Tag: bjp

bjp

  • Lok Sabha Elections 2029: বাংলার ৪২ আসনই মোদিকে ‘উপহার’ দেওয়ার অঙ্গীকার শুভেন্দুর, উন্নয়নে গুজরাটের পথ অনুসরণের বার্তা

    Lok Sabha Elections 2029: বাংলার ৪২ আসনই মোদিকে ‘উপহার’ দেওয়ার অঙ্গীকার শুভেন্দুর, উন্নয়নে গুজরাটের পথ অনুসরণের বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছরের প্রশাসনিক যাত্রা পূর্তির অনুষ্ঠানে গুজরাটের ভাডনগরে দাঁড়িয়ে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে (Lok Sabha Elections 2029) পশ্চিমবঙ্গের ৪২টি আসনই বিজেপির দখলে আনার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মোদির নিজের রাজ্যে দাঁড়িয়ে শুভেন্দুর এই ঘোষণা রাজনৈতিক ভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা। একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি (Suvendu Adhikari) যে পথে গুজরাটের উন্নয়ন করেছিলেন, সেই পথ অনুসরণ করেই বাংলার উন্নয়ন করতে চান তিনি।

    সলতে পাকানোর কাজ শুরু বিজেপির (Lok Sabha Elections 2029)

    ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে বিজেপি। সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের কাছে নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়ানোর চেষ্টা চলছে। বাংলার কোন কোন আসনে বিজেপির জয় তুলনামূলক ভাবে নিশ্চিত এবং কোথায় লড়াই কঠিন হতে পারে, তা নিয়েও দলের সাংগঠনিক স্তরে পর্যালোচনা শুরু হয়েছে।

    এই আবহেই বুধবার শুভেন্দু দাবি করেন, আগামী লোকসভা নির্বাচনে বাংলার ৪২টি আসনেই বিজেপি প্রার্থীদের জেতানোর লক্ষ্যে তাঁরা সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করবেন। ভাডনগরের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “আমি আপনাদের কথা দিচ্ছি, পরবর্তী লোকসভা ভোটে বাংলার সব আসন মোদিজিকে উপহার দেব।”

    মোদির প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে বিজেপির তরফে একাধিক কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মধ্যে দিয়ে মোদির প্রশাসনিক যাত্রা শুরু হয়েছিল। ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর সেই যাত্রার ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। সেই উপলক্ষেই বিজেপির তরফে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। ভাডনগরের অনুষ্ঠানে শুভেন্দু তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোষণের রাজনীতির অভিযোগও তোলেন। তাঁর কথায়, “বাংলায় এতদিন তুষ্টিকরণের রাজনীতি চলছিল। মোদিজি না-থাকলে বাংলাকে বাঁচানো মুশকিল হত। তাই মোদিকে কোটি কোটি প্রণাম। মোদিজি বাংলার সনাতনী এবং রাষ্ট্রবাদী জনতাকে বাঁচিয়ে দিয়েছেন।” এর পরেই মোদির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ২০২৯ সালের ভোটে বাংলার সব আসন বিজেপিকে জেতানোর প্রতিশ্রুতি দেন তিনি।

    ‘গুজরাটের মতো বাংলার উন্নয়ন করতে চাই’

    শুধু লোকসভা নির্বাচনের আসন জয়ের অঙ্গীকার নয়, বাংলার উন্নয়নের ক্ষেত্রেও গুজরাটকে অনুসরণ করার বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। মোদির মুখ্যমন্ত্রিত্বের সময় গুজরাটে যে ধরনের উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, বাংলাতেও সেই ধাঁচে কাজ করার চেষ্টা চলছে বলে দাবি করেন তিনি।

    শুভেন্দুর কথায়, “মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদি গুজরাটে যে রকম কাজ করেছেন, সে রকম কাজ আমি পশ্চিমবঙ্গে করার চেষ্টা করছি (Lok Sabha Elections 2029)।”

    ভাডনগরে পৌঁছে নিজের অনুভূতির কথাও জানান তিনি। শুভেন্দু বলেন, “ভাডনগরের হেলিপ্যাডে নেমে প্রথমে এই মাটিকে প্রণাম করেছি। কপালে সেই মাটি ঠেকিয়েছি।”

    মোদি ২০১৪ সালে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আগে দীর্ঘ সময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটের উন্নয়নকে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরে দলের অন্যতম প্রধান সাফল্য হিসেবে তুলে ধরে আসছে। সেই উন্নয়নধারাকেই বাংলায় অনুসরণ করার কথা এ দিন স্পষ্ট করেন শুভেন্দু।

    ‘বিরোধীশূন্য বাংলা’র ডাক ঘিরে বিরোধীদের আক্রমণ

    তবে ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে বাংলাকে কার্যত বিরোধীশূন্য করার যে বার্তা শুভেন্দু দিয়েছেন, তা নিয়ে পাল্টা আক্রমণ শুরু করেছেন বিরোধীরা।

    সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম বলেন, “মাত্র দু’টি বিধানসভার উপনির্বাচনে আমরা দেখলাম, পুলিশকে দিয়ে পোলিং এজেন্ট, ভোটারদের উপরে অত্যাচার করা হয়েছে। বিরোধী-শূন্য করার জন্য শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে আগে যেভাবে পঞ্চায়েত দখল করতেন, এখন বিজেপির ঝান্ডা নিয়ে তা আরও চরমে পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন।”

    তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের দাবি, “বাংলার সব লোকসভা আসনে জেতার আশ্বাস তিনি জ্ঞানেশ কুমারের ভরসায় দিয়েছেন। কিন্তু জল অতদূর গড়াবে না। কেন্দ্রে বিজেপির সরকার হবে না। রাজ্যেও ওদের আসন কমবে।”

    কলকাতা থেকে ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’র সূচনা

    এর আগে বুধবার সকালে কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’র সূচনা করেন শুভেন্দু। সেখানে মোদির কাজের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “উনি নিজেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন না। বলেন প্রধান সেবক। শুধু বলেন না, সেভাবেই নিজের কাজ করেন। আমাদের কাছে এক বড় অনুপ্রেরণা মোদিজি।”

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও এ দিন কোচবিহারে ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’য় অংশ নেন। তিনি বলেন, “মোদিজির দীর্ঘ সেবাময় জীবনের এই অধ্যায় থেকে আমাদের শিক্ষা একটাই— সংগঠন তখনই শক্তিশালী হয়, যখন কর্মীরা মানুষের সুখ-দুঃখের সঙ্গী হন। তাই আগামী দিনের পথেও আমাদের লক্ষ্য থাকবে মানুষের পাশে থাকা, সমাজের জন্য কাজ করা এবং দেশের উন্নয়নের যাত্রায় নিজেদের ভূমিকা পালন (Suvendu Adhikari) করা।”

    ২০২৯-এর লোকসভা নির্বাচন এখনও বছর তিনেক দূরে। তার আগেই বাংলার ৪২টি আসন জয়ের লক্ষ্য ঘোষণা করে বিজেপির রাজনৈতিক লড়াইয়ের রূপরেখা স্পষ্ট করে দিলেন শুভেন্দু। এখন দেখার, এই ‘৪২-এ ৪২’ লক্ষ্যকে সামনে রেখে (Lok Sabha Elections 2029) আগামী দিনে রাজ্যের রাজনীতিতে বিজেপি কী কৌশল নেয়।

