Tag: bangla khabar

bangla khabar

  • Suvendu Adhikari: এক রাতে ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি! কমিশনের কাছে বড় অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: এক রাতে ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি! কমিশনের কাছে বড় অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরও সুরক্ষিত নয়, দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে (CEO Office) এসে বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে বিজেপির প্রতিনিধি দলকে। এরমধ্যেই দফতরে ঢুকে সিইও মনোজ আগরওয়ালের (CEO Manoj Agarwal) সঙ্গে বৈঠক শুরু হয় শুভেন্দুদের। সেখানেই একাধিক দাবি তুলে ধরেন তিনি। শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) অভিযোগ, “সময় নিয়ে এসেও এইভাবে বাধার সম্মুখীন হতে হল, এর থেকেই বোঝা যায় সিইও অফিস সুরক্ষিত নয়।”

    ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি!

    পশ্চিমবঙ্গে এসআইআরের ফর্ম জমা নেওয়ার কাজ প্রায় শেষের পথে। আগামী ১১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফর্ম জমা দেওয়ার সময়সীমা বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। এরই মধ্যে গুরুতর অভিযোগ নিয়ে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে হাজির হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। একগুচ্ছ দাবি জানিয়ে এসেছেন তিনি। মূলত ২৬, ২৭ ও ২৮ নভেম্বরের এন্ট্রি নিয়ে অভিযোগ তুলেছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, ওই তিনদিনের প্রত্যেকটা এন্ট্রি পর্যবেক্ষকদের দিয়ে অডিট করাতে হবে। আধুনিক ব্যবস্থা ব্যবহার করে করতে হবে অডিট। রাতারাতি ১ কোটি ২৫ লক্ষ এন্ট্রি করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁর। এতে এইআরও, ইআরও ও আইপ্যাক যুক্ত আছে বলেও দাবি করেছেন শুভেন্দু।

    সিইও দফতরে ডেপুটেশন

    শুভেন্দু বলেন, “এটা একটা স্ক্যাম।” বিরোধী দলনেতার দাবি, সারা দেশে এসডিও-দেরই ইআরও করা হয়। এ রাজ্যে ল্যান্ড অফিসারকেও ইআরও করা হল কেন? তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে শুভেন্দু বলেন, “এটা করতে পারেন না। এসডিও র‍্যাঙ্কের অফিসারকেই করতে হবে।” ভোটকুশলী সংস্থা আইপ্যাক এসআইআর-এর ডেটা এন্ট্রি করেছে বলেও দাবি করেন শুভেন্দু। বিসিএস, আইএএস-দেরই শুধু ইআরও করতে হবে বলে দাবি করেছেন শুভেন্দু। তাঁর মতে, বহু বাংলাদেশি মুসলমান ও মৃতদের নাম ঢোকানো হয়েছে। শুভেন্দুর নেতৃত্বে এদিন সিইও দফতরে ডেপুটেশন দেন বিজেপি বিধায়করা।

    সিইও অফিস অন্যত্র স্থানান্তর

    বিধানসভার বিরোধী দলনেতার অভিযোগ, “৫০০০ বিএলও বেনিয়ম করেছেন, এখনও করছেন। দু’মাস পরও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।” এদিন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (WB CEO) এবং এসআইআর-এর (SIR) কাজের জন্য দিল্লির নিয়োগ করা বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্তর (Subrata Gupta) সঙ্গে দেখা করতে আসেন বিজেপির প্রতিনিধি দল। সেইসময়েই দফতরের বাইরে অবস্থান করা ‘বিএলও অধিকার রক্ষা’ কমিটির সদস্যরা তাঁদের দেখে চিৎকার করতে থাকেন। শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari) লক্ষ্য করে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান দেওয়া হয়। শুরু হয় স্লোগান-পাল্টা স্লোগান। মনোজ আগরওয়ালের কাছে শুভেন্দু অধিকারী বলেন,“অবৈধভাবে সিইও অফিসে আসার ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের বাধা দেওয়া হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। আমরা জেনেছি, সিইও অফিস অন্যত্র স্থানান্তরিত হচ্ছে, সেটা দ্রুত করতে হবে এবং সেখানে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতে হবে।”

  • Cyclone Ditwah: ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান সহ ৬ দেশের নাগরিকদের উদ্ধার ভারতীয় বায়ুসেনার

    Cyclone Ditwah: ঘূর্ণিঝড়ে লন্ডভন্ড শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান সহ ৬ দেশের নাগরিকদের উদ্ধার ভারতীয় বায়ুসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শ্রীলঙ্কার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে ভারতীয় বায়ুসেনা ভূমিধস-আক্রান্ত কটমালে বড় ধরনের উদ্ধার ও সরিয়ে আনার অভিযান পরিচালনা করেছে। রাস্তাঘাট সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় এলাকাটি এখনও পুরোপুরি অবরুদ্ধ। দিনভর আইএএফ-এর হেলিকপ্টারগুলি মোট ৪৫ জন আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধার করেছে। এর মধ্যে ৬ জন গুরুতর আহত। ছিল ৪ টি শিশুও। সকলকেই নিরাপদে কলম্বোতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১২ জন ভারতীয় নাগরিক, বিভিন্ন দেশের বহু বিদেশি নাগরিক এবং শ্রীলঙ্কার বাসিন্দারাও ছিলেন। উদ্ধার হওয়া বিদেশিদের মধ্যে একজন পাকিস্তানি নাগরিকও ছিলেন।

    উদ্ধার-কাজে সক্রিয় ভারতীয় বায়ুসেনা

    স্থলভাগে ত্রাণ কার্যক্রম আরও জোরদার করতে, আইএএফ ৫৭ জন শ্রীলঙ্কান সেনাকর্মীকে দুর্গত এলাকায় পৌঁছে দিয়েছে, যাতে উদ্ধার ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। আইএএফ ভীষ্ম ক্যাপসুল ও মেডিক্যাল টিমও মোতায়েন করেছে। রবিবার রাত ৮টা পর্যন্ত ৪০০-র বেশি ভারতীয় নাগরিককে বিমানযোগে ভারতে ফিরিয়ে এনেছে। সাইক্লোন দিটওয়া শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন জেলায় প্রবল বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধস নামিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে। রাস্তা ভেঙে পড়া এবং যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়া এলাকায় আটকে থাকা মানুষের জন্য জীবনরক্ষায় ভূমিকা নেয় ভারতীয় বায়ুসেনার এমআই-১৭ ভি৫ হেলিকপ্টার।

    ‘অপারেশন সাগরবন্ধু’

    ঘূর্ণিঝড় দিটওয়ার তাণ্ডবে শ্রীলঙ্কায় মৃতের সংখ্যা ইতিমধ্যেই ৩০০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত সে দেশে ৩৩৪ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। নিখোঁজ অন্তত ৪০০ জন। প্রতিবেশী এই দেশে আটকে পড়েছেন বেশ কিছু ভারতীয়ও। বিমানে করে তাঁদের ফেরানোর চেষ্টা চলছে। শ্রীলঙ্কার দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের তথ্য বলছে, এখনও পর্যন্ত সে দেশে প্রায় ১১ লক্ষ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে। এই দুর্দিনে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত। উদ্ধারকাজে নেমেছে ভারতের বায়ুসেনা। ইতিমধ্যে আকাশপথে কলম্বোয় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে অন্তত ২১ টন ত্রাণসামগ্রী। আইএনএস বিক্রান্তে করে পাঠানো হয়েছে চেতক হেলিকপ্টার। বিশাখাপত্তনম থেকে ত্রাণ নিয়ে শ্রীলঙ্কার উদ্দেশে রওনা হয়ে গিয়েছে আইএনএস সুকন্যাও। এই গোটা উদ্ধার অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছে ‘অপারেশন সাগরবন্ধু’। সে দেশে আটকে পড়া ভারতীয়দেরও বিমানে করে দেশে ফেরানোর চেষ্টা চলছে।

