেও এই তিন দেশই জি৭ গোষ্ঠীর স্থায়ী সদস্য নয়।

  • West Bengal Elections 2026: তৃণমূল সরকারের ‘১৪টি ব্যর্থতা’ নিয়ে চার্জশিট প্রকাশ শনিবার, শুক্র-রাতেই শহরে অমিত শাহ

    West Bengal Elections 2026: তৃণমূল সরকারের ‘১৪টি ব্যর্থতা’ নিয়ে চার্জশিট প্রকাশ শনিবার, শুক্র-রাতেই শহরে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) রণকৌশল স্থির করতে কোমর বেঁধে নামছে ভারতীয় জনতা পার্টি। শনিবার কলকাতায় এক বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে একটি ‘চার্জশিট’ বা অভিযোগপত্র প্রকাশ করতে চলেছে গেরুয়া শিবির। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) নিজেই এই কর্মসূচি থেকে গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের ১৪টি প্রধান ‘ব্যর্থতা’র খতিয়ান তুলে ধরবেন। মমতার বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ দিতে শুক্রবার রাতেই কলকাতায় পৌঁছচ্ছেন অমিত শাহ। শনিবার নিউ টাউনের হোটেলে শ্বেতপত্র ও ইস্তাহার প্রকাশের পর ফিরে যাবেন দুপুরেই।

    ৩৫-৪০ পাতার একটি চার্জশিট (West Bengal Elections 2026)!

    আগামী নির্বাচন উপলক্ষে (West Bengal Elections 2026) বিজেপি ৩৫-৪০ পাতার একটি চার্জশিট প্রকাশ করবে। ভোটমুখী বাংলায় মমতা জমানার একগুচ্ছ সমস্যা, অবনতি, অবক্ষয়ের কথা তুলে ধরছে গেরুয়া শিবির। সূত্রের খবর, বিশেষজ্ঞ দল তৈরি করেছে ওই চার্জশিট। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এটি শনিবার প্রকাশ করবেন বলে দলের তরফে জানানো হয়েছে। চার্জশিটের মলাটেই অশান্ত বাংলার ছবি তুলে ধরেছে বিজেপি। বিজেপি সূত্রে খবর, আগে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ‘চার্জশিট’ প্রকাশ করা হবে। মমতার সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ প্রকাশ্যে আনতে চলেছে চার্জশিটে। তার পর প্রকাশিত হবে বিজেপির সংকল্পপত্র। রাজ্যে ক্ষমতায় এলে আগামিদিনে বিজেপি কী কী করবে, তা বিস্তারিত বলা থাকবে সেখানে।

    জেলায় জেলায় স্থানীয় মানুষের সমস্যা এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতি তুলে ধরে বিধানসভা কেন্দ্রভিত্তিক ‘চার্জশিট’ আগেই যদিও প্রকাশ করা হয়েছে। এবার গত ১৫ বছরে তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে যে সমস্ত দুর্নীতির অভিযোগ, নারী নির্যাতন, বঞ্চনা, বেকারত্ব, গণতন্ত্র হরণ সহ ইত্যাদি নানা বিষয়কে তুলে ধরা হচ্ছে চার্জশিটে। শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য এবং কাটমানি থেকে সিন্ডিকেট সহ একাধিক বিষয়ে রাজ্যে চলা দুর্নীতি ও কেলেঙ্কারিগুলিকে তুলে হবে চার্জশিটে। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতির বেআইনি কার্যকলাপ, অনুপ্রবেশ, জঙ্গি-জেহাদির মুক্তাঞ্চল সম্পর্কে বলা একাধিক বিষয় উপস্থাপন করা হয়েছে।

    ১৭৫২০ কোটি টাকার রোজভ্যালি চিটফান্ডকাণ্ড

    বিশেষ করে কয়লা পাচার, বালি পাচার, নিয়োগ কেলেঙ্কারি সংক্রান্ত দুর্নীতির মতো বিষয়গুলিতে একাধিক প্রভাবশালী নেতাদের নাম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। ২৫ লক্ষ ভুয়ো জবকার্ড, মিড ডে মিলের ১০০ কোটি টাকা লুট, ১৭৫২০ কোটি টাকার রোজভ্যালি চিটফান্ড দুর্নীতির উল্লেখ থাকার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। সেইসঙ্গে চার্জশিটে সরকারি কর্মচারীদের ডিএ সংক্রান্ত বঞ্চনার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে উল্লেখ করা হবে। চার্জশিটে (West Bengal Elections 2026) আনন্দপুর কাণ্ডে, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাধা দান, সীমান্ত কাঁটাতার না বসানো, জেলায় জেলায় বোমা তৈরির কারখানারও উল্লেখও থাকতে পারে। সম্পূর্ণ বিষয় প্রকাশ করবেন অমিত শাহ (Amit Shah)।

    অভিযোগপত্রের মূল বিষয়গুলি

    বিজেপি রাজ্য নেতৃত্বের একাংশের দাবি, শাসকদলের দুর্নীতির পর্দা ফাঁস করাই আমাদের প্রথম লক্ষ্য। মানুষ জানুক গত দেড় দশকে তাঁদের অধিকার কীভাবে হরণ করা হয়েছে। ফলে বিজেপি সূত্রে খবর, এই চার্জশিটে মূলত ১৪টি বিষয়ের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা তৃণমূল সরকারের প্রশাসনিক ব্যর্থতা হিসেবে দাবি করছে। এইগুলি হল—

