Blog

  • PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    PM Modi: “বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে”, ব্রিগেড থেকে বঙ্গবাসীকে কী কী গ্যারান্টি দিয়ে গেলেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমার প্রিয় পশ্চিমবঙ্গবাসী ভাই ও বোনেরা আমার অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে সশ্রদ্ধ প্রণাম। বাংলার ঐতিহাসিক মাটি, এই ব্রিগেড প্যারেড (Brigade Rally) গ্রাউন্ড আর বাংলার মানুষের ঐতিহাসিক জমায়েত। যত দূর আমার চোখ যাচ্ছে, শুধুই লোক আর লোক দেখা যাচ্ছে। একটা অদ্ভুত দৃশ্য। আপনাদের এই উৎসাহ দেখেই বোঝা যাচ্ছে, বাংলার মানুষের মনে কী চলছে। যাঁরা দেখার, তাঁরা এই ছবিটা দেখুন।” শনিবার ব্রিগেডে নাগাড়ে কথাগুলি বলে গেলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)।

    ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্প (PM Modi)

    প্রথমে ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে বাংলার জন্য ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। বাংলার জন্য একাধিক প্রকল্পের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কলকাতার মাটি থেকে পশ্চিমবঙ্গ ও পূর্ব ভারতের বিকাশের নয়া অধ্যায় শুরু হচ্ছে। সড়ক, রেলওয়ে এবং বন্দর পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত ১৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের শিলান্যাস ও উদ্বোধন হল। বাংলার উন্নয়নে নয়া দিশা দেখাবে এই প্রকল্পগুলি। লাখ লাখ মানুষের জীবন সহজ ও সুন্দর হবে। নয়া সুযোগ মিলবে। খড়্গপুর-মৌরিগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে সম্পূর্ণ হলে রাজ্যের অনেকাংশে আর্থিক উন্নতি হবে। দুবরাজপুর বাইপাস, কংসাবতী, শিলাবতী নদীর ওপর যে সেতু তৈরি হবে, তাতে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি হবে। পশ্চিমবঙ্গ-সহ পূর্ব ভারতের জনগণকে শুভেচ্ছা।” ৬টি অমৃত ভারত স্টেশনের উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আজ কামাখ্যাগুড়ি, আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বীরভূম এবং সিউড়ি- এই ছয় স্টেশন অমৃত স্টেশন করা হচ্ছে। হলদিয়া ডক ও কলকাতা ডকের সংস্কার করা হচ্ছে। খিদিরপুর ডকেও কার্গো হ্যান্ডেলিং বাড়ানোর ওপর নজর দেওয়া হচ্ছে। এই প্রকল্পগুলির ফলে পূর্ব ভারতে লজিস্টিক সিস্টেমের আরও উন্নতি হবে।”

    বাংলা থেকে মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে

    প্রশাসনিক সভা শেষে হয় রাজনৈতিক সভা। সেখানে ভাষণ দিতে গিয়ে রাজ্য সরকারকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “বাংলা থেকে নির্মম সরকারের বিদায় হবে। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজ শেষ হবে। বাংলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আওয়াজ উঠছে, চাই বিজেপি সরকার, চাই বিজেপি সরকার।” তিনি বলেন, “আজ এই সভা আটকানোর জন্য নির্মম সরকার সব হাতিয়ার ব্যবহার করতে চেয়েছে। ব্রিজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে, গাড়ির ওপর হামলা করা হয়েছে, ট্রাফিক জ্যাম করেছে, পোস্টার ছিঁড়ে দিয়েছে। এত কিছু করেও নির্মম সরকার জনপ্লাবণ আটকাতে পারেনি। বাংলায় মহাজঙ্গলরাজের পতনের কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে।”

    তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে

    তিনি বলেন, “এক সময় বাংলা গোটা ভারতের বিকাশে সাহায্য করত। শিল্প-বাণিজ্যে সবার আগে ছিল বাংলা। কিন্তু এখন (PM Modi) বাংলার যুবরা ডিগ্রি নিতে পারছে না। রোজগার হচ্ছে না। চাকরি নেই। কাজের জন্য অন্য রাজ্যে পালাতে হচ্ছে। প্রথমে কংগ্রেস, পরে কমিউনিস্ট এবং এখন তৃণমূল – এরা বাংলায় এসেছে, শুধু পকেট ভরেছে। আর বাংলা ক্রমশ পিছিয়ে যাচ্ছে (Brigade Rally)। তৃণমূল সরকারের আমলে নিয়োগ দুর্নীতি হচ্ছে। খোলা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে চাকরি। এখন সময় এসেছে বদলানোর। যুবরা যাতে বাংলার উন্নতিতে নেতৃত্ব দেয়, এই স্বপ্ন আপনার। আর এই স্বপ্ন পূরণ করাই মোদির গ্যারেন্টি।” তিনি বলেন, “রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর থেকে শুরু করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, রানি রাসমণিদের মতো মহান ব্যক্তিরা যে বাংলার পরিকল্পনা করেছিলেন, বিজেপি সেই বাংলাই নতুন করে নির্মাণ করবে। বাংলার উন্নতি সঠিক নীতিতে হবে। বাংলায় এখন আমাদের সরকার নেই। কিন্তু তাও কেন্দ্রীয় সরকারের সাহায্যে বিজেপি বাংলার উন্নতির চেষ্টা করে চলেছে।”

    বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে সরকার

    রাজ্য সরকারকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার বাংলার উন্নয়নে ব্রেক কষে রেখেছে। কেন্দ্রের সূর্যঘর প্রকল্প চালু করতে দিচ্ছে না। তৃণমূল চায় না, বাংলার মানুষের বিদ্যুৎ বিল শূন্য হোক। চা শ্রমিকরাও প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন না। আয়ুষ্মান প্রকল্পে ৫ লাখ করে টাকা পাচ্ছেন দেশের কোটি কোটি মানুষ। কিন্তু সেই প্রকল্প থেকে বাংলার মানুষকে বঞ্চিত করে রাখা হচ্ছে। তৃণমূল সরকারের পতন হলেই গরিবদের জন্য পাকা ঘর তৈরি শুরু হবে। এটা মোদির গ্যারান্টি। বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে যাবে, বিনামূল্যে দেওয়া হবে চিকিৎসা। বাংলায় সুশাসন আসবে।” রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নির্মম সরকার ধর্ষকদের আশ্রয় দেয়। অপরাধীদের বাঁচানোর চেষ্টা করে। সন্দেশখালি, আরজিকরের ঘটনা ভোলেননি বাংলার মানুষ। অপরাধীদের আড়াল করা হচ্ছে।”

    অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে

    অনুপ্রবেশ প্রসঙ্গ টেনে তিনি (PM Modi) বলেন, “অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাকে লুটে নিচ্ছে। জনবিন্যাস বদলে দিয়েছে। আর বাঙালি হিন্দুদের সংখ্যালঘু করে দেওয়া হচ্ছে। ওরা হিন্দুদের নিজের ভোটব্যাঙ্ক মনে করে না। বাংলাকে এখন অসুরক্ষিত বানিয়ে ফেলেছে। কোটি কোটি বাঙালিকে শেষ করার চেষ্টা করছে।” রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে তিনি বলেন, “আদিবাসী মহিলা রাষ্ট্রপতি জনজাতিদের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসেছিলেন (Brigade Rally)। কিন্তু অহঙ্কারে ডুবে থাকা সরকার রাষ্ট্রপতিকে অপমান পর্যন্ত করেছে। তৃণমূলের মনে রাখার দরকার ওরা শুধু রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুকে অপমান করেনি, ওরা দেশের সংবিধান, বাবা সাহেব আম্বেদকর, দেশের হাজার লাখ জনজাতি মানুষকে অপমান করেছে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “একদিকে আমরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশের মন্ত্র নিয়ে চলব। আর একদিকে সবকা হিসাব লিয়া যায়গা। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। অপরাধীদের জায়গা হবে জেলে (PM Modi)।”

     

  • Viral Girl Monalisa: “ধর্মান্তকরণের জন্য কেরলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেয়েকে”, অভিযোগ কুম্ভমেলায় ভাইরাল মোনালিসার বাবার

    Viral Girl Monalisa: “ধর্মান্তকরণের জন্য কেরলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মেয়েকে”, অভিযোগ কুম্ভমেলায় ভাইরাল মোনালিসার বাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কুম্ভ মেলার সময় সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া তরুণী মোনালিসা ভোসলের বাবা জয়সিং ভোসলে তাঁর মেয়েকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের দ্বারস্থ হয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, “মেয়েকে কেরলে (Kerala) নিয়ে গিয়ে ইসলাম ধর্মে পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়েছে।” এই বিতর্ক আরও ঘনীভূত হয়েছে যখন মনালিসার (Viral Girl Monalisa) মা দাবি করেছেন কন্যা নাবালিকা। অন্যদিকে, এই বিয়েতে কেরলের সিনিয়র সিপিআই(এম) নেতা, সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের উপস্থিতি তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে। ফলে নাবালিকাকে লাভ জিহাদের মাধ্যমে ধর্মান্তকরণের বৃহৎ ষড়যন্ত্রের অভিযোগে শোরগোল পড়েছে।

    মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ (Viral Girl Monalisa)

    মধ্যপ্রদেশের খারগোন জেলার বাসিন্দা জয়সিং ভোসলে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন। পত্রে মেয়েকে খুঁজে বের করে ফিরিয়ে আনার জন্য রাজ্য সরকারের সহায়তা চেয়েছেন। তাঁর দাবি, “আমরা এই সম্পর্কের ঘোর বিরোধী ছিলাম এবং বিয়ের খবর পেয়ে আমারা কেরলে (Kerala) গিয়েছিলাম।” তবে সম্প্রতি কেরলের তিরুবনন্তপুরম জেলার পুভার আরুমানুরে নাইনার মন্দিরে মোনালিসা ভোসলে (Viral Girl Monalisa) এবং মহম্মদ ফরমান খানের বিয়ে সম্পন্ন হয়।

    বিয়ের আগে মোনালিসা তিরুবনন্তপুরমের থাম্পানুর থানায় গিয়ে দাবি করেছিলেন যে তাঁর পরিবারের সদস্যরা বিয়েতে বাধা দিচ্ছেন এবং তিনি নিরাপত্তা চান। এরপর পুলিশ তাঁর বাবাকে আলোচনার জন্য তলব করে। তবে জয়সিং ভোসলে এই বিয়েতে সম্মতি দিতে অস্বীকার করেন এবং দাবি করেন যে তাঁর মেয়েকে ভুল বুঝিয়ে ফাঁদে ফেলা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে ফিরে আসার পর বাবা আবারও জানান যে, আমার বিশ্বাস মেয়েকে চাপের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    পরিবারের পক্ষ থেকে মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। হিন্দু জাগরণ মঞ্চের নেতারাও মোনালিসাকে ফিরিয়ে আনার লড়াইয়ে পরিবারকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে।

    মোনালিসার বয়স মাত্র ১৬!

    মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) মায়ের বক্তব্যে কনের বয়স নিয়ে সন্দেহ তৈরি হওয়ায় বিতর্ক আরও বেড়েছে। কেরলের (Kerala) ভিএইচপি (VHP) সদস্যদের সঙ্গে একটি ফোনালাপে মা জানিয়েছেন, মোনালিসার বয়স এখনও বিয়ের আইনি বয়সের নিচে এবং পরিবার এই মিলনে সম্মতি দেয়নি। মা দাবি করেছেন মোনালিসার বয়স মাত্র ১৬ বছর এবং পরিবারের অমতেই এই বিয়ে হয়েছে। তিনি আরও জানান যে, কুম্ভমেলার ছবি ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই পরিবারের সাথে মোনালিসার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল।মা অভিযোগ করেছেন, মেয়েকে চাপের মুখে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং মেয়েকে ফিরিয়ে আনতে সরকার প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের কাছে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছেন। পরিবারের কাছে মোনালিসার অফিশিয়াল নথি না থাকায় তাৎক্ষণিকভাবে সঠিক জন্ম তারিখ যাচাই করতে পারছেন না।

    নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর

    এখন যদি মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) বয়সের দাবি সঠিক হয়, তবে এটি গুরুতর আইনি জটিলতা তৈরি করবে। ভারতীয় আইন অনুযায়ী, নারীদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর। এর কম বয়সে বিয়ে হলে তা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ আইনের আওতায় আসবে। ফলে সরকারের কাছে মোনালিসার সঠিক বয়স যাচাই করার এবং বিয়ের আইনি শর্তাবলী পূরণ হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখার দাবি জোরালো হচ্ছে।

    সিপিআই (এম) নেতাদের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক

    এই বিয়ের অনুষ্ঠানে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্কসবাদী) বা সিপিআই(এম)-এর সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতি এবং প্রকাশ্য সমর্থন বিতর্ককে আরও উসকে দিয়েছে। কেরলের শিক্ষামন্ত্রী ভি শিবনকুট্টি, সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন, রাজ্যসভার সাংসদ এএ রহিম এবং সিপিআই(এম) নেতা ভিপিএস মোস্তফা এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে নেতারা নবদম্পতিকে অভিনন্দন জানান এবং এই বিয়েকে সামাজিক সম্প্রীতি ও ব্যক্তিগত স্বাধীনতার উদাহরণ হিসেবে বর্ণনা করেন তাঁরা। শুধু তাই নয়, জোর দিয়ে বলেন, কেরলের (Kerala) দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য হলো বিভিন্ন ধর্মের মানুষের সহাবস্থান এবং ব্যক্তিগত পছন্দের প্রতি শ্রদ্ধা।

    হিন্দু সংগঠনের কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের হুঁশিয়ারি

    সিপিআই(এম) রাজ্য সম্পাদক এমভি গোবিন্দন বলেন, সকল ধর্মের মূল নির্যাস হল মানবতা এবং বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিয়ে সমাজের সাম্য ও সম্প্রীতির প্রতিফলন। সাংসদ এএ রহিমও কেরলকে (Kerala) এমন একটি জায়গা হিসেবে বর্ণনা করেন যেখানে মানুষ নির্ভয়ে ভিন্ন ধর্মে বিয়ে করতে পারে। তবে কনের বয়স নিয়ে অভিযোগের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক নেতাদের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। হিন্দু সংগঠনের পক্ষ থেকে নেতাদের চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। মোনালিসার (Viral Girl Monalisa) প্রতি লাভ জিহাদ, ধর্মান্তকরণ এবং বাল্য বিবাহের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে।

  • Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন”, প্রধানমন্ত্রীর সভায় আবেদন সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “তৃণমূল নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন”, প্রধানমন্ত্রীর সভায় আবেদন সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনাদের হাতে আর হয়তো ৪০ দিন সময় আছে, তার মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন।” ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi Rally) জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে কথাগুলি বললেন বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    মোদির জন্য হৃদয়ভরা ভালোবাসা (Sukanta Majumdar)

    তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আজকের সভাই  আগামীর পথ দেখাবে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের এই অপশাসন কীভাবে দূর হবে। তার আগে মুখ্যমন্ত্রী কলকাতাজুড়ে গো ব্যাক পোস্টার লাগিয়েছেন। দিদি আপনি যতই পোস্টার লাগান, বাংলার মানুষ আপনাকে গো-ব্যাক জানাচ্ছেন। নরেন্দ্র মোদির জন্য হৃদয়ভরা ভালোবাসা রয়েছে এখানকার মানুষের।” ধর্মতলার ধর্না মঞ্চে প্ররোচনামূলক বক্তব্য রখায় এদিন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোর অভিযোগ করেন সুকান্ত। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী এক বিশেষ সম্প্রদায়কে উসকানি দিয়ে জানিয়েছিলেন যে সবাই এক হলে হিন্দুদের ধূলিসাৎ করে দেওয়া হবে। ছিঃ মুখ্যমন্ত্রী, আপনি তো সবাইকে ছাপিয়ে গেলেন! আমি আপনাকে জানাচ্ছি যে আমরা আপনার মতো সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে হাজার হাজার বছর ধরে লড়াই করছি। তাই আমরা টিকে আছি। এই লড়াই চলবেই।” এর পরেই তিনি বলেন, “আপনাদের হাতে আর হয়তো ৪০ দিন সময় আছে, তার মধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস নামক জঞ্জালকে সরিয়ে দিন (Sukanta Majumdar)।”

    সুকান্তর নিশানায় তৃণমূল

    কৃষি ইস্যুতেও রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে আক্রমণ শানান সুকান্ত। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় সরকারের কৃষক সম্মান নিধি প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা সরাসরি পৌঁছে দেওয়া হয়েছে কৃষকদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সেই উদ্যোগকে গুরুত্ব দেননি।” এদিন সুকান্তের বক্তৃতায় অনিবার্যভাবেই এসে পড়েছে আলুচাষিদের কথা। তিনি বলেন, “রাজ্যে আলুর দাম কমে যাওয়ায় কৃষকরা বড় সঙ্কটে পড়েছেন।” তাঁর দাবি, বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলে আলুর জন্য সহায়ক মূল্য নির্ধারণ করা হবে। কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যায্য দাম পান (PM Modi Rally), তাই। পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যৎ রক্ষায় রাজনৈতিক পরিবর্তন যে জরুরি, এদিন তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন বিজেপির এই নেতা। তিনি (Sukanta Majumdar) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশে পরিণত হতে দিতে চাই না। তাই বাংলায় বিজেপি সরকার গড়তে হবে।”

  • PM Modi Brigade Rally: “সমাজের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে গিয়েছে”, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে তোপ মহাগুরুর

