Tag: Abhishek Banerjee

Abhishek Banerjee

  • Amit Shah: ৩০ বছর পর জম্মু-কাশ্মীরে পালিত হয়েছে জন্মাষ্টমী, বললেন অমিত শাহ

    Amit Shah: ৩০ বছর পর জম্মু-কাশ্মীরে পালিত হয়েছে জন্মাষ্টমী, বললেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালে মোদি সরকার জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা তুলে দিয়েছিল। এরপর থেকেই অভূতপূর্ব উন্নয়ন ঘটেছে উপত্যকায়। শনিবারে এ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, ৩০ বছর পরে জন্মাষ্টমী পালন হয়েছিল জম্মু-কাশ্মীরের লাল চৌকে। পাশাপাশি তাঁর আরও সংযোজন, ‘‘ভূস্বর্গ ক্রমশই উন্নতির শিখরে পৌঁছাচ্ছে কেন্দ্রে বিজেপি সরকারের নেতৃত্বে। প্রসঙ্গত ৩৭০ ধারা জম্মু-কাশ্মীর থেকে সরানোর সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যকে কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল হিসেবেও ঘোষণা করা হয়।

    ভোপালে বক্তব্য রাখেন অমিত শাহ

    রবিবারে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাজির ছিলেন ভোপালে ‘প্রবুদ্ধ জনসম্মেলন’ নামের একটি অনুষ্ঠানে। সেখানে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, ‘‘যখন আমি একজন পার্টির সাধারণ কর্মী ছিলাম প্রথম দিকে, তখন আশ্চর্য হতাম ৩৭০ ধারা সরানোর কথা ভাবলে। কিন্তু ৫ অগাস্ট ২০১৯ সালে নরেন্দ্র মোদি সরকার ৩৭০ ধারা তুলে দিতে পেরেছে। একই দেশে দুটো সংবিধান চলতে পারে না, দুজন প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারেন না এবং দুটি পতাকাও থাকতে পারে না। ৭০ বছর ধরে কংগ্রেসের তোষণনীতির কারণে ৩৭০ ধারা টিকে ছিল। ধারা ওঠার পরেই, ৩০ বছর পরে লাল চৌকে ফের জন্মাষ্টমী পালন হয়।’’

    আক্রমণ ‘ইন্ডি’ জোটকে

    এর পাশাপাশি অমিত শাহ (Amit Shah) আরও জানিয়েছেন যে জাতপাতের রাজনীতি, পরিবারতন্ত্র, তোষণ নীতি এবং দুর্নীতির ফাঁদে পড়েছিল দেশ। আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই সমস্ত অপশক্তিগুলির বিরুদ্ধে লড়াই করে সেই খাত থেকে দেশকে টেনে এনেছেন। এদিন অমিত শাহ আরও বলেন, ‘‘আমরা মহাভারতে দেখেছিলাম, সেখানে পাণ্ডব পক্ষ ছিল একদিকে, অপরদিকে ছিল কৌরব পক্ষ। বর্তমানেও দেশে একদল গ্রুপ আছে যেটি প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে চলছে এবং অপরদিকে একটি জোট আছে যেটা চালাচ্ছে সাতটা পরিবার একসঙ্গে।’’ এদিন ‘ইন্ডি’ জোটকে নিশানা শানিয়ে অমিত শাহ বলেন, ‘‘তারা কখনও চায় না একজন গরিব পরিবার থেকে কেউ উঠে এসে প্রধানমন্ত্রী হোক। এ বিষয়ে তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, সোনিয়া গান্ধী চান তাঁর ছেলে রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোক। শরদ পাওয়ার চান তাঁর মেয়ে মুখ্যমন্ত্রী হোক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান তাঁর ভাইপো মুখ্যমন্ত্রী হোক। লালু যাদব চান তাঁর ছেলে মুখ্যমন্ত্রী হোক।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না দুর্নীতি? শান্তনু সেন সহ ৩ সাংসদকে রাজ্যসভার প্রার্থীই করলেন না মমতা!

    TMC: গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না দুর্নীতি? শান্তনু সেন সহ ৩ সাংসদকে রাজ্যসভার প্রার্থীই করলেন না মমতা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভার জন্য প্রার্থী-তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল (TMC)। কিন্তু এই প্রার্থী তালিকায় বাদ পড়লেন তিনজন। ঠাঁই হল না দলের অন্যতম মুখপাত্র তথা ডাক্তার নেতা শান্তনু সেনের। একই ভাবে বাদ পড়লেন শুভাশিস চক্রবর্তী এবং আবীর বিশ্বাস। প্রার্থী করা হল অসমের শিলচরের মেয়ে সুস্মিতা দেব, সাংবাদিক রাজদীপ সারদেশাইয়ের স্ত্রী সাগরিকা ঘোষ, প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর এবং উর্দু দৈনিক পত্রিকার সম্পাদক নাদিমুল হককে। প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    কেন বাদ পড়লেন শান্তনু (TMC)?

