Tag: Balurghat

Balurghat

  • Dakshin Dinajpur: থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত সন্তানের রক্তের জন্য সবার হাতে-পায়ে ধরছেন দিশাহারা বাবা!

    Dakshin Dinajpur: থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত সন্তানের রক্তের জন্য সবার হাতে-পায়ে ধরছেন দিশাহারা বাবা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উৎসবের মরশুমে তীব্র রক্তসংকট দেখা দিয়েছে দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) বালুরঘাট ব্লাড ব্যাংকে। এই মুহূর্তে জেলার সদর বালুরঘাট ও গঙ্গারামপুর ব্লাড ব্যাঙ্কে রক্তের ভাঁড়ার প্রায় শূন্য। আগের তুলনায় রক্তদান শিবির না হওয়া এবং দিন দিন রক্তের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় এই সংকট। পরিস্থিতি মোকাবিলায় রক্তদান করতে ব্লাড সেন্টারে যোগাযোগ করার আর্জি জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সহ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা।

    বালুরঘাট ব্লাড ব্যাঙ্কে প্রতিদিন গড়়ে ৪০-৫০ ইউনিট রক্তের চাহিদা রয়েছে

    দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) জেলায় দুটি ব্লাড সেন্টার রয়েছে। যার মধ্যে বালুরঘাট ব্লাড সেন্টারে রক্তের চাহিদা সব সময় বেশি থাকে। বর্তমানে বালুরঘাট ব্লাড সেন্টারে প্রতিদিন গড়ে ৪০ থেকে ৫০ ইউনিট রক্তের প্রয়োজন হয়। যার মধ্যে ২০-২৫ ইউনিট থ্যালাসিমিয়া রোগীদের রক্ত দেওয়া হয়। এছাড়াও দুর্ঘটনাগ্রস্ত ও মুমূর্ষু রোগীদের বাকি রক্ত দেওয়া হয়। মাসে ১২০০-১৫০০ ইউনিট রক্তের চাহিদা থাকে বালুরঘাটে। এদিকে চাহিদা থাকলেও বর্তমানে ব্লাড ব্যাঙ্কে জোগান নেই বললেই চলে। বেশির ভাগ গ্রুপের নেগেটিভ ও পজেটিভ রক্তের কোনও ইউনিট নেই বললেই চলে। কারও রক্তের প্রয়োজন হলে দূরদূরান্ত থেকে নিয়ে যেতে হচ্ছে ডোনার। ডোনার না নিয়ে গেলে মিলছে না রক্ত। স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের বক্তব্য, পুজো পার হওয়ার পর রক্তদান শিবির জেলায় শুরু হয়েছে। তবে রক্তদান শিবির হলেও আগে যে সংখ্যক মানুষ রক্তদান শিবিরে রক্তদান করতেন, তা এখন অনেক কম। যার ফলে রক্তদান শিবির হলেও সেখানে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হচ্ছে না।

    রোগীর পরিবারের লোকজনের কী বক্তব্য?

    দক্ষিণ দিনাজপুরের (Dakshin Dinajpur) বালুরঘাটের চকভৃগুর ব্লাড সেন্টারে রক্ত নিতে এসেছিলেন এক ব্যক্তি। তিনি বলেন, “আমার ছোট্ট ছেলে থ্যালাসিমিয়ায় আক্রান্ত। আজ রক্ত দেওয়ার তারিখ। বালুরঘাট হাসপাতালে ভর্তি করার পরও মিলছে না রক্ত। সকলের হাতে-পায়ে ধরছি কেউ যাতে রক্তদান করে। কিন্তু রক্ত পাইনি। এদিকে সেম গ্রুপের ডোনার ছাড়া রক্ত পাওয়া যাবে না বলে জানানো হয়েছে। কী করব কিছুই বুঝতে পারছি না।’ যশাহারের রমাজিৎ পালেরও একই অভিজ্ঞতা। তিনি বলেন, আমার বোন থ্যালাসিমিয়া আক্রান্ত। বালুরঘাট হাসপাতালে এসেও রক্ত পাইনি। অবশেষে আমার এক বন্ধুকে এনে বোনের জন্য রক্ত পেলাম। আগে থ্যালাসিমিয়া আক্রান্তদের সঙ্গে সঙ্গে রক্ত দেওয়া হত। কিন্তু এখন রক্ত ডোনার না আনলে পাওয়া যাচ্ছে না।’ এক কথায় বালুরঘাটে এখন রক্তের জন্য কার্যত হাহাকার। মানিকোরের বাসিন্দা শংকরী উড়াও এসেছিলেন দিদির জন্য রক্ত নিতে। তাঁর দিদি রক্তাল্পতায় ভগছে। রক্তের প্রয়োজন। ব্লাড সেন্টারে এসেও তিনি রক্ত পাননি। পরে ডোনার দিয়ে রক্ত পান।

    দক্ষিণ দিনাজপুর ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক কী বললেন?

    রক্তের হাহাকারের কথা স্বীকার করে দক্ষিণ দিনাজপুর (Dakshin Dinajpur) ভলান্টারি ব্লাড ডোনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দুলাল বর্মন বলেন, ‘পুজোর সময় থেকেই সংকট প্রকট হয়েছে জেলায়। রক্তদান শিবির না হওয়ায় এই পরিস্থিতি। আমরা সবরকমভাবে চেষ্টা করছি রক্তসংকট দূর করার। পাশাপাশি যারা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রয়েছে তাদের কাছে আবেদন করছি যাতে বেশি করে রক্তদান শিবিরের আয়োজন করা হয়।’

    বালুরঘাট ব্লাড সেন্টারের চিকিৎসক কী বললেন?

