Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Jagdeep Dhankhar: ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংশোধনী! ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলানো যায় না’ সাফ বললেন উপরাষ্ট্রপতি

    Jagdeep Dhankhar: ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংশোধনী! ‘সংবিধানের প্রস্তাবনা বদলানো যায় না’ সাফ বললেন উপরাষ্ট্রপতি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar) জানান, ভারতীয় সংবিধানের প্রস্তাবনায় কোনও ধরনের পরিবর্তন করা যায়না। তিনি বলেন, ‘‘ভারতের সংবিধান ছাড়া অন্য কোনও সংবিধানের প্রস্তাবনা কখনও পরিবর্তিত হয়নি। কারণ সংবিধানের প্রস্তাবনা অপরিবর্তনযোগ্য।’’ এর পরেই দেশের উপরাষ্ট্রপতি বলেন, ‘‘কিন্তু আমাদের সংবিধানের প্রস্তাবনা জরুরি অবস্থার সময়, ১৯৭৬ সালের ৪২তম সংবিধান (সংশোধনী) আইন দ্বারা পরিবর্তিত হয়েছিল। ‘সমাজতান্ত্রিক’, ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ এবং ‘অখণ্ডতা’ শব্দগুলি যুক্ত করা হয়েছিল। আমাদের অবশ্যই চিন্তা করতে হবে (Jagdeep Dhankhar)।’’

    কী বলেছিলেন আরএসএস নেতা?

    ঘটনাচক্রে, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর ‘সরকার্যবাহ’ (সাধারণ সম্পাদক) দত্তাত্রেয় হোসাবলে মন্তব্য করেন যে, জরুরি অবস্থার সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর নেতৃত্বে কংগ্রেস সরকার অসাংবিধানিক উপায়ে সংবিধানের প্রস্তাবনায় ‘ধর্মনিরপেক্ষ’ ও ‘সমাজতান্ত্রিক’ শব্দ দুটি সংযোজন করেছিল। আরএসএস নেতার মতে, সেই দুটি শব্দ এখন প্রস্তাবনা থেকে অপসারণ করা উচিত। তিনি বলেন, ‘‘জরুরি অবস্থার সময় কংগ্রেস গণতন্ত্রকে হত্যা করেছিল। সে সময় সংবিধানের প্রস্তাবনায় (Preamble of Constitution) যে শব্দ যুক্ত করা হয়েছিল, তা কি আর বহাল রাখা উচিত!’’

    সংবিধান হত্যা দিবস

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরে জরুরি অবস্থার ৫০তম (Preamble of Constitution) বার্ষিকী উপলক্ষে ২৫ জুনকে ‘সংবিধান হত্যা দিবস’ হিসেবে পালনের ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় সরকার। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত চলা এই জরুরি অবস্থায় গণতন্ত্রকে কারারুদ্ধ করা হয়েছিল বলে মত প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও এ বিষয়ে বিবৃতি দেন এবং তিনি বলেন, জরুরি অবস্থার ঘটনা ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসের সবচেয়ে কালো অধ্যায়। কংগ্রেস শুধু সংবিধানের চেতনাকেই লঙ্ঘন করেনি, উপরন্তু গণতন্ত্রকে কারাগারে বন্দি করেছিল। একাধিক পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মন্তব্য করেন যে, ভারত কখনও ভুলবে না এই সময়কালকে। এই সময় দেশের সংসদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করে দেওয়া হয়েছিল এবং আদালতকেও নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হয়েছিল।

  • E-Voting: পথ দেখাল বিজেপি-শাসিত বিহার, চালু হয়ে গেল ই-ভোটিং

    E-Voting: পথ দেখাল বিজেপি-শাসিত বিহার, চালু হয়ে গেল ই-ভোটিং

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পথ দেখাল বিজেপি-শাসিত বিহার (Bihar)। চালু করে দিল মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে ভোটগ্রহণ (E-Voting)। বাড়িতে বসে মোবাইলে প্রথম ভোটটি দিলেন বিভা দেবী। তিনিই বিহারের প্রথম মহিলা ই-ভোটার। শনিবার রাজ্যের তিন জেলার ছ’টি পুরসভার ৪৫টি আসনে উপ-নির্বাচন হয়। তাতেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল ই-ভোটিং ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থায় দেশ তো বটেই বিদেশ থেকেও পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবেন প্রবাসীরা।

    ই-ভোটিং (E-Voting)

