Tag: Balurghat

Balurghat

  • Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    Sukanta Majumdar: সুকান্ত জোড়া মন্ত্রক পেতেই মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শপথ নিয়েছিলেন রবিবারই। আর সোমবার জোড়া মন্ত্রক পেলেন দুবারের বিজেপি সাংসদ সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) । মন্ত্রক ঘোষণা হতেই বিজেপির নেতা-কর্মীরা পৌঁছে গেলেন সুকান্ত মজুমদারের বাড়ি। মিষ্টিমুখ করালেন সুকান্তর সহধর্মিনী ও তাঁর মাকে। পরিবারের সকলের সঙ্গে আনন্দের দিনকে আরও আনন্দময় করে তুললেন বিজেপির কর্মী-সমর্থকরা।

    মিষ্টি বিলিয়ে বাজি ফাটিয়ে খুশিতে মাতলেন বালুরঘাটবাসী (Sukanta Majumdar)

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা থেকে প্রথমবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন রবিবার। তারপর থেকেই উচ্ছ্বাসে মাতেন বিজেপির কর্মী -সমর্থকরা। সোমবার দিনভর উৎকণ্ঠায় ছিলেন কর্মীরা। সুকান্ত মজুমদার কোন দফতর পাচ্ছেন তা জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলেন। সন্ধ্যায় মন্ত্রক বন্টনের খবর পৌঁছাতেই খুশিতে মাতেন সকলে। বাজিও ফাটানো হয়। মিষ্টি বিলি করেন বিজেপি কর্মীরা। প্রসঙ্গত,এই প্রথম বালুরঘাট থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হওয়া সুকান্তকে নিয়ে আগেই চর্চা চলছিল। অবশেষে রবিবার দুপুরে এনিয়ে বার্তা পৌঁছায় সুকান্তর পরিবার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বদের কাছে। খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পরে জেলায়। এরপরেই বাজি ও শহরবাসীকে মিষ্টি মুখ করিয়ে উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দলের নেতা -কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: মন্ত্রক বদলাল না শান্তনুর, মোদি মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েই জোড়া দায়িত্ব সুকান্তর

    কী বললেন সুকান্ত?

    দিল্লি থেকে এক ভিডিও বার্তায় সুকান্ত (Sukanta Majumdar) বলেন, ‘আমার মতো একজন সাধারণ কর্মীকে যেভাবে এত বড় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। উত্তর-পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন ও শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী করা হয়েছে। আমার নিজের যত সামর্থ্য রয়েছে, সবটুকু দিয়ে মোদিজি লক্ষ্যকে সামনে এদিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব। পশ্চিমবঙ্গের শিক্ষা ব্যবস্থা তো শেষ। সেটাকে কেন্দ্রের তরফে যতটা করা যায়, সেই চেষ্টা করব।’ সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল চক্রবর্তী বলেন, আমরা খুব খুশি। আশা করি তিনি ভালো করে কাজ করবেন ও জেলার উন্নয়ন করবেন। এই বিষয়ে  এক শহরবাসী বলেন, আমরা আশাবাদী এবার আমাদের জেলা ও শহরের উন্নয়ন হবে।

    পূর্ণমন্ত্রী হলে আরও বেশি খুশি হতাম

    সুকান্ত মজুমদারের মা নিবেদিতা মজুমদার বলেন, ‘খুবই আনন্দ হচ্ছে। ছেলেটা বাড়িতে থাকলে আরও ভাল লাগত। শুনলাম প্রতিমন্ত্রী হচ্ছে। ও যদি পূর্ণমন্ত্রী হত, আরও বেশি খুশি হতাম। ছোটবেলা থেকেও যে কাজটা করে, খুব মন দিয়ে কাজ করে। রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর একটা দিনও বিশ্রাম পায়নি।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Balurghat: বিজেপি’কে লিড দেওয়ার ‘অপরাধে’ চারদিন বন্ধ পানীয় জল-বিদ্যুৎ! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটের ফল ঘোষণা হওয়ার পরই বালুরঘাটের (Balurghat) গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা নিয়ে গুরুতর অভিযোগ সামনে এল। এবার লোকসভায় গঙ্গারামপুর বিধানসভায় বিপুল ভোটে লিড পেয়েছে বিজেপি। এরপর পানীয় জল সরবরাহ এবং পথবাতি জ্বালানো নিয়ে টালবাহানা করার অভিযোগ উঠেছে তৃণমূল পরিচালিত পুরসভার বিরুদ্ধে। রবিবারই বিজেপি এই ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাস্তা অবরোধ করে। এরপরই টানা চারদিন পরিষেবা বন্ধ রাখার পর পানীয় জল সরবরাহ ঠিক করা হয়। আর আংশিকভাবে পথবাতি জ্বালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    গঙ্গারামপুরে বিজেপি লিড পেতেই পরিষেবা শিকেয়! (Balurghat)

