Tag: Amit Shah

Amit Shah

  • Cocaine Seized: “মাদক চক্রকে নির্মমভাবে গুঁড়িয়ে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার”, বললেন শাহ

    Cocaine Seized: “মাদক চক্রকে নির্মমভাবে গুঁড়িয়ে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার”, বললেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “মাদক চক্রকে (Cocaine Seized) নির্মমভাবে গুঁড়িয়ে দিতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ সরকার।” শুক্রবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মুম্বইয়ে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB) ১,৭৪৫ কোটি টাকার ৩৪৯ কেজি উচ্চমানের কোকেন উদ্ধার করার পর এই মন্তব্য করেন তিনি। শাহ একে আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের বিরুদ্ধে একটি বড়সড় সাফল্য বলেই উল্লেখ করেন।

    শাহের বক্তব্য (Cocaine Seized)

    এক্স হ্যান্ডেলে শাহ লিখেছেন, “আমরা মাদক চক্রকে নির্মমভাবে ধ্বংস করতে বদ্ধপরিকর। অ্যাট দ্য রেট নার্কোটিক্সব্যুরো (@narcoticsbureau) মুম্বইয়ে ১,৭৪৫ কোটি টাকার ৩৪৯ কেজি উচ্চমানের কোকেন উদ্ধার হয়েছে। এটি একটি বড় আন্তর্জাতিক মাদক চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়েছে। সূত্রের খবর, এটি নিচু স্তর থেকে ওপরের স্তর পর্যন্ত তদন্তের এক যুগান্তকারী উদাহরণ, যেখানে সংস্থাটি একটি ছোট চালান ধরে বিশাল নেটওয়ার্কের সন্ধান পেয়েছে। এই ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য টিম এনসিবিকে অভিনন্দন।”

    মাদক পাচারকারী মোহাম্মদ সলিম দোলা

    এদিকে, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (NCB) আন্তর্জাতিক ও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলির ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ে, ‘অপারেশন গ্লোবাল-হান্টের’-এর অধীনে পলাতক মাদক পাচারকারী মোহাম্মদ সলিম দোলাকে তুরস্ক থেকে ভারতে ফিরিয়ে আনতে সফল হয়েছে। শুক্রবার ভোরে নয়াদিল্লির আইজিআই বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর তাকে হেফাজতে নেয় এনসিবি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) মতে, “মুম্বইয়ের বাসিন্দা ৫৯ বছর বয়সি সলিম দোলার বিরুদ্ধে ভারতের অনুরোধে ২০২৪ সালের মার্চ মাসে ইন্টারপোল রেড নোটিস জারি করা হয়েছিল। ভারতে একাধিক মাদক পাচার মামলায় তার বিরুদ্ধে মামলা ছিল। সে দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিল (Cocaine Seized)।”

    বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    বিগত কয়েক বছরে দোলা মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা ও ইউরোপের একাধিক দেশে বিস্তৃত একটি আন্তর্জাতিক মাদক চক্র গড়ে তুলেছে। গত দু’দশকে তার অপরাধমূলক কাজকর্মের জেরে মহারাষ্ট্র ও গুজরাটে হেরোইন, চরস, মেফেড্রোন, ম্যান্ড্রাক্স এবং মেথামফেটামিনের একাধিক বড় চালানের সঙ্গে সরাসরি জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। মন্ত্রক আরও জানিয়েছে, “ভারতে সরবরাহ শৃঙ্খলের নীচের স্তরে বড় সরবরাহকারী হিসেবে দোলার নাম বারবার উঠে এসেছে। এছাড়াও এটিএস গুজরাট ও মুম্বাই পুলিশও তাকে খুঁজছিল। এর আগে ২০২৫ সালে তার ছেলে তাহিল সলিম দোলা এবং অন্য সহযোগীদের ইউএই-র প্রত্যর্পণের পর মুম্বই পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। এই (Amit Shah) অভিযান তুরস্ক, ইন্টারপোল ও ভারতীয় সংস্থাগুলির ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার উদাহরণ (Cocaine Seized)।”

     

  • Assembly Election 2026: “দিদির খেলা শেষ, সিন্ডিকেটরাজ বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব”, বর্ধমানে বিস্ফোরক ভাষণে তোপ দাগলেন শাহ

    Assembly Election 2026: “দিদির খেলা শেষ, সিন্ডিকেটরাজ বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব”, বর্ধমানে বিস্ফোরক ভাষণে তোপ দাগলেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমানের জামালপুর থেকে শাহি আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানালেন বাংলায় এবার পদ্মফুল ফুটছেই। একইসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ৪ মে বর্ধমানের সীতাভোগ খাইয়ে মিষ্টিমুখ করাবেন বলেও জানান। তিনি বলেন, ‘‘প্রথম দফায় (Assembly Election 2026) বিজেপি ১১০ আসন জিতবে দিদির খেলা শেষ করে দেবে। সব সরকারি কর্মচারীকে সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় আনা হবে। মা বোনেদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। বেকার যুবকদেরও প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। মা-বোনেদের সরকারি বাসে কোনও টিকিট কাটতে হবে না। আলুর দাম কম হতে দেওয়া যাবে না। কৃষকদের ধানের দাম দেওয়া হবে। ৫ তারিখে বিজেপির সরকার বানিয়ে দিন, ৬ তারিখে সব সিন্ডিকেটরাজ বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব।’’

    সন্ত্রাস হয়েছে মা-বোনেদের উপর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনামলে গত ১৫ বছরে মহিলাদের ওপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শাহ। তাঁর কথায়, দেশের ২০টি রাজ্যে বিজেপি সরকার রয়েছে, কিন্তু কোথাও কোনও মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের সময় বেঁধে দেননি। শাহ বলেন, ‘‘১৫ বছরে মমতাদিদির জমানায় সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাস হয়েছে মা-বোনেদের উপর। আরজি কর, সন্দেশখালি প্রতি জায়গায় মা-বোনেদের উপর অত্যাচার হয়েছে। কিন্তু দিদি বলেন, মা-বোনেরা সন্ধ্যা ৭টা পর বাড়ি থেকে বেরোবেন না। কিন্তু আমি বলে যাচ্ছি, বিজেপি সরকার এলে মাঝরাতেও মা-বোনেরা বেরোতে পারবেন। দেশের ২০ রাজ্যে বিজেপির সরকার আছে। কোনও মুখ্যমন্ত্রী এ কথা বলেননি মহিলারা ৭টার পর ঘরের বাইরে বেরোবেন না। লজ্জা করুন দিদি, মহিলাদেরর আপনি সুরক্ষা দিতে পারেননি। কিন্তু বিজেপির সরকার এলে কোনও গুন্ডা মা-বোনেদের দিকে চোখ তুলে তাকালে জেলের হাওয়া খাওয়াব।’’

