Tag: Arunachal Pradesh

Arunachal Pradesh

  • Siachen Glacier: সিয়াচেনের কাছে পাক-অধিকৃত ভূখণ্ডে সড়ক-সুড়ঙ্গ নির্মাণ করছে চিন, উদ্বিগ্ন ভারত

    Siachen Glacier: সিয়াচেনের কাছে পাক-অধিকৃত ভূখণ্ডে সড়ক-সুড়ঙ্গ নির্মাণ করছে চিন, উদ্বিগ্ন ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার প্রকাশ্যে এল সিয়াচেনের (Siachen Glacier) পাক-অধিকৃত অংশে সড়ক ও সুড়ঙ্গ নির্মাণের চিনা সেনার কর্মকাণ্ড। সম্প্রতি পাওয়া উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছে, পাক অধিকৃত ভারতীয় ভূখণ্ড শাকসগাম এলাকায় কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে চিনা লিবারেশেন আর্মি। কয়েক বছর আগেও উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছিল, প্যাংগং হ্রদের উত্তর ও দক্ষিণ তীরজুড়ে সেতু নির্মাণে তৎপর চিনা ফৌজ।

    লাল ফৌজের তৎপরতা (Siachen Glacier)

    পরে অন্য একটি উপগ্রহ চিত্রে দেখা গিয়েছিল, এলএলসি লাগোয়া আকসাই চিন এলাকায় স্থায়ী বাঙ্কার ও বড় সুড়ঙ্গ তৈরি করছে লাল ফৌজ। ভবিষ্যতে সংঘাতের পরিস্থিতির মোকাবিলা করতেই ড্রাগনের দেশের এই পদক্ষেপ বলে ধারণা ভারতের। ভূগর্ভস্থ বাঙ্কারে সেনার পাশাপাশি অস্ত্রশস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ রসদ মজুত রাখার ব্যবস্থা হচ্ছে বলেই ধরা পড়েছিল গত বছর তোলা উপগ্রহ চিত্রেও। ১৯৪৮ সালে জম্মু-কাশ্মীরের শাকসগাম এলাকা (Siachen Glacier) দখল করেছিল পাক সেনা।

    বেল্ট অ্যান্ড রোড’ কর্মসূচি

    ছয়ের দশকে সিয়াচেন হিমবাহের পূর্ব প্রান্তের ওই এলাকা চিনের হাতে তুলে দিয়েছিল পাকিস্তান। সেখানেই নতুন রাস্তা ও সুড়ঙ্গ খুঁড়ছে বেজিং। পশ্চিম চিনের শিনজিয়াং প্রদেশের কাশগড় থেকে দক্ষিণ পাকিস্তানের গ্বদর বন্দর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে কারাকোরাম হাইওয়ে। এটি গিয়েছে শাকসগাম উপত্যকার অদূরে। ১৩০০ কিলোমিটার দীর্ঘ চিন-পাকিস্তান এই অর্থনৈতিক করিডর চিনের ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ কর্মসূচির অঙ্গ। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতিতে দ্রুত সেনা ও সামরিক সরঞ্জাম পরিবহনের লক্ষ্যেই শাকসগাম থেকে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর সংযোগকারী রাস্তা তৈরি করছে বেজিং। ভারতের উদ্বেগের কারণ এটাই।

    আরও পড়ুুন: ইভিএমের সঙ্গে ১০০ শতাংশ ভিভিপ্যাট যাচাইয়ের আর্জি খারিজ সুপ্রিম কোর্টে

    ভারতীয় সেনার লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাকেশ শর্মা বলেন, “এই রাস্তাটি (চিন যে নয়া রাস্তা তৈরি করছে) অবৈধ। ভারত অবশ্যই এ ব্যাপারে কূটনৈতিকভাবে প্রতিবাদ জানাবে।” এক্স হ্যান্ডেলে ইন্দো-টিবেটিয়ান ফ্রন্টিয়ার অবজার্ভার লিখেছেন, “গুরুত্বপূর্ণ ডেভেলপমেন্ট হল চিনের নয়া রাস্তা আগলি পাশ পর্যন্ত চলে এসেছে। কাশ্মীরের লোয়ার সাকসগাম উপত্যকায় পৌঁছে গিয়েছে। সড়কপথে সিয়াচেন থেকে  এখানকার দূরত্ব ৩০ মাইলেরও কম।” কিছুদিন আগেই ভারতের অরুণাচল প্রদেশের একাধিক জায়গার নাম বদলে দিয়ে খবরের শিরোনামে চলে এসেছিল চিন। সেবারও কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিল ভারত। এবার তারা রাস্তা করছে পাক অধিকৃত ভারত ভূখণ্ডে।

    সীমান্তে উত্তেজনা জিইয়ে রাখাই কি একমাত্র কাজ শি জিনপিংয়ের দেশের (Siachen Glacier)?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Arunachal Pradesh: ফের ভোট অরুণাচলে! ৮টি বুথে হবে পুনর্নির্বাচন, জানাল কমিশন