    গত ৬ জুন থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভা এলাকায় আচমকা পানীয় জল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এমনকী  পুরসভা এলাকার পথবাতির কোনও আলো জ্বলেনি। গঙ্গারামপুর পুরসভা এলাকা থেকেই ভোটে পিছিয়ে ছিল গঙ্গারামপুরের ভূমিপুত্র তথা পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। ১২ হাজারেরও কিছু বেশি ভোটে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার লিড পেয়েছেন। এই গঙ্গারামপুর শহরের পুরসভার চেয়ারম্যান প্রশান্ত মিত্র। তিনি আবার তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রের ভাই। এই শহরেরই মানুষ তাঁরা। তারপরেও তৃণমূল থেকে মুখ ফিরিয়েছেন ভোটাররা। কেন তৃণমূলের এই খারাপ ফল? এই বিষয় নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কাঁটা ছেড়া চলছে প্রতিনিয়ত।

    আরও পড়ুন: প্রকাশ্যে ডাকাতি-ছিনতাই, চলল গুলি, এবারও টার্গেট সেই সেনকো গোল্ড, আতঙ্ক

    আন্দোলনে বিজেপি

    সন্ধ্যার পর থেকে গঙ্গারামপুর (Balurghat) পুরসভার মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর ডুবে যাচ্ছে অন্ধকারে। শহরের ১৮ টি ওয়ার্ডের পানীয় জল ও পথবাতি বন্ধ রাখার প্রতিবাদে রবিবার বিজেপির পক্ষ থেকে গঙ্গারামপুরের জাতীয় সড়ক অবরোধ করা হয়। বিজেপির আন্দোলনের ফলে এলাকায় পানীয় জল পরিষেবা ঠিক হয়। গত চার দিন ধরে গোটা পুরসভায় এলাকায় পথবাতি পরিষেবা ঠিক হয়নি। এই বিষয়ে গঙ্গারামপুরবাসী বলেন, গত চারদিন ধরে গঙ্গারামপুরে  রাস্তার বেশিরভাগ জায়গায় কোনও আলো জ্বলছে না। কী কারণে এমনটা হচ্ছে আমরা বুঝতে পারছি না।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, গঙ্গারামপুরে তৃণমূলের প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ি। এই এলাকার মানুষ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে। এটাই অপরাধ! সেই রাগে তৃণমূল এসব করেছে। এই ধরনের নোংরামি করা ঠিক নয়।  কর্মীরা প্রতিবাদ জানিয়ে আন্দোলন করেছে। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, বিজেপি সবসময় মিথ্যে কথা বলে, মিথ্যের ওপর দাঁড়িয়ে ওরা রাজনীতি করতে চায়। কোনও যান্ত্রিক ত্রুটির জন্য সমস্যা হতে পারে। অন্য কোনও কারণ নয়। আমরা বিষয়টি দেখছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    Balurghat: সুকান্ত মন্ত্রী হতেই বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্বাধীনতার ৭৭ বছর পর প্রথম মন্ত্রী পেল বালুরঘাট (Balurghat)। সেখান থেকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী হলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্র থেকে দ্বিতীয়বারের জন্য সাংসদ নির্বাচিত হওয়া সুকান্তকে নিয়ে আগেই চর্চা চলছিল। অবশেষে রবিবার দুপুরে এনিয়ে বার্তা পৌঁছায় সুকান্তর পরিবার এবং দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা বিজেপি নেতৃত্বদের কাছে। খবর মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে জেলায়। এরপরেই  উচ্ছ্বাসে মেতে ওঠেন দলের নেতাদের পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকরা।

    বাজি ফাটিয়ে মিছিল করে উৎসবে মাতলেন বালুরঘাটবাসী (Balurghat)

    সুকান্তর মন্ত্রীত্ব পাওয়াকে কেন্দ্র করে বালুরঘাট (Balurghat) শহরে থাকা বিজেপির জেলা কার্যালয় চত্বরে গেরুয়া আবির খেলায় মেতে ওঠেন সকলে। বাজনা, মাইক, বাতি জ্বালিয়ে সন্ধ্যায় বিজেপি কর্মীরা মিছিল বের করেন শহরে। সেই মিছিলে সামিল হন সুকান্তর স্ত্রী কোয়েল চৌধুরী এবং তাঁর পরিবার। জেলা প্রসাশনিক ভবন এবং থানা মোড়ে চলে বাজি প্রদর্শনী। সেখানেই গাড়ির মধ্যে জায়ান্ট স্ক্রিন লাগিয়ে প্রধানমন্ত্রী সহ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়। সেই অনুষ্ঠান দেখতে দলের নেতা-কর্মী এবং সাধারণ মানুষ ভিড় করেন। জেলার প্রথম কেন্দ্রীয় মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন সুকান্ত মজুমদার। তাঁর এই সাফল্যকে স্বাগত জানিয়েছেন জেলার সাধারণ মানুষ। রবিবার সন্ধ্যার পর কার্যত উৎসবে মেতে ওঠেন বালুরঘাটবাসী। বিজেপির এক কর্মী বলেন, দাদা আমাদের মন্ত্রী হয়েছেন। আমরা গর্বিত। তবে, দাদা রাজ্য সভাপতি থাকলে আরও ভালো লাগবে। এদিন খবরটা শোনার পর থেকেই আমরা আনন্দে মেতে উঠি। টিভির পর্দায় দাদার শপথ অনুষ্ঠানও আমরা দেখলাম। খুবই ভালো লাগল। শুধু সাংসদ থেকে তিনি প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ করেছেন। এবার মন্ত্রী হয়ে তিনি আরও অনেক বেশি কাজ করবেন। দাদার হাত ধরে বালুরঘাটে প্রচুর উন্নয়ন হবে।