    উল্লেখ্য, আরজিকর হাসপাতালের বিশেষ কমিটির মধ্যে ছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) মুখপাত্র ডাক্তার শান্তনু সেন। সম্প্রতি এই হাসপাতালে তোলাবাজি এবং ভর্তি নিয়ে শাসক দলের অন্দরে ব্যাপক গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব হয়েছিল। মেটাতে গিয়েছিলেন ব্রাত্য বসু। লাভ হয়নি। এরপর তাঁকে কমিটি থেকে সরিয়ে দিলে নিজের এক্স হ্যান্ডেলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন শান্তনু। সম্প্রতি আরজিকর-এ নিজের মেয়েকে কারচুপি করে ভর্তির ঘটনায় ব্যাপক সরব হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। এবারের রাজ্যসভার প্রার্থীপদের তালিকায় একই সঙ্গে বাদ পড়লেন শুভাশিস চক্রবর্তী এবং আবীর বিশ্বাস। উল্লেখ্য ২০১৯ সালে দক্ষিণ ২৪ পরগনার লোকসভা নির্বাচনের ভোটে বেছে বেছে হিন্দু এলাকায় ভোট করতে না দেওয়ার নিদান দিয়েছিলেন শুভাশিস। সেই ভিডিও ভাইরালের ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছিল। অন্যদিকে, উর্দু পত্রিকার সম্পাদক নাদিমুল হক হলেন সংখ্যালঘু সমাজের মুখ। ২০১২ থেকে তিনি সাংসদ। প্রথম হজ কমিটির সদস্য হিসাবে তাঁকে পছন্দ করেছিলেন মমতা। জানা গিয়েছে দিল্লি বইমেলায় মমতার বইয়ের উর্দু অনুবাদের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি, তাই মমতা খুশি হয়ে এবারেও প্রার্থী করলেন, এমনটাই মনে করছেন অনেকে।

    মতুয়াদের ভোট পেতেই মমতাবালাকে প্রার্থী?

    গতকাল শনিবার দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, ‘লোকসভা ভোটের আগেই সিএএ-র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হবে। দেওয়া হবে ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার, ভারতে আসা অমুসলমানদের নাগরিকত্ব।’ ইতিমধ্যেই মতুয়া সমাজের মানুষের অধিকার নিয়ে বনগাঁ লোকসভায় বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে রাজনৈতিক লড়াইতে ব্যাকফুটে তৃণমূল (TMC)। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুর হরিচাঁদ সম্পর্কে কুমন্তব্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে মতুয়া সমাজের মধ্যে। তার জন্যই ঠাকুর বাড়ির মন্দিরে হাজার হাজার পুলিশ নিয়ে গিয়েও ঢুকতে পারেননি ভাইপো অভিষেক। এখন মতুয়াদের মন পেতে তাই সেই পরিবারের সদস্য প্রাক্তন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরকেই প্রার্থী করা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    বাংলার বাইরের সমীকরণ

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল (TMC) বারবার বিজেপিকে বহিরাগত বলে অভিযোগ করেছে। কিন্তু একই ভাবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অভিযোগ করেছেন তৃণমূল লোকসভা, রাজ্যসভায় বাংলার বাইরের ব্যক্তিদের প্রার্থী করে পাঠায়। উল্লেখ্য, গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী, আসানসোলের সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা বা প্রাক্তন সাংসদ অভিষেক মনুসিংভি, কেউ বাংলার নাগরিক নন। এবার রাজ্যসভার প্রার্থী হিসাবে সুস্মিতা দেব এবং রাজদীপ-পত্নী সাগরিকা ঘোষকে প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। কিন্তু উভয়েই জীবনের বেশির ভাগ সময় বাংলার বাইরে, একজন অসমে, অপর জন দিল্লিতে কাজ করেছেন। ফলে শাসক দল এবং বিরোধীদের মধ্যে বহিরাগত তকমা নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali: শাহজাহান এখনও অধরা! তৃণমূল মুখ ফেরাতেই গ্রেফতার সাগরেদ উত্তম সর্দার

