Tag: Ayodhya

Ayodhya

  • Chaudah Kosi Parikrama: চৌদ্দ কোশী পরিক্রমা উৎসবে প্রায় ৩০ লাখ ভক্ত সমাগম অযোধ্যায়

    Chaudah Kosi Parikrama: চৌদ্দ কোশী পরিক্রমা উৎসবে প্রায় ৩০ লাখ ভক্ত সমাগম অযোধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩০ লাখেরও বেশি ভক্ত সমাগমে গমগম করছে অযোধ্যা। তবে এই বিপুল তীর্থযাত্রীদের একত্রিত হওয়ার কারণ রামমন্দির নয়। চৌদ্দ কোশী (Chaudah Kosi Parikrama) পরিক্রমা উৎসবের জন্যই এই ভিড়। হিন্দুধর্ম মতে এটি একটি পবিত্র উৎসব। এই উৎসবে শ্রদ্ধার বস্তুকে কেন্দ্র করে তার চারপাশে ঘুরতে থাকেন ভক্তরা। এই উৎসব সম্পন্ন হয় কার্তিক অক্ষয় নবমীতে। জনপ্রিয় উৎসব চৌদ্দ কোশী পরিক্রমা ব্রত শুরু হয় গত ২০ নভেম্বর রাত্রি ২:০৯ মিনিট থেকে, শেষ হয় ২১ নভেম্বর রাত্রি ১১:৩৮ মিনিটে। ভক্তরা এই সময়ের মধ্যে চৌদ্দ কোশী পরিক্রমার (Chaudah Kosi Parikrama) বিভিন্ন আচার পালন করেন। এখনও পর্যন্ত বেশিরভাগ ভক্তই রয়েছেন রামনগরীতে।

    কার্তিক পূর্ণিমার স্নান শুরু হবে আগামী ২৬ নভেম্বর

    জানা গিয়েছে, কার্তিক পূর্ণিমার স্নান শুরু হবে আগামী ২৬ নভেম্বর বেলা ৩টে ১১ মিনিটে এবং তা শেষ হবে ২৭ নভেম্বর ২টো ৩৬ মিনিটে। বিপুল ভক্তদের সমাগমের কারণে অযোধ্যায় ঢেলে সাজানো হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আধা সামরিক বাহিনীও মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়াও সন্ত্রাস দমন শাখা সেখানে সর্বক্ষণে নজরদারি চালাচ্ছে। এমনিতেই দুমাস পরে অযোধ্যায় রামমন্দিরের উদ্বোধন রয়েছে ঠিক সে কারণেই সাজোসাজো রব চলছে এখন। উত্তরপ্রদেশের উপর দিয়ে যাওয়া ২২৭বি জাতীয় সড়কের একটি বড় অংশের নামই হয়ে গিয়েছে চৌদ্দ কোশী পরিক্রমা মার্গ (Chaudah Kosi Parikrama)। এই পথ ধরেই হাঁটতে দেখা যাচ্ছে তীর্থযাত্রীদের।

    তীর্থযাত্রীদের জন্য হাসপাতালগুলিতে বেড সংরক্ষণ রাখা হয়েছে

    উত্তরপ্রদেশের যোগী সরকার তীর্থযাত্রীদের যাতে কোনওরকমের অসুবিধা না হয় সেদিকে নজর দিয়েছে। সেখানে স্বাস্থ্য পরিষেবার জন্য জায়গায় জায়গায় স্বাস্থ্য পরীক্ষা ক্যাম্পও বসানো হয়েছে। এর পাশাপাশি যদি কোনও তীর্থযাত্রী অসুস্থ হয়ে যায় ঠিক সেই কারণেই উত্তরপ্রদেশের নামী মেডিক্যাল কলেজগুলির হাসপাতালের বেড সংরক্ষণ রাখা হয়েছে। জানা গিয়েছে, মেডিক্যাল কলেজ এবং জেলা হাসপাতালগুলিতে (Chaudah Kosi Parikrama) ২০টি করে বেড সংরক্ষণ করা হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: উদ্বোধনের মুখে রামমন্দির, পুরোহিত ও মহন্ত নির্বাচন করা হচ্ছে কীভাবে?

