Tag: Madhyom

Madhyom

  • ECI Form 6: খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? ফর্ম ৬ জমা দিলেই চূড়ান্ত তালিকায় নাম তোলার সুযোগ, জানাল নির্বাচন কমিশন

    ECI Form 6: খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই? ফর্ম ৬ জমা দিলেই চূড়ান্ত তালিকায় নাম তোলার সুযোগ, জানাল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে ভোটার তালিকার সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন ফর্ম ৬ জমা (ECI Form 6) দেওয়া নিয়ে তৈরি হওয়া ধোঁয়াশা ও বিতর্ক কাটাতে বড় পদক্ষেপ করল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (SIR) প্রক্রিয়া বাতিল এবং দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ নিয়ে বিক্ষোভের আবহে ফর্ম ৬ নিয়ে নয়া নির্দেশিকা জারি করল কমিশন। নতুন নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে, খসড়া ভোটার তালিকায় নাম না থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ফর্ম ৬ জমা দিয়ে চূড়ান্ত তালিকায় নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য আগে ভোটার তালিকায় তাঁর নাম ছিল কি না সেই বিষয়টি কোনও বাধা হয়ে দাঁড়াবে না।

    কী বলা হল নয়া নির্দেশিকায়

    নয়া নির্দেশিকায় স্পষ্ট করা হয়েছে, কমিশনের নজরে এসেছে, বহু পুরনো ভোটার, যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ গিয়েছে নতুন করে ফর্ম ৬ পূরণ করতে ভয় পাচ্ছেন। তাঁরা মনে করছেন, এই ফর্মটিতে প্রথমবার ভোটার হিসেবে নাম নথিভুক্ত করার ঘোষণা করতে হয়। তাই অনেকেরই ধারণা যে পুরনো নাম থাকা সত্ত্বেও ফর্ম ৬ জমা দিলে তা ‘ফল্স ডিক্লেয়ারেশন’ হিসেবে গণ্য হতে পারে। এর জেরে ১৯৫০ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ৩১ নম্বর ধারায় আইনি পদক্ষেপের মুখে পড়ার আশঙ্কা করছিলেন অনেকেই। এই বিতর্ক ও আশঙ্কা দূর করে কমিশন জানিয়েছে, তালিকায় নাম না থাকা ভোটাররা নতুন করে তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ফর্ম ৬ জমা দিলে তা কোনওভাবেই ‘ফল্স ডিক্লেয়ারেশন’ বলে গণ্য হবে না। ইতিমধ্যেই দেশের সমস্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকদের কাছে একটি নির্দেশিকা পাঠানো হয়েছে।

    আইনি সুরক্ষা নিয়ে স্পষ্ট ঘোষণা

    কমিশনের নয়া নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে একটি মামলায় দিল্লি হাইকোর্ট পরিষ্কার জানিয়েছিল আবেদনকারী আগে ভোটার হয়ে থাকলেও ফর্ম ৬ জমা দিতে পারেন। এ নিয়ে আশঙ্কা করার কোনও ভিত্তি নেই। কমিশনের আরও বক্তব্য, আইন অনুযায়ী কোনও ব্যক্তি অতীতে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে থাকলেও এসআইআর প্রক্রিয়া বা তার পরে যদি নতুন করে ফর্ম ৬ জমা দেন তবে সংশ্লিষ্ট ইআরও সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ নিতে পারবেন না।

  • Indian Americans: মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভারতীয়-আমেরিকানদের সমর্থনে ধাক্কা রিপাবলিকানদের, সমস্যা বাড়বে ট্রাম্পের?

    Indian Americans: মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভারতীয়-আমেরিকানদের সমর্থনে ধাক্কা রিপাবলিকানদের, সমস্যা বাড়বে ট্রাম্পের?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভারতীয়-আমেরিকান ভোটারদের মধ্যে যে সমর্থন বাড়াতে সক্ষম হয়েছিল রিপাবলিকান পার্টি, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে সেই অগ্রগতির বড় অংশই কার্যত হারিয়েছে (Indian Americans) দলটি। নয়া এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত ভোটারদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থন আবারও বেড়েছে। সমীক্ষা অনুযায়ী, ভারতীয়-আমেরিকান নাগরিকদের ৬২ শতাংশ আসন্ন কংগ্রেস নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ভোট দিতে চান (US Midterms Survey)। অন্যদিকে, রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে রয়েছেন মাত্রই ১৯ শতাংশ।

    সোমবার প্রকাশিত এই সমীক্ষাটি করেছে কার্নেগি (Carnegie) এবং গবেষণা সংস্থা ইউগভ (YouGov)। ২০২৬ সালের অক্টোবর মাসে পরিচালিত ওই সমীক্ষার ফলে ফলে দেখা যাচ্ছে, মার্কিন সমাজে ভারতীয়-আমেরিকানদের অবস্থান এবং সামগ্রিক রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিবেশ আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু হয়ে উঠতে পারে।

    ডেমোক্র্যাটদের প্রতি সমর্থন বাড়ছে (Indian Americans)

    সমীক্ষা অনুযায়ী, ৬২ শতাংশ ভারতীয়-আমেরিকান নাগরিক তাঁদের নির্বাচনী এলাকার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। রিপাবলিকান প্রার্থীর পক্ষে মত দিয়েছেন মাত্র ১৯ শতাংশ। বাকি ভোটাররা এখনও সিদ্ধান্ত নেননি অথবা ভোটদানে আগ্রহী নন।

    ২০২৪ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগে পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা ছিল। সেই সময় ৬২ শতাংশ ভারতীয়-আমেরিকান ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানিয়েছিলেন। অন্যদিকে, ৩০ শতাংশ জানিয়েছিলেন, তাঁরা রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে ভোট দেবেন। ২০২০ সালের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের প্রতি সমর্থনের হার ছিল যথাক্রমে ৬৮ ও ২২ শতাংশ।

    এই পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট, ২০২৪ সালের নির্বাচনে ভারতীয়-আমেরিকানদের মধ্যে যে সমর্থন রিপাবলিকান পার্টি অর্জন করেছিল, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তার উল্লেখযোগ্য অংশ হারিয়েছে দলটি। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নেতৃত্বে রিপাবলিকানরা ২০২৪ সালের নির্বাচনে এই ভোটব্যাঙ্কে নিজেদের প্রভাব বাড়াতে সক্ষম হলেও সাম্প্রতিক ভোটদানের প্রবণতা সেই অগ্রগতির স্থায়িত্ব নিয়েই প্রশ্ন তুলছে।

