Modi in Kargil: দেশের সুরক্ষা যাদের কাঁধে, প্রথা মেনে তাঁদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে কার্গিলে মোদি

Modi

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৪ সাল থেকে প্রধানমন্ত্রীর (Modi in Kargil) পদে বসার পর থেকে চলে আসছে এই প্রথা। কখনও বদল হয়নি এই নিয়মের। দীপাবলির এই বিশেষ তিনি উজ্জাপন করেন দেশের অতন্দ্র প্রহরীদের সঙ্গে, যাদের জন্যে আমরা প্রতিটা উৎসবে নিশ্চিন্তে মেতে যেতে পারি। আর সেই ধারাকে অব্যহত রাখতে, এবছরও সেনা জওয়ানদের সঙ্গে আলোর উৎসব পালন করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পৌঁছে গিয়েছেন কার্গিলে। 

আজ সকালেই ট্যুইটারে দেশবাসীকে দীপাবলির শুভেচ্ছা জানান নরেন্দ্র মোদী। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, “সকলকে দিওয়ালির শুভেচ্ছা জানাচ্ছি। আলোর সঙ্গে জড়িয়ে দিওয়ালি। এই শুভ উৎসব আমাদের জীবনে আনন্দ ও মঙ্গলের চেতনাকে আরও বাড়িয়ে তুলুক। পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দের সঙ্গে দিওয়াবলি কাটান, এই কামনা করি।” অন্য একটি ট্যুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রীর অফিসের তরফে জানানো হয়, “প্রধানমন্ত্রী কার্গিল পৌঁছেছেন। সেখানে তিনি আমাদের বীর জওয়ানদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করবেন।” 

 

 

গতকাল অযোধ্যায় পোৎসবে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে অস্থায়ী রামমন্দিরে মাটির প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করেন তিনি। মন্দিরের প্রধান পুরোহিত আচার্য্য সত্যেন্দ্র দাস তাঁর কপালে সিঁদুরের টিকা দিয়ে দেন। মন্দিরের দান বাক্সে প্রণামীও দেন তিনি।  

বিগত আটবছর ধরেই দীপাবলির দিনটি দেশের বিভিন্ন সীমান্তের প্রহরীদের সঙ্গে কাটিয়ে আসছেন মোদি। ২০১৪ সালে গিয়েছিলেন সিয়াচেনে। এরপর ২০১৫ সালে পাঞ্জাবের সীমান্তে গিয়ে ১৯৬৫ সালের যুদ্ধের তিনটি সৌধে সম্মান জ্ঞাপন  করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। ২০১৬ সালে হিমাচলের চিন সীমান্তে যান। সেখানে আইটিবিপি জওয়ানদের সঙ্গে দিওয়ালি উদযাপন করেন। এরপর ২০১৭ সালে উত্তর কাশ্মীরের গুরেজ সেক্টরে গিয়েছিলেন মোদি। ২০১৮ সালে মোদী যান উত্তরাখণ্ডের হরসিল সীমান্তে। ২০১৯ সালে কাশ্মীরের রাজৌরি এবং ২০২০ সালে গিয়েছিলেন রাজস্থানের লঙ্গেওয়ালা সীমান্তে। গতবছর প্রধানমন্ত্রী গিয়েছিলেন কাশ্মীরের নৌশেরায়। এবারেও কাশ্মীর।   

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share