    Arunachal Pradesh: ফের ভোট অরুণাচলে! ৮টি বুথে হবে পুনর্নির্বাচন, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের ৮টি বুথে ফের পুনর্নির্বাচন হবে। অরুণাচলের (Arunachal Pradesh) মুখ্যনির্বাচনী অধিকারী লিকেন কোয়ু সোমবার জানিয়েছেন, “আগামী ২৪ এপ্রিল বুধবার সকাল ৬টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত ওই বুথগুলিতে ফের ভোট গ্রহণ করা হবে। প্রসঙ্গত শুক্রবার ভোট গ্রহণে অনিয়ম, হিংসা ও ইভিএম মেশিনে গোলযোগের কারণে পুনর্নির্বাচনে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” উল্লেখ্য উত্তরপূর্ব অঞ্চলের মধ্যে মণিপুরে কিছু কেন্দ্রে আরও একবার ভোট নেওয়ার কথা কমিশন আগেই জানিয়েছে।  

    কোন কোন বুথে পুনর্নির্বাচন (Arunachal Pradesh)?

    অরুণাচলের (Arunachal Pradesh) যে বুথগুলিতে পুনর্নির্বাচন হবে তার মধ্যে রয়েছে, তার মধ্যে হল, পূর্ব কামেং জেলার বামেং বিধানসভা কেন্দ্রের সারিও, কুরুং কুমেয়ের নিয়াপিন বিধানসভা আসনের লংটে লথ, ডিংসের, বগিয়া সিয়ুম, জিম্বারি এবং আপার সুবনসিরি জেলার নাচো বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনে লেঙ্গি ভোটকেন্দ্র। এছাড়া সিয়াং জেলার রামগং বিধানসভা কেন্দ্রের বোগনে এবং মোলোম বুথেও পুনর্নির্বাচন হবে।

    আরও পড়ুনঃ অঙ্কিতা-ববিতার পর এবার চাকরি গেল অনামিকারও, হতাশ হলেও লড়াই ছাড়তে নারাজ

    ২০১৯ সালে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিজেপি

    শুক্রবার অরুণাচল (Arunachal Pradesh) প্রদেশের দুটি লোকসভা আসনের পাশাপাশি বিধানসভার ভোটগ্রহণ হয়েছে। এই রাজ্যের ৬০টি বিধানসভার (Assembly election) মধ্যে ইতিমধ্যেই সাতটিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতে গিয়েছে শাসক দল ভারতীয় জনতা পার্টি। কংগ্রেস ২০১৪ সালে বিধানসভা ভোটে জিতে অরুণাচল প্রদেশের সরকার গঠন করলেও পরবর্তী সময়ে অধিকাংশ বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন পেমা খাংডু। এরপর তিনি সেখানে বিজেপির (BJP) হয়ে মুখ্যমন্ত্রী হন। ২০১৯ সালের ভোটে সেখানে নিরঙ্কুশ জয় পায় বিজেপি। এবার ময়দানে কংগ্রেস (congress), এনপিপি সহ একাধিক দল থাকলেও সেখানে বিজেপির ক্ষমতা ফিরে আসার বিষয় কার্যত নিশ্চিত বলে মনে করা হচ্ছে। লোকসভার ভোটের গণনা দেশ জুড়ে ৪ জুন হলেও অরুণাচলের বিধানসভার ভোটের গণনা হবে ২ জুন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    Lok Sabha Elections 2024: এবছর কি আপনার প্রথম ভোট? তাহলে জেনে নিন ভোটকেন্দ্রে কী কী করণীয়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) ভোটগ্রহণ পর্ব। এবার লোকসভার ৫৪৪টি আসনে ভোট নেওয়া হবে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসন রয়েছে। এবার নির্বাচন হচ্ছে সাত দফায়। বাংলায় সাত দফার ভোটের মধ্যে প্রথম দফার ভোট হবে ১৯ এপ্রিল। দ্বিতীয় দফা ২৬ এপ্রিল। তৃতীয় দফার ভোট ৭ মে। ১৩ মে চতুর্থ দফার ভোট। পঞ্চম দফা ২০ মে। ষষ্ঠ দফা ২৫ মে। ১ জুন সপ্তম তথা শেষ দফার ভোট হবে বাংলায়। বাংলার মতোই সাত দফার ভোট হচ্ছে বিহার ও উত্তর প্রদেশে। ভোট গণনা ৪ জুন।

    শুক্রবার ১০২ আসনে ভোটগ্রহণ

    গোটা দেশের ২৮টি রাজ্য ও ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে শুক্রবার নির্বাচন হচ্ছে ১৭টি রাজ্য ও ৪টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ১০২টি আসনে। একই সঙ্গে আগামীকাল নির্বাচন আছে অরুণাচল প্রদেশের বিধানসভার ৬০টি এবং সিকিমের ৩২টি আসনে।

    কোন কোন নথি সঙ্গে রাখবেন?