    Ram Mandir: উদ্বোধনের মুখে রামমন্দির, পুরোহিত ও মহন্ত নির্বাচন করা হচ্ছে কীভাবে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামমন্দিরের (Ram Mandir) পুরোহিত ও মহন্ত হওয়ার জন্য আবেদন করেছেন প্রায় ৩ হাজার প্রার্থী। যাঁদের মধ্যে ২০০ জনকে প্রাথমিকভাবে বাছাই করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তি জারি করে সোমবারই এ কথা জানিয়েছে ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। প্রসঙ্গত, আগামী বছরের জানুয়ারিতেই খুলে যাচ্ছে রামমন্দিরের (Ram Mandir) দরজা। ২২ জানুয়ারি রামের বিগ্রহে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিনই রামলালাকে কোলে নিয়ে গর্ভগৃহে প্রবেশ করবেন প্রধানমন্ত্রী। ২২ জানুয়ারি বেলা ১২টা ২০ মিনিটে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে বলে জানা গিয়েছে। মন্দির উদ্বোধনকে ঘিরে দেশজুড়ে রামভক্তদের মধ্যে এখন উন্মাদনা তুঙ্গে। ঠিক এই আবহে সামনে এল রামমন্দিরের পুরোহিত ও মহন্ত নির্বাচনের সমস্ত রকম প্রক্রিয়া।

    কীভাবে হবে পুরোহিত ও মহন্ত বাছাই?

    জানা গিয়েছে, প্রাথমিকভাবে বাছাই হওয়া ২০০ জন প্রার্থীর ইন্টারভিউ নেওয়া হবে অযোধ্যাস্থিত বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদর দফতর ‘করসেবক পুরম’-এ। ইন্টারভিউ বোর্ডে তিনজনের প্যানেল থাকবে, এমনটাই জানিয়েছে ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। তিনজনের ওই প্যানেলে থাকবেন জয়কান্ত মিশ্র, যিনি একজন হিন্দু ধর্মের প্রচারক এবং বৃন্দাবন নিবাসী। অন্য দু’জন মহন্ত থাকবেন। মিথিলেশ নন্দিনী স্মরণ এবং সত্যনারায়ণ দাস। দুজনেই অযোধ্যার নিবাসী। ইন্টারভিউ বোর্ড ২০০ প্রার্থীর মধ্যে ২০ জনকে বাছাই করবে। কিন্তু কীসের ভিত্তিতে হবে এই বাছাই? সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের ভিত্তিতে নির্মিত রামমন্দিরের (Ram Mandir) পুরোহিত ও মহন্ত হওয়ার ইন্টারভিউ যে খুব সহজ হবে না, তা মানছেন অনেকেই। এখানে পুরোহিত ও মহন্ত পদপ্রার্থীদের ধর্মশাস্ত্রের জ্ঞান, পুজোর আচার বিষয়ক ধারণা, দক্ষতা, অভিজ্ঞতা এ সমস্ত কিছুই দেখা হবে।

    পুরোহিত ও মহন্ত পদপ্রার্থীদের কী কী প্রশ্ন করা হতে পারে? 

    ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ সূত্রে জানা গিয়েছে, ‘সন্ধ্যা বন্দনা’, পুজোর আচার, ভগবান রামের পুজোর পদ্ধতি, রামের পুজোর মন্ত্র, রামের উপাসনায় কোন কোন আচার মেনে চলতে হয়, এই সমস্ত প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হবে পুরোহিত ও মহন্ত পদপ্রার্থীদের (Ram Mandir)। যে ২০ জন প্রার্থীকে বাছা হবে, তাঁদেরকে মন্দিরের বিভিন্ন পদে নিয়োগ করা হবে। ছ’মাস তাঁদের প্রশিক্ষণও চলবে। যাঁরা ইন্টারভিউতে নির্বাচিত হতে পারবেন না, তাঁদেরকে শংসাপত্র দেবে ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। ইন্টারভিউতে নির্বাচিত হতে না পারা প্রার্থীরাও প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন। প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রত্যেক প্রার্থী সাম্মানিক ভাতা হিসাবে পাবেন মাসিক ২ হাজার টাকা। একথা জানিয়েছেন গোবিন্দদেব গিরি, ‘রামমন্দির তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর কোষাধ্যক্ষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: সিংহাসন, দরজা, স্তম্ভ সবেতেই সোনার প্রলেপ! বিশেষ চমক রামমন্দিরে

    Ram Mandir: সিংহাসন, দরজা, স্তম্ভ সবেতেই সোনার প্রলেপ! বিশেষ চমক রামমন্দিরে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোর কদমে চলছে রামমন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের কাজ। আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন প্রায় ৫০০ মিটার পথ খালি পায়ে হেঁটে রামলালাকে কোলে নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করবেন নরেন্দ্র মোদি। রামমন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে দেশজুড়ে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা তুঙ্গে। প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের ভিত্তিতে নির্মিত হচ্ছে রামমন্দির। অযোধ্যায় নির্মিত এই মন্দিরে (Ram Mandir) বহু চমক অপেক্ষা করছে দর্শনার্থীদের জন্য। রামমন্দিরের বিভিন্ন কারুকার্যতে শিল্প নৈপুণ্য একেবারে ফুটে উঠেছে। সিংহাসন, মূর্তি, স্তম্ভ দেওয়াল, মন্দিরের দরজা সর্বত্র দেখা যাবে বিশেষ বিশেষ চমক।