    Sandeshkhali: শাহজাহান এখনও অধরা! তৃণমূল মুখ ফেরাতেই গ্রেফতার সাগরেদ উত্তম সর্দার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালির ‘বেতাজ বাদশা’ শেখ শাহজাহান ফেরার। তাঁর অন্যতম দুই সাগরেদ শিবু হাজরা আর উত্তম সর্দারের নেতৃত্বে চলত তাণ্ডব। আর তার জেরেই গত তিনদিন ধরে সন্দেশখালি (Sandeshkhali) অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। আর এই সব ঘটনার জন্য আদতেই মুখ পুড়ছিল তৃণমূলের। তাই, তড়িঘড়ি শনিবার সকালে সাসপেন্ড করা হল উত্তমকে। দল মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সক্রিয় হয়ে উঠল পুলিশ। গত তিনদিন ধরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া তৃণমূল নেতা উত্তমকে গ্রেফতার করল পুলিশ। পাশাপাশি সন্দেশখালিতে অশান্তির ঘটনায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ তুলে বিকাশ সিংহ নামের এক বিজেপি নেতাকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিকাশ বিজেপির বসিরহাট সাংগঠনিক জেলার অন্যতম পর্যবেক্ষক পদে ছিলেন।

    সাসপেন্ডের পরই গ্রেফতার উত্তম (Sandeshkhali)

    শনিবার দুপুরে রেড রোডের ধর্নামঞ্চ থেকে পার্থ ভৌমিক ঘোষণা করেছিলেন, আগামী ছ’বছরের জন্য তৃণমূল থেকে উত্তমকে সাসপেন্ড করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেই কমিটি রিপোর্ট দেওয়ার পরই এবার তাঁকে সাসপেন্ড করা হল। আর দল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হন উত্তম। তবে, সবটাই লোক দেখানো বলে মনে করছেন এলাকাবাসী। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ৭ জানুয়ারি জনরোষ আছড়ে পড়েছিল সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। উত্তমকে ধরে ফেলেছিলেন উত্তেজিত জনতা। পুলিশই তাঁকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। পরে, ছেড়ে দেয়। তারপর থেকে রহস্যজনকভাবে তিনি ফেরার ছিলেন। কেউ তাঁর আর হদিশ পাচ্ছিলেন না। অনেকের মতে, পুলিশের নিরাপত্তায় গা ঢাকা দিয়েছিলেন উত্তম। দল মাথা থেকে হাত তুলে নিতেই উত্তম গ্রেফতার হয়ে যায়।

    গ্রামবাসীদের জমি দখল করে উত্তমের ভেড়ি!

    শাহজাহান শেখ এবং তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ নেতা শিবু হাজরা আর উত্তমের বিরুদ্ধেও এলাকায় ‘অত্যাচার’-এর অভিযোগ রয়েছে। পার্টি অফিসে সুন্দরী মহিলাদের তুলে নিয়ে গিয়ে রাতভর নির্যাতন চালানো হত। প্রকাশ্যেই তৃণমূল নেতাদের এই অত্যাচারের বিষয়ে মহিলারা গর্জে ওঠেন। উত্তম-শিবুর গ্রেফতারের দাবি নিয়ে রাস্তায় নামেন তাঁরা, ঘেরাও করা হয় থানা। বিক্ষোভে সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন মহিলারা। বাঁশ, কাটারি, দা, হাতা, খুন্তি, লাঠি নিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয় সন্দেশখালির (Sandeshkhali) অলিগলিতে। আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় একের পর এক পোলট্রি ফার্ম, বাগানবাড়িতে। অভিযোগ, গ্রামবাসীদের জমি জোর করে দখল করে ওই ফার্ম তৈরি করেছিলেন উত্তমেরা। স্থানীয়দের অভিযোগ, ৯০ শতাংশ ভেড়ি গ্রামবাসীদের জমি দখল করে তৈরি করা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: তৃণমূলের দুর্নীতি বোঝাতে হাইকোর্টে ইডি’র আইনজীবীর মুখে সোনার কেল্লা, ফেলুদা প্রসঙ্গ

    Abhishek Banerjee: তৃণমূলের দুর্নীতি বোঝাতে হাইকোর্টে ইডি’র আইনজীবীর মুখে সোনার কেল্লা, ফেলুদা প্রসঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) কোম্পানি লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডসের আরও সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে বলে জানা গিয়েছে। আজ মঙ্গলবার হাইকোর্টে একই কথা জানাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। অপর দিকে প্রাথমিকে শিক্ষক-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডির তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন করলেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা। তদন্তের প্রক্রিয়ায় একদম সন্তুষ্ট নন তিনি। ফলে চাপ বাড়ল ইডি’র। মামলার পরবর্তী শুনানি ১২ মার্চ।

    হাইকোর্টে ইডির বক্তব্য (Abhishek Banerjee)

    আজ হাইকোর্টে ইডির আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী তৃণমূল সাংসদ অভিষেকের (Abhishek Banerjee) সম্পত্তি সম্পর্কে জানিয়ে বলেন, “আরও কিছু সম্পত্তি চিহ্নিত করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধও নিশ্চিত করার কাজ চলছে। এক অভিযুক্তের কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষার জন্য দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। তা এলেই তদন্তের আরও অগ্রগতি ঘটবে।”

    কী বললেন বিচারপতি?

