Tag: Amit Shah

Amit Shah

  • India Beats Pakistan: ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক’! ফের পাকিস্তানকে হারাল ভারত, হরমনপ্রীতদের জয়ে শাহের টুইট

    India Beats Pakistan: ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক’! ফের পাকিস্তানকে হারাল ভারত, হরমনপ্রীতদের জয়ে শাহের টুইট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুবাই থেকে কলম্বো ফলাফল একই রইল। সূর্যকুমারদের জায়গায় এখানে হরমনপ্রীতরা। বিশ্বকাপের মঞ্চে তাঁরা নেমেছিলেন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। কিন্তু বাইশ গজে ওয়াঘার দু’পারের দুই দেশের দ্বন্দ্ব ফের জিতল ভারত (India Beats Pakistan)। পাকিস্তানের অনেক সমর্থক এশিয়া কাপ ফাইনালের পর আশা রেখেছিলেন যে মহিলা দল বদলা নেবে। তাতেও জল ঢেলে দিলেন হরমনপ্রীত কৌররা। ভারত ৪ এবং পাকিস্তান ০। এই হল দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী দেশের গত এক মাসের হিসেব। এই জয়ের পরই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক!’ যা দেখে অনেকেই ‘সার্জিকাল স্ট্রাইকে’র আভাস পাচ্ছেন।

    চার রবিবারে চারবার

    কলম্বোয় পাকিস্তানকে হারিয়ে বিশ্বকাপে প্রথম দুটি ম্যাচে জয় তুলে নিল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। এদিন ৮৮ রানে ফাতিমা সানার দলকে হারিয়ে দেয় টিম ইন্ডিয়া। প্রথমে ব্যাট করে ভারত তুলেছিল ২৪৭। ভারতের দুর্দান্ত বোলিংয়ে পাকিস্তানের সিদ্রা আমিন ছাড়া কেউই রান পাননি। রবিবার ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল দেওয়াল লিখন। সম্প্রচারকারী চ্যানেলে সূর্যকুমার যাদব বলছিলেন, মহিলাদের এক দিনের ক্রিকেটে ১১-০ ব্যবধানে এগিয়ে ভারত। কোথায় প্রতিদ্বন্দ্বিতা? কোনও লড়াই নেই। একদম একপেশে। বাস্তবেও সেটাই দেখা গেল। কোথায় লড়াই? ভারতের একপেশে দাপটে ৮৮ রানে হারল পাকিস্তান। একাই লড়লেন সিদ্রা। কাউকে সঙ্গে পেলেন না তিনি। ১১-০ হল ১২-০। এশিয়া কাপে তিন বার পাকিস্তানকে হারিয়েছিল ভারত। মহিলাদের বিশ্বকাপেও সেই ধারা দেখা গেল। চার রবিবার চার বার পাকিস্তানকে হারাল ভারত।

    ভারতের জয়ে শাহী বার্তা

    ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানে এখন শুধু আর মাঠের মধ্যে খেলা নয়, মাঠের বাইরেও চলে লড়াই। দু’দেশ ক্রিকেট মাঠে নামলে অবধারিত ভাবে আলোচনায় উঠে আসে ‘অপারেশন সিঁদুর’, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক, যুদ্ধবিমান ধ্বংস। রবিবার মহিলাদের এক দিনের বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে ৮৮ রানে হারিয়েছে ভারত। এই জয়ের পর আবার এসেছে ভারতের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের প্রসঙ্গ। সেই প্রসঙ্গের অবতারণা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। রবিবার ভারতের জয়ের পর নিজের এক্স হ্যান্ডলে ভারতীয় দলের উল্লাসের কয়েকটি ছবি দেন শাহ। ক্যাপশনে লেখেন, “একটা পারফেক্ট স্ট্রাইক। মহিলাদের বিশ্বকাপে আমাদের মহিলা ক্রিকেট দল আরও এক বার দাপট দেখাল। দেশ তোমাদের নিয়ে গর্বিত। আগামী ম্যাচের জন্য শুভেচ্ছা।” লক্ষ্যণীয়, অমিত শাহের বার্তায় কোথাও পাকিস্তান শব্দটির উল্লেখ করেননি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-পাক ম্যাচ মানেই তা ‘যুদ্ধের’ রূপ নিয়েছে। শাহী বার্তার পর অনেকেই ‘পারফেক্ট স্ট্রাইকে’র সঙ্গে ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ শব্দের মিল খুঁজে পাচ্ছেন।

    ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ এর সুর

    শাহের এই টুইট দেখে মনে পড়ে যাচ্ছে ভারত এশিয়া কাপ জেতার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির করা সেই টুইট। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, “খেলার মাঠে অপারেশন সিঁদুর। ফলাফল এক। ভারতের জয়। আমাদের ক্রিকেটারদের শুভেচ্ছা।” হরমনপ্রীতেরা জেতার পর মোদি টুইট করেননি। করেছেন তাঁর ডেপুটি শাহ। সূর্যকুমার যাদবদের জয়ের পর মোদী সরাসরি ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর উল্লেখ করেছিলেন। শাহ সেটা করেননি। তবে তিনি সরাসরি না বললেও তাঁর ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক’ যে আসলে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ তা সহজেই বোঝা যায়। উরির সেনা ছাওনিতে জঙ্গি হামলার পর পাকিস্তানে ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’ করা হয়েছিল বলে জানিয়েছিল ভারতীয় সেনা। ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর পর ভারতীয় সেনার কর্তারাও বার বার ‘পারফেক্ট স্ট্রাইক’, ‘প্রিসিশন স্ট্রাইক’— এই জাতীয় কথা বলেছেন। সেই সুরই তো দেখা গেল শাহের কথায়।