    সোনার প্রলেপ থাকছে দরজা, থাম এবং সিংহাসনে

    ‘রামজন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর তরফে জানানো হয়েছে মন্দিরের দরজায় এবং থামগুলিতে থাকবে সোনার প্রলেপ। সারাদেশ থেকেই কারিগররা লেগে রয়েছেন রামমন্দির তৈরীর কাজে। রামমন্দিরের প্রতিটি তলায় থাকছে ১৮টি দরজা। জানা গিয়েছে, গর্ভগৃহের দরজাটি সবথেকে বড়। গর্ভগৃহে অধিষ্ঠান করবেন রামলালা (Ram Mandir)। রামলালার অবস্থান হবে যে সিংহাসনে সেটি ৮ ফুট লম্বা সোনার প্রলেপ যুক্ত মার্বেল দিয়ে তৈরি হচ্ছে। গর্ভগৃহের দরজাতে যে বিশেষ নৈপুণ্য ছোঁয়া থাকবে তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। মূল মন্দির নির্মাণ করা হচ্ছে ৩৫০ ফুট বাই ২৫০ ফুট এলাকায়।

    রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগে নামছে আরএসএস

    অন্যদিকে, রামমন্দির (Ram Mandir) উদ্বোধনের আগে ১ থেকে ১৫ জানুয়ারি দেশের গ্রামে গ্রামে নির্মিত রামমন্দিরের ছবি নিয়ে জনসংযোগ করবেন আরএসএস-এর স্বয়ংসেবকরা। জানা গিয়েছে, দেশের প্রায় ৫ লাখ গ্রামে চলবে এই প্রচারাভিযান। গুজরাটের ভুজে চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবার এই ঘোষণা করতে শোনা যায় সঙ্ঘ নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলেকে। জানা গিয়েছে, মন্দির উদ্বোধনের দিন দেশের সকল ছোটবড় ধর্মস্থানগুলিতে উৎসবেরও আয়োজন করবে আরএসএস। চলতি বছরে নাগপুরে আয়োজিত বিজয়া সম্মেলনে সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত বলেন, উদ্বোধনের দিন প্রত্যেক হিন্দু, বাড়িতে যেন পঞ্চ প্রদীপ অবশ্যই জ্বালান। অন্যদিকে, অযোধ্যার রামমন্দির থেকে তিনটি কলসিতে ‘অক্ষত চাল’ চলে এসেছে বাংলায়। গত রবিবার অযোধ্যায় রামজন্মভূমিতে বিশেষ পুজোর আয়োজন করে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। এরপরেই দেশের সমস্ত রাজ্যে সেই অক্ষত চাল পাঠানোর কাজ শুরু হয়। হলুদ এবং ঘি মাখিয়ে তৈরি করা হয় এই অক্ষত। কোনও শুভ অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে যা মঙ্গলজনক বলেই মনে করা হয়। ১০০ কুইন্টাল চাল এনে গত রবিবারই অক্ষত পুজো সম্পন্ন হয় অযোধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: উদ্বোধনের মুখে রামমন্দির উড়িয়ে দেওয়ার ছক জঙ্গিদের, কড়া নিরাপত্তার চাদরে অযোধ্যা

    Ram Mandir: উদ্বোধনের মুখে রামমন্দির উড়িয়ে দেওয়ার ছক জঙ্গিদের, কড়া নিরাপত্তার চাদরে অযোধ্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুমাস বাদেই জানুয়ারিতে রয়েছে রাম মন্দিরের (Ram Mandir) উদ্বোধন। ২২ জানুয়ারি রামমূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রামমন্দিরের উদ্বোধনকে ঘিরে দেশজুড়ে বাড়ছে ভক্তদের মধ্যে উন্মাদনা। ঠিক এমন সময় গোপন সূত্রে খবর, রামমন্দিরে হামলা চালানোর ছক করছে বেশ কিছু জঙ্গি সংগঠন। সূত্রের খবর, পাকিস্তানের মদতে চলা জঙ্গি সংগঠন আল কায়দা এবং লস্কর-ই-তৈবা হামলার ষড়যন্ত্র করছে। 

    কড়া নিরাপত্তার চাদরে রামমন্দির

    নাশকতার ষড়যন্ত্রের খবর সামনে আসতেই কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে রামমন্দিরকে (Ram Mandir)। এমনিতেই রামমন্দিরকে ঘিরে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে, তা সত্ত্বেও সেই ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এটাই নতুন নয় রামমন্দিরকে বিস্ফোরণে উড়িয়ে দেওয়া ছক কষেছিল আইএসআইএস জঙ্গি মহম্মদ শাহানওয়াজ সহ তিনজন। গত অক্টোবর মাসেই তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়। পাকিস্তানে বসে এই ষড়যন্ত্র কষা হয়েছিল বলে গোয়েন্দাদের মত।