    • ১>দুর্নীতি এবং কেলেঙ্কারি
    • ২>প্রশাসনিক নৈরাজ্য এবং অপশাসন
    • ৩>আইনশৃঙ্খলার ধ্বংসস্তূপ
    • ৪>নারীর নিরাপত্তাহীনতা
    • ৫>গণতন্ত্রের উপরে হামলা
    • ৬>শিল্পের ধ্বংসস্তূপ পশ্চিমবঙ্গ
    • ৭>শিক্ষার সর্বনাশ
    • ৮>স্বাস্থ্যের সঙ্কট
    • ৯>কৃষকের দুর্দশা
    • ১০>বঙ্গ সংস্কৃতির ধ্বংস
    • ১১>উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা
    • ১২>চা বাগান শ্রমিকদের বঞ্চনা
    • ১৩>কলকাতার বেহাল অবস্থা
    • ১৪>রাঢ়বঙ্গজুড়ে সিন্ডিকেট রাজ

    এগুলি ছাড়াও রয়েছে–

    আইন-শৃঙ্খলার অবনতি: উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ—রাজ্যের সামগ্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন।

    দুর্নীতি ও নিয়োগ কেলেঙ্কারি: শিক্ষা ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় অনিয়ম।

    নারী নিরাপত্তা: আরজি কর কাণ্ড-সহ সাম্প্রতিক একাধিক নারী নিগ্রহের ঘটনা।

    কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বঞ্চনা: কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে না পৌঁছানো।

    অনুপ্রবেশ ও জাতীয় সুরক্ষা: সীমান্ত অঞ্চলে নিরাপত্তা ও জনবিন্যাসের পরিবর্তন।

    ডিএ বকেয়া ও কর্মসংস্থান: সরকারি কর্মচারীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা এবং রাজ্যে কর্মসংস্থানের অভাব।

    বিজেপির রণকৌশল

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের উপস্থিতিতে হওয়া সাম্প্রতিক বৈঠকগুলোতে স্থির হয়েছে যে, এই চার্জশিট কেবল শহরকেন্দ্রিক থাকবে না। প্রতিটি বুথ স্তরে এই অভিযোগপত্র (West Bengal Elections 2026) পৌঁছে দেওয়া হবে। এছাড়া, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের স্থানীয় সমস্যাগুলো নিয়ে আলাদাভাবে ‘লোকাল চার্জশিট’ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

    কেন এই পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ?

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ২০২৬-এর নির্বাচনে বিজেপি কেবল হিন্দুত্ব বা জাতীয়তাবাদ নয়, বরং তৃণমূলের ‘প্রশাসনিক ব্যর্থতা’ ও ‘দুর্নীতি’-কে প্রধান হাতিয়ার করতে চাইছে। অমিত শাহের এই সফরের মাধ্যমে দলের নীচুতলার কর্মীদের চাঙ্গা করা এবং সংগঠনের ফাঁকফোকরগুলো ভরাট করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। তৃণমূলের বিরুদ্ধে জনমতকে আরও প্রবল ভাবে বাস্তবায়ন করতে বিজেপির নেতা কর্মীদের (West Bengal Elections 2026) উৎসাহ করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

    তৃণমূলের প্রতিক্রিয়া

    বিজেপির এই পদক্ষেপকে (West Bengal Elections 2026) গুরুত্ব দিতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। শাসক দলের দাবি, নির্বাচনের আগে দিল্লির নেতারা এসে কুৎসা ছড়ানো ছাড়া আর কিছুই করতে পারবেন না। বাংলার মানুষ উন্নয়নের পক্ষেই রায় দেবেন এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর তাঁদের আস্থা অটুট রয়েছে। তবে এইবারের নির্বাচন যে মমতার জন্য খুব একটা সহজ হবে না তা অনেক রাজনীতিবিদ মনে করছেন।

  • IPL 2026: ঘোষিত আইপিএলের সম্পূর্ণ সূচি, ইডেনে কবে, কখন খেলবেন নাইটরা?

    IPL 2026: ঘোষিত আইপিএলের সম্পূর্ণ সূচি, ইডেনে কবে, কখন খেলবেন নাইটরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি সপ্তাহেই শুরু হচ্ছে ক্রীড়া-বিনোদনের মহাযজ্ঞ ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ। ২৮ মার্চ, শনিবার থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল (IPL 2026)। এই মেগা টুর্নামেন্টের জন্য প্রথম দফায় ২০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা করেছিল বিসিসিআই (BCCI)। এর পর আরও ৫০টি ম্যাচের সূচি ঘোষণা করা হল। ফাইনাল ৩১ মে। বৃহস্পতিবার বিসিসিআইয়ের তরফে ঘোষণা করা হল, আগামী ২৪ মে পর্যন্ত চলবে আইপিএলের গ্রুপ পর্বের খেলা। তার পরের সপ্তাহে প্লে অফ এবং ফাইনাল খেলা হবে। সবমিলিয়ে ৫০টি ম্যাচ খেলা হবে দেশের ১২টি স্টেডিয়ামে।

    ভোট দেখে ম্যাচ ইডেনে 

    প্রসঙ্গত, চলতি বছর পশ্চিমবঙ্গ সহ পাঁচ রাজ্যে চলবে বিধানসভা ভোট। সেই কারণে প্রথম দফায় ২০টি ম্যাচের কথা ঘোষণা করেছিল বিসিসিআই (BCCI)। এদিকে বাংলায় দু’দফায় ভোটের কারণে হোম ম্যাচগুলিও সেইভাবে রাখা হয়েছে। কারণ, ভোটের দিনের খেলা থাকলে পুলিশ পাওয়া নাও যেতে পারে। সেই কারণে ভোটের সময়সূচি অনুযায়ী ম্যাচ রাখা হয়েছে ইডেনে। টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় দিনেই মাঠে নামছে কেকেআর।

