Tag: Bangla khabor

Bangla khabor

  • Larsen & Toubro: বাংলায় ৪,৫০০ কোটির বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা এলঅ্যান্ডটির, আসছে ডেটা সেন্টার, সফটওয়্যার পার্কে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    Larsen & Toubro: বাংলায় ৪,৫০০ কোটির বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা এলঅ্যান্ডটির, আসছে ডেটা সেন্টার, সফটওয়্যার পার্কে ২৫ হাজার কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে আগামী কয়েক বছরে ৪,৫০০ কোটিরও বেশি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ইঞ্জিনিয়ারিং ও পরিকাঠামো সংস্থা লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো (এলঅ্যান্ডটি)। সংস্থার (Larsen Toubro) চেয়ারম্যান তথা ম্যানেজিং ডিরেক্টর এসএন সুব্রহ্মণ্যম জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে (West Bengal Data Centres) বৈঠক করে একাধিক বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করতে পারেন বলে জানিয়েছেন এলঅ্যান্ডটির চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা তথা প্রাক্তন বোর্ড সদস্য দীপ কিশোর সেন। কলকাতায় বেঙ্গল চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) এক অনুষ্ঠানে এই খবর জানান তিনি।

    এলঅ্যান্ডটির লগ্নির পরিকল্পনা (Larsen Toubro)

    সেন বলেন, “আগে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে এ নিয়ে কথা হয়েছে। তবে চলতি মাসের তৃতীয় সপ্তাহে আনুষ্ঠানিক বৈঠক হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই বৈঠকে একাধিক বিনিয়োগ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে।” বর্তমানে নিউ টাউনের সিলিকন ভ্যালিতে এলটিআই মাইন্ডট্রির সফটওয়্যার পার্কের প্রথম পর্যায়ের কাজ শেষের পথে। পর্যায়ক্রমে আরও দু’টি ধাপে কাজ হবে। পুরো প্রকল্পে মোট প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা লগ্নি করা হবে, কর্মসংস্থান হবে হাজার পঁচিশেক মানুষের। সেন বলেন, “প্রকল্পে মোট বিনিয়োগ হবে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা। এর মাধ্যমে প্রায় ২৫ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান হবে। প্রথম পর্যায়ের কাজ প্রায় শেষ। খুব শীঘ্রই এর উদ্বোধন হওয়ার কথা।” কলকাতায় একটি টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার গড়ে তোলার পরিকল্পনাও করেছে এলঅ্যান্ডটি। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে ৫ থেকে ১০ একর জমি চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাবিত ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ডেটা সেন্টারে প্রায় ২,৫০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের সম্ভাবনা রয়েছে। সেন বলেন, “আমরা ৩০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি টিয়ার-৩ ডেটা সেন্টার গড়ে তুলতে আগ্রহী। এই প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের কাছে ৫ থেকে ১০ একর জমি চেয়েছি।”

    বিনিয়োগ করবে এরাও…

    তিনি আরও জানান, অতীতে এলঅ্যান্ডটি পশ্চিমবঙ্গে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টার এবং এজেসি বোস রোড ফ্লাইওভারের মতো একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এবার রাজ্যে নিজেদের উপস্থিতি আরও শক্তিশালী করতে চায় সংস্থাটি (Larsen Toubro)। অন্যদিকে, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সিইও নবনীত নারায়ণ জানান, সংস্থার ৬,০০০ কোটি টাকার ফেনল-অ্যাসিটোন প্রকল্পের কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। দুর্গাপুজোর আগেই এই প্রকল্প চালু করার কথা (West Bengal Data Centres)। তিনি বলেন, “রাজ্যে বর্তমান পরিবেশ আমাদের আরও বিনিয়োগে উৎসাহিত করেছে। আমরা পুজোর আগেই প্রকল্পটি চালু করে দেশ তথা বাংলাকে উৎসর্গ করতে চাই।” এদিকে, রাজ্যের নয়া শিল্পনীতি ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছে বার্জার পেইন্টস। সংস্থার ম্যানেজিং ডিরেক্টর তথা সিইও অভিজিৎ রায় জানান, পানাগড়ে তাঁদের গ্রিনফিল্ড প্রকল্পে বিনিয়োগের পরিমাণ পূর্বঘোষিত ৩৫০-৪০০ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কোটিরও বেশি করা হতে পারে। তিনি বলেন, “রাজ্য সরকারের শিল্পনীতি ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছি। এটি ঘোষণা হলেই আমরা বিনিয়োগের পরিমাণ আরও বাড়াতে চাই।” পিয়ারলেস গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর জয়ন্ত রায় জানান, স্বাস্থ্য পরিষেবা ও রিয়েল এস্টেট খাতে পশ্চিমবঙ্গে মোট ১,০০০ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে (Larsen Toubro)। এর মধ্যে রয়েছে পিয়ারলেস হাসপাতালে নতুন অনকোলজি সেন্টার, বারাসাত হাসপাতালের সম্প্রসারণ এবং নিউ টাউনে রিয়েল এস্টেট প্রকল্প (West Bengal Data Centres)।

     

