Tag: bangla news

bangla news

  • Suvendu Adhikari: রাজ্যের সব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, স্থায়ী ভবন তৈরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: রাজ্যের সব অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, স্থায়ী ভবন তৈরির ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাসিক ভাতা পাঁচ হাজার টাকা বৃদ্ধির পর এবার রাজ্যের সমস্ত অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে বিনামূল্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার কথা ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সোমবার উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে আয়োজিত ‘অঙ্গন মিলন সেবা’ (ICDS Centres) অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করেন তিনি। ভাড়াবাড়িতে চলা অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিকে সরকারি স্থায়ী ভবনে স্থানান্তরিত করার প্রতিশ্রুতিও দেন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের আর্থিক সুরক্ষা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং শিশু ও প্রসূতিদের পুষ্টির উন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন শুভেন্দু।

    অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রের উন্নয়নে শুভেন্দুর সরকার (Suvendu Adhikari)

    মুখ্যমন্ত্রী জানান, অগাস্ট মাস থেকেই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের মাসিক ভাতা পাঁচ হাজার টাকা বাড়ানো হয়েছে। তাঁদের আয়ুষ্মান ভারত স্বাস্থ্যবিমা প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে দেশের প্রায় ৩৮টি নামী সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে বছরে পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন তাঁরা। শিশুদের পুষ্টি এবং গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের খাবারের বরাদ্দ বৃদ্ধির কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ঘোষণা, অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে শিশুদের খাবারের দৈনিক বরাদ্দ ছ’টাকা থেকে বাড়িয়ে আট টাকা করা হয়েছে। গর্ভবতী ও প্রসূতি মায়েদের খাবারের বরাদ্দ ১২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৪ টাকা করা হয়েছে (Suvendu Adhikari)।

    স্থায়ী ভবনের ঘোষণা

    অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলির পরিকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে রাজ্য সরকার। শুভেন্দু জানান, বর্তমানে রাজ্যের প্রায় ১৯ হাজার অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র ভাড়াবাড়িতে চলছে। আগামী দিনে এই কেন্দ্রগুলিকে সরকারের নিজস্ব স্থায়ী ভবনে স্থানান্তরিত করা হবে। সেই লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় অর্থও বরাদ্দ করা হয়েছে। এদিকে, অনুষ্ঠানে অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীদের ভূমিকার প্রশংসা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। তিনি বলেন, “শিশুদের জীবনের প্রথম গুরু হলেন এই অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীরাই (ICDS Centres)। শৈশবেই খুদেদের নৈতিক শিক্ষা ও যত্নের দায়িত্ব তাঁরা কাঁধে তুলে নেন। বস্তুত, দেশের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত রয়েছে তাঁদেরই হাতে (Suvendu Adhikari)।”

     

  • New Mobile Recharge: মোবাইল রিচার্জে বড় বদলের প্রস্তাব, শুধু কল ও বার্তার জন্য সস্তার মাসিক প্ল্যান আনতে হবে জিয়ো, এয়ারটেল ও ভিআই-কে

    New Mobile Recharge: মোবাইল রিচার্জে বড় বদলের প্রস্তাব, শুধু কল ও বার্তার জন্য সস্তার মাসিক প্ল্যান আনতে হবে জিয়ো, এয়ারটেল ও ভিআই-কে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোবাইল রিচার্জের নিয়মে বড় পরিবর্তনের প্রস্তাব দিল ভারতের টেলিকম নিয়ন্ত্রক সংস্থা ট্রাই (New Mobile Recharge)। গ্রাহকদের সুবিধার্থে শুধুমাত্র ফোনে কথা বলা ও বার্তা পাঠানোর জন্য আরও বেশি রিচার্জ প্ল্যান চালুর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এই (Jio Airtel Vi Users) ধরনের প্ল্যানে কোনও মোবাইল ইন্টারনেট পরিষেবা থাকবে না। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে জিয়ো, ভারতী এয়ারটেল ও ভোডাফোন আইডিয়ার গ্রাহকেরা নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী তুলনামূলক কম খরচে রিচার্জ করার সুযোগ পেতে পারেন। ট্রাইয়ের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হল গ্রাহকদের সামনে রিচার্জের আরও বেশি বিকল্প তুলে ধরা। বিশেষ করে যাঁদের মোবাইল ইন্টারনেটের প্রয়োজন কম, তাঁদের কথা মাথায় রেখেই এই পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এতে স্বল্প আয়ের মানুষ, প্রবীণ নাগরিক এবং যাঁরা মূলত বাড়ি বা কর্মস্থলের ওয়াই-ফাই ব্যবহার করেন, তাঁরা উপকৃত হতে পারেন।

    নতুন নিয়মে কী কী পরিবর্তনের প্রস্তাব? (New Mobile Recharge)

    প্রস্তাবিত নিয়ম অনুযায়ী, টেলিকম সংস্থাগুলি যে সমস্ত মেয়াদের জন্য ফোনে কথা বলা, বার্তা পাঠানো ও মোবাইল ইন্টারনেটের সুবিধাযুক্ত রিচার্জ প্ল্যান দিয়ে থাকে, সেই সব মেয়াদের ক্ষেত্রে ৩০ দিন পর্যন্ত শুধুমাত্র কল ও বার্তার সুবিধাযুক্ত প্ল্যানও চালু করতে হবে। সংশ্লিষ্ট ইন্টারনেট-সহ রিচার্জ প্ল্যানের তুলনায় এই প্ল্যানগুলির দাম কম রাখতে হবে।

    পাশাপাশি প্রতি মাসে একই তারিখে রিচার্জ নবীকরণের সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে। প্রত্যেক টেলিকম সংস্থাকে অন্তত একটি এমন প্ল্যান রাখতে হবে, যার মেয়াদ প্রতি মাসে একই তারিখে শেষ হবে। কোনও মাসে সেই তারিখ না থাকলে সংশ্লিষ্ট মাসের শেষ দিন পর্যন্ত রিচার্জের মেয়াদ বহাল থাকবে।

    শুধু স্বল্পমেয়াদি রিচার্জ নয়, দীর্ঘমেয়াদি প্ল্যানের ক্ষেত্রেও গ্রাহকদের বিকল্প দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সংস্থাগুলি যে সব দীর্ঘমেয়াদি রিচার্জ প্ল্যান দিয়ে থাকে, সেগুলির পাশাপাশি অন্তত একটি শুধুমাত্র কল ও বার্তার সুবিধাযুক্ত দীর্ঘমেয়াদি রিচার্জের ব্যবস্থাও রাখতে হবে।

    কেন নিয়ম বদলের উদ্যোগ ট্রাইয়ের?

