Tag: army

army

  • Bangladesh Election: ৭ জানুয়ারি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সেনা মোতায়েন বাংলাদেশে

    Bangladesh Election: ৭ জানুয়ারি অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে সেনা মোতায়েন বাংলাদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৭ জানুয়ারি, রবিবার সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশে (Bangladesh Election)। নির্বাচনী ময়দানে দেশের শাসক দল শেখ হাসিনার আওয়ামি লিগ হাজির থাকলেও, খালেদা জিয়ার দল ডাক দিয়েছে ভোট বয়কটের। দেশের অন্য দলগুলি অবশ্য যথারীতি রয়েছে ভোট-ময়দানে। যেহেতু জিয়ার দল বিএনপি ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে না, তাই উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না অশান্তির আশঙ্কা। এহেন প্রেক্ষিতেই অবাধ, নিরপেক্ষ এবং শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করাটাই কার্যত চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে সে দেশের নির্বাচন কমিশনের কাছে। সেই কারণে গুচ্ছ পদক্ষেপ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। বুধবার থেকে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে সশস্ত্র বাহিনীও।

    সেনা থাকবে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত    

    নির্বাচনোত্তর (Bangladesh Election) অশান্তি এড়াতে বাহিনী মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে ১০ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই বাহিনী কীভাবে কাজ করবে, কী কী দায়িত্ব পালন করবে, তাও জানিয়ে দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মন্ত্রকের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ফৌজদারি কার্যবিধি ও অন্যান্য বিধান এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের জারি করা বিধান অনুযায়ী পরিচালিত হবে এই সশস্ত্র বাহিনী। দেশের প্রতিটি জেলা, উপজেলা ও মহানগর এলাকার নোডাল পয়েন্ট সহ বিভিন্ন জায়গায় মোতায়েন করা হয়েছে বাহিনীর সদস্যদের। কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনকে সাহায্য করতেই মোতায়েন করা হয়েছে সেনাবাহিনী।

    কী বলছে কমিশন?

    বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের সচিব জাহাঙ্গির আলম বলেন, “রিটার্নিং অফিসার ও সহকারি রিটার্নিং অফিসারের সঙ্গে পরামর্শ করে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে সেনা। প্রতিটি আসনের বিভিন্ন নোডাল পয়েন্টে থাকবে তারা। কোনও ধরনের অশান্তির পরিস্থিতির সৃষ্টি হলেই এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটকে নিয়ে তারা যাবে ঘটনাস্থলে। কাজ করবে ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশ মতো।” তিনি জানান, কোন কেন্দ্রের কোথায়, কতগুলি নোডাল পয়েন্ট থাকবে, তা ঠিক করবে স্থানীয় প্রশাসন। আর সেনা কোথায় মোতায়েন করা হবে, তা ঠিক করবেন রিটার্নিং অফিসার, সহকারি রিটার্নিং অফিসার, পুলিশ সুপার-সহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা।

    আরও পড়ুুন: “জ্যোতিপ্রিয়র জ্যোতি নিভে যাচ্ছে, রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ নেই”, কটাক্ষ সুকান্তের

    ২০১৮ সালের নির্বাচনে বাংলাদেশের ৩৮৮টি উপজেলায় ৩৫ হাজারেরও বেশি সশস্ত্র বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছিল। এবার নিয়োগ করা হয়েছে তার চেয়েও বেশি। জানা গিয়েছে, ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তায় মহানগর এলাকা, এলাকার বাইরে ও পার্বত্য এবং দুর্গম এলাকার সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৫-১৬ জন ও ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে ১৬-১৭ জন পুলিশ, আনসার ও গ্রাম পুলিশের ফোর্স মোতায়েন থাকবে। প্রয়োজনে এই সংখ্যা বাড়াতে পারবেন রিটার্নিং অফিসাররা (Bangladesh Election)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • Security Force Rule: হানি ট্র্যাপের হাতছানি এড়াতে আধা সামরিক বাহিনীতে কড়া নির্দেশিকা