  • ED: আরজি করকাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্য সরকারি অনুমোদন পেল ইডি

    ED: আরজি করকাণ্ডে অভিযুক্ত সন্দীপের বিরুদ্ধে পদক্ষেপের জন্য সরকারি অনুমোদন পেল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের (RG Kar Case) আর্থিক দুর্নীতির মামলায় প্রাক্তন অধ্যক্ষ সন্দীপ ঘোষের বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথে বড় অগ্রগতি হল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর শেষমেশ তাঁর বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের জন্য প্রয়োজনীয় সরকারি অনুমোদন পেল ইডি (ED)। বুধবার কলকাতার নগর দায়রা আদালতে তারা জানায়, রাজ্য সরকারের তরফে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আদালত সূত্রে খবর, মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ৭ জুলাই।

    মিলল সরকারের অনুমোদন 

    এর আগে ইডি এই মামলায় সন্দীপকে গ্রেফতার করেছিল। প্রথম চার্জশিটে তাঁকে অভিযুক্ত হিসেবেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে তিনি সরকারি দায়িত্বে থাকায় তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠনের জন্য সংশ্লিষ্ট সরকারের অনুমোদন বাধ্যতামূলক ছিল। সেই কারণে এত দিন বিচারপ্রক্রিয়া এগোতে পারেনি। স্বাস্থ্য দফতরের অনুমোদন হাতে আসায় এবার মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পথ হল চওড়া।তদন্তকারী সংস্থার জমা দেওয়া চার্জশিটে সন্দীপ ছাড়াও দুই ব্যবসায়ী বিপ্লব সিংহ এবং সুমন হাজরার নাম রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। অভিযোগ, এই দুই ব্যবসায়ী হাসপাতালে চিকিৎসা সরঞ্জাম সরবরাহের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। আরজি কর হাসপাতালের আর্থিক দুর্নীতি সংক্রান্ত মামলায় এটিই ইডির (ED) প্রথম চার্জশিট। এর আগে এই একই মামলায় চার্জশিট জমা দিয়েছিল সিবিআই-ও।

    প্রচুর অর্থ আত্মসাৎ!

    ইডির অভিযোগ, হাসপাতালের অ্যাকাউন্ট থেকে ঠিকাদারদের কাছে পাঠানো বিপুল অঙ্কের অর্থ পরিকল্পিতভাবে অন্যত্র সরিয়ে আত্মসাৎ করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, ঠিকাদারদের সঙ্গে যোগসাজশ করে তাঁদের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নামে চেক ইস্যু করা হয়েছিল। সেই অর্থ নগদে তোলা বা বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার মাধ্যমে স্থানান্তর করে পরে তুলে নেওয়া হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারী সংস্থার। ইডির বক্তব্য, এই পুরো প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আর্থিক লেনদেনের প্রকৃত উৎস এবং সেই অর্থ কোথায় গিয়েছে, তা আড়াল করার চেষ্টাও করা হয়েছিল। এই আর্থিক দুর্নীতির ঘটনায় সন্দীপের বড় ভূমিকা রয়েছে (RG Kar Case) বলে দাবি ইডির। সরকারি অনুমোদন মেলায় এবার তাঁর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া আরও (ED) দ্রুত গতিতে এগোবে বলেই ধারণা সংশ্লিষ্টমহলের।

     

  • Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    Mohan Bhagwat: অগাস্টের শেষে প্রথমবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি বছরের অগাস্টের শেষের দিকে প্রথমবারের মতো কানাডা (Canada) সফরে যেতে পারেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। যাঁরা তাঁর সফরের আয়োজন করছেন, তাঁদের একটি সূত্রের খবর ৩১ অগাস্ট এবং ১ সেপ্টেম্বর তাঁর কানাডা সফরের সম্ভাব্য সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে। সফরের চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে। এই সফরে তিনি শুধুমাত্র টরেন্টো সফর করবেন। কানাডা সফরের আগে ভাগবত পাঁচ দিনের জন্য আমেরিকা সফরে যাবেন। সফরের শেষ দিনে নিউ ইয়র্ক সিটিতে একটি জনসভায় অংশ নেবেন তিনি। তার পরেই ভাগবত রওনা দেবেন টরন্টোর উদ্দেশে।

    আরএসএস কর্তার সফরসূচি (Mohan Bhagwat)

    টরন্টোয় প্রবাসী ভারতীয়দের একটি বড় সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন আরএসএস কর্তা। পাশাপাশি একাধিক বৈঠকেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। যদিও সফরের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও করা হয়নি, তাই আয়োজকদের তরফে কেউই প্রকাশ্যে পরিচয় দিতে চাননি। কানাডা সফর শেষে ভাগবত যাবেন ব্রিটেন সফরে। আয়োজকদের দাবি, আরএসএসের আন্তর্জাতিক জনসংযোগ ও ভাবমূর্তি তুলে ধরার লক্ষ্যেই ভাগবতের এই সফরের আয়োজন করা হচ্ছে। তাঁদের বক্তব্য, পশ্চিমি দেশগুলিতে, বিশেষ করে কানাডায়, আরএসএস সম্পর্কে যে ধারণা প্রচলিত রয়েছে, তা সংশোধন করাই আরএসএস কর্তার এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য। তাঁর সফরে বিক্ষোভ দেখাতে পারে খালিস্তানপন্থী বিভিন্ন গোষ্ঠী। সেই সম্ভাব্য বিক্ষোভের আশঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হচ্ছে (Mohan Bhagwat) বলেও জানিয়েছেন আয়োজকরা।

