Blog

  • Ramakrishna 232: “বায়ুতে সুগন্ধ দুর্গন্ধ সবরকমই থাকে, কিন্তু বায়ু নিজে নির্লিপ্ত…সৃষ্টিই এইরকম; ভালমন্দ, সদসৎ”

    Ramakrishna 232: “বায়ুতে সুগন্ধ দুর্গন্ধ সবরকমই থাকে, কিন্তু বায়ু নিজে নির্লিপ্ত…সৃষ্টিই এইরকম; ভালমন্দ, সদসৎ”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৫ই জুন

    দক্ষিণেশ্বরে দশহরাদিবসে গৃহস্থাশ্রমকথা-প্রসঙ্গে

    রাখাল, অধর, মাস্টার, রাখালের বাপ, বাপের শ্বশুর প্রভৃতি 

    একজন ভক্ত—ঈশ্বর (Ramakrishna) যদি সবই করছেন, তবে ভালমন্দ, পাপ-পুণ্য—এ-সব বলে কেন? পাপও তাহলে তাঁর ইচ্ছা?

    রাখালের বাপের শ্বশুর—তাঁর ইচ্ছা আমরা কি করে বুঝব?

    “Thou Great First Cause least understood”— Pope.

    শ্রীরামকৃষ্ণ—পাপ-পুণ্য আছে, কিন্তু তিনি নিজে নির্লিপ্ত। বায়ুতে সুগন্ধ দুর্গন্ধ সবরকমই থাকে, কিন্তু বায়ু নিজে নির্লিপ্ত। তাঁর সৃষ্টিই এইরকম; ভালমন্দ, সদসৎ; যেমন গাছের মধ্যে কোনটা আমগাছ, কোনটা কাঁঠালগাছ, কোনটা আমরাগাছ। দেখ না দুষ্ট লোকেরও প্রয়োজন আছে। যে-তালুকের প্রজারা দুর্দান্ত, সে-তালুকে একটা দুষ্ট লোককে পাঠাতে হয়, তবে তালুকের শাসন হয়।

    আবার গৃহস্থাশ্রমের (Kathamrita) কথা পড়িল।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (ভক্তদের প্রতি)—কি জানো, সংসার করলে মনের বাজে খরচ হয়ে পড়ে। এই বাজে খরচ হওয়ার দরুন মনের যা ক্ষতি হয়, সে ক্ষতি আবার পূরণ হয়, যদি কেউ সন্ন্যাস করে। বাপ প্রথম জন্ম দেন, তারপরে দ্বিতীয় জন্ম উপনয়নের সময়। আর-একবার জন্ম হয় সন্ন্যাসের সময়। কামিনী ও কাঞ্চন এই দুটি বিঘ্ন। মেয়েমানুষে আসক্তি ঈশ্বরের পথ থেকে বিমুখ করে দেয়। কিসে পতন হয়, পুরুষ জানতে পারে না। যখন কেল্লায় যাচ্ছি, একটুও বুঝতে পারি নাই যে, গড়ানে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছি। কেল্লার ভিতর গাড়ি পৌঁছুলে দেখতে পেলুম, কত নিচে এসেছি। আহা, পুরুষদের বুঝতে দেয় না! কাপ্তেন বলে, আমার স্ত্রী জ্ঞানী! ভূতে যাকে পায়, সে জানে না যে, ভূতে পেয়েছে! সে বলে, বেশ আছি! (সকলে নিস্তব্ধ)

    “সংসারে শুধু যে কামের ভয়, তা নয়। আবার ক্রোধ আছে। কামনার পথে কাঁটা পড়লেই ক্রোধ।”

    “মাস্টার—আমার পাতের কাছে বেড়াল নুলো বাড়িয়ে মাছ নিতে আসে, আমি কিছু বলতে পারি না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কেন! একবার মারলেই বা, তাতে দোষ কি? সংসারী ফোঁস করবে! বিষ ঢালা উচিত নয়। কাজে কারু অনিষ্ট যেন না করে। কিন্তু শত্রুদের হাত থেকে রক্ষা পাবার জন্য ক্রোধের আকার দেখাতে হয়। না হলে শত্রুরা এসে অনিষ্ট করবে। ত্যাগির ফোঁসের দরকার নাই।

    একজন ভক্ত—মহাশয়, সংসারে তাঁকে পাওয়া বড়ই কঠিন দেখছি। কটা লোক এরকম হতে পারে? কি! দেখতে তো পাই না।

    শ্রীরামকৃষ্ণ(Ramakrishna)—কেন হবে না? ও-দেশে শুনেছি, একজন ডেপুটি, খুব লোক—প্রতাপ সিং; দান-ধ্যান, ঈশ্বরে ভক্তি, অনেক গুণ আছে। আমাকে লতে পাঠিয়েছিল (Kathamrita)। এইরকম লোক আছে বইকি।

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 231: “তেঁতুল মনে করলে মুখে জল সরে, পুরুষের পক্ষে স্ত্রীলোক আচার তেঁতুলের মতো”

    Ramakrishna 231: “তেঁতুল মনে করলে মুখে জল সরে, পুরুষের পক্ষে স্ত্রীলোক আচার তেঁতুলের মতো”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ ভক্তসঙ্গে দক্ষিণেশ্বর কালীবাড়িমধ্যে

    দ্বাদশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৩, ১৫ই জুন

    দক্ষিণেশ্বরে দশহরাদিবসে গৃহস্থাশ্রমকথা-প্রসঙ্গে

    রাখাল, অধর, মাস্টার, রাখালের বাপ, বাপের শ্বশুর প্রভৃতি 

    আজ দশহরা (২রা আষাঢ়), জৈষ্ঠ শুক্লা দশমী, শুক্রবার, ১৫ই জুন, ১৮৮৩। ভক্তেরা শ্রীরামকৃষ্ণকে (Ramakrishna) দর্শন করিতে দক্ষিণেশ্বর-কালীবাড়িতে আসিয়াছেন। অধর, মাস্টার দশহরা উপলক্ষে ছুটি পাইয়াছেন।