     

  • Mohan Bhagwat: তিনদিনের সফরে বর্ধমানে মোহন ভাগবত, শাখা বিস্তার- সাংগঠনিক পরিবর্তন নিয়ে বৈঠক

    Mohan Bhagwat: তিনদিনের সফরে বর্ধমানে মোহন ভাগবত, শাখা বিস্তার- সাংগঠনিক পরিবর্তন নিয়ে বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যে আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিন দিনের সফরে বর্ধমানে থাকবেন তিনি। সফর ঘিরে একাধিক কর্মসূচি থাকলেও, মূলত সাংগঠনিক বিষয় নিয়েই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করার কথা সংঘপ্রধানের। উত্তরবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের স্বয়ংসেবকদের পাশাপাশি পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান বিভাগের (Burdwan) ক্ষেত্রপ্রমুখদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন তিনি।

    বর্ধমানে ভাগবত (Mohan Bhagwat)

    জানা গিয়েছে, ট্রেনে সরাসরি বর্ধমান স্টেশনে পৌঁছবেন ভাগবত। সেখান থেকে বর্ধমান শহরের উল্লাসে সংঘের কার্যালয়ে যাবেন তিনি। সেখানে মূলত দু’টি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হওয়ার কথা। রাজ্যে, বিশেষ করে পূর্ব বর্ধমান জেলা-সহ বিভিন্ন এলাকায় এখনও পর্যন্ত কতগুলি শাখা বৃদ্ধি পেয়েছে, সেই সংক্রান্ত সাংগঠনিক তথ্য নেবেন সংঘপ্রধান। পাশাপাশি আগামী এক বছরের কর্মসূচি নিয়েও প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

    বর্ধমান শহরের উল্লাসে সংঘের কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার পর বর্ধমান মডেল স্কুলেও যাবেন ভাগবত। সেখানে সংঘের কর্মীদের একটি কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি। সন্ধ্যায় ফের বর্ধমানে সংঘের কর্মীদের স্থানীয়ভাবে আয়োজিত একটি কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

    পরদিন, শুক্রবার সকালে সংগঠনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন ভাগবত। এরপর তিনি যাবেন সংঘের নতুন কার্যালয়ে। দিনভর সেখানে বিভিন্ন সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে একাধিক বৈঠক হওয়ার কথা। তাঁর সঙ্গে বর্ধমানে থাকার কথা সংঘের সাধারণ সম্পাদক দত্তাত্রেয় হোসাবলেরও।

    সংঘ সূত্রে খবর, সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামোয় বেশ কিছু পরিবর্তন আসতে চলেছে। বর্ধমান সফরে সেই বিষয়গুলিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে। বৈঠক শেষে বর্ধমান বিভাগের সংঘকর্মীদের সঙ্গে আলাদা করে দেখা করার কথা রয়েছে ভাগবতের।

    সংঘ কর্তার ঠাসা কর্মসূচি

    এই সফরে মধ্যবঙ্গের বিভিন্ন এলাকার কর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করবেন সংঘপ্রধান। দুই বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, হুগলি, নদিয়া এবং মুর্শিদাবাদের একাংশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মীদের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হওয়ার কথা। দেওয়ানদিঘির একটি স্কুলের হলঘরেও প্রায় ১২০০ প্রতিনিধির সঙ্গে তাঁর বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে। পরে উল্লাসে সংঘের কার্যালয়ে যাবেন তিনি। সেখানে বিভিন্ন রাজ্যের সংঘের শীর্ষ পদাধিকারীরাও উপস্থিত থাকবেন।

    সংঘ সূত্রের দাবি, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর রাজ্যের বহু শাখা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। পরবর্তী সময়ে সেই শাখাগুলির বেশ কিছু ফের চালু হয়েছে। আগামী দিনে আরও বেশি সংখ্যায় শাখা খোলার পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে। সেই সাংগঠনিক বিস্তার নিয়েও ভাগবতের সফরে আলোচনা হতে পারে (Mohan Bhagwat)।

    বিধানসভা নির্বাচনের আগে বর্ধমানে এসে ভাগবত বলেছিলেন, “আরএসএসের দরজা সবার জন্য খোলা রয়েছে। যে কেউ প্রবেশ করতে পারেন।” সেই সফরে টানা কয়েক দিন বর্ধমানে ছিলেন সংঘপ্রধান।

    রাজ্যে সংঘের ভূমিকার দিক নির্দেশ

    সংঘের এক নেতার দাবি, রাজ্যে বিজেপির ক্ষমতায় আসার পিছনে সংগঠনের কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। প্রত্যন্ত গ্রামে গিয়ে তাঁরা কাজ করেছেন। কিন্তু সরকার গঠনের পর স্থানীয় স্তরে সংঘের কর্মীরা আগের মতো গুরুত্ব পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ উঠেছে। এমনকী তাঁদের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে দাবি ওই নেতার। আগামী দিনে রাজ্যে সংঘের ভূমিকা কী হবে, তা নিয়েও ভাগবতের সঙ্গে কর্মীদের আলোচনা হতে পারে। কর্মীদের বক্তব্য সরাসরি শোনার জন্যও সময় নির্ধারণ করা হয়েছে বলে আরএসএস সূত্রে খবর(Mohan Bhagwat)।

    আর এক সংঘনেতার বক্তব্য, বিধানসভা নির্বাচনের পর বিভিন্ন জেলায় একাধিক সমস্যা তৈরি হয়েছে। তোলাবাজি বা জরিমানা আদায়ের মতো ঘটনায় বিজেপি নেতাদের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আগামী দিনে সংগঠন বিস্তারের ক্ষেত্রে পুরনো কর্মীদের আরও বেশি গুরুত্ব দেওয়ার বিষয়টিও আলোচনায় উঠতে পারে।

    বিজেপির জয়ে সংঘ প্রধানের অবদান

    তবে ভাগবতের এবারের সফরের সমস্ত কর্মসূচিই অভ্যন্তরীণভাবে আয়োজন করা হচ্ছে। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বর্ধমানে এসে সংঘপ্রধান প্রকাশ্যে সভা করেছিলেন এবং টানা কয়েক দিন সেখানে (Burdwan) ছিলেন। সেই সফরের পর বিজেপি বর্ধমান-সহ মধ্যবঙ্গে উল্লেখযোগ্য ফল করেছিল বলে মনে করে সংঘ ও বিজেপির একাংশ। এবার আগামী লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতেও এই সফর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে (Mohan Bhagwat) বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের একাংশের।

     

  • CM Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির বড় জয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু, তীব্র কটাক্ষ সেলিমকে