    যদিও বালুরঘাট ব্লাড সেন্টারের চিকিৎসক দেবব্রত দে’র দাবি, ‘এখন প্রায় সারা বছরই রক্তসংকট থাকে। কিছু কিছু সময়ে রক্তসংকট বেড়ে যায়। তবে পুজোর পর রক্তদান শিবির শুরু হয়েছে। আশা করছি শিবির আগামীদিনে আরও বাড়বে। এছাড়াও সকলে যাতে রক্তদানে এগিয়ে আসেন। তার আবেদন করছি।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fraud: স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা! গ্রেফতার অভিযুক্ত সরকারি কর্মী

    Fraud: স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা প্রতারণা! গ্রেফতার অভিযুক্ত সরকারি কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লক্ষাধিক টাকা নিয়ে চাকরি দেওয়ার নাম করে প্রতারণার (Fraud) কারণে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটে এবার গ্রেফতার হলেন এক সরকারি কর্মী। পুলিস জানিয়েছে,ধৃতের নাম শুভঙ্কর চক্রবর্তী। তিনি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনিক ভবনের গ্রুপ ডি পদের স্থায়ী কর্মী। মাসখানেক আগে এই মামলায় তাঁর মা গ্রেফতার হয়েছেন। তিনি আবার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষিকা। দক্ষিণ দিনাজপুরের জেলা শাসক বিজিন কৃষ্ণা বলেন, ‘বিষয়টি শুনেছি। আইন আইনের পথে চলবে।’

     ঠিক কী অভিযোগ? (Fraud)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত সরকারি কর্মী শুভঙ্কর চক্রবর্তীর বাড়ি বালুরঘাট শহরের চকভৃগু এলাকার। তিনি ও তাঁর  মা শেফালী চক্রবর্তী প্রাইমারি স্কুলে চাকরি দেওয়ার নাম করে  একাধিকজনের কাছে থেকে লক্ষাধিক টাকা তুলেছিলেন। এমনকী ভুয়ো নিয়োগপত্রও দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ। এরপরেও কারও চাকরি হয়নি। প্রতারিতরা ২০২২ সালে অভিযোগ দায়ের করেন বালুরঘাট থানায়। সেই অভিযোগের পর থেকেই বেপাত্তা ছিলেন ওই শিক্ষিকা। মাসখানেক আগে ওই শিক্ষিকাকে বালুরঘাট থেকেই বালুরঘাট থানার পুলিস গ্রেফতার করে। এবারে তাঁরই ছেলেকে পুলিস গ্রেফতার করল।  সোমবার ধৃতকে আদালতে পেশ করা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। তাঁর বিরুদ্ধে লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক প্রতারণার (Fraud) অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। অভিযুক্ত শুভঙ্কর চক্রবর্তী আদালতে যাওয়ার সময় বলেন, ‘আমি কোনওভাবেই কারও সঙ্গে আর্থিক প্রতারণায় যুক্ত নই।’

     প্রতারিতদের কী বক্তব্য?

    অরিজিৎ দাস নামে এক প্রতারিত বলেন, ‘সরকারি কর্মী ও তাঁর মা মিলে প্রতারণা চক্র চালাতেন। চাকরি দেওয়ার নাম করে আমার কাছ থেকে ৫ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা নিয়েছিল অভিযুক্তের মা। তার নামে থানায় অভিযোগ করেছিলাম। সেই মহিলাকে গ্রেফতার আগেই করেছে। এবার তার ছেলেও গ্রেফতার হয়েছে। এখন ন্যায় বিচারের আশায় রইলাম।’ প্রতারিত দিবস বর্মন বলেন, ‘শুভঙ্কর আমার বন্ধু ছিল। সেই সূত্রে তার বাড়িতে যাতায়াত লেগে থাকত। প্রাথমিক শিক্ষকে নিয়োগের লোভ দেখিয়ে আমার কাছ থেকে ৪ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়। বহুবার চেয়েও সেই টাকা ফেরত পাইনি। অবশেষে মা ও ছেলে দুজনের নামে অভিযোগ জানিয়েছিলাম। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি চাই।’

    পুলিশ প্রশাসনের কী বক্তব্য?

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, ‘এক বছর আগে করা এক ব্যক্তির প্রতারণার (Fraud) অভিযোগের ভিত্তিতে প্রথমে মাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরে আরেকজনের অভিযোগ পাওয়াতে সেই মামলার সঙ্গে এটা জুড়ে দেওয়া হয়েছে। যেখানে জেলা প্রশাসনের এক কর্মীর নাম উল্লেখ রয়েছে। তাকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: গরু তুমি কার! প্রকৃত মালিক খুঁজতে নাজেহাল অবস্থা পুলিশের, কী হয়েছে জানেন?

