Tag: Arunachal Pradesh

Arunachal Pradesh

  • Dog Walking Row: ক্ষমতার অপব্যবহার! সটান বদলি আইএএস দম্পতি, স্বামী গেলেন লাদাখ, স্ত্রী অরুণাচলে

    Dog Walking Row: ক্ষমতার অপব্যবহার! সটান বদলি আইএএস দম্পতি, স্বামী গেলেন লাদাখ, স্ত্রী অরুণাচলে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতার অপব্যবহার করার ফল! দিল্লি থেকে সটান দেশের দুই সীমান্তে বদলি করে দেওয়া হল আইএস দম্পতিকে।

    পোষা কুকুরকে নিয়ে সস্ত্রীক স্টেডিয়ামে হাঁটতে আসেন আইএএস অফিসার। তাই প্রতিদিন সন্ধ্যা সাতটার মধ্যে খালি করে দেওয়া হত দিল্লির ত্যাগরাজ স্টেডিয়াম (Thyagraj Stadium)। ক্রীড়াবিদ এবং প্রশিক্ষকদের ব্যাগপত্র গুছিয়ে সাতটার মধ্যেই খালি করে দিতে হত স্টেডিয়াম চত্বর। সাংবাদমাধ্যমে এই খবর প্রকাশিত হতেই নড়েচড়ে বসে প্রশাসন। দিল্লির প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (রাজস্ব) তথা আইএএস অফিসার সঞ্জীব খিরওয়ারকে (Sanjeev Khirwar) বদলি করে দেওয়া হল লাদাখে (Ladakh) এবং উচ্চপদে কর্মরত তাঁর আইএএস স্ত্রী রিঙ্কু দুগ্গাকে পাঠানো হল অরুণাচল প্রদেশে (Arunachal Pradesh)। 

    [tw]


    [/tw]

    অভিযোগ, গত কয়েক মাস ধরেই দিল্লির ত্যাগরাজ স্টেডিয়ামে ক্রীড়াবিদ এবং প্রশিক্ষকদের সন্ধে ৭টার মধ্যে স্টেডিয়াম ছাড়তে বলা হচ্ছিল। ওই সময় নিজের পোষ্য কুকুরকে নিয়ে সস্ত্রীক এই স্টেডিয়ামে হাঁটতে আসেন দিল্লির প্রিন্সিপাল সেক্রেটারি (রাজস্ব) তথা আইএএস অফিসার সঞ্জীব খিরওয়ার। এই ঘটনা সংবাদমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরই অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার দিল্লির সমস্ত স্টেডিয়াম রাত ১০টা পর্যন্ত খেলোয়াড়দের জন্য খোলা রাখার নির্দেশ দেয়। দিল্লির মুখ্যসচিব বিষয়টি জানিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে (Home Ministry ) চিঠি লেখেন। এর পরই আইএএস সঞ্জীব খিরওয়ার এবং তাঁর আইএএস অফিসার স্ত্রীকে বদলি করা হল।

    আরও পড়ুন: যৌনকর্মীরাও সমান সুরক্ষার অধিকারী জানাল শীর্ষ আদালত

    সম্প্রতি এক প্রশিক্ষক অভিযোগ করেন, “আগে আমরা ৮টা-সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ট্রেনিং করতাম। কিন্তু এখন, আমাদের সন্ধে ৭টার মধ্যে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া হচ্ছে, যাতে ওই আমলা তাঁর কুকুর নিয়ে হাঁটতে পারেন। এর ফলে আমাদের প্রশিক্ষণ এবং অনুশীলনে ব্যাঘাত ঘটছে।’’এই ঘটনা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসে স্টেডিয়ামে খেলতে আসা খেলোয়াড়দের পরিবারের তরফ থেকেও।

    [tw]


    [/tw]