    PM Modi Brigade Rally: “সমাজের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে গিয়েছে”, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে তৃণমূলকে তোপ মহাগুরুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রিগেডের হাইভোল্টেজ জনসভায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi Brigade Rally) উপস্থিতিতে রাজ্য রাজনীতি নিয়ে ফের সরব হলেন মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakaraborty)। লোকসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত এই মেগা র‍্যালিতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনকালকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, “রাজ্যের শিক্ষা এবং কর্ম সংস্থার সকল ব্যবস্থাকে ভেঙে দিয়েছে এই তৃণমূলের রাজত্ব। সমাজের মেরুদণ্ডটাই ভেঙে গিয়েছে।”

    বিজেপি আসলেই কষ্ট দূর হবে (Mithun Chakaraborty)

    মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakaraborty) তাঁর স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই তৃণমূল নেত্রীর সমালোচনায় মুখর হন। তিনি ব্রিগেডের মঞ্চ (Modi Brigade Rally) থেকে রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বলেন, “রাজ্যে গণতন্ত্রের পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের অধিকার খর্ব করা হচ্ছে। রাজ্যের আদিবাসীদের অপমান করেন মুখ্যমন্ত্রী। আলু চাষীদের জন্য কোনও ব্যবস্থাই গ্রহণ করছেন না। ১৫০০ টাকা ভাতার নামে বেকার যুবক-যুবতীদের সঙ্গে প্রবঞ্চনা করছেন। বাংলার মানুষ এখন প্রকৃত পরিবর্তনের অপেক্ষায় রয়েছে এবং সেই পরিবর্তনের চাবিকাঠি রয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টির হাতে। বিজেপি ক্ষমতায় আসলেই সকল কষ্টের অবসান হবে।” মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন জনহিতকর প্রকল্পের সমালোচনা করে মিঠুন মন্তব্য করেন। তিনি মমতাকে তোপ দেগে বলেন, “সাধারণ মানুষকে কেবল প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভুলিয়ে রাখা হচ্ছে, কিন্তু কর্মসংস্থান বা প্রকৃত উন্নয়নের প্রশ্নে রাজ্য সরকার ব্যর্থ। তাই জনগণকে উদ্দেশ্য করে আহ্বান জানাই, সকলে ভয়ভীতিকে উপেক্ষা করে পরিবর্তনের পক্ষে রায় দিন এবার।”

    তৃণমূলের প্রতি আস্থা নেই

    মঞ্চে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এবং তাঁর কর্মপদ্ধতির ভূয়সী প্রশংসা করেন মিঠুন (Mithun Chakaraborty)। তিনি বলেন, “নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বেই ভারত তথা পশ্চিমবঙ্গ উন্নয়নের শিখরে পৌঁছাতে পারে। ব্রিগেডের (Modi Brigade Rally) এই বিশাল সমাবেশই প্রমাণ করে দিচ্ছে যে, মানুষের মন থেকে বর্তমান শাসকদলের প্রতি আস্থা দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে।” রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, নির্বাচনের আগে মিঠুন চক্রবর্তীর মতো একজন ব্যক্তিত্বকে ব্রিগেডের মঞ্চে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে এভাবে আক্রমণাত্মক মেজাজে তুলে ধরা বিজেপির এক সুপরিকল্পিত কৌশল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সমালোচনা এবং রাজ্য সরকারের নীতিগত ব্যর্থতাকে সামনে এনে ভোটারদের মন জয় করাই ছিল তাঁর বক্তব্যের মূল লক্ষ্য।

  • PM Modi Brigade Rally: ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা মোদির! কলকাতা ডকেও সংস্কার, রেল-হাইওয়ে উন্নয়নে জোর

    PM Modi Brigade Rally: ১৮ হাজার ৮৬০ কোটি টাকার প্রকল্পের সূচনা মোদির! কলকাতা ডকেও সংস্কার, রেল-হাইওয়ে উন্নয়নে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার মানুষের জন্য উন্নয়নের ডালি নিয়ে কলকাতায় হাজির হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi)। শনিবার ব্রিগেডের সরকারি মঞ্চ থেকে প্রায় ১৮,৮৬০ কোটি টাকার একাধিক প্রকল্পের (West Bengal Projects) উদ্বোধন ও শিলান্যাস করলেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদার ও শমীক ভট্টাচার্যদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজের ভাষণ শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট জানান, ভারতীয় রেলকে আধুনিক করার যে কর্মযজ্ঞ দেশজুড়ে চলছে, তাতে পশ্চিমবঙ্গ যেন কোনওভাবেই পিছিয়ে না থাকে, তা নিশ্চিত করাই কেন্দ্রের লক্ষ্য।

    রেল যোগাযোগে বিপুল বিনিয়োগ

    দেশের রেলব্যবস্থাকে আধুনিক করার লক্ষ্যে কাজ করছে কেন্দ্র সরকার এবং সেই উন্নয়নের ধারায় পশ্চিমবঙ্গও যাতে পিছিয়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই একাধিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, এদিন ব্রিগেডের প্রশাসনিক মঞ্চ থেকে রাজ্যের একাধিক পুনর্নির্মিত রেলস্টেশনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। রেল যোগাযোগে গতি আনতে অমৃত ভারত স্টেশন প্রকল্পের অধীনে বাংলার ৬টি স্টেশন— আনারা, তমলুক, হলদিয়া, বরাভূম, সিউড়ি এবং কামাখ্যাগুড়ির আধুনিকীকরণের সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Brigade Rally)। পাশাপাশি চালু হলো পুরুলিয়া-আনন্দ বিহার টার্মিনাল এক্সপ্রেস।

    সড়ক যোগে সাড়া

    এদিন প্রধানমন্ত্রী ৪২০ কিলোমিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্যের বেশ কয়েকটি জাতীয় সড়ক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, যার সম্মিলিত ব্যয় প্রায় ১৬,৯৯০ কোটি টাকা। এর মধ্যে অন্যতম হলো ১৯ নম্বর জাতীয় সড়কের পানাগড়-পালসিট (৬৮ কিমি) এবং বারওয়া আড্ডা-পানাগড় (১১৫ কিমি) পর্যন্ত ৬ লেনের রাস্তা। এ ছাড়াও ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের ভেদিয়াতে ৪ লেনের আরওবি এবং ইছামতী নদীর ওপর স্বরূপনগর ব্রিজেরও উদ্বোধন করেন তিনি।