    পাক বয়কট চলছেই

    এক সপ্তাহ আগে পাকিস্তানকে এশিয়া কাপে (Asia Cup) হারিয়েছিল মেন ইন ব্লু। এবার মেয়েদের ক্রিকেট বিশ্বকাপে (Women’s World Cup) ফের পাকিস্তানকে হারাল ওমেন ইন ব্লু। পুরুষদের এশিয়া কাপের পর, মেয়েদের বিশ্বকাপেও বিতর্ক থামেনি। টসের সময় সূর্যকুমার যাদবের মতো পাক অধিনায়ক ফতিমা সানার সঙ্গে হাত মেলাননি হরমনপ্রীত (Harmanpreet Singh)। এর পর এক রান আউট নিয়েও সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে ৮৮ রানে ম্যাচ জেতার পর পাক প্লেয়ারদের সঙ্গে হাত না মিলিয়ে সোজা ড্রেসিং রুমে চলে যান স্মৃতি মন্ধানারা। যা নিয়ে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এশিয়া কাপেও একই জিনিস দেখা গিয়েছিল। তিন ম্যাচে পর পর পাকিস্তানকে হারিয়েছিলেন অভিষেক শর্মারা। কিন্তু, ম্যাচের আগে বা পরে পাকিস্তানের কোনও প্লেয়ারের সঙ্গে হাত মেলাননি তাঁরা। সেই ধারা বজায় রাখলনে হরমনপ্রীতরা। ফলে সব মিলিয়ে ক্রিকেট মাঠে পাকিস্তানকে বয়কট করে চলেছে ভারত।

    হরমনপ্রীতের বার্তা

    এদিন ম্যাচের পর ক্রিকেট ভক্তদের উদ্দেশে বার্তা দেন ভারত অধিনায়ক। ম্যাচের পর হরমনপ্রীত বলেন, ‘আমরা খুব খুশি। কারণ ম্যাচটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দেশের মানুষরাও এই জয়ে খুশি হয়েছেন বলে আমি নিশ্চিত।’ অন্যদিকে, ভারতে (India) খেলতে চায়নি পাকিস্তান (Pakistan)। সেই কারণে এই ম্যাচ আয়োজিত হয়েছিল শ্রীলঙ্কায়। কিন্তু ম্যাচ আর জেতা হল না পাকিস্তানের। এর ফলে দেখা যাচ্ছে, পাকিস্তানের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত ১২টি একদিনের ম্যাচ খেলেছে ভারত। তার মধ্যে সব কটিতেই জিতেছে ভারতের লক্ষ্মীরা।

     

     

     

     

  • North Bengal Flood: কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা পেয়েই দুর্গতদের সহায়তায় মাঠে রাজ্য বিজেপি, সোমেই উত্তরবঙ্গে শমীক

    North Bengal Flood: কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের বার্তা পেয়েই দুর্গতদের সহায়তায় মাঠে রাজ্য বিজেপি, সোমেই উত্তরবঙ্গে শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবির দুপুরে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের নির্দেশ আসতেই, উত্তরবঙ্গের দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ঝাঁপিয়ে পড়ল বঙ্গ বিজেপি। ত্রাণ ও উদ্ধারকাজের পাশাপাশি, সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের রাজ্যে ফেরানোর ক্ষেত্রেও সক্রিয় হয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। সামগ্রিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সোমবারই উত্তরবঙ্গে যাচ্ছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য কেন্দ্রীয় দল প্রস্তুত। একইসঙ্গে, বিজেপির স্থানীয় কর্মকর্তারাও দুর্গতদের সাহায্য করতে মাঠে নেমেছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। অমিত শাহ বলেন, ‘‘দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তার সঙ্গে কথা বলেছি এবং পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছি। এনডিআরএফ-এর দলগুলি ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে, এবং প্রয়োজনে আরও দল তাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছে।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘বিজেপি কর্মীরাও বিপর্যস্ত মানুষদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দিচ্ছেন।’’

    উত্তরের জেলা কমিটিগুলিকে ত্রাণ-উদ্ধারকাজে নামার নির্দেশ

    এর পর বিকেলে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানান, প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে প্রতি মিনিটে পরিস্থিতির খবর নেওয়া হচ্ছে। এনডিআরএফ ও বিপর্যয় মোকাবিলা কর্মীরা উদ্ধারকাজে নেমেছেন, আর সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের সহায়তার জন্য ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে পাঠানো হয়েছে। শমীক জানান, উত্তরবঙ্গে বিজেপির সব জেলা কমিটিকে ত্রাণ ও উদ্ধারকাজে নামার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেছেন, ‘‘আমাদের সীমিত সাধ্যের মধ্যে দিয়ে উত্তরবঙ্গে আমাদের দলের সমস্ত শাখাকে ত্রাণ ও উদ্ধারের কাজে নামার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যে সব জেলা ক্ষতিগ্রস্ত নয়, সেখানকার সমস্ত বিজেপি নেতৃবৃন্দ এবং কর্মীরা উদ্ধারকার্যে নামবেন। আর আজ সন্ধ্যার পর থেকে আমাদের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাবেন। আমাদের সাধ্যমতো যতটা সহযোগিতা এবং ত্রাণ এই মুহূর্তে আমরা দিতে পারি, আমরা তার ব্যবস্থা করব।’’

    সিকিমে আটকে পড়া পর্যটকদের ফেরাতে উদ্যোগ

    শুধু দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া নয়, ভিন্‌রাজ্যে আটকে পড়া পর্যটকদের রাজ্যে ফেরানোর ক্ষেত্রেও সক্রিয় হয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বঙ্গ বিজেপির নির্বাচন সহ-প্রভারী তথা ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব রবিবার যোগাযোগ করেছেন সিকিমের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। তাঁদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে বলে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছেন। শমীক বলেন, ‘‘বিপ্লবের ফোন পেয়ে সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী তাঁর সচিবালয়ের আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। তিনি বিপ্লবকে জানিয়েছেন যে, সিকিম থেকে পশ্চিমবঙ্গে যাতায়াতের একটি মাত্র রাস্তা আপাতত খোলা রয়েছে। বাকি সব রাস্তা দুর্যোগে বিপর্যস্ত। সেই একটিমাত্র অক্ষত রাস্তা দিয়েই যত দ্রুত সম্ভব বাঙালি পর্যটকদের নিরাপদে ফেরানোর জন্য সিকিম সরকার সচেষ্ট হচ্ছে।’’ সিকিম সরকারের সঙ্গে এ বিষয়ে বিজেপির তরফ থেকে নিরন্তর যোগাযোগ রেখে চলা হচ্ছে বলে রাজ্য বিজেপির সভাপতি জানিয়েছেন।