    ষড়যন্ত্রের মাস্টারমাইন্ড ফারহাতুল্লা 

    রাম মন্দিরের (Ram Mandir) পাশাপাশি কেরলের শবরীমালা মন্দির এবং দিল্লির অক্ষরধাম মন্দিরও ছিল জঙ্গিদের নিশানায়। অন্তত ধৃত সন্ত্রাসবাদীদের জেরা করে এমনটাই জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। এর পাশাপাশি দিল্লি, হরিয়ানা এবং উত্তরপ্রদেশের বেশ কয়েকজন বিজেপি ও আরএসএস নেতাকে টার্গেট করেছিল জঙ্গিরা। রামমন্দিরের নাশকতার ব্লু প্রিন্ট প্রথম তৈরি হয়েছিল পাকিস্তানের মাটিতেই। এর মাস্টারমাইন্ড ছিল জঙ্গি ফারহাতুল্লা। সেখানেই শাহনওয়াজ সমেত তিনজনকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছিল। ভারতের বাসিন্দা ফারাতুল্লাহ পাকিস্তানের পালিয়ে জঙ্গির প্রশিক্ষণ নেয় এবং কাশ্মীরের একাধিক যুবককেও সে ট্রেনিং দেয় বলে জানতে পেরেছেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের তরফ থেকে বলা হয়েছে আইএসআই-এর মডিউলে সদস্য ছিল শাহনওয়াজ। গত অক্টোবরে তল্লাশির সময় গোয়েন্দারা জঙ্গিদের কাছ থেকে উদ্ধার করেছে বেশ কয়েকটি বই, আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ এবং বোমা তৈরির উপকরণ। জানা গিয়েছে, শাহনওয়াজ সমেত ধৃত তিনজনই বিটেক ইঞ্জিনিয়ার। দিল্লিতে একটি সংস্থা চাকরি করত শাহনওয়াজ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামমন্দির নির্মাণকে ঘিরে সেজে উঠছে অযোধ্যা, স্থানীয় ব্যবসাতেও বিপুল বৃদ্ধি

    Ram Mandir: রামমন্দির নির্মাণকে ঘিরে সেজে উঠছে অযোধ্যা, স্থানীয় ব্যবসাতেও বিপুল বৃদ্ধি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২২ জানুয়ারি রামলালার মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেদিন ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে রামলালা কোলে নিয়ে ৫০০ মিটার পথ অতিক্রম করতেও দেখা যাবে। ঠিক ২ মাস পরে হতে চলা অযোধ্যায় রামমন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের উদ্বোধনকে ঘিরে এখন সাজোসাজো রব সেখানে। অযোধ্যার ২৫ লাখ বাসিন্দাই সাক্ষী থাকবেন সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের ভিত্তিতে নির্মিত রাম মন্দিরের। পাশাপাশি সারা দেশ থেকে বিশিষ্টজনদের আমন্ত্রণও জানানো হয়েছে  ‘তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ এর পক্ষ থেকে। রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে দেখা যাবে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত, উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে।

    অযোধ্যাকে ঘিরে বাড়ছে ব্যবসা

    সম্পূর্ণভাবে ভোলবদল করা হচ্ছে অযোধ্যার। হনুমানগড়ি মন্দির পর্যন্ত যে রাস্তা রয়েছে, সেখানকার পরিকাঠামো সম্পূর্ণভাবে বদল করে দেওয়া হয়েছে। রাস্তার পাশে কিছু দোকানকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। রাস্তা সম্প্রসারণের কাজেই এই সিদ্ধান নিয়েছে যোগী সরকার। সারা বছর ধরেই রামভক্তদের ভিড় চলবে এই রাস্তায়। যাঁদের দোকান থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে, তাঁদেরকে ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন দেওয়া হয়েছে যোগী সরকারের তরফে। গত কয়েক মাস ধরে হনুমানগড়িতে ব্যবসা ক্ষেত্রের অভূতপূর্ব উন্নতি দেখা যাচ্ছে এবং এর সবটাই যে রামমন্দির (Ram Mandir) নির্মাণকে কেন্দ্র করে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সেখানকার স্থানীয় দোকানদাররা বলছেন, ‘‘আগে সেভাবে পর্যটকদের ভিড় এখানে থাকতো না কিন্তু এখন তাঁরা কাতারে কাতারে আসছেন। এতেই বিক্রি বাড়ছে দোকানের।’’ রাইস মহম্মদ নামে আর এক দোকানদারের দাবি, ‘‘ব্যবসার উন্নতি এখানে অসম্ভব রকমের বৃদ্ধি পেয়েছে এবং আগামী দিনেও বাড়বে বলে আমার বিশ্বাস।’’