    ট্রাইয়ের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, বর্তমানে টেলিকম সংস্থাগুলির শুধুমাত্র কল ও বার্তার সুবিধাযুক্ত বিশেষ রিচার্জের সংখ্যা অত্যন্ত সীমিত। যে কয়েকটি বিকল্প রয়েছে, সেগুলির অধিকাংশই দীর্ঘমেয়াদি। ফলে অল্প দিনের জন্য রিচার্জ করতে চান, এমন গ্রাহকদের সামনে পর্যাপ্ত বিকল্প থাকে না।

    বিশেষ করে স্বল্প আয়ের গ্রাহকদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি। অনেকেই মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহার করেন না বা খুব কম ব্যবহার করেন। তা সত্ত্বেও ফোনে কথা বলা ও বার্তা পাঠানোর সুবিধা পেতে তাঁদের ইন্টারনেট-সহ রিচার্জ প্ল্যান কিনতে হয়। এতে অপ্রয়োজনীয় পরিষেবার জন্যও অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হয়।

    সংবাদ সংস্থার প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সমস্যা সমাধানের উদ্দেশ্যে ২০২৬ সালের ৭ এপ্রিল টেলিকম গ্রাহক সুরক্ষা সংক্রান্ত ত্রয়োদশ সংশোধনী বিধির খসড়া প্রকাশ করে ট্রাই (New Mobile Recharge)।

    গ্রাহকদের কতটা সুবিধা হবে?

    নতুন নিয়ম কার্যকর হলে যাঁরা মূলত ফোনে কথা বলা ও বার্তা পাঠানোর জন্য মোবাইল ব্যবহার করেন, তাঁদের রিচার্জের খরচ কমার সম্ভাবনা রয়েছে। বাড়ি বা কর্মস্থলে নিয়মিত ওয়াই-ফাই ব্যবহারের সুযোগ থাকলে অপ্রয়োজনীয় মোবাইল ইন্টারনেটের জন্য আর অতিরিক্ত টাকা খরচ করতে হবে না।

    একই সঙ্গে প্রতি মাসে নির্দিষ্ট তারিখে রিচার্জ নবীকরণের সুবিধা চালু হলে গ্রাহকদের হিসাব রাখাও সহজ হবে। বর্তমানে প্রচলিত ২৮ দিনের মেয়াদের পরিবর্তে মাসভিত্তিক রিচার্জের সুযোগ পাওয়া যাবে।

    তবে গ্রাহকেরা বাস্তবে কতটা আর্থিক সুবিধা পাবেন, তা নির্ভর করবে জিয়ো, এয়ারটেল ও ভিআই কী ধরনের নতুন রিচার্জ প্ল্যান নিয়ে আসে এবং সেগুলির দাম বর্তমানে প্রচলিত প্ল্যানগুলির তুলনায় কতটা কম হয়, তার (Jio Airtel Vi Users) উপর। উল্লেখ্য, গত ২২ সেপ্টেম্বর ট্রাই সংশোধিত বিধি চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করেছে। ফলে বিষয়টি এখন আর শুধু প্রস্তাবের পর্যায়ে নেই (New Mobile Recharge)।

     

  • Russia: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবি সমর্থন রাশিয়ার, পশ্চিমি দেশগুলির অন্তর্ভুক্তিতে আপত্তি মস্কোর

    Russia: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবি সমর্থন রাশিয়ার, পশ্চিমি দেশগুলির অন্তর্ভুক্তিতে আপত্তি মস্কোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের  নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবিকে ফের সমর্থন করল রাশিয়া (Russia)। রুশ বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ জানিয়েছেন, নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার হলে এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার দেশগুলির প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে হবে। ভারত ও ব্রাজিলকে স্থায়ী সদস্য করার পক্ষে সওয়াল করলেও জার্মানি ও জাপানের মতো দেশগুলিকে স্থায়ী সদস্যপদ দেওয়ার বিরোধিতা করেছেন (UNSC) তিনি।

    শনিবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে লাভরভ বলেন, “আমরা এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর পক্ষে। নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারত ও ব্রাজিলের দাবিকে আমরা সমর্থন করি।”

    নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের ক্ষেত্রে আফ্রিকার স্বার্থকেও যথাযথ গুরুত্ব দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন রুশ বিদেশমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় উন্নয়নশীল দেশগুলির ভূমিকা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। ফলে নিরাপত্তা পরিষদের মতো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে তাদের প্রতিনিধিত্ব বাড়ানো প্রয়োজন।

    বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থার পক্ষে সওয়াল (Russia)

    রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চ থেকে বহুমেরুকেন্দ্রিক বিশ্বব্যবস্থা গড়ে তোলার পক্ষেও সওয়াল করেন লাভরভ। তাঁর দাবি, বিশ্বের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের দেশগুলি ক্রমশ স্বাধীন উন্নয়নের কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে। আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রেও এই দেশগুলির গুরুত্ব বাড়ছে।

    রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বক্তব্য উদ্ধৃত করে লাভরভ বলেন, “একক আধিপত্যবাদী শক্তির একনায়কতন্ত্র বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে।” তাঁর মতে, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় কোনও একটি শক্তির একচ্ছত্র আধিপত্যের পরিবর্তে একাধিক শক্তিকেন্দ্রের উপস্থিতি প্রয়োজন। এই প্রেক্ষাপটেই নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কারের সঙ্গে উন্নয়নশীল দেশগুলির বৃহত্তর প্রতিনিধিত্বের বিষয়টিকে যুক্ত করেছে রাশিয়া।

    ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে পশ্চিমি দেশগুলিকে নিশানা

    রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে বক্তৃতার সময় ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়েও পশ্চিমি দেশগুলির বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন লাভরভ। তাঁর দাবি, পশ্চিমি দেশগুলি এখনও ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করছে এবং রাশিয়ার বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতে কিয়েভকে সাহায্য করছে।

    ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে শান্তি আলোচনা বাধাগ্রস্ত করার জন্য ইউরোপীয় সরকারগুলিকেও দায়ী করেন তিনি। লাভরভ বলেন, “রাশিয়াকে নিয়ন্ত্রণে রাখার অবাস্তব লক্ষ্য পূরণ করতে গিয়ে পশ্চিমি দেশগুলি ইউরোপের নিরাপত্তাব্যবস্থা ভেঙে দিয়েছে এবং কিয়েভে রাশিয়াবিদ্বেষী শাসনব্যবস্থা গড়ে তুলেছে।”

    ইউক্রেনকে রাশিয়ার সাধারণ নাগরিক এবং অসামরিক পরিকাঠামোর উপর হামলা চালাতে ইউরোপীয় সরকারগুলি সাহায্য করছে বলেও অভিযোগ করেন রুশ বিদেশমন্ত্রী (Russia)।

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদ ভারতের কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

    বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদে মোট ১৫টি সদস্য দেশ রয়েছে। এর মধ্যে পাঁচটি স্থায়ী এবং বাকি ১০টি অস্থায়ী সদস্য। পাঁচ স্থায়ী সদস্য হল আমেরিকা, চিন, ফ্রান্স, রাশিয়া ও ব্রিটেন। এই পাঁচ দেশের প্রত্যেকেরই ভেটো প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে। অন্যদিকে, রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের ভোটে নির্বাচিত অস্থায়ী সদস্যরা দু’বছরের জন্য দায়িত্ব পালন করে। তাদের ভেটো প্রয়োগের অধিকার নেই।

    নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব প্রতি মাসে পর্যায়ক্রমে সদস্যদেশগুলির মধ্যে পরিবর্তিত হয়। আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি বিভিন্ন সংঘাত ও সংকট মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই পরিষদ। সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রেও ভৌগোলিক প্রতিনিধিত্বের বিষয়টি বিবেচনা করা হয় (UNSC)।

    নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ক্ষমতা হল ভেটো। কোনও গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের যে কোনও একটি দেশ ভেটো প্রয়োগ করলে সেই প্রস্তাব গৃহীত হয় না। তবে কোনও প্রস্তাবে সরাসরি বাধা না দিয়ে ভোটদান থেকে বিরত থাকার সুযোগও রয়েছে স্থায়ী সদস্যদের (Russia)।

    ১৯৪৫ সালে রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ প্রতিষ্ঠার পর থেকে একাধিকবার এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে স্থায়ী সদস্যদেশগুলি। ২০২৬ সালের অগাস্ট পর্যন্ত সোভিয়েত ইউনিয়নের সময়কাল-সহ রাশিয়া মোট ১৬২ বার ভেটো প্রয়োগ করেছে। আমেরিকা এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেছে ৯৫ বার। তুলনামূলকভাবে চিনের ভেটো প্রয়োগের সংখ্যা কম হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলিতে তা বেড়েছে। অন্যদিকে, ১৯৮৯ সালের পর থেকে ফ্রান্স ও ব্রিটেন ভেটো প্রয়োগ করেনি।

    দীর্ঘমেয়াদি প্রতিনিধিত্বের সুযোগ

    ভারত স্থায়ী সদস্যপদ পেলে আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিনিধিত্বের সুযোগ পাবে। তবে নতুন স্থায়ী সদস্যদের ভেটো ক্ষমতা দেওয়া হবে কি না, তা এখনও আলোচনাসাপেক্ষ। নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যসংখ্যা বাড়াতে রাষ্ট্রসংঘের সনদ সংশোধনও প্রয়োজন। এর জন্য সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনের পাশাপাশি বর্তমান পাঁচ স্থায়ী সদস্য-সহ দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যদেশের অনুমোদন প্রয়োজন।

    রাশিয়ার সাম্প্রতিক সমর্থন (UNSC) ভারতের দীর্ঘদিনের দাবির প্রতি মস্কোর অবস্থান আরও একবার স্পষ্ট করল। তবে নিরাপত্তা পরিষদের সংস্কার বাস্তবায়নের জন্য সদস্যদেশগুলির মধ্যে ঐকমত্য গড়ে তোলাই এখন গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক বিষয় (Russia)।

     

  • Nitin Nabin: সরকার-সংগঠনের মধ্যে সমন্বয়ে জোর নিতিন নবীনের, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব-দুর্নীতি নিয়ে কড়া বার্তা বিজেপি সভাপতির

    Nitin Nabin: সরকার-সংগঠনের মধ্যে সমন্বয়ে জোর নিতিন নবীনের, গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব-দুর্নীতি নিয়ে কড়া বার্তা বিজেপি সভাপতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সরকার ও সংগঠনের মধ্যে সমন্বয় আরও নিবিড় করতে হবে। ব্যক্তিস্বার্থ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ভুলে একযোগে কাজ করতে হবে দলের নেতা-কর্মীদের। পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে দলের সাংসদ, বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতৃত্বকে এমনই বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে একাধিক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট করে দেন, সরকারের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব নিতে হবে দলীয় সংগঠনকে। পাশাপাশি, সংগঠনের (BJP) অন্দরে দুর্নীতি ও অনৈতিক কার্যকলাপের অভিযোগ নিয়েও কঠোর অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

    রবিবার সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নিতিন নবীনকে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ-সহ বিজেপির একাধিক শীর্ষ নেতা। মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে মা কালীর মূর্তি উপহার দেন। সেখান থেকে নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে পৌঁছে রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠান শোনেন তিনি। এরপর দিনভর দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নিয়ে কড়া বার্তা (Nitin Nabin)

    রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের পর বিভিন্ন জেলায় বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতাদের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও সমান্তরালভাবে কাজ করার প্রবণতা নিয়েও দলের অন্দরে উদ্বেগ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সংগঠন, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও সরকারের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেন নিতিন নবীন।

    দলীয় সূত্রের খবর, বৈঠকে তিনি জানিয়ে দেন, ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে সংগঠনকে উপেক্ষা করা চলবে না। ক্ষমতায় আসার পর যাঁরা সংগঠনের গুরুত্ব ভুলে যাচ্ছেন, তাঁদের আচরণও মেনে নেওয়া হবে না। একই সঙ্গে দলে নতুন যোগ দেওয়া ব্যক্তিদের কার্যকলাপের ওপর নজর রাখার পরামর্শ দেন তিনি। দুর্নীতি ও অনৈতিক কাজকর্মের অভিযোগ উঠলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন বলে দলীয় সূত্রে খবর। শুভেন্দু সরকারের গত কয়েক মাসের উন্নয়নমূলক কাজ সাধারণ মানুষের কাছে তুলে ধরার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর বার্তা, সরকার ও সংগঠনকে পরস্পরের পরিপূরক হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে ‘উন্নত পশ্চিমবঙ্গ’ এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়ার যে লক্ষ্য বিজেপি নিয়েছে, তা বাস্তবায়নে সংগঠনের প্রত্যেক স্তরকে সক্রিয় হতে হবে (Nitin Nabin)।

    সংগঠন মজবুত করার নির্দেশ

    নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন এবং আসন্ন পুরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক প্রস্তুতিও খতিয়ে দেখেন নিতিন নবীন। সম্প্রতি রাজ্য ও জেলাস্তরে বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল হয়েছে। নতুন নেতৃত্বের দায়িত্ব বণ্টন এবং বিভিন্ন স্তরের নেতাদের মধ্যে সমন্বয়ের বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরসভা নির্বাচনে প্রার্থী বাছাইয়ের বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের হাতে থাকবে বলেও জানানো হয়েছে। কাউকে প্রার্থী করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ব্যক্তিগত প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা যাতে না হয়, সেই বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে নেতাদের।

    আসন্ন দুর্গাপুজো-সহ উৎসবের মরশুমে জনসংযোগ বৃদ্ধির ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন বিজেপি সভাপতি। তবে কোনও পুজো কমিটির নেতৃত্ব বা পৃষ্ঠপোষকতার দায়িত্ব জোর করে নেওয়া যাবে না বলে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুজো কমিটির পক্ষ থেকে প্রস্তাব এলে তবেই সেই দায়িত্ব গ্রহণ করা যাবে। পাশাপাশি, বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে (Nitin Nabin)।