    আরও পড়ুন: ঘামে প্যাচপ্যাচ! জ্যৈষ্ঠের গরমে জেরবার জনজীবন, স্বস্তির বৃষ্টি কবে?

    স্ত্রীকে ফোন করে মন্ত্রী হওয়ার কথা জানান সুকান্ত

    সুকান্ত মজুমদারের স্ত্রী কোয়েল মজুমদার বলেন, রবিবার বেলা সাড়ে বারোটা নাগাদ আমাকে ফোন করে সুকান্ত আনন্দের খবরটি দিয়েছেন। আমরা এতে আপ্লুত। এজন্য জেলাবাসীর (Balurghat) ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।  সুকান্তকে বড় দায়িত্ব দেওয়ার জন্য প্রধামন্ত্রীকে কৃতজ্ঞতা জানাই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিয়েছি বলে হামলা, বাড়িতে তান্ডব চালাল তৃণমূল,” বললেন আক্রান্ত কর্মী

    Balurghat: “বিজেপিকে ভোট দিয়েছি বলে হামলা, বাড়িতে তান্ডব চালাল তৃণমূল,” বললেন আক্রান্ত কর্মী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায়। বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার গঙ্গারামপুর বিধানসভার নয়াবাজারে বিজেপি কর্মীকে মারধর এবং বাড়িতে, দোকানে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্তদের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    ভোটের ফলাফলের পর বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার দিকে দিকে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালানোর ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে। গত দুদিন আগে গঙ্গারামপুর শহরে বিজেপির কর্মীর দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ফের গঙ্গারামপুরের নয়াবাজারে বিজেপির কর্মী-সমর্থকদের মারধর সহ দোকান ও বাড়িঘর ভাঙচুর করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই বিষয়ে এক বিজেপি কর্মী বলেন, বিজেপিকে ভোট দেওয়া অপরাধ। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আমাকে বেধড়ক মারধর করে। দোকান ও বাড়িও ভাঙচুর করেছে। আক্রান্ত সেই বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে গিয়ে দেখা করেন তপনের বিধায়ক বুধরাই টুডু, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী সহ জেলার অন্যান্য বিজেপি নেতৃত্ব। জানা গিয়েছে, গঙ্গারামপুর বিধানসভা এলাকাটি পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর গড় ছিল। এবারের লোকসভা নির্বাচনে তিনি গঙ্গারামপুর ও বালুরঘাট বিধানসভা  থেকে ভোট কম পান। যার ফলে তিনি ভোটে পরাজিত হন। জয়ী হন বিজেপির প্রার্থী সুকান্ত মজুমদার। ভোটের ফলাফলের পর থেকে দিকে দিকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা চালাচ্ছে তৃণমূল। এমনই অভিযোগ বিজেপি কর্মীদের।

    আরও পড়ুন: পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটবৃষ্টি, বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মার, গাড়ি ভাঙচুর, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে বিজেপির (Balurghat) জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন,সুকান্ত মজুমদার জয় লাভের পর গঙ্গারামপুর বিধানসভার নয়াবাজার এলাকায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা তাদের হারকে মেনে নিতে পারছে না। তাই, বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আমাদের দলীয় কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। প্রশাসনকে বারবার বলার পরও প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। এখানে প্রশাসন ও তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা একত্রিত হয়ে অত্যাচার চালাচ্ছে। এদিকে তৃণমূলের তরফ থেকে পুরো ঘটনার কথা অস্বীকার করা হয়েছে। পারিবারিক বিবাদের কারণে এই রকম ঘটনা ঘটতে পারে। এখানে তৃণমূলের কোনও বিষয় নেই। বিজেপি মিথ্যে অভিযোগ করছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে”, ভোটে হেরে বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    Balurghat: “অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে”, ভোটে হেরে বিস্ফোরক বিপ্লব মিত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জয়ের মুখ থেকে খালি হাতে ফিরে আসতে হয়েছে। ২০০৯ সালের পর ফের লোকসভায় ভোটে নিজের হারের পিছনে এবার অন্তর্ঘাত দেখছেন বালুরঘাটের (Balurghat) তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্র। তাঁর অভিযোগের তির মূলত দলের অন্য গোষ্ঠীর দিকে। এই ঘটনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।

