Tag: Arvind Kejriwal

Arvind Kejriwal

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের আর্জি ফেরাল হাইকোর্ট, ‘‘মুখোশ খুলে দেবো’’, হুঙ্কার কনম্যান সুকেশের

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালের আর্জি ফেরাল হাইকোর্ট, ‘‘মুখোশ খুলে দেবো’’, হুঙ্কার কনম্যান সুকেশের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) আবেদনের দ্রুত শুনানির আর্জি ফিরিয়ে দিল দিল্লি হাইকোর্ট। প্রসঙ্গত, দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালত কেজরিওয়ালকে সাত দিনের ইডি হেফাজতে পাঠিয়েছিল। সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। কিন্তু দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর আর্জিই খারিজ করল হাইকোর্ট। অন্যদিকে, কেজরিওয়াল মামলায় এবার বিস্ফোরক দাবি করলেন ‘কনম্যান’ সুকেশ চন্দ্রশেখর। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর (Arvind Kejriwal) মুখোশ খুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও শোনা গিয়েছে জেলবন্দি এই ব্যবসায়ীর মুখে। সূত্রের খবর, সুকেশ রাজসাক্ষী হতেও আগ্রহী।

    কেজরিওয়ালের মুখোশ খুলে দেওয়ার হুঁশিয়ারি

    ২০০ কোটি টাকার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় গ্রেফতার সুকেশ বর্তমানে রয়েছেন তিহাড় জেলেই। জেলে কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) স্বাগতও জানিয়েছেন তিনি। সুকেশ বলেন, ‘‘সত্যিটা এবার বেরিয়ে এসেছে। আমি তাঁকে (কেজরিওয়ালকে) তিহাড় জেলে স্বাগত জানাচ্ছি।’’ কেজরিওয়ালের হাঁড়ির খবর জানা সুকেশের আরও মন্তব্য, ‘‘আমি তাঁর মুখোশ খুলে দেব। আমি সরকারি সাক্ষী হব। সব প্রমাণ দেওয়া হয়ে গিয়েছে।’’ প্রসঙ্গত, এই মামলায় নাম জড়িয়েছে বলিউডের অভিনেত্রী জ্যাকলিন ফার্নান্ডেজেরও। এছাড়া অপর এক বলিউড অভিনেত্রী নোরা ফতেহির নামও উঠে এসেছিল এই মামলায়।

    অরবিন্দ কেজরিওয়ালই দুর্নীতির কিংপিন

    সুকেশ চন্দ্রশেখর আরও বলেন, ‘‘অরবিন্দ কেজরিওয়ালই (Arvind Kejriwal) দুর্নীতির কিংপিন। তবে পিকচার অভি বাকি হ্যায়। আমার প্রিয় কেজরিওয়ালজি, আপনি যত চেষ্টাই করুন না কেন, সময় ঘনিয়ে এসেছে। ক্লাইম্যাক্সের অপেক্ষায় আছি। আপনার সমস্ত মিথ্যা, নাটকের এবার অবসান হতে চলেছে। আপনার ভাই-বোনেদের সঙ্গে আপনিও তিহার ক্লাবের সদস্য।’’ সুকেশ চন্দ্রশেখরের দাবি, ‘‘আবগারি দুর্নীতি মামলায় এবার প্যান্ডোরার বাক্স খুলে যাবে। কবিতা আক্কার গ্রেফতারির পর এবার দুর্নীতির পর্দাফাঁস হতে শুরু করবে। দুর্নীতির রাজা, আমার প্রিয় অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সামনে এখন বড় বিপদ। তাঁর মুখোশ সকলের সামনে খুলে যাবে।’’