    ইডেনে খেলবেন না বিরাট

    অ্যাওয়ে ম্যাচে খেলতে নামবে নাইট ব্রিগেড। ২৯ মার্চ কেকেআরের প্রতিপক্ষ মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। গ্রুপ পর্বের একেবারে শেষ ম্যাচটিও খেলবে কেকেআর। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে খেলে গ্রুপ পর্ব শেষ হবে অজিঙ্ক রাহানেদের। অর্থাৎ দরকার পড়লে প্লে অফে ওঠার যাবতীয় অঙ্ক, যাবতীয় হিসাবনিকাশ মাথায় রেখে খেলতে পারবে নাইটরা। কিন্তু আসন্ন আইপিএলে বিরাট কোহলি এবং মহেন্দ্র সিং ধোনির খেলা দেখতে পাবেন না কলকাতার ক্রিকেটপ্রেমীরা। কারণ রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে গ্রুপ পর্বে একটাই ম্যাচ খেলবে কেকেআর। সেই ম্যাচ খেলা হবে বিরাটদের দ্বিতীয় ঘরের মাঠ রায়পুরে। অন্যদিকে ধোনিদের দুর্গ চিপকে খেলতে নামবে নাইটরা।

    আইপিএলে কেকেআর (KKR)-এর পূর্ণাঙ্গ সূচি…

    ইডেনে নাইটদের খেলা:

    • ● ২ এপ্রিল কেকেআর বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ৬ এপ্রিল কেকেআর বনাম পাঞ্জাব কিংস (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ৯ এপ্রিল কেকেআর বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৯ এপ্রিল কেকেআর বনাম রাজস্থান রয়্যালস (কলকাতা, সময় দুপুর ৩.৩০)
    • ● ১৬ মে কেকেআর বনাম গুজরাট টাইটান্স (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ২০ মে কেকেআর বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ২৪ মে কেকেআর বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস (কলকাতা, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)

    নাইটদের অ্যাওয়ে ম্যাচ:

    • ● ২৯ মার্চ কেকেআর বনাম মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (ওযাংখেড়ে, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৪ এপ্রিল কেকেআর বনাম চেন্নাই সুপার কিংস (চেন্নাই, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৭ এপ্রিল কেকেআর বনাম গুজরাট টাইটান্স (আহমেদাবাদ, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ২৬ এপ্রিল কেকেআর বনাম লখনউ সুপার জায়ান্টস (লখনউ, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ৩ মে কেকেআর বনাম সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (হায়দরাবাদ, সময় দুপুর ৩.৩০)
    • ● ৮ মে কেকেআর বনাম দিল্লি ক্যাপিটালস (দিল্লি, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
    • ● ১৩ মে কেকেআর বনাম রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (রায়পুর, সময় সন্ধ্যা ৭.৩০)
  • S-400 Missile System: অপারেশন সিদুঁর-এর প্রথম বর্ষপূর্তির সময়েই ভারতের হাতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০!

    S-400 Missile System: অপারেশন সিদুঁর-এর প্রথম বর্ষপূর্তির সময়েই ভারতের হাতে আসছে চতুর্থ এস-৪০০!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা (Air Defence) শক্তিকে আরও মজবুত করতে আগামী মে মাসেই দেশে পৌঁছতে চলেছে অত্যাধুনিক এস-৪০০ মিসাইল প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার (S-400 Missile System) চতুর্থ স্কোয়াড্রন। প্রতিরক্ষা মহলের মতে, এই ডেলিভারির সময়সূচি ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর প্রথম বর্ষপূর্তির (Operation Sindoor Anniversary) সঙ্গে মিলতে পারে—যে অভিযানে এস-৪০০ (ভারতে সুদর্শন নামে পরিচিত) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিল।

    সূত্রের খবর, রাশিয়ার সঙ্গে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী, পঞ্চম ও শেষ স্কোয়াড্রনটি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ ভারতে পৌঁছবে। এর ফলে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দূরপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সম্পূর্ণ সেট ভারতের হাতে চলে আসবে। ২০১৮ সালে প্রায় ৩৫,০০০ কোটি টাকার বিনিময়ে রাশিয়ার কাছ থেকে পাঁচটি এস-৪০০ স্কোয়াড্রন কেনার চুক্তি করে ভারত। ইতিমধ্যে তিনটি স্কোয়াড্রন দেশে এসে অপারেশনাল হয়েছে, যা ভারতের বহুস্তরীয় এয়ার ডিফেন্স নেটওয়ার্কের (Multi-Layered Air Defence Network) গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হিসেবে কাজ করছে।

    কৌশলগত মোতায়েন

    বর্তমানে মোতায়েন হওয়া এস-৪০০ (S-400 Missile System) ইউনিটগুলি দেশের সবচেয়ে সংবেদনশীল এলাকাগুলিতে স্থাপন করা হয়েছে। একটি স্কোয়াড্রন শিলিগুড়ি করিডরে মোতায়েন রয়েছে, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের একমাত্র সংযোগ রক্ষা করে। অন্য একটি স্কোয়াড্রন পঠানকোট অঞ্চলে অবস্থান করছে, যা জম্মু ও কাশ্মীর ও পাঞ্জাবের আকাশসীমায় নজরদারি জোরদার করেছে। তৃতীয় স্কোয়াড্রন মোতায়েন রয়েছে পশ্চিম সীমান্তে—রাজস্থান ও গুজরাটের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিকে সুরক্ষিত রাখতে।

    অপারেশন সিদুঁর-এ কার্যকারিতা

    ‘অপারেশন সিদুঁর’-এর সময় এস-৪০০ সিস্টেমের কার্যকারিতা স্পষ্টভাবে সামনে আসে। দেশীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে এটি শত্রুপক্ষের আকাশপথে আসা হুমকি প্রতিহত করতে সক্ষম হয়। এই অভিযান ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতির এক গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হিসেবেও বিবেচিত হয়েছে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অভিযানের বর্ষপূর্তির (Operation Sindoor Anniversary) সময় নতুন স্কোয়াড্রনের আগমন কেবল প্রতীকী নয়, বরং কৌশলগত দিক থেকেও তাৎপর্যপূর্ণ।