    ট্রাম্প প্রশাসনের নীতিতে অসন্তোষ

    ভারতীয়-আমেরিকান ভোটারদের মধ্যে রিপাবলিকানদের সমর্থন কমার অন্যতম কারণ হিসেবে উঠে এসেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতির প্রতি অসন্তোষ।

    সমীক্ষায় বলা হয়েছে, “২০২৬ সালের গোড়ার দিকে ভারতীয়-আমেরিকানদের একটি বড় অংশ অভিবাসন নীতি, দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নীতি এবং এমনকি মার্কিন-ভারত সম্পর্ক পরিচালনার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ভূমিকা নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিলেন। একসময় এই সম্পর্ক ছিল ট্রাম্প প্রশাসনের তুলনামূলক শক্তিশালী দিকগুলির অন্যতম।”

    কার্নেগি ও ইউগভের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই সমীক্ষাটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১,০০০ জন প্রাপ্তবয়স্ক ভারতীয়-আমেরিকান নাগরিকের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি। সমীক্ষার লেখকরা হলেন সুমিত্রা বদ্রিনাথন, দেবেশ কাপুর, অ্যানাবেল মিলার, অ্যান্ডি রবাইনা এবং মিলান বৈষ্ণব (US Midterms Survey)।

    তবে সমীক্ষার ফল বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে একটি বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন। আগের আইএএএস (IAAS) সমীক্ষাগুলিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটারদের পছন্দ পরিমাপ করা হয়েছিল। কিন্তু ২০২৬ সালের অক্টোবরের সমীক্ষায় মূলত কংগ্রেস নির্বাচনে ভোটদানের ইচ্ছা বা প্রবণতা যাচাই করা (Indian Americans) হয়েছে।

    রিপাবলিকান-বিরোধী মনোভাবও প্রভাব ফেলছে ভোটে

    ভারতীয়-আমেরিকানদের মধ্যে ডেমোক্র্যাটদের সমর্থন বাড়লেও এর পিছনে শুধু দলের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব কাজ করছে না। রিপাবলিকান প্রার্থীর বিরোধিতাও ভোটারদের সিদ্ধান্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষণে এই প্রবণতাকে ‘নেগেটিভ পার্টিজানশিপ’ বা বিরোধী দলের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবের ভিত্তিতে ভোটদান বলা হয়।

    সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনে যাঁরা ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে ভোট দিতে চান, তাঁদের এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মূলত রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থন করেন না বলেই ডেমোক্র্যাটদের বেছে নিচ্ছেন। কংগ্রেস নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানানো ভোটারদের মধ্যে ৩৫ শতাংশ বলেছেন, রিপাবলিকান প্রার্থীর বিরোধিতাই তাঁদের ভোট দেওয়ার প্রধান কারণ।

    সমীক্ষায় এই প্রসঙ্গে বলা হয়েছে, “দলের প্রতি সমর্থন কিছুটা ফিরে আসায় ডেমোক্র্যাটরা স্বস্তি পেতে পারেন। তবে এই পুনরুদ্ধার দলের প্রতি ভোটারদের রাজনৈতিক আনুগত্য বাড়াতে পারেনি। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয়-আমেরিকানদের মধ্যে যে সমর্থন রিপাবলিকান পার্টি অর্জন করেছিল, তা কেন ভোটের বাক্সে স্থায়ী সাফল্যে পরিণত হল না, সেই বিষয়টি দলটির বিবেচনা করা উচিত।”

    কমছে রিপাবলিকান সমর্থন

    বয়স ও লিঙ্গের ভিত্তিতেও ভারতীয়-আমেরিকান (Indian Americans) ভোটারদের রাজনৈতিক পছন্দে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে।

    ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সি ভারতীয়-আমেরিকান পুরুষদের মধ্যে বর্তমানে রিপাবলিকান প্রার্থীর প্রতি সমর্থন মাত্র ১৬ শতাংশ। ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে এই বয়সি পুরুষদের মধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৩২ শতাংশ।

    অন্যদিকে, ১৮ থেকে ৩৯ বছর বয়সি পুরুষদের মধ্যে রিপাবলিকানদের সমর্থন বর্তমানে ২৩ শতাংশ। ২০২৪ সালে এই বয়সি পুরুষদের মধ্যে ট্রাম্পের প্রতি সমর্থনের হার ছিল ৪০ শতাংশ। একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বয়স্ক ভারতীয়-আমেরিকান মহিলাদের মধ্যেও। তাঁদের মধ্যে রিপাবলিকান প্রার্থীর প্রতি সমর্থন কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ শতাংশে।

    সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রতি সমর্থনের ক্ষেত্রে ভারতীয়-আমেরিকানদের চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন শুধু কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকানরা। তাঁদের মধ্যে ৭৬ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁরা নিজেদের নির্বাচনী এলাকার ডেমোক্র্যাট কংগ্রেস প্রার্থীকে ভোট দেবেন। আর, মাত্র ১২ শতাংশ জানিয়েছেন রিপাবলিকান প্রার্থীকে সমর্থনের কথা।

    সব মিলিয়ে, ২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে ভারতীয়-আমেরিকান ভোটারদের রাজনৈতিক অবস্থানে (US Midterms Survey) উল্লেখযোগ্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে এই সমীক্ষা। ২০২৪ সালে রিপাবলিকানদের দিকে যে ঝোঁক তৈরি হয়েছিল, তা এখন অনেকটাই কমেছে। তবে ডেমোক্র্যাটদের প্রতি এই প্রত্যাবর্তন কতটা স্থায়ী হবে, তা নির্ভর করবে শেষ পর্যন্ত ভোটারদের নির্বাচনী সিদ্ধান্ত এবং রাজনৈতিক দলগুলির প্রতি (Indian Americans) তাঁদের আস্থার উপর।

     

  • India Israel: রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাবে ভারতের আপত্তি, পাশে ইজরায়েল, ১৮০ দেশের সমর্থনে পাশ প্রস্তাব

    India Israel: রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানের প্রস্তাবে ভারতের আপত্তি, পাশে ইজরায়েল, ১৮০ দেশের সমর্থনে পাশ প্রস্তাব

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত পাকিস্তান ও বেলারুশের যৌথ উদ্যোগে আনা একটি প্রস্তাবের বিরোধিতা করল ভারত ও ইজরায়েল (India Israel)। ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে একমাত্র এই দুই দেশই প্রস্তাবটির বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। অন্যদিকে, প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে ১৮০টি দেশ। কোনও (UN Arms Control Resolution) দেশ ভোটদানে বিরত থাকেনি। রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের নিরস্ত্রীকরণ ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রথম কমিটিতে সোমবার এই ভোটাভুটি হয়।