    মতুয়াদের ভয় দেখানো হচ্ছে

    বাংলা থেকে গুন্ডা-রাজ সরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে শাহ বলেন,‘‘প্রতি বার ভোটের সময় দিদির গুন্ডারা ঝামেলা করে। দিদির গুন্ডাদের তাই বলে যাচ্ছি, ২৯ তারিখে ঘরের বাইরে যেন না দেখতে পাই। যদি বার হয়, তা হলে ৫ তারিখের পর উল্টো করে ঝোলাব। দিদি আমার উপর ক্ষেপে যাচ্ছে যে, অমিত ভাই গুন্ডাদের ধমকাচ্ছেন। এখন তো শুধু ধমকাচ্ছি, শুধরে যাও। না হলে জেলে ভরব।’’ মতুয়া সমাজকে নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘দিদি মতুয়াদের ভয় দেখাচ্ছেন, যদি বিজেপি আসে তা হলে আপনাদের ভোট চলে যাবে। কিন্তু দিদি, এই মতুয়া সমাজ আমাদের প্রাণ। ওদের কেউ ছুঁতে পারবে না। মতুয়া সমাজ, নমশূদ্র সমাজের ব্যক্তিদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। সিএএ করতে দিচ্ছে না দিদি। আপনারা বিজেপির সরকার বানিয়ে দিন, ৫ তারিখের পর মতুয়া সমাজের সব ভাই-বোনদের নাগরিকত্ব দেবে বিজেপি। টিএমসি সব সময় এসসি সমাজের অপমান করেছে। আর বিজেপি সম্মান করেছে। এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করেছে। মতুয়া আর শূদ্র সমাজকে বলে দিয়ে যাচ্ছি, বিজেপির প্রাণ বাংলার মতুয়া সমাজ। বাংলায় কারও চারটে বিয়ে করা উচিত? ৫ তারিখের পর আমরা ইউসিসি (অভিন্ন দেওয়াবিধা বিধি) আনব। কেউ চারটে বিয়ে করতে পারবে না।’’

    স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের অঙ্গীকার

    স্থানীয় উন্নয়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘কেন্দ্র সরকার গরিবদের পাকাবাড়ি, পরিশ্রুত পানীয় জল, শিক্ষার জন্য টাকা পাঠিয়েছে। কিন্তু এই কোথায় গেল? এই সব টাকা টিএমসি-র সিন্ডিকেট আর ভাইপো-ট্যাক্সে চলে গিয়েছে। গোটা বাংলায় বেকারত্ব বাড়িয়েছে দিদির সরকার। ৭ হাজার কারখানা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছে। আমরা ২ বছরে সব কারখানা আবার বাংলায় ফিরিয়ে নিয়ে আসব। যুব সম্প্রদায়ের চাকরির রাস্তা খুলবে।’’

  • BJP: বাংলায় কি ঘুরছে হাওয়া! বিজেপির অন্দরমহলে আত্মবিশ্বাসের ঢেউ, সামনে দ্বিতীয় দফা, কী পরিকল্পনা দলের?

    BJP: বাংলায় কি ঘুরছে হাওয়া! বিজেপির অন্দরমহলে আত্মবিশ্বাসের ঢেউ, সামনে দ্বিতীয় দফা, কী পরিকল্পনা দলের?

    সুশান্ত দাস

    প্রথম দফার ভোট মিটতেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শিবিরে যেন এক নতুন আত্মবিশ্বাসের সঞ্চার হয়েছে। ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণের পর দলের অন্দরমহলে আশাবাদের সুর ক্রমশ জোরাল হচ্ছে। এই আবহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বক্তব্য— প্রথম দফাতেই ১১০-র বেশি আসন জয়ের সম্ভাবনা— দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

    শাহের বক্তব্যে স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের ছাপ

    কলকাতায় সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে শাহের বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ। তাঁর মতে, এবারের ভোট শুধু আসনসংখ্যা বাড়ানোর লড়াই নয়, বরং ব্যবধান বাড়ানোর লড়াইও। ভোটের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে জনসমাগম দেখা গিয়েছে, সেটিকেই তিনি বিজেপির পক্ষে জনমতের ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে মধ্যমগ্রামের রোড শো-এর অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা কতটা তীব্র।

    ‘এই লড়াই জেতা সম্ভব’

    বিজেপির অন্দরে এই মুহূর্তে যে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা হল— ‘এই লড়াই জেতা সম্ভব।’ দলের নেতাদের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্যে শাসকবিরোধী মনোভাব বেড়েছে, আর সেই ক্ষোভই এবার ভোটে প্রতিফলিত হচ্ছে। নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার মতো ইস্যুগুলিকে সামনে রেখে বিজেপি নিজেদের বিকল্প শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে।

    “ভয়মুক্ত ভোট”-এর বার্তা

    একই সঙ্গে বিজেপির প্রচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল “ভয়মুক্ত ভোট”-এর বার্তা। অমিত শাহের অভিযোগ, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে বিজেপি সমর্থকরা ভয়ের কারণে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেননি। এবার সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে বলেই দলের বিশ্বাস। এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি একদিকে নিজেদের সমর্থকদের আরও সক্রিয় করতে চাইছে, অন্যদিকে নিরপেক্ষ ভোটারদের মধ্যেও আস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে।

    সংগঠন আরও মজবুত করায় নজর

    দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বিজেপি এখন সংগঠন আরও মজবুত করার দিকে জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় তৃণমূলের শক্তি বেশি বলে ধরা হয়, সেখানেই বাড়তি নজর দিচ্ছে দল। দমদমের জনসভায় শাহের আক্রমণাত্মক ভাষণ সেই প্রস্তুতিরই অংশ। তিনি সরাসরি তৃণমূলকে নিশানা করে অভিযোগ করেন, ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে—আর সেই অভিযোগের জবাব দিতেই বিজেপি নেতৃত্ব আরও কড়া অবস্থান নিচ্ছে।

    ভবিষ্যতের রূপরেখাও স্পষ্ট

    প্রচারের পাশাপাশি ভবিষ্যতের রূপরেখাও স্পষ্ট করতে চাইছে বিজেপি। নারী সুরক্ষায় কড়া পদক্ষেপ, কৃষকদের জন্য গবেষণা কেন্দ্র, এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত— এই প্রতিশ্রুতিগুলিকে সামনে এনে দল বোঝাতে চাইছে, তারা শুধু ক্ষমতায় আসতে চায় না, বরং প্রশাসনিক পরিবর্তন আনতেও প্রস্তুত।

