Tag: Balurghat

Balurghat

  • Balurghat: কলা গাছের ছালের সুতোয় তৈরি চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট, বালুরঘাটের শিল্পীর কামাল

    Balurghat: কলা গাছের ছালের সুতোয় তৈরি চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট, বালুরঘাটের শিল্পীর কামাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলাগাছের ছাল ছাড়িয়ে সুতো! আর সেই সুতোয় তৈরি হয় চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট। শুনতে খানিকটা অবাক লাগলেও এটাই সত্যি। কলাগাছের ছাল ছাড়িয়ে সুতো তৈরির কারিগরের নাম খিরোদা রায়। একসময় সুনাম অর্জন করেছেন জেলা শিল্প দফতর থেকে শুরু করে শিলিগুড়ি, কলকাতা এমনকী দিল্লিতেও। প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থানাধিকারী হয়েছেন একাধিকবার। কিন্তু, সেসব সার্টিফিকেট বর্তমানে ফাইলবন্দি। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার কুশমুন্ডি ব্লকের কচরা গ্রামে এই বিরলতম শিল্পের শিল্পী খিরোদা রায়কে মনে রাখেনি কেউ। মেলা করলেও এখন জোটে না টাকা। তাই, সরকারের আর্থিক সাহায্যের আশায় বুক বেঁধেছেন তিনি।

     কলা গাছের ছালের সুতোয় তৈরি হয় চট, গামছাসহ আস্ত জ্যাকেট (Balurghat)

    কচরা (Balurghat) গ্রামে বাবার বাড়িতে সরু সুতো তৈরির কাজ শিখেছিলেন আগেই। হাটে ধোকরা বিক্রির অভিজ্ঞতাও রয়েছে তাঁর।  কিন্তু, কম খরচে নতুন কিছু করার ইচ্ছে ছিল ছোটবেলা থেকেই। বিয়ের পর ফতেপুর গ্রামে রাস্তার ধারে এক চিলতে ঘরে স্বামী সহ দুই ছেলেমেয়েকে বড় করতে করতে নাম লেখান জেলা শিল্প দফতরে। এরপর ১৯৯০ সালের শেষের দিকে কলাগাছের ছাল ছাড়িয়ে তৈরি করেন চিকন সুতো। সেই সুতোয় তৈরি করেন চট, গামছাসহ ছোট ছোট ব্যাগ এমনকী জ্যাকেট পর্যন্ত। এখনও মেলা করেন। তবে, মেলার সরকারি টাকা পেতে ঘাম ঝরে যায়। এখন স্বামী সন্তান নিয়ে ফতেপুর ছেড়ে ডেরা বেঁধেছেন বালাপুকুর গ্রামে। রুগ্ন শরীর নিয়ে অঙ্গনওয়াড়ি সেন্টারে রান্না করে যৎসামান্য টাকায় দিনযাপন করেন। এখনও তিনি বিভিন্ন সরকারি মেলায় নিজের তৈরি সামগ্রী বিক্রি করেন।

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে ১০ লক্ষ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পেলেন অনুপ মাঝি

    সরকারি সাহায্যের আর্জি

    শিল্পী খিরোদা রায় বলেন, আমার আফসোস কলাগাছের ছাল ছাড়িয়ে সুতো তৈরির মর্যাদা দিতে পারল না কেউ। সরকারি দফতর সবই জানে। কিন্তু, নতুন প্রজন্মকে এই শিল্প শেখানোর কোনও ধারাবাহিক কর্মশালার আয়োজন করেনি। চরম অবহেলায় পড়ে রয়েছে এই শিল্প। সরকারি সাহায্য পেলে এই শিল্প বাঁচানো সম্ভব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: এক্স-রে প্লেটের আকাল! বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে বন্ধ হতে বসেছে পরিষেবা

    Balurghat: এক্স-রে প্লেটের আকাল! বালুরঘাট জেলা হাসপাতালে বন্ধ হতে বসেছে পরিষেবা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট (Balurghat) জেলা হাসপাতালে  আকাল এক্স-রে প্লেটের। প্লেটের অভাবে প্রায় বন্ধ হতে বসেছে এক্স-রে পরিষেবা। যার জেরে সমস্যায় পড়েছেন রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা। 

    রোগীদের অভিযোগ 

    হাসপাতালে এক্স-রে করাতে আসা রোগীদের তরফে জানা যায়, বালুরঘাট (Balurghat) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগে বিগত বেশ কিছুদিন ধরে আকাল পড়েছে এক্স-রে প্লেটের। ফলে বহির্বিভাগে আসা রোগীরা সমস্যায় পড়ছেন। শুধু তাঁরাই নয়, যারা হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তাঁদেরও একই সমস্যার মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সমস্যা এখানেই থেমে নেই। যে এক্স-রে (X-ray Services) মেশিন আছে তাও মাঝেমধ্যেই বিকল হয়ে পড়ছে। ফলে রোগী এবং তাঁদের আত্মীয়দের মধ্যে ছড়াচ্ছে ক্ষোভ। 

    হাসপাতাল তরফে খবর (Balurghat) 

    হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে , স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে এক্স-রে প্লেটের সাপ্লাই কম থাকার কারণে এই সমস্যা দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে বহু রোগী এক্স-রে করার পর প্লেট নেয় না। যার ফলে নষ্ট হয় প্লেট গুলি। তবে যত দ্রুত সমস্যা সমাধান করা যায়, সেই চেষ্টা করছে কর্তৃপক্ষ।
    এ প্রসঙ্গে হাসপাতালে (Balurghat) এক্স-রে করতে আসা রোগীরা বলেন, “হাসপাতালে এক্স-রে করতে এসেছিলাম। কিন্তু এসে শুনি এক্স-রে হবেনা। কারণ এক্স-রে প্লেট নেই। এর আগেও একদিন এসেছিলাম সেদিনও এক্স-রে করতে পারিনি। হাসপাতালে মাঝের মধ্যে এক্স-রে মেশিন খারাপ (X-ray Services) থাকে। আমরা প্রচন্ড সমস্যার মধ্যে পড়েছি।”
    প্রসঙ্গত, বালুরঘাট (Balurghat) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে হাসপাতালের নিচ তলায় এক্স-রে পরিষেবা দেওয়া হয়। ওই এক্স-রে বিভাগে গত কিছুদিন ধরে এক্স-রে প্লেটের অভাব দেখা দিয়েছে। ফলে বহির্বিভাগ থেকে আসা রোগীরা এক্স-রে করাতে এসে সমস্যায় পড়ছে। শুধুমাত্র জেলা হাসপাতালে ভর্তি থাকা এমারজেন্সি রোগীদের এক্স-রে চলছে। ফলে গত কয়েকদিন ধরে এক্স-রে করতে এসে বহির্বিভাগের রোগীরা ঘুরে যাচ্ছে। এদিকে হাসপাতালের এক্স-রে মেশিন এমনিতেই খারাপ। ওই এক্স-রে মেশিন (X-ray Services) মাঝেমধ্যেই বিকল হয়ে যায়। কিছু কিছু সময় এক্স-রে মেশিন চললেও এবারে এক্স-রে প্লেটের অভাব দেখা দিয়েছে। 

    আরও পড়ুন: সিএএ থেকে রামনবমী পালন, রাজ্যে ভোট প্রচারে এসে পাঁচ গ্যারান্টি প্রধানমন্ত্রীর

    হাসপাতাল সুপারের বক্তব্য 

    এই বিষয়ে হাসপাতাল (Balurghat) সুপার কৃষ্ণেন্দু বিকাশ বাগ বলেন,”এক্স-রে হচ্ছে কিন্তু প্লেটের একটু চাহিদা আছে। আমরা উপর মহলে জানিয়েছি। দ্রুত প্লেট এসে যাবে। আর প্লেট এসে গেলেই সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2024: রোগে বেঁকে গিয়েছে শিরদাঁড়া, উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮২ নম্বর পেয়ে তাক লাগিয়েছেন জয়দীপ

    HS Result 2024: রোগে বেঁকে গিয়েছে শিরদাঁড়া, উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮২ নম্বর পেয়ে তাক লাগিয়েছেন জয়দীপ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকের পরেই শরীরে বাসা বেঁধেছিল বিরল রোগ। বেঁকে যাচ্ছিল শিরদাঁড়া। থাবা চওড়া করছিল অ্যানকোলাইসিস স্পন্ডেলাইটিস। যার ফলে পড়াশোনা ভুলতে বসেছিল বালুরঘাটের জয়দীপ সামন্ত। কিন্তু, শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করে এবার উচ্চমাধ্যমিকে ভালো রেজাল্ট (HS Result 2024) করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন সকলকে।

    জয়দীপের প্রাপ্ত নম্বর ৪৮২ (HS Result 2024)

    মার্কশিট অনুয়ায়ী, তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ৪৮২। বালুরঘাট হাইস্কুলে প্রথম (HS Result 2024)। এমনকী জেলার মধ্যেও সম্ভাব্য প্রথম বলেই জানা গিয়েছে। মাত্র ৫ নম্বরের জন্য রাজ্যের দশজনের মেধাতালিকায় আসতে পারেনি জয়দীপ। জয়দীপের ইচ্ছে বড় হয়ে আইএএস অফিসার হওয়ার। কাজ করতে চান দেশের জন্য। বালুরঘাট শহরের উত্তরায়ণ ক্লাব সংলগ্ন এলাকায় বাড়ি জয়দীপের। ছোট থেকেই এলাকায় মেধাবী ছাত্র বলে পরিচিত তিনি। মাধ্যমিকে পেয়েছিলেন ৬৬০ নম্বর। কিন্তু, মাধ্যমিকের পর থেকে শরীরে বাসা বাঁধে অ্যানকোলাইসিস স্পন্ডেলাইটিস। বেঁকে যাচ্ছিল গোটা শরীর। সোজা হয়ে দাঁড়ানোর ক্ষমতাটাই যেন ধীরে ধীরে উবে যাচ্ছিল। নানা জায়গায় দেখানো হয় ডাক্তার। চলতে থাকে চিকিৎসা। এরইমধ্যে দুয়ারে কড়া নাড়তে থাকে উচ্চমাধ্যমিক। শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে সঙ্গী করেই উচ্চ মাধ্যমিকের টেস্ট পরীক্ষায় বসেন জয়দীপ। শেষে উচ্চমাধ্যমিক। আসে ৪৮২ নম্বর। বাংলায় পেয়েছেন ৯৫, ইংরেজিতে ৯৭, ইতিহাসে ৯৩, ভুগোলে ৯৮, রাষ্ট্রবিজ্ঞানে ৯৭, দর্শনে ৯৫ নম্বর পেয়েছেন। তাঁর এই তাক লাগানো রেজাল্টে স্বভাবতই খুশি পরিবারের সদস্যরা। খুশি বালুরঘাট হাইস্কুলের শিক্ষকেরাও। খুশির হাওয়া বন্ধু মহলেও।