    প্রস্তাবটির মূল উদ্দেশ্য ছিল আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক স্তরে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা আরও জোরদার করা। তবে ভারতের বক্তব্য, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণকে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ভৌগোলিক অঞ্চলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে চলবে না। এটি একটি আন্তর্জাতিক বিষয়। প্রতিটি দেশের নিরাপত্তার স্বার্থ ও উদ্বেগকে বৃহত্তর বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

    ভারতের অবস্থান ব্যাখ্যা করতে গিয়ে রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব অনমোল শের বেদি জানান, প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি মূলত আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার যুক্তি নিয়ে ভারত পুরোপুরি একমত নয়। তিনি বলেন, “আমরা পুরোপুরি নিশ্চিত নই যে এই বিষয়টিকে প্রধানত আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক পরিসরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রেখে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া উচিত।”

    রাষ্ট্রসংঘের পুরনো সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন ভারতের (India Israel)

    প্রস্তাবটির আর একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়েও আপত্তি জানিয়েছে নয়াদিল্লি। সেখানে রাষ্ট্রসংঘের নিরস্ত্রীকরণ কমিশনকে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত আঞ্চলিক চুক্তির জন্য নতুন কিছু নীতি ও নির্দেশিকা তৈরির বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল।

    ভারতের বক্তব্য, এই বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘের সংশ্লিষ্ট কমিশন ইতিমধ্যেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতিক্রমে গ্রহণ করেছে। ১৯৯৩ সালে আঞ্চলিক নিরস্ত্রীকরণ নিয়ে নির্দেশিকা ও সুপারিশ, ১৯৯৯ সালে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ ও নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত নির্দেশিকা এবং ২০১৭ সালে প্রচলিত অস্ত্রের ক্ষেত্রে আস্থা বৃদ্ধির বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নিয়ে সুপারিশ গ্রহণ করা হয়েছিল।

    এই পরিস্থিতিতে নতুন করে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বেদি। তাঁর কথায়, “আমরা এই অনুরোধটি কিছুটা কৌতূহলের সঙ্গে দেখছি।”

    তিনি আরও বলেন, একই বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কমিশন ইতিমধ্যেই তিনটি সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। তা হলে আবার কেন সেই আলোচনাকে প্রথম থেকে শুরু করতে হবে? দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত একটি বিষয় নিয়ে নতুন করে আলোচনার প্রয়োজনীয়তা ভারত বুঝতে পারছে না বলেও জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, রাষ্ট্রসংঘের নিরস্ত্রীকরণ সংক্রান্ত ব্যবস্থাকে ব্যস্ত রাখাই যদি এর উদ্দেশ্য না হয়, তা হলে এই পুনরাবৃত্তির যৌক্তিকতা কোথায়?

    দেশের নিরাপত্তা

    প্রস্তাবে নির্দিষ্ট অঞ্চল ও উপ-অঞ্চলের মধ্যে প্রতিরক্ষা সক্ষমতার ভারসাম্য বজায় রাখার যে কথা বলা হয়েছে, তারও বিরোধিতা করেছে ভারত।

    বেদির বক্তব্য, কোনও দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগকে তার ভৌগোলিক সীমানার মধ্যে আটকে রাখা যায় না। বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তার স্বার্থ অনেক সময় নিজস্ব অঞ্চলের বাইরেও বিস্তৃত হয়। ফলে নির্দিষ্ট একটি অঞ্চলের মধ্যে সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখার ধারণা বাস্তবে কতটা কার্যকর, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে (India Israel)।

    তিনি বলেন, “এই প্রস্তাবের ধারণা অনুযায়ী, রাষ্ট্রগুলির নিরাপত্তা সংক্রান্ত উদ্বেগ যেন তাদের আঞ্চলিক সীমানায় এসে থেমে যায়। বাস্তবে তা হয় না।”

    তিনি আরও জানান, বিভিন্ন দেশের নিরাপত্তা সংক্রান্ত স্বার্থ ও উদ্বেগ সংকীর্ণ ভৌগোলিক সীমানার বাইরে বিস্তৃত। তাই কোনও নির্দিষ্ট অঞ্চল বা উপ-অঞ্চলের মধ্যে সামরিক ভারসাম্য বজায় রাখার ধারণা বাস্তবসম্মত নয় বলেই মনে করে ভারত।

    আপত্তি ভারতের

    ‘সাধারণ ও পূর্ণাঙ্গ নিরস্ত্রীকরণ: আঞ্চলিক ও উপ-আঞ্চলিক স্তরে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ’ শীর্ষক প্রস্তাবে ঠান্ডা যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তৈরি হওয়া অধিকাংশ হুমকি একই ভৌগোলিক অঞ্চলের দেশগুলির মধ্যে থেকেই এসেছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

    এই পরিস্থিতিতে আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তা জোরদার করতে বিভিন্ন দেশের মধ্যে চুক্তি গড়ে তোলার পক্ষে সওয়াল করা হয়েছে। একই সঙ্গে অস্ত্রশস্ত্র ও সামরিক বাহিনীর সংখ্যা যতটা সম্ভব সর্বনিম্ন পর্যায়ে রাখার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছে।

    তবে দক্ষিণ এশিয়ার প্রেক্ষাপটে প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত প্রস্তাবের উল্লেখ থাকা একটি অনুচ্ছেদের বিরুদ্ধেও আলাদাভাবে ভোট দিয়েছে ভারত। ওই অনুচ্ছেদে লাতিন আমেরিকার কয়েকটি দেশের মধ্যে আলোচনা-সহ বিভিন্ন আঞ্চলিক উদ্যোগের পাশাপাশি দক্ষিণ এশিয়ায় প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের প্রস্তাবগুলিকেও বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছিল।

    এ ছাড়া, যেসব দেশের সামরিক সক্ষমতা বেশি এবং যারা সামরিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ, আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংক্রান্ত চুক্তি গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তাদের বিশেষ দায়িত্ব রয়েছে বলেও প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তবে ভারতের অবস্থান, প্রচলিত অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক বিষয়কে শুধুমাত্র আঞ্চলিক বা উপ-আঞ্চলিক কাঠামোর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা উচিত নয়। ইজরায়েলও ভারতের সঙ্গে একই অবস্থান নিয়ে প্রস্তাবটির বিরোধিতা করেছে। যদিও ১৮০টি দেশের সমর্থনে রাষ্ট্রসংঘের প্রথম কমিটিতে প্রস্তাবটি গৃহীত হয়েছে (UN Arms Control Resolution)।

