মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লি মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (এমসিডি) মেয়র নির্বাচিত হলেন বিজেপি কাউন্সিলর প্রবেশ ওয়াহি। রোহিণী পূর্ব, ৫৩ নম্বর ওয়ার্ডের পদ্ম-কাউন্সিলর তিনি। ডেপুটি মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন আনন্দ বিহারের বিজেপি কাউন্সিলর মনিকা পন্ত। এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে দু’জনকেই অভিনন্দন জানিয়েছে এমসিডি। মেয়র ও ডেপুটি মেয়র — উভয়েই বিজেপির সদস্য। বিজেপির রাজা ইকবাল সিং ছিলেন বিদায়ী এমসিডি মেয়র। এর আগে, দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর (এলজি) তরণজিৎ সিং সান্ধু এমসিডি নির্বাচনে সিংকে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন।
আপের অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন (Delhi Mayor)
বুধবার সকালেই রাজ্যসভার সাংসদ স্বাতী মালিওয়াল, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন, এমসিডি মেয়র নির্বাচনে প্রার্থী না দেওয়ায় আপের সমালোচনা করেন। তিনি জানান, হার নিশ্চিত জানলেও গণতন্ত্রের প্রতি বিশ্বাস রাখা উচিত। আপ সুপ্রিমো অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে কটাক্ষ করে তিনি জানান, আপের প্রার্থী না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দলটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি অঙ্গীকার নিয়েই প্রশ্ন তোলে। সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল কোনও প্রার্থী দেননি। এটা কেমন রাজনীতি? তাদের উচিত গণতন্ত্রে বিশ্বাস রাখা। তারা জানে যে তারা হারবে, তবুও তাদের উচিত ছিল নির্বাচন লড়া।”
ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার
তিনি জানান, এমসিডি জাতীয় রাজধানীর উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং নাগরিক প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, “দিল্লির উন্নয়নের জন্য এমসিডি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যতদিন দিল্লিতে আপ সরকার ক্ষমতায় ছিল, তারা একে খুব খারাপ অবস্থায় ফেলে রেখেছিল। এখন এমসিডি ও দিল্লি সরকারকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে।” একই ধরনের মন্তব্য করে, মেয়র নির্বাচনে আপ প্রার্থী না দেওয়া প্রসঙ্গে বিজেপি বিধায়ক রবিন্দর সিং নেগি বলেন, “আপ জানে তারা হারবে, তাই তারা কাউকেই প্রার্থী করেনি।” তিনি বলেন, “আপ প্রার্থী দিচ্ছে না কারণ তারা জানে তারা নির্বাচনে হারবে, যেহেতু তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা নেই। দিল্লিতে এখন ট্রিপল-ইঞ্জিন সরকার রয়েছে, যা ঐতিহাসিক কাজ করছে, এবং এটি আরও শক্তিশালী হবে।”

Leave a Reply