    আরও পড়ুন: ইন্ডি জোটে জট, কোচবিহার আসনে বামের বিরুদ্ধে কংগ্রেস প্রার্থী

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: ২৮ মার্চ পর্যন্ত কেজরিওয়ালের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    Arvind Kejriwal: ২৮ মার্চ পর্যন্ত কেজরিওয়ালের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবারই আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির হাতে গ্রেফতার হন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। ইডি লকআপে গতকাল রাত কাটাতে হয়েছে আপ সুপ্রিমোকে। এদিন তাঁকে দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে তোলা হয়। দিল্লির কোর্ট কেজরিওয়ালকে ৬ দিনের ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। প্রসঙ্গত, এদিন ইডির আইনজীবী প্রথমে কেজরিওয়ালের ১০ দিনের ইডি হেফাজত চেয়েছিলেন। কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) পক্ষে আইনজীবী হিসেবে আদালতে সওয়াল করেন কংগ্রেস নেতা অভিষেক মনু সিংভি। দু’পক্ষের সওয়াল-জবাব শুনে এদিন আদালত কেজরিওয়ালকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন। আদালতে ইডি জানিয়েছে, আবগারি নীতি প্রণয়নের সঙ্গে কেজরিওয়াল সরাসরি জড়িত ছিলেন।

    আরও পড়ুন: “ধরা পড়েছে মাফলার, এবার যাবে হাওয়াই চটি”, বলাগড়ের সভায় স্পষ্ট ইঙ্গিত শুভেন্দুর

    দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড কেজরিওয়াল 

    ১০০ কোটির আবগারি দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে আম আদমি পার্টির সুপ্রিমোর বিরুদ্ধে। এর পাশাপাশি হাওয়ালার মাধ্যমে গোয়ায় ৪৫ কোটি টাকা পাঠানোর মারাত্মক অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। সেই টাকা গোয়া নির্বাচনে দলীয় কাজে ব্যবহার করেছে আপ, এমনটাই অভিযোগ। দিল্লির রাউজ অ্যাভিনিউ আদালতে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) গ্রেফতারির বিষয়ে এমনটাই জানিয়েছেন ইডির আইনজীবী।

    মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেননি কেজরিওয়াল 

    ইডির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী নিবাসের খুব কাছেই থাকতেন বিজয় নায়ার নামের এক ব্যক্তি। তিনি কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন বলে দাবি ইডির। লেনদেনের বিষয়ে তিনি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করতেন বলে দাবি ইডির। প্রসঙ্গত, ইডি-র হাতে গ্রেফতারের পরেও মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেননি কেজরিওয়াল।

    গতকাল গ্রেফতার, রক্ষাকবচ দেয়নি কোর্ট

    ইডি যাতে তাঁর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ না করে, সেই আর্জি নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন কেজরিওয়াল। আদালতে পেশ করা আবেদনে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেন, “ইডি নিশ্চয়তা দিক যে তাদের সমনে সাড়া দিলে আমার বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ করা হবে না।” কিন্তু, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর যুক্তি ধোপে টেকেনি। মেলেনি রক্ষাকবচ। গতকালই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর দুয়ারে হাজির হয় ইডি। ঘণ্টা দুয়েক তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদের পর কেজরিওয়ালকে গ্রেফতার করা হয়।

     

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: আবগারি মামলায় কেজরিওয়ালকে নবমবার তলব করল ইডি

    Arvind Kejriwal: আবগারি মামলায় কেজরিওয়ালকে নবমবার তলব করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতি মামলায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে নবমবার তলব করল ইডি। আগামী ২১ মার্চ তাঁকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দফতরে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। এর আগে কোনও বারই হাজিরা দেননি অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। তাই উঠছে প্রশ্ন। এই তলবেও কি সাড়া দেবেন তিনি? অন্যদিকে, আবগারি দুর্নীতি মামলায় শনিবার সকালে দিল্লির আদালতে সশরীরে হাজিরা দেন আম আদমি পার্টির প্রধান। ইডি তাঁকে ৮ বার সমন পাঠালেও প্রতিবারই এড়িয়ে গিয়েছেন তিনি। তাই এনিয়ে ইডির তরফে অভিযোগ জানানো হয় দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতে। আদালতে ইডি জানায়,  সরকারি অনুষ্ঠানে যাচ্ছেন কেজরিওয়াল, দলের হয়ে ভোটের প্রচারও করছেন। অথচ ইডি দফতরে হাজিরা দিতে পারছেন না। ইডির পূর্বের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শনিবার তাঁকে কোর্টে হাজিরা দিতে বলা হয় এবং সবকিছু মেনে তিনি হাজির হন।

    ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালতের শুনানিতে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন কেজরিওয়াল