    এই ভোটাভুটি আন্তর্জাতিক অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের প্রশ্নে ভারতের দীর্ঘদিনের অবস্থানকেই ফের সামনে নিয়ে এসেছে। নয়াদিল্লির মতে, অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের যে কোনও আন্তর্জাতিক কাঠামো তৈরির ক্ষেত্রে প্রতিটি দেশের (India Israel) বৃহত্তর নিরাপত্তা স্বার্থ ও ভৌগোলিক সীমার বাইরের উদ্বেগগুলিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।

     

  • ABVP: লাদাখ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বড় জয় এবিভিপির

    ABVP: লাদাখ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে বড় জয় এবিভিপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেল এবিভিপি (অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ)। মোট আটটি পদের মধ্যে পাঁচটিতেই জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন সংগঠনের প্রার্থীরা (ABVP)। এই জয়ের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নেতৃত্বে এবিভিপির অবস্থান আরও শক্তিশালী হল।

    যাঁরা জয়ী হয়েছেন (ABVP)

    নির্বাচনে সভাপতি পদে (Ladakh University Elections) জয়ী হয়েছেন ডাওয়া নামগিয়াল। সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ত্সেরিং ইয়াংদোল। সাধারণ সম্পাদক পদে জয় পেয়েছেন স্তানজিন রিগদোল। যুগ্ম সম্পাদক হয়েছেন রাবস্কিট দোলমা এবং ক্রীড়া সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়েছেন তেনজিন ত্সেওয়াং।

    এই নির্বাচনী ফল লাদাখে এবিভিপির সাংগঠনিক শক্তির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন বলেই মনে করছে সংগঠন। ছাত্র সংসদের আটটি পদের মধ্যে পাঁচটিতে জয় পাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও প্রত্যাশা তুলে ধরার ক্ষেত্রে সংগঠনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারবে বলেই আশা করা হচ্ছে (ABVP)।

    সংগঠনের সাফল্য

    এবিভিপি লাদাখের তরফে এই সাফল্যকে সংগঠনের সামগ্রিক প্রচেষ্টার ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। জয়ী প্রার্থীদের অভিনন্দন জানানোর পাশাপাশি আগামী দিনে (Ladakh University Elections) তাঁরা ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থে কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন বলেও আশাপ্রকাশ করেছে এই ছাত্র সংগঠন (ABVP)।

     

  • India Pakistan Trade: পুলওয়ামা হামলার পর ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ, ৪০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি পাকিস্তানের

    India Pakistan Trade: পুলওয়ামা হামলার পর ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ, ৪০ বিলিয়ন ডলারের ক্ষতি পাকিস্তানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার পর ২০১৯ সালে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক (India Pakistan Trade) কার্যত ছিন্ন করেছিল পাকিস্তান। এবার সেই সিদ্ধান্তের মাশুল যে কতটা চড়া, তা কার্যত স্বীকার করে নিলেন সে দেশের ব্যবসায়ী মহলের প্রতিনিধিরাই। ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ রাখার কারণে গত ছ’বছরেরও বেশি সময়ে পাকিস্তানের অর্থনীতির ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। সম্প্রতি এমনই দাবি করেছেন পাক-ইন্ডিয়া বিজনেস কাউন্সিলের (PIBC) চেয়ারম্যান নুর মহম্মদ কাসুরি। প্রেস ট্রাস্ট অফ ইন্ডিয়া (PTI)-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ক্ষতির পরিমাণ আগের হিসাবের তুলনায় অনেকটাই বেশি।

    পণ্য পরিবহণের খরচ বেড়েছে

    কাসুরির বক্তব্য, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরায় চালু হলে দুই দেশের ব্যবসায়ী মহলই লাভবান হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ, পর্যটন এবং আঞ্চলিক সহযোগিতার নতুন সুযোগ তৈরি হবে। তাঁর মতে, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ থাকায় পাকিস্তানের ব্যবসায়ীদের অত্যাবশ্যকীয় কাঁচামাল ও পণ্য আমদানির জন্য দূরবর্তী দেশগুলির উপর নির্ভর করতে হয়েছে। ফলে পরিবহণ খরচ, পণ্য পরিবহণের ভাড়া এবং সরবরাহের সময়—সবই বেড়েছে।

    ওষুধ ও বস্ত্রশিল্পে বিপুল ক্ষতি

    ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে পাকিস্তানের ওষুধ ও বস্ত্রশিল্পে। কাসুরির দাবি, ভারত থেকে কাঁচামাল আমদানি করতে পারলে পাকিস্তানের ওষুধ শিল্পের বছরে প্রায় ২ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার সাশ্রয় হতে পারে। অন্যদিকে, দেশে তুলোর উৎপাদন কমে যাওয়ায় বস্ত্রশিল্পকে ব্রাজিল, মিশর, চিন এবং আমেরিকার মতো দেশ থেকে তুলো আমদানি করতে হচ্ছে। এতে অতিরিক্ত প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার খরচ হয়েছে বলে দাবি তাঁর। শুধু তাই নয়, ভারতের তেল শোধনাগারগুলি ভৌগোলিকভাবে পাকিস্তানের অনেক কাছাকাছি হওয়ায় ভারত থেকে পেট্রোলিয়াম পণ্য আমদানি করলে খরচ ও সময়—দু’টোই কমতে পারে বলে মনে করেন কাসুরি। ভারতের কৃষি ও শিল্পজাত পণ্য সহজলভ্য হলে পাকিস্তানের উৎপাদন খরচও অনেকটাই কমানো সম্ভব।

    ভারতের অর্থনৈতিক গুরুত্ব স্বীকার পাকিস্তানের?

    আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার প্রসঙ্গে কাসুরি শ্রীলঙ্কার অর্থনৈতিক সঙ্কটের সময় ভারতের আর্থিক সহায়তার উদাহরণও তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, প্রতিবেশী দেশগুলি একে অপরের সঙ্কটের সময় পাশে দাঁড়ালে গোটা অঞ্চলের অর্থনীতিই উপকৃত হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে কাসুরি দাবি করেছিলেন, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্য বন্ধ থাকার কারণে ছ’বছরে পাকিস্তানের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৩০ বিলিয়ন ডলার। একই সঙ্গে তিনি জানিয়েছিলেন, দুই দেশের মধ্যে বছরে ২০ থেকে ২৫ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্যের সম্ভাবনা রয়েছে। এবার সেই ক্ষতির হিসাব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ বিলিয়ন ডলারে।