    এদিন ভোট হয়েছে পাটনা, পূর্ব চম্পারন, রোহতাস, বক্সার, বাঁকা এবং সরণ – এই ছ’টি পুরসভায়। ভোটগ্রহণ শুরু হয় সকাল ৭টায়। চলে দুপুর ১টা পর্যন্ত। ভোট গণনা হবে ৩০ জুন। বিহারের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দীপক প্রসাদ জানান, দেশে এই প্রথম বিহারে ই-ভোটিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। এর উদ্দেশ্য হল ভোটের হার বৃদ্ধি করা। অসুস্থ কিংবা বয়স্করা বুথে গিয়ে ভোট দিতে পারেন না। ভোট দিতে পারেন না কর্মসূত্রে যারা দূর দেশে বসবাস করেন, তাঁরাও। বুথে গিয়ে ভোট দিতে পারেন না অন্তঃসত্ত্বারাও। কষ্ট করে বুথে গিয়ে ভোট দিতে হয় বিশেষভাবে সক্ষম ভোটারদের। ই-ভোটিং (E-Voting) ব্যবস্থা চালু হওয়ায় এবার থেকে বাড়িতে বসেই তাঁরাও অংশ নিতে পারবেন বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের উৎসবে। দীপক বলেন, “ই-ভোটিংয়ের জন্য দু’টি অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। এই ব্যবস্থা সম্পূর্ণ নিরাপদ। ই-ভোটিংয়ে একবার ভোট দেওয়া হয়ে গেলে সেটি লক হয়ে যাবে। শুধু ভোট গণনার দিন ফের খোলা হবে।” এই অ্যাপ দুটি হল ই-ভোটিং এসইসিবিএইচআর এবং ই-ভোটিং এসইসিবিআইএইচএআর।

    কারা ভোট দিতে পারবেন?

    কারা এই ব্যবস্থায় ভোট দিতে পারবেন? জানা গিয়েছে, ৮০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক, বিশেষভাবে সক্ষম ভোটার, গুরুতর রোগে অসুস্থ ভোটার, অন্তঃসত্ত্বা মহিলা এবং পরিযায়ী শ্রমিক বা বিদেশে থেকে স্বীকৃত ভোটার (E-Voting)। বিহার নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এই পুরসভা উপনির্বাচনে ১৬ হাজার ৭৮৮ জন মহিলা এবং ১৬ হাজার ২৯১ জন পুরুষ মোবাইলে ই-ভোটিং করবেন বলে আবেদন করেছিলেন। এর মধ্যে ৩১ হাজার ২৩৮ জন ভোটারকে ই-ভোটিং ব্যবস্থায় (Bihar) ভোট দেওয়ার যোগ্য বলে বিবেচনা করা হয়েছে।

  • Kasba Gangrape: কসবাকাণ্ডে গড়িয়াহাটে বিক্ষোভ বিজেপির, ধস্তাধস্তি পুলিশের সঙ্গে

    Kasba Gangrape: কসবাকাণ্ডে গড়িয়াহাটে বিক্ষোভ বিজেপির, ধস্তাধস্তি পুলিশের সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কসবার (Kasba Gangrape) সাউথ ক্যালকাটা ল-কলেজে প্রথম বর্ষের এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ঘিরে রাজ্যজুড়ে শুরু হয়েছে চাঞ্চল্য। এই ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার পথে নামে বিজেপি। দলের রাজ্য সভাপতি (Bjp) এবং কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বে একটি প্রতিবাদ মিছিল গড়িয়াহাট পর্যন্ত পৌঁছতেই পুলিশের বাধার মুখে পড়ে।

    শান্তিপূর্ণভাবে চলতে থাকা মিছিলে হঠাৎই পুলিশ হস্তক্ষেপ করে, অভিযোগ বিজেপির

    গেরুয়া শিবিরের (Bjp) দাবি, শান্তিপূর্ণভাবে চলতে থাকা (Kasba Gangrape) মিছিলে হঠাৎই পুলিশ হস্তক্ষেপ করে, যার জেরে ধাক্কাধাক্কি এবং হট্টগোল শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, কোনও উসকানি ছাড়াই পুলিশ কর্মীদের আটকে দেয় এবং কয়েকজনকে প্রিজন ভ্যানে তুলে আটক করা হয়। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকেও আটক করা হয় বলে দলের তরফে অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    আন্দোলন চলবে হুঁশিয়ারি বিজেপির (Kasba Gangrape)

    উল্লেখ্য, কসবার ওই কলেজে ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, মূল অভিযুক্ত মনোজিত তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সঙ্গে যুক্ত এবং কলেজের অস্থায়ী কর্মী হিসেবেও কাজ করত সে। এই ঘটনায় প্রথম থেকেই রাজনৈতিকভাবে ব্যাকফুটে তৃণমূল। বিজেপির তরফে দাবি করা হয়েছে, শাসকদলের আশ্রয়ে রাজ্যে অপরাধ বাড়ছে এবং প্রশাসন তা ধামাচাপা দিতে মরিয়া। দলীয় সূত্রে জানানো হয়েছে, যতদিন না অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হয়, ততদিন রাজ্যজুড়ে আন্দোলন চলবে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার এদিন কটাক্ষ করে বলেন, “তৃণমূলের অন্যায়ের প্রতিবাদ করলেই পুলিশ বাধা দেয়, কারণ তারা শাসকদলের হয়ে কাজ করছে (Kasba Gangrape)।”

    কসবা-কাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবারও রাস্তায় নামে বিজেপি