    রাখালের বাপ ও তাঁহার শ্বশুর আসিয়াছেন। বাপ দ্বিতীয় সংসার করিয়াছিলেন। ঠাকুরের নাম শ্বশুর অনেকদিন হইতে শুনিয়াছেন। তিনি সাধক লোক, শ্রীরামকৃষ্ণকে দর্শন করিতে আসিয়াছেন। ঠাকুর আহারান্তে ছোট খাটটিতে বসিয়া আছেন। রাখালের বাপের শ্বশুরকে এক-একবার দেখিতেছেন (Kathamrita)। ভক্তেরা মেঝেতে বসিয়া আছেন।

    শ্বশুর—মহাশয়, গৃহস্থাশ্রমে কি ভগবান লাভ হয়?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (সহাস্যে)—কেন হবে না? পাঁকাল মাছের মতো থাক। সে পাঁকে থাকে, কিন্তু গায়ে পাঁক নাই। আর ঘুষকীর মতো থাক। সে ঘরে-কন্নার সব কাজ করে কিন্তু  মন উপপতির উপর পড়ে থাকে। ঈশ্বরের (Ramakrishna) উপর মন ফেলে রেখে সংসারের কাজ সব কর। কিন্তু বড় কঠিন। আমি ব্রহ্মজ্ঞানীদের বলেছিলুম, যে-ঘরে আচার তেঁতুল আর জলের জালা সেই ঘরেই বিকারের রোগী! কেমন করে রোগ সারবে? আচার তেঁতুল মনে করলে মুখে জল সরে। পুরুষের পক্ষে স্ত্রীলোক আচার তেঁতুলের মতো। আর বিষয় তৃষ্ণা সর্বদাই লেগে আছে; ওইটি জলের জালা। এ তৃষ্ণার শেষ নাই। বিকারের রোগী বলে, এক জালা জল খাব! বড় কঠিন। সংসারে নানা গোল। এদিকে যাবি, কোঁস্তা ফেলে মারব; ওদিকে যাবি, ঝাঁটা ফেলে মারব; এদিকে যাবি জুতো ফেলে মারব। আর নির্জন না হলে ভগবানচিন্তা হয় না। সোনা গলিয়ে গয়না গড়ব তা যদি গলাবার সময় পাঁচবার ডাকে, তাহলে সোনা গলানো কেমন করে হয়? চাল কাঁড়ছ একলা বসে কাঁড়তে হয়। এক-একবার চাল হাত করে তুলে দেখতে হয়, কেমন সাফ হল। কাঁড়তে কাঁড়তে যদি পাঁচবার ডাকবে, ভাল কাঁড়া কেমন করে হয়?

    উপায়—তীব্র বৈরাগ্য; পূর্বকথা—গঙ্গাপ্রসাদের সহিত দেখা 

    একজন ভক্ত—মহাশয়, এখন উপায় কি?

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—আছে। যদি তীব্র বৈরাগ্য হয়, তাহলে হয়। যা মিথ্যা বলে জানছি, রোখ করে তৎক্ষণাৎ ত্যাগ কর। যখন আমার ভারী ব্যামো, গঙ্গাপ্রসাদ সেনের কাছে লয়ে গেল। গঙ্গাপ্রসাদ বললে, স্বর্ণপটপটি খেতে হবে, কিন্তু জল খেতে পাবে না; বেদানার রস খেতে পার। সকলে মনে করলে, জল না খেয়ে কেমন করে আমি থাকব। আমি রোখ কল্লুম আর জল খাব না। ‘পরমহংস’! আমি তো পাতিহাঁস নই—রাজহাঁস! দুধ খাব।

    “কিছুদিন নির্জনে থাকতে হয়। বুড়ী ছুঁয়ে ফেললে আর ভয় নাই। সোনা হলে তারপরে যেখানেই থাক। নির্জনে থেকে যদি ভক্তিলাভ (Kathamrita) হয়, যদি ভগবানলাভ হয়, তাহলে সংসারেও থাকা যায়। (রাখালের বাপের প্রতি) তাই তো ছোকরাদের থাকতে বলি। কেননা, এখানে দিন কতক থাকলে ভগবানে ভক্তি হবে। তখন বেশ সংসারে গিয়ে থাকতে পারবে।”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

    আরও পড়ুনঃ “আবার সেই সমাধি! আবার নিস্পন্দন দেহ, স্তিমিতি লোচন, দেহ স্থির

    আরও পড়ুনঃ দেখিয়াই ঠাকুর উচ্চহাস্য করিয়া ছোকরাদের বলিয়া উঠিলেন, “ওই রে আবার এসেছে”

    আরও পড়ুনঃ “ধ্যান করবার সময় তাঁতে মগ্ন হতে হয়, উপর উপর ভাসলে কি জলের নিচে রত্ন পাওয়া যায়?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Mahakumbh 2025: ১৪০০ বছর আগেও কুম্ভমেলায় এসেছিলেন চিনা পর্যটক!