    Balurghat: গরু তুমি কার! প্রকৃত মালিক খুঁজতে নাজেহাল অবস্থা পুলিশের, কী হয়েছে জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু তুমি কার! গরুর প্রকৃত মালিক খুঁজতে ঘুম ছুটেছে পুলিশের। ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট (Balurghat) থানা এলাকায়। এই ঘটনা জানাজানি হতেই ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। গরুর প্রকৃত মালিক কে, তার ফয়সালা করতেই গলদ ঘর্ম দশা পুলিশের।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গরুর দাবিদার দুজন। দুপক্ষই থানার দ্বারস্থ হয়েছেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে পুলিশ একবার ফয়সালার চেষ্টা করেছে। কিন্তু, দুপক্ষই গরুর সম্পর্কে গোপন কিছু কথা তুলে ধরা এবং প্রতিবেশীদের সাক্ষ্য দেওয়াতে পুলিশ আরও সমস্যায় পড়েছে। প্রকৃত গরুর মালিক কিভাবে  চিহ্নিত করা যাবে,  সেই বিষয়েও পুলিশকর্তারা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নিচ্ছেন। বালুরঘাট (Balurghat) শহরের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোরু নিয়ে বিবাদ শুরু হয় মাস তিনেক আগে। গরুর আসল মালিক বলে যিনি দাবি করছেন সেই কল্পনা ঘোষ,  তার বাড়ির গরুগুলিকে ছেড়ে দিতেন মাঠে খাওয়ার জন্য।  সকালে গোরুগুলি ছেড়ে দেওয়া হলেও, প্রতিদিন রাতেই কল্পনা ঘোষের কংগ্রেসপাড়ার বাড়িতে ফিরে আসত গরুগুলি।  কিন্তু,  মাস তিনেক আগে অন্য গরুগুলি ফিরে এলেও, বিতর্ক তৈরি হওয়া গরুটি ফেরেনি। এরপর  তিনি খোঁজখবর নেওয়া শুরু করেন। মাস কয়েক ধরে তিনি খোঁজাখুঁজির পর সেটাকে না পেয়ে, সম্প্রতি এক প্রতিবেশীর মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন বালুরঘাট শহরের নেপালি পাড়া এলাকার সাবিত্রী সাহার বাড়িতে  তাঁর গোরুটি বাঁধা রয়েছে। এর পর ওই বাড়িতে গিয়ে তাঁর  গোরুটি খুলে আনতে গেলে বাধা পান তিনি। যদিও ছেলেদের সহায়তায় জোর করে কল্পনা ঘোষ ওই গরুটিকে তার বাড়িতে নিয়ে যান।

    দুই দাবিদারের কী বক্তব্য?

    কল্পনা ঘোষ নামে এক দাবিদার বলেন,  আমার বাড়ির এই  লাল সাদা রঙের গরুটিকে আমরা মাস তিনেক ধরে খুঁজে পাচ্ছিনা। দুদিন আগে খবর পেয়ে ওই সাবিত্রী সাহার বাড়ি থেকে গরুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসি। এরপরেই সাবিত্রী বালুরঘাট (Balurghat) থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। আমাদের গরু বেঁধে রেখে, আবার আমাদের নামেই অভিযোগ করেছে।  সাবিত্রী সাহা নামে অন্য এক দাবিদার বলেন, লকডাউনের সময় আমি বাছুরকে মাঠে ছেড়ে দিয়েছিলাম। তারপর থেকে সেটির কোনও হদিশ পাইনি। অবশেষে মাস কয়েক আগে বাছুরের কানে জন্মের দাগ রয়েছে, তা দেখেই চিনি। সেখান থেকেই বাড়িতে নিয়ে যাই। কিন্তু, আচমকা ওরা আমার বাড়ি থেকে জোর করে গরুটিকে নিয়ে গেল। তাই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছি।

    পুলিশের কী বক্তব্য?

    বালুরঘাট থানার আইসি শান্তিনাথ পাঁজা বলেন,  ‘গরুর তো আর মালিকানার কাগজপত্র হয় না। দুজনই দাবি করছেন, গরুটি তাঁদের। এতেই সমস্যা তৈরি হচ্ছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি, বিষয়টি কী ভাবে সমাধান করা যায়।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: আত্রেয়ী নদীতে নিজে থেকেই নাকি ভেসে উঠেছিল বুড়া কালীমাতার বিগ্রহ!

    Kali Puja 2023: আত্রেয়ী নদীতে নিজে থেকেই নাকি ভেসে উঠেছিল বুড়া কালীমাতার বিগ্রহ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার শতাব্দীপ্রাচীন ও জাগ্রত কালীপুজোর (Kali Puja 2023) মধ্যে অন্যতম হল বালুরঘাট তহবাজার এলাকার বুড়া কালীমাতার পুজো। এখনও সেই পুরনো রীতি-রেওয়াজ মেনেই হয় বালুরঘাট বুড়া কালীমাতার পুজো। তবে কালের স্রোত ও সময়ের সঙ্গে বর্তমানে পুজোর কিছু নিয়ম পরিবর্তিত হয়েছে। শতাব্দীপ্রাচীন হলেও এই পুজোকে কেন্দ্র করে জেলাবাসীর মনে অগাধ বিশ্বাস রয়েছে। কালীপুজোর দিন এই পুজোকে ঘিরে দর্শনার্থীদের ঢল চোখে পড়ার মতো। এছাড়াও প্রতি সপ্তাহে মঙ্গলবার ও শনিবার বুড়া কালীবাড়িতে পুজো দেওয়ার জন্য লম্বা লাইন পড়ে ভক্তদের।

    সারা গায়ে সোনা থেকে রুপোর অলঙ্কার (Kali Puja 2023)

    লোকমুখে শোনা যায়, কয়েকশো বছর আগে বর্তমান বালুরঘাট বুড়া কালীমাতার মন্দিরের পাশ দিয়ে নাকি আত্রেয়ী নদী বইতো। এমনকি লোক মুখে শোনা যায়, মন্দির ও বাজারের জায়গায় ছিল ঘন জঙ্গল। শতাব্দীপ্রাচীন পুজো হলেও এই পুজোর সঠিক বয়স কত, তা কেউ বলতে পারে না। এক সময় আত্রেয়ী নদীতে নিজে থেকেই নাকি ভেসে ওঠে বুড়া কালীমাতার বিগ্রহ বা শিলাখণ্ড। এক তান্ত্রিক সেই সময় নাকি ওই বিগ্রহকে তুলে নিয়ে এসে পুজো দেন। তার পর থেকেই নাকি এই পুজো শুরু হয়। টিনের ঘেরা দিয়ে বুড়া কালীমাতার পুজো শুরু হয়। বর্তমানে বিশাল আকারের মন্দিরে পূজিতা হন বুড়া কালীমাতা। পুজোর দিন মায়ের মূর্তির (Kali Puja 2023) সারা গা সোনা থেকে রূপার অলঙ্কারে সুসজ্জিত থাকে। পুজোকে ঘিরে দিন কয়েক হাজার ভক্তদের সমাগম হয় পুজো প্রাঙ্গনে। পুজোতে এখন পাঁঠা বলি, শোল মাছ বলি হয়। তবে জনশ্রুতি আছে, আগে নাকি ২০ কিলো ওজনের শোল মাছ বলি দেওয়া হত। এই পুজোকে ঘিরে শুধুমাত্র দক্ষিণ দিনাজপুরবাসীর নয়, পাশের জেলা উত্তর দিনাজপুর ও মালদা, শিলিগুড়ি থেকেও প্রচুর ভক্ত বা দর্শনার্থী আসে। বর্তমানে বুড়া কালী মন্দির থেকে অনেকটা পশ্চিমে সরে গেছে আত্রেয়ী নদী।

