Tag: Arvind Kejriwal

Arvind Kejriwal

  • CAG Report of Kejriwal Govt: অব্যবহৃত অর্থ থেকে অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি, কেজরিওয়াল সরকারের আমল নিয়ে ক্যাগ রিপোর্টে একাধিক প্রশ্ন

    CAG Report of Kejriwal Govt: অব্যবহৃত অর্থ থেকে অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি, কেজরিওয়াল সরকারের আমল নিয়ে ক্যাগ রিপোর্টে একাধিক প্রশ্ন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি (AAP) সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে একাধিক গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে ২০২৪-২৫ সালের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG)-এর রিপোর্ট। সম্প্রতি দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা বিধানসভায় রিপোর্টটি পেশ করেন। রিপোর্টে একদিকে যেমন দিল্লির অর্থনৈতিক বৃদ্ধির গতি কমার বিষয়টি উঠে এসেছে, অন্যদিকে বিভিন্ন প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ অব্যবহৃত থাকা, মূলধনী ব্যয় কমে যাওয়া এবং ভর্তুকির উপর নির্ভরতা বৃদ্ধির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    দেশের তুলনায় পিছিয়ে দিল্লির অর্থনৈতিক বৃদ্ধি

    ক্যাগ-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, গত এক দশকে দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধির তুলনায় দিল্লির মাথাপিছু আঞ্চলিক আয়-এর বৃদ্ধির হার কম ছিল। ২০১৫-২৫ সময়ে দিল্লির মাথাপিছু জিএসডিপি-এর বার্ষিক চক্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির হার (CAGR) ছিল ৬.৩৯ শতাংশ। একই সময়ে দেশের মাথাপিছু জিডিপি বৃদ্ধির হার ছিল ৮.১৪ শতাংশ। রিপোর্টে বলা হয়েছে, দিল্লি দীর্ঘমেয়াদি সম্পদ ও পরিকাঠামো তৈরিকে যথেষ্ট অগ্রাধিকার দেয়নি। এর ফলে ভবিষ্যতে রাজধানীর অর্থনৈতিক বৃদ্ধির উপর প্রভাব পড়তে পারে।

    অর্ধেকেরও বেশি কমেছে মূলধনী ব্যয়

    দিল্লির পরিকাঠামোগত উন্নয়নে মূলধনী ব্যয়ের পতনকে বিশেষভাবে তুলে ধরেছে ক্যাগ। ২০২১-২২ সালে দিল্লিতে মূলধনী প্রকল্পে খরচ হয়েছিল ₹৮,৩১১ কোটি। ২০২৪-২৫ সালে তা কমে দাঁড়ায় মাত্র ₹৩,৬৯৫ কোটি। শুধু সড়ক পরিবহণ পরিকাঠামোতেই ব্যয় এক বছরে ₹১,৪৪৮ কোটি থেকে কমে ₹৩৯০ কোটি হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে মোট ব্যয়ের মাত্র ৬.৫৩ শতাংশ মূলধনী খাতে খরচ হয়েছে। এর আগের বছর, অর্থাৎ ২০২৩-২৪ সালে এই খাতে ব্যয় হয়েছিল ₹৬,৮৫৫ কোটি।

    বরাদ্দের প্রায় ২৩ শতাংশই খরচ হয়নি

    রিপোর্টের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ হল, ২০২৪-২৫ সালে দিল্লি সরকারের জন্য মোট ₹৮০,৭৯৮.৮১ কোটি বাজেট বরাদ্দ করা হলেও খরচ হয়েছে মাত্র ₹৬১,৯১১.১৯ কোটি।অর্থাৎ ₹১৮,৮৮৭.৬২ কোটি খরচ হয়নি। এর মধ্যে ₹১১,২৬৩.৩৪ কোটি ফেরত দেওয়া হয় এবং আরও ₹৭,৬২৪.২৮ কোটি মার্চ ২০২৫-এর শেষে ল্যাপ্স করে যায়। ক্যাগ-এর হিসাবে, বিধানসভা যে অর্থ ব্যয়ের অনুমোদন দিয়েছিল তার ২৩.৩৮ শতাংশ ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। রিপোর্টে বলা হয়েছে, প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত ব্যয়ের হিসাব তৈরি করা দুর্বল বাজেট পরিকল্পনার ইঙ্গিত দেয়। এমনকি অর্থবর্ষের মাঝামাঝি সময়ে অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ করা হলেও মূল বাজেটের বরাদ্দের সমপরিমাণ ব্যয়ও সরকার করতে পারেনি বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এক খাত থেকে অন্য খাতে অর্থ সরিয়েও হয়নি পূর্ণ ব্যয়

    বছরের মাঝামাঝি সময়ে বিভিন্ন খাতে বরাদ্দ অর্থ এক বিভাগ থেকে অন্য বিভাগে সরানো হয়েছিল। কিন্তু সেই পুনর্বিন্যাসের পরও পুরো অর্থ ব্যয় করা সম্ভব হয়নি। ক্যাগ জানিয়েছে, ২০২৪-২৫ সালে ছয়টি অনুদানের অধীনে ১৬টি উপ-খাতে মোট ₹১,৪৪৫.৭২ কোটি অর্থ অব্যবহৃত থেকে যায়। এর মধ্যে ₹৮৮৯.১০ কোটি ছিল পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে সরানো অর্থ। রিপোর্টের মতে, এই ঘটনাও বাজেট তৈরির ক্ষেত্রে ত্রুটির ইঙ্গিত দেয়।

    ভর্তুকিতে বাড়ছে ব্যয়

    অন্যদিকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও মূলধনী খাতে ব্যয় কমলেও ভর্তুকির ক্ষেত্রে দিল্লি সরকারের ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে বলে ক্যাগ রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ সালে দিল্লির মোট রাজস্ব ব্যয়ের ১০.১৮ শতাংশ ভর্তুকিতে খরচ হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ভর্তুকির অংশ ছিল সবচেয়ে বেশি—মোট ভর্তুকি ব্যয়ের প্রায় ৬৭ থেকে ৭৩ শতাংশ। আগের বছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ সালে ভর্তুকি ব্যয় ₹২৫০ কোটি বা ৫.১৭ শতাংশ বেড়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ ভর্তুকিতে ₹৩৬১ কোটি, নগরোন্নয়ন ও জল ভর্তুকিতে ₹২২ কোটি এবং শিক্ষা ভর্তুকিতে ₹৩৮ কোটি বৃদ্ধি হয়েছে।

    দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক স্থায়িত্ব নিয়ে সতর্কতা

    ক্যাগ সতর্ক করেছে, ভর্তুকিতে অতিরিক্ত ব্যয় দীর্ঘমেয়াদে দিল্লির আর্থিক স্থায়িত্বের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক খাতে প্রয়োজনীয় ব্যয়ের জন্য অর্থের সংকট তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। রিপোর্টে রাজস্ব বাড়ানো, ব্যয়ের উপর আরও নিয়ন্ত্রণ, কাঠামোগত সংস্কার এবং সময়মতো হিসাব ও রিপোর্টিংয়ের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে ভবিষ্যতে আরও বাস্তবসম্মত ও প্রয়োজনভিত্তিক বাজেট বরাদ্দ করার পরামর্শও দিয়েছে ক্যাগ। সব মিলিয়ে, ক্যাগ-এর এই রিপোর্ট দিল্লির প্রাক্তন আপ সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা, বাজেট পরিকল্পনা এবং সরকারি অর্থের ব্যবহার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এনেছে। বিশেষ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ অব্যবহৃত থাকা এবং মূলধনী ব্যয় কমে যাওয়ার বিষয়টি রাজধানীর দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করতে পারে।

  • IB Officer Murder Verdict: অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় তাহির হুসেন দোষী সাব্যস্ত, কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    IB Officer Murder Verdict: অঙ্কিত শর্মা হত্যা মামলায় তাহির হুসেন দোষী সাব্যস্ত, কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্কিত শর্মা হত্যা (IB Officer Murder Verdict) মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন আম আদমি পার্টির প্রাক্তন কাউন্সিলর তাহির হুসেন। তারপর মঙ্গলবার আম আদমি পার্টির জাতীয় আহ্বায়ক অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তীব্র আক্রমণ করলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া। তাঁর দাবি, তাহির হুসেনের পাশাপাশি এই ঘটনার সবচেয়ে বড় অপরাধী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, কারণ তিনি হুসেনকে রাজনৈতিক সুরক্ষা দিয়েছিলেন।

    বিজেপি নেতার বক্তব্য (IB Officer Murder Verdict)

    সাংবাদিক বৈঠকে আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়ে গৌরব বলেন, “এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত ছিলেন তাহির হুসেন। ওই সময় তিনি আম আদমি পার্টির কাউন্সিলর ছিলেন এবং অরবিন্দ কেজরিওয়ালের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। আজ তিনি ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুন, ৩৬৫ ধারায় অপহরণ এবং ১৫৩এ ধারায় বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। তাঁর সঙ্গে জাভেদ, আনাস, নাজিম এবং কাসিমকেও শাস্তি দেওয়া হয়েছে। তাহির হুসেনের পাশাপাশি সবচেয়ে বড় অপরাধী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তাঁর নির্দেশেই এই ঘটনা ঘটেছিল এবং পরে তা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল।” ভাটিয়ার দাবি, তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী হওয়া সত্ত্বেও, দিল্লির সাম্প্রদায়িক হিংসায় নিহত প্রায় ৬০ জনের জন্য কিংবা অঙ্কিতের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে কেজরিওয়াল একটি কথাও বলেননি।

    জনতাকে উসকে দেন তাহির

    আদালতের পর্যবেক্ষণের উল্লেখ করে বিজেপি মুখপাত্র বলেন, “আদালত জানিয়েছে, অঙ্কিত যখন নিজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে জনতার সামনে এসেছিলেন, তখন তাহির জনতাকে উসকে দেন। আদালত আরও বলেছে, অভিযুক্তরা একটি ষড়যন্ত্র ও অভিন্ন উদ্দেশ্য নিয়ে হিন্দুদের হত্যা করতে চেয়েছিল এবং সেই কারণেই অঙ্কিত শর্মাকেও হত্যা করা হয়।” তাঁর প্রশ্ন, “কেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল তাহিরকে রাজনৈতিক সুরক্ষা দিয়েছিলেন? কেন তিনি অঙ্কিতের পরিবারের পাশে দাঁড়াননি?” আম আদমি পার্টির নেতা আমানতুল্লা খানের মন্তব্যেরও সমালোচনা করেন তিনি। ভাটিয়ার অভিযোগ, ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণেই অভিযুক্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে আম আদমি পার্টি। তিনি জানান, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী অঙ্কিতের দেহে ৫১টি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন ছিল। তাঁর অভিযোগ, এত নৃশংস ঘটনার পরেও কেজরিওয়াল কখনও শর্মা পরিবারের পাশে দাঁড়াননি।

    আপ এবং কংগ্রেসকেও নিশানা

    কংগ্রেসকেও নিশানা করেন এই বিজেপি কর্তা। তাঁর অভিযোগ, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে ভুয়ো আতঙ্ক ছড়িয়ে কংগ্রেস এবং আম আদমি পার্টি সাধারণ মানুষকে বিভ্রান্ত করেছিল। তিনি বলেন, “সংসদে আইন পাস হওয়ার পর সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধী এমন পরিবেশ তৈরি করেছিলেন, যাতে মনে হয় মুসলিমদের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হবে। আজ আমি জানতে চাই, কতজন ভারতীয় মুসলিম তাঁদের নাগরিকত্ব হারিয়েছেন? উত্তর একটিও নয়।” সোনিয়া গান্ধীর ‘শেষ পর্যন্ত লড়াই’ মন্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে (IB Officer Murder Verdict) ভাটিয়া বলেন, “যখন কারও নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হচ্ছিল না, তখন এই লড়াই কীসের জন্য ছিল?” রাহুলকে নিশানা করে তিনি বলেন, “তিনি (রাহুল) দাঙ্গা কবলিত এলাকায় গিয়ে একটি মসজিদে গিয়েছিলেন, যদিও অঙ্কিতের পরিবারের সঙ্গে দেখা করেননি। এটি নিরাময়ের স্পর্শ নয়, বরং রক্তাক্ত করার স্পর্শ ছিল।”