    বন্দর ও জলপথের উন্নয়ন

    সড়ক এবং রেল যোগাযোগ যতটা গুরুত্বপূর্ণ, জলপথের সংস্কারও ততটাই প্রয়োজনীয় বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সে এ জন্য সংস্কার হচ্ছে। কলকাতা ডকেও সংস্কার হচ্ছে। এর ফলে পূর্ব ভারতের ‘লজিস্টিক সিস্টেম’ আরও উন্নতি হবে। কেবল সড়ক বা রেল নয়, জলপথ পরিবহণেও বিশেষ জোর দিয়েছেন মোদি। হলদিয়া ডক কমপ্লেক্সের ৫ নম্বর বার্থের সংস্কার এবং ২ নম্বর বার্থের যান্ত্রিকীকরণের কাজ শুরু হলো, যা পরিবেশ-বান্ধব পণ্য পরিবহণে সহায়ক হবে। পাশাপাশি খিদিরপুর ডক সংস্কার প্রকল্পেরও উদ্বোধন করেন তিনি। এ ছাড়াও কংসাবতী ও শিলাবতী নদীর ওপর নতুন ব্রিজ এবং হাওড়া ব্রিজের তট সুরক্ষার মতো প্রকল্পের শিলান্যাস এদিন সম্পন্ন হয়েছে।

    রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল

    এদিন দুপুরে রেসকোর্সের হেলিপ্যাড থেকে সড়কপথে ব্রিগেডে (Brigade) পৌঁছন প্রধানমন্ত্রী। উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী তাঁর হাতে গৌর-নিতাইয়ের মূর্তি তুলে দেন। সরকারি অনুষ্ঠান শেষে মোদি একই মাঠের পৃথক রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দেন।

  • Modi Brigade Rally: “ইট ছুড়ে আটকে রাখা যাবে না”, ব্রিগেড থেকে তৃণমূলকে নিশানা শমীকের

    Modi Brigade Rally: “ইট ছুড়ে আটকে রাখা যাবে না”, ব্রিগেড থেকে তৃণমূলকে নিশানা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বহুত্ববাদের মাটি। এই মাটিকে কখনও বিভেদের রাজনীতির দিকে ঠেলে দেওয়া যাবে না। ব্রিগেডের দিন (Modi Brigade Rally) স্পষ্ট ভাষায় একথা জানালেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্রিগেড সভাকে ঘিরে শিয়ালদা স্টেশন চত্বরে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ের মধ্যেই অন্য মেজাজে দেখা যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে। স্টেশনের বাইরে কর্মী-সমর্থকদের জন্য তৈরি করা অস্থায়ী ক্যাম্পে দূরদূরান্ত থেকে আসা কর্মীদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানেই নিজে হাতে কর্মী-সমর্থকদের খাবার পরিবেশন করতে দেখা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতিকে। এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সামনে ব্রিগেডের মঞ্চে শমীক বলেন, ‘‘আমাদের একটাই লক্ষ্য: ২০২৬ সালের নির্বাচন, তৃণমূলের বিসর্জন। এটা কোনও ধর্মশালা নয়। এদেশের মানুষকেই আমরা এদেশে রাখব, ভোটার তালিকায় রাখব।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘রাজ্যে বিজেপি আসছে। এটা কালের দেওয়াল লিখন। একে কেউ বদলাতে পারবে না।’’ রাষ্ট্রপতিকে অপমান নিয়েও তৃণমূলকে কটাক্ষ করেন তিনি।

    খাওয়া দাওয়া সেরে ব্রিগেড যাবেন কর্মীরা

    শিয়ালদা স্টেশনের বাইরে বিজেপির তরফে যে ক্যাম্প করা হয়েছে, সেখানে সকাল থেকেই উত্তরবঙ্গ-সহ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা কর্মী-সমর্থকদের জন্য খাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। দূর জেলা থেকে আসা অনেকেই দীর্ঘ সফর শেষে ওই ক্যাম্পে বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং জলখাবার বা খাবার সেরে ব্রিগেডমুখী হচ্ছেন। সেই ক্যাম্পেই এদিন কর্মীদের মাঝে নেমে পড়েন শমীক ভট্টাচার্য। মোট ১ লক্ষ লোকের রান্না করা হয়েছে। মেনুতে রয়েছে ভাত, সবজি, ডাল। যাঁরা এখানে আসবেন, তাঁদের থাকার জন্যও ব্যবস্থা করা হয়েছে। খাওয়া দাওয়া সেরে ব্রিগেড যাবেন কর্মীরা। ফেরার পথে এখানে খাওয়া দাওয়া সেরে তারপর ট্রেনে উঠবে। খাবার পরিবেশন প্রসঙ্গে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটা নতুন কিছু নয়। ছোটবেলা থেকেই জনসংঘ এবং বিজেপির বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মানুষকে খাবার পরিবেশন করার অভ্যাস রয়েছে তাঁর। যাঁদের এদিন খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে, তাঁদের অনেকের বাড়িতেই তিনি দিনের পর দিন খেয়েছেন বলেও উল্লেখ করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। তাঁর কথায়, এটা তাঁর কর্তব্য।

    আমাদের আটকানো যায়নি

    বিজেপির আদর্শের কথা উল্লেখ করে এদিন শমীক ভট্টাচার্য বলেন, শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জীর আদর্শেই দল এগিয়ে চলছে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন, দেশভাগের পর শিয়ালদা স্টেশনে উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়। সেই ঐতিহ্য থেকেই বিজেপি বাংলার মানুষের পাশে থাকার দাবি করে বলে জানান তিনি। এদিন রাজনৈতিক আক্রমণও শানান বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, “খুন করে আমাদের আটকানো যায়নি, ইট ছুড়ে আমাদের আটকে রাখা যাবে না।” পাশাপাশি তিনি বলেন, ৮০-র দশকেও ব্রিগেডে সভা করার চেষ্টা করেছিল বিজেপি, কিন্তু তখন সেই সভা ভরানো সম্ভব হয়নি। তবে এবার বিপুল জনসমাগমের মাধ্যমে বিজেপি নিজেদের শক্তি প্রদর্শন করতে পারবে বলেও দাবি করেন তিনি। রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আসন্ন নির্বাচন মূলত মানুষের সঙ্গে তৃণমূলের লড়াই হয়ে উঠেছে। তাঁর মতে, রাজ্যের মানুষ পরিবর্তনের জন্য প্রস্তুত এবং সেই বার্তাই ব্রিগেডের সভা থেকে স্পষ্ট হবে।

