Tag: attack

attack

  • Tamluk: সভা থেকেই তৃণমূল নেতার উস্কানি! বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙচুর

    Tamluk: সভা থেকেই তৃণমূল নেতার উস্কানি! বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েতে ভাঙচুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বঞ্চনার বিরুদ্ধে তৃণমূলের সভা। আর সেই সভা থেকেই বিজেপি পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতে চড়াও হওয়ার ঘটনা ঘটল। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুকের (Tamluk) উত্তর সোনামুই গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে। সেখানে ঢুকে হামলা এবং ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল শতাধিক তৃণমূলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Tamluk)

    মঙ্গলবার তমলুক (Tamluk) ব্লকের উত্তর সোনামুই অঞ্চল অফিসের ঠিক উল্টো দিকে বিক্ষোভ সভার আয়োজন করে তৃণমূল। সভায় উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক, তৃণমূল নেতা সোমনাথ বেরা প্রমুখ। সোমনাথবাবু বক্তব্য শেষ হওয়ার মুখেই সভাস্থলে থাকা মহিলা এবং পুরুষ নির্বিশেষে দলে দলে ছুটে যান বিজেপি পরিচালিত পঞ্চায়েত অফিসের দিকে। ১০০ দিনের বকেয়ার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন তাঁরা। চলে পঞ্চায়েত অফিসের আসবাবপত্র ভাঙচুর। পঞ্চায়েত অফিসের গুরুত্বপূর্ণ নথি নষ্ট করে দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

    গন্ডগোল, ভাঙচুরের সময় পুলিশ ছিল নীরব দর্শক, সরব বিজেপি

    পুরো ঘটনার পিছনে তৃণমূলের উস্কানিকেই দায়ী করেছেন বিজেপির তমলুক (Tamluk) সাংগঠনিক জেলার সহ-সভাপতি আশিস মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ওই পঞ্চায়েতে ক্ষমতায় ছিল তৃণমূল। এবার তাদের হারিয়ে পঞ্চায়েতের দখল বিজেপির হাতে গিয়েছে। তারই শোধ তুলতে সাধারণ মানুষকে উস্কে দেওয়া হয়েছে পঞ্চায়েতে হামলা চালানোর জন্য। তৃণমূলের সভাস্থল থেকে সামান্য দূরে দাঁড়িয়ে ছিল পুলিশ। গন্ডগোল, ভাঙচুরের সময় তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে। মঙ্গলবার রাতেই বিজেপির তমলুক সাংগঠনিক জেলার পক্ষ থেকে তমলুক থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।’ এই ঘটনার প্রতিবাদে লাগাতার আন্দোলনে নামার ডাক দিলেন বিজেপি নেতৃত্ব।

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    জেলা তৃণমূলের এক নেতা বলেন, ১০০ দিনের কাজের বকেয়ার টাকা চক্রান্ত করে আটকে রেখেছে কেন্দ্রীয় সরকার। আর তার জন্য দায়ী এই রাজ্যের বিজেপি নেতারাই। এলাকার মানুষ নিজেদের দাবি আদায়ে প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Gram Panchayat: দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব! দলীয় নেতার উপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    Gram Panchayat: দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব! দলীয় নেতার উপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের অঞ্চল সহ- সভাপতির ওপর হামলার অভিযোগ উঠল দলেরই অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে। হামলায় মাথা ফাটল সহ- সভাপতির। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের গলসি-১ নং ব্লকের মানকর গ্রাম পঞ্চায়েত (Gram Panchayat) এলাকায়। গুরুতর জখম তৃণমূল নেতা স্বরূপ মণ্ডল মানকর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের কোন্দল একেবারে প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

    কেন হামলা? (Gram Panchayat)