    Security Force Rule: হানি ট্র্যাপের হাতছানি এড়াতে আধা সামরিক বাহিনীতে কড়া নির্দেশিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘হানি ট্র্যাপের (Honey Trap) ফাঁদ থেকে কেন্দ্রীয়  আধিকারিকদের বাঁচাতেই এবার কেন্দ্রীয় পুলিশ বাহিনীর তরফে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করা হল। পুলিশ আধিকারিকদের নির্দেশ (Security Force Rule) দেওয়া হল অনলাইনে কোনও রকমের বন্ধুত্ব যেন না পাতান। এছাড়াও ইউনিফর্ম পড়ে সোশ্যাল মাধ্য়মে ছবি আপলোড বা সাজেশনে আসা কোনও প্রোফাইলে যেন ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট না পাঠান, তার কথাও বলা হয়েছে।

    কী কী করতে মানা

    অনলাইনে বন্ধুত্ব পাতিয়ে যৌনতার ফাঁদে ফেলার মতো ঘটনা বার বার প্রকাশ্যে আসায় দেশের গোয়েন্দা সংস্থার তরফে সতর্ক করা হল। গোয়েন্দা সূত্রে খবর, দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার জন্য বেছে বেছে দেশের নিরাপত্তাবাহিনীর কর্মীদেরই বাছা হচ্ছে। ‘যৌনতার ফাঁদ’ পেতে অনলাইনে বন্ধুত্ব পাতানো, ছবি এবং ভিডিয়ো শেয়ার করার মতো ঘটনা ঘটছে। এমন বেশ কিছু ঘটনা মাঝেমধ্যেই প্রকাশ্যে আসছে। আর সেই ফাঁদে যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কর্মীরা পা না-দেন, তাই তাঁদের সতর্ক করলেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের থেকে এমন সতর্কবার্তা পাওয়ার পরই দেশের আধাসামরিক বাহিনী এবং পুলিশকর্মীদের সতর্ক করার কাজ শুরু হয়েছে।

    কেন এই নিষেধাজ্ঞা

    কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, বিশ্লেষণ করে দেখা গিয়েছে যে বহু আধিকারিকরাই নিজেদের ইউনিফর্মে ছবি বা ভিডিয়ো আপলোড করছেন। স্পর্শকাতর স্থান, যেমন সেনা ছাউনি বা অন্য কোনও ক্যাম্প থেকে এইসব ছবি-ভিডিয়ো আপলোড হওয়ায় অনেক গোপনীয় তথ্য ফাঁস হয়ে যাচ্ছে। অনলাইনে বিভিন্ন সোশ্যাল মাধ্যমে অচেনা মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও চ্যাট করেও বিপদ ডেকে আনছেন। এই সমস্ত কার্যকলাপ থেকেই এবার বিরত থাকতে বলা হল আধিকারিকদের। শুধুমাত্র কেন্দ্রীয় বাহিনীই নয়, প্য়ারামিলিটারি ও পুলিশ বাহিনীকেও এই নির্দেশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। যদি এই নির্দেশ না মানা হয়, তবে কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলেও জানানো হয়েছে। বিএসএফ ও আইটিবিপির তরফেও বাহিনীকে এই নির্দেশ অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: দেশের গোপন নথি পাক গুপ্তচর সংস্থাকে পাচারের অভিযোগ! কলকাতায় ধৃত বিহারের যুবক

    দিল্লি পুলিশের একটি সূত্রের খবর, পুলিশ কমিশনার সঞ্জয় অরোরা তাঁর বাহিনীর সমস্ত কর্মীকে এ বিষয়ে অবহিত করেছেন। সমাজমাধ্যমে কোনও উস্কানিমূলক, কোনও কুরুচিকর মন্তব্য না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শুধু তাই-ই নয়, যত ক্ষণ কাজ করবেন তত ক্ষণ কোনও সমাজমাধ্যম ব্যাবহার না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়াও কোনও সংবেদনশীল ছবি পোস্ট না করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • NJP: আসন নিয়ে বচসা! এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরার মধ্যেই চলল গুলি, মৃত্যু প্রাক্তন সেনাকর্মীর

    NJP: আসন নিয়ে বচসা! এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরার মধ্যেই চলল গুলি, মৃত্যু প্রাক্তন সেনাকর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার রাতে এনজেপি (NJP) স্টেশন ঢোকার আগেই কামাখ্যা-আনন্দবিহার এক্সপ্রেসের এক যাত্রীর ওপর গুলি চালানোর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। ওই ব্যক্তির কোমর থেকে পা পর্যন্ত গুলিতে রক্তাক্ত হয়ে যায়। সহযাত্রীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ গুলির শব্দ শুনে তাঁরা তাকিয়ে দেখেন, ওই ব্যক্তি রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েছেন। এনজেপি (NJP) স্টেশনে ট্রেনটি ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে রেল পুলিশ ও আরপিএফ তদন্তে নামে।

    ঠিক কী হয়েছিল?