    বিজেপি শিবিরে বার্তা একটাই…

    সব মিলিয়ে, প্রথম দফার ভোটের পর বিজেপির প্রচারে যে আত্মবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে, তা নিছক রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে গিয়ে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক লড়াইও তৈরি করছে। এই আত্মবিশ্বাস কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা অবশ্য নির্ভর করবে পরবর্তী দফার ভোট এবং চূড়ান্ত ফলাফলের উপর। তবে আপাতত বিজেপি শিবিরে বার্তা একটাই— এই লড়াইয়ে তারা পিছিয়ে নেই, বরং এগিয়ে থাকার বিশ্বাস নিয়েই পরবর্তী পর্যায়ে ঝাঁপাচ্ছে।

  • Assembly Election 2026: ‘‘বাংলা থেকে মমতা দিদি ধুয়ে মুছে সাফ হবে’’, হিঙ্গলগঞ্জ থেকে শাহী হুঙ্কার

    Assembly Election 2026: ‘‘বাংলা থেকে মমতা দিদি ধুয়ে মুছে সাফ হবে’’, হিঙ্গলগঞ্জ থেকে শাহী হুঙ্কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে প্রথম দফার ১৫২টির মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে বিজেপি জিততে চলেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলায় সরকার গড়বে বিজেপি। হিঙ্গলগঞ্জের সভায় এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সুন্দরবনের এই সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন শাহ। তিনি বলেন, ‘‘তৃণমূল ও মমতাদির খেলা শেষ হতে চলেছে। কাল ভোট হয়েছে। সেই ১৫২ আসনের মধ্যে ১১০টি জিতবে বিজেপি।’’ তাঁর সাফ কথা, ‘‘এবার মমতা দিদি আর তৃণমূল দুই-ই বাংলা থেকে ধুয়ে-মুছে সাফ হয়ে যাবে।’’

    পশ্চিমবঙ্গে গুন্ডারাজ শেষ হবেই

    হিঙ্গলগঞ্জের সভা থেকে শাহ বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে গুন্ডারাজ শেষ হবেই। আরজি করের নির্যাতিতার মা এবং সন্দেশখালিতে অত্যাচারিত রেখা পাত্রকে আমরা টিকিট দিয়েছি। তাঁদের বিধানসভায় পাঠিয়ে গুন্ডাদের শিক্ষা দেওয়া হবে।’’ গরু পাচার নিয়ে শাহ বলেন, ‘‘ভাইপোর আশীর্বাদে সারা বাংলায় গরু পাচার বেড়ে গিয়েছে। গরু পাচারকারীরা সাবধান হয়ে যান। ৫ তারিখের পর কেউ গরু পাচারের চেষ্টা করলে জেলে ঢোকানো হবে। আর আপনাদের কাটমানির নামে ভাইপো ট্যাক্স দিতে হবে না।’’ নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বেকার যুবকদের শাহ বলেন, ‘‘মমতাদি এবং তৃণমূলের নেতারা ২৬ হাজার যুবকের নিয়োগের জন্য ২০০ কোটি টাকা খেয়েছে, তা সব ফেরত দিতে হবে।’’

    কেন্দ্রের টাকা প্রসঙ্গে শাহ

    শাহ এদিন আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ের ত্রাণ নিয়ে রাজ্য সরকারকে সরাসরি কাঠগড়ায় তোলেন। তিনি অভিযোগ করেন, ‘‘মোদিজি সুন্দরবনের মানুষের জন্য হাজার কোটি টাকা পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু কাটমানি আর তোলাবাজির চক্করে সেই টাকা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছায়নি।’’ সন্দেশখালিতে মহিলাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের প্রসঙ্গ টেনে তিনি হুঁশিয়ারি দেন, ‘‘বিজেপি সরকার গড়লেই সন্দেশখালির প্রতিটি অত্যাচারের ফাইল খোলা হবে এবং দোষীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে।’’ নির্বাচনী হিংসা ও ভোটদানের অধিকার নিয়ে শাহ এদিন আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন। তিনি অভিযোগ করেন, গত ১৫ বছরে সাধারণ মানুষ নির্ভয়ে ভোট দিতে পারত না। তৃণমূলের গুন্ডাবাহিনীকে প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘২৯ তারিখ ভোটের দিন মানুষ বাড়ির বাইরে বেরোলে যারা বাধা দেওয়ার চেষ্টা করবে, ৫ তারিখের পর তাদের উল্টো করে ঝুলিয়ে দেওয়া হবে।’’ সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় আবেগকে উস্কে দিয়ে তিনি স্পষ্ট জানান, ‘‘বাংলার পবিত্র মাটিতে কোনোভাবেই বাবরি মসজিদ হতে দেব না।’’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, এবার বাংলায় বিজেপি ইতিহাস গড়তে চলেছে এবং ১৫ বছরের ‘কুশাসনের’ অবসান ঘটিয়ে সোনার বাংলা গড়ার পথে মানুষ ইতিমধ্যেই পা বাড়িয়েছেন। শুক্রবারও পশ্চিমবঙ্গে জোড়া জনসভা রয়েছে শাহর। বসিরহাটের হিঙ্গলগঞ্জ থেকে তিনি চলে যাবেন শ্রীরামপুরে। সেখানে জনসভা করবেন শাহ। তার পরে ব্যারাকপুরে রোড শো করবেন তিনি।

  • Amit Shah: ‘‘বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী’’, শুক্র-সকালে ঘোষণা শাহ-র

    Amit Shah: ‘‘বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী’’, শুক্র-সকালে ঘোষণা শাহ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার প্রথম দফার ভোটগ্রহণ হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের ১৫২টি কেন্দ্রে। তার পরের দিন সকালেই নিউ টাউনের হোটেল থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে প্রথম দফার ‘রিপোর্ট-কার্ড’ প্রকাশ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি জানিয়ে দিলেন ১৫২টির মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে বিজেপি জিততে চলেছে। একইসঙ্গে, তাঁর ঘোষণা, পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী বাংলায় জন্ম নেওয়া, একজন বাঙালিই হবেন।

    ‘‘৫ তারিখের পর অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে’’

