Tag: Arunachal Pradesh

Arunachal Pradesh

  • S Jaishankar: রাহুলের ‘পিটাই’ শব্দের তীব্র প্রতিবাদ জয়শঙ্করের, কংগ্রেস সাংসদকে কী বললেন জানেন?

    S Jaishankar: রাহুলের ‘পিটাই’ শব্দের তীব্র প্রতিবাদ জয়শঙ্করের, কংগ্রেস সাংসদকে কী বললেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন (China) আমাদের জমি কেড়ে নিয়েছে। আমাদের সেনাদের প্রহার করছে। অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াংয়ে ভারতীয় সেনা ও চিনা ফৌজের হাতাহাতি প্রসঙ্গে কথাগুলি বলেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। সোমবার লোকসভায় কংগ্রেস সাংসদের ওই বক্তব্যের জবাব দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। তাঁর মতে, সেনা জওয়ানদের সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে রাহুলের ‘পিটাই’ (প্রহার) শব্দটি ব্যবহার করা উচিত হয়নি। জয়শঙ্কর বলেন, রাজনৈতিক সমালোচনা নিয়ে আমাদের কোনও অসুবিধা নেই। কিন্তু আমাদের জওয়ানদের অশ্রদ্ধা করা উচিত নয়। তিনি বলেন, লোকে বলে, আমার নিজের উপলদ্ধি আরও গভীর হওয়া উচিত। যিনি এই পরামর্শ দিয়েছেন, তাঁর প্রতি আমার মনে শ্রদ্ধা ছাড়া কিছু নেই। এর পরেই জয়শঙ্কর বলেন, জওয়ানদের সম্পর্কে পিটাই শব্দটি ব্যবহার করা ঠিক হয়নি।

    রাহুল উবাচ…

    প্রসঙ্গত, গত ৯ ও ১১ ডিসেম্বর অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর চিন ও ভারতীয় সেনার মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়েছিল। দু পক্ষেরই বেশ কয়েকজন সেনা অল্পবিস্তর জখম হয়েছিলেন। এই প্রসঙ্গেই রাজস্থানের জয়পুরে এক সাংবাদিক সম্মেলনে কংগ্রসে সাংসদ রাহুল গান্ধী বলেন, চিন আমাদের জমি কেড়ে নিয়েছে। আমাদের সেনাদের প্রহার করছে। চিনের হুমকি স্পষ্ট। কিন্তু, সরকার এটা গোপন করে যাচ্ছে, অবজ্ঞা করছে। লাদাখ ও অরুণাচলে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিচ্ছে চিন। আর সরকার ঘুমিয়ে আছে।

    আরও পড়ুন: ফের একবার প্রধানমন্ত্রীর মুখোমুখি হতে পারেন মমতা, কেন জানেন?

    বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar) বলেন, আমরা যদি চিনা হুমকি অস্বীকারই করে থাকি, তাহলে সেনা জওয়ানরা নিয়ন্ত্রণরেখায় কী করছেন? রাহুল গান্ধী বলেছেন বলে তাঁরা সেখানে যাননি। সেনা জওয়ানরা ওখানে গিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেছেন বলে। তিনি বলেন, আমরা চিনকে একতরফাভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার পরিবর্তন করতে দেব না। তিনি বলেন, আমাদের সেনারা সমুদ্রস্পৃষ্ঠ থেকে ১৩ হাজার ফুট ওপরে ইয়াংসি সীমান্তে পাহারা দিচ্ছেন। সেই সেনাদের সম্মান করা উচিত এবং তাঁদের প্রশংসা করা উচিত। প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান উপত্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পর এই প্রথম মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় চিনা ও ভারতীয় সেনার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Tawang: “এটা ১৯৬২ সাল নয়…যোগ্য জবাব দেবে বীর জওয়ানরা”, চিনকে কড়া বার্তা অরুণাচল মুখ্যমন্ত্রীর

    Tawang: “এটা ১৯৬২ সাল নয়…যোগ্য জবাব দেবে বীর জওয়ানরা”, চিনকে কড়া বার্তা অরুণাচল মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে ফের শুরু হয়েছে চিনা সেনাদের উৎপাত। গত ৯ ডিসেম্বর অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং (Tawang) সেক্টরে ফের চিনা সেনার অনুপ্রবেশের চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে৷ আর এবারে এই ঘটনা নিয়েই চিনের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিলেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা খাণ্ডু। তিনি কড়া ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত আর ১৯৬২ তে নেই। যদি কেউ ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে, তবে তাকে ভারতীয় সেনা জওয়ানরা যোগ্য জবাব দেবে।  

    কী ঘটেছিল?