    জানা গিয়েছে, মানকর পঞ্চায়েতে (Gram Panchayat) ১৯টি আসনের মধ্যে – ১৮টি আসনে রয়েছে তৃণমূল ও একটি আসন রয়েছে বিজেপির। বোর্ড গঠনের দিন থেকে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে আসে। দলের নির্দেশকে তোয়াক্কা না করে ভোটাভুটি হয় বোর্ড গঠনে। তাতে পঞ্চায়েত উপপ্রধান হন দলের অঞ্চল সভাপতি তন্ময় ঘোষ। তারপর পঞ্চায়েতের কাজ ও সুযোগ-সুবিধা প্রদানে দুই গোষ্ঠীর দ্বন্দ্ব আরও প্রকাশ্যে চলে আসে। গত অক্টোবর মাসে অঞ্চল সহ- সভাপতি ও তাঁর স্ত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্য মিলু মালিক মণ্ডল দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরব হন। এমনকী, বিষয়টি তিনি স্থানীয় গলসি-১ নং বিডিওর কাছে জানান। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই চাপা উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। এরপরই দোকান খোলার সময় অঞ্চল সভাপতি স্বরূপ মণ্ডলের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ। আক্রান্ত তৃণমূল নেতা স্বরূপ মণ্ডল বলেন,’পঞ্চায়েতে তৃণমূলের ১৮ সদস্য থাকলেও ৭ জন সদস্যকে কোনওরকম গুরুত্ব দেওয়া হয় না। পঞ্চায়েতের কোনও কাজকর্মে, ছাগল বিলি, ত্রিপল বিলি-সহ সুবিধা প্রদানে কোনওরকম জানানো হয় না। বৈমাতৃসুলভ আচরণ করা হয়। তাই বিষয়টি বিডিওর কাছে অভিযোগ জানানো হয়েছিল। এবং সকলকে সঙ্গে নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে পঞ্চায়েত কাজ করার কথা বলা হয়েছিল। এসব না করে আমার উপর হামলা করা হল।’

    হামলা নিয়ে অভিযুক্ত উপ প্রধান কী সাফাই দিলেন?

    যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূলের মানকর অঞ্চল সভাপতি তথা গ্রাম পঞ্চায়েতের (Gram Panchayat) উপপ্রধান তন্ময় ঘোষ। তিনি বলেন, সুযোগ-সুবিধা সমস্ত গ্রাম সংসদে সমানভাবে দেওয়া হয়। তার বাড়তি যদি কেউ চায়, সেটা সম্ভব নয়। পঞ্চায়েতে কোনওরকম দুর্নীতি নেই। প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদের জেরে হামলার শিকার হয়েছে।

    হামলা নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপি বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই বলেন, ‘গোটা বিষয়টি সন্দেহজনক। এখন বখরা নিয়ে নিজেদের মধ্যে মারপিট শুরু করেছে। আর তার মাশুল সাধারণ মানুষকে পরিষেবায় ভুগতে হয়।’ অন্যদিকে, গলসি-১ নং ব্লক সভাপতি জনার্দন চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘পুলিশে অভিযোগ হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি দেখছে। দলের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: মতুয়ারা তৃণমূলকে ভোট দেবেন না, কেন বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: মতুয়ারা তৃণমূলকে ভোট দেবেন না, কেন বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের পুলিশকে লেঠেল বাহিনীতে পরিণত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপো অভিষেক। পুলিশের কাজ শুধু দড়ি দিয়ে মমতা এবং অভিষেককে পাহাড়া দেওয়া আর টাকা তোলা। শুক্রবার কল্যাণীতে আত্রান্ত বিজেপি কর্মীকে দেখতে এসে এই ভাষাতেই রাজ্য পুলিশ এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।

    বিজেপি কর্মীর উপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার দুপুরে মিহির বিশ্বাস নামে এক বিজেপির সক্রিয় কর্মীকে কল্যাণী থানার উত্তর চাঁদমারি এলাকার একটি সেলুনের দোকানে ঢুকে আচমকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারে ওই এলাকারই অভিযুক্ত দুই ভাই আরমান শেখ এবং আরবাজ শেখ। জানা যায়, আরমান এবং আরবাজ ওই এলাকার তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের দায়িত্বে রয়েছেন। রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে বিজেপি কর্মীকে কল্যাণী জহরলাল নেহেরু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় এখনও চিকিৎসা চলছে তার। এই ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন দেশের কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। এরপরই শুক্রবার রাতে ঘটনার কথা জানতে পেরে হাসপাতালে আক্রান্ত ওই বিজেপি কর্মীকে দেখতে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। সেখানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সরকার এবং পুলিশকে আক্রমণ করেন তিনি। তিনি বলেন, পুলিশকে কাজ না করতে দিলে যে ঘটনা ঘটার কথা সেটাই হয়েছে। পুলিশ এখন শুধুমাত্র দড়ি ধরে মমতা এবং অভিষেককে নিরাপত্তা দিতেই ব্যস্ত। গ্রাম পঞ্চায়েত, জেলা পরিষদ স্তরের নির্বাচন হলে ভোট লুট করে কীভাবে তৃণমূলকে জেতানো যাবে সেই কাজ করানো হয় পুলিশকে দিয়ে।

