Tag: AAP

AAP

  • Delhi Election: দিল্লি ভোটে ফের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির, ছাত্র-যুব-মহিলাদের জন্য বড় আশ্বাস

    Delhi Election: দিল্লি ভোটে ফের ইশতেহার প্রকাশ বিজেপির, ছাত্র-যুব-মহিলাদের জন্য বড় আশ্বাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে দিল্লির নির্বাচন (Delhi Election)। এই আবহে সোমবার দ্বিতীয় পর্যায়ের নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করল বিজেপি। যার পোশাকি নাম সংকল্প পত্র-২। দিল্লিতে বিজেপির প্রদেশ দফতরে সভাপতি বীরেন্দ্র সচদেবা এবং পার্টির সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর সাংবাদিক সম্মেলন করে নির্বাচনী ইশতেহার প্রকাশ করেন। প্রসঙ্গত, নির্বাচনী ইশতেহারের প্রথম দফার সংকল্প পত্র প্রকাশ করেছিলেন বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। দ্বিতীয় দফার সংকল্প পত্র প্রকাশ করলেন বিজেপির সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর।

    জনকল্যাণমুখী একাধিক প্রকল্পের আশ্বাস  

    নির্বাচনী ইশতেহারে জনকল্যাণমুখী প্রচুর প্রকল্পের কথা বলা হয়েছে। সেখানে ঘোষণা করা হয়েছে, বিজেপি (Delhi Election) ক্ষমতায় এলে এর সবগুলিই বাস্তবায়িত করা হবে। সংকল্প পত্রে সাফ লেখা রয়েছে, ‘‘আমরা একটি উন্নত ভারতবর্ষের কল্পনা করি। ভারতবর্ষের উন্নয়নের ক্ষেত্রে দিল্লির উন্নয়ন যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা সংকল্প পত্রের প্রথম পর্ব প্রকাশ করেছেন। আমরা আজ দ্বিতীয় পর্ব প্রকাশ করলাম।’’ 

    বিজেপির তরফ থেকে দেওয়া আশ্বাস (Delhi Election)

    প্রতিটি সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গরিব পড়ুয়ারা একেবারে কিন্ডারগার্ডেন থেকে স্নাতকোত্তর পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা পাবে। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় যে সমস্ত যুবক-যুবতীরা অংশগ্রহণ করবেন, তাঁদের এককালীন ১৫ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। বিজেপি তাদের সংকল্প পত্রে জানিয়েছে, দিল্লির আপ সরকারের আমলে যে অপশাসন এবং দুর্নীতি বাসা বেঁধেছে, ক্ষমতায় এলে সে বিষয়ে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হবে এবং এসআইটি গঠন করে তদন্ত চলবে। তপশিলি জাতির ছাত্র-ছাত্রীদের মাসিক হাজার টাকা করে বৃত্তি দেওয়ার কথাও ঘোষণা করেছে বিজেপি।

    একই সঙ্গে দিল্লিতে (Delhi Election) যাঁরা অটো এবং ট্যাক্সি চালক রয়েছেন, তাঁদের জন্য একটি বোর্ড গঠনের কথা বলা হয়েছে, ওই সংকল্প পত্রে। এখানে ১০ লাখ টাকার জীবন বীমা, পাঁচ লাখ টাকা দুর্ঘটনা বীমা, সন্তানদের জন্য বৃত্তি, ছয় মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটির কথাও বলা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • CAG Report: দিল্লির মদ কেলেঙ্কারির জেরে ক্ষতি, আপকে আক্রমণ শানাল বিজেপি-কংগ্রেস

    CAG Report: দিল্লির মদ কেলেঙ্কারির জেরে ক্ষতি, আপকে আক্রমণ শানাল বিজেপি-কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মদ নীতি কেলেঙ্কারির জেরে আপ সরকারের আমলে যে ক্ষতি হয়েছে, তার পরিমাণ ২ হাজার ২৭ কোটি টাকা। সাম্প্রতিক এক অডিট রিপোর্টে এমনই উল্লেখ করা হয়েছে (BJP)। রিপোর্টটি প্রকাশ করেছে কন্ট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল, সংক্ষেপে ক্যাগ (CAG Report)। রিপোর্টে আবগারি দফতরের শাসন ও দায়বদ্ধতার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ত্রুটিগুলিরও সমালোচনা করা হয়েছে।

    ক্ষতির পরিমাণ (CAG Report)

    বলা হয়েছে, আবগারি দফতরের কাজের ধরন সম্পর্কে বিভিন্ন প্রশ্ন উত্থাপন হয় যে তারা কীভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করে। অডিটের ফল থেকে আর্থিক প্রভাবের মোট পরিমাণ প্রায় ২.০২৬.৯১ কোটি টাকা। প্রসঙ্গত, ওই কেলেঙ্কারির অভিযোগে দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তাঁর ডেপুটি মণীশ সিসোদিয়াকে গ্রেফতার করেছিল ইডি।