    জনসংযোগ বাড়ানোর পরামর্শ

    বৈঠকে সাংসদ ও বিধায়কদের নিয়মিত নিজেদের কার্যালয়ে সময় দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে দলীয় সূত্রের খবর। প্রতিদিন কত মানুষ তাঁদের সঙ্গে দেখা করতে আসছেন, কী কী সমস্যা জানাচ্ছেন এবং সেগুলির সমাধানে কী পদক্ষেপ করা হচ্ছে, তার যথাযথ হিসাব রাখতে বলা হয়েছে।

    নেতাদের সঙ্গে ছবি তুলে কেউ যাতে সেই পরিচয়কে অসামাজিক বা অপরাধমূলক কাজে ব্যবহার করতে না পারেন, সে বিষয়েও সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিধানসভাভিত্তিক জনকল্যাণমূলক কাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা এবং কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে (BJP)।

    ‘মন কি বাত‘ শুনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য তুলে ধরলেন নবীন

    এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে দলের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মন কি বাত’ অনুষ্ঠানের ১৩৮তম পর্ব শোনেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি। পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনুষ্ঠানের বিভিন্ন প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি।

    নবীন তাঁর বার্তায় ২০১৬ সালের সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় সেনার বীরত্বের প্রসঙ্গের উল্লেখ করেন। পাশাপাশি দেশের ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, প্রকৃতি সংরক্ষণ, যুবসমাজকে নেশামুক্ত করার সংকল্প এবং জনগণনায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের বিষয়ও তুলে ধরেন।

    তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষের উদ্যোগ, সাফল্য ও অনুপ্রেরণার কাহিনি তুলে ধরার গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হয়ে উঠেছে ‘মন কি বাত’। সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার বিভিন্ন দৃষ্টান্ত এই অনুষ্ঠানে উঠে আসে (Nitin Nabin)।

    সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখাই লক্ষ্য

    পূর্ণাঙ্গ রাজ্য কমিটি গঠনের পর প্রথম পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে নিতিন নবীনের বৈঠকগুলিতে সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ রাখা, সরকারের কাজের প্রচার এবং নির্বাচনের প্রস্তুতির বিষয়গুলি গুরুত্ব পেয়েছে। দলের রাজ্য পদাধিকারী, বিভিন্ন মোর্চার সভাপতি, জেলা নেতৃত্ব, সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে পৃথক বৈঠকে সাংগঠনিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন তিনি। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সুনীল বনসল।

    দলীয় নেতৃত্বের কাছে (BJP) নবীনের বার্তা, নিজেদের মধ্যে মতপার্থক্য দূরে সরিয়ে সাধারণ মানুষের সমস্যা সমাধানকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের সঙ্গে সাংগঠনিক কর্মসূচির সমন্বয় ঘটিয়ে তৃণমূল স্তরে জনসংযোগ বাড়াতে হবে। আসন্ন নির্বাচনগুলির আগে সেই লক্ষ্যেই সংগঠনকে আরও সক্রিয় করার নির্দেশ দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (Nitin Nabin)।

     

  • SRFTI Incident: “বামপন্থীদের কদর্য চেহারা! স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলা অপরাধ”, এসআরএফটিআই নিয়ে নিন্দা সুকান্তর

    SRFTI Incident: “বামপন্থীদের কদর্য চেহারা! স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলা অপরাধ”, এসআরএফটিআই নিয়ে নিন্দা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (এসআরএফটিআই)-এর ঘটনায় (SRFTI Incident) ভিডিও প্রকাশ করে ঘটনার তীব্র নিন্দা করলেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। একইসঙ্গে ঘটনায় ‘বহিরাগত’ হিসেবে পরোক্ষে বামপন্থী যোগের অভিযোগ তুললেন তিনি। সমাজ মাধ্যম ফেসবুকে ঘটনার একটি ভিডিও শেয়ার করে সুকান্ত লেখেন, “বামপন্থীদের কদর্য চেহারা আর নিকৃষ্ট মানসিকতার আজ আবারও প্রকাশ্যে এল। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকতেই পারে, কিন্তু সেই মতাদর্শগত পার্থক্যের জেরে দেশমাতৃকার প্রতি অসম্মান কিংবা বিশ্ববরেণ্য মনীষী স্বামী বিবেকানন্দের ছবিকে প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলা, লাথি মারা ও থুতু ফেলার মতো জঘন্য আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।”

    বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদার প্রতি অবমাননা

    বামেদের কটাক্ষ ছুঁড়ে দিয়ে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীর তোপ, “মুখে প্রগতিশীলতা, বাঙালিত্ব ও সংস্কৃতির দাবি করলেও এমন কদর্য ও জঘন্য আচরণ সেই দাবির সঙ্গে গভীর বৈপরীত্যই প্রকাশ করে। আজকের এই অসম্মান, লাথি শুধু একজন বিশ্ববরেণ্য সন্ন্যাসী ও মনীষীর প্রতি নয়, এটি বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও সমগ্র বাঙালি জাতির আত্মমর্যাদার প্রতিও এক চূড়ান্ত গভীর অবমাননা।” উল্লেখ্য রবিবার অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার কাণ্ড বেঁধে যায় সত্যজিৎ রায় ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইন্সস্টিটিউট বা এসআরএফটিআই-এ৷ জানা গিয়েছে, এ দিন এসআরেএফটিআই ক্যাম্পাসের ভিতরে একটি প্রেক্ষাগৃহে অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েতের অনুষ্ঠান চলছিল৷ অভিযোগ, তখনই সেই অনুষ্ঠানে বাধা দেন এসআরএফটিআই-এর একদল পড়ুয়া৷ অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করেই দুপক্ষের মধ্যে প্রথমে বচসা এবং তার পর রীতিমতো হাতাহাতি শুরু হয়ে যায়৷ দু পক্ষই পরস্পরের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ করেছে৷

    কী ঘটেছিল? দাবি-পাল্টা দাবি

    এসআরএফটিআই-এর অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত পশ্চিমবঙ্গ প্রান্ত৷ অভিযোগ, সেই সময় এসএফআই সদস্যরা ওই অনুষ্ঠানস্থলে যায়। কেন একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান করা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন করা হয় আয়োজকদের। তাদের দাবি, কোনও কথা না শুনে এসএফআইয়ের তরফে ভারতমাতা, স্বামী বিবেকানন্দের ছবি এবং ব্যানার ছিঁড়ে দেওয়া হয়। প্রথমে আয়োজকদের সঙ্গে পড়ুয়াদের কথা কাটাকাটি শুরু হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। তাঁদের আরও দাবি, হামলার ঘটনায় কয়েকজন আহত হয়েছেন এবং চারজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। সংগঠনের এক সদস্যের দাবি, নিয়ম মেনেই টাকা দিয়ে তাঁরা অডিটোরিয়াম ভাড়া নিয়েছিলেন। অন্যদিকে পড়ুয়াদের দাবি, একে তো তাদের অন্ধকারে রেখে আরএসএসের শাখা সংগঠনকে অনুষ্ঠান করতে দেওয়া হয়েছে।  সন্ধ্যার পর পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এলেও উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।