    আটক যাত্রীদের জেরা করে যে তথ্য উঠে এসেছে তাতে, ওই ব্যক্তি প্রাক্তন সেনা কর্মী রাজস্থানের বাসিন্দা। গুয়াহাটি থেকে তিনি সোমবার ট্রেনে চেপেছিলেন। জেনারেল কামরায় বসার জায়গা নিয়ে তার সঙ্গে সহযাত্রীদের বচসা বাধে। নিজেকে সেনাকর্মী পরিচয় দিয়ে হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি কোমর থেকে সে তার রিভলবার বের করে দেখায় এবং শূন্যে একটি গুলিও চালায় বলে অভিযোগ। তাতেই আতঙ্কিত হয়ে সহযাত্রীরা তাঁর ওপর  ঝাঁপিয়ে পড়েন। প্রাক্তন সেনাকর্মী তখন তার  রিভলবারটি ধরে রাখতে গিয়ে কোনওভাবে তিন রাউন্ড গুলি ছিটকে তাঁর শরীরে ঢোকে। এমনটাই প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে। এদিকে এই খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই এনজেপি (NJP) স্টেশন লাগোয়া সেনা ক্যাম্পের থেকে জওয়ানদের একটি দল স্টেশনে (NJP) এসে খোঁজখবর নিতে শুরু করে। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ রেল পুলিশের তরফে সেনা বিভাগের প্রতিনিধিদের ডাকা হয় মৃতদেহ দেখে প্রয়োজনীয় তথ্য জানানোর ব্যাপারে। তবে, সেনা বিভাগের পক্ষ থেকে কেউ কোনও মন্তব্য করেনি।

    কী বললেন রেল পুলিশের আধিকারিক?

    রেল পুলিশ সুপার এস সালভা মুরুগান বলেন, কী করে ওই প্রাক্তন সেনা কর্মীর কোমর থেকে শরীরের নিচের দিকে তিন রাউন্ড গুলি চললো তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। ঘটনাটি আত্মহত্যা, খুন না নিছক দুর্ঘটনা এ নিয়ে এখনও পরিষ্কার করে বলার মতো তথ্য আমাদের হাতে আসেনি। সব সম্ভাবনাকে গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত চলছে। মৃতদেহ উদ্ধার করে সাতজন সহযাত্রী আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করা হয়েছে।

    সহযাত্রীরা কী বললেন?

    কামরার মধ্যে যাত্রীদের ভিড়ে থিক থিক করছে। অধিকাংশ যাত্রী ঘুমোচ্ছিলেন। আচমকাই কামরার মধ্যে গুলির আওয়াজ শুনে সকলেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। সহযাত্রীরা বলেন, হঠাৎ গুলির শব্দে তাদের সকলের ঘুম ভাঙে। কেউ ভয়ে কামরার মধ্যেই ছোটাছুটি শুরু করেন, কেউবা চুপ করে নিজের জায়গাতে বসেছিলেন। কে গুলি চালিয়েছে এ নিয়ে তাঁরা জানেন না এমনটাই দাবি করেছেন তাঁরা। জানা গিয়েছে, আনন্দবিহার এক্সপ্রেস ট্রেনটি অনেকক্ষণ এনজেপি (NJP) স্টেশনে দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। যে কোচে এই ঘটনা ঘটেছে সেই কোচটি কেটে আলাদা করে এনজেপি স্টেশনে রেখে দেওয়া হয়েছে তদন্তের জন্য। তারপর রাত সাড়ে এগারোটা নাগাদ প্রায় তিন ঘণ্টা দেরিতে এনজেপি (NJP) স্টেশন থেকে আনন্দবিহার এক্সপ্রেসকে রওনা করানো হয়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Calcutta High Court: ডিএ আন্দোলনকারীদের শহিদ মিনার থেকে অন্যত্র সরাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ সেনা