    অন্তর্ঘাত হয়েছে, বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে (Balurghat)

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে লড়াই বলে বালুরঘাট আসনে নজর ছিল রাজ্যবাসীর। সেই যুদ্ধে গণনা শুরুর প্রথম থেকেই আধিপত্য বজায় রেখেছিলেন বিপ্লব। প্রথম রাউন্ড থেকে শুরু করে ৭ম রাউন্ড পর্যন্ত লিড ধরে রাখেন। তখন থেকেই জয়ের আশা জাগতে শুরু করে তৃণমূল শিবিরে। ৮ম রাউন্ডে এগিয়ে যান সুকান্ত। ১৩ রাউন্ডে গিয়ে ফের সুকান্তকে টক্কর দিয়ে এগিয়ে যান বিপ্লব। ১৪ রাউন্ডের পর পিছিয়ে যেতে থাকে রাজ্যের শাসকদল। বালুরঘাট (Balurghat), গঙ্গারামপুর ও তপন বিধানসভায় লিড বাড়ে সুকান্তর। বিপ্লবের গড় বলে পরিচিত গঙ্গারামপুরে শাসকদল দাঁত ফোটাতে পারেনি। হারের পর বিপ্লব মিত্র বলেন, বিজেপি এমন কোনও কাজ করেনি যে তারা জিতবে। আমরা জেতার মতো জায়গায় ছিলাম। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করেছি। জেলায় যা উন্নয়ন হয়েছে, সব রাজ্য সরকার করেছে। দলে নিশ্চয়ই অন্তর্ঘাত হয়েছে। রয়েছে। এনিয়ে আর বিতর্কের জায়গা নেই। আমরা পর্যালোচনা করব। বেইমানদের উচিত জবাব দেওয়া হবে। রাজ্য থেকে আমার কাছে হারের কারণ জানতে চাওয়া হলে অন্তর্ঘাতের বিষয়টি তখন ব্যাখ্যা করব।

    আরও পড়ুন: সাতটি কেন্দ্রে তৃণমূলকে ধরাশায়ী করল বিজেপি, অভিজিতের জয়ে খুশি তমলুকবাসী

    মুখ্যমন্ত্রীও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন

    দলীয় অন্তর্ঘাতের তত্ত্ব সামনে আনলেও ঠিক কোনদিকে ইঙ্গিত করছেন জেলার বর্ষীয়ান নেতা বিপ্লব মিত্র , সেই অঙ্ক কষতে শুরু করেছেন দলের ভোট ম্যানেজাররা। জেলার রাজনৈতিক মহল মনে করছে, জেলার প্রাক্তন দুই সভাপতি রয়েছেন তপন ও গঙ্গারামপুর বিধানসভা এলাকায়। তাঁদের সঙ্গে নির্বাচনের আগে থেকেই অনেকটা দূরত্ব বজায় রেখেছিলেন বিপ্লব। নির্বাচনে কাজ করতে দেওয়া হচ্ছে না বলে অভিযোগ পৌঁছেছিল খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। পরে, বালুরঘাটে (Balurghat) সভায় এসে মুখ্যমন্ত্রী তা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে সবাইকে নিয়ে চলার বার্তা দিয়েছিলেন। তারপরও সবকিছু যে ঠিক হয়নি, বিপ্লবের দাবিতে সেকথা স্পষ্ট।

    দলীয় প্রার্থীর হার নিয়ে কী বললেন তৃণমূল নেতারা?

    এ প্রসঙ্গে জেলা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি গৌতম দাস বলেন, আমি তো দলের একজন সামান্য কর্মী। দল মনে করেছে বড় জায়গায় কাজ করতে পারব না, সেজন্য ছোট জায়গায় কাজ করার সুযোগ দিয়েছে। সেই মতো  দলের কাজ করেছি। কে কী মন্তব্য করেছেন, আমার জানা নেই। প্রার্থীর হার নিয়ে নিশ্চয় পর্যালোচনা হবে। আবার জেলা তৃণমূলের আর এক প্রাক্তন সভাপতি মৃণাল সরকার বলেন, লোকসভা নির্বাচনে আমাদের প্রার্থী যেমন কাজ করতে বলেছেন, সেভাবেই চলেছি। কে অন্তর্ঘাত  করেছেন, দলীয়স্তরে তার পর্যালোচনা  করা হোক। গঙ্গারামপুর শহরে দলের বিপর্যয় কেন হল, সেটাও খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: “দোকান ঘর থেকে বের করে বেধড়ক মারধর করল তৃণমূলের ছেলেরা”, বললেন আক্রান্ত ব্যবসায়ী