    তবে এবারই প্রথম নয়, এর আগেও একই অভিযোগ তুলে কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর (Arvind Kejriwal) বিরুদ্ধে তদন্তে অসহযোগিতার অভিযোগ তুলে গত ৩ ফেব্রুয়ারি আবেদন জানানো হয় কোর্টে। ৭ ফেব্রুয়ারিতে সেই মামলার শুনানিতে দিল্লির আদালত নির্দেশ দেয়, আদালতে হাজির হয়ে জবাবদিহি করতে হবে অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। গত মাসের ১৭ ফেব্রুয়ারি আদালতের শুনানিতে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন কেজরিওয়াল। সশরীরে হাজির না থাকার কারণ হিসেবে কেজরিওয়াল তখন জানিয়েছিলেন, দিল্লি বিধানসভায় তাঁকে আস্থা ভোটে হাজির থাকতে হবে। তাই সশরীরে তিনি উপস্থিত থাকতে পারছেন না।

    ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ হয় না

    এর আগে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দল আম আপনি পার্টির তরফে জানানো হয়, ১২ মার্চের পরে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ইডি দফতরে হাজিরা দেবেন কেজরিওয়াল। কিন্তু ইডির তরফে সাফ জানানো হয়েছে, ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জিজ্ঞাসাবাদ হয় না। কেজরিওয়াল কেন বার বার হাজির এড়িয়ে যাচ্ছেন এনিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। আবগারি দফতরে বিপুল দুর্নীতি সামনে আসতেই ইডির হাতে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির উপ মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। বর্তমানে জেলে রয়েছেন তিনি। গ্রেফতারির ভয়েই কি হাজিরা এড়িয়ে যাচ্ছেন কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)? এনিয়ে উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • KCR-daughter K Kavitha arrested: তল্লাশির পর ইডির হাতেই গ্রেফতার কেসিআর-কন্যা কবিতা

    KCR-daughter K Kavitha arrested: তল্লাশির পর ইডির হাতেই গ্রেফতার কেসিআর-কন্যা কবিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ তল্লাশির পর ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন কেসিআর-কন্যা কে কবিতা (KCR-daughter K Kavitha arrested)। আয়কর দফতর এবং কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আজ দিল্লির আবগারি দুর্নীতি মামলায় ভারত রাষ্ট্র সমিতির নেত্রী এবং তেলঙ্গনার বিধান পরিষদের সদস্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর-কন্যাকে গ্রেফতার করেছে। হায়দ্রাবাদ থেকে দিল্লিতে আনা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনায় দেশের রাজনীতিতে শোরগোল পড়েছে।

    বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার (KCR-daughter K Kavitha arrested)

    আজ শুক্রবার আচমকাই কেসিআর-কন্যা কবিতার (KCR-daughter K Kavitha arrested) হায়দ্রাবাদের বাড়িতে তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর এবং ইডি। এদিন তদন্ত করতে দুই সংস্থার অন্তত ১০ আধিকারিক বাড়িতে ঢুকে তল্লাশি চালায়। সেই সময় বাড়িতে ছিলেন কএসিআর-কন্যা এবং তাঁর স্বামী ডি অনিল কুমার। তাঁদের উপস্থিতিতেই তল্লাশি চলে বলে জানা গিয়েছে। আবগারি মামলায় অন্যতম প্রধান অভিযুক্তদের মধ্যে ছিলেন এই কবিতা। আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে একাধিকবার হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কিন্তু তিনি হাজিরা দেননি। এমন কী তদন্তের মোকাবিলা যাতে না করতে হয়, তাই সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত গিয়েছিলেন তিনি। কবিতা ২০১৪ সাল থেকে দুইবার সাংসদ হয়েছিলেন। কিন্তু তবু গ্রেফতার হতেই হল তাঁকে।