    চিনের সঙ্গে উত্তেজনার পর গতি পায় আধুনিকীকরণ

    ২০২০ সালের লাদাখ সংঘাত ভারতের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় একটি টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করে। সীমান্তে দীর্ঘমেয়াদি উত্তেজনা স্পষ্ট করে দেয় যে, ভবিষ্যতের যুদ্ধক্ষেত্রে এয়ার সুপিরিয়রিটি ও মিসাইল ডিফেন্স অপরিহার্য উপাদান। চিনের সঙ্গে সংঘাতের পর থেকেই ভারত তার আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালী করার দিকে বিশেষ জোর দেয়। সেই প্রেক্ষিতে এস-৪০০-এর (S-400 Missile System) দ্রুত মোতায়েন ও কার্যকরীকরণ গুরুত্ব পায়।

    এস-৪০০: কী এর বিশেষত্ব

    এস-৪০০ একটি অত্যাধুনিক দীর্ঘপাল্লার ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা। এটি প্রায় ৬০০ কিলোমিটার দূর থেকে শত্রু লক্ষ্য শনাক্ত করতে পারে এবং ৪০০ কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। এই সিস্টেম একসঙ্গে একাধিক লক্ষ্য—ফাইটার জেট, ব্যালিস্টিক মিসাইল, ক্রুজ মিসাইল ও ড্রোন—ট্র্যাক ও ধ্বংস করতে পারে। প্রতিটি স্কোয়াড্রনে প্রায় ১৬টি যান থাকে, যার মধ্যে রয়েছে মিসাইল লঞ্চার, উন্নত রেডার, কমান্ড ও কন্ট্রোল ইউনিট এবং সহায়ক ব্যবস্থা।

    সম্পূর্ণ হলে কী বদলাবে

    সব পাঁচটি এস-৪০০ (S-400 Missile System) স্কোয়াড্রন যুক্ত হলে ভারতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসবে। দেশীয় ‘আকাশ’ মিসাইলসহ অন্যান্য প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সঙ্গে সমন্বয়ে এটি একটি শক্তিশালী বহুস্তরীয় নিরাপত্তা বলয় তৈরি করবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর ফলে ভারতের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে এবং সম্ভাব্য শত্রুপক্ষের আগ্রাসন অনেকটাই নিরুৎসাহিত হবে। চতুর্থ স্কোয়াড্রনের আগমন (Operation Sindoor Anniversary) ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তি বৃদ্ধির পথে আরেকটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ২০২৬ সালের মধ্যে পুরো সিস্টেম চালু হলে দেশের আকাশসীমা সুরক্ষায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হবে।

  • Fuel Price: জনগণের স্বস্তি, স্থিতিশীল দাম! পেট্রল-ডিজেলের অন্তঃশুল্ক কমিয়ে বিরাট পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    Fuel Price: জনগণের স্বস্তি, স্থিতিশীল দাম! পেট্রল-ডিজেলের অন্তঃশুল্ক কমিয়ে বিরাট পদক্ষেপ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আবহে বড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রীয় সরকার। পেট্রোল-ডিজেলে (Petrol-Diesel) কমানো হল অতিরিক্ত আবগারি শুল্ক বা স্পেশাল অ্যাডিশনাল এক্সাইজ ডিউটি (Special Additional Excise Duty)। অন্য সময়ে এই আবগারি শুল্ক কমানো হলে, পেট্রোল পাম্পগুলিতে ভিড় লেগে যেত। দাম কমে যেত পেট্রোল-ডিজেলের। তবে এবার ব্যতিক্রম। আজ, শুক্রবার (২৭ মার্চ) কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রোলের উপরে স্পেশাল অ্যাডিশনাল এক্সাইজ ডিউটি কমিয়ে প্রতি লিটারে ৩ টাকা করা হয়। ডিজেলের উপরে এই আবগারি শুল্ক সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়েছে। মোট ১০ টাকা করে শুল্ক কমানো হয়েছে। মোদি সরকারের এই সিদ্ধান্তের পর পেট্রলের উপর চাপানো শুল্ক ১৩ টাকা থেকে কমে দাঁড়াল ৩ টাকা।

    বিশ্ববাজারে তেলের দাম লাগাতার বৃদ্ধি

    পশ্চিম এশিয়ায় অস্থিরতার কারণে বর্তমানে ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১৪৯ ডলারে পৌঁছে গিয়েছে। বিশ্ববাজারে গত কয়েক সপ্তাহে তেলের দাম লাগাতার বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে ভারতের অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলি পেট্রোল-ডিজেলের দাম বিশেষ একটা বাড়ায়নি। দাম বেড়েছে প্রিমিয়াম জ্বালানির। এছাড়া নায়ারা এনার্জি তাদের পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়িয়েছে। এই আবহে কেন্দ্রের আবগারি শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত।

    দেশে বাড়বে না জ্বালানির দাম!