    বিচারপতি অমৃতা সিনহা এদিন প্রভাবশালী তৃণমূল নেতার (Abhishek Banerjee) দুর্নীতির বিষয়ে তদন্তকারী অফিসারদের উদ্দেশ্য করে বলেন, “এভাবে সময় চলে গেলে প্রত্যেকে তদন্তের বাইরে চলে যাবে। তখন আর কিছু পাবেন না। এত দিনের সব পদক্ষেপ কাজে লাগবে না। আর কত দিন লাগবে?” উত্তরে আইনজীবী ধীরাজ ত্রিবেদী বলেন, “প্রত্যেক পদক্ষেপে আমরা মামলায় জড়িয়ে পড়ছি। যে কোনও নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে।” আবার বিচারপতি বলেন, “আপনারা কি মনে করছেন খুব সহজ? অপারাধ যত সামনে আসবে, এই ধরনের মামলার চাপ আরও বাড়বে।” আবার উত্তরে আইনজীবী বলেন, “আমরা সিঙ্গল বেঞ্চ থেকে সুপ্রিম কোর্টে লড়াই করছি। আমাদের নখ, দাঁত বের করে লড়াই করছি। পরবর্তী শুনানির দিন আমরা বিস্তারিত রিপোর্ট দেব।”

    সিবিআই-এর মুখে ‘সোনার কেল্লা’

    তৃণমূল নেতাদের (Abhishek Banerjee) দুর্নীতি নিয়ে সত্যজিৎ রায়ের সোনার কেল্লার উদাহরণ টেনে আইনজীবী বিচারপতি অমৃতা সিনহাকে বলেন, “এখানে আমার সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত সোনার কেল্লার কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। সেখানেও গোয়েন্দারা যখন সোনার কেল্লায় যাচ্ছেন, তখন তাঁদের কাঁটা বিছানো পথ পেরিয়ে যেতে হয়েছিল। তাঁরা (ফেলুদা) সত্য অনুসন্ধান করতে পেরেছিলেন। এখানে দুর্নীতির মামলায় আমরাও আশাবাদী।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: “দল না থাকলে রোজগার হবে না”, এ কী বললেন বিধায়ক লাভলি মৈত্র?

    South 24 Parganas: “দল না থাকলে রোজগার হবে না”, এ কী বললেন বিধায়ক লাভলি মৈত্র?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের তৃণমূলের মা-মাটি সরকারের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযোগে বার বার সরব হয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলগুলি। রাজ্যে গরু পাচার, কয়লা পাচার, শিক্ষক নিয়োগ, রেশন দুর্নীতি এবং পুর নিয়োগ নিয়ে শাসক দলের একাধিক মন্ত্রী, বিধায়ক, নেতামন্ত্রী জেলের মধ্যে রয়েছেন। সকলেই দুর্নীতি করে আয় বা রোজগার করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতিমধ্যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ‘চোর মমতা’ মন্তব্যে ব্যাপক সরব হয়েছেন। ঠিক এই আবহেই তৃণমূল বিধায়কের মন্তব্যেও ফের একবার দুর্নীতির কথা ফাঁস হয়ে গেল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক লাভলি মৈত্র বলেন, “দল না থাকলে রোজগার হবে না।”এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক (South 24 Parganas)?

    সোনারপুর দক্ষিণের (South 24 Parganas) প্রতাপনগরে এক কর্মী সভায় রবিবার উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেত্রী লাভলি মৈত্র। তিনি দলের কর্মীদের বলেন, “দল থাকলে রোজগার হবে, উপার্জন হবে। রোজাগার কে কীভাবে কোথা থেকে করেন আমি সব জানি। আমার কাছে সব খবর আছে। দলটাই যদি না থাকে তাহলে কীভাবে সম্ভব হবে। তাই বলছি গ্রুপবাজি বন্ধ করুন। দলের কাজে মন দিন।”