  • RSS at 100: “সংঘ রাষ্ট্র সেবায় নিবেদিতপ্রাণ”, শতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে অমিত শাহ

    RSS at 100: “সংঘ রাষ্ট্র সেবায় নিবেদিতপ্রাণ”, শতবর্ষের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার বিজয় দশমীর দিনে নাগপুর সদর দফতরে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS at 100) শতবর্ষ কর্মসূচির সূচনা হয়েছে। ১৯২৫ সালের বিজয় দশমীর দিনেই প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এই হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের। পরাধীন ভারতে পাঠান, মুঘল, ব্রিটিশদের অত্যাচারে ভারতীয় হিন্দু সমাজকে খণ্ড খণ্ড করে বিভাজিত করে রাখার চক্র চরম সীমায় ছিল। দেশ স্বাধীন হলে হিন্দু সমাজের ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি কোন স্রোতে বইবে, তাই সমগ্র ভারতবর্ষের হিন্দু সমাজে জাগরণ এবং সমাজপরিবর্তন করে রাষ্ট্রকে পুনঃনির্মাণ করতে সংঘের কাজ শুরু হয়। এবার শতবর্ষে পদার্পণ করার পর আরএসএসকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah) শুভেচ্ছা বিনিময় করেছেন। তিনি বলেন, “সংঘের স্বয়ংসেবকরা রাষ্ট্র এবং ভারতীয় সমাজের জন্য সেবা-সুরক্ষায় সবরকম ভাবে নিবেদিতপ্রাণ।”

    সংঘের যাত্রাপথ মহাযাত্রাপথ (RSS at 100)

    সংঘের শতবর্ষ পদার্পণে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আমিত শাহ (Amit shah) বলেন, “আমি একজন গর্বিত স্বয়ং সেবক। সংঘ গত ১০০ বর্ষে অসংখ্য নেতা তৈরি করেছে। বিশ্বের বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (RSS at 100)। সংঘের শতবর্ষ পূর্তিতে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই। তাদের এই মহাযাত্রাপথে আরএসএসের নিবেদিতপ্রাণকে প্রণাম জানাই। ভারতমাতার সেবায় নিজেদের নিয়োজিত কাজে নিযুক্ত করায় প্রত্যেকের প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা।”

    অনুপ্রবেশ বিরোধী আন্দোলনেও সংঘ

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্বয়ংসেবকদের (RSS at 100) ত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, “দেশের জন্য সেবা করতে স্বয়ং সেবকরা সমস্ত অবসর জীবন ও আরামকে ত্যাগ করে থাকেন। সংঘের প্রচারকরা সব কিছু ত্যাগ করে দেশের জন্য সর্বস্ব নিয়োগ করেন। গত ১০০ বছর ধরে এইভাবেই কাজ চলছে সংঘের। আমি নিজেও একজন সামান্য স্বয়ংসেবক হয়ে গর্বিত। এতো পুরাতন একটি সংগঠনের উত্তরসূরী আমরাও। দেশের জন্য সংঘকাজের অনেক গুরুত্ব রয়েছে। যেমন- হায়দ্রাবাদ ভারতে অন্তর্ভুক্তিকরণ, জরুরি অবস্থার সময় আন্দোলন করা, গোয়ার জন্য আন্দোলন, এককথায় সকল ক্ষেত্রেই সংঘ সামাজিক আন্দোলন করেছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময়ে যেকোন যুদ্ধ বা দুর্যোগের পরিস্থিতিতে সংঘ সব সময় ভারতীয় সেনাকে সমর্থন করে নানা কাজ করেছে। ধারা ৩৭০ অবলুপ্তি, উত্তর-পূর্বে অনুপ্রবেশ বিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্বে সংঘের ভূমিকাও প্রশংসনীয় ছিল।”

  • Amit Shah: ‘মায়ের কাছে প্রার্থনা যেন সোনার বাংলা গড়তে পারি’, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে পুজো উদ্বোধন অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘মায়ের কাছে প্রার্থনা যেন সোনার বাংলা গড়তে পারি’, সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে পুজো উদ্বোধন অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেবী দুর্গার কাছে সোনার বাংলা গড়ার প্রার্থনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। চতুর্থীর সকালে কলকাতায় সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের (Santosh Mitra Square) পুজো উদ্বোধন করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর কথায় উঠে এল, রবীন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগর এমনকী বাংলা ভাষার প্রসঙ্গও। বিজেপি কাউন্সিলর সজল ঘোষের পুজো বরাবরই উদ্বোধন করে থাকেন অমিত শাহ। অমিত ছাড়াও এ দিন উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, ছিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, আর তাপস রায়। এই বছর সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের থিম ‘অপারেশন সিঁদুর’।

    নির্বাচনের সুরও বেঁধে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের দুর্গাপুজো উদ্বোধন করে বঙ্গে নির্বাচনের সুরও বেঁধে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২৬ সেপ্টেম্বর তিনি বেলা ১১টা ২০ মিনিট নাগাদ এই পুজো মণ্ডপে পৌঁছন। পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পরে সন্ত্রাস দমনে ভারতীয় সেনা যে অভিযান চালিয়েছিল, তার ঝলক দেখা যাবে এই পুজো মণ্ডপে। আগামী বছরে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। ভোটমুখী বঙ্গে অমিত শাহের পুজো উদ্বোধন বেশ তাৎপর্যপূর্ণ, দাবি করছিল ওয়াকিবহাল মহল। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ার থেকে পুজোর শুভেচ্ছা জানানোর পরে শাহের কণ্ঠে শোনা গেল রাজনীতির সুর। তিনি বলেন, ‘মায়ের কাছে প্রার্থনা করেছি, এই নির্বাচনের পর বাংলার এমন সরকার তৈরি হবে যা সোনার বাংলা নির্মাণ করতে পারবে। আমাদের বাংলা আবার সুরক্ষিত, সুজলা, সুফলা, শান্ত হবে।’