    ভারতের সঙ্গে সু-সম্পর্কের গুরুত্ব

    দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক বাস্তবতাও এই পরিস্থিতিতে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রায় ৪ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতি নিয়ে ভারত যেখানে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক শক্তি, সেখানে পাকিস্তানের অর্থনীতির আকার তুলনায় অনেক ছোট। দীর্ঘদিন বাণিজ্যিক সম্পর্ক বন্ধ রাখার ফলে পরিবহণ খরচ বৃদ্ধি, কাঁচামালের সঙ্কট এবং বাণিজ্যের সুযোগ হারানোর মতো সমস্যায় পড়তে হয়েছে পাকিস্তানকে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের দাবি আসলে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক বাস্তবতা এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যে ভারতের গুরুত্বকেই আরও একবার সামনে আনছে।

  • Indian-Flagged Vessel: ওমান উপকূলে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজে হামলা! মৃত ১ ভারতীয় নাবিক, উদ্ধার ১৩ জন

    Indian-Flagged Vessel: ওমান উপকূলে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজে হামলা! মৃত ১ ভারতীয় নাবিক, উদ্ধার ১৩ জন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব দুনিয়ায় (Middle East) চলমান অশান্তির আবহে ওমান উপকূলে ভারতীয় পতাকাবাহী জাহাজে ড্রোন হামলা। ভয়াবহ ওই হামলায় প্রাণ হারালেন এক ভারতীয় নাবিক (Indian Sailor Death)। আক্রান্ত ‘আল ইউসুফি’ (Al Jusufi) নামের পণ্যবাহী ওই জাহাজটিতে ঘটনার সময় জাহাজটিতে মোট ১৪ জন ভারতীয় নাবিক উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১৩ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও একজনের মৃত্যু হয়েছে। কেন্দ্রীয় জাহাজ চলাচল মন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল সোশ্যাল মিডিয়ায় এই খবর নিশ্চিত করেছেন। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে হামলার তীব্র নিন্দা করেছে ভারত। বিদেশমন্ত্রক (MEA) জানিয়েছে, গত ২ নভেম্বর ওমানের উপকূলের কাছে লিমাহ (Limah) এলাকায় ভারতীয় জাহাজ ‘এমএসভি আল জুসুফি’ (MSV AL JUSUFI)-তে ড্রোন হামলা হয়।

    হামলায় মৃত গুজরাটের নাবিক

    মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) বিদেশমন্ত্রকের তরফে একটি বিবৃতি দিয়ে এই ঘটনার কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জাহাজে থাকা ১৪ জন ভারতীয়ের মধ্যে ১৩ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ওমানের কোস্ট গার্ড তাঁদের উদ্ধার করে। আহত অবস্থায় এক ভারতীয় নাবিকের মৃত্যু হয়েছে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোকপ্রকাশ করেছে বিদেশমন্ত্রক। পাশাপাশি, ওমানে অবস্থিত ভারতীয় দূতাবাস গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে এবং উদ্ধার হওয়া ভারতীয়দের পাশাপাশি মৃত নাবিকের দেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ওমান প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে বিদেশমন্ত্রক। এই ঘটনায় গুজরাটের বাসিন্দা নাবিক গন্ধর নাহিম আজিজ (Gandhar Nahim Ajij)-এর মৃত্যু হয়েছে বলে জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করে পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি।

    হামলার নিন্দা ভারতের, উত্তেজনা প্রশমনের বার্তা

    এই হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে ওই অঞ্চলে বাণিজ্যিক জাহাজগুলিকে নিশানা করে একের পর এক হামলার ঘটনা অত্যন্ত চিন্তার। অবিলম্বে এই উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে ভারত। একই সঙ্গে চলতি কূটনৈতিক আলোচনা দ্রুত শেষ করে শান্তিপূর্ণ সমাধানের পথ খোঁজার বার্তা দেওয়া হয়েছে। বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক জলপথে বাণিজ্যিক জাহাজ এবং অসামরিক পরিকাঠামোর উপর হামলা বন্ধ করতে হবে। আন্তর্জাতিক আইন মেনে ওই অঞ্চলের জলপথে অবাধ ও নির্বিঘ্নে জাহাজ চলাচল এবং বাণিজ্য নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

    কারা এই হামলা চালিয়েছে

    কে বা কারা এই হামলা চালিয়েছে, কী ধরণের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট নয়। তবে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াত করা পণ্যবাহী জাহাজগুলি ওমান উপকূল হয়েই চলাচল করে। আন্তর্জাতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ গত কয়েক মাস ধরেই অশান্ত হয়ে রয়েছে। আমেরিকা-ইরান সংঘাতের মাঝে এই জলপথ দিয়ে চলাচল করা একাধিক জাহাজে হামলা হয়েছে। তবে সেগুলি ছিল অন্য দেশের জাহাজ। পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে শুরুর দিকে ভারতের পতাকাবাহী জাহাজগুলি মোটের উপর নিরাপদেই হরমুজ এবং সংলগ্ন জলপথ পেরিয়ে আসতে পারছিল। তবে গত কয়েক মাসে বার বার ভারত-সহ বিভিন্ন দেশের পণ্যবাহী জাহাজে হামলা হয়েছে। সোমবারের হামলার পর পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগও দানা বাঁধতে শুরু করেছে।

    পরপর হামলা ভারতীয় জাহাজে

    কেন্দ্রীয় জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়াল সমাজমাধ্যমে জানান, গান্ধার নাহিম আজিজ নামে ওই নিহত নাবিক গুজরাতের বাসিন্দা। গোলার আঘাতে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। বাকি ১৩ জন নাবিককে নিরাপদে ওই ক্ষতিগ্রস্ত জাহাজ থেকে উদ্ধার করেছে ওমানের উপকূলরক্ষী বাহিনী। মন্ত্রী জানান, নাহিমের দেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য ওমানের কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ভারতীয় দূতাবাস যোগাযোগ রাখছে। বাকি নাবিকদেরও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে দূতাবাস। উল্লেখ্য, গত মে মাসে গোলার আঘাতে ওমান উপকূলের কাছে ডুবে যায় একটি ভারতীয় জাহাজ। ওই হামলারও নিন্দা জানিয়েছিল নয়াদিল্লি। তার পরে গত জুনেও ওমান উপকূলে ভারতীয় জাহাজের উপরে হামলা হয়েছিল।