    CM Suvendu Adhikari: নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে বিজেপির বড় জয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু, তীব্র কটাক্ষ সেলিমকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের দুই হাইভোল্টেজ বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে বিজেপির বিপুল জয় নিয়ে একশো শতাংশ আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে কলকাতায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি দাবি করেন, দুই কেন্দ্রেই বিরোধী হিসেবে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বামেদের কার্যত কোনও অস্তিত্ব নেই (CM Suvendu Adhikari)। রেজিনগরে পরিযায়ী শ্রমিকদের একটি বড় অংশ (Nandigram Rejinagar By-Polls) এবার ভোট দিতে না আসায় গত বিধানসভা নির্বাচনের তুলনায় ভোটদানের হার প্রায় ১৩ শতাংশ কমেছে বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর দাবি, তা সত্ত্বেও ওই কেন্দ্রে ৭৯ থেকে ৮০ শতাংশ ভোট পড়েছে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু মহিলা ও যুব সম্প্রদায়ের ভোট বিজেপির পক্ষে গিয়েছে বলেই দাবি তাঁর। শুভেন্দুর কথায়, “নন্দীগ্রাম তো ২০২১ সাল থেকেই বিজেপির সঙ্গে আছে। রেজিনগরে তৃণমূল বা বামেদের কোনও অস্তিত্ব ছিল না। সিপিএম পঞ্চম বা ষষ্ঠ স্থানে নোটার নীচেও থাকতে পারে।”

    সংখ্যালঘু ভোটে উন্নয়ন প্রকল্পের প্রভাব (CM Suvendu Adhikari)

    সংখ্যালঘু ভোট নিজেদের দিকে টানার ক্ষেত্রে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। তাঁর বক্তব্য, বয়স্ক সংখ্যালঘু ভোটারদের একটি অংশ কংগ্রেস অথবা হুমায়ুন কবীরের ছেলেকে ভোট দিয়ে থাকতে পারেন। কিন্তু সংখ্যালঘু মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে সমর্থন করেছেন বলে দাবি তাঁর। বিরোধীদের দাবি খারিজ করে দিয়ে শুভেন্দু বলেন, অন্নপূর্ণা বা আবাস যোজনার মতো সরকারি প্রকল্পে কোনও ধর্মীয় ভেদাভেদ করা হয়নি। তাঁর দাবি, “এক কোটি ৫৮ লাখ অন্নপূর্ণা প্রাপকের মধ্যে ২৪ লাখ মুসলিম মহিলা রয়েছেন। আমার বিশ্বাস ৯০ শতাংশ মুসলিম মহিলা বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন।”

    আবাস যোজনার ১৭ হাজার বাড়ির তালিকাতেও ১০ হাজারের বেশি সংখ্যালঘু পরিবার এবং ৬-৭ হাজার সনাতনী পরিবার রয়েছে বলে দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের প্রভাবেই রেজিনগরে বিজেপি প্রার্থী এক লাখ ২০ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হবেন। নন্দীগ্রামেও গতবারের তুলনায় পাঁচ-ছ’গুণ বেশি ব্যবধানে বিজেপি জিতবে বলে আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করেন (CM Suvendu Adhikari) শুভেন্দু।

    সেলিমকে নিশানা শুভেন্দুর

    বামেদের ভোটপ্রাপ্তি এবং সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের ভোটে কারচুপির অভিযোগ নিয়েও তীব্র কটাক্ষ করেন শুভেন্দু। সেলিমের রাজনৈতিক পরাজয়ের প্রসঙ্গ তুলে তাঁর দাবি, ২০১৯ সালে রায়গঞ্জ, ২০২১ সালে চণ্ডীতলা এবং ২০২৪ সালে মুর্শিদাবাদে পরাজিত হয়েছেন সেলিম।

    শুভেন্দু বলেন, “যেখানে মুসলমান ভোট বেশি আছে, বেছে বেছে সেখানে গিয়ে দাঁড়াতে হয়। অথচ মুখে বলেন ধর্মনিরপেক্ষ পার্টি!”

    সেলিমকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে তিনি আরও বলেন, “আমি ওঁকে বলব কলকাতা কর্পোরেশনের নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে লড়তে। যদি জমানত রাখতে পারেন, তাহলে বুঝব উনি একটা বিরাট মাপের নেতা হয়েছেন।”

    তৃণমূলের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের বার্তা

    অন্যদিকে, আইনি লড়াই নিয়েও কড়া বার্তা দিয়েছেন শুভেন্দু। তৃণমূলের তথ্যপ্রযুক্তি শাখার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়ে তাঁর দাবি, মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক এবং মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টার নামে মিথ্যা অভিযোগ তোলার ঘটনায় নির্দিষ্টভাবে মানহানি ও অপরাধমূলক মামলা করা হয়েছে।

    আসন্ন পুরসভা নির্বাচন নিয়েও রাজ্য প্রশাসনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ফেব্রুয়ারি মাসে (Nandigram Rejinagar By-Polls) মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হওয়ার আগেই রাজ্যের সব পুরসভায় নির্বাচন সম্পন্ন করার সময়সীমা তৈরি হচ্ছে।

    ভোটযন্ত্রের ঘাটতি বা নির্বাচন সংক্রান্ত অন্যান্য বিষয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য, নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণ স্বাধীন। রাজ্য সরকার শুধুমাত্র পরিকাঠামোগত সহায়তা (CM Suvendu Adhikari) করে। নির্বাচন পরিচালনায় মুখ্যমন্ত্রী বা মন্ত্রীদের কোনও ভূমিকা থাকে না বলেও স্পষ্ট করে দেন তিনি।

     

  • PM Modi: ২০৪৭-এর মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার সংকল্প, ২৫ বছরের প্রশাসনিক যাত্রায় মোদি বললেন, “আমরা করবই”

    PM Modi: ২০৪৭-এর মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার সংকল্প, ২৫ বছরের প্রশাসনিক যাত্রায় মোদি বললেন, “আমরা করবই”

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০৪৭ সালের মধ্যে ‘বিকশিত ভারত’ গড়ার লক্ষ্যে তাঁর অঙ্গীকার ফের স্পষ্ট করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বুধবার প্রশাসনের প্রধান হিসেবে তাঁর টানা ২৫ বছরের যাত্রা স্মরণ করে তিনি বলেন, “আমরা অবশ্যই তা অর্জন করব। আমরা করবই, আমরা করবই, আমরা করবই।” জাতীয় রাজধানীর ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত ‘সেবা জ্যোতি’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক জীবনের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মোদি। তিনি বলেন, “আজ যখন পিছন ফিরে তাকাই, তখন শুধু কৃতজ্ঞতার অনুভূতিই জাগে। প্রত্যেক ব্যক্তি এবং প্রত্যেক ঘটনা (Viksit Bharat) আমাকে কিছু না কিছু শিখিয়েছে। আমি তাঁদের প্রত্যেকের কাছে কৃতজ্ঞ।”

    অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষার কথা (PM Modi)

    নিজের অভিজ্ঞতা থেকে পাওয়া শিক্ষার কথাও তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “যে আমাকে জয় এনে দিয়েছে, সে আমাকে বিনয়ী হতে শিখিয়েছে; যে আমাকে ফেলে দিয়েছে, সে আবার উঠে দাঁড়াতে শিখিয়েছে। শুভাকাঙ্ক্ষীরা আমাকে উৎসাহ দিয়েছেন, আর সমালোচকরা নিজের ভিতরে আরও গভীরভাবে তাকাতে শিখিয়েছেন। যাঁরা আমাকে সমর্থন করেছেন, তাঁরা বিশ্বাসের শক্তি দেখিয়েছেন, আর যাঁরা বিরোধিতা করেছেন, তাঁরা গণতন্ত্রের শক্তি বুঝতে সাহায্য করেছেন।”