    Mahakumbh 2025: ১৪০০ বছর আগেও কুম্ভমেলায় এসেছিলেন চিনা পর্যটক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজকে তীর্থরাজ (Mahakumbh 2025) বলা হয়। ১৪০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এটি চিনাদেরও কাঙ্খিত গন্তব্য হয়ে উঠেছে (Prayagraj)। এই স্থায়ী সম্পর্কের শুরু ৭ম শতকে, যখন খ্যাতনামা চিনা পর্যটক হিউয়েন সাং এই অঞ্চলে আসেন এবং এর সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও সমৃদ্ধির প্রশংসা করেন। প্রায় ১৬ বছর ধরে ভারতবর্ষ ঘুরে দেখেন তিনি।

    “সি-ইউ-কি” (Mahakumbh 2025) 

    তাঁর বই “সি-ইউ-কি”-তে হিউয়েন সাং বিশেষভাবে ৬৪৪ খ্রিষ্টাব্দে রাজা হর্ষবর্ধনের শাসনকালের প্রশংসা করেছেন। এই বইতে প্রয়াগরাজের প্রচুর শস্য, অনুকূল আবহাওয়া এবং স্বাস্থ্যকর সুবিধাগুলির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি ফলদায়ক গাছগুলির উপস্থিতি এবং এই অঞ্চলের সামগ্রিক আকর্ষণও উল্লেখ করেন। চিনা পর্যটকের শহরের নম্রতা, বুদ্ধিবৃত্তিক সাধনা এবং প্রাণবন্ত সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কে প্রশংসা আজও প্রাসঙ্গিক।

    প্রয়াগরাজের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

    প্রয়াগরাজের (Mahakumbh 2025) ঐতিহাসিক গুরুত্ব আরও স্পষ্ট হয়েছে হিউয়েন সাংয়ের বর্ণনায়, যেখানে তিনি শহরের বিশাল ধর্মীয় উৎসবের কথা বলেছেন। তাঁর বর্ণনা থেকেই জানা যায়, সেখানে ৫ লাখেরও বেশি মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। এর মধ্যে ছিলেন উপমহাদেশের বিভিন্ন কোণ থেকে আসা রাজা ও শাসকরাও। গঙ্গা ও যমুনা নদীর মধ্যে শহরের কৌশলগত অবস্থান, এর আধ্যাত্মিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হিসেবে এর গুরুত্ব তৈরিতে করতে সহায়ক ছিল।

    হিউয়েন সাং যে সব মন্দিরে গিয়েছিলেন, তার মধ্যে একটি হল পাটালপুরী মন্দির। এই মন্দির গুরুত্বপূর্ণ তার অলৌকিক বিস্ময়গুলির জন্য। হিউয়েন সাং উল্লেখ করেছেন যে ভক্তরা বিশ্বাস করতেন, মন্দিরে একটি মুদ্রা দান করা মানে হাজার মুদ্রা দান করা। মন্দিরের উঠোনে রয়েছে একটি পবিত্র গাছ, অক্ষয়বট। বিশ্বাস করা হয়, যে এর নীচে স্নান করলে পাপ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: বিগ্রহ সরিয়ে ওড়ানো হয়েছিল ইসলামি পতাকা, দখলমুক্ত গঙ্গা মন্দির

    এছাড়াও গঙ্গা, যমুনা ও পৌরাণিক সরস্বতী নদীর মিলনস্থলে প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ ভক্ত উপস্থিত হন। হিউয়েন সাং লিখেছেন, ধনী তীর্থযাত্রীরা সঙ্গমে স্নান করে তাদের ধন-সম্পদ দান করে চলে যেতেন। এই প্রাচীন প্রথা আজও বহমান, এবং মহাকুম্ভ মেলা পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ধর্মীয় সমাবেশ (Prayagraj) হিসেবে অনুষ্ঠিত হয় (Mahakumbh 2025)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Kazakhstan Plane Crash: কাজাখস্তানের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা! মৃত অন্তত ৪২, উদ্ধার দুই নাবালক সহ ২৫

    Kazakhstan Plane Crash: কাজাখস্তানের ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা! মৃত অন্তত ৪২, উদ্ধার দুই নাবালক সহ ২৫

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনেই বিষাদের খবর। ৬৭টি জন যাত্রী এবং ৫ জন ক্র সদস্য নিয়ে কাজাখস্তানে ভেঙে পড়ল একটি বিমান। প্রথমে সব যাত্রীর মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছিল। তবে শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, ১১ বছর এবং ১৬ বছরের দুই নাবালক সহ ২৫ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৪২ জন যাত্রীর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে কাজাখস্তান (Kazakhstan Plane Crash) প্রশাসন। 

    কেন এই দুর্ঘটনা

    বিমান দুর্ঘটনার খবর দেওয়া হয়েছে কাজাখস্তানের পরিবহণ মন্ত্রকের তরফে৷ তারা জানিয়েছে, যে বিমানটি ভেঙে পড়েছে, সেটি আজারবাইজান এয়ারলাইন্সের ৷ বিমানটি আজারবাইজানের রাজধানী বাকু থেকে রাশিয়ার গ্রোজনিতে যাচ্ছিল ৷ কাজাখস্তানের আকতাউ শহরের কাছে বিমানটি ভেঙে পড়ে ৷ মাঝপথে কোনও এক কারণে বিমানের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন পাইলট। দুর্ঘটনার মুহূর্তের যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, বিমানটি ক্রমশ নীচের দিকে নামতে শুরু করছিল এবং তাতে আগুন লেগে যায়। রাশিয়ার সংবাদসংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, কুয়াশার কারণে হয়তো পাইলট দিকভ্রষ্ট হয়েছিলেন। যার ফলে তিনি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন। সেই কারণেই এই দুর্ঘটনা। 

    জরুরি অবতরণের অনুরোধ

    আজারবাইজাইন এয়ারলাইন্সের তরফে জানানো হয়েছে যে এই বিমানটি কাস্পিয়ান সাগরের পূর্ব তীরে তেল ও গ্যাসের কেন্দ্র বলে পরিচিত আকাউত থেকে তিন কিলোমিটার দূরে জরুরি অবতরণ করার জন্য অনুরোধ জানায়৷ ভেঙে পড়ার আগে বিমানের পাইলট এমারজেন্সি ল্যান্ডিং-এর অনুরোধ করেছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু তিনি কোনও উত্তর পাননি। এরপর মাঝ আকাশেই কয়েক রাউন্ড চক্কর কাটার পর ভেঙে পড়ে বিমানটি। ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিমান দুর্ঘটনার একাধিক ছবি এবং ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Human Trafficking: ভিসা ছাড়াই বেআইনি ভাবে কানাডা হয়ে আমেরিকায় মানুষ পাঠানোর বড় চক্রের হদিশ ইডির