    Balurghat: “দোকান ঘর থেকে বের করে বেধড়ক মারধর করল তৃণমূলের ছেলেরা”, বললেন আক্রান্ত ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসায় তৃণমূল প্রার্থী বিপ্লব মিত্রর বাড়ি সংলগ্ন এলাকায় বিজেপিকে ভোট দেওয়ার অপরাধে বিজেপির এক বুথ সভাপতির দাদার দোকান সহ আরও দুটি দোকান ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘটনাটি ঘটেছে বালুরঘাট (Balurghat) লোকভার গঙ্গারামপুর থানার নিউমার্কেট এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    আক্রান্ত চশমা ব্যবসায়ী সৌম্যকান্তি আঢ্য গঙ্গারামপুর (Balurghat) থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তাঁর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, চার-পাঁচ জন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী দোকানে এসে হামলা চালায়। সৌম্যকান্তি আঢ্য বলেন, আমার চশমা এবং অন্যান্য দামি জিনিসপত্র ভাঙচুর করে। দোকানের সিসিটিভিও ভেঙ্গে দেয়। দুষ্কৃতকারীরা আমাকে দোকান ঘর থেকে টেনে এনে বেধড়ক মারধর করে। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য এমন ঘটনা বলে জানান তিনি। ওই চশমার দোকানদার সৌম্য কান্তি আঢ্য এর মামাতো ভাই এলাকার বিজেপি বুথ সভাপতি জ্যোতির্ময় সাহা। অভিযোগ, লোকসভা ভোটে গঙ্গারামপুর এলাকা থেকে তৃণমূল কম ভোট পাওয়ায় এবং ভাই বিজেপির বুথ সভাপতি হওয়ায় তার দোকানে এসে হামলা চালায় তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায় সহ বিজেপির কর্মীরা। এদিন আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিয়ে গঙ্গারামপুর থানায় যান তাঁরা। অভিযোগ পেয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: “লক্ষ্মীর ভান্ডার নয়, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটেই জিতেছে তৃণমূল”, বিস্ফোরক রাজু বিস্তা

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    এই বিষয়ে গঙ্গারামপুরের (Balurghat) বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায় বলেন, ভোটের পরে এইখানে আবহাওয়া ভালো ছিল। আবহাওয়া খারাপ করার জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা গঙ্গারামপুরের ৩ টি দোকান ভাঙচুর করে। একটি চশমার দোকানের মালিক কে মারধর করে। কারণ তারা বিজেপিতে ভোট দিয়েছে। গঙ্গারামপুরের মানুষের একটাই দোষ যে তারা বিপ্লব মিত্রর বিরুদ্ধে সাড়ে চার হাজার ভোট বেশি দিয়ে সুকান্ত মজুমদারকে জিতিয়েছেন। সেই কারণে আমাদের কর্মীর উপর অত্যাচার করা হচ্ছে। আমরা এই বিষয়টি থানায় জানিয়েছি। এই বিষয়ে তৃণমূলের জেলা সহ সভাপতি সুভাষ চাকি বলেন, এইটা তাঁদের নিজেদের মধ্যে ঝামেলা নিয়ে হতে পারে। এইটার মধ্যে তৃণমূলের কোনও হাত নেই। নির্বাচনে জেলায় তৃণমূল কোনও গন্ডগোল করেনি, বিজেপি গন্ডগোল করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majhumdar: বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘উত্তর প্রদেশ ট্রিটমেন্ট’! সুকান্ত মজুমদারের কণ্ঠে এবার যোগীর সুর

    Sukanta Majhumdar: বিজেপি ক্ষমতায় এলে ‘উত্তর প্রদেশ ট্রিটমেন্ট’! সুকান্ত মজুমদারের কণ্ঠে এবার যোগীর সুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাতে মাত্র আর একদিন। তারপর লোকসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণা। আর নির্বাচনের ফল ঘোষণার আগে বালুরঘাটে (Balurghat) রাজ্যের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majhumdar)। এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে সুকান্ত মজুমদার ভোট পরবর্তী রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বিজেপি নেতা কর্মীদের ওপর একাধিক হামলার ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরে হুঁশিয়ারি দেন। সুকান্ত মজুমদারের মুখে উঠে আসে যোগীর সুর। 