    ওই অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ফেরানোর দাবি

    পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীকে (Strait of Hormuz) কেন্দ্র করে ক্রমবর্ধমান সংঘাত নিয়ে বার বার উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। পণ্যবাহী অসামরিক জাহাজে হামলা যাতে কোনও ভাবেই কাম্য নয়, তা স্পষ্ট করেছে নয়াদিল্লি। এই পরিস্থিতির জন্য পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনাকেই দায়ী করে ভারত বিভিন্ন সময়ে বুঝিয়ে দিয়েছে, কূটনৈতিক পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধানেরই পক্ষপাতী নয়াদিল্লি। ওই অঞ্চলে শান্তি, স্থিতিশীলতা ফেরানো যে জরুরি, তা-ও স্পষ্ট করেছে ভারত। বিদেশ মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আরব দুনিয়ার এই সাম্প্রতিক সংঘর্ষ ও পারস্য উপসাগরে জাহাজে হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত অন্তত ২২ জন ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১৪ জনই নাবিক। গত মাসে এক সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে সমুদ্রপথে নাবিকদের সম্মিলিত নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছিলেন। নয়াদিল্লির বক্তব্য, সমুদ্রপথে নিরাপদ ও অবাধ চলাচল নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই জলপথে অস্থিরতা বাড়লে শুধু নাবিকদের জীবন নয়, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জ্বালানি সরবরাহও বিপর্যস্ত হতে পারে।

  • Twin Cyclone in India: পরপর দুই ঘূর্ণিঝড় সামলে নজির ভারতের, বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা

    Twin Cyclone in India: পরপর দুই ঘূর্ণিঝড় সামলে নজির ভারতের, বিপর্যয় মোকাবিলায় প্রশংসায় পঞ্চমুখ বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক বিপর্যয় (Twin Cyclone in India) মোকাবিলায় ভারতের প্রস্তুতি, নির্ভুল আবহাওয়ার পূর্বাভাস এবং আগাম সতর্কতা মূলক ব্যবস্থার ভূয়সী প্রশংসা করল বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা (WMO)। বিপর্যয়ের পূর্বাভাস দেওয়ার পাশাপাশি দ্রুত প্রশাসনিক পদক্ষেপের মাধ্যমে কীভাবে মানুষের প্রাণ ও জীবিকা রক্ষা করা সম্ভব, ভারত তার উল্লেখযোগ্য দৃষ্টান্ত তৈরি করেছে বলে মনে করছে সংস্থাটি। পরপর দুটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় ভারতের ভূমিকার কথা তুলে ধরে এমনই মন্তব্য করেছেন বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব সেলেস্তে সাউলো। তাঁর মতে, দুর্যোগের আগাম পূর্বাভাস এবং সময়মতো সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ভারত এখন বিশ্বের বহু দেশের কাছে আদর্শ হয়ে উঠেছে।

    কী বললেন বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিব?

    সম্প্রতি বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ সোমবার গভীর রাতে অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে আছড়ে পড়ে। এর প্রভাবে উপকূলবর্তী এলাকায় শুরু হয় ঝড় ও বৃষ্টিপাত। এর মাত্র এক সপ্তাহ আগেই একই অঞ্চলে আঘাত হেনেছিল আরও একটি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। পরপর দুটি ঘূর্ণিঝড়ের আশঙ্কা থাকা সত্ত্বেও আগাম সতর্কতা জারি এবং প্রশাসনিক তৎপরতার মাধ্যমে বহু মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। ভারতের এই বিপর্যয় মোকাবিলা ব্যবস্থারই প্রশংসা করেছেন সাউলো। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে সেলেস্তে সাউলো জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষেত্রে কেবল আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়াই যথেষ্ট নয়। সেই পূর্বাভাসের ভিত্তিতে দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ভারত এই গোটা প্রক্রিয়াটি দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করেছে। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে তিনি উল্লেখ করেছেন, বঙ্গোপসাগর থেকে ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে এগিয়ে আসার কয়েক দিন আগেই ওই অঞ্চলে আছড়ে পড়েছিল শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’। এমন পরিস্থিতিতেও আগাম পূর্বাভাসের ভিত্তিতে প্রশাসনিক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে এবং হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়েছে। তাঁর মতে, বিপর্যয়ের আগাম সতর্কতা এবং দ্রুত পদক্ষেপের ক্ষেত্রে ভারতের এই সাফল্য বিশেষভাবে প্রশংসনীয়।

    বিশ্বের কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে উঠছে ভারত

    বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থার মহাসচিবের মতে, দুর্যোগ মোকাবিলায় ভারতের এই অভিজ্ঞতা বিশ্বের অন্যান্য দেশের কাছেও অত্যন্ত শিক্ষণীয়। আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরি করা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে দ্রুত সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া এবং বিপর্যয়ের সময় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ—প্রতিটি ক্ষেত্রেই ভারতের অগ্রগতি উল্লেখযোগ্য। এই সাফল্য রাষ্ট্রপুঞ্জের ‘আর্লি ওয়ার্নিংস ফর অল’ উদ্যোগের লক্ষ্যপূরণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল, বিশ্বের প্রতিটি মানুষের কাছে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের আগাম সতর্কবার্তা পৌঁছে দেওয়া, যাতে দুর্যোগ আঘাত হানার আগেই মানুষ ও প্রশাসন প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিতে পারে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ পুরোপুরি প্রতিরোধ করা সম্ভব না হলেও সঠিক সময়ে নির্ভুল পূর্বাভাস এবং সতর্কবার্তা পৌঁছে দিতে পারলে প্রাণহানি ও সম্পত্তির ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমানো যায়। পরপর দুটি ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলায় ভারতের সাম্প্রতিক প্রস্তুতি সেই বার্তাই আরও একবার তুলে ধরেছে।

  • Ajit Doval: প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদারে ভারত-ভিয়েতনাম, ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ২৫০০ কোটি ডলার

    Ajit Doval: প্রতিরক্ষা-নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও জোরদারে ভারত-ভিয়েতনাম, ২০৩০ সালের মধ্যে বাণিজ্যের লক্ষ্যমাত্রা ২৫০০ কোটি ডলার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক নিরাপত্তা—একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও মজবুত করতে উদ্যোগী হল ভারত ও ভিয়েতনাম। সোমবার ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে দেশটির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল (Ajit Doval)। তাঁর এই সফরে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক সম্প্রসারণ, সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

    এই সফরে ভিয়েতনামের উপপ্রধানমন্ত্রী তথা প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল ফান ভান জিয়াংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন ডোভাল। ভারতের দূতাবাস সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে দুই দেশের মধ্যে চলা প্রতিরক্ষা সহযোগিতার অগ্রগতি (Vietnam) পর্যালোচনা করা হয়। এই ক্ষেত্রে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সমন্বয় আরও বাড়ানোর বিষয়েও ঐকমত্যে পৌঁছয় দুই পক্ষ।

    জিয়াং জানান, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারতের সহযোগিতা অব্যাহত রাখা এবং তা আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। দুই দেশের বর্ধিত সর্বাঙ্গীণ কৌশলগত অংশীদারিত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে প্রতিরক্ষা সহযোগিতার কথা উল্লেখ করেন তিনি।

    প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও মজবুত করতে উদ্যোগ (Ajit Doval)