    যদিও স্টেডিয়ামের দায়িত্বে থাকা অনিল চৌধুরি আইএএস অফিসারের সুবিধার জন্য খেলোয়াড়দের তাড়াতাড়ি মাঠ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেন। তাঁর দাবি, খেলোয়াড়দের সন্ধে ৭টা পর্যন্তই প্রশিক্ষণ করার নিয়ম ছিল। এর পর, খেলোয়াড় এবং প্রশিক্ষকরা নিজেরাই চলে যান। কেউ তাঁদের তাড়াতাড়ি চলে যেতে বলেনি। আইএএস অফিসার সঞ্জীব জানিয়েছেন, এই ঘটনার ‘সম্পূর্ণ ভুল’ ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। তিনি স্বীকার করেছেন, তিনি মাঝে মাঝে তাঁর পোষ্যকে নিয়ে বেড়াতে যান ঠিকই, কিন্তু তাতে কারও প্রশিক্ষণে ব্যাঘাত ঘটে না। তবে ঘটনা যাই হোক আমলা দম্পতির বদলির পর তাঁদের পোষ্যটি কোথায় যাবেন তা নিয়ে চিন্তিত নেটিজেনরা। এই নিয়ে ট্যুইটারে মিমের ছড়াছড়ি। 

  • Dam On Brahmaputra: ব্রহ্মপুত্রের উপর হতে চলেছে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ

    Dam On Brahmaputra: ব্রহ্মপুত্রের উপর হতে চলেছে ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ব্রহ্মপুত্র (Brahmaputra)নদের উপর ভারতের দ্বিতীয় বৃহত্তম বাঁধ তৈরির করতে চলেছে কেন্দ্র সরকার। অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) ইংকিয়ং (Yingkiong)য়ে ওই বৃহৎ বাঁধ তৈরি করতে খরচ হবে আনুমানিক ৫০ হাজার কোটি টাকা। এই অরুণাচল সীমান্তের কাছাকাছি তিব্বতের মেডগ কাউন্টিতে ইয়ারলাং জ্যাংবো নদীর উপর বাঁধ তৈরি করেছে বেজিং। এবার তিব্বতে ব্রহ্মপুত্রের বুকে চিনা ‘মেগা ড্যাম’ প্রকল্পের পালটা অরুণাচল প্রদেশে এই বাঁধ তৈরির পরিকল্পনা করছে নয়াদিল্লি।

    চিন অধিকৃত তিব্বত অঞ্চলের উৎসস্থল থেকে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করেছে ইয়ারলাং জ্যাংবো নদী। অরুণাচলে পৌঁছে এর নাম হয়েছে সিয়াং। আর অসমে প্রবেশ করার পরে এই সিয়াংই পরিচিত হয় ব্রহ্মপুত্র নামে এবং এর পর ফের সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে ব্রহ্মপুত্র। বর্ষার সময় এই নদের জল উপচে পড়লেও বছরের অন্য সময়ে তিব্বতের বরফ গলা জলই এই নদে জলপ্রবাহ ধরে রাখে।   

    প্রসঙ্গত, নদীর অবস্থানের সুবাদে ভারতের (India) চেয়ে অনেক সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে চিন। বিশেষ করে তিব্বত অঞ্চল নিজেদের দখলে রাখার পরে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম নদীগুলির উৎস রয়েছে বেজিংয়ের কবজায়। এর মধ্যে ৪৮% নদীর জলই ভারতের মধ্যে দিয়ে বয়ে চলে। চিনের ওই নয়া প্রকল্পের কারণে স্বভাবতই জল কমে যাবে ব্রহ্মপুত্রের। আবার বর্ষার সময় চিন বাঁধের জল ছাড়লে অসমের বিস্তীর্ণ অঞ্চল,বাংলাদেশের একাধিক জায়গা জলের তলায় চলে যেতে পারে, বলে আশঙ্কা ছিল ভারতের। তাই চিনকে আটকাতে ভারত এই নতুন প্রকল্প হাতে নিতে চলেছে বলে অনুমান।
     