    উদ্ধার অভিযান, বাঁচানো হল পাক নাগরিককেও

    কঠিন আবহাওয়া ও ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় অভিযান চালিয়ে বায়ুসেনা বিভিন্ন দেশের নাগরিককে উদ্ধার করে। এদের মধ্যে ছিলেন— জার্মানির ২, দক্ষিণ আফ্রিকার ৪, স্লোভেনিয়ার ২, যুক্তরাজ্যের ২, ভারতের ১২, শ্রীলঙ্কার ৫ জন নাগরিক। এছাড়া তিনজন গুরুতর আহত শ্রীলঙ্কান নাগরিককে দ্রুত কলম্বোতে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। অভিযানের সময় এক গরুড় কমান্ডোকে হেলিকপ্টার থেকে উইঞ্চের সাহায্যে বিপদসংকুল এলাকায় নামানো হয়। তাঁর নেতৃত্বে আটকে পড়া দলকে পাহাড়ি পথে নিয়ে যাওয়া হয় কটমালের একটি ছোট হেলিপ্যাডে, যেখান থেকে ২৪ জন যাত্রীকে প্রবল বাতাস ও কম দৃশ্যমানতার মাঝেও কলম্বোতে নিয়ে যায় আইএএফ হেলিকপ্টার। দ্বিতীয় দফা উদ্ধার অভিযানে ইরানের ৫, অস্ট্রেলিয়ার ১, পাকিস্তানের ১, বাংলাদেশের ৩, শ্রীলঙ্কার ৮ জন ছিলেন। অভিযানটি পরিচালিত হয় শ্রীলঙ্কার ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট সেন্টার এবং সেনাবাহিনীর সমন্বয়ে। এর আগে শ্রীলঙ্কার সেনাবাহিনীর পাঁচটি দল, মোট ৪০ জন সৈন্যকে এমআই-১৭ হেলিকপ্টারে করে দিয়াথালাওয়া সেনানিবাস থেকে কটমালা অঞ্চলে পাঠানো হয় উদ্ধার ও ত্রাণকাজে সহায়তা করার জন্য।

  • India vs South Africa: ভাঙলেন শচিনের রেকর্ড, স্ব-মহিমায় কিং কোহলি! রোহিত-বিরাটের হাত ধরেই জয়ে ফিরল ভারত

    India vs South Africa: ভাঙলেন শচিনের রেকর্ড, স্ব-মহিমায় কিং কোহলি! রোহিত-বিরাটের হাত ধরেই জয়ে ফিরল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথায় বলে, পুরনো চাল ভাতে বাড়ে। রবিবাসরীয় সন্ধ্যায় ফের তার প্রমাণ মিলল বাইশ গজে। লাল বল থেকে সাদা বলে প্রত্যাবর্তন। সেই সঙ্গে ভারতীয় ক্রিকেটেও ফিরল হাসি। রাঁচিতে এক দিনের সিরিজের প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকাকে ১৭ রানে হারিয়ে দিল ভারত (India vs South Africa)। দর্শকেরা যা দেখতে মাঠে এসেছিলেন, সেটা পেয়ে গেলেন। বিরাট কোহলির শতরান, রোহিত শর্মার অর্ধশতরান! আর কী চাই। কোহলি-রোহিতের হাত ধরেই জয়ে ফিরল ভারত। হাসি ফিরল গুরু গম্ভীরের মুখেও। প্রথমে ব্যাট করে ৩৪৯/৮ তুলেছিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকা আটকে গেল ৩৩২ রানে। একই সঙ্গে রেকর্ডের পর রেকর্ড গড়লেন কিং কোহলি। ছয়ের পর ছয় এল ‘রো-কো’র ব্যাট থেকে।

    শচিনকে ছাপিয়ে গেলেন

    রাঁচিতে দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa) বিরুদ্ধে ১৩৫ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলেলেন বিরাট কোহলি (Virat Kohli)। যার সুবাদে টিম ইন্ডিয়া প্রথমে ব্যাট করে ৩৪৯ রানের বিশাল স্কোর করতে সক্ষম হয়। এই ইনিংসে কোহলি ৫টি বড় রেকর্ড গড়েছেন। ছাপিয়ে গিয়েছেন মাস্টার-ব্লাস্টার শচিন তেন্ডুলকরকে। বিরাট কোহলি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের কোনও একটি ফর্ম্যাটে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি করা ব্যাটার হয়ে গিয়েছেন। তিনি সচিন তেন্ডুলকারের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন। সচিন টেস্ট ক্রিকেটে ৫১টি সেঞ্চুরি করেছেন। কোনও ফর্ম্যাট (টি-২০, টেস্ট এবং ওয়ান ডে) -এ এর চেয়ে বেশি সেঞ্চুরি কারও ছিল না, কিন্তু এখন বিরাট কোহলি এগিয়ে গিয়েছেন। তিনি ওয়ান ডে ক্রিকেটে ৫২টি সেঞ্চুরি পূর্ণ করেছেন। বিরাট কোহলি ১৩৫ রানের এই ইনিংসে সচিন তেন্ডুলকরের আরও একটি বড় রেকর্ড ভেঙেছেন। তিনি ভারতে ওয়ানডে ফর্ম্যাটে সবচেয়ে বেশি ৫০ বা তার বেশি রানের ইনিংস খেলা ব্যাটার হয়ে গিয়েছেন। আগে এই রেকর্ড সচিন তেন্ডুলকরের নামে ছিল, যিনি ৫৮ বার এই কীর্তি গড়েছিলেন। কোহলি ৫৯ বার দেশের মাটিতে ওয়ান ডে ক্রিকেটে ৫০ বা তার বেশি রান করেছেন।

    রেকর্ডের পর রেকর্ড

    বিরাট কোহলি ভারতের কোনও একটি মাঠে সবচেয়ে বেশি সেঞ্চুরি করা ব্যাটার হয়ে গিয়েছেন। রাঁচির ঝাড়খণ্ড ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন স্টেডিয়ামে বিরাট ৫ ইনিংসে ৩টি সেঞ্চুরি করেছেন। বিরাট বিশাখাপত্তনম এবং পুনেতেও ৩টি করে সেঞ্চুরি করেছেন। তবে ওই দুই মাঠে যথাক্রমে সাত ও আটটি ইনিংস লেগেছে কোহলির। বিরাট কোহলি দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa) বিরুদ্ধে সবচেয়ে বেশি ওয়ান ডে সেঞ্চুরি করা ব্যাটার হয়ে গিয়েছেন। রাঁচিতে কোহলির দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ষষ্ঠ ওয়ান ডে সেঞ্চুরি ছিল। বিরাট কোহলি ৩ নম্বর পজিশনে সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক ছক্কা মারা ব্যাটার হয়ে গিয়েছেন। তিনি রিকি পন্টিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছেন, যিনি ৫৪০ ইনিংসে ২১৭টি ছক্কা মেরেছিলেন। বিরাট কোহলি তিন নম্বরে খেলে ৩২৭ ইনিংসে ২১৮টি ছক্কা মেরেছেন।

    রোহিতের পরিচিত মেজাজ

    দু’বছর আগের এক দিনের ক্রিকেট থেকে একটা ঘরানা শুরু করেছেন রোহিত শর্মা। ওপেন করতে নেমে এতটাই আগ্রাসী খেলছেন যে বাকিদের উপর চাপ কমে যাচ্ছে। তাঁকে সেই স্বাধীনতাও দেওয়া হয়েছে। রোহিতের লক্ষ্য থাকে পাওয়ার প্লে-তে যতটা সম্ভব রান তুলে নেওয়া। এর একটা উল্টো দিকও রয়েছে। চালিয়ে খেলতে গেলে আউট হওয়ার সম্ভাবনাও বহু গুণে বাড়ে। রোহিত অবশ্য কোনও দিনই সে সবের পরোয়া করেন না। সে কারণেই সাফল্য পাচ্ছেন। সিডনিতে শেষ যে ম্যাচটি খেলেছিলেন, সেখানে শতরান করে দলকে জিতিয়েছিলেন। রাঁচিতে তাঁর ব্যাট থেকে আগ্রাসী অর্ধশতরান দেখা গেল। এক রানের মাথায় ক্যাচ পড়েছে। তবু আগ্রাসনের রাস্তা থেকে সরেননি রোহিত। করবিন বশকে টানা দু’টি চার মেরেছেন। প্রেনেলান সুব্রায়েনকে পর পর দু’টি ছয় মেরেছেন। সবচেয়ে ভালো লেগেছে বিরাট কোহলির সঙ্গে তাঁর জুটি। দু’জনের বোঝাপড়া কতটা ভাল তা এই ম্যাচেও বোঝা গিয়েছে। সিডনির পর রাঁচিতেও দু’জনের জুটি ভারতকে শক্তিশালী করেছে। ২০তম ওভারে মার্কো জানসেনকে ছয় মেরে শাহিদ আফ্রিদির নজির ভেঙে দিয়েছেন।