    ভারত-কানাডা সম্পর্ক

    উল্লেখ্য, এটি ভাগবতের প্রথম কানাডা সফর। এর আগে ২০০৫ সালে তৎকালীন আরএসএস প্রধান কেএস সুদর্শন কানাডা সফরে গিয়েছিলেন। তারপর কেটে গিয়েছে দু’দশকেরও বেশি সময়। এবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন বর্তমান আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত।আয়োজকদের একাংশের দাবি, কানাডার প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর (Justin Trudeau) আমলে অবনতি ঘটেছিল ভারত-কানাডা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে। তাই আরএসএস কর্তার কানাডা সফরের উপযুক্ত পরিবেশ ছিল না। চলতি বছরের মার্চ মাসে ট্রুডোর স্থলাভিষিক্ত হন মার্ক কার্নি। তার (Canada) পরেই উন্নতি হয় ভারত-কানাডা সম্পর্কের। তাই এবার ভাগবতের সফর (Mohan Bhagwat) বাস্তবায়িত হতে চলেছে বলে তাঁদের ধারণা।

     

  • Annapurna Yojana: চালু হয়ে গেল অন্নপূর্ণা যোজনা, ৩০০০ টাকা করে পড়ল মহিলাদের অ্যাকাউন্টে, কতজন পেলেন?

    Annapurna Yojana: চালু হয়ে গেল অন্নপূর্ণা যোজনা, ৩০০০ টাকা করে পড়ল মহিলাদের অ্যাকাউন্টে, কতজন পেলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ জুলাই থেকে রাজ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়ে গেল অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) আর্থিক সহায়তা দেওয়া। কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) এবং নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী মালতি রাভা রায়। অনুষ্ঠানে হাওড়া, হুগলি, উত্তর ২৪ পরগণা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং কলকাতার উপভোক্তারাও যোগ দেন। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ইতিমধ্যেই প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ মহিলা আবেদন করেছেন। আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর প্রাথমিকভাবে প্রায় ১ কোটি ৩০ লাখ আবেদন অনুমোদন করা হয়েছে। এর মধ্যে ১ কোটি ৯ লাখ ৫২ হাজার ৩৭৮ জনের আধার সংযুক্ত থাকায় তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান থেকেই সরাসরি অর্থ পাঠানো হয়।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Annapurna Yojana)

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘‘না জাগিলে ললনা, এ বিশ্ব জাগে না। প্রধানমন্ত্রী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সরকার গঠিত হলে অন্নপূর্ণা যোজনা চালু করা হবে। আজ সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে আমরা বড় পদক্ষেপ করলাম। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।’’ আবেদন যাচাইয়ের প্রসঙ্গে তিনি জানান, ‘‘প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ আবেদনপত্র জমা পড়েছিল। প্রতিটি আবেদনপত্র নিয়ম মেনে খতিয়ে দেখা হয়েছে, যাতে অযোগ্য কেউ সরকারি সুবিধা না পান (Annapurna Yojana)। সরকারি অর্থ শুধুমাত্র প্রকৃত প্রাপকদের কাছেই পৌঁছানো হবে। এটি কারও ব্যক্তিগত অর্থ নয়। আমরা সব মহিলা বিধায়ককে ডেকেছি, কোনও রাজনৈতিক বিভাজন করিনি। ভোটার তালিকায় যাঁদের নাম নেই, তাঁদের আবেদন বাতিল করা হয়েছে, কারণ সরকারি সুবিধা শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকরাই পাবেন।’’ মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘‘আমাদের সরকার মাত্র দেড় মাসের পুরানো। এই সময়ের মধ্যেই ১ কোটি ৬০ লাখ আবেদন পত্রের মধ্যে প্রায় ২৬ লাখ বাতিল করা হয়েছে। বাকি সমস্ত যোগ্য উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো হচ্ছে। কোনও প্রকৃত উপভোক্তাকে বঞ্চিত করা হবে না। এটি তাঁদের অধিকার।’’

    পূর্ববর্তী সরকারের একাধিক অনিয়ম

    তিনি দাবি করেন, পূর্ববর্তী সরকারের বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পে একাধিক অনিয়ম ধরা পড়েছে। তাঁর কথায়, ‘‘আগের প্রকল্পগুলিতে মৃত ব্যক্তি, একাধিক জায়গায় নাম থাকা ব্যক্তি, এমনকি ভারতীয় নন, এমন অনেকের নামও ছিল। সেগুলি চিহ্নিত করে বাদ দেওয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশ থেকে আসা শরণার্থীদের মধ্যে যাঁরা সিএএর জন্য আবেদন করেছেন, তাঁদের সামাজিক ভাতা চালু থাকবে।’’ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘‘৩ জুন আমরা ঘোষণা করেছিলাম যে টাকা দেওয়া শুরু হবে। জুলাই ও অগাস্ট মাসেও আবেদন করার সুযোগ থাকবে। সরকারি সুবিধা শুধুমাত্র যোগ্যদেরই দেওয়া হবে। আগামী দিনে সরকারি বাসে মহিলাদের জন্য গোলাপি কার্ড চালু করা হবে। অনেক মহিলা কর্মী নিজে টিকিট কেটে যাতায়াত করতে চান, তাঁদের আমি (Suvendu Adhikari) সম্মান জানাই। এই পরিষেবার জন্য সরকারকে বছরে অতিরিক্ত প্রায় ৩০০ কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হবে (Annapurna Yojana)।’’