    Human Trafficking: ভিসা ছাড়াই বেআইনি ভাবে কানাডা হয়ে আমেরিকায় মানুষ পাঠানোর বড় চক্রের হদিশ ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভিসা ছাড়াই বেআইনি ভাবে ভারতীয়দের (Human Trafficking) কানাডা হয়ে আমেরিকায় পাঠানোর কাজে জড়িত একটি চক্র নিয়ে তদন্ত চালাচ্ছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টর (ইডি)। এই চক্রের সঙ্গে শুধুমাত্র এদেশেই ৩৫০০ এজেন্ট এই বেআইনী কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই হল গুজরাতের লোক। এতে বিপুল পরিমাণে আর্থিক দুর্নীতির কথাও তদন্তে উঠে এসেছে। এই অবৈধ ভাবে লোক পাঠানোর তদন্তে উঠে এসেছে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। আসুন একবার জেনে নিই।

    আমেরিকায় প্রবেশ করাতে ৫৫-৬০ লাখ টাকা নেয়া হতো (Human Trafficking)

    এক এক জনকে অবৈধ (Human Trafficking) ভাবে আমেরিকায় প্রবেশ করাতে ৫৫-৬০ লাখ টাকা করে নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্তকারী অফিসাররা। কানাডা সীমান্ত হয়ে ভারতীয়দের অবৈধ ভাবে আমেরিকায় প্রবেশ করানোর চক্রের তথ্য আগেও অনেকবার উঠে এসেছে। এবার ইডি জানিয়েছে, “এই চক্রের সঙ্গে কানাডার কিছু কলেজ এবং ভারতের বেশ কয়েকটি সংস্থা জড়িত রয়েছে। যাদের অবৈধ ভাবে আমেরিকায় প্রবেশ করানো হতো, তাদের আগেই কানাডার কলেজে ভর্তি করে দেওয়া হতো। কানাডার ১১২টি কলেজ এবং আরও ১৫০টি আলাদা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করে পাচার চক্রকে শক্তপোক্ত করা হয়েছে। তাদের জন্য কানাডার ভিসার ব্যবস্থাও করা হতো। ইতিমধ্যে মুম্বই, নাগপুর, গান্ধীনগর এবং ভদোদরার আটটি জায়গায় হানা দেন ইডির আধিকারিকেরা। তাতে মুম্বইয়ের দু’টি সংস্থা এবং নাগপুরের একটি সংস্থার এই অবৈধ চক্রের সঙ্গে যোগ পাওয়া গিয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। এখনও পর্যন্ত ১৭০০ জন এজেন্ট শুধু গুজরাটে রয়েছে। 

    আরও পড়ুনঃ বিগ্রহ সরিয়ে ওড়ানো হয়েছিল ইসলামি পতাকা, দখলমুক্ত গঙ্গা মন্দির

    কানাডা-আমেরিকা সীমান্তে চার ভারতীয়ের মৃত্যু হয়েছিল

    ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি কানাডা-আমেরিকা সীমান্তে চার ভারতীয়ের মৃত্যু (Human Trafficking) হয়। তাঁরা একই পরিবারের সদস্য। বাড়ি ছিল গুজরাতের একটি গ্রামে। অবৈধ ভাবে কানাডার সীমান্ত পার করতে গিয়ে কনকনে ঠান্ডায় মৃত্যু হয়েছিল। এই ঘটনায় মামলা রুজু হয়েছিল। মূল অভিযুক্ত হিসেবে নাম উঠে এসেছিল ভবেশ অশোকভাই পাটেলের নাম। আমেদাবাদ পুলিশের দায়ের করা মামলার ভিত্ততে তদন্তে নামে ইডি। এই ঘটনার সঙ্গে একাধিক আর্থিক দুর্নীতির মামলার প্রেক্ষিতে আসরে নেমে তদন্তের কাজ শুরু করেছে ইডি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Attacks On Hindus: বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলা, কঠোর বার্তা আমেরিকার

    Attacks On Hindus: বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলা, কঠোর বার্তা আমেরিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকেই বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের (Attacks On Hindus) উপর নির্যাতন ক্রমেই বেড়ে চলেছে। এই আবহে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনুসকে সমস্ত ধর্মের অধিকার রক্ষার কথা বলল আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা (এনএসএ) জেক সুলিভান এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকার প্রধান মুহাম্মদ ইউনুসের মধ্যে এই নিয়ে ফোনে কথা হয়। হোয়াইট হাউসের একটি বিবৃতিতে জানানো হয়, “দুই নেতা মানবাধিকার রক্ষার জন্য তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।”

    ঢাকাকে নির্দেশ

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক মাস পরেই ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। আগামী ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। এর ঠিক আগে, ইউনুসের সঙ্গে কথা বললেন সুলিভান। তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা, সমৃদ্ধি এবং গণতান্ত্রিক শাসনের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রাখবে এবং বাংলাদেশ যে চ্যালেঞ্জগুলোর মুখোমুখি হচ্ছে তাতে তাদের সহায়তা করবে। কিন্তু বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকেও সে দেশে সকল ধর্মের মানুষের অধিকার রক্ষা করতে হবে।”

    বাংলাদেশে হিন্দুদের হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ

    বাংলাদেশে হিন্দু (Attacks On Hindus) এবং অন্যান্য সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর সহিংসতার ঘটনা এবং মন্দিরে আক্রমণের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। ১৩ ডিসেম্বর হোয়াইট হাউস জানায় যে, প্রেসিডেন্ট বাইডেন বাংলাদেশে চলমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় দায়িত্বশীল থাকার নির্দেশ দেয় হোয়াইট হাউস।