    রানি রাসমণি এই মন্দিরে পুজো দিতে আসতেন? (Kali Puja 2023)

    জনশ্রুতি আছে, একটা সময় নাকি কলকাতার রানি রাসমণি এই মন্দিরে পুজো দিতে আসতেন। বজরায় করে এসে তিনি আত্রেয়ী নদী থেকে জল নিয়ে এসে মায়ের পুজো দিয়ে আবার ফিরে যেতেন কলকাতায়। তবে এর সত্যতা এখনও প্রমাণিত হয়নি। এই বিষয়ে পুজা কমিটির সম্পাদক গোপাল পোদ্দার বলেন, আমরা শুনেছি আত্রেয়ী নদীর ধারে নিজে থেকেই নাকি ভেসে ওঠে বুড়া কালীমাতার শিলাখণ্ড। সেই সময় ওই শিলাখণ্ড তুলে নিয়ে এসে পুজো দেন এক তান্ত্রিক। তার পর থেকেই শুরু হয় মায়ের পুজো (Kali Puja 2023)। প্রতি বছর দীপান্বিতা অমাবস্যায় মায়ের পুজো হয়। পুজোর দিন বহু ভক্ত আসেন পুজো দিতে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Kali Puja 2023: সাত মণ্ডপে সাত কালী, পুজো করেন একজন পুরোহিতই!

    Kali Puja 2023: সাত মণ্ডপে সাত কালী, পুজো করেন একজন পুরোহিতই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৩০০ বছর ধরে বালুরঘাটে হয়ে চলেছে একসঙ্গে সাত কালীর পুজো (Kali Puja 2023)। ডাঙা গ্রাম পঞ্চায়েতের হাজিপুর এলাকায় গ্রামবাসীরা এই পুজো করে আসছেন। যদিও সাত কালীর মধ্যে বর্তমানে একটি কালীর পুজো বন্ধ হয়ে গিয়েছে। এইসব পুজোর বিশেষত্ব হল, ওই এলাকায় সাতটি মণ্ডপে থাকা সাত কালীর পুজো করেন একজন পুরোহিতই। রাত পেরিয়ে সকালে হয় সর্বশেষ ঘাটকালীর পুজো। সারাদিন পুজো করার পরে সন্ধায় সব কালীর একসঙ্গে বিসর্জন হওয়ার রীতি রয়েছে এখানে।

    সাত কালী সাত বোন (Kali Puja 2023)

    এলাকাবাসীদের মতে, এই সাত কালীকে তাঁরা সাত বোন হিসেবেই দেখেন। আজ থেকে প্রায় ৩০০ বছর আগে ওই এলাকার সুকুল জমিদার এই পুজো শুরু করেন। একজন পুরোহিত পুরো এলাকা ঘুরে সাত কালীর পুজো সারতেন। সবশেষে ঘাটকালীর পুজো করতে গিয়ে সকাল হয়ে যেত। সেই থেকেই আজও অমাবস্যার তিথি পেরিয়ে গেলেও ঘাটকালীর পুজো সকালেই করা হয়। যা বিকেল পর্যন্ত চলে। এই পুজোর আরেক বিশেষত্ব হল, কালীপুজোর রাতে অন্য কালীপুজো হওয়ার পরের দিন ঘাটকালীর কাছে সব কালী প্রতিমা জমায়েত হয়। সেদিন বিকেলেই সব কালী একসঙ্গে বিসর্জন দেওয়া হয়। ওই এলাকার স্কুল মোড়ে রয়েছে বামাকালী, এক ইংরেজি মাধ্যম স্কুলের সামনে সুরকালী, মাহিনগর এলাকায় চন্ডীকালী, নদীর পাড়ে নির্দয়া কালী, মিশন এলাকায় বুড়াকালী, সন্ন্যাসকালী ও বিসর্জনের ঘাটে ঘাটকালী। তবে বর্তমানে সন্ন্যাসকালী মণ্ডপের জায়গা সরকারি কৃষিফার্মের অধীনে চলে গিয়েছে। যার জেরে এই পুজো বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা। প্রতি বছর ঘাটকালী পুজোর মাঠে বিশাল মেলা বসে ও প্রচুর মানুষের ভিড় হয় (Kali Puja 2023)। এই মন্দিরের ভিতরেই শীতলা দেবী, ষষ্ঠী দেবী ও মহাদেবের বেদী স্থাপিত রয়েছে।

    কালীদহ পুকুরেই বিসর্জন (Kali Puja 2023)

    ঘাটকালী সেবা সমিতির সম্পাদক সৌভিক সরকার বলেন, ‘স্থানীয় বিশ্বাসে এই সাত কালীমাতা সাত বোন। তার মধ্যে সবচেয়ে ছোট বোন ঘাটকালী। তাই তার পুজো সবার শেষে করার রীতি চলে আসছে। সারারাত ধরে একজন পুরোহিত এই সব কালী পুজো করেন বলে ঘাটকালীর পুজো পরের দিন সকালে হয়। সেদিনই সন্ধ্যায় সব কালী প্রতিমা এসে ঘাট কালীর দর্শন করবেন। তখনই তাদের একসঙ্গে বিসর্জন দেওয়া হয়। এই সাত কালীপুজোর প্রতিষ্ঠাতা নদীতে প্রতিমা (Kali Puja 2023) বিসর্জন করতেন না। নদীর ধারে একটি পুকুর কেটে সেখানে বিসর্জন দেওয়ার রীতি চালু করেছিলেন। পুরনো সেই নিয়ম মেনে কালীদহ পুকুরেই বিসর্জন হবে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja: দুর্গাপুজো নয়, ধনলক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে ওঠে গোটা গ্রাম, কোথায় জানেন?