     

  • BJP: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ বলে দেগে দিলেন বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীন

    BJP: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ বলে দেগে দিলেন বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ককরোচ জনতা পার্টি’কে (Cockroach Janta Party) ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ বলে দেগে দিলেন বিজেপির (BJP) জাতীয় সভাপতি নিতিন নবীন। ২৯ জুন, সোমবার তেলঙ্গনার ওয়ারাঙ্গলে এক জনসভায় এই অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর মতে, এই ধরনের সংগঠন দেশকে দুর্বল ও বিভক্ত করার চেষ্টা করছে। তিনি জানান, এই ধরনের ‘ভাইরাস ও ককরোচসদৃশ’ শক্তির বিরুদ্ধে বিজেপি কঠোর পদক্ষেপ করবে।

    নিতিন নবীনের সাফ কথা (BJP)

    ওয়ারাঙ্গলের জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিতিন নবীন বলেন, “দেশে ভাইরাস এবং ককরোচের মতো কিছু দল ও গোষ্ঠীর উদ্ভব হচ্ছে। এরা দেশের ভিত ফাঁপা করে দিতে চায়। এই ভাইরাস ও ককরোচসদৃশ মানুষদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। এরা ‘টুকরে টুকরে গ্যাং’য়ের অংশ, যারা দেশকে ভাগ করতে চায়। বিজেপি এদের উপযুক্ত জবাব দেবে, এবং দলের প্রতিটি কর্মী তা নিশ্চিত করবে।” উল্লেখ্য, ককরোচ জনতা পার্টি (CJP) নামে এই ব্যঙ্গাত্মক প্রচারাভিযানের সূচনা করেন অভিজিৎ দিপকে। চলতি বছরের শুরুতে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এটি প্রথমে অনলাইন ব্যঙ্গ প্রচার হিসেবে শুরু হলেও, পরে তা বিভিন্ন ইস্যুকে সামনে রেখে ফিল্ড পর্যায়ের কর্মসূচির রূপ নেয়। সম্প্রতি নিট ইউজি (NEET UG)-র প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে সংগঠনটি সক্রিয় হয়ে ওঠে। দিল্লির যন্তর মন্তরে আয়োজিত একাধিক বিক্ষোভ সমাবেশে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিও জানানো হয়।

    আড়ালে চলছে রাজনৈতিক প্রচার!

    এদিকে, সমালোচকদের অভিযোগ, শিক্ষার্থীদের স্বার্থের প্রশ্নকে ঢাল করে এই আন্দোলনের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রচার চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহে যন্তর মন্তরের এক বিক্ষোভে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (JNUSU) যুগ্ম সম্পাদক দানিশ আলি বক্তব্য রাখতে গিয়ে হিন্দু-বিরোধী মন্তব্য করেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেখানে ‘আজাদি’ স্লোগানও দেওয়া হয়। এটি পরীক্ষা-সংক্রান্ত দাবির (BJP) আন্দোলনকে রাজনৈতিক রূপ দেওয়ার অভিযোগ আরও জোরালো করে। এর আগে, গত ৬ জুন যন্তর মন্তরে আয়োজিত আর একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে খবর করতে যাওয়া কয়েকজন মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটির একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয় (BJP)। ভিডিওতে দেখা যায়, কয়েকজন বিক্ষোভকারী এক মহিলা সাংবাদিককে ঘিরে স্লোগান দিচ্ছেন, এবং তাঁর উদ্দেশে অশালীন অঙ্গভঙ্গি করছেন। ঘটনায় নিন্দার ঝড় ওঠে সাংবাদিক মহলে, তীব্র প্রতিক্রিয়া (Cockroach Janta Party) দেখা দেয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশজুড়ে কালেমাখচিত কালো-সাদা পতাকার দাপাদাপি, কারা ওড়াচ্ছে এসব ঝান্ডা?