    আরও পড়ুন: হিন্দুত্বের রাষ্ট্রনায়ক, ভারতবর্ষের গর্ব অটল বিহারী বাজপেয়ী

    সম্প্রতি, ভারতীয়-আমেরিকান ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসম্যান শ্রী থানেদার হোয়াইট হাউসকে বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের হত্যাকাণ্ড (Attacks On Hindus) এবং তাদের মন্দিরে আক্রমণ নিয়ে সরকারিভাবে চরম পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছিলেন। থানেদার বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের অধিকার ও মানবাধিকার রক্ষার ইতিহাস দীর্ঘ এবং এ ক্ষেত্রে আমাদের প্রতিক্রিয়া যথাযথ হওয়া উচিত।” হিন্দু অ্যাকশন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক উৎসব চক্রবর্তীর মতে, “গত পাঁচ মাসে যা ঘটেছে তা পরিষ্কারভাবে দেখাচ্ছে যে, ইউনুস তার সহযোগী জামাত-এ-ইসলামি দলের সদস্যদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে ব্যর্থ হয়েছে, যারা এখন দেশের বিভিন্ন স্থানে মন্দির পুড়িয়ে দিচ্ছে, মানুষ হত্যা করছে, নারীদের ধর্ষণ করছে এবং পুরোহিতদের উপর নির্যাতন চালাচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cough and cold: শহর জুড়ে সর্দি-কাশির দাপট! নাজেহাল আট থেকে আশি! কেন বাড়ছে ভোগান্তি?

    Cough and cold: শহর জুড়ে সর্দি-কাশির দাপট! নাজেহাল আট থেকে আশি! কেন বাড়ছে ভোগান্তি?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদের ওঠানামা লেগেই আছে। কখনও রাতের দিকে বাড়ছে তাপমাত্রা, আবার কখনও ভোরে শীতের আমেজে মুড়ে যাচ্ছে আশপাশ। আর তার মাঝেই ভোগান্তি বাড়াচ্ছে কাশি।শিশু থেকে বয়স্ক, অধিকাংশ মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছে সর্দি-কাশি (Cough and cold)। বিশেষত কলকাতা ও তার আশপাশে এই কাশির দাপট আরও বাড়ছে বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক সপ্তাহে কাশির ভোগান্তি বেড়েছে। ভুক্তভোগীদের বেশিরভাগ শিশু এবং প্রবীণ নাগরিক।

    কেন বাড়ছে কাশির দাপট? (Cough and cold)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, তাপমাত্রার খামখেয়ালির জন্যই সর্দি-কাশির দাপট বেড়েছে। কখনও গরম আবার কখনও ঠান্ডা, আবহাওয়ার এই রকমফেরে বাতাসে নানান ভাইরাসের দাপট বাড়ে। এর ফলে ফুসফুসের সংক্রমণ এবং শ্বাসনালীর সংক্রমণের ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। তাই এই সময়ে কাশির ভোগান্তি বাড়ে। তাছাড়া, এই সময়ে বাতাসে ধুলিকণার পরিমাণ বাড়ে। তাই কাশির সমস্যা দেখা যায়। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, কাশি আসলে অ্যালার্জির প্রকাশ। শ্বাসনালীতে যে কোনও রকম সংক্রমণ কিংবা অ্যালার্জি হলে কাশি হয়। এই সময়ে আবহাওয়ার বারবার পরিবর্তনের জেরেই এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এখন দেখা যাক, কোন ঘরোয়া উপাদান উপশম করবে?

    লেবু এবং কিউই জাতীয় ফল

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ানোর দিকে বাড়তি নজরদারি জরুরি। শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি যথেষ্ট থাকলে বিভিন্ন ভাইরাস ঘটিত সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়ায় নিয়মিত লেবু এবং কিউই জাতীয় ফল খাওয়া জরুরি। এই দুই ফলে রয়েছে পর্যাপ্ত ভিটামিন সি। এর জেরে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। তাই নিয়মিত এই দুই ফল খেলে কাশির (Cough and cold) ভোগান্তিও কমবে।

    রান্নায় আদা

    রান্নায় আদার ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শ্বাসনালীর সংক্রমণ কমাতে (Suffering) আদা খুবই উপকারী। কাশির অন্যতম কারণ শ্বাসনালীর সংক্রমণ। তাই এই সময়ে নিয়মিত আদা খেলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে।

    এলাচ ও লবঙ্গ (Cough and cold)

    এলাচ এবং লবঙ্গের মতো মশলা নিয়মিত রান্নায় ব্যবহার করলে কাশির উপশম হবে বলেই মনে করছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, এলাচ এবং লবঙ্গ, এই দুই মশলা ফুসফুসের জন্য বিশেষ উপকারি। ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি কমায় এই মশলা। তাই এই সময়ে এই দুই মশলা রান্নায় থাকলে নানান ভাইরাস ঘটিত রোগের ঝুঁকি কমবে। কাশির দাপট ও কমবে। 
    সকালে এক চামচ মধু নিয়ম করে খেলে কাশির ভোগান্তি অনেকটাই কমবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, সর্দি-কাশির দাপট কমাতে ও এই আবহাওয়ায় শরীরকে সুস্থ রাখতে মধু বিশেষ সাহায্য করে। তাই নিয়মিত মধু খেলে শরীর সুস্থ থাকে।

    তুলসী পাতা

    কাশির দাপট কমাতে বিশেষ সাহায্য করে তুলসী পাতা। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, তুলসী পাতায় রয়েছে একাধিক উপাদান। তুলসী পাতা খেলে শরীরের একাধিক ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া মুক্তি ঘটে‌। তাই কাশি-সর্দির (Cough and cold) বিরুদ্ধে মোকাবিলা ও সহজ হয়।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tulsi Pujan Diwas: ২৫ ডিসেম্বর পালিত হয় তুলসী পূজন দিবস, দিনটির গুরুত্ব জানেন?