     

  • PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    PM Modi Brigade Rally: ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে রণক্ষেত্র গিরিশ পার্ক, তৃণমূলের ইট-বৃষ্টিতে জখম বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারের বারবেলায় ন্যাক্কারজনক ঘটনার সাক্ষী রইল পশ্চিমবঙ্গ। এদিনই দুপুরে ব্রিগেডে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) ঐতিহাসিক জনসভা। তার আগে তৃণমূল দেখিয়ে দিল ক্ষমতার লোভে তারা কতটা নীচে নামতে পারে (BJP TMC Clash)!

    গিরিশ পার্কে রক্তারক্তিকাণ্ড (PM Modi)

    দুয়ারে রাজ্য বিধানসভার নির্বাচন। সেই উপলক্ষে এদিন ছিল প্রধানমন্ত্রীর ব্রিগেড সমাবেশ। তার আগে আক্ষরিক অর্থেই রণক্ষেত্রের চেহারা নিল উত্তর কলকাতার গিরিশ পার্ক চত্বর। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সভায় যাওয়ার পথে তৃণমূল কর্মীদের হাতে আক্রান্ত হন বিজেপি কর্মীরা। তাঁদের ওপর দফায় দফায় আক্রমণ চালানো হয়। ঘটনায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গোটা তল্লাট। দেদার ইটবৃষ্টির পাশাপাশি ভাঙচুর করা হয়েছে গাড়ি। ইটের ঘায়ে মাথা ফেটে রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে। পরিস্থিতি সামাল দিতে কার্যত হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    মেরে মাথা ফাটানো হল বিজেপি কর্মীর

    জানা গিয়েছে, এদিন সকালে উত্তর কলকাতা থেকে বিজেপি কর্মীদের একটি মিছিল ব্রিগেডের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। এই সময় গিরিশ পার্ক মোড়ে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিজেপির মিছিল লক্ষ্য করে আচমকা ইটবৃষ্টি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যায়। বিজেপি কর্মীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর সভায় যোগ দিতে যাওয়ার পথে তাঁদের পরিকল্পিতভাবে বাধা দিয়েছে তৃণমূল। পদ্ম শিবিরের এক কর্মীর কথায়, “আমাদের শান্তিপূর্ণ মিছিল লক্ষ্য করে বাড়ির ছাদ ও রাস্তা থেকে ইট ছোড়া হয়। আমাদের কর্মীদের মারধর করা হয়। মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে।” রাস্তায় রক্তাক্ত এক বিজেপি কর্মীকে যন্ত্রণায় কাতরাতে দেখা যায়। মাথা ফেটে গিয়েছে উত্তর কলকাতা জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষেরও।

    থমথমে পরিস্থিতি

    গোটা রাস্তা ইট ও পাথরের টুকরোয় ভরে যায়। পুলিশের সামনেই দু’পক্ষ হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়লেও, প্রথমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি পুলিশ। পরে অবশ্য পরিস্থিতি চলে আসে নিয়ন্ত্রণে। ফের যাতে অশান্তির ঘটনা না ঘটে, তাই এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ (RAF)। বর্তমানে গিরিশ পার্ক চত্বরের পরিস্থিতি থমথমে (PM Modi)। শুধু গিরিশ পার্কই নয়, এদিন পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় দফায় দফায় বিজেপির বিভিন্ন গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়। হামলা করা হয় কর্মীদের ওপর। পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদায়ও বিজেপির ভাড়া করা একটি বাসে ভাঙচুর চালানো হয় (BJP TMC Clash)।

    প্রধানমন্ত্রীর জনসভার আগে এই ধরনের ঘটনা কার্যত বিরল। এর আগে ব্রিগেডে একাধিকবার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জনসমাবেশ হলেও, কখনও শাসকদলের পক্ষ থেকে এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হয়নি। রাজনৈতিক মহলের মতে, তৃণমূলের এই মরিয়া প্রচেষ্টায় স্পষ্ট, ক্ষমতা হারাতে চলেছে ঘাসফুল শিবির। তাই ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া হয়ে মরণ কামড় দিতে চাইছে তারা (PM Modi)।

     

  • Kharg Island: ইরানের ‘ক্রাউন জুয়েল’ খার্গ দ্বীপে হামলা আমেরিকার, ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের তেলের বাজারে?

    Kharg Island: ইরানের ‘ক্রাউন জুয়েল’ খার্গ দ্বীপে হামলা আমেরিকার, ব্যাপক প্রভাব পড়তে পারে বিশ্বের তেলের বাজারে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা ক্রমেই বাড়তে থাকায় শুক্রবার ইরানের খার্গ দ্বীপে (Kharg Island) বড় ধরনের হামলা চালাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এখানে থাকা গুরুত্বপূর্ণ একটি সামরিক টার্গেট ধ্বংস করে (Global Oil Crisis)। এই দ্বীপটিকে ইরানের ‘ক্রাউন জুয়েল’ বলা হয়। কারণ এটি দেশের তেল রফতানি নেটওয়ার্কের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র।

    কী বললেন ট্রাম্প? (Kharg Island)

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই হামলা কেবল সামরিক পরিকাঠামোগুলিকেই লক্ষ্য করে করা হয়েছে এবং দ্বীপের জ্বালানি পরিকাঠামো এড়িয়ে চলা হয়েছে।” তবে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেন, “যদি তেহরান হরমুজ প্রণালী (Strait of Hormuz) দিয়ে জাহাজ চলাচলে বাধা দিতে থাকে, তাহলে দ্বীপে থাকা তেলের মজুত ভবিষ্যতে টার্গেট হতে পারে।” ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পর পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, পরিস্থিতি যদি দিন দিন এভাবে আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে, তাহলে তা বড় ধরনের সংঘাতের রূপ নিতে পারে। কারণ তখন তারা আমেরিকার সঙ্গে সহযোগিতা করা আঞ্চলিক তেল কোম্পানিগুলির জ্বালানি পরিকাঠামোকেও টার্গেট করতে বাধ্য হবে।

    খার্গ দ্বীপ কোথায়?