    প্রতি বছরই নতুন ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। এবারেও নতুন ভোটার (first-time voters) সংখ্যা নেহাত কম নয়। তাই নতুন ভোটারদের সুবিধার্থে এবার ভোট দিতে গেলে কী কী নথি লাগবে তার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন (Election Commission), পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স, কেন্দ্র–রাজ্য সরকার অধিগৃহীত সংস্থার সচিত্র পরিচয়পত্র, সাংসদ–বিধায়কদের দেওয়া সরকারি পরিচয়পত্র, সচিত্র ব্যাঙ্ক কিংবা পোস্ট অফিসের পাসবুক, প্যান কার্ড, রেজিস্ট্রার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার স্মার্ট কার্ড, একশো দিনের কাজের জব কার্ড (Lok Sabha Elections 2024), শ্রম মন্ত্রকের কোনও প্রকল্পের স্বাস্থ্য বিমার কার্ড, বিশেষভাবে সক্ষমদের ইউনিক কার্ড, সচিত্র পেনশন নথি, আধার কার্ড ও ভোটারদের সচিত্র পরিচয়পত্র-জানানো হয়েছে এই নথির যে কোনও একটি থাকলে আপনি ভোট দিতে পারবেন।  

    ভোটদান প্রক্রিয়া

    প্রথমেই ভোটারকে (Lok Sabha Elections 2024) তার কাছাকাছি ভোট কেন্দ্রে যেতে হবে। ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার পর ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পোলিং অফিসারের কাছে নিজের নাম ভোটার (voter) লিস্টের সঙ্গে মেলাতে হবে। এরপর তথ্য যাচাই হয়ে গেলে হাতের আঙুলে কালি দেওয়া হবে এবং একটি স্লিপ দেওয়া হবে। এরপর রেজিস্টারে সই করে সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত পোলিং অফিসারের কাছে স্লিপটি জমা দিয়ে ভোটিং বুথের কাছে যেতে হবে। বুথের ভিতরে, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (EVM) গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর নির্বাচনী প্রতীকের সাথে থাকা সংশ্লিষ্ট বোতাম টিপে ভোটদান প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। তবে যদি প্রার্থীদের মধ্যে কাউকে আপনি ভোট দিতে না চান, তাহলে ইভিএমের নীচে নোটা (NOTA-None Of The Above) নির্বাচন করার বিকল্প রয়েছে।

    ভোটকেন্দ্রের মধ্যে মোবাইল নিষিদ্ধ

    উল্লেখ্য, ভোটকেন্দ্রের মধ্যে মোবাইল এবং ক্যামেরার মতো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে যাওয়া নিষিদ্ধ। তাই ভোটকেন্দ্রে ঢোকার আগে সঙ্গে ফোন থাকলে তা অবশ্যই দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের (Lok Sabha Elections 2024) কাছে জমা দিয়ে ভিতরে ঢুকতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: ভোটার মাত্র এক জন, তাঁর ভোট নিতে দুর্গম পাহাড়ে ৩৯ কিমি ট্রেক করলেন ভোটকর্মীরা

    Lok Sabha Elections 2024: ভোটার মাত্র এক জন, তাঁর ভোট নিতে দুর্গম পাহাড়ে ৩৯ কিমি ট্রেক করলেন ভোটকর্মীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাত পোহালেই লোকসভা নির্বাচন (Lok Sabha Elections 2024)। গণতন্ত্রের উৎসবের এই আনন্দ যজ্ঞে শামিল হবেন সবাই। একজনও যেন বঞ্চিত না হন বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের এই নির্বাচন-যজ্ঞ থেকে। নির্বাচন কমিশনের এহেন স্বপ্ন রূপদান করতে মাত্র একজন ভোটারের জন্য পাহাড়ি ৩৯ কিলোমিটার রাস্তা উজিয়ে ভোট নিতে যাচ্ছেন পোলিং অফিসাররা।

    চিনকে জবাব ভারতের! (Lok Sabha Elections 2024)

    অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন জায়গাকে মাঝে মধ্যে নিজেদের মানচিত্রে দেখিয়ে তাদের ভূখণ্ড বলে দাবি করে চিন। এহেন অরুণাচলের প্রত্যন্ত মালোগাম গ্রামে একটি মাত্র ভোট সংগ্রহ করতে পায়ে হেঁটে যে দুর্গম গিরি পার হচ্ছেন পোলিং আধিকারিকরা, তাতে ভারত (Lok Sabha Elections 2024) বিশ্বকে আরও একবার বুঝিয়ে দিল ‘অরুণাচল ভারতেরই ছিল, আছে এবং থাকবে’। ফেরা যাক খবরে। অরুণাচলের আনজ জেলার মালোগামে বাস করেন বছর চুয়াল্লিশের সোকেলা তায়াং। সেই সোকেলার ভোট নিতেই খোলা হয়েছে বুথ।

