Tag: Balurghat

Balurghat

  • Balurghat: বকেয়া বিল পেতে তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকার কাটমানি ঠিকাদারের! বিজেপির বিক্ষোভ

    Balurghat: বকেয়া বিল পেতে তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকার কাটমানি ঠিকাদারের! বিজেপির বিক্ষোভ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বকেয়া বিল পেতে পুরসভার চেয়ারম্যানকে দিতে হয়েছে ১০ লক্ষ টাকা কাটমানি। বিদ্যুৎ দফতরের এক ঠিকাদার সংস্থার কর্তার এমন অভিযোগকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে বালুরঘাট (Balurghat) শহরের রাজনীতি। ওই ঠিকাদার সংস্থার সঙ্গে পুরসভার চেয়ারম্যান ঘনিষ্ঠ এক এমআইসি-র কথোপকথন প্রকাশ্যে এসেছে। হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট ও একটি অডিও ক্লিপ জনসমক্ষে এনেছে ওই ঠিকাদার সংস্থা। যদিও সেই অডিও ক্লিপিংয়ের সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম।

    বিক্ষোভ বিজেপি-র (Balurghat)

    শনিবার বালুরঘাট (Balurghat) শহরের বেশ কিছু এলাকায় পথবাতি কয়েক ঘণ্টা বন্ধ থাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়া তোলপাড়। নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ ছিল, বালুরঘাট শহরে লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ব্যাপক ভরাডুবির শাস্তি হিসেবেই বালুরঘাট পুরসভা এভাবে পথবাতি বন্ধ করেছে। আর এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই উঠে এল কাটমানি তত্ত্ব। মঙ্গলবার কাটমানি নিয়ে বালুরঘাট পুরসভা ঘেরাও করে বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দেয় বিজেপি। এই বিষয়ে বিজেপির জেলা সহ সভাপতি বাপি সরকার বলেন, বালুরঘাট পুরসভা তো দুর্নীতির আঁতুরঘর হয়ে গেছে। ওখানে তো সব কাজেই কাটমানি দিতে হয়। আমরা এই সব নিয়ে আমরা বালুরঘাট পুরসভায় বিক্ষোভ ও ডেপুটেশন দিলাম।

    আরও পড়ুন: “সুরক্ষা কবচ কোনও মাদুলি নয়”, রেল দুর্ঘটনায় মন্তব্য নিয়ে মমতাকে তুলোধনা সুকান্তর

    মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছেন ব্যবসায়ী

    ওই ঠিকাদার সংস্থার কর্তা সৌমেন সরকার বলেন, ‘খিদিরপুর শ্মশানের চুল্লির কাজের ও অন্য যে সব কাজ করেছি, তার বকেয়া দীর্ঘদিন আটকে রাখা হয়েছে। ওই টাকার পেমেন্ট পেতেই চেয়ারম্যানের নির্দেশে দুই দফায় দশ লক্ষ টাকা দিয়েছি। তবুও, আজ পর্যন্ত আমার কাজের বকেয়া টাকা পরিশোধ দেওয়া হয়নি। তাই, আমি কর্মীদের বেতন দিতে পারিনি। তাঁরা গত শনিবার দিন কাজ করেননি। তাই আমি ফোন করে ওই কাটমানির টাকা ফেরত চেয়েছি। আমি আর পুরসভায় কাজ করব না। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েও বিষয়টি জানিয়েছি।’

    পুরসভার এমআইসি কী বললেন?

    এই বিষয়ে এমসিআইসি বিপুলকান্তি ঘোষ বলেন, ‘ওই এজেন্সি কাজ বন্ধ করে রেখেছিল বলে তাঁকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু, তিনি নাকি চেয়ারম্যানকে ১০ লক্ষ টাকা দিয়েছেন। সেই টাকা ফেরানোর দায়িত্ব আমাকে নিতে বলছেন। আমি তাঁকে চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলতে বললে তিনি রাজি হননি। অর্ধসমাপ্ত অডিও ক্লিপ তিনি ভাইরাল করেছেন।’

    পুরসভার চেয়ারম্যান কী বললেন?

    বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, ‘ওই ঠিকাদার সংস্থার মালিক সম্ভবত মানসিক ভারসাম্য হারিয়েছেন। নইলে তিনি সব ব্যাপারেই ষড়যন্ত্র কেন খোঁজেন। তাঁকে যে কাজ দেওয়া হয়েছিল তা তিনি করেননি। তাই ডিফল্টার হিসেবে আমরা চিহ্নিত করব না কেন, সেই চিঠি দিয়েছি। ওই এজেন্সির মালিকের কোনও বিল বকেয়া নেই। গত দুই মাসের বিলও ট্রেজারিতে পাঠানো আছে। আসলে ওই চিঠি দেওয়ার পরই মনগড়া কথা বলছেন তিনি। আমি শহরের বাইরে কাজে আছি। ফিরেই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “দলীয় প্রার্থীকে হারাতে জেলা নেতাদের আঁতাত”, বিস্ফোরক তৃণমূলের জেলা সভাপতি

    Balurghat: “দলীয় প্রার্থীকে হারাতে জেলা নেতাদের আঁতাত”, বিস্ফোরক তৃণমূলের জেলা সভাপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুধুমাত্র খেয়োখেয়ির জন্যই বালুরঘাট আসন হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। কারণ, একজন পূর্ণমন্ত্রী, তিন বিধায়ক, জেলা পরিষদ ও তিনটি পুরসভা তৃণমূলের দখলে। তারপরেও সংগঠনের পূর্ণশক্তি ব্যবহার করতে না পারায় বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা আসনে শাসকদলকে টেক্কা দিয়েছে বিজেপি। এমনই মত তৃণমূলের একাংশের।

    গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে তৃণমূলের হার! (Balurghat)

    বালুরঘাটে (Balurghat) তৃণমূলের হারের জন্য, সেই বহুচর্চিত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথাই উঠে আসছে বার বার। সঙ্গে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে সংগঠনের হাল নিয়েও। সেটা অবশ্য নতুন নয়। কিন্তু, যেভাবে এবার ভোটের আগে বারবার বিভিন্ন কমিটিতে বদল করা হয়েছে এবং সেই আকচাআকচি কলকাতায় রাজ্য নেতৃত্বের কাছে পৌঁছে গিয়েছিল, সেটা ভালো চোখে দেখেননি ভোটাররা। তার ফলই তৃণমূলকে ভুগতে হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। জেলার ছয়টি বিধানসভার মধ্যে হরিরামপুর, কুমারগঞ্জ ও কুশমণ্ডি বিধানসভায় তৃণমূলের লিড ছিল ৩৭ হাজার ৮১৬। অন্যদিকে, বিজেপি বালুরঘাট, গঙ্গারামপুর ও তপন বিধানসভায় লিড পেয়েছে ৭৮ হাজার ২৫৮। জেলার নিরিখে তৃণমূলের থেকে ৪০ হাজার ৪৪২ ভোট বেশি পেয়েছে বিজেপি।

    আরও পড়ুন: বিজেপির ওপর আস্থায় গোঁসা, শহরের বরাদ্দ বন্ধ করলেন উদয়ন!

    বামের ভোট রামে!

    ২০২১সালে তিনজন বিধায়ক পেয়েছে তৃণমূল। তারমধ্যে পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন বিপ্লব মিত্র। ২০২২ সালের পুরসভা নির্বাচনে বালুরঘাট (Balurghat) ও গঙ্গারামপুর পুরসভা নিজেদের দখলে ধরে রাখে শাসক দল। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ বিরোধীশূন্য করে দখল করেছিল তারা। জেলার আটটি পঞ্চায়েত সমিতি ও ৫৪ টি গ্রাম পঞ্চায়েতও তৃণমূলের দখলে রয়েছে। একচ্ছত্র আধিপত্যের পরও লোকসভায় খালি হাতে ফেরার পর প্রশ্নের মুখে জেলা নেতৃত্ব। জেলা তৃণমূল আবার নিজেদের সাংগঠনিক অক্ষমতা ঢাকতে বামের ভোট রামে যাওয়ার তত্ত্ব সামনে আনছে। ২০১৯ সালে লোকসভায় বামপ্রার্থী এক লক্ষ বিধানসভা নির্বাচনে ভোট পেলেও এবার তারা ৫০ হাজারে নেমেছে। ফলে, সেই যুক্তিও ধোপে টেকে না।

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী বললেন?

    জেলা তৃণমূল সভাপতি সুভাষ ভাওয়ালও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্ব খাড়া করেছেন। তিনি বলেন , ২০২৩ সালের নভেম্বরে জেলা সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পরই জেলা কমিটির একাংশ বিরোধিতা শুরু করেন। লোকসভা নির্বাচন ঘোষণা হতেই প্রার্থীকে হারাতে জেলা কমিটির সদস্যদের মধ্যে অশুভ আঁতাত হয়েছে। আমরা বুঝতে পারলেও নির্বাচন চলায় ব্যবস্থা নিতে পারিনি। আমাদের তিনটি পুরসভা, জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত সমিতি দখলে থাকলেও এই রেজাল্টে অবাক হয়েছি।

    তৃণমূল থেকে মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে

    জেলা বিজেপির সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, নিজেদের সংগঠনের দুর্বলতাকেই সামনে আনছে তৃণমূল। নিজেদের মধ্যেই দ্বন্দ্ব রয়েছে তাদের। পুরসভা ও পঞ্চায়েত নির্বাচনে চুরি করে ভোটে জিতেছিল। সেজন্যই মানুষ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে। জেলায় রাজ্য সরকার উন্নয়ন করেনি। মেডিক্যাল কলেজ না হওয়ায় ক্ষোভ রয়েছে সাধারণ মানুষের।

    তৃণমূলের ভোট গিয়েছে বিজেপিতে!