    কসবা-কাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবারও রাস্তায় নামে বিজেপি। কসবা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। তারা পথ অবরোধও করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কয়েকজন বিক্ষোভকারীকে আটক করে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ সত্ত্বেও পুলিশ তাঁদের বাধা দিয়েছে। এদিকে এবিভিপি (অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ) দাবি করেছে, ধর্ষণকাণ্ডের মূল অভিযুক্ত ব্যক্তি দক্ষিণ কলকাতা টিএমসিপি-র সম্পাদক পদে রয়েছেন। তাদের আরও দাবি, গ্রেফতার হওয়া অন্যান্য অভিযুক্তদের সঙ্গেও টিএমসিপি-র ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের নারী নিরাপত্তা নিয়ে ফের প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

  • Israel: ইজরায়েলে মিসাইল হামলা হুথি জঙ্গিদের, ক্ষয়ক্ষতি কিছুই হয়নি জানাল ইহুদি দেশ

    Israel: ইজরায়েলে মিসাইল হামলা হুথি জঙ্গিদের, ক্ষয়ক্ষতি কিছুই হয়নি জানাল ইহুদি দেশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইয়েমেনের হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী শনিবার সকালে ইসরায়েলের (Israel) দক্ষিণ অংশের দিকে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে। ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্স (IDF) এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। পাশাপাশি, ইসরায়েলের শীর্ষ সংবাদমাধ্যম টাইমস অফ ইজরায়েলে এ নিয়ে একটি বিশদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। আইডিএফ-এর বিবৃতি অনুযায়ী, হুথিদের ছোড়া এই মিসাইল সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে এবং কোনও প্রাণহানি বা গুরুতর ক্ষয়ক্ষতির খবর নেই। হামলার আগে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সাইরেন বেজে ওঠে। বিরসেবা, দিমোনা, আরাদ প্রভৃতি দক্ষিণ ইসরায়েলের শহরগুলিতে সতর্কতা জারি করা হয়। ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাইরেন বেজে ওঠার চার মিনিট আগেই সংশ্লিষ্ট নাগরিকদের মোবাইলে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। এই দ্রুত পদক্ষেপেই সাধারণ মানুষ নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যেতে সক্ষম হন।

    হুথিদের দায় স্বীকার

    হুথি জঙ্গিগোষ্ঠী (Houthis) মিসাইল ছোড়ার দায় স্বীকার করে জানিয়েছে, তাদের লক্ষ্য ছিল বিরসেবা অঞ্চল। তারা দাবি করেছে, “অপারেশন সফল হয়েছে।” যদিও ইজরায়েলের (Israel) তরফ থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে, এই হামলায় কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। টাইমস অফ ইসরায়েল জানাচ্ছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর মাসে হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে হুথিরা হামাসের পক্ষ নিয়েছে। ওই সময় থেকেই হুথি জঙ্গিরা ইজরায়েলের ভূখণ্ড ও বাণিজ্যিক জাহাজগুলির উপর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে।

    ইজরায়েলের (Israel) ওপর হুথি জঙ্গিদের হামলা

    ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে হামাস ও ইজরায়েলের মধ্যে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। ওই সময় হুথিরাও সাময়িকভাবে হামলা বন্ধ রাখে। তবে যুদ্ধ চলাকালীন সময়, বিশেষ করে ২০২৩ সালের নভেম্বর থেকে ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত, হুতিরা প্রায় ৪০টিরও বেশি ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং অসংখ্য ড্রোন ও ক্রুজ মিসাইল ছুড়েছে ইজরায়েলের দিকে। টাইমস অফ ইজরায়েলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের জুলাই মাসে হুতিদের ছোড়া একটি মিসাইল হামলায় ইজরায়েলের (Israel) একজন নাগরিক নিহত হন। এই ঘটনায় দেশজুড়ে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছিল।

  • Make in India: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে ফের সাফল্য, অত্যাধুনিক ড্রোন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করল বেঙ্গালুরুর সংস্থা

    Make in India: মেক ইন ইন্ডিয়া প্রকল্পে ফের সাফল্য, অত্যাধুনিক ড্রোন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করল বেঙ্গালুরুর সংস্থা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মেক ইন ইন্ডিয়া (Make in India) প্রকল্পে ফের সাফল্যের ছোঁয়া। একটি অত্যাধুনিক ড্রোন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করল বেঙ্গালুরুভিত্তিক (Bengaluru) প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংস্থা ভারত সাপ্লাই অ্যান্ড সার্ভিস (Bharat Supply and Service)। এই ড্রোন একে-২০৩ রাইফেল যুক্ত করে আকাশপথে লক্ষ্যবস্তুতে গুলি চালাতে সক্ষম। এটি মূলত কম উচ্চতায় কৌশলগত অভিযানের জন্য তৈরি। এতে নজরদারি ও দূর থেকে আক্রমণ করার সুবিধা রয়েছে। এই সিস্টেমটি সম্প্রতি ভারতীয় সেনার সহযোগিতায় সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।