    সাংবাদিক সম্মেলনে শাহ বলেন, ‘‘প্রথম দফায় ভোট দিয়েছেন যাঁরা, তাঁদের অনেক অভিনন্দন এবং ধন্যবাদ। ভয় থেকে ভরসার দিকে যাত্রা খুব ভাল ভাবে আপনারা শুরু করেছেন। দ্বিতীয় দফার ভোটারেরা এই যাত্রা এগিয়ে নিয়ে যাবেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান, নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য পুলিশকে অভিনন্দন। কারণ, বহু যুগ পরে পশ্চিমবঙ্গের ভোটে কোনও মৃত্যু হয়নি।’’ তিনি বলেন, ‘‘৫ তারিখের পর অঙ্গ-বঙ্গ-কলিঙ্গে বিজেপির শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে। পশ্চিমে বিকাশ হয়েছে। পূর্ব দিক এখনও পিছিয়ে আছে। বিজেপি আসার পর সেখানেও বিকাশের গতি বাড়বে।’’ তিনি বললেন, ‘‘১৫২টির মধ্যে ১১০টির বেশি আসনে বিজেপি জিততে চলেছে। সারা রাত ধরে আমরা বিশ্লেষণ করেছি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আমরা সরকার গড়ব। সারা রাত ধরে বিশ্লেষণ করেছি।’’

    ‘‘রাত ১টাতেও নির্ভয়ে মেয়েরা স্কুটিতে বেরোতে পারবেন’’

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার দুরবস্থা ও নারী নিরাপত্তার অবনতি নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একহাত নেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ বলেন, ‘‘প্রথম দফাতেই বাংলার মানুষ ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করে ফেলেছেন। এই মাটি বিকাশকে বেছে নিয়েছেন। মোদির নেতৃত্বে সারা দেশে বিকাশের যাত্রা চলছে। বাংলাও তাতে শামিল হতে চলেছে।’’ তিনি বলেন, ‘‘যে মহিলা মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সন্ধ্যা ৭টার পর মেয়েরা কেন বাইরে বেরোচ্ছেন? তাঁর শাসন করার অধিকার নেই। বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাত ১টাতেও নির্ভয়ে মেয়েরা স্কুটিতে বেরোতে পারবেন। কোনও গুণ্ডা আসবে না। মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধিতা করার জবাবও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়ে যাবেন।’’

    ‘‘বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন’’

    বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছেন বলে ঘোষণা করে দিলেন অমিত শাহ। বললেন, ‘‘আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলতে চাই, ৫ তারিখের পর বাংলা মাধ্যমে পড়া, বাংলায় জন্ম নেওয়া, বাঙালিই পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী হবেন।’’ তিনি বলেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে তৃণমূল। বিজেপি ক্ষমতায় এলে তা বদলে যাবে। আর কোনও কাজের জন্য কাটমানি দিতে হবে না।’’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘আমরা আপনাদের কাছে পরিবর্তন চেয়েছি। পরিবর্তন মানে বিধায়ক বা দল বদলে দেওয়া হয়। পরিবর্তনের অর্থ দুর্নীতি দূর করা, সিন্ডিকেট রাজ সমাপ্ত করা, প্রশাসনের উপর থেকে রাজনৈতিক চাপ তুলে দেওয়া। পুরনো নির্বাচন ভুলে যান। শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করছে কমিশন।’’

    ‘‘ঝালমুড়ি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও খান, মোদিজি খেলে আপত্তি কিসের?’’

    অমিত শাহ বলেন, ‘‘দ্বিতীয় দফার আসনগুলি আলাদা করে নয়, পুরো পশ্চিমবঙ্গই আমাদের জন্য কঠিন ছিল। আপাতত ৭৭টি আসনে আমরা বসে আছি। সরকার বিজেপি বানায় না। সরকার বানায় জনগণ। আমি সুনামি দেখতে পাচ্ছি।’’ শাহ বলেন, ‘‘কেউ গঙ্গায় নৌকাভ্রমণ করলে কেন আপত্তি? ঝালমুড়ি তো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও খান। মোদিজি খেলে আপত্তি কিসের?’’ শাহ আরও বলেন, ‘‘এখানে প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা চূড়ান্ত পর্যায়ে। আগেও ছিল। কিন্তু ভয় দেখিয়ে ভোট দিতে দেওয়া হচ্ছিল না। এ বার পুলিশ, প্রশাসন, কেন্দ্রীয় বাহিনী সুরক্ষার ভাল বন্দোবস্ত করেছে। ভয়মুক্ত পরিবেশ রয়েছে। তাই আমাদের বিশ্বাস, পরিণাম আমাদের পক্ষে আসবে।’’

    ‘‘আমার জীবনের খুব বড় একটা অভিজ্ঞতা’’

    মধ্যমগ্রামের রোড-শোর কথা উঠে আসে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গলায়। অমিত শাহ বলেন, ‘‘মধ্যমগ্রামের রোড শো-তে যা ভিড় হয়েছিল, আমার কল্পনার বাইরে। এত ধাক্কাধাক্কির মধ্যে এক বয়স্ক মহিলা তার মধ্যেও দাঁড়িয়েছিলেন। এটা আমার জীবনের খুব বড় একটা অভিজ্ঞতা। আমি গাড়ি থেকে নেমে তাঁর কাছে গিয়েছি। ব্যক্তিগত জীবনেও এটা অনেক বড় শক্তি জোগায়। বিরোধীদের গালিগালাজ আর গায়ে লাগে না।’’ প্রথম দফার ভোটে কোনও কোনও বুথে ইভিএম বদলে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শাহ জানান, এ বিষয়ে বিজেপির প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে কথা বলেছে এবং আশঙ্কার কথা জানিয়েছে। তাঁরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করবেন।

    ‘‘নতুন যুগের সূচনার স্পষ্ট পূর্বাভাস’’

    এর আগে, অমিত শাহ ইতিমধ্যেই শুক্রবার সকালে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন। বাংলায় সকল ভোটারকে অভিনন্দন জানিয়েছেন তিনি। লিখেছেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে প্রথম দফায় ঐতিহাসিক ভোটগ্রহণের মাধ্যমে গণতন্ত্রের মহোৎসবে অংশগ্রহণের সকল রেকর্ড ভেঙে দেওয়ার জন্য রাজ্যের সম্মানিত ভোটারবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। বাংলার ইতিহাসে অন্যতম শান্তিপূর্ণ ও সুরক্ষিত ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচন কমিশন, সকল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান এবং আমাদের পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করছি। এটি বাংলায় সুশাসনের এক নতুন যুগের সূচনার স্পষ্ট পূর্বাভাস।’’

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

  • Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রচার চলাকালীন কলকাতার বর্তমান অবস্থা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মহানগররের পরিকাঠামোগত অবনতি এবং বস্তি এলাকার সমস্যা তুলে ধরে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে দিলেন বিজেপি সরকার হলেই ১ লক্ষ বেকারের চাকরি নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি।