    শেষে বিজেপির পক্ষ থেকে অরবিন্দ কেজরিওয়াল, সোনিয়া গান্ধী এবং রাহুল গান্ধীর কাছে দিল্লিবাসী ও দেশের মানুষের উদ্দেশে নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি, সাম্প্রদায়িক উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে আমানতুল্লা খান এবং ইমরান মাসুদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা (BJP) নেওয়ারও দাবি তোলেন ভাটিয়া। তিনি বলেন, “যে-ই যত প্রভাবশালীই হোন না কেন, আইনের হাত থেকে রেহাই পাবেন না। দিল্লির সাম্প্রদায়িক হিংসার প্রত্যেক অপরাধীকেই আইনের আওতায় এনে শাস্তি নিশ্চিত করা হবে (IB Officer Murder Verdict)।”

     

  • Delhi Mayor: দিল্লি পুরসভার মেয়র হলেন বিজেপির প্রবেশ ওয়াহি

    Delhi Mayor: দিল্লি পুরসভার মেয়র হলেন বিজেপির প্রবেশ ওয়াহি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (এমসিডি) মেয়র নির্বাচিত হলেন বিজেপি কাউন্সিলর প্রবেশ ওয়াহি। রোহিণী পূর্ব, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্ম-কাউন্সিলর তিনি। ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আনন্দ বিহারের বিজেপি কাউন্সিলর মনিকা পন্ত। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে দু’জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছে এমসিডি। মেয়র ও ডেপুটি মেয়র — উভয়েই বিজেপির সদস্য। বিজেপির রাজা ইকবাল সিং ছিলেন বিদায়ী এমসিডি মেয়র। এর আগে, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর (এলজি) তরণজিৎ সিং সান্ধু এমসিডি নির্বাচনে সিংকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন।

    আপের অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন (Delhi Mayor)

    বুধবার সকালেই রাজ্যসভার সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, এমসিডি মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ায় আপের সমালোচনা করেন। তিনি জানান, হার নিশ্চিত জানলেও গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস রাখা উচিত। আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কটাক্ষ করে তিনি জানান, আপের প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দলটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন তোলে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল কোনও প্রার্থী দেননি। এটা কেমন রাজনীতি? তাদের উচিত গণতন্ত্রে বিশ্বাস রাখা। তারা জানে যে তারা হারবে, তবুও তাদের উচিত ছিল নির্বাচন লড়া।”

    ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার

    তিনি জানান, এমসিডি জাতীয় রাজধানীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং নাগরিক প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “দিল্লির উন্নয়নের জন্য এমসিডি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন দিল্লিতে আপ সরকার ক্ষমতায় ছিল, তারা একে খুব খারাপ অবস্থায় ফেলে রেখেছিল। এখন এমসিডি ও দিল্লি সরকারকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” একই ধরনের মন্তব্য করে, মেয়র নির্বাচনে আপ প্রার্থী না দেওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক রবিন্দর সিং নেগি বলেন, “আপ জানে তারা হারবে, তাই তারা কাউকেই প্রার্থী করেনি।” তিনি বলেন, “আপ প্রার্থী দিচ্ছে না কারণ তারা জানে তারা নির্বাচনে হারবে, যেহেতু তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। দিল্লিতে এখন ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার রয়েছে, যা ঐতিহাসিক কাজ করছে, এবং এটি আরও শক্তিশালী হবে।”

     

  • Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    Raghav Chadha: আপ ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা, সঙ্গে কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের নেতৃত্বাধীন আম আদমি পার্টি ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন সাংসদ রাঘব চাড্ডা (Raghav Chadha)। রাজ্যসভায় ডেপুটি লিডারের পদ থেকে অপসারণকে কেন্দ্র করে আম আদমি পার্টির সঙ্গে প্রকাশ্যে বিরোধ বাঁধে রাঘবের। তার (PM Modi) পরেই শুক্রবার তিনি ঘোষণা করেন, পদ্মশিবিরে যাচ্ছেন তিনি।

    চাড্ডার বক্তব্য (Raghav Chadha)

    দিল্লিতে সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলের সঙ্গে এক সাংবাদিক সম্মেলনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “আপের রাজ্যসভার দুই-তৃতীয়াংশ সাংসদ সাংবিধানিক বিধান প্রয়োগ করে বিজেপির সঙ্গে একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতের সংবিধানের বিধান প্রয়োগ করে নিজেদের বিজেপির সঙ্গে একীভূত করছি।” সন্দীপ পাঠক এবং অশোক মিত্তলও আপ ছাড়ার কথা ঘোষণা করেন। তাঁরাও জানিয়ে দেন, বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন তাঁরা।

    মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে আপ

    নিজের সিদ্ধান্তের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে চাড্ডা বলেন, “যে দলটিকে আমি রক্ত-ঘামে গড়ে তুলেছিলাম, সেটি তার মূল নীতি থেকে সরে গিয়েছে। তিনি বলেন, যে দলে আমি আমার যৌবনের ১৫ বছর দিয়েছি, তা তার নীতি, মূল্যবোধ এবং মূল আদর্শ থেকে বিচ্যুত হয়েছে। এখন এই দল দেশবাসীর স্বার্থে কাজ না করে ব্যক্তিগত লাভের জন্য কাজ করছে… গত কয়েক বছর ধরে আমি অনুভব করছিলাম যে আমি ভুল দলে সঠিক মানুষ (PM Modi)। তাই আজ আমরা ঘোষণা করছি যে আমি আপ থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে জনতার কাছাকাছি যাচ্ছি (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন, “সংবিধান অনুযায়ী, একটি দলের মোট সাংসদের দুই-তৃতীয়াংশ অন্য দলে যোগ দিতে পারেন। আমরা আজ এই বিষয়ে রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণনের কাছে চিঠি জমা দিয়েছি এবং প্রয়োজনীয় সমস্ত নথিও দিয়েছি।” প্রবীণ এই নেতা বলেন, “আমি আপনাদের আসল কারণ বলছি কেন আমি দলীয় কার্যকলাপ থেকে দূরে সরে গিয়েছিলাম। আমি তাদের অপরাধের অংশ হতে চাইনি। আমি তাদের বন্ধুত্বের যোগ্য ছিলাম না, কারণ আমি তাদের অপরাধে অংশ নিইনি। আমাদের সামনে দুটি পথ ছিল—একটি হল রাজনীতি ছেড়ে দেওয়া এবং গত ১৫-১৬ বছরের জনসেবামূলক কাজ ত্যাগ করা, অথবা আমাদের শক্তি ও অভিজ্ঞতা দিয়ে ইতিবাচক রাজনীতি করা। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে রাজ্যসভায় আপের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য হিসেবে আমরা ভারতীয় সংবিধানের বিধান মেনে বিজেপিতে যোগ দেব (Raghav Chadha)।”

    চাড্ডা বলেন (Raghav Chadha), “রাজ্যসভায় আপের মোট ১০ জন সাংসদ রয়েছেন, এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি আমাদের সঙ্গে রয়েছেন। তাঁরা স্বাক্ষর করেছেন এবং আজ সকালে আমরা সেই স্বাক্ষরিত চিঠি ও নথি রাজ্যসভার চেয়ারম্যানের কাছে জমা দিয়েছি। এখানে উপস্থিত তিনজন ছাড়াও হরভজন সিং, রাজিন্দর গুপ্তা, বিক্রম সাহনি এবং স্বাতী মালিওয়াল আমাদের সঙ্গে আছেন।” প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শুরুতে রাঘব ইনস্টাগ্রামে ‘ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড’ শিরোনামে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। সেখানে সংসদে বিভিন্ন বিষয় উত্থাপন করার তাঁর ক্লিপগুলোর সংকলন দেখানো হয়েছে। এটি তাঁর দলের সঙ্গে চলা বিরোধের মধ্যেই প্রকাশ করা হয়। পোস্টে তিনি বলেন, “যাঁরা আমার সংসদীয় কাজকর্ম নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, তাঁদের প্রতি যথাযথ সম্মান রেখেই বলছি—আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (PM Modi)।”

    গত ২ এপ্রিল রাজ্যসভার ডেপুটি লিডার পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয় চাড্ডাকে। অভিযোগ, তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে সংসদে জোরালোভাবে কথা বলা থেকে বিরত থাকছেন এবং তার বদলে ‘সফ্ট পিআরে’ যুক্ত হচ্ছেন। চাড্ডা এই অভিযোগগুলিকে ‘মিথ্যা’ বলে উড়িয়ে দেন। তিনি বলেন, “আমি সংসদে মানুষের সমস্যাগুলি তুলে ধরতেই যাই, অশান্তি সৃষ্টি করতে নয়।” প্রসঙ্গত, উচ্চকক্ষ থেকে ডেপুটি লিডার পদ থেকে অপসারণের পর থেকে চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও এবং পোস্ট শেয়ার করেছেন (Raghav Chadha)। সেখানে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে এই পদাবনতি তিনি চুপচাপ মেনে নেবেন না ((PM Modi))।

     

  • Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    Chadha Z Security: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপ সাংসদ রাঘব চাড্ডাকে জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা (Chadha Z Security) দিল কেন্দ্র। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক সূত্রে খবর, এই নিরাপত্তা দিল্লি ও পাঞ্জাব – দুই রাজ্যেই প্রযোজ্য হবে (AAP)। তাঁর সুরক্ষায় মোতায়েন করা হবে আধাসামরিক বাহিনী। সূত্রের খবর, আপাতত দিল্লি পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার আগে পর্যন্ত চাড্ডাকে নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তটি ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর তৈরি করা হুমকি মূল্যায়ন রিপোর্টের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে, যেখানে তাঁর নিরাপত্তা বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।

    চাড্ডার জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহার (Chadha Z Security)

    পাঞ্জাবের আম আদমি পার্টি সরকারের পক্ষ থেকে তাঁর আগের জেড প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা প্রত্যাহারের দুদিনের মধ্যেই চাড্ডাকে নিরাপত্তা প্রদানের ঘোষণা করল কেন্দ্র। রাজ্য পুলিশের দেওয়া এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া রাজনৈতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। কারণ চাড্ডা ও দলের নেতৃত্বের মধ্যে চলা বর্তমান দ্বন্দ্ব। চাড্ডা পাঞ্জাব থেকে রাজ্যসভায় নির্বাচিত একজন গুরুত্বপূর্ণ আপ নেতা। এতদিন রাজ্য সরকারের তরফে তাঁকে দেওয়া হচ্ছিল জেড প্লাস নিরাপত্তা। গত সপ্তাহে এই নিরাপত্তা তুলে নেওয়া হয়, যখন দলের ভেতরের বিরোধ আরও তীব্র হয়। কেন্দ্রের তরফে দ্রুত জেড ক্যাটেগরির নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

    চাড্ডার প্রতিক্রিয়া

    চাড্ডাকে রাজ্যসভায় আপের ডেপুটি লিডারের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাও এই নিরাপত্তা পরিবর্তনের সঙ্গে মিলে গিয়েছে, যার জেরে দলের সঙ্গে তাঁর মতবিরোধ আরও তীব্র হয়েছে (AAP)। এই সিদ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় চাড্ডা জানান, তিনি পরাজিত নন, বরং তাঁকে চুপ করিয়ে দেওয়া হয়েছে—যা দলের পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাঁর স্পষ্ট প্রতিবাদ। আপ নেতাদের অভিযোগ, চাড্ডা সংসদে পাঞ্জাবের সমস্যাগুলি যথেষ্ট জোর দিয়ে তোলেননি। কেন্দ্রের বিরুদ্ধে নরম অবস্থান নিয়েছেন তিনি। রাঘব গুরুত্বপূর্ণ বিরোধী কার্যকলাপে অংশ নেননি, যেমন ওয়াকআউট বা সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে নোটিশে সই করা। চাড্ডা এই অভিযোগগুলি মিথ্যা বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর সাফ কথা, একজন সাংসদ হিসেবে তাঁর কাজ হল গঠনমূলকভাবে জনস্বার্থের বিষয় তুলে ধরা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা নয়। তিনি দাবি করেন, তাঁর সংসদীয় কাজই তার প্রমাণ (Chadha Z Security)।