    আপকে নিশানা বিজেপির

    ক্যাগের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর আপকে নিশানা করেছে বিজেপি। পদ্ম-পার্টির জাতীয় সভাপতি আক্রমণ শানিয়েছেন আপ এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “ক্ষমতার নেশায় মত্ত, অপশাসনের ওপরে। আপ দা (‘AAP’DA) মডেল লুটের সম্পূর্ণ প্রদর্শনে এবং তাও মদের মতো কিছুতে। আপ সরকারকে ভোট দেওয়া ও তার অপকর্মের জন্য শাস্তি দেওয়া মাত্র কয়েক সপ্তাহের ব্যাপার।”

    পদ্ম সাংসদ অনুরাগ ঠাকুর দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে মদ কেলেঙ্কারির ‘মূল হোতা’ বলে অভিহিত করেছেন (CAG Report)। দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছে কংগ্রেসও। হাত শিবিরের প্রবীণ নেতা সন্দীপ দীক্ষিত বলেন, “কেজরিওয়াল ভুল করেছেন। তিনি বলেন, সিএজি বলেছে যে মদের নীতিতে ২ হাজার কোটি টাকার কেলেঙ্কারি হয়েছে। এখন এটা পরিষ্কার যে তিনি (কেজরিওয়াল) ভুল করেছেন। তিনি সরকারি কোষাগার খালি করেছেন। যদি মদ নীতির কারণে ছ’মাসে ২ হাজার কোটি টাকা খরচ হয়, আর যদি সেই স্কিমটি এখনও চালু থাকত, তাহলে আমাদের ক্ষতি হত (BJP) ১০ থেকে ১২ হাজার কোটি টাকা (CAG Report)।

    আরও পড়ুন: বিশ্বের সাংস্কৃতিক রাজধানী ভারত! মহাকুম্ভে যোগ দিয়ে আবেগে ভাসলেন বিদেশিরা

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে ক্ষতি ২০২৬ কোটি! ভোটের মুখে সিএজি রিপোর্টে আরও বিপাকে কেজরি

    Delhi Liquor Policy Case: আবগারি দুর্নীতিতে ক্ষতি ২০২৬ কোটি! ভোটের মুখে সিএজি রিপোর্টে আরও বিপাকে কেজরি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে বিপাকে দিল্লির আপ সরকার (Delhi Liquor Policy Case)। দিল্লিতে আম আদমি পার্টি (আপ) সরকারের জমানায় আবগারি লাইসেন্স বণ্টন সংক্রান্ত নীতিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠে এল ‘ফাঁস’ হওয়া সিএজি রিপোর্টে (CAG Report)। সেই রিপোর্টে দাবি, এর ফলে দিল্লি সরকারের অন্তত ২০২৬ কোটি টাকা রাজস্ব ক্ষতি হয়েছে। বিধানসভা ভোটের আগে এই ঘটনাকে হাতিয়ার করে আপ সরকারকে নিশানা করেছে বিজেপি।

    নতুন আবগারি নীতি কার্যকরের ক্ষেত্রে অনিয়ম

    ২০২১-২২ সালে দিল্লির আবগারি নীতি (Delhi Liquor Policy Case) বদল করেছিল তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকার। ২০২১ সালের নভেম্বরে তা কার্যকর হয়েছিল। ‘ফাঁস’ হওয়ায় সিএজি রিপোর্ট (CAG Report) বলছে, দিল্লির তৎকালীন উপমুখ্যমন্ত্রী তথা আবগারি মন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশ উপেক্ষা করে নতুন আবগারি নীতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, দিল্লির উপরাজ্যপাল (লেফটেন্যান্ট গভর্নর) ভিকে সাক্সেনা ২০২২ সালের জুলাই মাসেই অভিযোগ করেছিলেন, নতুন আবগারি নীতি কার্যকর করার ক্ষেত্রে অনিয়ম হচ্ছে। নতুন আবগারি নীতি কার্যকরের ক্ষেত্রে অসম্মতি জানানোর পাশাপাশি তিনি এ বিষয়ে সিবিআই তদন্তের সুপারিশ করেছিলেন।

    ক্যাগ রিপোর্টে দাবি

    সিএজি রিপোর্ট (CAG Report) বলছে, দিল্লিতে (Delhi Liquor Policy Case) আপ যে আবগারি নীতি চালু করেছিল তা রাজধানীর কোষাগারে বড় ধাক্কা দিয়েছে। অন্তত ২ হাজার ২৬ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে দিল্লি সরকারের। যদিও সিএজির এই রিপোর্ট এখনও দিল্লি বিধানসভায় পেশ হয়নি। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ওই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, আপ সরকারের আমলে ঘোষিত ওই আবগারি নীতিতে প্রচুর ত্রুটি ছিল এবং সেটা প্রকশ্যে আসার পরও ব্যবস্থা নেয়নি দিল্লি সরকার। ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়ার নেতৃত্বের মন্ত্রীদের কমিটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অগ্রাহ্য করে। যথেচ্ছাচারে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে। স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। দিল্লির ক্যাবিনেট ও লেফটেন্যান্ট গভর্নরের অনুমোদন উপেক্ষা করা হয়েছে। লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের সমস্যা, জরিমানা না করা, নিয়ম লঙ্ঘন, দিল্লি বিধানসভাতেও প্রয়োজনীয় অনুমোদন মানা হয়নি। যেসব লাইসেন্স সারেন্ডার করা হয়েছে, সেগুলির ক্ষেত্রে রিটেন্ডার করা হয়নি। যার জেরে ৮৯০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে অভিযোগ।  

    আরও পড়ুন: ব্রহ্মস থেকে পিনাকা, রোবট কুকুর! প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজে থাকবে আর কোন চমক?