    বড় হয়ে আইএএস হওয়ার স্বপ্ন

    জয়দীপ বলেন,আমি উচ্চ মাধ্যমিকে মাত্র ৫ নম্বরের জন্য রাজ্যের দশজনের মেধাতালিকায় (HS Result 2024) আসতে পারিনি। মোবাইলের সঠিক ব্যবহার করতে হবে। পড়াশোনার একঘেয়েমি কাটাতে আমি মোবাইলে বিভিন্ন ঐতিহাসিক বিষয় দেখতাম। দিনে ১০ ঘণ্টাও পড়েছি। গত চার বছর ধরে ইউপিএসসি প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমার বড় হয়ে আইএএস অফিসার হওয়ার ইচ্ছে রয়েছে। আমি দেশের জন্য কাজ করতে চায়। জদীপের বাবা অসিত সামন্ত অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী। তিনি বলেন, ‘বেলুড়ে ইতিহাসে সাম্মানিক স্নাতক নিয়ে পড়ার ইচ্ছে তার। সে যেভাবে এগোতে চায়। তাতেই আমরা তার সঙ্গে আছি। তার এখনও ফিজিওথেরাপি চলছে।’

    ধর্মীয় উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের! তৃণমূল বিধায়ক হুমায়ুন কবীরকে শো-কজ কমিশনের

    বালুরঘাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক কী বললেন?

    বালুরঘাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সৃজিৎ সাহা বলেন, ‘ইচ্ছাশক্তির ওপর ভর করে তার এই অভাবনীয় ফল শুধু পড়ুয়াদের নয় অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে আমাকে ও অন্য শিক্ষকদেরও। তিন বছর আগেও জয়দীপের উচ্চতা ছয় ফিটের উপরে ছিল। কিন্তু তার মেরুদন্ড বেঁকে যাওয়ায় এখন উচ্চতা কয়েক ইঞ্চি কমে এসেছে। প্রথম প্রথম হাঁটতে পারলেও এখন আর ঠিকমতো হাঁটতে পারে না। অনেক সরঞ্জাম ও টোটোকে সঙ্গী করে প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে কোনও অজুহাত ছাড়াই সে স্কুলে পৌঁছে যেত। তার লড়াইকে কুর্নিশ জানাই।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • HS Result 2024: সব বাধা পেরিয়ে ইচ্ছাশক্তির জোরে উচ্চ মাধ্যমিকে শিখর ছুঁলেন বালুরঘাটের পায়েল

    HS Result 2024: সব বাধা পেরিয়ে ইচ্ছাশক্তির জোরে উচ্চ মাধ্যমিকে শিখর ছুঁলেন বালুরঘাটের পায়েল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: খাতায়কলমে নয়, পরীক্ষা ছিল ইচ্ছাশক্তিরও। সব বাধা পেরিয়ে শিখর ছুঁলেন বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড পঞ্চায়েতের কামারপাড়ার পায়েল পাল। প্রতিবন্ধকতা জয় করে উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) ৪৬০ পেয়ে চমকে দিয়েছেন তিনি। তবে, তাঁর  উচ্চশিক্ষার খরচ জোগাড় করা নিয়ে দুশ্চিন্তায় রয়েছে পরিবার।

    শিক্ষিকা হওয়ার স্বপ্ন পায়েলের (HS Result 2024)

    বালুরঘাট ব্লকের অমৃতখণ্ড পঞ্চায়েতের কামারপাড়ায় বাড়ি পায়েলের। তিনি বিশেষভাবে সক্ষম তিনি। তাঁর উচ্চতা দুই ফুট। হাঁটাচলা করতে অসুবিধা হয় সেই শৈশব থেকেই। বহু চিকিৎসা করেও কোনও লাভ হয়নি। তাঁকে কটুক্তিও কম শুনতে হয়নি। তবে, আশা ছাড়েননি পায়েল। ঘরে বসে না থেকে রোজ স্কুলে গিয়ে সবার সঙ্গে মেলামেশা করার চেষ্টা করেছেন তিনি। তিনি বুঝেছিলেন, জীবনে এগিয়ে যেতে হলে কিছু করতেই হবে। বড় হয়ে শিক্ষিকা হতে চান পায়েল। ছড়িয়ে দিতে চান শিক্ষার আলো। তিনি বলেন, আমি আরও ভালো ফল (HS Result 2024) করতাম। জানি না ইংরেজিতে এত কম নম্বর পেলাম কেন। কেন এমন হল, বুঝতে পারলামনা। তবে হাল ছাড়ব না। আগামী দিনে কলেজে ভর্তি হয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাব। তবে, কোথায়, কোন বিষয় নিয়ে  কলেজে পড়ব, তা আমার পরিবার ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলোচনা করেই ঠিক করবো।

    আরও পড়ুন: শাহজাহান বাহিনীর হাতে খুন হন বাবা, ঘরছাড়া হয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে ৪৮৩ পেলেন প্রীতম