    বিনা প্ররোচনায় সভা ভণ্ডুলের চেষ্টা

    ঘটনার সূত্রপাত রবিবার সকালে। সকাল ১০টা নাগাদ সংঘের সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় গ্রাহক পঞ্চায়েত বা এবিজিপি (পশ্চিমবঙ্গ প্রান্ত)’ এসআরএফটিআই-এর একটি প্রেক্ষাগৃহ ভাড়া করে কর্তৃপক্ষের আগাম অনুমতিপত্র নিয়েই সভা করছিল। সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেসরকারি সংগঠন সভা করবে কেন, তা নিয়ে আপত্তি তোলেন পড়ুয়াদের একাংশ। প্রেক্ষাগৃহের সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। স্লোগানও দেওয়া হয়। এবিজিপি-র দাবি, কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে তারা সভা করছিল। কিন্তু পড়ুয়াদের একাংশ বিনা প্ররোচনায় তাদের সদস্যদের মারধর করে। তাতে বেশ কয়েকজন আহত হন বলেও অভিযোগ করা হয়েছে। এই প্রসঙ্গে এবিজিপি-র রাজ্য সভাপতি পঙ্কজ রায় বলেন, “১৫ হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে, কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে আমরা সভা করছিলাম। আমাদের সংগঠন মূলত ক্রেতাসুরক্ষা, ক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির কাজ করে। কিন্তু আমাদের সভা বানচাল করার চেষ্টা করা হয়। ভারতমাতা, স্বামী বিবেকানন্দের ছবি ছিঁড়ে ফেলা হয়। হাসপাতালে ইতিমধ্যেই চারজন ভর্তি হয়েছেন। এরা ছাত্র? সব পড়ুয়ারা নেশাগ্রস্ত ওইখানে।”

    মহাপুরুষদের ছবিতে কালি বরদাস্ত করা হবে না

    বিচ্ছিন্নতাবাদী এবং দেশবিরোধী শক্তি এতদিন ধরে বাংলায় সক্রিয় ছিল। প্রাক্তন সরকারের ছত্রছায়ায় বেঁচে ছিল। তারা একে একে এক্সপোজ হয়ে যাচ্ছে। দেশের সংস্কৃতি এবং পরম্পরা বিরোধী এইসব কার্যকলাপ মানুষ আর মানবে না। নকশাল আমলে মহাপুরুষদের ছবিতে কালি লাগিয়ে দেওয়া হত। মূর্তি ভেঙে দেওয়া হত। সেইসব দিন চলে গেছে। তাদের কিছু উত্তরসূরি এখনও বেঁচে আছে। যারা করেছে সেটা সমাজবিরোধী কার্যকলাপ। এটা বরদাস্ত করা হবে না। এদিকে রবিবারের চরম গণ্ডগোলের পর সোমবার সকালেও সত্যজিৎ রায় ফিল্ম এন্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউটের সামনে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। মূল গেটের সামনে বাইরে থেকে কেউ ঢুকলে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় মোট ৩টি অভিযোগ দায়ের হয়েছে পঞ্চসায়র থানায়। ক্যাম্পাসের ভিতরে গাড়িতে ধাক্কাধাক্কি, গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া নিয়ে পুলিশের তরফ থেকে একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অন্যদিকে আয়োজকদের তরফ থেকেও একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আবার অনুমতি নিয়ে সভা করার পরেও হামলা কেন সেই প্রশ্ন তুলে ছাত্রদের তরফ থেকেও একটি অভিযোগ দায়ের করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

     

     

     

     

  • Virat Kohli: ৫৫তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি! সচিন-গাভাসকরকে পিছনে ফেলে বিরাট রেকর্ড কিং কোহলির

    Virat Kohli: ৫৫তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি! সচিন-গাভাসকরকে পিছনে ফেলে বিরাট রেকর্ড কিং কোহলির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিরুঅনন্তপুরমে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে প্রথম ওয়ানডেতে ব্যাট হাতে ঝড় তুললেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। তাঁর অপরাজিত ১৩৯ রানের দুর্দান্ত ইনিংসের সৌজন্যে তিন ম্যাচের সিরিজের (India vs West Indies) প্রথম ম্যাচে ৮ উইকেটে জয় পেল ভারত। ২৯৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে মাত্র ৪১.৪ ওভারে মাত্র ২ উইকেট হারিয়ে ৩০০ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। ৮৮ বলে অপরাজিত ১৩৯ রান করেন কোহলি। তাঁর ইনিংসে ছিল ১০টি চার ও ৯টি ছক্কা। স্ট্রাইক রেট ছিল ১৫৭-এরও বেশি। অন্যদিকে শুভমন গিল করেন ১০৮ বলে ১১০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে কোহলি ও গিলের ১৫১ রানের জুটি ভারতের জয়ের ভিত শক্ত করে দেয়।

    বিরাট-রেকর্ড

    ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে এই ইনিংসে একাধিক নজির গড়েছেন কিং কোহলি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১৩টি সেঞ্চুরি করে সুনীল গাভাসকরের রেকর্ড ছুঁয়ে ফেললেন কোহলি। গাভাসকর ৩৮ ম্যাচে এই কীর্তি গড়েছিলেন, কোহলি তা করলেন ৭৪ ম্যাচে। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধেও ১০টি ওয়ানডে সেঞ্চুরি রয়েছে কোহলির। ওয়ানডে কেরিয়ারে এক ইনিংসে সর্বাধিক ৯টি ছক্কা মারলেন কোহলি। এর আগে ২০২৩ সালে তিরুঅনন্তপুরমেই শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ৮টি ছক্কা মেরেছিলেন তিনি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে দশম সেঞ্চুরি করে নিজেরই রেকর্ড স্পর্শ করলেন তিনি। লিস্ট ‘এ’ ক্রিকেটে ৩৫১ ম্যাচে ৬০টি সেঞ্চুরি পূর্ণ করলেন কোহলি। এই তালিকায় তাঁর পিছনে রয়েছেন গ্রাহাম গুচ ও কুমার সঙ্গাকারা। এই ইনিংসেই ওয়ানডে ক্রিকেটে ২০০ ছক্কা পূর্ণ করেন কোহলি।

    সচিনের রেকর্ড ভাঙলেন কোহলি

    ভারতের মাটিতে ১৩১ ম্যাচে ৭,০০৬ রান করে সচিন তেন্ডুলকরের রেকর্ড ভেঙেছেন কোহলি। ভারতীয় মাটিতে সচিনের রান ছিল ৬,৯৭৬। মাত্র ৩০৩ ইনিংসে ১৫,০০০ ওয়ানডে রান পূর্ণ করলেন কোহলি। এই নজিরে তিনি দ্বিতীয় ব্যাটার হলেও দ্রুততম। পিছনে ফেললেন সচিন তেন্ডুলকরকে, যিনি ৩৭৭ ইনিংসে এই মাইলফলক স্পর্শ করেছিলেন। ওয়ানডে কেরিয়ারে এটি কোহলির তৃতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি। তাঁর দ্রুততম সেঞ্চুরি এসেছিল ২০১৩ সালে জয়পুরে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাত্র ৫২ বলে। সফল রান তাড়ার ক্ষেত্রে ২৫তম ওয়ানডে সেঞ্চুরি করলেন কোহলি। এই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা সচিন তেন্ডুলকরের সেঞ্চুরি ১৪টি।