    Calcutta High Court: ডিএ আন্দোলনকারীদের শহিদ মিনার থেকে অন্যত্র সরাতে হাইকোর্টের দ্বারস্থ সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শহিদ মিনার ময়দান থেকে ডিএ (DA Protest) আন্দোলনকারীদের সরিয়ে দিতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হল সেনাবাহিনী (Indian Army)। বকেয়া ডিএ (DA) বা মহার্ঘভাতার দাবিতে রাজ্য সরকারি কর্মচারিদের একাংশ আন্দোলনে সামিল হয়েছে। শহিদ মিনার ময়দানে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের অবস্থান চলছে। সেনাবাহিনীর অভিযোগ, আদালতের নির্দেশ মতো ওই জায়গায় অবস্থান বিক্ষোভ কর্মসূচি নিয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারি কর্মীদের একাংশ। তার জন্য নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই সময়সীমা অগ্রাহ্য করেই কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছেন আন্দোলনকারীরা। সেনার তরফে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) দায়ের করা মামলার শুনানি হতে পারে আগামী শুক্রবার। 

    শুক্রবার শুনানি!

    আগামী শুক্রবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার একক বেঞ্চে (Calcutta High Court) মামলাটির শুনানির সম্ভাবনা রয়েছে। আইনগতভাবে শহিদ মিনার চত্বর সেনাবাহিনীর মালিকানাধীন। তাদের অনুমতি নিয়েই সেখানে যাবতীয় সভা-সমাবেশ করতে হয়। কেন্দ্রীয় হারে ডিএ দেওয়ার দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই শহিদ মিনার চত্বরে অবস্থান বিক্ষোভ চালিয়ে যাচ্ছেন রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের একাংশ। ইতিমধ্যে ডিএ সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারি কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারকে আলোচনায় বসার নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট (Calcutta High Court)। আগামী ১৭ এপ্রিল রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং অর্থসচিবের উপস্থিতিতে আলোচনায় বসবেন সরকারি কর্মচারী সংগঠনের তিন সদস্য। 

    আরও পড়ুুন: দু’দিনের সফরে শুক্রবার রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ, কী কী কর্মসূচি থাকছে?

    আন্দোলন মঞ্চ অন্যত্র সরানোর আর্জি

    ইতিমধ্যেই সোমবার থেকে দিল্লির যন্তর-মন্তরে দু’দিনের প্রতীকী অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন ডিএ আন্দোলনকারীরা। এই সময়ের মধ্যে রাষ্ট্রপতি, উপরাষ্ট্রপতি, কেন্দ্রীয় শিক্ষা ও অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের দেখা করার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আন্দোলনরত সরকারি কর্মচারীদের যুক্তি, বকেয়া ডিএ পেতে সাংবিধানিক হস্তক্ষেপের প্রয়োজন রয়েছে। সেই কারণেই কলকাতার পাশাপাশি আন্দোলনকে দিল্লির দরজায় নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। প্রসঙ্গত, এদিন বকেয়া মহার্ঘ ভাতার দাবিতে চলা আন্দোলন ৭৪ দিনে পড়ল। এই নিয়ে কলকাতার শহিদ মিনারে ধর্না-অবস্থান চালাচ্ছে সরকারি কর্মচারীদের সংগঠন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ। কিন্তু, প্রায় দেড় মাস ধরে চলা তাঁদের এই আন্দোলন নিয়ে এবার আপত্তি জানিয়েছে সেনাবাহিনী। আন্দোলন মঞ্চ অন্যত্র সরিয়ে দিতে কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) দ্বারস্থ হয়েছে ভারতীয় সেনা।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    Army: প্রশিক্ষণ চলাকালীন বারাকপুর সেনা ছাউনিতে মৃত্যু দুই জওয়ানের! কী করে ঘটল দুর্ঘটনা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে প্রশিক্ষণ চলার সময় জলে ডুবে মৃত্যু হল দুই জওয়ানের। এছাড়াও আরও এক জওয়ান গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁকে উদ্ধার করে সেনা (Army) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতদের নাম লেংখোলাল এবং অলড্রিন হিমিংথানজুয়ালা। লেংখোলাল নায়েক পদে কর্মরত ছিলেন। আর সিপাই পদে কর্মরত ছিলেন অলড্রিন। দুজনেই ১৬ নম্বর আসাম রেজিমেন্টে কর্মরত ছিলেন। একজনের বাড়ি নাগাল্যান্ড। অন্যজনের বাড়ি মিজোরাম। ইতিমধ্যেই দুই সেনা (Army) জওয়ানের দেহ ময়না তদন্ত করা হয়েছে। নিয়ম মেনে মৃতদের পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হবে। তবে, প্রশিক্ষণ চলাকালীন এই ঘটনা কী করে ঘটল তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    কী করে মৃত্যু হল দুই সেনা জওয়ানের? Army