    সিপিএম এরিয়া কমিটির সদস্য অচিন্ত্য চক্রবর্তী বলেন, ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনের পর আমাদের ভোট কমেছে। কেন সেটা হয়েছে তার পর্যালোচনা করব। সাংগঠনিক দুর্বলতার বিষয়টি খতিয়ে দেখব। তৃণমূল যে তত্ত্ব সামনে আনছে, তা ভিত্তিহীন। উল্টে পুরসভা, শহরগুলিতে তৃণমূলের ভোট বিজেপিতে গিয়েছে, সেটা নিশ্চিত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার শাস্তি! ঘোলা জল পরিষেবায় অভিযুক্ত বালুরঘাটের তৃণমূল পুরবোর্ড

    Balurghat: বিজেপিকে ভোট দেওয়ার শাস্তি! ঘোলা জল পরিষেবায় অভিযুক্ত বালুরঘাটের তৃণমূল পুরবোর্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচনে ভরাডুবি হয়েছে গঙ্গারামপুর শহরে। তাই, জল, আলো বন্ধ করে পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগ উঠেছিল তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে। এনিয়ে সরব হয়েছিল বিজেপি। গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় এনিয়ে মহকুমা প্রশাসনের কাছে অভিযোগও জানিয়েছিলেন। সেই ঘটনার জের মিটতে না মিটতেই এবার বালুরঘাট (Balurghat) শহরেও বেশ কয়েকদিন ধরে ঘোলা জল বের হচ্ছে। এতেই গঙ্গারামপুরের মতো বালুরঘাটেও রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছে বিজেপি। ঘোলা জলের পরিষেবায় ক্ষুব্ধ শহরবাসীও।

    ঘোলা পানীয় জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে অনেকে! (Balurghat)

    ঘোলা পানীয় জল খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অনেকে। বিজেপির ধারণা, ভোটে এই শহরেও পিছিয়ে থাকার জন্য শহরবাসীকে ‘শিক্ষা’ দিচ্ছে তৃণমূল পরিচালিত বালুরঘাট (Balurghat) পুরসভা। এবারের ভোটে বালুরঘাট সহ জেলার তিনটি পুরসভাতেই ব্যাপক ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। শহরে পিছিয়ে যাওয়ার কারণেই সামান্য ব্যবধানে হার হয়েছে তৃণমূল প্রার্থীর। বালুরঘাট পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ড। পুরসভার ২৫ টি ওয়ার্ডে তৃণমূলের থেকে ২৫০০০ বেশি ভোট পেয়েছে বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তারজন্যই কি ঘোলা জল পরিষেবা সরবরাহ করে শহরবাসীকে শিক্ষা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছে তৃণমূল? প্রশ্নটা কিন্তু এখন শুধু বিরোধী শিবিরেই আটকে নেই, ছড়িয়ে পড়েছে তিন শহরজুড়েই।

    আরও পড়ুন: বিজেপিতে যোগ দেওয়া এক ক্রিকেটারের ওপর হামলা, অভিযুক্ত তৃণমূল কাউন্সিলর

    বিজেপি নেতৃত্ব কী বললেন?

    বিজেপির (BJP) বালুরঘাট শহরের সভাপতি সমীরপ্রসাদ দত্ত বলেন, “বাড়ি বাড়ি পানীয় জল যেভাবে দেওয়া হয় তা অত্যন্ত বৈজ্ঞানিক। কোনওভাবেই ঘোলা বা নিম্নমানের জল যাওয়ার কথা নয়। কিন্তু, শহরে এমন ঘোলা জল সরবরাহ করে তৃণমূল তাদের রাগ মেটাতে চাইছে। গঙ্গারামপুর পুরসভার তৃণমূল প্রার্থীর চেয়ারম্যানের ভাই সেখানে যা কাণ্ড দেখাচ্ছেন,হয়তো তা দেখে পিছিয়ে থাকতে চাইছেন না বালুরঘাটের পুরপ্রধানও। আমরা তো রাজনীতির গন্ধ পাচ্ছি।”

    বালুরঘাটের পুরপ্রধান কী বললেন?