    নিজেকে কখনও একা মনে হয়নি বলেও জানান মোদি। তিনি বলেন, “আমি কখনও অনুভব করিনি যে আমি একা। অসংখ্য স্বয়ংসেবক রয়েছেন, যাঁরা ভারতের সাংস্কৃতিক আত্মার রক্ষক। তাঁদের একমাত্র উদ্দেশ্য ভারতসেবা। তাঁরা এই চেতনা নিয়েই বাঁচেন এবং প্রতি মুহূর্তে নিজেদের মনে করিয়ে দেন—‘আমরা সেবক। আমরা মানবতার সেবক।’” দেশের প্রতি নিষ্ঠা ও কর্তব্যে অবিচল থাকা প্রত্যেক স্বয়ংসেবক ও কর্মীকে শ্রদ্ধা জানান প্রধানমন্ত্রী।

    ভূমিকম্প, চন্দ্রযান থেকে করোনা—অভিজ্ঞতাই দিয়েছে শিক্ষা

    নিজের রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার উল্লেখ করে মোদি জানান, ২০০১ সালের ভুজ ভূমিকম্প তাঁকে পুনর্গঠনের কাজে দৃঢ় থাকার শিক্ষা দিয়েছে। চন্দ্রযান অভিযান তাঁকে ব্যর্থতা থেকে উঠে দাঁড়াতে শিখিয়েছে। করোনা মহামারি তাঁকে দেশের সম্মিলিত চেতনার গুরুত্ব উপলব্ধি করিয়েছে। সুখ-দুঃখ মেশানো অভিজ্ঞতার মধ্যেও এগিয়ে যেতে তাঁকে অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে সংবাদমাধ্যম।

    ভারতের দীর্ঘ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকেও নিজের শক্তির উৎস হিসেবে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কথায়, “বেদ থেকে বিবেকানন্দ পর্যন্ত যে দেশ মহান চিন্তাকে ধারাবাহিকভাবে ধারণ করেছে, যে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হাজার হাজার বছর ধরে বিস্তৃত, যে দেশ মানবতার প্রতি মানুষের আস্থা পুনরুদ্ধার করেছে—এমন একটি দেশের সেবা করার সময় আমি কখনও নিজেকে (Viksit Bharat) একা মনে করিনি।”

    তিনি বলেন, ৭ অক্টোবরের দিনটি শুধু অতীতের স্মৃতিচারণের দিন নয়, ভবিষ্যতের জন্য নতুন করে সংকল্প নেওয়ার দিনও। তাঁর কথায়, “এই দিন সেই প্রতিশ্রুতি আবারও স্মরণ করার দিন। এই দিন সেই সংকল্প প্রকাশ করার দিন, যা বলে—‘আমরা অবশ্যই তা অর্জন করব।’ আমরা অর্জন করব, আমরা করবই (PM Modi), আমরা করবই, আমরা করবই।”

    পুষ্পবৃষ্টিতে মোদিকে স্বাগত

    ‘সেবা সংকল্প অভিযানে’র অংশ হিসেবে বিজেপি আয়োজিত ‘বিকশিত ভারত সংকল্প সভা’য় যোগ দিতে পৌঁছনোর সময় মোদিকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান দলের কর্মী-সমর্থকেরা। ফুল ছিটিয়ে, বিজেপির পতাকা হাতে এবং ‘ভারত মাতা কি জয়’, ‘স্বাগত হ্যায়, ভাই স্বাগত হ্যায়; মোদি জি কা স্বাগত হ্যায়’ স্লোগান দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানো হয়। মোদির আগমনের মুহূর্ত ক্যামেরাবন্দি করতে বহু মানুষকে মোবাইল ফোন বের করতেও দেখা যায়।

    সভায় বিজেপির জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন প্রধানমন্ত্রীকে প্রশাসনের প্রধান হিসেবে ২৫ বছর পূর্ণ করার জন্য অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, “মানুষ আপনাকে আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন, যাতে আপনি আগের মতোই একই নিষ্ঠার সঙ্গে দেশসেবা চালিয়ে যেতে পারেন।”

    তিনি আরও বলেন, “আমরা আপনাকে ধারাবাহিকভাবে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি এবং সাফল্য কামনা করছি, যাতে আপনি বিকশিত ভারতের সংকল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারেন।”

    নিতিন নবীনের দাবি, গত ২৫ বছর ধরে মোদি নিজের জীবনকে প্রদীপের মতো জ্বালিয়ে ১৪০ কোটি ভারতীয়ের জীবনে উন্নয়ন, আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছেন। তিনি বলেন, “আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে আপনার দীর্ঘ ও সফল জনজীবনের জন্য আমি কৃতজ্ঞতা এবং শুভেচ্ছা জানাই।”

    সংগ্রাম থেকে প্রশাসনের শীর্ষে

    বিজেপির জাতীয় সভাপতি বলেন, “আজ সমস্ত ভারতীয় এবং বিজেপির সমস্ত কর্মীর কাছে একটি অবিস্মরণীয় দিন। আজ এমন এক ব্যক্তিত্বের ২৫ বছরের যাত্রার সাক্ষী থাকার দিন, যাঁর পথচলা সংগ্রামের মধ্যে শুরু হয়েছিল (PM Modi) এবং যিনি প্রতিটি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে এগিয়ে গিয়েছেন।”

    নবীনের বক্তব্য, তপস্যা, নিষ্ঠা (Viksit Bharat) ও সংকল্পের মাধ্যমে মোদি জনসেবাকেই জীবনের লক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করেছেন। তাঁর কথায়, “তাঁর কাছে জনসেবা হয়ে উঠেছিল দেশসেবার পথ। সেই সংকল্প নিয়ে রাজনীতি ও ক্ষমতাকে সেবার মাধ্যম করে তিনি দেশসেবার পথে এগিয়ে গিয়েছেন।”

    প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের বক্তব্যের উল্লেখ করে নবীন দাবি করেন, লোকসভা নির্বাচনের আগে দেশের সামনে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হওয়া ভারতের ইতিহাসে মোদিই প্রথম ব্যক্তি, এবং পরে জনগণ বিজেপিকে বিপুল জনাদেশ দিয়ে তাঁকে নেতা হিসেবে গ্রহণ করে (PM Modi)।

    ২০০১-এ গুজরাট, ২০১৪-তে দিল্লি

    নরেন্দ্র মোদি ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার শপথ নেন। সেই সময় গুজরাট ভয়াবহ ভুজ ভূমিকম্পের ধাক্কা সামলাচ্ছিল। পাশাপাশি রাজ্যটি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও ছিল।

    ২০১৪ সাল পর্যন্ত গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর জাতীয় রাজনীতিতে আসেন মোদি। তারপর তিন দফায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২৬ সালের ৭ অক্টোবর প্রশাসনের প্রধান হিসেবে তাঁর টানা ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে বলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক প্রস্তাবেও উল্লেখ করা হয়েছে (Viksit Bharat)। তাঁর প্রধানমন্ত্রিত্বের সময়ে ভারতের আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক পরিসরও সম্প্রসারিত হয়েছে। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি গ্লোবাল সাউথে ভারতের ভূমিকা আরও দৃশ্যমান করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছে তাঁর (PM Modi) সরকার।