    বাংলা অস্মিতাতেও শান

    এদিন বাংলা অস্মিতাতেও শান দেন অমত। এদিন সকালে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক সেরেই সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের মণ্ডপে পৌঁছে যান শাহ। জয় শ্রী রাম, ভারত মাতা কি জয়ের স্লোগানে সেখানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হয়। গোটা মণ্ডপ ঘুরে দেখার পাশাপাশি মণ্ডপে মায়ের পুজো এবং আরতিও করেন। পুজোর থিমের অডিও ভিজুয়ালও দেখেন শাহ। এদিন সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে বিদ্যাসাগরকেও শ্রদ্ধা জানান তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বাংলার শিক্ষার প্রসারে বিদ্যাসাগরের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। শাহের কথায়, “শুধু বাংলা নয়, গোটা দেশে শিক্ষার প্রগতি আর নারীশিক্ষার জন্য বিদ্যাসাগর যে অবদান রেখেছেন, তা ভোলার নয়। বাংলার সংস্কৃতি, বাংলার ব্যকরণ আর নারী শিক্ষার প্রসারে পুরো জীবন সমর্পণ করেছেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। আজ আমি আমার তরফে আর বিজেপির কোটি কোটি কর্মীর তরফে বিদ্যাসাগরকে শ্রদ্ধার্ঘ্য।”

    বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃতদের প্রতি সমবেদনা

    এই প্রথম নয়, ২০২৩ সালেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নিজে কলকাতায় এসে উত্তর কলকাতার এই মণ্ডপের উদ্বোধন করেছিলেন। সে বার সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের থিম ছিল রামমন্দির। চলতি সপ্তাহেই দুদিনের ভারী বৃষ্টিতে শহর কার্যত জলের তলায় চলে গেছিল। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ১০ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনার কথা বলে মৃতদের পরিবারের প্রতিও সমবেদনা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। আশ্বাস দেন, বিজেপির প্রত্যেক নেতা, কর্মী তাদের পাশে রয়েছেন। ভাষণের শেষে বিকশিত ভারতের উল্লেখ করে শাহ বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যে স্বপ্ন দেখেছেন তা বাংলার অগ্রগতি ছাড়া অসম্ভব। তাই তিনি আশা রাখেন, আগামী দিনে বাংলা আরও উন্নতি করবে, উন্নয়নের পথে হাঁটবে এবং বিকশিত ভারতের স্বপ্নও পূরণ হবে।

  • Amit Shah: রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, উদ্বোধন করবেন তিন পুজোর

    Amit Shah: রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, উদ্বোধন করবেন তিন পুজোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পিতৃপক্ষে দুর্গাপুজোর প্যান্ডেল উদ্বোধন করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পিতৃপক্ষের অবসান শেষে শুরু হয়েছে দেবীপক্ষ। এই দেবীপক্ষেই বাংলায় দেবীমূর্তির (Durga Puja) আবরণ উন্মোচন করতে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁকে আমন্ত্রণ জানিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। জানা গিয়েছে, শুক্রবার চতুর্থীর দিন দুপুরের মধ্যে কলকাতায় আসবেন শাহ। তার পরে শহরের দু’টি নামী পুজোর উদ্বোধনে যোগ দেবেন তিনি। একটি সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো, অন্যটি ইজেডসিসির দুর্গাপুজো। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজো বিজেপি নেতা সজল ঘোষের পুজো নামেই বিখ্যাত।

    থিমের অভিনবত্ব সজল ঘোষের পুজোয় (Amit Shah)

    থিমের অভিনবত্বের কারণেই ফি বছর আলোচনার কেন্দ্রে থাকে সজল ঘোষের পুজো। কখনও অযোধ্যার রামমন্দির, কখনও আবার দিল্লির লালকেল্লা করে দর্শকদের চমকে দিয়েছেন তিনি। এবার এই পুজোর থিম হল ‘অপারেশন সিঁদুর’। মূলত এই থিমেরই উদ্বোধন করতে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের এই পুজো এবার পা দিল ৯০ বছরে। সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারের পুজোর উদ্বোধন করে শাহ (Amit Shah) যাবেন ইজেডসিসির পুজোর উদ্বোধন করতে। এই পুজোর আয়োজন করেছে পশ্চিমবঙ্গ সাংস্কৃতিক মঞ্চ নামের এক সংগঠন। এই পুজো শুরু হয়েছিল মুকুল রায়ের হাত ধরে। তিনি তখন ছিলেন বিজেপিতে। পরে তৃণমূলেই ফিরে যান দলবদলু মুকুল। পুজো হয়েছিল তার পরের বছরও। পরে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এবার ফের হচ্ছে সেই পুজোর আয়োজন। খুঁটিপুজোর দিন উপস্থিত ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    দক্ষিণ কলকাতার মণ্ডপ উদ্বোধনেও যাবেন শাহ

    বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, দক্ষিণ কলকাতার একটি মণ্ডপ উদ্বোধনেও যেতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে সেটি কোন মণ্ডপ কিংবা উদ্যোক্তাই বা কারা, সে সম্পর্কে মুখে কুলুপ এঁটেছেন পদ্ম-নেতৃত্ব। তবে কেন্দ্রটি যে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর লাগোয়া এলাকায়, তা নিশ্চিত। বছর ঘুরলেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তাই এ বছর তড়িঘড়ি করে পিতৃপক্ষেই ‘হিজাব’ পরে প্যান্ডেলের উদ্বোধন করেছেন মমতা। এ নিয়ে তাঁকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এবার (Durga Puja) শাহকে এনে ‘অপারেশন সিঁদুর’ থিমের উদ্বোধন করিয়ে রাজ্যবাসীকে বার্তা দিতে চাইছে পদ্মশিবির (Amit Shah)।

  • Amit Shah: অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুনভাবে গড়ে তুলতে বিরাট নির্দেশ শাহি মন্ত্রকের

