Rishi Sunak: ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১০০ দিন পার ঋষি সুনাকের, কী বললেন তিনি?

Rishi_Sunak

মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রথম নন-শ্বেতাঙ্গ ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ১০০তম দিন পার করলেন ঋষি সুনাক (Rishi Sunak)। এক টিভি সাক্ষাত্কারে, সুনাক জানান যে কেন তিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হতে চেয়েছিলেন। সুনাক বলেন, “আমার জন্য এটি কর্তব্য। হিন্দুধর্মে ধর্মের মূল অর্থই হল কর্তব্য। আর এভাবেই আমি বড় হয়েছি। সঠিক কাজ করার লক্ষ্যে অবিচল থাকার চেষ্টা করব।”  

তিনিই প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত, যিনি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী (Rishi Sunak) হিসেবে দীপাবলির একদিন পর গত বছর ২৫ অক্টোবর ১০ ডাউনিং স্ট্রিটের অফিসের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তীব্র রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই হয়েছিল সুনাকে রাজ্যাভিষেক। তাঁর পূর্বসূরি লিজ ট্রাস মাত্র ৪৫ দিনের মাথায় প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন। 

আরও পড়ুন: চলতি বছর থেকেই দেশে চালু হাইড্রোজেন ট্রেন! দার্জিলিঙে চলবে কবে? রেলমন্ত্রী বললেন…  

সুনাক (Rishi Sunak) আরও বলেন, “যদিও এটি দুঃস্বপ্নের মতো কাজ ছিল… আমার ধারণা ছিল, আমি পার্থক্য আনতে পারি। জানতাম কাজটা চ্যালেঞ্জিং হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই পরিস্থিতিতে আমি আমার কর্তব্য পালন করেছি। আমি সেবায় গভীরভাবে বিশ্বাস করি। আমি জানতাম, যে আমি দেশের জন্য একটি পার্থক্য আনতে পারি।”

গীতা ছুঁয়ে শপথ 

ব্রিটেনের সাউদাম্পটনে জন্ম ঋষির (Rishi Sunak)। বাবা যশবীর সুনক ছিলেন পেশায় চিকিৎসক। মা ঊষা ফার্মাসিস্ট, ওষুধের দোকান চালাতেন। ঋষির দাদু ছিলেন পাঞ্জাবের বাসিন্দা। সুনকের বাবা-মা পূর্ব আফ্রিকা থেকে ব্রিটেন চলে যান ১৯৬০ সালে। পড়াশোনায় ঋষি ছিলেন তুখোড়। অক্সফোর্ড ও স্ট্যান্ডফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট তিনি। এই স্ট্যান্ডফোর্ডে পড়তে গিয়েই আলাপ ইনফোসিস কর্তা নারায়ণ মূর্তির মেয়ে অক্ষতার সঙ্গে। ২০০৯ সালে বিয়ে করেন ঋষি-অক্ষতা। তাঁদের দুই মেয়ে। একজন অনুষ্কা, অন্যজন কৃষ্ণা। ভারতে থাকা আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে দেখা করতে ঋষিকে সপরিবারে বেঙ্গালুরুতে আসতে দেখা যায় প্রায়ই। 

২০১৫ সালের মে মাসে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সদস্য হন ঋষি(Rishi Sunak)। ইয়র্কশায়ারের রিচমন্ড কেন্দ্র থেকে জিতে আসেন তিনি। হিন্দু ধর্মগ্রন্থ গীতা ছুঁয়ে শপথ নেন। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে তিনিই প্রথম, যিনি এভাবে শপথ নিয়েছেন। ২০২০ সালে তাঁকে বসানো হয় ব্রিটিশ ক্যাবিনেটের চান্সেলর অফ এক্সচেকার পদে। কোভিড অতিমারি পরিস্থিতিতে কর্মী ও ব্যবসায়ীদের জন্য অর্থনৈতিক প্যাকেজ ঘোষণা করে ব্রিটেনবাসীর মন জয় করে নেন ঋষি। যদিও বিভিন্ন পরিবারে কস্ট অফ লিভিং সাপোর্ট না করায় বিস্তর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন তিনি।

দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

Please follow and like us:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

LinkedIn
Share