    ভোট পরবর্তী হিংসায় সরব সুকান্ত মজুমদার

    এদিন সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির রাজ্য সভাপতি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “বিজেপি রাজ্যে ক্ষমতায় আসলে উত্তরপ্রদেশের মতো ট্রিটমেন্ট হবে। পুরো এনকাউন্টার করা হবে।” একইসঙ্গে তিনি (Sukanta Majhumdar) বলেন, “গতকাল কালীগঞ্জ থানার চাঁদপুর এলাকার বিজেপি কর্মী খুন হয়েছে, কারণ ভোট পরবর্তী হিংসা শুরু হয়েছে। অন্যদিকে বসিরহাট, নদীয়া সহ বিভিন্ন জায়গায় আমাদের কর্মীকে ধমকানো চমকানো, খুন করছে তৃণমূলের গুন্ডারা। কারণ তৃণমূল বুঝে গিয়েছে তাঁদের সময় শেষ। আমি পরিষ্কার এই গুন্ডা মস্তানদের বলে দিতে চাই বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর বিজেপির কোনো নেতাকে ধরে বিজেপির ঝান্ডা পতাকা ধরলেও কিন্তু তারা বাচঁবেনা। উত্তরপ্রদেশের মতো ট্রিটমেন্ট করা হবে। পুরো এনকাউন্টার হয়ে যাবে।” 
    অন্যদিকে, বুথ ফেরত সমীক্ষায় বাংলায় গেরুয়া ঝড়ের ইঙ্গিত। ম্যাট্রিজ, সিএনএক্সের সমীক্ষায় পঁচিশ থেকে ছাব্বিশটি আসন পাওয়ার সম্ভাবনা পদ্ম শিবিরের। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majhumdar) বলেন, “আমি বুথ ফেরত সমক্ষায় খুব একটা বিশ্বাস করিনা। আমাদের এক্সিট পোল, বিজেপি কর্মীদের যে ফিডব্যাক, সেই ফিডব্যাকের উপর বিশ্বাস করে আমি বলতে পারি, আমি বিজেপির রাজ্য সভাপতি হবার পর একটা স্লোগান দিয়েছিলাম ‘এই বার পঁচিশ পার’। সেই স্লোগানটা আমাদের কর্মীরা আত্মবিশ্বাস করতে পারেনি। তখন দলের অবস্থা খারাপ ছিল। আজকে প্রায় আড়াই বছর পর এখন শুধু দল নয় প্রতিটি খবরের চ্যানেল বিশ্বাস করছে এইবার ২৫ পার। আমাদের টার্গেট ৩০। ৩০ পর্যন্ত যতক্ষণ না পৌঁছোচ্ছি আমাদের লড়াই চলবে। তিরিশে পৌঁছালে আমি ধরে নেবো যে আমরা জিতেছি। 

    আরও পড়ুন: ভোটই দিতে পারলেন না ববি! ডায়মন্ড হারবারের বিভিন্ন বুথে ছাপ্পা, অভিযোগ বিজেপি প্রার্থীর

    তৃতীয়বার মোদিজিই ক্ষমতায় 

    তৃতীয় মোদি সরকারের ইঙ্গিত, বুথ ফেরত সমীক্ষায়। এই প্রসঙ্গে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “মোদিজি ক্ষমতায় আসবেন এইটা নিয়ে কারোর দ্বিমত নেই। আমাদের বিরোধী পার্টির যারা লিডার তারাও জানে যে মোদিজি ক্ষমতায় আসবে্ন। সেই জন্য তো মমতা ব্যানার্জি এক তারিখের ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে গেলেননা। কেন গেলেন না? কারণ উনিও জানেন মোদি আসছে। মোদির বিকল্প কিছু নেই। মোদিজি ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রীর জন্য শপথ নিতে চলছেন।” একইসঙ্গে তিনি জানান, এবার আরও একবারের জন্য  লাল কেল্লায় মোদিজির হাত ধরে পতাকা উঠবে।     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: কাজ দেওয়ার নাম করে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, বিক্ষোভ বিজেপির

    Balurghat: কাজ দেওয়ার নাম করে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা, বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কাজ দেওয়ার নাম করে ডেকে এনে এক নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ উঠল এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত তৃণমূল নেতার নাম রাকেশ শীল। তিনি তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের প্রাক্তন জেলা সভাপতি। মাস দুয়েক আগে বালুরঘাট (Balurghat) সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে মহিলা কর্মীদের মধ্যে গোলমালের ঘটনাতেও তাঁর নাম জড়িয়েছিল। শহরে অবৈধ নির্মাণেও নাম জড়ায় তাঁর। শেষ পর্যন্ত তাঁকে শ্রমিক সংগঠনের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। তবে, এখনও শহরে তৃণমূলের বাহুবলী নেতা হিসাবে তিনি পরিচিত। তবে, ধর্ষণের চেষ্টায় অভিযুক্ত হলেও পুলিশ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে গ্রেফতার করেনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Balurghat)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বালুরঘাট (Balurghat) থানার ১০০ মিটারের মধ্যে রাকেশের মোবাইলের দোকান। ওই দোকানের দোতলায় বাথরুম সহ বিশ্রাম কক্ষ রয়েছে। সেখানেই গত মঙ্গলবার এক নাবালিকাকে তিনি ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে, ওই নাবালিকার বাবা-মা পরিযায়ী শ্রমিক। তাঁরা এখন মহারাষ্ট্রে রয়েছেন। সে দাদুর বাড়িতে থাকে। তাকে কোনও কাজে লাগানোর চেষ্টা করছিলেন তার মামিমা। তৃণমূল নেতা রাকেশ তাঁর পূর্বপরিচিত। তাই ভাগ্নির কাজের জন্য তিনি রাকেশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। ওই নেতা নিজেরে দোকানে ওই নাবালিকা ডেকে পাঠান। এরপর নিজের দোকানের দোতলার বিশ্রাম কক্ষের বাথরুমে নিয়ে গিয়ে ওই নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। কোনওরকমে ওই নাবালিকা সেখান থেকে বেরিয়ে এসে, সে তার মামিমাকে গোটা বিষয়টি জানায়। ওই নাবালিকার মামিমা বালুরঘাট থানায় ওই নেতার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এই খবর জানাজানি হতেই জেলা জুড়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছে। বালুরঘাট থানার পুলিশ নির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। শারীরিক পরীক্ষা করার পর ওই নাবালিকাকে বালুরঘাট আদালতে নিয়ে গিয়ে গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়। যদিও রাকেশের শীলের দাবি, “আমি ওদের চিনিই না। আমার এবিষয়ে কিছুই জানা নেই। আমার দোকানে সিসি ক্যামেরা রয়েছে। পুলিশ তার ফুটেজ তদন্ত করলেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে।”