    কর্মীদের কড়া হুঁশিয়ারি

    সোনারপুর (South 24 Parganas) কর্মীসভায় বিধায়ক লাভলি আরও বলেন, “মাত্র দুই মাস পরেই নির্বাচন! এটা একটা কর্মী সম্মেলন মাত্র, অর্ধেক লোক এসেছেন! বুথ কমিটির মধ্যে যে যে নাম আমাকে দেওয়া হয়েছিল তাতে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটা লোক! অর্ধেক মানুষ অনুপস্থিত। রাজ্যের তো উন্নয়ন কোথাও থেমে নেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কাজ চলছে। আপনাদের ফাজলামোর জন্য প্রত্যেক অঞ্চলের প্রত্যেক বুথে কিছু এমন মানুষ রয়েছেন যারা কোনও দলের মধ্যেই নেই। সকালে তৃণমূল, রাতে বিজেপি এবং দুপুরে সিপিএম। দলের ভীষণ ক্ষতি হচ্ছে।”

    বাইরে থেকে লোক এনে দল চালাব

    সোনারপুর (South 24 Parganas) কর্মীসভায় বিধায়ক লাভলি এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “আমি দিদি ও অভিষেকদার সঙ্গে কথা বলব। যারা রেজাল্ট দিতে পারবেন না তারা সদস্য সেজে বাসে থাকলে চলবে না। আসন অলঙ্কৃত করে বসে থাকা সদস্যদের আমরা চাই না। বুথের মধ্যে এখনও দলাদলি, গ্রুপবাজি চলছে। এই গ্রুপবাজির কারণে প্রতাপনগরে দল শেষ হয়ে যাচ্ছে। আপনাদের দরকার নেই আমি বাইরে থেকে লোক এনে দল চালাবো। তারপর দলের রেজাল্ট দেখাবো।”      

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sheikh Shahjahan: বেপাত্তা শাহজাহানের জামিনের আর্জি ইডি আদালতে, শুনানি আজ

    Sheikh Shahjahan: বেপাত্তা শাহজাহানের জামিনের আর্জি ইডি আদালতে, শুনানি আজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্দেশখালিতে ইডি অধিকারিকদের মাথা ফাটানোর ঘটনার পর থেকেই বেপাত্তা সেখানকার স্বঘোষিত বাঘ শেখ শাহজাহান। পরবর্তীকালে ইডির দল ফের একবার যায় শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) বাড়িতে। ইডি দফতরের হাজিরা দিতে বলে, তখনই তাঁর বাড়িতে নোটিশ সাঁটিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। সোমবার ২৯ জানুয়ারি ছিল সেই হাজিরার দিন। কিন্তু শেখ শাহজাহানকে ইডি অফিসের ধারে কাছে তো দূরের কথা প্রকাশ্যেই কোথাও দেখা যায়নি। ইডি অফিসে হাজিরা না দিলেও আগাম জামিনের আবেদন করেছেন শেখ শাহাজাহান। সোমবার ইডির বিশেষ আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেন তাঁর আইনজীবী।

    আরও পড়ুুন: সরকারি অতিথি নিবাসে রাহুলের মধ্যাহ্নভোজে মমতার পুলিশের না

    শাহজাহানের আগাম জামিনের শুনানি আজ

    আজ অর্থাৎ মঙ্গলবার ৩০ জানুয়ারি সেই আবেদনের শুনানি রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বারবার বিরোধী নেতারা অভিযোগ জানিয়েছেন যে পুলিশই লুকিয়ে রেখেছে শেখ শাহজাহানকে (Sheikh Shahjahan)। অন্যদিকে, শাহজাহানের অডিও বার্তার এর মধ্যে ভেসে এসেছে। মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে সন্দেশখালিতে বিভিন্ন জায়গায় তাঁর অবস্থান মিলেছে। এত কিছু সত্ত্বেও তাঁকে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়নি পুলিশ।

    শাহজাহানকে ক্লিনচিট দিলেন অভিষেক

    সন্দেশখালির ঘটনা নিয়ে এবার মুখ খুললেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন শেখ শাহজাহানের পাশেই দাঁড়ালেন দেখা গেল তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ডকে। এর মাধ্যমে সন্দেশখালিতে শাহজাহানের (Sheikh Shahjahan) কার্যকলাপে কার্যত সিলমোহর দিলেন তিনি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, ‘‘শেখ শাহজাহান কী করেছে? যেদিন ঘটনা ঘটেছে, শেখ শাহজাহান ছিল বলে তো আমার জানা নেই। কিছু লোকের বিক্ষোভ আমি দেখতে পেয়েছি। আমি জানি না। তবে যে ঘটনা ঘটেছে, তা অনভিপ্রেত। এটা না ঘটলেই ভাল হত। যে ঘটনা সেদিন তাঁর বাড়ির বাইরে ঘটেছে, সেটা তো তদন্ত ছাড়া বলা যাবে না।’’

    আরও পড়ুন: পরীক্ষার্থীদের টেনশন কমাতে গুচ্ছ টিপস, ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় কী বললেন মোদি?