    Bangladesh: বাংলাদেশজুড়ে কালেমাখচিত কালো-সাদা পতাকার দাপাদাপি, কারা ওড়াচ্ছে এসব ঝান্ডা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশজুড়ে (Bangladesh) ফুটবল বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যেই নতুন করে চর্চায় এসেছে কালেমাখচিত কালো-সাদা পতাকার (Kalema Flags) দাপাদাপি। রাজধানী ঢাকা থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফরিদপুর, মিরপুর-সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এই সব পতাকা টাঙানো এবং মিছিল-সমাবেশে বহন করার ঘটনা নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে এক লপ্তে অনেকখানি। কারণ, একই ধরনের পতাকা অতীতে আল-কায়েদা, ইসলামিক স্টেট (আইএস) এবং নিষিদ্ধ সংগঠন হিজবুত তাহরীরের মতো জঙ্গি সংগঠনের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হত।

    কালেমাখচিত পতাকা (Bangladesh)

    জানা গিয়েছে, গত ১৭ জুন ঢাকার একটি ফ্লাইওভারে প্রথম কালেমাখচিত পতাকা দেখা যায়। এরপর অল্প সময়ের মধ্যেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে দেখা যায় এই ঝান্ডার রমরমা। সড়ক, আবাসিক এলাকা মায় সোশ্যাল মিডিয়ায়ও এই জাতীয় পতাকাকে পতপত করে উড়তে দেখা গিয়েছে। শুধু তাই নয়, মোটরসাইকেলে শোভাযাত্রা এবং ধর্মীয় সমাবেশেও একই ধরনের পতাকা বহন করা হচ্ছে। সেই ভিডিও-ও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সুকৌশলে। এমনই ছবি নজরে এসেছে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

    দু’ধরনের পতাকা

    মূলত দু’ধরনের পতাকা বেশি দেখা যাচ্ছে। একটি সাদার পটভূমিতে কালো অক্ষরে লেখা, আর, অন্যটিতে কালোর পটভূমিতে সাদা অক্ষরে আরবি ভাষায় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বা ইসলামের কালেমা লেখা রয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, সাদা-কালো নকশার এই পতাকাগুলির একটির সঙ্গে তালিবানের, এবং অন্যটির সঙ্গে আল-কায়েদা, আইএস এবং হিজবুত তাহরীরের ঝান্ডার মিল রয়েছে। যদিও এখনও পর্যন্ত এসব নিশান ওড়ানোর সঙ্গে নির্দিষ্ট কোনও জঙ্গি সংগঠনের সরাসরি যোগাযোগের প্রমাণ মেলেনি (Kalema Flags)। কিছু মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা নিজেদের ‘তাওহিদী জনতা’ নামে পরিচয় দিয়েছেন। গত কয়েক সপ্তাহে এই ব্যানারে দেশের বিভিন্ন জায়গায় একাধিক সমাবেশ হয়েছে। একটি শোভাযাত্রায় প্যালেস্তাইনের পতাকাও দেখা গিয়েছে। গত বছর ‘তাওহিদী জনতা’ ঘনিষ্ঠ কিছু গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মাজার, সুফি প্রতিষ্ঠান এবং বাউল সমাবেশে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল (Bangladesh)।

    হিজবুত তাহরীরের তৎপরতা

    এদিকে, হিজবুত তাহরীরের সাম্প্রতিক তৎপরতাও নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়েছে। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা সরকারের সময় সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হলেও, ২০২৪ সালের রাজনৈতিক ডামাডোলের পর তাদের কার্যকলাপ বাড়ার অভিযোগ রয়েছে। গত বছর ঢাকার জাতীয় মসজিদের সামনে ‘মার্চ ফর খিলাফত’ কর্মসূচিতে দু’হাজারেরও বেশি মানুষের অংশগ্রহণ দেশটির নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছিল। যদিও বর্তমানে ঝান্ডা প্রদর্শনের ঘটনায় হিজবুত তাহরীরের যোগের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।সম্প্রতি ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজার বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানে হামাসের ক্রমবর্ধমান তৎপরতা নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তাঁর মতে, প্যালেস্তাইনের প্রতি জনসমর্থন থাকা স্বাভাবিক হলেও, বিদেশি জিহাদি মতাদর্শের পক্ষ্মবিস্তার নিরাপত্তার পক্ষে উদ্বেগজনক হতে পারে (Bangladesh)।

    কী বলছেন উদ্যোক্তারা?

    এদিকে, দিনাজপুরে আয়োজিত একটি শোভাযাত্রার উদ্যোক্তাদের দাবি, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের প্রতিবাদ এবং ইসলামের বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাদের উদ্দেশ্য। আয়োজকদের একজন মুফতি আবু বকর সিদ্দিক। তিনি জানান (Kalema Flags), তারা মানুষের হৃদয়ে কালেমার বার্তা পৌঁছে দিতে চান। ফুটবল বিশ্বকাপকে ঘিরে অতিরিক্ত উন্মাদনা থেকে মানুষকে বিরত থাকার আহ্বানও জানান তাঁরা। বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায়ও কালেমাখচিত পতাকার প্রচার বেড়েছে। বিভিন্ন ধর্মভিত্তিক ফেসবুক পেজ এবং অনলাইন মার্কেটপ্লেসে এসব পতাকা বিক্রি ও প্রচারের তথ্য সামনে এসেছে। একই সঙ্গে হেফাজতে ইসলাম-সংশ্লিষ্ট নেতা মুফতি হারুন ইজহারের একটি পুরোনো ভিডিওও ভাইরাল হয়েছে, যেখানে তিনি তরুণদের বিভিন্ন স্থানে কালেমার পতাকা টাঙানোর আহ্বান জানিয়েছেন। ভিডিওতে তিনি বলেন, “যদি এসব পতাকাকে জঙ্গিবাদের প্রতীক বলা হয়, তবে আর্জেন্টিনা এবং ব্রাজিলের পতাকাও নামিয়ে ফেলতে হবে।”

    উগ্রপন্থীদের ‘রিহার্সাল’! 