    বালুরঘাটের (Balurghat) পুরপ্রধান অশোক মিত্র অবশ্য এতে কোনও রহস্য বা রাজনীতি নেই বলেই দাবি করেছেন। তিনি বলেন, ‘তিনদিন ধরে ঘোলা জল এলেও আজ তা স্বাভাবিক হয়েছে। আসলে আত্রেয়ী নদীতে আচমকা জলস্তর বেড়ে গিয়েছে। তাই যে পরিমাণ জল ওভারহেড ট্যাংকে তোলা রয়েছে সেখানে ক্লোরিন ও অন্যান্য ওষুধের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে হয়েছে। আমাদের বিশেষজ্ঞরা মানুষের শরীরের কথা ভেবে এই বিষয়গুলি দেখেন। এর ফলেই এই জল ঘোলা হয়েছে। এই জল যেমন অস্বাস্থ্যকর নয়, তেমনই এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    Balurghat: সুকান্তর গড়ে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করে গ্রামীণ ভোটেও থাবা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবারের লোকসভা নির্বাচনে সুকান্তর গড় বালুরঘাটে (Balurghat) গ্রামীণ ভোটে থাবা বসালো বিজেপি। জানা গিয়েছে, বালুরঘাট ও হিলির অধিকাংশ পঞ্চায়েতে লিড পেয়েছে বিজেপি। ফলে, বালুরঘাটে শুধু পুরসভা এলাকা নয়, পঞ্চায়েত এলাকাতেও বিজেপি আস্থা ফিরে পেল।

    ১৩টি পঞ্চায়েতে বিজেপির লিড (Balurghat)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূলের দখলে ছিল বালুরঘাট (Balurghat), হিলি ব্লকের ১৪টি গ্রাম পঞ্চায়েত ও দুটি পঞ্চায়েত সমিতি। তার মধ্যে ১৩ টিতে লিড পেয়েছে বিজেপি। খোদ বালুরঘাট ব্লক তৃণমূল সভাপতির অঞ্চলে প্রায় ৭ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। এমন ফলাফলে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা বলছে শীর্ষ নেতৃত্ব। দলের একাংশের অভিযোগ, বিপ্লব বিরুদ্ধ গোষ্ঠী বিজেপির সঙ্গে আঁতাত করার জন্যই এমন ফল হয়েছে। প্রসঙ্গত, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে বালুরঘাট মহকুমায় বিশেষ করে বালুরঘাট ও হিলি ব্লকে ভোটের দায়িত্বভার যায় প্রাক্তন জেলা সভাপতি অর্পিতা ঘোষের কাঁধে। তখন অঞ্চল ও ব্লক সভাপতিদের পরিবর্তন করা হয়। নিজের অনুগামীদের পদে বসান অর্পিতা। প্রত্যেক অঞ্চলে নিজের মতো সংগঠন সাজিয়ে পঞ্চায়েত ভোট পার করেছিলেন অর্পিতা। সেবার দুই ব্লক মিলিয়ে শুধুমাত্র চিঙ্গিসপুর ও ভাটপাড়া হাতছাড়া হয়। লোকসভা নির্বাচনে বিপ্লব মিত্র প্রার্থী হতেই পুরানো সংগঠনে বদল না করা হলেও যাতে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব না হয়, সেজন্য অঞ্চল সভাপতিদের পাশাপাশি বিপ্লব অনুগামীদের কনভেনর করে জুড়ে দেওয়া হয়। নির্বাচনী প্রচারের সময় বিপ্লব অনুগামী কনভেনররা বার বার করে অভিযোগ করেছিলেন, প্রধানরা কোনও কাজ করছেন না। অভিযোগ ওঠে বিপ্লব বিরুদ্ধ গোষ্ঠীর নেতা-কর্মীরা দলের বিরুদ্ধে প্রচার করছেন। সেসব কারণেই দুই ব্লকের পাঞ্জুল বাদ দিয়ে প্রত্যেকটি গ্রাম পঞ্চায়েতে পিছিয়ে পড়তে হয়েছে বলে মনে করছে দলের একাংশ।

    আরও পড়ুন: লোকসভার ভোটও দিয়েছে! জাল নথি সহ গ্রেফতার চার বাংলাদেশি, কোথায় লুকিয়ে ছিল?

    দলের গদ্দারদের জন্য এই ফল!