    চলতি বছরে অযোধ্যায় দীপাবলিও বিশেষ হতে চলেছে

    প্রসঙ্গত, আজ থেকে চার বছর আগে ২০১৯ সালের নভেম্বরে সুপ্রিম কোর্ট ঐতিহাসিক রায় দেয় রামমন্দির (Ram Mandir) নির্মাণের। রামমন্দির নির্মাণের ভূমি পূজন প্রধানমন্ত্রী সম্পন্ন করেন ৫ অগাস্ট ২০২০ সালে। অন্যদিকে চলতি বছরের দীপাবলিও বিশেষ হতে চলেছে অযোধ্যাবাসীর কাছে। তার কারণ দুমাস পরেই উদ্বোধন রামমন্দিরের। সেদিকে থেকে তাকিয়ে এ বছর দীপাবলিতে ২১ লাখ প্রদীপ চালানোর কথা ঘোষণা করেছেন যোগী আদিত্যনাথ। এর পাশাপাশি সেখানে ‘লেসার শো’-এরও আয়োজন করা হয়েছে। তুলে ধরা হবে সম্পূর্ণ রামায়ণের কাহিনী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: অযোধ্যার রামমন্দিরের ‘অক্ষত চাল’ এল বাংলায়, ডিসেম্বরে পৌঁছাবে গ্রামে গ্রামে

    Ram Mandir: অযোধ্যার রামমন্দিরের ‘অক্ষত চাল’ এল বাংলায়, ডিসেম্বরে পৌঁছাবে গ্রামে গ্রামে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যার রামমন্দির (Ram Mandir) থেকে তিনটি কলসিতে ‘অক্ষত চাল’ এল বাংলায়। গত রবিবার অযোধ্যায় রামজন্মভূমিতে বিশেষ পুজোর আয়োজন করে তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট। এরপরেই দেশের সমস্ত রাজ্যে সেই অক্ষত চাল পাঠানোর কাজ শুরু হয়। সাংগঠনিকভাবে সারা দেশে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের ৪৫টি প্রদেশ রয়েছে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে তিনটি উত্তরবঙ্গ, মধ্যবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গ। উত্তরবঙ্গের জন্য অক্ষত চালের কলসি শিলিগুড়িতে পৌঁছে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের কর্মীরা। অন্যদিকে মধ্য এবং দক্ষিণবঙ্গের অক্ষত চাল আনা হয়েছে জম্মু তাওয়াই এক্সপ্রেসের মাধ্যমে।

    ডিসেম্বরের মাঝামাঝি অক্ষত চাল যাবে বাংলার গ্রামে গ্রামে

    জানা গিয়েছে, এই অক্ষত চাল আপাতত সংরক্ষিত থাকবে সঙ্ঘ পরিবারের কাছেই। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে তা গ্রামে গ্রামে নিয়ে যাওয়া হবে। প্রসঙ্গত, ৫ থেকে ৭ নভেম্বর গুজরাটের ভুজে বসেছিল আরএসএসের সর্বভারতীয় কার্যকারিণী বৈঠক। সেখানেও মূল অ্যাজেন্ডা ছিল রামমন্দির। বৈঠকের শেষ দিনে আরএসএসের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘১ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে রামমন্দিরের (Ram Mandir) ছবি নিয়ে ভারতবর্ষের ৫ লাখ গ্রামে যাবেন স্বয়ংসেবকরা।’’ অর্থাৎ একদিকে অক্ষত চাল যেমন পৌঁছাবে গ্রামে গ্রামে, তেমনই পরবর্তীকালে নির্মিত রামমন্দিরের ছবি নিয়েও জনসংযোগ করবেন স্বয়ংসেবকরা।

    অক্ষত চালকে শুভ মানা হয়

    আগামী ২২ জানুয়ারি রামমন্দিরের (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা করবেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পৌঁছে গিয়েছে আমন্ত্রণপত্র। সেদিন প্রধানমন্ত্রী রামলালাকে কোলে নিয়ে ৫০০ মিটার পথও অতিক্রম করবেন। দেশের সব প্রান্ত থেকে মানুষ সেদিন অযোধ্যায় সমবেত হবেন। আমন্ত্রণের চিঠিতে অক্ষত চাল দেওয়ার রীতি রয়েছে হিন্দু সমাজে। হলুদ এবং ঘি মাখিয়ে তৈরি করা হয় এই অক্ষত। কোনও শুভ অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে যা মঙ্গলজনক বলেই মনে করা হয়। ১০০ কুইন্টাল চাল এনে গত রবিবারই অক্ষত পুজো সম্পন্ন হয় অযোধ্যায়। এই অক্ষত চাল রামলালার সামনে রেখে পুজো করা হয়। পরের দিন থেকেই তা পাঠিয়ে দেওয়া হয় দেশের প্রতিটি প্রান্তে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি রামমূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা, বিগ্রহ হাতে ৫০০ মিটার পথ হেঁটে মন্দিরে ঢুকবেন মোদি