    গত ডিসেম্বর মাসে তদন্তে নাম উঠে আসে

    গত ডিসেম্বর মাসে যখন মণীশ সিসোদিয়া ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছিল ইডি, সেই সময় সূত্রে ধরে তদন্তে নাম উঠে এসেছিল কবিতার (KCR-daughter K Kavitha arrested)। পরবর্তী কালে কবিতার মোবাইল পরিচিতি বদলানো হয়। কেজরীওয়াল সরকারের আবগারি দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দক্ষিণ ভারতের আরও এক নেতা অরুণ রামচন্দ্র পিল্লাই। এছাড়াও এই আবগারি দুর্নীতির সঙ্গে কংগ্রেসের সাংসদ এম শ্রীনিবাসুলু রেড্ডি এবং হায়দরাবাদের ব্যবসায়ী শরৎ রেড্ডি প্রত্যক্ষ ভাবে যুক্ত বলে জানা গিয়েছে। এবারে তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। অপরদিকে গত বুধবার কেসিআরের তরফ থেকে দলের লোকসভা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করলেও নিজের মেয়েকে এইবার টিকিট দেননি। পরিবারের প্রতি স্বজন পোষণের অভিযোগকে মুছে ফেলতে চাইছিলেন কেসিআর, এমনটা বলা হলেও গ্রেফতারির আশঙ্কা ছিলই। আর এর মধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন কে কবিতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: এবার ইডির নতুন মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ

    Arvind Kejriwal: এবার ইডির নতুন মামলায় অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে আদালতে হাজিরার নির্দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা ইডি নতুন মামলা দায়ের করার পরে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) আদালতে তলব করা হয়েছে। ইতিপূর্বে বেশ কয়েকবার তাঁকে তলব করা হয়েছিল, কিন্তু তিনি ইডি দ্বারা জারি করা মোট ৮টি নোটিশ এড়িয়ে গেছেন। আজ দিল্লির একটি আদালত আম আদমি পার্টি-র এই নেতাকে আগামী ১৬ মার্চ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর (Arvind Kejriwal)?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি আজ দিল্লির একটি আদালতে স্পষ্ট করে বলে যে আবগারি দুর্নীতি মামলায় কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal)  জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায় তাঁরা। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আর্থিক দুর্নীতির মামলার অধীনে জারি করা একাধিক নোটিশকে এড়িয়ে যাওয়ার পরে আজ নতুন ফের নোটিশ পাঠানো হয়। কেজরিওয়াল অবশ্য ইতিপূর্বে ইডি দ্বারা জারি করা ৮টি নোটিশকে এড়িয়ে গেছেন। তদন্তকারী সংস্থা আরও জানিয়েছে, মামলায় অভিযুক্তরা দিল্লির আবগারি নীতি তৈরির সময় মুখ্যমন্ত্রীর সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। তাই ইডি-র দায়ের করা চার্জশিটে কেজরিওয়ালের নাম একাধিকবার উল্লেখ করা হয়েছে।

    ৪ মার্চ হাজিরা দেননি কেজরিওয়াল (Arvind Kekriwal)

    অপর দিকে আপ নেতা কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal), নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধী নেতাদের টার্গেট করতে ইডি-র মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে ব্যবহার করার অভিযোগ তুলেছেন। ইডি শেষ নোটিশ গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে জারি করেছিল এবং জিজ্ঞাসাবাদের তারিখ ৪ মার্চ নির্ধারণ করা হয়েছিল। আপ নেতা এই নোটিশকে “অবৈধ” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, “ভিডিও-কনফারেন্সিং মাধ্যমে সংস্থার সামনে হাজির হতে প্রস্তুত ছিলাম।” কিন্তু কেন্দ্রীয় সংস্থা অবশ্য শারীরিক ভাবে উপস্থিতির উপর জোর দিয়েছিল। ভিডিও কনফারেন্সিং মাধ্যমে প্রশ্ন করার কোনও বিধান নেই। ইডি এর আগে দিল্লির এখন বাতিল করা আবগারি নীতি সংক্রান্ত অর্থ পাচারের মামলায় দিল্লির প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া এবং রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং, দুই শীর্ষ আপ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে। তাঁরা এখন জেলে রয়েছেন।

    কেজরিওয়ালের বক্তব্য (Arvind Kekriwal)