    চলতি মাসের ৯ তারিখ তাওয়াংয়ে (Tawang) দুই দেশের সেনা জওয়াানদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করে ভারতীয় জমিতে প্রবেশের চেষ্টা করেছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি। আর এই অবস্থায় উপযুক্ত জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনী। দুই দেশের সেনাবাহিনীর জওয়ানদের মধ্যে ধুন্ধুমার বেঁধে যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে চিনের সেনা জওয়ানরাই বেশি আহত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ভারতে কোনও প্রাণহানি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি বলে জানা গিয়েছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী, চিনারা প্রায় ৩০০ সেনা নিয়ে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে এসেছিল। কিন্তু তৈরি ছিল ভারতীয় সেনারাও। অবশেষে ভারতীয় সেনাবাহিনীর কাছে হার মেনে পিছু হটতে বাধ্য হয় তারা।

    আরও পড়ুন: তাওয়াংয়ের ওপর শ্যেন দৃষ্টি চিনের! কারণ কি জানেন?

    চিনাদের অনুপ্রবেশের ঘটনায় গতকাল চিনকে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। রাজনাথ সিং জানিয়েছেন, ভারতীয় সেনা সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে চিনের সেনাকে আটকে দিয়েছে। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যতক্ষণ নরেন্দ্র মোদির (Narendra Modi) সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, ততক্ষণ কেউ ভারতের এক ইঞ্চি জমিও নিতে পারবে না।”

    অরুণাচল মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি

    এরপরেই ভারত-চিন সংঘর্ষ(Tawang) নিয়ে কড়া ভাষায় বিবৃতি দিলেন পেমা খাণ্ডুও। তিনি বলেছেন, “এটা ১৯৬২ সাল নয়। যদি কেউ অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে, তাকে কড়া জবাব দেবে ভারতীয় বীর জওয়ানরা। অনুপ্রবেশের কড়া জবাব দিতে প্রস্তুত ভারতীয় সেনাবাহিনী। ইয়াংতসে আমার বিধানসভা অঞ্চলের মধ্যে পড়ে। প্রত্যেক বছর আমি সেনা জওয়ান ও গ্রামবাসীদের সঙ্গে দেখা করি।” আবার ভারতীয় সেনাবাহিনীদের ফলে চিনারা পিছু হটতে বাধ্য হলে তিনি জওয়ানদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, “আমাদের জওয়ানরা ইটের জবাব পাথর দিয়ে দেয় না, ইটের জবাব লোহা দিয়ে দেয়।”

  • Indo China Clash: চিনা ড্রোনের আনাগোনা রুখতে ভারত আগেই উড়িয়েছিল যুদ্ধবিমান!

    Indo China Clash: চিনা ড্রোনের আনাগোনা রুখতে ভারত আগেই উড়িয়েছিল যুদ্ধবিমান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরের ৯ তারিখে অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াং (Twang) সেক্টরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় সংঘাত বাঁধে চিন ও ভারতীয় সেনার (Indo China Clash) মধ্যে। সূত্রের খবর, চিন যাতে ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে না পারে, তাই নজরদারি চালাতে ভারতীয় বায়ুসেনার তরফে অরুণাচল প্রদেশে টহল দিচ্ছে বিমান। অবশ্য সংঘাত শুরুর আগে থেকেই আকাশে ওড়ানো হয়েছিল যুদ্ধবিমান। প্রতিরক্ষামন্ত্রকের এক সূত্র বলছে, গত কয়েক সপ্তাহে দু তিনবার আমাদের যুদ্ধবিমান ওড়ানো হয়েছিল। কারণ প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর আমাদের ছাউনির দিকে এগিয়ে আসছিল চিনা ড্রোন। চিনা ড্রোন যাতে আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে না পারে, সেজন্য ওড়ানো হয়েছিল সুখোই ৩০ এমকেআই। প্রসঙ্গত, এক সপ্তাহ আগে পিএলএল-র তিনশো সেনা জওয়ান প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা অতিক্রম করে। তার পরেই সরাসরি সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে দুই দেশের সেনা।

    চিনের ড্রোনের গতিবিধি…

    জানা গিয়েছে, উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর চিনের ড্রোনের গতিবিধির ওপর লাগাতার নজর রেখে যাচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনা। সূত্র উদ্ধৃত করে এএনআই জানিয়েছে, যদি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার সমান্তরালে কোনও ড্রোন ওড়ে, তাহলে ভারতের কোনও আপত্তি নেই। কোনও ড্রোন ভারতীয় ভূখণ্ডের দিকে এগিয়ে আসছে বলে র‌্যাডারে ধরা পড়লেই বায়ুসেনা পদক্ষেপ করে।

