Tag: Abhishek Banerjee

Abhishek Banerjee

  • TMC: তৃণমূলে বড় ভাঙন! ‘মমতাকে অপসারণ’ দাবি বিদ্রোহীদের, অরূপ রায় চেয়ারম্যান, সরানো হল অভিষেককেও

    TMC: তৃণমূলে বড় ভাঙন! ‘মমতাকে অপসারণ’ দাবি বিদ্রোহীদের, অরূপ রায় চেয়ারম্যান, সরানো হল অভিষেককেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হাইজ্যাক’ হয়ে গেল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূল (TMC)! পার্টি থেকে সরিয়ে দেওয়া হল বুয়া-ভাতিজাকে! সোমবার দলের বিদ্রোহী শিবির দাবি করে, তারা তৃণমূলের পুরনো জাতীয় কর্মসমিতি ভেঙে নতুন কমিটি গঠন করেছে (Ritabrata Banerjee)। দল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বকে সরিয়ে দিয়ে নয়া সাংগঠনিক কাঠামো তৈরির কথা ঘোষণা করা হয়েছে বলেও দাবি বিদ্রোহী নেতাদের।

    বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠক (TMC)

    সোমবার বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শেষ হওয়ার পর নিউ টাউনের একটি বিলাসবহুল হোটেলে বৈঠকে বসে বিদ্রোহী শিবির। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের প্রায় ৬০ বিধায়ক এবং কলকাতা পুরসভার জনা সত্তর প্রাক্তন কাউন্সিলর। এই বৈঠকেই ৩০ সদস্যের নতুন জাতীয় কর্মসমিতি গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিদ্রোহীদের ঘোষিত নতুন কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে হাওড়া মধ্য কেন্দ্রের বিধায়ক অরূপ রায়কে। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম এবং বিধায়ক রথীন ঘোষ।সাধারণ সম্পাদকের পদে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশাপাশি জাভেদ খান, সন্দীপন সাহা এবং সাবিনা ইয়াসমিনকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কোষাধ্যক্ষ হয়েছেন আখরুজ্জামান। বিদ্রোহী শিবিরের দাবি, তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে অভিষেককে। কার্যকর করা হয়েছে নয়া সাংগঠনিক কাঠামো।

    বিদ্রোহীদের দাবি

    বিদ্রোহীরা তৃণমূলের সংবিধানের ২০ নম্বর ধারার উল্লেখ করে (Ritabrata Banerjee) দাবি করেন, প্রতি তিন বছর অন্তর জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ২০২২ সালের পর আর জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকা হয়নি। এই যুক্তিকে সামনে রেখেই তাঁরা পুরনো জাতীয় কর্মসমিতিকে ‘অকার্যকর’ ঘোষণা করে নতুন কমিটি গঠনের প্রস্তাব পাশ করেন। বৈঠকে উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিতেই নয়া নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়েছে বলে দাবি বিদ্রোহীদের (TMC)। নিউ টাউনের বৈঠকে এদিন যে ব্যানার টাঙানো হয়েছিল, সেটি ঘিরেও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। ওই ব্যানারে মহাত্মা গান্ধী, বিআর অম্বেডকর, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজি নজরুল ইসলামের ছবি থাকলেও, আশ্চর্যজনকভাবে অনুপস্থিত ছিলেন তৃণমূল গড়ার কারিগর মমতা স্বয়ং। রাজনৈতিক মহলের মতে, এটি বিদ্রোহী শিবিরের তরফে একটি স্পষ্ট রাজনৈতিক বার্তা।

    কতদূর গড়াল সই জালিয়াতিকাণ্ডের জল?

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হারে তৃণমূল। তার পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে বাড়তে শুরু করে অসন্তোষ। তবে প্রকাশ্য বিদ্রোহের সূত্রপাত হয় তথাকথিত সইকাণ্ডকে ঘিরে (Ritabrata Banerjee)। বিরোধী দলনেতা, উপ-দলনেতা এবং মুখ্যসচেতক নির্বাচনের জন্য বিধায়কদের সই ‘করা’ চিঠি পাঠানো হয়েছিল স্পিকারের কাছে। অভিযোগ ওঠে, সেই চিঠিতে কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছিল (TMC)। উলুবেড়িয়া উত্তরের বিধায়ক ঋতব্রত এবং এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা প্রথম এই অভিযোগ প্রকাশ্যে আনেন। তারপরেই বিষয়টি নিয়ে প্রবল বিতর্ক শুরু হয় তৃণমূলের অন্দরে। তার পর থেকেই একের পর এক বিধায়ক নাম লেখাতে থাকেন বিদ্রোহী শিবিরের খাতায়। প্রথম দফায় ৫৮ জন বিধায়কের সমর্থনে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা নির্বাচিত করা হয়। এরপর দলের ভাঙন আরও ব্যাপক আকার ধারণ করে।