    উচ্চশিক্ষার খরচ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার

    লড়াইয়ের হাতিয়ার হিসেবে পড়াশুনাকেই বেছে নিয়ে মাধ্যমিকে ৫৫৪ পেয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছিলেন পায়েল। তিনি বাদামাইল উচ্চ বিদ্যালয়ের এই ছাত্রী। এবার উচ্চ মাধ্যমিকে (HS Result 2024) ৪৬০ নম্বর পেয়ে সাফল্যের চূড়ায় তিনি। পায়েল বাংলায় ৮০, এডুকেশনে ৯৯, ভূগোলে ৯৭, সংস্কৃত ৯৩, দর্শনে ৯১ নম্বর পেয়েছেন। বাবা দ্বিগেন পাল পেশায় দর্জি। মা প্রভাতী পাল গৃহবধূ। দ্বিগেনবাবু যে আয় করেন, সেটা মেয়ের পড়াশুনা এবং চিকিৎসা করাতেই শেষ হয়ে যায়। মেয়ের এই সাফল্যে খুশি হলেও উচ্চশিক্ষার খরচ কীভাবে চালাবেন, তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরিবার। পায়েলের মা প্রভাতী পাল বলেন, মেয়েকে প্রতিদিন স্কুলে নিয়ে যাওয়া-আসা করতাম। পায়েল ছোট থেকে মেধাবী। তার এই ফলে আমরা ভীষণ খুশি। তবে উচ্চশিক্ষার খরচ জোগাড় করা নিয়ে চিন্তায় পড়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: আর্থিক প্রতিকুলতাকে জয় করে মাধ্যমিকে স্টার দিনমজুরের ছেলে অপু, পড়াশুনা নিয়ে চিন্তায় পরিবার

    Balurghat: আর্থিক প্রতিকুলতাকে জয় করে মাধ্যমিকে স্টার দিনমজুরের ছেলে অপু, পড়াশুনা নিয়ে চিন্তায় পরিবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মাধ্যমিকে স্কুলের সেরা হয়ে সকলকে তাক লাগিয়ে দিল দিনমজুরের ছেলে অপু ঘোষ। মাধ্যমিক দিয়েছিল বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার বেলবাড়ি কাদিহাট উচ্চবিদ্যালয় থেকে। বাংলায় পেয়েছে ৯০, ইংরাজিতে ৬৫। অঙ্ক, ভৌতবিজ্ঞান, জীবনবিজ্ঞান, ও ভূগোল- প্রতিটি বিষয়ে নম্বর নয়ের ঘরে। অঙ্কে ও ভৌতবিজ্ঞানে পেয়েছে ৯৪। জীববিজ্ঞানে ৯৮। ভূগোলে ৯৯। ইতিহাসে নম্বর সামান্য কম, পেয়েছে ৮৬।

    বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করতে চায় (Balurghat)

    বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গারামপুর ব্লকের বেলবাড়ি ঘোষ পাড়ার আনন্দ ঘোষ ও শিবানী ঘাষের এক মাত্র ছেলে অপু। বাবা দিনমজুরের কাজ করেন। মা গৃহবধূ। পরিবারে অভাব অনটন নিত্য সঙ্গী। অপুর সাফল্যে বাবা-মায়ের চোখে জল। ছেলের পড়াশুনার জন্য সরকারের কাছে সাহায্যের আর্জি জানান অপুর পরিবার। অপু বলে, ‘বাবা দিনমজুর। যা আয় করেন সেটা সংসার চালাতে খরচ হয়ে যায়। শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিষয়ে একজন গৃহশিক্ষক ছিল। তাও পরীক্ষার মাত্র চারমাস আগে তাঁকে পেয়েছিলাম। বাকি বিষয় নিজেই পড়তাম। ৬২৬ পাব ভাবতে পারিনি। বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশুনা করতে চাই।’ ভবিষ্যতে বিজ্ঞান নিয়ে পড়ার ইচ্ছে রয়েছে। কিন্তু, বাবার রোজগার তেমন নয়। সাহায্য করলে ভালো লাগত।’

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল নেতার নির্দেশে বাড়িতে মজুত বোমা তৈরির মশলা-আগ্নেয়াস্ত্র”, জানালো ধৃত দুষ্কৃতী

    সহযোগিতার আশ্বাস স্কুল কর্তৃপক্ষের

    বাবা আনন্দ ঘোষ বলেন, ‘ভাবতে পারিনি ছেলে মাধ্যমিক পরীক্ষায় এত ভালো ফল করবে। আর্থিক সমস্যার জন্য গৃহশিক্ষক দিতে পারিনি। পরীক্ষার মাত্র চার মাস আগে বিজ্ঞান বিষয় পড়াতে একজন গৃহশিক্ষক রেখেছিলাম। ছেলে বিজ্ঞান নিয়ে পড়াশোনা করতে চায়। আমার সামান্য আয় দিয়ে কীভাবে ছেলেকে লেখাপড়া করাবো বুঝে উঠতে পারছি না। সরকারি সাহায্য পেলে ভীষণ ভালো হত।’ ছেলের সাফল্যে খুশি মা শিবানী ঘোষ বলেন, ‘রেজাল্ট দেখে আমারও ভালো লাগছে। কিন্তু আগামীদিনে কীভাবে ছেলের স্বপ্নপূরণ করব, তা নিয়ে চিন্তায় রাতে ঘুম আসছে না।’ বেলবাড়ি কাদিহাট উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পার্থ সরকার বলেন, অপুর যেন সমস্যা না হয় তার জন্য আমাদের সহযোগিতা থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিন”, তৃণমূল প্রার্থীর নামে বিতর্কিত লিফলেটে শোরগোল বালুরঘাটে

    Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিন”, তৃণমূল প্রার্থীর নামে বিতর্কিত লিফলেটে শোরগোল বালুরঘাটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: (South Dinajpur) দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা আসনের প্রার্থী বিপ্লব মিত্র প্রয়োজনে বিজেপিকে ভোট দিতে বলছেন। এমনই বিতর্কিত লিফলেট ছড়িয়ে পড়ল শুক্রবার। এই পোস্টারে যাকে খুশি ভোট দিন, প্রয়োজনে বিজেপিকে (BJP) ভোট দিন এই জাতীয় আবেদন ছিল। লিফলেট দেখে কার্যত ভিমড়ি খেয়েছেন খোদ তৃণমূল প্রার্থী।

    লিফলেটে কী লেখা ছিল (Balurghat)?

    এদিন সকালে প্রথম এধরণের লিফলেট চোখে পড়ে স্থানীয়দের। দুপুর গড়াতেই হইচই পড়ে যায় বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে কারা এই পোস্টটা ছড়িয়ে দিল। দ্বিতীয় দফার ভোটে এহেন লিফলেট বিতর্কে চাপে পড়ে যান তৃণমূল প্রার্থী। বিতর্কিত ওই লিফলেটে লেখা ছিল, “নমস্কার আমি বিপ্লব মিত্র (Biplab Mitra)। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভা আসনের তৃণমূল প্রার্থী ও রাজ্যের ক্রেতা সুরক্ষা দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত মন্ত্রী। এই লোকসভা নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কোন ইচ্ছেই আমার ছিল না। কারণ আমি জানতাম আমার দলের অন্দরে এই প্রচুর গুপ্ত শত্রু আমাকে নানাভাবে হারানোর চক্রান্ত চালাচ্ছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির বারবার অনুরোধে আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে বাধ্য হয়েছি। নির্বাচনের প্রাক্কালে রাজ্য জুড়ে দুর্নীতির ঘটনায় ও সম্প্রতি হাইকোর্টের নির্দেশে কয়েক হাজার যুবকের চাকরি চলে যাওয়ার ঘটনায় আমি ধিক্কৃত হচ্ছি। এই কেন্দ্রের ভোটারদের কাছে আমার অনুরোধ আপনারা সুচিন্তিতভাবে নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আপনারা চাইলে বিজেপিকেও ভোট দিতে পারেন। পরবর্তীতে আমাকে কোনরকম দোষারোপ করবেন না।”

    তৃণমূল নেতার বক্তব্য

    ভোটের সকালে এমন লিফলেট ছড়িয়ে পড়ায় হৈচৈ পড়ে যায় বালুরঘাটে (Balurghat)। এই লিফলেট দেখে খোদ তাজ্জব বনে যান তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। বর্ষীয়ান এই তৃণমূল নেতা বলেছেন, “আমি আশ্চর্য হয়ে গেছি। এই ঘটনায় আমার সন্দেহ বিজেপির কেও এই কাণ্ড ঘটিয়ে থাকতে পারে। বিজেপি প্রার্থীর নজরে এই লিফলেট এলে সঙ্গে সঙ্গে নিন্দা করে তার বিবৃতি দেওয়া উচিত। এই লিফলেট থেকে বিজেপির ফায়দা হচ্ছে। তারা কথায় কথায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে বসেন। এবার এটা সিবিআই তদন্ত করে দেখুক।”

    আরও পড়ুন: ভারতে চালু হচ্ছে উড়ন্ত ট্যাক্সি পরিষেবা! কবে থেকে, কোথায় চলবে জানেন?

    আরও একটি লিফলেট!

    উল্লেখ্য তৃণমূল প্রার্থীর নামে বিতর্কিত লিফলেট ছড়ানোর খবর চাউর হওয়ার পরেই দেখা যায় আরও একটি লিফলেট ছড়িয়ে পড়েছে। এই লিফলেট ছিল বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের নামে। তৃণমূল নেতার সন্দেহ প্রথম লিফলেট যিনি বা যারা বিলি করেছে তাঁরাই পরেরটাও ছড়িয়েছে। যদিও বিজেপি শিবিরের মতে বিপ্লব মিত্রের বিরোধী শিবিরের তৃণমূলের কোনও গোষ্ঠীর লোকেরা প্রথম লিফলেটটি ছড়িয়ে থাকতে পারে। পাল্টা বিপ্লব মিত্রের গোষ্ঠীর লোক ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙ্গুল তোলার উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় লিফলেটটি ছড়িয়ে থাকতে পারেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বালুরঘাটে বিজেপি নেতাকে মারধরে অভিযুক্ত তৃণমূল, পুলিশের সঙ্গে বচসা সুকান্তর