    আরও পড়ুন: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    সূত্রের খবর, অরুণাচল প্রদেশে চিন যাতে কোনওভাবে আকাশসীমা লঙ্ঘন করতে না পারে, তাই সাম্প্রতিককালে এক সপ্তাহে দু থেকে তিনবার টহল দিতে হবে ফাইটার জেটগুলিকে। ভারতীয় বায়ুসেনা অরুণাচল প্রদেশের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে সম্প্রতি চিনা বিমানের কার্যকলাপ শনাক্ত করেছে। তাই বাড়তি সতর্কতা নিয়ে অরুণাচল প্রদেশের আকাশসীমায় টহল দিচ্ছে ভারতীয় বায়ুসেনার ফাইটার জেটগুলি।

    আরও পড়ুন: তাওয়াং সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘন করল চিন! জবাব ভারতীয় সেনার

    এদিকে, চিন সীমান্তের বিষয়টি মাথায় রেখে উত্তরপূর্ব ভারতে বায়ুসেনার যথেষ্ট শক্তি বাড়িয়েছে। অসমের তেজপুর, ছাবুয়া-সহ একাধিক জায়গায় সুখোই ৩০ যুদ্ধবিমানের একাধিক স্কোয়াড্রন মোতায়েন করে রাখা হয়েছে। সেই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের হাসিমারায় একাধিক রাফাল যুদ্ধ বিমান মোতায়েন করা হয়েছে। যা ভারত-চিন সীমান্তের কাছেই অবস্থিত। ফলে প্রয়োজন হলে হাসিমারা থেকে রাফাল ওড়ানো হতে পারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rajnath Singh: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    Rajnath Singh: চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন রাজনাথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যতদিন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, ততদিন দেশের এক ইঞ্চি জায়গাও কেউ দখল করতে পারবে না। তাওয়াঙে (Tawang) ভারত-চিন সংঘর্ষ (Indo China Clash) নিয়ে বিরোধীদের আক্রমণের মুখে এমনই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এদিন ভারতীয় সেনার অবদানকে কুর্নিশও জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ৮-৯ ডিসেম্বর মধ্যরাতে অরুণাচল প্রদেশে ভারতীয় সেনাবাহিনী যে বীরত্ব দেখিয়েছে, তাকে স্যালুট জানাই। চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা, বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং।

    চিনা আগ্রাসন…

    এদিকে, অরুণাচল প্রদেশে চিনা আগ্রাসনের অভিযোগ তুলে কেন্দ্রকে যে নিশানা করেছেন বিরোধীরা, এদিন তার জবাব দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তাঁর দাবি, ভারতীয় জওয়ানরা চিনকে যোগ্য জবাব দিয়েছে। তাদের নিজেদের পোস্টেও ফেরত পাঠিয়ে দিয়েছে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী সংসদে বলেন, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ের ঘটনা সম্পর্কে আপনাদের জানাতে চাই। ৯ ডিসেম্বর, ২০২২-এ পিএলএ সৈন্যরা সীমান্তে স্থিতাবস্থা পরিবর্তনের চেষ্টা করে। আমাদের সেনাবাহিনী দৃঢ়তার সঙ্গে তার মোকাবিলা করে। দু পক্ষের মধ্যে হাতাহাতিও হয়। আমাদের জওয়ানরা চিনা সেনাদের বাধা দেয় এবং তাদের পোস্টে ফেরত পাঠায়। তিনি বলেন, আমাদের সেনাবাহিনীর কোনও জওয়ান নিহত বা আহত হয়নি। প্রতিরক্ষামন্ত্রী জানান, এই ঘটনার পর স্থানীয় কমান্ডার ১১ ডিসেম্বর চিনের সেনা কমান্ডারদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং ঘটনাটি নিয়ে আলোচনাও করেন। চিনকে সীমান্তে শান্তি বজায় রাখতে বলা হয়েছে।

    আরও পড়ুন: তাওয়াং সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা লঙ্ঘন করল চিন! জবাব ভারতীয় সেনার

    এদিকে, তাওয়াঙে ভারত-চিন সংঘর্ষের প্রেক্ষিতে চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ জেনারেল অনিল চৌহানের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী (Rajnath Singh)। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিন বাহিনীর প্রধানরাও। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, উভয় পক্ষের সংঘর্ষ নিয়ে খবর নেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। সূত্রের খবর, অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াঙ সেক্টরে গত ৯ ডিসেম্বর উভয় পক্ষের সংঘর্ষে চিনা বাহিনীকে কড়া জবাব দিয়েছে ভারত। সংঘর্ষে ভারতীয় জওয়ানদের থেকে চিনা জওয়ানদের জখম হওয়ার সংখ্যা বেশি।

    প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ানেও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েছিল চিনা সেনা ও ভারতীয় বাহিনী। ওই সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়। ২০২১ সালের অক্টোবর মাসেও ওই একই এলাকায় ঢুকে পড়েছিল প্রচুর চিনা সেনা। সেই সময়ও দু পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Indian Railways: এবার ট্রেনে চড়েই যাওয়া যাবে অরুণাচলের চিন সীমান্তে, কবে থেকে জানেন?