    তৃণমূলের সংসদীয় দলেও বড়সড় ধাক্কা

    শুধু বিধানসভা নয়, তৃণমূলের সংসদীয় দলেও বড়সড় ধাক্কা লাগে। লোকসভার একসঙ্গে ২০ জন সাংসদ তৃণমূল ছেড়ে ‘ন্যাশনালিস্ট সিটিজেনস পার্টি অফ ইন্ডিয়া’য় যোগ দেন বলে দাবি করা হয়। রাজ্যসভার সদস্য সুখেন্দুশেখর রায় এবং সুস্মিতা দেবও পদত্যাগ করেন। ফলে জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলের সাংগঠনিক সঙ্কট প্রকট হয়ে ওঠে (Ritabrata Banerjee)। দলের ভাঙন শুধু শীর্ষ নেতৃত্ব বা জনপ্রতিনিধিদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকেনি। জেলা এবং ব্লক স্তরেও বহু নেতা-কর্মী দল ছাড়তে শুরু করেন। বিভিন্ন জেলায় সংগঠন দুর্বল হয়ে পড়ে এবং ‘আসল তৃণমূল’ নিয়ে শুরু হয় দড়ি টানাটানি (TMC)। সোমবারের বৈঠকে বিদ্রোহী শিবির সাফ জানিয়ে দেয়, তারাই প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্ব করছে। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের নবগঠিত রাজ্য কমিটির সভাপতি চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যের ছেলে তথা কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন কাউন্সিলর সৌরভ বসুও। বিদ্রোহীদের এহেন পদক্ষেপকে গুরুত্ব দিতে রাজি নয় তৃণমূলের মমতা শিবির। তাদের সাফ কথা, তৃণমূলের যে সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে, তাতে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনও এক্তিয়ার বিদ্রোহীদের নেই (Ritabrata Banerjee)।

     

  • CID: কালীঘাটে ফের সিআইডি হানা, এবার অভিষেকের অন্য এক পিসির দুয়ারে গোয়েন্দারা

    CID: কালীঘাটে ফের সিআইডি হানা, এবার অভিষেকের অন্য এক পিসির দুয়ারে গোয়েন্দারা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীঘাটের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে ফের হানা সিআইডির। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee Relative) বোন রিনা গায়েন ওরফে নান্টির বাড়িতে পৌঁছন সিআইডির (CID) আধিকারিকরা। ঘণ্টাখানেক ধরে চলে তল্লাশি। দুপুর ১টা ৫০ মিনিট নাগাদ শুরু হওয়া এই অভিযান শেষ হয় বিকেল ৩টের খানিক আগে।

    অভিষেকের বিতর্কিত মন্তব্য (CID)

    সূত্রের খবর, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তেই এই পদক্ষেপ করেছে সিআইডি। অভিযোগ, নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বলেছিলেন, “৪ মে গণনার পর ডিজে বাজানো হবে”, যা উসকানিমূলক মন্তব্য হিসেবে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। ২৯/ডি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাসিন্দা রিনা। তাঁর মেয়ে অদিতি গায়েনকে বিভিন্ন সময় তৃণমূলের কর্মসূচিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা গিয়েছে। তিনি দলের সোশ্যাল মিডিয়া সংক্রান্ত কার্যকলাপের সঙ্গেও যুক্ত বলে খবর।

    এর আগেও কালীঘাটে হানা দিয়েছে সিআইডি

    এদিন যে বাড়িতে হানা দিল সিআইডি, সেটি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতার কালীঘাটের বাসভবন থেকে প্রায় ২৫০ মিটার দূরে। যদিও অভিষেকের মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার সঙ্গে মমতার বোন বা বোনঝির কী সম্পর্ক, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এর আগেও একাধিক মামলায় অভিষেকের হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে সিআইডি। বিধানসভার সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। ভবানী ভবনে সিআইডি দফতরে একাধিকবার হাজিরাও দিতে হয়েছে তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ডকে। সেই মামলায় দু’দিন এবং উসকানিমূলক মন্তব্য সংক্রান্ত মামলায় একদিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দিন কয়েক আগেই অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়কে খুঁজতে গভীর রাতে কালীঘাটে অভিযান চালিয়েছিল শালবনি থানার পুলিশ। তালা ভেঙে বাড়িতে ঢুকলেও, তাঁর সন্ধান মেলেনি। এবার ওই একই এলাকায় অভিষেকের আর এক পিসির বাড়িতে সিআইডি আধিকারিকদের হাজিরা, নতুন করে জল্পনার জন্ম দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে (CID)।

    সই জালিয়াতিকাণ্ড

    প্রসঙ্গত, বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে জমা পড়া একটি রেজোলিউশন ঘিরেই বিতর্কের সূত্রপাত। এই রেজোলিউশনকে কেন্দ্র করেই হাটে ভাঙে সই জালিয়াতির অভিযোগের হাঁড়ি। অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করা হয়েছে। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করে সিআইডি। অভিষেকের পাশাপাশি এই মামলায় সিআইডি জেরা করেছে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষকেও। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে মদন মিত্র-সহ তৃণমূলের একাধিক নেতাকে। এদিকে, এদিন রাজ্যপালের ভাষণের পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে গিয়ে দেখা করেন মমতাপন্থী (Mamata Banerjee Relative) তৃণমূলের পাঁচ বিধায়ক। এঁরা হলেন, কুণাল ঘোষ, মদন মিত্র, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, আলিফা আহমেদ এবং অশোক দেব। বেশ কিছু দাবিদাওয়া নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তাঁরা (CID)।

     

  • Abhishek Banerjee: অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের, ঘোর বিপাকে ‘ভাইপো’!