    মতুয়ারা তৃণমূলকে ভোট দেবেন না, তোপ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)

    মতুয়া প্রসঙ্গে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বলেন, বাংলাদেশ থেকে জামাতদের কারণে মতুয়ারা অত্যাচারিত হয়ে এদেশে এসে এসেছিলেন। আজ তাদেরই নিরাপত্তা দিতে ব্যস্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাছাড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মতুয়াদের সম্পর্কে যে কুরুচিকর মন্তব্য করেছেন, তাতে করে কোনও মতুয়া তৃণমূলকে ভোট দেবেন না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারল দলেরই লোকজন, কোন্দল প্রকাশ্যে

    South 24 Parganas: কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারল দলেরই লোকজন, কোন্দল প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও প্রকাশ্যে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল। কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই তৃণমূল কর্মী সমর্থককে বেধড়ক মার অন্য গোষ্ঠীর। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) মথুরাপুর-১ নম্বর ব্লকের ঢোলা থানার ভগবানপুর এলাকায়। আর সেই সিসি টিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আসতেই অস্বস্তিতে তৃণমূল শিবির।

    সিসি টিভি ফুটেজে কী দেখা হল? (South 24 Parganas)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার দক্ষিণ ২৪ পরগনার (South 24 Parganas) ভগবানপুর এলাকায় স্থানীয় একটি কাঠের মিলের মধ্যে কয়েকজন দুষ্কৃতী ঢুকে কাঠ মিলের কর্মীদেরকে বেধড়ক মারধর করে। সেই হামলার ছবি সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়ে। সিসিটিভি ফুটেছে দেখা যাচ্ছে, একদল দুষ্কৃতী  ওই কাঠের মিলের মধ্যে ঢুকে দুই ব্যক্তিকে বেধড়ক মারধর করছে। তবে, এই সিসিটিভি ফুটেজ এর সত্যদার যাচাই করেনি মাধ্যম নিউজ। ঘটনায় গুরুতরভাবে আহত হন নিজাম উদ্দিন মোল্লা ও সাজিদুল রহমান মোল্লা। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের প্রথমে কুলপি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাঁদের অবস্থার অবনতি হলে ডায়মন্ডহারবার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তবে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যে রাজনৈতিক রঙ লেগেছে।

    পঞ্চায়েতে সিপিএমকে সমর্থন করার অপরাধে হামলা

    জখম তৃণমূল কর্মী নিজাম উদ্দিন মোল্লা ও সাজিদুল রহমান মোল্লার বক্তব্য, আমরা তৃণমূল কংগ্রেসের পুরনো কর্মী। দলে সন্মান, গুরুত্ব না পেয়ে পঞ্চায়েতে সিপিআইএমকে সমর্থন করেছিলাম। এটাই ছিল অপরাধ। তারজন্যই ভগবানপুর এলাকার তৃণমূলের সদস্য নইম সাহার ঘনিষ্ঠ মইমুর পিয়াদা ও তাঁর নেতৃত্বে দুষ্কৃতী বাহিনী আমাদের ওপর হামলা চালিয়েছে।

    অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা কী সাফাই দিলেন?