    গত ১৫ বছরে তৃণমূলের মা মাটি সরকার নারী সুরক্ষা থেকে শিক্ষক দুর্নীতির একাধিক ইস্যুতে জনগণের চরম বিক্ষোভের মধ্যে পড়েছে। নির্বাচন আবহে বিজেপির মমতা সরকারের একাধিক অনুন্নয়ন, দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, বালি-কয়লা-মাটি-পাথর পাচার, রেশন দুর্নীতি, মিডডে মিল দুর্নীতি, আম্ফানে দুর্নীতি, আবাস-একাশদিনের কাজে দুর্নীতি-সহ একাধিক ঘটনা ব্যাপক ভাবে শাসকদলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। একই ভাবে ২৬ হাজার শিক্ষকদের চাকরি বাতিল, কাটমানি, সিন্ডিকেট, আরজিকর ধর্ষণকাণ্ড, সন্দেশখালিতে শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিষয় জনমানুষের মনে ক্ষোভ চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। তাই রাজনৈতিক ভাবে এই সব বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ।

    পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন কলকাতা (Amit Shah)

    জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) মন্তব্য করেন যে, এক সময়ের ‘প্রাসাদ নগরী’ বা ‘সিটি অফ প্যালেসেস’ হিসেবে পরিচিত কলকাতা বর্তমান শাসনামলে অবহেলার শিকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তোপ দেগে বলেন, “সঠিক পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন হয়ে পড়ছে, দীর্ঘ বাম শাসন এবং বর্তমানে তৃণমূলের রাজত্বে কলকাতা ‘বস্তির শহর’-এ পরিণত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে এই বস্তিগুলিতেই অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছেন।”

    হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, গত দেড় দশকে কলকাতায় নতুন কোনও উল্লেখযোগ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। বরং ক্রমবর্ধমান বস্তি এলাকা এবং নাগরিক পরিষেবার অভাব শহরবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। নাগরিক জীবন যাপনের বেহাল দশা নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এই ভোট শুধু বিধায়ক বানানোর ভোট নয়, এটি কলকাতার হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই। বিজেপি প্রার্থীদের জেতাতে বা বিজেপি সরকার গড়তে আপনাদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনারা ভোট দিন (West Bengal Elections 2026) পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য। ভোট দিন কলকাতাকে আবার শ্রেষ্ঠ শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।”

    তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক

    নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আবহে কলকাতার এই পরিস্থিতিকে তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক হিসেবে তুলে ধরেন  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বস্তিগুলিতে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দিয়ে নিজের ভোটব্যাঙ্ক তৈরি করতে চান। তিনি চান না সাধারণ মানুষ উন্নত জীবনযাপন করুক। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো সঠিক ভাবে রূপায়ণ না হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে আর তাঁর আগে কমিউনিস্টদের আমলে গোটা শহরটা বস্তির শহর হয়ে রয়ে গিয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যে এমন অনেক শহর আছে যেগুলি আজ বস্তিমুক্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু দিদি তার প্রয়োজন মনে করেন না।”

    চারটে বড় শিল্পশহর বানাব

    এদিনের সভায় অমিত শাহ (Amit Shah) রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের ডাক দিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতির কথাও বলেছেন। ভোটাররা যাতে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের ভোট গ্রহণ করতে পারেন তাই মানুষের আত্ম বিশ্বাস অর্জনে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পরে চারটে বড় শিল্পশহর বানাবো। যে সব প্রতিষ্ঠান মমতার সিন্ডিকেটের জন্য বাইরে চলে গিয়েছে, সেই সব প্রতিষ্ঠানকে আবার পশ্চিমবঙ্গে চালু করবে বিজেপি সরকার।”

    ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে

    তিনি নির্বাচনী প্রচারে (West Bengal Elections 2026) আরও বলেন, “তরুণদের প্রতি বছর ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে। বাড়ি বসে নিয়োগপত্র পাবেন, এমন ভাবে কাজ করবে বিজেপি।বিজেপি যেখানে যেখানে ক্ষমতায় এসেছে মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। আপনারা বিজেপির সরকার গড়ে দিন, প্রত্যেক দিদির অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পাঠাবো আমরা। ৪ মে সকালেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। ৮টায় ব্যালট বক্স খোলা হবে, ৯টায় প্রথম রাউন্ডের ফল আসবে, ১০টায় দ্বিতীয় রাউন্ড এবং ১টার মধ্যেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারপরই হবে-দিদি টাটা, গুড বাই!”

    বিজেপির প্রতিশ্রুতি

    অমিত শাহ (Amit Shah) প্রতিশ্রুতি দেন যে, রাজ্যে ক্ষমতার (West Bengal Elections 2026) পরিবর্তন হলে কলকাতাকে পুনরায় আধুনিক ও বিশ্বমানের মেগাসিটিতে রূপান্তর করা হবে। নির্বাচনের তপ্ত আবহে কলকাতার নগরায়ন এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধাকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন অমিত শাহ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে শহরের মান অবনমন এবং বেকারত্ব প্রসঙ্গে সাধারণ জনতার মন জয় করেছেন বলে মনে করছেন রাজনীতির এক শ্রেণির বিশেষজ্ঞরা। এখন ভোটের বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয় তাই দেখার।

  • Amit Shah in Kurseong: গোর্খা সমস্যা সমাধান, চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, কার্শিয়াং-এর সভা থেকে উত্তরবঙ্গবাসীকে একগুচ্ছ আশ্বাস শাহের

    Amit Shah in Kurseong: গোর্খা সমস্যা সমাধান, চা-শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি, কার্শিয়াং-এর সভা থেকে উত্তরবঙ্গবাসীকে একগুচ্ছ আশ্বাস শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফা নির্বাচনের আগে মঙ্গলবার শেষলগ্নের ভোটপ্রচারে কার্শিয়াং থেকে রাজ্য সরকারকে কড়া আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Kurseong)। দুর্নীতি থেকে শুরু করে রাজ্যে মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূল সরকারকে তোপ দাগেন শাহ। পাশাপাশি পাহাড়ের মাটিতে দাঁড়িয়ে ৬ মাসের মধ্যে গোর্খা সমস্যার সমাধান, জিটিএ-র দুর্নীতি দূর-সহ গোর্খাদেরও একাধিক আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহ এটাও জানান যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার কারণে তিনি গোর্খা সমস্যার সমাধানের জন্য অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু রাজ্য সরকারের সদিচ্ছার অভাবে তা বাস্তবায়িত হয়নি।