    আজ নতুন মামলায় ইডির নোটিশ সম্পর্কে কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) বলেন, “যাঁরা বিজেপিতে যোগ দিতে অস্বীকার করে তাঁদেরকেই জেলে পাঠানো হয়। সত্যেন্দ্র জৈন, মনীশ সিসোদিয়া এবং সঞ্জয় সিং আজ বিজেপিতে যোগ দিলে কাল জামিন পাবেন। এমনকী আমি এখন বিজেপিতে যোগ দিলে ইডি-র নোটিশ পাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। বেশ কয়েকটি আদালতের রায়ে বলা হয়েছে যে ইডিকে অবশ্যই জানাতে হবে যে কেন কোন ব্যক্তিকে তলব করা হচ্ছে। দুর্ভাগ্যবশত কেন্দ্র সরকার আদালতের আদেশ মানতে অস্বীকার করে। নিজেদের আইনের ঊর্ধ্বে মনে করে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • AAP Scam: কেজরিওয়ালের উচিত মোদিজিকে অনুসরণ করা, কেন একথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি

    AAP Scam: কেজরিওয়ালের উচিত মোদিজিকে অনুসরণ করা, কেন একথা বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি ও জল বোর্ডের দুর্নীতি (AAP Scam) ইস্যুতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মীনাক্ষী লেখি তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে। এক্ষেত্রে মীনাক্ষী লেখি টেনে আনেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদাহরণও। এবং তিনি বলেন যে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর উচিত প্রধানমন্ত্রীকে অনুসরণ করা। প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে গুজরাট দাঙ্গায় তৎকালীন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে সিবিআই তলব করে। সেসময় ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই ঘটনা টেনে মীনাক্ষী লেখি বলেন যে তিনি (নরেন্দ্র মোদি) যখন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তখন ১২ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। উল্লেখ্য, আবগারি দুর্নীতি ইস্যুতে (AAP Scam) ইতিমধ্যে পাঁচবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে সমন পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি কিন্তু প্রতিবারই তিনি গরহাজির থেকেছেন। শেষবারের মতো আম আদমি পার্টির সুপ্রিমোর কাছে নোটিশ পৌঁছায় গত ২ ফেব্রুয়ারি।

    কেজরিওয়ালকে খোঁচা 

    এদিন অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে খোঁচা দিয়ে মীনাক্ষী লেখি বলেন যে তিনি কিভাবে জিজ্ঞাসাবাদের সম্মুখীন হবেন? কারণ তাহলে তো তাঁর নাটক এবং দুর্নীতি দুটোই ধরা পড়ে যাবে। প্রসঙ্গত, আবগারি দুর্নীতি মামলায় ক্রমশই চাপ বাড়ছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ওপর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এবার খোঁজ চালাচ্ছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ব্যক্তিগত সচিব বিভাব কুমারের। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার মোট ১০ টি জায়গায় এই তল্লাশি অভিযান চলছে। 

    দুর্নীতির অভিযোগে আপ পার্টির একাধিক শীর্ষ নেতা জেলে

    এদিন মীনাক্ষী লিখে আরও বলেন যে দুর্নীতি এবং বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে দিল্লির জল বোর্ডের বিরুদ্ধেও। সেখানে একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান ইঞ্জিনিয়ার এবং একজন ঠিকাদারকে গত সপ্তাহেই (AAP Scam) গ্রেফতার করা হয়েছে। দিল্লির আম আদমি পার্টির কিছু শীর্ষ নেতাও এই দুর্নীতিতে গ্রেফতার হয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সত্যন্দ্র জৈন। এবং রাজ্যসভার সাংসদ সঞ্জয় সিং। মীনাক্ষী লেখির মতে, ‘‘দিল্লির সরকার শুধুমাত্র প্রচারে থাকতে চায় সব সময় এবং তারা যে কোনও মূল্যে ক্ষমতায় থাকতে চায়। এই সরকার দুর্নীতিগ্রস্ত।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Mohalla Clinic: রক্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ হাজার রোগীর, যাদের কোনও অস্তিত্বই নেই, নয়া দুর্নীতি আপ সরকারের

    Mohalla Clinic: রক্ত পরীক্ষা হয়েছে ৬৫ হাজার রোগীর, যাদের কোনও অস্তিত্বই নেই, নয়া দুর্নীতি আপ সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দফতরের দুর্নীতি নিয়ে এমনিতেই বেসামাল দিল্লির আপ সরকার (Mohalla Clinic)! নিত্যদিন খোঁজ মিলছে নতুন নতুন দুর্নীতির। এবার চিকিৎসা ক্ষেত্রেও মিলল দুর্নীতির খোঁজ। দিল্লি সরকার পরিচালিত মহল্লা ক্লিনিকের আর্থিক হিসাবেই ব্যাপক গরমিল। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ১১ মাসে মহল্লা ক্লিনিকের অধীনে বিভিন্ন প্রাইভেট ল্যাবরেটরি থেকে রক্ত পরীক্ষা করিয়েছেন ৬৫ হাজার রোগী, যাদের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই (Mohalla Clinic)। এই ভূত রোগীদের মাধ্যমেই বিপুল আর্থিক তছরুপ হয়েছে। শনিবারই অ্যান্টি-কোরাপশন ব্রাঞ্চের প্রাথমিক তদন্তেই উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য, যা নিয়ে সরগরম দিল্লির রাজনীতি।