    Abhishek Banerjee: অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টের, ঘোর বিপাকে ‘ভাইপো’!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গা থেকে খসে পড়ছে একের পর এক রক্ষাকবচ। ক্রমেই শিরঃপীড়া বাড়ছে তৃণমূলের সেনাপতি তথা সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। বুধবার এক গুরুত্বপূর্ণ রায়ে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানার ওপর দেওয়া অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে নেয়। খারিজ করে দিয়েছে তাঁর আবেদনও (Defamation Case)।

    অভিষেকের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা (Abhishek Banerjee)

    জানা গিয়েছে, ভোপালের বিশেষ এমপি-এমএলএ আদালতে দায়ের হওয়া একটি মানহানি মামলায় অভিষেকের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। ২০১৫ সালের নভেম্বর মাসে ওই পরোয়ানার ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্ট। তবে এবার বিচারপতি প্রমোদ কুমার আগরওয়ালের সিঙ্গল বেঞ্চ সেই স্থগিতাদেশ তুলে নিয়ে মামলার আবেদন খারিজ করে দেয়। মামলার সূত্রপাত ২০২১ সালে। বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়র ছেলে তথা প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক আকাশ বিজয়বর্গীয় ভোপালের এমপি-এমএলএ আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। অভিযোগ, ২০২০ সালের নভেম্বর মাসে কলকাতার এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে আকাশকে ‘গুন্ডা’ বলে উল্লেখ করেছিলেন তৃণমূলের ভাতিজা।

    স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার

    এই অভিযোগের ভিত্তিতেই ভোপাল আদালত গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে মধ্যপ্রদেশ হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন তৃণমূল সাংসদ। তাঁর আইনজীবীদের দাবি ছিল, তিনি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, এবং তাঁর পালিয়ে যাওয়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। সেই যুক্তির ভিত্তিতেই অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দিয়েছিল আদালত। বুধবার এই মামলার শুনানির সময় আবেদনকারীর (পড়ুন, অভিষেকের) পক্ষে কোনও আইনজীবী আদালতে উপস্থিত ছিলেন না। বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে বিচারপতির পর্যবেক্ষণ, আবেদনকারী সম্ভবত মামলাটি এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ হারিয়েছেন। এরপরই আদালত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে আবেদন খারিজ করে দেয় এবং আদেশের অনুলিপি অবিলম্বে ভোপাল আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেয় (Abhishek Banerjee)।

    আদালতের এহেন নির্দেশের ফলে আইনিভাবে অভিষেকের বিরুদ্ধে জারি হওয়া গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকর হওয়ার পথ ফের খুলে গেল বলেই মনে করছে আইনজ্ঞদের একাংশ (Defamation Case)। রাজনৈতিক মহলেও এই রায়কে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে (Abhishek Banerjee)।

  • Abhishek Banerjee: ভবানী ভবনে জেরা, কালীঘাটে বাড়ি মাপছে পুরসভা— জোড়া চাপে অভিষেক

    Abhishek Banerjee: ভবানী ভবনে জেরা, কালীঘাটে বাড়ি মাপছে পুরসভা— জোড়া চাপে অভিষেক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) বাড়ি মাপল কলকাতা পুরসভার কর্মীরা। মঙ্গলবার দুপুর ১টা নাগাদ কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় অবস্থিত অভিষেকের ওই বাড়ির সামনে পুরসভার একটি দল পৌঁছে ফিতে দিয়ে বিভিন্ন অংশ পরিমাপ করতে শুরু করে। এদিন সকালেই ডিজে মামলায় সিআইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি যখন দফতরে, তখনই ১২১ নম্বর কালীঘাটে এসে পৌঁছলেন কলকাতা পৌরনিগমের আধিকারিকরা। পুরসভা সূত্রে খবর, বাড়ির আউটসাইড মাপ, লেন , ফুটপাত ঠিকমতো ছাড় দেওয়া হয়েছে কিনা, ফুটপাতের কোনও অংশ দখল করা রয়েছে কিনা , সেইসব মাপ নিচ্ছেন আধিকারিকরা।

    কেন অভিষেকের বাড়িতে পুর আধিকারিকরা

    আগেই কলকাতা পৌরনিগমের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, অভিষেকের বাড়ির অন্দরমহলের নতুন স্কেচ-সহ এলিভিশন কপি জমা দিতে হবে। অভিষেকের সম্পত্তিতে নির্মাণ নকশা নিয়ে নির্দেশ দিয়েছে পুর প্রশাসন। জানা যাচ্ছে, বর্তমানে বাড়ির ভিতরে নতুন করে কী কী অংশ তৈরি হয়েছে, সেটা এলিভিশন কপিতে এঁকে জমা করতে হবে, সে নির্দেশ আগেই দেওয়া হয়েছিল। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, সমস্ত মাপ করে একটি রিপোর্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জমা দিতে হবে। তারপর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই ১৮৮ এ হরিশ মুখার্জি রোডে শান্তিনিকেতনে মাপ নেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি পুরসভার পক্ষ থেকে অভিষেকের কালীঘাট রোড এবং হরিশ মুখার্জি রোডে অবস্থিত অভিষেক ও তাঁর সংস্থার একাধিক সম্পত্তিতে ৪০১ ধারায় নোটিস পাঠানো হয়। সেখানে অনুমোদিত বিল্ডিং প্ল্যান ও নির্মাণ সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। অভিষেকের আত্মীয়দের মিলিয়ে মোট ১৭টি সম্পত্তিতে এই নোটিস পাঠানো হয় বলে সূত্রের খবর। পুরসভার অভিযোগ, অনুমোদিত নকশার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত নির্মাণ করা হয়েছে। সেই বিষয়টিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    অভিষেক বাড়িতে ছিলেন না