    গোর্খা সমস্যা সমাধানের আশ্বাস

    বিজেপি ছাড়া আর কেউ গোর্খা সমস্যার সমাধান করতে পারবে না বলে জানান শাহ। তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বুঝি। আপনাদের সমস্যাও বুঝি। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পরই, ৬ মে প্রত্যেক গোর্খার মু‌খে সন্তুষ্টির হাসি থাকবে। আমরা এমন সমাধান বের করব। কংগ্রেস, তৃণমূল এরা সকলে দার্জিলিঙের সঙ্গে, আমার দেশভক্ত গোর্খা ভাইয়ের সঙ্গে অন্যায় করেছে। আমি ৯ বছর ধরে এখানে আসছি। আমি আপনাদের কথা দিয়ে যাচ্ছি, বিজেপির সরকার গঠিত হলেই এত দিন ধরে ঝুলে থাকা গোর্খা সমস্যার সমাধান করে যাব। গোর্খাদের মতো করেই সমাধান করব। ৪ মে ফলঘোষণা হবে। ৫ মে সরকার গঠন হবে। ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে সকল গোর্খা ভাইয়ের উপর থেকে সব মামলা প্রত্যাহার করে নেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। সকলের উপর মামলা করে গোর্খা আন্দোলনকে দমিয়ে রাখা হয়েছে। এই সব মামলা বিজেপির সরকার প্রত্যাহার করবে।”

    মমতাদিদিকে টাটা বাই বাই

    উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে শাহ বলেন, “আপনারা এক বার বিজেপির সরকার গঠন করে দিন। তিনটি নির্বাচন ধরে দার্জিলিং তো পদ্মফুলে ভোট দিচ্ছেই। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের বাকি অংশ থেকে তেমন সমর্থন আসত না। এবার আমি পশ্চিমবঙ্গ ঘুরতে ঘুরতে আজ শেষ দিনে পাহাড়ে এসেছি। আমি আপনাদের বলছি, এবার পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠিত হচ্ছে। আমাদের উপর অত্যাচার করা মমতাদিদিকে টাটা বাই বাই করার সময় হয়ে গিয়েছে।”

    জিটিএ দুর্নীতি ও গোর্খা সেন্টিমেন্ট

    জিটিএ-র দুর্নীতি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়ে শাহ বলেন,“জিটিএ-তে চলা সমস্ত দুর্নীতির তদন্ত হবে। সুভাষ ঘিসিঙের সঙ্গে কংগ্রেস, তৃণমূল এবং কমিউনিস্টরা অন্যায় করেছে। একমাত্র বিজেপিই গোর্খাদের সমস্যার প্রকৃত সমাধান করতে পারে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে গোর্খা ভাইদের বিরুদ্ধে থাকা সমস্ত রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করা হবে।” শাহ বলেন, “গোর্খাদের একটি মহান ইতিহাস রয়েছে। মমতা দিদি গোর্খাদের ইতিহাসকে ছিন্নবিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করেছেন। আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হওয়ার পর গোর্খা সমস্যার সমাধানের জন্য ছ’বছরে তিন বার বৈঠক ডেকেছি। একবারও মমতার প্রতিনিধি আসেননি। মমতাদিদি, আমরা গোর্খাদের সমস্যার সমাধানের জন্য আপনার উপর নির্ভরশীল নই। এখন গোর্খাদের উপর অন্যায় বন্ধ করার সময় শুরু হচ্ছে।” বন্ধ চা বাগান নিয়েও আশ্বাস দেন তিনি।

    এসআইআর-এ নাম বাদ পড়া গোর্খাদের বার্তা

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মমতাদিদির কালেক্টর কয়েক জন গোর্খারও নাম কেটেছে। কোনও ব্যাপার না, আসন আমরাই পাব। ভোট শেষ হওয়ার পর বেছে বেছে প্রত্যেক গোর্খাকে আবার ভোটার তালিকায় জুড়বে বিজেপি।” অনুপ্রবেশ নিয়ে তাঁর গর্জন, “উত্তরবঙ্গ থেকে খুঁজে খুঁজে অনুপ্রবেশকারীদের বের করব। আপনারাই বলুন, বাংলাদেশিদের তাড়ানো উচিত কি উচিত নয়? রোহিঙ্গাদের তাড়ানো উচিত কি উচিত নয়? অনুপ্রবেশকারীদের তাড়ানো উচিত কি উচিত নয়?”

    মা-বোনেদের সুরক্ষিত করার ভোট

    নারী সুরক্ষা ইস্যুতে তৃণমূলকে বিঁধে শাহ বলেন, “এটা আমাদের দুই প্রার্থীকে বিধায়ক করার ভোট নয়। এটা দার্জিলিঙের পাহাড় থেকে গঙ্গাসাগর পর্যন্ত আমাদের মা-বোনেদের সুরক্ষিত করার ভোট। মমতার রাজত্বে অনেক মা-বোনের উপর অত্যাচার হয়েছে। সন্দেশখালির ঘটনা গোটা পশ্চিমবঙ্গকে লজ্জিত করেছে। মাটিগাড়ার নির্দোষ বালিকাকে অত্যাচার, বাগডোগরার কাছে চা বাগানে আদিবাসী মহিলার সঙ্গে অত্যাচার, দুর্গাপুর মেডিক্যাল কলেজ, সাউথ ক্যালকাটা ’ল কলেজ, আরজি করের ধর্ষণ— প্রত্যেক ধর্ষককে বেছে বেছে জেলে ঢোকাবে বিজেপি।”

    প্রসঙ্গ উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন

    এদিনের সভা থেকে উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য একগুচ্ছ ‘মেগা’ প্রকল্পের প্রতিশ্রুতি দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “উত্তরবঙ্গের জন্য মমতা সরকারের বাজেট ২,০০০ কোটি। আর মুসলিম সম্প্রদায় এবং মাদ্রাসার জন্য মমতা সরকারের বাজেট ৫,৮০০ কোটি টাকা। পুরো পাহাড়, সকল গোর্খা-আদিবাসী, গোটা উত্তরবঙ্গের জন্য ২,০০০ কোটি টাকা। আর মুসলিমদের জন্য ৫,৮০০ কোটি টাকা। ভাই-বোনেরা এই অন্যায় আর বেশিদিন চলবে না।” শাহ বলেন, “৯টির মধ্যে তিনটি বন্দেভারত ট্রেন আমরা উত্তরবঙ্গ দিয়ে চালিয়েছি। ১২,০০০ কোটি টাকার সেবক-রংপো রেললাইন প্রকল্প প্রায় শেষের মুখে। নিউ জলপাইগুড়ি রেলস্টেশনেরও বিকাশ হচ্ছে। গোর্খা ভাইদের শিলিগুড়ি থেকে বারাণসী পর্যন্ত বুলেট ট্রেনে করে কাশী-বিশ্বনাথে পৌঁছোনোর ব্যবস্থাও করছি।”