    রাঘবের নিশানায় কে

    এদিকে, সম্প্রতি চাড্ডা সোশ্যাল মিডিয়ায়ও সক্রিয় হয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন। তিনি সংসদে তাঁর বক্তব্যের ভিডিও শেয়ার করেছেন, যার একটির শিরোনাম ছিল “ভয়েস রেজড, প্রাইস পেড (Voice Raised Price Paid)।” একটি পোস্টে রাঘব বলেন, “আমার কাজই আমার হয়ে কথা বলবে (AAP)।” বস্তুত, রাজনৈতিক জল্পনা আরও বাড়িয়েছে রাঘবের একটি মন্তব্য, যেখানে তাঁকে নিজের দল গঠনের পরামর্শ দেওয়া একটি ভিডিওতে তিনি লিখেছিলেন “ইন্টারেস্টিং থট”। তিনি “নেভার আউটসাইন দ্য মাস্টার (Never Outshine the Master)” বাক্যটির উল্লেখ করে একটি ছবি শেয়ার করেন, যা দেখে অনেকেরই ধারণা দলনেতা অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উদ্দেশ্যেই এই ইঙ্গিত। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলীয় দ্বন্দ্ব যত গভীর হচ্ছে, ততই রাঘবের ওপর থেকে রাজ্য নিরাপত্তা প্রত্যাহার এবং কেন্দ্রের দ্রুত নতুন নিরাপত্তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা—উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে (Chadha Z Security)।

  • Kailash Gahlot: দলের বিরুদ্ধে বোমা ফাটিয়ে পদত্যাগ আপ নেতা তথা পরিবহণমন্ত্রী কৈলাশ গেহলটের

    Kailash Gahlot: দলের বিরুদ্ধে বোমা ফাটিয়ে পদত্যাগ আপ নেতা তথা পরিবহণমন্ত্রী কৈলাশ গেহলটের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আম আদমি পার্টি ছাড়লেন দিল্লি সরকারের পরিবহণমন্ত্রী কৈলাশ গেহলট (Kailash Gahlot)। জানা গিয়েছে, তিনি নিজের মন্ত্রীপদ এবং দল উভয় থেকেই পদত্যাগ করেছেন। আম আদমি পার্টির (AAP) আহ্বায়ক এবং দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে দল থেকে পদত্যাগের কথা জানিয়ে চিঠি লিখেছেন। এ ছাড়া দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অতীশিকেও চিঠি লিখে মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন কৈলাশ। দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের কয়েক মাস আগে কৈলাশের পদত্যাগ চাপ বাড়াবে আপের ওপর, এমনটাই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

    দলের বিরুদ্ধে বোমা ফাটিয়েছেন পদত্যাগ পত্রে 

    নিজের পদত্যাগপত্রে দলের বিরুদ্ধেই বোমা ফাটিয়েছেন কৈলাশ (Kailash Gahlot)। তিনি লিখছেন, ‘‘দিল্লিতে এখন বহু লজ্জার বিতর্ক সামনে চলে আসছে। যাতে নিজেকে প্রশ্ন করতে হচ্ছে, আমরা কি এখনও আম আদমি থাকায় বিশ্বাস রাখি?’’ কৈলাশ সাফ বলছেন, ‘‘আপ (AAP)  এখন আম আদমির এজেন্ডা ভুলে নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখার লড়াই করছে। এভাবে মানুষের ন্যূনতম চাহিদা পূরণ করাও সম্ভব হচ্ছে না।’’

    কেন্দ্রের সঙ্গে ঝামেলা করে মানুষের উন্নয়ন সম্ভব নয়

    চিঠিতে দিল্লির মন্ত্রী (Kailash Gahlot) আরও বলেছেন, ‘‘আপ সরকার যেভাবে কেন্দ্রের সঙ্গে নিত্য ঝামেলা করে চলেছে, তাতে মানুষের উন্নয়ন সম্ভব নয়। সরকারের বেশিরভাগ সময় ব্যয় করছে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এভাবে মানুষের চাহিদা পূরণ হয় না। তাই কোনও বিকল্প না দেখেই আমাকে আপ ছাড়তে হল।’’ অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকারি বাসভবনকে ‘শীশমহল’ বলে উল্লেখ করে তিনি একাধিক অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে যমুনায় ক্রমবর্ধমান দূষণ নিয়ে দিল্লি সরকারের বিরুদ্ধেও তোপ দাগেন।

    কৈলাশের (Kailash Gahlot) পদত্যাগকে স্বাগত জানালেন কপিল মিশ্র

    এনিয়ে দিল্লি বিজেপির নেতা কপিল মিশ্র বলেন, ‘‘কেজরিওয়ালের মন্ত্রী কৈলাশ গেহলট (Kailash Gahlot) পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগপত্রে তিনি স্পষ্ট লিখেছেন যে দুর্নীতির কারণে আম আদমি পার্টি ও সরকারে থাকা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। কেজরিওয়াল গ্যাংয়ের লুট ও মিথ্যার বিরুদ্ধে কৈলাশ গেহলটের এই পদক্ষেপকে স্বাগত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    Arvind Kejriwal: কেজরির শিশমহলের কড়ি-বর্গায়ও জমিদারির ছাপ, আপ নেতার হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি দেশের রাজা নন। নিছক জমিদারও নন। ভারতের একটা অঙ্গরাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এখন অবশ্য সেই কুর্সিটাও নেই। তবে রয়ে গিয়েছে তাঁর সাধের শিশমহল (Sheesh Mahal)। যে মহলের অন্দরে উঁকি দিলে মানসপটে ভেসে উঠতে বাধ্য রাজতন্ত্রের জমকালো ছবি। যাঁর বাসভবন নিয়ে এত ধানাই পানাই তাঁর দলের নামের গায়ে মাটির গন্ধ – আম আদমি পার্টি। সেই দলের নেতার বাসভবন দেখলে মনে হয় না, তাঁর দল সত্যিকারেরই আম আদমির। কারণ বাড়িটার প্রতিটি ইটে, কড়ি বর্গায়ও বড়লোকি গন্ধ।