    ইরানের উপকূল থেকে প্রায় ১৬ মাইল দূরে এবং হরমুজ প্রণালীর প্রায় ৩০০ মাইল উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খার্গ দ্বীপ। এটি পারস্য উপসাগরের উত্তরের একটি কৌশলগত তেল টার্মিনাল। এই দ্বীপকে বলা হয় ইরানের ‘তেলের জীবনরেখা’। ইরানের মোট তেল রফতানির প্রায় ৯০ শতাংশই হয় এই দ্বীপের মাধ্যমে। বড় বড় তেলবাহী ট্যাঙ্কার প্রথমে দ্বীপে তেল নিয়ে আসে এবং সেখান থেকে তা পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালী হয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয় (Kharg Island)। এই দ্বীপে প্রবেশাধিকার বন্ধ হয়ে গেলে, তা ব্যাপক প্রভাব ফেলবে ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের অর্থনীতিতে।

    কেন খার্গ দ্বীপ ইরানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ

    ১৯৮৪ সালের একটি গোপন নথি থেকে প্রাপ্ত সিআইএ নোট অনুযায়ী, দ্বীপটির তেল পরিকাঠামোগুলি ইরানের পেট্রোলিয়াম ব্যবস্থার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ এবং দেশটির অর্থনীতি ও ইরাকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই দ্বীপের সঙ্গে যুক্ত পাইপলাইনগুলি সমুদ্রপথে ইরানের বড় বড় তেল ও গ্যাসক্ষেত্রের সঙ্গে সংযুক্ত (Global Oil Crisis)। জানা গিয়েছে, সমুদ্রের তেলক্ষেত্র আবুজার (Aboozar), ফোরুজান (Forouzan) এবং দোরুদ (Dorood) থেকে অপরিশোধিত তেল এই টার্মিনালে আসে। এরপর জলের নীচের পাইপলাইনের মাধ্যমে তা স্থলভাগের পরিশোধনাগারে পৌঁছয়। সেখানে প্রক্রিয়াকরণ করার পর তেল সংরক্ষণ করা হয় বা আন্তর্জাতিক বাজারে পাঠানো হয় (Kharg Island)।

    প্রভাব পড়তে পারে বিশ্ববাজারে তেলের দামে

    এই দ্বীপে ইরানের তেল মন্ত্রক পরিচালিত তিনটি বড় জ্বালানি পরিকাঠামোও রয়েছে। নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর মধ্যে অন্যতম বড় হল ফালাত ইরান অয়েল কোম্পানি (Falat Iran Oil Company)। এই কোম্পানি প্রতিদিন প্রায় ৫ লক্ষ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল উৎপাদন করে। দ্বীপটিতে খার্গ পেট্রোকেমিক্যাল কোম্পানি-সহ একটি বড় পরিকাঠামো রয়েছে, যা তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস সংরক্ষণ ও রফতানির জন্য ব্যবহৃত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই দ্বীপের ওপর কোনও সামরিক হামলা, যেখানে সাধারণ নাগরিকরাও বসবাস করেন (Global Oil Crisis), বিশ্ববাজারে তেলের দাম আরও বাড়িয়ে দিতে পারে (Kharg Island)।

     

  • IPL 2026: পাকিস্তানের লিগ থেকে নাম তুলে আইপিএলে! মুস্তাফিজুরের বিকল্প মুজারাবানি, হর্ষিতের চোটে ধাক্কা কেকেআর-এর

    IPL 2026: পাকিস্তানের লিগ থেকে নাম তুলে আইপিএলে! মুস্তাফিজুরের বিকল্প মুজারাবানি, হর্ষিতের চোটে ধাক্কা কেকেআর-এর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের বিকল্প পেয়ে গেল কলকাতা নাইট রাইডার্স। শুক্রবার বিকল্প হিসেবে সই করানো হল জিম্বাবোয়ের ক্রিকেটার ব্লেসিং মুজারাবানিকে। কেকেআরের (IPL 2026)  ডাক পেয়েই পাকিস্তান সুপার লিগ (পিএসএল) থেকে নাম তুলে নিয়েছেন মুজারাবানি। ১৭ তারিখ, মঙ্গলবার কলকাতায় আসছেন তিনি। তবে, মুস্তাফিজুর রহমানের বিকল্প খুঁজে পাওয়ার দিনই ফের ধাক্কা খেল কেকেআর। অলৌকিক কিছু না হলে আসন্ন আইপিএলে হর্ষিত রানাকে পাওয়া যাবে না। ফলে বোলিং বিভাগ অনেকটাই কমজোরি হয়ে গেল তাঁদের।

    হর্ষিতের চোট বাদ পুরো সিজন থেকে

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্যাচ চোট পান হর্ষিত। সেই চোট এখনও সারেনি। গত ৯ ফেব্রুয়ারি অস্ত্রোপচার হয় হর্ষিতের। আইপিএলের মধ্যে তিনি সুস্থ হতে পারবেন না। ২০২৪-এ কেকেআরের ট্রফিজয়ী মরসুমে উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন হর্ষিত। তিনি ১৯টি উইকেট নিয়েছিলেন। এর পর ভারতের সব ফরম্যাটের দলেই খেলে ফেলেছেন। কোচ গৌতম গম্ভীরের পছন্দের ক্রিকেটার তিনি। ২০২৫ মরসুমের আগে তাঁকে চার কোটি টাকায় ধরে রাখা হয়েছিল। গত বছর ১৩টি ম্যাচে ১৫টি উইকেট নিয়েছিলেন। কেকেআর এখনও বিকল্প ক্রিকেটারের নাম ঠিক করে উঠতে পারেনি। এই মুহূর্তে তাঁদের হাতে ভারতীয়দের মধ্যে আকাশ দীপ, বৈভব অরোরা, উমরান মালিক এবং কার্তিক ত্যাগী রয়েছেন। বিদেশিদের মধ্যে ব্লেসিং মুজারাবানি এবং মাথিশা পাথিরানা রয়েছেন।