    এই বিষয় নিয়ে স্থানীয় তৃণমূল সদস্য নইম সাহার সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বলেন, ‘নিজাম উদ্দিন মোল্লা ও সাজিদুর রহমান মোল্লাই মইমুর পিয়াদাকে বেধড়ক মারধর করেছে। তিনিও গুরুতর জখম হয়ে ডায়মন্ড হারবার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।’ তবে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের পক্ষ থেকে ঢোলা থানায় লিখিত অভিযোগ জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে গোটা বিষয়ের তদন্ত শুরু করেছে ঢোলা থানার পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: সমবায়ের অনুষ্ঠানেই বিজেপির কর্মীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    Purba Medinipur: সমবায়ের অনুষ্ঠানেই বিজেপির কর্মীদের বেধড়ক মারধরের অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমবায়ের অনুষ্ঠানে বিজেপির উপর তৃণমূলের ব্যাপক আক্রমণের অভিযোগে উত্তেজনা ছড়াল পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) মহিষাদলে। অনুষ্ঠানের মধ্যে চলে হাতাহাতি, চেয়ার ছোড়াছুড়ি। ঘটনায় বেশ কিছু বিজেপি কর্মী আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। প্রতিবাদে বিজেপি রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ জানায়। যদিও ঘটনায় শাসক দল, বিজেপি কর্মীদের মারধরের অভিযোগকে অস্বীকার করেছে।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (Purba Medinipur)?

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার থেকে শুরু হয়েছে রাজ্যের সমবায়ের শতবর্ষের উদযাপন অনুষ্ঠান। পূর্ব মেদিনীপুরের (Purba Medinipur) মহিষাদলের জালপাই সমবায়েও একই ভাবে অনুষ্ঠান শুরু হয়েছিল। ত্রিস্তর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এলাকার তৃণমূল বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী সহ পঞ্চায়েত, ব্লক এবং জেলা প্রশাসনের নানান সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু এই অনুষ্ঠানে ডাক পাননি বিজেপি পরিচালিত ইতামগরা ২ পঞ্চায়েতের প্রধান রামকৃষ্ণ দাস। এরপর এলাকার বিজেপি কর্মীরা প্রধানের নেতৃত্বে উপস্থিত হন অনুষ্ঠানে। তারপর পুলিশের সামনেই তৃণমূলের কর্মীরা আচমকা বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা করে বলে অভিযোগ। কার্যত বিজেপির কর্মীদের উপর লাঠি, বাঁশ, চেয়ার ছুড়ে একতরফা ব্যাপক মারধর করে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা।

    ঘটনায় বিজেপির বক্তব্য

    অনুষ্ঠানে মারধরের পর বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের এই আক্রমণের বিরুদ্ধে তেরপেখ্যা কাপাসএড়্যা (Purba Medinipur) সড়কে অবস্থান বিক্ষোভ করে। বিজেপির প্রধান রামকৃষ্ণ দাস বলেন, “এলাকায় মানুষের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের বাদ দিয়ে তৃণমূল নিজের গায়ের জোরে শতবর্ষের অনুষ্ঠান করেছে। এই সমবায়ে সকলের অধিকার রয়েছে। বাইরে থেকে লোক এনে অনুষ্ঠান করলে আমরা প্রতিবাদ করি। এই প্রতিবাদের জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাদের উপর হামলা করে। পুলিশের সমানেই আমাদের উপর বেধড়ক মারধর চলে। পুলিশ কোনও রকম সক্রিয়তা দেখায়নি। পুলিশ যদি দোষীদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে ব্যবস্থা না নেয় তাহলে আগামী দিনে বড় আন্দোলন করবো।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    তৃণমূলের মহিষাদলের (Purba Medinipur) বিধায়ক তিলক চক্রবর্তী বলেন, “সমবায়ের অনুষ্ঠানের কারা আসবেন তা ঠিক করার একমাত্র অধিকার রয়েছে নির্বাচিত বোর্ডের। বিজেপি সর্বত্র অশান্তির সৃষ্টি করছে। শুভেন্দুর নির্দেশেই এলাকায় গোলমাল করছে বিজেপি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • New Barrackpore: প্রকাশ্যে মদ্যপানের বিরোধিতা করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ, চাঞ্চল্য