    ইতিমধ্যেই আবগারি দুর্নীতি (Delhi Liquor Policy Case) মামলায় সরাসরি অভিযুক্ত হিসাবে দেখানো হয়েছে আম আদমি পার্টিকে। যা ভারতীয় রাজনীতির ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা।  এই মামলায় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়াল, প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া সহ কয়েকজন হেভিওয়েটকে জেল খাটতে হয়েছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবগারিকাণ্ডে ফের অস্বস্তিতে আপ সরকার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন”, আম আদমি পার্টিকে নিশানা বিজেপির

    BJP: “নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন”, আম আদমি পার্টিকে নিশানা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন।” ঠিক এই ভাষায়ই আপকে (AAP) আক্রমণ শানাল বিজেপি (BJP)। বুধবার মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে মোতায়েন থাকা দিল্লি পুলিশের কর্মীদের সঙ্গে আপ নেতাদের সংঘাত হয়। সেই সংঘাতকেই নৈরাজ্যের স্পষ্ট প্রদর্শন আখ্যা দিয়েছে বিজেপি।

    পদ্ম সাংসদের বাক্য-বাণ (BJP)

    পদ্ম সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “দুর্নীতির স্মৃতিস্তম্ভের বাস্তবতা মানুষের সামনে আসছে। আজ যা ঘটছে এবং আপ সংসদ সদস্য সঞ্জয় সিং ও দিল্লির মন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ যেভাবে নিজেদের চরিত্র প্রদর্শন করছেন, তাঁরা যতই চেষ্টা করুন না কেন, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দুর্নীতির জাদুঘর, ‘শিশমহল’, বাঁচাতে পারবে না।” তিনি বলেন, “আজ তাঁরা যা করেছেন, তা সম্পূর্ণ অরাজকতার প্রকাশ।”

    ‘শিশমহল’-এর দাবির বিরোধিতা

    দিল্লির মন্ত্রী সৌরভ ভরদ্বাজ ও রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং বিজেপির ‘শিশমহল’-এর দাবির বিরোধিতা করতে মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের দিকে মিছিল করেছিলেন এদিন। পুলিশ কর্মীরা তাঁদের বাসভবনে প্রবেশ করতে বাধা দেন। ভরদ্বাজ বলেন, “আমরা এখানে এসেছি ‘তোমার বাড়ি, আমার বাড়ি’ বিতর্কে যবনিকা টানতে। আমরা বলেছিলাম যে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন এবং মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন উভয়ই মানুষকে দেখানো উচিত। তাই, আমরা এখানে এসেছি।” পুলিশ প্রবেশের অনুমতি না দেওয়ায় মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনের বাইরে ধর্নায় বসেন ভরদ্বাজরা। পরে তাঁরা বাগানবাড়ির বাইরে মোতায়েন করা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। ত্রিবেদী বলেন, “আজ আপ যা করেছে তা তাদের দায়িত্বজ্ঞানহীন, উন্মাদ এবং অরাজক আচরণের একটি উজ্জ্বল উদাহরণ।”

    আরও পড়ুন: ক্ষমতার চিটে গুড়ে পা আটকে ইউনূসের! তাই কি ক্ষুব্ধ খালেদার বিএনপি?

    দিল্লি বিজেপির (BJP) প্রধান বীরেন্দ্র সচদেবা সঞ্জয় ও সৌরভকে নিশানা করে বলেন, “আপ নেতারা নাটক করছেন। শিসমহল নির্মাণে হওয়া দুর্নীতি ও অনিয়ম থেকে দৃষ্টি ঘোরানোর চেষ্টা করছেন। কেন তাঁরা আগেই শিসমহল দেখানোর কথা ভাবেননি? এখন প্রশাসন যখন আদর্শ আচরণবিধি লাগু করেছে, তখন সেখানে যাওয়ার জন্য জোর দিচ্ছেন?” প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার সময় ৪০ কোটি টাকা খরচ করে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনটি সংস্কার করিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাকে শিসমহল বলে কটাক্ষ করেছেন (AAP) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ স্বয়ং (BJP)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: “দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গত দশ বছরে দিল্লি যে সরকার দেখেছে, তা বিপর্যয়ের (AAP) চেয়ে কম কিছু নয়।” রবিবার দিল্লির রোহিণীর জাপানিজ পার্কে ‘পরিবর্তন র‍্যালি’-তে ভাষণ দিতে গিয়ে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এই সভায় বিজেপিকে একটা সুযোগ দেওয়ার আবেদনও জানান তিনি।