    ৬৮১ রানের পাহাড়

    ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার (India vs South Africa) মধ্যে আয়োজিত প্রথম একদিনের ম্যাচে দুটো দল মোট ৬৮১ রান করে। এছাড়া দুই দলের হয়ে উড়ে যায় ২৮ গগনচুম্বী ছক্কা। ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা ওয়ানডে ম্যাচে দুই দল মিলিয়ে এটাই সর্বাধিক রান। পাশাপাশি সর্বাধিক ছক্কা হাঁকিয়েছেন দুই দলের ব্যাটাররা। ইতিপূর্বে ভারত এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে ২০১৫ সালে মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ম্যাচ আয়োজন করা হয়েছিল। এই ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকা প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪৩৮ রান করেছিল। এরপর ভারত ব্যাট করতে নেমে ২২৪ রান করে। এই ম্যাচে দুটো দল মিলিয়ে মোট ৬৬২ রান করেছিল। আর হাঁকিয়েছিল ২৫ ছক্কা। এবার দশ বছরের পুরনো সেই রেকর্ড ভেঙে গেল।

  • Parliament Winter Session: সংসদে শুরু হচ্ছে শীতকালীন অধিবেশন, কোন কোন বিল পেশ করতে পারে সরকার?

    Parliament Winter Session: সংসদে শুরু হচ্ছে শীতকালীন অধিবেশন, কোন কোন বিল পেশ করতে পারে সরকার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session) শুরু হচ্ছে আজ, সোমবার। ১৯ দিনের এই অধিবেশনে ১৫ বার সভা বসার কথা। জাতীয় মহাসড়ক সংশোধনী বিল , পারমাণবিক শক্তি সংক্রান্ত বিল, বীমা আইন সংশোধনী বিল এবং ভারতের উচ্চ শিক্ষা কমিশন ২০২৫ এর মতো মোট ১৩টি বিল এই অধিবেশনে উত্থাপিত হবে। ধূমপায়ী ও তামাক সেবনকারীদের জন্য খারাপ খবর আসতে চলেছে এই অধিবেশনে। বাড়তে চলেছে নেশার খরচ। তামাক ও তামাকজাত পণ্যের উপরে কেন্দ্রীয় আবগারি শুল্ক বা এক্সাইজ ডিউটি (Excise Duty) বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। দাম বাড়তে চলেছে সিগারেট ও অন্য তামাকজাত পণ্যের। দাম বাড়তে চলেছে পানমশলারও।

    কতদিন চলবে অধিবেশন

    সোমবার শুরু হচ্ছে সংসদের শীতকালীন অধিবেশন (Parliament Winter Session)। চলবে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ছুটির দিনগুলি বাদ দিলে মোট ১৫ দিন অধিবেশন চলবে। গান্ধীদের বিরুদ্ধে ন্যাশনাল হেরাল্ড মামলা ও দেশজুড়ে চলা এসআইআর নিয়ে আলোচনা হতে পারে। আপাতত শাসক ও বিরোধী দুই শিবিরই এই দুই বিষয় নিয়ে মাঠে নামতে চলেছে। কেন্দ্র ১৩টি গুরুত্বপূর্ণ বিল আনতে চলেছে, যার মধ্যে রয়েছে নিউক্লিয়ার এনার্জি রিফর্ম (Nuclear Energy Reform), হায়ার এডুকেশন কমিশন বিল (Higher Education Commission), কোম্পানি আইন সংশোধন (Corporate Law Reform) এবং সিকিউরিটিজ মার্কেট সংশোধন (Securities Market Reform)। এই পরিস্থিতিতে ২৬ নভেম্বর প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাড়িতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হয়। অধিবেশন মসৃণভাবে চালাতে সর্বদলীয় বৈঠকও ডাকেন সংসদীয় মন্ত্রী কিরেন রিজিজু।

    নতুন আবগারি বিল

    শীতকালীন অধিবেশনের (Parliament Winter Session) প্রথম দিনেই কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন নতুন আবগারি বিল পেশ করতে পারেন। এই বিলে পান মশলা ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের উপরে অতিরিক্ত সেস বসানোর কথা বলা হয়েছে। শুল্ক থেকে আয় হওয়া টাকা খরচ করা হবে জাতীয় নিরাপত্তা ও জনস্বাস্থ্যের খাতে। ওয়াকিবহাল সূত্রের খবর, এই বিলে পান মশলার উপরে সেস বসতে পারে। এছাড়া অন্যান্য ‘সিন গুডস’ (Sin Goods) অর্থাৎ সিগারেট ও অন্যান্য তামাকজাত পণ্যের উপরেও অতিরিক্ত সেস বসতে পারে। তবে ছাড় দেওয়া হবে বিড়িতে। এই বিলে এমন বিধানও রয়েছে যে জনস্বার্থে সরকার পরবর্তী সময়ে ‘সিন গুডসে’র তালিকায় আরও সংযোজন করতে পারে। বিল সংসদের দুই কক্ষে পাশ হয়ে আইনে পরিণত হলেই, তা অবিলম্বে কার্যকর করা হবে।

    কত দাম বাড়বে

    নতুন আবগারি বিলে সরকার ৭৫ এমএম দৈর্ঘ্যের বেশি ফিল্টার সিগারেটের প্রতি এক হাজার স্টিকে ১১ হাজার টাকা সেসের প্রস্তাব দিয়েছে। আগে এই শুল্ক ছিল মাত্র ৭৩৫ টাকা। নন ফিল্টার সিগারেট (৬৫-৭০এমএম) ক্ষেত্রে প্রতি এক হাজার স্টিকে ৪৫০০ টাকা শুল্কের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, যা আগে ছিল ২৫০ টাকা। অর্থাৎ ১৮ গুণ বেশি সেস বসবে। এছাড়া পাইপ ও সিগারেটে ভরা স্মোকিং মিক্সচারে আগে যে ৬০ শতাংশ সেস ছিল, তা বাড়িয়ে ৩২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ২০১৭ সালে জিএসটি চালু হওয়ার পর থেকে আবগারি শুল্ক তুলনামূলকভাবে কম রাখা হয়েছিল, যাতে সেস বসলেও দামে বিশেষ প্রভাব না পড়ে। এবার সেই শুল্কে বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। এই বিলে বিভিন্ন নির্দিষ্ট পণ্যের উৎপাদনের ক্ষমতার উপরেও সেস বসবে। অর্থাৎ ধরা যাক, যদি কোনও মেশিনে প্রতি মিনিটে ২.৫ গ্রামের পান মশলার ৫০০ প্যাকেট তৈরি হয়। তাহলে প্রতি মেশিন পিছু প্রত্যেক মাসে ১০০ টাকা করে সেস বসবে। যদি উৎপাদন আরও বাড়ে, পণ্যের ওজন বাড়ে, তাহলে সেসও বাড়বে।