    ভারতের প্রথম AI-চালিত প্রাণঘাতী অস্ত্রের সফল পরীক্ষা

    চলতি সপ্তাহেই ভারত সাপ্লাই অ্যান্ড সার্ভিস ভারতীয় সেনার সঙ্গে যৌথভাবে দেশের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) নির্ভর স্বয়ংক্রিয় লাইট মেশিন গান (LMG) সিস্টেমের ট্রায়াল চালায়। এই অস্ত্রটিতে ইজরায়েলের তৈরি ৭.৬২×৫১ মিমি ব্যারেলযুক্ত নেগি এলএমজি ব্যবহার করা হয়েছে। এআই প্রযুক্তির মাধ্যমে চালিত এই সিস্টেম ৩০০ মিটার দূর থেকে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে এবং ৬০০ মিটার পর্যন্ত নিখুঁতভাবে গুলি চালাতে সক্ষম। অস্ত্রটির কার্যকর রেঞ্জ ১,০০০ মিটার পর্যন্ত বলে জানানো হয়েছে। সংস্থার সহ-প্রতিষ্ঠাতা ভিকি চৌধুরী বলেন, “এটি ভারতের প্রথম এআই চালিত অস্ত্র সিস্টেম যা .৫০ ক্যালিবার পর্যন্ত যেকোনো আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।” তিনি আরও জানান, বিশ্বজুড়ে খুব কম সংখ্যক সংস্থা এমন সফল পরীক্ষা চালাতে পেরেছে।

    প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্য ও সক্ষমতা

    এই এআই ভিত্তিক সিস্টেমে রয়েছে থার্মাল ও অপটিক্যাল সেন্সর, যা খারাপ দৃশ্যমানতাতেও লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে। এটি বাতাসের গতি, তাপমাত্রা ও দূরত্ব বিবেচনা করে ব্যালিস্টিক পথ হিসেব করতে সক্ষম। সিস্টেমটি একটি এনক্রিপ্টেড রিমোট কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়। চলতি বছর এপ্রিলের ৫ তারিখে রুরকিতে এর প্রাথমিক পরীক্ষা শুরু হয়। পরে এটি ১৪,৫০০ ফুট উচ্চতায় কঠিন পরিস্থিতিতেও সফলভাবে কাজ করেছে। এই সিস্টেম ২১ দিন পর্যন্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাংকারের ভিতর থেকে কাজ করতে পারে। এটি নৌজাহাজেও যুক্ত করা যায়।

    আত্মনির্ভর ভারতের প্রতিরক্ষা কৌশল

    ভারতীয় সেনাবাহিনী ধীরে ধীরে স্বয়ংক্রিয় এবং এআই-চালিত অস্ত্র ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। এআই ভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রকল্পগুলোর জন্য “মেক ইন ইন্ডিয়া” (Make in India) উদ্যোগের আওতায় সরকার প্রতিবছর ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছে। ২০২০ সালে ভারত ইজরায়েল থেকে ১৬,৪৭৯টি নেগি এলএমজি কেনে। দেশে এই জাতীয় অস্ত্রের মোট চাহিদা ৪০,০০০। বেঙ্গালুরুর সংস্থার তৈরি এই এআই ড্রোন সেই আত্মনির্ভর প্রযুক্তিরই অংশ।

     

     

     

     

     

  • RBI: ভারতের চতুর্থ প্রান্তিকে বাড়ল জিডিপির হার, জানাল আরবিআই

    RBI: ভারতের চতুর্থ প্রান্তিকে বাড়ল জিডিপির হার, জানাল আরবিআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় উদ্বৃত্ত নগদের জোগান এক ধাক্কায় অনেকটাই বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। চলতি অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ, ২০২৪-২৫) ভারত ১৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার বা জিডিপির ১.৩ শতাংশ পরিমাণ উদ্বৃত্ত (Current Account Surplus) হিসেবে নথিভুক্ত করেছে। যা গত বছরের একই সময়ের ৪.৬ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি। শুক্রবার প্রকাশিত রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়ার (RBI) তথ্যে এই কথা জানানো হয়েছে।

    কী বলল আরবিআই

    আরবিআই জানিয়েছে, “২০২৪-২৫ অর্থবছরের চতুর্থ প্রান্তিকে ভারতের চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত ছিল ১৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার (জিডিপির ১.৩ শতাংশ), যেখানে ২০২৩-২৪ এর একই প্রান্তিকে তা ছিল ৪.৬ বিলিয়ন (০.৫ শতাংশ)। তৃতীয় প্রান্তিকে (২০২৪-২৫) এটি ছিল ঘাটতির পর্যায়ে, ১১.৩ বিলিয়ন ডলার (জিডিপির ১.১ শতাংশ)।” চলতি হিসেব উদ্বৃত্তের এই প্রবৃদ্ধির মূল কারণ হল প্রবাসী ভারতীয়দের রেমিটেন্স বৃদ্ধিকে। চতুর্থ প্রান্তিকে পণ্যের বাণিজ্য ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫৯.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের একই সময়ের ৫২ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় বেশি । অন্যদিকে, নানা খাতে নিট আয় ৫৩.৩ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে, যেখানে আগের বছর ছিল ৪২.৭ বিলিয়ন। ব্যবসায়িক পরিষেবা এবং কম্পিউটার পরিষেবার মতো খাতে উল্লেখযোগ্য রফতানি বৃদ্ধি হয়েছে। প্রবাসী ভারতীয়দের পাঠানো রেমিটেন্স বা পার্সোনাল ট্রান্সফার রিসিপ্টস বেড়ে হয়েছে ৩৩.৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার, আগের বছর যা ছিল ৩১.৩ বিলিয়ন ডলার।