    Ram Mandir: ২২ জানুয়ারি রামমূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা, বিগ্রহ হাতে ৫০০ মিটার পথ হেঁটে মন্দিরে ঢুকবেন মোদি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামমূর্তির (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। সেদিন সমস্ত প্রোটোকল ভেঙে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে প্রায় ৫০০ মিটারেরও বেশি পথ খালি পায়ে হাঁটতে দেখা যাবে। রামলালার বিগ্রহকে প্রধানমন্ত্রী নিজে হাতে নবনির্মিত রামমন্দিরে প্রবেশ করাবেন। ট্রাস্টের তরফ থেকে এই ঘোষণায় খুশির মহল তৈরি হয়েছে রামভক্তদের মধ্যে। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে মূল অনুষ্ঠানটি ২২ জানুয়ারি সকাল সাড়ে এগারোটা থেকে সাড়ে বারোটার মধ্যে সম্পন্ন হবে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা যাবে উত্তরপ্রদেশের গেরুয়া বসনধারী মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ এবং রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের প্রধান মোহন ভাগবতকেও।

    সারা দেশ থেকে আমন্ত্রিত ৮ হাজার বিশিষ্ট ব্যক্তি

    জানা গিয়েছে, সারা দেশের বিখ্যাত মঠ ও মন্দিরের পুরোহিতরাও সামিল হবেন রামমূর্তির (Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে। সারা দেশ থেকে ৮ হাজার বিশিষ্ট জনকে আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে রাম মূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন। যাঁদের মধ্যে সাড়ে তিন হাজার জন বিভিন্ন মঠ এবং মন্দিরের প্রধান। এছাড়াও ধর্মীয় সংগঠনের সদস্যদেরও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। সমাজের সর্বস্তরের মানুষই অংশগ্রহণ করবেন রামলালার মূর্তি প্রতিষ্ঠার দিন। এমনটাই জানিয়েছে ট্রাস্ট। ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার, আইনজীবীরা থাকবেন এই অনুষ্ঠানে। বেশ কয়েকটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকেও সেদিন হাজির থাকতে দেখা যাবে। রামমন্দির (Ram Mandir) আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত করসেবকদের পরিবারও সেদিন উপস্থিত থাকবে বলে জানিয়েছে ট্রাস্ট। রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট ইতিমধ্যে ৮ হাজার জন আমন্ত্রিত অতিথির বসার ব্যবস্থার করতে শুরু করেছে।

    সরযূ নদীর জলে স্নান করানো হবে রামলালাকে 

    ট্রাস্টের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তিনজন ভাস্কর তিনটি আলাদা আলাদা রামলালার মূর্তি তৈরির কাজে লেগে রয়েছেন। এই তিনটি মূর্তির মধ্যে থেকে একটিকে বাছা হবে, যেটি রাম মন্দিরের গর্ভগৃহে স্থাপন করা হবে। জানা গিয়েছে, রামমূর্তিগুলি তৈরি হচ্ছে রাজস্থান থেকে আনা মার্বেল এবং কর্ণাটকের কালো গ্রানাইট-এর দ্বারা। বাকি দুটি মূর্তির মধ্যে একটি স্থাপন করা হবে প্রথম তলায়। রামমূর্তিকে (Ram Mandir) স্নান করানো হবে সরযূ নদীর জল দিয়ে। এর পাশাপাশি অন্যান্য পবিত্র নদীর জলও থাকবে সেখানে। এজন্য পবিত্র মকর সংক্রান্তির দিন থেকেই শুরু হবে অনুষ্ঠান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ram Mandir: রামমূর্তির অধিষ্ঠান হবে সোনার প্রলেপ দেওয়া সিংহাসনে, তৈরি হচ্ছে রাজস্থানে

    Ram Mandir: রামমূর্তির অধিষ্ঠান হবে সোনার প্রলেপ দেওয়া সিংহাসনে, তৈরি হচ্ছে রাজস্থানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে যে রামমন্দিরের (Ram Mandir) রামলালা বিরাজমান থাকবে ৮ফুট লম্বা এবং ৪ ফুট চওড়া সিংহাসনের ওপর। জানা গিয়েছে, মার্বেল পাথরের তৈরি এই সিংহাসনে থাকবে সোনার প্রলেপ দেওয়া। সূত্রের খবর, এই সিংহাসনটি বর্তমানে তৈরি হচ্ছে রাজস্থানে এবং অযোধ্যা পৌঁছাবে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে।