    বুধবার বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে অ্যাসল্ট রিভার প্রশিক্ষণ নামে বিশেষ প্রশিক্ষণ চলছিল। মূলত, এই প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সেনা জওয়ানদের দড়ি ধরে জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার হতে হয়। সেনা (Army) সূত্রে জানা গিয়েছে, আসাম রেজিমেন্ট থেকে ওই জওয়ানরা এই বিশেষ প্রশিক্ষণ নিতে এসেছিলেন। ক্যান্টনমেন্টের ভিতরে বিশাল জলাশয়ের ওপর চলছিল এই প্রশিক্ষণ। নিয়মিত এই প্রশিক্ষণ করা হয়। দুর্ঘটনার দিন ৬ জন জওয়ানকে নিয়ে প্রশিক্ষণ চলছিল। প্রথম তিনজন নিয়ম মেনেই দড়ি ধরে জলাশয় পারাপার করেন। কারও কোনও সমস্যা হয়নি। পরের তিনজন দড়ি ধরে ওই জলাশয়ের ওপর দিয়ে পারাপার করতে গিয়ে বিপত্তি ঘটে। দড়ি ছিঁড়ে তিনজন জওয়ান জলাশয়ে পড়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা তলিয়ে যান। যদিও ঘটনাস্থলে উপস্থিত প্রশিক্ষকের উদ্যোগে কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনজনকে জলাশয় থেকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পর দুজনের মৃত্যু হয়। অন্যজন এখনও হাসপাতালে চিকিত্সাধীন রয়েছেন। তবে, এই ধরনের দুর্ঘটনা এর আগে কখনও হয়নি। তাই, প্রশিক্ষণ করতে এসে দুই সেনা জওয়ানের মৃত্যুতে বারাকপুর সেনা (Army) ছাউনিতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Skylight: স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন কতটা সক্রিয়? খতিয়ে দেখল সেনা

    Skylight: স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন কতটা সক্রিয়? খতিয়ে দেখল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের উপগ্রহ ব্যবস্থা কতটা সক্রিয় সম্প্রতি তার মহড়া দিয়েছে ভারতীয় সেনা (Indian Army)। আগামী দিনে কখনও কোন সংঘাত হলে দেশের উপগ্রহ সংযোগ (Satelite System) কতটা সহনশীল তা পরখ করে দেখা হয়েছে এই মহড়াতে। আর্মির এই স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন অ্যাসেটকে ২৫ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত কার্যকরী করা হয়েছিল। তার সাংকেতিক নাম দেওয়া হয়েছে স্কাইলাইট। তবে সুরক্ষার জন্য গোটা ব্যবস্থাটিতে গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলায় মতিলাল ভোরার যোগের স্বপক্ষে প্রমাণ পায়নি ইডি!

    বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, রাশিয়া, ইউক্রেন সংঘাতকে ঘিরে নতুন করে শিক্ষা নিচ্ছে একাধিক দেশের সেনাবাহিনী। চিনের সঙ্গে যে উত্তরের সীমান্ত রয়েছে সেটাও উদ্বেগের একটি বিষয়। সেকারণে গোটা বিষয়টি খতিয়ে দেখছে সেনা বাহিনী। মূলত ভূগঠনগত একটি সমস্যা ওই সীমান্তে থেকেই গিয়েছে। যে কোনও সময়ে চিন বা পাকিস্তানেক সঙ্গে যুদ্ধ লাগতে পারে। তাই তখন যাতে দেশকে কোনও বিপদে পড়তে না হয়, তাই আগে থেকে এই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন: পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সেনার মধ্যে গোপন বৈঠক! আকাশসীমা লঙ্ঘন নিয়ে আলোচনা