    Indian Railways: এবার ট্রেনে চড়েই যাওয়া যাবে অরুণাচলের চিন সীমান্তে, কবে থেকে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেড়াতে ভালবাসেন? ট্রেনে চড়ে যেতে চান অরুণাচল প্রদেশে চিনের সীমান্ত পর্যন্ত? কিংবা প্রতিবেশী দেশ ভুটানে (Bhutan)? তাহলে অপেক্ষা করুন। ভারতীয় রেলের (Indian Railways) উদ্যোগে আর কিছুদিন পরেই পূরণ হয়ে যাবে এই সব স্বপ্ন। আজ্ঞে, হ্যাঁ। ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রক উত্তর পূর্ব ভারতে (India) রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে, ট্রেন ছুটবে অরুণাচল প্রদেশের চিন সীমান্ত পর্যন্ত। রেললাইন পাতা হবে ভুটান পর্যন্তও। রেল ব্যবস্থা চালু হলে ট্রেনে করেই যাওয়া যাবে তাওয়াং। 

    ভারত চিন সীমান্তে রয়েছে…

    ভারত চিন সীমান্তে রয়েছে তাওয়াং। এলাকার সৌন্দর্য অপার। নীল দিগন্তে শুধুই সবুজের মেলা। তারই মাঝে রয়েছে বৌদ্ধ মনাস্ট্রি। ভারতীয় রেল (Indian railways) সূত্রে খবর, অরুণাচল প্রদেশের ভালুকপং থেকে তাওয়াং পর্যন্ত রেললাইন পাতা হবে। অন্য একটি লাইন চলে যাবে শিলাপাথা থেকে বেম হয়ে অ্যালং পর্যন্ত। এই দুই লাইনের কাজ শেষ হয়ে গেলেই অত্যন্ত কম সময়ে পৌঁছে যাওয়া যাবে ভারত চিন সীমান্তে। রেলমন্ত্রকের মতে, এই যে লাইন পাতা হচ্ছে, এর একটা স্ট্র্যাটেজিক গুরুত্ব রয়েছে।

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে জানান, অরুণাচল প্রদেশ সহ উত্তর-পূর্ব ভারতে কয়েকটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ভালুকপং থেকে তাওয়াং পর্যন্ত রেললাইন পাতা ছাড়াও মুরকঙ্গসেলেক থেকে পাশিঘাট পর্যন্ত রেললাইন সম্প্রসারিত করা হবে। লঙ্কা থেকে আসামের চন্দ্রনাথপুর পর্যন্ত দ্বিতীয় রেললাইনটি পাতা হবে। ডিমা হাসাও এলাকার পাহাড়ি এলাকা এড়িয়ে এই লাইন পাতা হবে।

    আরও পড়ুন: রাষ্ট্রপতিকে নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য অখিল গিরির, তীব্র প্রতিবাদ বিজেপির

    উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক বলেন, ভুটানের সঙ্গেও রেলপথ যোগাযোগ থাকবে। সেই কাজও চলছে। আসামের কোকরাঝাড় থেকে ভুটানের গেলেফু পর্যন্ত যাবে নয়া এই রেললাইন। এই রেলপথের মোট দূরত্ব ৫৮ কিলোমিটার। তিনি জানান, বৈদ্যুতিকরণ সহ নানা কাজ চলছে। সব মিলিয়ে উত্তর-পূর্ব ভারতে রেলের ১.১৫ লক্ষ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সব্যসাচী বলেন, রাজধানী সংযোগ প্রকল্পের কাজ চলছে পুরোদমে। আমরা মিজোরাম ও মণিপুরকে রেলের সুতোয় বাঁধব। আগামী এক বছরের মধ্যেই আমরা নাগাল্যান্ড ও সিকিমকে এক সুতোয় বেঁধে ফেলত পারব।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের সেই কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত ৫ জওয়ান,  উদ্ধার দেহ  

    Arunachal Pradesh: অরুণাচল প্রদেশের সেই কপ্টার দুর্ঘটনায় মৃত ৫ জওয়ান,  উদ্ধার দেহ  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের আপার সিয়াংয়ে কপ্টার দুর্ঘটনায় কপ্টারে থাকা সব জওয়ানেরই মৃত্যু হয়েছে। মৃত পাঁচ জওয়ানের দেহ উদ্ধার হওয়ার পর জানা গিয়েছে একথা। শুক্রবার সকালে রুটিন মহড়া চলছিল অরুণাচল প্রদেশে। আচমকাই আপার সিয়াংয়ের মিগিং গ্রামের কাছে ভেঙে পড়ে সেনাবাহিনীর একটি কপ্টার (Airforce Helicopter)। ভেঙে যাওয়া কপ্টারটি অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার। সঙ্গে সঙ্গেই উদ্ধারকারী দল রওনা দেয় অকুস্থলের দিকে। তবে এলাকাটি দুর্গম। তাই ব্যাহত হয় উদ্ধার কাজ। পরে অবশ্য উদ্ধার হয় পাঁচ জওয়ানের দেহ।