    তবে পুরসভার এই পরিদর্শনের সময় অভিষেক বাড়িতে ছিলেন না। সকাল প্রায় ১১টা ৪৫ মিনিটে তিনি ভবানী ভবনের উদ্দেশে রওনা দেন। ‘ডিজে বাজানো’ সংক্রান্ত উস্কানিমূলক মন্তব্যের অভিযোগে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করেছিল সিআইডি। একদিকে যখন ভবানী ভবনে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হচ্ছিলেন তিনি, অন্যদিকে তাঁর কালীঘাটের বাড়িতে শুরু হয় পুরসভার এই মাপজোক। অভিষেকের বাবা অমিত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মা লতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি কলকাতা হাইকোর্টে দাবি করেছেন, ২৯-সি, হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের বাড়িটি সম্পূর্ণ বৈধ অনুমোদন নিয়েই নির্মিত হয়েছে।

  • Abhishek Banerjee: ‘১৫ কোটি না দিলে জয়েনিং আটকে যাবে’! প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিষেককে জেরা ইডির

    Abhishek Banerjee: ‘১৫ কোটি না দিলে জয়েনিং আটকে যাবে’! প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে অভিষেককে জেরা ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিজিও কমপ্লেক্সে চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। রক্ষাকবচ ছাড়াই ইডি দফতরে হাজির হলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির (Primary Recruitment Case) মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে সোমবার তলব করেছে ইডি। এই মামলায় সিবিআইয়ের দেওয়া তৃতীয় অতিরিক্ত চার্জশিটের সূত্র ধরেই অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে, বলে খবর। সেখানে ১৫ মিনিটের একটি কথোপকথনের উল্লেখ রয়েছে। তাতে একাধিক বার জনৈক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম এসেছে। চাকরি বিক্রি, ঘুষের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বের কথা শোনা গিয়েছে সেই কথোপকথনে। সে বিষয়ে অভিষেককে প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে।

    কেন ইডির তলব অভিষেককে?

    ২০১৭ সালে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ধৃত সুজয়কৃষ্ণ ভদ্র অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডানহাত বলে পরিচিত ছিলেন। সিবিআই সূত্রে খবর, তাঁর বাড়িতেই একটা বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কুন্তল ঘোষ, শান্তনু বন্দ্যোপাধ্যায়রা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই বৈঠকে একাধিক বিস্ফোরক বিষয় আলোচনা করা হয়েছিল, তারই উল্লেখ রয়েছে চার্জশিটে। বৈঠকে কী কী আলোচনা হয়েছিল? চার্জশিট সূত্রে খবর, সুজয় বৈঠকে কুন্তল, শান্তনুদের জানিয়েছিলেন, অভিষেক জানতে পেরেছেন যে প্রাথমিক নিয়োগে পার্থ চট্টোপাধ্যায় মোটা টাকা নিচ্ছেন। পার্থ যে টাকা নিয়েছেন, তার ভাগ তিনি কেন পাননি, সেই বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন অভিষেক। এমনকী, টাকা ভাগাভাগি নিয়ে পার্থ ও অভিষেকের মধ্যে দ্বন্দ্ব বেঁধে গিয়েছিল। সিবিআই চার্জশিট সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই যে বেআইনি নিয়োগ হয়ে গিয়েছিল, তার জন্য ১৫ কোটি টাকা চেয়েছিলেন অভিষেক। টাকা না পেলে প্রত্যেক চাকরিপ্রার্থীকে গ্রেফতারির হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এমনকী, জয়েনিং আটকানোরও হুমকি দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।

     অভিষেকের আর্থিক লেনদেন ইডির নজরে?

    ইডি সূত্রে খবর, প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির (Primary Recruitment Case) ১৫ মিনিটের ওই অডিও ক্লিপে যে অভিষেকের কথা বলা হচ্ছে, সেই অভিষেকই তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক কি না, স্পষ্ট নয়। ইডি তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এ ছাড়া, কথোপকথনে এসেছে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে অন্যতম অভিযুক্ত প্রাক্তন মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের নামও। অভিষেকের সংস্থা লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের কর্মচারী ছিলেন সুজয়কৃষ্ণ। সেই সংস্থার আর্থিক লেনদেনও ইডির নজরে রয়েছে। তা নিয়ে এর আগে অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেকের অন্য সংস্থাগুলিকেও ইডি এ বার তদন্তের আওতায় আনতে চাইছে। সোমবার তা নিয়েও ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।

  • Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    Rebel TMC MPs: তৃণমূলে বড় ভাঙনের ইঙ্গিত! ১৯ সাংসদের সমর্থন নিয়ে সোমে স্পিকারের দোরে যাওয়ার পরিকল্পনা ‘বিদ্রোহী’ শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও প্রবল হল তৃণমূল কংগ্রেসে (Rebel TMC MPs) বড়সড় ভাঙনের জল্পনা। দলের ২৮ লোকসভা সাংসদের মধ্যে ১৯ জনের সমর্থন পাওয়ার দাবি করে বিদ্রোহী শিবির জানিয়েছে, তারা সোমবারই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার (Om Birla) সঙ্গে দেখা করে নিজেদের আলাদা গোষ্ঠী হিসেবে স্বীকৃতি চাইবে। তারা নিজেদের ‘আসল তৃণমূল কংগ্রেস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার আবেদনও জানাবে।