    আরও পড়ুন: ফের ইডির জেরার মুখে অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা, এবার তলব রেশন কেলেঙ্কারিকাণ্ডে

    বিজেপির থানা ঘেরাও

    ওই তৃণমূল নেতার গ্রেফতারের দাবিতে বালুরঘাট (Balurghat)থানা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপির মহিলা মোর্চা। বৃহস্পতিবার বিকেলে দক্ষিণ দিনাজপুর বিজেপি মহিলা মোর্চার পক্ষ থেকে বালুঘাট শহরে মিছিল করে এসে বালুরঘাট থানার সামনে বিক্ষোভ দেখানো হয়। অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা রাকেশ শীলকে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ও কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হয়।  

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    জেলা তৃণমূলের সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল বলেন, ‘আগেও ওই নেতার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ আসায় তাঁকে দলীয় পদ থেকে সরানো হয়েছে। এটা আইনগত বিষয়। আইন তার নিজের পথেই চলবে।’ এনিয়ে বিজেপির জেলা সভাপতি স্বরূপ চৌধুরীর বক্তব্য, ‘ওই তৃণমূল নেতা দীর্ঘদিন ধরেই নানা অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত। বহু অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে। তবুও তৃণমূল তাঁকে প্রশ্রয় দিয়ে এসেছে। এবার তাঁর বিরুদ্ধে নাবালিকাকে ধর্ষণের চেষ্টার মামলা হয়েছে। দ্রুত তাঁকে গ্রেফতার করা না হলে আমরা আন্দোলনে নামব।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: পরিকাঠামো নেই, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নেশামুক্তি কেন্দ্রে ঘটছে মৃত্যু, সরব বিজেপি

    Balurghat: পরিকাঠামো নেই, ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নেশামুক্তি কেন্দ্রে ঘটছে মৃত্যু, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও আবাসিককে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে উত্তাল হয়েছে, আবার কখনও নেশামুক্তি কেন্দ্রে দুষ্কৃতীদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ঘিরে তেতে উঠেছে এলাকা। দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) জেলা জুড়ে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রচুর। তবুও, প্রশাসন কোনও কড়া পদক্ষেপ নেয় না বলে অভিযোগ। নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলির বিরুদ্ধে এবার সরব হয়েছেন বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায়। কোন লাইসেন্সের ভিত্তিতে তৈরি হয়েছে এসব নেশামুক্তি কেন্দ্র, কে দিয়েছে অনুমতি, কিছুই জানা যায় না। স্বাস্থ্য দফতর, সমাজকল্যাণ দফতর থেকে পুলিশ প্রশাসনের মধ্যে এই অভিযোগ ঘুরপাক খায়। এসব নেশামুক্তি কেন্দ্রগুলির বিরুদ্ধে এবার সরব হয়েছেন গঙ্গারামপুরের বিজেপির বিধায়ক সত্যেন রায়।

    নেশামুক্তির পরিকাঠামো নিয়ে উঠছে প্রশ্ন (Balurghat)

    এক সরকারি আধিকারিক বলেন, একটি দোতলা বা তিনতলা বাড়ি, সেখানে ঝাঁ চকচকে অফিস ঘরে মাদক নিয়ে সচেতনতার প্রচার সংক্রান্ত ইংরেজিতে লেখা পোস্টার বা ছবি। তাতেই চালু হয়ে যাচ্ছে নেশামুক্তি কেন্দ্র। সঙ্গে রয়েছে সংস্থার নাম আর ফোন নম্বর। মৌখিক প্রচারেই মাদকাসক্তদের পরিবারের যাতায়াত শুরু হয় সেখানে। মাসে মাসে মোটা টাকা রোজগার করছে সংস্থাগুলি। ভিতরে কী পরিকাঠামো রয়েছে, সেখানে কোনও চিকিৎসক আছেন কিনা, রোগীর পরিবার সেসব বিষয়ে কিছুই জানতে পারেন না। এমনকী রোগীর সঙ্গে নিয়মিত দেখা করানোর কথা থাকলেও তা মানা হয় না। এই গোপনীয়তার সুযোগেই বাড়ছে অপরাধ। প্রায়শই কেন্দ্রগুলি থেকে রোগীমৃত্যুর ঘটনা সামনে আসছে।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূলের একটাই অস্ত্র, এটা হতে দেব না,” বাংলায় এসে তীব্র আক্রমণ মোদির

    নেশামুক্তি কেন্দ্রে ঘটছে রোগীমৃত্যু!