    দার্জিলিঙের জন্য বিকল্প মহাসড়ক

    শাহ বলেন, “দার্জিলিঙের জন্য একটি বিকল্প মহাসড়ক তৈরির কাজও করছে মোদি সরকার। বাগডোগরা বিমানবন্দর ৩০০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নতুন করে বানানো হচ্ছে। ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাগডোগরা ভারতের সপ্তম বৃহত্তম বিমানবন্দর হয়ে যাবে। সেই মতো কাজ চালাচ্ছি আমরা। দার্জিলিংকে আমরা ভারতের ইকো অ্যাডভেঞ্চার এবং হেরিটেজ টুরিজিমের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলব। ”

    চা বাগানের শ্রমিকদের আশ্বাস

    উত্তরবঙ্গবাসীর উদ্দেশে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি সরকার গঠিত হলে উত্তরবঙ্গে একটি পৃথক এমস তৈরি হবে। ৫০০ শয্যার ক্যানসার হাসপাতাল তৈরি করব উত্তরবঙ্গে। আইআইটি, আইআইএম তৈরি করব উত্তরবঙ্গে। গোর্খা তরুণদের জন্য ক্রীড়া বিশ্ববিদ্যালয়ও তৈরি করব উত্তরবঙ্গে। একটি আদিবাসী বিশ্ববিদ্যালয়ও তৈরি হবে। উত্তরবঙ্গে চারটি নতুন শিল্পশহর তৈরি করব আমরা। চা বাগানে স্কুল তৈরি করব। চা বাগানের শ্রমিকদের নিজেদের জমির মালিক করা হবে, জমির পাট্টা দেওয়া হবে। দু’বছরের মধ্যে চা বাগানের শ্রমিকদের মজুরি (দৈনিক) ৫০০ টাকার চেয়ে বেশি করে দেব।” শাহ বলেন, “মমতা দিদি গুজব ছড়াচ্ছেন। এখন যে জনকল্যাণমূলক প্রকল্প চালু রয়েছে, সেগুলো নাকি বিজেপি বন্ধ করে দেবে। আমি কথা দিয়ে যাচ্ছি, জনকল্যাণমূলক একটি প্রকল্পও বন্ধ হবে না।” তাঁর দাবি, বর্তমান জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির সঙ্গে নতুন প্রকল্পও চালু হবে।

  • Delimitation Bill: লোকসভায়  মহিলা সংরক্ষণ ও আসনবৃদ্ধি বিল পাশ না হলেও, জয় বিজেপিরই, জানেন কেন? কীভাবে?

    Delimitation Bill: লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ ও আসনবৃদ্ধি বিল পাশ না হলেও, জয় বিজেপিরই, জানেন কেন? কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রবল বিতর্কের পর লোকসভায় ভোটাভুটিতে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেল না মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভায় আসনবৃদ্ধি (Delimitation Bill) সংক্রান্ত ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল। দু’দিনের বিতর্ক-পর্ব শেষে শুক্রবার বিকেলে বিল নিয়ে ভোটাভুটি হয়। বিলের পক্ষে পড়ে ২৯৮ টি ভোট। বিপক্ষে ২৩০টি। মোট ৫২৮ জন সাংসদ ভোটাভুটিতে অংশ নেন। সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত বিল পাশের জন্য দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন ছিল। লোকসভায় মহিলা সংরক্ষণ সংক্রান্ত সংবিধান সংশোধনী বিল ( Women’s Reservation) পাস না হওয়ার পর রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হয়েছে। বিরোধী দলগুলির বিরোধিতায় বিলটি খারিজ হলেও, এই ইস্যুকে সামনে রেখেই নির্বাচনী রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে চাইছে বিজেপি।

    মহিলাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চলবে

    বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হওয়া সংসদের তিন দিনের বিশেষ অধিবেশনে তিনটি বিল পাশ করাতে সক্রিয় ছিল কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়ালের পেশ করা তিনটি বিলের প্রথমটি— লোকসভা এবং বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভায় মহিলাদের জন্য এক-তৃতীয়াংশ আসন সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে ১৩১তম সংবিধান সংশোধনী বিল ( পোশাকি নাম, ‘নারী শক্তি বন্দন অধিনিয়ম’, লোকসভার সাংসদ সংখ্যা বাড়িয়ে ৮৫০ করার বিষয়টি এরই অন্তর্গত), দ্বিতীয়টি— লোকসভার আসন পুনর্বিন্যাস (ডিলিমিটেশন) সংক্রান্ত বিল। তৃতীয়টি— কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল আইন সংশোধনী বিল (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে আসনবৃদ্ধির উদ্দেশ্যে। বিজেপির দাবি, বিরোধীরা মহিলাদের “ন্যায্য অধিকার” থেকে বঞ্চিত করেছে। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই এই বার্তা জনতার কাছে পৌঁছে দিতে শুরু করেছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু অভিযোগ করেছেন, বিরোধীরা একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তকে “হাইজ্যাক” করেছে এবং সরকার মহিলাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাবে।

    সুষ্ঠু প্রতিনিধিত্বের স্বার্থেই আসন বাড়ানো জরুরি

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) লোকসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিরোধীদের তীব্র আক্রমণ করেন। তিনি বলেন, ভোট চাইতে গেলে বিরোধীদের “মহিলাদের ক্ষোভের মুখে পড়তে হবে”। ২০২৯ সালের মধ্যে মহিলা সংরক্ষণ বিল কার্যকর করতে গেলে ডিলিমিটেশন বা লোকসভা কেনদ্রগুলির সীমানা পুনর্বিন্যাস অনিবার্য। আর এই আসন বৃদ্ধিতে কোনও বিশেষ অঞ্চলের প্রতিনিধিত্ব কমবে না। সংসদে মহিলা সংরক্ষণ বিল এবং লোকসভার আসন সংখ্যা বৃদ্ধির প্রস্তাব (Delimitation Bill)  নিয়ে চলমান উত্তপ্ত বিতর্কের মধ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় এমনই দাবি করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এ দিন লোকসভায় অমিত শাহ জানান, ৫০ বছর ধরে ডিলিমিটেশন না হওয়ায়, বর্তমানে এমনও কিছু লোকসভা কেন্দ্র আছে যেখানে সাসংদকে ৪৯ লক্ষ মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে হয়। তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘কী ভাবে একজন সাংসদ কোনও নির্বাচনী এলাকায় প্রায় ৪৯ লক্ষ ভোটারের প্রতিনিধিত্ব করতে পারেন? তিনি সকলকে মুখও দেখাতে পারেন না।’ শাহ দাবি করেন যে সুষ্ঠু প্রতিনিধিত্বের স্বার্থেই লোকসভার আসন সংখ্যা বাড়ানো জরুরি।

    কেন ২০২৬-এর পরে ডিলিমিটেশন?