    Tulsi Pujan Diwas: ২৫ ডিসেম্বর পালিত হয় তুলসী পূজন দিবস, দিনটির গুরুত্ব জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ ২৫ ডিসেম্বর। কেবল খ্রিস্টান নন, হিন্দুদের কাছেও দিনটি অত্যন্ত পবিত্র। এই দিনে হিন্দুরা উপাসনা করেন দেবী তুলসীর (Significance)। দিনটি তুলসী পূজন দিবস হিসেবে পালন করেন সনাতনীরা (Tulsi Pujan Diwas)।

    তুলসী পূজন উৎসব (Tulsi Pujan Diwas)

    হিন্দুদের বিশ্বাস, তুলসী অত্যন্ত পবিত্র। তাই হিন্দুদের ঘরে ঘরে নিত্যদিন তুলসী পুজো হয়। প্রতিদিন তুলসীর আরাধনা করলে সমস্ত বাধাবিপত্তি দূর হয়। ২০১৪ সালে প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় তুলসী পূজন। তার পর থেকে ফি বছর ২৫ ডিসেম্বর দিনটিতে পুজো হয় তুলসীর। চতুর্দশী তিথিতে হয় তুলসী পূজন উৎসব। তুলসীর আর এক নাম বিষ্ণুপ্রিয়া।তুলসীকে ঐশ্বর্য ও সৌভাগ্যের দেবী হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তুলসীর কাছে প্রার্থনা করা সৌভাগ্য আনে বলে বিশ্বাস। তুলসী পুজন দিবসে বাড়িতে নতুন তুলসী গাছ আনা হয়। এদিন তুলসী চারা কোনও মন্দির বা উপাসনা স্থলে দান করলে পুণ্য লাভ হয়। জীবনভর সুখ-শান্তি বজায় রাখতে চাইলে অবশ্যই তুলসীর পুজো করা উচিত।

    শুভ দিন

    তুলসী পূজন দিবস জাঁকজমকপূর্ণ আচার-অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পালিত হয়, যা বিবাহ ও গৃহপ্রবেশ অনুষ্ঠানের জন্য শুভ বলে বিবেচিত হয়। এদিন ভক্তরা ভোরে উঠে বাড়িঘর পরিষ্কার করেন। তুলসী গাছকে ফুল-মালা-গয়নায় সাজানো হয়। তুলসী ও ভগবান বিষ্ণুর বৈবাহিক অনুষ্ঠানের আয়োজন অত্যন্ত ভক্তিভরে করা হয়। তুলসী পূজন ভক্তদের জীবনে সমৃদ্ধি, সুখ এবং আধ্যাত্মিক কল্যাণ বয়ে আনে বলে হিন্দুদের বিশ্বাস। তুলসী পূজন দিবসের (Tulsi Pujan Diwas) উৎপত্তি বর্ণিত হয়েছে হিন্দু পুরাণে।

    আরও পড়ুন: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে লিগ্যাল অ্যাকশন নেওয়ার হুমকি টাইকুন এস আলমের?

    কিংবদন্তি অনুসারে, তুলসী মূলত এক নিবেদিতপ্রাণ নারী। তাঁর নাম ছিল বৃন্দা। তিনি অসুররাজ জলন্ধরের স্ত্রী। বৃন্দার পবিত্রতার শক্তি থেকে অপরাজেয় হয়ে উঠেছিলেন তিনি। দেবতারা যখন জলন্ধরকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ হলেন, তখন তাঁরা বিষ্ণুর সাহায্য চাইলেন। বিষ্ণু ছদ্মবেশে বৃন্দার পবিত্রতা ভঙ্গ করেন। যার ফলে জলন্ধর হেরে যান। দুঃখে বৃন্দা তুলসী গাছে রূপান্তরিত হন। বিষ্ণু এই পাপ মোচনের জন্য তুলসীকে প্রতিশ্রুতি দেন যে তিনি প্রতি বছর এই দিনে তুলসীর সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হবেন (Significance)। সেই থেকেই তুলসী পূজন দিবস পালন করা হয় (Tulsi Pujan Diwas)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Atal Bihari Vajpayee: হিন্দুত্বের রাষ্ট্রনায়ক, ভারতবর্ষের গর্ব অটল বিহারী বাজপেয়ী

    Atal Bihari Vajpayee: হিন্দুত্বের রাষ্ট্রনায়ক, ভারতবর্ষের গর্ব অটল বিহারী বাজপেয়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একবিংশ শতাব্দীতে ভারতের রূপান্তরের স্থপতি অটল বিহারী বাজপেয়ীর শততম জন্মদিন বুধবার। এদিন থেকেই শুরু হল তাঁর শতবর্ষ উদযাপন। হিন্দুত্ব, জাতীয়তাবাদ এবং সাংস্কৃতিক গর্বের প্রতীক ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। শক্তিশালী এবং আত্মনির্ভর ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনিই প্রথম যাত্রা শুরু করেছিলেন। তিনি, তাঁর নেতৃত্বে দেশকে এক নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন, যা আজও প্রাসঙ্গিক।

    জীবনের পাঠ

    ১৯২৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর গোয়ালিয়রে এক শিক্ষিত ও মূল্যবোধে ভরপুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন অটল বিহারী বাজপেয়ী। তাঁর পিতা কৃষ্ণ বিহারী বাজপেয়ী, একজন শিক্ষক ও পণ্ডিত, ছিলেন। অটলজি’র প্রাথমিক বৌদ্ধিক এবং আধ্যাত্মিক অনুপ্রেরণার উৎস ছিলেন তাঁর বাবাই। বীর সাভারকারের বিপ্লবী চিন্তা এবং ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে অটল বিহারী বাজপেয়ী তরুণ বয়সেই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস)-এ যোগ দেন। আরএসএস তাঁকে আত্মনির্ভরতা, সাংস্কৃতিক গর্ব এবং ভারত মাতার প্রতি অবিচল কর্তব্যের মূলনীতিগুলি শেখায়।