    Durga Puja: দুর্গাপুজো নয়, ধনলক্ষ্মীর আরাধনায় মেতে ওঠে গোটা গ্রাম, কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তীব্র অর্থ কষ্টের পাশাপাশি অন্ন কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে আজ থেকে প্রায় ৮০ বছর আগে গ্রামের বাসিন্দারা ধনলক্ষ্মী পুজোর সূচনা করেন। আশ্বিন মাসের সংক্রান্তি তিথিতে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাটের বোল্লা গ্রাম পঞ্চায়েতের সরণগ্রামে। সেই পুজো এখন গ্রামের সার্বজনীন পুজো হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছে। প্রতিবার আশ্বিন মাসে সংক্রান্তি তিথিতে পুজোর আয়োজন করা হয়। ফলে, আলাদা করে দুর্গা পুজোর (Durga Puja) প্রচলন গ্রামে সেভাবে নেই। দুর্গাপুজো নয় এই ধনলক্ষ্মী পুজোতেই পাঁচ দিন ধরে মেতে ওঠেন গ্রামের মানুষ।

    ধনলক্ষ্মী পুজোতে আর কোন কোন দেবী থাকেন? (Durga Puja) 

    গ্রামের বাসিন্দারা পুজোর (Durga Puja) কদিন একসঙ্গে মিলিত হন। এছাড়াও থাকে নিত্যদিন পুজো ও ভোগের ব্যবস্থা। প্রতিদিন রাতে লক্ষ্মী মঙ্গল গান অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া থাকে গ্রামীণ বিভিন্ন লোক সংগীতের আসর, ধনলক্ষ্মী পুজো হলেও রাম লক্ষণ সীতার মূর্তি আর মূল মূর্তি দুপাশে লব, কুশ ও হনুমান প্রতিমা পূজিত হয়। গ্রামের মহিলারা নিজের নিজের বাড়ি থেকে পূর্ণ ঘট অর্থাৎ চাল ভর্তি পূর্ণ ঘট নিয়ে আসেন মূল মণ্ডপে। সেখানেই ওই চাল জমা দিয়ে শূন্য ঘট নিয়ে চলে যান নদীতে। যেখান থেকে ঘট ভর্তি করে নিয়ে এসে দেবীর আবাহন শুরু হয়। এটাই রীতি। 

    লক্ষ্মী পুজো শুরু হওয়ার ইতিহাসে রয়েছে চমক

    গ্রামবাসীদের পক্ষ থেকে জানা যায় কৃষিভিত্তিক এই গ্রামে এক সময় অনটন দুর্ভিক্ষ ছিল নিত্যদিনের সঙ্গী। সেখান থেকেই মুক্তি পেতে প্রায় ৮০ বছর আগে এই গ্রামের পূর্বপুরুষেরা দুর্গাপুজোর (Durga Puja) সময় এই লক্ষ্মী পুজোর আয়োজন করেছিলেন। যে রীতি রেওয়াজ মেনে এই পুজোর আয়োজন করা হয়েছিল, সেই রীতি আজও মেনে চলা হয়। গ্রামবাসীদের বিশ্বাস, ভগবানের আশীর্বাদে আর তাদের কোন আর্থিক সমস্যা নেই। বরং আগের থেকে গ্রাম উন্নত হয়েছে। জীবনযাত্রার মান উন্নত হয়েছে গ্রামবাসীদের। ফলে, আস্থা ও বিশ্বাস বেড়েছে ধনলক্ষ্মী পুজোকে কেন্দ্র করে। বেড়েছে জাঁকজমকও।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Durga Puja 2023: শারদোৎসবে দুর্গাপুজো নয়, মনসা পুজোয় মাতেন বালুরঘাটের ফুলঘরাবাসী

    Durga Puja 2023: শারদোৎসবে দুর্গাপুজো নয়, মনসা পুজোয় মাতেন বালুরঘাটের ফুলঘরাবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথিত আছে, প্রায় তিনশো থেকে সাড়ে তিনশাে বছরেরও বেশি সময় ধরে দুর্গার (Durga Puja 2023) আসনে মা মনসার পুজো হয়ে আসছে বালুরঘাটের ফুলঘরা গ্রামে। পুরনাে নিয়ম-রীতি এবং রেওয়াজ কিছুই বদলায়নি আজও। মায়ের কাছে নিষ্ঠা সহকারে কোনও কিছু চাইলে তা পূর্ণ হয়, এমনটাই বিশ্বাস গ্রামবাসীদের।

    কীভাবে শুরু?