    বিকশিত ভারতের রাজধানী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা দিল্লিকে বিকশিত ভারতের রাজধানী হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। আমি দিল্লির জনগণের কাছে আবেদন করছি যে দিল্লির উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য বিজেপিকে একটি সুযোগ দিন। দিল্লিকে উন্নত করতে পারে কেবল বিজেপি।” এর পরেই তিনি বলেন, “গত দশ বছরে দিল্লি যে সরকার দেখেছে, তা বিপর্যয়ের চেয়ে কম কিছু নয়। এখন দিল্লিতে শুধু শোনা যায়, ‘আপ-দা’ (বিপর্যয়) নয় সহ্য করব, বদলে দেব। দিল্লি উন্নয়ন চায় এবং দিল্লির জনগণ বিজেপির ওপর আস্থা রাখে।”

    দিল্লির অবদান অপরিহার্য

    প্রধানমন্ত্রী জানান, তিনি হাজার হাজার কোটি টাকার উন্নয়নমূলক কাজ উদ্বোধন করার পরে এই জনসভায় বক্তব্য রাখতে এসেছেন। আগামী পঁচিশ বছর সমগ্র দেশের ভবিষ্যতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এবং বিকশিত ভারত মিশনে দিল্লির অবদান অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তিনি বলেন, “আমি এখানে হাজার হাজার কোটি টাকার দিল্লির উন্নয়ন প্রকল্পগুলির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন এবং উদ্বোধন করার পরেই এসেছি। আমরা এখন ২০২৫ সালে আছি। আগামী ২৫ বছর দিল্লি এবং পুরো দেশের ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই ২৫ বছর ভারত একটি বিকশিত ভারত (Viksit Bharat) হিসেবে গড়ে তোলার সাক্ষী হবে। আমরা এর অংশ হব। এই বছরগুলি ভারতকে আধুনিকায়নের নতুন যুগে নিয়ে যাবে। শীঘ্রই সেই সময় আসছে যখন ভারত বিশ্বের তৃতীয় অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে উঠবে, এবং দিল্লির অবদান এর জন্য অপরিহার্য।”

    আরও পড়ুন: মহাত্মা গান্ধীকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য, গায়ক অভিজিৎকে আইনি নোটিশ

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “মানুষ বিজেপিকে বিশ্বাস করে। কারণ এটি এমন একটি দল যা সুশাসনে বিশ্বাস করে। বিজেপি প্রতিটি নাগরিকের উন্নয়ন ও কল্যাণের জন্য নিবেদিত।” তিনি বলেন, “দিল্লিতে এখন কেবল একটাই আওয়াজ প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। ‘আপনি অন্যায় সহ্য করবেন না, পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবী।’ এখন (AAP) দিল্লি উন্নয়নের জমি চায় এবং আমি আনন্দিত যে দিল্লি বিজেপির ওপর আস্থা রাখে (PM Modi)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

      

  • INDI: ইন্ডি জোটে বড়সড় ফাটল! কংগ্রেসকে ছেঁটে ফেলতে চায় আম আদমি পার্টি

    INDI: ইন্ডি জোটে বড়সড় ফাটল! কংগ্রেসকে ছেঁটে ফেলতে চায় আম আদমি পার্টি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইন্ডি জোটে (INDI) বড়সড় ফাটল! প্রশ্নের মুখে কংগ্রেসের নেতৃত্ব। আম আদমি পার্টি (AAP) কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে ইন্ডি জোট থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানাল। এই ঘটনা বিরোধী জোটের অনৈক্যকে ফের একবার সামনে আনল বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সামনেই রয়েছে দিল্লির নির্বাচন, সেই আবহে এমন অনৈক্য বিজেপিকে মাইলেজ দেবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। জানা গিয়েছে, এই ইস্যুতে আম আদমি পার্টির সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল ইতিমধ্যেই যোগাযোগ করেছেন সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব এবং তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে।

    আম আদমি পার্টিকে তোপ কংগ্রেসের  (INDI)

    জানা যাচ্ছে, ইন্ডি জোটের (INDI) সবচেয়ে বড় শরিক কংগ্রেসকে ছেঁটে ফেলতে চায় দিল্লির শাসকদল আম আদমি পার্টি। এ নিয়ে জোটের অন্যান্য আঞ্চলিক শরিক, যেমন সমাজবাদী পার্টি, তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছে আপ, এমনটাই দাবি একাধিক সংবাদমাধ্যমের। প্রসঙ্গত, একদিন আগেই দিল্লির কংগ্রেস নেতা অজয় মাকেন অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কড়া ভাষায় নিশানা করেছেন। তাঁর দাবি, কেজরিওয়ালকে যতবার ‘মউকা’ দেওয়া হয়েছে, ততবারই তিনি ‘ধোঁকা’ দিয়েছেন। সংবাদমাধ্যমের কাছে মাকেন দাবি করেন, ‘‘২০১৩ সালে কেজরিওয়ালকে সমর্থন করা কংগ্রেসের সবচেয়ে বড় ভুল ছিল। সেটাই দিল্লিতে কংগ্রেসের পতনের সবচেয়ে বড় কারণ।’’ শুধু তাই নয়, কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে খোদ শীলা দীক্ষিতের ছেলে সন্দীপ দীক্ষিতকে প্রার্থী করা হয়েছে।