    এই বিষয়ে বিপ্লবমিত্র বলেন, বালুরঘাট ও হিলিতে ফল খারাপ হবে ধরে নিয়েছিলাম। কিন্তু, এত খারাপ ফল হতে পারে ভাবতে পারিনি। রিপোর্ট তৈরি করছি। দ্রুত রাজ্য নেতৃত্বের কাছে জমা দেওয়া হবে। দুই ব্লক মিলিয়ে শুধু পাঞ্জুল গ্রাম পঞ্চায়েতে আমরা লিড পেয়েছি। দলের কিছু গদ্দার বিজেপির সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমার বিরুদ্ধে কাজ করেছে। দলে গদ্দারদের জন্য এই ফল। তাদের সবার বিরুদ্ধে রাজ্য নেতৃত্ব ব্যবস্থা নেবে।

    বিজেপি নেতৃত্বের কী বক্তব্য?

    এই বিষয়ে বিজেপির জেলার (Balurghat) সাধারণ সম্পাদক বাপি সরকার বলেন, পঞ্চায়েতগুলো তৃণমূল চুরি করে দখল করে নিয়েছিল। সেই চুরি করার জবাব মানুষ এই লোকসভা ভোটে দিয়ে দিয়েছে। ১৪টি গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে একটা পঞ্চায়েত বাদে বাকি সব গুলো পঞ্চায়েতে আমরা লিড পেয়েছি। আর ওদের তো কাজ করার মতো লোক নেই, সব চুরি করার জন্য লোক আছে। নিজেদের মধ্যে গন্ডগোল করার লোক আছে। মানুষ এবার সঠিক জবাব দিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথ নিয়েছিলেন রবিবারই। আর সোমবার জোড়া মন্ত্রক পেলেন দুবারের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) । মন্ত্রক ঘোষণা হতেই বিজেপির নেতা-কর্মীরা পৌঁছে গেলেন সুকান্ত মজুমদারের বাড়ি। মিষ্টিমুখ করালেন সুকান্তর সহধর্মিনী ও তাঁর মাকে। পরিবারের সকলের সঙ্গে আনন্দের দিনকে আরও আনন্দময় করে তুললেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।

    মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে প্রথমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রবিবার। তারপর থেকেই উচ্ছ্বাসে মাতেন বিজেপির কর্মী -সমর্থকরা। সোমবার দিনভর উৎকণ্ঠায় ছিলেন কর্মীরা। সুকান্ত মজুমদার কোন দফতর পাচ্ছেন তা জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রক বন্টনের খবর পৌঁছাতেই খুশিতে মাতেন সকলে। বাজিও ফাটানো হয়। মিষ্টি বিলি করেন বিজেপি কর্মীরা। প্রসঙ্গত,এই প্রথম বালুরঘাট থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হওয়া সুকান্তকে নিয়ে আগেই চর্চা চলছিল। অবশেষে রবিবার দুপুরে এনিয়ে বার্তা পৌঁছায় সুকান্তর পরিবার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বদের কাছে। খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পরে জেলায়। এরপরেই বাজি ও শহরবাসীকে মিষ্টি মুখ করিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দলের নেতা -কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    কী বললেন সুকান্ত?

    দিল্লি থেকে এক ভিডিও বার্তায় সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘আমার মতো একজন সাধারণ কর্মীকে যেভাবে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। আমার নিজের যত সামর্থ্য রয়েছে, সবটুকু দিয়ে মোদিজি লক্ষ্যকে সামনে এদিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা তো শেষ। সেটাকে কেন্দ্রের তরফে যতটা করা যায়, সেই চেষ্টা করব।’ সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল চক্রবর্তী বলেন, আমরা খুব খুশি। আশা করি তিনি ভালো করে কাজ করবেন ও জেলার উন্নয়ন করবেন। এই বিষয়ে  এক শহরবাসী বলেন, আমরা আশাবাদী এবার আমাদের জেলা ও শহরের উন্নয়ন হবে।

    পূর্ণমন্ত্রী হলে আরও বেশি খুশি হতাম

    সুকান্ত মজুমদারের মা নিবেদিতা মজুমদার বলেন, ‘খুবই আনন্দ হচ্ছে। ছেলেটা বাড়িতে থাকলে আরও ভাল লাগত। শুনলাম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছে। ও যদি পূর্ণমন্ত্রী হত, আরও বেশি খুশি হতাম। ছোটবেলা থেকেও যে কাজটা করে, খুব মন দিয়ে কাজ করে। রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর একটা দিনও বিশ্রাম পায়নি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পরই বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। এবার লোকসভায় গঙ্গারামপুর বিধানসভায় বিপুল ভোটে লিড পেয়েছে বিজেপি। এরপর পানীয় জল সরবরাহ এবং পথবাতি জ্বালানো নিয়ে টালবাহানা করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে। রবিবারই বিজেপি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। এরপরই টানা চারদিন পরিষেবা বন্ধ রাখার পর পানীয় জল সরবরাহ ঠিক করা হয়। আর আংশিকভাবে পথবাতি জ্বালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    গঙ্গারামপুরে বিজেপি লিড পেতেই পরিষেবা শিকেয়! (Balurghat)