    ওয়াকিবহাল মহল বলছে, রিটেল প্রাইজ অর্থাৎ যে দামে সাধারণ মানুষ পেট্রোল-ডিজেল কেনে, তা কমানোর বদলে আবগারি শুল্ক কমানো হয়েছে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি থেকে অয়েল মার্কেটিং সংস্থাগুলিকে সুরক্ষা দিতেই। এতে জ্বালানির দাম কমার বদলে বরং যে দাম বর্তমানে রয়েছে, তা যাতে আর না বাড়ে, তার চেষ্টাই করা হবে। নায়ারা এনার্জির পেট্রোল-ডিজেলের দাম বৃদ্ধিও সেই কারণেই হয়েছে। এতে স্পষ্ট যে বিশ্ব বাজারে জ্বালানির দাম বাড়ায়, দেশীয় সংস্থাগুলির উপরেও চাপ বাড়ছে। তবে সরকারের এই আবগারি শুল্ক ছাড় দেওয়ায় আপাতত আর জ্বালানির দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

    কেন এই সিদ্ধান্ত

    বিভিন্ন সূত্রে খবর, অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্তে সরাসরি সাধারণ মানুষের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা কমই। দেশের তেল বিপণনকারী সংস্থাগুলি (ওএমসি)-র ক্ষতি লাঘব করতে এই সিদ্ধান্ত। এর ফলে সরকার রাজস্বও হারাবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ভারতীয় সংস্থাগুলি যে অপরিশোধিত তেল আমদানি করে, তার উপর সরকার অন্তঃশুল্ক নেয়। গত বছরই সেই শুল্ক বাড়িয়েছিল মোদি সরকার। যুদ্ধ পরিস্থিতিতে বিশ্ব বাজারে তেলের দাম ব্যারেল প্রতি অনেকটাই বেড়ে গিয়েছে। তবে ভারতের বাজারে এখনও পর্যন্ত সাধারণ পেট্রল, ডিজেলের দাম বাড়েনি। এর ফলে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে অনেকটাই ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই ক্ষতির ধাক্কা সামলে নিতেই অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

    জনগণের স্বার্থে সিদ্ধান্ত

    কেন অন্তঃশুল্ক কমানোর পথে হাঁটল সরকার? কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিংহ পুরী জানিয়েছেন, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সরকারে কাছে দু’টি পথ খোলা ছিল। এক, অন্য দেশের মতো ভারতে পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়িয়ে দেওয়া। আর দুই, আর্থিক ক্ষতি মেনে নিয়ে দেশবাসীকে মূল্যবৃদ্ধির থেকে রক্ষা করা। মোদি সরকার দ্বিতীয় পথটা বেছে নিয়েছে বলে জানান পুরী। ইরান-ইজরায়েল-আমেরিকা যুদ্ধের আবহে আন্তর্জাতিক বাজারে চড়চড় করে বাড়তে পারে পেট্রোল ডিজেলের দাম। আর তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চড়তে পারে দেশের মধ্যেও জ্বালানির দর। তবে এই মুহূর্তে এই কোপ যাতে দেশের মানুষের ঘাড়ে না পড়ে, তার জন্য বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। আর তার জেরে কমে যেতে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম! মনে করা হচ্ছে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম উত্তুঙ্গ হওয়ার আশঙ্কা থেকে মুক্তি মিলবে। না কমলেও থিতু থাকতে পারে পেট্রোল-ডিজেলের দাম।

    কমল বিমানের জ্বালানির দামও

    পেট্রোল-ডিজেলের সঙ্গেই এভিয়েশন টার্বাইন ফুয়েলের উপর অন্তঃশুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। প্রতি লিটারে ৫০ টাকা অন্তঃশুল্ক কমে হল ২৯ টাকা ৫০ পয়সা। জ্বালানির দাম বাড়ায় যাতে বিমানের টিকিটের দাম না বাড়ে, সেদিকে তাকিয়ে পদক্ষেপ কেন্দ্রের। বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী, একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কারণ এই সিদ্ধান্তের পেছনে কাজ করেছে। প্রথমত, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ। জ্বালানির দাম বাড়লে তার সরাসরি প্রভাব পড়ে পরিবহণ খরচে। ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামও বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে শুল্ক কমিয়ে সরকার সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি কমানোর চেষ্টা করছে।

    গ্যাসের সংকটও হবে না

    ইরানের উপর আমেরিকা-ইজরায়েলের হামলা এবং তেহরানের প্রত্যাঘাতের আগে ভারতের অপরিশোধিত তেল আমদানির অর্ধেকেরও বেশি সৌদি আরব ও ইউএই-র মতো পশ্চিম এশিয়ার দেশগুলি থেকে আসত। তবে আমেরিকা এবং ইজরায়েলের হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালী কার্যত অবরুদ্ধ রেখেছিল। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা বদলেছে। কয়েকটি দেশের জাহাজ পারাপারের ‘অনুমতি’ দিয়েছে ইরান। সেই তালিকায় রয়েছে ভারতের কয়েকটি জাহাজও। তবে উৎকণ্ঠা কাটছে না। এরই মধ্যে মোদি সরকার বার বার আশ্বস্ত করছে, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণ তেল বা গ্যাস মজুত রয়েছে। ভারতে কত দিনের তেল এবং গ্যাস মজুত রয়েছে, তার পরিসংখ্যানও দিয়েছে কেন্দ্র। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, দেশে যা অশোধিত তেল মজুত রয়েছে, তা দিয়ে ৬০ দিনের চাহিদা মেটানো যাবে। এই সময়ের মধ্যে বিশ্বে বড় কোনও সঙ্কট হলেও তেলের জোগান ব্যাহত হবে না বলে আশ্বস্ত করা হয়েছে। এ-ও জানানো হয়েছে, আমেরিকা, রাশিয়ার মতো দেশ থেকে গ্যাসবাহী জাহাজ খুব শীঘ্রই ভারতের বন্দরগুলিতে ঢুকবে। ইতিমধ্যেই ৮০০ হাজার মেট্রিক টন গ্যাস আমদানি সুনিশ্চিত হয়ে গিয়েছে। সে ক্ষেত্রে এক মাস পরেও গ্যাসের সঙ্কট হবে না।

  • Waqf Properties: ‘উমিদ’ সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় বাতিল বাংলার ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি

    Waqf Properties: ‘উমিদ’ সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় বাতিল বাংলার ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল শাসিত বঙ্গে ‘উমিদ’ (UMEED) সেন্ট্রাল পোর্টালে যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় ৩,৫০৯টি ওয়াকফ সম্পত্তি (Waqf Properties) বাতিল করা হয়েছে। পোর্টালটিতে আপলোড করা হয়েছিল মোট ৮৫,১১০টি ওয়াকফ সম্পত্তি। তার মধ্যে মাত্র ১৮,৪৯৭টি সম্পত্তি যাচাই ও অনুমোদিত হয়েছে। রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যের প্রশ্নের উত্তরে একথা জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রক। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মোট ৮০,৫৪৮টি ওয়াকফ সম্পত্তির মধ্যে মাত্র ২৩,০৯১টি উমিদ পোর্টালে আপলোড করা হয়েছিল। এর কারণ জানতে চান বিজেপি সাংসদ। জানতে চান, ঘটনায় দায়ী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    শমীকের প্রশ্ন (Waqf Properties)

    শমীক জানতে চান, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫ তারিখে পোর্টাল বন্ধ হওয়ার আগে কেন মাত্র ২৩,০৯১টি সম্পত্তি আপলোড করা হয়েছিল? এটি উমিদ কাঠামোর নির্ধারিত সময়সীমা লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে কিনা। তাঁর প্রশ্ন, একাধিক পর্যালোচনা ও ক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্যোগ থাকা সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ ওয়াকফ বোর্ড কেন (Waqf Properties) এত কম সংখ্যক সম্পত্তি আপলোড করেছে? বিজেপির এই সাংসদ এও জানতে চান, নির্ধারিত সময়ে আপলোড না হওয়া সম্পত্তিগুলির আইনি অবস্থান কী? ভবিষ্যতেই বা কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে? দায়ী কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিনা, তাও জানতে চান তিনি।

    কী বললেন কিরেন রিজিজু

    সংখ্যালঘু বিষয়ক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু জানান, ৬ জুন ২০২৫ তারিখে উমিদ সেন্ট্রাল পোর্টাল চালু হয়। সংশোধিত আইনের আওতায় রেজিস্ট্রিকৃত সমস্ত ওয়াকফ সম্পত্তির তথ্য ৬ মাসের মধ্যে আপলোড করা বাধ্যতামূলক ছিল। প্রয়োজনে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনাল আরও ৬ মাস সময় বাড়াতে পারত। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর ওই দিন রাত্রি ১১:৫৯-এ পোর্টাল বন্ধ করা হয়। তিনি বলেন, “প্রথম ৬ মাসে পশ্চিমবঙ্গ থেকে ২৩,০৯১টি সম্পত্তির তথ্য (Waqf Properties) আপলোড করা হয়েছিল। এর মধ্যে ৭১৬টি অনুমোদিত হয় এবং ১৬১টি বাতিল করা হয়, বাকিগুলি বিভিন্ন পর্যায়ে ছিল। পরে ওয়াকফ ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গের জন্য সময় বাড়ানো হয়। পরে ফের পোর্টাল খোলা হয়েছে। খোলা থাকবে ২৪ জুন ২০২৬ পর্যন্ত। ১৭ মার্চ, ২০২৬ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, মোট ৮৫,১১০টি সম্পত্তি আপলোড হয়েছে, যার মধ্যে ১৮,৪৯৭টি অনুমোদিত এবং ৩,৫০৯টি বাতিল হয়েছে। মন্ত্রক জানিয়েছে, আপলোডিং, যাচাই ও অনুমোদনের কাজ এখনও চলছে।চূড়ান্ত তথ্য যেমন, মামলা, দখলদারিত্ব, শ্রেণিবিভাগ, সম্পত্তির মূল্য ইত্যাদি—সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত নির্ধারণ করা যাবে না (Waqf Properties)।

    অমিত মালব্যর প্রশ্ন

    এদিকে, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য প্রশ্ন তোলেন, “এত বড় সংখ্যক সম্পত্তি যাচাইয়ে কেন বাতিল হল? তাহলে কি তথ্যগত ত্রুটি ছিল, নাকি কারচুপি হয়েছে, নাকি নথিপত্র অসম্পূর্ণ ছিল?” প্রশাসনিক ব্যর্থতার জন্য দায়ী ব্যক্তিদের জবাবদিহিও দাবি করেন তিনি। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের ৩ জুলাই “ইউনিফায়েড ওয়াকফ ম্যানেজমেন্ট, এমপাওয়ারমেন্ট, এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট রুলস, ২০২৫” জারি করা হয়। ওয়াকফ (সংশোধনী) আইন, ২০২৫-এর অধীনে এই ডিজিটাল ব্যবস্থার লক্ষ্য ছিল, রেকর্ড ডিজিটাইজেশন, নজরদারি বৃদ্ধি, অডিট দ্রুত করা এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা।

     

  • Nitin Nabin: লক্ষ্য এবার নবান্ন! ২০২৬-এ বাংলায় পরিবর্তনের ডাক, আত্মবিশ্বাসী নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: লক্ষ্য এবার নবান্ন! ২০২৬-এ বাংলায় পরিবর্তনের ডাক, আত্মবিশ্বাসী নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) পাখির চোখ করে বাংলায় ব্যাপক প্রচার অভিযান চালিয়েছে বিজেপি। সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর সফরের শুরুতেই জয়ের ব্যাপারে প্রবল আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “বাংলায় পরিবর্তনের সময় চলে এসেছে এবং আগামী নির্বাচনে বিজেপি একক শক্তিতেই সরকার গড়বে।”

    সংগঠন মজবুত করার কৌশল (Nitin Nabin)

    সফরের প্রথম দিন থেকেই নিতিন নবীন (Nitin Nabin) কলকাতা জোনের নেতাদের (West Bengal Elections 2026)  সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক শুরু করেছেন। সূত্রের খবর, বুথ স্তর থেকে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি নিচুতলার কর্মীদের মনোবল বাড়ানোই তাঁর এই সফরের প্রধান উদ্দেশ্য। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, দলের প্রতিটি কর্মীকে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে সরকারের ব্যর্থতাগুলি তুলে ধরতে হবে।