    পাহাড়ি পথে পাড়ি

    এবার সাত দফায় হবে লোকসভা নির্বাচন। ১৯ এপ্রিল হবে প্রথম দফার নির্বাচন। সেদিনই ভোট হবে অরুণাচলের এই গাঁয়েও। চিন সীমান্ত ঘেঁষা মালোগামের বুথে গিয়ে ভোট দেবেন সোকেলা। নির্বাচন কমিশন সূত্রে (Lok Sabha Elections 2024) খবর, মালোগামে হাতে গোণা কয়েকটি পরিবার রয়েছে। তবে ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে শুধুই সোকেলার। তাঁকে অন্য বুথে গিয়ে ভোট দিতে বলা হয়েছিল। তিনি রাজি নন। অগত্যা সোকেলার ভোট নিতে পোলিং অফিসারদের পার হতে হচ্ছে ৩৯ কিলোমিটার পাহাড়ি পথ। অরুণাচলের এই কেন্দ্রে লড়াই করছেন বশিরাম সীরাম এবং তাপির গাও। এঁদেরই একজনের নামের পাশে পড়তে পারে সোকেলার ভোট। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার পবন কুমার সাইন বলেন, “এসব ক্ষেত্রে (সোকেলার ভোট নিতে যাওয়া) কতজন ভোট দিচ্ছেন, তা ম্যাটার করে না। কিন্তু আমরা এটি নিশ্চিত করতে চাই যে গণতন্ত্রে যেন প্রত্যেকেই তাঁর মতামত ব্যক্ত করতে পারেন। সোকেলা তোয়াংয়ের ভোট অন্তর্ভুক্তি ও সাম্যের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতার দলিল।”

    আরও পড়ুুন: এবার গ্রাউন্ড জিরো থেকে কোচবিহারের ওপর সরাসরি নজর দুই বিশেষ পর্যবেক্ষকের

    এদিকে, ওড়িশায় সখী বুথ খোলা হল নির্বাচন কমিশনের তরফে। এই বুথের সমস্ত পোলিং অফিসারই মহিলা। ওড়িশা হ্যান্ডলুমের কর্মী তাঁরা। গণতন্ত্রের উৎসবে যোগ দিতে গিয়ে মহিলারা যাতে অস্বস্তি বোধ না করেন, তাই এই আয়োজন বলে নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর (Lok Sabha Elections 2024)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Rajnath Singh: “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়…”, বেজিংকে খোঁচা রাজনাথের

    Rajnath Singh: “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়…”, বেজিংকে খোঁচা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আমরা যদি প্রতিবেশী দেশের বিভিন্ন রাজ্যের নাম পরিবর্তন করি, তাহলে কি সেগুলি আমাদের ভূখণ্ডের অংশ হয়ে যাবে?” মঙ্গলবার অরুণাচল প্রদেশ পূর্ব লোকসভা কেন্দ্রের নামসাইতে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে এই ভাষায়ই চিনকে নিশানা করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংহ (Rajnath Singh)।

    রাজনাথের কটাক্ষ-বাণ (Rajnath Singh)

    সম্প্রতি ফের একবার অরুণাচল প্রদেশের ৩০টি রাজ্যের নাম বদলে দিয়েছে বেজিং। তার পরেই চিনকে নিশানা করেছিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনিও বলেছিলেন, কোনও জায়গার নাম অন্য দেশ বদলে দিলেও, সেই ভূখণ্ড ওই দেশের হয়ে যায় না। এদিন রাজনাথের গলায়ও শোনা গেল প্রায় একই সুর। তিনি বলেন, “নাম বদলে দিলে ভারতের কিস্যু যায় আসে না।” এর পরেই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “যদি নয়াদিল্লি চিনের কিছু অঞ্চলের নাম বদলে দেয়, তাহলে কি সেই জায়গাগুলি ভারতের হয়ে যাবে?”

    আরও পড়ুুন: “রাজ্যে চালু হবে সংগ্রামী ভাতা”, ঘোষণা শুভেন্দুর, কারা পাবেন?

    কী বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী?

    এদিনের সভায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “চিন অরুণচল প্রদেশের তিরিশটি জায়গার নাম বদলে দিয়েছে। সেটা আবার তারা ওয়েবসাইটে পোস্টও করেছে। আমি আমার প্রতিবেশীকে বলতে চাই, নাম বদলে দিলে ভারতের বয়েই যায়।” এর পরেই তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আগামিকাল যদি আমরা চিনের কিছু অঞ্চল ও প্রদেশের নাম পরিবর্তন করে ফেলি, তাহলে কি সেই জায়গাগুলি ভারতের হয়ে যাবে?” ভারত যে যেচেপড়ে প্রতিবেশীর সঙ্গে ঝগড়া করতে চায় না, এদিন তা আরও একবার মনে করিয়ে দিয়েছেন রাজনাথ। তবে সম্মানের সঙ্গে কোনওরকম আপোশ করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি। বলেন, “অটল বিহারী বাজপেয়ী প্রায়ই বলতেন, বন্ধুরা জীবনে পরিবর্তন আনে, কিন্তু প্রতিবেশীরা নয়। ভারতের লক্ষ্যই হল, প্রতিবেশী সব দেশের সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রাখা। কিন্তু কেউ যদি ভারতের সম্মানে ঘা দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে আজ ভারত তাকে মুখের মতো জবাব দেবে।” ‘বিকশিত ভারত’ যে স্রেফ স্লোগান নয় তা জানিয়ে রাজনাথ বলেন, “এটা বিজেপির প্রতিশ্রুতি, যা পূরণ করতেই হবে।” তিনি (Rajnath Singh) বলেন, “আমাদের প্রধানমন্ত্রীও বলেছেন, ২০৪৭ সালের মধ্যে ভারত উন্নত দেশে পরিণত হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • S Jaishankar: “আপনার বাড়ির নাম যদি বদলে দিই, বাড়িটা আমার হয়ে যাবে?”, চিনকে তোপ জয়শঙ্করের