    ইন্ডি জোটে  (INDI) কংগ্রেসের চাপ বাড়ল

    এভাবে ইন্ডি জোটের বড় শরিক কংগ্রেস সরাসরি কেজরিওয়ালকে আক্রমণ করছে, সেটা মেনে নিতে নারাজ আপ। জানা গিয়েছে, ক্ষুব্ধ আপ এবার ইন্ডি জোট থেকে পুরোপুরি কংগ্রেসকে বাদ দিয়ে আঞ্চলিক দলগুলিকে নিয়ে একটি জোট গঠন করতে উদ্যোগী হয়েছে। যা নিয়ে অন্য দলগুলির সঙ্গে আলোচনা চায় তারা। পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসও ইন্ডিয়া জোটে কংগ্রেসের নেতৃত্ব মানতে অস্বীকার করেছে। অন্যদিকে উত্তরপ্রদেশে উপনির্বাচন ঘিরে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে কংগ্রেসের দূরত্ব বেড়েছে। মহারাষ্ট্রেও একই অবস্থা। মহাবিকাশ আগাড়ির মধ্যে সুসম্পর্ক আগের মতো নেই। আম আদমি পার্টির বিদ্রোহে ইন্ডি জোটে কংগ্রেসের চাপ আরও খানিকটা বাড়ল বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • AAPs Rule: ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যের প্রতিশ্রুতি কেজরি সরকারের, দেখে নিন এক নজরে

    AAPs Rule: ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যের প্রতিশ্রুতি কেজরি সরকারের, দেখে নিন এক নজরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের সকালে দিল্লির মহিলা ও শিশু উন্নয়ন দফতর থেকে দিল্লিবাসীর (Delhi) উদ্দেশে জারি করা হয় বিজ্ঞপ্তি। এই বিজ্ঞপ্তিতে বর্তমানে ঘটে যাওয়া প্রতারণা সম্পর্কে সতর্ক করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে মহিলা সম্মান যোজনা ও সঞ্জীবনী প্রকল্পের উল্লেখ করা হয়েছে (AAPs Rule)। এই প্রকল্পই ঘোষণা করেছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। মহিলা সম্মান যোজনা প্রকল্পে ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে প্রতিটি মহিলাকে মাসে ২,১০০ টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। আর সঞ্জীবনী প্রকল্পে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবার সুবিধা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

    কী বলছে সরকারি বিবৃতি

    বিজ্ঞপ্তিতে ডাব্লুসিডি দফতর স্পষ্টভাবে জানায়, “এমন কোনও প্রকল্প ঘোষণা করা হয়নি। নাগরিকদের অনুরোধ করা হচ্ছে, এই ধরনের মিথ্যা প্রতিশ্রুতিতে বিভ্রান্ত হবেন না।” এই প্রকল্পগুলির মতোই, আপ সরকারের অন্যান্য অনেক বড় প্রতিশ্রুতিও মিথ্যা বলে সমালোচিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য যে, গত দশ বছর ধরে অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তার আম আদমি পার্টি নিজেদের দিল্লিতে পরিবর্তন ও স্বচ্ছতার পথিকৃত হিসেবে উপস্থাপন করে এসেছে। তবে, স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও জনসেবার ক্ষেত্রে রাজধানীকে এক স্বপ্নপুরীতে রূপান্তরের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও, বাস্তবতা সেই প্রচারের কাছাকাছি নয়। কেজরিওয়ালের শাসনকাল একাধিক প্রতিশ্রুতি, ব্যর্থ প্রকল্প এবং শহরবাসীর মধ্যে ক্রমবর্ধমান অসন্তোষের কারণে চিহ্নিত হয়েছে। এখানে আপ সরকারের বিভিন্ন মিথ্যার ‘উদাহরণ’ তুলে ধরা হল।

    মিথ্যের বেসাতি

    ফ্রি হেল্থ কেয়ার রেভ্যুলিশন(AAPs Rule): কেজরিওয়ালের মহল্লা ক্লিনিক চালুর মাধ্যমে স্বাস্থ্যসেবায় বিপ্লব ঘটানোর দাবি দ্রুত ভেঙে পড়েছে। প্রাথমিকভাবে দিল্লির স্বাস্থ্য সমস্যা সমাধানের উপায় হিসেবে প্রচারিত এই ক্লিনিকগুলো এখন জনসাধারণের উপহাসের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্বল পরিকাঠামো, যথাযথ চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাব এবং প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের অনুপস্থিতি এই ক্লিনিকগুলোকে অকার্যকর করে তুলেছে।