    New Barrackpore: প্রকাশ্যে মদ্যপানের বিরোধিতা করতে গিয়ে আক্রান্ত হল পুলিশ, চাঞ্চল্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগেই জলপাইগুড়ির ধূপগুড়িতে কালীপুজোর চাঁদা আদায়কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে গিয়ে জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আক্রান্ত হন। ক্লাবের ছেলেরা মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেন। তাঁর নিরাপত্তারক্ষীকেও মারধর করা হয়। এবার প্রকাশ্যে মদ খাওয়ার বিরোধিতা করার জন্য ক্লাবের ছেলেদের হাতে আক্রান্ত হলেন এক মহিলা পুলিশ কর্মী সহ এক পুলিশ অফিসার। বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নিউ বারাকপুর (New Barrackpore) পুরসভার ৮নং ওয়ার্ডে জনকল্যাণ পাড়া এবং ৪ নং ঝিলের সামনে একটি গলিতে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়়েছে। বার বার এরকম হামলার ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (New Barrackpore)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিউ বারাকপুর (New Barrackpore) পুরসভার ৮নং ওয়ার্ডে জনকল্যাণ পাড়ায় চলছিল স্থানীয় ক্লাবের শ্যামা পুজো উপলক্ষে বিচিত্রানুষ্ঠান। তারপর রাত ১২ টায় পাশের ঝিলে প্রতিমা বিসর্জন করা হয়। থানার কর্তব্যরত পুলিশ কর্মীরা এলাকায় ডিউটি করছিলেন। রাতে গলিতে কয়েকজন যুবক প্রকাশ্যে মদ্যপান করছিলেন। প্রতিবেশীরা মদ্যপানের প্রতিবাদে করলে তাঁরা হুমকি দেন। অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন প্রতিবেশীদের। শেষে নিউ বারাকপুর থানার পুলিশের দ্বারস্থ হন প্রতিবেশীরা। ঘটনাস্থলে কর্তব্যরত টহলদারি পুলিশ কর্মীরা গেলে যুবকদের হাতে তাঁরা আক্রান্ত হন। কর্তব্যরত মহিলা পুলিশকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে  ওই যুবকরা। নিগৃহীত করা হয় মহিলা পুলিশ কর্মীকেও। হামলার জেরে থানার সাব ইন্সপেক্টর আশিস গুহ গুরুতরভাবে জখম হন। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে ছুটে আসে নিউ বারাকপুর থানার অতিরিক্ত পুলিশ বাহিনী। ঘটনার পর পরই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে হামলাকারীরা এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে এসে তল্লাশি অভিযান চালিয়ে চারজন যুবককে আটক এবং পরে গ্রেফতার করে পুলিশ। শুক্রবার ধৃতদের বারাকপুর আদালতে হাজির করা হয়। এর আগেও এই থানা এলাকায় পুলিশের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Shantipur: আক্রান্ত চিকিৎসকের সুবিচারের দাবিতে বিজেপি-র আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার

    Shantipur: আক্রান্ত চিকিৎসকের সুবিচারের দাবিতে বিজেপি-র আন্দোলন ঘিরে ধুন্ধুমার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয় নদিয়ার শান্তিপুর (Shantipur) থানার ফুলিয়া এলাকায়। পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তি হয়। তাতে ১০ জন বিজেপি কর্মী জখম হন। পরে, পুলিশের বিরুদ্ধে বিজেপি কর্মীরা ক্ষোভ উগরে দেন।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Shantipur)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রবিবার ১২ নভেম্বর সকালে ফুলিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাজে যোগ দিতে যাচ্ছিলেন সুজন দাস নামে এক চিকিৎসক। তাঁর বাড়ি শান্তিপুর (Shantipur)। বাইকে করে তিনি ফুলিয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাচ্ছিলেন। বঁইচা ঘোষপাড়ায় ফুলিয়া-আড়বান্দি রোডে স্থানীয় ক্লাবের ছেলেরা কালীপুজোর জন্য চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু, দাবি মতো চাঁদা দিতে রাজি হননি সুজনবাবু। আর তারপরই ক্লাবের ছেলেরা তাঁর উপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ফিরে রোগী দেখতে শুরু করেও অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। প্রথমে রানাঘাট মহকুমা হাসপাতালে, সেখান থেকে একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল তাঁকে। সেদিনই তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানান। বুধবার বাড়ি ফেরার পর আবার অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে শান্তিপুর স্টেট জেনারেল হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে সেদিনই তাঁকে জেএনএমে পাঠানো হয়।

    আক্রান্ত চিকিৎসককে দেখতে শুভেন্দু, কী বললেন?

    বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কল্যাণী জেএনএম কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পরে বেরিয়ে এসে রাজ্য সরকার ও শান্তিপুর থানার পুলিশকে নিশানা করেন তিনি। শুভেন্দু আসার সময়ে চিকিৎসকের সঙ্গে ছিলেন তাঁর বাবা ও ভাই। শুভেন্দুর দাবি, স্থানীয় থানার ওসি তাঁর অভিযোগপত্র গ্রহণ করে এফআইআর নম্বর দেননি বলে সুজন আমার কাছে অভিযোগ করেছেন। উল্টে যে বাঁচাতে গিয়েছিল, তাকেই গ্রেফতার করা হয়েছে। আসল অপরাধীরা তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক হওয়ায় পুলিশ তাদের গায়ে হাত দেওয়ার সাহস পায়নি।

    বিজেপির শান্তিপূর্ণ অবস্থানে গন্ডগোল 

    শুক্রবার দোষীদের গ্রেফতারের দাবিতে শান্তিপুরের (Shantipur) ফুলিয়া ফাঁড়ির সামনে বিজেপি কর্মীরা অবস্থান বিক্ষোভ করেন। সেখানেই কয়েক ঘন্টা ধরে চলে বিজেপির পক্ষ থেকে বিক্ষোভ। পরবর্তীতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা পুলিশের ব্যারিকে়ড ভেঙে পুলিশ ফাঁড়ির ভিতরে ঢুকতে গেলে শুরু হয় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি। তারপর তা প্রায় হাতাহাতিতে পরিণত হয়। ঘটনাস্থলে গুরুতর আহত হয় বেশ কয়েকজন মহিলা বিজেপি কর্মী, এছাড়াও আহত হন বিজেপি বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়, রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র অর্চনা মজুমদার সহ রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার। পরবর্তীতে পরিস্থিতি রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়, সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার পুলিশ প্রশাসনকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন বলেন, পুলিশ তৃণমূলের দলদাসে পরিণত হয়েছে। যে ব্যক্তি চিকিৎসককে মারধর করেছে সেই মূল অভিযুক্তকে কেন গ্রেফতার করা হল না? আমরা সেই কারণেই পুলিশ ফাঁড়ি ঘেরাও কর্মসূচির ডাক দিয়েছিলাম। সেখানে আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী-সমর্থককে আহত হতে হয়েছে। আমরা এর বিচার চাই। রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র অর্চনা মজুমদার বলেন, আমাকেও আঘাত পেতে হয়েছে। পুলিশের এই বর্বরতা আমরা কিছুতেই মেনে নেব না।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jalpaiguri: রাস্তা আটকে চাঁদা আদায়! প্রতিবাদ করতে গিয়ে মাথা ফাটল অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের

    Jalpaiguri: রাস্তা আটকে চাঁদা আদায়! প্রতিবাদ করতে গিয়ে মাথা ফাটল অতিরিক্ত পুলিশ সুপারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কালীপুজোর চাঁদা আদায়কে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়াল জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ির আংরাভাসা এলাকায়। ক্লাবের ছেলেদের হাতে আক্রান্ত হন জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) ওয়াংডেন ভুটিয়া ও তাঁর নিরাপত্তারক্ষী। পরে, বিশাল পুলিশ বাহিনী নামিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়। হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ ৩ জনকে গ্রেফতার করে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Jalpaiguri)  

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) ধূপগুড়ির আংরাভাসা এলাকায় একটি ক্লাবে কালীপুজোর অনুষ্ঠান চলছিল। অভিযোগ, সেই সময় ক্লাবের সদস্যরা এশিয়ান হাইওয়েতে গাড়ি থামিয়ে চাঁদা তুলছিলেন। এর ফলে রাস্তায় যানজট সৃষ্টি হয়। তাতে আটকে যায় জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীণ) ওয়াংডেন ভুটিয়ার গাড়িও। তাঁর নিরাপত্তারক্ষী গাড়ি থেকে নেমে বিষয়টি দেখতে গেলে চাঁদা আদায়কারীরা তাঁর ওপর চড়াও হন। তাঁকে মারধর করা হয় বলেও অভিযোগ। এরপর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নিজে গাড়ি থেকে নেমে নিরাপত্তারক্ষীকে বাঁচাতে গেলে তাঁকেও মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মেরে তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে ধূপগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার জেরে এলাক জুড়ে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়।

    কী বললেন আক্রান্ত পুলিশ আধিকারিক?