    S Jaishankar: “আপনার বাড়ির নাম যদি বদলে দিই, বাড়িটা আমার হয়ে যাবে?”, চিনকে তোপ জয়শঙ্করের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ যদি আমি আপনার বাড়ির নাম বদলে দিই, তাহলেই কী বাড়িটা আমার হয়ে যায়?” দক্ষিণ গুজরাট চেম্বার অফ কমার্স আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে প্রশ্নটি ছুড়ে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। অথচ মাঝে মধ্যেই ভারতের এই অঙ্গরাজ্যটির বিভিন্ন অংশের নাম বদলে দিচ্ছে চিন।

    অরুণাচলের নাম বদলাচ্ছে চিন (S Jaishankar)

    ফি বছর মানচিত্র প্রকাশের আগে অরুণাচলের এক একটি এলাকার নাম বদলে দিচ্ছে চিন। সম্প্রতি ফের অরুণাচলের ৩০টি এলাকার নাম বদলে দিয়েছে বেজিং। চিন যে ৩০টি এলাকার নাম পরিবর্তন করেছে, তার মধ্যে রয়েছে ১২টি পর্বত, চারটি নদী, একটি হ্রদ, একটি পর্বত গিরিপথ, ১১টি আবাসিক এলাকা এবং একটি জমি। চিনা ভাষায় জায়গাগুলির নামও লিখে ফেলেছে ড্রাগনের দেশ। এদিনের অনুষ্ঠানে সেই কারণেই চিনকে নিশানা করেন বিদেশমন্ত্রী জয়শঙ্কর (S Jaishankar)।

    কী বললেন জয়শঙ্কর?

    তিনি বলেন, “আজ যদি আমি আপনার বাড়ির নাম বদলে দিই, তাহলেই কী বাড়িটা আমার হয়ে যায়? অরুণাচল প্রদেশ চিরকাল ভারতের ছিল, আছে এবং থাকবে। তাই নাম পরিবর্তনের কোনও প্রভাব পড়বে না। আমাদের বাহিনী মোতায়েন রয়েছে সেখানে (প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায়)।” ১৯১৭ সালে চিন অরুণাচলের ছ’টি জায়গার জন্য ‘প্রমিত’ নামের একটি প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ করেছিল। ২০২১ সালে ১৫টি জায়গার নাম সম্বলিত দ্বিতীয় তালিকা প্রকাশ করে। ২০২৩ সালে আরও একটি তালিকা প্রকাশ করে বেজিং। এতে নাম ছিল ১১টি জায়গার।

    তার পর এবার ফের বদলে ফেলল অরুণাচলের ৩০টি জায়গার নাম। তিনি বলেন, “এটা (অরুণাচলের জায়গার নাম বদল) নতুন কোনও ইস্যু নয়। এটা চিনের দাবির বর্ধিত অংশ। তাদের এই দাবি আগেও হাস্যকর ছিল, এখনও হাস্যকরই রয়েছে।”

    আরও পড়ুুন: “ভোটারদের তেজপাতা মনে করেন মমতা”, শীতলকুচির সভায় বিস্ফোরক শুভেন্দু

    দিন কয়েক আগে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়ালও বলেছিলেন, “অরুণাচল ইস্যুতে আমাদের অবস্থান বরাবর স্পষ্ট। তাই চিন যতবার ইচ্ছা, তার ভিত্তিহীন দাবির পুনরাবৃত্তি করতে পারে। তবে কী জানেন, অরুণচল প্রদেশ ভারতের ছিল, আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে (S Jaishankar)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arunachal Pradesh: বিনা লড়াইয়ে বিধায়ক নির্বাচিত অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী সহ পাঁচ বিজেপি প্রার্থী

    Arunachal Pradesh: বিনা লড়াইয়ে বিধায়ক নির্বাচিত অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী সহ পাঁচ বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হলেন অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু-সহ পাঁচ জন বিজেপি প্রার্থী। বুধবারই ছিল অরুণাচলের মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন। মুখ্যমন্ত্রীর আসন সমেত অন্য চার বিজেপি প্রার্থীর কেন্দ্রে অন্য কোনও মনোনয়ন জমা পড়েনি। তাই এই ৫ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় এল গেরুয়া শিবিরের।

    কোন কোন আসন থেকে বিজেপি প্রার্থীরা জিতলেন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়?