     

  • PM Modi: বুধে বাংলায় ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’, ২৩ জেলা সদরে বিশেষ আয়োজন বিজেপির

    PM Modi: বুধে বাংলায় ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’, ২৩ জেলা সদরে বিশেষ আয়োজন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনিক জীবনের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে দেশজুড়ে ‘সেবা সংকল্প অভিযানে’র সমাপ্তি কর্মসূচি হিসেবে ৭ অক্টোবর, বুধবার ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’র আয়োজন করবে বিজেপি (PM Modi)। সারা দেশের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলার সদর দফতরেও এই কর্মসূচি পালিত হবে। সোমবার সাংবাদিক বৈঠকে কর্মসূচির বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা জানান (Seva Jyoti Yatra) রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

    ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’ (PM Modi)

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদির সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছরের কার্যকাল পূর্ণ হওয়ার দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতেই এই কর্মসূচির আয়োজন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন থেকে শুরু হয়েছিল ‘সেবা সংকল্প অভিযান’। ৭ অক্টোবর তার সমাপ্তি হবে ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’র মাধ্যমে। শমীক বলেন, “সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এটি একটি বিরল দৃষ্টান্ত। ৭ অক্টোবর সারা দেশে ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’ অনুষ্ঠিত হবে। পশ্চিমবঙ্গের ২৩টি জেলার সদর দফতরে বিজেপি কর্মীদের উপস্থিতিতে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।”

    তিনি জানান, বিভিন্ন জেলা সদরে বড় পর্দায় সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বক্তব্য সম্প্রচার করা হবে। তাঁদের বক্তব্যের পর শুরু হবে ‘সেবা জ্যোতি যাত্রা’। মশাল হাতে পদযাত্রায় অংশ নেবেন বিজেপি কর্মীরা।

    ২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছিলেন নরেন্দ্র মোদি। টানা প্রায় ১৩ বছর ওই পদে থাকার পর ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবে সামনে রেখে ভোটে লড়ে বিজেপি। ওই নির্বাচনে প্রথম বার লোকসভায় নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায় পদ্মশিবির। এরপর টানা ১২ বছর দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নরেন্দ্র মোদি। ৭ অক্টোবর সরকারের প্রধান হিসেবে তাঁর টানা ২৫ বছরের কার্যকাল পূর্ণ হবে।

    বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন

    শমীক জানান, কলকাতার ভারতীয় জাদুঘরেও একটি বিশেষ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হবে। সেখানে গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নরেন্দ্র মোদির প্রশাসনিক সাফল্য, গুজরাটের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন, সেচব্যবস্থা, প্রান্তিক মানুষের কল্যাণ এবং পরবর্তী সময়ে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তাঁর ২৫ বছরের জনসেবার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হবে (PM Modi)।

    একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে নতুন সরকারের প্রথম ১০০ থেকে ১৪০ দিনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ও সাফল্যও প্রদর্শনীর মাধ্যমে তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি।

    রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বের দাবি, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে রাজনীতির প্রচলিত ধারণায় পরিবর্তন এসেছে এবং উন্নয়নকে রাজনীতির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। শমীক বলেন, “আজকের ধর্ম গণতন্ত্র এবং আজকের রাজনীতি উন্নয়ন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাজনীতির গতানুগতিক পরিভাষা বদলে উন্নয়নকে রাজনীতির মূল লক্ষ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠিত (Seva Jyoti Yatra) করেছেন।”

    তাঁর কথায়, “আজকের তরুণ প্রজন্ম আধুনিক জীবনযাত্রা, আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা, গণতান্ত্রিক পরিবেশ, অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ চায়। প্রধানমন্ত্রী সেই প্রত্যাশাকেই বাস্তবায়নের পথে এগিয়ে নিয়ে চলেছেন (PM Modi)।”

     

  • Suvendu Adhikari: টোটোয় চেপে বুথে শুভেন্দু, নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে জয় নিয়ে ‘শতভাগ’ আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী

    Suvendu Adhikari: টোটোয় চেপে বুথে শুভেন্দু, নন্দীগ্রামে ভোট দিয়ে জয় নিয়ে ‘শতভাগ’ আত্মবিশ্বাসী মুখ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইভোল্টেজ উপনির্বাচনে (By-Poll) উত্তেজনার কেন্দ্রবিন্দু নন্দীগ্রাম বিধানসভা। সেই নন্দীগ্রামেই মঙ্গলবার ভোটাধিকার প্রয়োগ করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তবে এদিন তাঁর বুথে পৌঁছনোর ধরন ছিল একেবারেই অন্যরকম। প্রচলিত প্রোটোকল ও কনভয় দূরে সরিয়ে সাধারণ মানুষের মতোই টোটোয় চেপে ৭৯ নম্বর বুথে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে এভাবে বুথে আসতে দেখে স্থানীয় ভোটার, কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। এদিন সকালে কনভয় থেকে নেমে টোটোয় চেপে সরাসরি বুথ চত্বরে পৌঁছন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী হাসিরানি রথ। বুথে ঢোকার আগে এবং ভোটদান পর্ব শেষ হওয়ার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে দেখা যায় তাঁকে। নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে ভোট দিয়ে স্থানীয় মন্দিরে গিয়ে পুজো দেন মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘আইন সকলের জন্যই সমান’ (Suvendu Adhikari)

    ভোট দিয়ে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নন্দীগ্রামের পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা এবং নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে বার্তা দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “নন্দীগ্রামে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ৫০ শতাংশের বেশি ভোটার ভোট দিয়ে দিয়েছেন। আমার বিশ্বাস, শেষ পর্যন্ত প্রায় ৮৫ শতাংশ ভোট পড়বে।” এদিন সকালে আইনভঙ্গের অভিযোগে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের গ্রেফতারির প্রসঙ্গও ওঠে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আইন সকলের জন্যই সমান। আইন ভাঙলে নির্বাচন কমিশন বা প্রশাসন পদক্ষেপ করবেই।”

    ‘শতভাগ’ আত্মবিশ্বাসী

    নন্দীগ্রামের মানুষের উপর তাঁর পূর্ণ আস্থার কথাও জানান শুভেন্দু। তিনি জানান, আজীবন নন্দীগ্রামের ভোটার হয়েই থাকতে চান। নন্দীগ্রামে জয় নিয়ে তিনি ‘শতভাগ’ আত্মবিশ্বাসী বলেও দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, রাজ্যে বর্তমানে যে উন্নয়নের গতি চলছে, মানুষ ভোটবাক্সে তারই প্রতি সমর্থন জানাচ্ছেন (Suvendu Adhikari)।

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম থেকে জয়ের পর শুভেন্দু ভবানীপুর আসনটি ধরে রেখে নন্দীগ্রাম আসনটি ছেড়ে দেন। সেই কারণেই এই উপনির্বাচন। বিজেপি এখানে হাসিরানি রথকে প্রার্থী করেছে। ফলে নন্দীগ্রামের লড়াইকে শুভেন্দুর রাজনৈতিক প্রভাব ও গ্রহণযোগ্যতারও পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এদিকে ভোটের দিন সকাল থেকেই নন্দীগ্রামে বিভিন্ন অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে (By-Poll)। বিরোধীদের তরফে অনিয়ম ও এজেন্টদের বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠলেও, বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন (Suvendu Adhikari)।