    বৈঠকে পরিবর্তনশীল আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে ভারতের সঙ্গে ভিয়েতনামের সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরেন ডোভাল। তাঁর বক্তব্য, জাতীয় উন্নয়ন এবং কৌশলগত স্বনির্ভরতা বজায় রাখার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য সহযোগী দেশগুলির সঙ্গে সম্পর্ক ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ভারত ও ভিয়েতনামের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি জানান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ইতিমধ্যেই দুই দেশের অংশীদারিত্বের অন্যতম প্রধান ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে।

    অন্যদিকে, দুই দেশের সম্পর্ক বর্ধিত সর্বাঙ্গীণ কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর্যায়ে উন্নীত হওয়ার পর ডোভালের এই সফরকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন জিয়াং। তাঁর মতে, অভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি, কৌশলগত স্বার্থের সমন্বয় এবং বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতার উপর দাঁড়িয়েই ভারত-ভিয়েতনাম সম্পর্ক আরও এগিয়ে চলেছে।

    প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে ভারতীয় সংস্থাগুলিকে আমন্ত্রণ

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভারতীয় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির জন্য নতুন সুযোগ তৈরির উদ্যোগও নিয়েছে ভিয়েতনাম। আগামী ডিসেম্বর মাসে হ্যানয়ে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে ভিয়েতনাম আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী। সেখানে নিজেদের সামরিক সরঞ্জাম ও প্রযুক্তি প্রদর্শনের জন্য ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এবং ভারতীয় প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে ভিয়েতনাম।

    এই আমন্ত্রণ দুই দেশের প্রতিরক্ষা শিল্পের মধ্যে সহযোগিতা সম্প্রসারণের আগ্রহকেই স্পষ্ট করেছে। সামরিক সরঞ্জাম উৎপাদন, প্রযুক্তি বিনিময় এবং প্রতিরক্ষা শিল্পে যৌথ উদ্যোগের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে চাইছে দুই দেশ।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, দক্ষিণ চিন সাগরকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক নিরাপত্তার পরিবর্তিত পরিস্থিতি ভারত ও ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ওই অঞ্চলে চিনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ও সামরিক তৎপরতা নিয়ে দুই দেশেরই উদ্বেগ রয়েছে। পাশাপাশি দক্ষিণ চিন সাগর অঞ্চলে তেল অনুসন্ধানেও উভয় দেশের স্বার্থ জড়িত।

    ভারতের তৈরি ব্রহ্মস ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কেনার বিষয়ে আগ্রহী দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলির মধ্যে ভিয়েতনাম অন্যতম (Ajit Doval)। এই অঞ্চলে ভারতের প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পরিধি বাড়ছে ফিলিপিন্স ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গেও।

    বাণিজ্য ২৫০০ কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের লক্ষ্যও নিয়েছে ভারত ও ভিয়েতনাম। বর্তমানে দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ১৬০০ কোটি ডলার। ২০৩০ সালের মধ্যে সেই অঙ্ক বাড়িয়ে ২৫০০ কোটি ডলারে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে দুই দেশ।

    উল্লেখ্য, গত মে মাসে ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট তো লামের ভারত সফরের সময় দুই দেশের সম্পর্ককে বর্ধিত সর্বাঙ্গীণ কৌশলগত অংশীদারিত্বের পর্যায়ে উন্নীত করা হয়। বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা-সহ একাধিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বিস্তৃত করাই ছিল এই সিদ্ধান্তের অন্যতম উদ্দেশ্য।

    ভিয়েতনামের নিরাপত্তামন্ত্রীর সঙ্গেও বৈঠক ডোভালের

    প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি ভিয়েতনামের জননিরাপত্তামন্ত্রী জেনারেল লুয়ং তাম কোয়াংয়ের সঙ্গেও প্রতিনিধিদল পর্যায়ের আলোচনা করেন ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা। দুই দেশের নিরাপত্তা ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার এবং বিদ্যমান সম্পর্ক আরও বিস্তৃত করার বিষয়টি আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

    ভারতীয় দূতাবাসের তরফে জানানো হয়েছে, বৈঠকে বিভিন্ন আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

    ভিয়েতনামের বিদেশমন্ত্রী লে হোয়াই চুংয়ের সঙ্গেও পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেন ডোভাল। ২০২৭ সালে ভারত ও ভিয়েতনামের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার ৫৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে কীভাবে তা উদ্‌যাপন করা যায়, সেই বিষয়েও আলোচনা হয় তাঁদের মধ্যে।

    হ্যানয়ের ঐতিহাসিক বৌদ্ধ মন্দিরে ডোভাল

    সরকারি বৈঠক ও কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি দুই দেশের ঐতিহাসিক এবং সাংস্কৃতিক সম্পর্কের দিকটিও তুলে ধরেন অজিত ডোভাল। সফরকালে তিনি হ্যানয়ের ঐতিহাসিক কোয়ান সু বৌদ্ধ মন্দির পরিদর্শন করেন (Vietnam)।

    সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান মন্দিরের প্রধান থিচ থান নিয়েউ এবং ভিয়েতনামের জাতীয় বৌদ্ধ সংঘের সাধারণ সম্পাদক থিচ ডুক থিয়েন।

    ভারত ও ভিয়েতনামের মধ্যে বৌদ্ধ ঐতিহ্যের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। ডোভালের এই মন্দির পরিদর্শন দুই দেশের (Ajit Doval) সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক বন্ধনের গুরুত্বকেও সামনে এনেছে। কূটনীতি, অর্থনীতি, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও পারস্পরিক সহযোগিতা আরও গভীর করার বার্তাই উঠে এসেছে এই সফরে।

     

  • Bhutan King: ভারত-ভুটান বন্ধুত্বের স্বীকৃতি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে উৎসর্গ করা হল বৌদ্ধ স্তূপ

    Bhutan King: ভারত-ভুটান বন্ধুত্বের স্বীকৃতি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নামে উৎসর্গ করা হল বৌদ্ধ স্তূপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে ভুটানের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দূরদর্শিতা ও অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে বিশেষ সম্মান জানাল ভুটান (Bhutan King)। সে দেশের গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিতে নির্মিত ১০৮টি বৌদ্ধ স্তূপের মধ্যে ৭৬ নম্বর স্তূপটি প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) নামে উৎসর্গ করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ভারতের কাছে অত্যন্ত বড় সম্মান বলে অভিহিত করেছেন কেন্দ্রীয় সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