    জানা গিয়েছে, দুর্ঘটনার ঠিক আগে আগেই কপ্টারটির চালকের কাছ থেকে সাহায্যের আবেদন পায় এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল। এও জানানো হয়, যান্ত্রিক কিংবা প্রযুক্তিগত কারণে কপ্টারে সমস্যা দেখা দিয়েছে, সাহায্য চাই। সেনার দাবি, এদিন আবহাওয়া পরিষ্কার ছিল। চালকও ছিলেন অভিজ্ঞ। জারি করা বিবৃতিতে সেনার তরফে জানানো হয়েছে, যেখানে কপ্টারটি ভেঙে পড়েছিল, সেই জায়গায় পৌঁছানো ছিল চ্যালেঞ্জের। পাহাড়ে ঘেরা দুর্গম জায়গা, ঘন জঙ্গলে ঢাকা। বিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, কপ্টার পাইলটের টানা ৬০০ ঘণ্টার বেশি সম্মিলিত উড়ানের অভিজ্ঞতা রয়েছে। কপ্টারটি সার্ভিসিং করা হয়েছিল ২০১৫ সালের জুন মাসে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    আরও পড়ুন: অরুণাচল প্রদেশে আচমকাই ভেঙে পড়ল সেনা বাহিনীর কপ্টার, শুরু উদ্ধারকাজ

    প্রসঙ্গত, শুক্রবার যে কপ্টারটি ভেঙে পড়ে, সেটি হাল রুদ্র। কপ্টারটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। ভারতীয় সেনার জন্য তৈরি এই কপ্টারটি একটি অ্যাটাক কপ্টার। এটি তৈরি করেছিল হিন্দুস্তান অ্যারোনটিস্ক লিমিটেড। ধ্রুব অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টারের আধুনিক ও শক্তিশালী একটি ভ্যারিয়েন্ট এটি। কপ্টারটি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত। এদিকে, সেনা সূত্রে খবর, গত পাঁচ বছরে কপ্টার ও এয়ারক্র্যাফ্ট দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৫০ জনের। ২০১৭ সাল থেকে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে সশস্ত্র বাহিনীর ২০ চপার। এই দুর্ঘটনাগুলিতে সব মিলিয়ে মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের। জখম হয়েছেন ২৫ জন। ৫ অক্টোবর, বিজয়া দশমীর দিন অরুণাচল প্রদেশেই ভেঙে পড়েছিল একটি সেনা কপ্টার। সেবার প্রাণ হারিয়েছিলেন কপ্টারটির পাইলট। এবার প্রাণ হারালেন কপ্টার চালক সহ মোট পাঁচজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Airforce Helicopter: অরুণাচল প্রদেশে আচমকাই ভেঙে পড়ল সেনা বাহিনীর কপ্টার, শুরু উদ্ধারকাজ

    Airforce Helicopter: অরুণাচল প্রদেশে আচমকাই ভেঙে পড়ল সেনা বাহিনীর কপ্টার, শুরু উদ্ধারকাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সময়ের ব্যবধান মাত্র ৪৮ ঘণ্টা। ফের দুর্ঘটনার কবলে কপ্টার। দু দিন আগেই কেদারনাথে পুণ্যার্থী বোঝাই হেলিকপ্টার ভেঙে মৃত্যু হয়েছিল ছ জনের। সেই ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ফের কপ্টার দুর্ঘটনা। শুক্রবার সকালে সেনা বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার (Airforce Helicopter) ভেঙে পড়ে অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh)। এদিন দুপুর পর্যন্ত হতাহতের কোনও খবর মেলেনি।

    জানা গিয়েছে, এদিন রুটিন মহড়া চলছিল অরুণাচল প্রদেশে। আচমকাই আপার সিয়াংয়ের মিগিং গ্রামের কাছে ভেঙে পড়ে সেনাবাহিনীর একটি কপ্টার (Airforce Helicopter)। ভেঙে যাওয়া কপ্টারটি অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার। ইতিমধ্যেই উদ্ধারকারী দল রওনা দিয়েছে অকুস্থলের দিকে। তবে এলাকাটি দুর্গম। তাই বিলম্বিত হচ্ছে উদ্ধারকাজ।

    আরও পড়ুন: কালীপুজোর দিনই আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘সিত্রাং’? কী হবে এর গতিপ্রকৃতি? জানুন