    কেজরিওয়ালের কীর্তি ফাঁস

    দিল্লির ৬ নম্বর ফ্ল্যাগস্টাফ রোডে বাড়িটার নামই শিশমহল। গত ৯ বছর ধরে এখানেই বাস করছিলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়েছেন কেজরি। তাঁর জায়গায় বসানো হয়েছে অতিশি মারলেনাকে। স্বাভাবিকভাবেই তার আগে রাজ্যের পূর্ত দফতর ওই মহলের আসবাবপত্রের একটা তালিকা প্রকাশ করেছে। যা দেখে চোখ কপালে উঠতে বাধ্য। কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) প্রথমবার নজরে আসেন ২০২৩ সালের মে মাসে, যখন সংবাদমাধ্যমে তাঁর ব্যক্তিগত বিলাসিতায় করদাতাদের অর্থ অপচয়ের বিবরণ ফাঁস হয়ে যায়।

    বিজেপির নিশানা আপ সুপ্রিমোকে (Arvind Kejriwal)

    পিডব্লুডির তালিকা দেখার পরে আপ সুপ্রিমোকে নিশানা করেছেন বিজেপির মুখপাত্র অমিত মালব্য। ট্যুইট-বার্তায় তিনি লিখেছেন, “এই হচ্ছে বৈদ্যুতিক নিত্যব্যবহার্য সামগ্রী এবং গ্যাজেটসের তালিকা, যেগুলো ইনস্টল করা হয়েছিল অরবিন্দ কেজরিওয়ালের শিশমহলে (Sheesh Mahal)।” মালব্য আরও লিখেছেন, “বিস্ময়ের আরও আছে। সেন্সর-সজ্জিত পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় টোটো স্মার্ট টয়লেট রয়েছে। স্বয়ংক্রিয়ভাবেই সেটা খোলা-বন্ধ হয়। রয়েছে হিটেড সিট, ওয়্যারলেস রিমোট ডিওডোরাইজার এবং অটোমেটিক ফ্ল্যাশিং। এই জাতীয় টয়লেট সিটের দাম ১০ থেকে ১২ লাখ টাকা।”

    আরও পড়ুন: দুয়ারে উপনির্বাচন, রাজ্যের পাঁচ জেলায় আবাস যোজনার সমীক্ষা বন্ধের আর্জি বিজেপির

    শিশমহলের (Sheesh Mahal) অন্দরে

    একবার চোখ বুলিয়ে নেওয়া যাক শিশমহলের অন্দরে। ১৬টা ভয়েস কন্ট্রোলড আল্ট্রা স্লিম স্মার্ট ৪কে টিভি রয়েছে, দাম ৬৪ লাখ টাকা। সাড়ে ১৯ লাখের স্মার্ট এলইডি-ও রয়েছে। ফ্রিস্ট্যান্ডিং লুমিনেয়ার রয়েছে, মূল্য ৯.২ লাখ। ৪ লাখ টাকা দামের ওএসএডিএ ফুল বডি ম্যাসেজ চেয়ারও রয়েছে। রয়েছে ১০ লাখ টাকা দামের রিক্লাইনার সোফা, ৮টি মোটোরাইজড রিক্লাইনার সোফা রয়েছে ১০ লাখ টাকা দামের, বোস লাউডস্পিকার রয়েছে সাড়ে ৪ লাখ টাকা দামের। দুটো স্মার্ট রেফ্রিজারেটর রয়েছে ৯ লাখ টাকা দামের। এই রেফ্রিজারেটরের মধ্যেই রয়েছে ইনবিল্ট টিভি এবং এআই ভিশন স্ক্রিন। ৯ লাখ টাকা দামের ৭৩ লিটারের স্টিম ওভেনও রয়েছে শিশমহলে (Sheesh Mahal)।

    দামি গ্যাজেটসে সাজানো অন্দর

    কেজরিওয়ালের বাংলোতে (Arvind Kejriwal) ৫০ লিটারের মাইক্রোওয়েভ ওভেন রয়েছে, যার দাম ৬ লাখ টাকা। ৬ লাখ টাকা দামের দুটো মাউন্টেড হুডস ১৪০ সেমি স্টেনলেস স্টিল চিমনিও রয়েছে। বিওএসসিএইচ সিরিজের ৮ বিল্ট ইন কফি মেশিন রয়েছে, মূল্য আড়াই লাখ টাকা। তিনটে হট ওয়াটার জেনেরেটর রয়েছে, মূল্য সাড়ে ২২ লাখ টাকা। ১৫ কোটি টাকা মূল্যের সুপিরিয়র ওয়াটার সাপ্লাই অ্যান্ড স্যানিটারি ইনস্টলেশনও রয়েছে। ২.১ লাখ টাকা দামের এলজির ১২ কেজি ফ্রন্ট লোড অটোমেটিক ওয়াশিং মেশিনও রয়েছে শিশমহলে (Sheesh Mahal)। এসএস রেলিং, স্টিয়ারকেস কভারিং রয়েছে ১.২ কোটি টাকা মূল্যের। রয়েছে ২০টি গ্র্যান্ড এজেড ব্রাশ এন্ট্রাস স্কোনস আউটডোর লাইট, মূল্য ১০ লাখ টাকা। উডেন ও গ্লাসডোর উইথ অটোমেটিক স্লাইডিং সেন্সর রয়েছে ৭০ লাখ টাকা দামের। ২৪টি ডেকোরেটিভ পিলার রয়েছে, যার মূল্য ৩৬ লাখ টাকা। জানালার পর্দা রয়েছে ৮০টি, মূল্য ৪ থেকে ৫.৬ কোটি টাকা। সুপিরিয়র ওয়াটার সাপ্লাই রয়েছে ১৫ কোটি টাকার।

    আপ সুপ্রিমোর চমক!