    গিলের সেঞ্চুরি, কুলদীপের চার উইকেট

    ভারতের এই বড় জয়ের পিছনে কোহলির পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শুভমন গিল এবং কুলদীপ যাদব। গিল ১০৮ বলে ১১০ রান করেন। অন্যদিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে জাস্টিন গ্রিভস ১০১ এবং জন ক্যাম্পবেল ৬২ রান করেন। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৭ উইকেটে ২৯৫ রান তুললেও কুলদীপ যাদব ৪০ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তাদের রান আটকে দেন। শেষ পর্যন্ত কোহলির অপরাজিত ১৩৯ রানের ইনিংসেই সহজে জয় নিশ্চিত করে ভারত।

  • Nationwide Bank Strike: তিন দিনের দেশব্যাপী ব্যাঙ্ক ধর্মঘট স্থগিত, পাঁচ দিনের কর্মসপ্তাহ নিয়ে গঠিত হবে কমিটি

    Nationwide Bank Strike: তিন দিনের দেশব্যাপী ব্যাঙ্ক ধর্মঘট স্থগিত, পাঁচ দিনের কর্মসপ্তাহ নিয়ে গঠিত হবে কমিটি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে আলোচনায় মিলল সমাধান। ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন (IBA)-এর সঙ্গে রবিবার রাতে বৈঠকের পর প্রস্তাবিত তিন দিনের দেশব্যাপী ব্যাঙ্ক ধর্মঘট (Nationwide Bank Strike) স্থগিত করল ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন্স (UFBU)। ফলে সোমবার থেকে ব্যাঙ্কের শাখাগুলি স্বাভাবিক নিয়মেই খোলা থাকবে। এর ফলে অর্ধবার্ষিক হিসেব বন্ধের সময় সম্ভাব্য পরিষেবা-বিঘ্নও আপাতত এড়ানো গেল। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর তিন দিনের ধর্মঘটের (Bank Strike Deferred) ডাক দিয়েছিল ব্যাঙ্ক ইউনিয়নগুলির যৌথ সংগঠন ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন্স। মূল দাবি ছিল পাঁচ দিনের ব্যাঙ্কিং সপ্তাহ চালু করা, অর্থাৎ প্রতি শনিবার ব্যাঙ্ক বন্ধ রাখা।

    কী সিদ্ধান্ত হল?

    আলোচনার পর ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন একটি উচ্চপর্যায়ের যৌথ কমিটি গঠনে সম্মত হয়েছে। এই কমিটি ব্যাঙ্কের বাকি শনিবারগুলিকেও ছুটির আওতায় আনার দাবি খতিয়ে দেখবে। পাশাপাশি বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হবে এবং গ্রাহক-সহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মতামত নেওয়া হবে। বর্তমানে দেশের ব্যাঙ্কগুলি প্রতি মাসের দ্বিতীয় ও চতুর্থ শনিবার বন্ধ থাকে। তবে রবিবারের বৈঠকের সিদ্ধান্তে এখনই পাঁচ দিনের কর্মসপ্তাহ চালু হচ্ছে না। কমিটি কবে তাদের সিদ্ধান্ত জানাবে, তারও কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়নি। এছাড়াও স্কেল-৪ এবং তার ঊর্ধ্বতন স্তরের ব্যাঙ্ক আধিকারিকদের জন্য পারফরম্যান্স-লিঙ্কড ইনসেনটিভ (PLI) নিয়েও আলোচনা চালানোর বিষয়ে দুই পক্ষ সম্মত হয়েছে। ইউনিয়নগুলির আপত্তি বিবেচনা করে সরকারি প্রকল্পে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের প্রস্তাব দেওয়ার কথা জানিয়েছে আইবিএ।

    কেন ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল ইউনিয়নগুলি?

    দীর্ঘসময় ধরে কাজ এবং কাজের চাপের কথা উল্লেখ করে সব শনিবার ছুটির দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দিয়েছিল ইউনাইটেড ফোরাম অব ব্যাঙ্ক ইউনিয়ন্স। ইউনিয়নগুলির দাবি, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে পাঁচ দিনের ব্যাঙ্কিং সপ্তাহ নিয়ে আলোচনা চলছে, কিন্তু এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। অন্যদিকে, সরকারি সূত্রের বক্তব্য ছিল, পাঁচ দিনের কর্মসপ্তাহ চালুর বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সমঝোতা হয়নি। আগের বেতন সংক্রান্ত আলোচনাতেও বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না। আগের দফার আলোচনায় সমাধান না হওয়ায় ইউনিয়নগুলি ধর্মঘটের সিদ্ধান্ত নেয়। এমনকি দাবি পূরণ না হলে ২৬ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘটের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। তবে রবিবারের সিদ্ধান্তের পর সেই আন্দোলনও আপাতত স্থগিত থাকছে। নতুন কোনও ধর্মঘটের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

    গ্রাহকদের জন্য কী পরিবর্তন?

    তিন দিনের ধর্মঘট (Nationwide Bank Strike) হলে ব্যাঙ্ক পরিষেবায় বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারত। বিশেষ করে অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময় ধর্মঘট হওয়ায় গ্রাহকদের লেনদেন ও অন্যান্য ব্যাঙ্কিং পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। পরিস্থিতি সামাল দিতে অর্থ মন্ত্রকের তরফে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলিকে রবিবার শাখা খোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল, যাতে ধর্মঘটের আগে গ্রাহকরা প্রয়োজনীয় কাজ সেরে নিতে পারেন। তবে ধর্মঘট আপাতত স্থগিত হওয়ায় সোমবার থেকে ব্যাঙ্কের শাখাগুলিতে স্বাভাবিক পরিষেবা চালু থাকার কথা। পাঁচ দিনের ব্যাঙ্কিং সপ্তাহ এবং অন্যান্য দাবিগুলি নিয়ে আইবিএ ও ব্যাঙ্ক ইউনিয়নগুলির মধ্যে আগামী দিনে আরও আলোচনা চলবে।

  • Bangladesh: বাংলাদেশে প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে উদ্ধার হিন্দু স্বর্ণব্যবসায়ীর দেহ, খুনের সন্দেহ পুলিশের

    Bangladesh: বাংলাদেশে প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে উদ্ধার হিন্দু স্বর্ণব্যবসায়ীর দেহ, খুনের সন্দেহ পুলিশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh) ময়মনসিংহে জল থেকে ভাসমান প্লাস্টিকের ড্রামের ভিতর থেকে উদ্ধার হিন্দু স্বর্ণব্যবসায়ীর দেহ। মৃতের নাম নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর (৫০)। বেগুনবাড়ি এলাকায় একটি জল কপাটের কাছে ড্রামটি ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন (Hindu Found Dead) স্থানীয় বাসিন্দারা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের সন্দেহ, নিরঞ্জনকে খুন করার পর তাঁর দেহ ড্রামে ভরে জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনায় কারা জড়িত, তা এখনও শনাক্ত করতে পারেননি তদন্তকারীরা।