    Amit Shah: অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুনভাবে গড়ে তুলতে বিরাট নির্দেশ শাহি মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুনভাবে গড়ে তুলতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত (Amit Shah) শাহ ১৯৭৪ সাল থেকে প্রতিটি প্রধান প্রতিবাদ আন্দোলনের খুঁটিনাটি স্টাডি করার নির্দেশ দিয়েছেন। এই সমীক্ষায় প্রতিবাদের ধরণ খোঁজা হবে, অনুসন্ধান করা হবে অর্থ কারা জুগিয়েছিল, নেপথ্যেই বা ছিল কারা। পর্দার আড়ালে (India) থাকা সক্রিয় ব্যক্তিদের চিহ্নিত করা হবে। নয়া জাতীয় প্রতিবাদ প্রতিরোধ প্রোটোকল তৈরি করতেই এই সমীক্ষা করা হবে।

    ‘জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল সম্মেলন ২০২৫’ (Amit Shah)

    ভারতের গোয়েন্দা সংস্থা ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো নয়াদিল্লিতে আয়োজন করেছিল ‘জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল সম্মেলন ২০২৫’-এর। সেখানেই দেওয়া হয় এই নির্দেশ। সম্মেলনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুলিশ গবেষণা ও উন্নয়ন ব্যুরোকে অর্ধ শতাব্দীর বিভিন্ন গণআন্দোলনের কারণ এবং এর নেপথ্যে কারা, তা বিশ্লেষণ করার দায়িত্ব দিয়েছেন। জানা গিয়েছে, এতে জেপি আন্দোলন, এমারজেন্সি পর্বের অস্থিরতা, সিএএ-র প্রতিবাদ ও কৃষক আন্দোলন-সহ নানা সময়ের প্রতিবাদ কর্মসূচি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, অমিত শাহের এই পদক্ষেপের নেপথ্যে রয়েছে ভারতের তিন পড়শি দেশে সংঘঠিত হওয়া বিভিন্ন গণঅভ্যুত্থান। সম্প্রতি এই গণঅভ্যুত্থানের জেরেই পতন হয়েছে শ্রীলঙ্কা, বাংলাদেশ এবং নেপালের সরকারের। অশান্ত হয়েছে ভারতের বিহার ও মণিপুর রাজ্য।

    গোয়েন্দা সংস্থগুলিকে নির্দেশ

    কোনও গণঅভ্যুত্থানই একদিনে সংগঠিত হয় না। এর ছক কষা হয় অনেক আগে থেকেই। কোনও কোনও ক্ষেত্রে নেপথ্যে থাকে বিদেশি শক্তির হাত, আবার কোনও কোনও জায়গায় আন্দোলনে ইন্ধন জোগায় বিদেশি মদতপুষ্ট কোনও শক্তি। কেবল মদত জোগানোই নয়, আন্দোলন জিইয়ে রাখতে করা হয় অর্থায়নও। সেই কারণেই জানা দরকার ভারতে সংঘটিত বিভিন্ন বিক্ষোভের মূল কারণ এবং তাতে ইন্ধন জুগিয়েছে কারা। গোয়েন্দা সংস্থগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিক্ষোভের মূল কারণ কী, উদ্দীপকগুলিই বা কী খুঁজতে। অর্থ জুগিয়েছিল কে? সেই অর্থ কোথা থেকে কোথায় গিয়েছিল? এই সব বিক্ষোভের ফল কী হয়েছে? তারা কি রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক কোনও পরিবর্তন সাধন করতে পেরেছ? যদি তা না হয়, তাহলে খামোকা আন্দোলন কেন? সব শেষে রয়েছে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ (India) প্রশ্নটি। এই সব আন্দোলনে অক্সিজেন জুগিয়েছে কারা? কোনও এনজিও, বিদেশি প্রতিষ্ঠান নাকি রাজনৈতিক কর্মচারীরা (Amit Shah)?

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের নির্দেশ

    এই অর্থ জোগানের ধরনও খুঁজে বের করতে বলা হয়েছে গোয়েন্দাদের। শাহের মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই কাজ করবে ইডি, ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট-ইন্ডিয়া এবং সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ডিরেক্ট ট্যাক্সেস। এই সংস্থাগুলিকে একটি স্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর (SOP) তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর প্রধান লক্ষ্যই হল আর্থিক অনিয়মের মাধ্যমে জঙ্গি নেটওয়ার্ক শনাক্ত করা। মনে রাখতে হবে, বিক্ষোভে অর্থের জোগান দেওয়াকে জাতীয় নিরাপত্তার সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে গণ্য করা হয় বিশ্বের প্রায় সব দেশেই। এর পাশাপাশি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আলাদাভাবে এনআইএ, বিএসএফ এবং এনসিবিকে নির্দেশ দিয়েছে পাঞ্জাবে খালিস্তানপন্থী জঙ্গি নেটওয়ার্ককে দুরমুশ করে দিতে সৃজনশীল কোনও কৌশল প্রণয়ন করতে। এই কৌশলের মধ্যে রয়েছে এই নেটওয়ার্কের জেলবন্দি মাস্টারমাইন্ডদের রাজ্যের বাইরে অন্য কোনও জেলায় স্থানান্তর করা, যাতে তারা পরস্পর পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, জঙ্গিদের এই চাঁইদের নেটওয়ার্ক ভেঙে ফেলতে (India) পারলেই গুঁড়িয়ে যাবে আন্দোলনের কোমর (Amit Shah)।

    ধর্মীয় সমাবেশের ওপর গবেষণা

    একই সঙ্গে গোটা দেশে বিভিন্ন ধর্মীয় সমাবেশের ওপর গবেষণা করবে বিএপিআর অ্যান্ড ডি। অত্যধিক ভিড়ের কারণে যাতে পদপিষ্ট হওয়ার মতো ঘটনা না ঘটে, দানা বাঁধতে না পারে কোনও আন্দোলন। কুম্ভমেলা কিংবা ঈদের মতো বড় ইভেন্টে রিয়েল-টাইম মনিটরিং, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ এবং গোয়েন্দা-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার জন্য তৈরি করা হবে এসওপি। সরকারের এক শীর্ষ আধিকারিক সংবাদ মাধ্যমে বলেন,  “একটি প্রতিবাদ শুধু প্ল্যাকার্ড দেখানো নয় — এটি প্রায়ই একটি দাবার খেলা। আমাদের জানতে হবে কে প্যাউন সরাচ্ছে, কে অর্থায়ন করছে, এবং কীভাবেই বা স্বার্থান্বেষী পক্ষের হাত থেকে ভিন্নমতের লোকজনকে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে নিরস্ত করা যায় (Amit Shah)।”

    কেন বেছে নেওয়া হল ১৯৭৪ সালকে?