    জয়ের পূর্বাভাস ও রণকৌশল

    সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) বলেন, “বাংলায় মানুষ এখন এক বিকল্প শাসনের অপেক্ষায়। আমরা কেবল লড়াই করার জন্য নয়, জয়ের মানসিকতা নিয়ে ময়দানে নেমেছি। ২০২৬-এ বাংলায় পদ্ম ফুটবেই (West Bengal Elections 2026) ।” তিনি আরও জানান যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনকল্যাণমুখী প্রকল্প এবং ‘টিম ইন্ডিয়া’র ভাবাবেগই হবে বিজেপির তুরুপের তাস।

    তৃণমূলের পাল্টা জবাব

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) এই সফর এবং মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নির্বাচনের আগে দিল্লি থেকে নেতাদের আসা বাংলার মানুষের কাছে নতুন কিছু নয়। তৃণমূলের দাবি, বাংলার মাটি ও সংস্কৃতির সঙ্গে সাধারণ মানুষের নাড়ির টান কেবল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছে।

    কেন এই সফর গুরুত্বপূর্ণ?

    বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব ২০২৬-এর আগে বাংলায় (West Bengal Elections 2026)  কোনও ফাঁক রাখতে চাইছে না। নিতিন নবীনের মতো অভিজ্ঞ সংগঠককে দায়িত্ব দেওয়া এটাই প্রমাণ করে যে, এবারের লড়াইকে বিজেপি অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। বিশেষ করে আসন বিন্যাস এবং প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে তিনি যে কঠোর পেশাদারিত্ব বজায় রাখবেন, তার ইঙ্গিত ইতিমধ্য়েই পাওয়া গেছে।

  • Ratna Debnath: ‘‘আর মুখ ঢেকে নয়…’’ আদালতের অনুমতি নিয়ে ৫৯৪ দিন পরে প্রকাশ্যে ‘অভয়ার মা’ রত্না দেবনাথ

    Ratna Debnath: ‘‘আর মুখ ঢেকে নয়…’’ আদালতের অনুমতি নিয়ে ৫৯৪ দিন পরে প্রকাশ্যে ‘অভয়ার মা’ রত্না দেবনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আইনি জটিলতার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রকাশ্যে এলেন আরজিকরকাণ্ডের নির্যাতিতা ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথ। ৫৯৪ দিন পর সামনে এসে সাংবাদিকদের জানালেন মেয়ের ন্যায় বিচারের দাবি। আরজিকরে নিজের মেয়েকে হারানোর পর অন্তরাল থেকেই ন্যায় বিচারের জন্য লড়াই করছিলেন। অবশেষে রাজনৈতিক ময়দানে সম্মুখ সমরে তিনি। ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের রণদামামা বেজে উঠতেই রাজনৈতিক পারদ চড়তে শুরু করেছে। এবারের নির্বাচনে অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে পানিহাটি (Panihati BJP Candidate) বিধানসভা আসনটি। বিজেপি সেখানে প্রার্থী করেছে আরজি করের নির্যাতিতা ‘অভয়া’র মা রত্না দেবনাথকে (Ratna Debnath)। বুধবার দলের তৃতীয় তালিকায় তাঁর নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই শুরু হয়েছে জোরদার চর্চা। এবার সংবাদমাধ্যমের সামনে ‘অভয়া’র বাব-মা।

    “অভয়ার মা” থেকে রত্না দেবনাথ

    একসময় গোটা রাজ্যের কাছে তিনি পরিচিত ছিলেন শুধু “অভয়ার মা” বা “তিলোত্তমার মা” হিসেবে। তবে সেই পরিচয়ের গণ্ডি পেরিয়ে এবার নিজের নামেই সামনে আসতে চলেছেন তিনি—রত্না দেবনাথ। আর মুখ ঢেকে নয়, এবার প্রকাশ্যেই লড়াই লড়বেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রত্না দেবনাথ জানান, আদালতের অনুমতি নিয়েই তিনি সামনে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, “এবার আর মুখ ঢেকে নয়, সরাসরি লড়াই হবে।” তিনি আরও জানান, আদালত তাঁর নাম প্রকাশের অনুমতিও দিয়েছে।

    অন্যদিকে, বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীও জানিয়েছেন, অভয়ার বাবা-মাকে প্রকাশ্যে আসার অনুমতি দিয়েছে আদালত। ফলে তাঁদের নাম প্রকাশ বা মুখ দেখানো নিয়ে আর কোনও আইনি বাধা নেই। অভয়ার বাবা জানান, এই বিষয়ে তাঁরা মানবাধিকার কমিশন ও মহিলা কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালতের নির্দেশ পাওয়ার পর এখন তাঁরা স্বেচ্ছায় নিজেদের পরিচয় প্রকাশ করতে চান। তাঁদের কাছে আদালতের নির্দেশের কপিও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

    আদালত থেকে নির্বাচনী ময়দান (Panihati BJP Candidate)

    সাধারণত, ধর্ষণের মামলায় নির্যাতিতার পরিচয় নাম, ঠিকানা, বাবা মায়ের নাম প্রকাশ করা যায় না। গত দেড় বছরে ন্যায় বিচারের লড়াইতে নিজের নাম আর মুখকে আড়ালে রেখেই আন্দোলনে ছিলেন। এবার আইনি জটিলতা এবং আদালতের অনুমতি নিয়ে প্রকাশ্যে বিজেপির প্রার্থী হয়ে লড়বেন। এদিন সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath), আদালতের নির্দেশের ওপর তাঁর পূর্ণ আস্থা রয়েছে এবং আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি এখন তিনি জনতা জনার্দনের দরবারে বিচার চাইতে এসেছেন। বিজেপি প্রার্থী (Panihati BJP Candidate) হয়ে তিনি বলেন, “মেয়ের বিচার এবং রাজ্যের মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করাই আমার একমাত্র লক্ষ্য। পানিহাটির মানুষ আমার সঙ্গে আছেন।”