    ২২ ডিসেম্বর রামমূর্তির প্রাণ প্রতিষ্ঠা, তার আগেই সম্পূর্ণ হবে মন্দির নির্মাণ

    প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ রামের মূর্তিতে প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Ram Mandir) দিনক্ষণও স্থির করে ফেলেছে। আগামী বছরের ২২ জানুয়ারি হবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠান। ওই দিনের অনুষ্ঠানে হাজির থাকতে ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ আমন্ত্রণ জানিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকেও। ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ জানিয়েছে, মন্দিরের নির্মাণ কাজ খুব দ্রুতগতিতেই চলছে। মনে করা হচ্ছে যে মন্দিরের নীচের তলার সমস্ত কাজ সম্পূর্ণ হয়ে যাবে ডিসেম্বর মাসের ১৫ তারিখের মধ্যেই। এই সময়ের মধ্যেই সোনার প্রলেপ দেওয়া সিংহাসনও পৌঁছাবে অযোধ্যায়। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে সুপ্রিম কোর্টের ঐতিহাসিক রায়ের ভিত্তিতেই অযোধ্যায় তৈরি হচ্ছে রামমন্দির। সুপ্রিম নির্দেশের পরেই তৈরি হয় ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’। ২০২০ সালের ৫ অগাস্ট রামমন্দিরের ভূমি পূজন করেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি।

    ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ কী বলছে?

    ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’ তৈরি হওয়ার আগে থেকেই সারাদেশের ভক্তরা শুধু অর্থই নয় সোনা এবং রূপোও দান হিসেবে দিয়েছেন। সোনা এবং রুপোর কয়েন এবং ইঁট দিতে দেখা গিয়েছে ভক্তদের। এই সমস্ত দানের জিনিস নিরাপদে রাখাটাও বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে জানিয়েছেন ‘রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট’-এর অন্যতম সদস্য অনিল মিশ্র। অনিল মিশ্রের কথায়, ‘‘রামমন্দিরের নীচের তলায় আশি শতাংশ কাজই সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে। কর্মরত শ্রমিকের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে প্রয়োজন অনুসারে।’’ রামমন্দিরের মূলদ্বার তৈরির কাজও একেবারে শেষ মুহূর্তে বলেই জানা গিয়েছে। চলতি নভেম্বর মাসেই তা শেষ হয়ে যাওয়ার কথা। প্রথম তলায় ১৯টি স্তম্ভ থাকবে। যার মধ্যে ১৭ টি স্তম্ভই বসানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ayodhya: শিলা পুজোর দিনেই রামমন্দির উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ফোন! তদন্তে অযোধ্যা পুলিশ

    Ayodhya: শিলা পুজোর দিনেই রামমন্দির উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ফোন! তদন্তে অযোধ্যা পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রামমন্দির উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি ফোন! ঘটনাক্রমে এদিনই নেপাল থেকে অযোধ্যায় (Ayodhya) এসেছে বিগ্রহ তৈরির শিলা। জানা গেছে, অযোধ্যার  (Ayodhya) রামকোট এলাকায় বাসিন্দা মনোজ নামে এক যুবকের কাছে এই হুমকি ফোন আসে। 

    কখন এসেছিল এই হুমকি ফোন

    বৃহস্পতিবার ভোরে অযোধ্যায় পৌঁছায় শিলা খন্ড দুটি, তারপরেই এমন হুমকি ফোনে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে অযোধ্যায়  (Ayodhya)। ওই হুমকি ফোনে বলা হয়, সকাল ১০টা নাগাদ উড়িয়ে দেওয়া হবে সম্পূর্ণ মন্দির প্রাঙ্গণ। ফোন পাওয়ার পরেই গোটা ঘটনাটি পুলিশকে জানান মনোজ।

    পুলিশ কী বলছে

    পুলিশ তদন্তে নামে এরপরেই। বাড়ানো হয় অযোধ্যার মন্দির প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা। সেনা এবং পুলিশ যৌথভাবে টহল দিতে থাকে পুরো এলাকা। অযোধ্যা পুলিশ বলে, তদন্ত চলছে। অজ্ঞাত পরিচয় নম্বর থেকে ওই ফোন আসে জনৈক রামভক্ত মনোজের কাছে। কে বা কারা ওই ফোন করেছিল তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। পুলিশ তাদের এই বিবৃতি আনুষ্ঠানিকভাবে ট্যুইটারেও দেয়।