    প্রশ্ন হল, এজন্য কেন বেছে নেওয়া হল ১৯৭৪ সালকে? এই বছরেই সূচনা হয়েছিল জেপি আন্দোলনের। পরের বছরই জারি হয় জরুরি অবস্থা (Emergency)। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তের অর্থ হল, তারা বুঝতে চায় কীভাবে প্রতিবাদ আন্দোলন রাজনৈতিক ভূমিকম্পে পরিণত হয় এবং কীভাবেই এগুলি বিশাল আকার ধারন করার আগে দমন করা যায়। জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রীয় পুলিশ বাহিনী এখন পুরোনো সিআইডি ফাইল ও গোয়েন্দা ইউনিটের আর্থিক ফরেনসিক শাখাকে সক্রিয় করে তুলছে। ভারত (India) আস্তিন গুটোচ্ছে তার ইতিহাসের সবচেয়ে বিতর্কিত প্রতিবাদ কর্মসূচির পশ্চাৎপর্যালোচনার কারণ জানতে (Amit Shah)।

  • Suvendu Adhikari: দুর্গাপুজোয় আমন্ত্রণ থেকে রাজ্য রাজনীতি, দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: দুর্গাপুজোয় আমন্ত্রণ থেকে রাজ্য রাজনীতি, দিল্লিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে গিয়ে অমিত শাহের সঙ্গে বৈঠক করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সরকারি বাসভবনে প্রায় ৪৫ মিনিট ধরে চলল এই বৈঠক। বিজেপি সূত্রের খবর, রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা সমস্যা এবং সংগঠনকে শক্তিশালী করার রূপরেখা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে।

    বৈঠক নিয়ে সমাজমাধ্যমে কী লিখলেন শুভেন্দু?

    এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মনীয় শ্রী অমিত শাহ জির সাথে আজ ওনার বাসভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎ করলাম। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আজ ওনার সাথে আলোচনা হয়েছে।’’ শুভেন্দু আরও লেখেন, ‘‘ ব্যস্ততা সত্বেও প্রায় ৪৫ মিনিট মতো উনি আমাকে সময় দিয়েছেন এর জন্য আমি কৃতজ্ঞ।’’ শুধু রাজনৈতিক কথাবার্তা নয়, বৈঠকে ব্যক্তিগত আমন্ত্রণও জানান শুভেন্দু। জানা গেছে, আসন্ন দুর্গাপুজোয় বাংলায় এসে মাতৃ আরাধনার সাক্ষী থাকতে অমিত শাহকে অনুরোধ করেছেন তিনি। শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, ‘‘সম্মানীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীকে আমি আসন্ন দুর্গাপুজোয় পশ্চিমবঙ্গে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছি।’’

    বৈঠকে উঠে এসেছে শুভেন্দুর নিরাপত্তা প্রসঙ্গও

    আলোচনার সময়ে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) নিরাপত্তা প্রসঙ্গও গুরুত্ব পায়। অভিযোগ, বিরোধী দলনেতা হিসেবে বাংলায় তাঁকে বারবার লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় সুরক্ষার বিষয়টিও বৈঠকের আলোচনায় উঠে আসে। রাজনৈতিক মহলের মতে, বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপির সংগঠনকে সক্রিয় করে তোলার জন্য এই বৈঠক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রকৃতপক্ষে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে সংগঠনকে আরও সক্রিয় ও চাঙ্গা করে তোলা যায়, সেই রূপরেখা নিয়েই মূলত এদিনের বৈঠকে বিস্তৃত আলোচনা হয়ে থাকতে পারে। তাঁদের মতে, বুথস্তরে সংগঠনকে শক্তিশালী করা, নেতৃত্ব ও কর্মীদের মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি, মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ এসব নিয়েই আলোচনা হতে পারে। তাই বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বৈঠক খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

  • Maoist Leader: মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা, এনকাউন্টারে খতম সহদেব-সহ ৩ মাওবাদী

    Maoist Leader: মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা, এনকাউন্টারে খতম সহদেব-সহ ৩ মাওবাদী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত সপ্তাহেই তেলঙ্গানা পুলিশের কাছে গিয়ে আত্মসমর্পণ করেছিলেন প্রয়াত মাওবাদী কিষেনজির স্ত্রী সুজাতা। তাঁর মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা। কয়েক দশক ধরে নিখোঁজ থাকার পর শেষমেশ আত্মসমর্পণ করেন মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির ওই নেত্রী (Maoist Leader)। সুজাতা আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তবে সোমবার এনকাউন্টারে খতম হল তিন মাওবাদী। এদের মধ্যে একজনের মাথার দাম ছিল ১ কোটি টাকা। তিনিও কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন। তাঁর নাম সহদেব সোরেন (Sahadev Soren)।

    ঝাড়খণ্ডেও মাওবাদী দমন অভিযান (Maoist Leader)

    সোমবার ছত্তিশগড়ের পর ঝাড়খণ্ডেও মাওবাদী দমন অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। সহদেবের মাথার দাম ছিল কোটি টাকা। অনেক দিন ধরেই তাঁকে খুঁজছিল যৌথবাহিনী। শেষমেশ ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগে তাঁর হদিশ পান নিরাপত্তারক্ষীরা। তার পরেই শুরু হয় অভিযান। এদিন সকাল ৬টায় জঙ্গলে ঢুকে পড়েন নিরাপত্তারক্ষীরা। শুরু হয় দু’পক্ষে গুলির লড়াই। তাতেই নিকেশ হয় সহদেব। শীর্ষ এই মাওবাদী নেতা ছাড়াও এদিন নিকেশ করা হয়েছে আরও দুই মাওবাদীকে। এদের একজনের নাম রঘুনাথ হেমব্রম ওরফে চঞ্চল, আর অন্যজন হলেন বীরসেন গানঝু ওরফে রামকেলাওয়ান। রঘুনাথ ছিলেন বিহার-ঝাড়খণ্ড বিশেষ এরিয়া কমিটির সদস্য। তাঁর মাথার দাম ছিল ২৫ লাখ টাকা। বীরসেন ছিলেন ওই এলাকারই জোনাল কমিটির সদস্য। তাঁর মাথার দাম ছিল ১০ লাখ টাকা (Maoist Leader)।