    মূলত সেনার অন্দরে এরোস্পেস টেকনোলজি কতটা রয়েছে সেটাও দেখা হয়। আধিকারিকদের মতে, সেনার হাতে ইসরোর একাধিক উপগ্রহ, যানবাহনের মাথার উপরে থাকা পোর্টেবল টার্মিনাল, মানুষের দ্বারা বহনকারী টার্মিনাল রয়েছে। এই মহড়া চলাকালীন সমস্ত স্যাটেলাইট ব্যবস্থাকে কার্যকর করা হয়েছিল। ইসরোও এই মহড়ায় অংশ নিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: ছাড়পত্র মিলেছে ১৫টির, সেনা চায় ৯৫টি! জানুন এই লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য

    সেনা সূত্রের খবর, আগামী দিনে যুদ্ধে স্পেস একটি জটিল জায়গা দখল করবে। আধুনিক প্রযুক্তি এমন দিকে এগোচ্ছে যে মহাকাশ থেকেই নিয়ন্ত্রিত হতে পারে যুদ্ধের গতি।আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সেনা চাইছে নিজের জন্য একটি স্যাটেলাইটের ব্যবস্থা তৈরি করতে। এক আধিকারিক জানিয়েছেন, এই ধরনের উপগ্রহের ব্যবস্থা থাকলে শুধু পদাতিক সেনাদের জন্য নয়, সব জায়গায় এটা সহায়তা করবে।

     

  • Light Combat Helicopters: ছাড়পত্র মিলেছে ১৫টির, সেনা চায় ৯৫টি! জানুন এই লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য

    Light Combat Helicopters: ছাড়পত্র মিলেছে ১৫টির, সেনা চায় ৯৫টি! জানুন এই লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের বৈশিষ্ট্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাবিনেট কমিটি ১৫টি লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার (Light Combat Helicopter) কেনার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছে। এর মধ্যে ১০টি বায়ুসেনার (Indian Air Force) জন্য। ৫টি সেনার (Army) হাতে থাকবে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেড (HAL) থেকে কেনা হবে এগুলি। এজন্য খরচ হবে ৩,৮৮৭ কোটি টাকা। তবে সেনা সূত্রে খবর, পাঁচটি নয় সেনার প্রয়োজন ৯৫টি লাইট কমব্যাট কপ্টার।

    প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের একটি স্কোয়াড্রন তৈরি করতে চাইছে সেনা। সেখানে সাতটি ইউনিট থাকবে। এক একটি ইউনিটে ১০টি করে কপ্টার থাকবে। এগুলি ইস্টার্ন কম্যান্ডে ব্যবহার করার কথাও ভাবা হচ্ছে। মূলত পাহাড়ি এলাকায় ও উচ্চ অক্ষাংশে যাতায়াত করার জন্য় লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। প্রায় ১৫ হাজার ফুট উচ্চতায় এটি সমরসামগ্রী পৌঁছে দিতে পারে। শত্রুর ঘাঁটি উড়িয়ে দিতে, এয়ারক্রাফটকে নিশানা করতে, পাহাড়ে থাকা শত্রু বাঙ্কারকে উড়িয়ে দিতে, জঙ্গল এলাকায়, শহর এলাকায় সেনাদের সহায়তা করতে এই লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টারের জুড়ি মেলা ভার।

    আরও পড়ুন: আতঙ্কিত চিন! এবার প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে বায়ুসেনার যুদ্ধবিমান

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধের সময় এই লাইট কমব্যাট কপ্টারের প্রয়োজন অনুভব করেছিল ভারতীয় সেনা। এমন কপ্টার, যা অনেকটা উঁচুতে উড়ে লড়াই চালাতে পারবে। অনুপ্রবেশকারী পাকিস্তানের সেনারা কার্গিলের বিভিন্ন শিখর দখল করে রেখেছিল। কিন্তু, রাশিয়া থেকে আমদানি করা কপ্টারগুলো অত উঁচুতে উড়তে পারছিল না। ফলে সমস্যায় পড়তে হয় ভারতীয় সেনাবাহিনীকে। সেই সময় ভারতীয় বিমান বাহিনী এমআই-১৭ কপ্টার ব্যবহার করতে বাধ্য হয়েছিল। শত্রুপক্ষের আক্রমণের মুখে তাতে বেশ ক্ষতিও হয়েছিল বাহিনীর। এরপরই ২০০৬ সালে হিন্দুস্তান অ্যারোনেটিকস লিমিটেড বা হ্যাল হালকা যুদ্ধকপ্টার তৈরির কথা ঘোষণা করে। এমন কপ্টার যা রুক্ষ, শুষ্ক মরুভূমিতেও ব্যবহার করা যাবে। আবার লাদাখ এবং সিয়াচেন হিমবাহের মতো উঁচু শৈলশিখরেও তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোনও অসুবিধা হবে না।