    প্রসঙ্গত, অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh) বর্তমানে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। সে রাজ্যে বিধানসভার মোট আসন ৬০টি। ২০১৯ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতেছিল ৪১টিতে। বিজেপির মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু এ বারও তাঁর পুরনো কেন্দ্র, তাওয়াং জেলার মুক্তো থেকেই প্রার্থী হয়েছেন। সে রাজ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিন ৩০ মার্চ। পেমা খান্ডু ছাড়া অন্য যে চার বিজেপি প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁরা হলেন, তালি আসন থেকে জিকে টাকো, তালিহা কেন্দ্র থেকে নিয়াতো ডুকম, সাগালি আসন থেকে রাতু তেচি এবং রোয়িং বিধানসভা কেন্দ্র থেকে মুচ্চু মিথি।

    আরও পড়ুুন: লোকসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে ‘রামধাক্কা’, আপ ছেড়ে বিজেপিতে সাংসদ, বিধায়ক

    কী বলছেন অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী?

    প্রসঙ্গত, ১৮তম লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গে দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনও (Arunachal Pradesh) অনুষ্ঠিত হবে। অরুণাচল প্রদেশ ছাড়া বাকি রাজ্যগুলি হল- ওড়িশা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং সিকিম। উত্তর-পূর্ব ভারতের  দুই রাজ্য, অরুণাচল এবং সিকিমে ভোটগ্রহণ এক দফাতেই হবে। তা হবে আগামী ১৯ এপ্রিল। লোকসভার ভোটগণনার তারিখ ইতিমধ্যে কমিশন ঘোষণা করেছে ৪ জুন। তবে অরুণাচল এবং সিকিমে ভোট গণনা হবে ২ এপ্রিল। অরুণাচলের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খান্ডু সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী ছাড়া অন্য কেউ মনোনয়নপত্র দাখিল করেননি। আমরা আশা করি, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে আরও কয়েকটি আসনেও আমরা বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হব।’’

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Sela Tunnel: চিন সীমান্তে ‘সেলা টানেল’, দ্রুত যাতায়াত করতে পারবে সেনা, কত খরচ হল?

    Sela Tunnel: চিন সীমান্তে ‘সেলা টানেল’, দ্রুত যাতায়াত করতে পারবে সেনা, কত খরচ হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার অরুণাচলের চিন সীমান্তে সেলা ট্যানেলের (Sela Tunnel) উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে এই সুড়ঙ্গ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। লাদাখ থেকে অরুণাচল প্রদেশ সম্প্রতিক অতীতে একাধিকবার চিন সীমান্তে সংঘাত বেঁধেছে। শুক্রবারই আবার চিনা বিদেশ মন্ত্রক কার্যত হুমকি দেয় ভারতকে সীমান্তে সেনা মোতায়েন নিয়ে। ঠিক সেই আবহে শনিবারই প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন করে দিলেন সেলা টানেলের। দুর্গম এই অঞ্চলের যাতায়াত ব্যবস্থাও কঠিন হয়ে পড়ে সেনাবাহিনীর পক্ষে। সেই ছবিই এবার বদলে দিল মোদি সরকার। সেলা টানেলের (Sela Tunnel) মাধ্যমে লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের কাছে যেতে বাধাহীনভাবে পৌঁছানো সম্ভব হবে এবার।

    কী বলছেন সেনার আধিকারিক?

    সেনার এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, জওয়ানরা যাতে সীমান্তের কাছে অতি দ্রুত পৌঁছে যেতে পারেন, যাতে অস্ত্রশস্ত্র তাড়াতাড়ি নিয়ে যাওয়া যায়, তার জন্যই গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হবে এই সেলা টানেল। ওই আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, শীতকালে এই টানেল আরও অনেক বেশি কাজে আসবে। কারণ পার্বত্য অঞ্চলের রাস্তাগুলি শীতকালে সম্পূর্ণভাবে বরফে ঢেকে যায়। যেগুলি পেরিয়ে দ্রুত পৌঁছানো অসম্ভব হয়ে পড়ে। প্রসঙ্গত, এই টানেল (Sela Tunnel) তৈরি করতে খরচ হয়েছে ৮২৫ কোটি টাকা। এক্ষেত্রে এই টানেল শুধু সেনা জওয়ানদের ক্ষেত্রে যে কাজে আসবে তা নয়, পর্যটন ক্ষেত্র হিসেবেও খুবই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। তুষারপাতে যখন রাস্তা ঢেকে যাবে, পর্যটকরা এই পথে যাতায়াত করতে পারবেন।

    সেলা টানেল সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জেনে নিন

    ১) ১৩,৭০০ ফুট উচ্চতায় অবস্থিত এই টানেল।

    ২) এই সুড়ঙ্গ পথ দিয়ে সহজেই সেনার গাড়ি যাতায়াত করতে পারবে এবং ভারত সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা তাইওয়ানের কাছে পৌঁছে যাবে সেনাবাহিনীর গাড়ি।