    অ্যাটমিক এনার্জি বিল

    প্রথামাফিক অধিবেশন শুরুর আগে, রবিবার সংসদে সর্বদল বৈঠক ডেকেছিল কেন্দ্র। ওই বৈঠকে ভোটার তালিকায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) ছাড়াও দিল্লি বিস্ফোরণ নিয়েও আলোচনার দাবি জানিয়েছে বিরোধী দলগুলি। বিরোধী দলগুলির সূত্র মারফত জানা গিয়েছে, দিল্লি এবং দেশের নানা প্রান্তে ক্রমবর্ধমান বায়ুদূষণ নিয়ে সংসদে আলোচনার দাবি জানানো হবে। শীতকালীন অধিবেশনে ১৩টি বিল পেশ করতে পারে কেন্দ্র। তার মধ্যে উল্লেখ্য হল ‘অ্যাটমিক এনার্জি বিল, ২০২৫’। এই বিলে দেশের পরমাণু শক্তি ক্ষেত্রও বেসরকারি বিনিয়োগের জন্য খুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পরমাণু শক্তি আইন, ১৯৬২ মেনে এত দিন পরমাণু শক্তি ক্ষেত্র পুরোপুরি সরকার দ্বারা নিয়ন্ত্রিত ছিল। সবটাই দেখত পরমাণু শক্তি দফতর (ডিএই)।

    কোন কোন বিল আসতে পারে

    দেশের উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিকে স্বশাসিত করতে ‘হায়ার এডুকেশন কমিশন অফ ইন্ডিয়া বিল, ২০২৫ পেশ করতে পারে কেন্দ্র। তালিকায় রয়েছে কর্পোরেট আইন (সংশোধনী) বিল, মণিপুর জিএসটি (দ্বিতীয় সংশোধনী) বিল। রবিবারের সর্বদল বৈঠকে ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, সংসদ বিষয়কমন্ত্রী কিরেন রিজিজু, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নড্ডা, সংসদ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অর্জুনরাম মেঘওয়াল। কেন্দ্রের তরফে অধিবেশন সুষ্ঠু ভাবে চালানোর জন্য বিরোধী দলগুলির সাহায্য চাওয়া হয়েছে। সংসদ বিষয়কমন্ত্রী রিজিজু বলেন, “সংসদের কাজ থমকে দেওয়া উচিত নয়। সরকার সভার কাজ সুষ্ঠু ভাবে চালাতে সব দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবে।”

     

     

     

     

     

     

  • Gita Jayanti 2025: ভগবদ গীতা হল মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল, এক ঐতিহাসিক আদর্শ মানবজীবন দর্শন

    Gita Jayanti 2025: ভগবদ গীতা হল মানব সভ্যতার জীবন্ত দলিল, এক ঐতিহাসিক আদর্শ মানবজীবন দর্শন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গীতা জয়ন্তীর (Gita Jayanti 2025) মূল উদ্দেশ্য হল ভগবদ গীতাকে (Bhagavad Gita) সম্মান জানানো। একটি পরিপূর্ণ এবং নৈতিক সুমার্জিত মানব জীবনের জন্য গীতার দর্শন ও আধ্যাত্মবোধের একান্ত ভাবে প্রয়োজনীয়। গীতায় মূলত ভগবান শ্রীকৃষ্ণ পরম মিত্র অর্জুনের উদ্দেশে বাণী দিয়েছেন। কুরুক্ষেত্রের ধর্ম যুদ্ধে অর্জুনের মনে তৈরি হওয়া দ্বিধাকে দূর করে, ফলের আশা না করে কর্মকেই প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেছেন। ফলে তাতে গভীরভাবে মানব জীবনের কর্তব্যবোধ, বিশ্বদর্শন এবং মানবতাবাদকে প্রতিফলিত হয়েছে। তবে এই গীতার তত্ত্ব এবং দর্শন (Human Life Philosophy) ভারতীয় জীবন পরম্পরা এবং মূল্যবোধকে গভীর অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করে।

    জীবনের সুখ কীভাবে পরিমাপ হবে?

    গীতায় (Gita Jayanti 2025) সুখের সাধনা কীভাবে করতে হয় এবং যথার্থ মানবজীবনের তৃপ্তি কীভাবে অর্জন করতে হয় এই তত্ত্বকথা রয়েছে। মানব জীবনের নানা অভিজ্ঞতা এবং অন্তর্ভাব থেকে উদ্ভূত হয়। আত্মসচেতনতা থেকে জীবনের উচ্চ পর্যায়ে উত্তরণ করে গীতার বাণী। পরিবর্তিত সময়ে জীবনকে নানা মাত্রায় প্রবাহিত করার মাধ্যমে এই সুখের সত্যতা অনুভব হয়। তাই ভগবদ গীতার ভগবৎ তত্ত্ব হল সম্পূর্ণ মানব জীবনের প্রকাশ মাত্র। তাই গীতা স্থান, পাত্র, কাল, বর্ণ, ধর্ম, জাতি নির্বিশেষে সকলের জন্য প্রযোজ্য।

    কেবল মাত্র ধর্মশাস্ত্র নয় গীতা

    গীতা কেবল মাত্র ধর্মশাস্ত্র নয়, এটি এমন একটি দার্শনিক গ্রন্থ যে সর্বজনীন ভাবে প্রযুক্ত। গীতা, রক্ত মাংসে গড়া মানব জীবনের নীতি কথা। কোনটা ভুল, কোনটা ঠিক, কোনটা সত্য কোনটা মিথ্যা এই সব বিষয়ে জানতে সাহায্য করে। মানুষের আবেগ, চ্যালেঞ্জ এবং নানা আকাঙ্খাগুলিকে পথ দেখায়। তাই একে কেবল মাত্র ধর্মীয় ভাবনায় ভাবলে হবে না। মানব জীবনের রাগ, লোভ, দ্বেষ, ক্ষোভ, প্রেম, তৃপ্তি এবং জ্ঞান বিষয়েও নৈতিকতার পাঠ দেয়। কাকে দমন করে কাকে সম্প্রসারণ করতে হবে সেই শিক্ষাও দেয় গীতা (Gita Jayanti 2025)। তাই শুধু মাত্র হিন্দুশাস্ত্র হিসেবে বিচার করলে গীতাকে একটি সামান্য সীমায় বেঁধে রাখা হবে। গীতার ব্যাপ্তি বিশ্বচরাচর।

    জগতের নানা প্রকার জীবের মধ্যে মানবজাতি তুলনায় অনেক বেশি জটিল জীব। মানুষের শরীর, মন, বুদ্ধি, চেতনা, অহংকার থাকে। সেই জন্য আর বাকি দশটা জীবের তুলনায় মানুষের চলন অন্যরকম। মানুষের অভিপ্রায়গুলি যদি ত্রুটি যুক্ত হয় তাহলে জীবনকে দুঃখ বা নেগেটিভ শক্তির দিকে নিয়ে যায়। তাই জীবনকে সঠিক ভাবে পরিচালনার জন্য গীতার দেখানো পথকে অবলম্বন করতে হবে। গীতা সবসময় রাগ, ক্রোধ, ভয়, বিস্ময়-সহ রিপুগুলিকে নিয়ন্ত্রণ এবং দমনের উপদেশ দেয়। গীতা (Bhagavad Gita) শান্ত, ধৈর্য, উদার, বিনয়ের কথা বলে। মানুষকে পূর্ণমানব তথা ঈশ্বরজ্ঞানের দর্শন করাতে চায়। প্রেম, করুণা, প্রজ্ঞা এবং ত্যাগ ভাব দিয়ে জীবনকে সিদ্ধান্ত নিতে শেখায় গীতা।

    সভ্যতার জীবন্ত দলিল গীতা

    গীতাকে (Gita Jayanti 2025) বলা হয়েছে, গীতা হল সভ্যতার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। গীতায় তোলা অর্জুনের প্রশ্ন এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের উপদেশ বিশ্বমানব সভ্যতার একটা দলিল। শুধুমাত্র মুখ নিঃসৃত বাণী নয়। সভ্যতার বিকাশে রাজরাজাদের গল্প, রাজত্ব-সাম্রাজ্য, যুদ্ধ, আধিপত্য, প্রজাদের প্রতি কর্তব্য, অধিকার, নীতি-নৈতিকতার পাঠ, দুর্বলকে কীভাবে সবল করতে হবে সেই দিকের ইঙ্গিত স্পষ্ট ভাবে রয়েছে। তাই গীতাকে কোনও সময়েই অপ্রাসঙ্গিক বলা যায় না। অন্যায়কে পরাজয় করতে শেষ শক্তি দিয়ে কীভাবে বিজয় প্রাপ্ত হতে হয় এই কথা কৌরব-পাণ্ডবের যুদ্ধে স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে।