    জল কপাটের কাছে ভাসছিল ড্রাম (Bangladesh)

    গত ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে ময়মনসিংহের বেগুনবাড়ি এলাকায় জল কপাটের কাছে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম ভাসতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পৌঁছয় পুলিশ। ড্রামের ভিতরে মেলে এক ব্যক্তির দেহ। পরে জানা যায়, মৃত ব্যক্তি নিরঞ্জন চন্দ্র সূত্রধর। তিনি ময়মনসিংহের আঠারবাড়ি বিল্ডিং এলাকায় যৌথভাবে একটি সোনার দোকান চালাতেন। স্ত্রী সুমিতা রানী সূত্রধর এবং ছেলে জয় সূত্রধরকে নিয়ে শহরের স্টেডিয়াম এলাকার একটি ভাড়াবাড়িতে থাকতেন তিনি।

    পকেটে পাওয়া টোকেন থেকে পরিচয় উদ্ধার

    মৃতের পরিচয় শনাক্ত করতে গিয়ে তাঁর প্যান্টের পকেট থেকে ময়মনসিংহ হিন্দু কো-অপারেটিভ ক্রেডিট ইউনিয়ন লিমিটেডের একটি টোকেন উদ্ধার করে পুলিশ। সেই সূত্র ধরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করেন তদন্তকারীরা।

    কোতোয়ালি মডেল থানার আধিকারিক রুহুল আমিন জানান, টোকেনটি পরীক্ষা করে সমবায় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা পুলিশকে প্রয়োজনীয় তথ্য দেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে মৃতের পরিচয় জানা যায়। পরে নিরঞ্জনের স্ত্রী এবং ছেলে দেহ শনাক্ত করেন।

    ২০ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ ছিলেন নিরঞ্জন

    পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ২০ সেপ্টেম্বর বাড়ি থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হয়ে যান নিরঞ্জন। ২১ সেপ্টেম্বর স্টেডিয়াম এলাকায় তাঁকে শেষবার দেখেছিলেন তাঁর এক ভাইপো।

    এর আগেও নিরঞ্জন তিন থেকে চার দিন বাড়ির বাইরে কাটিয়ে ফিরে এসেছিলেন। সেই কারণে এবারও তিনি ফিরে আসবেন বলে মনে করেছিলেন পরিবারের সদস্যরা। নিখোঁজ হওয়ার পরপরই থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেননি তাঁরা। শেষমেশ উদ্ধার হল দেহ।

    মাথা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাত

    কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিক মহম্মদ শিবিরুল ইসলাম জানান, নিরঞ্জনের মাথা ও বুকে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গিয়েছে। দেহের আঘাতের চিহ্ন এবং যেভাবে সেটি ড্রামে ভরে জলে ফেলা হয়েছিল, তা খতিয়ে দেখে প্রাথমিকভাবে খুনের সন্দেহ করছেন (Bangladesh) তদন্তকারীরা।

    ময়নাতদন্তের পর দেহ পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এই ঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। দুষ্কৃতীদের পরিচয় জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত।

    বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ

    নিরঞ্জনের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসতেই বাংলাদেশে হিন্দু-সহ ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তার বিষয়টি ফের আলোচনায় এসেছে। ২০২৪ সালের অগাস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচনের পর তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠিত হয়।

    সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ও নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে। এদিকে, বর্তমান সরকার সব ধর্মের মানুষের সমান অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে (Hindu Found Dead)।

    তবে নিরঞ্জনের হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তাঁর ধর্মীয় পরিচয়ের কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও জানা যায়নি। পুলিশি তদন্তেও এখনও পর্যন্ত হত্যার উদ্দেশ্য স্পষ্ট হয়নি (Bangladesh)।

     

  • Nepal: নেপালে হিমলুং হিমালের বেস ক্যাম্পে তুষারধস, নিখোঁজ অন্তত ১০

    Nepal: নেপালে হিমলুং হিমালের বেস ক্যাম্পে তুষারধস, নিখোঁজ অন্তত ১০

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেপালের (Nepal) পশ্চিমাঞ্চলে তিব্বত সীমান্তের কাছে হিমলুং হিমালের বেস ক্যাম্পে ভয়াবহ তুষারধসে (Himlung Himal Avalanche) নিখোঁজ অন্তত ১০ জন। রবিবার সকালের ঘটনা। নিখোঁজদের মধ্যে পর্বতারোহণ অভিযানের সঙ্গে যুক্ত কর্মীরাও রয়েছেন। প্রতিকূল আবহাওয়া ও দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়েছে। অভিযানের আয়োজক মিংমা গ্যালজে শেরপা জানিয়েছেন, নিখোঁজদের মধ্যে তাঁর অভিযানের রান্নার কাজে নিযুক্ত দুই কর্মীও রয়েছেন। তিনি বলেন, “রবিবার সকালে তুষারধস নামে।”

    সতর্কবার্তায় পাহাড় ছেড়েছিলেন পর্বতারোহীরা (Nepal)

    গত সপ্তাহে আবহাওয়ার সতর্কবার্তা জারির পরেই পর্বতারোহণ অভিযানে অংশ নেওয়া সদস্য এবং দড়ি টাঙানোর দায়িত্বে থাকা দলগুলি পাহাড়ের ঢাল থেকে নিরাপদ জায়গায় সরে যায়। তবে আবহাওয়ার ক্রমাগত অবনতি সত্ত্বেও কয়েকজন বেস ক্যাম্পে থেকে গিয়েছিলেন। গত কয়েক দিন ধরে ওই অঞ্চলে ভারী তুষারপাত হচ্ছে। এর জেরে শরৎকালীন পর্বতারোহণ অভিযান মাঝপথে বন্ধ রেখে বহু পর্বতারোহীকে ফিরে আসতে হয়েছে। রবিবারের তুষারধসে নিখোঁজ ব্যক্তিরা বিভিন্ন পর্বতারোহণ সংস্থার সঙ্গে যুক্ত বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। নেপালের মানাং জেলায় অবস্থিত হিমলুং হিমালের উচ্চতা ৭ হাজার ১২৬ মিটার। উচ্চ শৃঙ্গ অভিযানের জন্য পর্বতটি বিশেষভাবে পরিচিত। দুর্গম এই অঞ্চলে হেলিকপ্টার নিয়ে পৌঁছতে অতিরিক্ত অনুমতির প্রয়োজন হয়। ফলে নিখোঁজদের সন্ধান ও উদ্ধার অভিযান আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