    ৩) এই টানেল (Sela Tunnel) ব্যবহার করলে সেনাবাহিনীর যাতায়াতের সময় অনেকটাই কমে আসবে।

    ৪) সুড়ঙ্গের প্রথম টানেলটি ৯৮০ মিটার দীর্ঘ সিঙ্গেল টিউব। অন্যদিকে ২ নম্বর টানেলটি হল ১,৫৫৫ মিটার দীর্ঘ।

    ৫) দ্বিতীয় টানেলে দুটি রাস্তা থাকবে একটি যাতায়াতের জন্য এবং অন্যটি জরুরি অবস্থায় ব্যবহার করার জন্য।

    ৬) প্রবল বর্ষা বা শীতকালেও সুড়ঙ্গটি ব্যবহার করা যাবে।

    ৭) টানেল তৈরি হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার সুড়ঙ্গ পথ নির্মাণের প্রযুক্তি অনুযায়ী।

    ৮) সুড়ঙ্গের ভিতরে পর্যাপ্ত আলো এবং অগ্নি নির্বাপক সুবিধা রাখা হয়েছে।

    ৯) এই টানেল দিয়ে প্রতিদিন গড়ে তিন হাজার গাড়ি এবং দু হাজার ট্র্যাক চলাচল করতে পারবে।

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী?

    ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে টানেলের (Sela Tunnel) ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উদ্বোধন করলেন ২০২৪ সালের মার্চে। টানেলটি উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘‘সেলা টানেল অনেক আগেই নির্মাণ হতে পারতো কিন্তু কংগ্রেস সরকার এ নিয়ে কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি।’’ প্রসঙ্গত সেলা টানেলের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভার্চুয়াল ভাবে উদ্বোধন করেন ১২৩টি উন্নয়নমূলক প্রকল্পের। ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেন ৯৫টি নতুন প্রজেক্টর। যেগুলিতে খরচ হবে ৫৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। সবগুলিই উত্তর পূর্ব ভারতের মণিপুর, মেঘালয়, নাগাল্যান্ড, ত্রিপুরা এবং অরুণাচল প্রদেশ এবং সিকিমে অবস্থিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • ALH Helicopter: ফের চীন সীমান্তে সেনা চপার ভেঙ্গে পড়ার পরেই ঘটনার তদন্তে সেনা

    ALH Helicopter: ফের চীন সীমান্তে সেনা চপার ভেঙ্গে পড়ার পরেই ঘটনার তদন্তে সেনা

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবার (২১ অক্টোবর) সকালেই অরুণাচল প্রদেশের আপার সিয়াং জেলায় সেনার একটি অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার (Advanced Light Helicopter) মিগিং নামে এক গ্রামের কাছে ভারতীয় সেনার একটি হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া গিয়েছিল। বেশ কয়েক ঘণ্টার তল্লাশির পর, মিলেছিল তার ধ্বংসাশেষ। সেনা সূত্রে জানা গিয়েছিল, হেলিকপ্টারটির ৪ জন জওয়ানের দেহ পাওয়া গেলেও একজনের দেহ পাওয়া যাচ্ছিল না। অবশেষে শনিবার পঞ্চম জওয়ানের দেহও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছিল।

    আরও পড়ুন: অরুণাচলে ভেঙে পড়ল সেনার চিতা হেলিকপ্টার, মৃত লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার অফিসার 

    দুর্ঘটনাস্থলটি অত্যন্ত দুর্গম এবং জায়গাটি কোনও সড়কপথে যুক্ত নয়।একটি ঝুলন্ত ব্রিজ ছাড়া মিগিং গ্রামে যাওয়ার অন্য কোনও রাস্তা নেই। ফলে, গাড়ি বা অন্য কোনও যানবাহন যাওয়ার উপায় নেই। তাই, সেনাবাহিনী ও বায়ুসেনার তিনটি যৌথ দল একটি এমআই-১৭ এবং দুটি ধ্রুব হেলিকপ্টার নিয়ে উদ্ধারকার্য চালাতে বেশ বেগ পেতে হয়েছিল।
    সেনাসূত্রে তরফে জানানো হয়েছে মৃত ৫ জন জওয়ানের মধ্যে ২ জন অফিসার পদমর্যাদার পাইলট ছিলেন। মৃতরা হলেন মেজর বিকাশ ভাম্ভু, মেজর মুস্তফা বোহরা, সিএনএফ অশ্বিন কে ভি, হাভিলদার ব্রিজেশ সিনহা, এবং রোহিতস্য কুমার। হাবিলদার ব্রজেশ সেনার দেহটি খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না বলে জানা যায়। এই জওয়ান অসমের বাসিন্দা ছিলেন।

    [tw]


    [/tw] 