    রাজনীতির হাতেখড়ি

    বাজপেয়ীর রাজনৈতিক জীবনের সূচনা ১৯৫১ সালে ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ভারতীয় জনসংঘ (বিজেএস) থেকে। তিনি দলের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে জাতীয়তাবাদী ভারতের কণ্ঠস্বর হয়ে ওঠেন এবং সাংস্কৃতিক ঐক্যের জন্য নিরলস প্রচার চালাতে থাকেন। তাঁর সংসদীয় ভাষণগুলো ছিল রাষ্ট্রনায়কোচিত, যেখানে তিনি ভারতকে তাঁর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করার আহ্বান জানাতেন। আধুনিক যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে প্রাচীন ভারতের শিক্ষাকে প্রতিষ্ঠিত করাই ছিল তাঁর লক্ষ্য।

    হিন্দুত্বের মৌলিক ভাবনাকে অগ্রাধিকার

    ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থায় যখন ইন্দিরা গান্ধী গণতান্ত্রিক স্বাধীনতাকে দমন করেছিলেন, বাজপেয়ী তা প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে উদিত হন এবং তাঁর বক্তব্য ও লেখনীর মাধ্যমে হিন্দুত্বের মৌলিক ভাবনার পক্ষে শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করেন। তাঁর ধারা এবং বিশ্বাস ভারতের সাংস্কৃতিক সত্তার রক্ষায় প্রতিনিয়ত অবদান রেখেছিল। ১৯৮০ সালে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) প্রতিষ্ঠার পর বাজপেয়ী দলটির একটি শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলেন। তাঁর নেতৃত্বে বিজেপি হিন্দুত্বের আদর্শকে একটি আধুনিক ও সমন্বিত রূপে উপস্থাপন করে। বাজপেয়ীর কৌশলগত সমঝোতা এবং প্রজ্ঞা ভারতকে নতুন দিগন্তে নিয়ে গিয়েছিল, যেখানে আধুনিকীকরণ এবং ঐতিহ্য সমন্বিত ছিল।

    প্রধানমন্ত্রী বাজপেয়ী

    রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সঙ্গে ছিল তাঁর নিবিড় যোগ। কিন্তু দেশের ধর্মনিরপেক্ষ কাঠামোর প্রতি ছিল অপার শ্রদ্ধা। এক টালমাটাল সন্ধিক্ষণে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছেন – এক দিকে জোট রাজনীতির উত্থান, অন্য দিকে দেশের অর্থনীতিতে বড়সড় বদল আনার প্রক্রিয়া। ১৯৯৬, ১৯৯৮ ও ১৯৯৯-২০০৪ সাল এই তিন দফায় প্রধানমন্ত্রী হিসাবে ছিলেন বাজপেয়ী। অর্থাৎ ২২৬৮ দিন প্রধানমন্ত্রী পদে থেকে দায়িত্ব সামলেছিলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর নেতৃত্বের অন্যতম স্মরণীয় ঘটনা ছিল ১৯৯৮ সালে পোখরান-২ পারমাণবিক পরীক্ষা, যা ভারতকে একটি পারমাণবিক শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। বাজপেয়ীর কূটনৈতিক কৌশল এবং রাষ্ট্রীয় আত্মবিশ্বাস ভারতকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মর্যাদা প্রদান করেছিল। পোখরান পারমাণবিক পরীক্ষা নিয়ে তিনি বলেছিলেন, “এটি আগ্রাসন নয়, আত্মরক্ষার অংশ”।

    কার্যকরী রাষ্ট্রনীতির অংশ ছিল হিন্দুত্ব

    অটল বিহারী বাজপেয়ীর রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি হিন্দুত্বকে শুধু একটি আদর্শ হিসেবে নয়, বরং কার্যকরী রাষ্ট্রনীতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। তাঁর নেতৃত্বে, ভারত তার সাংস্কৃতিক পরিচয় ও গর্ব বজায় রেখে প্রগতির পথে এগিয়েছিল। তাঁর বক্তব্যগুলি দেশবাসীকে ভারত মাতা এবং তার ঐতিহ্যের প্রতি গর্বিত হতে উদ্বুদ্ধ করেছিল। হিন্দুত্বের এক দৃঢ় পথপ্রদর্শক ছিলেন বাজপেয়ী। সনাতন ভারতের প্রতি ছিল তাঁর অগাধ আস্থা। প্রাচীন ভারতীয় সংস্কৃতিকে আঁকড়ে ধরেই তিনি দেশকে উন্নতির পথ দেখিয়েছিলেন।

    হিন্দু ধর্ম নিয়ে বাজপেয়ীর অভিমত

    বাজপেয়ী নিজে শুধু সনাতনী হিন্দু ছিলেন না, তার পাশাপাশি সনাতন হিন্দু ধর্মের অন্তর্নিহিত নির্যাস তিনি বুঝতেন। হিন্দু ধর্ম নিয়ে এক এক প্রবন্ধে বাজপেয়ী লিখেছিলেন, “হিন্দুধর্মের প্রতি আমার আকর্ষণের প্রধান কারণ হল এটি মানবজাতির সর্বোচ্চ ধর্ম। হিন্দু ধর্ম কোন বইয়ের সাথে বা কোন নির্দিষ্ট ধর্ম প্রচারকের সাথে যুক্ত নয়। হিন্দু ধর্মের রূপটি সর্বদা হিন্দু সমাজ দ্বারা সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং এই কারণেই এটি অনাদিকাল থেকে ক্রমবর্ধমান এবং বিকাশ লাভ করে আসছে।”

    আরও পড়ুন: ক্লাব অফ রোমের মাধ্যমে উচ্চাকাঙ্খা পূরণ করেছিলেন মনমোহন সিং?