    খতম সনাতন-সহ তিন মাওবাদী

    ঝাড়খণ্ড পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৬টা নাগাদ সনাতন ওই এলাকায় রয়েছে শুনেই অভিযান শুরু করে যৌথ বাহিনী। কোবরা ব্যাটেলিয়ান, গিরিডি থানা ও হাজারিবাগ থানার পুলিশ। তারা সটান চলে যায় সীমানা ঘেঁষা কারান্ডি গ্রামে। সেখানেই চলে অভিযান। শুরু হয় গুলির লড়াই। খতম হন সনাতন-সহ তিন মাওবাদী। এনকাউন্টার শেষে নিরাপত্তাবাহিনী গভীর জঙ্গল থেকে খতম হওয়া তিন মাওবাদীর দেহ উদ্ধার করেছে। সূত্রের খবর, ওই এলাকার গভীর জঙ্গলে এখনও চলছে তল্লাশি অভিযান।

    প্রসঙ্গত, ২০২৬ সালের মার্চ মাসের মধ্যে মাওবাদীমুক্ত ভারত (Sahadev Soren) গড়ার বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পরেই গত চার মাসে মাওবাদী কেন্দ্রীয় কমিটির তিন সদস্যকে নিকেশ করেছে নিরাপত্তাবাহিনী (Maoist Leader)।

  • Maoist Killed in Chhattisgarh: আগামী মার্চেই মাওবাদী মুক্ত হবে দেশ, ছত্তিশগড়ে বাহিনীর সাফল্যকে কুর্নিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের

    Maoist Killed in Chhattisgarh: আগামী মার্চেই মাওবাদী মুক্ত হবে দেশ, ছত্তিশগড়ে বাহিনীর সাফল্যকে কুর্নিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাও-দমনে ফের বড় সাফল্য় পেল নিরাপত্তা বাহিনী ৷ গুলির লড়াইয়ে নিহত মাওবাদী (Maoist Killed in Chhattisgarh) কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মনোজ। বৃহস্পতিবার, ছত্তিশগড়ের গারিয়াবন্দ জেলায় একটি অভিযানে আরও ৯ জন নকশালপন্থীকে খতম করেছে পুলিশ। মাওবাদী নেতা মনোজ অনেকের কাছে মোডেম বালাকৃষ্ণ নামেও পরিচিত ছিল। তার মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। জানা গিয়েছে, মনোজ থেকে শুরু করে বালানা, রামচন্দর ও ভাস্কর-সহ একাধিক নাম ব্যবহার করে নানা ধরনের নাশকতামূলক কাজের সঙ্গে জড়িত ছিল বালাকৃষ্ণ৷ তাকে খতম করা অবশ্য়ই নিরাপত্তা বাহিনীর কাছে একটি বড় সাফল্য ৷ নিরপত্তা বাহিনীর জওয়ানদের প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)৷

    নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযান

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বুধবার রাতে খবর মেলে মইনপুর জঙ্গলে মাওবাদীরা ঘাঁটি গেড়েছে। রাতেই অভিযান শুরু করে পুলিশ এবং সিআরপিএফের যৌথ বাহিনী। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মাওবাদীদের সঙ্গে শুরু হয় গুলির লড়াই। তখনই মোট ১০ জন মাওবাদী নিহত হয়। তার মধ্যেই অনেকেই প্রবীণ নেতা। যাদের অন্যতম হল কেন্দ্রীয় কমিটির নেতা মনোজ ওরফে মোডেম বালাকৃষ্ণ। যার মাথার দাম ছিল এক কোটি টাকা। উল্লেখ্য, এদিনই খবর এসেছে যে ছত্তিশগড়ের বস্তারে আত্মসমর্পণ করেছে ১৬ মাওবাদী। বুধবার রাতে বস্তারের নারায়ণপুরে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করে তারা।

    শাহি ফরমান

    নিরাপত্তা বাহিনীকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ৷ এক্স হ্যান্ডেলে করা একটি পোস্টে তিনি লেখেন, ‘‘আমাদের নিরাপত্তা বাহিনী আবারও একটি উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে ৷ কোবরা কমান্ডোদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়েছেন ছত্তিশগড় পুলিশের কর্মীরা ৷ তাতে ১০ জনের প্রাণ গিয়েছে ৷ এই তালিকায় ছিল মাওবাদীদের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য় মডেম বালাকৃষ্ণ ওরফে মনোজ ৷ তার মাথার দাম ছিল কোটি টাকা !’’ অমিত শাহ মনে করেন, এখনও যে সমস্ত মাওবাদীরা সন্ত্রাসের পথে আছে তাদের আত্মসমর্পণ করে সমাজের মূল স্রোতে ফিরে আসা উচিত ৷ এদিন আরও একবার ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীদের সম্পূর্ণরূপে নিকেশ করার কথা মনে করিয়ে দেন তিনি ৷

    মাও দমনে তৎপর কেন্দ্র

    দেশে মাওবাদী কার্যকলাপ সম্পর্ণরূপে বন্ধ করতে ইতিমধ্য়েই তৎপরতা দেখিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার ৷ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাম্প্রতীক অতীতেও একাধিকবার জানিয়েছেন, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে ভারত থেকে মাওবাদীদের অস্বিত্ব মুছে দেওয়া তাঁদের লক্ষ্য ৷ ঘোষণার পর থেকেই ছত্তিশগড় থেকে শুরু করে ঝাড়খণ্ডের মতো জায়গায় আগের চেয়ে অনেক বেশি সক্রিয় হয়েছে বাহিনী ৷ কখনও অভিযান করে মাওবাদীদের নিকেশ করা হচ্ছে, কখনও আবার তাঁদের সমাজের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার কাজ চলছে ৷ বহু মাওবদী ইতিমধ্যেই আত্মসমর্পণ করেছে ৷ বাকিরাও যাতে দ্রুত এই পথে হাঁটে তা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর মোদি সরকার ৷