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রের খবর, দুর্ঘটনার ঠিক আগেই এটিসিকে (ATC) সতর্কবার্তা পাঠিয়েছিলেন ওই বিমানের পাইলট। কপ্টারে যে যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছে, সেটা নাকি এটিসিকে জানিয়েও দিয়েছিলেন তিনি। প্রতিরক্ষামন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার ঠিক আগে নাকি পাইলট নাকি এটিসিকে ‘মে ডে কল (May Day Call) পাঠিয়েছিলেন। যার অর্থ তাঁর কপ্টারে কোনও যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়েছিল। প্রতিরক্ষা দফতরের মুখপাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল এ এস ওয়ালিয়া জানান,  কী ধরনের যান্ত্রিক ত্রুটি, সেটা দেখার জন্য ‘কোর্ট অব এনকোয়ারি’ বসানো হবে।

    [tw]


    [/tw]

    প্রসঙ্গত, চলতি মাসেই এনিয়ে দ্বিতীয়বার হেলিকপ্টার দূর্ঘটনা ঘটল।  ৫ অক্টোবর তাওয়াং এলালায় একটি চিতা হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ে। তাতে একজন পাইলট মারা যান। ১৯৯৫ সাল থেকে থেকে অরুণাচল প্রদেশে এখন পর্যন্ত ১৩টি সেনা বিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। তাতে মারা গিয়েছেন ৪৭ জন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Arunachal Pradesh: ‘‘চিনের দাবি অবৈধ’’, অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই অংশ, বলল আমেরিকা

    Arunachal Pradesh: ‘‘চিনের দাবি অবৈধ’’, অরুণাচল প্রদেশ ভারতেরই অংশ, বলল আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh) ভারতেরই অংশ, এনিয়ে কোনও প্রশ্ন নেই মত আমেরিকার। ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে অরুণাচল নিয়ে চিনের দাবি সম্পূর্ণ অবৈধ বলে জানাল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। যদিও আমেরিকার এই পদক্ষেপের নিন্দা করেছে চিন। বেজিংয়ের দাবি, ভারত-চিন সীমান্ত প্রশ্নে আমেরিকার মতদানের প্রয়োজন নেই। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক অবশ্য আগেই অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে চিনের দাবি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন বলে জানিয়ে দিয়েছিল।

    কী বলল আমেরিকা

    ভারতীয় ভুখন্ড হিসাবে অরুণাচল প্রদেশকে (Arunachal Pradesh) স্বীকৃতি দিয়েছে আমেরিকা। সম্প্রতি মার্কিন সরকারের (US State Department) মুখপাত্র ভেদান্ত প্যাটেল (Vedant Patel) জানান, সীমান্ত পেরিয়ে কোনও ধরনের উস্কানি কিংবা একতরফা সিদ্ধান্ত বরদাস্ত করা হবে না। আমেরিকা সবসময় ভারতের পাশে রয়েছে বলেও জানিয়েছেন ওই মার্কিন আধিকারিক। বর্তমান পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে ভারতের পাশে দাঁড়িয়ে আমেরিকার এহেন দাবি চিনের কাছে বড় ধাক্কা বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

    চিনের দাবি

    আমেরিকা অরুণাচল (Arunachal Pradesh) নিয়ে ভারতের পাশে দাঁড়ানোর পরই চিন এর নিন্দা করে। চিনের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, “চিন-ভারত সীমান্ত প্রশ্ন দুই দেশের মধ্যে একটি বিষয় এবং মার্কিন পক্ষের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। চিন এর তীব্র নিন্দা ও দৃঢ় বিরোধিতা করে।” সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য অংশ বলে দাবি করে চিন। শুধু তাই নয়, জায়গাটির নাম ‘জাংনান’ বলেও মন্তব্য করেন চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রকের মুখপাত্র কর্নেল জাং শিয়াওজাং।

    আরও পড়ুন: ‘ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ভারত’! সুরবদল মলদ্বীপের, ঋণ মকুবের আর্জি প্রেসিডেন্ট মুইজ্জুর

    ভারতের জবাব

    অরুণাচল (Arunachal Pradesh) নিয়ে চিনের দাবি কোনওভাবেই মানা হবে না বলে আগেই জানিয়ে দেয় ভারত। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, ‘‘অরুণাচল প্রদেশ নিয়ে চিন ক্রমাগত যুক্তিহীন কথাবার্তা বলে চলেছে। অরুণাচল প্রদেশ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ ছিল, আছে এবং থাকবে। অরুণাচলের জনগণ আমাদের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি এবং পরিকাঠামোগত প্রকল্প থেকে উপকৃত হতে থাকবেন।’’ গত ৯ মার্চ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অরুণাচল প্রদেশ সফরের বিরুদ্ধে বেজিং তীব্র আপত্তি জানিয়েছিল। সেই আপত্তিকে ভারত বিশেষ গুরুত্ব দেয়নি। আর, তারপরই নানা রকম মন্তব্য করে চিন। ভারতও এর কড়া জবাব দেয়। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু জানান অরুণাচলবাসী ভারত সরকারের পাশে রয়েছে। ভারত অরুণাচলের উন্নতির চেষ্টা করছে। চিন শুধুই দখল করতে চায় । যা বরদাস্ত করবে না দিল্লি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share