    জনশ্রুতি রয়েছে, বহুকাল আগে ফুলঘরা গ্রামের অনেকেই সর্পাঘাতে মারা গিয়েছিলেন। শুধুমাত্র মানুষ নয়, সর্পাঘাতে অনেক পশুও মারা গিয়েছিল। অনেক কিছু করেও সর্পাঘাতে মৃত্যু প্রতিরােধ করতে পারছিলেন না গ্রামবাসীরা। সেই সময় গ্রামের এক ব্যক্তি স্বপ্ন দেখেন, গ্রামে মনসা পুজো করলেই কেউ আর সর্পাঘাতে মারা যাবে না। এর পর আত্রেয়ী নদীতে এক দিন স্নান করতে গেলে মা মনসার কাঠামো ভেসে যেতে দেখেন তিনি। গ্রামবাসীরা সেই কাঠামো তুলে নিয়ে এসে মন্দিরে স্থাপন করে মা মনসার পুজো শুরু করেন। প্রথমে শ্রাবণ মাসে এই পুজো শুরু হয়। গােটা এলাকায় কোনও দুর্গাপুজো না হওয়ায় সেই পুজোর সময়টা বদলে শারদোৎসবে (Durga Puja 2023) মা মনসার পুজো শুরু হয়। সেই থেকে শুরু হয় দুর্গার আসনে মা মনসার পুজো।

    সবাই একত্রিত হন পুজোয়

    এখনও সেই একই নিয়ম-রীতিতেই এই পুজো করে আসছে ফুলঘরা বারােয়ারি মনসা পুজো কমিটি। পুজোর কয়েকটা দিন চন্ডী ও মনসামঙ্গল গান হয়। মেয়ে-আত্মীয়রা সব এই সব গ্রামে আসে। এখানে মা মনসার এক পাশে থাকেন দেবী লক্ষ্মী। অপর পাশে থাকেন দেবী সরস্বতী (Durga Puja 2023)। পুজোর চার দিন নিয়ম মেনে গ্রামের সকলে নিরামিষ খাবার খান। দেবী দুর্গার সমস্ত নিয়ম মেনেই ফুলঘরা গ্রামে মা মনসা পূজিতা হন। পুজোর সময় গ্রামে সবাই একত্রিত হন। আজও এই পুজোকে ঘিরে মেতে ওঠেন গ্রামের আট থেকে আশি সকলেই। বহিরাগত শিল্পী ও স্থানীয় শিল্পীদের দ্বারা পুজো প্রাঙ্গনে নাটক থেকে যাত্রাগান অনুষ্ঠিত হয়। পুজোর কয়েকটা দিন মেলাও বসে ফুলঘরা গ্রামে। স্থানীয় ছেলেমেয়েরাও বেশির ভাগ সময় গ্রামেই কাটান। 

    আর কেউ সাপে কেটে মারা যাননি

    এবিষয়ে সান্ত্বনা মণ্ডল জানান, তাঁদের পূর্বসূরি গুদর মণ্ডল এই পুজোর প্রতিষ্ঠাতা। তাঁদের জায়গাতেই পুজোটা হয় এখনও। তবে এখন বারােয়ারি হিসেবেই পুজোটা হয়। গুদর মণ্ডল বহু দিন আগে স্বপ্নাদেশ পেয়ে এই পুজো শুরু করেন। তার পর থেকে এই গ্রামে সাপে কেটে বা বিষে কেউ আর মারা যায়নি। বংশ পরম্পরায় বাদ্যকর, পুরােহিত ও মৃৎশিল্পী কাজ করে আসছেন। এমনকি পুজোর বায়না দিতেও হয় না বা ডাকতে হয় না। সময় মতো চলে আসেন সকলেই। পুরােনাে সেই রীতি রেওয়াজ মেনেই আজও পুজো হয় এখানে। এবিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দা শিরিষ মাহাতো জানান, পুজোর কয়েক দিন গ্রামে ফিরে আসে সব বাড়ির ছেলেমেয়েরা। পাশাপাশি গ্রামবাসীরা পুজোর কয়েকটা দিন আনন্দ উৎসবে মেতে ওঠে। পুজোয় দূরদূরান্ত থেকে দর্শনার্থীরা আসেন। মানত করেন তাঁরা। মানত পূরণ হলে মাকে বিভিন্ন অলঙ্কার দেন (Durga Puja 2023)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বালুরঘাট-গুয়াহাটি ‘বোল্লা-কামাখ্যা’ এক্সপ্রেস ট্রেনের দাবি, রেলমন্ত্রকে চিঠি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: বালুরঘাট-গুয়াহাটি ‘বোল্লা-কামাখ্যা’ এক্সপ্রেস ট্রেনের দাবি, রেলমন্ত্রকে চিঠি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট থেকে সরাসরি ট্রেন ছুটবে গুয়াহাটি পর্যন্ত। একদিকে ঐতিহ্যবাহী মা বোল্লা, অন্যদিকে শক্তিপীঠ মা কামাখ্যা। ফলে বালুরঘাট স্টেশন থেকে গুয়াহাটি পর্যন্ত এই প্রস্তাবিত ট্রেনের নাম রাখা হতে পারে বোল্লা-কামাখ্যা এক্সপ্রেস। ইতিমধ্যেই রেলমন্ত্রকের কাছে এমনই প্রস্তাব পাঠিয়েছেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)।