    জখম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ওয়াংডেন বলেন, বেশ কয়েকজন রাস্তায় গাড়ি থামিয়ে টাকা তুলছিল। রাস্তায় যানজট হচ্ছে বলে আমার নিরাপত্তারক্ষী বিষয়টি দেখতে যান। ওরা তাঁকে মারধর করে। চোখের সামনে নিরাপত্তারক্ষীকে মারধর করতে দেখে আমি তাঁকে বাঁচাতে যাই। ওরা আমার উপর চড়াও হয়।

    জেলার পুলিশ সুপার কী বললেন?

    এই প্রসঙ্গে জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার পুলিশ সুপার খান্ডবহালে উমেশ গণপত বলেন,  রাস্তা আটকে চাঁদা আদায় করা অন্যায়। তারপর পুলিশ আধিকারিকের উপর চড়াও হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই হামলার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজেও তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

  • Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে হামলা, ভাঙচুর করা হল মঞ্চ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    Cooch Behar: কোচবিহারে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীতে হামলা, ভাঙচুর করা হল মঞ্চ, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। আর সেই নির্বাচনকে পাখির চোখ করে ইতিমধ্যেই সংগঠনকে ঢেলে সাজানো ও শক্তিশালী করে তুলতে ময়দানে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যের শাসকদল যেমন দিনহাটা মহকুমার বিভিন্ন স্থানে বিজয়া সম্মিলনী করে চলেছে, তেমনই পিছিয়ে থাকছে না গেরুয়া শিবিরও। বিজেপির সেই বিজয়া সম্মিলনীর মঞ্চে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে। বুধবার কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা-১ নম্বর ব্লকের আটিয়াবাড়ি-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলতলা এলাকায় বিজয়া সম্মিলনীর অনুষ্ঠানস্থলে এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পরে, পুলিশি নিরাপত্তায় বিজয়া সম্মিলনী হয়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল? (Cooch behar)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা ১ নম্বর ব্লকের আটিয়াবাড়ির বেলতলা এলাকায় বিজেপির বিজয়া সম্মিলনীর প্রস্তুতি চলছিল। তৃণমূলের একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোঁটা নিয়ে বাইকে চেপে সেখানে এসে তাণ্ডব চালাতে থাকে। তারা মঞ্চ ছাড়াও চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে। অনুষ্ঠানের হাঁড়ি-কড়াই নিয়ে চলে যায়। বিজেপি কর্মীরা তাদের দেখে সেখান থেকে কার্যত পালিয়ে যান। খবর পেয়ে দিনহাটা থানার বিশাল পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। পুলিশ পৌঁছতেই দুষ্কৃতীরা ঘটনাস্থল ছেড়ে পালায়। এরপর পুলিশের নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে বিজেপির পূর্বনির্ধারিত বিজয়া সম্মিলনী সম্পন্ন হয়।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    বিজেপির দিনহাটা মণ্ডলের সহ-সভাপতি রফিক খান বলেন, ‘সন্ত্রাস করে বিজেপির বিজয়া সম্মিলনী ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল। রাজ্যের শাসকদলের কর্মী-সমর্থকরা এসে অনুষ্ঠানস্থলে ভাঙচুর করে, দলীয় পতাকা ছিঁড়ে দেয়। দলীয় কর্মী-সমর্থকরা প্রতিবাদ করায় তারা পিছু হটতে বাধ্য হয়।’

    তৃণমূল নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    অপরদিকে তৃণমূলের আটিয়াবাড়ি ২ নম্বর অঞ্চল সভাপতি আব্দুল মান্নান বলেন, একশো দিনের কাজের টাকা না পেয়ে সেই টাকা সম্পর্কে জানতে গিয়েছিল। এর সঙ্গে তৃণমূলের কোনও সম্পর্ক নেই।’ অন্যদিকে সিতাইয়ের বিধায়ক জগদীশচন্দ্র বর্মা বসুনিয়া বলেন, ‘বিজয়া সম্মিলনীর মধ্য দিয়ে বিজেপি কর্মীরা নিজেরাই গন্ডগোল করে। তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে লোকসভা ভোটের আগে রাজনৈতিক ফায়দা তোলার চেষ্টা করছে। এতে লাভ কিছু হবে না।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Birbhum: প্রকাশ্যে ছাত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপ, বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন একজন, রোমহর্ষক ঘটনা বীরভূমে