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘অভিষেকের গড়ে ২০ হাজার বিজেপি কর্মীর নাম বাদ’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘অভিষেকের গড়ে ২০ হাজার বিজেপি কর্মীর নাম বাদ’, বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের খাসতালুক ডায়মন্ড হারবার নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার হরিপালের সভা থেকে তিনি মমতার প্রশাসনকে তীব্র আক্রমণ করেন। এমনকী অভিষেককে তাঁর খাসতালুকে তৃতীয় করার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।

    ২০ হাজার বিজেপি কর্মীর নাম বাদ! (Suvendu Adhikari)

    শনিবার হরিপালের সভা থেকে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “ডায়মন্ড হারবারে ১৮ থেকে কুড়ি হাজার বিজেপি কর্মীর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি থেকে শুরু করে যারা সক্রিয় কর্মী তাঁদের নাম বেছে বেছে বাদ দেওয়া হয়েছে। ব্যাপকভাবে গরমিল করা হয়েছে।” তিনি  হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা এটা ছাড়ব না। এসব চলবে না। ফলতার বিডিওকে বলে রাখলাম, দরজা পরিষ্কার করে রাখুন আপনার কাছে যাচ্ছি, যে কোনও দিন। ভাইপো কে ওখানে হারাবো। বিজেপি জিতবে, ভাইপো থার্ড হবে।” প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ভোটার তালিকা সম্পন্ন হয়েছে। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে সারা রাজ্যের পাশাপাশি ডায়মন্ড হারবার কেন্দ্রেও ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। সেই ভোটার তালিকায় মমতার প্রশাসন কতটা গরমিল করেছে তা দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা।

    মুখ্যমন্ত্রীকে তোপ শুভেন্দুর

    রাম মন্দির উদ্বোধনের দিনেই কলকাতায় সংহতি মিছিল করেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানেই মমতা বলেছিলেন, “বিজেপি রাম নিয়ে এত উচ্ছ্বাস দেখালেও সীতা দেবীকে নিয়ে কোনও কথা বলে না। বিজেপি নারী বিরোধী বলেও প্রশ্ন তোলেন তিনি।” সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, “এসব চপবাজি কেউ খাবে না। পশ্চিমবঙ্গের সীতাদের খোঁজ নিতে বলুন, হাঁসখালি, কালিয়াগঞ্জ, রামপুরহাটের সীতারা কি অপরাধ করেছে? শিখল তুলে পুড়িয়ে মেরেছেন লজ্জা লাগেনা?” প্রসঙ্গত, ডায়মন্ড হারবারে এবারেও বড় অঘটন না ঘটলে প্রার্থী হচ্ছেন অভিষেক। তাঁর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের কথা জানিয়েছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি। বিজেপিও প্রভাবশালী কাউকে দাঁড় করাবেন বলেই জানা গিয়েছে। তৃণমূলের যুবরাজের আসনেই তাঁকে হারানার হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Midnapore: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে নিজের এলাকার মন্দিরেই তালা! পুজো দিতে পারলেন না দিলীপ

    Midnapore: প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিনে নিজের এলাকার মন্দিরেই তালা! পুজো দিতে পারলেন না দিলীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের উদ্বোধনের দিনেই মেদিনীপুরে (Midnapore) পুজো দিতে পারলেন না রাজ্যের বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। একদিকে যেমন অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান চলেছে, ঠিক তেমনি রাজ্যের জেলায় জেলায় প্রভু শ্রীরামের আরধনা, ভজন, কীর্তন, প্রসাদ বিতরণ চলেছে। কিন্তু মেদিনীপুর শহরের গান্ধীঘাটের রাম-সীতা মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে দেখা যায়, মন্দিরের গেটে তালা মারা। বিজেপি’র এই সাংসদের অভিযোগ, “মন্দিরে যাতে পুজো না করতে পারি, সেজন্যই এভাবে তালা দিয়ে রাখা হয়েছে।”

    কী বললেন দিলীপ ঘোষ(Midnapore)?