    ২০১৩ সালে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেছিলেন তিনি ও তাঁর দলের মন্ত্রীরা সরকারি বাংলো ব্যবহার করবেন না। তার পরিবর্তে তাঁরা ব্যবহার করবেন ছোট ছোট সরকারি ফ্ল্যাট। আপ সুপ্রিমোর সেই প্রতিশ্রুতি যে নিছকই চমক, তাঁর বাংলোর ছবিই তার প্রমাণ। ১৩ হাজার স্কোয়ার ফিট এলাকজুড়ে রয়েছে শিশমহল (Sheesh Mahal)। এর মধ্যে লন রয়েছে ৩৯৯ স্কোয়ার ফিট। সমস্ত ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা মেলে সেখানে।

    ‘অপারেশন শিশমহল’ নাম দিয়ে একটি খবর প্রকাশ করে ‘টাইমস নাও’-ও। সেখানেও দেখানো হয় শিশমহলের (Sheesh Mahal) অন্দরের সাজসজ্জা। যে অন্দরসজ্জা দেখলে হয়তো হাত কামড়াতেন রাজা-রাজড়ারাও। কারণ রাজার ঘরে যে ধন আছে…।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “আপ ক্ষমতায় আসার পর দিল্লি হয়েছে দূষণনগরী”, সরাসরি তোপ দাগল বিজেপি

    BJP: “আপ ক্ষমতায় আসার পর দিল্লি হয়েছে দূষণনগরী”, সরাসরি তোপ দাগল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আপ ক্ষমতায় আসার পর দিল্লি পরিণত হয়েছে দূষণ (Delhi Pollution) নগরীতে।” শনিবার এমনই অভিযোগ করলেন বিজেপি (BJP) নেতা মনোজ তিওয়ারি। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানী দূষণমুক্ত করতে পারে একমাত্র বিজেপিই। তীব্র দূষণের জেরে দিল্লিবাসীর আয়ু ১০-১২ বছর কমে গিয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। দিল্লির দূষণ নিয়ে আপকে নিশানা করেন পদ্ম নেতা মনোজ।

    আপকে তোপ (BJP)

    তিনি বলেন, “আপ ক্ষমতায় আসার পর থেকে দিল্লি দূষণনগরীতে পরিণত হয়েছে। দিল্লীবাসীর আয়ু কমে গিয়েছে ১০-১২ বছর। এই দূষণ কমানোর দায় আপের। তবে দুর্নীতি করার কারণে তাদের হাতে এসব নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। কীভাবে দিল্লিকে লুটে নেওয়া যায়, সেই ভাবনায় মশুগুল তারা।” তিনি বলেন, “দিল্লির প্রয়োজন ডাবল ইঞ্জিন সরকারের। একমাত্র বিজেপিই পারে দিল্লির দূষণ হ্রাস করতে। ওরা গত দশ বছর ধরে দিল্লির ক্ষমতায় রয়েছে, অথচ দূষণ নিয়ে অন্যকে দুষছে।” এর (BJP) পরেই তিনি বলেন, “যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে, আমরা দু’বছরের মধ্যে দূষণ কমিয়ে দেব। ওই ছবির (যমুনা নদীদের রাসায়নিক ফোম) কারণ অরবিন্দ কেজরিওয়ালের হিন্দু বিরোধী নীতি। যমুনাকে পরিষ্কার করার কোনও ইচ্ছেই তাঁর নেই। আমরা তিন বছরের মধ্যে যমুনাকে পরিষ্কার করে দেব।”

    আরও পড়ুন: “সামরিক অভিযানে বিপ্লব ঘটানোর সম্ভাবনা রাখে এআই”, বললেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ

    দিল্লির দূষণ

    দিল্লির দূষণের অন্যতম কারণ পঞ্জাব, হরিয়ানায় নাড়া (শস্য কেটে নেওয়ার পর গাছের যে অংশটা জমিতে পড়ে থাকে) পোড়ানো। এ প্রসঙ্গে হরিয়ানার মন্ত্রী অনিল ভিজ বলেন, “নাড়া পোড়ানোর বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের বিচারাধীন। সুপ্রিম কোর্ট কী নির্দেশ দেয়, তা আমাদের দেখতে হবে। সেই মতো ব্যবস্থা নিতে হবে।” হরিয়ানারই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দর সিং হুডা বলেন, “কৃষকরা বাধ্য হয়ে এই কাজ (নাড়া পোড়ানো) করেন। কৃষকদের জরিমানা ধার্য করা, এফআইআর করা, লাল তালিকাভুক্ত করার চেয়ে সরকারের উচিত একটা সমাধানসূত্র বের করা। সরকার এই নাড়াগুলো চাষিদের কাছ থেকে কিনে নিতে পারে। সেগুলো দিয়ে জ্বালানি, বায়ো থার্মোকল, ইথানল, সার, বিদ্যুৎ উৎপন্ন এসব করতে (Delhi Pollution) পারে (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: আম আদমি পার্টির দুর্নীতি! প্রদেশজুড়ে প্রচার চালাবেন দিল্লির সাত বিজেপি সাংসদ

    BJP: আম আদমি পার্টির দুর্নীতি! প্রদেশজুড়ে প্রচার চালাবেন দিল্লির সাত বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির আম আদমি সরকারের বিরুদ্ধে এবার তেড়েফুঁড়ে নামছে প্রদেশ বিজেপি (BJP)। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে সাতটি আসনের মধ্যে সাতটিই দখল করে গেরুয়া শিবির। সেই সাংসদরা এবার প্রচার অভিযান চালাবেন দিল্লির আপ সরকারের দুর্নীতি নিয়ে। প্রসঙ্গত, একাধিক দুর্নীতির ইস্যুতে নাম জড়িয়েছে আম আদমি পার্টির। তার মধ্যে সবচেয়ে বড় দুর্নীতি হিসেবে উঠে আসে আবগারি দুর্নীতি। গ্রেফতার হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Arvind Kejriwal) ও উপমুখ্যমন্ত্রী। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ৭০টি বিধানসভা আসন ও ২৫০টি ওয়ার্ডেই এই প্রচার অভিযান চলবে। ঘরে ঘরে গিয়ে জনগণকে বিজেপির (BJP) সংসদ সদস্যরা বোঝাবেন কেজরিওয়ালের দুর্নীতি নিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ব্যর্থতার কথাও তুলে ধরবেন বিজেপির সাংসদরা।

    কী বলছেন দিল্লি বিজেপির (BJP) প্রধান? 