    তুষারপাত-বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত নেপাল

    বঙ্গোপসাগরের উপর তৈরি হওয়া আবহাওয়া ব্যবস্থার প্রভাবে নেপালের পার্বত্য অঞ্চলে ভারী তুষারপাত এবং পাহাড়ি ও সমতল এলাকায় একটানা বৃষ্টি চলছে। এর জেরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে স্বাভাবিক জনজীবন ব্যাহত হয়েছে।

    শুক্রবার থেকে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে নেপালের একাধিক অঞ্চলে সড়ক যোগাযোগ বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার কারণে কয়েকটি সড়কে যান চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে (Nepal) প্রশাসন।

    গত মাসে রাসুয়ায় ভয়াবহ বন্যার পর নতুন করে এই প্রাকৃতিক বিপর্যয় নেপালের পর্যটন ক্ষেত্রের উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে। ওই বন্যায় ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী একাধিক জনবসতি ভেসে গিয়েছিল।

    এদিকে, অবিরাম বৃষ্টি ও তুষারপাতের (Himlung Himal Avalanche) জেরে নেপালের একাধিক জনপ্রিয় পর্বতারোহণ ও পদযাত্রার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে। মানাসলু ও ধৌলগিরিতে বেশ কয়েকটি বড় পর্বতারোহণ অভিযান বাতিল অথবা সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে (Nepal)।

     

  • Pakistan: ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ নিরাপত্তাকর্মীতে ছয়লাপ

    Pakistan: ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক, অবরুদ্ধ ইসলামাবাদ নিরাপত্তাকর্মীতে ছয়লাপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের (Pakistan) জেলবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে দেশজুড়ে বিক্ষোভের প্রস্তুতি নিচ্ছে তাঁর দল পিটিআই (পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ)। আন্দোলনকারীদের রাজধানীতে প্রবেশ রুখতে ইসলামাবাদজুড়ে কঠোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছে প্রশাসন (Imran Khan)। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। মোতায়েন করা হয়েছে প্রায় ২২ হাজার পুলিশ ও অন্যান্য নিরাপত্তাকর্মী। জনসমাবেশের ওপরও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। ইসলামাবাদে প্রবেশের বিভিন্ন সড়কে এক হাজারেরও বেশি পণ্যবাহী কনটেইনার বসানো হয়েছে। এগুলির অনেকগুলিতে লাগানো হয়েছে ধারালো কাঁটা। সেতুগুলিতে রাখা হয়েছে বালি ভর্তি বস্তা। রাজধানীতে প্রবেশের একটি প্রধান সড়কও বন্ধ করে দিয়েছেন কর্তৃপক্ষ।

    ইসলামাবাদ অভিমুখী অভিযান স্থগিত পিটিআইয়ের (Pakistan)

    ইমরানের মুক্তির দাবিতে প্রথমে ২৭ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদ অভিমুখে অভিযানের কথা ঘোষণা করেছিল পিটিআই। তবে শুক্রবার দলের তরফে জানানো হয়, অভিযান শুরুর তারিখ পিছিয়ে ৪ অক্টোবর করা হয়েছে। দলটির দাবি, এটি সরকারের ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করতে পারে। পাখতুনখাওয়ার মুখ্যমন্ত্রী সোহেল আফ্রিদি জানিয়েছেন, ইমরানের সঙ্গে আচরণ এবং জেলে তাঁর বন্দিদশার পরিবেশ নিয়ে সরকার উল্লেখযোগ্য ছাড় না দিলে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি থেকে সরে আসবে না পিটিআই।

    সরকারের কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার সমালোচনা করে আফ্রিদি বলেন, “সরকার আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। সেই কারণেই তারা ইসলামাবাদ অবরুদ্ধ করে রেখেছে এবং আমাদের মন্ত্রীদের অপহরণ করছে। কিন্তু ইমরান খান দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তাঁর জন্য মানুষ রাস্তায় নামবে।” বিপুলসংখ্যক সমর্থক নিয়ে রাজধানীতে প্রবেশের পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছেন তিনি।আফ্রিদি বলেন, “আমি জানি, আমাদের থামাতে তারা বর্বর শক্তিপ্রয়োগের যে কোনও পর্যায়ে যেতে পারে। এ নিয়ে আমাদের কোনও সন্দেহ নেই। কিন্তু আমাদের সঙ্গে বিপুলসংখ্যক মানুষ থাকলে তারা আমাদের ওপর গুলি চালাতে পারবে না। আমাদের পরিকল্পনা হল, এত বেশি মানুষ নিয়ে আসা, যাতে তারা আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।”

    ইসলামাবাদ-খাইবার পাখতুনখাওয়ায় কঠোর নিরাপত্তা

    পিটিআইয়ের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত খাইবার পাখতুনখাওয়াতেও নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে পাকিস্তান সরকার। পেশোয়ার থেকে ইসলামাবাদে যাওয়ার প্রধান সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রদেশটিতে মোতায়েন করা হয়েছে হাজার হাজার নিরাপত্তাকর্মী (Pakistan)। খাইবার পাখতুনখাওয়ায় সরকারনিযুক্ত গভর্নর ফয়সাল করিম কুন্দি নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদারের সিদ্ধান্তকে প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন। তাঁর অভিযোগ, পিটিআই দেশে অস্থিতিশীলতা ও হিংসা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। কুন্দি বলেন, “কোনও সহিংস গোষ্ঠীকে ইসলামাবাদ অভিমুখে অভিযান চালানোর অনুমতি রাষ্ট্র দিতে পারে না।” এদিকে কঠোর বিধিনিষেধের প্রভাব পড়েছে ইসলামাবাদের স্বাভাবিক জনজীবনেও। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় প্রবেশের পথ বন্ধ থাকায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলিতে পণ্য সরবরাহে সমস্যা দেখা দিয়েছে।

    ইমরানের তিন বোন আটক, গ্রেফতারি পরওয়ানা

    ইসলামাবাদ অভিমুখী কর্মসূচি ঘিরে পিটিআইয়ের নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের বিরুদ্ধে ধরপাকড়ও জোরদার করা হয়েছে। দলের একাধিক নেতাকে আটক করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে জারি হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা।

    এর মধ্যেই লাহোরে আটক করা হয়েছে ইমরান খানের তিন বোন আলিমা খান, উজমা খান ও নওরিন নিয়াজিকে। পাঞ্জাবের জনশৃঙ্খলা রক্ষা আইনের আওতায় তাঁদের ৩০ দিন আটক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পিটিআইয়ের পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচির কয়েক দিন আগেই তাঁদের আটক করা হয়।

    সরকারের দাবি, জননিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতেই এসব পদক্ষেপ করা হয়েছে। এদিকে, এই পদক্ষেপের সমালোচনা করেছে পিটিআই। ইমরানের বোনদের আটকের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে লাহোর হাইকোর্টেও আবেদন করা হয়েছে (Imran Khan)। ২০২৩ সাল থেকে জেলে রয়েছেন ইমরান। যদিও তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি। তাঁর মুক্তির দাবিতে (Pakistan) আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে পিটিআই।

     

     

LinkedIn
Share