    দেশের জলশক্তি মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াত বলেন, “চিনা বাঁধ থেকে তৈরি হওয়া সমস্যা ও কুপ্রভাব কাটাতে এই মুহূর্তে অরুণাচল প্রদেশে ব্রহ্মপুত্রের বুকে একটি বাঁধ তৈরির প্রয়োজন রয়েছে। সরকারের সর্বোচ্চ স্তরে তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।” তিনি আরও জানান, বাঁধের মাধ্যমে জল ধরে রাখার জন্য বিশাল জলাধার তৈরি করবে ভারত। এর ফলে তিব্বতে চিনা বাঁধ থেকে আচমকা জল ছাড়লে হড়পা বানের আশঙ্কা অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা যাবে। পাশাপাশি, এর ফলে বর্ষার সময় ছাড়া বছরের অন্য দিনে  উত্তর-পূর্ব ভারতে জলসংকটের মোকাবিলাও করা যাবে।

  • Arunachal Landslide Tragedy: মর্মান্তিক ঘটনা! অরুণাচলে ভূমিধসে মৃত্যু ১৬ বছরের কিশোরের

    Arunachal Landslide Tragedy: মর্মান্তিক ঘটনা! অরুণাচলে ভূমিধসে মৃত্যু ১৬ বছরের কিশোরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে অসম (Assam) ও উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে। তার জেরেই এই দুর্ঘটনা বলে মনে করা হচ্ছে। অসমের নগাঁও (Naogaon) জেলার কামপুর (Kampur) এলাকায় বন্যা(flood) পরিস্থিতি বিপজ্জনক হয়েছে। সেখানে অনেক গ্রাম জলের তলায়। এদিকে অরুণাচল প্রদেশেও ভূমিধস (landslide) নামায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বহু মানুষ। এর মধ্যে ১৬ বছর বয়সী ছেলেটির মৃত্যু মর্মান্তিক।

    আরও পড়ুন:বানভাসি আসাম, ৭ জেলা ভাসছে জলে

    খবরসূত্রে জানা যায়, ছেলেটির নাম রেজ হিল্লি (Rage Hilli) ও অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) পশ্চিম সিয়াং(West Siang) জেলার কেয়াক(Keyak) গ্রামের বাসিন্দা। বক্সিং ট্রায়ালের বাছাই পর্বে  যাওয়ার পথে সুদ (Sood) নামক গ্রামের কাছে ধস নামায় সেখানেই জীবন্ত অবস্থায় মাটির নীচে চাপা পড়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে তার দেহ উদ্ধার করেন। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার সকালে। প্রবল বৃষ্টির জেরেই সেখানে ধস নামায় এই পরিস্থিতার সৃষ্টি হয়েছে।

    পুলিশসূত্রে জানা যায়, রেজ হিল্লি ও তার বন্ধু তাই আবু (Tai Abu) রাজিব গান্ধী বিশ্ববিদ্যালয়(Rajiv Gandhi University) থেকে তারা বক্সিং ট্রায়ালে যাওয়ার সময় এই ঘটনাটি ঘটে। তখন মৃতের বন্ধু নিজে বেঁচে গেলেও তার বন্ধুকে বাঁচাতে পারেনি ও মাটির নীচে চাপা পড়ে যায়।

    আরও পড়ুন: বন্যা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে আসামসহ উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে, মৃত্যু বেড়ে ৫৪

    এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে অরুণাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী পেমা কুন্ডু (Pema Kundu) সোশ্যাল মিডিয়ায় পোষ্ট করে লিখেছেন, ১৬ বছর বয়সী বক্সার(Boxer) রেজ হিল্লির মৃত্যুতে তিনি মর্মাহত। হিল্লি নবম শ্রেণীর ছাত্র ছিল ও পরে দেশসেবার কাজে সশস্ত্র বাহিনীতে যোগ দিতে চেয়েছিল। তিনি নিহতের পরিবারের জন্য শোকাহত ও এই পরিস্থিতিতে তাঁদের পাশে রয়েছেন। এর পাশাপাশি, অন্যান্যদের বৃষ্টির জন্যে সতর্ক থাকতে বলেছেন ও যেখানে ধস নামতে পারে এমন জায়গা এড়িয়ে যেতে বলেছেন।

LinkedIn
Share