    এদিকে, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের অন্যতম নেতা তথা সাংসদ হাসনাত আবদুল্লাকে আল-কায়েদার মতো দেখতে একটি পতাকার সঙ্গে দেখা যাওয়ার ঘটনা নিয়েও বিতর্কের সৃষ্টি করেছে। যদিও এই বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও মন্তব্য এখনও মেলেনি (Bangladesh)। বাংলাদেশের সন্ত্রাসবিরোধী ইউনিটের এক কর্তা সংবাদমাধ্যমে জানান, একটি গোষ্ঠী সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষের আবেগকে ব্যবহার করে বিদেশি উগ্রবাদী সংস্কৃতিকে মূলধারায় আনার চেষ্টা করছে কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, এই ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতে উগ্রবাদী সংগঠনের উপস্থিতি জানান দেওয়ার একটি ‘রিহার্সাল’-ও হতে পারে। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। তাই বিষয়টি নয়াদিল্লির কাছেও গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত নিরাপত্তা, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা এবং কূটনৈতিক সম্পর্কের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে দুই দেশেই দেখা দিয়েছে উদ্বেগ। যদিও, এখনও পর্যন্ত সরকার বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী কোনও নির্দিষ্ট সংগঠনকে দায়ী করেনি। তদন্ত শেষ না (Kalema Flags) হওয়া পর্যন্ত বিষয়টি নিয়ে সতর্ক অবস্থানেই রয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ (Bangladesh)।

  • Bangladesh: ঢাকায় মন্দিরের সহকারী পুরোহিতকে অপহরণের অভিযোগ, নির্যাতনের পর আদায় করা হল মুক্তিপণের টাকাও

    Bangladesh: ঢাকায় মন্দিরের সহকারী পুরোহিতকে অপহরণের অভিযোগ, নির্যাতনের পর আদায় করা হল মুক্তিপণের টাকাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমেই হিন্দুদের নিরাপত্তার ফস্কা গেরো খসে পড়ছে বাংলাদেশে (Bangladesh)। এবার রাজধানী ঢাকার ওয়ারি এলাকা থেকে এক হিন্দু আইন পড়ুয়া তথা মন্দিরের সহকারী পুরোহিতকে অপহরণ করে নির্যাতন চালিয়ে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগ উঠল। জখম অবস্থায় উদ্ধার করা হয় বছর পঁচিশের সুভাষ দেউরীকে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি (Hindu Priest Kidnapped)। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, সুভাষ পুরানো ঢাকার সেন্ট্রাল ল’ কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরে স্থায়ী পুরোহিতের অনুপস্থিতিতে মাঝে মাঝে সহকারী হিসেবে পুজোও করতেন তিনি। তবে তাঁকে ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে টার্গেট করা হয়েছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।

    অপহৃতের পরিবারের অভিযোগ (Bangladesh)

    সুভাষের স্বজনদের অভিযোগ, সোমবার রাত আটটা নাগাদ রিকশায় চড়ে তিনি পৌঁছন স্বামীবাগ এলাকায়। সেখান থেকেই তাঁকে অপহরণ করে অজ্ঞাতপরিচয় কয়েকজন। মঙ্গলবার সকালে তিনি কোনওভাবে অপহরণকারীদের খপ্পর থেকে পালিয়ে রুমমেটের সাহায্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন (Bangladesh)। সুভাষের বোন জয়া জানান, মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে তাঁর দাদার মোবাইল নম্বর থেকে একটি ফোন আসে। ফোনের অপর প্রান্তে থাকা একজন সুভাষের মুক্তিপণ বাবদ ৩০ হাজার বাংলাদেশি টাকা দাবি করে। পরে অপহরণকারীদের দেওয়া একটি নম্বরে ২৬ হাজার টাকা পাঠানোর পর সুভাষকে পুরানো ঢাকার একটি সড়কে ফেলে রেখে যায় দুষ্কৃতীরা।সুভাষের আত্মীয় দীপু বর্মণ জানান, সুভাষের পা ও কোমরের হাড় ভেঙে গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর অস্ত্রোপচার করতে হবে।

    পুলিশের বক্তব্য

    ওয়ারি থানার (Bangladesh) ওসি মোফিজুর রহমান জানান, সুভাষ পুলিশকে জানিয়েছেন সোমবার রাতে তিনি স্বামীবাগের একটি মন্দিরে গিয়েছিলেন। সেখানে কয়েকজন তাঁকে অপহরণ করে একটি বাড়িতে আটকে রাখে (Hindu Priest Kidnapped)। ওসি বলেন, “ভোরের দিকে ভবনের একটি অংশ থেকে লাফ দিয়ে তিনি পালানোর চেষ্টা করেন। এই সময় গুরুতর আহত হন তিনি।” ওসি জানান, তদন্ত শুরু হয়েছে। অপহরণকারীদের শনাক্ত করার কাজও চলছে।