    পাকিস্তান লিগ নয়, আইপিএল-ই লক্ষ্য

    টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভাল খেলেছিলেন জিম্বাবোয়ের মুজারাবানি। দল সুপার এইট থেকে বিদায় নিলেও তিনি ১৩টি উইকেট নিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে ৮৯টি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচে ১০৬টি উইকেট রয়েছে তাঁর। এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন লিগে খেলে বেড়ান তিনি। ফলে যথেষ্ট অভিজ্ঞতাও রয়েছে। মাথিশা পাথিরানার পাশাপাশি দ্বিতীয় বিদেশি জোরে বোলার হিসেবে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। পিএসএলে প্রথমে কোনও দল পাননি তিনি। পরে ইসলামাবাদ ইউনাইটেড সই করায় মুজারাবানিকে। শামার জোসেফের জায়গায় সই করানো হয় তাঁকে। অতীতে লাহোর কলন্দর্সের হয়ে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে মুজারাবানির। তিনি ইসলামাবাদ কর্তৃপক্ষকে সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে দিয়েছেন। এই নিয়ে দ্বিতীয় বার পিএসএলে সুযোগ পাওয়া কোনও ক্রিকেটার আইপিএলে সুযোগ পেয়ে দল ছাড়লেন। গত বছরের মতো এ বছরও আইপিএলের সময় পিএসএল হবে। গত বছর মুম্বই ইন্ডিয়ান্স নিয়েছিল করবিনশ বশকে। তাঁকে নিয়েছিল পেশওয়ার জালমি। পিএসএল থেকে নাম তোলায় তাঁকে এক বছর নির্বাসিত করা হয়েছে। মুজারাবানির ক্ষেত্রেও তেমন শাস্তি হবে কি না তা এখনও স্পষ্ট নয়।

  • Suvendu Adhikari: “আন্দোলনকারীদের প্রতিশ্রুতি আজও পূরণ হয়নি”, নন্দীগ্রাম দিবসে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আন্দোলনকারীদের প্রতিশ্রুতি আজও পূরণ হয়নি”, নন্দীগ্রাম দিবসে মমতাকে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তখন সিপিআইএম-সিপিএম মধ্য গগনে। বামেদের অত্যাচার চরম সীমায়। ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ বাম শাসনেই পুলিশের গুলিতে নন্দীগ্রামে (Nandigram Diwas) ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছিল। এই দিনটিকে স্মরণে রেখেই প্রতি বছর তৃণমূল ও বিজেপি উভয় দলই পৃথক কর্মসূচি পালন করে থাকে। পরিবর্তনের আগে তৃণমূল যে ন্যায় বিচারের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় বসেছে পরিবর্তনের পর সেই কথা রাখেনি বলে অভিযোগ বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। একসময়ের সতীর্থ মমতা ও শুভেন্দুর বর্তমান রাজনৈতিক বৈরিতার কারণে এই দিনটি এখন শ্রদ্ধাঞ্জলির চেয়েও বেশি রাজনৈতিক লড়াইয়ের ময়দান হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    শহীদদের সম্মান জানানো হয়নি (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের মা মাটি সরকারের নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েছেন নন্দীগ্রামের (Nandigram Diwas) বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন সকালেই তিনি নন্দীগ্রামে পৌঁছে শহিদ বেদিতে মাল্যদান করেন। যাঁদেরকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হয়েছিল, তাঁদের স্মরণ করেন। সামাজিক মাধ্যমে তিনি বর্তমান রাজ্য সরকারকে তীব্র আক্রমণ করে বলেন, “নন্দীগ্রামের আসল শহীদদের সম্মান জানানো হয়নি এবং আন্দোলনকারীদের প্রতিশ্রুতি আজও পূরণ হয়নি।” শুভেন্দু দাবি করেন, “তৃণমূল সরকার নন্দীগ্রামের ভাবাবেগকে কেবল রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহার করেছে। ২০০৭-এর পুলিশের গুলিবর্ষণের ঘটনার নিরপেক্ষ বিচার এবং প্রকৃত দোষীদের শাস্তি চাই।”

    আজও ভুলিনি নন্দীগ্রাম অভিশপ্ত ১৪ মার্চ

    ২০০৮ সাল থেকে ভুমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটি ১৪ মার্চ দিনটিকে ‘নন্দীগ্রাম দিবস’ হিসেবে বিশেষ মর্যাদা দিয়ে পালন করে আসছে। যদিও সেইসময় তৃণমূলে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, পরবর্তী সময়ে  তিনিও এই নন্দীগ্রাম (Nandigram Diwas) আন্দোলনের হাত ধরেই রাজ্য রাজনীতির অন্যতম মুখ হয়ে উঠেছিলেন। শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেছেন, “শহিদদের বলিদান, ভুলবে না নন্দীগ্রাম… বশ্যতা বিরোধের সংগ্রাম, আজও ভুলিনি নন্দীগ্রাম। অভিশপ্ত ১৪ মার্চ ২০০৭… বশ্যতা বিরোধী নন্দীগ্রাম জমি রক্ষার আন্দোলনে তৎকালীন পুলিশ ও হার্মাদ বাহিনীর নৃশংস আক্রমণে নিহত নন্দীগ্রামের শহিদদের প্রতি আমার বিনম্র শ্রদ্ধা ও প্রণাম নিবেদন করি।”

    নন্দীগ্রাম দিবসকে কেন্দ্র করে শুভেন্দু আরও একবার স্পষ্ট করে দিলেন যে, নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক গুরুত্ব আজও বিন্দুমাত্র কমেনি। যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটিকে ‘পরিবর্তনের সূতিকাগার’ হিসেবে দেখছেন, সেখানে শুভেন্দু অধিকারী একে সরকারের ‘ব্যর্থতা’ প্রমাণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন।

LinkedIn
Share