    উদ্বৃত্তের পরিমাণ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি

    আইসিআরএর প্রধান অর্থনীতিবিদ অদিতি নায়ার বলেন, “চতুর্থ প্রান্তিকে উদ্বৃত্তের পরিমাণ প্রত্যাশার চেয়েও বেশি হয়েছে।” এর ফলে কেন্দ্রের রাজকোষে আর্থিক জোগান অনেকটাই বাড়াবে। আর তা হলে ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থায় বেশি করে নগদের জোগান দেবে কেন্দ্র। আরবিআই-এর বিপুল আয়ের কারণেই নগদের জোগান বেড়েছে বলে বিশেষজ্ঞদের মত। শীর্ষ ব্যাঙ্কটি তাদের সঞ্চিত বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা বিপুল রিটার্ন প্রদানকারী ইউএস গভর্নমেন্ট সিকিওরিটিজ রাখায় সেখান থেকে মোটা অঙ্কের রিটার্ন পেয়েছে। এর পাশাপাশি টাকার দরে ওঠাপড়া ঠেকাতে ডলার বিক্রি করে পাওয়া অর্থও নগদের জোগান বাড়ানোর পক্ষে সহায়ক হয়েছে।

     

     

     

     

     

  • PM Modi: এবার ‘ধর্ম চক্রবর্তী’ উপাধিতে ভূষিত করা হল প্রধানমন্ত্রীকে, কী বললেন মোদি?

    PM Modi: এবার ‘ধর্ম চক্রবর্তী’ উপাধিতে ভূষিত করা হল প্রধানমন্ত্রীকে, কী বললেন মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার ‘ধর্ম চক্রবর্তী’ উপাধিতে ভূষিত করা হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। শনিবার জৈন সন্ন্যাসী আচার্য শ্রী ১০৮ বিদ্যানন্দজি মহারাজের শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এই উপাধিতে (Dharma Chakravarti) ভূষিত করা হয় তাঁকে। সম্মানিত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই অনুষ্ঠানে আপনারা আমাকে ‘ধর্ম চক্রবর্তী’ উপাধিতে সম্মানিত করেছেন। আমি নিজেকে এই উপাধির যোগ্য মনে করি না। তবে আমাদের সংস্কৃতিতে যেটি সাধুদের কাছ থেকে পাওয়া যায়, তাকে প্রসাদ হিসেবে গ্রহণ করা হয়। তাই আমি এই প্রসাদ বিনম্রভাবে গ্রহণ করছি এবং মা ভারতীর উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করছি।”

    শতবর্ষ উদ্‌যাপন (PM Modi)

    প্রসঙ্গত, শতবর্ষ উদ্‌যাপনের মাধ্যমে এই মহাত্মার প্রতি জাতীয়ভাবে এক বছরের শ্রদ্ধাঞ্জলি কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক সূচনা হল। কেন্দ্রীয় সংস্কৃতি মন্ত্রক ও দিল্লির ভগবান মহাবীর অহিংসা ভারতী ট্রাস্টের যৌথ উদ্যোগে আয়োজন করা হয়  এই অনুষ্ঠানের। এদিন বক্তৃতা দিতে গিয়ে আচার্য বিদ্যানন্দ মুনিরাজ কীভাবে ১৯৮৭ সালের এই দিনে ‘আচার্য’ উপাধি লাভ করেছিলেন, সেই বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই দিনটি আরও একটি কারণে বিশেষ। কারণ ২৮ জুন ১৯৮৭ সালে আচার্য বিদ্যানন্দ মুনিরাজ আচার্য উপাধি লাভ করেছিলেন। এটি কেবল একটি সম্মান নয়, বরং এটি ছিল একটি ‘পবিত্র ধারা’, যা জৈন সংস্কৃতিকে আত্মসংযম ও করুণার ভাবনার সঙ্গে যুক্ত করেছে।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, এই শততম জন্মবার্ষিকী উদ্‌যাপন করতে গিয়ে আমরা সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তের কথা স্মরণ করছি। এই উপলক্ষে  আমি আচার্য শ্রী মুনিরাজজির চরণে প্রণাম জানাই। আমি প্রার্থনা করি, তাঁর আশীর্বাদ চিরকাল আমাদের সঙ্গে থাকুক। তিনি বলেন, এই শতবর্ষ উদ্‌যাপন কেবল একটি সাধারণ অনুষ্ঠান নয়। এটি একটি সময়পর্বের স্মৃতি এবং এক তপস্বী জীবনের স্মরণ। আজকের এই মুহূর্তকে স্মরণীয় করে রাখতে ডাকটিকিট প্রকাশ করা হয়েছে। এজন্যও আমি জনগণকে অভিনন্দন জানাই।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারত হল বিশ্বের প্রাচীনতম জীবন্ত সংস্কৃতি। হাজার হাজার বছর ধরে আমরা অমর রয়েছি। কারণ আমাদের চিন্তাধারা অমর, আমাদের দর্শন অমর। এই দর্শনের উৎস আমাদের ঋষি, সন্ন্যাসী ও আচার্যগণ (Dharma Chakravarti)।”