    Balurghat: বালুরঘাটে বিজেপি নেতাকে মারধরে অভিযুক্ত তৃণমূল, পুলিশের সঙ্গে বচসা সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ দিনাজপুরে বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার তপনের পতিরামপুরে বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক জ্যোতিষ রায়কে মারধরের অভিযোগ উঠল শাসক দলের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ক্যাম্প বসানোর অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে সেই বুথে যান বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তখন তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা সুকান্তকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তিনি যাতে কোনও ভাবে ওই এলাকায় ঢুকতে না পারে, তাঁকে ঘিরে রাখার অভিযোগ ওঠে। গোটা ঘটনার ভিডিও তোলেন সুকান্ত। সেটি তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠাবেন বলে সূত্রের খবর।

    পুলিশ চুপচাপ বসে আছে, সরব সুকান্ত (Balurghat)

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বালুরঘাটের (Balurghat) আইসি। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত বলেন, “প্রার্থীকেই বুথে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশ কিচ্ছু করছে না। পুলিশ চুপচাপ বসে আছে। ১০০ মিটারের মধ্যে থেকে ক্যাম্প অফিস না ওঠালে আমি এখানেই থাকব। এখান থেকে আমরা লিড পাব, সেটা ওরা জানে। তাই আমাদের মহিলা কর্মীদের হেনস্থা করছে।” বিজেপির দাবি, গঙ্গারামপুরে পুলিশকে কিনে নেওয়া হয়েছে। বারান্দায় উঠে তৃণমূলে লোকজন ভোট নিয়ন্ত্রণ করছে। আশ্রমপাড়া, অমল বন্ধু হাইস্কুলের বুথে পুলিশি নজরদারি অভাবের অভিযোগ। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মী খুন, শোরগোল

    বাড়ি বাড়ি ঘুরে ‘টাকা বিলি করছে তৃণমূল!

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার তপন থানার (Balurghat) হরসুরা অঞ্চলের রামপুর ও কৃষ্ণবাটি বুথে তৃণমূলের লোকজন টাকা দেওয়ার জন্য বাড়ি বাড়ি ঢুকছিল বলে অভিযোগ বিজেপির। সেই সময় রাস্তায় তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের আটকায় বিজেপি। এনিয়ে দু’তরফে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। বিজেপি এই নিয়ে অভিযোগ দায়ের করতে চলেছে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।

    তৃণমূলের গুন্ডা আবার নাকা চেকিং করছে!

    বালুরঘাটে (Balurghat) সাংবাদিক বৈঠকে বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, ” গঙ্গারামপুরে বিক্ষিপ্ত ঘটনার খবর পেয়েছি। কাল রাতে হামলাও হয়েছে আমাদের বুথ সভাপতির বাড়িতে। তাও সাহস দিয়ে বসিয়েছি। গঙ্গারামপুরেই সবচেয়ে বেশি গন্ডগোল হয়েছে। গঙ্গারামপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর বাড়ি, তাই ওখানে অশান্তি বেশি। তৃণমূল গুন্ডা আবার নাকা চেকিং লাগিয়েছে, কারা ভোট দিতে যাচ্ছেন। যাঁরা তৃণমূল ভোটার, তাঁদেরকেই যেতে দেওয়া হচ্ছে।”

    সস্ত্রীক ভোট দিলেন সুকান্ত

    সস্ত্রীক ভোট দেন বালুরঘাটের (Balurghat) বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী এদিন বলেন, “গোটা রাজ্যটাই ওকে ঘুরতে হচ্ছে। যতটা পারছি, ওর পাশে থাকার চেষ্টা করছি। যতটা পারছি ঠান্ডা খাওয়ানোর চেষ্টা করছি ওকে। খুব কম সময় পাই ওকে আমরা। আমিও কম পাই, আমার মেয়েরাও বাবাকে কম পায়। যখন পায় আর বাবাকে ছাড়তে চায় না।” পাশেই ছিলেন সুকান্ত। তাঁকে একেবারেই রাজনৈতিক প্রশ্ন করা হয়, জানতে চাওয়া তৃণমূল যে বলছে কেন্দ্রীয় বাহিনী ভয় দেখাচ্ছে, এটা কি সঠিক? সুকান্ত বলেন, “কেন্দ্রের জিনিস দেখলে ভয় পায়। আমরা কথা বলে দেখছি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “দোকান খুলে চাকরি বিক্রি করেছিলেন মমতা ও তাঁর শাগরেদ পার্থ,” বিস্ফোরক শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: “দোকান খুলে চাকরি বিক্রি করেছিলেন মমতা ও তাঁর শাগরেদ পার্থ,” বিস্ফোরক শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাট লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে সোমবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ বরাহারে জনসভা করতে এলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বিরোধী দলনেতার পাশাপাশি মঞ্চে রয়েছেন বালুরঘাটের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার, জেলার তিন বিজেপি বিধায়ক, সন্দেশখালির তিন মহিলা সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।  

    তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন সুকান্ত

    মঞ্চ থেকে সুকান্ত বলেন, কয়লা চুরি, বালি চুরির পাশাপাশি সবুজ সাথির সাইকেল চুরি করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছেন মমতা। লোকসভা নির্বাচনের আগে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমারগঞ্জ ব্লকে সভা করে বিজেপি। সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে এই সভা হয়।  সুকান্ত মজুমদারের হয়ে সভাতে আসেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । সভা থেকে সুকান্ত মজুমদার আরও বলেন, তৃণমূল মানুষদেরকে ভয় দেখাচ্ছে যে আধার কার্ড বাতিল হবে। আমি এই মঞ্চ থেকে বলছি, একটা আধার কার্ড বাতিল হবে না। আধার কার্ড বাতিল না হলে তৃণমূল নেতাদেরকে বিজেপি কর্মীরা জুতার বাড়ি মারবেন, আমি এই মঞ্চ থেকে বলে গেলাম। আমি আরও এই মঞ্চ থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আধিকারিকদের বলছি, আপনারা লাঠিতে তেল দিয়ে রাখুন, ভোটের দিন তৃণমূল খেলা হবে বলে ছাপ্পা দিতে আসলেই ছক্কা মেরে দেবেন।