    পূর্ব ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও সুদৃঢ় হবে

    ২০০৪ সালে ভারতীয় রেলের মানচিত্রে বালুরঘাট সংযুক্ত হয়। প্রথমে বালুরং-মালদা গৌড় লিংকের মাধ্যমে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। তারপর একে একে শিয়ালদা, কলকাতা, শিলিগুড়ি ও হাওড়ার একাধিক এক্সপ্রেস ট্রেন পেয়েছে এই শহর। সর্বশেষ নবদ্বীপ পর্যন্ত একটি ট্রেন জুটেছে বালুরঘাটের কপালে। ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে একাধিক প্ল্যাটফর্মেরও প্রয়োজন হয়ে পড়েছিল। যার জেরে দ্বিতীয় প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে বালুরঘাট রেল স্টেশনে। অন্যদিকে, দূরপাল্লার ট্রেন চলাচলের জন্য কারশেড নির্মাণের কাজ চলছে। কিন্তু, উত্তরবঙ্গের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে শুধু শিলিগুড়ি ইন্টারসিটি এক্সপ্রেস রয়েছে। তাছাড়া আর কোনও ট্রেন নেই বালুরঘাটে। অন্যদিকে, রেল উন্নয়ন কমিটির তরফেও দক্ষিণ দিনাজপুর-পূর্ব ভারতের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষাকারী ট্রেনের দাবি তোলা হয়েছে। সাংসদের (Sukanta Majumdar) প্রস্তাবিত বোল্লা-কামাখ্যা এক্সপ্রেস নামকে সমর্থন জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা। দুই মাতৃশক্তিকে সম্মান প্রদর্শনের এই চিন্তাভাবনাকে অনেকেই কুর্ণিশ জানাচ্ছেন। এর ফলে, দক্ষিণ দিনাজপুরের সঙ্গে পূর্ব ভারতের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সুদৃঢ় হবে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    বালুরঘাট কলেজের অধ্যাপক ডঃ দুলাল বর্মন বলেন, ‘কলকাতা যেতে চাইলে আমরা তিনটি ট্রেন ধরতে পারি। কিন্তু, উত্তরবঙ্গে যেতে গেলে শুধু শিলিগুড়ির একটি রয়েছে। তাছাড়াও, অসম, মেঘালয় সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলির সঙ্গে দক্ষিণ দিনাজপুরের তেমন যোগাযোগ নেই বললেই চলে। তাই বিভিন্ন কাজে ও ভ্রমণের জন্য সেই রাজ্যগুলিতে যেতে চাইলে সমস্যায় পড়তে হয়। পাশাপাশি, অনেকেই কামাখ্যা মায়ের কাছে যান। তাঁদের ক্ষেত্রে এমন ট্রেন পেলে অনেক সুবিধা হবে।’

    একলাখি-বালুরঘাট রেল উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক কী বললেন?

    একলাখি-বালুরঘাট রেল উন্নয়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক পীযূষকান্তি দেবের বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই দাবি জানিয়ে আসছি। জেলাবাসীর অনেকেই অসম ভ্রমণে যান। এই ট্রেন চালু হলে সকলেই খুশি হবে। বোল্লা-কামাখ্যা এক্সপ্রেসের দাবি সাংসদ (Sukanta Majumdar) তুলেছেন। আমরা এর সমর্থন জানাই।’

    কী বললেন বিজেপি সাংসদ? (Sukanta Majumdar)

    বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) বক্তব্য, ‘বালুরঘাট স্টেশনে লাইনের কাজ পুরো উদ্যমে চলছে। এই কাজের জন্য অনেক উদ্যোগ আটকে রয়েছে। এই লাইন তৈরি হলেই অনেক সম্ভাবনাময় ট্রেন আমরা পাব। আমি ইতিমধ্যেই বালুরঘাট থেকে গুয়াহাটি যাওয়ার ট্রেনের দাবি জানিয়েছি। যা বোল্লা-কামাক্ষা এক্সপ্রেস নাম হতে পারে। জেলার এক মাতৃশক্তি ক্ষেত্র থেকে অসমে শক্তিপীঠ পর্যন্ত এই ট্রেন চলাচল করবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: এলইডি আলো লাগানো নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি, কাঠগড়ায় বালুরঘাট পুরসভা

    Balurghat: এলইডি আলো লাগানো নিয়ে লক্ষ লক্ষ টাকার দুর্নীতি, কাঠগড়ায় বালুরঘাট পুরসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এলইডি আলো লাগানো নিয়ে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ উঠল তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার বিরুদ্ধে। আর.টি.আই করেও টাকার হিসাবের জবাব না পাওয়ায় বিরোধীরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছে। বালুরঘাট পুরসভা দুর্নীতির চরম শিখরে বলে তোপ দাগলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    ২০২২ সালে ২-রা সেপ্টেম্বর বালুরঘাট (Balurghat) শহরে পুরসভার পক্ষ থেকে এল.ই.ডি লাইট লাগানোর জন্য টেন্ডার আহ্বান করে। টেন্ডারে ৯ লক্ষ ৮৯ হাজার ২২৪ টাকার উল্লেখ করা হয়। এরপর বালুরঘাট শহরে শুরু হয় তেরঙা এল.ই.ডি লাইট লাগানোর কাজ। যদিও তার প্রায় মাস খানেকের মধ্যে বালুরঘাট পুরবোর্ড কোনওরূপ টেন্ডার আহ্বান না করেই পুর বোর্ডের সভায় সিদ্ধান্ত নিয়ে বালুরঘাট শহর জুড়ে তেরাঙা এল.ই.ডি লাইট লাগানোর কাজের বরাত দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় পূর্বের বরাত পাওয়া ঠিকাদার সংস্থাকে। টেন্ডার না ডেকে প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার কাজের বরাত শুধুমাত্র সভায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। এল.ই.ডি লাইট লাগানোর কাজের খরচ জানতে চেয়ে আর.টি.আই করেন বালুরঘাট নাগরিক মঞ্চের সম্পাদক নৃপেন্দ্রনাথ কুন্ডু নামে এক ব্যক্তি। কিন্তু, পুরসভার তরফ থেকে সেই আর.টি.আই-এর জবাবে জানিয়ে বলা হয়, জিজ্ঞাসা করা প্রশ্নগুলি ব্যক্তিগত আগ্রহে, জনগণের আগ্রহ নয়। তাই কোনও তথ্য পুরসভার পক্ষ থেকে দেওয়া হয়নি। ঘটনা প্রকাশ হতেই শোরগোল পড়ে যায় দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়।

    কী বললেন বালুরঘাট (Balurghat) নাগরিক মঞ্চের সম্পাদক?