    এই গান্ধীঘাটের (Midnapore) রাম-সীতা মন্দিরের বাইরে লাগানো ছিল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি। সেই সঙ্গে পোস্টার লাগানো ছিল সংহতি মিছিলের। মন্দির চত্বরে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের ছবি নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন দিলীপ। অপর দিকে ২২ জানুয়ারি রাম মন্দিরে রামলালার অভিষেক উপলক্ষে এই রাম-সীতা মন্দিরের বাইরে প্রদীপ প্রজ্বলন, আতশবাজি প্রদর্শনী করা হয়। একই ভাবে বিশেষ রাম কথা এবং ভাষণ পর্ব চলে। দিলীপ তৃণমূল সরকারকে নিশানা করে বলেন, “পুজো যাতে না দিতে পারি, তাই প্রশাসন থেকে এসে তালা মারা হয়েছে।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    পাল্টা জবাব দিয়ে তৃণমূলের মেদিনীপুরের (Midnapore) স্থানীয় বিধায়ক জুন মালিয়া বলেন, “মন্দির সকলের, সকলকে সব সময় মন্দিরে পুজো দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানাই। যেহেতু তিনি বিজেপি সাংসদ, তাই তাঁকেও সব সময় মন্দিরে আসার জন্য আমন্ত্রণ রইল।” উল্লেখ্য গতকাল কালীঘাট মন্দিরে পুজো দিয়ে হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত অযোধ্যায় রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার পাল্টা সংহতি যাত্রা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মিছিলে যোগ দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। একই ভাবে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথির তৃণমূল সাংসদ দিব্যেন্দু অধিকারী সকাল সকাল শ্রী রামের মন্দিরের গিয়ে পুজো করেন। আবার উত্তরবঙ্গের প্রাক্তন মন্ত্রী গৌতম দেব নিজের হারমনিয়ামে রামের ভজন সঙ্গীত করেন। মালদায় হরিশচন্দ্রপুরের তৃণমূল পঞ্চায়েত সদস্যরা বিজেপির শ্রী রামের শোভাযাত্রায় পায়ে পা মিলিয়ে গৈরিক বসন পরে অংশ গ্রহণ করেন। সবটা মিলিয়ে রাম নামে এখন বঙ্গের হাওয়ায় এখন বেশ উত্তেজনায় পূর্ণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো,’ তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো,’ তীব্র কটাক্ষ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়নগরের সভার পাল্টা সভা জয়নগরের দক্ষিণ বারাসতের রেল মাঠে করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর এই পাল্টা সভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে রাজ্য সরকারকে তোপ দাগলেন তিনি। মূলত বিজেপির জয়নগর সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে এই সভার আয়োজন করা হয়।

    মমতাকে তীব্র কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সোডিয়াম-পটাশিয়ামের গন্ডগোল পুনরায় হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, কপিল মুনির আশ্রম তিনি বানিয়েছেন, এমনকী কালিঘাট-তারাপীঠও তিনি বানিয়েছেন। কি আর করা যাবে? কথাবার্তার কোনও ব্যালান্স নেই। এমনকী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেছেন, ৪৭ সালে বেলেঘাটায় এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর গান্ধীজিকে ফলের জুস খাইয়েছেন। রাকেশ রোশন চাঁদে গিয়েছিলেন বলে তিনি প্রকাশ্যে বলেছিলেন। দেশে আমরা আছি, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মাথার ঠিক নেই।

    ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি পিসি-ভাইপো

    সন্দেশখালি তৃণমূল নেতা শাহজাহানের প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, শাহজাহান ফেরার নয়, তাঁকে পুলিশ নিয়ে নিয়েছে। তাই, শাহজাহানকে কোনওদিন ধরতে পারবে না। এছাড়াও তিনি চাঞ্চল্যকর দাবি করেন শাজাহান কোথায় রয়েছে সেই খবর আমরা জানি, সরবেরিয়া থেকে ধামাখালির মধ্যে আত্মগোপন করে রয়েছে শাহজাহান। ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের বিষ্ণুপুরের বিজেপি নেতা অগ্নিশ্বর নস্করকে পুলিশ মিথ্যা মামলা দিয়ে গ্রেফতার করেছে। অথচ শাহজাহানকে গ্রেফতার করছেন। আর পুলিশ ধরতে গেলে কিছু পুলিশ রয়েছে তারাই শাহজাহানকে জানিয়ে দিচ্ছে। যতক্ষণ না পর্যন্ত এই চোর মমতাকে আপনারা পাল্টাবেন, ততক্ষণ আপনাদের এই যন্ত্রণা ভোগ করতে হবে। যেদিন মমতা প্রাক্তন হবেন, আর চোর ভাইপো জেলে যাবেন, সেদিন মানুষ শান্তি পাবেন। তার আগে কোনও শান্তি পাওয়ার কোনও সুযোগ নেই। আমাদের লড়াই চলছে। তিনি আরও বলেন, সাড়ে তিন বছরের জেল খাটা চোর নর্দমার কিট (কুণাল ঘোষ) সে তো বলে পিসি হল রামকৃষ্ণ দেব আর কয়লা ভাইপো হল স্বামী বিবেকানন্দ। আমার মনে হয়, ডাকাত আর চোরের যুগলবন্দি হলেন পিসি আর ভাইপো।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    Murshidabad: ‘অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন!’ বেফাঁস হুমায়ুন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জেলা নেতৃত্বের একটা অংশের বিরোধ রয়েছে। প্রকাশ্যেই দলের সাংসদ আবু তাহের সহ একাধিক নেতার বিরুদ্ধে তিনি মুখ খুলে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের রোষে পড়েন। শুক্রবার কালীঘাটে বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো বেশি কথা বলার জন্য ধমক দেন। কিন্তু, বৈঠক থেকে বেরিয়ে তিনি ফের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিতেই সুর চড়িয়েছেন। এবার তাঁর সরাসরি আঙুল অভিষেকের অফিসের দলীয় এক কর্মীর বিরুদ্ধে।