    মন্দির কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা

    জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দির কমিটির সদস্য সচিব অনীক কুমার দাস জানান, সুভাষ মন্দিরের স্থায়ী পুরোহিত নন। তিনি বলেন, “আমাদের স্থায়ী পুরোহিত সাইকত পাঠক। তাঁর অনুপস্থিতিতে মাঝে মাঝে সুভাষ পুজোপাঠ করতেন। এই ঘটনার সঙ্গে আমাদের মন্দিরের কোনও সম্পর্ক নেই। এই বিষয়ে আমরা আমাদের ফেসবুক পেজেও ব্যাখ্যা দিয়েছি (Hindu Priest Kidnapped)।”

    সংখ্যালঘু সংগঠনের প্রতিক্রিয়া

    বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের মুখপাত্র কাজল দেবনাথ জানান, তাঁরা বিষয়টি জানেন। এটি নিছকই একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা, নাকি পরিকল্পিত অপহরণ—খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সুভাষের বাড়ি খুলনা বিভাগের মাগুরা জেলায়। তিনি ঢাকায় এক বন্ধুর সঙ্গে রুম শেয়ার করে থাকতেন (Bangladesh)।

     

  • POK: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ পড়ল ২২ দিনে, ইসলামাবাদের নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে সরব আন্দোলনকারীরা

    POK: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে বিক্ষোভ পড়ল ২২ দিনে, ইসলামাবাদের নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে সরব আন্দোলনকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাক-অধিকৃত কাশ্মীরের (POK) রাওয়ালাকোটে (Rawalakot) ইসলামাবাদের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের বিরুদ্ধে চলা বিক্ষোভ মঙ্গলবার পড়ল ২২তম দিনে। ঈদগাহ গ্রাউন্ডে (Eidgah Ground) অনুষ্ঠিত সমাবেশে হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। সেখানে বক্তারা (Pakistan Protesters) দাবি করেন, এই অঞ্চলকে আর পাকিস্তানের অংশ হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়, এবং প্রয়োজনে ভারতের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের পথ খোঁজার কথাও বলেন।

    অব্যাহত আন্দোলনকারীদের ওপর নিপীড়ন (POK)

    আন্দোলনকারীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে সুশাসনের অভাব, অর্থনৈতিক সঙ্কট, মূল্যবৃদ্ধি, প্রশাসনিক অবহেলা এবং রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে এই আন্দোলন শুরু হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, গত ৫ জুন থেকে গোটা অঞ্চলে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়েছে, যাতে আন্দোলনের খবর বাইরে ছড়িয়ে না পড়ে এবং জনসংযোগ সীমিত থাকে। স্থানীয় নাগরিক অধিকার-কর্মী সর্দার আমান খানের নেতৃত্বে আন্দোলন আরও জোরদার হয়, যখন পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ দু’সপ্তাহের জন্য খাদ্য-সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহে অবরোধ জারি করে বলে অভিযোগ ওঠে। এর পর থেকেই বিক্ষোভে মানুষের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়।

    পাক অধিকৃত কাশ্মীরের হুঁশিয়ারি ইসলামাবাদকে

    সমাবেশে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আমান বলেন, “পাকিস্তান-শাসিত কাশ্মীর পাকিস্তানের অংশ নয়, এবং এই অঞ্চলের পাকিস্তানকে যতটা প্রয়োজন, তার চেয়ে ঢের বেশি প্রয়োজন পাকিস্তানেরই।” তাঁর দাবি, ৯ জুন থেকে নিয়ন্ত্রণরেখার (LoC) কাছে আলাদা একটি অবস্থান-বিক্ষোভও চলছে। একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তিনি সতর্ক করে বলেন, “যদি খাদ্য ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকে, তাহলে এখানকার মানুষ ভারতের কাছ থেকে সাহায্য চাওয়ার কথা ভাবতে পারে।” তাঁর মতে, এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে অঞ্চলের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে এবং ইসলামাবাদের ওপর চাপ বাড়বে।”

    স্বৈরাচার মানব না

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ভিডিওয় দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা পাক-শাসিত কাশ্মীরকে পাকিস্তানের অংশ হিসেবে মানতে অস্বীকার করছেন। এর পাশাপাশি তাঁরা পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের বিরুদ্ধেও স্লোগান দেন। সাফ জানিয়ে দেন কোনও ধরনের স্বৈরাচার মেনে নেওয়া হবে না। যদিও, এসব ভিডিওর সত্যতা যাচাই করা হয়নি (POK)। এদিকে, এই আন্দোলন শুধু পাক অধিকৃত কাশ্মীরেই সীমাবদ্ধ নেই, বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী মানুষও পাকিস্তানের কূটনৈতিক মিশনের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করছেন। আন্দোলনকারীদের নেতারা জানিয়েছেন, মুজাফফরাবাদ-সহ (Pakistan Protesters) সমগ্র অঞ্চল নিয়ে তাঁদের রাজনৈতিক দাবিদাওয়া পূরণ না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকবে আন্দোলন (POK)।