    মাসকয়েক আগে বালুরঘাট হাসপাতালে জরুরি বিভাগের সামনের রাস্তায় একটি মৃতদেহ পড়ে থাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। কারা দেহ ফেলে গিয়েছিল, তার তদন্ত শুরু করতেই জানা যায়, পতিরামের একটি নেশামুক্তি কেন্দ্রে মৃত এক আবাসিককে সেখানে ফেলে গিয়েছিল কর্তৃপক্ষই। ওই ঘটনার তদন্ত শেষ না হতেই গত শনিবার আরও একটি কেন্দ্রে এক আবাসিকের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ওই অসুস্থ আবাসিককে বালুরঘাট (Balurghat) হাসপাতালে ভর্তি না করে রায়গঞ্জের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে অভিযোগ। এতেই উঠেছে প্রশ্ন।

    কী বললেন বিজেপি বিধায়ক?

    গঙ্গারামপুরের বিজেপি বিধায়ক সত্যেন্দ্রনাথ রায় জানাচ্ছেন, ‘জেলায় অনেক নেশামুক্তি কেন্দ্র আছে যা সম্পূর্ণ বেআইনি। খবর এসেছে, বহু কেন্দ্রে রোগীদের মারধর, অত্যাচার করা হয়। নেই কোনও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বা ফার্মাসিস্ট। আবাসিকদের বেঘোরে প্রাণ যাচ্ছে। এসব কেন্দ্র বন্ধ হোক।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Balurghat: ভোটের আবহে বালি পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের উপ প্রধানের, শোরগোল

    Balurghat: ভোটের আবহে বালি পাচারে নাম জড়াল তৃণমূলের উপ প্রধানের, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখনও লোকসভা ভোটের তিনটি দফা বাকি। তার মধ্যেই বালি পাচারের সঙ্গে নাম জড়াল তৃণমূল নেতার। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট (Balurghat) লোকসভার কুশমণ্ডিতে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (Balurghat)

    গঙ্গারামপুর ব্লকের পর অবৈধ বালি পাচারের বিরুদ্ধে অভিযানে নেমেছে কুশমণ্ডি ব্লক (Balurghat) ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরও। সহযোগিতায় রয়েছে কুশমণ্ডি থানার পুলিশ। টাঙন নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তোলার সময় একটি আর্থমুভার আটক করে পুলিশ ও ভূমি সংস্কার দফতর। তাতেই নাম জড়িয়েছে তৃণমূল নেতার। যে আর্থমুভারটি আটক করা হয়েছে তাঁর মালিক বংশীহারী ব্লকের তৃণমূল পরিচালিত এলাহাবাদ পঞ্চায়েতের উপপ্রধান আতাউর রহমান। ওই মেশিনটি লিজ নিয়ে তিনি অবৈধভাবে নদী থেকে বালি তুলছিলেন। ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দফতরের আধিকারিক প্রীতম দাস শর্মা বলেন, ‘ কালিকামরা গ্রামে টাঙন নদীর ঘাট থেকে অবৈধভাবে বালি পাচার করার খবর আসে। কুশমণ্ডি থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তৎক্ষণাৎ সেখানে যৌথ অভিযান চালানো হয়। ঘটনাস্থল থেকে আটক করা হয় একটি আর্থমুভার। ওই মেশিনের মালিককে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।’ কালিকামরা গ্রামের বেশকিছু বাসিন্দার অভিযোগ, গত এক সপ্তাহ ধরে নদী থেকে অবৈধভাবে বালি তুলছিলেন একজন ঠিকাদার। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে প্রতিবাদীদের হুমকি দেওয়া হত। এর পিছনে শাসকদলেরই মদত রয়েছে।

    আরও পড়ুন: সন্দেশখালিতে রাতের অন্ধকারে আন্দোলনকারী মহিলাকে বাড়ি থেকে অপহরণের চেষ্টা !

    বালি পাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার হুমকি দিল বিজেপি

    এনিয়ে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা আতাউর রহমানের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, অবৈধভাবে নদীর বালি পাচার বন্ধ করতে প্রশাসন যে পদক্ষেপ নিচ্ছে আমরা তাকে সমর্থন জানাচ্ছি। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।’ বিজেপির জেলার সাধারণ সম্পাদক তাপস রায় বলেন, তৃণমূল দলটাই চোর। বালি পাচার করে ওদের সংসার চলে। দলের নেতাদের কাছেও পাচারের টাকা চলে যায়। ভোটের ফল বের হওয়ার পর আমরা আন্দোলনে নামব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share