    বিদ্রোহীদের বক্তব্য (Rebel TMC MPs)

    বিদ্রোহী সাংসদদের অন্যতম জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়ার দাবি, তাঁদের গোষ্ঠী কাকলি ঘোষ দস্তিদারকে লোকসভায় নেতা এবং শতাব্দী রায়কে উপনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি জানাবে। তাঁর বক্তব্য, রবিবার দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে বিদ্রোহী সাংসদদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বসুনিয়ার দাবি, এখনও পর্যন্ত ১৯ জন সাংসদ তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন এবং আরও কেউ যোগ দিতে চাইলে, দরজা খোলা রয়েছে। তাঁদের লক্ষ্য, এনডিএর অংশ হয়ে সংসদে শাসক জোটের পাশে বসা এবং উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রের পাশে থাকা নিশ্চিত করা।

    অভিষেকের জন্যই দল গাড্ডায়!

    তাঁর অভিযোগ, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর থেকেই তৃণমূলের অভ্যন্তরে অসন্তোষ বাড়তে থাকে। বসুনিয়ার কথায়, “আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে সব কিছু ঠিকঠাক চলছিল। পরে দল কর্পোরেট সংস্থার মতো পরিচালিত হতে শুরু করে এবং নেতা-কর্মীদের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়।” এই কারণেই বহু নেতা ও সাংসদ ক্ষুব্ধ বলেও দাবি (Rebel TMC MPs) তাঁর। তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে এবং কেন্দ্রে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে। ফলে নিজেদের লোকসভা কেন্দ্রের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্রের সহযোগিতা পাওয়া জরুরি বলেই তাঁরা এনডিএর পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। বসুনিয়া এও (Om Birla) জানান, প্রথমে স্পিকারের কাছে আলাদা ব্লক হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়া হবে। এরপর প্রয়োজনে নির্বাচন কমিশনের কাছেও ‘আসল তৃণমূল’ হিসেবে স্বীকৃতির দাবি জানানো হবে (Rebel TMC MPs)।

    বিদ্রোহ চারিদিকে!

    এদিকে তৃণমূলের অন্দরে অস্বস্তি আরও বেড়েছে। প্রবীণ তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় শুক্রবার কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকে অনুপস্থিত ছিলেন। এর আগেই তিনি প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছিলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দীর্ঘদিনের বিশ্বস্ত নেতাদের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হবে। তৃণমূলের আর এক বর্ষীয়ান নেতা অনুব্রত মণ্ডলও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের সমালোচনা করেছেন। ছাব্বিশের নির্বাচনে দলের ভরাডুবির জন্য রাজনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা আইপ্যাককেও দায়ী করেছেন (Om Birla) তিনি। উল্লেখ্য, বিদ্রোহী শিবিরের তরফে এসব দাবি করা হলেও (Rebel TMC MPs), শনিবার দুপুর পর্যন্তও এ বিষয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ্যে আসেনি তৃণমূলের পক্ষ থেকে।

     

  • Abhishek Banerjee: বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৫ ঘণ্টা ধরে অভিষেকের বাড়িতে অভিযান পুলিশের, কোন মামলায়?

    Abhishek Banerjee: বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী, ৫ ঘণ্টা ধরে অভিষেকের বাড়িতে অভিযান পুলিশের, কোন মামলায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার ভোররাতে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে হঠাৎ পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ভোর ৩টার কিছু পরে রাজ্য পুলিশ, কলকাতা পুলিশ এবং শালবনি থানার একাধিক আধিকারিকের উপস্থিতিতে গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়। ঘটনাস্থলে মোতায়েন ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরাও। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোররাতেই পুলিশের একাধিক গাড়ি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে এসে দাঁড়ায়। শালবনি থানার আধিকারিকদের সঙ্গে ছিলেন মহিলা পুলিশকর্মীরাও। তবে কোন মামলার তদন্তে এই অভিযান চালানো হয়েছে, তা নিয়ে সকাল পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

    দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা, পরে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ

    প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বাড়িতে প্রবেশের আগে দীর্ঘক্ষণ ধরে দরজায় ডাকাডাকি করেন পুলিশ আধিকারিকেরা। প্রথমে কোনও সাড়া না পাওয়ায় তালা ভাঙার সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। পরে বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ সম্ভব হলে পুলিশ ভিতরে প্রবেশ করে। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে পুলিশ ও তদন্তকারী আধিকারিকরা বাড়ির ভিতরে অবস্থান করেন। এদিকে বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা গোটা এলাকা ঘিরে রাখেন, যার ফলে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও উদ্বেগ আরও বাড়ে। সকাল ৭টার পর কয়েকজন পুলিশ আধিকারিককে বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতে দেখা যায়। কিছুক্ষণ পরে তাঁরা ফের ভিতরে প্রবেশ করেন। শেষ পর্যন্ত সকাল ৮টার কিছু পরে পুলিশ বাহিনী বাড়ি ছাড়ে।

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

    পুলিশি তৎপরতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তিনি কিছু সময় সেখানে অবস্থান করেন। পুলিশ বাহিনী বাড়ি ছাড়ার পর তিনিও সেখান থেকে চলে যান। মমতার উপস্থিতি ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা আরও বাড়ে। যদিও তিনি সংবাদমাধ্যমের সামনে কোনও মন্তব্য করেননি।