    আরও পড়ুন: ভোটের পরেই কি মুখ্যমন্ত্রী বদল! ইঙ্গিত অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের

    দোকান খুলে চাকরি বিক্রি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)

    এস‌এসসির চাকরিতে অতিরিক্ত শিক্ষক পদ তৈরিতে অভিযুক্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ২০২২ সালের ৫ মে মন্ত্রীসভায় উপস্থিত সকলকে সিবিআই হেফাজত নেওয়ার দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) । সোমবার বিকেলে কুমারগঞ্জের জনসভা থেকে শুভেন্দু বলেন, “ডিভিশন বেঞ্চ অতিরিক্ত পদ তৈরি কারীদের বিরুদ্ধে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।” তা হলে ২০২২ সালের ৫ মে মন্ত্রী সভার বৈঠক করে বাড়তি শিক্ষক পদ অনুমোদন করা হয়েছিল। ওই বৈঠকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁদের অবিলম্বে সিবিআই হেফাজতে নেওয়া হোক বলে শুভেন্দু দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, “যাদের চাকরি চলে গিয়েছে, তাঁদের নিয়ে আমার কিছু বলার নেই। কিন্তু, এদের দোকান খুলে চাকরি বিক্রি করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর শাগরেদ পার্থ চট্টোপাধ্যায়। ৩০ লক্ষ কর্ম প্রার্থীর সর্বনাশ করেছিলেন যাঁরা আজ তাঁদের সর্বনাশ হয়েছে ডিভিশন বেঞ্চে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই”, দাবি সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই”, দাবি সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ২৫,৭৫৩ জনের চাকরি গেল একসঙ্গে। রাজ্যের শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলা তৃণমূলের শাসনে একটি বড় দুর্নীতি। তাহলে তৃণমূলের ঢাকি সমেত বিসর্জন কি একেই বলে? ফেসবুকে একথা ছড়িয়ে পড়েছে ভাইরাল গতিতে। সাম্প্রতিক কালে এত সংখ্যক সরকারি কর্মচারীর দুর্নীতির (Recruitment Scam) অভিযোগে চাকরি যাওয়া নজিরবিহীন ঘটনা। এরই মাঝে চাকরি যাওয়ার জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে দায়ী করে তাঁর পদত্যাগ দাবি করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, “পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন মমতা, অবিলম্বে পদত্যাগ চাই।”

    কী বললেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)?

    বালুরঘাটে (Balurghat) তীব্র দাবদাহ উপেক্ষা করে চলছে প্রচার। প্রচারের ফাঁকে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, “তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে মুখ্যমন্ত্রীর অনুপ্রেরণায় মাস্টার মশাইদের চাকরি গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগির মতো বিক্রি হয়েছে। তার ফল আজ এই পরিবারগুলোকে ভুগতে হচ্ছে। ২৬ হাজার পরিবার অথৈ জলে পড়ে গেল। ক্যাবিনেটের শীর্ষে থাকা মুখ্যমন্ত্রীকে (CM) এর দায় নিতে হবে। মুখ্যমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত। তিনি এই পদে থাকার নৈতিক অধিকার হারিয়েছেন। পশ্চিমবঙ্গ অন্ধকারের দিকে যাচ্ছে এবং পশ্চিমবঙ্গকে এই অন্ধকার থেকে বের করে আনতে হবে।”

    ব্রাত্য বসুর প্রতিক্রিয়া

    একসঙ্গে প্রায় ২৬ হাজার সরকারি কর্মচারীর চাকরি গেল। যার মধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী। এর প্রভাব পড়বে ছাত্রদের পড়াশুনায়। প্রভাব পড়বে সমাজেও। স্বাভাবিক ভাবে চাপে শাসকদল। চাপে শিক্ষা দফতর। এরই মাঝে সুকান্তের (Sukanta Majumdar) পাশাপাশি প্রতিক্রিয়া এসেছে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর। তিনি বলেছেন, “রায়ের কপি হাতে পাইনি। তবে রায়ের কপি হাতে পেলে আরও বিস্তৃতভাবে বলতে পারব। এসএসসির কর্তাদের সঙ্গে আমার প্রাথমিক কথা হয়েছে। তাঁদের দেওয়া রিপোর্ট থেকে আমি বলতে পারি প্রায় চার থেকে পাঁচ হাজার শিক্ষক এবং অশিক্ষক কর্মচারীর বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ ছিল। প্রায় ২৬ হাজার লোকের চাকরি গেল। অর্থাৎ যারা যোগ্য এরকম প্রায় ১৯ হাজারেরও চাকরি চলে গিয়েছে। অথচ এসএসসি কমিশনকে মাননীয় বিচারপতি বলছেন টেন্ডার প্রক্রিয়া ডেকে নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়া চালু করতে। যে ওএমআর শিট আছে সেগুলো নতুন করে যাচাই করতে। আমরা আইনি পরামর্শ নেব যে আমরা এই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারি কিনা। একজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে বলতে পারি প্রায় ১৯ হাজার জনের যদি চাকরি চলে যায়, তাহলে সেটা অত্যন্ত চিন্তার। যেভাবে বিজেপির নেতারা যোগ্য মানুষদের চাকরি যাওয়াতে আনন্দ প্রকাশ করছে সেটা সমাজের পক্ষে এবং যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের পক্ষে খুবই বেদনার বলে আমরা মনে করি।”