    নির্বিঘ্নেই সম্পন্ন হল শিলা পুজো
     

    এই হুমকি ফোনে কোনও রকম প্রভাব পড়েনি শিলা পুজোতে। বিগ্রহ তৈরির জন্য নেপালের কালী গণ্ডকী নদী থেকে ৬ কোটি বছরের পুরনো শিলা পাঠিয়েছে নেপাল সরকার। কালী গণ্ডকী নদীর এই পাথরকে সাক্ষাৎ ভগবান বিষ্ণুর প্রতীক মনে করেন ভক্তরা। আড়ম্বরপূর্ণ ভাবে জাঁকজমক অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে চলে শিলা পূজন। রামমন্দিরের প্রায় ১০০ মহন্ত এদিন এই শিলা পুজো করেন। নেপাল থেকে আগত এই পাথর খণ্ড দুটি দেখতে ব্যাপক ভিড় করেন ভক্তরা। ভিড়ের চাপে ট্রাক দুটি মন্দিরের সামনে থেকে মন্দির প্রাঙ্গণে পৌঁছাতে সময় নেয় প্রায় ১ ঘণ্টা। এখনও অযোধ্যায় সেনা টহল চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     

  • Ayodhya: রামলালার বিগ্রহ তৈরির জন্য নেপাল থেকে শিলা পৌঁছাল অযোধ্যায়

    Ayodhya: রামলালার বিগ্রহ তৈরির জন্য নেপাল থেকে শিলা পৌঁছাল অযোধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের জানুয়ারিতেই উদ্বোধন হবে রামমন্দিরের, ভক্তদের জন্য খুলে দেওয়া হবে মন্দিরের দরজা। ইতিমধ্যে অযোধ্যায় (Ayodhya) পৌঁছে গেল শালগ্রাম শিলা। পাশ্ববর্তী নেপাল থেকে এল। বিশেষজ্ঞদের মতে নেপালের কালী গণ্ডকী নদীর এই পাথর ৬ কোটি বছরের পুরোনো। ভক্তদের বিশ্বাস রয়েছে, এই পাথর হল ভগবান নারায়ণের রূপ। রামচন্দ্রকে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা ভগবান বিষ্ণুর অবতার মানেন, তাই নেপালের কালী গণ্ডকী নদীর এই শালগ্রাম শিলা সেদেশ থেকে পাঠিয়েছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী, একথা শোনা গিয়েছে নেপাল সরকারের এক মন্ত্রীর মুখে।

    কত দিন সময় লাগল শিলা খন্ড দুটির ভারতে আসতে

    সাত দিন ধরে ৩৭৩ কিলোমিটার  যাত্রা শেষ করে বৃহস্পতিবার ভোরে অযোধ্যায় (Ayodhya) পৌঁছায় বিশাল পাথর। বিশ্বাসমতে সীতাদেবীর জন্মস্থান নেপালের জনকপুরে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় এই পাথর দুটি এরপর গোরক্ষপুর হয়ে অযোধ্যায় আসে শিলা খন্ড দুটি। অযোধ্যায় মন্দির প্রাঙ্গণে পৌঁছতে একটু বেশিই সময় লাগে, কারণ পাথর দর্শন করতে অগণিত ভক্তের ভিড় হয় মন্দির সংলগ্ন এলাকায়। শিলা খণ্ড দুটির পুজো ঘিরে সরযূ নদীর তীরে রীতিমত উৎসবের মেজাজ দেখা যায়।

    আজ একশো জন মহন্ত মিলে এই শিলা খণ্ডের পুজো করেছেন। তবে নেপাল থেকে আনা এই পাথরেই রামলালার বিগ্রহ নির্মাণ হবে কিনা তা চূড়ান্ত হয়নি কিছু। জানা গিয়েছে, ওড়িশা ও কর্নাটক থেকেও শিলা খন্ড আসবে অযোধ্যায় (Ayodhya)। পরবর্তীকালে পরীক্ষা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে কোনটি দিয়ে তৈরি হবে রাম সীতার মূর্তি। দুটি শিলা খন্ডের একটির ওজন ১৮ টন এবং অপরটির ওজন ১৬ টন বলে জানা গেছে।

    রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্ট কী বলছে

    রাম জন্মভূমি তীর্থক্ষেত্র ট্রাস্টের সাধারণ সম্পাদক চম্পত রাই বলেন, ভগবান রামের মন্দিরে মূর্তি তৈরির বিষয়ে মতামত নেওয়া হবে সারা দেশের ভাস্করদের। কোন শিলা থেকে এই মূর্তি তৈরি করা হবে তা ঠিক হবে তারপরেই। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

LinkedIn
Share