    আগেই সরব হয়েছিলেন দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর

    এমন দুর্নীতি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সরব দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভিকে সাক্সেনা। তিনি মহাল্লা ক্লিনিকে রক্ত পরীক্ষায় বেনিয়মের তদন্ত করার জন্য সিবিআই তদন্তের সুপারিশও করেছিলেন। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে এরপরই অ্যান্টি-কোরাপশন ব্রাঞ্চকে তদন্তভার দেওয়া হয়। শনিবার এসিবির তরফে প্রাথমিক তদন্তের রিপোর্টে বলা হয়েছে, একাধিক বেসরকারি ল্যাবরেটরিতে (Mohalla Clinic) ‘ভূত’দের রক্ত পরীক্ষা করা হয়েছে, যারা আদতে কোনওদিন মহল্লা ক্লিনিকে যান-ই নি। ল্যাব ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেম, যেখানে রোগীদের নাম ও মোবাইল নম্বর থাকত, তাতেও তথ্য বিকৃত করা হয়েছে। মনগড়া নাম ও ফোন নম্বর বসিয়ে নানা পরীক্ষার নামে সরকারের কাছ থেকে টাকা আদায় করেছে প্রাইভেট ল্যাবগুলি।

    দুর্নীতির খুঁটিনাটি

    প্রসঙ্গত, দিল্লির আপ সরকারের তরফে কম খরচে চিকিৎসার জন্য মহল্লা ক্লিনিক তৈরি করা হয়েছিল। চিকিৎসার পাশাপাশি নানা শারীরিক পরীক্ষাও হয় সেখানে। মাত্র ১০০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যেই সমস্ত পরীক্ষার খরচ, যা বাইরের ল্যাব থেকে করাতে ১-২ হাজার টাকা খরচ হয়। এসিবির রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ১২,৪৫৭টি রক্ত পরীক্ষার ক্ষেত্রে রোগীদের ফোন নম্বর নেই। ২৫,৭৩২টি পরীক্ষায় মোবাইল নম্বর শূন্য বসানো রয়েছে। ৯১৩টি পরীক্ষার ক্ষেত্রে ভুয়ো ফোন নম্বর ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও ল্যাবগুলির দাবি, তারা কেবল রক্তের নমুনা সংগ্রহ করত এবং পরীক্ষা করে রিপোর্ট জমা দিত। মহল্লা ক্লিনিকের টেকনিশিয়ানদের দায়িত্ব ছিল রোগীর নাম ও অন্যান্য় তথ্য নথিভুক্ত করা। গোটা ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: বছর শেষে ধ্যানমগ্ন হতে চলেছেন কেজরিওয়াল, থাকতে পারবেন না ইন্ডি জোটের বৈঠকেও!

    Arvind Kejriwal: বছর শেষে ধ্যানমগ্ন হতে চলেছেন কেজরিওয়াল, থাকতে পারবেন না ইন্ডি জোটের বৈঠকেও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে ধ্যানমগ্ন হতে চলেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। থাকতে না পারার সম্ভাবনা প্রবল, বিরোধী ইন্ডি জোটের বৈঠকে। প্রসঙ্গত, ১৮ ডিসেম্বর শেষ হচ্ছে দিল্লি বিধানসভার শীতকালীন অধিবেশন। ১৯ ডিসেম্বর থেকে মুখ্যমন্ত্রী যোগ দেবেন বিপাসনা ধ্যানকেন্দ্রে। তবে কোথায় তিনি এই ধ্যান করবেন সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। এই প্রথমবার নয়, এর আগেও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বিপাসনা কেন্দ্রে ধ্যান করতে গিয়েছেন বলে জানা যায়। ২০১৬ সালেই তিনি ছিলেন নাগপুরে। গত বছরে বেঙ্গালুরু এবং জয়পুরে ধ্যান করতে হাজির ছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল।

    বিপসনা কী আসলে?