    প্রসঙ্গত, এই অনুষ্ঠানেই প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) সংস্কৃতি ও পর্যটন মন্ত্রী গজেন্দ্র সিং শেখাওয়াতের সঙ্গে আচার্যর স্মৃতিতে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করেন।

  • Private consumption: ব্যক্তিগত খরচ জিডিপি-র বড় চালিকাশক্তি, জানাল অর্থমন্ত্রক

    Private consumption: ব্যক্তিগত খরচ জিডিপি-র বড় চালিকাশক্তি, জানাল অর্থমন্ত্রক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে সাধারণ মানুষের ব্যক্তিগত কেনাকাটার ক্ষমতা গত কয়েক দশকের তুলনায় উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে (Private consumption)। কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকের সদ্য প্রকাশিত এক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ব্যক্তিগত খরচ এখন ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। গত দু’দশকে এত উচ্চ হারে বৃদ্ধি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বলেই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

    কী বলছে অর্থমন্ত্রকের দেওয়া রিপোর্ট (Private consumption)

    অর্থমন্ত্রকের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে ব্যক্তিগত ক্রয়ক্ষমতা ভারতের জিডিপির ৬১.৪ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে। এর আগের অর্থবর্ষে এই হার ছিল ৬০.২ শতাংশ। অর্থাৎ, খুব স্বল্প সময়ের ব্যবধানে প্রায় ১.২ শতাংশ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে ব্যক্তিগত খরচের অংশগ্রহণ (Private consumption)।

    কী বলছেন অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা?

    অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই বৃদ্ধি (GDP) প্রমাণ করে যে ভারতীয়দের জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং গ্রামীণ ও শহর—উভয় ক্ষেত্রেই খরচ করার প্রবণতা বাড়ছে। গত ২০ বছরে এই হার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ হওয়ায় সরকারের অর্থনৈতিক নীতির ইতিবাচক প্রভাব (Private consumption) স্পষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে।

    বিনিয়োগেও বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে (GDP)

    শুধু খরচই নয়, বিনিয়োগের ক্ষেত্রেও বড় ধরনের বৃদ্ধি দেখা গেছে। রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, চলতি অর্থবর্ষে বৃদ্ধি পেয়ে ৭.১ শতাংশ-এ পৌঁছেছে। এর মাধ্যমে বোঝা যাচ্ছে শিল্প এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে দেশের অভ্যন্তরীণ বিনিয়োগের পরিমাণ দ্রুত বাড়ছে, যা ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

    বেড়েছে রফতানি, কমেছে আমদানি

    অর্থমন্ত্রকের রিপোর্টে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক উঠে এসেছে— ভারতের বহির্বাণিজ্যে ভারসাম্য তৈরি হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে ভারতের রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে ৬.৩ শতাংশ হারে, যা বৈদেশিক আয়ের দিক থেকে একটি ইতিবাচক দিক। অন্যদিকে, আমদানির পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে, যা অর্থনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি অর্থবর্ষে ভারতের আমদানি কমেছে ৩.৭ শতাংশ। এতে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চয় যেমন বেড়েছে, তেমনি বাণিজ্য ঘাটতিও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে বলে অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মত।

  • Iran-US Conflicts: ‘‘খামেনেইকে জীবন ভিক্ষা দিয়েছি’’ দাবি ট্রাম্পের , অপমান সহ্য না করার হুঁশিয়ারি ইরানের

    Iran-US Conflicts: ‘‘খামেনেইকে জীবন ভিক্ষা দিয়েছি’’ দাবি ট্রাম্পের , অপমান সহ্য না করার হুঁশিয়ারি ইরানের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Iran-US Conflicts) কথা বলার ধরন ঠিক করতে হবে। তবেই পরমাণু নিয়ে চুক্তি সম্ভব, জানিয়ে দিলেন ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। অভিযোগ, বার বার তিনি ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের উদ্দেশে অপমানজনক মন্তব্য করছেন। তেহরান যা বরদাস্ত করবে না। এর আগে ইজরায়েলের সঙ্গে সাম্প্রতিক ১২ দিনের যুদ্ধের বিষয়ে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের ‘জয়ের’ দাবি প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তেহরান যদি আবার পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পথে এগোয়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ‘নিশ্চিতভাবেই’ ইরানে ফের বোমাবর্ষণ করবে। এমনকী ট্রাম্প দাবি করেছেন, যুদ্ধ শুরুর সময় ইজরায়েল ও আমেরিকার হামলা থেকে খামেনেইকে তিনি রক্ষা করেছিলেন।