    শিক্ষা সংস্কার : কেজরিওয়ালের দিল্লিতে শিক্ষা বিপ্লবের প্রতিশ্রুতি তার সরকারের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল। সরকারি স্কুলগুলোকে বিশ্বমানের প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করার দাবি তুলে, কেজরিওয়ালের লক্ষ্য ছিল সবার জন্য উচ্চ মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা। কিন্তু বাস্তব অন্য কথা বলছে। গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় দেড় লক্ষ ছাত্রকে ফেল করানো হয়েছে। ৭০০টিরও বেশি স্কুলে বিজ্ঞান শিক্ষার কোনও সুযোগ নেই। দিল্লির শিক্ষা ব্যবস্থা এখন চরম সংকটে।

    আরও পড়ুন: হিন্দুত্বের রাষ্ট্রনায়ক, ভারতবর্ষের গর্ব অটল বিহারী বাজপেয়ী

    ফ্রি রেশন : দিল্লির গরিবদের বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও আপের জন্য দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে। ১০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা রেশন কার্ড ছাড়াই রয়েছেন, যার ফলে তাঁরা সরকার প্রদত্ত প্রয়োজনীয় খাদ্য পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত। রেশন সরবরাহে দুর্নীতি ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। বিনামূল্যে রেশন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এখনও এক মরীচিকা হয়ে রয়ে গেছে।

    বিদ্যুতের দাম কমানোর প্রতিশ্রুতি : অরবিন্দ কেজরিওয়াল প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিদ্যুতের দাম কমিয়ে সকলের জন্য নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করবেন। কিন্তু তাঁর শাসনকালে বিদ্যুৎ বিল আকাশচুম্বী হয়ে গেছে। ত্রুটিপূর্ণ মিটার ও অতিরিক্ত চার্জের কারণে মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও প্রতিবাদ দেখা দিয়েছে (AAPs Rule)।

    গণপরিবহণ: গণপরিবহণ আর একটি ক্ষেত্র যেখানে কেজরিওয়াল বিপ্লব আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তাঁর সরকারের আমলে বাসের বহর চালু করা, মেট্রো সংযোগ উন্নত করা এবং একটি টেকসই পরিবহণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয়নি। দিল্লি ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশন আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, এবং কর্মীরা বেতন না পাওয়ায় ধর্মঘট করেছেন।

    ন্নত স্বাস্থ্যসেবার প্রতিশ্রুতি: কেজরিওয়াল বেশ কয়েকটি নতুন হাসপাতাল এবং উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তবে বাস্তব সেই প্রতিশ্রুতি থেকে অনেক দূরে। প্রচুর পরিমাণে তহবিল পাওয়া সত্ত্বেও, নতুন হাসপাতাল নির্মাণ অনির্দিষ্টকালের জন্য বিলম্বিত হয়েছে। রোগীদের এখনও প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হা-পিত্যেশ করে থাকতে হয়।

    চাকরির প্রতিশ্রুতি: নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে কেজরিওয়াল চাকরি সৃষ্টির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, বিশেষ করে দলিত সম্প্রদায়ের জন্য। তবে, তাঁর শাসনকালে দিল্লিতে সরকারি খাতে তেমন কোনও চাকরির বৃদ্ধি দেখা যায়নি। দলিতদের চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি কার্যত পরিত্যক্ত হয়েছে।

    মহিলাদের নিরাপত্তা: কেজরিওয়ালের সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল দিল্লিকে মহিলাদের জন্য আরও নিরাপদ করে তোলা হবে। নারীদের নিরাপত্তা বাড়ানোর জন্য নির্ভয়া ফান্ড বরাদ্দ করা হলেও, তা অপব্যবহার করা হয়েছে, এবং মহিলাদের বিরুদ্ধে অপরাধের হার বেড়েছে।

    বেকারত্ব বৃদ্ধি: বেকারত্ব বৃদ্ধি দিল্লির একটি বড় সমস্যা। কেজরিওয়ালের কর্মসংস্থান সৃষ্টির প্রতিশ্রুতির ফানুস গিয়েছে চুপসে। দিল্লির (Delhi) তরুণরা চাকরির জন্য হা-পিত্যেশ করছে। কেজরিওয়ালের অস্থায়ী শ্রমিক ও চুক্তিভিত্তিক কর্মচারীদের ওপর নির্ভরশীলতা দিল্লির চাকরির বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করেছে (AAPs Rule)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • AAP: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে সব আসনে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করল আপ, কোন আসনে কেজরিওয়াল?