    একের পর এক তদন্তের মুখে অভিষেক

    উল্লেখযোগ্যভাবে, গত কয়েকদিন ধরেই একাধিক মামলায় তদন্তকারী সংস্থার নজরে রয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ সিআইডি তাঁকে বিধানসভার সই জালিয়াতি সংক্রান্ত মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করে। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ মেনে সেদিন সন্ধ্যায় তিনি ভবানী ভবনে সিআইডি দফতরে হাজিরা দেন। প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে চলে জেরা। রাত সাড়ে ১১টার পরে তিনি ভবানী ভবন থেকে বেরিয়ে কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যান। এই মামলায় গ্রেফতারি বা কঠোর পদক্ষেপের আশঙ্কায় তিনি আগে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। আদালত জানিয়েছে, মামলার পরবর্তী শুনানি দু’সপ্তাহ পরে হবে। ততদিন পর্যন্ত সিআইডি তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারবে না। তবে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

    শুক্রবারও গিয়েছিল সিআইডি

    শুক্রবারও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে পৌঁছেছিল সিআইডির একটি দল। তবে সেবারের তদন্ত ছিল অন্য একটি মামলাকে কেন্দ্র করে। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে সল্টলেক সাইবার থানায় দায়ের হওয়া অভিযোগের তদন্তে তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে গিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। তখন তিনি বাড়িতে ছিলেন না বলে জানা যায়। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর অভিষেক বাড়ি ফিরলে তাঁকে নোটিস দেওয়া হয়। সেই মামলায় আগামী ১৬ জুন তাঁকে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    সামনে আরও একাধিক হাজিরা

    তদন্তকারী সংস্থাগুলির তৎপরতার মধ্যে আগামী কয়েকদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যস্ততা আরও বাড়তে চলেছে। সূত্রের খবর, সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে ফের ১৪ জুন ভবানী ভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। ইতিমধ্যেই তিনি তদন্তে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন। অন্যদিকে, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি ১৫ জুন তাঁকে তলব করেছে।

    কোন মামলায় অভিযান…

    শনিবারের অভিযানের সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে উঠেছে শালবনি থানার পুলিশের উপস্থিতি। কলকাতার কালীঘাটে অবস্থিত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার শালবনি থানার আধিকারিকরা কেন পৌঁছেছিলেন, কোন মামলার সূত্রে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে সূত্রের খবর, অর্থের বিনিময়ে টিকিট দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত করতে এসেছিল শালবনী থানার পুলিশ। অভিষেকের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে আর্থিক তছরুপের অভিযোগ। সেই সূত্রেই অভিষেকের বাড়িতে হাজির হয় পুলিশ। শালবনির পুলিশকর্মীদের সঙ্গে কালীঘাট থানার পুলিশও উপস্থিত ছিল বলে জানা গিয়েছে। ফলে তদন্তের পরিধি এবং মামলার প্রকৃতি নিয়ে রাজনৈতিক মহল থেকে প্রশাসনিক স্তর— সব জায়গাতেই শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। আগামী দিনে তদন্তকারী সংস্থাগুলি কী তথ্য প্রকাশ করে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের।

  • Abhishek Banerjee: মধ্যরাতেও ছাতার তলায়! জিজ্ঞাসাবাদে অসযোগিতা? ১৪ তারিখ ফের অভিষেককে তলব সিআইডির

    Abhishek Banerjee: মধ্যরাতেও ছাতার তলায়! জিজ্ঞাসাবাদে অসযোগিতা? ১৪ তারিখ ফের অভিষেককে তলব সিআইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে (Abhishek Banerjee) টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদেও সন্তুষ্ট নন সিআইডি-র তদন্তকারীরা। সে কারণেই আগামী ১৪ তারিখ বেলা ১২টার সময় ফের তাঁকে তলব করেছে সিআইডি। এর আগে একাধিকবার নোটিস পেয়েও হাজিরা দেননি অভিষেক। হাইকোর্টের নির্দেশের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে সিআইডি (CID) দফতরে হাজিরা দেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সূত্রের খবর, সই জাল-কাণ্ডে বিরোধী দলনেতা বাছাইয়ের রেজোলিউশন নিয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয় তাঁকে। একবার চায়ের বিরতি নিয়ে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। সিআইডি সূত্রে খবর, প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার মাঝেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেন অভিষেক।

    টানা সাড়ে ৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ

    প্রবেশ করেছিলেন সন্ধ্যা ৫টা ৪৯ মিনিট নাগাদ, প্রস্থান প্রায় রাত সাড়ে ১১টা! এদিন নির্ধারিত সময়ের আগেই ভবানীভবনে পৌঁছন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিমানবন্দর থেকে প্রথমে কালীঘাটের বাড়িতে যান তিনি। এরপর সেখান থেকে সোজা সিআইডি সদর দফতর ভবানীভবনে পৌঁছন। হাইকোর্টের নির্দেশ এবং সিআইডি-র একাধিক তলবের পর অবশেষে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হন তিনি। সই জালিয়াতি কাণ্ডে এর আগে তিন তিনবার অভিষেককে ডেকে পাঠিয়েছিল সিআইডি। হাজিরা দেননি অভিষেক। শেষে জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। হাইকোর্ট থেকে রক্ষাকবচ মিলতেই দিল্লি থেকে ফিরে সোজা বাড়ি ঘুরে ভবানীভবনে চলে যান অভিষেক। রাতে সেখান থেকে বের হওয়ার সময় সাংবাদিকরা তাঁকে গুচ্ছ গুচ্ছ প্রশ্ন করলেও কোনও প্রশ্নেরই উত্তর দিতে চাননি অভিষেক।

    কেন বারবার মেজাজ হারান অভিষেক?

    সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, সিআইডি দফতরে প্রথমে ছয়-সাত জন অফিসার অভিষেককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। তারপর একসঙ্গে ১০ জন আধিকারিক প্রশ্নের ঝুলি নিয়ে হাজির হন তাঁর সামনে। ছিলেন সিআইডির এডিজি সুপ্রতিম সরকারও। জানা গিয়েছে, একাধিক কঠিন প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে অভিষেককে। বৈঠকে না থাকার পরও বিধায়কদের সই কীভাবে চিঠিতে রইল? কে বা কারা সই করেছেন? কেন করেছেন? রেজোলিউশন কপি কোথায়? এ ছাড়াও একাধিক কঠিন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে তাঁকে। জানা যাচ্ছে, অধিকাংশ প্রশ্নের জবাবেই নাকি অভিষেক বলেছেন, জানি না। সূত্রের খবর, তদন্তকারী অফিসাররা তাঁকে বলেন, দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজের দায় কোনওভাবেই এড়াতে পারেন না তিনি। এ কথা শুনে নাকি মেজাজ হারান অভিষেক। স্পিকারের মতো সাংবিধানিক পদাধিকারীকে কোনও চিঠি দেওয়ার আগে ভালোভাবে জানা প্রয়োজন ছিল, এ কথা শুনেও মেজাজ হারিয়ে ফেলেন তিনি। তাঁর উত্তরে সন্তুষ্ট নন সিআইডি আধিকারিকরা। জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু অভিষেক কিছুই জানেন না এটা মানতে পারছেন না তদন্তকারীরা। আর যদি না-জানেন তাহলে বারবার এত মেজাজ হারান কেন অভিষেক? এই প্রশ্নও উঠছে।

    কী এই সই জাল কাণ্ড?

    বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর, গত ৬ মে বিধায়কদের নিয়ে কালীঘাটে তৃণমূলনেত্রী বৈঠক করেন। তাতে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের (Sovandeb Chattopadhyay) নাম প্রস্তাব করা হয়। ওইদিন যাঁরা উপস্থিত ছিলেন, তাঁরা সকলে হাত তুলে শোভনদেবকে সমর্থন জানান। কিন্তু বিধানসভায় এই সংক্রান্ত যে প্রস্তাবনা জমা দিতে হয়, তা দেয়নি তৃণমূল। এরপর ১৩ ও ১৪ মে বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের শপথগ্রহণ হয়। শপথের পর নিয়ম মেনে সই করেন বিধায়করা। বিরোধী দল হিসেবে তৃণমূলের কাছ থেকে বিরোধী দলনেতার নাম নিয়ে প্রস্তাবপত্র চান বিধানসভার সচিব। তা জমা দিতে ১৯ মে ফের কালীঘাটে বৈঠক ডাকা হয় বিধায়কদের। ওইদিন কেউ ছিলেন, কেউ ছিলেন না। উপস্থিত সকলের সই নেওয়া হয় দলের তরফে। মিলিয়ে দেখা হয় ক’জন গরহাজির। পরে দলের প্রস্তাবিত বিরোধী দলনেতার নামে সমর্থন জানিয়ে ৭০ জনের সই করা একটি কাগজ জমা দেওয়া হয় বিধানসভায়। তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, ওটাই বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনাপত্র। আর এখানেই গরমিল শুরু। দুই জায়গায় তৃণমূল বিধায়কদের সই না মেলায় সন্দেহ হয় সচিবের। জল গড়ায় থানায়। দায়ের করা হয় এফআইআর। তদন্তভার পেয়ে কাজ শুরু করে সিআইডি। একাধিক বিধায়ককে জেরা করা হয়। দলের ‘বিদ্রোহী’ বিধায়কের অভিযোগের তির ছিল অভিষেকের দিকে। সেই কারণেই তাঁকে তলব করে সিআইডি।

    কেন ফের তলব অভিষেককে

    সূত্রের খবর, অভিষেকের দেওয়া জবাবে অসন্তুষ্ট সিআইডি-র তদন্তকারীরা। জবাবে অসঙ্গতি থাকাতেই ফের তাঁকে আরও একবার হাজিরা দেওয়ার জন্য বলা হচ্ছে। যে রেজোলিউশন নিয়ে এত শোরগোল সেই রেজোলিউশনের কপি সংক্রান্ত বিষয়ে কোনও তথ্য অভিষেক তদন্তকারীদের দিতে পারেননি। বারবার তাঁর কাছে এই নির্দিষ্ট বিষয়েই জানতে চাওয়া হয়। কিন্তু প্রতি ক্ষেত্রেই তিনি ‘জানি না’, ‘তার পক্ষে বলা সম্ভব নয়’, ‘বলতে পারব না’, এই জাতীয় উত্তর দিয়েছেন। স্বাভাবিকভাবেই এই জিজ্ঞাসাবাদে খুশি নিন সিআইডি আধিকারিকরা। সেই কারণেই রবিবার ফের তলব করা হয়েছে তাঁকে। রেজোলিউশন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি নিয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে তাঁকে।