     

  • Paschim Banga: সব ভাষাতেই এক নাম! রাজ্যের ইতিহাস ও আবেগের মিশ্রণে নাম হবে একটাই – ‘পশ্চিমবঙ্গ’, জানালেন শমীক

    Paschim Banga: সব ভাষাতেই এক নাম! রাজ্যের ইতিহাস ও আবেগের মিশ্রণে নাম হবে একটাই – ‘পশ্চিমবঙ্গ’, জানালেন শমীক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের নাম বদলে ‘বাংলা’ করতে চেয়েছিল তৃণমূল সরকার। বিলও পাস করিয়েছিল বিধানসভায়। কিন্তু কেন্দ্রের অনুমোদন মেলেনি। তৃণমূলের চাওয়ায় যে তাদের আপত্তি আছে, ক্ষমতায় আসার আগে জানিয়ে দিয়েছিল বিজেপি (BJP)। তারা রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ (Paschim Banga) রাখার পক্ষপাতী। বাংলাতে তো বটেই, ইংরেজিতেও। বিধানসভার পরের অধিবেশনেই এই মর্মে বিল (West Bengal Assembly Bill) আসতে চলেছে, সোমবার জানিয়ে দিলেন দলের রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠক থেকে দলের রাজ্যসভার সাংসদ শমীক স্পষ্ট ভাষায় জানান, “এখন থেকে আর কোনও ওয়েস্ট বেঙ্গল, কোনও বাংলা বা কোনও পশ্চিম বাংলা নয় (West Bengal Name Change)। এবার থেকে সব ভাষাতেই কেবল ‘পশ্চিমবঙ্গ’ নাম হবে।”

    ইংরেজিতেও ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’-এর পরিবর্তে ‘পশ্চিমবঙ্গ’

    সোমবারের সাংবাদিক বৈঠকে শমীক ভট্টাচার্য জানান, ইংরেজিতেও ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল’-এর পরিবর্তে ‘পশ্চিমবঙ্গ’ই লেখা হবে। সম্প্রতি কেরল রাজ্যের নাম বদলে ‘কেরলম’ করার বিল যখন রাজ্যসভায় আলোচনার জন্য আসে, তখনও শমীক সংসদের কক্ষে দাঁড়িয়ে সব ভাষাতেই রাজ্যের নাম ‘পশ্চিমবঙ্গ’ রাখার দাবি তুলেছিলেন। প্রশাসনিক বিভিন্ন কাজ থেকে শুরু করে ইংরেজি নথিপত্র- সর্বত্রই লেখা হবে একই নাম।

    নামের পেছনে ইতিহাস ও আবেগ

    রাজ্যের নাম ‘পশ্চিমবঙ্গ’ রাখার পেছনে ঐতিহাসিক তাৎপর্য এবং শহীদদের ত্যাগের কথা মনে করিয়ে দেন শমীক ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, “আমরা যারা পশ্চিমবঙ্গ থেকে আসছি, তাদের নির্দিষ্ট একটা ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক অতীত রয়েছে। ওয়েস্ট বেঙ্গলের বদলে শুধু ‘বাংলা’ করলে সেদিন দেশভাগের সময়ে যারা প্রাণ দিয়েছিলেন, যারা রক্তস্নান করেছিলেন, তাঁদের সেই অপরিসীম অবদান বিস্মৃত হয়ে যাব। পশ্চিমবঙ্গের জন্মের ইতিহাসের সঙ্গে এই নামের অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক রয়েছে। তাই এই ঐতিহ্যবাহী নামই যাতে স্থায়ী হয়, তার জন্যই আসন্ন বিধানসভা অধিবেশনে বিল আনা হচ্ছে।” আইনি নিয়ম অনুযায়ী যেকোনও রাজ্যের নাম পরিবর্তন করতে হলে প্রথমে সংশ্লিষ্ট রাজ্য বিধানসভায় প্রস্তাব পাস করাতে হয়, সেই প্রক্রিয়াই শুরু করতে চলেছে দল।

    নাম বদলে প্রশাসনিক জটিলতা

    প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক প্রয়োজনে রাজ্যের নাম পরিবর্তনের চিন্তাভাবনা নতুন নয়। দিল্লির কেন্দ্রীয় সরকারি বৈঠকে ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে (Alphabetical Order) রাজ্যগুলোর নাম ডাকা হয়। ফলে ‘West Bengal’-এর ডাক আসে একেবারে শেষের দিকে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর শেষ বক্তা হিসেবে বলতে গিয়ে নির্ধারিত সময় অনেকটাই কমে যায়। তাই বাম জমানাতেই ১৯৯৯ সালের ২০ জুলাই বিধানসভায় প্রথম প্রস্তাব আসে সব ভাষাতে রাজ্যের নাম ‘পশ্চিমবঙ্গ’ করার। তবে আলোচনার পর সর্বসম্মতিক্রমে ‘বাংলা’ নামটিকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছিল, যদিও পরবর্তীতে সেই প্রক্রিয়া থমকে যায়।

    তিনটি ভাষায় তিনটি নাম

    ২০১৬ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বিতীয় মেয়াদে সরকারে আসার পর বিষয়টি নিয়ে ফের তৎপরতা বাড়ে। সেবছর ২ অগস্ট রাজ্য মন্ত্রিসভায় পাস হওয়া প্রস্তাবে বাংলা ভাষায় ‘বাংলা’, ইংরেজিতে ‘বেঙ্গল’ এবং হিন্দিতে ‘বঙ্গাল’ – এই তিনটি নাম রাখার কথা বলা হয়। কিন্তু বামেদের আপত্তি এবং পরবর্তীতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে সেই চেষ্টা বাতিল হয়। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সাফ জানিয়ে দেয়, তিনটি নয়, রাজ্যের নাম হতে হবে একটিই। এরপর ২০১৮ সালের ২৬ জুলাই বিধানসভায় নতুন করে প্রস্তাব পাস করিয়ে কেবল ‘বাংলা’ নামটি চূড়ান্ত করে কেন্দ্রকে পাঠানো হয়। প্রতিবেশী বাংলাদেশের সঙ্গে সাযুজ্যের কারণে এই নামে অনেকে আপত্তি জানালেও বিধানসভায় এ বার সর্বসম্মতিতেই গৃহীত হয় প্রস্তাব। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিংকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দ্রুত নিষ্পত্তির অনুরোধ করলেও বিষয়টি এগোয়নি।

    রাজ্যের নাম বদলের প্রক্রিয়া

    কোনও রাজ্যের নাম বদলের ক্ষেত্রে কয়েকটি ধাপ আছে । প্রথমত, নাম বদল সংক্রান্ত বিল সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিধানসভায় পাশ করিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকে পাঠাতে হয় । সেখান থেকে বিল যায় রাষ্ট্রপতির কাছে । বিল নিয়ে চর্চার পর তিনি যদি মনে করেন কোনও অংশ স্পষ্ট নয় বা তাঁর যদি অতিরিক্ত প্রশ্ন থাকে তবে সে ব্যাপারে তিনি ওই রাজ্যের বিধানসভার কাছে জানতে চাইতে পারেন । উত্তরে সন্তুষ্ট হলে রাষ্ট্রপতির থেকে বিল যাবে সংসদে । লোকসভা বা রাজ্য়সভায় বিল পেশ করে সেটিকে পাশ করাতে হবে । এরপর শেষ ধাপ । সংসদ থেকে বিল যাবে রাষ্ট্রপতির কাছে । তিনি চূড়ান্ত মান্যতা দিলে তবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের নাম পাল্টে যাবে ।