    গত ৬ জুন থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভা এলাকায় আচমকা পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকী  পুরসভা এলাকার পথবাতির কোনও আলো জ্বলেনি। গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা থেকেই ভোটে পিছিয়ে ছিল গঙ্গারামপুরের ভূমিপুত্র তথা পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। ১২ হাজারেরও কিছু বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার লিড পেয়েছেন। এই গঙ্গারামপুর শহরের পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র। তিনি আবার তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের ভাই। এই শহরেরই মানুষ তাঁরা। তারপরেও তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছেন ভোটাররা। কেন তৃণমূলের এই খারাপ ফল? এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কাঁটা ছেড়া চলছে প্রতিনিয়ত।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    আন্দোলনে বিজেপি

    সন্ধ্যার পর থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে। শহরের ১৮ টি ওয়ার্ডের পানীয় জল ও পথবাতি বন্ধ রাখার প্রতিবাদে রবিবার বিজেপির পক্ষ থেকে গঙ্গারামপুরের জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। বিজেপির আন্দোলনের ফলে এলাকায় পানীয় জল পরিষেবা ঠিক হয়। গত চার দিন ধরে গোটা পুরসভায় এলাকায় পথবাতি পরিষেবা ঠিক হয়নি। এই বিষয়ে গঙ্গারামপুরবাসী বলেন, গত চারদিন ধরে গঙ্গারামপুরে  রাস্তার বেশিরভাগ জায়গায় কোনও আলো জ্বলছে না। কী কারণে এমনটা হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, গঙ্গারামপুরে তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ি। এই এলাকার মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এটাই অপরাধ! সেই রাগে তৃণমূল এসব করেছে। এই ধরনের নোংরামি করা ঠিক নয়।  কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন করেছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, বিজেপি সবসময় মিথ্যে কথা বলে, মিথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে ওরা রাজনীতি করতে চায়। কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য সমস্যা হতে পারে। অন্য কোনও কারণ নয়। আমরা বিষয়টি দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    Balurghat: সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৭ বছর পর প্রথম মন্ত্রী পেল বালুরঘাট (Balurghat)। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হওয়া সুকান্তকে নিয়ে আগেই চর্চা চলছিল। অবশেষে রবিবার দুপুরে এনিয়ে বার্তা পৌঁছায় সুকান্তর পরিবার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বদের কাছে। খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে জেলায়। এরপরেই  উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দলের নেতাদের পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকরা।

    বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী (Balurghat)

    সুকান্তর মন্ত্রীত্ব পাওয়াকে কেন্দ্র করে বালুরঘাট (Balurghat) শহরে থাকা বিজেপির জেলা কার্যালয় চত্বরে গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন সকলে। বাজনা, মাইক, বাতি জ্বালিয়ে সন্ধ্যায় বিজেপি কর্মীরা মিছিল বের করেন শহরে। সেই মিছিলে সামিল হন সুকান্তর স্ত্রী কোয়েল চৌধুরী এবং তাঁর পরিবার। জেলা প্রসাশনিক ভবন এবং থানা মোড়ে চলে বাজি প্রদর্শনী। সেখানেই গাড়ির মধ্যে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেই অনুষ্ঠান দেখতে দলের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ ভিড় করেন। জেলার প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ। রবিবার সন্ধ্যার পর কার্যত উৎসবে মেতে ওঠেন বালুরঘাটবাসী। বিজেপির এক কর্মী বলেন, দাদা আমাদের মন্ত্রী হয়েছেন। আমরা গর্বিত। তবে, দাদা রাজ্য সভাপতি থাকলে আরও ভালো লাগবে। এদিন খবরটা শোনার পর থেকেই আমরা আনন্দে মেতে উঠি। টিভির পর্দায় দাদার শপথ অনুষ্ঠানও আমরা দেখলাম। খুবই ভালো লাগল। শুধু সাংসদ থেকে তিনি প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। এবার মন্ত্রী হয়ে তিনি আরও অনেক বেশি কাজ করবেন। দাদার হাত ধরে বালুরঘাটে প্রচুর উন্নয়ন হবে।

    আরও পড়ুন: ঘামে প্যাচপ্যাচ! জ্যৈষ্ঠের গরমে জেরবার জনজীবন, স্বস্তির বৃষ্টি কবে?