    বিপাসনা পদ্ধতি হল প্রাচীন ভারতীয় ধ্যানের রীতি। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুশীলনকারীরা মানসিক চাপ সমেত উদ্বেগকে দূরে রাখেন। জানা যায়, প্রাচীনকাল থেকেই ভারতবর্ষে এই ধ্যান পদ্ধতি চালু ছিল। গৌতম বুদ্ধ এই পদ্ধতি তাঁর শিষ্যদের মধ্যে প্রথম প্রচলন করেছিলেন বলে জানা যায়। দেশে অজস্র বিপাসনার কেন্দ্র চালু রয়েছে। প্রতিবছর অসংখ্য মানুষের ভিড় দেখা যায় এই কেন্দ্রগুলিতে।

    দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ কেজরিওয়ালের দল

    প্রসঙ্গত, আবগারি দফতরের দুর্নীতি সমেত একাধিক অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছে দিল্লির আম আদমি পার্টির সরকার। দলের মন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া রয়েছেন জেলে। কংগ্রেস সরকারের দুর্নীতির বিরোধিতা করে দিল্লির আম আদমি পার্টি উঠে এসেছিল। সেই কংগ্রেসের সঙ্গেই পুনরায় ইন্ডি জোটের বৈঠকে দেখা যাচ্ছে আম আদমি পার্টি নেতাদের। এর পাশাপাশি পশু খাদ্য কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত লালু যাদব, নিয়োগ দুর্নীতি, কয়লা কেলেঙ্কারিতে অভিযুক্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও জোট বেঁধেছে কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) দল। আম আদমি পার্টি যখন প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন তারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলেই নিজেদের সংগঠন বিস্তার করে। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে দুর্নীতিগ্রস্তদের পাশেই দাঁড়াচ্ছে আম আদমি পার্টি এবং নিজেদের দলের মন্ত্রী-নেতারাও জেলে যাচ্ছে দুর্নীতির অভিযোগে। এখানেই উঠছে প্রশ্ন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: মোদির ডিগ্রি নিয়ে ব্যঙ্গ, মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন না কেজরিওয়াল

    Arvind Kejriwal: মোদির ডিগ্রি নিয়ে ব্যঙ্গ, মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন না কেজরিওয়াল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী মোদির ডিগ্রি নিয়ে ব্যঙ্গ করেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। এনিয়ে মামলার জল গড়ায় গুজরাতের হাইকোর্ট পর্যন্ত। কেজরিওয়ালের বিরুদ্ধে আগেই দায়ের হয়েছিল মানহানির মামলা। সেই মামলায় অস্বস্তিতে পড়লেন আপ প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। এবং তাঁর দলেরই সাংসদ সঞ্জয় সিংহ। শুক্রবার গুজরাত হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি ছিল এবং সেখানে কেজরিওয়ালে আর্জি খারিজ হল। গুজরাতের উচ্চ আদালতে আম আদমি পার্টির প্রধান কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) এই মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়েছিলেন, এদিন তা খারিজ করে গুজরাট হাইকোর্ট। 

    মামলা গুজরাত হাইকোর্টে

    প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী মোদির ডিগ্রি নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছিলেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। পাশাপাশি ব্যঙ্গ করে বলেছিলেন যে দেশে এবার একজন শিক্ষিত প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজন। একই ধরনের মন্তব্য করেন সঞ্জয় সিংহও। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয় আপ পার্টির ২ নেতার বিরুদ্ধে মামলা হয়। এই মামলায় গত ১৩ জুলাই কেজরিওয়াল এবং সঞ্জয় সিংহকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয় গুজরাতের হাইকোর্ট। কিন্তু ১৩ জুলাই মামলার শুনানি শুরু হতেই কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) আইনজীবী জানান দিল্লিতে প্রবল বৃষ্টি চলছে তাঁর মক্কেল তা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন, তাই দিন তিনি হাজির থাকতে পারলেন না।