    ৫ অক্টোবর বিজয়া দশমীর দিন অরুণাচল প্রদেশেই ভেঙে পড়েছিল একটি সেনা কপ্টার (Airforce Helicopter)। সেবার প্রাণ হারিয়েছিলেন কপ্টারটির পাইলট। গুয়াহাটির প্রতিরক্ষা পিআরওর তরফে জানানো হয়েছে, লিকাবলি এলাকা থেকে উড়ান শুরু করতেই মিগিং গ্রামের কাছে ভেঙে পড়ে কপ্টারটি। তবে কপ্টারটিতে কতজন ছিলেন, তাঁরা কে কে, তা জানানো হয়নি। সিয়াং জেলার পুলিশ সুপার জুম্মার বাসার বলেন, যেখানে হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়েছে, সেখানে গাড়ি করে যাওয়া যায় না। তবে ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে উদ্ধারকারী দল পাঠানো হয়েছে। কপ্টার দুর্ঘটনার খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেন রিজিজু। ট্যুইটবার্তায় তিনি লেখেন, ভারতীয় সেনার অ্যাডভান্স লাইট হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ার খবরে আমি খুবই চিন্তিত। অরুণাচল প্রদেশের এই দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের প্রতি আমার সমবেদনা রইল।

    জানা গিয়েছে, এদিন যে কপ্টারটি ভেঙে পড়েছে, সেটি হাল রুদ্র। কপ্টারটি সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি। ভারতীয় সেনার জন্য তৈরি এই কপ্টারটি একটি অ্যাটাক কপ্টার। এটি তৈরি করেছিল হিন্দুস্তান অ্যারোনটিস্ক লিমিটেড। এটি ধ্রুব অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টারের আধুনিক ও শক্তিশালী একটি ভ্যারিয়েন্ট। কপ্টারটি অত্যাধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত। এহেন গুরুত্বপূর্ণ একটি কপ্টার কীভাবে ভেঙে পড়ল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

     

     

     

  • Cheetah Helicopter: অরুণাচলে ভেঙে পড়ল সেনার চিতা হেলিকপ্টার, মৃত লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার অফিসার

    Cheetah Helicopter: অরুণাচলে ভেঙে পড়ল সেনার চিতা হেলিকপ্টার, মৃত লেফটেন্যান্ট কর্নেল পদমর্যাদার অফিসার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াংয়ে (Tawang) ভেঙে পড়ল ভারতীয় সেনার চিতা (Cheetah) হেলিকপ্টার। দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন  সেনা এভিয়েশন কোরের এক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (Lieutenant Colonel) পদমর্যাদার অফিসারের। গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি সহকারী পাইলট। তেজপুরের সেনা মুখপাত্র কর্নেল এএস ওয়ালিয়া সংবাদসংস্থাকে জানিয়েছেন, চিনা (China) সীমান্তের কাছে রুটিন টহলদারির সময় আচমকা ওই হেলিকপ্টারটি ভেঙে পড়ে। এক পাইলটের মৃত্যু হয়েছে। অপরজন চিকিৎসাধীন। সকাল ১০ টা নাগাদ ভেঙে পড়ে চিতা হেলিকপ্টারটি। দ্রুত দুই পাইলটকে উদ্ধার করে নিকটবর্তী সেনা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসার সময়ই একজনের মৃত্যু ঘটে।

    [tw]


    [/tw]

    যদিও সেনাবাহিনীর (army) তরফ থেকে এখনও পর্যন্ত দুর্ঘটনার সঠিক কারণ জানানো হয়নি। ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের পরেই বিস্তারিত জানানো হবে। সংবাদ সূত্রে জানা গিয়েছে মৃত লেফটেন্যান্ট কর্নেলের নাম সৌরভ যাদব (Lt. Col Saurabh Yadav)। আরেক জখম পাইলটের সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি।

    এই ঘটনার জেরে ফের একবার সেনাবাহিনীর চিতা ও চেতক হেলিকপ্টারের গ্রহনযোগ্যতার উপর প্রশ্ন উঠেছে। ১৯৬০-৭০ সাল থেকে ব্যবহৃত এই হেলিকপ্টারগুলি বর্তমানে বার্ধক্যের ভারে নুইয়ে পড়েছে। এমত পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশের উন্নত প্রযুক্তির হেলিকপ্টারের সামনে ভারতীয় সেনা কিভাবে মোকাবিলা করবে তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। ভারতের প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী অজয় ভাট রাজ্যসভায় জানিয়েছিলেন যে, গত পাঁচ বছরে বায়ুসেনা বা তার সঙ্গে জড়িত এমন ৪২ জন যুদ্ধবিমান বা সামরিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: গরবা নাচতে গিয়ে মৃত্যু যুবকের, ছেলের শোকে প্রাণ হারালেন বাবাও