    গীতা জয়ন্তীর উদ্দেশ্য

    গীতা জয়ন্তীর (Gita Jayanti 2025) মূল উদ্দেশ্য হল বিশ্ববাসীর সামনে গীতার মাহাত্মকে আরও বেশি করে প্রচার প্রসার করা। এখানে দেওয়া উপদেশগুলির সূক্ষ্ম বিচার বিবেচনা করে জীবনের প্রতি পদে পদে ব্যবহারিক প্রয়োগ করা। গীতার (Bhagavad Gita) জ্ঞানকে মন্থন করে ব্যক্তিগত জীবনে প্রতিফলন ঘটানোই একমাত্র উদ্দেশ্য। সুখ দুঃখের সঙ্গে ক্ষণস্থায়ী আনন্দকে চিরন্তন করতে কর্ম এবং ত্যাগের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে। মানবজীবনের উন্নত পথ প্রদর্শক। এটি হল ভারতের একটি জ্বলন্ত প্রদীপের শিখা। যার আলোতে বিশ্বকে আলোকিত করে যাচ্ছে। মানবজীবনে মূল উদ্দেশ্যকে প্রতিফলিত করছে।

  • Asia Power Index 2025: ‘আত্মনির্ভরতা’-তেই বাজিমাত! ‘এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সে’ তৃতীয় ভারত, কোথায় পাকিস্তান?

    Asia Power Index 2025: ‘আত্মনির্ভরতা’-তেই বাজিমাত! ‘এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্সে’ তৃতীয় ভারত, কোথায় পাকিস্তান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সামরিক শক্তির দৌড়ে বিশ্ব তালিকায় আরও একধাপ উঠে এল ভারত। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার লোই ইন্সটিটিউটের তরফে এবছরের ‘এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্স ২০২৫’ (Asia Power Index 2025) তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে, শক্তির তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে ভারত। এই তালিকায় বর্তমানে ভারতের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে শুধুমাত্র আমেরিকা এবং চিন। এর পাশাপাশি ‘মেজর পাওয়ার’ তালিকাভুক্ত হয়েছে ভারত। এই তালিকায় প্রথম দশের মধ্যেও জায়গা পায়নি পাকিস্তান। তালিকায় অনুযায়ী, প্রতিবেশী দেশের স্থান ১৬ নম্বরে।

    কীভাবে তৈরি হয় এই ইনডেক্স

    অস্ট্রেলিয়ার একটি বিখ্যাত থিঙ্ক ট্যাঙ্ক লোই ইনস্টিটিউট তাদের ২০২৫ সালের বার্ষিক এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্স প্রকাশ করেছে। আটটি বিষয়ের ১৩১টি সূচকের উপর নির্ভর করে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে তারা। আটটি বিষয়ের মধ্যে রয়েছে সামরিক ক্ষমতা, প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক, অর্থনৈতিক ক্ষমতা, সম্পর্ক, কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক প্রভাব। সাতাশটি দেশ এই তালিকায় রয়েছে। সেই তালিকায় প্রথমে রয়েছে আমেরিকা। লোই ইনস্টিটিউটের মতে, ১০০-র মধ্যে আমেরিকা পেয়েছে ৮১.৭। দ্বিতীয় স্থানে থাকা চিন পেয়েছে ৭৩.৭। আগের বারের চেয়ে চিনের পয়েন্ট বেড়েছে ১। আর এরপরই উঠে এসেছে ভারত। তৃতীয় স্থানে থাকা ভারত পেয়েছে ৪০। চতুর্থ স্থানে রয়েছে জাপান। আর পঞ্চম স্থানে রাশিয়া রয়েছে। ২০১৯ সালের পর রাশিয়ার অবস্থান উপরে উঠে এল। আর এই তালিকায় পাকিস্তান পেয়েছে মাত্র ১৪.৫ পয়েন্ট।

    মেজর পাওয়ার ভারত

    এশিয়ায় সামরিক শক্তির দিক দিয়ে কোন দেশ এগিয়ে প্রতিবছর তার তালিকা প্রকাশ করে ‘এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্স’। কোনও দেশের সামরিক ক্ষমতা, প্রতিরক্ষা নেটওয়ার্ক, অর্থনৈতিক শক্তি, কূটনৈতিক প্রভাব, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যৎ সম্পদের উপর ভিত্তি করে নম্বর দেওয়া হয়। এশিয়াতে নিজেদের সামরিক শক্তি বাড়িয়েছে বিশ্বের এমন দেশগুলিকেও ধরা হয় এই তালিকায়। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, এশিয়ার মধ্যে ভারত লাগাতার নিজের ক্রমবর্ধমান প্রভাব বাড়িয়ে চলেছে। ২০২৫ সালে এই নিরিখে ভারতের স্কোর হয়েছে ৪০.০০। যার ভিত্তিতে তালিকায় মেজর পাওয়ার হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। আগামী দিনে সেটাও ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি

    অর্থনীতি থেকে সামরিক শক্তি, ক্রমশ ‘আত্মনির্ভর’ হয়ে উঠছে ভারত। জঙ্গি হামলার জবাব দিতে শত্রু দেশের সীমানায় ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতেও দু-বার ভাবে না। আবার কোভিড কালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন পৌঁছে দিয়ে মানবিকতার নতুন নজির গড়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের বার্তার গুরুত্ব বেড়েছে। আর এই সবের ফলেই এশিয়ায় শক্তিশালী দেশের তালিকায় তৃতীয় স্থানে পৌঁছে গিয়েছে ভারত। করোনার মতো মহামারীর পর থেকে ভারতের অর্থনীতি দ্রুত উন্নত হয়েছে। এছাড়াও, বিশ্বব্যাপী ভারতের রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রযুক্তি এবং আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কগুলিতে ভারত উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছে। এর পাশাপাশি, সামরিক বাহিনীর সক্ষমতাও শক্তিশালী হয়েছে।

    ভারতের আধিপত্য

    কোভিড-১৯ মহামারীর পর থেকে ভারতের অর্থনীতির দ্রুত বৃদ্ধি হয়েছে। গত কয়েকমাস ধরে আমেরিকার সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে চাপানউতোর চলছে। আমেরিকায় ভারতীয় পণ্যে অতিরিক্ত শুল্ক চাপিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তার মোকাবিলা করতে দেশবাসীকে ভারতীয় পণ্য আরও বেশি করে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই মুহূর্তে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ভারত। খুব শীঘ্রই ভারত এক ধাপ উপরে উঠে আসবে বলে আশাবাদী বিশেষজ্ঞরা। সামরিক সরঞ্জামের ক্ষেত্রেও আত্মনির্ভর হয়ে উঠছে ভারত। এখন শুধু নিজের সেনাবাহিনীর জন্যই সামরিক সরঞ্জাম তৈরি করছে না, রফতানিও বাড়িয়েছে। বিশ্বের দরবারে ভারতের সামরিক সরঞ্জামের চাহিদা বাড়ছে। যেকোনও হামলার মোকাবিলা করতে ভারতীয় সেনাবাহিনীর শক্তি আরও বেড়েছে। শুধু তাই নয়, জঙ্গি হামলার মোকাবিলায় শত্রু দেশে ঢুকে জঙ্গি ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। কয়েকমাস আগে অপারেশন সিঁদুরে সেটা ফের করে দেখিয়েছে ভারতীয় সেনা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এশিয়ায় ক্রমশ আধিপত্য বিস্তার করছে ভারত।