    Birbhum: প্রকাশ্যে ছাত্রীকে এলোপাথাড়ি কোপ, বাঁচাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন একজন, রোমহর্ষক ঘটনা বীরভূমে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জনবহুল এলাকায় মিষ্টির দোকানে বসেছিলেন এক কলেজ ছাত্রী। আচমকা তিনজন এসে প্রকাশ্য দিবালোকে ওই কলেজ ছাত্রীকে কাটারি দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানোর অভিযোগ উঠল। ধারাল অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর জখম কলেজ ছাত্রীকে ভর্তি করা হয়েছে সিউড়ি সদর হাসপাতালে। হামলাকারী কলেজ ছাত্রীর পূর্ব পরিচিত। বুধবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) সাঁইথিয়ার তালতলায়। অভিযুক্ত যুবকের নাম আজিজুল সেখ। তাকে গ্রেফতার করেছে সাঁইথিয়া থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Birbhum)

    বীরভূমের (Birbhum) ময়ূরেশ্বর থানার ওলকুণ্ডা গ্রামের বাসিন্দা তৃতীয় বর্ষের ওই ছাত্রী তাঁর বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বুধবার নিজের কলেজ সাঁইথিয়া অভেদানন্দ মহাবিদ্যালয়ে মার্কশিট তুলতে গিয়েছিলেন। কলেজে গিয়ে ছাত্রীটি জানতে পারে তার মার্কশিট অন্য কেউ তুলে নিয়েছে। খোঁজ খবর করে জানা যায়, ছাত্রীরই পূর্ব পরিচিত আজিজুল সেখ জালিয়াতি করে তার মার্কশিট তুলে নেয়। ছাত্রীর বন্ধু বান্ধবরা মিলে অভিযুক্ত যুবককে ধরে তার কাছ থেকে মার্কশিটটি উদ্ধার করে। ওই যুবককে বকাঝকাও করা হয়। এরপরে মেয়েটি যখন বাবার সঙ্গে কলেজ থেকে বেরিয়ে সাঁইথিয়ার তালতলায় এসে বাস ধরার জন্য যায়। বাস দেরিতে আসছে দেখে একটি  মিষ্টির দোকানে তারা ঢোকেন। অভিযুক্ত আজিজুল সেখ তার দুই বন্ধুকে নিয়ে সেখানে কাটারি নিয়ে আচমকা হামলা চালায় ছাত্রীর উপর। ছাত্রীর হাত ও পায়ে আঘাত লাগে। মেয়েটিকে বাঁচাতে গিয়ে জখম হন মিষ্টির দোকানের মালিকও। সেই এলাকার মানুষজন ছুটে এসে অভিযুক্ত যুবকদের ধরে ফেলে ও পুলিশের হাতে তুলে দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় ছাত্রীটিকে সিউড়ি সদর হাসপাতালে ও আহত দোকানদারকে সাঁইথিয়া ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। সাঁইথিয়া থানার পুলিশ অভিযুক্ত যুবকটিকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্ত যুবকের বাড়ি ময়ূরেশ্বরের ছোটতুড়ি গ্রামে। আক্রান্ত ছাত্রীর বাবা বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ছেলেটি আমার মেয়েকে উত্ত্যক্ত করছিল। কলেজেও এদিন ঝামেলা হয়েছিল। তারপরই এভাবে হামলা চালাবে তা আমরা ভাবতেই পারছি না। কয়েক বছর আগে প্রকাশ্য রাস্তায় সুতপা চৌধুরী নামে এক কলেজ পড়ুয়াকে সুশান্ত চৌধুরী কুপিয়ে খুন করেছিল। এদিনের হামলার ঘটনা সেই ঘটনাকেই স্মরণ করিয়ে দিল।

    প্রত্যক্ষদর্শীদের কী বক্তব্য?

    প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, ওরা খুব চুপচাপ ঘটনাস্থলে এসেছিল। ওদের সঙ্গে ধারাল অস্ত্র ছিল তা কেউ দেখতে পায়নি। আচমকা তারা হামলা চালায়। তবে, মিষ্টি ব্যবসায়ী ঝাঁপিয়ে পড়ে উদ্ধার না করলে বড় বিপদ হতে পারত।

     

     দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share