    যখন সমগ্র সমাজ ধর্ম ও জাতপাতের ভিত্তিতে সমাজে বিভাজন তৈরি করে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে ব্যস্ত, ঠিক সেই সময়ই বাজপেয়ীর বক্তব্য খুবই প্রাসঙ্গিক বলেই মনে করা হয়। একবার তিনি বলেছিলেন, “আপনারা জানেন, আমার জীবনের প্রথম দিকে, আমি পৈতে পরিধান করতাম, কিন্তু যখন আমি নিজেকে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘে নিবেদিত করি, তখন আমি এটি সরিয়ে দিয়েছিলাম কারণ আমি অনুভব করেছি যে এটি আমাকে অন্য হিন্দুদের থেকে আলাদা করেছে। আগে ‘শিখা’ এবং ‘সূত্র’ ছিল হিন্দুদের দুটি পরিচয়। বেশিরভাগ মানুষ শিখাকে আর রাখেন না। শিখা পালন না করে কেউ হিন্দু ধর্ম ত্যাগ করেছে এমন কথা বলা ভুল। হ্যাঁ, শিখা যখন জোর করে কাটা হয়, ধর্মীয় দমনের রূপক, তখন তা বন্ধ করা আমাদের কর্তব্য।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttar Pradesh: বিগ্রহ সরিয়ে ওড়ানো হয়েছিল ইসলামি পতাকা, দখলমুক্ত গঙ্গা মন্দির

    Uttar Pradesh: বিগ্রহ সরিয়ে ওড়ানো হয়েছিল ইসলামি পতাকা, দখলমুক্ত গঙ্গা মন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইতিহাস খ্যাত ২৫০ বছরের পুরানো মন্দির। উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) বালিয়েরি অঞ্চলের এই মন্দির চার দশক ধরে দখল করে রেখেছিল জনৈক ওয়াজিদ আলি ও তার পরিবার। গঙ্গা মহারানির (Ganga Maharani Mandir) সেই মন্দিরই দখলমুক্ত হয়েছে সম্প্রতি। কিলা এলাকার কাটঘরে অবস্থিত এই মন্দিরটি রাকেশ সিংয়ের পূর্বপুরুষদের দ্বারা নির্মিত। আধ্যাত্মিক তো বটেই, ঐতিহাসিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই মন্দির।

    পাহারাদারের মন্দির দখল (Uttar Pradesh)

    ইসলামপন্থী ওয়াজিদ আলি ছিলেন এই মন্দিরের পাহারাদার। ধীরে ধীরে মন্দির প্রাঙ্গন দখল করে নেন তিনি। পরে পুজো বন্ধ করে দেন। মন্দিরের দরজায় ঝুলিয়ে দেন তালা। অভিযোগ, ওয়াজিদ মন্দিরের মূর্তিগুলি সরিয়ে ফেলেন। এর মধ্যে ছিল একটি সাদা শিবলিঙ্গও। বিগ্রহগুলি সরিয়ে ওয়াজিদ সেখানে তুলে দেন ইসলামি পতাকা। স্বাভাবিকভাবেই মন্দিরে আনাগোনা বন্ধ হয়ে যায় ভক্তদের। মন্দিরটি একসময় স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপাসনার কেন্দ্র ছিল। ১৯৫০ সালের পর থেকে পুজো-অর্চনা বন্ধ করে দেন ওয়াজিদ। বছরের পর বছর ধরে মূল ট্রাস্টিদের বংশধর রাকেশ সিংহ এবং হিন্দু সংগঠনগুলো জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কার্যালয়ে অভিযোগ দায়ের করেন মন্দির পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়ে।

    আরও পড়ুন: ইউনূস সরকারের বিরুদ্ধে লিগ্যাল অ্যাকশন নেওয়ার হুমকি টাইকুন এস আলমের?

    মন্দিরের জমি দখল মুক্ত

    একটি দৈনিকে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হওয়ার পর জেলা ম্যাজিস্ট্রেট রবীন্দ্র কুমার তদন্তের নির্দেশ দেন। এসডিএম সদর গোবিন্দ মৌর্য এবং সমবায় সমিতির কর্মকর্তারা জায়গাটি পরিদর্শন করেন এবং মালিকানার নথি যাচাই করেন। তদন্তে দেখা যায়, মন্দিরের জমি ১৯০৫ সাল থেকে গঙ্গা মহারানি ট্রাস্টের অধীনে নিবন্ধিত ছিল। প্রত্যাশিতভাবেই খারিজ হয়ে যায় ওয়াজিদ আলির আইনি দখলের দাবি। তাঁর দাবি, তাঁর বাবা সমবায় সমিতির একজন প্রহরী ছিলেন (Uttar Pradesh)। সেখান থেকে সরে যাওয়ার জন্য সময়সীমা বাড়ানোর অনুরোধ করেছিলেন। তবে, সমবায় সমিতির সচিব বিকাশ শর্মা স্পষ্ট করেন যে ওয়াজিদ বা তার বাবার কোনও চাকরির রেকর্ড তাঁদের কাছে নেই। ২০ ডিসেম্বর, জেলা প্রশাসন, এসপি সিটি মনীশ পারিখের নেতৃত্বে, উচ্ছেদের নির্দেশ কার্যকর করে। এর পরেই ওয়াজিদ ও তার পরিবার এলাকা ছেড়ে চলে যায়। ২১ ডিসেম্বর পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় মন্দির (Ganga Maharani Mandir)। অভিষেক-পুজোপাঠও হয় ওই দিনই (Uttar Pradesh)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share