    এক নম্বর, তবু পয়েন্ট কমেছে

    অন্যদিকে, এই তালিকায় এশিয়ার মধ্যে শীর্ষে উঠে এসেছে চিন। আমেরিকার পর সুপার পাওয়ার হিসেবে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে তারা। যদিও ২০১৮ সালে এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্স চালু হওয়ার পর এবারই সবচেয়ে নিচে এসেছে আমেরিকার স্কোর। বিশ্লেষকদের অনুমান, ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর তাঁর গৃহিত নীতিগুলির জেরেই নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। চিন লাগাতারভাবে আমেরিকার সঙ্গে নিজেদের স্কোরের ব্যবধান কমিয়ে আনছে। ২০১৯ সালের পর এশিয়ায় রাশিয়া তার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে। মস্কোর ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক উপস্থিতি মূলত চিন এবং উত্তর কোরিয়ার সাথে তার কৌশলগত প্রতিরক্ষা এবং অর্থনৈতিক অংশীদারিত্বের জন্য দায়ী। ২০২৪ সালে রাশিয়াকে পিছনে ফেলে অস্ট্রেলিয়া উপরে উঠে এলেও এবার রুশ ফের পঞ্চম স্থানে উঠে এসেছে। উল্লেখযোগ্য ভাবে এবার নিজেদের শক্তি বৃদ্ধি করেছে জাপানও। লোই ইনস্টিটিউটের একটি রিপোর্ট অনুসারে, ভারত ভবিষ্যতে একটি প্রধান এশীয় শক্তি হিসেবে তার অবস্থান আরও সুসংহত করতে পারে। এদিকে, এই তালিকায় প্রথম দশেও স্থান পায়নি। পাকিস্তান। ভারতের এই পড়শি দেশ রয়েছে ১৬ নম্বর স্থানে।

     

     

     

  • Cyclone Ditwah: শ্রীলঙ্কায় ধ্বংসলীলা চালিয়ে অন্ধ্রের দিকে এগোচ্ছে ‘দিটওয়া’, প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়িয়ে ‘অপারেশন সাগরবন্ধু’ ভারতের

    Cyclone Ditwah: শ্রীলঙ্কায় ধ্বংসলীলা চালিয়ে অন্ধ্রের দিকে এগোচ্ছে ‘দিটওয়া’, প্রতিবেশীর পাশে দাঁড়িয়ে ‘অপারেশন সাগরবন্ধু’ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় দিটওয়ার (Cyclone Ditwah) তাণ্ডবে লন্ডভন্ড শ্রীলঙ্কা। প্রবল বর্ষণ, ভূমিধসের কারণে ভয়াবহ পরিস্থিত দ্বীপরাষ্ট্রে। ইতিমধ্যেই ঘূর্ণিঝড় প্রাণ কেড়েছে ৬৯ জনের। নিখোঁজ অন্তত ৩৪। প্রতিবেশী দেশের সংকটে পাশে দাঁড়িয়ে ‘অপারেশন সাগর বন্ধু’ (Operation Sagarbandhu ) শুরু করেছে ভারত (India Sri Lanka) । এবার ঘূর্ণিঝড় ভারতের উপকূলের দিকে এগোচ্ছে। রবিবার ভোরে ঘূর্ণিঝড়টি তামিলনাড়ু–পুদুচেরি–দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশের কাছে আছড়ে পড়তে পারে। দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলিতে সতর্কতা জারি করে দিয়েছে মৌসম ভবন। ইতিমধ্যে শুরু হয়ে গিয়েছে ঝড়বৃষ্টিও। তামিলনাড়ুর কয়েকটি জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

    দিটওয়ায় বিধ্বস্ত শ্রীলঙ্কা

    গত সপ্তাহ থেকে প্রতিকূল পরিবেশের ধাক্কায় বিধ্বস্ত হতে শুরু করে প্রতিবেশী দেশটি। কিন্তু পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে বৃহস্পতিবার থেকে। একটানা ভারী বর্ষণে পথঘাট জলের তলায় চলে যায়। ঘরবাড়ি, খেত, রাস্তা সবই ডুবে যায়। সেই সঙ্গে ভূমিধসেও প্রভূত ক্ষতি হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগরের আকাশে ঘূর্ণিঝড় দিটওয়া পুঞ্জীভূত হতে শুরু করে। শুক্রবার শ্রীলঙ্কায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়। যার জেরে ব্যাপক ভূমিধস হয় গোটা দেশজুড়ে। গত ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব চেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় দেশের পূর্ব ও মধ্য অংশ। সাম্প্রতিককালে প্রকৃতির এমন ভয়াল রোষ দেখেনি সিংহলিরা।

    প্রতিবেশীর পাশে ভারত

    প্রতিবেশী রাষ্ট্রের দিকে ইতিমধ্যেই সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত। শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি শ্রীলঙ্কায় প্রাকৃতিক দুর্যোগে এত মানুষের মৃত্যুতে শোকজ্ঞাপন করে এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, “ঘূর্ণিঝড় দিটওয়ার প্রভাবে শ্রীলঙ্কায় যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সহমর্মিতা জানাই। দুর্যোগের জেরে আহত, ঘরছাড়া মানুষদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি। ‘অপারেশন সাগর বন্ধু’ অভিযানে নেমেছে ভারত। জলসীমার সব চেয়ে কাছে থাকা প্রতিবেশী রাষ্ট্রে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা পৌঁছে দিয়েছে ভারত। আমরা আরও ত্রাণ ও সহযোগিতা পাঠাতে প্রস্তুত। শ্রীলঙ্কার বিপদে ভারত সর্বক্ষণ পাশে আছে।” বিদেশমন্ত্রী এস জয় জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ত্রাণসামগ্রী নিয়ে আইএনএস বিক্রান্ত এবং আইএনএস উদয়গিরি শ্রীলঙ্কার উপকূলে পৌঁছে গিয়েছে। আগামী দিনে আরও ত্রাণসামগ্রী ভারতের তরফে পাঠানো হবে।

    বহুদিন পর এমন দুর্যোগ দ্বীপরাষ্ট্রে

    শ্রীলঙ্কার (India Sri Lanka) বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর জানিয়েছে, প্রায় ৪৩,৯৯১ জনকে উদ্ধার করে স্কুল-কলেজে এনে রাখা হয়েছে। এখনও বেড়ে চলেছে জলের স্তর। রাষ্ট্রপতি অনুরা কুমারা দিশানায়েকে প্রশাসনিক আধিকারিকদের তৎপরতার সঙ্গে উদ্ধার ও ত্রাণ কাজ চালানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ২০২৫ সালের বাজেটের অধীনে ১.২ বিলিয়ন টাকা তাৎক্ষণিক তহবিল প্রদান এবং ৩০ বিলিয়ন টাকা বরাদ্দ করেছেন। প্রশাসনিক বিলম্ব এড়াতে একটি নতুন সার্কুলার জারি করা হয়েছে। প্রতিরক্ষা সদর দফতরে একটি নির্দিষ্ট ইউনিট এবং দশটি জরুরি হটলাইন চালু করা হয়েছে। এদিকে, ভারী বৃষ্টিপাতের ফলে পরিবহন ব্যাহত হচ্ছে। রাজধানী কলম্বোর প্রধান রাস্তাগুলিও জলমগ্ন। সাউথ এক্সপ্রেসওয়ের কিছু অংশে চলাচল বন্ধ রয়েছে। দৃশ্যমানতা কম থাকার কারণে একাধিক উড়ান তিরুঅনন্তপুরম, কোচিন এবং মাত্তালায় ঘুরিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রকৃতির রোষে ইতিমধ্যেই বিধ্বস্ত ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ডের মতো দক্ষিণপূর্ব এশীয় দেশগুলি। মালয়েশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে প্রাণ হারিয়েছে অন্তত ৯৪ জন। থাইল্যান্ডের দক্ষিণাংশে হারিয়েছেন ১৪৫ জন।