    মহিলা সংরক্ষণ ( Women’s Reservation) বিলের সময়সীমা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। কেন এখন এই পদক্ষেপ করা হচ্ছে এই প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা? এই প্রশ্নের জবাবে শাহ মনে করিয়ে দেন, ১৯৭১ সাল থেকে ২০২৬ পর্যন্ত ডিলিমিটেশন স্থগিত রাখা হয়েছিল। তিনি জানান, ২০২৩ সালের আইনেই পরিষ্কার বলা হয়েছিল, ২০২৬ সালের পরবর্তী জনগণনার পরেই এটি কার্যকর হবে। ২০২৯ সালের মধ্যে মহিলাদের ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে গেলে ডিলিমিটেশনের কোনও বিকল্প নেই বলে জানান তিনি। বিরোধীদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের উপর ভরসা রাখুন। বিল পাশ করতে দিন।’’

    উত্তর-দক্ষিণ বিভাজনের অভিযোগ খারিজ

    দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলি থেকে লোকসভা আসন কমে যাবে বলে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তাকে ‘অপপ্রচার’ বলে উড়িয়ে দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, বর্তমানে সংসদে দক্ষিণ ভারতের প্রতিনিধিত্ব ২৩.৭৬%। ডিলিমিটেশনের পরে এই প্রতিনিধিত্ব থেকে বেড়ে ২৩.৮৭% হবে। অমিত শাহ দাবি করেন, বিরোধীরা উত্তর ও দক্ষিণ ভারতের মধ্যে বিভাজন করার চেষ্টা করছে। তিনি দাবি করেন, সরকার এটা কোনও ভাবেই হতে দেবে না। এমনকি বিরোধী দলগুলো যদি আসন সংখ্যা ৫০ শতাংশ বাড়ানোর ধারায় রাজি হয়, তবে সরকার সেই সংশোধনী আনতেও প্রস্তুত।

    নির্বাচনী প্রচারে বড় হাতিয়ার

    আগেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) তাঁর ভাষণে স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন যে, তাঁর সরকার নারীদের অধিকার নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, অথচ বিরোধীরা সেই পথে বাধা সৃষ্টি করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদে বিল পাস না হলেও বিজেপি এই ইস্যুকে নির্বাচনী প্রচারে বড় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। ইতিমধ্যেই ‘লাড়লি বহেনা’, ‘লাড়কি বহিন’, ‘দীনদয়াল লাডো লক্ষ্মী’—এর মতো নারী-কেন্দ্রিক প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন রাজ্যে সাফল্য পেয়েছে গেরুয়া শিবির। বিল খারিজ হওয়া সত্ত্বেও নারী সংরক্ষণ ইস্যু এখন রাজনৈতিক ময়দানে বড় অস্ত্র হয়ে উঠবে বিজেপির কাছে।

  • Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    Religion Based Reservation: “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ সংবিধান-বিরোধী”, ফের মনে করিয়ে দিলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিলিমিটেশন, জনগণনা এবং মহিলাদের জন্য সংরক্ষণ নিয়ে আলোচনা করতে বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে তিনদিনের বিশেষ অধিবেশন (Religion Based Reservation)। তর্ক-বিতর্কের জেরে এদিন কার্যত উত্তাল হয়ে ওঠে সংসদ। কারণ লোকসভায় বিরোধী দল ডিলিমিটেশন বিলের তীব্র বিরোধিতা করে। তারা বিলটিকে ‘সংবিধানবিরোধী’ আখ্যা দেয়, যদিও (Amit Shah) তারা মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করে।

    তিন বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাজবাদী পার্টির (Religion Based Reservation) 

    এদিন, সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সমাজবাদী পার্টির সাংসদ ধর্মেন্দ্র যাদব জানান, তাঁর দল এই তিনটি বিলের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করছে। কারণ ডিলিমিটেশনকে জনগণনা থেকে আলাদা করা হচ্ছে। আজমগড় কেন্দ্রের সাংসদ যাদব বলেন, “অনগ্রসর শ্রেণি এবং মুসলিম মহিলাদেরও মহিলা সংরক্ষণ আইনের আওতায় আনা উচিত।” তাঁকে সমর্থন করে সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব বলেন, “আমি বিধানসভায় মহিলাদের সংরক্ষণকে সমর্থন করি।” তাঁর প্রশ্ন, কেন জনগণনা করা হচ্ছে না? এর জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, “২০২৭ সালের জনগণনার কাজ চলছে এবং সরকার জাতিগত গণনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।” তিনি এও বলেন, “ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণ ‘সংবিধান-বিরোধী’।” শাহ বলেন, “পুরো দেশ সংসদের কার্যাবলী দেখছে। অখিলেশ যাদব জিজ্ঞাসা করেছেন কেন আমরা জনগণনা করছি না। আমি পুরো দেশকে আশ্বস্ত করতে চাই এই বলে যে জনগণনা করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। জাতিগত জনগণনার বিষয়ে সরকার ইতিমধ্যেই (Amit Shah) কাজ করছে… আমি নিশ্চিত করতে চাই যে এটি একটি জাতিগত জনগণনা হবে।”

    মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ধর্মেন্দ্র যাদব যা বলেছেন, তা সংবিধান-বিরোধী। আমাদের সংবিধান কখনও ধর্মের ভিত্তিতে সংরক্ষণের অনুমতি দেয় না। মুসলিমদের ধর্মের ভিত্তিতে কোনও সংরক্ষণও সংবিধান-বিরোধী… সমাজবাদী পার্টি চাইলে তাদের সব টিকিট মুসলিমদের দিতে পারে (Religion Based Reservation)।” এই বিতর্ক চলাকালীনই অখিলেশ যাদব জানান, শাহের মন্তব্য গণতন্ত্র-বিরোধী। তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যা বলেছেন, তা অগণতান্ত্রিক। তাহলে কি আমাদের জনসংখ্যার অর্ধেক মুসলিম মহিলা অন্তর্ভুক্ত নন?” এই সময় লোকসভার স্পিকার বলেন, “উভয় সদস্যকেই তাঁদের মতামত প্রকাশের জন্য সময় দেওয়া হবে (Amit Shah)।” সংসদের বিশেষ অধিবেশনে শাহ এবং কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল মহিলাদের সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং ডিলিমিটেশন কমিশন গঠনের জন্য তিনটি বিল পেশ করেন। বিরোধীরা এর প্রতিবাদ করেন। যদিও বিরোধীদের সাফ কথা, তাঁরা মহিলাদের সংরক্ষণের বিরোধী নন। তবে তাঁরা সংবিধান সংশোধনী বিলে ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত বিধানের বিরোধী (Religion Based Reservation)।

     

LinkedIn
Share