    কেন নাম পশ্চিমবঙ্গ

    ভারতের পূর্ব দিকে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের নাম “পশ্চিমবঙ্গ” রাখার মূল কারণ হলো ১৯৪৭ সালের ঐতিহাসিক দেশভাগ এবং অবিভক্ত বাংলার ভৌগোলিক বিভাজন। বাংলা একটি একক ও বৃহৎ অঞ্চল ছিল, যার মধ্যে বর্তমান বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ববঙ্গ) এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ অন্তর্ভুক্ত ছিল। বাংলা প্রদেশটিকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। পূর্ববঙ্গ (যা পরে পূর্ব পাকিস্তান এবং ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ হয়)। অন্যদিকে, বাংলার পশ্চিম দিকের অংশটি ভারতের সঙ্গে থেকে যায়। পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal)। অর্থাৎ, এটি ভারতের পূর্ব দিকে অবস্থিত হলেও মূলত ঐতিহাসিক ‘বঙ্গ’ ভূমির সাপেক্ষে পশ্চিম অংশ বোঝাতেই এই নাম ব্যবহৃত হয়।

    ভারতীয় সংবিধানে নাম বদল নিয়ে সমস্যা

    ভারতীয় সংবিধান অনুযায়ী, কোনও রাজ্যের নাম বদলাতে হলে বিধানসভার পাস হওয়া প্রস্তাব কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক, রেল, ডাক বিভাগ ও গোয়েন্দা দফতরের অনুমোদন শেষে সংসদে সংবিধান সংশোধনী বিল হিসেবে পেশ করতে হয়। রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের পরেই তা আইনি রূপ পায়। সম্প্রতি রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাইও স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন যে, সংসদে নাম বদল সংক্রান্ত কোনও বিল পেশ হয়নি। রাজ্যের পাল্টে যাওয়া প্রেক্ষাপটে আড়াই দশক পরে নামবদলের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত আকার নেয় কি না, সেটাই এবার দেখার।

     

     

     

     

  • Nandigram Rejinagar Bypolls: পাঁচ মাসের মাথায় ফের ভোটের সকাল বাংলায়, নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে চলছে উপনির্বাচন

    Nandigram Rejinagar Bypolls: পাঁচ মাসের মাথায় ফের ভোটের সকাল বাংলায়, নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে চলছে উপনির্বাচন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য বিধানসভা নির্বাচনের পর পাঁচ মাসও কাটেনি। তার মধ্যেই ফের ভোটের মুখে পশ্চিমবঙ্গ। মঙ্গলবার নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়েছে উপনির্বাচন (Nandigram Rejinagar Bypolls)। কড়া নিরাপত্তায় সকাল থেকেই চলছে দুই কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ (Voting)। এই উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক মহলের বিশেষ নজর রয়েছে নন্দীগ্রামের দিকে। কারণ, এই কেন্দ্রের ভোটার স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—দুই কেন্দ্রেই জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে নিজের পুরনো ও পরিচিত কেন্দ্র নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হিসেবে থেকে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর নন্দীগ্রাম আসন ছেড়ে দেওয়ার কারণেই সেখানে উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়। ফলে এবার ফের নন্দীগ্রামে ভোট দেবেন মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে আরও একটি বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা রয়েছে। কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে পুরনো একটি মামলায় গ্রেফতার করা নিয়ে বিষয়টি গড়ায় কলকাতা হাইকোর্ট এবং সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন তিনি। প্রচারে পুরোপুরি অংশ নিতে না পারলেও জেলের বাইরে থেকেই নির্বাচনে লড়াই করছেন মিলন। অন্যদিকে, রেজিনগরেও উপনির্বাচনের নেপথ্যে রয়েছে বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়ার ঘটনা। এই কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর। পরে তিনি নওদা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে লড়ে জয়ী হন এবং রেজিনগরের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেই কারণেই রেজিনগরে ফের ভোটগ্রহণ হচ্ছে।

    কড়া নিরাপত্তা (Nandigram Rejinagar Bypolls)

    ভোটের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দুই কেন্দ্রেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর কড়া প্রহরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। নন্দীগ্রামে মোতায়েন রয়েছে ৩৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    মোট ভোটার

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৫৭ হাজার ৬৫৭। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৪ জন এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ২২ হাজার ৬৩৮ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন পাঁচ জন। এই কেন্দ্রে ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সি নতুন ভোটারের সংখ্যা ২ হাজার ৪৪৫। শারীরিক প্রতিবন্ধী ভোটার রয়েছেন ৩ হাজার ২৩১ জন। ৮৫ বছরের বেশি বয়সি ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৬৯৭। শতায়ু বা ১০০ বছরের বেশি বয়সি ভোটার রয়েছেন ৩৬ জন। এছাড়া সার্ভিস ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ১১১। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ভোটারের সংখ্যা ২ লাখ ৬৭ হাজার ১৫৭। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৭৭ এবং মহিলা ভোটার ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৭৯ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন এক জন। নন্দীগ্রামে ১৮ থেকে ১৯ বছর বয়সি ভোটারের সংখ্যা ২ হাজার ১৬। শারীরিক প্রতিবন্ধী ভোটার রয়েছেন ২ হাজার ১৮০ জন। ৮৫ বছরের বেশি বয়সি ভোটারের সংখ্যা ১ হাজার ৮৮৪। শতায়ু বা ১০০ বছরের বেশি বয়সি ভোটার রয়েছেন ৪২ জন। এছাড়া ৭৩৮ জন সার্ভিস ভোটার নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন (Nandigram Rejinagar Bypolls)।

    বাংলার পাশাপাশি আরও তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচন

    পশ্চিমবঙ্গের নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের পাশাপাশি এদিন উপনির্বাচন হচ্ছে অসমের নগাঁও লোকসভা কেন্দ্র এবং তামিলনাড়ুর দু’টি বিধানসভা কেন্দ্রেও। নগাঁওয়ের কংগ্রেস সাংসদ প্রদ্যুৎ বরদোলই বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর লোকসভা কেন্দ্রটি ছেড়ে দেন। বর্তমানে তিনি বিজেপির বিধায়ক। তাঁর ছেড়ে দেওয়া নগাঁও লোকসভা কেন্দ্রেই আজ উপনির্বাচন হচ্ছে। এদিকে, এআইএডিএমকের দুই বিধায়ক ইস্তফা দেওয়ায় তামিলনাড়ুর মাদুরান্থকম এবং ধারাপুরম বিধানসভা কেন্দ্রেও উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে (Voting)। ফলে বাংলার দুই কেন্দ্রের পাশাপাশি দেশের আরও তিনটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে আজকের ভোটের ফলাফলের দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের (Nandigram Rejinagar Bypolls)।

     