    বালুরঘাট (Balurghat) নাগরিক মঞ্চের সম্পাদক নৃপেন্দ্রনাথ কুন্ডুর বক্তব্য, বালুরঘাট শহরের বিভিন্ন এলাকায় যে ট্রাই কালার লাইট লাগানো হয়েছে, তা প্রায় ৭০ লক্ষ টাকার বেশি কাজ হয়েছে। অথচ ৯ লক্ষ ৮৯ হাজার টাকার টেন্ডার করে বাকি কাজগুলো নোট সিটে করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। সেই কারণেই প্রকৃত তথ্য জানতে তথ্য জানার অধিকার আইনে আবেদন করি। সদুত্তর দেওয়া হয়নি পুরসভার পক্ষ থেকে। স্বাভাবিকভাবেই এই আলোকসজ্জাতে টেন্ডার ছাড়াই বহু টাকার কাজ হয়েছে। আর, এতে যে দুর্নীতি হয়েছে এটাই তার জ্বলন্ত প্রমাণ।

    কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, গোটা রাজ্য জুড়েই এই ধরনের দুর্নীতি চলছে। আর পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস থাকতে দুর্নীতি হবে না এটা তো বিশ্বাসযোগ্য নয়। বালুরঘাট পুরসভা দুর্নীতির চরম শিখরে রয়েছে। এখানে মাদার টেরিজার মূর্ত্তি সহ অনেক মূর্ত্তি লাগানো হচ্ছে, সেখানেও দুর্নীতির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    এল.ই.ডি লাইট লাগানোর কাজে অনিয়মের অভিযোগ প্রসঙ্গে বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন,  টেন্ডার প্রক্রিয়া মেনে সরকারি নিয়ম মেনে যা যা উন্নয়ন মূলক কাজ করা দরকার তা বালুরঘাট পুরসভাতে হচ্ছে। বালুরঘাট পুরসভার কাজ নিয়ে বালুরঘাটবাসী খুশি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: বালুরঘাটে রাম মন্দিরের আদলে পুজো মণ্ডপ, উদ্বোধনে আসতে পারেন অমিত শাহ, উদ্যোগী সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: বালুরঘাটে রাম মন্দিরের আদলে পুজো মণ্ডপ, উদ্বোধনে আসতে পারেন অমিত শাহ, উদ্যোগী সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের অযোধ্যায় তৈরি হচ্ছে রাম মন্দির। আগামী জানুয়ারি মাসে ওই মন্দিরের উদ্বোধনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু, তার আগেই এই রাজ্যে রাম মন্দিরের উদ্বোধন করতে পারেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। অবাক মনে হলেও এটা সত্যি। তবে, অযোধ্যার রাম মন্দির নয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী উদ্বোধন করতে পারেন বালুরঘাটে রাম মন্দিরের আদলে তৈরি দুর্গা পুজোর মণ্ডপের। অযোধ্যার রাম মন্দিরের আগেই সেটির উদ্বোধন হবে। আসলে বালুরঘাটের বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) ক্লাব বলে পরিচিত নিউ টাউন ক্লাব ও পল্লি পাঠাগারের এবারের দুর্গাপুজোর থিম করা হচ্ছে রাম মন্দির।

    কী বললেন ক্লাবের সম্পাদক?

    বালুরঘাটের নিউটাউন ক্লাব এবং পল্লি পাঠাগারের দুর্গাপুজো এবারে ৭০ তম বর্ষে পদার্পণ করবে। প্রতি বছর থিম পুজোর মধ্যে দক্ষিণ দিনাজপুরের অন্যান্য বড় ক্লাবগুলির মত নিউটাউন ক্লাব নজর কাড়ে। থিম পুজো করে জেলার সেরা পুজোগুলির মধ্যে বেশ কয়েক বার স্থান পেয়েছে এই ক্লাব। গতবছর পুজোয় বুর্জ খলিফার আদলে মণ্ডপ গড়ে সকলকে চমকে দিয়েছিল এই ক্লাব। শুধু তাই নয়, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানেও ছিল চমক। অনলাইনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করলেও, উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন বলিউডের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। আগামী বছরের এপ্রিল-মে নাগাদ দেশে হতে চলেছে লোকসভা নির্বাচন। তৃতীয় বারের জন্য এই নির্বাচনে জয় পেতে মরিয়া বিজেপি, দেশ জুড়ে তাদের প্রচার অভিযান শুরু করেছে। পশ্চিমবাংলাতেও তাদের প্রচার ধীরে ধীরে গতি পাচ্ছে। লোকসভা নির্বাচনের আগে তাই এবারে দুর্গা পুজোতে অংশ নিতে, দলের রাজ্য নেতাদের নির্দেশ দিয়ে গেছেন কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এতদিন বালুরঘাটের শহরের নিউ টাউন ক্লাব ও পল্লি পাঠাগারের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবে থাকলেও, সম্প্রতি ওই ক্লাবের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। আর বালুরঘাটের এই  রাম মন্দির উদ্বোধনের ক্ষেত্রেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে আনবার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ক্লাব সম্পাদক অরিজিৎ মহন্ত বলেন, রবিবার আমাদের ক্লাবে দুর্গা পুজোর খুঁটি পুজো করা হল।  ক্লাবেস সমস্ত সদস্যরা হাজির হয়েছিলেন। এবারের পুজোয় স্বরাস্ট্রমন্ত্রীকে দিয়ে  উদ্বোধন করাবার চেষ্টা শুরু হয়েছে। বালুরঘাটে আমরা একটু ভিন্ন স্বাদের পুজো করি। আমাদের  গতবারের  বুর্জ খলিফার আদলে মন্ডপ প্রশংসিত হয়েছে। এবারে রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আশা করি, মানুষ রাম মন্দিরের কিছু অনুভূতি এখানে পাবেন। আমাদের এই  উদ্যোগ মানুষের পছন্দ হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share