    ভুটানের পবিত্র ধর্মীয় উৎসব লহাবাব দুচেন উপলক্ষে গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিতে ১০৮টি বৌদ্ধ স্তূপ প্রতিষ্ঠা ও প্রাণপ্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জাংচুব চোরতেন নামেও পরিচিত এই স্তূপগুলির পবিত্র প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রিজিজু। ধর্মীয় রীতি মেনে বিশেষ বাদ্যযন্ত্র দুংচেন বাজানোর মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হয় এই অনুষ্ঠান।

    কী বললেন রিজিজু (Bhutan King)

    সমগ্র আয়োজন সম্পর্কে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নেন রিজিজু। তিনি জানান, লহাবাব দুচেনের পবিত্র দিনে গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটিতে ১০৮টি স্তূপ প্রতিষ্ঠা ও পবিত্রকরণ অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ তাঁর কাছে অত্যন্ত গর্বের বিষয়। অনুষ্ঠানে দীর্ঘাকৃতির বিশেষ বৌদ্ধ শিঙা দুংচেনও বাজানো হয় (Bhutan King)।

    ভারত-ভুটান আস্থার প্রতিফলন

    এই বিশেষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ভুটানের রাজা, রানি গিয়ালতসুয়েন, প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগে-সহ সে দেশের বিশিষ্ট (PM Modi) ব্যক্তিত্ব ও সাধারণ মানুষ। ভারত-ভুটান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এই সম্মান দুই দেশের ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও পারস্পরিক আস্থার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন বলেই (Bhutan King) ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

     

  • PPP Projects: পালাবদলের পর কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয়ে জোর, পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দু সরকারের

    PPP Projects: পালাবদলের পর কেন্দ্রের সঙ্গে সমন্বয়ে জোর, পরিকাঠামো উন্নয়নে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দু সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ক্ষমতার পালাবদলের পর কেন্দ্রের সঙ্গে সংঘাতের পরিবর্তে সমন্বয় ও সহযোগিতার পথে হাঁটতে চাইছে বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর সরকার। উন্নয়নমূলক কাজের গতি বাড়াতে এ বার পরিকাঠামো (PPP Projects) ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল নবান্ন। সরকারি-বেসরকারি যৌথ অংশীদারির বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদিত পরামর্শদাতাদের তালিকাকে স্বীকৃতি দিল রাজ্যের অর্থ দফতর। সম্প্রতি অর্থ দফতরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব প্রভাত কুমার মিশ্রের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে এই (West Bengal) সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়েছে।

    অর্থ দফতরের নির্দেশিকা অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রকের অর্থনৈতিক বিষয়ক দফতরের তৈরি যৌথ অংশীদারি প্রকল্পের লেনদেন সংক্রান্ত পরামর্শদাতাদের তালিকা এ বার থেকে পশ্চিমবঙ্গেও কার্যকর হবে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রীয় সরকার ‘প্যানেল এ’ এবং ‘প্যানেল বি’—এই দুই বিভাগে সংশ্লিষ্ট পরামর্শদাতাদের অন্তর্ভুক্ত করেছিল। রাজ্য সরকার সেই তালিকা গ্রহণ করায় এখন থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতর, পুরসভা, পঞ্চায়েত এবং সরকারি সংস্থাগুলি প্রয়োজন অনুযায়ী কেন্দ্রের তালিকাভুক্ত বিশেষজ্ঞদের পরিষেবা নিতে পারবে।

    পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ (PPP Projects)

    প্রশাসনিক মহলের মতে, ক্ষমতায় আসার পর থেকেই কেন্দ্রের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অবস্থান, উন্নয়নের স্বার্থে কেন্দ্রের সঙ্গে অকারণ বিরোধে জড়িয়ে না পড়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে কাজ এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। কেন্দ্রীয় প্রকল্প ও নীতির সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে রাজ্যের উন্নয়নমূলক উদ্যোগগুলিকে দ্রুত বাস্তবায়নের উপরও জোর দেওয়া হচ্ছে।

    দিল্লি ও কলকাতার মধ্যে প্রশাসনিক সমন্বয় আরও মজবুত করতে শীর্ষ আমলাদের নিয়মিত দিল্লি সফরের পরামর্শও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্রের খবর, মাসে অন্তত এক বা দু’বার কেন্দ্রীয় প্রশাসনের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রেখে রাজ্যের বিভিন্ন কাজের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার বিষয়ে গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। অর্থ দফতরের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্তকে সেই বৃহত্তর প্রশাসনিক উদ্যোগেরই একটি অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।

    তবে কেন্দ্রীয় তালিকা গ্রহণের অর্থ এই নয় যে, রাজ্যের নিজস্ব পরামর্শদাতা তালিকা বাতিল হয়ে যাচ্ছে। ২০২৫ সালের ২৮ নভেম্বরের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে রাজ্য যে নিজস্ব পরামর্শদাতা প্যানেল তৈরি করেছিল, সেটিও বহাল থাকছে। অর্থাৎ, এখন থেকে কেন্দ্র ও রাজ্য—উভয় তালিকা থেকেই প্রয়োজন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ সংস্থা বেছে নিতে পারবে সংশ্লিষ্ট দফতর বা স্থানীয় প্রশাসন।

    প্রকল্পের কাজ আটকে থাকার আশঙ্কাও কমবে

    প্রশাসনিক কর্তাদের একাংশের মতে, এই ব্যবস্থায় প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত পরামর্শদাতা নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিকল্প বাড়বে। পাশাপাশি, প্রয়োজনীয় বিশেষজ্ঞ সংস্থার অভাবে কোনও গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো প্রকল্পের কাজ আটকে থাকার আশঙ্কাও কমবে। প্রকল্পের (PPP Projects) পরিকল্পনা, আর্থিক কাঠামো তৈরি এবং বাস্তবায়নের প্রক্রিয়াও আরও সহজ হতে পারে।

    নবান্নের এই পদক্ষেপের রাজনৈতিক তাৎপর্যও রয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। অতীতে কেন্দ্রীয় সরকারের বিভিন্ন নীতি ও প্রকল্পের রূপরেখা নিয়ে কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে একাধিকবার মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। কিন্তু দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই সেই সংঘাতের আবহ কাটিয়ে সহযোগিতার সম্পর্ক গড়ে তোলার চেষ্টা করছে (West Bengal) নতুন সরকার।

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, কেন্দ্রীয় নিয়মকানুনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যৌথ প্রকল্পের কাজ এগোলে কেন্দ্রীয় বরাদ্দ পাওয়ার ক্ষেত্রেও সুবিধা হতে পারে। এই নয়া সমন্বয়ের ফলে আদতে যে রাজ্যের পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজে বেশ গতি (PPP Projects) আসবে, তা বলাই বাহুল্য।

     

LinkedIn
Share