    এ নিয়ে দিল্লি বিজেপির (BJP) সভাপতি বীরেন্দ্র সাচদেব সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘‘কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) হোক কিংবা মনীশ সিসোদিয়া, সমগ্র আম আদমি পার্টিই হল দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড। দুর্নীতি লুকোতে তাঁরা এখন কেজরিওয়ালের পদত্যাগকে সামনে আনতে চাইছেন, দুর্নীতি থেকে মানুষের নজর ঘোরানোর জন্য কিন্তু মানুষ কখনও ভুলে যাবে না কেজরিওয়ালের দুর্নীতির কথা এবং বিধানসভা নির্বাচনে তাঁকে পরাস্ত করবে দিল্লির জনগণ।’’ তিনি আরও জানিয়েছেন, বিজেপি কর্মীরা প্রতিটি নাগরিকের বাড়িতে পৌঁছাবে এবং কেজরিওয়ালের ব্যর্থতা ও দুর্নীতির কথা তাঁরা তুলে ধরবেন।

    গলি থেকে রাজপথ- আন্দোলনে নামছে দিল্লি বিজেপি (BJP) 

    আম আদমি পার্টির কাউন্সিলর থেকে বিধায়কদেরও দুর্নীতির কথা বিজেপির (BJP) কর্মীরা তুলে ধরবেন বলে জানিয়েছেন বীরেন্দ্র সাচদেব। দিল্লির জনগণ কেজরিওয়াল সরকারের প্রতি তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছে বলেও জানান দিল্লি বিজেপির প্রধান। দিল্লি বিজেপি আরও জানিয়েছেন যে, কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক লড়াই দিল্লির রাস্তাতেই হবে। সাতজন বিজেপি সাংসদ সর্বদাই রাস্তায় থাকবেন- সংকীর্ণ গলি থেকে রাজপথ সর্বত্র প্রচার অভিযান চালানো হবে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দুর্নীতি ইস্যুতে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    Arvind Kejriwal: ইস্তফা দিচ্ছেন কেজরিওয়াল! দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী পদে কী ইস্তফা দিচ্ছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)? মুখ্যমন্ত্রী স্বয়ং জানিয়েছেন, পদত্যাগ করবেন তিনি। আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় জেলমুক্তির পরেই দিল্লির জনসভা থেকে তিনি ঘোষণা করেন, “দুদিন বাদেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়ব। জনতার রায়ে জিতে আসার আগে মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসব না।”

    কী বললেন কেজরিওয়াল? (Arvind Kejriwal)

    তিনি বলেন, “আমি প্রতিটি মানুষের বাড়িতে যাব। রাস্তায় যাব। কিন্তু মানুষের রায় না পাওয়া পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর পদে বসব না।” রবিবার দিল্লির জনসভায় তিনি বলেন, “ওরা (বিজেপি) ভেবেছিল, আমাকে জেলে পাঠিয়ে আমাদের দল ভেঙে দেবে। কিন্তু সেটা ওরা পারেনি। আমি সংবিধান বাঁচাতে চেয়েছিলাম, সেই জন্যই জেল থেকে ইস্তফা দিইনি। সুপ্রিম কোর্টই প্রমাণ করে দিয়েছে জেল থেকেই সরকার চালানো যায়।”

    পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে?

    কেজরিওয়াল পদত্যাগ করছেন খবর ছড়িয়ে পড়তেই উঠছে প্রশ্ন, কে হবেন দিল্লির পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী? এই পদে উঠে আসছে অতীশির নাম। যদিও এ ব্যাপারে অতীশি কিছু বলেননি। তিনি শুধু বলেন, “দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী (Arvind Kejriwal) কে হবেন, তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। এটা গুরুত্বপূর্ণ যে অরবিন্দ কেজরিওয়াল পদত্যাগ করলেও, সাধারণ মানুষের সরকার এক সপ্তাহ বা এক মাস স্থায়ী হবে। তবে এই সরকার দিল্লির জনগণের জন্য কাজ করতে থাকবে।” তিনি বলেন, “পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে হবেন, তা বিধানসভা দলের বৈঠকেই ঠিক হবে। দিল্লিবাসী শুধু আপ সরকারকেই চায়।

    আরও পড়ুন: অন্য কাশ্মীর! ৩৭ বছর পর দোরে দোরে ঘুরে প্রচার করছেন প্রার্থীরা

    মার্চ মাসে গ্রেফতার হন কেজরিওয়াল। আবগারি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। জেলে থেকেই সরকার চালিয়েছেন তিনি। কেজরিওয়াল যখন জেলে, তখনই তার পদত্যাগ দাবি করেছিলেন বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের বক্তব্য, দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া কেজরিওয়াল মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। পদ্ম শিবিরের প্রবল চাপেও ইস্তফা দেননি তিনি। জেল থেকেই অতীশি এবং কয়েকজন মন্ত্রীকে দিয়ে সরকার চালিয়েছিলেন তিনি। সেই তিনিই ঘোষণা করলেন ইস্তফার কথা।

    কেজরিওয়ালের পদত্যাগের সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। বিজেপি সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, “যখন আপনি জেলে ছিলেন তখন পদত্যাগ করলেন না। আর এখন বলছেন ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করবেন। রহস্যটা কী (Arvind Kejriwal)?”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

LinkedIn
Share