    AAP: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে সব আসনে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করল আপ, কোন আসনে কেজরিওয়াল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির বিধানসভা নির্বাচনের (Delhi Assembly Election 2025) আগে চতুর্থ তথা শেষ দফার প্রার্থী তালিকাও প্রকাশ করে দিল আম আদমি পার্টি (আপ)। রবিবার আপের (AAP) তরফে ৩৮ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে দিল্লির ৭০টি আসনের মধ্যে ৬২টি আসনে জয়ী হয়েছিল আপ। বিজেপি পেয়েছিল আটটি আসন। ১৯৯৮-২০১৩ দিল্লিতে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস শেষ দু’টি বিধানসভা ভোটে একটিও আসন জিততে পারেনি।

    কোন আসনে লড়ছেন কেজরিওয়াল? (AAP)

    জানা গিয়েছে, তালিকায় দলের (AAP) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আতিশী মার্লেনা ছাড়াও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ, গোপাল রাই, সত্যেন্দ্র জৈন, দুর্গেশ পাঠকের নাম রয়েছে। এ বারেও নয়াদিল্লি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে চলেছেন কেজরিওয়াল। আতিশী লড়বেন কালকাজি কেন্দ্র থেকে। সৌরভ ভরদ্বাজ গ্রেটার কৈলাস, গোপাল রাই বাবরপুর থেকে লড়বেন। এখনও ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা না-হলেও আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লির ৭০টি কেন্দ্রে বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা।

    আরও পড়ুন: ভারত-বাংলাদেশ একসঙ্গে বিজয় দিস পালন! বীর যোদ্ধাদের স্মরণ প্রধানমন্ত্রীর, সেনার সঙ্গে সাক্ষাৎ রাষ্ট্রপতির

    প্রার্থী তালিকায় ঠাঁই পাননি কতজন?

    আপের (AAP) প্রার্থী তালিকায় ঠাঁই হয়নি ২০ জন বিধায়কের। তিন বিধায়কের নিকটাত্মীয়েরা অবশ্য টিকিট পেয়েছেন। প্রার্থী তালিকায় গুরুত্ব পেয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস ছেড়ে আপে যোগদান করা এবং দলের সাংগঠনিক কাজে যুক্ত কর্মীরা। লোকসভা নির্বাচনে দিল্লির সাতটি কেন্দ্রেই কংগ্রেস এবং আপের মধ্যে জোট হয়েছিল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে অবশ্য কেজরিওয়াল স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তাঁর দল একাই লড়বে। শুক্রবারই প্রথম দফায় ২১ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে কংগ্রেস। নয়াদিল্লি আসনে কংগ্রেস প্রার্থী করেছে দিল্লির প্রয়াত প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের পুত্র তথা প্রাক্তন সাংসদ সন্দীপকে। এক সময় নয়াদিল্লি কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন শীলা। ২০১৩ সালে এই আসনেই কেজরিওয়ালের কাছে পরাজিত হন তিনি। আপের কাছে হেরে ১৫ বছর পর ক্ষমতা হারায় কংগ্রেসও। এবার কেজরিওয়ালের মুখোমুখি হবেন সন্দীপ।

    কী বললেন কেজরিওয়াল?

    অরবিন্দ কেজরিওয়াল বলেন, “আমার দল (AAP) পূর্ণ আত্মবিশ্বাস এবং সবরকম প্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। বিজেপি অনুপস্থিত। তাদের মুখ্যমন্ত্রীর মুখ নেই, দল নেই, পরিকল্পনা নেই এবং দিল্লির জন্য কোনও দৃষ্টিভঙ্গি নেই। একটাই স্লোগান, একটাই পলিসি, আর একটাই মিশন ‘কেজরিওয়ালকে সরান’।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল তরল, ‘ক্ষোভের জের’, বলছে বিজেপি

    Arvind Kejriwal: কেজরিকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল তরল, ‘ক্ষোভের জের’, বলছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের আক্রান্ত দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এবার তাঁকে লক্ষ্য করে তরল পদার্থ ছুড়ে মারলেন এক ব্যক্তি। দক্ষিণ দিল্লির ঘটনায় চাঞ্চল্য (Viral Video)। শনিবার বিকেলে আম আদমি পার্টির তরফে আয়োজন করা হয়েছিল পদযাত্রার। তাতে শামিল হয়েছিলেন কেজরিওয়াল স্বয়ং।

    কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা (Arvind Kejriwal)

    প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ভিড়ের মধ্যেই এক যুবক চলে আসেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর একেবারে কাছে। তাঁকে লক্ষ্য করে তরল পদার্থ ছোড়ার চেষ্টা করেন। দলীয় কর্মীদের তৎপরতায় বড়সড় বিপত্তির হাত থেকে বেঁচে যান আপ সুপ্রিমো। জানা গিয়েছে, হামলাকারীর নাম অশোক ঝাঁ। মারধর করে তাকে তুলে দেওয়া হয় দিল্লি পুলিশের হাতে।

    কেজরির ওপর হামলা হয়েছে আগেও

    কেজরিওয়ালের ওপর হামলার ঘটনা অবশ্য এই প্রথম নয়। ২০১৬ সালের শুরুর দিকে দিল্লির ছত্রশাল স্টেডিয়ামে দিল্লির তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রীর মুখে কালি ছিটিয়ে দিয়েছিলেন এক যুবতী। তার আগে নির্বাচনী প্রচার চলাকালীন তাঁকে কষিয়ে থাপ্পড়ও মেরেছিলেন এক ব্যক্তি। ওই বছরই দিল্লি সচিবালয়ের মধ্যেই সাংবাদিক বৈঠক চলাকালীন কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) লক্ষ্য করে জুতো ছুড়েছিলেন বেদ প্রকাশ নামের এক যুবক।

    দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন উপলক্ষে ইদানিং প্রায় প্রতিদিনই দিল্লির বিভিন্ন এলাকায় পদযাত্রা-সহ নানা কর্মসূচি পালন করছেন কেজরিওয়াল। এদিন তিনি পদযাত্রা করছিলেন গ্রেটার কৈলাশ এলাকায়। সেই সময়ই ঘটে বিপত্তি।

    আরও পড়ুন: ব্যাপক অত্যাচার, বাংলাদেশ কি হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে?