  • Amit Shah: সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প গড়ে তোলার নির্দেশ কেন্দ্রের

    Amit Shah: সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প গড়ে তোলার নির্দেশ কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে ডিটেনশন ক্যাম্প (Detention Camps) গড়ে তুলতে হবে। অনুপ্রবেশকারীদের গতি-প্রকৃতি সীমিত রাখতেই এই ব্যবস্থা করতে হবে। যতক্ষণ না তাদের স্বদেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে, ততক্ষণ রাখা হবে ওই ক্যাম্পে। মঙ্গলবার এক গেজেট বিজ্ঞপ্তিতে এই মর্মে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (Amit Shah)। সম্প্রতি পাশ হওয়া অভিবাসন ও বিদেশি আইন, ২০২৫ এর প্রেক্ষিতে এই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

    কী বলা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে (Amit Shah)

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “কেন্দ্রীয় সরকার অথবা রাজ্য সরকার অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল প্রশাসন বা জেলা কালেক্টর অথবা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদেশ জারি করে, কোনও ব্যক্তিকে আইন অনুযায়ী বিদেশি হিসেবে গণ্য করা হবে কি হবে না, সেই প্রশ্নটি কেন্দ্রীয় সরকার গঠিত বিদেশি ট্রাইবুনালে মতামতের জন্য পাঠাতে পারবে। এই বিদেশি ট্রাইবুনালে সর্বোচ্চ তিনজন আইন সম্পর্কে অভিজ্ঞ সদস্য থাকবেন, যাঁদের উপযুক্ত মনে করে নিয়োগ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। অভিযুক্ত ব্যক্তি বিদেশি নয় বলে তার দাবির সমর্থনে কোনও প্রমাণ উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হলে এবং তার দাবির সমর্থনে জামিনের ব্যবস্থাও করতে না পারলে, সেক্ষেত্রে তাকে আটক করে হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে।” স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক আরও জানিয়েছে, গুরুতর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে বিদেশিদের ভারতে প্রবেশ বা অবস্থান করতে দেওয়া নাও হতে পারে। এছাড়াও, কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশি ভারতের কোনও পর্বতচূড়ায় আরোহণ করতে পারবেন না বা করার চেষ্টাও করতে পারবেন না। ওই বিজ্ঞপ্তিতে বেসরকারি খাতে বিদেশিদের নিয়োগের জন্য নির্দেশিকাও দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, “ভারতে কর্মসংস্থানের জন্য বৈধ ভিসা থাকা কোনও বিদেশি ব্যক্তি, দেওয়ানি কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া বিদ্যুৎ বা জল সরবরাহ অথবা পেট্রোলিয়াম খাতের সঙ্গে যুক্ত কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করতে পারবে না। প্রতিরক্ষা, মহাকাশ প্রযুক্তি, পারমাণবিক শক্তি, মানবাধিকার অথবা এ সংক্রান্ত অন্য যে কোনও ক্ষেত্রে যুক্ত কোনও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, কেন্দ্রীয় সরকারের আগাম অনুমতি ছাড়া কোনও বিদেশিকে নিয়োগ করতে পারবে না।”

    পাসপোর্ট ও ভিসা দেখাতে হবে না!

    আর একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নেপাল বা ভুটানের নাগরিকদের স্থলপথে বা আকাশপথে ভারতে প্রবেশের সময় পাসপোর্ট ও ভিসা দেখাতে হবে না। তবে তাদের বৈধ পাসপোর্ট থাকলে এবং তারা নেপাল বা ভুটান ছাড়া (Detention Camps) অন্য কোনও দেশ থেকে ভারতে প্রবেশ বা ভারত থেকে বের হলে, সে ক্ষেত্রেও এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। তবে চিন, ম্যাকাও, হংকং বা পাকিস্তান থেকে প্রবেশ বা প্রস্থানের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে না। এই নিয়ম তিব্বতিদের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য, যাঁরা ইতিমধ্যেই ভারতে বসবাস করছেন বা যাঁরা ভারতে প্রবেশ করছেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নাম নথিভুক্ত করে নথিপত্র জোগাড় করেছেন, তাঁরা যদি ১৯৫৯ সালের পর কিন্তু ২০০৩ সালের ৩০ মে-র আগে ভারতে প্রবেশ করে থাকেন (Amit Shah)।

    সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও ছাড় প্রযোজ্য 

    বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আফগানিস্তান, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ভুক্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও এই ছাড় প্রযোজ্য হবে। হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্শি ও খ্রিস্টানরা, যাঁরা ধর্মীয় নির্যাতনের কারণে ভারতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন এবং ৩১ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখ বা তার আগে ভারতে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের বৈধ নথি থাকুক বা না থাকুক, তাঁদের ক্ষেত্রে এই ছাড় প্রযোজ্য হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যাঁরা ভারতে ঢুকেছেন এবং বৈধ নথি ছাড়াই এসেছেন কিংবা বৈধ নথি নিয়ে প্রবেশ করলেও, যার মেয়াদ শেষ হয়ে গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে পাসপোর্ট ও ভিসা আইন পুরোপুরি কার্যকর হবে না। তবে যাঁরা ছাড়ের আওতায় নেই, তাঁদের কঠোর নিয়ম মানতে হবে (Detention Camps)। রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির তৈরি ডিটেনশন সেন্টারে তাঁদের আটকে রাখা হবে, প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত (Amit Shah)।

    প্রসঙ্গত, গত কয়েক মাস ধরে দেশজুড়ে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে অভিযান চলছে। বিভিন্ন রাজ্য থেকে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে। আর এই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতেই ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের হেনস্থা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বাংলাভাষায় কথা বললেই ভিনরাজ্যে বাংলাভাষীদের ধরে বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে। বাংলার পরিযায়ী শ্রমিকদেরও বাংলাদেশে পুশব্যাক করা হচ্ছে (Amit Shah)।

LinkedIn
Share