    অরুণাচল প্রদেশে গত কয়েক বছরে একাধিক হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার খবর সামনে এসেছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে যে খারাপ আবহাওয়ার কারণেই দুর্ঘটনা ঘটেছে। ২০১০ সাল থেকে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে ৬টি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় ৪০ জনেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন অরুনাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh)  প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দর্জি খাণ্ডুও (Dorjee Khandu)।

    এর আগে গত মার্চ মাসে জম্মু ও কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণ রেখার কাছে সেনাবাহিনীর আরও একটি চিতা হেলিকপ্টার ভেঙে পড়েছিল। সেই দুর্ঘটনায় একজন পাইলটের মৃত্যু হয়েছিল। সহকারি পাইলট গুরুতর আহত হয়েছিলেন। প্রাক্তন চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) জেনারেল বিপিন রাওয়াতের (Bipin Rawat) মৃত্যুও হয়েছিল এই কপ্টার দুর্ঘটনার জেরেই। ২০২১-এর ডিসেম্বরে তামিলনাড়ুতে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় রাওয়াত, তাঁর স্ত্রী-সহ ১২ সেনা শীর্ষকর্তার মৃত্যু হয়।

    হেলিকপ্টার দুর্ঘটনা নিয়ে ট্যুইট করেছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী কিরেণ রিজিজু। যিনি নিজেও অরুণাচল প্রদেশের প্রতিনিধি। তিনি বলেছেন, ‘অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং জেলা থেকে মর্মান্তিক খবর আসছে। ভারতীয় সেনার চিতা হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। পাইলটদের জন্য প্রার্থনা করছি।’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • German ambassador on China: অরুণাচল প্রদেশে চিনের দাবি ঔদ্ধত্যের পরিচয়, মত জার্মান রাষ্ট্রদূতের

    German ambassador on China: অরুণাচল প্রদেশে চিনের দাবি ঔদ্ধত্যের পরিচয়, মত জার্মান রাষ্ট্রদূতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জার্মান রাষ্ট্রদূত (German ambassador) ফিলিপ অ্যাকারম্যান (Philipp Ackermann) মঙ্গলবার বলেন, অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) উপর চিনের (China) দাবি ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং চিনের ভারতের উত্তর সীমান্ত লঙ্ঘন গ্রহণযোগ্য নয়। এটি আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন।    

    এই মাসের শুরুতে নয়াদিল্লিতে কাজের দায়িত্ব পেয়েছেন অ্যাকারম্যান। দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। ২৪ অগাস্ট রাষ্টসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বৈঠকে অংশ নিতে পারবেন কিনা, তা নিয়ে ভোটাভুটি হয়। সেই ভোটাভুটিতে রাশিয়ার বিরুদ্ধে ইউক্রেনের পক্ষে ভোট দেয় ভারত। ভারতের এই পদক্ষেপের প্রশংসা করে অ্যাকারম্যান বলেন, “রাশিয়া-ইউক্রেন (Russia-Ukraine) ইস্যুতে ভারত এবং ইউরোপ সবসময় একমত না হলেও, এই পদক্ষেপ নিঃসন্দেহে প্রশংসার যোগ্য।”

    আরও পড়ুন: মুখ থুবড়ে পড়েছে চিনের ‘জিরো কোভিড নীতি’, ফের লকডাউনে জিনপিং- এর দেশ

    তিনি আরও বলেন, “আমরা ভারতের উত্তরের সীমান্ত সমস্যা নিয়ে ওয়াকি বহাল। চিন দাবি করছে অরুণাচল প্রদেশ চিনের অবিচ্ছেদ্দ অংশ। এটা ঔদ্ধত্য। আমরা পরিষ্কার বুঝতে পারছি সীমান্ত পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল এবং এসব মেনে নেওয়া যায় না।”  

    রাশিয়ার ইউক্রেন আক্রমণকে, ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জার্মানির পোল্যান্ড আক্রমণের সঙ্গে তুলনা করেছেন অ্যাকারম্যান। 

    তিনি বলেন, “রাশিয়া ইউক্রেনের সঙ্গে যেই ব্যবহার করছে, সেই একই রকম ব্যবহার চিন ভারতের সঙ্গে করছে। এটা আশা করি ভারতও স্বীকার করবে।”

    আরও পড়ুন: চিন সীমান্তে নিখোঁজ ভারতীয় পর্বতারোহী! নিছকই কি দুর্ঘটনা?