  • BJP: উত্তরপ্রদেশে রাজ্যসভা ভোটে ৮ প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, সামাজিক সমীকরণে জোর

    BJP: উত্তরপ্রদেশে রাজ্যসভা ভোটে ৮ প্রার্থী ঘোষণা বিজেপির, সামাজিক সমীকরণে জোর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশে আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য আট প্রার্থীর নাম ঘোষণা করল বিজেপি (BJP)। প্রার্থী বাছাইয়ে অনগ্রসর শ্রেণি, দলিত, ব্রাহ্মণ এবং ঠাকুর সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্বের পাশাপাশি সামাজিক সমীকরণে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে (Rajya Sabha)।

    বিজেপির ঘোষিত প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন উত্তরপ্রদেশ সরকারের মন্ত্রী ধর্মপাল সিং, রাধাকান্ত ওঝা, প্রকাশ পাল, প্রাক্তন বিধান পরিষদ সদস্য বিদ্যাসাগর সোনকর, গোপী কৃষ্ণ পাণ্ডে, রাম প্রতাপ সিং চৌহান, প্রাক্তন লোকসভা সাংসদ প্রিয়াঙ্কা সিং রাওয়াত এবং ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল সন্তোষ গঙ্গওয়ারের কন্যা শ্রুতি গঙ্গওয়ার।উত্তরপ্রদেশের মোট ১০টি রাজ্যসভা আসনে ১৬ অক্টোবর নির্বাচন হবে। এর মধ্যে সাতটি আসনে বিজেপির জয় প্রায় নিশ্চিত। অষ্টম আসনটিও দখলের লক্ষ্যে এগোচ্ছে উত্তরপ্রদেশের ডাবল ইঞ্জিন সরকার।

    তালিকায় নেই পুরীর নাম (BJP)

    তবে ঘোষিত তালিকায় জায়গা হয়নি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হরদীপ পুরীর। তাঁর নাম প্রার্থী হিসেবে উঠে আসছিল। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বিএল বর্মা এবং স্মৃতি ইরানির নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় ছিল। তাঁদেরও তালিকায় রাখা হয়নি। হরদীপ পুরীর নাম বাদ পড়ায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় সম্ভাব্য রদবদলের জল্পনাও তৈরি হয়েছে (BJP)।

    প্রার্থী তালিকায় বিভিন্ন সামাজিক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব স্পষ্ট। ধর্মপাল সিং লোধ সম্প্রদায়ের। রাধাকান্ত ওঝা এবং গোপী কৃষ্ণ পাণ্ডে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। প্রকাশ পাল উত্তরপ্রদেশে বিজেপির অনগ্রসর শ্রেণি মোর্চার প্রধান। শ্রুতি গঙ্গওয়ারও অনগ্রসর শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।

    দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি

    বিদ্যাসাগর সোনকর এবং প্রিয়াঙ্কা সিং রাওয়াত দলিত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। রাম প্রতাপ সিং চৌহান ঠাকুর সম্প্রদায়ের। বিজেপির প্রার্থীদের অভিনন্দন (Rajya Sabha) জানিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। নির্বাচনে তাঁদের সাফল্য কামনা করেছেন (BJP) তিনি।

     

  • Koel Mallick: ‘পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রায় সামিল হতে চাই’, শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ, বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কোয়েল

    Koel Mallick: ‘পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রায় সামিল হতে চাই’, শুভেন্দুর সঙ্গে সাক্ষাৎ, বিজেপিতে যোগ দিয়ে বললেন কোয়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক। সোমবার সকালে সল্টলেকে বিজেপির রাজ্য দফতরে তাঁর গলায় উত্তরীয় পরিয়ে হাতে পতাকা তুলে দেন দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক শশী অগ্নিহোত্রী। সঙ্গে ছিলেন রাজ্য বিজেপির মিডিয়া বিভাগের আহ্বায়ক অনুপম ঘোষ এবং সহ-আহ্বায়ক চন্দ্রশেখর বাসোটিয়া। সোমবার বেলায় বিধানসভায় গিয়ে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র পেশ করেন কোয়েল। সঙ্গে ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, শিল্পমন্ত্রী তাপস রায় প্রমুখ। গতকাল, রবিবার রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে কোয়েল (রুক্মিণী) মল্লিকের নাম ঘোষণা করে বিজেপি৷

    মনোনয়ন জমা দিলেন কোয়েল

    সোমবার সাড়ে দশটা নাগাদ বিধানসভায় পৌঁছন কোয়েল৷ ঘণ্টাখানেক পরেই মনোনয়ন জমা দিলেন তিনি৷ নমিনেশন জমা দেওয়ার আগে বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন কোয়েল৷ বিজেপিতে যোগ দিয়ে কোয়েল বলেন, “বিগত কয়েক মাসে পশ্চিমবঙ্গে উন্নয়নযাত্রা চলছে। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গে আরও কাজ আসুক।” তাঁর রাজনীতিতে আসার কারণ জানিয়ে কোয়েল বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়নে যুক্ত হতে চাই।” রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে তাঁকে মনোনীত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানান তিনি। ভবিষ্যতের লক্ষ্যের কথা জানিয়ে কোয়েলের সংযোজন, “সবার জন্য কাজ করতে চাই, সবার মঙ্গল কামনা করি।”

    বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায়

    প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে রাজ্য পুলিশের প্রাক্তন ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামীর সঙ্গে রাজ্যসভার প্রার্থী হিসেবে অভিনেত্রী কোয়েলের নামও ঘোষণা করেছিল পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন শাসকদল তৃণমূল। গত মার্চে ভোট হয়েছিল রাজ্যসভায়। কোয়েল পরে ৬ এপ্রিল সদস্য হিসেবে শপথ নেন। তবে কোনও অধিবেশনে যোগ দেওয়া হয়নি। বাদল অধিবেশন শুরুর আগে ১৬ জুলাই সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেন তিনি। গত ১৬ জুলাই সাংসদপদে ইস্তফা দেওয়ার পর পরই কোয়েল দেখা করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে। গুঞ্জনের সূত্রপাত হয়েছিল সেখান থেকেই। কোয়েলের আগে আরও তিন জন— সুখেন্দুশেখর রায়, সুস্মিতা দেব এবং প্রকাশ চিক বরাইক রাজ্যসভায় তৃণমূলের সাংসদ পদে ইস্তফা দেন। পরে তিন জনকেই আবার রাজ্যসভায় পাঠায় বিজেপি। তৃণমূলের সাংসদপদ ছাড়ার পর গত ৯ জুলাই বিজেপি-তে যোগ দিয়েছিলেন সুখেন্দু, সুস্মিতা এবং প্রকাশ। যোগদানের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিন জনকে রাজ্যসভার উপনির্বাচনের প্রার্থী করে বিজেপি। এবার যোগ দিলেন কোয়েল। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাজ্যসভায় যাচ্ছেন কোয়েল। কারণ বিজেপির হাতে যে সদস্য সংখ্যা আছে তাতে অন্য রাজনৈতিক দল প্রার্থী দেওয়ার জায়গা নেই। সব ঠিক থাকলে আগামী ১২ অক্টোবর জয়ী শংসাপত্র পাবেন কোয়েল মল্লিক৷

LinkedIn
Share