     অভিষেকের অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন! (Murshidabad)

    মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন বলেন, ‘কোনও চ্যাং-ব্যাং, ২৭-২৮ বছরের ছেলেরা ৬০, ৬২, ৭০ বছরের নেতৃত্বকে অবহেলা করবে, তাঁদের কর্তৃত্ব নিয়ে চ্যালেঞ্জ করবে, ভুল ট্রিটমেন্ট করা, মূল্যায়ন করা, মেনে নেওয়া যায় না। সেটা আমি সব মানব না!’ এসব বলার পাশাপাশিই অভিষেকের ওপর তাঁর আস্থা রয়েছে বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, ‘অভিষেক সত্যিই যোগ্য নেতৃত্ব হয়ে উঠেছেন। তিনি শুধু ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ নন। পাশাপাশি তিনি দলের সেকেন্ড ইন কমান্ড। মমতার পরেই তাঁকে মানি। নবীনদের মধ্যে যদি প্রতিভা থাকে, তাঁরা নেতৃত্ব দিতেই পারেন। যেমন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তাঁর নাম করে তাঁর অফিসের এক কর্মী তোলাবাজি করছেন। নিজে নিজের ব্লক সভাপতি ঠিক করে দিচ্ছেন। তা হলে আমাদের রাজনীতি করার মানে কী? অভিষেককে আমি নেতা মানি। তাঁর হুইপ মানতেও রাজি। কিন্তু, তাঁর নাম করে কেউ অনৈতিক কাজ করবে, সেটা মানা সম্ভব নয়। তিনি নিজের ক্ষমতা জাহির করতে গিয়ে বলেন, দলনেত্রী মমতা আমাকে দায়িত্ব দিলে লোকসভা ভোটে বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে দু’লক্ষ ভোটে হারিয়ে দেখিয়ে দেব।’

    মমতার ধমক নিয়ে কী বললেন তৃণমূল বিধায়ক?

    শুক্রবার দলীয় বৈঠকে তৃণমূল সুপ্রিমো সকলের সামনেও হুমায়ুনকে ধমক দেন। সেই প্রসঙ্গে হুমায়ুন বলেন,’ ধমকের কোনও বিষয় নয়। প্রবাদবাক্য রয়েছে, শাসন করার অধিকার তাঁরই থাকে যিনি ভালবাসেন। সোহাগ করতে জানেন। দিদি আমাকে স্নেহ করেন। তাই কোনও সময়ে ভুল করলে বকুনিও দেন। আমি মনে করি, গুরুজনের কাছ থেকে শিক্ষা নিতে হবে। রাজনীতির ময়দানে তিনি গুরুজন। তাঁর কথায় কিছু মনে করি না। তাঁর প্রতি বলার কিছু নয়। যোগ্য নেতৃত্ব বলে মনে করি।’ এরপরই তিনি চেনা ঢঙে বলেন, ‘আমাকে চমকিয়ে-ধমকিয়ে লাভ নেই। আমি বহিষ্কার বা ওই ধরনের শাস্তির ভয় পাই না। তাঁর কথায়, দল ছাঁটাইয়ে প্রস্তুত আছে। কিন্তু দল ছাঁটাই করবে কি না দলকে ভাবতে হবে। ছাঁটাই করলে কোথায় রাস্তা খুঁজতে হয়, সঠিক মূল্যায়ন করতে হয় আমি জানি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share