    ট্রাম্পকে হুঁশিয়ারি ইরানের

    শনিবার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে ট্রাম্পকে (Iran-US Conflicts) হুঁশিয়ারি দিয়েছেন আরাগচি। দাবি করেছেন, ইরানের শক্তিতে ভীত হয়ে ইজরায়েলকে আমেরিকার দ্বারস্থ হতে হয়েছে। আরাগচি লিখেছেন, ‘‘যদি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সত্যিই কোনও চুক্তি চান, ওঁকে আগে ইরানের নেতা খামেনেইয়ের প্রতি কথা বলার অসম্মানজনক ভঙ্গি পাল্টাতে হবে। এটা মেনে নেওয়া যায় না। খামেনেইয়ের লক্ষ লক্ষ সমর্থককে আঘাত করা বন্ধ করতে হবে ট্রাম্পকে।’’ তিনি আরও লেখেন, ‘‘ইরানের মানুষ অত্যন্ত শক্তিশালী। সারা বিশ্বকে আমরা দেখিয়ে দিয়েছি, ইজরায়েলের সামনে বাবার কাছে ছুটে যাওয়া ছাড়া আর কোনও রাস্তা খোলা ছিল না। আমাদের ক্ষেপণাস্ত্র ওদের ধ্বংস করে দিত। ইরানের মানুষ ট্রাম্পের হুমকি এবং অপমান সহ্য করবেন না।’’

    খামেনেইকে বাঁচিয়েছি, বললেন ট্রাম্প

    আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু চুক্তি নিয়ে ইরানের (Iran-US Conflicts)  আলোচনার মাঝেই সেখানে হামলা চালিয়েছিল ইজরায়েল। এরপর যুদ্ধে যোগ দেয় আমেরিকাও। ইরানের তিনটি পরমাণুকেন্দ্র লক্ষ্য করে তারা ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে। তার পরেই ট্রাম্প দাবি করেন, দুই দেশ সংঘর্ষবিরতিতে সম্মত হয়েছে। যুদ্ধ থেমেছে। সমাজমাধ্যমে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘‘আমি জানতাম খামেনেই ঠিক কোথায় লুকিয়ে আছেন। কিন্তু আমি ইজরায়েলকে বা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মার্কিন সেনাবাহিনীকে কাজে লাগিয়ে ওঁকে মেরে ফেলতে দিইনি। ওঁকে আমি একটা কুৎসিত এবং অপমানজনক মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছি। কিন্তু উনি তার জন্য আমাকে কোনও ধন্যবাদ জানাননি!’’ ট্রাম্প আরও দাবি করেন, তিনি ইরানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন বিধিনিষেধ প্রত্যাহারের চেষ্টা করছিলেন। তেহরান বহু দিন ধরে যে দাবি করে আসছে। কিন্তু এই চেষ্টার পরিবর্তে ইরান থেকে তিনি কেবল রাগ এবং ঘৃণাভরা বিবৃতি পেয়েছেন। তাই সাহায্যের চেষ্টা বন্ধ করে দিয়েছেন। ইরানকে অবিলম্বে আলোচনার টেবিলে বসার আহ্বান জানিয়েছেন ট্রাম্প।

    হিরোশিমা ও নাগাসাকির উদাহরণ

    ইরানের তিনটি পরমাণু কেন্দ্র ধ্বংস করে দেয় মার্কিন বোমারু বিমান (Iran-US Conflicts) । তার জবাবে কাতারে মার্কিন সেনা ঘাঁটিতে হামলা চালায় তেহরান। ট্রাম্প বলেন,‘‘আমরা ইরানের তিনটি পারমাণু কেন্দ্রে টার্গেট করেছিলাম। সেগুলি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। এটা নির্ণায়ক পদক্ষেপ ছিল।’’ এরপরই ট্রাম্প টেনে আনেন মানব সভ্যতার ইতিহাসের সেই কলঙ্কিত অধ্যায়কে। বলেন,‘‘আমি হিরোশিমার উদাহরণ দিতে চাই না। নাগাসাকির উদাহরণও দিতে চাই না। তবে সেখানেও একই জিনিস ঘটেছিল। এর ফলে সেই যুদ্ধের অবসান ঘটে। ইরানের পরমাণু কেন্দ্রে মার্কিন হামলাও যুদ্ধে ইতি টেনেছে। আমাদের কাছে আছে সাহসী দেশপ্রেমিক, যাঁরা অত্যন্ত দক্ষ বিমানচালক। তাঁরা আমেরিকান স্টেলথ বোমারু বিমান থেকে লক্ষ্যবস্তুগুলিতে নির্ভুল হামলা চালিয়েছে। আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে উত্তেজনা এখন স্তিমিত। দুই দেশই এখন ক্লান্ত।’’