  • Agnipath Scheme: তারুণ্যে ভরপুর সেনা! অগ্নিপথ সঠিক দাবি কংগ্রেস নেতার

    Agnipath Scheme: তারুণ্যে ভরপুর সেনা! অগ্নিপথ সঠিক দাবি কংগ্রেস নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অগ্নিপথ প্রকল্প কেন্দ্রের সঠিক পথ বলে দাবি করলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা মনীশ তিওয়ারি। দল অগ্নিপথ নিয়ে সরকারের বিরোধিতা করলেও সেই বিরোধের সুর খানিকটা কেটে দিয়েছেন মনীশ। তাঁর বক্তব্য, সেনায় সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ করেছে। বিরোধিতা করতে হবে বলেই কোনও প্রকল্পকে খাটো করা উচিত নয়। আজকের দিনে সেনায় মানুষের থেকে বেশি প্রয়োজন উন্নত প্রযুক্তি। সেই সঙ্গে সেনা বাহিনীকে হতে হবে তারণ্যে ভরপুর। সেই লক্ষ্যেই এগোচ্ছে কেন্দ্র সরকার।

    প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, এই প্রকল্পে ‘অগ্নিবীর’ হিসেবে সেনায় ৪৬ হাজার নিয়োগ হবে। সাড়ে ১৭ থেকে ২৩ বছর মধ্যে ছেলেমেয়েরা আবেদন করতে পারবেন। ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা চাওয়া হয়েছে দশম স্তর। কাজে যোগ দিয়ে বার্ষিক বেতন হবে ৪.৭৬ লাখ টাকা। চতুর্থ বছরে তা বেড়ে হবে ৬.৯২ লাখ টাকা। এর পাশাপাশি কোনও খরচ ছাড়াই ৪৮ লাখ টাকার বিমা এবং চার বছরের শেষে এককালীন ১১.৭১ লাখ টাকা দেওয়া হবে। সেইসঙ্গে অভিজ্ঞতার শংসাপত্র ও ব্যাঙ্ক থেকে ঋণ নেওয়ার সুবিধাও পাবেন অগ্নিবীররা।

    আরও পড়ুন: অগ্নিপথ প্রকল্পে বায়ুসেনায় নিয়োগ পক্রিয়া শুরু ২৪ জুন, সেনায় ডিসেম্বরে

    বিশেষজ্ঞদের দাবি, সেনাবাহিনীতে অল্প সময়ের জন্য নিয়োগ নতুন কিছু নয়। অনেক অফিসারই পাঁচ বছরের জন্য চাকরি করেন। পরে তাঁরা কেউ কেউ থেকে যান। কিন্তু বেশির ভাগই অন্য জায়গায় চাকরি করেন। বিরোধীরা ভুল প্রচার করছে বলে সরকারি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে জানানো হয়েছে, কর্মসংস্থানের বড় সুযোগ তৈরি করে দেবে অগ্নিপথ প্রকল্প। সরকারি কর্তারা মনে করছেন, চুক্তিতে চার বছরের চাকরিতে নিয়োগের ভাল দিকগুলি তরুণ সমাজের কাছে ঠিকঠাক তুলে ধরা গেলে পরিস্থিতি বদলে যাবে।

    অনেকেই অবসরের পরে পেনশনের দাবি করছেন। সরকারের তরফে দাবি, চার বছর চাকরির পর পেনশন খুব কম জায়গায় মেলে। সরকারের দাবি,  যাঁরা সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ নেবেন তাঁরা যখন সরকারি বা বেসরকারি সংস্থায় কাজের আবেদন করবেন তখন বাড়তি সুবিধা পাবেন অভিজ্ঞতার জন্য। শৃঙ্খলাবদ্ধ ও প্রশিক্ষিত কর্মী হিসেবে বাড়তি ‘গুরুত্ব’ও পাবেন তাঁরা।

LinkedIn
Share