    মধ্যরাতেও ছাতার তলায় মুখ ঢাকলেন

    রাত ১১টা ২৮ মিনিটে ভাবনীভবন থেকে বেরিয়ে সোজা কালীঘাটের রাস্তা ধরেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চলে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে। সেখানে বেশ কয়েকজন বর্ষীয়ান নেতার উপস্থিতিতে হয় বৈঠক। উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল বিধায়ক মদন মিত্র, কুণাল ঘোষ। বারোটা বেজে দশ মিনিট নাগাদ দলনেত্রীর বাড়ি থেকে বের হন অভিষেক। তবে ছাতায় মুখ ঢেকে। তাঁকে দেখতে পাননি কেউ।

  • Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    Mamata TMC Rebellion: ফাটল চওড়া তৃণমূলে! অভিষেককে ধুয়ে দিলেন কল্যাণ, ‘আলটিমেটাম’ মমতাকেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপনি যদি অভিষেকের ওপরই নির্ভর করেন, তাহলে তাঁর সঙ্গেই থাকুন। আর যদি তাঁর থেকে দূরে সরে আসেন, তাহলে আমি আপনার পাশে আছি।” বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে এমনই বার্তা দিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata TMC Rebellion)। মমতার হাতে গড়া সাধের তৃণমূলে একের পর এক উইকেট পড়তে থাকায় এমনিতেই শ্যাম রাখি না কূল দশা তৃণমূল সুপ্রিমোর।

    ‘ভাইপো কালচারে’র জের! (Mamata TMC Rebellion)

    এহেন আবহে কল্যাণের এই হুমকি বার্তায় সিঁদুরে মেঘ দেখছেন তৃণমূলের মমতাপন্থী নেতারা। তৃণমূলে ‘ভাইপো কালচার’ শুরুর পর থেকেই বইতে শুরু করেছিল অশান্তির চোরাস্রোত। তবে সে সবকে কোনওদিনই পাত্তা দেননি (Kalyan Banerjee) দলনেত্রী। উল্টে সাপ এবং ব্যাঙ-দু’পক্ষকেই তাঁবে রাখতে একের পর এক ‘গেম’ খেলে গিয়েছেন তিনি। তবে তাতে যে বিশেষ কাজ হয়নি, তার প্রমাণ মিলল ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল গাড্ডায় পড়তেই। ভেঙে দু’খান হয়ে গেল কংগ্রেস ভাঙিয়ে তৃণমূল গড়ার ‘কারিগর’ মমতার দল।

    অভিষেককে নিশানা কল্যাণের

    এদিন কল্যাণ প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে। সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় তাঁর পরিবর্তে অন্য আইনজীবী নিয়োগ করাকে কেন্দ্র করে ‘ভাতিজা’র বিরুদ্ধে অসম্মান করার অভিযোগ তোলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ। তিনি জানান, একজন সিনিয়র আইনজীবী হিসেবে তাঁকে অপমান করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আর তিনি যে অভিষেকের হয়ে কোনও মামলায় সওয়াল করবেন না, তাও জানিয়ে দেন এই তৃণমূল সাংসদ। অভিষেককে নিশানা করে কল্যাণ বলেন, “ওঁর অহংকারী মনোভাবের কারণেই দলের মধ্যে সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। উনি কাউকেই সম্মান করতে জানেন না।” তিনি জানান, দলের প্রবীণ নেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করলেও, মমতা এখনও ফোন করেননি। তবে তিনি যে তৃণমূলের অন্যান্য সাংগঠনিক ও আইনি বিষয়ে কাজ চালিয়ে যাবেন, তাও জানিয়ে দিয়েছেন এই আইনজীবী নেতা।

    ফাটল চওড়া হচ্ছে তৃণমূলে

    এদিকে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তৃণমূলের ফাটল ক্রমেই চওড়া হচ্ছে। গত তিনদিনে পদত্যাগ করেছেন রাজ্যসভার তিন সাংসদ। বুধবার রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়েন প্রকাশ চিক বরাইক। ৮ জুন ইস্তফা দিয়েছিলেন সুখেন্দুশেখর রায়। আর ১০ জুন পদত্যাগ করেন সুস্মিতা দেব। প্রকাশ জানান, পশ্চিমবঙ্গের মানুষের মতামতকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। পরে তাঁকে বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের বাসভবনে যেতে দেখা যায়, যা নিয়ে রাজনৈতিক জল্পনার পারদ আরও চড়েছে।এদিকে, তৃণমূলের সঙ্গে সম্ভাব্য কোনও সংযুক্তির জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। যদিও বুধবার দিল্লিতে লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেন (Mamata TMC Rebellion) অভিষেক। অন্যদিকে, বিদ্রোহী তৃণমূল নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, তাঁদের সঙ্গে সমর্থন রয়েছে ৬৪ জন বিধায়কের সমর্থন। বিদ্রোহী সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান, লোকসভায় ২০ জন সাংসদ পৃথক আসন বিন্যাসের দাবি জানিয়েছেন। এ থেকেই (Kalyan Banerjee) স্পষ্ট, তৃণমূলের ছত্রখান হওয়াটা স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

     

LinkedIn
Share