    ঘটনার প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সাংসদ বিজেপির কমলজিৎ সেহরাওয়াত বলেন, “দিল্লির সরকার মানুষকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।” তিনি বলেন, “মানুষ ক্ষুব্ধ, কারণ রাস্তা ভাঙা, নর্দমা উপচে পড়ছে এবং দূষণের মাত্রাও অত্যন্ত বেশি। তাই জনগণ ধৈর্য হারাচ্ছে।” সেহরাওয়াত বলেন, “তবে আমি জনগণকে অনুরোধ করছি, তারা যেন ভোটের মাধ্যমে তাদের মত প্রকাশ করে। পুলিশের উচিত সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া।

    বিজেপির একটা অংশ একে কেজরিওয়ালের ‘গিমিক’ বলেই মনে করছে। তাদের মতে, রাজনৈতিকভাবে সফল হতে পারছেন না কেজরিওয়াল (Viral Video)। তাই লোক দিয়ে এই ধরনের কাজ করাচ্ছেন (Arvind Kejriwal)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Kailash Gahlot: দলের বিরুদ্ধে বোমা ফাটিয়ে পদত্যাগ আপ নেতা তথা পরিবহণমন্ত্রী কৈলাশ গেহলটের

    Kailash Gahlot: দলের বিরুদ্ধে বোমা ফাটিয়ে পদত্যাগ আপ নেতা তথা পরিবহণমন্ত্রী কৈলাশ গেহলটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আম আদমি পার্টি ছাড়লেন দিল্লি সরকারের পরিবহণমন্ত্রী কৈলাশ গেহলট (Kailash Gahlot)। জানা গিয়েছে, তিনি নিজের মন্ত্রীপদ এবং দল উভয় থেকেই পদত্যাগ করেছেন। আম আদমি পার্টির (AAP) আহ্বায়ক এবং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দল থেকে পদত্যাগের কথা জানিয়ে চিঠি লিখেছেন। এ ছাড়া দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অতীশিকেও চিঠি লিখে মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন কৈলাশ। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে কৈলাশের পদত্যাগ চাপ বাড়াবে আপের ওপর, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    দলের বিরুদ্ধে বোমা ফাটিয়েছেন পদত্যাগ পত্রে 

    নিজের পদত্যাগপত্রে দলের বিরুদ্ধেই বোমা ফাটিয়েছেন কৈলাশ (Kailash Gahlot)। তিনি লিখছেন, ‘‘দিল্লিতে এখন বহু লজ্জার বিতর্ক সামনে চলে আসছে। যাতে নিজেকে প্রশ্ন করতে হচ্ছে, আমরা কি এখনও আম আদমি থাকায় বিশ্বাস রাখি?’’ কৈলাশ সাফ বলছেন, ‘‘আপ (AAP)  এখন আম আদমির এজেন্ডা ভুলে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখার লড়াই করছে। এভাবে মানুষের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করাও সম্ভব হচ্ছে না।’’

    কেন্দ্রের সঙ্গে ঝামেলা করে মানুষের উন্নয়ন সম্ভব নয়

    চিঠিতে দিল্লির মন্ত্রী (Kailash Gahlot) আরও বলেছেন, ‘‘আপ সরকার যেভাবে কেন্দ্রের সঙ্গে নিত্য ঝামেলা করে চলেছে, তাতে মানুষের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকারের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এভাবে মানুষের চাহিদা পূরণ হয় না। তাই কোনও বিকল্প না দেখেই আমাকে আপ ছাড়তে হল।’’ অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকারি বাসভবনকে ‘শীশমহল’ বলে উল্লেখ করে তিনি একাধিক অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে যমুনায় ক্রমবর্ধমান দূষণ নিয়ে দিল্লি সরকারের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন।

    কৈলাশের (Kailash Gahlot) পদত্যাগকে স্বাগত জানালেন কপিল মিশ্র

    এনিয়ে দিল্লি বিজেপির নেতা কপিল মিশ্র বলেন, ‘‘কেজরিওয়ালের মন্ত্রী কৈলাশ গেহলট (Kailash Gahlot) পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন যে দুর্নীতির কারণে আম আদমি পার্টি ও সরকারে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কেজরিওয়াল গ্যাংয়ের লুট ও মিথ্যার বিরুদ্ধে কৈলাশ গেহলটের এই পদক্ষেপকে স্বাগত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share