    আরও পড়ুনঃ “বঞ্চিতদের ঠকিয়েছেন, লজ্জা থাকলে মুখ্যমন্ত্রীর পদত্যাগ করা উচিত”, তোপ দাগলেন অভিজিৎ

    দিলীপ ঘোষের বক্তব্য

    এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে যে পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি হয়েছে এদিনের হাইকোর্টের রায়ের ফল তাতে সিলমোহর পড়ল। এই রায় ঐতিহাসিক বলেছে ওয়াকিবহাল মহল। প্রাক্তন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় যে ঢাকি সমেত বিসর্জন ও দুর্নীতির কথা বলে আসছিলেন সেই তত্ত্ব পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মনে করা হয়েছে। এর প্রভাব পড়বে আসন্ন নির্বাচনেও। এত সংখ্যক চাকরি যাওয়ার ফল ভুগতে হবে তৃণমূলকে। এদিকে সুকান্তের পাশাপাশি, বর্ধমান দুর্গাপুরে প্রচার শেষে দিলীপ ঘোষ (Sukanta Majumdar) বলেন, “হাজার হাজার কোটি টাকা যাঁরা কামিয়েছেন দুর্নীতি করে, তাঁদের জেলে যেতে হবে। যে অন্যায় করেছেন তাঁদের ফল ভুগতে হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: তীব্র গরম উপেক্ষা করে হুডখোলা জিপে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুললেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: তীব্র গরম উপেক্ষা করে হুডখোলা জিপে শেষ রবিবাসরীয় প্রচারে ঝড় তুললেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বালুরঘাটের দলীয় প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের (Sukanta Majumdar) সমর্থনে বিজেপি প্রচারের কোনও খামতি রাখছে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী পর শনিবার মিঠুন চক্রবর্তী জেলা বিভিন্ন অংশে রোড শোয়ের পাশাপাশি জনসভা করেছেন। রবিবাসরীয় প্রচারে এদিন ঝড় তুলেছেন সুকান্ত। হুডখোলা গাড়িতে তীব্র গরম ও রোদকে উপেক্ষা করে গ্রামের পর গ্রাম প্রচার করে বেড়াচ্ছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তাঁর সঙ্গে এদিন প্রচারে ছিলেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ।

    ভোট প্রচারে সুকান্তর স্ত্রী (Sukanta Majumdar)

    এদিন বালুরঘাট শহর লাগোয়া তপন ব্লকের একাধিক গ্রামে জনসংযোগ করছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি (Sukanta Majumdar)। ভোটের আগে শেষ রবিবারের প্রচারে সারাদিনই জনসংযোগ কর্মসূচিতেই ব্যস্ত ছিলেন তিনি। প্রচারে বেরিয়ে ২৬ তারিখে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অনুরোধ জানান সুকান্ত। পাশাপাশি সুকান্ত মজুমদার দ্বিতীয়বারের জন্য এবার নির্বাচনে লড়াই করছেন। প্রসঙ্গত,দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সাতটি ও উত্তর দিনাজপুর জেলার ইটাহার বিধানসভা মিলিয়ে বালুরঘাট লোকসভা আসন। মোট ১৮০০ বেশি বুথ রয়েছে। প্রতিটি বুথে বুথে যাওয়া সম্ভব হয়ে উঠছে না  প্রার্থীর। কারণ, এক মাসের মধ্যে লোকসভা কেন্দ্রের প্রতিটি বুথে যাওয়া কার্যত অসম্ভব। এই অবস্থায় বালুরঘাট শহরে স্বামীর হয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামলেন বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল চৌধুরী মজুমদার। গত প্রায় এক সপ্তাহ ধরে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে ঘুরে নির্বাচনী প্রচারে সারছেন সুকান্ত মজুমদারের সহধর্মিণী। ভোট পর্যন্তই এভাবেই তাঁর স্ত্রী প্রচার চালাবেন বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বালুরঘাট লোকসভা আসনের বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারও জেলা জুড়ে চুটিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন।

    আরও পড়ুন: “বাংলায় আইন-শৃঙ্খলা বলে কিছু নেই,” বিস্ফোরক রাজনাথ সিং

    কী বললেন সুকান্ত?

    এই বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) বলেন,ভোটের আগে শেষ রবিবার। তাই, রোদ গরমকে উপেক্ষা করে বেরিয়ে পড়লাম প্রচারে। প্রচারে বেরিয়ে ২৬ তারিখে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি ভোটারদের। যেহেতু আমি সব জায়গায় প্রচার করছি বালুরঘাটে সেই ভাবে প্রচারে সময় দিতে পারছিনা। তাই আমার হয়ে আমার স্ত্রী প্রচার করছে। তাঁর রাজনীতিতে আসার কোনও ইচ্ছে নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share