    কেজরিওয়ালের সাংবাদিক সম্মেলন  

    প্রধানমন্ত্রী মোদির ডিগ্রি নিয়ে চলতি বছরের ১এপ্রিল সাংবাদিক সম্মেলন করে অবমাননাকার মন্তব্য করেন আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। অন্যদিকে ২ এপ্রিল দ্বিতীয় প্রেস কনফারেন্সটি করেন সঞ্জয় সিং। দুই আম আদমি পার্টির নেতা প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অবমাননাকর মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ। এরপরে তাঁদের দুজনের বিরুদ্ধে আহমেদাবাদে কোর্টে মানহানির মামলা দায়ের করা হয়। ১৫ এপ্রিল এই মানহানির মামলা দায়ের করা হয় এবং তাদেরকে সমান পাঠানো হয় ২৩ মে। এর ভিত্তিতে গুজরাট হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন আপ-প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। আদালতে অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ চান। কিন্তু শুক্রবার সেই আর্জি খারিজ করে দেয় গুজরাট হাইকোর্ট।  এদিন গুজরাট হাইকোর্টের বিচারপতি সমীর দাভে এই নির্দেশ দিয়েছেন। আপ পার্টির  ২ নেতার বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার পীযূষ প্যাটেল। তাঁর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রীর ডিগ্রি নিয়ে আপ নেতাদের এই অবমাননাকার মন্তব্য সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তিকে ক্ষুন্ন করতেই উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই মন্তব্য করেন কেজরিওয়াল।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালকে ৯ ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের! বেরিয়ে এসে কী বললেন আপ সুপ্রিমো?

    Arvind Kejriwal: কেজরিওয়ালকে ৯ ঘণ্টা জেরা সিবিআইয়ের! বেরিয়ে এসে কী বললেন আপ সুপ্রিমো?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবগারি দুর্নীতিকাণ্ডে ইতিমধ্যে সিবিআই গ্রেফতার করেছে দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রীকে। একই মামলায় রবিবার টানা ৯ ঘণ্টা জেরা করা হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে। সিবিআই সূত্রে খবর, কেজরিওয়ালকে সিআরপিসির ১৬০ নং ধারা অনুযায়ী সাক্ষী হিসেবে তলব করা হয়েছিল কেজরিওয়ালকে। রবিবার সকাল ১১টা নাগাদ রাজধানীর সিবিআই দফতরে পৌঁছেছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ বেরোলেন তিনি। ন’ঘণ্টার বেশি সময় ধরে কেজরিওয়ালকে জিজ্ঞাসাবাদ করল কেন্দ্রীয় এজেন্সি। এর মধ্যে বিকেল পাঁচটায় আপের সদর দফতরে জরুরি বৈঠকে বসেন দলের নেতানেত্রীরা। পঙ্কজ গুপ্ত, দিল্লির মেয়র শেলি ওবেরয়রা সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এত দীর্ঘ সময় জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই কৌতূহল তৈরি হয়। তাঁরা গ্রেফতারির আশঙ্কা করতে থাকেন।

    জেরা শেষে কী বললেন কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal)

    জেরা শেষে সিবিআই অফিস থেকে বেরিয়ে এসে অবশ্য আম আদমি পার্টি প্রধান দাবি করেন, এই গোটা মামলাটি ভুয়ো। তাঁর আরও দাবি, ‘আমি সততার সঙ্গে আপস করব না কখনও। গোটা দেশ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আমায় ৫৬টি প্রশ্ন করা হয়েছিল। ২০২০ সাল থেকে উন্নয়ন নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছে। সিবিআই আমার সঙ্গে কোনও খারাপ ব্যবহার করেনি। এই গোটাটাই ফেক। আমি নিশ্চিত, আমার বিরুদ্ধে ওদের কাছে কোনও তথ্য নেই।’

    সিবিআইয়ের দাবি কী

    অপরদিকে সিবিআইয়ের তরফে এই মামলা সম্পর্কে একটি বিবৃতি জারি করে দাবি করা হয়েছে যে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বয়ান খতিয়ে দেখা হবে। জানা গিয়েছে, সিআরপিসির ১৬১ নং ধারা অনুযায়ী কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) বয়ান রেকর্ড করা হয় গতকাল। মোট ৫৬টি প্রশ্ন তাঁকে করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share