    ভারতের দিকে দিটওয়া

    মৌসম ভবন জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝ়ড় দিটওয়া (Cyclone Ditwah) শ্রীলঙ্কার উপকূল ধরে উত্তর-উত্তর পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে। গত ছ’ঘণ্টায় তার গতি কিছুটা বেড়েছে। ঘণ্টায় আট কিলোমিটার বেগে ভারতের উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড়। দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে প্রবেশ করার পর ঘূর্ণিঝড়ের শক্তি আরও খানিকটা বাড়তে পারে। মৌসম ভবনের আধিকারিক মৃত্যুঞ্জয় মহাপাত্র জানিয়েছেন, শনিবার থেকে রবিবার ভোর পর্যন্ত তামিলনাড়ু ও পুদুচেরীর উপকূলে ঝড়ের গতি হতে পারে সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ার বেগ পৌঁছে যেতে পারে ৯০ কিলোমিটারেও। এর ফলে প্রবল বৃষ্টি হবে দক্ষিণ ভারতের উপকূলে। নিচু এলাকায় প্লাবনের আশঙ্কাও রয়েছে। ইতিমধ্যে তামিলনাড়ু, পুদুচেরী এবং অন্ধ্রপ্রদেশে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ করা হয়েছে। স্কুল-কলেজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। মোতায়েন রয়েছে রাজ্য ও জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। ১ ডিসেম্বর থেকে ঝ়ড়বৃষ্টি কিছুটা কমবে।

    বাংলায় দিটওয়ার প্রভাব

    দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের ঘূর্ণিঝড়ের (Bay of Bengal) কোনও প্রভাব সরাসরি পশ্চিমবঙ্গের উপর পড়ছে না। তবে তাপমাত্রা বেশ খানিকটা বেড়েছে। কিছু দিন আগে কলকাতার তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। শনিবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.২ ডিগ্রি কম। শুক্রবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৮.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়ে ০.৫ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী চার দিন উত্তর বা দক্ষিণবঙ্গের তাপমাত্রায় খুব একটা হেরফের হবে না। সর্বত্র শুকনো আবহাওয়া থাকবে। ঘূর্ণিঝড়ের রেশ কাটলে আবার দুই থেকে তিন ডিগ্রি নামতে পারে পারদ।

  • Suvendu Adhikari: ডাক পেয়েও নবান্নে লোকায়ুক্তের বৈঠকে যোগ দেবেন না শুভেন্দু, কারণটাও জানালেন বিরোধী দলনেতা

    Suvendu Adhikari: ডাক পেয়েও নবান্নে লোকায়ুক্তের বৈঠকে যোগ দেবেন না শুভেন্দু, কারণটাও জানালেন বিরোধী দলনেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন লোকায়ুক্ত চূড়ান্ত করার বৈঠকে, উপস্থিত থাকবেন না বিরোধী দলনেতা। ডাক পেলেও নবান্নে যাবেন না বলে জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। লোকায়ুক্তের পরবর্তী বৈঠক (Lokayukta Meeting) হবে আগামী সোমবার, ১ ডিসেম্বর৷ নবান্নে ওই বৈঠক হতে চলেছে৷ সেখানে উপস্থিত থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ নিয়ম অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়েরও থাকার কথা ওই বৈঠকে৷ নিয়ম মেনেই বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীকে ওই বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য আমন্ত্রণ করা হয়েছে৷

    কেন যাবেন না শুভেন্দু

    শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘প্রথমত মুখ্যমন্ত্রী লোকায়ুক্তের রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করেননি। মুখ্যমন্ত্রীর মন্ত্রিসভার সদস্য পার্থ চট্টোপাধ্যায় এবং জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক-সহ একাধিক নির্বাচিত বিধায়কদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলায় চার্জশিট জমা করা হয়েছে। চার্জশিট হওয়া নির্বাচিত সদস্যের বিরুদ্ধে বিধানসভায় রিপোর্ট দিতে হয়। সেই রিপোর্ট উনি কোনও দিন দেননি। এখানে কোনও রিপোর্ট কোনওদিন পেশ করা হয় না। সবটাই আসলে লোক দেখানো। এরকম লোক দেখানো কোন বৈঠকে আমি যাব না।’’ লোকায়ুক্তের পরবর্তী কমিশনার কে হবেন, সেই ইঙ্গিতও দেন শুভেন্দু অধিকারী৷ বিরোধী দলনেতা বলেন, ‘‘মনোজ পন্থ যদি এক্সটেনশন না-পান, দেখা যাবে হয়তো তাঁকেই লোকায়ুক্তের কমিশনার করে দেওয়া হবে। সংবিধানকে যিনি মানেন না, সেই মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠকে বিরোধী দলনেতা যান না।’’

    মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কোন মিটিং নয়

    ২০১৮ সালে লোকায়ুক্ত নিযুক্ত করার বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন না শুভেন্দু অধিকারী। পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান লোকায়ুক্ত হলেন হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি অসীমকুমার রায়। তিনি প্রথমবার নিযুক্ত হন নভেম্বর ২০১৮-তে। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘আমাকে স্বরাষ্ট্র সচিব চিঠি পাঠিয়েছেন। কিন্তু আমি যাব না। যেভাবে আমার দলের সাংসদকে মারা হয়েছে তারপর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কোন মিটিংয়ে যাওয়ার আর প্রশ্নই ওঠে না।’’ উত্তরবঙ্গে মালদা উত্তরের সাংসদ বিজেপির খগেন মুর্মুর উপর হামলার ঘটনাও টেনে আনেন শুভেন্দু অধিকারী৷ তিনি বলেন, ‘‘সম্প্রতি খগেন মুর্মুর রক্ত দেখার পরে কোনও সুস্থ চেতনা সম্পন্ন মানুষ এই অত্যাচারী মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলতে পারেন না।’’

    বিজেপি কীভাবে কাজ করবে

    তৃণমূল কংগ্রেস এখন সর্বভারতীয় সরিয়ে পশ্চিমবঙ্গ তৃণমূল কংগ্রেস লিখছে বলে জানা গিয়েছে। এই বিষয়ে এদিন শুভেন্দু অধিকারী জানান যে গোয়া-নাগাল্যান্ড-মেঘালয় আর ত্রিপুরার নির্বাচনের পর তৃণমূল কংগ্রেসের যে সর্বভারতীয় তকমাটা ছিল, সেটা তারা হারিয়েছে। কারণ, জাতীয় পার্টি হওয়ার জন্য যত সংখ্যক ভোটের প্রয়োজন, সেটা তারা পায়নি বলেই তারা সেই তকমা হারিয়েছে। এটা নির্বাচন কমিশনের নিয়ম। তিনি আরও বলেন, ‘‘আর তিন চার মাস পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন না, তখন বিজেপি ক্ষমতায় আসবে এবং তখন প্রতি বছর এই রিপোর্ট বিধানসভায় পেশ করা হবে। লোকায়যুক্তকে মামলা করার জন্য সরকার সম্মতি জানাবে।’’

  • SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    SIR in Bengal: এখনও প্রায় ২৮ লক্ষের মতো ফর্ম আন কালেক্টড! স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ, কী জানাল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী সপ্তাহেই এনুমারেশন ফর্ম (SIR in Bengal) জমা দেওয়ার শেষ দিন। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার পর্যন্ত ২৭ লক্ষ ৭১ হাজার ফর্ম আন কালেকটেড। এর মধ্যে মৃত ১৫ লক্ষ ৫৩ হাজার মৃত। খুঁজে পাওয়া যায়নি ২ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটারকে। স্থানান্তরিত হয়েছেন ৮ লক্ষ ৮৮ হাজার। ডুপ্লিকেট বা ডবল এন্ট্রি রয়েছে ৫৮ হাজার ১৬৪ ভোটারের নাম। তাঁদের নাম খসড়ায় আসবে না। তাঁদের আলাদা তালিকা বের করবে কমিশন। শুক্রবার পর্যন্ত ডিজিটাইজড হয়েছে ৬ কোটি ৭৩ লক্ষ। আগামী ৯ ডিসেম্বর খসড়া তালিকার পর এটা প্রকাশিত হবে। একই সঙ্গে রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ করতে রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে কমিশন।