    ঠিক করে কথা বলুক আমেরিকা

    ইজরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের সংঘর্ষের পর যুদ্ধবিরতির ঘোষণা হলেও, আয়াতুল্লাহ খামেনেই একটি বিজয় ভাষণে বলেন, “এই লড়াইয়ে ইরান- আমেরিকার গালে সপাটে চড় কষিয়েছে।” ট্রাম্প পাল্টা দাবি করেন, “তিনি (খামেনেই) জানেন তাঁর বক্তব্য মিথ্যা, একজন ধর্মীয় নেতার এমন মিথ্যা বলা কাম্য নয়।” ট্রাম্প সতর্ক করে বলেছেন, যদি ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চালায়, তবে আমেরিকা ফের হামলা চালাতে দ্বিধা করবে না। এই মুহূর্তে ইরান আমেরিকার সঙ্গে পরমাণু আলোচনার সম্ভাবনা নাকচ করেছে। ট্রাম্প ন্যাটোর সম্মেলনে আশা প্রকাশ করলেও, তেহরান (Iran-US Conflicts) জানিয়েছে—তারা আলোচনার জন্য প্রস্তুত নয়। আসলে র্মার্কিন প্রেসিডেন্টের কথা ভাল চোখে দেখছে না তেহরান। ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি ট্রম্পকে কথা বলার ধরন ঠিক করতে বলেছেন। খামেনেইকে অসম্মান করা হলে ইরান কখনওই আলোচনার টেবিলে বসবে না, জানিয়ে দিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী।

     

     

     

     

     

  • India Defies US Pressure: ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে দেদার তেল কিনছে মোদির ভারত

    India Defies US Pressure: ট্রাম্পের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাশিয়া থেকে দেদার তেল কিনছে মোদির ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপ অগ্রাহ্য করে রাশিয়া থেকে বিপুল পরিমাণে অপরিশোধিত তেল আমদানি করছে ভারত (India Defies US Pressure)। বাজার বিশ্লেষক সংস্থা কেপলারের (Kpler) মতে, শুধু জুন মাসেই ভারত গড়ে প্রতিদিন ২২ লাখ ব্যারেল তেল আমদানি করেছে রাশিয়া (Russian Oil) থেকে, যা গত দু’বছরে সর্বোচ্চ। রাশিয়া থেকে আমদানি করা এই তেলের পরিমাণ ইরাক, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কুয়েত থেকে যৌথভাবে দৈনিক গড় আমদানির চেয়েও বেশি। গত মে মাসে ভারত গড়ে প্রতিদিন ১৯.৬ লাখ ব্যারেল রাশিয়ান তেল আমদানি করেছিল।

    রাশিয়ান তেলের ওপর নির্ভরতা

    মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইজরায়েল সংঘাত শুরু হওয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে তেল সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের আশঙ্কায় ভারতীয় কোম্পানিগুলি রাশিয়ান তেলের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন ইরানের পার্লামেন্ট হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার সম্ভাবনার কথা ঘোষণা করে। হরমুজ প্রণালী একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পথ, যা ইরানের নিয়ন্ত্রণাধীন এবং যার মাধ্যমে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে অধিকাংশ অপরিশোধিত তেল রফতানি করা হয়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ভারতের রাশিয়ান তেল আমদানির পরিমাণ ব্যাপকভাবে বেড়ে গিয়েছে। ইউক্রেন- রাশিয়া সংঘাতের জেরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং পশ্চিমের অন্যান্য দেশগুলি মস্কোর ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। যুদ্ধ শুরুর আগে ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানিতে রাশিয়ার অংশ ছিল ১ শতাংশেরও কম। এখন সেই অংশটাই বেড়ে হয়েছে প্রায় ৪০ শতাংশ।

    সবচেয়ে বড় ক্রেতা

    ভারত বর্তমানে রাশিয়ার উরাল-গ্রেড ক্রুড অয়েলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। ২০২৫ সালের এ পর্যন্ত উরাল রফতানির ৮০ শতাংশই ভারত কিনেছে। বেসরকারি তেল সংস্থা রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ ও নয়ারা এনার্জি এই আমদানির নেতৃত্ব দিচ্ছে (India Defies US Pressure)। জানা গিয়েছে, ২৪ জুন পর্যন্ত ভারত মোট ২৪১ মিলিয়ন ব্যারেল উরাল ক্রুড আমদানি করেছে। রিলায়েন্স ও নয়ারা একসঙ্গে রাশিয়ার মোট উরাল রফতানির ৪৫ শতাংশ নিয়েছে। এদিকে, ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশনের মতো সরকারি তেল সংস্থাগুলি প্রধানত আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকা থেকে তেল আমদানি করে। বর্তমানে তারা কিছু পরিমাণে তেল আমদানি করছে আমেরিকা থেকে (Russian Oil)। প্রসঙ্গত, ভারতের জন্য রাশিয়ান তেলের ছাড়ও কমে গিয়েছে। আগে যেখানে প্রতি ব্যারেলে ৪ মার্কিন ডলার ছাড় পাওয়া যেত, এখন তা কমে হয়েছে ২ মার্কিন ডলার (India Defies US Pressure)।

LinkedIn
Share