    স্ত্রীকে ফোন করে মন্ত্রী হওয়ার কথা জানান সুকান্ত

    সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল মজুমদার বলেন, রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ আমাকে ফোন করে সুকান্ত আনন্দের খবরটি দিয়েছেন। আমরা এতে আপ্লুত। এজন্য জেলাবাসীর (Balurghat) ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।  সুকান্তকে বড় দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রধামন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিয়েছি বলে হামলা, বাড়িতে তান্ডব চালাল তৃণমূল,” বললেন আক্রান্ত কর্মী

    Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিয়েছি বলে হামলা, বাড়িতে তান্ডব চালাল তৃণমূল,” বললেন আক্রান্ত কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার গঙ্গারামপুর বিধানসভার নয়াবাজারে বিজেপি কর্মীকে মারধর এবং বাড়িতে, দোকানে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্তদের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    ভোটের ফলাফলের পর বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার দিকে দিকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালানোর ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে। গত দুদিন আগে গঙ্গারামপুর শহরে বিজেপির কর্মীর দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ফের গঙ্গারামপুরের নয়াবাজারে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মারধর সহ দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই বিষয়ে এক বিজেপি কর্মী বলেন, বিজেপিকে ভোট দেওয়া অপরাধ। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাকে বেধড়ক মারধর করে। দোকান ও বাড়িও ভাঙচুর করেছে। আক্রান্ত সেই বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ জেলার অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর বিধানসভা এলাকাটি পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর গড় ছিল। এবারের লোকসভা নির্বাচনে তিনি গঙ্গারামপুর ও বালুরঘাট বিধানসভা  থেকে ভোট কম পান। যার ফলে তিনি ভোটে পরাজিত হন। জয়ী হন বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। ভোটের ফলাফলের পর থেকে দিকে দিকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। এমনই অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে বিজেপির (Balurghat) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন,সুকান্ত মজুমদার জয় লাভের পর গঙ্গারামপুর বিধানসভার নয়াবাজার এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাদের হারকে মেনে নিতে পারছে না। তাই, বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আমাদের দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রশাসনকে বারবার বলার পরও প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এখানে প্রশাসন ও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা একত্রিত হয়ে অত্যাচার চালাচ্ছে। এদিকে তৃণমূলের তরফ থেকে পুরো ঘটনার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। পারিবারিক বিবাদের কারণে এই রকম ঘটনা ঘটতে পারে। এখানে তৃণমূলের কোনও বিষয় নেই। বিজেপি মিথ্যে অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে”, ভোটে হেরে বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    Balurghat: “অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে”, ভোটে হেরে বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ের মুখ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছে। ২০০৯ সালের পর ফের লোকসভায় ভোটে নিজের হারের পিছনে এবার অন্তর্ঘাত দেখছেন বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। তাঁর অভিযোগের তির মূলত দলের অন্য গোষ্ঠীর দিকে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে (Balurghat)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে লড়াই বলে বালুরঘাট আসনে নজর ছিল রাজ্যবাসীর। সেই যুদ্ধে গণনা শুরুর প্রথম থেকেই আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন বিপ্লব। প্রথম রাউন্ড থেকে শুরু করে ৭ম রাউন্ড পর্যন্ত লিড ধরে রাখেন। তখন থেকেই জয়ের আশা জাগতে শুরু করে তৃণমূল শিবিরে। ৮ম রাউন্ডে এগিয়ে যান সুকান্ত। ১৩ রাউন্ডে গিয়ে ফের সুকান্তকে টক্কর দিয়ে এগিয়ে যান বিপ্লব। ১৪ রাউন্ডের পর পিছিয়ে যেতে থাকে রাজ্যের শাসকদল। বালুরঘাট (Balurghat), গঙ্গারামপুর ও তপন বিধানসভায় লিড বাড়ে সুকান্তর। বিপ্লবের গড় বলে পরিচিত গঙ্গারামপুরে শাসকদল দাঁত ফোটাতে পারেনি। হারের পর বিপ্লব মিত্র বলেন, বিজেপি এমন কোনও কাজ করেনি যে তারা জিতবে। আমরা জেতার মতো জায়গায় ছিলাম। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছি। জেলায় যা উন্নয়ন হয়েছে, সব রাজ্য সরকার করেছে। দলে নিশ্চয়ই অন্তর্ঘাত হয়েছে। রয়েছে। এনিয়ে আর বিতর্কের জায়গা নেই। আমরা পর্যালোচনা করব। বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে। রাজ্য থেকে আমার কাছে হারের কারণ জানতে চাওয়া হলে অন্তর্ঘাতের বিষয়টি তখন ব্যাখ্যা করব।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    মুখ্যমন্ত্রীও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন

    দলীয় অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব সামনে আনলেও ঠিক কোনদিকে ইঙ্গিত করছেন জেলার বর্ষীয়ান নেতা বিপ্লব মিত্র , সেই অঙ্ক কষতে শুরু করেছেন দলের ভোট ম্যানেজাররা। জেলার রাজনৈতিক মহল মনে করছে, জেলার প্রাক্তন দুই সভাপতি রয়েছেন তপন ও গঙ্গারামপুর বিধানসভা এলাকায়। তাঁদের সঙ্গে নির্বাচনের আগে থেকেই অনেকটা দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন বিপ্লব। নির্বাচনে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ পৌঁছেছিল খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। পরে, বালুরঘাটে (Balurghat) সভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সবাইকে নিয়ে চলার বার্তা দিয়েছিলেন। তারপরও সবকিছু যে ঠিক হয়নি, বিপ্লবের দাবিতে সেকথা স্পষ্ট।

    দলীয় প্রার্থীর হার নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতারা?

    এ প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি গৌতম দাস বলেন, আমি তো দলের একজন সামান্য কর্মী। দল মনে করেছে বড় জায়গায় কাজ করতে পারব না, সেজন্য ছোট জায়গায় কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। সেই মতো  দলের কাজ করেছি। কে কী মন্তব্য করেছেন, আমার জানা নেই। প্রার্থীর হার নিয়ে নিশ্চয় পর্যালোচনা হবে। আবার জেলা তৃণমূলের আর এক প্রাক্তন সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, লোকসভা নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী যেমন কাজ করতে বলেছেন, সেভাবেই চলেছি। কে অন্তর্ঘাত  করেছেন, দলীয়স্তরে তার পর্যালোচনা  করা হোক। গঙ্গারামপুর শহরে দলের বিপর্যয় কেন হল, সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “দোকান ঘর থেকে বের করে বেধড়ক মারধর করল তৃণমূলের ছেলেরা”, বললেন আক্রান্ত ব্যবসায়ী

    Balurghat: “দোকান ঘর থেকে বের করে বেধড়ক মারধর করল তৃণমূলের ছেলেরা”, বললেন আক্রান্ত ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে বিজেপির এক বুথ সভাপতির দাদার দোকান সহ আরও দুটি দোকান ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট (Balurghat) লোকভার গঙ্গারামপুর থানার নিউমার্কেট এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    আক্রান্ত চশমা ব্যবসায়ী সৌম্যকান্তি আঢ্য গঙ্গারামপুর (Balurghat) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, চার-পাঁচ জন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী দোকানে এসে হামলা চালায়। সৌম্যকান্তি আঢ্য বলেন, আমার চশমা এবং অন্যান্য দামি জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। দোকানের সিসিটিভিও ভেঙ্গে দেয়। দুষ্কৃতকারীরা আমাকে দোকান ঘর থেকে টেনে এনে বেধড়ক মারধর করে। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য এমন ঘটনা বলে জানান তিনি। ওই চশমার দোকানদার সৌম্য কান্তি আঢ্য এর মামাতো ভাই এলাকার বিজেপি বুথ সভাপতি জ্যোতির্ময় সাহা। অভিযোগ, লোকসভা ভোটে গঙ্গারামপুর এলাকা থেকে তৃণমূল কম ভোট পাওয়ায় এবং ভাই বিজেপির বুথ সভাপতি হওয়ায় তার দোকানে এসে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায় সহ বিজেপির কর্মীরা। এদিন আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় যান তাঁরা। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই জিতেছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে গঙ্গারামপুরের (Balurghat) বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায় বলেন, ভোটের পরে এইখানে আবহাওয়া ভালো ছিল। আবহাওয়া খারাপ করার জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা গঙ্গারামপুরের ৩ টি দোকান ভাঙচুর করে। একটি চশমার দোকানের মালিক কে মারধর করে। কারণ তারা বিজেপিতে ভোট দিয়েছে। গঙ্গারামপুরের মানুষের একটাই দোষ যে তারা বিপ্লব মিত্রর বিরুদ্ধে সাড়ে চার হাজার ভোট বেশি দিয়ে সুকান্ত মজুমদারকে জিতিয়েছেন। সেই কারণে আমাদের কর্মীর উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। আমরা এই বিষয়টি থানায় জানিয়েছি। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, এইটা তাঁদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা নিয়ে হতে পারে। এইটার মধ্যে তৃণমূলের কোনও হাত নেই। নির্বাচনে জেলায় তৃণমূল কোনও গন্ডগোল করেনি, বিজেপি গন্ডগোল করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share