    তিনি আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বার্লিন সফরেও সময়ও আমরা বলেছিলাম অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়েই নিজেদের মতামত রেখেছে ভারত। আমরা বিশ্বাস করি ভারত আন্তর্জাতিক আইন এবং তার সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তা বোঝে। তবে সব ক্ষেত্রে আমরা এক মত হতে পারি না একথাও সত্যি।”

    তিনি বলেন, “একে অপরের সীমান্ত রেখাকে সম্মান করবে সেটাই আন্তর্জাতিক আইনের দস্তুর।”  

    অ্যাকারম্যান তাইওয়ানের পরিস্থিতিসহ ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রতি জার্মানির ক্রমবর্ধমান আগ্রহের বিষয়েও এদিন কথা বলেন। মোদির দুবারে জার্মানি সফরে ভারত-জার্মান সম্পর্কের যে অনেকটাই উন্নতি হয়েছে এদিন রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য থেকে তা স্পষ্ট। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Arunachal Pradesh:  অরুণাচল প্রদেশে ১০২ আসনে জয়ী বিজেপি, কী বললেন আইনমন্ত্রী?   

    Arunachal Pradesh:  অরুণাচল প্রদেশে ১০২ আসনে জয়ী বিজেপি, কী বললেন আইনমন্ত্রী?   

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আসামের পর এবার অরুণাচল প্রদেশ। ফের বিপুল জয় বিজেপির (BJP)। গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩০টি আসনের মধ্যে ১০২টিই গিয়েছে গেরুয়া ঝুলিতে। অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) এই জয়ে দৃশ্যতই খুশি বিজেপি নেতৃত্ব।

    চলতি মাসের ১২ তারিখে গ্রাম পঞ্চায়েতের (Gram Panchayat)  উপনির্বাচন অরুণাচল প্রদেশে। মোট আসন ১৩০টি। তার মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ১০২টি আসনে জয় পেয়েছে পদ্ম শিবির। অরুণাচল প্রদেশ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সচিব নিয়ালি এতে সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ১২ জুলাই গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৩০টি আসন ও জেলা পরিষদের একটি আসনে উপনির্বাচন হওয়ার কথা। পঞ্চায়েতের এই ১৩০টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজেপির দখলে গিয়েছে পঞ্চায়েতের ১০২টি আসনের রাশ। কংগ্রেস এবং নির্দল মিলিয়ে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছে ১৪টি আসনে। তিনি বলেন, সেই কারণে গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৪টি আসন ও জেলা পরিষদের একটি আসনে নির্বাচন হবে।

    আরও পড়ুন : কার্বি আংলং নির্বাচনে জয় ‘ঐতিহাসিক’, দলের প্রশংসায় মোদি

    পদ্ম শিবিরের বিপুল জয়ে যারপরনাই উল্লসিত গেরুয়া শিবির। বিজেপিকে শতাধিক আসন উপহার দেওয়ায় সমর্থকদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খাণ্ডু। ট্যুইট বার্তায় তিনি বলেন, বিজেপির সমস্ত কর্মকর্তা, সমর্থক এবং সহকর্মীদের শুভেচ্ছা । অরুণাচল প্রদেশের ১৩০টি আসনের মধ্যে ১০২টি আসনে বিজেপি প্রার্থীদের জয়ী করার জন্যই শুভেচ্ছা জানাই তাঁদের। কেন্দ্রীয় আইন মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খাণ্ডুর ওপর পুরোপুরি আস্থা রয়েছে অরুণাচল প্রদেশবাসীর। রাজ্যবাসীর স্বপ্নপূরণে যিনি কাজ করে চলেছেন নিরলসভাবে। মুখ্যমন্ত্রীর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসাও করেন রিজিজু। ট্যুইট বার্তায় তিনি লেখেন, মুখ্যমন্ত্রী প্রেমা খাণ্ডুর ওপর রাজ্যবাসীর পুরো আস্থা রয়েছে। রাজ্যবাসীর স্বপ্ন পূরণে তিনি নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন। উত্তর-পূর্বের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অবদানও কম নয়।

    আরও পড়ুন : রাজ্যে ৩ থেকে ৭৭ হয়েছে বিজেপি। বাংলায় আগামী দিনে বাজিমাত করবে পদ্ম-ই। বললেন মিঠুন

    কিছুদিন আগেই আসামের কার্বি আংলং অটোনমাস কাউন্সিলের নির্বাচনের ২৬টি আসনের সব কটিতেই জয়ী হয়েছেন পদ্ম প্রার্থীরা। সেই জয়ের পরেও দলীয় কর্মীদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। ২০২৪ সালে লোকসভা নির্বাচন। তার আগে উত্তর-পূর্বের মাটিতে ক্রমেই পোক্ত হচ্ছে পদ্মের জমি। প্রথমে আসাম এবং তার পরে অরুণাচল প্রদেশে বিজেপির এই জয়ই তার সব চেয়ে বড় প্রমাণ।

     

LinkedIn
Share