    শুভেন্দু অধিকারীর প্রতিক্রিয়া

    এই হাই-প্রোফাইল বিজেপি প্রার্থীকে (Panihati BJP Candidate) নিয়ে রাজ্য রাজনীতির অলিন্দে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রত্না দেবনাথের লড়াইকে কুর্নিশ জানিয়ে বলেছেন, “রত্না দেবী (Ratna Debnath) কেবল একজন মা নন, তিনি অন্যায়ের বিরুদ্ধে এক প্রতিবাদের প্রতীক। পানিহাটিতে তাঁকে জেতানো মানেই বিচারহীনতার বিরুদ্ধে লড়াইকে জয়ী করা।” শুভেন্দু আরও যোগ করে বলেন, “আদালত তার কাজ করছে, কিন্তু রাজনৈতিকভাবে এই অপশাসনের জবাব দেবে বাংলার মানুষ।”

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    ২০২৪ সালের অগাস্ট মাসে আরজি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নৃশংস ঘটনার পর থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ আছড়ে পড়েছিল। সেই সময় থেকেই নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থেকেছে বিজেপি (Panihati BJP Candidate)। এখন রত্না দেবনাথকে প্রার্থী করে বিজেপি সেই প্রতিবাদের স্বরকেই বিধানসভায় নিয়ে যেতে চাইছে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, বামফ্রন্ট এই আসনে কলতান দাশগুপ্তকে প্রার্থী করায় লড়াই এবার ত্রিমুখী এবং বেশ কঠিন হতে চলেছে। পানিহাটির সাধারণ মানুষ এই নতুন সমীকরণকে কীভাবে গ্রহণ করেন, এখন সেটাই দেখার। আগামী ২৩ ও ২৯ এপ্রিল দুই দফায় রাজ্যে ভোটগ্রহণ হতে চলেছে।

  • Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    Delhi Crime Branch: পাকিস্তান-বাংলাদেশ অস্ত্রপাচার চক্রের হদিশ! দিল্লি পুলিশের জালে ১০ পাচারকারী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি পুলিশের (Delhi Crime Branch) জালে এক বড় আন্তর্জাতিক অস্ত্র পাচার চক্র। পুরনো দিল্লির ওয়ার্ল্ড সিটি এলাকা থেকে পরিচালিত এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত ১০ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। অভিযানে উদ্ধার হয়েছে ২১টি অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র এবং ২০০-রও বেশি কার্তুজ। ডিসিপি সঞ্জীব যাদবের নেতৃত্বে চালানো এই অভিযানে পাকিস্তান, নেপাল ও বাংলাদেশের (Pakistan-Bangladesh Arms Trail) সঙ্গে যুক্ত একটি সুসংগঠিত পাচার রুটের সন্ধান মিলেছে। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে একটি চেক প্রজাতন্ত্র-নির্মিত সাবমেশিন গান এবং বেরেটা, ওয়ালথার, টরাস ও সিজেড-এর মতো আন্তর্জাতিক সংস্থার তৈরি একাধিক সেমি-অটোমেটিক পিস্তল। এছাড়া একটি উচ্চমানের পিএক্স৫.৭ পিস্তলও উদ্ধার হয়েছে, যা সাধারণত এলিট ট্যাকটিক্যাল ইউনিটে ব্যবহৃত হয়।

    পাকিস্তান থেকে নেপাল হয়ে দিল্লি

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অস্ত্রগুলি পাকিস্তান থেকে পাচার হয়ে নেপাল সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে ঢুকত এবং সেখান থেকে দিল্লিতে আনা হত। পুরনো দিল্লির ঘনবসতিপূর্ণ এলাকাকে গুদাম ও বিতরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হত। তদন্তকারীদের মতে, এই চক্রের কাছে এত উন্নতমানের অস্ত্রের উপস্থিতি এই নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি ও উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলছে। এই চক্রটি দিল্লি-এনসিআর সহ উত্তর ভারতের বিভিন্ন সংগঠিত অপরাধচক্রে অস্ত্র সরবরাহ করত। অর্থাৎ, আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহকারী ও স্থানীয় অপরাধ জগতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করছিল এই নেটওয়ার্ক। তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, পুরনো দিল্লির জটিল ও ঘিঞ্জি গলিপথকে কাজে লাগিয়ে চক্রটি দীর্ঘদিন ধরেই নজর এড়িয়ে কার্যকলাপ চালিয়ে আসছিল।

    সংগঠিত অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা

    পুলিশের মতে, এই অভিযানে উত্তর ভারতের অপরাধ জগতে বড় ধাক্কা লেগেছে। কারণ, বহু অপরাধচক্র এই নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভরশীল ছিল। এখন তদন্তকারীরা উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলি কাদের কাছে যেত, তা খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি, এই চক্রের আর্থিক লেনদেন এবং আন্তর্জাতিক যোগসূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এছাড়াও, এই নেটওয়ার্কের সঙ্গে কোনো স্লিপার সেল বা দেশবিরোধী গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুরো চক্রের মূল পান্ডাদের খোঁজ এবং নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি বোঝার চেষ্টা চলছে। পাকিস্তান-নেপাল-বাংলাদেশ সংযুক্ত এই অস্ত্র পাচার চক্র ভাঙার ঘটনায় আবারও সামনে এল সীমান্ত পেরিয়ে চলা অপরাধের জাল।

LinkedIn
Share