     

  • TMC July 21 Rally: ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভার অনুমতি নয়, মমতা-ঋতব্রত— তৃণমূলের দুই শিবিরকেই জানিয়ে দিল পুলিশ

    TMC July 21 Rally: ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভার অনুমতি নয়, মমতা-ঋতব্রত— তৃণমূলের দুই শিবিরকেই জানিয়ে দিল পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২১ জুলাই ধর্মতলায় ‘শহিদ দিবস’ উপলক্ষে রাজনৈতিক সমাবেশের (TMC July 21 Rally) অনুমতি দেওয়া হবে না বলে কালীঘাট এবং ঋতব্রত— তৃণমূলের দুই শিবিরকেই জানিয়ে দিল (Dharmatala) কলকাতা পুলিশ। লালবাজারের বক্তব্য, ধর্মতলার মতো অত্যন্ত ব্যস্ত এলাকায় রাস্তা অবরুদ্ধ করে কোনও রাজনৈতিক কর্মসূচি আয়োজনের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।

    ধর্মতলায় সভা নয় (TMC July 21 Rally)

    এ বছর ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য পুলিশের কাছে আলাদা করে আবেদন জানিয়েছিল দুই পক্ষই। অনুমতির সিদ্ধান্ত ঘোষণার আগেই রবিবার সেখানে ফিতে দিয়ে জায়গা মাপতে দেখা গিয়েছিল তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের কুণাল ঘোষ ও দোলা সেনকে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় রাজনৈতিক বিতর্ক। পরে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটিয়ে মাপজোক করার অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে কলকাতা পুলিশ। তার পরের দিনই ধর্মতলায় সভার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেওয়া হয়।

    মমতা শিবিরের বক্তব্য

    মমতা শিবিরের তরফে রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ শুভাশিস চক্রবর্তী বলেন, “এখনও পুলিশের তরফে কোনও চিঠি আমরা পাইনি। তাই এখনই এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করব না।” ঋতব্রত শিবিরের পরিষদীয় দলের মুখ্যসচেতক তথা মুর্শিদাবাদের রঘুনাথগঞ্জের বিধায়ক আখরুজ্জামান জানান, “আমরা আমাদের শহিদ দিবস পালন করবই। তবে তা কখনও মানুষের কোনও অসুবিধা করে হবে না। আমরা সবাই মিলে বসে এই কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেব।”

    তৃণমূলে মুষল পর্ব 

    প্রসঙ্গত, ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে গোহারা হেরে যাওয়ার পরেই মুষল পর্ব শুরু হয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাধের তৃণমূলে। এক শিবিরের নেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়, আর অন্য গোষ্ঠীর নেতা মমতা স্বয়ং। দলের অন্দরে এই বিভাজনের জেরে এ বছর ২১ জুলাইয়ের কর্মসূচি আদৌ হবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল। তবে সম্প্রতি মমতা জানিয়েছিলেন, ধর্মতলায়ই শহিদ দিবস পালনের পরিকল্পনা রয়েছে। উত্তর কলকাতার এক কর্মসূচিতে কুণালের মোবাইল ফোন থেকে (TMC July 21 Rally) তাঁর বার্তাও শোনানো হয়। সেখানে মমতা বলেন, “২১ জুলাই আশা করি অনুমতি পাব। আমরা একটা দিনই মিটিং করি। সে দিন বিস্তারিত বলব। পাঁচ জন কর্মী থাকলেও সেই মিটিংয়ে থাকব। আপনারা ওই দিন সমবেত হোন।” এরপরই দুই শিবির পৃথকভাবে একই জায়গায় সমাবেশের অনুমতি চেয়ে আবেদন করে।

    ২১ জুলাই

    ধর্মতলায় ২১ জুলাইয়ের সভা তৃণমূলের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ঐতিহ্য। ২০১১ সালে কর্মসূচি পালিত হয়েছিল ব্রিগেড ময়দানে। ২০১৩ এবং অতিমারির কারণে ২০২০ ও ২০২১ সালে ধর্মতলায় সভা হয়নি। বাকি প্রায় প্রত্যেক বছরই এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে ধর্মতলায়ই। ২১ জুলাইয়ের এই কর্মসূচির সূচনা ১৯৯৩ সালের ঘটনাকে ঘিরে। সেই সময় যুব কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন মমতা। সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্রের দাবিতে মহাকরণ অভিযানের ডাক দেওয়া হয়েছিল। মিছিল মহাকরণের দিকে এগোতে শুরু করলে বিভিন্ন জায়গায় পুলিশ ব্যারিকেড করে তা রুখে দেয়। এরপর বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ, ইট-পাথর বর্ষণ, কাঁদানে গ্যাসের সেল ফাটানো এবং উত্তেজনার মধ্যে গুলিচালনার ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় ১৩ জনের মৃত্যু হয় (Dharmatala), জখম হয়েছিলেন বহু কংগ্রেস কর্মী-সমর্থক। এই দিনটিকেই শহিদ দিবস হিসেবে পালন করে আসছে তৃণমূল (TMC July 21 Rally)।

     

LinkedIn
Share