    আলাদা আলাদা করে প্রকাশিত হবে তালিকা

    কমিশনের (Election Commission) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁরা ফর্ম জমা দিয়েছেন, সবার নামই থাকবে খসড়া তালিকায়। কমিশনের ওয়েবসাইট ও সংশ্লিষ্ট বুথে তালিকা বেরোবে। মৃত বা অন্য কারণে বাদ পড়াদের তালিকা আলাদাভাবে প্রকাশ করা হবে। মৃত ভোটারদের জন্য আলাদা তালিকা প্রকাশ করবে কমিশন। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম ছিল, কিন্তু বাড়ি গিয়ে ফর্ম দিতে গিয়ে যখন বিএলও-রা দেখতে পাবেন, সেই ব্যক্তি মৃত, সেটা মার্ক করে ডিলিট করা যাবে। ২০২৫-এর তালিকায় নাম রয়েছে, অথচ নির্দিষ্ট ঠিকানায় বাড়ি গিয়ে তাঁকে খুঁজে পাওয়া গেল না, তাঁদের নাম বাদ যাবে। যাঁদের ‘ডবল এন্ট্রি’ রয়েছে, অর্থাৎ একই কেন্দ্রে বা আলাদা কেন্দ্রে নাম রয়েছে ভোটারের, সেই নাম বাদ যাবে।

    বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র

    একই সঙ্গে কমিশন (Election Commission) সূত্রে খবর, আরও বেশি সংখ্যক ভোট গ্রহণ কেন্দ্র তৈরির ক্ষেত্রে নতুন ভাবনা-চিন্তা শুরু করা হয়েছে। বহুতলেও হতে পারে কেন্দ্র। ভোটের পার্সেন্টেজ বাড়ানোর জন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গোটা দেশের মতো পশ্চিমবঙ্গেও বস্তি এলাকা, উঁচু বহুতল আসান, আর গেটেড কমপ্লেক্সে নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। আর পুরো কাজ করতে হবে কমিশনের নির্দেশ মেনেই। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে ইতিমধ্যেই সেই চিঠি এসেছে। সেই চিঠিতেই কমিশন জানিয়েছে, বিশেষ নিবিড় সংশোধনের মধ্যে ভোটার সংখ্যা বৃদ্ধি হলে সেই অনুযায়ী করতে হবে পদক্ষেপ। বাস্তবতা মাথা রেখেই বহুতল আবাসন, বস্তি, নতুন টাউনশিপের জন্য নতুন ভোটকেন্দ্র তৈরি করতে হবে। বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০ হাজারের সামান্য বেশি। এবার প্রায় আরও ১৪ হাজার বুথ বাড়তে চলেছে বলে খবর। সেই ক্ষেত্রের রাজ্যের ২৯৪টি বিধানসভা আসনে বুথের সংখ্যা হতে পারে ৯৪ হাজারের বেশি।

    রোল অবজার্ভার নিয়োগ

    রাজ্যে এসআইআর প্রক্রিয়া (SIR in Bengal) আরও স্বচ্ছ ও ত্রুটিমুক্ত করতে কমিশন পশ্চিমবঙ্গের জন্য একজন স্পেশাল রোল অবজার্ভার নিয়োগ করেছে। ১৯৯০ ব্যাচের রাজ্য ক্যাডারের আইএএস সুব্রত গুপ্তকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্দেশও জারি হয়েছে। এবার রাজ্যের প্রতিটি জেলায় আলাদা করে নির্বাচনী রোল অবজার্ভারও নিয়োগ করেছে কমিশন। ১২টি বড় জেলার জন্য ১২ জন অভিজ্ঞ আইএএস অফিসারকে রোল অবজার্ভার পদে নিযুক্ত করা হচ্ছে। তাদের কাজ হবে-জেলা স্তরে ডিইও অর্থাৎ জেলা শাসক এবং ইআরও-দের কাজ পর্যালোচনা করা। কোথাও ভুল হলে ধরিয়ে দেওয়া এবং এসআইআরের প্রতিটি ধাপ যেন কমিশনের নির্দেশ মতো হয়, তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি কোনও রাজনৈতিক দলকে সিইওর সঙ্গে দেখা করতে হলে আগাম সময় চেয়ে নিতে হবে বলে বিজ্ঞপ্তিও জারি হয়।

     

     

     

     

     

  • India Defence: জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে ৩০০টি এস-৪০০ মিসাইল কিনছে ভারত, অনুমোদন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    India Defence: জরুরি ভিত্তিতে রাশিয়া থেকে ৩০০টি এস-৪০০ মিসাইল কিনছে ভারত, অনুমোদন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের আকাশসীমা প্রতিরক্ষাকে আরও মজবুত করতে রাশিয়া থেকে আরও ৩০০টি এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র কেনার প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, খুব শিগগিরই রাষ্ট্রায়ত্ত রুশ সংস্থা রসোবোনএক্সপোর্ট-কে এই মিসাইল কেনার জন্য রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল পাঠাতে চলেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। পাশাপাশি, পুতিনের আসন্ন ভারত সফরের সময় আরও ৫টি অতিরিক্তি এস-৪০০ সিস্টেম কেনার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে।

    মিসাইলের স্টক পূর্ণ করতে পদক্ষেপ

    ‘অপারেশন সিঁদুর’-এর সময় পাক গোলার মোকাবিলায় ভারতে দাপট দেখিয়েছিল রাশিয়ার তৈরি এস-৪০০ ‘সুদর্শন চক্র’। এস-৪০০ সিস্টেম পাকিস্তানের জে-১০ সহ অন্যান্য বিমান ধ্বংস করেছিল। পাক সেনার ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে বহু ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে হয়েছিল। পাকিস্তানের যুদ্ধবিমান, আর্লি ওয়ার্নিং প্ল্যাটফর্ম, নজরদারি বিমান ও সশস্ত্র ড্রোন নামাতে এই সিস্টেম ব্যাপকভাবে কাজে লাগে। সেই জায়গা ফের ভরাট করতে নতুন অস্ত্রসম্ভার মজুত করতে হবে। হাতে থাকা এস-৪০০ সিস্টেমগুলির কার্যকারিতা যাতে ১০০ শতাংশ থাকে, তার জন্যই এখন অতিরিক্ত ৩০০ মিসাইল কেনা প্রয়োজন ভারতের। এই এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের ক্ষেপণাস্ত্রের স্টক পুনরায় পরিপূর্ণ করতেই এই পদক্ষেপ।

    রিপোর্ট বলছে, ১০ হাজার কোটি মূল্যেরও বেশি খরচের এই অধিগ্রহণ পর্ব আপাতত দ্রুততার সঙ্গে এগোচ্ছে। সূত্রের খবর, ‘ফাস্ট ট্র্যাক’ প্রক্রিয়ায় কেনাকাটা এগোচ্ছে এবং চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই খরচ আলোচনাকারী কমিটি (CNC) এবং মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা বিষয়ক কমিটি (CCS)-র ছাড়পত্র পেলেই অনুমোদন মিলবে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল (DAC) ইতিমধ্যেই এই কেনাকাটায় সিলমোহর দিয়েছে এবং ‘অ্যাকসেপটেন্স অফ নিড’ও অনুমোদিত হয়েছে।

    আরও পাঁচটি এস-৪০০ ইউনিট কেনার ভাবনা

    এদিকে, দেশের আকাশসীমা শত্রু দেশের রকেট, মিসাইল ও বিমান থেকে রক্ষা করতে রাশিয়া থেকে আরও পাঁচটি এস-৪০০ সিস্টেম কেনার কথাও বিবেচনায় রয়েছে। একই সঙ্গে সশস্ত্র ও ‘কামিকাজে’ ড্রোন মোকাবিলায় রুশ ‘পান্টসির’ মিসাইল সিস্টেম কেনার দিকেও নজর রয়েছে ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর। সীমান্তের ওপার থেকে নিক্ষেপ করা স্বল্প এবং মাঝারি পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রকে এস-৪০০ এবং পান্টসির একটি দ্বৈত-স্তর প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে মজবুত করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, পঞ্চম প্রজন্মের সুখোই-৫৭ যুদ্ধবিমানের একটি প্রস্তাব ভারতের কাছে রেখেছে রাশিয়া। এর প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করেও একটি বাণিজ্যিক প্রস্তাব দিল্লির কাছে রেখেছে মস্কো। তবে তা নিয়ে সেভাবে এখনও অবস্থান জানায়নি ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার।

LinkedIn
Share